শিক্ষাঙ্গন

প্রশ্ন ফাঁসকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা হবে : শিক্ষামন্ত্রী

ঢাকা : প্রশ্নপত্র ফাঁসকে বড় সমস্যা হিসেবে উল্লেখ করে শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ বলেছেন, এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইন অনুসারে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আজ বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এ কথা বলেন।সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, ইতিমধ্যে পুলিশ এ বিষয়ে প্রতিবেদন দিয়েছে। সে অনুযায়ী এখন ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

পাঠ্যপুস্তকে ভুলত্রুটির বিষয়ে করা তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার কথা জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, এ বিষয়টি এখন পর্যালোচনা করা হচ্ছে। যথাসময়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ সময় মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব সোহরাব হোসাইন বলেন, ভুলের সংশোধনী দেওয়ার বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন আছে।
সৃজনশীল মেধা অন্বেষণ প্রতিযোগিতার খবর জানাতে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। সম্মেলনে মন্ত্রী জানান, ইতিমধ্যে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের নিয়ে এই প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে। ১৩ ও ১৪ মার্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এই প্রতিযোগিতা শুরু হয়।

১৮, ১৯ ও ২০ মার্চ উপজেলা পর্যায়ে, ২২ মার্চ জেলা পর্যায়ে, ২৩ মার্চ ঢাকা মহানগরী পর্যায়ে ও ২৮ মার্চ বিভাগীয় পর্যায়ে এই প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে। সর্বশেষ ৩০ মার্চ অনুষ্ঠিত হবে চূড়ান্ত প্রতিযোগিতা।

চারটি বিষয়ে মোট ১২ জন প্রতিযোগীকে চূড়ান্তভাবে মনোনীত করা হবে। তাদের প্রত্যেককে এক লাখ টাকা, একটি সনদ ও বিদেশে শিক্ষাসফরে নিয়ে যাওয়া হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চূড়ান্ত বিজয়ীদের পুরস্কার দেবেন।

এ প্রসঙ্গে শিক্ষামন্ত্রী বলেন অনাদরে, অবহেলায় পড়ে থাকা ছেলেমেয়েদের দৃষ্টির মধ্যে নিয়ে আসা ও তাদের উৎসাহ দেওয়ার জন্যই এই প্রতিযোগিতা আয়োজন করা হয়েছে। ২০১৩ সাল থেকে এই প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

ঢাবির ইন্সটিটিউট এর স্বীকৃতির দাবি শিক্ষার্থীদের অভিযোগ: ফোন দিয়ে বহিষ্কারের হুমকি

গার্হস্থ্য অর্থনীতি কলেজকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট করার দাবিতে চলমান আন্দোলনে নেতৃত্ব দেয়া শিক্ষার্থীদের বাসায় ফোন করে কলেজ থেকে বহিষ্কার করার হুমকি দেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে শিক্ষার্থীরা। তবে এই অভিযোগ একে বারেই সত্য নয় বলে জানিয়েছেন কলেজের অধ্যক্ষ ফাতেমা সুরাইয়া।

ফাতেমা সুরাইয়া বলেন,”শিক্ষার্থীরা হলো শিক্ষকদের সন্তান সমতুল্য। আমরা তাদের কোন ক্ষতি চাই না। আমরা শুধু তাদের পরিবারকে অবগত করেছি যে তারা যে জনদূর্ভোগ সৃষ্টি করেছে তাতে প্রশাসন কোন ব্যবস্থা নিলে কিছুই করার থাকবে না। আর জনদূর্ভোগ সৃষ্টি করা হলো সন্ত্রাসীদের কাজ, কোন শিক্ষিত মানুষের নয়।”

তিনি বলেন,”যখন দাবি ওঠেছিল তখন দুটি কমিটি গঠন করা হয়েছিল।আমরা বলেছি প্রতিবেদন প্রকাশের তোমরা কিছু করোনা। আমরা চাইনা যাদের আমরা শিক্ষা দিচ্ছি তারা শিক্ষিত মানুষের মত আচরন করবেনা। প্রতিবেদন প্রকাশের আগেই আন্দোলন করায় উর্ধ্বতন কর্মকর্তা অত্যন্ত বিরক্ত হয়েছেন।

শিক্ষার্থীরা জানিয়েছে, আমরা বাসায় আগেই অভিবাবকদের জানিয়ে রেখেছি যেন তারা কোন ভয় না পায়।আমাদের কোন দাবি তারা বাস্তবায়ন করেনি। আগামীকাল সকাল ১১ টায় সবার অংশ গ্রহণে তাদের মহাসমাবেশ শুরু হবে বলে জানায় শিক্ষার্থীরা।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

জগন্নাথ ছাত্রলীগের নতুন নেতৃত্বে আলোচনায় যারা

প্রায় সাড়ে চার বছর পর নতুন নেতৃত্বের খোঁজে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) শাখা ছাত্রলীগের সম্মেলন হতে যাচ্ছে আগামী ৩০ মার্চ। নেতাকর্মীদের মধ্যে ইতোমধ্যে উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে। নতুন কমিটিতে পদ পেতে দৌড়ঝাঁপ শুরু করেছেন বিগত দিনের পদধারী এক ডজন ত্যাগী নেতাকর্মী। সভাপতি পদপ্রার্থী কম থাকলেও সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী বেশি।

গত ৮ মার্চ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে সম্মেলন আয়োজনে চিঠি দেয় কেন্দ্র। চিঠি পাওয়ার পর থেকেই বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের মাঝে উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে। শুধু ছাত্রলীগ নয় সাধারণ শিক্ষার্থীদের মাঝেও কানাঘুষা শুরু হয়েছে। কে পাবে নতুন নেতৃত্ব, এর অপেক্ষায় সাধারণ শিক্ষার্থীরাও।

জানা যায়, ২০১২ সালের ৩ অক্টোবর এফ এম শরিফুল ইসলামকে সভাপতি ও এস এম সিরাজুল ইসলামকে সাধারণ সম্পাদক করে এক বছরের জন্য কমিটি করা হয়। এই কমিটি প্রায় সাড়ে চার বছর পার করলেও নতুন কমিটি দেয়া সম্ভব হয়নি। তবে শেষ পর্যন্ত নতুন কমিটির জন্য সম্মেলনের তারিখ ঠিক করেছে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ। সম্মেলনের প্রধান অতিথি থাকবেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ওবায়দুল কাদের।

নতুন কমিটিতে সভাপতি প্রার্থী বর্তমান কমিটির যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক তরিকুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক সাইদুর রহমান জুয়েল, কামরুল  ইসলাম এবং সামজসেবা বিষয়ক সম্পাদক সাইফুল্লাহ ইবনে সুমন।

সাধারণ  সম্পাদক পদে আগ্রহীদের মধ্যে রয়েছেন, বর্তমান কমিটির যুগ্ম সাধারণ  সম্পাদক হারুন অর রশিদ, সাংগঠনিক সম্পাদক শামীম রেজা, তানভীর রহমান খাঁন, সুরঞ্জন ঘোষ, জহির রায়হান আগুন, মো. মাহবুবুল আলম খান রবিন, উপ-কর্মসূচি ও পরিকল্পনা বিষয়ক সম্পাদক মো. ইব্রাহিম ফরাজী, উপ-প্রচার সম্পাদক আনিসুর রহমান শিশির, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক নূর রাহুল।

তবে কেন্দ্রীয় কমিটি জুনিয়রদের থেকে নেতা নির্বাচন করলে উপ-সমাজসেবা বিষয়ক সম্পাদক মমিনুর রহমান মমিন ও সহসম্পাদক আফছারও এই পদে প্রার্থী হবেন।

শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি এফ এম শরিফুল ইসলাম ঢাকাটাইমসকে বলেন, ‘আগামী ৩০ মার্চ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে। সম্মেলনের সমস্ত আয়োজন যেন নির্দিষ্ট সময় এবং ভালোভাবে সম্পাদিত হয় সে ব্যাপারে গত ১৩ মার্চ নেতাকর্মীকে নিয়ে বর্ধিতসভা করেছি। সম্মেলনের মাধ্যমে আমরা বিগত দিনের ত্যাগী ও নেতৃত্বের গুণাবলীর অধিকারী নেতাকর্মীদের হাতে নতুন নেতৃত্ব তুলে দেব।’ তিনি বলেন, ‘যারা বিভিন্নভাবে সংগঠনের বিরোধিতা করেছে তাদের কোনোভাবেই নেতৃত্বে আসার সুযোগ দেয়া হবে না।’

শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক এস এম সিরাজুল ইসলাম ঢাকাটাইমসকে বলেন,  ‘এ সম্মেলনের অনেকেই বিরোধিতা করছেন। সম্মেলনবিরোধীরা যাতে সম্মেলনের দিন কোনো সমস্যা সৃষ্টি না করতে পারে সে ব্যাপারে সবাইকে সতর্ক থাকতে বলেছি।’

সিরাজুল ইসলাম বলেন, ‘নতুন কমিটির জন্য আমরা ক্লিন ইমেজের নেতা খুঁজছি। যারা মাদকাসক্ত, যাদের বিরুদ্ধে কোনো মামলা বা অভিযোগ রয়েছে এবং যাদের বয়স ২৯ এর বেশি তাদেরকে নেতৃত্ব দেয়া হবে না।’

সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘যারা সংগঠনকে আরও এগিয়ে নেবে এবং সংগঠনকে শক্তিশালী করতে বিগত দিনে কঠোর পরিশ্রম করেছে আর ভবিষ্যতেও করবে তাদেরকেই নেতৃত্বের জন্য নির্বাচন করা হবে।’

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

৩৫ তম বিসিএসে নিয়োগ চূড়ান্ত ‘চলতি মাসেই’

৩৫ তম বিসিএসে নিয়োগ চূড়ান্ত হচ্ছে চলতি মাসেই। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এ বিষয়ে গেজেট জারি করার আনুষ্ঠানিকতা শেষ করেছে। মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট শাখা ফাইলটি ছাড় করার পর এখন সেটি যাবে বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির অনুমোদনের জন্য। রাষ্ট্রপতির অনুমোদনের পর গেজেট জারি করবে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপসচিব (নবনিয়োগ শাখা) মফিদুর রহমান ঢাকাটাইমসকে বলেন, ‘আমরা ৩৫তম বিসিএসের সবকিছু প্রস্তুত করে ফাইল ছেড়ে দিয়েছি। আমাদের কাজ শেষ। এখন এটি রাষ্ট্রপতির অনুমোদন হয়ে আবার জনপ্রশাসনে আসবে। এরপর আমরা গেজেট জারির কাজ করবো।’

এক প্রশ্নের জবাবে এই কর্মকর্তা বলেন, ‘আমরা আশা করছি সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে চলতি মাসের শেষে গেজেট জারি করতে পারব। তা না হলে এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহে গেজেট হবে। আর গেজেট জারি হলে চাকরিতে যোগদানের জন্য ১৫ দিন সময় দেয়া হবে।’

এবার ৩৫তম বিসিএসে দুই হাজার ১৭৪ জনকে বিভিন্ন ক্যাডারে চাকরিতে নিয়োগের সুপারিশ সরকারি কর্ম কমিশন-পিএসসি। ওই পরীক্ষায় লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় পাঁচ হাজার ৫১৭ জন উত্তীর্ণ হয়। বিভিন্ন কারণে ১৪ জনের ফল স্থগিত রাখা হয়েছে।

৩৫তম বিসিএসের লিখিত পরীক্ষায় ৬ হাজার ৮৮ জন অংশ নিয়েছিল। সেই হিসেবে মৌখিক পরীক্ষায় ফেল করেছেন ৫৭১ জন। এই বিসিএসের মাধ্যমে প্রশাসন ক্যাডারে ২৯৬ জন এবং পুলিশে ১১৯ জনকে নিয়োগের সুপারিশ করা হয়েছে। আদালতে মামলা থাকায় বিসিএস বন ক্যাডারের ফল স্থগিত রাখা হয়েছে। এছাড়া কয়েকটি কারিগরি ও পেশাগত ক্যাডার পদে কৃতকার্য প্রার্থী না পাওয়ায় ৩৭১টি পদে সুপারিশ করা সম্ভব হয়নি।

লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় পাস করলেও পদ না থাকায় তিন হাজার ৩৫৯ জনকে ক্যাডার সার্ভিসে সুপারিশ করা যায়নি। তারা আবেদন করলে প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির নন-ক্যাডার পদে নিয়োগ পাবেন। ২০১৪ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর ৩৫তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পর ২০১৫ সালের ৬ মার্চ দুই লাখ ৪৪ হাজার ১০৭ জন চাকরিপ্রার্থী প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

সরকার প্রাইমারী শিক্ষকদের বেতন বাড়িয়েছে, সেবার মান বাড়ানোর জন্য-প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী

জেলা প্রতিনিধি: প্রাথমিক বিদ্যালয় লেখাপড়ার পাশাপাশি শিশুদের প্রকৃত মানুষ মানাবে।

যাত্রাপথে কয়েকটি স্কুল পরিদর্শনের অভিজ্ঞতা বর্ণনা করে বলেন, বেশ কটি স্কুল পরিদর্শন করেছি। অনেক স্কুলের শিক্ষার মান খুব ভালো আবার অনেক স্কুলের অবস্থা ভালো নয়।

ভালো নয় মানে সেই শিক্ষকদের ভালো করার চেষ্টা নেই। সরকার প্রাইমারী শিক্ষকদের বেতন বাড়িয়েছে, সেবার মান বাড়ানোর জন্য। শিক্ষকদের আত্মমনোযোগী হতে হবে ও সেবার মান বাড়াতে হবে। ১৪ মার্চ গতকাল মঙ্গলবার বিকাল ৫টায় শেখ বোরহান উদ্দিন ইসলামি সোসাইটি মৌলভীবাজারের উদ্যোগে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে মেধা যাচাই প্রতিযোগিতার ফলাফল ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে একথাগুলো বলেন, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী মো: মোস্তাফিজুর রহমান।

তিনি আরো বলেন ,২০১৭ সালের মধ্যে প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষক সংকট থাকবে না । আর ২০১৮ সালের জানুয়ারির মধ্যে থাকবে না জরাজীর্ণ ভবন।

প্রাইমারী শিক্ষা হচ্ছে শিক্ষার ফাউন্ডেশন। শিক্ষকদের স্কুলে শ্রেণীকক্ষে আঞ্চলিক শব্দ  পরিহার করে ছাএছাএীদের সাথে স্কুলের ভাষা ব্যবহার করতে হবে।

নিজের সন্তানের মতো স্কুলের শিক্ষার্থীদের আদর ও ভালবাসার মাধ্যমে শিক্ষিত করে তোলা শিক্ষদের দায়িত্ব।পড়াশুনার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের আদব-কায়দা, পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতার ব্যাপারে শিক্ষক ও অভিভাবকদের খেয়াল রাখার পরামর্শ দেন তিনি।

সংগঠনের চেয়ারম্যান এম মুহিবুর রহমানের সভাপতিত্বে  অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন জেলা প্রশাসক মো: তোফায়েল ইসলাম, পুলিশ সুপার  মোহাম্মদ শাহ জালাল, পৌর মেয়র ফজলুর রহমান, জেলা আ.লীগের সহ-সভাপতি মো. ফিরোজ।

মেধা যাচাই প্রতিযোগীতায় জেলার বিভিন্ন বিদ্যালয়ের ৩য় শ্রেণি থেকে দশম শ্রেণির ১০৪ জন শিক্ষার্থীদের পুরস্কার বিতরণ করা হয় ও অতিথিদের ক্রেস্ট প্রদান করা হয়।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

পাঁচ স্তরে ঘুষ

ডেস্ক: সারাদেশের বেসরকারী শিক্ষক-কর্মচারীদের এমপিওভুক্তির কাজ শিক্ষা অধিদফতর (মাউশি) থেকে অঞ্চলে অঞ্চলে ভাগ করে সুফলের পরিবর্তে সঙ্কটই বাধিয়ে ফেলেছে শিক্ষা প্রশাসন। এমপিওর সঙ্গে যেন ঘুষ, দুর্নীতিও বিকেন্দ্রীকরণ করে ফেলেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও মাউশি। এমপিওর কাজ হাতে পেয়ে বেপরোয়া হয়ে উঠেছে মাউশির সকল আঞ্চলিক কার্যালয়। একজন শিক্ষককে এমপিও পেতে পাঁচ স্তরে ঘুষ দিতে হচ্ছে। আগে এমপির জন্য কেবল মাউশিতে ঘুষ দেয়া লাগলেও পরিস্থিতি এখন আরও ভয়াবহ। নিয়োগের পর শিক্ষক-কর্মচারীকে ঘাটে ঘাটে ঘুষ দিয়ে ফাইল পার করতে হচ্ছে স্কুল-কলেজ থেকে উপজেলা শিক্ষা অফিস, উপজেলা থেকে জেলা, জেলা থেকে আঞ্চলিক শিক্ষা অফিস, আঞ্চলিক শিক্ষা অফিস থেকে মাউশিতে ফাইল আনতেও চলছে একই খেলা।

৬ মার্চ সোমবার ‘পাঁচ স্তরে ঘুষ’ শীর্ষক প্রতিবেদনে এ তথ্য প্রকাশ করেছে দৈনিক জনকণ্ঠ

এমপিও আঞ্চলিক কেন্দ্রের হাতে দেয়া এবং সেখানে তথ্য যাছাইয়ের কোন সুযোগ না থাকায় সঙ্কট এখন ভয়াবহ রূপ ধারণ করেছে বলে বলছেন শিক্ষক-কর্মকর্তারা।

প্রতিদিনই অভিযোগ আসছে মাউশিতে। অভিযোগ আসছে মন্ত্রণালয়ে। এমপিওর ক্ষমতা মাউশির আঞ্চলিক কেন্দ্রের হাতে দেয়ার পর প্রায় এক বছর হতে চলেছে। এই সময়ে প্রতি মাসের এমপিও প্রদানেই গুরুতর সব দুর্নীতির অভিযোগ এসেছে মন্ত্রণালয় ও মাউশিতে। গত বছর মাউশির হাতে থাকা এই এমপিও নয়টি আঞ্চলিক শিক্ষা কার্যালয়ে ভাগ করে দেয়া হয়েছিল। লক্ষ্য ছিল ঘুষ, দুর্নীতি রোধ করা। কিন্তু এক বছরে লক্ষ্য তো পূরণ হয়নি বরং শিক্ষকদের হয়রানি কয়েকগুণ বেড়েছে। বেপরোয়া হয়ে উঠেছে আঞ্চলিক শিক্ষা কার্যালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। একজন শিক্ষককে এমপিও পেতে ঘুষ লাগছে কমপক্ষে ৩০ থেকে ৫০ হাজার টাকা। আর যদি কাগজপত্রে সামান্যতম কোন ঘাটতি থাকে তাহলে ঘুষের পরিমাণ কয়েকগুণ বেড়ে যাচ্ছে। আঞ্চলিক শিক্ষা কার্যালয়ের উপপরিচালক, জেলা ও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারদের ঘুষের প্রমাণ দিয়ে প্রতিদিনই শিক্ষকরা অভিযোগ জমা দিচ্ছেন।

আঞ্চলিক শিক্ষা কার্যালয়ের নয়জন উপপরিচালকের (অঞ্চলের প্রধান কর্মকর্তা) মধ্যে চারজনের বিরুদ্ধেই কয়েক কোটি টাকার দুর্নীতি ও রাষ্ট্রীয় অর্থ অপচয়ের অভিযোগ নিয়ে চলছে তদন্ত। দুর্নীতির মাধ্যমে এমপিও প্রদানসহ ‘সাংঘাতিক’ সব অপরাধের প্রমাণ পাওয়ায় আরও চারজন উপপরিচালকসহ ১৪

কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা করতে মাউশিকে নির্দেশ দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এই এমপিও জালিয়াতির সঙ্গে জড়িত রয়েছেন আঞ্চলিক শিক্ষা কার্যালয়ের চারজন উপপরিচালক (ডিডি), চারজন জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা ও ছয়জন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা। তবে মন্ত্রণালয়ের আদেশ পেয়েও মাউশির একটি চক্র অপরাধীদের রক্ষার চেষ্টা করে যাচ্ছেন। গায়েব করে ফেলা হয়েছে ফাইল। যা যানেন না খোদ মহাপরিচালকও।

 

সুত্র: দৈনিক জনকন্ঠ

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘যোগ্য’ শিক্ষকের অভাব

অযোগ্য’ শিক্ষক দিয়ে চলছে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের অনেক বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়। নিয়োগপ্রাপ্তদের তেমন জ্ঞান না থাকায় ব্যাহত হচ্ছে উচ্চশিক্ষা কার্যক্রম। বিষয়টি নিয়ন্ত্রণকারী প্রতিষ্ঠান ‘বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন’ অবগত হলেও ‘নখ-দন্তহীন’ হওয়ায় শুধু চিঠি চালাচালির মধ্যে সীমিত থাকছে এর কার্যক্রম।

শিক্ষাবিদরা উচ্চশিক্ষার নামে গড়ে উঠা এসব প্রতিষ্ঠানকে ‘কোচিং সেন্টার’ বলে মন্তব্য করেছেন। তারা নামসর্বস্ব এসব প্রতিষ্ঠানকে অনুমোদন দেওয়ার বিষয় নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক সৈয়দ মঞ্জুরুল ইসলাম এ প্রসঙ্গে ‘জাগো নিউজ’র কাছে প্রশ্ন রাখেন, মাননিয়ন্ত্রণ করতে না পারলে সরকার কেন নতুন করে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুমোদন দিচ্ছে। এটি রহস্যজনক বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, ‘লাগামহীন অনুমোদন দেয়ায় বিশ্ববিদ্যালয়গুলো কোচিং সেন্টারে পরিণত হচ্ছে। মানসম্মত উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠা করতে হলে এদের দ্রুত রোধ করতে হবে। বিশ্বমানের শিক্ষা প্রতিষ্ঠা করতে চাইলে উচ্চশিক্ষাকে সরকারের নিয়ন্ত্রণে আনতে হবে।’

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, প্রায় ছয় হাজার শিক্ষার্থী রয়েছে সোনারগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ে। কাগজে-কলমে ক্যাম্পাসটির ঠিকানা সোনারগাঁও দেখানো হলেও মূলত মহাখালী ও গ্রীনরোডের ভাড়া বাড়িতে দুটি ক্যাম্পাসে শিক্ষা কার্যক্রম চলছে। এসব ক্যাম্পাসে ১১টি বিভাগে, ১৯টি বিষয়ে প্রায় ছয় হাজার শিক্ষার্থী অধ্যায়নরত। ২২৫ খণ্ডকালীন আর ১১৮ জন স্থায়ী শিক্ষক দেখানো হলেও মূলত বিভিন্ন ডিপ্লোমা ইনস্টিটিউটের শিক্ষকদের দিয়েই চলছে উচ্চশিক্ষার এই প্রতিষ্ঠান।

বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) সূত্রে জানা গেছে, নিম্নমানের শিক্ষা ব্যবস্থা এবং অযোগ্য শিক্ষক দিয়ে চলছে রাজধানীসহ জেলা পর্যায়ের অনেক বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়। অনেকে আবার ধার করা শিক্ষক দিয়ে উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নামে ব্যবসা চালাচ্ছেন।

সূত্র জানায়, বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে শিক্ষক হওয়ার মতো যোগ্যতা না থাকলেও এমন ব্যক্তিদের দিয়ে চলছে শিক্ষাকার্যক্রম। এদের মধ্যে কানাডা ইউনিভার্সিটি, পিপলস ইউনিভার্সিটি, এশিয়ান ইউনিভার্সিটি, সাউথ এশিয়ান বিশ্ববিদ্যালয়, সিসিএন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি বিশ্ববিদ্যালয় (আরএসটিইউ), নর্থ ওয়েস্টার্ন বিশ্ববিদ্যালয়, ফার্স্ট ক্যাপিটাল ইউনিভার্সিটি অন্তর্ভুক্ত।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, এসব অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় ইউজিসি থেকে একাধিকবার চিঠি পাঠিয়ে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে সতর্ক এবং যোগ্য শিক্ষক নিয়োগের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। কিন্তু এই নির্দেশনা কেউ আমলে নিচ্ছে না। বরং ইচ্ছামত শিক্ষার্থী ভর্তি করে সকলে রমরমা ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে।

আরও জানা গেছে, সিসিএন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ও সাউথ এশিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিস্থিতি এতটা খারাপ যে, সম্প্রতি তাদের সকল কার্যক্রম বন্ধে শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে সুপারিশ করেছে ইউজিসি। সেই সুপারিশও এখন লাল ফিতায় বন্দি হয়ে গেছে। এ বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট শাখায় জানতে চাইলে তারা কোনো মন্তব্য করতে রাজি হয়নি।

বিষয়টির সত্যতা স্বীকার করে ইউজিসির চেয়ারম্যান অধ্যাপক আব্দুল মান্নান ‘জাগো নিউজ’কে বলেন, ‘অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ে ভালো মানের শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হচ্ছে না। আমরা তাদের বারবার সতর্ক করছি কিন্তু কোনো লাভ হচ্ছে না।’

‘নখ-দন্তহীন ইউজিসি হওয়ায় তাদের কাছে আমরা অসহায়’- উল্লেখ করে চেয়ারম্যান আরও বলেন, ‘যারা খুবই নিম্নমানের দিকে ধাবিত হচ্ছে তাদের সকল কার্যক্রম বন্ধে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে সুপারিশ পাঠিয়েছি। এছাড়া অভিযুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে নতুন বিভাগ খুলতে অনুৎসাহী করা হচ্ছে।’

আব্দুল মান্নান বলেন, ‘খুব বেশিদিন তাদের কার্যক্রম চালাতে দেয়া হবে না। এ কারণে অ্যাক্রিডিটেশন কাউন্সিল গঠনের প্রক্রিয়া চলছে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ১৭ হাজার সহকারী শিক্ষক নিয়োগ এ মাসেই

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এক মাসের মধ্যে প্রায় সাড়ে ১৭ হাজার সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পাচ্ছেন। পুল ও প্যানেলভুক্ত প্রার্থীদের মধ্য থেকে এ নিয়োগ দেয়া হচ্ছে।
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে এ ব্যাপারে জেলা শিক্ষা কর্মকর্তাদের (ডিপিইও) নির্দেশনা পাঠানো হয়েছে। এ নিয়োগের পরও সহকারী শিক্ষকের অন্তত ১৭ হাজার পদ শূন্য থাকবে। এছাড়াও প্রধান শিক্ষক পদ শূন্য রয়েছে ১৫ হাজারের বেশি।

সহকারী শিক্ষক নিয়োগে সরকারের এ সিদ্ধান্তে পুল-প্যানেলের এসব প্রার্থীর বিগত ৪ বছরের বেশি দিনের অপেক্ষার অবসান হতে যাচ্ছে। কিন্তু বিভিন্ন জেলা শিক্ষা অফিসে নিয়োগের বিনিময়ে মোটা অংকের অর্থ দাবির অভিযোগ উঠেছে।

এ কারণে নিয়োগ প্রত্যাশীদের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। অনেকেই ‘ঘুষ’ দেয়া থেকে বাঁচতে প্রভাবশালীদের কাছে ধরনা দিচ্ছেন। বেনামে মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরে (ডিপিই) অভিযোগও জমা পড়ছে।

এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব নজরুল ইসলাম খান  বলেন, পুল-প্যানেলের অবশিষ্ট প্রার্থীদের ৩০ মার্চের মধ্যে নিয়োগ দিতে নির্দেশনা পাঠানো হয়েছে। আদালতের রায়ের আলোকে এই কাজটি করলেও একে (রায়) শিক্ষকের শূন্যপদ পূরণের উপায় হিসেবে আমরা নিয়েছি।

তিনি আরও বলেন, এ নিয়োগের নামে যদি কেউ কোথাও অর্থ নেন বা দাবি করেন- প্রমাণ পেলে তার বিরুদ্ধে কঠোর বিভাগীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে। তিনি লিখিতভাবে প্রমাণ দেয়ার জন্য ভুক্তভোগীদের অনুরোধ জানান।

বর্তমানে ৬৫ হাজার নতুন-পুরাতন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রায় অর্ধ লাখ শিক্ষকের পদ খালি আছে। এর মধ্যে ১৬ হাজার প্রধান শিক্ষকের, বাকিরা সহকারী শিক্ষক। এর মধ্যে গত আগস্টে ৩৪তম বিসিএস থেকে ৮৯৮ জনকে প্রধান শিক্ষকের পদে নিয়োগের সুপারিশ করা হয়েছে। এখন সহকারী শিক্ষকের পদ পূরণের উদ্যোগ নেয়া হল।

ডিপিইওদের কাছে প্রাথমিক শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো চিঠিতে নিয়োগে পাঁচটি নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। এতে বলা হয়, রেজিস্টার্ড বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্যানেলভুক্ত অবশিষ্ট ৭ হাজার ২১৮ জন এবং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পুলভুক্ত ১০ হাজার ২৫৫ জনকে নিয়োগের জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হল।

এতে প্যানেলভুক্তদের বিদ্যালয়বিহীন এলাকায় স্থাপিত নতুন ও জাতীয়করণকৃত স্কুলে এবং পুলভুক্তদের সরকারি স্কুলে নিয়োগ করতে বলা হয়। নিয়োগের ক্ষেত্রে প্রার্থীর নিজ এলাকা ও উপজেলা অগ্রাধিকার দিতে হবে। শূন্য পদ না থাকলে পর্যায়ক্রমে পার্শ্ববর্তী উপজেলা, জেলা বা বিভাগে দিতে হবে। প্যানেলের মেয়াদ গত বছরের ৯ এপ্রিল শেষ হওয়ায় ২ বছর (মেয়াদ) বাড়ানো হয়।

হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা ছিদ্দিকুর রহমান যুগান্তরকে মোবাইল ফোনে জানান, পুল ও প্যানেলভুক্ত শিক্ষকদের নিয়োগের লক্ষ্যে জেলা শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে শূন্য পদের তালিকা চাওয়া হয়েছে। আমরা তা পাঠিয়ে দিয়েছি। জেলা থেকে এখন শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হবে।

রেজিস্টার্ড প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নিয়োগের লক্ষ্যে ২০১০ সালের ২১ এপ্রিল বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে সরকার। তখন আবেদনকারীদের পরীক্ষা নিয়ে ২০১২ সালের ৮ এপ্রিল ৪২ হাজার ৬১১ জনের মেধাতালিকা প্রকাশ করা হয়। তাদের মধ্যে তখন ১০ হাজার ৫১৪ জন নিয়োগ পান। বাকি ২৮ সহস াধিকের নিয়োগ ঝুলে ছিল। পরে প্রার্থীদের মামলার কারণে গতবছর কিছু নিয়োগ পান। বাকি ৭ হাজার ২১৮ জন নিয়োগ পাচ্ছেন এখন।

অপরদিকে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নিয়োগের লক্ষ্যে ২০১১ সালের ৪ আগস্ট বিজ্ঞপ্তি দিয়ে নেয়া পরীক্ষায় ২৭ হাজার ৭২০ জন উত্তীর্ণ হন। তাদের মধ্য থেকে তখন ১২ হাজার ৭০১ জনকে শূন্য পদে নিয়োগ দেয়া হয়। বাকি ১৫ হাজার ১৯ জনকে এক নীতিমালার আলোকে পুলভুক্ত করে রাখা হয়। কথা ছিল, পুলের শিক্ষকরা উপজেলায় সংযুক্ত থাকবেন।

যখন যে স্কুলে শিক্ষকের সংকট দেখা দেবে- সেখানে সাময়িকভাবে পদায়ন করা হবে। কিন্তু এক সময়ে এসব প্রার্থীর প্রত্যাশা বেড়ে যায়। ২০১৪ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর সরকার সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি দিলে পুলভুক্তরা মামলা করেন।

স্থায়ী নিয়োগ না দিয়ে বিজ্ঞপ্তি দেয়ায় এর (বিজ্ঞপ্তি) বৈধতা চ্যালেঞ্জ করা হয় এতে। এরপর আরও একাধিক মামলা হয়। এসব মামলার রায়ের আলোকেই এখন নিয়োগ পাচ্ছেন পুলভুক্তরা।

এ ব্যাপারে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের (ডিপিই) মহাপরিচালক ড. আবু হেনা মোস্তফা কামাল বলেন, স্কুলে শিক্ষকের অনেক শূন্যপদ আছে। এবার পুল-প্যানেলের কোনো প্রার্থী আর নিয়োগবঞ্চিত থাকবেন না।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

বিসিএস পরীক্ষা ইংরেজিতেও নেওয়ার পরিকল্পনা

বাংলাদেশ পাবলিক সার্ভিস কমিশন (পিএসসি) আগামী বছর থেকে বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (বিসিএস) পরীক্ষা বাংলা ভাষার পাশাপাশি ইংরেজিতে নেওয়ার পরিকল্পনা করেছে। চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ সাদিকের নেতৃত্বে পিএসসি’র ১৩ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল বিকেলে বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে কমিশনের এই পরিকল্পনার কথা তাকে জানান। এ সময় কমিশনের বার্ষিক প্রতিবেদন-২০১৬ রাষ্ট্রপতির কাছে পেশ করা হয়।

রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব জয়নাল আবেদীন বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন।

তিনি বলেন, পিএসসি ২০০৬ সালে ১২,৮৭৬ জন প্রার্থীকে (২ হাজার ১৭২ জনকে ক্যাডার পোস্টে এবং ১০ হাজার ৭০৪ জনকে নন ক্যাডার পোস্টে) পাবলিক সার্ভিসে নিয়োগ দিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে সুপারিশ করে। ২০০৯-২০১৬ সালে মোট ৪৬ হাজার ৮৭৮ জন প্রার্থীকে (২৬ হাজার ১৯৩ জনকে ক্যাডার পোস্টে এবং ২০ হাজার ৬৮৫ জনকে নন ক্যাডার পোস্টে) নিয়োগ দেয়ার সুপারিশ করে। তিনি আরো বলেন, কমিশনের তিনটি আইন বাংলায় অনুবাদ করতে ইতোমধ্যেই পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। সাদিক বলেন, কমিশনের আথির্ক স্বাধীনতার বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

সূত্র বাসস

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

বি‌সিএস প্রস্তু‌তি

১। একটি লালফুলকে সবুজ আলোয় কেমন দেখায় ?
ক , হলুদ খ. নীল গ. কালো ঘ. সাদা
২। ঢ – জধু উৎপাদনে কোন রশ্মি ব্যবহৃত হয় ?
ক . গামা রশ্মি খ . আপতিত রশ্মি গ. ক্যাথোড রশ্মি ঘ. কোনটিই নয়।
৩। তরল পদার্থের প্রসারণ বলতে কি রকম প্রসারণ বুঝায় ?
ক . আয়তন প্রসারণ খ. দৈর্ঘ্য ও ক্ষেত্র প্রসারণ গ. গ্রন্থের প্রসারণ ঘ. ক্ষেত্র প্রসারণ
৪। প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রধান উপাদান
ক . কার্বন খ. ঈস্ট গ. নিথেন ঘ. নিয়ন।
৫। শব্দের গতি কোন মাধ্যমে সবচেয়ে বেশি ?
ক . শূন্য মাধ্যমে খ. তরল মাধ্যমে গ. কঠিন মাধ্যমে ঘ. বায়বীয় মাধ্যমে।
৬। কাঁদুনে গ্যাসের অপর নাম কি?
ক . ক্লোরোপিকারিন খ . ফসজিন গ্যাস গ. নাইট্রোজেন গ্যাস ঘ. সিথেন
৭। সিস্টোলিক চাপ হলো –
ক . হৃদপি -ে র প্রসারণ খ. হৃদপি-ে র সংকোচন গ. উভয়ই ঘ. কোনটিই নয়।
৮। নাড়ীর স্পন্দন প্রবাহিত হয়
ক . শিরার ভেতর দিয়ে খ . স্নায়ুর ভেতর দিয়ে গ. ধমনীর ভেতর দিয়ে ঘ. ল্যাকটিয়ারের ভেতর দিয়ে।
৯। সুষম খাদ্যে আমিষ , শর্করা ও চর্বি জাতীয় খাদ্যের অনুপাত কিরূপ?
ক . ৪ঃ ১ঃ খ. ১ঃ ৪ঃ ১। গ. ৩ঃ ২ঃ ১ ঘ. ২ঃ ৩ঃ ১
১০। কাঁচ তৈরির প্রধান কাঁচামাল হলো –
ক . জিপসাম খ . বালি
গ. সাজিমাটি ঘ. চুনাপাথরে
১১। আবহাওয়া সম্পর্কিত বিজ্ঞান
ক . মেটালার্জি খ . মোটিওরোলজি গ. অ্যাস্ট্রলোপি ঘ. মিনাব্যালজি।
১২। কোনটি বহুরূপী মৌল?
ক . কার্বন খ . সিলিকন গ. হাইড্রোজেন ঘ. ক ও খ উভয়ই।
১৩। মানুষের মস্তিষ্কে শব্দের স্থায়িত্বকাল কত ?
ক . ১ সেকেন্ড খ . ০ .১ সেকেন্ড গ. ১০ সেকেন্ড ঘ. ০. ০১ সেকেন্ড।
১৪। ওয়াট কিসের একক ?
ক . রোধের খ. ওহমের গ. শক্তির ঘ, কাজের।
১৫। নিচের কোনটি নাইট্রোজেনঘটিত বর্জ্য পদার্থ ?
ক . ইউরিয়া খ . মল গ. মূল ঘ. ঘর্ম
১৬। রাস্তা ও ছাদের আস্তরণ হিসেবে ব্যবহৃত পিচ কোনটি থেকে তৈরি হয় ?
ক . বিটুমিনাস কয়লা খ. পেট্টোলিয়ামের অবশেষ গ. এ্যামোনিয়ার কালো লিকার ঘ. খনিতে পাওয়া বিটুমিন।
১৭। কোন উদ্ভিদের কা – রূপান্তরিত হয়ে পাতার কাজ করে?
ক . আদা খ , ফার্ন গ. ফবিমনসা ঘ. পাথরকুচি
১৮। ধানের বাদামী রোগ হয়
ক . ছত্রাক দ্বারা খ . ভাইরাস দ্বারা গ. ব্যাকটিরিয়া দ্বারা ঘ. কোনটিই নয়।
১৯। বিষাক্ত নিকোটিন থাকে –
ক . চায়ে খ, কফিতে গ. গাঁজায় ঘ. তামাকে।
উত্তরঃ
১। গ ২। গ ৩। ক ৪। গ। ৫। গ ৬। ক ৭। খ ৮। গ ৯। খ ১০। খ ১১। খ ১২। ঘ ১৩। খ ১৪। গ ১৫। ক ১৬। ঘ ১৭। গ ১৮। ক ১৯। ঘ

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

প্রধানমন্ত্রীর বইয়ে ব্যাপক সাড়া, দ্বিতীয় সংস্করণ প্রকাশ

ডেস্ক:
এবারের অমর একুশের গ্রন্থমেলায় প্রকাশিত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ‘নির্বাচিত প্রবন্ধ’ বইটি পাঠকদের মাঝে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। ইতোমধ্যে বইটির প্রথম মুদ্রণের সব কপি বিক্রি হয়ে গেছে। বুধবার মেলায় বইটির দ্বিতীয় সংস্করণ প্রকাশিত হয়েছে।
প্রকাশনা সংস্থা আগামী প্রকাশনী এটি প্রকাশ করেছে। সংস্থাটির সত্ত্বাধিকারী ওসমান গণি বাসসকে জানান, মেলার প্রথম দিনেই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বইটি প্রকাশ পায়। শুরু থেকেই বইটির বিক্রি ছিল লক্ষণীয়। একুশের ফেব্রুয়ারি দুপুরের মধ্যেই বইটির প্রথম সংস্করণ বিক্রি শেষ হয়ে যায়। ফলে  মেলায় আমরা দ্বিতীয় সংস্করণ প্রকাশ করেছি।
বইটিতে প্রধানমন্ত্রীর বিভিন্ন সময়ে লেখা মোট তেরটি প্রবন্ধ রয়েছে। এর ভূমিকা লিখেছেন ইমেরিটাস প্রফেসর ড. রফিকুল ইসলাম। তিনি বলেন, প্রবন্ধগুলোতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিভিন্ন সময়ে লেখা এ সব প্রবন্ধে এ দেশের মানুষের জীবন, তাদের আকাঙ্ক্ষা, প্রধানমন্ত্রীর আন্দোলন-সংগ্রাম, তার বিচক্ষণ রাজনীতি ও দেশের উন্নয়নে তার নানা কাজের বিপুল সমাহার ঘটেছে।
বইটির প্রচ্ছদ করেছেন আনওয়ার ফারুক। এর মূল্য রাখা হচ্ছে ৩৫০ টাকা।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

জাতীয়করণের দাবিতে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ক্লাস বর্জন ২৩ মার্চ

নিজস্ব প্রতিবেদক :
দেশের স্বীকৃতিপ্রাপ্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও কর্মচারীদের এমপিওভুক্তি ও শিক্ষা ব্যবস্থা জাতীয়করণের দাবিতে আগামী ২৩ মার্চ সব বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ক্লাস বর্জনের ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি। গতকাল বুধবার জাতীয় প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের নেতারা এ ঘোষণা দেন।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে সমিতির সভাপতি অধ্যক্ষ এমএম আউয়াল সিদ্দিকী বলেন, দাবি আদায়ের লক্ষ্যে আগামী ২৩ মার্চ সব বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রথম পিরিয়ডের ক্লাস বর্জন, ১ ও ৯ মার্চ এমপিদের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপি পেশ, ১৬ মার্চ সারাদেশের জেলা সদরে মানববন্ধন পালনের পাশাপাশি প্রধান সড়কগুলোতে বিক্ষোভ মিছিল পালন করা হবে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

শর্ত পূরণে ব্যর্থ হলে ভর্তি বন্ধ-আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ: শিক্ষামন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক: যে সব বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় নূন্যতম শর্ত পূরণ করতে পারেনি সেসব বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী ভর্তি বন্ধ ও তাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ।

বধুবার (২২ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১২টার দিকে আশুলিয়ার ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ৬ষ্ঠ সমাবর্তন অনুষ্ঠানের ইউনিভার্সিটি চ্যান্সেলর রাষ্ট্রপতি মো. আব্দুল হামিদের প্রতিনিধি হিসেবে সভাপতিত্বকালে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, বর্তমানে বেসরকারি ৯৫টি বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে তাদের মধ্যে অনেক বিশ্ববিদ্যালয় নিজস্ব ক্যাম্পাসে যেতে পারেনি। যারা মুনাফার লক্ষ্য নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় চালাতে চায় কিন্তু শিক্ষার্থীদের সুযোগ সুবিধা ও নির্ধারিত শর্ত পূরণ করতে ব্যর্থ হয়েছে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। তারা বেশিদিন এভাবে চালাতে পারবে না।  সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে কোন পার্থক্য থাকবে না। সব শিক্ষার্থীদের জন্যই মানসম্মত শিক্ষা ও সুযোগ সুবিধা নিশ্চিত করতে চাই।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

এমপিওভুক্তি ও জাতীয়করণের দাবীতে ২৩মার্চ ক্লাস বর্জন

নিজস্ব প্রতিবেদক: দেশের স্বীকৃতিপ্রাপ্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ননএমপিও শিক্ষক ও কর্মচারীদের এমপিওভুক্তি ও শিক্ষা ব্যবস্থা জাতীয়করণের দাবীতে আগামী ২৩ মার্চ সকল বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ১ম পিরিয়ড ক্লাস বর্জনের ডাক দিয়েছে বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি।

বুধবার (২২ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ কর্মসূচির ঘোষণা করেন সমিতির নেতৃবৃন্দ।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যক্ষ এম এম আউয়াল সিদ্দিকী। লিখিত বক্তব্যে তিনি শিক্ষা ব্যবস্থা একযোগে জাতীয়করণ ও ননএমপিও শিক্ষকদের এমপিওভুক্তিসহ বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীদের বার্ষিক ৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধি, পেনশন, উৎসব ভাতা, মেডিকেল ভাতা বৈশাখী উৎসব ভাতা পূর্বের ন্যায় টাইম স্কেল প্রাপ্তির পর  বিএড ডিগ্রিধারী শিক্ষকদের উচ্চতর বেতন স্কেল প্রদান এবং অবসর কল্যাণ ট্রাস্টের ফান্ডের ঘাটতি পূরণের লক্ষ্যে প্রতি বছর জাতীয় বাজেটে অর্থ বরাদ্ধ করে শিক্ষকদের অবসরের তিন মাসের মধ্যে শিক্ষকরা যেন তাদের প্রাপ্য আর্থিক সুবিধা পান তার দাবী জানান।

লিখিত বক্তব্যে অধ্যক্ষ এম এ আউয়াল শিক্ষকদের এ ন্যায্য দাবীসমূহ আদায়ের লক্ষ্যে আগামী ২৩ মার্চ সকল বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ১ম পিরিয়ডের ক্লাস বর্জনসহ, ১লা ও ৯ই মার্চ জাতীয় সংসদ সদস্যদের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর নিকট স্মারকলিপি পেশ, ১৬ই মার্চ সারাদেশের জেলা সদরে সকাল এগারোটায় ১ঘন্টা মানববন্ধন পালনের পাশাপাশি প্রধান প্রধান সড়কগুলোতে বিক্ষোভ মিছিল পলনের কর্মসূচি ঘোষণা করেন।

এসময় সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক বিলকিস জামান, সহ-সভাপতি অধ্যক্ষ সমরেন্দ্র নাথ রায় সমর, মো. আব্দুল খালেক, সামছুল হুদা প্রামাণিক, মো. আব্দুল মজিদ. হাসিনা পারভিন, বাবু সুনীল চন্দ্র পাল, আলহাজ্ব মো. ছফি উল্যা খান, মো. শাহাদুল হক, শাহনেয়াজ চন্দন, মো. শাহে আলম, মো. জহির উদ্দিন বাবর অধ্যক্ষ ফজলুল হক খান, অধ্যক্ষ বিপ্লব কুমার সেন, মো. শফিকুল আলম, মো. আব্দুল হামিদ, বেগম তাজকিরা, এস এম শহিদুল ইসলাম তালুকদার, একে এম বজলুর রশিদ, মামুন অর রশিদ, মো. সাহিদুল ইসলাম, মো. মোস্তাফা কামাল খোসনবিশ, শাহীন আরা ইয়াসমীন, মো. শহিদুল ইসলাম তালুকদার প্রমুখ।

বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি এ সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা অবিসংবাদিত শিক্ষক নেতা প্রয়াত অধ্যক্ষ মুহম্মদ কামরুজ্জামান।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

অধিভুক্ত হওয়ায় মানেই বিশ্ববিদ্যালের শিক্ষ্যার্থী নয়

অধিভুক্ত হওয়ায় মানেই বিশ্ববিদ্যালের শিক্ষ্যার্থী নয় বলে জানালেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ঢাবি ভিসি প্রফেসর ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক। কলেজের ভর্তি পরীক্ষা, শিক্ষা কার্যক্রম, একাডেমিক পরীক্ষা, ফলাফল প্রণয়ন এবং সিলেবাস প্রণয়ন সবকিছুই থাকবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধিভুক্ত কলেজগুলো হলো: ঢাকা কলেজ, ইডেন মহিলা কলেজ, সরকারি শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ, কবি নজরুল কলেজ, বেগম বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা কলেজ, মিরপুর সরকারি বাঙলা কলেজ ও সরকারি তিতুমীর কলেজ। পর্যায়ক্রমে আরো কলেজ অধিভুক্ত করা হবে।

এসব কলেজের শিক্ষার্থীরা সনদও পাবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের। তবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব শিক্ষার্থী এবং অধিভুক্ত কলেজ সমুহের শিক্ষার্থীদের সনদে পার্থক্য থাকবে।

অধিভুক্ত হওয়ায় মানেই বিশ্ববিদ্যালের শিক্ষ্যার্থী নয় বলে জানালেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ঢাবি ভিসি প্রফেসর ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক। কলেজের ভর্তি পরীক্ষা, শিক্ষা কার্যক্রম, একাডেমিক পরীক্ষা, ফলাফল প্রণয়ন এবং সিলেবাস প্রণয়ন সবকিছুই থাকবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধিভুক্ত কলেজগুলো হলো: ঢাকা কলেজ, ইডেন মহিলা কলেজ, সরকারি শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ, কবি নজরুল কলেজ, বেগম বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা কলেজ, মিরপুর সরকারি বাঙলা কলেজ ও সরকারি তিতুমীর কলেজ। পর্যায়ক্রমে আরো কলেজ অধিভুক্ত করা হবে।

এসব কলেজের শিক্ষার্থীরা সনদও পাবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের। তবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব শিক্ষার্থী এবং অধিভুক্ত কলেজ সমুহের শিক্ষার্থীদের সনদে পার্থক্য থাকবে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

Responsive WordPress Theme Freetheme wordpress magazine responsive freetheme wordpress news responsive freeWORDPRESS PLUGIN PREMIUM FREEDownload theme free