ভর্তি তথ্য

সরকারি বিদ্যালয়ে ভর্তির আবেদন নভেম্বরে

ঢাকা : সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ২০১৯ শিক্ষাবর্ষে ভর্তি কার্যক্রম ১৫ ডিসেম্বরের মধ্যে শেষ করা হবে। প্রথম-নবম শ্রেণি পর্যন্ত ভর্তির জন্য যথাক্রমে লটারি, পরীক্ষা ও জেএসসি পরীক্ষার ফলের ভিত্তিতে করা হবে।

মঙ্গলবার (৯ অক্টোবর) মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতরের (মাউশি) এক সভায় এ বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত হয়েছে।

২০১৯ শিক্ষাবর্ষে ভর্তির জন্য সব প্রক্রিয়া ১৫ ডিসেম্বরের মধ্যে শেষ করা হবে। সে হিসেবে নভেম্বরের শেষে অনলাইনে আবেদন শুরু হবে। খুব শিগগিরই এ নিয়ে মন্ত্রণালয়ে বৈঠক হবে। মাউশি সূত্রে এতথ্য জানা গেছে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

সোমবার ঢাবি চ-ইউনিটের ফল প্রকাশ

নিজস্ব প্রতিবেদক | ০৭ অক্টোবর, ২০১৮: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুষদভুক্ত ‘চ’ ইউনিটের অধীনে ১ম বর্ষ বিএফএ সম্মান শ্রেণীতে ভর্তি পরীক্ষার ফল সোমবার দুপুর ১:০০টায় প্রকাশ করা হবে।বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান প্রশাসনিক ভবনস্থ কেন্দ্রীয় ভর্তি অফিসে (কক্ষ নং-২১৪) আনুষ্ঠানিকভাবে পরীক্ষার ফল প্রকাশ করবেন।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষা খাতা পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন শুরু ১০ অক্টোবর

নিজস্ব প্রতিবেদক | ০৭ অক্টোবর, ২০১৮: মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার খাতা পুনঃনিরীক্ষণ করার সুযোগ দেবে স্বাস্থ্য অধিদফতর। আগ্রহী পরীক্ষার্থীরা আগামী ১০ অক্টোবর থেকে ২০ অক্টোবরের মধ্যে টেলিটকে এসএমএসের মাধ্যমে এক হাজার টাকা (অফেরতযোগ্য) জমা দিয়ে নিজ ফল পুনঃনিরীক্ষার জন্য আবেদন করার সুযোগ পাবেন।

আজ রোববার (৭ অক্টোবর) স্বাস্থ্য অধিদফতরের পরিচালক (চিকিৎসাশিক্ষা ও স্বাস্থ্য জনশক্তি উন্নয়ন) অধ্যাপক ডা. মো. আবদুর রশীদ এ তথ্য জানান।
পুনঃনিরীক্ষার ফলাফল যথাসময়ে জানানো হবে। এ ব্যাপারে স্বাস্থ্য অধিদফতরের ভর্তি পরীক্ষা কমিটির সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত বিবেচিত হবে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
গত শুক্রবার অনুষ্ঠিত মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় ৬৩ হাজার ২৬ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন। তাদের মধ্যে ন্যূনতম ৪০ নম্বর পেয়ে পাস করেন ২৪ হাজার ৯৬৮ জন।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

মেডিকেল কলেজের ভর্তি পরীক্ষায় মেয়েরা এগিয়ে

অনলাইন রিপোর্টার ॥ সরকারি ও বেসরকারি মেডিকেল কলেজের ভর্তি পরীক্ষার ফলাফলে ছেলেদের চেয়ে মেয়েরা এগিয়ে রয়েছে। গত শুক্রবার (৫ অক্টোবর) অনুষ্ঠিত ভর্তি পরীক্ষার ফল রবিবার প্রকাশিত হয়। ফলাফলে দেখা যায়, পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী মোট ৬৩ সহস্রাধিক পরীক্ষার্থীদের মধ্যে থেকে ৩৬টি সরকারি মেডিকেল কলেজে ভর্তির জন্য জাতীয় মেধা তালিকায় স্থান পেয়েছেন চার হাজার ৬৮ জন।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের পরিচালক (চিকিৎসা শিক্ষা ও স্বাস্থ্য জনশক্তি উন্নয়ন) অধ্যাপক ডা. মো. আবদুর রশীদ জানান, সরকারি মেডিকেল কলেজে সুযোগপ্রাপ্ত চার হাজার ৬৮ জনের মধ্যে ছেলেদের সংখ্যা এক হাজার ৬৫৪ জন ও মেয়েদের সংখ্যা দুই হাজার ৪১৪ জন। শতকরা হিসাবে ছেলে ৪০ ভাগ ও মেয়ে ৬০ ভাগ।

সরকারি মেডিকেল কলেজগুলোর মধ্যে রাজধানীর ঢাকা মেডিকেল কলেজকেই সেরা কলেজ বলে সবার কাছে পরিচিত। আজ প্রকাশিত ফলাফলে দেখা যায়, এ কলেজে সুযোগপ্রাপ্ত শীর্ষ ১২ জন শিক্ষার্থীর ৬ জনই মেয়ে।

উল্লেখ্য, শুক্রবার সরকারি ও বেসরকারি মেডিকেল কলেজে এমবিবিএস প্রথম বর্ষের (২০১৮-২০১৯ শিক্ষাবর্ষ) ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। স্বাস্থ্য অধিদফতরের অধীনে কেন্দ্রীয়ভাবে রাজধানীসহ সারা দেশের ১৯টি কেন্দ্রের ২৭টি ভেন্যুর ৮১৪টি কক্ষে ভর্তি পরীক্ষা নেয়া হয়। চলতি বছর ভর্তি পরীক্ষায় আবেদনকারী ৬৫ হাজার ৯১৯ জনের মধ্যে অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা ছিল ৬৩ হাজার ২৬ জন।

১০০ নম্বরের নৈর্ব্যক্তিক প্রশ্নপত্রে নেয়া পরীক্ষায় পাস নম্বর ৪০। ৪০ নম্বর পেয়ে সরকারি ও বেসরকারি উভয় মেডিকেল কলেজে ভর্তির জন্য নির্বাচিত হয়েছেন ২৪ হাজার ৯৬৮ জন।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

এমবিবিএস ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ

ডেস্ক,৭ অক্টোবর: চলতি বছরের মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশিত হয়েছে। জাতীয় মেধাতালিকার ভিত্তিতে সরকারি ৩৬টি মেডিকেল কলেজে ভর্তির জন্য নির্বাচিত হয়েছেন ৪ হাজার ৬৮জন পরীক্ষার্থী। অপেক্ষমান তালিকায় রাখা হয়েছে ৫০০ জনকে।

১০০ নম্বরের নৈর্ব্যক্তিক প্রশ্নপত্রের ভর্তি পরীক্ষায় প্রাপ্ত সর্বোচ্চ নম্বর ৮৭ ও সর্বনিম্ন ৫৭।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল কালাম আজাদ ও পরিচালক (চিকিৎসা শিক্ষা ও স্বাস্থ্য জনশক্তি উন্নয়ন) আজ (রোববার) দুপুরে ফলাফল প্রকাশের এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

৫ অক্টোবর সরকারি ও বেসরকারি মেডিকেল কলেজে এমবিবিএস প্রথম বর্ষের (২০১৮-২০১৯ শিক্ষাবর্ষ) ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। স্বাস্থ্য অধিদফতরের অধীনে কেন্দ্রীয়ভাবে রাজধানীসহ সারাদেশের ১৯টি কেন্দ্রের ২৭টি ভেন্যুর ৮১৪টি কক্ষে ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।

চলতি বছর ভর্তি পরীক্ষায় আবেদনকারী ৬৫ হাজার ৯১৯ জনের মধ্যে অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা ছিল ৬৩ হাজার ২৬ জন।

উল্লেখ্য, ১০০ নম্বরের নৈর্ব্যক্তিক প্রশ্নপত্রে নেয়া পরীক্ষায় পাস নম্বর ৪০। ৪০ নম্বর পেয়ে সরকারি ও বেসরকারি উভয় মেডিকেল কলেজে ভর্তির জন্য নির্বাচিত হয়েছেন ২৪ হাজার ৯৬৮ জন।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক ডা. আবুল কালাম আজাদ জানান, জাতীয় মেধাতালিকার ভিত্তিতে নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের কাছে এসএমএসের মাধ্যমে ফল স্বল্পতম সময়ে পৌঁছে যাবে। এ ছাড়া স্বাস্থ্য অধিদফতরের ওয়েবসাইট থেকে ফল জানা যাবে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

ঢাবি ‘ক’ ইউনিটে ফেল ৮৭ শতাংশ

ঢাবি প্রতিনিধি,৩ অক্টোবর: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষে কলা অনুষদভুক্ত ‘ক’ ইউনিটের প্রথম বর্ষ স্নাতক (সম্মান) শ্রেণিতে ভর্তি পরীক্ষার ফল বুধবার প্রকাশিত হয়েছে। এ বছর ‘ক’ ইউনিটের পরীক্ষায় অংশ নেয়া শিক্ষার্থীদের মধ্যে ৮৭ শতাংশ ফেল করেছে। পাস করেছে ১৩ শতাংশ। ঢাবির উপাচার্য ড. আখতারুজ্জামান প্রশাসনিক ভবনের কেন্দ্রীয় ভর্তি অফিসে আনুষ্ঠানিকভাবে ফল প্রকাশ করেন।

পরীক্ষার বিস্তারিত ফলাফল এবং ভর্তিপ্রক্রিয়া সম্পর্কে বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে (admission.eis.du.ac.bd) জানা যাবে। এ ছাড়া DU KA ও রোল নম্বর লিখে ১৬৩২১ নম্বরে এসএমএস পাঠিয়ে ফিরতি এসএমএসে ভর্তি-ইচ্ছুক শিক্ষার্থীরা ফল জানতে পারবেন। প্রকাশিত ফল অনুযায়ী, ‘ক’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় ১ হাজার ৭৫০টি আসনের বিপরীতে ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থী সংখ্যা ১০ হাজার ১১৭। যা শতকরা হারে ১৩ দশমিক ০৪ ভাগ। এ বছর ভর্তিচ্ছু আবেদনকারীর সংখ্যা ছিল ৮১ হাজার ৯৬ জন। পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে ৭৭ হাজার ৫৭২ শিক্ষার্থী।

পাসকৃত সকল শিক্ষার্থীকে আগামী ১৭ অক্টোবর থেকে ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত ভর্তি পরীক্ষার ওয়েবসাইটে বিস্তারিত এবং বিষয় পছন্দক্রম ফরম পূরণ করতে বলা হয়েছে। এছাড়া কোটায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের ৮ থেকে ১৫ অক্টোবরের মধ্যে বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অফিস হতে সংগ্রহ করে সঠিকভাবে পূরণ করে ডিন অফিসে জমা দেয়ার পরামর্শ দেয়া হয়েছে। ফল নিরীক্ষণের জন্য ফি প্রদান সাপেক্ষে আগামী ৪ থেকে ১১ অক্টোবরের মধ্যে বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অফিসে আবেদন করা যাবে।

উল্লেখ্য, গত ২৮ সেপ্টেম্বর শুক্রবার ‘ক’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এ বছর ১ হাজার ৭৫০টি আসনের জন্য ভর্তিচ্ছু আবেদনকারীর সংখ্যা ছিল ৮১ হাজার ৯৬ জন।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

জবি ১ম বর্ষে ভর্তির আবেদন শুরু ৫ আগস্ট

জবি প্রতিনিধি : জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষে চার বছর মেয়াদী স্নাতক (সম্মান) ও বিবিএ ১ম বর্ষের ভার্তির কার্যক্রম শুরু হচ্ছে রোববার (৪ আগস্ট)।

এ বছরই প্রথম ভিন্ন আঙ্গিকে নেয়া হবে জবিতে ভর্তি পরীক্ষা। এমসিকিউর পরিবর্তে পরীক্ষা হবে লিখিত পদ্ধতিতে।

মোট আসন : এবার জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে মোট ২ হাজার ৭৬৫টি আসনে শিক্ষার্থীরা ভর্তির সুযোগ পাবেন। এর মধ্যে ইউনিট-১ (বিজ্ঞান শাখা)-৮২৫জন, ইউনিট-২ (মানবিক শাখা)- ১ হাজার ২৭০জন, ইউনিট-৩ (বাণিজ্য শাখা)- ৫২০ জন এবং বিশেষায়িত চারটি বিভাগে (সংগীত, চারুকলা, নাট্যকলা এবং ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন) মোট ১৫০ জন ভর্তি হতে পারবেন।

আবেদনের যোগ্যতা : যেসব শিক্ষার্থী ২০১৫ বা ২০১৬ সালে এসএসসি/সমমান এবং ২০১৮ সালে এইচএসসি/সমমান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছেন কেবলমাত্র তারাই ভর্তির আবেদন করতে পারবেন।

এরমধ্যে এসএসসি/সমমান এবং এইচএসসি/সমমান পরীক্ষায় ইউনিট-১ (বিজ্ঞান শাখা)-এর জন্য ন্যূনতম জিপিএ ৮.০, ইউনিট-২ (মানবিক শাখা)-এর জন্য ন্যূনতম জিপিএ ৭.৫ এবং ইউনিট-৩ (বাণিজ্য শাখা)-এর জন্য ন্যূনতম জিপিএ ৮.০ থাকতে হবে। তবে এসএসসি/সমমান এবং এইচএসসি/সমমান কোনো পরীক্ষায় জিপিএ ৩.০ এর নীচে পেলে তারা কোনো বিভাগে আবেদনের যোগ্য হবেন না।

অপরদিকে বিশেষায়িত বিভাগে ভর্তির আবেদনের জন্য এসএসসি/সমমান এবং এইচএসসি/সমমান পরীক্ষায় শিক্ষার্থীদের মোট জিপিএ ৭.০ (কোনো পরীক্ষায় জিপিএ ২.৫ এর নীচে নয়) থাকতে হবে।

আবেদন প্রক্রিয়া : ইউনিট-১, ২ ও ৩ এর জন্য admission.jnu.ac.bd অথবা admissionjnu.info ওয়েবসাইটে login করে bKash-এ সার্ভিস চার্জসহ ১০১/- টাকা, SureCash-এ সার্ভিস চার্জসহ ১০৪/- টাকা এবং Rocket-এ সার্ভিস চার্জসহ ১০১/- টাকা জমা দেয়া সাপেক্ষে ৫ আগস্ট বেলা ১২টা থেকে ২৭ আগস্ট রাত ১২টা পর্যন্ত প্রাথমিক আবেদন করা যাবে। প্রাথমিক আবেদনকৃত শিক্ষার্থীদের এসএসসি এবং এইচএসসি পরীক্ষায় প্রাপ্ত জিপিএ এবং এইচএসসি পরীক্ষায় প্রাপ্ত মোট নম্বরকে (৪র্থ বিষয়সহ) ভিত্তি করে লিখিত পরীক্ষার জন্য প্রথম ৩০ হাজার যোগ্য শিক্ষার্থীর তালিকা (পরীক্ষার্থীর নাম ও রোল নম্বরসহ) প্রস্তুত করে বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েব সাইটে প্রকাশ করা হবে এবং পরীক্ষার্থীদের দেয়া মোবাইল নম্বরে SMS-এর মাধ্যমে জানিয়ে দেয়া হবে। এই শর্ত পোষ্য কোটাসহ সব কোটার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে।

প্রাথমিকভাবে বাছাইকৃত শিক্ষার্থীরা Application ID Number ব্যবহার করে ভর্তি সংক্রান্ত ওয়েবসাইট (admission.jnu.ac.bd অথবা admissionjnu.info) login করে ছবি, স্বাক্ষর, প্রযোজ্য ক্ষেত্রে কোটার তথ্য Upload করে Final Submit করতে পারবেন। Final Submit করার পর কোনো পরিবর্তন করা যাবে না। প্রাথমিকভাবে বাছাইকৃত শিক্ষার্থীরা লিখিত পরীক্ষার জন্য bKash-এ সার্ভিস চার্জসহ ৫০৫/- টাকা, SureCash-এ সার্ভিস চার্জসহ ৫০৫/- টাকা এবং Rocket-এ সার্ভিস চার্জসহ ৫০৫/- টাকা ৩১ আগস্ট বেলা ১২টা থেকে ১৫ সেপ্টেম্বর রাত ১২টা পর্যন্ত জমা প্রদান করতে পারবেন। Final Submit-এর পর প্রবেশপত্র ডাউনলোড করা যাবে এবং পরীক্ষার দিন অবশ্যই তা সঙ্গে নিয়ে আসতে হবে।

বিশেষায়িত বিভাগসমূহের (সংগীত, চারুকলা, নাট্যকলা এবং ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভশন) জন্য কোনো লিখিত পরীক্ষা নেয়া হবে না। শুধু বিষয়ভিত্তিক ব্যবহারিক এবং মৌখিক ভর্তি পরীক্ষা নেয়া হবে। শিক্ষার্থীদের admission.jnu.ac.bd অথবা admissionjnu.info ওয়েবসাইটে login করে এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার রোল নম্বর, শিক্ষা বোর্ড, পাসের সন এবং নিজের মোবাইল নম্বরসহ প্রয়োজনীয় তথ্য Input দিয়ে Submit করতে হবে। যোগ্য বিবেচিত আবেদনকারীদের একটি Applicaiton ID দেয়া হবে। একজন শিক্ষার্থী বিশেষায়িত এই চার বিভাগের প্রতিটিতে আলাদাভাবে আবেদন করতে পারবেন। Applicaiton ID প্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা প্রতিটি বিভাগের ভর্তি পরীক্ষায় (ব্যবহারিক এবং মৌখিক) অংশগ্রহণের জন্য bKash-এ সার্ভিস চার্জসহ ৪০৪/- টাকা, SureCash-এ সার্ভিস চার্জসহ ৪০৪/- টাকা এবং Rocket-এ সার্ভিস চার্জসহ ৪০৪/- টাকা ৩১ আগস্ট বেলা ১২টা থেকে ১৫ সেপ্টেম্বর রাত ১২টা পর্যন্ত জমা দিতে পারবেন। Final Submit-এর পর প্রবেশপত্র ডাউনলোড করতে পারবেন এবং পরীক্ষার দিন অবশ্যই তা সঙ্গে নিয়ে আসতে হবে।

এছাড়া বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় (বাউবি), ইংলিশ মিডিয়াম অথবা বিদেশ থেকে এইচএসসি/সমমান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা ৫ আগস্ট থেকে ২৭ আগস্ট পর্যন্ত (অফিস চলাকালীন সময়ে) কেন্দ্রীয় ভর্তি কমিটির সদস্য-সচিবের (রেজিস্ট্রার) অফিসে যোগাযোগ করে নির্ধারিত আবেদন ফরম সংগ্রহ করে আবেদন করতে পারবে।

ভর্তি পরীক্ষার তারিখ : ইউনিট-১-এর ভর্তি পরীক্ষা ২৯ সেপ্টেম্বর (শনিবার), ইউনিট-২-এর ভর্তি পরীক্ষা ৬ অক্টোবর (শনিবার), ইউনিট-৩-এর ভর্তি পরীক্ষা ১৩ অক্টোবর (শনিবার) সকাল (১০.০০টা হতে ১১.৩০টা) এবং বিকেল (৩টা হতে ৪টা৩০মিনিটি) দুটি শিফটে অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়াও বিশেষায়িত বিভাগের ব্যবহারিক এবং মৌখিক পরীক্ষা ২৭ অক্টোবর থেকে শুরু হবে।

ভর্তি সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েব সাইটে (admission.jnu.ac.bd অথবা admissionjnu.info) পাওয়া যাবে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

মাস্টার্স প্রাইভেট রেজিস্ট্রেশন শুরু ১০ ডিসেম্বর

গাজীপুর:

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৬ সালের মাস্টার্স (প্রাইভেট) রেজিস্ট্রেশনের জন্য অনলাইনে আবেদন শুরু হবে আগামী রোববার (১০ ডিসেম্বর)। চলবে ১৮ ডিসেম্বর (সোমবার) পর্যন্ত।

বুধবার (৬ ডিসেম্বর) বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে পাঠানো এক প্রেসবিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এতে জানানো হয়, ২০১৬ সালের মাস্টার্স (প্রাইভেট) রেজিস্ট্রেশনের জন্য অনলাইন আবেদন শুরু আগামী ১০ ডিসেম্বর বিকেল ৪টা থেকে শুরু হয়ে ১৮ ডিসেম্বর পর‌্যন্ত চলবে।

বিস্তারিত তথ্য বিশ্ববিদ্যালয় ওয়েবসাইট www.admissions.nu.edu.bd অথবা nu.edu.bd/admissions থেকে জানা যাবে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

শেকৃবির ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ

বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক: রাজধানীর শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক প্রথমবর্ষের ভর্তি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে। সোমবার বিকেল সাড়ে ৫টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. কামাল উদ্দিন আহাম্মদ প্রশাসনিক ভবনে কেন্দ্রীয় ভর্তি অফিসে আনুষ্ঠানিকভাবে এই ফলাফল প্রকাশ করেন।

এরপর তা নোটিশ বোর্ডে উন্মুক্ত করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে ও নোটিশ বোর্ডে ফলাফল পাওয়া যাবে।

প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, মূল মেধাতালিকা থেকে ভর্তি ২০ ও ২১ ডিসেম্বর এবং ক্লাস শুরু হবে ২ জানুয়ারি থেকে। মেধা ও অপেক্ষামাণ তালিকায় থাকা শিক্ষার্থীদের ৬ ডিসেম্বর থেকে ১০ ডিসেম্বর বিকেল ৫টার মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে অনুষদভিত্তিক অপশন পূরণ করতে হবে।

এবারের ভর্তি পরীক্ষায় এককভাবে প্রাপ্ত সর্বোচ্চ নম্বর ৮৩। প্রাপ্ত নম্বর এবং এসএসসি ও এইচএসসির জিপিএর ভিত্তিতে মেধাতালিকা তৈরি করা হয়েছে। অপেক্ষামাণ তালিকা থেকে ভর্তি করা হবে ২৬ ডিসেম্বর। অটোমাইগ্রেশন ফলাফলসহ অপেক্ষমাণ তালিকা ২৪ ডিসেম্বর প্রকাশ করা হবে।

ভর্তি বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট www.sau.edu.bd থেকে জানা যাবে।

উল্লেখ্য, চারটি অনুষদে ৬৮২টি আসনের বিপরীতে ৩৮ হাজার ১৬৩ জন শিক্ষার্থী আবেদন করেন। গত ১ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত ভর্তি পরীক্ষায় এক আসনের বিপরীতে গড়ে ৫৬ জন ভর্তিযুদ্ধে অংশ নেন।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

ইবির ‘এইচ’ ইউনিটের ফল প্রকাশ

বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক: ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষে ১ম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষার আইন ও শরীয়াহ অনুষদভুক্ত ‘এইচ’ ইউনিটের ফল প্রকাশিত হয়েছে। সোমবার রাত ৮টার দিকে ‘এইচ’ ইউনিটের সমন্বয়কারী অধ্যাপক নূরুন নাহার বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক হারুন-উর-রশিদ আসকারীর কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে ফল হস্তান্তর করেন।

এ সময় উপ-উপাচার্য অধ্যাপক শাহিনুর রহমান, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক সেলিম তোহা, আইন বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক জহুরুল ইসলাম, আল-ফিকহ অ্যান্ড লিগ্যাল স্টাডিজ বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক এ কে এম নুরুল ইসলাম এবং আইন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক আরমিন খাতুন উপস্থিত ছিলেন।

‘এইচ’ ইউনিটে ২৪০টি আসনের বিপরীতে ১০ হাজার ৭৫১ জন শিক্ষার্থী আবেদন করেন। এর মধ্যে ৯ হাজার ২৫২ জন পরীক্ষায় উপস্থিত থেকে ৩ হাজার ৮৯৬ জন পরীক্ষার্থী উত্তীর্ণ হন। উত্তীর্ণদের মধ্য হতে ১ম শিফটের মেধাক্রম ১ থেকে ১৪৭ পর্যন্ত আগামী ১২ ডিসেম্বর এবং ২য় শিফটের মেধাক্রম ১ থেকে ৯৩ পর্যন্ত ভর্তিচ্ছুদের আগামী ১৩ ডিসেম্বর সকাল ১০টা হতে দুপুর ১টা পর্যন্ত মৌখিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

ভর্তি সংক্রান্ত যে কোনো তথ্য বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে (www.iu.ac.bd) পাওয়া যাবে।

উল্লেখ্য, গত ৩ ডিসেম্বর দুপুর দেড়টা থেকে আড়াইটা এবং বিকেল সাড়ে ৩টা থেকে সাড়ে ৪টা পর্যন্ত মোট দুই শিফটে ‘এইচ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

কামিল প্রথমবর্ষের ফল প্রকাশ

নিজস্ব প্রতিবেদক : ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে কামিল প্রথমবর্ষের ফল প্রকাশ হয়েছে। সোমবার বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, কামিল ২০১৫-১৬ সেশনে পরীক্ষার ফল প্রকাশিত হয়েছে। এবার দেশের ১৩০ পরীক্ষা কেন্দ্রে এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। পাঁচটি বিষয়ে মোট ১৮ হাজার ২৪৯ শিক্ষার্থী এবারের পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন। যার মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছেন ১৭ হাজার ৬৮১ জন।

ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মুহাম্মদ আহসান উল্লাহ মেধা তালিকায় উত্তীর্ণদের অভিনন্দন জানিয়ে সকলকে স্ব-স্ব ক্ষেত্রে মেধা ও যোগ্যতা দিয়ে দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করার আহ্বান জানান।

পরীক্ষার ফল বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট www.iau.edu.bd থেকে জানা যাবে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

খুলনায় সরকারি সাতটি স্কুলে অনলাইনে ভর্তি আবেদন শুরু

খুলনা প্রতিনিধি:খুলনায় সরকারি সাতটি স্কুলে তৃতীয় ও ষষ্ঠ শ্রেণিতে ভর্তির জন্য অনলাইনে আবেদন বৃহস্পতিবার (৩০ নভেম্বর) থেকে শুরু হয়েছে।  ১৪ ডিসেম্বর রাত ১২টা পর্যন্ত আবেদন করা যাবে। আগামী ১৯ ও ২০ ডিসেম্বর স্কুলগুলোতে ভর্তি পরীক্ষা নেওয়া হবে।

ভর্তি কমিটির সদস্য সচিব ও জিলা স্কুলের প্রধান শিক্ষক মো. আরিফুল ইসলাম জানান, ভর্তি কমিটির সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এবার পরীক্ষার খাতাগুলো কেন্দ্র থেকে কোর্ডিং করাসহ সিলগালা করে ট্রেজারিতে পাঠানো হবে এবং পরদিন খাতাগুলো এনে সিলগালা খুলে মূল্যায়ন করে সঙ্গে সঙ্গে ফল ঘোষণা করা হবে।

তিনি জানান, খুলনা জিলা স্কুল, সরকারি করেনেশন মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় ও গভঃ ল্যাবরেটরি হাই স্কুলের তৃতীয় শ্রেণির ভর্তি পরীক্ষা ১৯ ডিসেম্বর সকাল ১০টা থেকে ১১টা পর্যন্ত স্ব-স্ব বিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত হবে। খুলনা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির ভর্তি পরীক্ষা ২০ ডিসেম্বর সকাল ১০টা থেকে ১১টা পর্যন্ত এবং সরকারি ইকবালনগর মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির ভর্তি পরীক্ষা ২০ ডিসেম্বর দুপুর ২টা থেকে ৩টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে। আর খুলনা জিলা স্কুল, সরকারি করেনেশন মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়, সরকারি ইকবালনগর মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় ও খুলনা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে ষষ্ঠ শ্রেণির ভর্তি পরীক্ষা ১৯ ডিসেম্বর সকাল ১০টা থেকে ১২টা পর্যন্ত খুলনা সরকারি মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়া গভঃ ল্যাবরেটরি হাই স্কুল ও সরকারি দৌলতপুর মুহসিন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণির ভর্তি পরীক্ষা ১৯ ডিসেম্বর সকাল ১০টা থেকে ১২টা পর্যন্ত স্ব-স্ব বিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত হবে। ফুলবাড়ীগেটে অবস্থিত কে.ডি.এ খানজাহান আলী সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা ২০ ডিসেম্বর সকাল ১০টা থেকে ১২টা পর্যন্ত বিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত হবে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

ভর্তি পরীক্ষায় ‘সাম্প্রদায়িক’ প্রশ্ন নিয়ে সমালোচনায় রাবি

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

পাঁচের বদলে চার অপশনে ক্ষোভ

ঢাবি প্রতিনিধি,১৫ সেপ্টেম্বর: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষে ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদভুক্ত ‘গ’ ইউনিটের অধীনে প্রথম বর্ষ সম্মান শ্রেণিতে ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্রে প্রতিটি প্রশ্নের বিপরীতে চারটি অপশন রাখা হয়েছে।

অথচ ইতোপূর্বে এই ইউনিটে প্রতিটি প্রশ্নের বিপরীতে পাঁচটি করে অপশন রাখা হতো। আর প্রতিটি ভুল প্রশ্নের জন্য কাটা হতো ০.২৪ নম্বর। অথচ এবার অপশন কমিয়ে আনা হলেও ‘নেগেটিভ মার্ক’ আগের মতোই রাখা হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্য ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার নিয়ম অনুযায়ী প্রতিটি ভুলের জন্য ০.৩০ নম্বর করে কাটা হয়। তারা প্রতিটি প্রশ্নের বিপরীতে চারটি করে অপশন দিয়ে থাকে।

অপশন কমিয়ে আনা হলেও ‘নেগেটিভ মার্ক’ কেন আগের মতো রাখা হয়েছে- এমন প্রশ্নের জবাবে ‘গ’ ইউনিট ভর্তির কমিটির আহ্বায়ক ও ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. শিবলী রুবাইয়াতুল ইসলাম জাগো নিউজকে বলেন, এটাতো পরীক্ষার আগেই হয়েছে নতুন কিছু না। আর আমরা ০.৩০ কাটবো না ০.২৪ কাটবো তাতে কী আসে যায়। আগের নিয়ম কিংবা অন্য ইউনিটের সঙ্গে তুলনা করার তো কোনো প্রয়োজন নেই। এটার তো কোনো ‘রুলস’ নেই। আগে চারটা ছিল এবার পাঁচটা অপশন, এটা কোনো সমস্যা না।

এ দিকে প্রশ্নপত্রের মধ্যেও ছিল কয়েক জায়গায় সমস্যা। অনেক ভর্তিচ্ছু দাবি করেছেন, পরীক্ষা কেন্দ্রে তাদের দেয়া প্রশ্নপত্রের মধ্যে ম্যানেজমেন্ট অংশ ছিল না। পরে অবশ্য তা সংশোধন করে দেয়া হয়েছে।

মাহবুবুর রহমান নামে এক শিক্ষার্থী বলেন, প্রশ্নপত্রে যদি অপশন কমানো হয় তাহলে নেগেটিভ মার্কও অন্যান্য ইউনিটের মতো ০.৩০ করা উচিৎ ছিল। কারণ, আমি একটি প্রশ্নের সঠিক উত্তর দিলাম অথচ অন্য একজন ভুল উত্তর দিয়েও তার সঙ্গে আমার পার্থক্য বেশি হচ্ছে না; যা কর্তৃপক্ষের আগেই ভাবা উচিৎ ছিল।

অন্যদিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি ওয়েবসাইটে অন্য চারটি ইউনিটের ভর্তি নির্দেশিকা দেয়া থাকলেও ‘গ’ ইউনিটের ভর্তি নির্দেশিকা দেয়া হয়নি।

অন্যান্য ইউনিট তাদের নির্দেশিকায় প্রতিটি প্রশ্নের বিপরীতে কতটি অপশন থাকবে এবং প্রতিটি ভুল উত্তরের জন্য কত নম্বর কাটা যাবে তা স্পষ্ট করলেও ‘গ’ ইউনিট সেটি করেনি। তাই এটি নিয়েও রয়েছে ভর্তিচ্ছুদের মধ্যে নানা মত।

এদিকে সকাল ১০টা থেকে বেলা ১১টা পর্যন্ত সুষ্ঠুভাবে ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। কোথাও কোনো জালিয়াতির খবর পাওয়া যায়নি।

ভর্তি পরীক্ষা শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রক্টর অধ্যাপক ড. এ এম আমজাদ সাংবাদিকদের বলেন, কোনো ধরনের জালিয়াতির ঘটনা ছাড়াই পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। সকলের সতর্কতার কারণে এটি সম্ভব হয়েছে। আর প্রথমবারের মতো বিশ্ববিদ্যালয়ের বাইরের কেন্দ্রগুলোতে মেটাল ডিটেক্টর ব্যবহার করায় জালিয়াত চক্র আরও ব্যর্থ হয়েছে।

সকাল সাড়ে ১০টার দিকে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান কেন্দ্র পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সকলের স্বপ্নের জায়গা। পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে চলছে। কেউ জালিয়াতি করতে চাইলে ধরা পড়বে। ভ্রামমাণ আদালতও সক্রিয় রয়েছে।

উল্লেখ্য, গ-ইউনিটে ১ হাজার ২৫০টি আসনের বিপরীতে ২৯ হাজার ৯৫৪ জন ভর্তিচ্ছু ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

ঢাবির ‘গ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা সম্পন্ন

ঢাবি প্রতিবেদক:

ঢাবি: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদভুক্ত ‘গ’ ইউনিটের অধীনে বিজনেস স্টাডিজ অনুষদে ১ম বর্ষ স্নাতক সম্মান শ্রেণীর ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শুক্রবার সকাল ১০টায় এ পরীক্ষা শুরু হয়। চলে বেলা ১১টা পর্যন্ত।

এবার ‘গ’ ইউনিটের এক হাজার দুই শত ৫০ আসনের বিপরীতে আবেদনকারীর সংখ্যা ২৯ হাজার তিন শত ১১ জন, যা প্রতি আসনের বিপরীতে প্রায় ২৪ জন।

বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস ও ক্যাম্পাসের বাইরের মোট ৫৩টি কেন্দ্রে ‘গ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।

এদিকে শনিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদভুক্ত ‘চ’ ইউনিটের অধীনে ১ম বর্ষ বিএফএ সম্মান শ্রেণীতে ভর্তি পরীক্ষা (সাধারণ জ্ঞান) অনুষ্ঠিত হবে।

সকাল ১০টা থেকে ১১টা পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয় চারুকলা অনুষদসহ ক্যাম্পাসের মোট ১১টি কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হবে। চ-ইউনিটে ১৩৫টি আসনের বিপরীতে ভর্তিচ্ছু আবেদনকারীর সংখ্যা ১৩ হাজার ৪৭২।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

Responsive WordPress Theme Freetheme wordpress magazine responsive freetheme wordpress news responsive freeWORDPRESS PLUGIN PREMIUM FREEDownload theme free