Home » Author Archives: editor

Author Archives: editor

শিক্ষা অফিসার থেকে পরিচালক পর্যন্ত পদোন্নতি পাবেন প্রাথমিক শিক্ষকরা

‌ডেস্ক,১৩ জানুয়ারীঃ ‘প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের গেজেটেড অফিসার ও নন-গেজেটেড কর্মচারীদের নিয়োগ বিধিমালা, ১৯৮৫’ সংশোধন করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে সংশোধিত চূড়ান্ত খসড়া প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। এতে একজন সহকারী শিক্ষক তার নিজ পদ থেকে প্রধান শিক্ষক, সহকারী উপজেলা/থানা শিক্ষা অফিসার, উপজেলা শিক্ষা অফিসার, সহকারী পরিচালক, এমনকি সর্বোচ্চ পরিচালক পর্যন্ত পদোন্নতি পাবেন। বর্তমানে পরিচালক প্রশাসন ক্যাডার থেকে হয়। এই নিয়োগ বিধির আওতায় এই প্রথম প্রাথমিক শিক্ষা প্রশাসন থেকে হবে।
জানতে চাইলে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালক আলমগীর মুহম্মদ মনসুরুল আলম বলেন, ‘শিক্ষার গুণগত মান বাড়াতে সর ধরনের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। শিক্ষকরা যাতে আন্তরিকতা নিয়ে নিষ্ঠার সঙ্গে শিক্ষকতা করতে পারেন সে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। আমরা শিক্ষকদের কর্মকর্তা বা কর্মচারী ভাবতে চাই না। তারা শিক্ষক, তারা সম্মানীয়। তাই তাদের জন্য আমরা ১৯৮৫ সালের প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের গেজেটেড অফিসার ও নন-গেজেটেড কর্মচারীদের নিয়োগ বিধিমালা সংশোধন করার উদ্যোগ নিয়েছি। ইতোমধ্যে মন্ত্রণালয়ে খসড়া নিয়োগ বিধিমালা পাঠানো হয়েছে।’
বেতন গ্রেড নিয়ে অসন্তোষের পর সম্প্রতি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এবং সহকারী শিক্ষকের বিভাগীয় পদন্নোতি নিয়ে অসন্তোষ সৃষ্টি হয়। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে বিষয়টি নিয়ে শিক্ষকরা সোচ্চার হয়ে ওঠেন। শিক্ষকদের পক্ষ থেকে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরে লিখিত আবেদনও জানানো হয়।
এই ঘটনার পর প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর ১৯৮৫ সালের আইনটি সংশোধনের উদ্যোগ নেয়। সংশোধন খসড়ায় সহকারী শিক্ষক ও প্রধান শিক্ষকদের পরিচালক পর্যন্ত পদোন্নতির বিধান রাখা হয়।
শিক্ষকরা বলছেন, ‘প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের গেজেটেড অফিসার ও নন-গেজেটেড কর্মচারীদের নিয়োগ বিধিমালা, ১৯৮৫’ -এর অধীনে প্রধান শিক্ষকদের পদোন্নতির বিধান ছিল। প্রধান শিক্ষকরা সহকারী উপজেলা/থানা শিক্ষা অফিসার, উপজেলা শিক্ষা অফিসার পদে পদোন্নতি পেতেন। এতে সহকারী শিক্ষকরাও নির্দিষ্ট সময়ে প্রধান শিক্ষক পদে পদোন্নতির সুযোগ পেতেন।
কিন্তু ১৯৯৪ সালের ১৯ ডিসেম্বর বিধিমালাটি সংশোধনের মাধ্যমে প্রধান শিক্ষকদের পদোন্নতি রহিত করা হয়। ফলে সহকারী শিক্ষকদের পদোন্নতির বিধান থাকলেও পদোন্নতির সুযোগ হারিয়ে যায়। এবার প্রধান শিক্ষকদের পদোন্নতির বিধানও যুক্ত হচ্ছে। ফলে সহকারী শিক্ষক ও প্রধান শিক্ষকরা নির্ধারিত নিয়মে পদোন্নতি পাবেন। আগের নিয়মে উপজেলা শিক্ষা অফিসার পর্যন্ত পদোন্নতির সুযোগ থাকলেও এবার তা বাড়িয়ে পরিচালক পর্যন্ত করা হচ্ছে।
বাংলাদেশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক সমিতির মুখপাত্র এস এম ছায়িদ উল্লা বলেন, ‘আমাদের দাবি, পরবর্তী ঊর্ধ্বতন পদে পদোন্নতির মাধ্যমে শতভাগ পদ পূরণ করতে হবে প্রধান শিক্ষকদের বিভাগীয় পদোন্নতি দিয়ে। আর যদি কোনও কারণে শতভাগ পদে বিভাগীয় পদোন্নতি দেওয়া সম্ভব না হলে অন্তত ৭০ শতাংশ পদোন্নতির মাধ্যমে বাকি ৩০ শতাংশ প্রধান শিক্ষকদের মধ্য থেকে উন্মুক্ত পরীক্ষার মাধ্যমে পূরণের জন্য বিধান যুক্ত করতে হবে। নিয়োগের ক্ষেত্রে বয়সের কোনও সীমাবদ্ধতা রাখা যাবে না।’

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

এক স্কুলে ৫ বছর হলে বদলী

নিজস্ব প্রতিবেদক,৯ জানুয়ারী:
বছরের পর বছর কিংবা সারাজীবন এক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে চাকরি করছেন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা। এই ব্যবস্থার পরিবর্তন এনে শিক্ষকদের নির্ধারিত সময় পর পর বদলি বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। গত বছরই এই উদ্যোগ নিয়েছিল প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। বর্তমানে এটি কার্যকরের উদ্যোগ নিয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর।

জানতে চাইলে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালক আলমগীর মুহম্মদ মসুরুল আলম বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘আমরা শিগগিরই এই উদ্যোগ বাস্তবায়ন করবো। এর আগে এ লক্ষ্যে তিন বছরে ঊর্ধ্বে একই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে রয়েছেন এমন শিক্ষকদের তথ্য চাওয়া হয়েছিল। পাশাপাশি অধিদফতরের আওতাধীন কর্মকর্তা-কর্মচারীদেরও বদলির ব্যবস্থা নেবো। সম্প্রতি তিন বছরের ঊর্ধ্বে একই জায়গায় রয়েছেন মাঠ পর্যায়সহ অধিদফতরের সব কর্মকর্তা-কর্মচারীদের তথ্য চাওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, কর্মকর্তা-কর্মচারীরা শিক্ষকদের হয়রানিসহ বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা নেয়। এসব বন্ধ করতে বদলি করা হবে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষকদের চাকরি বদলিযোগ্য করা হচ্ছে। তাদের ৩ বছর পর পর অথবা ৫ বছর পর পর এক স্কুল থেকে আরেক স্কুলে বদলি করা হবে। তবে শিক্ষকদের যাতে ভোগান্তি না হয় সে কারণে কাছাকাছি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বদলি করার ব্যবস্থা রাখা হবে। সরকারি চাকরিজীবীদের তিন বছর পর পর বদলি করার নিয়ম থাকলেও প্রাথমিক শিক্ষকদের বেলায় তা করা হয় না। এই প্রথম এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে।

এদিকে শিক্ষকদের বদলির পাশাপাশি তিন বছরের ঊর্ধ্বে একই জায়গায় কর্মরত মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তা কর্মচারীদেরও বদলির ব্যবস্থা নিচ্ছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর। বৃহস্পতিবার (৭ জানুয়ারি) বিভাগীয় উপপরিচালকদের কাছে এ তথ্য চেয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর।
অধিদফতরের অফিস আদেশে বলা হয়, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরসহ আওতাধীন দফতরগুলোয় একই কর্মস্থলে তিন বছরের বেশি সময় ধরে কর্মরত কর্মচারীদের তথ্য আগামী সাত কর্মদিবসের মধ্যে নির্ধারিত ছকে পাঠাতে হবে।

নির্ধারিত ছক অনুযায়ী কর্মচারীর নাম ও পদবী, কর্মরত অফিসের নাম ও যোগদানের তারিখ, কর্মরত জেলা ও উপজেলার নাম, অনুমোদিত পদসংখ্যা এবং বিভাগীয় পর্যায়ের অফিসসহ আওতাধীন অফিসের কর্মরত কর্মচারীদের মোট সংখ্যা জানাতে হবে।

এছাড়া তিন বছরের ঊর্ধ্বে কর্মরতদের নিজ জেলা ও উপজেলা, বর্তমান পদে যোগদানের তারিখ, সরকারি চাকরিতে প্রথম যোগদানের তারিখ, সরকারি চাকরিতে প্রথম পদ, আগের দুইটি কর্মস্থলের নাম ও কর্মকালীন মেয়াদের তথ্য জানাতে হবে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

তথ্য হালনাগাদ না করলে বেতন পাবেন না শিক্ষকরা

নিজস্ব প্রতিবেদক,৯ জানুয়ারী :

এমপিওভুক্ত বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের (স্কুল ও কলেজ) শিক্ষক-কর্মচারীদের নিজ ব্যাংক হিসাবে সরাসরি বেতন-ভাতা পৌঁছে দেবে সরকার। তবে নয়টি তথ্য না দিলে শিক্ষকদের ব্যাংক একাউন্টে বেতন জমা হবে না। বৃহস্পতিবার (৭ জানুয়ারি) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর এ সংক্রান্ত একটি অফিস আদেশ জারি করেছে।

অধিদপ্তরের অফিস আদেশে জানানো হয়, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের আওতাধীন এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের (স্কুল ও কলেজ) শিক্ষক কর্মচারীদের এমপিও-এর অর্থ জিটুপি (গভর্মেন্ট টু পারসন) পদ্ধতিতে ইএফটির (ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফার) মাধ্যমে পাঠানো হবে।

আদেশে বলা হয়, এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের (স্কুল ও কলেজ) শিক্ষক-কর্মচারীদের এমপিও (মান্থলি পেমেন্টে অর্ডার) -এর অর্থ বিতরণ সহজ করার লক্ষ্যে অর্থ বিভাগের সচিবের সভাপতিত্বে গত বছর ২ সেপ্টেম্বর সভা অনুষ্ঠিত হয়। ওই সভায় শিক্ষক-কর্মচারীদের এমপিও -এর অর্থ দেয়ার জন্য শিক্ষক-কর্মচারীদের ব্যবহৃত ব্যাংক একাউন্টে জিটুপি পদ্ধতিতে ইএফটির মাধ্যমে পাঠানোর সিদ্ধান্ত হয়।

ইতোমধ্যে অনলাইনে এমপিও সিস্টেমে প্রয়োজনীয় আপগ্রেডেশনের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের আওতাধীন এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের (স্কুল ও কলেজ) শিক্ষক-কর্মচারীদের এমপিও এর অর্থ ইএফটির মাধ্যমে পাঠাতে সঠিক তথ্য প্রয়োজন।

আদেশে যেসব তথ্য চাওয়া হয়েছে

১. শিক্ষক-কর্মচারীদের জাতীয় পরিচয়পত্রের নম্বর।

২. এসএসসি ও সমমানের সনদ অনুযায়ী শিক্ষক-কর্মচারীদের নাম (এসএসসি ও সমমানের সনদ অনুযায়ী এমপিওশিট, জাতীয় পরিচয়পত্রের নাম একই রকম হতে হবে)।

৩. যাদের এসএসসি ও সমমানের সনদ নেই, তাদের সর্বশেষ শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ (এমপিওশিট ও জাতীয় পরিচয় পত্রের নাম একই রকম থাকতে হবে)।

৪. ব্যাংক হিসাবের নাম শিক্ষক-কর্মচারীদের নিজ নামে থাকতে হবে।

৫. ব্যাংকের নাম, শাখার নাম ও রাউটিং নম্বর।

৬. শিক্ষক-কর্মচারীদের ব্যাংক হিসাব নম্বর (অনলাইন ব্যাংক হিসাব নম্বর ১৩ থেকে ১৭ ডিজিট)।

৭. শিক্ষক-কর্মচারীদের জন্ম তারিখ।

৮. শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন কোড ও বেতন কোডের ধাপ।

৯. শিক্ষক কর্মচারীদের মোবাইল নম্বর।

এসব তথ্য সঠিক না থাকলে ইএফটি– এর মাধ্যমে পাঠানো এমপিও– এর অর্থ শিক্ষক-কর্মচারীদের ব্যাংক হিসাবে জমা হবে না। উল্লিখিত তথ্যগুলো প্রতিষ্ঠান প্রধানের মাধ্যমে অনলাইনে সংগ্রহের জন্য মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে শিগগিরই ইএমআইএস (ইলেক্ট্রনিক ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেম) সফটওয়ারের লিংকসহ প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেয়া হবে

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

প্রাথমিকের ১৫ শিক্ষককে দুদকে তলব

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি

ঠাকুরগাঁওয়ের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ১৫ শিক্ষককে নানা অনিয়মের অভিযোগের ভিত্তিতে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) তলব করা হয়েছে।

এ ব্যপারে গত ৫ জানুয়ারি দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয় দিনাজপুরের উপ-সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ জিন্নাতুল ইসলাম স্বাক্ষরিত একটি চিঠি ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার বরাবর পাঠানো হয়।

দুদকের চিঠি থেকে জানা যায়, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস ও সদর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের মাধ্যমে দুর্নীতি, বদলি বাণিজ্য, নিয়োগ বাণিজ্য, শিক্ষক হয়রানি, প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষার ফলাফলে জিপিএ-৫ ও বৃত্তি পাইয়ে দেয়াসহ নানা অভিযোগে ওই ১৫ শিক্ষককে দুর্নীতি দমন কমিশনে তলব করা হয়।

দুদকে তলব করা শিক্ষকেরা হলেন, সঞ্জীব কুমার বর্মন, এ কে এম মিজানুর রহমান, ইয়াসিন আলি, আজহার আলী, প্রফুল্ল কুমার বর্মন, রমজান আলী, গৌরাঙ্গ দাস, আব্দুল মান্নান, সিরাজুল ইসলাম, মোহাম্মদ উল্লাহ, রফিকুল ইসলাম, ইমাম গাজ্জালী, জহরুল ইসলাম। অন্য দুজনের নাম জানা যায়নি।

এ বিষয়ে ঠাকুরগাঁও জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার হারুন অর রশিদ জানান, লিখিত কোনো চিঠি আমি পাইনি, তবে মৌখিকভাবে ১৫ থেকে ১৬ জন শিক্ষককে দুদকে তলবের বিষয়টি জানতে পেরেছি।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

প্রাথমিক শিক্ষকদের নিয়মিত বিদ্যালয়ে উপস্থিত থাকার নির্দেশ

ডেস্ক,৯ জানুয়ারী:

করোনার ছুটি চলাকালে দেশের সব প্রাথমিক শিক্ষকের বিদ্যালয়ে উপস্থিতি নিশ্চিত করতে নির্দেশ দিয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। রোস্টার অনুযায়ী পর্যায়ক্রমে শিক্ষকরা বিদ্যালয়ে উপস্থিত থাকবেন। তবে সন্তানসম্ভবা শিক্ষিকা ও অসুস্থ শিক্ষক-কর্মচারীদের বিদ্যালয়ে আসতে হবে না। সূত্র: বাংলা ট্রিবিউন
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আলমগীর মুহম্মদ মনসুরুল আলম এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, এ সংক্রান্ত আদেশ জারি করা হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বই বিতরণ, উপবৃত্তি, ভর্তি কার্যক্রম পরিচালনা এবং শিশু জরিপ কাজে শিক্ষকদের উপস্থিত থাকতে হবে। শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা এবং মোবাইলে পাঠদানে সহযোগিতার জন্য শিক্ষকদের উপস্থিত থাকা নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রধান শিক্ষক রোস্টার করে শিক্ষকদের বিদ্যালয়ে উপস্থিতি নিশ্চিত করবেন। তবে শিক্ষার্থীরা স্বাস্থ্যবিধি মেনে বাসায় থাকবে।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর এ সংক্রান্ত আদেশ দিলেও বিদ্যালয় পর্যায়ে এখনও তা পৌঁছেনি। সে কারণে বিদ্যালয়ে উপস্থিত থাকতে হবে কিনা তা বেশিরভাগ শিক্ষক জানেন না। তবে রাজধানীর মোহাম্মদপুর থানা এলাকায় শিক্ষকদের বিদ্যালয়ে উপস্থিত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

জানতে চাইলে মোহাম্মদপুর থানা শিক্ষা অফিসার জেসমিন আক্তার বানু বলেন, ‘উপবৃত্তি কার্যক্রম, ভর্তি কার্যক্রম পরিচালনা, শিশু জরিপ কাজ পরিচালনা জন্য এবং অবকাঠামো রক্ষণাবেক্ষণসহ বিভিন্ন প্রয়োজনীয় কাজে শিক্ষকদের বিদ্যালয়ে উপস্থিত থাকার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। আদেশ আসার আগেই আমি প্রধান শিক্ষকদের বলে দিয়েছি রোস্টার করে শিক্ষক উপস্থিত থাকার কথা।’

এদিকে গত ১ জানুয়ারি বিদ্যালয়ে সব শিক্ষককে উপস্থিত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল বই বিতরণ কাজের জন্য। এছাড়া প্রধান শিক্ষকদের দেখভাল করার জন্য বিদ্যালয়ে উপস্থিত থাকার নির্দেশনা আগে থেকেই দেওয়া হয়েছিল। প্রধান শিক্ষক অথবা কোনও একজন শিক্ষককে নিয়মিত বিদ্যালয়ে উপস্থিত থাকার কথা বলা হয়েছিল আগের নির্দেশনায়।

উল্লেখ্য, গত বছর ৮ মার্চ দেশে করোনা রোগী শনাক্ত হলে ১৭ মার্চ থেকে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করে সরকার। এই বন্ধ দফায় দফায় বাড়িয়ে আগামী ১৬ জানুয়ারি পর্যন্ত করা হয়েছে। শীতে করোনার দ্বিতীয় ওয়েভ শুরুর পর বিদ্যালয় কবে খুলবে তার সুনির্দিষ্ট কোনও নির্দেশনা দেওয়া হয়নি। তবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বই উৎসব উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বলেছেন, করোনা পরিস্থিতি অনুকূলে না এলে বিদ্যালয় খোলা হবে না। আর সম্প্রতি শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছেন, ফেব্রুয়ারিতে দশম শ্রেণি এবং দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ে আনার পরিকল্পনা রয়েছে। সব মিলিয়ে জানুয়ারি মাসে বিদ্যালয় খোলার সম্ভাবনা নেই। তবে শিক্ষকদের বিদ্যালয়ে রোস্টার অনুযায়ী উপস্থিত থাকবে হবে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

২ কিলোমিটারে প্রাথমিক বিদ্যালয় না থাকলেই অগ্রাধিকার ভিত্তিতে নির্মাণ

ডেস্ক,৬ জানু:
দেশের কোনো এলাকায় দুই কিলোমিটারের মধ্যে প্রাথমিক বিদ্যালয় না থাকলে সেখানে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে নির্মাণের সুপারিশ করা হয়েছে।

বুধবার (৬ জানুয়ারি) একাদশ জাতীয় সংসদের প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির ১১তম বৈঠকে এ সুপারিশ করা হয়। কমিটির সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমানের সভাপতিত্বে সংসদ ভবনে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

কমিটির সদস্য প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন, মেহের আফরোজ, আলী আজম মো. নজরুল ইসলাম বাবু, ফেরদৌসী ইসলাম এবং কাজী মনিরুল ইসলাম বৈঠকে অংশ নেন।

বৈঠকে বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ইউনিটের কার্যক্রম বাস্তবায়ন অগ্রগতি, বিভিন্ন নির্মাণ প্রকল্পসমূহের বাস্তবায়ন অগ্রগতি জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমির (নেপ) পরিচালিত প্রশিক্ষণ সম্পর্কিত আলোচনা করা হয়।

বৈঠকে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার নাচোল উপজেলার বাসুগ্রামে আশপাশে সর্বনিম্ন ৬ দশমিক ৫ কিলোমিটারের মধ্যে কোনো প্রাথমিক বিদ্যালয় না থাকায় অগ্রাধিকার ভিত্তিতে পরবর্তী এক হাজার প্রাথমিক বিদ্যালয় নির্মাণ প্রকল্প এ আওতায় অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বিদ্যালয় নির্মাণের সুপারিশ করা হয়।

একইসঙ্গে যেখানে সর্বনিম্ন দুই কিলোমিটারের মধ্যে প্রাথমিক বিদ্যালয় নেই সেখানেও অগ্রাধিকার ভিত্তিতে প্রাথমিক বিদ্যালয় নির্মাণের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করা হয়।

বৈঠকে পূর্ববর্তী বদলী নীতিমালা বাতিল/সংস্কার কেনো প্রয়োজন সে বিষয়ে মন্ত্রণালয়কে কমিটির কাছে বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেওয়ার সুপারিশ করা হয়।

‘ঢাকা মহানগরী ও পূর্বাচলে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় স্থাপন ও অবকাঠামো উন্নয়নসহ দৃষ্টিনন্দনকরণ’ প্রকল্পের মোট ৩৫৬টি স্কুলের মধ্যে প্রাথমিকভাবে ১৬০টি স্কুলের দৃষ্টিনন্দনকরণের নকশা উপস্থাপন করা হয়। এছাড়া বৈঠকে মহাপরিচালকের অফিস দৃষ্টিনন্দনকরণের সুপারিশ করা হয়।

বই বিতরণ কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করা দুইজন শিক্ষকের মৃত্যুতে কমিটির পক্ষ থেকে শোক জানানো হয় এবং উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা কার্যক্রম নিয়ে আগামী বৈঠকে আলোচনার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

বৈঠকে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব, বিভিন্ন দপ্তর সংস্থার প্রধানরাসহ মন্ত্রণালয় এবং জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠক শেষে কমিটির সদস্য ফেরদৌসী ইসলাম বলেন, গত বৈঠকে বিষয়টি আমিই তুলেছিলাম। নাচোলের ওই এলাকায় স্কুল না থাকায় বৈঠকে বিষয়টি তুললে মন্ত্রণালয়ের কাছে জানতে চাওয়া হয়। আজ মন্ত্রণালয় বিস্তারিত জানিয়েছে। কমিটি দুই কিলোমিটারের মধ্যে স্কুল না থাকলে সেখানে প্রাইমারি স্কুল করতে বলেছে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

আমরণ অনশনে যেতে চায় ৩১৫ কলেজের শিক্ষকরা

ডেস্ক,৬ জানু:
উচ্চ শিক্ষা চালু থাকা বেসরকারি ৩১৫টি কলেজের শিক্ষকদের এমপিওভুক্তির দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ বেসরকারি কলেজ অনার্স মাস্টার্স শিক্ষক ফেডারেশন। দ্রুত দাবি পূরণ না হলে আমরণ অনশনে যাওয়ার‌ও হুঁশিয়ারি দেন শিক্ষকরা।

বুধবার (৬ জানুয়ারি) বেলা ১১টার দিকে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে এমপিওভুক্তির দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করে শিক্ষক ফেডারেশন।

এ সময় শিক্ষকরা জানান, সম্প্রতি শিক্ষামন্ত্রী বলেছেন, বেসরকারি ৩১৫টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অনার্স মাস্টার্স থাকবে না। পরিবর্তে শর্ট কোর্স চালু রাখা হবে। এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো সুনির্দিষ্ট নির্দেশনাও দেওয়া হয়নি। তবে ১৯৯৩ সাল থেকে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে বেসরকারি ৩১৫টি কলেজে অনার্স-মাস্টার্স কোর্স চালু রয়েছে। যেখানে ২৮ বছর ধরে সরকারি সুযোগ-সুবিধার বাইরে থেকে শিক্ষকরা উচ্চ শিক্ষা দিয়ে যাচ্ছে। এছাড়া করোনা মহামারির মাঝেও বিভিন্নভাবে শিক্ষার্থীদের পাঠদান চালিয় নিচ্ছেন।

বিগত বছরে তিন শতাধিক কলেজ জাতীয়করণ করা হলেও এক‌ই মানের এ সব কলেজের সাড়ে ৫ হাজার শিক্ষক বৈধ নিয়োগ পেয়েও এমপিওভুক্তির আওতায় আসেনি। তাই অচিরেই সরকারের জনবল কাঠামোতে অন্তর্ভুক্তি করে এমপিওভুক্তির দাবি জানান কর্মরত শিক্ষকরা।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

পরীক্ষার জন্য টিকা উৎপাদনের অনুমতি পেলো বায়োটেক

নিজস্ব প্রতিবেদক,৬ জানু:

ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের জন্য প্রয়োজনীয় টিকা উৎপাদন করার অনুমোদন পেয়েছে গ্লোব বায়োটেক। এ মাসেই প্রতিষ্ঠানটির ‘বঙ্গভ্যাক্স’ ক্লিনিক্যালি ট্রায়াল হতে পারে।

গণমাধ্যমকে এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন গ্লোব বায়োটেক লিমিটেডের গবেষণা ও উন্নয়ন বিভাগের প্রধান ডা. আসিফ মাহমুদ।

ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরের অনুমতি সাপেক্ষ যেকোন ওষুধ উৎপাদন করা হয়। গ্লোব বায়োটেককে এই টিকা উৎপাদনে অনুমতি দিয়েছে অধিদপ্তরটি। টিকা উৎপাদনের পর গ্লোব বায়োটেক টিকার ট্রায়ালের অনুমোদনের জন্য চেষ্টা চালাবে বলে আসিফ মাহমুদ জানান।

গেলো বছর ৩ জুলাই তেজগাঁওয়ে গ্লোব ফার্মাসিউটিক্যালসের প্রধান কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে গ্লোব বায়োটেকের পক্ষ থেকে করোনাভাইরাসের টিকা তৈরির চেষ্টার ঘোষণা দেয়া হয়েছিলো।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তালিকায় বাংলাদেশের গ্লোব বায়োটেকের নাম আছে। যে ১৫৬টি টিকা পরীক্ষামূলক প্রয়োগের পূর্বাবস্থায় আছে, তার মধ্যে গ্লোবের তিনটি টিকা আছে।

গত বছরের ১৮ অক্টোবর গ্লোব বায়োটেকের গবেষণা ও উন্নয়ন শাখার প্রধান আসিফ মাহমুদ জানিয়েছিলেন, ইঁদুরের ওপর প্রয়োগ করে তাদের ওই সম্ভাব্য টিকা ‘কার্যকর ও সম্পূর্ণ নিরাপদ’ প্রমাণিত হয়েছে।

করোনার টিকা প্রাপ্তি নিয়ে তুমুল আলোচনার মধ্যে আজ বুধবার (৬ জানুয়ারি) গ্লোব এ অনুমোদন পেল।

বিশ্বের এগিয়ে থাকা টিকাগুলোর মধ্যে অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা উৎপাদন করছে ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউট। সেরাম ইনস্টিটিউটের কাছ থেকে টিকা কিনছে বাংলাদেশ সরকার। এই টিকা সরবরাহ করবে বেক্সিমকো ফার্মা। এ নিয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, বেক্সিমকো ফার্মা ও সেরাম ইনস্টিটিউটের মধ্যে চুক্তি হয়েছে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার বিষয়ে সিদ্ধান্ত মার্চে

নিজস্ব প্রতিবেদক

মহামারি করোনার কারণে দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার বিষয়ে আগামী মার্চের পর সরকার সিদ্ধান্ত নেবে বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

বুধবার সরকারের এক যুগপূর্তিতে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ উপ-কমিটি আয়োজিত শীতার্ত মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে এ তথ্য জানান তিনি। মন্ত্রী তার সরকারি বাসভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সে অনুষ্ঠানে যুক্ত হন।

কাদের বলেন, ‘বিশেষজ্ঞদের সাথে আলোচনা করে পরিবেশ-পরিস্থিতি বিবেচনায় মার্চে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার সিদ্ধান্ত নিতে পারে সরকার।’
প্রসঙ্গত, দেশে করোনা সংক্রমণ ধরা পড়ে গত বছরের ৮ মার্চ। প্রথম মৃত্যু হয় ১৮ মার্চ। বাংলাদেশে করোনাভাইরাসের প্রকোপ বাড়তে থাকলে ১৭ মার্চ থেকে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেয়া হয়। কওমি মাদ্রাসা বাদে অন্যসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আগামী ১৬ জানুয়ারি পর্যন্ত ছুটি ঘোষণা করা আছে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

সরকারের সবুজ সংকেতের অপেক্ষায়: ডিপিই’র ডিজি

নিজস্ব প্রতিবেদক,২ জানুয়ারী:
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এ এম মনসুরুল আলম জানিয়েছেন, প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার প্রস্তুতি গ্রহণ করছি। সরকারের সবুজ সংকেত পেলে পরীক্ষার তারিখ জানিয়ে দেয়া হবে।
শনিবার মুঠোফোনে এ তথ্য জানান তিনি।

প্রাথমিকের মহাপরিচালক বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান না খোলা পর্যন্ত সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগের লিখিত পরীক্ষা আয়োজন করা সম্ভব নয়। তবে প্রার্থীদের আবেদনপত্র, পরীক্ষার প্রশ্নসহ সবকিছু গুছিয়ে রাখার কাজ চলছে।

তিনি আরো বলেন, এখনো স্কুল-কলেজ খোলেনি। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা না হলে আমরা পরীক্ষা নিতে পারবো না। কেননা আমাদের প্রায় ১৪ লাখ প্রার্থীর পরীক্ষা নিতে হবে। এত বিপুল সংখ্যক চাকরি প্রত্যাশীর পরীক্ষা নিতে গেলে অনেকগুলো কেন্দ্রের প্রয়োজন হবে। তাই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান না খুললে পরীক্ষা আয়োজন করা সম্ভব হবে না।

এর আগে গত ১৯ অক্টোবর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। এবার প্রায় সাড়ে ৩২ হাজার শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হবে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

মাউশিতে ১০ হাজার মামলার জট

ডেস্ক,২ জানুয়ারী: মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরে (মাউশি) মামলার সংখ্যা ১০ হাজার। যার মধ্যে ৮০ ভাগ মামলা এমপিও সংক্রান্ত। এছাড়াও পদোন্নতি, জনবল কাঠামোকে চ্যালেঞ্জ, সাময়িক বহিষ্কার, নিয়োগ সংক্রান্ত এমনকি কর্মকর্তার স্ত্রী নির্যাতনের মামলাও রয়েছে। তবে নিজস্ব আইনজীবী না থাকা, লোকবল সঙ্কট এবং দীর্ঘসূত্রিতায় মামলার জটে যেন ডুবতে বসেছে অধিদপ্তর। বাংলাদেশ জার্নালের অনুসন্ধানে উঠে এসেছে এমন তথ্যই।
তবে আশার কথা, সম্প্রতি কেস ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম চালু করার উদ্যোগ ও মামলা ডিজিটালভাবে হালনাগাদ করায় কাজের পদ্ধতি সহজতর করা হচ্ছে।

উচ্চ আদালতের রায়ের আলোকেই মামলার কাজ পরিচালনা করে মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। অধিদপ্তরের দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা জানান, বিভিন্নভাবেই মামলা নিয়ে কাজ করতে হয়। এরমধ্যে প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল, হাইকোর্ট, রিট পিটিশন ছাড়াও অনেক মামলা নিম্ন আদালত থেকে হাইকোর্ট এমনকি সুপ্রিমকোর্টে পরিচালনা করা হয়। সর্বশেষ সুপ্রিম কোর্টের রায়ের পরও আবার আপীল বা রিভিউ করা করা হয়। এরপরই মামলার রায়ের বাস্তবায়ন করা হয়। যে কারণে মামলা দীর্ঘসূত্রিতা পায়।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক ভুক্তভোগী জানান, ২০০৪ সালে করা মামলা এখনো চলছে। ১৬ বছর পেরিয়ে গেলেও এখনো মামলার কোনো সুরাহা হয়নি।

এত মামলার কারণ সম্পর্কে জানা যায়, শিক্ষক নিয়োগে দুর্নীতি, সার্ভিসে অধিকার বঞ্চনার কারণেই মামলার সংখ্যা দিনে দিনে বৃদ্ধি পাচ্ছে। এছাড়াও অনেক রকম মামলা অধিদপ্তরকে পরিচালনা করতে হয়। এরমধ্যে প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনালে মামলা, রিটপিটিশন মামলা, আপীল মামলা, আদালত অবমাননার মামলা, বাস্তবায়ন মামলা, রিভিউ মামলা, এছাড়াও একটি মামলা তিনটি মামলায় রূপান্তরিত হয়।

প্রথমে থাকে রিট মামলা। রিটে রাষ্ট্রপক্ষ হেরে গেলে আপীল করা হয়। এরপর আপীল থেকে বাস্তবায়ন মামলা করা হয়।

মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তর ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের হয়ে কাজ করে শিক্ষা ভবনের আইন শাখা। মাউশির আইন শাখার কর্মকর্তা মো. ছিদ্দিকুর রহমান বলেন, একটি কোর্টেও রায় বাস্তবায়ন করতে গেলে উচ্চ আদালতে মামলা করা হয়। আমাদের নির্দেশ আছে; প্রতিটি মামলার আপীল ও লিভ টু আপীলসহ মামলার বাস্তবায়ন করতে হবে।

তিনি বলেন, আইন শাখা ডিজিটালাইজ করা এখন সময়ের দাবি। ইতোমধ্যে শিক্ষামন্ত্রী ও উপমন্ত্রী এ বিষয়ে উদ্যোগ নিয়েছেন।

তিনি আরো বলেন, মামলা পরিচালনার জন্য অধিদপ্তর ৫ জন আইনজীবী চেয়েছিলো শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কাছে। তবে শিক্ষা মন্ত্রণালয় অধিদপ্তরের জন্য ৩ জন ও মন্ত্রণালয়ের জন্য দু’জনকে অনুমোদন করেছে। খুব শিগগিরই প্যানেলের মাধ্যমে তিন আইনজীবীকে নিয়োগ দেবে মাউশি।

জানা যায়, ২০২০ সাল থেকে মামলার তথ্য অনলাইনে হালনাগাদ করছে। এখন পর্যন্ত ২৮৮৪ মামলা অনলাইনে হালনাগাদ করা হয়েছে। এরফলে অনলাইনে মামলার অগ্রগতি ও পর্যবেক্ষণ করা সম্ভব হচ্ছে।

তবে অনেক শিক্ষকের অভিযোগ আছে, মামলার সময়ক্ষেপণ ও রায় বাস্তবায়নে বিলম্ব করে আইন শাখা। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্টরা মনে করেন দু’জন কর্মকর্তা দিয়ে ১০ হাজার মামলা পরিচালনা অসম্ভব। একারণেই অনেক সময় মামলার নির্দিষ্ট সময় পেরিয়ে যায়।

মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের শিক্ষা কর্মকর্তা (আইন) মো. আল-আমিন সরকার বলেন, নিম্ন আদালত ও উচ্চ আদালতের মামলা পরিচালনা করা হয় আইন শাখা থেকে। এছাড়াও আমাদের উচ্চ আদালতে দু’জন আইন উপদেষ্টা আছেন। ট্রাইব্যুনালে মামলা পরিচালনা করেন সরকারি সলিসিটার অফিস থেকে নিয়োজিত প্যানেল আইনজীবীরা। সেবা সহজ করতে কেস ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম চালু করা হচ্ছে। তবে শিক্ষকদের ব্যক্তিগত কারণে মামলা অর্থাৎ ফৌজদারি মামলা সম্পর্কে আমরা শুধুমাত্র মতামত দিয়ে থাকি।

মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. সৈয়দ গোলাম ফারুক বলেন, আমরা আমাদের কাজ করছি। তবে আইন শাখায় আমাদের আইনের লোক নেই। আইন শাখায় যে দু’জন আছেন তারা কলেজের শিক্ষক। তারউপর আইন জানে না। যতটুকু পারেন ততটুকুই করেন।

মামলার জট বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মো. লিয়াকত আলী (আইন) বলেন, প্যানেলের মাধ্যমে মাউশি ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে আইনজীবী নিয়োগের প্রস্তুতি চলছে। মামলার জন্য কেস ম্যানেজমেন্টসহ একাধিক পরিকল্পনা বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এছাড়াও সচিব মো. মাহবুব হোসেনের নির্দেশে মামলার জট খুলতে কার্যক্রম হাতে নেয়া হচ্ছে। তবে একদিনে মামলার জট খোলার কোনো সম্ভাবনা নেই।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

৮০ হাজার শিক্ষক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি আসছে

ডেস্ক,৩০ ডিসেম্বর:
সারাদেশে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৮০ হাজারের অধিক শূন্য আসনে দ্রুত সময়ে শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি।মঙ্গলবার (২৯ ডিসেম্বর) দুপুরে অনলাইন সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী এ তথ্য জানান।

বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ) গত এক বছর আগে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৮০ হাজারের অধিক শূন্য পদের তালিকা সংগ্রহ করলেও নিয়োগ কার্যক্রম এখনও শুরু হয়নি। তাই দ্রুত সময়ের মধ্যে গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশের মাধ্যমে এ নিয়োগ কার্যক্রম শুরু করা হবে বলে মন্ত্রী জানান।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, এনটিআরসিএর সাবেক চেয়ারম্যান চলে যাওয়ার পর অনেকদিন এ পদটি শূন্য ছিল। এ জন্য বেসরকারি স্কুল, কলেজ, মাদরাসা ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক শূন্য থাকলেও নিয়োগ কার্যক্রম শুরু করা সম্ভব হয়নি। বর্তমানে নতুন চেয়ারম্যান নিয়োগ হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, এনটিআরসির নিয়োগসহ নানা বিষয়ে আদালতে অসংখ্য মামলা রয়েছে। এ কারণে বিভিন্ন বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিলেও তা বাস্তবায়ন করতে বিলম্ব হয়ে যাচ্ছে। আমরা সব সমস্যাগুলো পেরিয়ে দ্রুত সময়ের মধ্যে কীভাবে নিয়োগ কার্যক্রম শুরু করা যায় সে বিষয়ে পদক্ষেপ নেব।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

দেশে প্রথমবারের মতো গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বড় সফলতা

ডেস্ক,২৬ ডিসেম্বর:
প্রথমবারের মতো প্রাক-প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে শুরু করে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার মানোন্নয়নে পাঁচ বছরের সেক্টর প্ল্যান প্রস্তুত করে তা গ্লোবাল পার্টনারশিপ ফর এডুকেশনে (জিপিই) জমা দিয়েছে বাংলাদেশ।

২০২১-২০২২ থেকে ২০২৪-২০২৫ অর্থবছর পর্যন্ত সমন্বিত এই পরিকল্পনা জিপিইতে জমা দেওয়া হয়েছে গত ১০ ডিসেম্বর। এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নে জিপিই বাংলাদেশকে প্রায় ৫৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার সহায়তা দেবে।

এর আগে বাংলাদেশে করোনার মধ্যে চার কোটি শিক্ষার্থীর ক্ষতি পোষাতে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়কে ১৫ মিলিয়ন বা প্রায় ১২৬ কোটি টাকা দেয় সংস্থাটি।

জানতে চাইলে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব মো. মাহবুব হোসেন বলেন, ‘পাঁচ বছরের সেক্টর প্ল্যানের বিপরীতে শিক্ষার উন্নয়নে গ্লোবাল পার্টনারশিপ ফর এডুকেশন এই টাকা দেবে। তবে বেশিরভাগ অর্থ খরচ হবে প্রাথমিক শিক্ষার উন্নয়নে। এই প্রকল্প তৈরি করেছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। উন্নয়ন সহযোগীরা পরিকল্পনা তৈরিতে সহায়তা করেছে।’

এ প্রসঙ্গে গণসাক্ষরতা অভিযানের উপ-পরিচালক কে এম এনামুল হক বলেন, ‘শিক্ষা ক্ষেত্রে সমন্বিত পরিকল্পনা প্রণয়নের ক্ষেত্রে এটি একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ। এতে প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষা দুই বছর মেয়াদি করা, শিক্ষার মানোন্নয়নে শিক্ষকের সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং শিক্ষা ক্ষেত্রে রাষ্ট্রীয় বিনিয়োগ বৃদ্ধিসহ শিক্ষায় তথ্য প্রযুক্তির ব্যবহারের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। আমরা মনে করি, এর ফলে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য-৪ অর্জিত হবে, অর্থাৎ সবার জন্য মানসম্মত শিক্ষা অর্জনে বাংলাদেশ এক ধাপ এগিয়ে যাবে। তবে উপানুষ্ঠানিক শিক্ষার উন্নয়নে বিশেষ করে কমিউনিটি পর্যায়ে জীবনব্যাপী শিক্ষার সম্প্রসারণের জন্য আরও উদ্যোগ নেওয়া যেতে পারে। এছাড়া বাজেট বরাদ্দ ও তার যথাযথ ব্যবহারের দিকে আরও গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন।’

জিপিইর কাছে জমা দেওয়া পরিকল্পনায় শিক্ষার উন্নয়নে যে তিনটি বিষয়ে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে তা হলো—সমতার ভিত্তিতে শিক্ষায় অভিগম্যতা (Access & Equity) নিশ্চিত করা, শিক্ষার প্রাসঙ্গিক ও মান (Quality & Relevance) নিশ্চিত করা এবং সুশাসন ও ব্যবস্থাপনা (Governance & Management) উন্নয়ন করা।

শিক্ষায় অভিগম্যতার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করলেও ভৌগোলিক অবস্থান, পারিবারিক অর্থনৈতিক অবস্থা, শারীরিক বৈশিষ্ট্যের কারণে এখনও অনেকে পিছিয়ে রয়েছে। একইভাবে পরিবারের অর্থনৈতিক অবস্থার কারণে দরিদ্র, হতদরিদ্র ও অসহায় নারীপ্রধান পরিবার এবং নিম্ন আয়ের মানুষও পিছিয়ে রয়েছে।

সরকারের নেতৃত্বে প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষার যথেষ্ট অগ্রগতি হয়েছে; বিশেষ করে কারিকুলাম, শিক্ষাপোকরণ ও শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে। তবে প্রশিক্ষণ, ক্লাসরুমের ঘাটতিসহ প্রাক-প্রাথমিকের জন্য অনেক বিদ্যালয়েই পর্যাপ্ত শ্রেণিকক্ষ নেই। প্রাক-প্রাথমিক শ্রেণির মান নিশ্চিত করার জন্য একটি স্ট্যান্ডার্ড গাইডলাইন, যা সব স্কুলকেই অনুসরণ করার কথা বলা হয়েছে।

সাধারণ শিক্ষার পাশাপাশি এ পরিকল্পনায় কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা এবং মাদ্রাসা শিক্ষার বিষয়ও উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রাক-প্রাথমিক থেকে উচ্চশিক্ষা পর্যন্ত পরিকল্পনায় সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য ও অর্জনযোগ্য সূচক নির্ধারণ করা হয়েছে। এটি প্রণয়নে সরকারের সঙ্গে উন্নয়ন সহযোগী এবং নাগরিক সমাজ একসঙ্গে কাজ করেছে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

আজ রাত থেকে ফের শৈত্যপ্রবাহ শুরু

ডেস্ক,২৬ ডিসেম্বর:
এক সপ্তাহের বেশি সময় ধরে দেশের কিছু অঞ্চলের ওপর দিয়ে শৈত্যপ্রবাহ বইছে। এর মধ্যে দু’দিন ধরে তাপমাত্রা কিছুটা বাড়লেও আবার কমতে শুরু করেছে। এমন প্রেক্ষাপটে শনিবার রাত থেকে দেশের বেশিরভাগ অঞ্চলের ওপর দিয়ে বইতে পারে মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের শৈত্যপ্রবাহ। সকাল থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত কুয়াশা পড়া আরও বাড়তে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

মৃদু শৈত্যপ্রবাহের মধ্যে হঠাৎ গত দু’দিন আবহাওয়া উষ্ণ হয়ে ওঠে। শুক্রবার টেকনাফে তাপমাত্রা ছিল ২৮ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ঢাকায় তাপমাত্রা উঠেছিল ২৭ ডিগ্রিতে। এদিন দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল নীলফামারীর ডিমলায় ৮ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ঢাকায় তাপমাত্রা ১৪ দশমিক ৬ ডিগ্রির নিচে নামেনি।

আবহাওয়াবিদ আশরাফ উদ্দিন বলেন, সপ্তাহের শুরুতে অনেক এলাকাজুড়ে শৈত্যপ্রবাহ ছড়িয়ে পড়লেও এখন তা নেই। তাপমাত্রাও আগের তুলনায় কিছুটা বেড়েছে। তবে একই সময়ে বেড়েছে কুয়াশার পরিমাণ। বিশেষ করে নদী-তীরবর্তী এলাকায় এর পরিমাণ এখন বেশি। শনিবার রাত থেকেই তাপমাত্রা কোনো কোনো এলাকায় ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে নেমে যেতে পারে। বিশেষ করে উত্তরাঞ্চল, মধ্যাঞ্চল এবং দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ওপর দিয়ে বয়ে যেতে পারে এই শৈত্যপ্রবাহ। এটি মাঝারি মাত্রার এবং বেশিদিন স্থায়ী হবে।

কুয়াশার বিষয়ে তিনি বলেন, দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে যে বাতাস আসছে, তার সঙ্গে জলীয় বাষ্প মিশে আর্দ্রতা বাড়িয়ে দিচ্ছে। এতে ঘন কুয়াশা সৃষ্টি হচ্ছে। এটি এই মাসে এমনই থাকবে। জানুয়ারি মাসেও এই কুয়াশার দেখা পাওয়া যাবে বলে তিনি জানান।

পঞ্চগড় প্রতিনিধি জানান, শীতপ্রবণ এলাকা হিসেবে পরিচিত উত্তরের জনপদ পঞ্চগড়ে টানা আট দিন ধরে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ অব্যাহত রয়েছে। শুক্রবার সকালে সর্বনিম্ন ৮ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করেছে তেঁতুলিয়া আবহাওয়া অফিস। গত ১৮ ডিসেম্বর সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এরপর সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৭ থেকে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যেই ওঠানামা করে। শৈত্যপ্রবাহে জনজীবনে দুর্ভোগ দেখা দিয়েছে।

শুক্রবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারাদেশের আবহাওয়া প্রধানত শুস্ক থাকতে পারে। এ ছাড়া শুক্রবার মধ্য রাত থেকে সকাল পর্যন্ত দেশের নদী অববাহিকার কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে। দেশের অন্য অঞ্চলে হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশা পড়তে পারে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

এসএসসির ফল প্রকাশ নিয়ে যা জানা গেল

ডেস্ক,২৬ ডিসেম্বর:
এইসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল তৈরির নীতিমালা শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে এখনো অনুমোদন হয়নি। ফলে চলতি মাসে এই পরীক্ষা ফল প্রকাশে সম্ভাবনা নেই। আগামী বছরের জানুয়ারির মাঝামাঝিতে ফল প্রকাশ করা হতে পারে বলে বিভিন্ন শিক্ষা বোর্ড সূত্রে জানা গেছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যপক এস এম আমিরুল ইসলাম বলেন, ফলাফল তৈরির নীতিমালা অনুমোদন হলে পরবর্তী এক সপ্তাহের মধ্যে এইচএসসির ফলাফল তৈরির কাজ শেষ করা সম্ভব হবে। আমাদের সব প্রস্তুতি রয়েছে।

করোনা পরিস্থিতির কারণে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা বাতিল করা হয়। অপেক্ষামান সব পরীক্ষার্থীকে অটোপাশ দেয়ার ঘোষণা দেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। ডিসেম্বরের মধ্যে এ পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের কথাও জানান তিনি।

পাশাপাশি অটোপাশের ফল তৈরিতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একজন অতিরিক্ত সচিবের সমন্বয়ে আট সদস্যের গ্রেড মূল্যায়ন টেকনিক্যাল কমিটি গঠন করা হয়। চলতি মাসের শুরুতে কমিটি ফলাফল তৈরিতে জিপিএ গ্রেড নির্ণয়ের বেশ কয়েকটি প্রস্তাবের সমন্বয়ে একটি গাইডলাইন তৈরি করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠায়।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি করোনায় আক্রান্ত হওয়ায় এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফল পিছিয়ে যাচ্ছে। তার অসুস্থার কারণে টেকনিক্যাল কমিটির প্রস্তাবিত গাইডলাইন অনুমোদন দেয়া সম্ভব হয়নি। সেটি অনুমোদন হলে তার আলোকে একটি নীতিমালা প্রণয়ন করে সফটওয়্যারের মাধ্যমে ফলাফল তৈরি করা হবে।

শনিবার (২৬ ডিসেম্বর) ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের সচিব তপন কুমার বলেন, ফল প্রকাশে বিশেষজ্ঞদের দেয়া প্রস্তাব আমরা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছি, সেটি এখনো অনুমোদন দেয়া হয়নি। সেটি এলে আমরা কাজ শুরু করব।

তিনি বলেন, ডিসেম্বরের মধ্যে এইচএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা সম্ভব না হলেও পরবর্তী মাসে তা হতে পারে। যেহেতু খাতা মূল্যায়নের কাজ নেই, তাই এক সপ্তাহের মধ্যে সব কাজ শেষ করে ফলাফল প্রকাশ করা সম্ভব হবে।

টেকনিক্যাল কমিটির প্রস্তাব অনুযায়ী, জেএসসি পরীক্ষার ফলে ২৫ শতাংশ এবং এসএসসি পরীক্ষার ফলে ৭৫ শতাংশ নম্বর মূল্যায়ণ করা হবে। তবে যারা জেএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেনি তাদের ক্ষেত্রে এসএসসির ফলকে কেন্দ্র করে নম্বর নির্ধারণ করা হবে। বিষয় ভিত্তিক উন্নতির ক্ষেত্রে আগের ক্লাসের সেই বিষয়ের ফল মূল্যায়ণ করা হবে। তবে আগের দুই পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পেলেও বিষয় ভিত্তিক সর্বোচ্চ নম্বর না থাকলে সে ক্ষেত্রে এইচএসসিতে জিপিএ-৫ থেকে অনেকে পিছিয়ে পড়তে পারে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather
hit counter