শিক্ষাঙ্গন

সমস্যা নিয়ে ডিপ্লোমা প্রকৌশলীদের সঙ্গে বসবেন সৈয়দ আশরাফ

ডিপ্লোমা প্রকৌশলীদের পেশাগত নানা সমস্যা পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে পর্যালোচনার জন্য আগামী ১৫ দিনের মধ্যেই তাদের সঙ্গে বসবেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও জনপ্রশাসন মন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম। তিনি বলেছেন, যে সমস্যাগুলোর কথা ডিপ্লোমা প্রকৌশলীরা উল্লেখ করেছেন তা আলোচনার মাধ্যমে সুরাহা হওয়া সম্ভব। এ জন্য তিনি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গেও কথা বলবেন।
আজ শুক্রবার বিকেলে রাজধানীর একটি মিলনায়তনে ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশের (আইডিইবি) প্রতিনিধি সম্মেলনে সৈয়দ আশরাফ এসব কথা বলেন।
আইডিইবির সাধারণ সম্পাদক শামসুর রহমান প্রতিনিধি সভায় লিখিত বক্তব্যে ডিপ্লোমা প্রকৌশলীদের পদোন্নতি না হওয়া, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে নিয়োগ বন্ধসহ পেশাগত নানা সমস্যার কথা তুলে ধরেন। একই সঙ্গে এসব ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ দেওয়া সত্ত্বেও কাজ হচ্ছে না বলে উল্লেখ করেন।
সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম ডিপ্লোমা প্রকৌশলীদের দাবি পূরণের না হওয়ার বিষয়ে কথা বলেন। তিনি বলেন, ‘পদোন্নতিসহ নানা বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা সত্ত্বেও কীভাবে হয় না? তাহলে কোন দেশে আছি আমরা। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ মানা হয় না, এটা আমরা কাছে বিশ্বাসযোগ্য মনে হয় না। একটা আইনের শাসনের দেশ, সবকিছু আইন অনুযায়ীই চলবে। এটাই শেখ হাসিনার সরকার।’

সৈয়দ আশরাফ বলেন, ‘আমি চিন্তা করেছি—আপনাদের সঙ্গে একটা বৈঠকের প্রয়োজন। যে বিষয়গুলো আপনারা উত্থাপন করেছেন, এগুলোকে আপনাদের সঙ্গে নিয়ে পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে পর্যালোচনা করব। কারণ আমি এমন কোনো কথা শুনিনি যে, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ দেওয়ার পরও তা বাস্তবায়ন হয়নি। এটা তো ভয়ংকর দৃষ্টান্ত। এই দৃষ্টান্ত তো শেখ হাসিনার সরকারের নেই। সে জন্য আপনাদের বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করা প্রয়োজন।’ ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্সের হলরুমের নির্দেশ করে তিনি বলেন, ‘এখানে একটা হলরুম ভাড়া নিয়ে আপনারা এটা করতে পারেন। যখনই আমাকে ডাকবেন, আসব। যত সময় দেওয়ার প্রয়োজন ততটুকু সময় দেব। কারণ এক দেশে তো দুই ধরনের আইন তো থাকতে পারে না। আমাদের দেশ আইনের দেশ। এখানে আইন মানতে হবে এবং আইনকে বাস্তবায়ন করতে হবে। গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র ব্যবস্থায় এর কোনো বিকল্প নেই।’

সৈয়দ আশরাফ বলেন, ‘আপনারা অনেকগুলো বিষয় এখানে উপস্থাপন করেছেন, তা সরকারের বিবেচনায় নেওয়া উচিত। কেন এগুলো বাস্তবায়ন হয় না, কোন কারণে এগুলো আলোর মুখ দেখে না—সেগুলো আমাদের খুঁজে দেখার প্রয়োজন আছে। আমি প্রতিশ্রুতি দিয়েছি আপনাদের সঙ্গে বসার। এটা ১৫ দিনের মধ্যেই হতে পারে। যে বিষয়গুলো আপনারা উল্লেখ করেছেন এগুলো আলোচনার মাধ্যমে সুরাহা হওয়া সম্ভব। আমি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গেও আলোচনা করব যে, আপনি নির্দেশ দেওয়ার পরও বাস্তবায়ন হয় না, তাহলে রাষ্ট্র কীভাবে চলবে?’

আইডিইবির সভাপতি এ কে এম এ হামিদের সভাপতিত্বে প্রতিনিধি সভায় আরও বক্তব্য দেন মুক্তিযোদ্ধা কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিলের চেয়ারম্যান হেলাল মোর্শেদ খান। এ ছাড়া অনুষ্ঠানে দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে আইডিইবির কয়েক শ সদস্য প্রতিনিধি সভায় যোগ দেন।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

সাহিত্যে নোবেল ঘোষণার তারিখ অঙ্কের ভুলে?

ডেস্ক রিপোর্ট : প্রতিবছর সাহিত্যে নোবেল বিজয়ীর নাম ঘোষণা করা হয় বৃহস্পতিবার। গতকাল বৃহস্পতিবার থাকলেও ঘোষণা করা হয়নি। অবশ্য এ নিয়ে আগে থেকেই বলা হচ্ছিল সাহিত্যে নোবেল বিজয়ীর নাম ঘোষণা পরে জানানো হবে। কিন্তু কেন? সুইডিশ একাডেমির স্থায়ী সদস্য পের ভেস্তবেরি বলছেন, ‘এই জন্য আরো এক সপ্তাহ অপেক্ষা করতে হবে। ক্যালেন্ডারে দিনক্ষণ গণনা ভুলের কারণে এমনটা হয়েছে।’ যদিও এ ব্যাপারে নোবেল কমিটি অফিসিয়াল কোনো বক্তব্য দেয়নি।
প্রতিবছরের মতো এবারও বিশ্ব উন্মুখ হয়েছিল জানার জন্য, কে পাচ্ছে ২০১৬ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার। বিশ্বমিডিয়াগুলোও এসে ভিড় জমিয়েছিল সুইডিশ একাডেমির দরজায়। কিন্তু সে দরজা বন্ধই ছিল গতকাল। নিয়মানুযায়ী সাহিত্যে বিজয়ীর নাম ঘোষণার ঠিক আগে পর পর চার বৃহস্পতিবার সুইডিশ একাডেমির সদস্যরা সভায় মিলিত হন। একজন বিজয়ী নির্ণয়ের জন্যে এবং প্রথানুযায়ী যা শুরু হয় সেপ্টেম্বরের তৃতীয় সপ্তাহ থেকে। এ ক্ষেত্রে নোবেল কমিটি অক্টোবরের প্রথম সপ্তাহের প্রথম বৃহস্পতিবার নোবেল বিজয়ীর নাম ঘোষণার প্রথাটি বজায় রাখে। এ বছর সে গণনায় তারা ভুল করেছে বলে বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়।
চারটি ‘বৃহস্পতির’ ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে সুইডিশ একাডেমিকে ১৩ অক্টোবর বৃহস্পতিবার পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে, যা অনেক বছরের ধারাবাহিকতাকে বিঘœ করবে এবং সম্ভবত সেদিনই অথবা আরো এক সপ্তাহ পিছিয়ে ২০ অক্টোবর এই ঘোষণা দিতে হবে। তবে অক্টোবরের তৃতীয় সপ্তাহে ঘোষণার নিয়ম নেই বলেই ধারণা করা হচ্ছে।
পুরস্কার ঘোষণার এক সপ্তাহ আগেই নোবেলের বিভিন্ন বিষয়গুলোর তারিখ বিশ্বমিডিয়াকে জানিয়ে দেওয়ার প্রথা থাকলেও প্রতিবছরই সাহিত্যে নোবেল ঘোষণার তারিখটি অনুল্লিখিত থাকত। প্রথা মোতাবেক অক্টোবরের প্রথম সপ্তাহের বৃহস্পতিবার এই ঘোষণা দেওয়া হতো। গতকাল বৃহস্পতিবার দিনটি খালি রেখে ইতিমধ্যে চিকিৎসা, পদার্থ ও রসায়নে বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হয়েছে। আজ থেকে ১০ তারিখের মধ্যে যথারীতি নরওয়ে থেকে ‘শান্তি’ এবং স্টকহোম থেকে অর্থনীতিতে বিজয়ীদের নাম ঘোষণা দেওয়া হবে। নোবেল পুরস্কারের সনাতন রীতি এবং নিয়ম ভেঙে এই প্রথমবারের মতো সাহিত্যে নোবেল বিজয়ীর নাম ঘোষণা এক সপ্তাহ পিছিয়ে দেওয়া হলো। সে ধারানুযায়ী, ‘বৃহস্পতিবার’কে সামনে রেখে এই পুরস্কার ঘোষণা করা হবে ১৩ অক্টোবর, যা সুইডেনের বিভিন্ন মিডিয়ায় ইতিমধ্যে জানানো হয়েছে।
দ্য রয়্যাল সুইডিশ একাডেমির সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে একাডেমির দপ্তর প্রধান ওড চেস্কাইরিচ অফিসিয়ালি এ ব্যাপারে কোনো ঘোষণা দিতে তাঁরা অপারগতা প্রকাশ করেন। তবে আগামী ১০ অক্টোবর সোমবার নাগাদ তাঁরা সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে ঘোষণা দিতে পারেন বলেন জানান। কালের কন্ঠ

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

বিসিএস ফলাফল প্রকাশের সময় অর্ধেকে আনতে পদক্ষেপ নিচ্ছে পিএসসি

বাংলাদেশ সরকারি কর্মকমিশন সচিবালয় (বিপিএসসি) বিসিএস পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের সকল প্রক্রিয়া এক বছরের মধ্যে সম্পন্ন করার উদ্যোগ নিয়েছে। বর্তমানে এ ফলাফল প্রকাশে দুই বছর সময় লাগছে।
পিএসসি চেয়ারম্যান ড. মুহাম্মদ সিদ্দিক বলেন, ‘আমরা সার্কুলার জারি করা থেকে ফলাফল প্রকাশ পর্যন্ত সকল কাজ এক বছরের মধ্যে সম্পন্ন করার চেষ্টা করছি। আমরা আশা করছি ৪০তম পিএসসি পরীক্ষার যাবতীয় কার্যক্রম এক বছরে সম্পন্ন হবে।’
সিদ্দিক বলেন, পিএসসি এখন একটি সার্চ ইঞ্জিনের উন্নয়ন করছে, যা সম্ভাব্য সংক্ষিপ্ত সময়ের মধ্যে মেরিট ও কোটা তালিকার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করবে।
তিনি বলেন, সংবিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠানটি এখন অনলাইনে আবেদন গ্রহণ এবং এডমিট কার্ড ইস্যু প্রক্রিয়া দ্রুততর করার বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করছে।
পিএসসি সদস্য ড. আবদুল জব্বার খান বলেন, সাতদিনের মধ্যে মেধা তালিকা তৈরিতে সহায়ক হবে এ ধরনের সার্চ ইঞ্জিনের জন্য ইতোমধ্যে সফটওয়্যার তৈরির কাজ ৭০ ভাগ সম্পন্ন হয়েছে। বর্তমানে এই প্রক্রিয়ায় প্রায় আড়াই মাস সময় লাগছে।
তিনি বলেন, পিএসসি’র এই উদ্যোগে প্রশ্নব্যাংক থেকে একদিনের মধ্যে প্রশ্নমালা তৈরিতে সফটওয়্যার উন্নয়ন করছে এবং ‘যদি অটোমেশনের মাধ্যমে আমরা প্রশ্নমালা ও মেধা তালিকা তৈরি করতে পারি তাহলে মোট পরীক্ষা প্রক্রিয়ায় ৫ থেকে ৬ মাস সময় কম লাগবে।’-বাসস।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

জাতীয় দিবসে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ না রাখার আহ্বান

নিজস্ব প্রতিবেদক :

জাতীয় দিবসগুলোতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ না রেখে সংগতিপূর্ণ বিভিন্ন অনুষ্ঠান করার আহ্বান জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ।

দৈনন্দিন শিক্ষা কার্যক্রম শুরুর আগে জাতীয় সংগীত পরিবেশন উপলক্ষে মঙ্গলবার ঢাকা কলেজে অনুষ্ঠিত সমাবেশে তিনি এ আহ্বান জানান।

নুরুল ইসলাম নাহিদ বলেন, নিজস্ব ইতিহাস ও সংস্কৃতি সম্পর্কে সচেতন করতে শিক্ষার্থীদের শহীদ দিবস, জাতির জনকের জন্মদিন, স্বাধীনতা দিবস, পয়লা বৈশাখ, জাতীয় শোক দিবস, বিজয় দিবস প্রভৃতি জাতীয় দিবসে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ না রেখে সংগতিপূর্ণ বিভিন্ন অনুষ্ঠান আয়োজন করার বিষয়ে মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা রয়েছে। নিজস্ব সংস্কৃতি ও চেতনায় উজ্জীবিত করার মাধ্যমে তরুণদের জঙ্গিবাদের ছোবল থেকে রক্ষা করা সম্ভব।

মন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার ২০০৯ সালে দায়িত্ব গ্রহণের পরপরই দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও জাতীয় সংগীত পরিবেশন বাধ্যতামূলক করা হয়।

স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা, কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ সব ধারার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মাধ্যমে তাদের দৈনন্দিন শিক্ষা কার্যক্রম শুরু করবে বলে আশা প্রকাশ করেন মন্ত্রী।

তিনি বলেন, ‘জঙ্গিবাদ, সন্ত্রাস, মাদক, ইভ টিজিংসহ সব অপশক্তি থেকে দূরে রাখতে শিক্ষার্থীদের নিজস্ব সংস্কৃতি, কৃষ্টি, ইতিহাস ও ঐতিহ্যের চেতনায় উজ্জীবিত করতে হবে। স্বাধীনতাবিরোধী শক্তি কখনো চায়নি আমাদের নতুন প্রজন্ম সঠিক ইতিহাস জানুক। একাত্তরের পরাজিত শক্তি ক্ষমতায় টিকে থাকার জন্য মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃত করে তরুণদের বিভ্রান্ত করার অপচেষ্টা চালিয়েছে। এ অশুভ শক্তিই শান্তির ধর্ম ইসলামের ভুল ব্যাখ্যা দিয়ে শিক্ষার্থীদের বিভ্রান্ত করে জঙ্গিবাদে ঠেলে দিচ্ছে।’

এ সময় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিবের দায়িত্ব পালনরত অতিরিক্ত সচিব এ এস মাহমুদ, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. এস এম ওয়াহিদুজ্জামান ও ঢাকা কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক মোয়াজ্জেম হোসেন মোল্লা ছিলেন।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

বৃত্তিপ্রাপ্তদের থেকে টিউশন ফি আদায়ের বিরুদ্ধে রুল

নিজস্ব প্রতিবেদক :

স্কুলে বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে মাসিক টিউশন ফি ও ভর্তি ফি আদায়কারী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে কেন ব্যবস্থা নেওয়া হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন আদালত।

 

সোমবার বিচারপতি সালমা মাসুদ চৌধুরী ও বিচারপতি কাজী ইজারুল হক আকন্দের হাইকোর্ট বেঞ্চ স্বপ্রণোদিত হয়ে এই রুল জারি করেন।

 

আগামী ২ সপ্তাহের মধ্যে শিক্ষা সচিবসহ সংশ্লিষ্টদের রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

 

গত ৩ আগস্ট দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকায় ‘বৃত্তিপ্রাপ্তদের কাছ থেকেও টিউশন ফি আদায়’ শিরোনামে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। সোমবার ওই প্রতিবেদন আদালতের নজরে আনেন আইনজীবী আমির হোসেন।

 

দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকার প্রতিবেদনে বলা হয়, ‘বৃত্তিপ্রাপ্তদের যারা প্রাথমিক ও অষ্টম শ্রেণির পরীক্ষায় বৃত্তি পাবে তাদের কাছ থেকে টিউশন ফি আদায় করা যাবে না, সরকারের এমন কঠোর নির্দেশনা থাকলেও তা মানছে না বেসরকারি নামি স্কুলগুলো। ভর্তি ফি, নিবন্ধন ফি, উন্নয়ন ফি, টিউশন ফিসহ সব ধরনের ফির টাকাই বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে আদায় করছে এসব প্রতিষ্ঠান। ফলে বৃত্তি পাওয়ার মাধ্যমে ততটা আর্থিক সুবিধা পাচ্ছে না স্বীকৃত এসব মেধাবীরা।’

 

রাজধানীর ভিকারুননিসা নূন, আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ, মনিপুর উচ্চ বিদ্যালয়সহ বিভিন্ন নামি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের পুরো মাসিক বেতন (টিউশন ফি) দিতে হচ্ছে। রাজধানীর বাইরেও অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এই প্রবণতা রয়েছে। রংপুরের পুলিশ লাইনস স্কুলসহ অনেক স্কুলে বৃত্তিপ্রাপ্তদের কাছ থেকে অর্ধেক টিউশন ফি আদায় করা হচ্ছে।

 

 

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

বিভাগীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ নীলফামারীর তানিয়া

বিভাগীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ শিক্ষিকা নির্বাচিত হয়েছেন নীলফামারীর ডোমার উপজেলার বোড়াগাড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক তানিয়া পারভীন। ঝরে পড়ার হার উল্লেখযোগ্য ভাবে কমাতে ভূমিকা রাখায় রংপুর বিভাগ পর্যায়ে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করেন তিনি।
শিক্ষক তানিয়া পারভীন জানান, নিয়মিত উঠোন বৈঠক, মা সমাবেশ, খেলাধুলা, পিকনিক, কাব কার্যক্রম, শিক্ষক ও ম্যানেজিং কমিটির সাথে সুসম্পর্ক ও তাদের আন্তরিকতা, বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশুদের তদারকি, অভিভাবকদের সাথে শিক্ষকদের সুসম্পর্কসহ শিক্ষার্থী না আসলে মোবাইলে অবিভাবকদের সাথে যোগাযোগ স্থাপন করে বিদ্যালয়ে উপস্থিতি বাড়িয়েছি।
উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা শাহাজাহান মন্ডল জানান, শিক্ষিকা তানিয়া যে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন তা নিশ্চিত দেশের মধ্যে মডেল হয়ে দাড়াবে। জাতীয় বাছাই পর্বে ওই শিক্ষিকা সঠিক ভাবে বিষয় বস্তু উপস্থাপন করতে পারলে তাহলে জাতীয় পর্যায়েও শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করবে সে।
প্রসঙ্গত জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা সপ্তাহ ২০১৭ উদযাপন উপলক্ষে আগামী ১৫, ১৬,ও ১৭ অক্টোবর তিন দিন ব্যাপী জাতীয় পর্যায়ের বাছাই প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে।
Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

চিকিৎসায় নোবেল পেলেন জাপানের ইয়োশিনোরি

নিজস্ব প্রতিবেদক: চিকিৎসায় এ বছরের নোবেল পুরস্কার জিতে নিলেন জাপানের নাগরিক ইয়োশিনোরি ওহসুমি। সোমবার (৩ অক্টোবর) নোবেল বিজয়ী হিসেবে তার নাম ঘোষণা করা হয়।
নোবেল কমিটি থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে জানানো হয়, অটোফাজি আবিষ্কারের স্বীকৃতি হিসেবে ইয়োশিনোরিকে নোবেল পুরস্কার দেওয়া হচ্ছে। অটোফাজি হলো শরীরের কোষগত উপাদানের ভাঙন ও তা পুনর্ব্যবহারযোগ্য করার একটি প্রক্রিয়া। নোবেল কমিটির মতে, ইয়োশিনোরির কাজটি গুরুত্বপূর্ণ। কেননা, ক্যান্সার থেকে শুরু করে পারকিনসন্স পর্যন্ত রোগগুলোর ক্ষেত্রে শরীরে কী ধরনের পরিবর্তন হয় তা বুঝতে তার গবেষণাটি সহায়তা করে।  কেননা, অটোফাজি প্রক্রিয়াটি নিয়ন্ত্রণকারী জিন শনাক্ত করতে পেরেছেন এ অধ্যাপক। এ জিনগুলোতে কোনও সমস্যা হলেই যে রোগ সৃষ্টি হয় তাও দেখিয়েছেন তিনি।
উল্লেখ্য ১৯০৫ সালে নোবেল পুরস্কার প্রদান শুরু হওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত চিকিৎসা ক্ষেত্রে ১০৭ বার নোবেল পুরস্কার দেওয়া হয়েছে। ম্যালেরিয়া ও মৌসুমী রোগের চিকিৎসায় অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে গত বছর তিন বিজ্ঞানীকে চিকিৎসায় নোবেল পুরস্কার দেওয়া হয়েছিল। এবার এককভাবেই নোবেল পুরস্কারের ৮০ লাখ সুইডিশ ক্রোনার পাচ্ছেন ইয়োশিনোরি। আগামী ১০ ডিসেম্বর সুইডেনের রাজধানী স্টকহোমে আনুষ্ঠানিকভাবে তার হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হবে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

শিশুরা আর ঝরে পড়বে না : গণশিক্ষামন্ত্রী

4-2-642x336ডেস্ক: দু-চার বছর পর দেশের আর কোনো শিশু প্রাথমিক শিক্ষায় ঝরে পড়বে না বলে মন্তব্য করেছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমান। মিনা দিবস উপলক্ষে  শনিবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের অডিটরিয়ামে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা অধিদপ্তর আয়েজিত অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন। দিবসটিতে এবারের প্রতিপাদ্য ছিল, ঝড় ঝঞ্ঝা বন্যায় পাঠ বন্ধ নয়, মানসম্মত শিক্ষায় জাতি ধন্য হয়। মন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, সব শিশুকে ঝরে পড়া থেকে উদ্ধার করতে, মানসম্মত শিক্ষা অর্জনের মাধ্যমে স্কুলে আনতে হবে। তাদের প্রাথমিক শিক্ষা চক্রটি শেষ করতে সরকারের পক্ষ থেকে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

আশা করছি, আগামী দু-চার বছর পর শিশুরা প্রাইমারিতে আর ঝরে পড়বে না। তবে স্কুলপর্বের পর কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে ঝরে পড়তেই পারে। আর এই জ্ঞানের শক্তি দিয়ে বিশ্বের দরবারে প্রমাণ করবো, আমরা শান্তিপ্রিয় মানুষ। সব ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে বসবার করি। মন্ত্রী বলেন, মিনা আমাদের আদর্শের নায়ক, সমাজে এখনও অনেক জায়গায় অব্যবস্থাপনা রয়েছে। যা ইচ্ছা করলে রাজনীতিবিদ, আমলা কিংবা মন্ত্রীরা বললেও সম্ভব নয়।

সেই কাজটি করা হবে মিনা কার্টুনের মাধ্যমে। মিনা আমাদের উপদেশ দিচ্ছে তা নয়, দল-মত নির্বিশেষে মিনা আমাদের সঠিক পথ দেখাচ্ছে। তা আমরা মেনে চলবো। আমরা সবাই মিনা হবো সোনার বাংলা গড়ে তুলবো। মিনার বয়স বাড়েনি মিনা চিরন্তন, যুগে যুগে আমাদের আদর্শ হয়ে থাকবে, উল্লেখ করে তিনি বলেন, শিক্ষকরা যেন স্কুলের পাঠদানে ফাঁকি না দেন সে জন্য মিনা চরিত্রের মাধ্যমে সেটি তুলে ধরা হবে। অনেক শিক্ষকরা স্কুলের বাচ্চাদের বিষয়ে সচেতন নন। তারা নিজেদের ছেলেমেয়েদের ভালো পড়াশুনার জন্য কিন্ডারগার্টেনে ভর্তি করান আর স্কুলের ছেলেমেয়েদের সঠিকভাবে পড়ান না। ফাঁকি দেন। তাদের বিষয়েও উপদেশমূলক এ উদ্যোগ নেওয়া হবে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

শিক্ষক নিয়োগে জাল সনদের ছড়াছড়ি

স্টাফ রিপোর্টার: বেসরকারি শিক্ষক নিয়োগে জাল সনদের ছড়াছড়ি চলছে। সরকারের পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তর (ডিআইএ) ইতোমধ্যে এক হাজার জাল সনদ বাতিল করেছে। আর বলছে তাদের কাছে এখন পর্যন্ত যে অভিযোগ আছে তাতে সারাদেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে ১০ হাজারের বেশি জাল সনদধারী শিক্ষক আছে বলে তারা ধারণা করছেন। কারণ হিসাবে এ সংস্থার বক্তব্য এই যে, জালিয়াতির বিরুদ্ধে আনীত সব অভিযোগই দেখা যায় সত্য। জালসনদধারী শিক্ষকদের বরাত দিয়ে সরকারের ওই নীরিক্ষা সংস্থাটি বলছে, জালিয়াতির সঙ্গে নিবন্ধন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) সংশ্লিষ্টদের যোগসাজশ রয়েছে। অর্থাত্ সনদ যাদের দেওয়ার কথা তারাই জাল সনদ দেওয়ার প্রক্রিয়ায় জড়িত।

প্রসঙ্গত, ২০০৫ সালে বেসরকারি শিক্ষক নিয়োগের শর্তে নিবন্ধন বাধ্যতামূলক করা হয়। আর এ জন্য নিবন্ধন কর্তৃপক্ষ ( এনটিআরসিএ) গঠন করা হয়। এই কর্তৃপক্ষের বিষয়ভিত্তিক পরীক্ষায় অংশ নিয়ে যারা কৃতকার্য হন তারাই নিবন্ধন প্রত্যয়নপত্র পান। এই নিবন্ধন প্রত্যয়ন শিক্ষক নিয়োগের বিভিন্ন শর্তের একটি। সংস্থাটি গঠিত হবার পর থেকে এ পর্যন্ত ৫ লাখ ৪০ হাজার নিবন্ধন সনদপত্র দিয়েছে।

শিক্ষক হওয়ার মূল যোগ্যতার প্রমাণ হিসেবে শিক্ষক নিবন্ধনের মূল সনদ জমা দিয়ে আবেদন করেছেন, নিয়োগও পেয়েছেন শিক্ষক হিসেবে। এমপিওভুক্ত হয়েছেন, গ্রহণ করেছেন সরকারি বেতন ভাতাও। কিন্তু দীর্ঘদিন পর অনুসন্ধানে জানা যায়, তার নিবন্ধনের সনদটিই জাল। নিয়োগ বোর্ডকে ফাঁকি দিয়ে, তথ্য গোপন করে বা নিয়োগ বোর্ডের কোনো কোনো সদস্যকে ঘুষ দিয়ে হয়েছেন শিক্ষক, নিজে অনিয়ম করে অন্যকে জ্ঞান বিতরণ করে যাচ্ছেন। অভিযোগ রয়েছে, একটি সিন্ডিকেট শিক্ষকদের মাঝে দীর্ঘদিন টাকার বিনিময়ে সনদ  বিতরণ করেছে, যা ভুয়া বা জাল।

ডিআইএ (পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তর) কর্মকর্তারা বলেছেন, ‘যে সব শিক্ষকের বিরুদ্ধে জাল সনদের প্রমাণ মিলেছে তারা আমাদের জানিয়েছে, এই সনদ তারা এনটিআরসিএ থেকেই সংগ্রহ করেছেন। শিক্ষক হওয়ার জন্য গুরুত্বপূর্ণ এই সনদ তারা কিনেছেন ৫০ হাজার থেকে তিন লাখ টাকার বিনিময়ে। সনদ প্রদানকারী কর্তৃপক্ষের একটি অংশের যোগসাজশ ছাড়া এ কাজ সম্ভব নয়ও বলে মন্তব্য তাদের। এ কারণে এই সংস্থার কর্মকাণ্ড কঠোর মনিটরিংয়ের দাবি সংশ্লিষ্টদের।

জাল সনদ খুঁজে পাওয়ার অভিজ্ঞতা থেকে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলেছেন, টাকার বিনিময়ে মূল সফটওয়্যারে প্রার্থী ভুয়া নম্বর, রেজিস্ট্রেশন নম্বর তৈরি করে তা আপলোড করতে ব্যর্থ হলেই তা জাল প্রমাণ মিলছে। কিন্তু ভুয়া রোল নম্বর সফটওয়ারে আপলোড করতে পারলে সেগুলো আর জাল হিসাবে প্রমাণ করা যাচ্ছে না। ফলে অনেক জাল সনদধারীর সনদ জাল হিসাবে প্রমাণ করা যাবে না। জাল সনদ নিয়েই চাকরি করে যাচ্ছেন তারা। এ ক্ষেত্রে প্রার্থীর পরীক্ষার সময় উপস্থিতির স্বাক্ষর দেখলেই জাল না সঠিক তা প্রমাণ করা যাবে।

ডিআইএর উপপরিচালক রাশেদুজ্জামান বলেছেন, গত প্রায় এক বছর ধরে তারা সনদ যাচাই করে যাচ্ছেন যেগুলোর বিষয়ে সন্দেহ হচ্ছে কেবল সেগুলোই যাচাই করা হচ্ছে। এখন পর্যন্ত তারা এক হাজারের বেশি জাল সনদের প্রমাণ পেয়েছেন। এনটিআরসিএ-ই এগুলো জাল বা ভুয়া প্রমাণ করেছে। আরো যাচাইয়ের অপেক্ষায় রয়েছে কয়েকশ। প্রতিনিয়ত তারা জাল সনদ পাচ্ছেন। সারাদেশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে জাল সনদধারী ভুয়া শিক্ষক। তার মতে, সারা দেশে ১০ হাজারের বেশি জাল সনদধারী শিক্ষক রয়েছেন। সব প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করলেই এর প্রমাণ মিলবে।

নরেশ চন্দ্র মণ্ডল নামে ফরিদপুর মহাবিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা বিষয়ের একজন প্রভাষক। তিনি ২০১২ সালে এমপিওভুক্ত হয়েছিলেন একটি নিবন্ধন সনদ দেখিয়ে। যার রেজি নং- ৮০০১৮১১৯/২০০৮। ফল প্রকাশ ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০০৯। ৫০ শতাংশ নম্বর দেখিয়েছেন।

নিবন্ধন কর্তৃপক্ষ প্রথমে নরেশ মণ্ডলের সনদটি জাল হিসেবে চিহ্নিত করেন ২০১৫ সালের ২৬ অক্টোবর। এ কারণে বেতন হিসাবে নেয়া ৩ লাখ ৪১ হাজার টাকা ফেরতযোগ্য বলে ডিআইএ । কিন্তু কয়েকদিন পর নরেশ চন্দ্র মণ্ডল পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তরের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার কাছে নতুন একটি সনদ জমা দিয়ে বলেন, এটি আমার প্রকৃত সনদ, যাচাই করে দেখুন ঠিক আছে। যে সনদটিকে সঠিক বলে দাবি করছেন তাতে নরেশের রোল নম্বর ১৫৭০৯৬৫। ২০০৫ সালের নভেম্বর মাসে অনুষ্ঠিত পরীক্ষায় অংশ নিয়ে নরেশকে পাস দেখানো হয়েছে। নিবন্ধন নং ০৫৪০৯৫০৯/২০০৫। তাহলে প্রশ্ন হচ্ছে নরেশকে সঠিক সনদটি তৈরি করে দিলো কে? এই সনদটিও যাচাইয়ের উদ্যোগ নিয়েছে ডিআইএ।

ডিআইএর ধারণা, এর মূল সফটওয়ারে থাকলেও নরেশ মণ্ডলের সনদটি জাল হতে পারে। এনটিআরসিএর জাল সনদ সিন্ডিকেটের কাছ থেকে টাকার বিনিময়ে তিনি এটি কিনতে পারেন এমন শঙ্কাও রয়েছে তাদের। এ কারণে সনদ জাল কিনা এমন তথ্য না চেয়ে কৌশল হিসাবে এনটিআরসিএর কাছে নরেশ চন্দ্র মণ্ডলের পরীক্ষার সময় উপস্থিতির স্বাক্ষর চেয়েছে সংস্থাটি। ডিআইএ’র মতে, জাল সনদ সঠিক বলে দিতে পারে এনটিআরসিএ। কিন্তু উপস্থিতির স্বাক্ষর জাল করা সম্ভব হবে না। এ কারণেই এ কৌশল নিয়েছে ডিআইএ।

ডিআইএ’র অপর এক কর্মকর্তা বলেন, এনটিআরসিএ’র কিছু কিছু কর্মকর্তার এর আচরণেও জাল সনদের সন্দেহ উস্কে দেয়। ইংরেজি বিষয়ের প্রভাষক রুবিনা বেগম, ভূগোল ও পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের প্রভাষক এরশাদ আলীর সনদ জাল হতে পারে এমন সন্দেহ ডিআইএ’র। এ কারণে এই সনদগুলো পরীক্ষার জন্য এ পর্যন্ত ১০ বার এনটিআরসিএ’র কাছে চিঠি পাঠানো হয়েছে। কিন্তু এখন পর্যন্ত তথ্য দেয়নি এনটিআরসিএ। ডিআইএ-এক কর্মকর্তা বলেন, ডিআইএ এবং এনটিআরসিএ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ সরকারি সংস্থা। সব নিয়ম মেনেই তথ্য চেয়েছি । কিন্তু এভাবে সহযোগিতা না করার কারণে প্রকৃত জাল সনদের বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া যাচ্ছে না। সম্প্রতি এভাবে ১০৫টি সনদের (জাল না সঠিক) বিষয়ে তথ্য না পাওয়ার অভিযোগ করেছে ডিআইএ। জাল সনদধারী শিক্ষকদের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করলেই এ বিষয়ে প্রকৃত তথ্য মিলবে মন্তব্য সংশ্লিষ্টদের।

এনটিআরসিএ’র ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তাও জাল সনদ তৈরিতে সিন্ডিকেট থাকতে পারে বলে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন। নাম প্রকাশ না করার শর্তে তিনি বলেন, এ প্রতিষ্ঠানের কর্মচারীদের কর্মকাণ্ডে আমাদের কিছুটা সন্দেহ হয়। বিষয়টি নিয়ে গভীর অনুসন্ধান হতে পারে। যাতে প্রকৃত সিন্ডিকেট ধরা পড়ে। জাল সনদের মুক্তি মেলে।

প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক তৌহিদুর রহমান বলেন, আমরা নতুন এসেছি। বিভিন্ন সংস্থা থেকে আমাদের কাছে সনদ যাচাইয়ের জন্য পাঠানো হয়। আমরা যাচাই করে দেই। অনেক সনদ পেয়েছি যেগুলো জাল বা ভুয়া। জাল সনদ তৈরির ক্ষেত্রে এনটিআরসিএ’র কিছু কর্মকর্তা কর্মচারীর বিরুদ্ধে অভিযোগ সম্পর্কে তিনি বলেন, অতীতে এমন অভিযোগ হয়তো ছিল। এখন নেই। যদি কেউ জাল সনদ দেওয়ার কাজে জড়িত থাকে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত বলে আমি মনে করি।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

চরম শিক্ষক-কর্মচারী সংকটে সরকারি স্কুলগুলো ৩০ বছর ধরে কোন পদ সৃষ্টি হয়নি

চরম শিক্ষক-কর্মচারী সংকটে পড়েছে তিন পার্বত্য জেলার সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলো। বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে একাডেমিক কার্যক্রম। প্রায় ৩০ বছর ধরে নতুন পদ সৃষ্টি না হওয়া, বিদ্যমান পদের চেয়ে জনবল কম থাকা এবং শিক্ষকরা এসব জেলায় চাকরি করতে অনীহা দেখানোর কারণে এই অবস্থা সৃষ্টি হয়েছে। তিন পার্বত্য জেলার ১৮টি সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের মোট ৪৫২টি শিক্ষক-কর্মচারীর পদের মধ্যে ১৫৩টি পদই দীর্ঘদিন ধরে শূন্য রয়েছে। মাধ্যমিক স্তরে গড়ে প্রতি শ্রেণীতে ১৪/১৫টি আবশ্যিক বিষয় (সাবজেক্ট) থাকলেও তিন জেলার সাতটি স্কুলে শিক্ষক-কর্মচারী আছেন মাত্র ৫/৯ ও ১০ জন করে।

এ ব্যাপারে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদফতরের (মাউশি) মাধ্যমিক শাখার উপ-পরিচালক একেএম মোস্তফা কামাল সংবাদকে বলেন, ‘আশির দশকে এসব স্কুল জাতীয়করণ করা হয়। এরপর এগুলোতে আর নতুন পদ সৃজন হয়নি। আমরা পদ সৃষ্টির জন্য বারবার দাবি জানিয়ে আসছি। কিন্তু এ সংক্রান্ত ফাইল অর্থ মন্ত্রণালয় হয়ে জনপ্রশাসনে গিয়েই আটকে যায়। আবার নতুন শিক্ষকও নিয়োগ দেয়া যাচ্ছে না এবং কর্মচারী নিয়োগ বন্ধ রয়েছে। এজন্য সংকট সৃষ্টি হয়েছে।’

রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলার মোট ছয়টি সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক-কর্মচারীর পদ রয়েছে ১৪৮টি, যার মধ্যে ৪৬টি পদই দীর্ঘদিন ধরে শূন্য। এর মধ্যে রাঙ্গামাটি লংগদু সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষক-কর্মচারীর মোট পদই রয়েছে মাত্র পাঁচটি, যার মধ্যে একটি পদ শূন্য ও জুরাছড়ির ভুবনজয় উচ্চ বিদ্যালয়ে মোট ৯টি পদের মধ্যে পাঁচটিই খালি এবং রাজস্থলীতাইতংপাড়া সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের মোট ৯টি পদের তিনটি শূন্য রয়েছে।

এছাড়া জেলার রাঙ্গামাটি সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের মোট ৫০টি পদের মধ্যে ১৮টি শূন্য ও বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ৫০টি পদের ১০টি শূন্য এবং কাপ্তাই নারানগিরি সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের ২৫টি পদের মধ্যে ৯টি পদ শূন্য রয়েছে।এ ব্যাপারে রাঙ্গামাটির জেলা শিক্ষা অফিসার হারুন অর রশীদ সরকার সংবাদকে বলেন, ‘জেলা সদরের দুটি স্কুল ছাড়া বাকি চারটি হাই স্কুলের অবস্থা খুবই খারাপ। এসব দীর্ঘদিন ধরে প্রয়োজনীয় শিক্ষক না থাকায় ছাত্রছাত্রীরা সরকারি স্কুলে ভর্তিই হতে চায় না। মাত্র ৪/৫ জন শিক্ষক দিয়ে একটি সরকারি হাই স্কুল কীভাবে চলে?’

বান্দরবানের মোট সাতটি সরকারি হাই স্কুলের চারটিই বন্ধের পথে। বাকি তিনটির অবস্থাও করুণ। এর মধ্যে বান্দরবান সরকারি হাই স্কুলের মোট ৫০টি পদের ১৪টি শূন্য ও সরকারি বালিকা হাই স্কুলের মোট ৪৯টি পদের ১৭টি শূন্য, লামা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের ২৫টি পদের ১৬টি খালি, আলীকদম সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের দশটি পদের তিনটি খালি, রোয়াংছড়ি সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের নয়টি পদের চারটি শূন্য, রুমা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে নয়টি পদের চারটি শূন্য এবং নাইক্ষ্যংছড়ি ছালেহ আহমদ সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে মাত্র নয়জন শিক্ষক-কর্মচারী রয়েছেন। সবমিলিয়ে বান্দরবানের মোট সাতটি সরকারি স্কুলের ১৬১টি পদের মধ্যে ৫৮টি পদ দীর্ঘদিন ধরে শূন্য।

খাগড়াছড়ির পাঁচটি সরকারি হাই স্কুলের মোট ১৪৩টি শিক্ষক-কর্মচারীর পদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরেই ৪৯টি শূন্য রয়েছে। এর মধ্যে বান্দরবান সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের মোট ৫০টি পদের মধ্যে ১৪টি শূন্য ও খাগড়াছড়ি সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ৪০টি পদের মধ্যে ১৪টি শূন্য, রামগড় সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের ২৫টি পদের মধ্যে ১২টিই শূন্য, দীঘিনালা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের ১৯টি পদের মধ্যে ৯টিই শূন্য এবং জেলার মানিকছড়ি রাণী নীহার দেবী সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে মাত্র নয়জন শিক্ষক কর্মচারী আছেন।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

অনার্স ৪র্থ বর্ষের ফল প্রকাশ

নিজস্ব প্রতিবেদক: জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে অনুষ্ঠিত ২০১৪ সালের অনার্স চতুর্থ বর্ষ পরীক্ষার ফল মঙ্গলবার প্রকাশ করা হয়েছে। এবার পাসের হার ৮১.১৯%।

ফলাফল SMS এর মাধ্যমে সন্ধ্যা ৭টা থেকে যে কোনো মোবাইল মেসেজ অপশনে গিয়ে (nuhp4Roll)  লিখে 16222 নম্বরে Send করে এবং একই সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট (www.nu.edu.bd) এবং (www.nubd.info)  থেকে জানা যাবে।

এ পরীক্ষায় ২৮টি বিষয়ে সারাদেশে ৩১৮টি কলেজের ১ লাখ ২৩ হাজার ২৫৫ জন নিয়মিত পরীক্ষার্থী মোট ১৫৩টি কেন্দ্রে অংশগ্রহণ করে ৯৯ হাজার ৫৭০ জন উত্তীর্ণ হয়েছে।

মঙ্গলবার জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ, তথ্য ও পরামর্শ দফতরের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক মো. ফয়জুল করিম স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

বেসরকারি গার্হস্থ্য অর্থনীতি কলেজগুলোকে ঢাবির ইনস্টিটিউট করার দাবি

%e0%a7%a7নিজস্ব প্রতিবেদক: বেসরকারি ও সরকারি গার্হস্থ্য অর্থনীতি কলেজগুলোকে একত্রে করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) একটি ইনস্টিটিউটের মাধ্যমে পরিচালনার দাবি করেছে শিক্ষার্থীরা। শনিবার দুপুরে বেসরকারি গার্হস্থ্য অর্থনীতি কলেজের শিক্ষার্থীরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনে এক সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি করেন।
প্রসঙ্গত গত বুধবার সরকারি গার্হস্থ্য কলেজের ছাত্রীরা রাজধানীর আজিমপুরের ক্যাম্পাসে আন্দোলন করে। দেশে তিনটি বেসরকারি গার্হস্থ্য অর্থনীতি কলেজ রয়েছে। ময়মনসিংহে একটি ও ঢাকায় দুটি শাখা রয়েছে। ঢাকার দুটি ক্যাম্পাস গ্রীন রোড ও লালমাটিয়ায় অবস্থিত।
সংবাদ সম্মেলন শিক্ষার্থী সূচিতা বলেন, ‘কলেজের ভর্তি প্রক্রিয়া থেকে শুরু করে বেতন ফি নির্ধারণসহ সকল ক্ষেত্রেই বৈষম্য এবং অস্পষ্টতা দৃশ্যমান। ঢাবির নাম ব্যবহার করে ছাত্রীদের ভর্তি করা হলেও পরবর্তীতে দেখা যায় একমাত্র আজিমপুর শাখার ক্ষেত্রেই সেই সুবিধা বিদ্যমান।’
ভর্তি বিজ্ঞপ্তি, ভর্তির ফরম পূরণ, ফলাফল প্রকাশ, সনদপত্র প্রদান সবকিছুই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম ব্যবহার করে হয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জীববিজ্ঞান অনুষদে ভর্তির সাক্ষাৎকারও গ্রহণ করা হয়। কিন্তু ভর্তির কিছুদিন পরেই বোঝায় যায়, আসলে ঢাবির সঙ্গে প্রতিষ্ঠানটির সরাসরি কোনও সম্পৃক্ততা নেই। আমরা সকল সুযোগ সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছি।’

এসময় তারা তিনটি দাবি করেন:

অবিলম্বে গার্হস্থ্য অর্থনীতি কলেজের সকল শাখাকে একীভূত করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালরে একটি পূর্ণাঙ্গ ইনস্টিটিউটের মর্যাদা প্রদান করা হোক।

সকল শাখায় অবিলম্বে সহ-শিক্ষা কার্যক্রম অনুমোদন নিশ্চিত করা হোক।

মিথ্যা আশ্বাস কিংবা কোনও অস্পষ্ট প্রতারণা নয়, সকল শাখায় সমন্বিত ভর্তি ও বেতন ফি নির্ধারণ করা হোক।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

জাতীয়করণ হচ্ছে আরও ১৯৫ মাধ্যমিক বিদ্যালয়।

চুয়াডাঙ্গার জীবননগর একটি বিদ্যালয় জাতীয়করনের আওতায়

eduনিজস্ব প্রতিবেদক: জাতীয়করণের আওতায় আসছে আরও ১৯৫টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়। দেশের যেসব উপজেলায় সরকারি বিদ্যালয় নেই এবং প্রধানমন্ত্রী জাতীয়করণের জন্য কোন প্রতিষ্ঠানের জন্য সম্মতি/প্রতিশ্রুতি/নির্দেশনা প্রদান করেননি- এমন ১৯৫টি উপজেলার একটি করে বেসরকারি বিদ্যালয়কে জাতীয়করণের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় জাতীয়করণের লক্ষ্যে ৫৮ জেলার ১৯৫টি উপজেলা বা থানা থেকে পাঁচটি করে শীর্ষস্থানীয় বিদ্যালয়ের তালিকা চেয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদফতরের (মাউশি) কাছে। মন্ত্রণালয়ের এই চাহিদার পরিপ্রেক্ষিতে প্রয়োজনীয় তথ্য-উপাত্ত অনলাইনে ও হার্ড কপি পাঠানোর জন্য গত ১৫ সেপ্টেম্বর মাউশি তার ৯টি আঞ্চলিক কার্যালয়ের উপপরিচালককে নির্দেশনা প্রদান করে।

মাউশির নির্দেশনায় বলা হয়েছে, বিদ্যালয় বাছাইয়ের সময় মূল কাগজ যাচাইপূর্বক তথ্যাদি লিপিবদ্ধ করে হার্ড কপিতে প্রতিষ্ঠান প্রধান স্বাক্ষর করবেন। উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার ও জেলা শিক্ষা অফিসারের প্রতিস্বাক্ষর হার্ড কপিতে থাকতে হবে। তথ্য সংগ্রহ ও প্রেরণের ক্ষেত্রে কঠোর গোপনীয়তা বজায় রাখতে হবে।

এ ব্যাপারে মাউশির উপ-পরিচালক একেএম মোস্তফা কামাল  শিক্ষাবার্তাকে বলেন, ‘মাঠ পর্যায়ে তথ্য চাওয়া হয়েছে। এখন স্কুলগুলো এ নিয়ে কাজ করছে। স্কুল থেকে তথ্য সংগ্রহ করে আমাদের কাছে পাঠাবেন শিক্ষা কর্মকর্তারা।’

 

যেসব উপজেলা জাতীয়করণের আওতায় আসছে :

মাউশির তালিকা অনুযায়ী- ঢাকার ধামরাই, দোহার ও নবাবগঞ্জ উপজেলা, মানিকগঞ্জের দৌলতপুর, ঘিওর, সাটুরিয়া ও সিঙ্গাইর, নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার, রূপগঞ্জ ও বন্দর, গাজীপুরের কাপাসিয়া ও শ্রীপুর, নরসিংদীর বেলাবো, মনোহরদী, পলাশ, রায়পুরা ও শিবপুর, মুন্সীগঞ্জের লৌহজং, সিরাজদিখান ও টঙ্গীবাড়ি, ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা, ভাঙ্গা, নগরকান্দা ও সালথা, শরীয়তপুরের জাজিরা ও নড়িয়া, মাদারীপুরের কালকিনি ও শিবচর, ময়মনসিংহের ধোবাউড়া, ফুলবাড়িয়া, ফুলপুর, হালুয়াঘাট, মুক্তাগাছা ও তারাকান্দা, জামালপুরের ইসলামপুর ও সরিষাবাড়ি, শেরপুরের ঝিনাইগাতি, নকলা ও নালিতাবাড়ি, কিশোরগঞ্জের বাজিতপুর, ভৈরব, হোসেনপুর, ইটনা ও নিকলী, টাঙ্গাইলের কালিহাতি, মির্জাপুর, নাগরপুর, সখিপুর ও ধনবাড়ি, চট্টগ্রামের আনোয়ারা, বোয়ালখালী, চান্দনাইশ, ফটিকছড়ি, লোহাগড়া, রাঙ্গুনিয়া, রাউজান ও সাতকানিয়া, কঙ্বাজারের পেকুয়া ও টেকনাফ, খাগড়াছড়ির গুইমারা, রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়ি, বরকল ও নানিয়ারচর, নোয়াখালীর সোনাইমুড়ি, সুবর্ণচর ও কবিরহাট, ফেনীর পরশুরাম, কুমিল্লার চান্দিনা, চৌদ্দগ্রাম, লাকসাম, মেঘনা, নাঙ্গলকোট, তিতাস ও মনোহরগঞ্জ, চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ, হাজীগঞ্জ ও শাহরাস্তি, বি-বাড়ীয়ার আখাউড়া, বাঞ্চারামপুর ও বিজয়নগর, লক্ষ্মীপুরের রামগতি ও কমলনগর, সিলেটের বিয়ানীবাজার, গোয়াইনঘাট, গোলাপগঞ্জ, দক্ষিণ সুরমা ও ওসমানিনগর, হবিগঞ্জের বাহুবল, সুনামগঞ্জের দিরাই, দোয়ারাবাজার, সাল্লা ও দক্ষিণ সুনামগঞ্জ, মৌলভীবাজারের বড়লেখা, কমলগঞ্জ, রাজানগর ও জুড়ী, রাজশাহীর বাঘা, দুর্গাপুর, গোদাগাড়ী, পুঠিয়া ও তানোর।

এছাড়া বগুড়ার ধুনট, দুপচাচিয়া, শেরপুর, শিবগঞ্জ, সোনাতলা ও শাহজাহানপুর উপজেলা, পাবনার আটঘরিয়া, বেড়া, ভাঙ্গুর, চাটমোহর, ঈশ্বরদী ও সাথিয়া, নাটোরের লালপুর, নওগাঁর ধামইরহাট, মান্দ্রা, মহাদেবপুর, নিয়ামতপুর, পত্নীতলা, পোরশা ও রাণীনগর, সিরাজগঞ্জের বেলকুচি, চৌহালী, শাহজাদপুর, তাড়াশ ও উল্লাপাড়া, জয়পুরহাটের আক্কেলপুর, কালাই ও ক্ষেতলাল, রংপুরের বদরগঞ্জ, গংগাচড়া, কাউনিয়া, মিঠাপুকুর, পীরগাছা ও তারাগঞ্জ, লালমনিরহাটের আদিতমারী, দিনাজপুরের বিরল, বোঁচাগঞ্জ, চিনিরবন্দর, ফুলবাড়ী, ঘোরাঘাট, কাহারোল, খানসামা ও পার্বতীপুর, ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গী ও হরিপুর, পঞ্চগড়ের বোদা ও তেতুলিয়া, নীলফামারীর জলঢাকা, গাইবান্ধার সাদুল্যপুর, খুলনার বাটিয়াঘাটি, কয়রা ও তেরখাদা, সাতক্ষীরার আশাশুনী, বাগেরহাটের কচুয়া, মোল্লাহাট, মংলা ও শরণখোলা, যশোরের বাঘারপাড়, চৌগাছা, ঝিকরগাছা ও কেশবপুর, কুষ্টিয়ার দৌলতপুর ও কুমারখালী, ঝিনাইদহের কোঁটচাদপুর ও কুমারখালী, মাগুরার মোহাম্মদপুর, শালিখা ও শ্রীপুর, নড়াইলের কালিয়া, মেহেরপুরের মুজিবনগর, চুয়াডাঙ্গার জীবননগর, পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া, নেছারাবাদ (স্বরূপকাঠী) ও জিয়ানগর (ইঁদুরকাঠী) ঝালকাঠীর নলছিটি, বরিশালের আগৈলঝড়া, বাবুগঞ্জ, বাকেরগঞ্জ, গৌরনদী, হিজলা, মেহেদীগঞ্জ, মুলাদী ও উজিরপুর, বরগুনার বামনা ও তালতলী, পটুয়াখালীর বাউফল, দশমিনা, দুমকী, গলাচিপা, কলাপাড়া ও রাঙ্গাবালী এবং ভোলার চরফ্যাশন ও মনপুরা উপজেলায় একটি করে বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় জাতীয়করণ করা হবে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

উচ্চশিক্ষিতদের সহকারী শিক্ষক হিসেবে নিয়োগের দাবি

নিজস্ব প্রতিবেদক: দেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে উচ্চশিক্ষিত, মেধা ও যোগ্যতাসম্পন্ন ব্যক্তিকে সহকারী শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দেওয়ার দাবিসহ ৯ দফা দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি(একাংশ)

শুক্রবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।

সংবাদ সম্মেলনে সমিতির পক্ষে থেকে ৯ দফা দাবি তুলে ধরা হয়। দাবিগুলো হলো- উচ্চ শিক্ষিত ও মেধাবীদের সহকারী শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ, বিভাগীয় উচ্চ পদে সহকারী শিক্ষকদের মধ্য থেকে মেধা, যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে পদোন্নতি দেওয়া, একই পাঠ্যপুস্তক ও কারিকুলামের আওতায় একইভূত প্রাথমিক শিক্ষা চালু, সিনিয়র সহকারী শিক্ষকদের প্রধান শিক্ষকের শূন্য পদে নিয়োগ নেওয়া, সহকারী প্রধান শিক্ষক পদ সৃষ্টি, সকল বিদ্যালয়ে মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম, কম্পিউটার, ল্যাপটপ সরবরাহ, শিক্ষকদের পাওনাদি পরিশোধ, বিদ্যালয়ে একজন অফিস সহকারী নিয়োগ এবং প্রাথমিক শিক্ষায় বাস্তব সিদ্ধান্তের স্বার্থে শিক্ষক প্রতিনিধি অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা।

সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন সমিতির( একাংশের)সভাপতি আউয়াল তালুকদার, নির্বাহী সভাপতি ওয়েছ আহমেদ, সিনিয়র সহ-সভাপতি মো. আবুল হোসেন, আক্কাস আলী, সাংগঠনিক সম্পাদক মনিরুল ইসলাম, অর্থ সম্পাদক নুরুল ইসলাম, দফতর সম্পাদক মো. মোশাররফ হোসেন প্রমুখ।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

শিক্ষার নামে ব্যবসা করলে বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ : নাহিদ

nahidরাবি প্রতিনিধি: শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ বলেছেন, শিক্ষার নামে দেশের যেসব বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ব্যবসা করছে, সেগুলো বন্ধ করে দেওয়া হবে।
বুধবার সকাল ১০টায় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) সিনেট ভবনে কৃতী শিক্ষার্থীদের মধ্যে স্বর্ণপদক প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে শিক্ষামন্ত্রী এ কথা বলেন।
রাবি উপাচার্য অধ্যাপক মুহম্মদ মিজানউদ্দিনের সভাপতিত্বে এই অনুষ্ঠানে ৬৪ জনকে অগ্রণী ব্যাংক স্বর্ণপদক, তিনজনকে ড. মমতাজ উদ্দিন আহমদ স্বর্ণপদক ও একজনকে ডা. এ কে খান স্বর্ণপদক প্রদান করা হয়। শিক্ষামন্ত্রী স্নাতকোত্তর বা এমবিবিএস পরীক্ষায় প্রথম শ্রেণিসহ প্রথম স্থান অধিকারীকে অগ্রণী ব্যাংক স্বর্ণপদক, দর্শন বিষয়ে মাস্টার্স পরীক্ষায় প্রথম শ্রেণিতে প্রথম স্থান অধিকারীকে ড. মমতাজ উদ্দিন আহমদ স্বর্ণপদক এবং এমবিবিএস (শেষ বৃত্তিমূলক, নিয়মিত) পরীক্ষায় কমপক্ষে ৬০ শতাংশ নম্বরসহ চিকিৎসা অনুষদে প্রথম স্থান অধিকারীকে ডা. এ কে খান স্বর্ণপদক প্রদান করেন।
নুরুল ইসলাম নাহিদ বলেন, ‘প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকেও আমরা জ্ঞান সৃষ্টির জন্যই অগ্রাধিকার দিচ্ছি। কিন্তু একটা শ্রেণি নিজেরা লাভবান হতে চান। এটাকে ব্যবসা হিসেবে নিয়েছেন। আমরা তাঁদের ওপর চাপ সৃষ্টি করেছি। নতুন আইন তৈরি করেছি। তাঁদের বিরুদ্ধে আমরা ব্যবস্থাও নিয়েছি। তারপরও উচ্চ আদালতে স্টে-অর্ডার নিয়ে তারা বিশ্ববিদ্যালয়গুলো চালিয়ে যাচ্ছে। মামলা সম্পন্ন হলে আমরা বিশ্ববিদ্যালয়গুলো বন্ধ করে দেব।’
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়কে আমাদের একটু ভিন্ন দৃষ্টি থেকে দেখতে হবে। গতানুগতিকভাবে দেখলে চলবে না। বিশ্ববিদ্যালয় হচ্ছে জ্ঞান চর্চার জায়গা। এখানে গবেষণা হবে, নতুন নতুন জ্ঞানের সৃষ্টি হবে। আর যদি তা করা সম্ভব না হয় তাহলে ওই বিশ্ববিদ্যালয় দিয়ে কী হবে?’
নুরুল ইসলাম নাহিদ বলেন, ‘সম্প্রতি আমাদের দেশে কৃষিক্ষেত্রে নতুন শস্যের উদ্ভাবন দেখেছি। বর্তমানে খাদ্যে আমরা স্বয়ংসম্পূর্ণ। এভাবে আমাদের দেশের সমস্যাগুলো দেখতে হবে। আর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে উৎপাদিত জ্ঞান দিয়ে সেই সব সমস্যার সমাধানের চেষ্টা চালাতে হবে। আর অন্যান্য প্রতিষ্ঠান থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের পার্থক্য এখানেই।’
গবেষণার ক্ষেত্রে বাজেটস্বল্পতার কথা উল্লেখ করে শিক্ষামন্ত্রী আরো বলেন, ‘আমাদের দেশে গবেষণা ক্ষেত্রে বাজেট খুবই সীমিত। সে জন্য অধিক শিক্ষক-শিক্ষার্থী গবেষণা ক্ষেত্রে যেতে পারছে না। তাই বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে গবেষণার জন্য বরাদ্দ বৃদ্ধির চেষ্টা অব্যাহত রেখেছি।’
দেশে জঙ্গি কার্যক্রম সম্পর্কে নুরুল ইসলাম নাহিদ বলেন, ‘গুলশানের হলি আর্টিজান রেস্তোরাঁ, শোলাকিয়ায় যে জঙ্গি হামলাগুলো হয়েছে সেই সব জঙ্গিদের বেহেশতের, হুরপরীদের লোভ দেখানো হয়েছে। অথচ নিহত জঙ্গিদের মা-বাবারা তাদের লাশই নিচ্ছে না। যেখানে বাবা-মা-ই তাদের সন্তানদের লাশ নিতে চাচ্ছে না, সেখানে আল্লাহ তাদের বেহেশতে নিয়ে হুরপরীদের সামনে বসিয়ে দেবে, এমনটা তারা কীভাবে ভাবে বুঝে আসে না।’

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

Responsive WordPress Theme Freetheme wordpress magazine responsive freetheme wordpress news responsive freeWORDPRESS PLUGIN PREMIUM FREEDownload theme free