ভর্তি তথ্য

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় মাস্টার্স ভর্তির আবেদন শেষ ৩০ জুন

pic 30ঢাকা: জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৬ সালের মাস্টার্স (প্রফেশনাল) ভর্তি কার্যক্রমে এলএলবি ১ম পর্ব/পোস্ট গ্রাজুয়েট ডিপ্লোমা ইন জার্নালিজম/ডিপ্লোমা ইন লাইব্রেরি অ্যান্ড ইনফরমেশন সায়েন্স/ এমএসসি ইন কমিপউটার সায়েন্স/মাস্টার অব বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (এমবিএ)/এমবিএ ইন অ্যাপারেল মার্চেন্ডাইজিং কোর্সসমূহে কলেজ কর্তৃক অনলাইনে প্রাথমিক আবেদন নিশ্চয়নের শেষ সময় ৩০ জুন রাত ১২টা পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়েছে।

বিস্তারিত তথ্য জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট www.nu.edu.bd/ admissions এবং www.nu.edu.bd /admissions) থেকে জানা যাবে।

মঙ্গলবার জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ, তথ্য ও পরামর্শ দফতর এ তথ্য জানিয়েছেন।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

এমফিলে ভর্তি পরীক্ষার সূচি পরিবর্তন

ঢাকা: জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৬-২০১৭ শিক্ষাবর্ষে এমফিল প্রোগ্রামে ভর্তি পরীক্ষা বা সাক্ষাৎকারের তারিখ পরিবর্তন করা হয়েছে।

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাঠানো বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী ৬ জুনের পরিবর্তে ৯ জুন ভর্তি পরীক্ষার তারিখ পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে ওইদিন সকাল ১০টার মধ্যে গাজীপুর ক্যাম্পাসে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ আবেদনকারীদের উপস্থিত থাকার জন্যও বলা হয়েছে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

মাস্টার্স শেষ পর্ব কোর্সে রেজিস্ট্রেশনের সময় বৃদ্ধি

নিজস্ব প্রতিবেদক, গাজীপুর : জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে ২০১৩-১৪ শিক্ষাবর্ষে মাস্টার্স শেষ পর্ব (প্রাইভেট) কোর্সে রেজিস্ট্রেশন আগামী ১৩ জুন পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ, তথ্য ও পরামর্শ দপ্তর পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) মো. ফয়জুল করিম স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য  জানানো হয়েছে।

এ সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েব সাইট www.nu.edu.bd/mf ও www.nu.edu.bd থেকে জানা যাবে।

 

 

 

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের মাস্টার্সের ভর্তির সময় বৃদ্ধি

NUগাজীপুর: জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৬ সালের মাস্টার্স (প্রফেশনাল) কোর্সের ভর্তির সময় বৃদ্ধি করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৬ মে) বিকেলে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ, তথ্য ও পরামর্শ দফতরের পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) মো. ফয়জুল করিম স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, কার্যক্রমে এলএলবি ১ম পর্ব, পোস্ট গ্রাজুয়েট ডিপ্লোমা ইন জার্নালিজম, ডিপ্লোমা ইন লাইব্রেরি অ্যান্ড ইনফরমেশন সায়েন্স, এমএসসি ইন কম্পিউটার সায়েন্স, মাস্টার্স অব বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (এমবিএ) ও এমবিএ ইন অ্যাপারেল মার্চেন্ডাইজিং কোর্সে অনলাইনে আবেদনের সময় আগামী ২৩ জুন রাত ১২টা পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়েছে।

ভর্তি সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট (www.nu.edu.bd/admissions বা admissions.nu.edu.bd থেকে জানা যাবে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

একাদশ শ্রেণীতে গ্রাম-শহরে ভর্তি ফি বৈষম্য

ঢাকা: একাদশ শ্রেণীতে ভর্তির ক্ষেত্রে ফি নির্ধারণে গ্রাম-শহরের বৈষম্য স্পষ্ট। উপজেলা ও জেলা যেখানে ভর্তি ফি সর্বোচ্চ ২ হাজার টাকা, সেখানে ঢাকায় সর্বোচ্চ ৯ হাজার টাকা।

এছাড়া ভর্তি নীতিমালায় উন্নয়ন ফি নামে আরেকটি খাতে ৩ হাজার এবং বোর্ড ফি বাবদ ২শ’ টাকা ধার্য করা হয়েছে। সেক্ষেত্রে ঢাকার একটি কলেজে একজন শিক্ষার্থী ভর্তি করাতে অভিভাবকের কমপক্ষে ১২ হাজার ২শ’ টাকা লাগছে।

শিক্ষা সচিব মো. সোহরাব হোসাইন জানান, ‘এটা ঠিক শহর-গ্রামে ফি নির্ধারণে পার্থক্য বেশি হয়ে গেছে। নীতিমালা আমার কাছে আসার পর বিষয়টি আমারও নজর কেড়েছিল। আমরা এবার নতুন কিছু করছি না। কয়েক বছর ধরেই এটা চলে আসছে। বিষয়টি ঢাকার মানুষের জন্য সহনীয় হয়ে গেছে।’

এদিকে দেশের বিশিষ্ট শিক্ষাবিদরা এই ফি নির্ধারণকে ‘স্পষ্ট বৈষম্য’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। পাশাপাশি এ বৈষম্য দূর করতে সরকারের প্রতি তাগিদ দিয়ে তারা বলেছেন, ঢাকায় কেবল উচ্চবিত্ত বা মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তানরা লেখাপড়া করে না। শ্রমজীবী ও নিম্নআয়ের সন্তানরাও লেখাপড়া করে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজির অধ্যাপক ড. সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম বলেন, কলেজ ভর্তি ফি এমনভাবে নির্ধারণ করতে হবে যাতে কম আয় এবং বেশি আয়ের মানুষের সন্তান একই প্রতিষ্ঠানে পড়তে পারে। অর্থাৎ বিদ্যমান ফি কমিয়ে সবার সীমার মধ্যে নিয়ে আসতে হবে। সে ক্ষেত্রে ভর্তিতে টিআইএন (করদাতা) সনদ বাধ্যতামূলক করতে হবে। এই সনদ দেখে যিনি ৫-৬ লাখ টাকা কর দেন, তার কাছ থেকে বেশি উন্নয়ন ফি আদায় করতে হবে। আর যারা আয় কর দেয়ার সামর্থ্য রাখেন না, তাদের সন্তানকে উন্নয়ন ফি থেকে রেয়াত দিতে হবে। প্রয়োজনে ভর্তি ফি কমাতে হবে।

বরেণ্য শিক্ষাবিদ অধ্যাপক ড. সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, আমরা যে আদর্শ পোষণ করি তা হচ্ছে শিক্ষার ফি যত কম হবে তত জনগণের ভালো। কিন্তু কলেজ ভর্তিতে নির্ধারিত বৈষম্যমূলক ফি এই আদর্শের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। এটা কিছুতেই জনগণের জন্য সহনীয় হতে পারে না। বরং এটা তাদের জন্য বহন করা কঠিন হচ্ছে। কেননা ঢাকায় এমন অনেক অভিভাবক আছেন যার সন্তানকে ভর্তি করতে মাসের গোটা আয় ব্যয় করতে হচ্ছে। আমি মনে করি ভর্তি ফি কমানো দরকার। কেবল কলেজে নয়, স্কুলের ক্ষেত্রেও এই নীতি প্রবর্তন করা প্রয়োজন। তিনি বলেন, তবে গ্রামের ফি বাড়িয়ে বৈষম্য দূর করার উদ্যোগ নেয়া যাবে না। শহরেরটা কমাতে হবে।

নীতিমালা অনুযায়ী মফস্বল/পৌর (উপজেলা) এলাকার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সেশন চার্জসহ সর্বসাকল্যে ১ হাজার টাকা ভর্তি ফি নেয়া যাবে। জেলা সদর পর্যায়ের কলেজে ২ হাজার টাকা এবং ঢাকা ছাড়া অন্য মেট্রোপলিটন এলাকায় ৩ হাজার টাকার বেশি নেয়া যাবে না।

ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকায় এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ৫ হাজার, আংশিক এমপিওভুক্ত বা এমপিওবহির্ভূত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন ও এমপিওবহির্ভূত শিক্ষকদেও বেতন-ভাতা প্রদানের জন্য ভর্তির সময় ভর্তি ফি, সেশন চার্জ ও উন্নয়ন ফি বাবদ বাংলা মাধ্যমে ৯ হাজার টাকা এবং ইংরেজি মাধ্যমে সর্বোচ্চ ১০ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এতে অনুমোদিত ফির আওতায় রেজিস্ট্রেশন ফি একশ’ বিশ, ক্রীড়া ফি-৩০, রোভার/রেঞ্জার ফি-১৫, রেড ক্রিসেন্ট ফি-২০ এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ফি হিসেবে ৭ টাকা নির্ধারণ করে দেয়া হয়েছে। এছাড়া কোনো শিক্ষার্থীর পাঠ বিরতি থাকলে পাঠ বিরতি ফি হিসেবে একশ’ টাকা, বিলম্ব ভর্তি ফি ৫০ টাকা এবং শাখা বা বিষয় পরিবর্তনের ক্ষেত্রে ২৫ টাকা ফি নির্ধারণ করা হয়েছে।

নীতিমালার বিষয়ে শিক্ষা সচিব বলেন, যদিও নীতিমালায় শহর-গ্রামে একটি ফারাক দেখা যাচ্ছে, তবে দরিদ্র, মেধাবী ও প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থী ভর্তিতে যতদূর সম্ভব ফি মওকুফের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। এবার নীতিমালা হয়ে গেছে। আগামীতে নীতিমালা প্রণয়নের ক্ষেত্রে শহর-গ্রামের বৈষম্য বিষয়টি আমলে নেয়া হবে।

উল্লেখ্য, আগামী ২৬ মে থেকে একাদশ শ্রেণীতে আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে। চলবে ৯ জুন পর্যন্ত।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

প্রাথমিক শিক্ষকদের স্বতন্ত্র বেতন স্কেল হবে না: অর্থমন্ত্রী

ঢাকা: প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্muhidষকদের জন্য স্বতন্ত্র বেতল স্কেল হবে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। তিনি রোববার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের একথা বলেন।

এর আগে মন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক-প্রতিনিধিরা বেতন স্কেল, পদোন্নতিসহ সংশ্লিষ্ট ৫ দফা দাবি তুলে ধরেন।

বাংলাদেশ প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক ঐক্যজোটের ৮ প্রতিনিধি এই দাবি তুলে ধরেন।

অর্থমন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক শিক্ষকদের জন্য আলাদা বেতন স্কেল হবে না। তারা প্রচলিত বেতন স্কেলেই বেতন-ভাতা পাবেন তারা।

শিক্ষক প্রতিনিধিদের তিনি বলেন, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক আছে আজ। সেখানে এসব নিয়ে কথা বলব। এই প্রথম কেউ আমাকে বিষয়গুলো জানাতে এলো। এর আগে আপনাদের বিষয়ে আমাকে কেউ কিছু জানাননি। দেখা যাক, কি করা যায়।

শিক্ষকদের দাবিগুলো হলো- অষ্টম পে-স্কেলে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত সহকারী শিক্ষকদের বেতনস্কেল প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকদের নিচের ধাপেই নির্ধারণ, প্রধান শিক্ষক পদে সরাসরি নিয়োগ বন্ধ করে সহকারী শিক্ষক পদ থেকে এন্ট্রিপদ ধরে সব আর্থিক সুবিধাসহ শতভাগ পদোন্নতি প্রদান, অষ্টম জাতীয় বেতন স্কেলে টাইম স্কেল বহালসহ যথাসময়ে যোগদান তারিখ অনুযায়ী বার্ষিক ইনক্রিমেন্ট ১০ শতাংশ চক্রবৃদ্ধিহারে দেওয়া, সদ্য জাতীয়করণ করা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের সহকারী শিক্ষক পদে পদায়ন করে জ্যেষ্ঠতার ভিত্তিতে পদোন্নতি দেওয়া, প্রাথমিক ডিপার্টমেন্টকে নন-ভ্যাকেশনাল ডিপার্টমেন্ট হিসেবে ঘোষণা।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

Responsive WordPress Theme Freetheme wordpress magazine responsive freetheme wordpress news responsive freeWORDPRESS PLUGIN PREMIUM FREEDownload theme free