Home » শিক্ষাঙ্গন

শিক্ষাঙ্গন

এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার তারিখ পরিবর্তন

অনলাইন ডেস্ক,১৮ জানুয়ারী:

এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা পিছিয়েছে। ১ ফেব্রুয়ারি শুরু হবার কথা থাকলেও পরীক্ষার তারিখ পিছিয়ে ৩ ফেব্রুয়ারি করা হয়েছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের গণসংযোগ কর্মকর্তা আবুল খায়ের বাংলাদেশ জার্নালকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

তিনি জানান, অনিবার্য কারণবশত পরীক্ষার তারিখ পরিবর্তন করা হয়েছে। ভোটের কারণই পরীক্ষা পেছানো হয়েছে।

শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি এ বিষয়ে গণমাধ্যমকে বলেন, আগামীকাল নতুন রুটিন দেয়া হবে।



সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জন্য মাউশির জরুরি নির্দেশনা

ডেস্ক,১৭ জানুয়ারী:

সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে জাতীয় সঙ্গীত পরিবশন সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর।গতকাল বৃহস্পতিবার প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয় দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ করার জন্য দেশের সকল (মাধ্যমিক/কলেজ) শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এসেম্বলি আয়োজন করার নির্দেশনা রয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে, যে সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিতান্ত অসম্ভব সে সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধানকে কেন্দ্রীয় সাউন্ড সিস্টেম ব্যবহার করে শ্রেণি কার্যক্রম শুরুর পূর্বে সকল শ্রেণি কক্ষে একযোগে জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশন এবং তার প্রতি যথাযথ সম্মান প্রদর্শন করার জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হয়েছে।


তৃতীয় শ্রেণি পর্যন্ত প্রথাগত পরীক্ষা থাকছে না

নিজস্ব প্রতিবেদক,১৬ জানুয়ারী:

প্রাক-প্রাথমিক থেকে উচ্চমাধ্যমিক স্তরের শিক্ষাব্যবস্থায় বড় পরিবর্তন আসছে। শিক্ষার্থীরা বিজ্ঞান না কি অন্য শাখায় পড়বে, সেটা ঠিক হবে একাদশ শ্রেণিতে। এর আগে ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত সবাইকে অভিন্ন ১০টি বিষয় পড়তে হবে।

বইয়ের সংখ্যাও এখনকার চেয়ে কমবে। বিষয়বস্তু বদলাবে। আর এসএসসি পরীক্ষা হবে শুধু দশম শ্রেণির পাঠ্যসূচির ভিত্তিতে। একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণিতে দুটি পাবলিক পরীক্ষা হবে, যার ভিত্তিতে এইচএসসির ফল প্রকাশ করা হবে।

এমন প্রস্তাব ও পরিকল্পনা নিয়ে প্রাক্-প্রাথমিক থেকে উচ্চমাধ্যমিক স্তরের শিক্ষাক্রম পরিমার্জনের কাজ করছে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি)। পরিমার্জিত শিক্ষাক্রম অনুযায়ী প্রথম, দ্বিতীয় ও ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থীরা আগামী বছর নতুন পাঠ্যবই পাবে। পর্যায়ক্রমে অন্যান্য শ্রেণিতে নতুন শিক্ষাক্রমে নতুন বই দেওয়া হবে। আগামী মার্চের মধ্যে শিক্ষাক্রম চূড়ান্ত করে পর্যায়ক্রমে ২০২৫ সালে গিয়ে উচ্চমাধ্যমিক পর্যন্ত পুরোপুরি শিক্ষাক্রম বাস্তবায়িত হবে।

এনসিটিবির সূত্রমতে, তৃতীয় শ্রেণি পর্যন্ত প্রথাগত কোনো পরীক্ষা থাকবে না। এনসিটিবির সদস্য (প্রাথমিক শিক্ষাক্রম) অধ্যাপক এ কে এম রিয়াজুল হাসান শিক্ষাবার্তাকে বলেন, শিক্ষার্থীরা যাতে সক্রিয় শিখনের (একটিভ লার্নিং) মাধ্যমে নির্ধারিত দক্ষতাগুলো অর্জন করতে পারে, সেই বিষয় মাথায় রেখে শিক্ষাক্রম পরিমার্জন হচ্ছে।

তৃতীয় শ্রেণি পর্যন্ত বিদ্যালয়ে ধারাবাহিক মূল্যায়ন হবে। এই চিন্তা থেকে হাতে-কলমে শেখানো যায় এমনভাবেই বইগুলো হবে। প্রাথমিক স্তরে বইয়ের নামেও পরিবর্তন আনার কথা ভাবা হচ্ছে। যেমন গণিত বইয়ের নাম হতে পারে ‘গণিতের মজা’।

যশোর মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের সাবেক চেয়ারম্যান আমিরুল আলম খান শিক্ষাবা্তাকে বলেন, যাঁরা পুরো শিক্ষাব্যবস্থাটা বোঝেন, তাঁদের দিয়ে যুগের উপযুক্ত শিক্ষাক্রম তৈরি করতে হবে।

যেভাবে দেখবেন পিইসি-জেএসসির ফল

ডেস্ক,৩০ ডিসেম্বর:

প্রাথমিক ও ইবতেদায়ি শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা এবং জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) ও জুনিয়র দাখিল সার্টিফিকেট (জেডিসি) পরীক্ষার ফল মঙ্গলবার প্রকাশ করা হবে। কাল সকালে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি, উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী ও প্রাথমিক শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে এ ফল হস্তান্তর করবেন। পরে সংবাদ সম্মেলনে বিস্তারিত ফল প্রকাশ করা হবে।

আন্তশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় সাব কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মু. জিয়াউল হক জানান, বেলা ১২টায় নিজ নিজ কেন্দ্র বা প্রতিষ্ঠান থেকে এবং অনলাইনে জেএসসি ও জেডিসির ফল জানতে পারবে শিক্ষার্থীরা।

মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটের (www.dhakaeducationboard.gov.bd) রেজাল্ট কর্নারে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ইআইআইএন এন্ট্রি করে প্রতিষ্ঠানভিত্তিক রেজাল্ট শিট ডাউনলোড করা যাবে। এছাড়া www.educationboard.gov.bd ওয়েবসাইট থেকেও রেজাল্ট কর্নারে গিয়ে বোর্ড ও প্রতিষ্ঠানের ইআইআইএন ব্যবহার করে প্রতিষ্ঠানভিত্তিক রেজাল্ট শিট ডাউনলোড করা যাবে।

এছাড়া বেলা আড়াইটা থেকে সব জেলা, উপজেলা বা থানায় নিজ নিজ পরীক্ষা পরিচালনা কমিটির মাধ্যমে প্রাথমিক সমাপনীর ফল পাওয়া যাবে। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের ওয়েবসাইট (www.dpe.gov.bd) ও (http://dperesult.teletalk.com.bd) এই ঠিকানায় পাওয়া যাবে প্রাথমিক সমাপনীর ফল। বেলা ১২টায় প্রাথমিক ও ইবতেদায়ি সমাপনীর ফল পাওয়া যাবে।

মোবাইল অ্যাপস থেকেও জেএসসি-জেডিসির ফল পাওয়া যাবে এই (www.educationboardresults.gov.bd) ঠিকানায়। বেলা আড়াইটায় জেএসসি-জেডিসি পরীক্ষার ফল পাওয়া যাবে।

মোবইলে পঞ্চম ও অষ্টম শ্রেণির ফল পাওয়া যাবে যেভাবে-

প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষার ফল

DPESTUDENT IDYEAR & SEND TO 16222
Example: DPE 1120194142432222 2019 & SEND TO 16222

ইবতেদায়ি শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষার ফল

EBTSTUDENT IDYear & SEND TO 16222
Example: EBT 1120194142432222 2019 & SEND TO 16222

JSC পরীক্ষার ফল JSCBOARDROLLYEAR & SEND TO 16222 Example: JSC DHA 123456 2019 & SEND TO 16222

JDC পরীক্ষার ফল

JDCMADROLLYEAR & SEND TO 16222
Example: JDC MAD 123456 2019 & SEND TO 16222

এর আগে গত ১৭ থেকে ২৪ নভেম্বর অনুষ্ঠিত প্রাথমিক ও ইবতেদায়ি সমাপনী পরীক্ষায় সারাদেশে ২৯ লাখ তিন হাজার ৬৩৮ জন শিক্ষার্থী অংশ নেয়। দেশব্যাপী সাত হাজার ৪৫৮টি কেন্দ্রে তাদের পরীক্ষা নেওয়া হয়। এ সময় বহিষ্কৃত দুই শতাধিক শিক্ষার্থীর পরীক্ষা নিয়ে ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে ফল প্রকাশের নির্দেশনা দেন উচ্চ আদালত।

অন্যদিকে, জেএসসি ও জেডিসি পরীক্ষায় ২৬ লাখ ৬১ হাজার ৬৮২ শিক্ষার্থী অংশ নেয়। সূচি অনুযায়ী, ২ থেকে ১১ নভেম্বর তাদের পরীক্ষা হওয়ার কথা থাকলেও ঘূর্ণিঝড়ের কারণে পরীক্ষা পিছিয়ে ১২ নভেম্বর নেওয়া হয়।

প্রাথমিকে ছুটি ৮৫ দিন।

নিজস্ব প্রতিবেদক,২৯ ডিসেম্বর: অবশেষে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সময়সুচি কমানোর পাশাপাশি ছুটি ৮৫ দিন করার সিদ্ধান্ত নিলেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রনালয় ও প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। গত ২৬/১২/২০১৯ ইং তারিখে অতিরিক্ত মহাপরিচালক সোহেল আহমেদ মহোদয়ের স্বাক্ষরিত পত্র হতে জানা যায়।
সুত্র জানায়, প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক সমিতির সাথে একাধিক শিক্ষক সংগঠন সময় কমানো ও ছুটি বৃদ্ধির দাবী জানিয়ে আসছিল। তারই ধারাবাহিকতায় মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ছুটির সাথে সমন্বয় করে প্রাথমিকের ছুটি ৮৫ দিন করা হল।

আরও পড়ুন

প্রাথমিকে সময়সুচি কমলো

ছুটি বাড়ানোয় প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মোঃ জাকির হোসেন মহোদয়, সচিব জনাব মোঃ আকরাম-আল-হোসেন মহোদয় ও মহাপরিচালক মহোদয়কে ধন্যবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক সমিতির নীতি নির্ধারন কমিটির চেয়ারম্যন আলাউদ্দিন মোল্লা, সিনিয়ার যুগ্ন সাধারন সম্পাদক স্বরুপ কুমার দাস, এস এম সাইদুল্লাহ , সিনিয়ার সহসভাপতি সনিবয় দেওয়ান,সাংগাঠনিক সম্পাদক খাইরুল ইসলাম প্রমুখ।

শিক্ষকদের ডিসেম্বরের এমপিওর চেক ব্যাংকে

ডেস্ক,২৯ ডিসেম্বর:

এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের ডিসেম্বর (২০১৯) মাসের এমপিওর চেক ছাড় হয়েছে। রোববার (২৯ ডিসেম্বর) বেতনের আটটি চেক নির্ধারিত অনুদান বণ্টনকারী চারটি ব্যাংকের শাখায় পাঠানো হয়।

মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের একাধিক কর্মকর্তা দৈনিকশিক্ষা ডটকমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। শিক্ষক-কর্মচারীরা ৮ জানুয়ারি পর্যন্ত নিজ নিজ ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থেকে বেতন-ভাতার সরকারি অংশ উত্তোলন করতে পারবেন।


নুতন করে এমপিওভুক্ত হলেন যেসব শিক্ষক

ডেস্ক,১৮ ডিসেম্বর:
এমপিওভুক্ত হলেন বেসরকারি কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কর্মরত আরও ১২৫ জন শিক্ষক। চলতি ডিসেম্বর মাস থেকে তাদের এমপিও কার্যকর হবে। এদের মধ্যে এইচএসসি বিএম শিক্ষাক্রমের ৩০ জন এবং এসএসসি ভোকেশনাল শিক্ষাক্রমের ৯৫ জন শিক্ষক রয়েছেন। কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

জানা গেছে, এমপিও অনুমোদন কমিটির ৮ম সভার সিদ্ধান্তের আলোকে এসব শিক্ষক-কর্মচারীকে এমপিওভুক্ত করেছে কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর। গত ১৭ ডিসেম্বর কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে এ সংক্রান্ত আদেশ জারি করা হয়।

গত বছর জারি করা এমপিও নীতিমালার আলোকে এ ১২৫ শিক্ষকের পদের প্রাপ্যতা থাকায়, নিয়োগের শর্ত পূরণ করায় এবং সনদ সঠিক থাকায় এমপিও অনুমোদন কমিটির সভায় তাদের এমপিওভিুক্ত করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

নতুন যে নিয়মে শিক্ষক নিয়োগ দেবে এনটিআরসিএ

ডেস্ক.১৭ ডিসেম্বর:
আগামী বছর অর্থাৎ ২০২০ সালে পরবর্তী শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করবে এনটিআরসিএ। ই-রিকুইজিশন প্রক্রিয়া শুরু হচ্ছে শিগগিরই। গত নিয়োগে হওয়া জাটিলতা এড়াতে ই-রিকুইজিশন বা শূন্যপদের তথ্য সংগ্রহ প্রক্রিয়ায় পরিবর্তন আনছে এনটিআরসিএ।

পরবর্তী শিক্ষক নিয়োগের আবেদন প্রক্রিয়ায়ও পরিবর্তন আসছে জানিয়ে এনটিআরসিএর চেয়ারম্যান এস এম আশফাক হুসেন বলেন, নিয়োগের আবেদন প্রক্রিয়াটা গত বছরের মত আর থাকছে না।

এস এম আশফাক হুসেন বলেন, আগামী আবেদনের সময় যারা দরখাস্ত করবেন তারা দরখাস্ত করার সময় সব ক্লিন পাবেন। ওনাদের আর সন্দেহের মধ্যে থাকা লাগবে না। আগে যেটা ছিল সেটা হলো সিলেকশন করা লাগত। আসলে বেশি যে সমস্যা হয়ে গিয়েছিল কম্ববক্স থেকে ড্রপডাউন মেনু দিয়ে সিলেক্ট করতে হতো পদের নাম।

‘সিলেক্ট করার ক্ষেত্রে ফিজিক্যাল এক্সারসাইজ ও ফিজিক্যাল সাইন্স এই দুইটা পাশাপাশি থাকার কারণে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধানরা ই-রিকুইজিশনের জন্য যখন সিলেক্ট করতে গেছেন তখন ভুলে ফিজিক্যাল সাইন্সে না করে ফিজিক্যাল এক্সারসাইজে ক্লিক করে ফেলছেন। এখন যে শূন্য পদ পেয়েছে ফিজিক্যাল এক্সারসাইজে অথচ নিয়োগ দিয়েছে ফিজিক্যাল সাইন্স কিন্তু গিয়ে দেখা যায় সেখানে এই পদই নেই।’

এ সমস্যার পর এখন প্রধান শিক্ষক বলছেন আমিতো এটা দেই নাই। অসলে ওনি মনে করেছেন আমি সিলেক্ট করেছি ফিজিক্যাল সাইন্স কিন্তু এটা যে সিলেকশনের সময় ফিজিক্যাল এক্সারসাইজ সিলেক্ট হয়ে গেছে যেটা ওনি বুঝতেই পারেন নাই। আর তাই আমরা সফটওয়্যারকে অনেকগুলো কন্ডিশনাল মাসকিং করব, যাতে করে কেউ ভুল তথ্য না দিতে পারে।

উদাহরন হিসেবে এস এম আশফাক হুসেন বলেন- ধরুন সব পদ আমি দেখাব না, এই স্কুল যে কয়টা পদ আছে ক্লিক করলে শুধু ওই কয়টাই দেখাবে। আবার ধরুন- ফিজিক্যাল এক্সারসাইজ নাই যেই স্কুলে এখানে এটা দেখাবেই না। কিন্তু এখন কম্ববক্সটাতে দেশের যত পদ আছে সব আছে।

তিনি বলেন, আমরা এগুলোকে আরো ফিল্টারিং করব। ফিল্টারিং করলে ওই স্কুলে যে কয়টা আছে শুধু ওই কয়টাই যদি আমি দেখাই তাহলে ভুল করার সম্ভাবনা কম থাকবে।

এনটিআরসিএর চেয়ারম্যান বলেন, এবারের দরখাস্ত ও ই-রিকুইজিশন করার প্রক্তিয়াটা ইউজার ফ্রেন্ডলি হবে। দরখাস্ত করার ক্ষেত্রেও আমরা সব দিক-নির্দেশন দিয়ে দিব কিভাবে ফিলাপ করতে হয়।

তিনি বলেন, আমরা ই-অ্যাপ্লিকেশন ও ই-রিকুইজিশন দুটাই পর্যালোচনা করে ফেলেছি, এবং ফাইনাল পর্যালোচনা ই-রিকুইজিশন এই মাসের আগামী সপ্তাহে হবে। সেখানে যেসব জায়গায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধানদের বুঝতে সমস্যা হতে পারে সেগুলোকে আরো পরিক্ষার করে দিব। ইতোমধ্যে আমাদের টিম করে ফেলছে, ফাইনালটা আমি দেখব।

এস এম আশফাক হুসেন হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, হাতেহাতে দেখিয়ে দেওয়ার পরেও যদি কেউ ভুল করেন তারপর আর কালেকশন করা হবে না। এবং প্রত্যেকেই যে যার দায়িত্ব নিয়ে কাজ করছেন তা সঠিকভাবে করতে হবে।

‘এখন আমি যদি হেড অব ইনস্টিটিউট হই, আমার দায়িত্ব সঠিক ই-রিকুইজিশন দেওয়া। যদি সঠিক ই-রিকুইজিশন না দিতে পারি তাহলে নিজের আয় থেকে বেতন দিব। ওনাকে এটা দিতে বাধ্য না করতে ওনি ঠিক হবে না। একইভাবে জেলা শিক্ষা অফিসার ক্ষেত্রেও। ওনি যদি ভুল করে শূন্য পদ নয় অথচ দেখিয়ে দিলেন শূন্য তারপর আমি লোক নিয়োগ দিলাম, এবার যদি এমপিও না হয় ওনাকে সেই সমস্যা একা সমাধান করতে হবে আমি আর দায়িত্ব নিব না।’


শিক্ষক নিয়োগে যাদের ক্ষেত্রে ৩৫ বয়সসীমা প্রযোজ্য নয়

ডেস্ক,৯ ডিসেম্বর:

বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জন্য ২০১৮ সালে করা জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালায় উল্লিখিত শিক্ষক নিয়োগে ৩৫ বছর বয়সসংক্রান্ত বিধান বৈধ ঘোষণা করেছেন আদালত।

অর্থাৎ বেসরকারি স্কুল-কলেজে শিক্ষক নিয়োগে ২০১৮ সালে এমপিও নীতিমালা জারির আগে যারা বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ) থেকে সার্টিফিকেট পেয়েছেন, তাদের ক্ষেত্রে ৩৫ বছরের বয়সসীমা প্রযোজ্য হবে না।

প্রায় ৭ মাস আগে বিচারপতি এফআরএম নাজমুল আহাসান ও বিচারপতি কেএম কামরুল কাদেরের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ থেকে দেওয়া রায়ের অনুলিপি রোববার প্রকাশিত হয়েছে।

রায়ে বয়সসীমা নীতিমালা হওয়ার আগেই এনটিআরসিএর সার্টিফিকেট প্রাপ্তদের নিয়োগের ক্ষেত্রে ৩৫ বছরের বয়সসীমা আরোপ ছাড়াই আবেদন গ্রহণ করতে বলা হয়েছে। একই সঙ্গে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে আবেদনকারীদের মধ্যে যারা সমন্বিত জাতীয় মেধা তালিকা অনুযায়ী যোগ্য তাদের আইন অনুযায়ী নিয়োগের।

জানা যায়, ২০১৮ সালের ১৪ জুন সরকার বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নিয়োগের পৃথক এমপিও নীতিমালা জারি করে।

এগুলো ছিল বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের (স্কুল ও কলেজ) জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা-২০১৮, বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (মাদ্রাসা) জনবল কাঠামা ও এমপিও নীতিমালা-২০১৮, বেসরকারি কারিগরি কারিগর শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা-২০১৮ এবং বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (ব্যবসায় ব্যবস্থাপনা) জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা-২০১৮। সব নীতিমালাতেই এমপিও দেওয়া, শিক্ষক নিয়োগ, প্রাপ্যতাসহ বিভিন্ন বিষয়ের মৌলিক শর্তগুলো প্রায় অভিন্ন। জারি করা এসব নীতিমালায় বলা হয়, ৩৫ বছরের বেশি বয়সী কেউ এ ধরনের প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ পাবেন না। পাশাপাশি শিক্ষকদের অবসরের বয়স হবে ৬০ বছর। এরপর একই বছরের ১০ জুলাই হাইকোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী প্রথম থেকে ১৩তম নিবন্ধন পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের সম্মিলিত একটি জাতীয় মেধাতালিকা প্রকাশ করে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নিয়োগ নিয়ন্ত্রণকারী প্রতিষ্ঠান এনটিআরসিএ। এর পর মেধাতালিকা থেকে প্রায় ৪০ হাজার শিক্ষক নিয়োগ দেয় প্রতিষ্ঠানটি।

কিন্তু নীতিমালায় শর্তের কারণে অনেকের বয়স ৩৫ বছর পূর্ণ হয়ে যাওয়ায় নিবন্ধন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ অনেকেই নিয়োগ পাওয়া থেকে বঞ্চিত হন। এর পর বঞ্চিতরা হাইকোর্টে পৃথক তিনটি রিট করেন। এসব রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে পৃথক রুল জারি করেন হাইকোর্ট। পরে এসব রুলের ওপর একসঙ্গে শুনানি করে গত ১৬ মে হাইকোর্ট রুল নিষ্পত্তি করে রায় দেন।


ভুয়া ডিগ্রি, চাকরি গেল ২১৪ স্কুল শিক্ষকের

ডেস্ক,২ ডিসেম্বর:

ভুয়া বিএড ডিগ্রি দেখানোয় ২১৪ জন স্কুল শিক্ষককে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে। সোমবার শিক্ষা অধিদপ্তর তাদের বহিষ্কার করে। এর মধ্যে ভাতের উত্তর প্রদেশের এটাহ জেলায় ১১৬ জন ও মৈনপুরীতে ৭৪ জনসহ মোট ২১৪ জনকে বহিষ্কার করা হয়।

বিশেষ তদন্তকারী দল এই শিক্ষকদের পেশ করা নথিতে গরমিল পাওয়ার পরই এ পদক্ষেপ নেই সে রাজ্যের সরকার।

ভুয়া ডিগ্রিধারী শিক্ষকদের সনাক্ত করতে ২০১৭ সালে তদন্তের নির্দেশ দেন পুলিশের ডিজিপি। বিশেষ তদন্তকারী দলের তদন্তে উঠে আসে, আগ্রা বিশ্ববিদ্যালয় নামে একটি প্রতিষ্ঠান মোট ৪,৭০৪ জনকে ভুয়া ডিগ্রি বিলি করেছে। তার মধ্যে ১,৪২৪ জন ওই শংসাপত্র দেখিয়ে স্কুল শিক্ষকের চাকরিও পেয়ে যান। শিক্ষা বিভাগে এখনো বহাল তবিয়তে চাকরি করছেন তারা।

উত্তর প্রদেশের শিক্ষা সচিব রুবি সিং বলেন, এখনো পর্যন্ত ২১৪ জনকে চাকরি থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। ৬১৮ জনের বহিষ্কারের প্রক্রিয়ায় আদালতের স্থগিতাদেশ রয়েছে। উত্তর প্রদেশের আরও ১১টি জেলায় তদন্ত চলছে। আরও শিক্ষকের চাকরি যেতে পারে বলে জানিয়েছেন তিনি।


প্রধান শিক্ষকের অবহেলায় ৮ শিক্ষার্থীর এসএসসি পরীক্ষা অনিশ্চিত

নওগাঁ প্রতিনিধি,৩০ নভেম্বর:

নওগাঁ সদর উপজেলার ‘ভীমপুর বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের’ প্রধান শিক্ষকের অবহেলায় আটজন শিক্ষার্থী এসএসসি পরীক্ষার ফরম পূরণ করতে পারেনি বলে অভিযোগ উঠেছে। এতে ওই শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবন অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।

প্রাথমিক নির্বাচনী পরীক্ষায় (টেস্ট) উত্তীর্ণ হতে না পেরেও আত্মীয়, রাজনৈতিক ব্যক্তি হওয়ার সুবাদে অনেকের ফরম পূরণ করার সুযোগ হয়েছে। তবে এই আটজন পরীক্ষার্থী তাদের ফরম পূরণ করতে পারেনি।

অভিযোগ রয়েছে, শিক্ষার্থীদের টেস্ট পরীক্ষায় ফেল করিয়ে দিয়ে প্রধান শিক্ষক বছর শেষে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নিতেন। বিদ্যালয়ের বিষয়গুলো বাহিরে যেন প্রকাশ না পায় এজন্য শিক্ষার্থীদের নানাভাবে ভয়ভীতি দেখানো হয়।

বিদ্যালয় ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডে ২০২০ সালের এসএসসি পরীক্ষায় ফরম পূরণে ফি নির্ধারণ করে দেয়া হয়েছে। মানবিক শাখায় অনলাইন খরচসহ ফরম পূরণে ফি ২ হাজার টাকা ও বিজ্ঞান শাখায় ফি ২ হাজার ১০০ টাকা করে নেয়ার নিয়ম।

কিন্তু নওগাঁ সদর উপজেলার ভীমপুর বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ে বোর্ড নির্ধারিত ফিয়ের সঙ্গে কোচিং ফি নামে বিজ্ঞান ও মানবিক শাখা শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে বাড়তি ১ হাজার টাকা করে আদায় করা হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের কোচিং ফি বাধ্যতামূলক করা হয়েছে এবং টাকা নেয়ার কোনো রসিদ দেয়া হয়নি।

এবার বিদ্যালয় থেকে ৮৬ জন এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয়ার কথা ছিল। এর মধ্যে টেস্ট পরীক্ষায় সব বিষয়ে বিজ্ঞান ও মানবিক শাখা থেকে ৩০ জন কৃতকার্য হয়। ৭৮ জন শিক্ষার্থী ফরম পূরণ করে এসএসসি পরীক্ষা অংশ নিচ্ছে। এর মধ্যে বিজ্ঞান শাখা থেকে ৩৭ জন এবং মানবিক শাখা থেকে ৪১ জন। এদের মধ্যে অধিকাংশ শিক্ষার্থী একাধিক বিষয়ে টেস্ট পরীক্ষায় অকৃতকার্য হয়।

তবে প্রধান শিক্ষক তার উদাসীনতার কারণে শিক্ষার্থী আবু নাঈম, স্বাধীন, মুকুল, মোস্তফা, বাঁধন ও মিসবাউলসহ আটজন শিক্ষার্থী ফরম পূরণ করতে দেয়া হয়নি বলে অভিযোগ উঠেছে।

বিজ্ঞান বিভাগের ছাত্র ফয়সাল হোসেন গণিত ও ইংরেজি বিষয়ে অকৃতকার্য হয়। তার মামা স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতা হওয়ার সুবাদে কোচিং ফি ১ হাজার টাকাসহ ৩ হাজার ১০০ টাকা দিয়ে ফরম পূরণ করা হয়েছে বলেও অভিযোগ উঠেছে।

ভুক্তভোগী মানবিক বিভাগের শিক্ষার্থী আবু নাঈম জানায়, ২০২০ সালে এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয়ার কথা ছিল। কিন্তু টেস্ট পরীক্ষায় গণিত ও ইংরেজি বিষয়ে অকৃতকার্য হয়। আর্থিক দৈন্যতার কারণে ঠিকমতো ক্লাস করতে পারতাম না। প্রধান শিক্ষক বলেছিলেন-পরীক্ষা দেয়ার দরকার নাই। কারণ তুমি ঠিকমতো ক্লাস করনি। সে জানায়, ঠিকমতো ক্লাস করতে না পারায় প্রধান শিক্ষক ১ হাজার ১০০ টাকা জরিমানাও করেছিলেন। পরে অনুরোধ করে ৭০০ টাকা দিয়েছিলাম। কিন্তু যখন ফরম পূরণের কথা বলি- তখন স্যার আজ নয়, কাল বলে ৮/৯দিন ঘুরায়।

আবু নাঈম জানায়, আমার পরীক্ষা দেয়ার ইচ্ছে থাকলেও স্যারের কারণে আর সম্ভব হচ্ছে না। যে ৭০০ টাকা দিয়েছিলাম সেটাও আর ফেরত দিবেন না বলে প্রধান শিক্ষক সাফ জানিয়ে দেন। অথচ কয়েকটা বিষয় ফেল করার পর অনেকেই ফরম পূরণ করেছে।

মানবিক বিভাগের এক শিক্ষার্থী আবু রায়হান জানায়, তার ডান হাতের বুড়ো আঙ্গুলে ইনফেকশন হওয়ায় সাধারণ বিজ্ঞান ছাড়া বাকি সব বিষয়ে পরীক্ষায় অংশ নেয়। কিন্তু ফলাফলের সময় প্রধান শিক্ষক সব বিষয়ে অকৃতকার্য (ফেল) করিয়ে দেয়। পরে ফরম পূরণ ও কোচিং ফিসহ ৩ হাজার ৫০০ টাকা দিতে হয়েছে। আর কোচিং ফি বাধ্যতামূলক করা হয়েছে এবং কোনো রশিদ দেয়া হয়নি।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আতাউল হক তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, যারা টেস্ট পরীক্ষা অকৃতকার্য হয়েছে বিশেষ বিবেচনায় কয়েকজনকে ফরম পূরণ করতে দেয়া হয়েছে। এছাড়া ২১ নভেম্বর ফরম পূরণের সময় শেষ হয়ে গেছে। যাদের ফরম পূরণ করতে দেয়া হয়নি তারা তো নিজের নাম লিখতে ভুল করে। এ ছাড়া কোচিং ফি বাধ্যতামূলক করা হয়নি।

এ প্রসঙ্গে সদর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ওয়াসিউর রহমান বলেন, কোচিং বাধ্যতামূলক করার কোনো নিয়ম নাই। এ ছাড়া বোর্ড নির্ধারিত ফি ছাড়া অতিরিক্ত কোনো টাকা নেয়ার নিয়ম নাই। এসব বিষয়ে কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি। তবে অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

নওগাঁ সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, বিষয়টি খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

কুবিতে ভর্তি পরীক্ষা না দিয়েও মেধা তালিকায়!

নিজস্ব প্রতিবেদক,৩০ নভেম্বর:
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের বি ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় অনুপস্থিত থাকার পরও এক আবেদনকারী ১২তম হয়েছেন।

ওই শিক্ষার্থীর নাম মো. সাজ্জাতুল ইসলাম। বাবার নাম মো. রেজাউল করিম। ভর্তি পরীক্ষায় রোল নম্বর ২০৬০৫০।

গত ৮ নভেম্বর বি ইউনিটের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয় এবং সাজ্জাতুলের পরীক্ষাকেন্দ্র ছিল কুমিল্লার টিচার্স ট্রেনিং কলেজ।

‘বি’ ইউনিটের ভর্তি কমিটির সদস্য সচিব ড. মো. শামীমুল ইসলাম বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষায় ওই কেন্দ্রে কোনো শিক্ষার্থী ভুলবশত অথবা জালিয়াতির উদ্দেশ্যে অনুপস্থিত শিক্ষার্থীর রোল লিখেছে। অবশ্য কেন্দ্রে দায়িত্বরত শিক্ষকদের অবহেলার কারণেও এটা ঘটতে পারে। এ বিষয়টি আমাদের নজরে আসার পর ভাইবায় ওই শিক্ষার্থীকে আটক করার সিদ্ধান্ত হয়। কিন্তু সে ভাইবা দিতেও আসেনি। এখানে ভর্তি পরীক্ষা কমিটির কোনো দায় থাকতে পারে না। আমরা নিরাপত্তার স্বার্থেই বিষয়টি কমিটির সদস্যদের মধ্যে গোপন রেখেছি।’

ভর্তি পরীক্ষা ২০১৯-২০ এর কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সচিব ও বিশ্ববিদ্যালয় রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অধ্যাপক ড. মো. আবু তাহের জানান, বরাবরের মতো ভর্তি পরীক্ষায় আমরা সর্বাধিক স্বচ্ছতা রাখার চেষ্টা করেছি। এ বিষয়টি ভুলবশত হয়ে থাকতে পারে। কারণ যেহেতু সে পরীক্ষা দেয়নি সেহেতু তার ‘ওএমআর’ শিট ছাড়া ফলাফল আসার কথা না। তবে ফলাফল প্রস্তুতের ব্যাপারটি ইউনিট ভিত্তিক দায়িত্বশীলদের কাজ। তাদের সঙ্গে এ ব্যাপারে কথা বলবো।

তবে এ বিষয়ে সাজ্জাতুল ইসলামের কোন মন্তব্যে পাওয়া যায়নি।


এবার সব পাঠ্যপুস্তকে ব্যাপক পরিবর্তন!

ডেস্ক,২৭ নভেম্বর:

শিক্ষা ব্যবস্থায় আধুনিকায়নের লক্ষ্যে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করছে সরকার। তারই ধারাবাহিকতায় ২০২৩ সালের আগেই প্রি-প্রাইমারি থেকে মাধ্যমিক স্তর পর্যন্ত সকল পাঠ্যপুস্তকে আসছে ব্যাপক পরিবর্তন।

এমনকি মাধ্যমিকে অর্থাৎ নবম-দশম শ্রেণিতে বিভাগ তুলে দেওয়ার চিন্তাভাবনা করছে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি)।

বর্তমানে শিক্ষার্থীরা নবম শ্রেণি থেকে বিজ্ঞান, বাণিজ্য ও মানবিক বিভাগের যেকোনো একটিতে যেতে পারে। এই বিভাগ তুলে দিয়ে গুচ্ছ পদ্ধতি চালুর পরিকল্পনা করা হচ্ছে। গত সোম ও মঙ্গলবার এ বিষয়ে কক্সবাজারে এক আবাসিক কর্মশালার আয়োজন করে এনসিটিবি। সেখানেই এসব প্রস্তাব ও পরিকল্পনা উঠে আসে।

এনসিটিবি সূত্র জানায়, গুচ্ছ পদ্ধতিতে সবাইকে সব বিষয় পড়তে হবে বা বিষয় পছন্দের সুযোগ থাকবে। এতে একজন শিক্ষার্থী মাধ্যমিক স্তরে সব বিষয়ে জ্ঞান লাভ করবে। নবম শ্রেণিতে বিভাগ উঠিয়ে দেওয়া হলে ২০২৩ সাল থেকে নতুন কারিকুলামে বই দেওয়া হবে। এ ছাড়া পাবলিক পরীক্ষার সংখ্যা ও নম্বর কমিয়ে আনার প্রস্তাবও এসেছে। এর ফলে শ্রেণিকক্ষে ধারাবাহিক মূল্যায়নের পরিমাণ বাড়বে। শ্রেণিকক্ষে সব বিষয়ে ধারাবাহিক মূল্যায়নে ২০ নম্বর রাখা হবে। এতে পাবলিক পরীক্ষার নম্বর কমে যাবে। বর্তমানে গার্হস্থ্য অর্থনীতি/কৃষি পরীক্ষা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ধারাবাহিকভাবে মূল্যায়ন করা হচ্ছে। নতুন কারিকুলামে যুক্ত হবে আরো কিছু বিষয়।

এ ছাড়া প্রাথমিকেও শিক্ষার্থীদের জ্ঞান বৃদ্ধিতে সহায়ক এমন বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত করা হবে। পাঠ্য বইয়ে দুর্যোগব্যবস্থা, জঙ্গিবাদ, নিরাপত্তা বিষয়গুলো যুক্ত করা হবে। শ্রেণিকক্ষে পড়ার পাশাপাশি কাজটি করে দেখানোর বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হবে। যুক্ত থাকবে খেলাধুলাও।

৪১তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি

ডেস্ক,২৭ নভেম্বর:

৪১তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ নিয়ে অপেক্ষার অবসান হচ্ছে চাকরিপ্রার্থীদের। বুধবার (২৭ নভেম্বর) বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করছে বাংলাদেশ সরকারি কর্মকমিশন (পিএসসি)। সাধারণ (জেনারেল) এই বিসিএসে নেওয়া হবে ২ হাজার ১৬৬ জন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে পিএসসির চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ সাদিক বলেন, ৪১তম বিসিএস পরীক্ষার বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। বিকেলে (৫টার মধ্যে) এ পরীক্ষার বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে। পিএসসির ওয়েবসাইডে এ বিজ্ঞপ্তি দেয়া হবে।

তিনি বলেন, ৪১ বিসিএসে নতুন কোনো পরিবর্তন নেই। সাধারণ বিসিএস পরীক্ষা আয়োজন করা হবে। সবচেয়ে বেশি নেয়া হবে শিক্ষা ক্যাডারে। এ ক্যাডারে ৯১৫ জনকে নিয়োগ দেয়া হবে। এর মধ্যে বিসিএস শিক্ষাতে প্রভাষক ৯০৫ জন, কারিগরি শিক্ষা বিভাগে প্রভাষক ১০ জন নেয়া হবে।

শিক্ষার পরে বেশি নিয়োগ হবে প্রশাসন ক্যাডারে। প্রশাসনে ৩২৩ জনকে নিয়োগ দেয়া হবে। পুলিশে ১০০ জন, বিসিএস স্বাস্থ্যতে সহকারী সার্জন ১১০ জন ও সহকারী ডেন্টাল সার্জন ৩০ জন। পররাষ্ট্রে ২৫ জন, আনসারে ২৩, অর্থ মন্ত্রণালয়ে সহকারী মহা হিসাবরক্ষক (নিরীক্ষা ও হিসাব) ২৫, সহকারী কর কমিশনার (কর) ৬০, সহকারী কমিশনার (শুল্ক ও আবগারি) ২৩ ও সহকারী নিবন্ধক ৮ জন নেয়া হবে।

পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগে পরিসংখ্যান কর্মকর্তা ১২ জন, রেলপথ মন্ত্রণালয়ে সহকারী যন্ত্র প্রকৌশলী ৪, সহকারী ট্রাফিক সুপারিনটেনডেন্ট ১, সহকারী সরঞ্জাম নিয়ন্ত্রক ১, সহকারী প্রকৌশলী (সিভিল) ২০, সহকারী প্রকৌশলী (যান্ত্রিক) ৩ জন নেয়া হবে।

তথ্য মন্ত্রণালয়ে সহকারী পরিচালক বা তথ্য কর্মকর্তা বা গবেষণা কর্মকর্তা ২২ জন, সহকারী পরিচালক (অনুষ্ঠান) ১১, সহকারী বার্তা নিয়ন্ত্রক ৫, সহকারী বেতার প্রকৌশলী ৯, স্থানীয় সরকার বিভাগে বিসিএস জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলে সহকারী প্রকৌশলী ৩৬, সহকারী বন সংরক্ষক ২০ জন।

সহকারী পোস্টমাস্টার জেনারেল পদে ২ জন, বিসিএস মৎস্যতে ১৫, পশুসম্পদে ৭৬, কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা ১৮৩, বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ৬ ও বিসিএস বাণিজ্যে সহকারী নিয়ন্ত্রক ৪ জন।

এ ছাড়া পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ৪ জন, বিসিএস খাদ্যে সহকারী খাদ্যনিয়ন্ত্রক ৬, সহকারী রক্ষণ প্রকৌশলী ২, বিসিএস গণপূর্তে সহকারী প্রকৌশলী (সিভিল) ৩৬ ও সহকারী প্রকৌশলী (ই/এম) ১৫ জনকে এই বিসিএসে নিয়োগ দেয়া হবে।


মাধ্যমিকে বাদ যাচ্ছে বিভাগ পদ্ধতি!

ডেস্ক,২৬ নভেম্বর:

নবম শ্রেণিতে বিজ্ঞান, মানবিক ও ব্যবসা বিভাগ উঠে যাচ্ছে। শিক্ষার্থীরা পছন্দ অনুযায়ী তার বিষয় নির্ধারণ করতে পারবে। ফলাফল ও মূল্যায়নে সমতা আনতে তিনটি গুচ্ছ ভিত্তিতে সব বিষয় ভাগ করা হবে। এতে একজন শিক্ষার্থী মাধ্যমিক স্তরে সব বিষয়ে জ্ঞান লাভ করবে। তবে উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ে গিয়ে আবার বিভাগ পছন্দ করতে পারবে তারা। শিক্ষার মানোন্নয়নে বিশিষ্ট শিক্ষাবিদদের নিয়ে গঠিত কমিটির সুপারিশের আলোকে এসব সিদ্ধান্ত আগামী ২০২৪ সাল থেকে বাস্তবায়ন করতে চায় সরকার। যুক্তরাষ্ট্রে এ পদ্ধতি চালু আছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, শুধু বিভাগ নয়, পাবলিক পরীক্ষার সংখ্যা কমিয়ে এনে শ্রেণিকক্ষে ধারাবাহিক মূল্যায়নের পরিমাণ বাড়ানো হবে। এ লক্ষ্যে অনেক কাজ এগিয়ে এনেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। কারিকুলামের ব্যাপক পরিবর্তন আনার লক্ষ্যে কাজ করছে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) কর্মকর্তারা গত দুই মাস ধরে পর্যায়ক্রমে শিক্ষা সংশ্লিষ্টদের নিয়ে কর্মশালা করছে। সবার মতামতের ভিত্তিতে নতুন কারিকুলামের রূপরেখা চূড়ান্ত করা হবে। বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে শিক্ষার্থীদের উৎপাদনমুখী ও বৈশ্বিক নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে এ উদ্যোগ নিয়েছে বলে জানান সংশ্লিষ্টরা। এর আগে দেশের ১৮ জেলার ৮৬ শিক্ষকের মতামত, ১১টি সভা, ৬টি কনফারেন্স, দুটি স্কুলের ১০০ শিক্ষার্থীর সঙ্গে ফোকাস গ্রম্নপ ডিসকাশন (এফডিজি), ২১ জন কারিকুলাম বিশেষজ্ঞের মতামতের আলোকে শিক্ষাক্রম পর্যালোচনা কমিটি সুপারিশ দিয়েছে। এ সুপারিশের ভিত্তিতে নতুন কারিকুলাম তৈরি করতে কাজ করছে এনসিটিবি।

এনসিটিবির বিশেষজ্ঞরা বলেন, দেশের হাইস্কুলগুলোতে পর্যাপ্ত ল্যাবরেটরি সুবিধা নেই। সরকারি হাইস্কুলে প্র্যাকটিক্যাল করানোর মতো পর্যাপ্ত ল্যাব বা সহকারী নেই। এরপরও বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীরা ১০০ নম্বর ব্যবহারিকের মধ্যে প্রায় শতভাগ নম্বর পেয়ে যায়। এতে মানবিক ও ব্যবসা শাখার শিক্ষার্থীরা ফলাফলে চরম বৈষম্যের শিকার হচ্ছে।

যেভাবে বাস্তবায়ন হবে এ পদ্ধতি

শিক্ষার মানোন্নয়নে বিশিষ্ট শিক্ষাবিদদের নিয়ে ২০১৬ সালে একটি কমিটি গঠন করা হয়। কমিটির সদস্যদের নিয়ে ওই বছরের ২৫ ও ২৬ নভেম্বর কক্সবাজারে দুদিনের আবাসিক কর্মশালা হয়। এতে শিক্ষাবিদরা বেশকিছু সুপারিশ করেন। সুপারিশ বাস্তবায়নে কয়েকটি সাব-কমিটিও গঠন করা হয়। শিক্ষাক্রম পর্যালোচনা সাব-কমিটি ২০১৭ সালের ৩০ নভেম্বর ৮ দফা সুপারিশ প্রস্তাব করেন। সেখানে ৬ষ্ঠ থেকে ৮ম শ্রেণির শিক্ষাক্রম বিষয়বস্তুর গুরুত্ব অনুসারে তিন গুচ্ছে ভাগ করার পরামর্শ দেন। `ক` গুচ্ছে বাংলা, ইংরেজি ও গণিত। ‘খ’ গুচ্ছে বিজ্ঞান, সমাজ পাঠ (ইতিহাস পৌরনীতি ও ভূগোল)। ‘ক’ ও ‘খ’ গুচ্ছ বাধ্যতামূলক। আর ‘গ’ গুচ্ছে তথ্যপ্রযুক্তি, চারু-কারুকলা, শরীরচর্চা ও খেলাখুলা, ধর্ম ও নৈতিক শিক্ষা, কৃষি ও গার্হস্থ্য, নৃ-গোষ্ঠীর ভাষা ও সংস্কৃতি। এছাড়া ‘ঘ’ গুচ্ছে প্রকৌশল প্রযুক্তি (বিদু্যৎ, যন্ত্র, কাঠ, ধাতু ইত্যাদির ব্যবহারিক জ্ঞান ও প্রয়োগ) যুক্ত করার মত দেন শিক্ষাবিদরা। শিক্ষাবিদরা ‘গ’ গুচ্ছের বিষয়ে পাবলিক পরীক্ষা না নিয়ে স্কুলে ধারাবাহিক মূল্যায়ন ও এর সঙ্গে যুক্ত সুচিন্তিত সহশিক্ষা ক্রমিক কার্যাবলির নিবিড় যোগ স্থাপন করবে বলে মত দেন। এ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে শিক্ষকদের ধারণা দিতে নির্দেশিকা তৈরি ও প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করার সুপারিশ করেন। ভবিষ্যতের কর্ম ও পেশা নির্বাচনের প্রস্তুতি হিসেবে ৯ম ও ১০ম শ্রেণিতে আগের শ্রেণির গুচ্ছের সঙ্গে ‘ঘ’ গুচ্ছ যুক্ত করার প্রস্তাব করা হয়েছে। এগুচ্ছে রয়েছে পদার্থ, রসায়ন, জৈববিজ্ঞান, উচ্চতর গণিত, হিসাব, বিপণন, ব্যবস্থাপনা ও অর্থনীতি। ‘ঘ’ গুচ্ছ থেকে যেকোনো দুটি বিষয় শিক্ষার্থীরা নিতে পারবে। শিক্ষার্থীরা ইচ্ছা করলে ‘ঘ’ গুচ্ছ থেকে ঐচ্ছিকভাবে আরো একটি বিষয় নিতে পারবে। তবে কোনো বাধ্যবাধকতা নেই।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানান, শিক্ষাবিদরা ৬ষ্ঠ থেকে ৮ম শ্রেণিতে পাঁচটি বিষয় বাধ্যতামূলক ও দুটি ঐচ্ছিক বিষয় প্রস্তাব দিয়েছেন। ধর্ম বিষয়ে পাবলিক পরীক্ষা না নিলে একটি বিশেষ শ্রেণি ক্ষুব্ধ হতে পারে। সে বিবেচনায় ধর্ম ও তথ্যপ্রযুক্তি বাধ্যতামূলক বিষয় করার মত দিয়েছেন। এক্ষেত্রে ঐচ্ছিক বিষয় একটি কমানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। নবম-দশম শ্রেণিতে পাঁচটি বাধ্যতামূলক বিষয় ছাড়া ‘গ’ গুচ্ছ থেকে দুটি ও ‘ঘ’ গুচ্ছ থেকে দুটি বা তিনটি বিষয় নিতে হবে। ফলে এসএসসি পরীক্ষায় ১৪টি থেকে চারটি বিষয় কমবে। অর্থাৎ ঐচ্ছিক বিষয়সহ মোট ১০টি বিষয়ে পরীক্ষা হবে।

কমিটির ৮ম শ্রেণির সমাপনী পরীক্ষায় চারু-কারুকলা, ধর্ম ও নৈতিক শিক্ষা, কৃষি, গার্হস্থ্য বিজ্ঞান, শরীরচর্চা ও তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়গুলো শ্রেণিকক্ষে মূল্যায়নের সুপারিশ করেন। এছাড়া ৩০০ নম্বরের পরীক্ষা কমানোর সুপারিশ করেন তারা। তাদের সুপারিশ অনুযায়ী ২০১৮ সাল থেকে ৪র্থ বিষয়ের (গার্হস্থ্য অর্থনীতি/কৃষি) পরীক্ষা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ধারাবাহিকভাবে মূল্যায়ন করা হচ্ছে। আগে জেএসসি-জেডিসি পরীক্ষায় বাংলা ও ইংরেজি- এ দুটি বিষয়ে ১৫০ করে মোট ৩০০ নম্বরের পরীক্ষা হতো। শিক্ষাবিদদের সুপারিশে ২০১৮ সাল থেকে বাংলা ও ইংরেজি বিষয়ে ১০০ নম্বর করে পরীক্ষা নেওয়া হচ্ছে। এতে ২০০ নম্বরের পরীক্ষা কমে গেছে। কমিটির আগের সুপারিশে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ২০১৭ সালে ৮ম শ্রেণির সমাপনী পরীক্ষায় ১৩টি বিষয় থেকে ৩টি বিষয় পরীক্ষা কমিয়ে ফেলে। ২০১৭ সালের ৮ম শ্রেণির সমাপনী পরীক্ষায় শারীরিক শিক্ষা ও স্বাস্থ্য, কর্ম ও জীবনমুখী শিক্ষা এবং চারু-কারুকলা বিষয়ে পরীক্ষা হয়নি। এসব বিষয়ে বিদ্যালয়ে ধারাবাহিক মূল্যায়ন করা হয়েছে। আর এসএসসিতে শারীরিক শিক্ষা ও ক্যারিয়ার শিক্ষা বিষয়ের পরীক্ষা বাদ দেওয়া হয়েছে। ২০১৮ সালের এসএসসি পরীক্ষায় এ দুই বিষয়ে পরীক্ষা বাদ দেওয়া হয়েছে। শ্রেণিকক্ষে ধারাবাহিক মূল্যায়ন করা হচ্ছে। মূল্যায়নের নম্বর সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডে পাঠানো হয়। মূল মার্কশিটে এসব বিষয়ের প্রাপ্ত নম্বর উলেস্নখ থাকছে। তবে পরীক্ষার ফলে কোনো প্রভাব পড়ছে না।

এ প্রসঙ্গে এনসিটিবির সদস্য (শিক্ষাক্রম) প্রফেসর ড. মশিউজ্জামান বলেন, নতুন কারিকুলাম নিয়ে কাজ চলছে। কারিকুলামে ব্যাপক পরিবর্তন আনার লক্ষ্যে শিক্ষাবিদসহ সংশ্লিষ্টদের মতামত নেওয়া হচ্ছে। বর্তমানে একটি কর্মশালা চলছে। সবই প্রাথমিক পর্যায়ে আছে, এখনই চূড়ান্ত কিছু বলার সময় আসেনি।

শিক্ষাবিদরা জানান, অনেক শিক্ষার্থী উচ্চ মাধ্যমিকে এক বিভাগ থেকে পাস করে উচ্চশিক্ষায় অন্য বিষয় নেয়। শিক্ষার্থীরা মাধ্যমিকে বিজ্ঞান বিভাগ নিয়ে পাস করে উচ্চ মাধ্যমিকে অন্য বিভাগে ভর্তি হয়। তারা বিভাগ নির্বাচনে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে পারে না বা কখনও চাপিয়ে দেওয়া হয়। গুচ্ছভিত্তিক পদ্ধতি চালু করা হলে এ সমস্যা থাকবে না। গুচ্ছ পদ্ধতিতে সব শিক্ষার্থী বিজ্ঞান, ভূগোল ও ইতিহাস বিষয়ে জ্ঞানার্জন করতে পারবে। উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ে গিয়ে শিক্ষার্থীরা বিভাগ পছন্দ করে ভর্তি হবে। যুক্তরাষ্ট্রে এ পদ্ধতি চালু আছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানান।

তবে বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষকদের দাবি, বিভাগ তুলে দিয়ে গুচ্ছ পদ্ধতি চালু করলে বিজ্ঞান বিষয়ের গুণগত মান কমে যাওয়ার শঙ্কা রয়েছে। নবম শ্রেণিতে বিজ্ঞান বিভাগ না থাকলে উচ্চ মাধ্যমিকে গিয়ে শিক্ষার্থীরা সিলেবাসের সঙ্গে তাল মেলাতে পারবে না। কারণ বর্তমানে ৯ম-১০ম শ্রেণির বিজ্ঞান বিষয়ের বইগুলোয় যেসব কনটেন্ট আছে, তা মানসম্মত নয়। এনসিটিবির কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, প্রাক-প্রাথমিক থেকে উচ্চ মাধ্যমিক স্তরের সঙ্গতি রেখেই নতুন কারিকুলাম চূড়ান্ত করা হবে।


Responsive WordPress Theme Freetheme wordpress magazine responsive freetheme wordpress news responsive freeWORDPRESS PLUGIN PREMIUM FREEDownload theme free

hit counter