শিক্ষাঙ্গন

প্রশ্নপত্রে পর্ন তারকার নাম, বরখাস্ত সেই শিক্ষক

নিজস্ব প্রতিবেদক,২০ এ্রপ্রিল:নবম শ্রেণির পরীক্ষার প্রশ্নপত্রে দুই পর্ন তারকা সানি লিওন ও মিয়া খলিফার নাম ছাপা হওয়ায় রামকৃষ্ণ মিশন স্কুলের শিক্ষক শংকর চক্রবর্তীকে বাধ্যতামূলক কর্মবিরতিতে পাঠানো হয়েছে। সেই সঙ্গে ওই ঘটনার কারণ দর্শানোর জন্য তাকে পাঁচদিনের সময় দিয়েছে বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদ।

শনিবার (২০ এপ্রিল) রামকৃষ্ণ মিশন উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জয়প্রকাশ সরকার এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

জয়প্রকাশ সরকার আরও জানান, রোববার (২১ এপ্রিল) রামকৃষ্ণ মিশনের পরিচালক ও বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সদস্যরা বৈঠকে বসবেন। দায়িত্বে অবহেলায় ওই শিক্ষককে বরখাস্ত করা হবে কি না ওইদিন সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।।

এর আগে ১৭ এপ্রিল, বুধবার রাজধানীর রামকৃষ্ণ মিশন স্কুলের নবম শ্রেণির বাংলা প্রথম পত্রের বহু নির্বাচনি প্রশ্নে জানতে চাওয়া হয়, ‘বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের পিতার নাম কী?’ এই প্রশ্নের সম্ভাব্য যে চারটি উত্তর দেওয়া হয়েছে, তার মধ্যে ছিল পর্ন তারকা মিয়া খালিফার নাম! তবে তার নাম লেখা হয় ‘মিয়া কালিফা’।

এছাড়া বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিখ্যাত কিশোর উপন্যাস ‘আম-আঁটির-ভেঁপু’র (প্রশ্নে আঁটি বানানে চন্দ্রবিন্দু নেই) রচয়িতার সম্ভাব্য নাম হিসেবে রাখা রয়েছে সাবেক পর্ন তারকা অভিনেত্রী সানি লিয়নের নাম! এমন অদ্ভুত প্রশ্নপত্রে বাংলা প্রথম পত্রের পরীক্ষা নেয় বিদ্যালয়টি।

প্রশ্নপত্রটির ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অনেকে পোস্ট দিয়েছেন। এবং যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক আকারে ছড়িয়ে পরে।

এ বিষয়ে শুক্রবার (১৯ এপ্রিল) রামকৃষ্ণ মিশন স্কুলের প্রধান শিক্ষক জয়প্রকাশ সরকার বলেন, ‘এ ঘটনায় রামকৃষ্ণ মিশন স্কুলের সুনাম প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে। আমরা কোনোভাবেই বিষয়টিকে হালকাভাবে দেখছি না।’

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

২০২১ সাল থেকে নতুন শিক্ষাক্রমের পাঠ্যবই পাবে শিক্ষার্থীরা

নিজস্ব প্রতিবেদক,২০ এপ্রিল: পাল্টে যাচ্ছে সিলেবাস ও বই। প্রাথমিক থেকে উচ্চমাধ্যমিক পর্যন্ত পরিবর্তন করা হচ্ছে বিভিন্ন বিষয়ের পাঠ্যক্রম। প্রথম ধাপে ২০২১ সালের জানুয়ারিতেই প্রথম ও ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থীরা হাতে পাবে সব বিষয়ের নতুন পাঠ্যক্রমের বই। ধাপে ধাপে সব শ্রেণির ছাত্রছাত্রীই নতুন পাঠ্যক্রমের লেখা পাবে। কমে যাবে বেশ কিছু বিষয়ের পাঠ্যবইয়ের টেক্সট ও কনটেক্সট। নতুন কিছু যুক্ত হবে আবার। শিক্ষাক্রম বদলানোর পুরো কাজটি শেষ হবে আগামী এক বছরে। ১০ এপ্রিল থেকে শিক্ষাক্রম পরিবর্তনের কাজ শুরু করেছে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি)।

এনসিটিবি চেয়ারম্যান অধ্যাপক নারায়ণ চন্দ্র সাহা বলেন, `শিক্ষাক্রম রিভিউয়ের কাজ চলছে। এরপর শুরু হবে রিভিশন। আগামী বছরের মাঝামাঝিতে নতুন শিক্ষাক্রম চূড়ান্ত করা যাবে। তারপর নতুন শিক্ষাক্রম অনুসারে বই লেখা হবে। ২০২১ সাল থেকে নতুন শিক্ষাক্রমের পাঠ্যবই হাতে পেতে শুরু করবে ছাত্রছাত্রীরা।`

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে মন্ত্রণালয়ের জরুরি নির্দেশনা

নিজস্ব প্রতিবেদক,২০ এপ্রিল: দেশের সব সরকারি-বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যৌন নিপীড়নবিরোধী কমিটি করার নির্দেশ দিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা (মাউশি) অধিদপ্তর। বৃহস্পতিবার অধিদপ্তরের পরিচালক (কলেজ ও প্রশাসন) অধ্যাপক মো. শাহেদুল খবির চৌধুরী স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত জরুরি আদেশ প্রদান করা হয়।

মাউশি অধিদপ্তরের আদেশে বলা হয়, আদালতের আদেশের প্রেক্ষিতে মাউশি অধিদপ্তর এবং এর আওতাধীন অফিস ও দেশের সব সরকারি, বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যৌন হয়রানি প্রতিরোধে কমিটি গঠন এবং প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণ করার নির্দেশনা প্রদান করা হলো। এ আদেশ মোতাবেক প্রতিটি অফিস ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যৌন হয়রানি প্রতিরোধে পাঁচ সদস্যের কমিটি প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণ করবে। প্রতিটি প্রতিষ্ঠানে একটি কমিটি গঠন করে তাদের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করতে হবে।উল্লেখ্য, ২০০৯ সালে আদালত প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও কর্মস্থলে পাঁচ সদস্যের যৌন নিপীড়নবিরোধী কমিটি করার নির্দেশনা দেন। যেই কমিটির প্রধান হবেন একজন নারী। কিন্তু আদালতের এই নির্দেশনা মানেনি প্রতিষ্ঠানগুলো। স্কুল-কলেজে এ সংক্রান্ত কমিটি নেই বললেই চলে। বড় বড় দু’চারটি বিশ্ববিদ্যালয়ে এই কমিটি কার্যকর রয়েছে। এ ছাড়া অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ে কমিটি হলেও কার্যকর নেই।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

৩৪৪ শিক্ষকের ভাগ্য খুলছে

ডেস্ক,২০ এপ্রিল: কিছুদিন আগে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ের সহকারী শিক্ষক পদে যোগ দিয়ে নিয়মিত পাঠদান করা ৩৪৪ জন শিক্ষক হয়রানিতে পড়েছিলেন। জানা গেছে, এমপিওর জন্য তারা শিক্ষা অধিদপ্তরে যোগযোগ করলে বলা হয় এনটিআরসিএতে যেতে। আবার এনটিআরসিএতে গেলে সেখানকার কর্তারা সোজা দেখিয়ে দেন শিক্ষা অধিদপ্তরকে।

এমতাবস্থায় দুই অফিসে যোগাযোগ করে হয়রান হচ্ছিলেন ৩৪৪ শিক্ষক। এবার তাদের ভাগ্য খুলছে।

ভুক্তভোগী শিক্ষকরা অভিযোগ করেন, ২০১৬ খ্রিষ্টাব্দে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ প্রকাশিত গণবিজ্ঞপ্তির পরিপ্রেক্ষিতে ২০১৮ খ্রিষ্টাব্দের ডিসেম্বরে নিয়োগ সুপারিশ পেয়েছেন তারা। নিজ নিজ কর্মস্থলে যোগদান করে পাঠদান শুরু করলেও এমপিও পাচ্ছিলেন না তারা।

অনুসন্ধানে জানা যায়, ৬ মাসের ডিপ্লোমায় যোগদান করায় এসব শিক্ষকের এমপিও আবেদন আঞ্চলিক উপপরিচালকরা ইএমআইএস সেলে অগ্রায়ন করছেন না বলে অভিযোগ উঠেছে। আঞ্চলিক উপপরিচালকদের দাবি ২০১৮ খ্রিষ্টাব্দের এমপিও নীতিমালায় কম্পিউটার বিষয়ে সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগের যোগ্যতা পরিবর্তন হওয়ায় আবেদন অগ্রায়ন করা হচ্ছে না।

এদিকে এনটিআরসিএর কর্মকর্তারা জানান, আদালতের নির্দেশে ২০১৬ খ্রিষ্টাব্দের বিজ্ঞপ্তি অনুসারে নিয়োগ পেয়েছেন এ ৩৪৪ শিক্ষক। তাই তাদের এমপিওর দাবি যৌক্তিক।

জানা গেছে, ২০১৬ খ্রিষ্টাব্দে এনটিআরসিএ প্রকাশিত শিক্ষক নিয়োগের গণবিজ্ঞপ্তি অনুসারে আবেদন করেছিলেন অনেক প্রার্থী। কিন্তু আইনি জটিলতায় আটকে যায় তাদের নিয়োগ সুপারিশ। জটিলতা নিরসন হলে গত ডিসেম্বরে ১০৯৫ জনকে বিভিন্ন বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কম্পিউটার বিষয়ের সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগের সুপারিশ করে এনটিআরসিএ। এর মধ্যে ১০৪৭ জনকে সুপারিশপত্র দেয়া হয়। তবে তাদের মধ্য থেকে ৩৪৪ জন প্রার্থী বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে কম্পিউটার বিষয়ের সহকারী শিক্ষক পদে যোগদান করেন বলে জানা গেছে। তারা ৬ মাসের ডিপ্লোমা ডিগ্রি নিয়ে কম্পিউটার বিষয়ের সহকারী শিক্ষক পদে যোগদান করেছেন।

২০১০ খ্রিষ্টাব্দে জারি করা এমপিও নীতিমালা ও জনবল কাঠামোতে ৬ মাসের ডিপ্লোমায় কম্পিউটার শিক্ষক পদে যোগদানের সুযোগ ছিল। কিন্তু ২০১৮ খ্রিষ্টাব্দের জারি করা হয় নতুন এমপিও নীতিমালা ও জনবল কাঠামো। নতুন সেই এমপিও নীতিমালায় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) বিষয়ে কম্পিউটার বিজ্ঞান বা কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিং এ স্নাতক বা সমমানের ডিগ্রি অথবা বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড হতে ৩ বছর মেয়াদি ডিপ্লোমা-ইন-কম্পিউটার সায়েন্স বা সমমান শিক্ষাগত যোগ্যতার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

নিয়োগপ্রাপ্তদের দাবি নীতিমালা জারির আগেই প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তি অনুসারে আবেদন করে নিয়োগ পেয়েছেন তারা। কিন্তু এমপিও পাচ্ছেন না।

ঝালকাঠির কাঠালিয়া উপজেলার পশ্চিম ছিটকী মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ে যোগদান করেছেন মিরা বিশ্বাস। তার অভিযোগ, বরিশালের আঞ্চলিক উপপরিচালক তার এমপিও আবেদন এএমআইএস সেলে অগ্রায়ন করছেন না।

তিনি আরও জানান, নতুন এমপিও নীতিমালায় যোগ্যতার পরিবর্তন হয়েছে। কিন্তু আমরা ২০১৬ খ্রিষ্টাব্দে আবেদন করেছি। আইনি জটিলতায় আমাদের নিয়োগ সুপারিশ বিলম্বিত হয়েছে। তাই নতুন নীতিমালায় আমরা এমপিও পাচ্ছি না।

মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের বরিশাল আঞ্চলিক কার্যালয় সূত্র জানায়, যারা নতুন এমপিও নীতিমালা জারি হবার পর যোগদান করেছে, তাদের আবেদনগুলো অগ্রায়ন করতে শিক্ষা মন্ত্রণালয় বা অধিদপ্তরের সুস্পষ্ট নির্দেশনা প্রয়োজন।

এনটিআরসিএর কর্মকর্তারা জানান, আইনি জটিলতা থাকায় ২০১৬ খ্রিষ্টাব্দে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পরে নিয়োগের সুপারিশে দেরি হয়েছে। আদালতের নির্দেশে ২০১৮ খ্রিষ্টাব্দে নিয়োগের সুপারিশ করা হয়েছে। সেই হিসাবে তাদের নিয়োগ ও এমপিও সংক্রান্ত বিষয়টি ২০১৬ খ্রিষ্টাব্দের বিধান অনুযায়ী যৌক্তিক। তবে এমপিও দেবে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এনটিআরসিএর একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, এ বিষয়ে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের সাথে আমাদের কথা হয়েছে। এ জটিলতা নিরসনে খুব শিগগিরই শিক্ষা অধিদপ্তরকে লিখিতভাবে বিষয়টি জানানো হবে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

প্রশ্নপত্রে পর্নোতারকাদের নাম আসার বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা

ডেস্ক,১৯ এপ্রিল: ঢাকার রামকৃষ্ণ মিশন উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির প্রশ্নপত্রে পর্নোতারকাদের নাম আসার বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়ার কথা জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি।

শুক্রবার সকালে ১৫তম শিক্ষক নিবন্ধনের প্রিলিমিনারি পরীক্ষার কেন্দ্র পরিদর্শনে গিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

পরীক্ষা শুরুর আগেই সকাল সাড়ে ৯টার দিকে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি ও শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল রাজধানীর তিতুমীর কলেজকেন্দ্র পরিদর্শনে যান।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, স্কুলের প্রশ্নপত্রে পর্নোতারকাদের নাম আসাটা অন্যায়। এটি শিক্ষার্থীদের মনে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। যেই স্কুলের নামে এ অভিযোগ উঠেছে, তদন্ত করে সেটির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

কেন্দ্র পরিদর্শনকালে তিনি শিক্ষকদের সঠিকভাবে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দেন।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সিনিয়র সচিব মো. সোহরাব হোসাইন, এনটিআরসিএ চেয়ারম্যান এসএম আশফাক হুসেন ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা।

প্রসঙ্গত, ঢাকার রামকৃষ্ণ মিশন উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির বাংলা প্রথমপত্রের বহু নির্বাচনী প্রশ্নপত্রে (এমসিকিউ) দুটি প্রশ্নের সম্ভাব্য উত্তরে দুই পর্নোতারকা মিয়া খলিফা ও সানি লিয়নের নাম এসেছে।

এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চলছে সমালোচনা। অনেকেই নবম শ্রেণির ওই প্রশ্নপত্র ফেসবুকে শেয়ার করেছেন। অল্প সময়ের মধ্যেই তা ভাইরাল হয়।

প্রশ্নপত্রের এমসিকিউ অংশের ৮ নম্বর প্রশ্নে জানতে চাওয়া হয়েছে, আম আটির ভেঁপু—কার রচিত? এর উত্তরে চারটি বিকল্পের একটি সানি লিওন বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

২১ নম্বর প্রশ্নে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের পিতার নাম কি? এখানে চারটি সম্ভাব্য উত্তরের একটি বলা হয়েছে মিয়া খলিফা।

এ ছাড়া ৪ নম্বর প্রশ্নের উত্তরে বলা হয়েছে, ঢাকার ‘বলধা’ গার্ডেনের পরিবর্তে লেখা হয়েছে ‘বলদা’ গার্ডেন।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

২০০০ স্কুল কলেজ মাদ্রাসা এমপিও পাচ্ছে

নিউজ ডেস্ক।।সরকার স্বীকৃত বেসরকারী স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা এমপিও’র (মান্থলি পেমেন্ট অর্ডার) দীর্ঘ দিনের দাবি পূরণ হতে চলেছে। তবে এমপিও পাবে নীতিমালা অনুসারে পরিচালিত যোগ্য প্রতিষ্ঠানই। নতুন করে এমপিও পেতে পারে প্রায় দুই হাজার বেসরকারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। যাতে সরকারের ব্যয় হবে দেড় হাজার কোটি টাকারও বেশি। জানা গেছে, প্রায় ১০ হাজার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিও’র জন্য আবেদন করলেও তাদের মধ্যে যোগ্য প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা খুব বেশি নেই। এমপিও’র জন্য প্রযোজ্য চার শর্ত পূরণ করতে পেরেছে মাত্র এক হাজার ৫২৯ প্রতিষ্ঠান। তবে আরও কিছু প্রতিষ্ঠানকে বিবেচনায় এনে দীর্ঘ ৮ বছর পর খুলছে এমপিও’র দ্বার।

 

২০১০ সালের পর গত ৮ বছরে এমপিওভুক্ত হয়নি কোন বেসরকারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। অথচ এই সময়ে ৭ হাজারেরও বেশি বেসরকারী স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। ২০১০ সালের আগে একাডেমিক স্বীকৃতি পাওয়া নন-এমপিও প্রতিষ্ঠানও আছে প্রায় তিন হাজার। সব মিলিয়ে ১০ হাজারেরও বেশি সরকার স্বীকৃত প্রতিষ্ঠান আছে এমপিওর অপেক্ষায়। এসব প্রতিষ্ঠানের কয়েক লাখ শিক্ষক কর্মচারী বছরের পর বছর ধরে অপেক্ষা করছেন এমপিও’র জন্য। ২০১১ সাল থেকেই চলছে এমপিও’র দাবির আন্দোলন। বিভিন্ন সময় সংসদ সদস্যরাও নিজ এলাকার প্রতিষ্ঠান এমপিও’র জন্য একই দাবিতে সোচ্চার হয়েছেন। তবে শিক্ষামন্ত্রী ডাঃ দীপু মনিসহ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা বলছেন, এবার এমপিও নিয়ে অপেক্ষার অবসান হচ্ছে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

২ মে থেকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে লাগাতার ধর্মঘট

ডেস্ক,১৮এপ্রিল ঃবেসরকারি স্কুল-কলেজের শিক্ষক-কর্মচারীদের অবসর সুবিধা ও কল্যাণ তহবিলে অতিরিক্ত ৪ শতাংশ কর্তনের সরকারি আদেশ ৩০ এপ্রিলের মধ্যে বাতিল না হলে আগামী ২ মে থেকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে লাগাতার ধর্মঘটের ডাক দেয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৮ এপ্রিল) রাজধানীর মীরপুর সিদ্ধান্ত হাইস্কুলে বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি (নজরুল) ও এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জাতীয়করণ লিয়াঁজো ফোরামের যৌথসভায় এ কর্মসূচির সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

 

বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতির কেন্দ্রীয় সভাপতি মো. নজরুল ইসলাম রনির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় শিক্ষক নেতারা বলেন, একটি অশুভ চক্রের কারণে শিক্ষক-কর্মচারীদের অতিরিক্ত ৪ শতাংশ কর্তন হবে বর্তমান সরকারের জন্য আত্মঘাতীমূলক।  তারা আরও বলেন, শিক্ষকদের সাথে কোনো আলোচনা ছাড়াই অতিরিক্ত ৪ শতাংশ কর্তন করা হলে শিক্ষকরা আর ঘরে বসে থাকবে না। অবিলম্বে অতিরিক্ত কর্তনের প্রজ্ঞাপন বাতিলে প্রধানমন্ত্রী ও শিক্ষামন্ত্রীর আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করেন শিক্ষক নেতারা।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

শিক্ষক কর্মচারীদের মে মাসের এমপিও যথাসময়ের প্রদানের নির্দেশনা জারি

ডেস্ক,১৬এপ্রিলঃ  স্কুল-কলেজের শিক্ষক কর্মচারীদের মে-২০১৯ মাসের এমপিও যথাসময়ের প্রদানের লক্ষ্যে নির্দেশনা জারি করেছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর।

মঙ্গলবার (১৬ এপ্রিল) মহাপরিচালক ড. সৈয়দ গোলাম ফারুক স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়।

শিক্ষকদের এমপিওর নির্দেশনায় বলা হয়েছে, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরে ঢাকা, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম, বরিশাল, রাজশাহী, খুলনা, রংপুর, কমিল্লা ও সিলেট অঞ্চলের স্কুল-কলেজের শিক্ষক কর্মচারীদের মে-২০১৯ মাসের এমপিও যথাসময়ের প্রদানের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে

নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, অনলাইনে সংশ্লিষ্ট জেলা শিক্ষা অফিসারগণ আবেদনসমূহের আঞ্চলিক উপ পরিচালকের নিকট আগামী ২৩ এপ্রিলের মধ্যে এবং আঞ্চলিক উপ পরিচালকগণ আবেদনসমূহ মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের নিকট আগামী ১২ মে তারিখের মধ্যে প্রেরণ করতে হবে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

নববর্ষের আগে বৈশাখী ভাতা তুলতে পারল না শিক্ষক-কর্মচারীরা

নিজস্ব প্রতিবেদক,১৩ এপ্রিল: নববর্ষের আগে বৈশাখী ভাতা তুলতে পারেননি শিক্ষক-কর্মচারীরা। ব্যাংকে দেরিতে চেক জমা হওয়ায় এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। ফলে কারো পক্ষেই বৈশাখী ভাতা তোলা সম্ভব হয়নি বলে শিক্ষক-কর্মচারীদের অভিযোগ। এতে অনেকেই ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তবে কয়েকজন শিক্ষক ভাতার টাকা তুলতে পেরেছেন বলেও জানা গেছে।

শিক্ষক নেতারা জানান, তারা ব্যাংক থেকে বৈশাখী ভাতার টাকা তুলতে পারেননি। দেশের বেশিরভাগ স্থানে এ ঘটনা ঘটেছে। ফলে অগ্রণী, রূপালী, জনতা এবং সোনালী ব্যাংকের বিভিন্ন জেলা শাখায় সাধারণ, মাদরাসা ও কারিগরি শিক্ষকরা সারাদিন ধরনা দিয়েও বৃহস্পতিবার (১২ এপ্রিল) বিকেলে টাকা তুলতে না পেরে ফিরে গেছেন। Read More »

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

নুসরাতকে পুড়িয়ে হত্যা অধ্যক্ষসহ দুই শিক্ষকের এমপিও স্থগিত

ডেস্ক,১৩এপ্রিলঃ   গায়ে কেরোসিন ঢেলে পুড়িয়ে হত্যা করা নুসরাত জাহান রাফির সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাযিল মাদরাসার অধ্যক্ষ এস এম সিরাজ-উদ-দৌলার এমপিও স্থগিত করা হয়েছে। ওই মাদরাসার অন্য এক শিক্ষকেরও এমপিও স্থগিত করতে বৃহস্পতিবার মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরে চিঠি পাঠিয়েছে মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তর।

 

চিঠিতে অধ্যক্ষ এ এস এম সিরাজ উদদৌলা (ইনডেক্স-৩০৪১১১) এবং ইংরেজির প্রভাষক আফসার উদ্দিনের (ইনডেক্স-২০৩০৫০৮) এমপিও স্থগিত করতে বলা হয়েছে। এতে বলা হয়, ‘আলিম পরীক্ষার্থী নুসরাত জাহান রাফিকে শ্লীলতাহানী মামলা নং-২৪, তারিখ ২৭/০৩/২০১৯ এবং হত্যা মামলা নং-১০, তারিখ ০৮/০৪/২০১৯ সোনাগাজী থানার প্রেক্ষিতে  অধ্যক্ষ এবং ইংরেজি বিষয়ের প্রভাষক গ্রেপ্তার হওয়ায় তাদের এমপিও স্থগিত হওয়া প্রয়োজন।’

 

নুসরাতের পরিবারের করা শ্লীলতাহানির মামলায় গ্রেফতার হয়ে এখন বন্দি রয়েছেন অধ্যক্ষ সিরাজ।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

ভর্তি মৌসুমে শিক্ষক সংকটের আশঙ্কা

ডেস্ক,১৩ এপ্রিল: চাঁদপুর পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে রাজস্ব খাতে ইনস্ট্রাক্টর, জুনিয়র ইনস্ট্রাক্টর, ওয়ার্কশপ সুপার পদে শিক্ষক আছেন মাত্র ৫ জন। এসব পদে স্টেপ প্রকল্পের শিক্ষক আছেন ২০ জন। প্রতিষ্ঠানটিতে বর্তমানে শিক্ষার্থীর সংখ্যা প্রায় ১৫২৪ জন।

মুন্সীগঞ্জ পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে এসব পদে রাজস্ব খাতের শিক্ষক আছেন মাত্র ৪ জন, প্রকল্পের শিক্ষক আছেন ১৮ জন। একইভাবে শরীয়তপুর, ফেনী, ভোলা, বরগুনা, কক্সবাজার, লক্ষ্মীপুর, ঠাকুরগাঁও, গোপালগঞ্জ, কুড়িগ্রামসহ দেশের সরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটগুলোও সরকারি শিক্ষকের চেয়ে প্রকল্পভুক্ত শিক্ষদের ওপর নির্ভরশীল।

 

অথচ এ প্রকল্প শিক্ষকদের চাকরির মেয়াদ শেষ হয়ে যাচ্ছে আগামী ৩০ জুন। ফলে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর আসছে ভর্তি মৌসুমে এসব প্রতিষ্ঠানে এক-তৃতীয়াংশ শিক্ষক যদি না থাকেন, তা হলে একাডেমিক কার্যক্রম চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। জানা গেছে, কারিগরি শিক্ষার মানোন্নয়নে ২০১০ সালে দক্ষতা ও প্রশিক্ষণ উন্নয়ন শীর্ষক (স্কিলস অ্যান্ড ট্রেনিং এনহ্যান্সমেন্ট প্রজেক্ট বা স্টেপ) একটি প্রকল্প চালু করে সরকার।

নিয়োগের দীর্ঘসূত্রতা এড়াতে এ প্রকল্পের অধীনে ২০১২ এবং ২০১৪ সালে দুই ধাপে মোট ১০২৫ জন শিক্ষককে চুক্তির ভিত্তিতে নিয়োগ করে সরকার। পরে অনিশ্চয়তার কারণে তাদের অনেকেই চাকরি ছেড়ে চলে গেলেও উন্নয়ন খাতে বর্তমানে কর্মরত আছেন ৮৭৬ জন। এর মধ্যে দুদফা প্রকল্পের মেয়াদ বাড়িয়ে আগামী জুনে শেষ হচ্ছে প্রকল্পটি। ফলে চাকরি হারানোর শঙ্কায় রয়েছেন প্রকল্পভুক্ত এসব শিক্ষকরা।

এই শিক্ষকরা বলছেন, ৩০ জুনের পর তার চাকরির ভাগ্য অনিশ্চিত হয়ে পড়বে। তাদের প্রত্যেকেরই পরিবার আছে। ফলে বিদ্যমান চাকরি সংকটের বাজারে চাকরিচ্যুত হওয়ার আশঙ্কায় নির্ঘুম রাত কাটছে তাদের। অথচ কারিগরি শিক্ষার দুরাবস্থার সময় তারা হাল ধরেছিলেন। ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স বাংলাদেশের (আইডিইবি) কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সভাপতি একেএমএ হামিদ বলেন, সরকারের উন্নয়ন পরিকল্পনায় বারবার বলা হয়েছে দক্ষ কর্মশক্তি ও কর্মীর অভাব আছে। এমন পরিস্থিতিতে দক্ষ কর্মীদের কর্মক্ষেত্র থেকে বের করে দেওয়া হলে উন্নয়ন আরও ব্যাহত হবে।

আইডিইবির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সাধারণ সম্পাদক শামসুর রহমান বলেন, রাজস্ব খাতে বর্তমানে ৬৫০ জনের মতো কারিগরি শিক্ষক রয়েছেন। সে কারণেই এই ৮৭৬ শিক্ষক না থাকলে আবারও ধসে পড়বে কারিগরি শিক্ষা ব্যবস্থা। বঙ্গবন্ধু ডিপ্লোমা প্রকৌশলী পরিষদের সভাপতি খবির হোসেন বলেন, জুন মাস থেকে যদি স্টেপের শিক্ষকরা না থাকেন তা হলে ৪৯টি কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রতিটিতে ১৭-১৮ জন করে শিক্ষক সংকট হবে। এতে কারিগরি শিক্ষা ব্যবস্থা ভেঙে পড়বে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যদি ১০-১২ লাখ রোহিঙ্গাকে খাওয়াতে পারেন, তা হলে এই ৮৭৬ শিক্ষকের জন্যও ব্যবস্থা করবেন তিনি।

বাংলাদেশ পলিটেকনিক টিচার্স ফেডারেশনের (বিপিটিএফ) কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সভাপতি মোহাম্মদ সালাউদ্দিন বলেন, ৮৭৬ শিক্ষক ও তাদের পরিবারের রুটি-রুজির বিষয় নিয়ে সরকারের ভাবা উচিত। এ বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি বলেন, এই শিক্ষকদের সাধারণ কোনো নিয়মের মধ্য দিয়ে আত্তীকরণ কিংবা অন্য কোনো প্রকল্পে নেওয়ার সুযোগ নেই। কারণ তাতে সবাই যে একটা সমান অধিকার পেয়ে অ্যাপ্লাই করবে সে সুযোগ নষ্ট হবে। অধিকার ক্ষুণ্ন হলে আবার আদালতের হস্তক্ষেপে নিয়োগ বন্ধ হয়ে যাবে। সে কারণে একেবারে ভিন্নভাবে চেষ্টা করছি, কী করে এই অভিজ্ঞ যোগ্য শিক্ষকদের আমরা ধরে রাখতে পারি। এ ধরনের একটি চেষ্টায় সময় লাগবে। আমি মনে করি এই শিক্ষকদের অভিজ্ঞতা হারিয়ে ফেলা ঠিক হবে না। তবে এ মুহূর্র্তে নিশ্চয়তা দিতে পারছি না, কিন্তু চেষ্টা করছি।

সুত্র : আমাদের সময়

Read More »

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

২২ এপ্রিলের আলিম পরীক্ষা ২৩ এপ্রিল

নিজস্ব প্রতিবেদক,১৩ এপ্রিল: আগামী ২২ এপ্রিল অনুষ্ঠিতব্য আলিমের বাংলা প্রথম পত্র পরীক্ষা ২৩ এপ্রিল সকাল ১০টায় অনুষ্ঠিত হবে। পবিত্র শবে বরাতের ছুটির তারিখ পরিবর্তন হওয়ায় পরীক্ষাটি পেছানো হয়েছে। মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

এছাড়া আলিমের অন্যান্য পরীক্ষা পূর্ব প্রকাশিত সূচি অনুযায়ী অনুষ্ঠিত হবে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

যুক্তরাষ্ট্রের ৭ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডির আমন্ত্রণ পেয়েছেন বাংলাদেশি তরুণ

ঢাবি প্রতিনিধি,১৩ এপ্রিল: যুক্তরাষ্ট্রের সাত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি প্রোগ্রামে ভর্তির আমন্ত্রণ পেয়েছেন সাবেক বাংলাদেশি সাংবাদিক খায়রুল ইসলাম।

বিশ্ববিদ্যালয়গুলো হচ্ছে, ওয়াশিংটন ডিসির হাওয়ার্ড বিশ্ববিদ্যালয়, ইন্ডিয়ানা ইউনিভার্সিটি, পুরডু ইউনিভার্সিটি ইন্ডিয়াপোলিস, জর্জিয়া স্টেট ইউনিভার্সিটি, উয়েনে স্টেট ইউনিভার্সিটি ইন মিশিগান, সাউদার্ন ইলিনইস ইউনিভার্সিটি ইন কারবনডেলে, বোউলিং গ্রিন স্টেট ইউনিভার্সিটি ইন ওহাইয়ো এবং ইউনিভার্সিটি অব মেমপহিস ইন টেনিসি।

খায়রুল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেছেন। গবেষণার জন্য তার পছন্দ পাবলিক হেলথ, হেলথ কমিউনিকেশনের মতো বিষয়।

এ ব্যাপারে অনুভূতি ব্যক্ত করতে গিয়ে খায়রুল ইসলাম বাংলাদেশ জার্নালকে বলেন, একটা সময় যখন আমি স্কুলের গণ্ডি পেরোতে পারবো কিনা তা নিয়ে সন্দেহ ছিল, এখন সেই ছেলে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জনে যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম সাত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি প্রোগ্রামে ভর্তির আমন্ত্রণ পেয়েছি। এটি সত্যিই একটি দারুণ অনুভূতি!

খায়রুল বলেন, পিএইচডিতে আমি জনস্বাস্থ্য সংক্রান্ত তথ্য ও ভোক্তাদের মধ্যে যে শূন্যতা বিদ্যমান তা পরীক্ষা করবো। তিনি উল্লেখ করেন, ডিজিটাল প্রযুক্তির মাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ার কারণে সারা বিশ্বের মত বাংলাদেশেও ভোক্তারা নিজেদের স্বাস্থ্য সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণের মত শক্তি অর্জন করছে।

তিনি জানান, সহজেই বিশাল তথ্য ভাণ্ডারে প্রবেশের সুযোগ সৃষ্টির মাধ্যমে ইন্টারনেট স্বাস্থ্যগত তথ্যের এক শক্তিশালী ও প্রকৃত এক উৎসরূপে আর্বিভূত হয়েছে। এসব তথ্য একইসঙ্গে এক ধরনের উদ্বেগেরও সৃষ্টি করছে। যেখানে বিজ্ঞানীরা কোনো স্বাস্থ্যগত উদ্ভাবনের বিষয়ে দালিলিক প্রমাণের ওপর নির্ভর করেন সেখানে ভোক্তারা ভালো-মন্দ বিচার করতে তাদের কাছে থাকা নিজস্ব তথ্যকে গুরুত্ব দেন।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

অধ্যক্ষ সিরাজের ভয়ঙ্কর ‘খাস কামরায়’ যা হতো

নিজস্ব প্রতিবেদক,১২ এপ্রিল: ফেনীর সোনাগাজী ফাজিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ সিরাজ উদ দৌলার নানা অপকর্মের তথ্য প্রকাশ পেয়েছে। জানা যায়, এর আগেও একাধিক ছাত্রীর শ্লীলতাহানির অভিযোগ রয়েছে এই সিরাজের বিরুদ্ধে।

অভিযোগ, তিনি একেক সময় একেক ছাত্রীকে ডেকে নিয়ে যৌন হয়রানি করতেন। পরীক্ষার প্রশ্ন দেওয়ার প্রলোভন দেখাতেন। এ অপকর্ম করতে অধ্যক্ষ মাদ্রাসা শিক্ষকদের কার্যালয় থেকে নিজ দফতরটি আলাদা ভবনে সরিয়ে নিয়েছেন। তিনি সাইক্লোন সেল্টারে দোতলায় দফতর করেছেন। তার এসব অপকর্মের অন্যতম সহযোগী মাদ্রাসার পিয়ন, কয়েকজন ছাত্র এবং স্থানীয় কয়েকজন রাজনৈতিক নেতা।

একাধিক ছাত্রী অধ্যক্ষ সিরাজ উদ দৌলা কর্তৃক যৌন হেনস্তার শিকার হলেও লোকলজ্জার ভয়ে প্রকাশ করেননি। গত ২৭ মার্চ সবশেষ যে ছাত্রীর শ্লীলতাহানি করেছেন তার দুই মাস আগে আরও এক ছাত্রীর শ্লীলতাহানি করেছেন। ওই ঘটনায় অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে লিখিতভাবে অভিযোগ করা হলেও কোনো বিচার হয়নি।

এর আগেও একাধিক ছাত্রীকে পিওন দিয়ে ডেকে নিয়ে নিজ কক্ষের মধ্যে শ্লীলতাহানি করতেন অধ্যক্ষ। ওইখানে অধ্যক্ষ সিরাজ খাস কামরাও তৈরি করেছেন। অধ্যক্ষ সিরাজ পিওনদের দিয়ে ডেকে নিয়ে ছাত্রীদের নানা প্রলোভনে ফেলে শ্লীলতাহানি করতেন। তার বিরুদ্ধে কেউ ভয়ে মুখ খুলতে পারতো না। তার বিরুদ্ধে যাতে কেউ কোনো কথা বলতে না পারে এজন্য নিজস্ব বাহিনী গড়ে তুলেছেন। মাদ্রাসার কয়েকজন ছাত্র তার অপকর্মের সহযোগী। এছাড়া পিওনরা তার অপকর্মের অন্যতম সহযোগী।

‘স্যার খুব খারাপ লোক। তার লালসার শিকার অনেকেই হয়েছিল। আমার শরীরে পর্যন্ত সে হাত দিয়েছিল ’- এমনটিই বলছেন ফেনীর সোনাগাজী ইসলামিয়া সিনিয়র ফাজিল মাদ্রাসার ছাত্রী নাসরিন সুলতানা ফুর্তি। নাসরিন নুসরাত জাহান রাফির বান্ধবী। নাসরিন বলেন, স্যার আমার গায়েও হাত দিয়েছিল। সে সময়ও আমরা দুই বান্ধবী প্রতিবাদ করেছি। তিনি পরীক্ষায় ফেল করিয়ে দেওয়ার ভীতি দেখিয়ে প্রায় সবাইকে কু-প্রস্তাব দিতেন তিনি।

বৃহস্পতিবার আলিম পরীক্ষা শেষে হল থেকে বের হয়ে অধ্যক্ষ সিরাজ সম্পর্কে বলেন, এমন কোন মেয়ে নাই যার হাত তিনি ধরেনি। সে আমাকেও ছাড়েনি আমার শরীরেও হাত দিয়েছিল। এ ঘটনায় আমি সর্বপ্রথম নুসরাতকে বলেছিলাম। নুসরাত ঐদিন আমার বিষয় নিয়ে সিরাজ স্যারের সঙ্গে ঝগড়া করেছিল।

নুসরাতের চিঠিতে যে বান্ধবীর নাম আছে, সেই তানজিনা আক্তার সাথি বলেন, প্রতিবাদী ছিল নুসরাত। ওর প্রতিবাদে আমরা শিক্ষকের বিরুদ্ধে আন্দোলন করার সাহস সঞ্চয় করেছিলাম। এমনকি ইউএনও বরাবর আমরা একটি দরখাস্ত লেখার পরিকল্পনা করেছিলাম। কিন্তু কোনো এক কারণে সেটা জমা দেয়া হয়নি।

তিনি আরও বলেন, সিরাজ স্যার পরীক্ষার ফেল করিয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে আমাদের কু-প্রস্তাব দিতো। অনেক গরীব শিক্ষার্থী আছে। তারা হয়তো সে টাকা দিয়ে নতুন করে পরীক্ষা দিতে পারবে না। যার ফলে তারা কখনোই প্রতিবাদ করতে আসেনি। সেই সুযোগ নিতো সিরাজ স্যার।

৬ এপ্রিল অগ্নিদগ্ধ ছাত্রী নুসরাতকে উদ্ধার করতে আসা দুজনের একজন হলেন মাদ্রাসার নৈশপ্রহরী মো. মোস্তফা। পুলিশের একজন সদস্যকে নিয়ে ওই মেয়েকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার ব্যবস্থা করেন মোস্তফা।

তিনি জানান, ‘অধ্যক্ষ সিরাজ উদ দৌলা পরপর দুটি শ্লীলতাহানির ঘটনায় ধরা পড়েন। শুধু নুসরাত নয়, এর আগেও নিজ দপ্তরে একাধিকবার তাকে মেয়েদের সঙ্গে আপত্তিকর অবস্থায় দেখেছি। এতে তিনি আমাকে চাকরিচ্যুত করার হুমকি দেন। একবার তিনি প্রশ্ন করেছিলেন, ‘পাথরের সঙ্গে কপাল ঠুকলে মাথা ফাটবে, নাকি পাথর ফাটবে?’ আমি বলেছিলাম মাথাই ফাটবে।’

এই নৈশপ্রহরী আরো বলেন, ‘অধ্যক্ষের দপ্তর ছিল নিচতলায়। মেয়েদের সঙ্গে অশালীন আচরণের ঘটনা একাধিকবার আমার চোখে পড়েছে। তিনি নিচতলা সেফ মনে না করায় ‘সাপ ঢুকেছে, নিচতলার দপ্তর নিরাপদ নয়’ বলে পাশের ভবনের দ্বিতীয় তলায় তার অফিস স্থানান্তর করেন।’

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

এমপিওভুক্ত হলেন কারিগরির ২০০ শিক্ষক

বেসরকারি কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ২০০ শিক্ষক-কর্মচারীকে এমপিওভুক্ত করেছে কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর। এদের মধ্যে ১৭৫জন শিক্ষক কর্মচারীকে শাখা, শ্রেণি,ট্রেড ও স্পেশালাইজেশনের বিপরিতে এমপিওভুক্ত করা হয়েছে। এ ২০০ শিক্ষক-কর্মচারীর মধ্যে এইচএসসি বিএম শিক্ষাক্রমের ১৫১ জন এবং এসএসসি ভোকেশনাল শিক্ষাক্রমের ৪৯ জন রয়েছেন। বৃহস্পতিবার (১১ এপ্রিল) কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে এ সংক্রান্ত পৃথক আদেশ জারি করা হয়।

জানা গেছে, গতবছরের জুলাইয়ে জারি করা এমপিও নীতিমালার আলোকে এসব শিক্ষক কর্মচারীকে এমপিওভুক্ত করা হয়েছে। এমপিও অনুমোদন কমিটির ৩য় সভায় এসব শিক্ষক-কর্মচারীকে এমপিওভুক্ত করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। সে প্রেক্ষিতে চলতি মাস থেকে তাদের এমপিও কার্যকর হবে। তালিকার লিংক নিচে

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

Responsive WordPress Theme Freetheme wordpress magazine responsive freetheme wordpress news responsive freeWORDPRESS PLUGIN PREMIUM FREEDownload theme free