Author Archives: chief editor

শনিবার থেকে অনশনে যাবেন বেসরকারি শিক্ষকরা

তরিকুল ইসলাম সুমন : বেসরকারি মাধ্যমিক শিক্ষা জাতীয়কণের দাবিতে শিক্ষক লিয়াঁজো ফোরাম প্রেসক্লাবের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করছে। আগামী শনিবার থেকে তারা আমরণ অনশন শুরু করবেন বলে জানিয়েছেন আন্দোলন লিয়াঁজো ফোরামের আহ্বায়ক মো. আব্দুল খালেক। আব্দুল খালেক বলেন, ১২ জানুয়ারির মধ্যে জাতীয়করণের দাবি আদায় না হলে ১৩ জানুয়ারি থেকে তারা আমরণ অনশন কর্মসূচি পালন শুরু করবেন।

আব্দুল খালেক আরও জানান, সারা দেশে ২৭ হাজারের মতো মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে সাড়ে ৪ লাখ শিক্ষক কর্মরত। জাতীয়করণের আওতায় না থাকায় তারা সুযোগ সুবিধা বঞ্চিত। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত এ আন্দোলন চলবে। এদিকে স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদরাসা শিক্ষকরদের ৪ দিনের চলমান অনশনে এ পর্যন্ত ৭৪ জন অসুস্থ হয়েছেন। এদের মধ্যে ৩ জন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন বলে জানিয়েছেন মাদরাসা শিক্ষক সমিতির সভাপতি ক্বারী রুহুল আমিন চৌধুরী। রুহুল আমিন চৌধুরী আরো বলেন, আমাদের কাছে এখনো সরকারিকরণ সংক্রান্ত কোনো সংবাদ আসেনি। সরকারি কোনো কর্মকর্তাও আনেনি। তবে কোনো আশ্বাস না আসা পর্যন্ত এ আমরণ অনশন চলবে।

Facebooktwitterredditpinterestlinkedinmail

প্রাক-প্রাথমিকে ১০ হাজার শিক্ষক নিয়োগ কার্যক্রম শুরু

ডেস্ক: সারাদেশে সরকারি প্রাক-প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ১০ হাজার সহকারী শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হবে। ইতোমধ্যে নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। শিক্ষক সংকট নিরসনে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। আগামী তিন মাসের মধ্যে এ প্রক্রিয়া শেষ হবে বলে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর (ডিপিই) সূত্রে জানা গেছে।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর সূত্র জানায়, পুল ও প্যানেলভুক্ত শিক্ষকদের মামলা জটিলতায় গত তিন বছরের বেশি সময় ধরে সরকারি প্রাথমিক স্কুলে শিক্ষক নিয়োগ স্থগিত ছিল। এ ক্যাটাগরির শিক্ষকদের নিয়োগ জটিলতা নিরসন না হওয়া পর্যন্ত নতুন করে শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া বন্ধ রাখতে আদালত থেকে নির্দেশনা দেয়া হয়। ফলে ২০১৪ সালের ৯ ডিসেম্বর ১০ হাজার শিক্ষক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হলেও সে কার্যক্রম স্থবির হয়ে পরে।

জানা গেছে, বর্তমানে পুল-প্যানেল শিক্ষকদের নিয়োগ কার্যক্রম শেষ হওয়ায় নতুনভাবে সহকারী শিক্ষক নিয়োগের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। নিয়োগ সংক্রান্ত বিষয়ে চলতি সপ্তাহের শুরুতে ডিপিইতে সভা হয়েছে। সে সভায় ২০১৪ সালের নিয়োগ কার্যক্রম পুনরায় শুরু করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

এছাড়াও এ নিয়োগ কার্যক্রম শেষে সহকারী শিক্ষক পদে শূন্য আসনে নতুন করে নিয়োগ দেয়ারও সিদ্ধান্ত হয়। নিয়োগ কার্যক্রম শেষ করতে ডিপিইর নিয়োগ কমিটিকে নিদের্শনা দেয়া হয়েছে। কমিটির সদস্যরা এ সংক্রান্ত কার্যক্রম শুরু করেছে। ফেব্রুয়ারি থেকে নিয়োগ পরীক্ষার প্রবেশপত্র বিতরণ কাজ শুরু করা হবে বলে ডিপিই’র নিয়োগ শাখা থেকে নিশ্চিত করা হয়েছে।

এ নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ২০১৪ সালের ৯ ডিসেম্বর থেকে আবেদন শুরু হয়ে ২০১৫ সালের ১২ জানুয়ারি পর্যন্ত চলে আবেদন প্রক্রিয়া, সেখানে ১০ হাজার আসনে প্রায় ১২ লাখ আবেদন জমা পড়ে। পরে মামলা জটিলতায় এ নিয়োগ প্রক্রিয়া স্থগিত হয়ে যায়। এরপর পুল ও প্যানেলের সকল শিক্ষককে নিয়োগ দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয় প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। এ লক্ষ্যে গত ৩০ মার্চের মধ্যে এসব শিক্ষকের নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ করার নির্দেশ দিয়েছে মন্ত্রণালয়। এ নির্দেশনার ভিত্তিতে দেশের সব জেলা থেকে শূন্য আসনের তালিকা সংগ্রহ করে নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করে প্রাথমিক ও শিক্ষা অধিদফতর।

জানা গেছে, সারাদেশে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক পদে প্রায় ৩০ হাজারের বেশি শূন্য রয়েছে। তার মধ্যে ১৭ হাজার পুল ও প্যানেল শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হয়েছে।

নিয়োগ সংক্রান্ত বিষয়ে ডিপিই’র অতিরিক্ত মহাপরিচালক মো. রমজান আলী বলেন, ২০১০ সালের স্থাগিত সহকারী শিক্ষক নিয়োগ কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। আগামী তিন মাসের মধ্যে এ কার্যক্রম শেষ করা হবে। চলতি সপ্তাহে সভা করে এমন সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। শিক্ষক সংকট দূরীকরণে আমরা এ সিদ্ধান্ত নিয়েছি।

তিনি আরো বলেন, আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী আমরা পুল-প্যানেল শিক্ষকদের নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ করেছি। বয়স উত্তীর্ণ হওয়ায় সাতজন শিক্ষককে নিয়োগ দেয়া সম্ভব হয়নি। বিষয়টি আমরা লিখিভাবে আদালতকে জানিয়েছি। ফলে এখন নতুন করে শিক্ষক নিয়োগে আর কোনো জটিলতা নেই।

তিনি বলেন, সারাদেশের প্রাথমিক স্কুলগুলোতে সহকারী শিক্ষক সংকট রয়েছে। এ কারণে স্থগিত নিয়োগ কার্যক্রম শেষে শূন্য আসনগুলোতে নতুন করে নিয়োগ কার্যক্রম শুরু করা হবে।

Facebooktwitterredditpinterestlinkedinmail

সন্তানকে স্কুলে পাঠাতে পাহাড় কেটে রাস্তা তৈরি করলেন বাবা!

বাবা এমনই একজন মানুষ, যে শুধু নিঃস্বার্থভাবে সন্তানদের দিয়েই যান। বিনিময়ে সন্তানদের কাছ থেকে কিছু পাওয়ার আশা করেন না। সন্তানের জন্য সর্বদা মঙ্গল কামনা করেন। এমনি একজন বাবা জলন্ধর নায়েক। ওই বাবার বাড়ি ভারতের ওড়িশায়।

জলন্ধর পেশায় সবজি বিক্রেতা। অক্ষর তার কাছে কালো কয়েকটি রেখা মাত্র। পড়াশোনা করার কোন সুযোগ তার জীবনে হয়ে উঠেনি। তাই প্রথম থেকেই ইচ্ছে ছিল ছেলেকে পড়াশোনা করাবেন। যতদূর সে পড়তে চায় ততদূর পড়াবেন। কিন্তু গ্রামে তো স্কুল নেই। একটা কাঁচা রাস্তাও পর্যন্ত নেই। শিক্ষার আলো পৌঁছানো তো দূরের কথা দুবেলা অন্ন জুটাতেই হিমশিম খায় সেখানকার বাসিন্দারা।

চিন্তায় কপালে ভাঁজ পড়ে যায় বাবা জলন্ধরের। ছেলে পড়বে কোথায়? অনেক ভেবে উপায় বের করেন জলন্ধর। গ্রামের পাথুরে পাহাড় কেটে রাস্তা তৈরির পণ নেন তিনি। যেই ভাবা অমনি কাজ। গত ২ বছর ধরে প্রতিদিন ৮ ঘণ্টা ধরে পাথর কেটে ১৫ কিলোমিটার রাস্তা তৈরির কাজ করেছেন তিনি। প্রতিদিন সকাল হলেই ছেনি হাতুড়ি নিয়ে চলে যেতেন পাথুরে পাহাড়ের কাছে। রোদ, বৃষ্টি, শীত কোনও কিছুর পরোয়া করেননি। অদম্য জেদে তার গ্রাম থেকে নিকটবর্তী শহর ফুলবনি পর্যন্ত রাস্তা তৈরি করে ফেলেছেন তিনি।

জলন্ধরের এই কৃতিত্বের কথা স্থানীয় একটি সংবাদপত্রে পড়েন জেলার কালেক্টর। তার পড়েই টনক নড়ে স্থানীয় প্রশাসনের। তড়িঘড়ি করে জলন্ধরকে নিজের দফতরে ডেকে নিয়ে সম্মান জানান। সেই সাথে নির্দেশ দেন সেখানকার রাস্তাটি যাতে ভালো করে নির্মাণ করা হয় তার ব্যবস্থা করতে। সেই সাথে ঘোষণা করা হয় কন্ধমাল উৎসবে বিশেষ সম্মান দেওয়া হবে জলন্ধরকে।

Facebooktwitterredditpinterestlinkedinmail

এসএসসি পরীক্ষার ৩ দিন আগে কোচিং বন্ধ

নিজস্ব প্রতিবেদক,৯ জানুয়ারী : আসন্ন এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরুর তিন দিন আগে থেকে শুরু করে সকল পরীক্ষা শেষ হওয়া পর্যন্ত দেশে সব ধরনের কোচিং সেন্টার বন্ধ থাকার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। সোমবার সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে জাতীয় মনিটরিং কমিটির সভায় এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।

সভায় সিদ্ধান্ত নেয়া হয় যে, আসন্ন এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় পরীক্ষার্থীদেরকে পরীক্ষা শুরুর আধা ঘন্টা আগে অবশ্যই পরীক্ষার হলে প্রবেশ করে স্ব স্ব আসনে বসতে হবে। এক্ষেত্রে কোন ধরনের অজুহাত গ্রহণযোগ্য হবে না এবং এর অন্যথা পরীক্ষার্থীকে পরীক্ষায় অংশগ্রহন করতে দেয়া হবে না। কোন পরীক্ষার্থীর হাতে কোন মোবাইল ফোন পাওয়া গেলে তাকে তৎক্ষনাৎ বহিস্কার করা হবে। নকলমুক্ত পরিবেশে পরীক্ষা অনুষ্ঠানের জন্য এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

সভায় জানানো হয়, পরীক্ষাকেন্দ্রে কেউ স্মার্ট ফোন ব্যবহার করতে পারবে না। শুধুমাত্র কেন্দ্র সচিব একটি সাধারণ ফোন ব্যবহার করতে পারবেন।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আসন্ন এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা সম্পূর্ণ নকলমুক্ত পরিবেশে অনুষ্ঠানের জন্য সব ধরনের ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। এ ব্যাপারে কোন ছাড় দেয়া হবে না। সরকারের সংশ্লিষ্ট সকল সংস্থা নকল প্রতিরোধে আক্রমনাত্মক থাকবে। কোন শিক্ষক-কর্মকর্তা এর সাথে জড়িত হলে তাকে সাথে সাথে বহিস্কারসহ শাস্তিমুলক ব্যবস্থা নেয়া হবে।

সভায় মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. সোহরাব হোসাইন, কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. আলমগীর, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক প্রফেসর মো. মাহাবুবুর রহমান, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব চৌধুরী মুফাদ আহমদ, কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব অশোক কুমার বিশ্বাস প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

Facebooktwitterredditpinterestlinkedinmail

প্রথমবার নাটকে মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ চ্যাম্পিয়ন জেসিয়া

বিনোদন ডেস্ক: মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ-২০১৭ প্রতিযোগিতার বিজয়ী জেসিয়া ইসলাম। চীনে মিস ওয়ার্ল্ডের বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের পতাকা হাতে নেতৃত্ব দিয়েছেন তিনি। অনেকটা আশা জাগিয়ে বাদ পড়লেও দেশের মানুষের বাহবা পেয়েছেন তিনি। দেশে ফিরে মন দিয়েছিলেন পড়াশোনায়। বলেছিলেন, সুযোগ হলে কাজ করবেন সিনেমায়।

তবে এবার সিনেমায় নয়, অভিনয়ে জেসিয়ার অভিষেক হলো ধারাবাহিক নাটকে। ‘ব্যাচেলর ডটকম’ নাটকটির মধ্য দিয়ে প্রথমবারের মতো অভিনয় করতে যাচ্ছেন এই তরুণী। নাটকটির নির্মাতা ইফতেখার শুভ।

ব্যাচেলর ডটকমে যুক্ত হওয়া প্রসঙ্গে জেসিয়া ইসলাম বলেন, ‘এ নাটকের গল্প বেশ মজার। তাই রাজি হয়েছি। এখানে আমার প্রবেশ ঘটবে নতুন ব্যাচেলর হিসেবে। প্রথমবারের মতো অভিনয় করতে যাচ্ছি এ নিয়ে অনেক এক্সাইটেড আমি। আপাতত পড়াশোনা নিয়ে ব্যস্ততা যাচ্ছে। এ মাসের শেষের দিকে নাটকটির শুটিংয়ে অংশ নেব।’

ভালো গল্প ও পছন্দের চরিত্র হলে নিয়মিত নাটকে কাজ করবেন বলে জানালেম জেসিয়া। এদিকে বেশ কিছু সিনেমায় অভিনয়ের প্রস্তাব পেয়েছেন তিনি। চলছে যাছাই-বাছাই।

প্রসঙ্গত, ইফতেখার শুভ পরিচালিত ধারাবাহিক ব্যাচেলর ডটকমের বিভিন্ন চরিত্রে আরও রয়েছেন ছোটপর্দার এক ঝাঁক তারকা। তাদের মধ্যে তৌসিফ মাহবুব, নিলয়, জোভান, সিদ্দিক, নাদিয়া আফরিন মীম, নাদিয়া নদী, বাঁধন, আইরিন আফরোজ, তুলনা আল হারুন, তানিয়া বৃষ্টি, ফারজানা রিক্তা, ফারুখ আহমেদ, আহমেদ রুবেল, বরদা মিঠু ও কাজী উজ্জ্বল উল্লেখযোগ্য। নাটকটি প্রতি সপ্তাহের শনি থেকে সোমবার রাত ৮টা ৩০ মিনিটে একুশে টিভিতে প্রচারিত হচ্ছে।

Facebooktwitterredditpinterestlinkedinmail

৫ ব্যাংকের নিয়োগ পরীক্ষা ১২ জানুয়ারি

ডেস্ক: স্থগিত হওয়া রাষ্ট্রায়ত্ত তিন ব্যাংকের পরীক্ষা বাদে অন্য পাঁচ ব্যাংকের নিয়োগ পরীক্ষা আগামী ১২ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে।

মঙ্গলবার সকালে বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকার্স সিলেকশন কমিটির সদস্য সচিব ও বাংলাদেশ ব্যাংকের মহাব্যবস্থাপক মোশাররফ হোসেন খান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, যথাসময়েই পরীক্ষা হবে। এ নিয়ে বিভ্রান্তির কোনো সুযোগ নেই। এ সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি আজকের মধ্যেই বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইটে পাওয়া যাবে।

মোশাররফ হোসেন বলেন, আদালতের নিষেধাজ্ঞার কারণে সোনালী ব্যাংক লিমিটেডে ৫২৭টি, জনতা ব্যাংক লিমিটেডে ১৬১, রূপালী ব্যাংক লিমিটেডে ২৮৩টিসহ ৯৭১টি পদের নিয়োগ স্থগিত থাকবে।

তবে বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক লিমিটেডে ৩৯টি, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে ৩৫১, রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংকে ২৩১, বাংলাদেশ হাউস বিল্ডিং ফাইন্যান্স করপোরেশনে ১টি ও ইনভেস্টমেন্ট কর্পোরেশন অব বাংলাদেশে (আইসিবি) ৭০টি পদসহ ৬৯২ পদের নিয়োগ পরীক্ষা হবে বলে জানান তিনি।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এই মহাব্যবস্থাপক বলেন, আমরা আইনজীবীর সঙ্গে কথা বলছি। যাতে জটিলতা এড়িয়ে আরও নিয়োগ দেয়া যায়, সেই চেষ্টা করছি।

গত রোববার রাষ্ট্রায়ত্ত সোনালী, জনতা ও রূপালী ব্যাংকে জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা, কর্মকর্তা, কর্মকর্তা (ক্যাশ)-সহ বিভিন্ন পদে নিয়োগ পরীক্ষাসহ যাবতীয় কার্যক্রম গ্রহণ না করতে নির্দেশ দেন হাইকোর্ট।

Facebooktwitterredditpinterestlinkedinmail

আধুনিক মেডিকেল কলেজের ভর্তি প্রক্রিয়া নিয়ে রুল

ডেস্ক: রাজধানীর উত্তরা আধুনিক মেডিকেল কলেজের ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষে সাধারণ কোটায় ভর্তিকৃত ৫৭ শিক্ষার্থীর একাডেমিক কার্যক্রমে ৩০ দিনের নিষেধাজ্ঞা জারি করেছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে ‘আগে আসলে আগে ভর্তির সুযোগ’ ভর্তি প্রক্রিয়া কেন অবৈধ হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন আদালত।

মঙ্গলবার এক রিট আবেদনের শুনানি নিয়ে বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরী ও বিচারপতি জে বি এম হাসানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন। আগামী ১০ দিনের মধ্যে স্বাস্থ্য সচিব, স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক ও উত্তরা আধুনিক মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষকে বিশেষ বার্তা বাহকের মাধ্যমে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

Facebooktwitterredditpinterestlinkedinmail

সাড়ে ৩ কোটি মোবাইল ব্যাংকিং হিসাব বন্ধ

অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ দ্রুততম সময়ে এক স্থান হতে অন্য স্থানে টাকা পাঠানোর অন্যতম জনপ্রিয় মাধ্যম মোবাইল ব্যাংকিং। বর্তমানে এ সেবা ব্যবহার করেই মানুষ তাদের পরিবার পরিজন ও নিকটাত্মীয়ের কাছে বেশি টাকা পাঠাচ্ছেন। সর্বশেষ হিসাব মতে, দেশে মোবাইল ফিনান্সিয়াল সার্ভিসের গ্রাহক সংখ্যা ছাড়িয়েছে ৫ কোটি ৮৫ লাখ। এরমধ্যে ৩ কোটি ৫৪ লাখ ৩৫ হাজার হিসাবই বন্ধ রয়েছে। বাকি ২ কোটি ৩১ লাখ সক্রিয় হিসাব দিয়ে নবেম্বর মাসে গড়ে লেনদেন হয়েছে ৯১৯ কোটি টাকা। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, হিসাব খেলা ও পরিচালনায় কড়াকড়ি আরোপের ফলে সক্রিয় হিসাবের সংখ্যা কমেছে।

জানা গেছে, নিয়ম অনুযায়ী, কোনো অ্যাকাউন্ট থেকে টানা তিন মাস কোনো ধরনের লেনদেন না হলে তা ইন-অ্যাকটিভ বা নিষ্ক্রিয় অ্যাকাউন্ট হিসেবে বিবেচিত হয়। আর তিন মাসের মধ্যে একটি লেনদেন হলেই তা সক্রিয় হিসেবে বিবেচিত। অবশ্য বড় কোনো অনিয়ম না পাওয়া গেলে অ্যাকাউন্ট বন্ধ করে না ব্যাংক। কিন্তু সম্প্রতি মোবাইল ব্যাংকিং সেবায় অপব্যবহার ঠেকাতে বেশকিছু নির্দেশনা দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এতে হিসাব খেfলা ও পরিচালনা এবং লেনদেনে আরও বেশি কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে।

নির্দেশনায় বলা হয়, এখন একজন ব্যক্তি একটি সিম দিয়ে যেকোনো মোবাইল ব্যাংকিং সেবায় একটি মাত্র হিসাব চালু রাখতে পারবেন। ওই নির্দেশনার পর যাদের একাধিক হিসাব ছিল তা বন্ধ করা হয়। চলমান রয়েছে, তা দ্রুত বন্ধ করার নির্দেশনা দেয়া হয়। এই অবস্থায় নবেম্বর মাস শেষে সক্রিয় হিসাবের সংখ্যা ১৭ দশমিক ৩৫ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ২ কোটি ৩১ লাখ ৩১ হাজার। আর বন্ধ হিসাবের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩ কোটি ৫৪ লাখ ৩৫ হাজার। এরমধ্যে সবচেয়ে বেশি সংখ্যক বন্ধ হিসাবের সংখ্যা মোবাইল ব্যাংকি প্রতিষ্ঠান বিকাশের।

Facebooktwitterredditpinterestlinkedinmail

জীবননগর হাবিবপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক তাপস ও শিক্ষিকা শিউলীর প্রেম কাহিনী

জীবননগর ব্যুরো: জীবননগর উপজেলার বহুল আলোচিত হাবিবপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক তাপস কুমার পাল ও সহকারী শিক্ষিকা শিউলীর মধ্যে অনৈতিক কার্যকলাপের অভিযোগের ভিত্তিতে ওই দুজনের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ ও অপসারণের দাবিতে আন্দোলনরত এলাকাবাসী গত সোমবার স্কুলের সামনে ঝাড়ু মিছিল করেছে। অভিযুক্ত শিক্ষকদ্বয় বিদ্যালয়ে আসছেন এমন খবরের ভিত্তিতে এলাকাবাসী এ ঝাড়– মিছিল করে বলে জানা গেছে।
প্রধান শিক্ষক তাপস কুমার পাল ও সহকারী শিক্ষিকা শিউলী খাতুনের মধ্যে অনৈতিক সম্পর্কের অভিযোগ এনে এলাকাবাসী তাদেরকে বিদ্যালয় থেকে অপসারণের দাবিতে আন্দোলনে নামে। স্কুলের শিক্ষার্থীরাও তাদের সাথে যোগ দিয়ে মানববন্ধন ও ক্লাস বর্জন করে। তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হয় সংশ্লিষ্ট দফতরে। অভিযোগের প্রেক্ষিতে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস কর্তৃক তদন্তের পরিপ্রেক্ষিতে তাদের দুজনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। প্রধান শিক্ষক তাপস কুমার পাল দীর্ঘদিন স্কুলে না গেলেও সহকারী শিক্ষীকা শিউলী খাতুন গত ২১ ডিসেম্বর স্কুলে যোগদান করেন। তারপর আর তিনি স্কুলে যায়নি। এ অবস্থায় এলাকাবাসী সংবাদ পায় গতকাল সোমবার প্রধান শিক্ষক তাপস ও সহকারী শিক্ষিকা শিউলী স্কুলে আসছেন। সংবাদ শুনে তাদেরকে প্রতিহত করতে স্কুলের শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও ম্যানেজিং কমিটির সদস্যগণ লাঠি ও ঝাড়ু নিয়ে মিছিল করেন এবং সড়কের ওপর অবস্থান গ্রহণ করেন বলে এলাকাসূত্রে জানা গেছে।

Facebooktwitterredditpinterestlinkedinmail

এসএসসি পরীক্ষার তিন দিন আগে থেকে কোচিং সেন্টার বন্ধ থাকবে

নিজস্ব প্রতিবেদক: আসন্ন এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরুর তিন দিন আগে থেকে শুরু করে সকল পরীক্ষা শেষ হওয়া পর্যন্ত দেশে সব ধরনের কোচিং সেন্টার বন্ধ থাকবে।

সোমবার সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে জাতীয় মনিটরিং কমিটির সভায় এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।

সভায় সিদ্ধান্ত নেয়া হয় যে, আসন্ন এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় পরীক্ষার্থীদেরকে পরীক্ষা শুরুর আধা ঘন্টা আগে অবশ্যই পরীক্ষার হলে প্রবেশ করে স্ব স্ব আসনে বসতে হবে। এক্ষেত্রে কোন ধরনের অজুহাত গ্রহণযোগ্য হবে না এবং এর অন্যথা পরীক্ষার্থীকে পরীক্ষায় অংশগ্রহন করতে দেয়া হবে না। কোন পরীক্ষার্থীর হাতে কোন মোবাইল ফোন পাওয়া গেলে তাকে তৎক্ষনাৎ বহিস্কার করা হবে। নকলমুক্ত পরিবেশে পরীক্ষা অনুষ্ঠানের জন্য এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

সভায় শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদের সভাপতিত্ব করেন। আসন্ন মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমান পরীক্ষা সুষ্ঠু, নকলমুক্ত ও ইতিবাচক পরিবেশে অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় জানানো হয়, পরীক্ষাকেন্দ্রে কেউ স্মার্ট ফোন ব্যবহার করতে পারবে না। শুধুমাত্র কেন্দ্র সচিব একটি সাধারণ ফোন ব্যবহার করতে পারবেন।
সভায় শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আসন্ন এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা সম্পূর্ণ নকলমুক্ত পরিবেশে অনুষ্ঠানের জন্য সব ধরনের ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। এ ব্যাপারে কোন ছাড় দেয়া হবে না।

তিনি বলেন, সরকারের সংশ্লিষ্ট সকল সংস্থা নকল প্রতিরোধে আক্রমনাত্মক থাকবে। কোন শিক্ষক-কর্মকর্তা এর সাথে জড়িত হলে তাকে সাথে সাথে বহিস্কার সহ শাস্তিমুলক ব্যবস্থা নেয়া হবে।

সভায় পরীক্ষা শুরুর আগে থেকে পরীক্ষা চলাকালীন দেশে ইন্টারনেট ও ফেইসবুক বন্ধ রাখার ব্যাপারেও আলোচনা হয়।

সভায় মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. সোহরাব হোসাইন, কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. আলমগীর, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক প্রফেসর মো. মাহাবুবুর রহমান, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব চৌধুরী মুফাদ আহমদ, কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব অশোক কুমার বিশ্বাস প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

Facebooktwitterredditpinterestlinkedinmail

এবার আমরণ অনশনে মাদ্রাসা শিক্ষকরা!

ডেস্ক: বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের নিবন্ধনভুক্ত সব স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদ্রাসা জাতীয়করণের দাবিতে অবস্থান ধর্মঘট করছেন ইবতেদায়ি মাদ্রাসার শিক্ষকরা।

আজ সোমবার সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে শিক্ষকরা অবস্থান নিয়ে অবিলম্বে ইবতেদায়ি মাদ্রাসা জাতীয়করণ করতে প্রধানমন্ত্রীর কাছে আবেদন জানান। সেইসঙ্গে আগামীকাল মঙ্গলবারের মধ্যে দাবি আদায় না হলে আমরণ অনশনের ঘোষণাও দেন তাঁরা।

বাংলাদেশ স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদ্রাসা কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি কাজী রুহুল আমিন চৌধুরী বলেন, ‘আজকে আমরা ৩৪ বছর ধরে এই বেতন-ভাতা থেকে বঞ্চিত। ৫০ হাজার শিক্ষক ৩৪ বছর ধরে একটি পয়সাও বেতন-ভাতা পাচ্ছেন না। আগামীকালকে ১০টা পর্যন্ত যদি আমাদের কাছে কোনো কিছু না আসে, তাহলে আমাদের সিদ্ধান্ত, আগামীকালকে ১১টা থেকে আমাদের আমরণ অনশন চলবে।’

অবস্থান নেওয়া শিক্ষকরা বলছেন, দীর্ঘদিন ধরে মাদ্রাসায় কাজ করেও তাঁরা তাঁদের প্রাপ্য বেতন ভাতা বুঝে পাননি। তাঁরা অভিযোগ করে বলেন, প্রাইমারি স্কুলের শিক্ষকরা যেভাবে পাঠদান করেন, একইভাবে তাঁরাও শিক্ষার্থীদের পাঠদান করেন। তা ছাড়া প্রাইমারি স্কুল যে মন্ত্রণালয়ের অধীনে, তাঁরাও সেই মন্ত্রণালয়ের অধীনে কাজ করেন। অথচ প্রাইমারি স্কুলের আগে রেজিস্ট্রেশন পেলেও তাঁরা এখনো তাদের প্রতিষ্ঠানকে জাতীয়করণ করতে পারেননি। অবিলম্বে তাদের প্রতিষ্ঠানকে জাতীয়করণ না করলে আমরণ অনশনের হুমকি দেন মাদ্রাসা শিক্ষকরা।

বাংলাদেশ স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদ্রাসা কেন্দ্রীয় কমিটির মহাসচিব কাজী মোখলেসুর রহমান বলেন, ‘প্রাইমারি এবং ইবতেদায়ি মাদ্রাসা একই প্রতিষ্ঠান। একই মন্ত্রণালয় কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত, পরিচালিত। ওরা যেমন সমাপনী পরীক্ষায় গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে অংশগ্রহণ করে, আমাদের স্বতন্ত্র মাদ্রাসাগুলোও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে সমাপনী পরীক্ষায় অংশ নেয়। এ জন্য আমরা জাতীয়করণের দাবি করছি।’

এর আগে এমপিওভুক্তির দাবিতে প্রেসক্লাবের সামনে অনশনে বসেন নন-এমপিও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরা। কয়েক দিন অনশন চলার পরে প্রধানমন্ত্রীর আশ্বাসে অনশন ভাঙেন শিক্ষকরা।

Facebooktwitterredditpinterestlinkedinmail

রাষ্ট্রায়ত্ত ৩ ব্যাংকের পরীক্ষা স্থগিত

ডেস্ক: রাষ্ট্রায়ত্ত সোনালী, রূপালী ও জনতা ব্যাংকের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন পদে আগামী শুক্রবারের নিয়োগ পরীক্ষার কার্যক্রম স্থগিত করেছেন হাইকোর্ট।একই সঙ্গে নিয়োগ পরীক্ষা কেন বাতিল করা হবে না- তা জানতে চেয়ে রুল জারি করা হয়েছে।

এ বিষয়ে এক রিটের শুনানি নিয়ে রোববার হাইকোর্টের বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরী ও বিচারপতি জে বি এম হাসানের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ আদেশ দেন।আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট রাশিদুল হক খোকন। তার সঙ্গে ছিলেন অ্যাডভোকেট তানজিম আল ইসলাম।শুনানি শেষে আইনজীবী অ্যাডভোকেট রাশিদুল হক খোকন এ তথ্য জানান।

আগামী শুক্রবার (১২ জানুয়ারি) ব্যাংকার্স সিলেকশন কমিটির অধীনে সমন্বিতভাবে এসব ব্যাংকের নিয়োগ পরীক্ষা হওয়ার কথা ছিল।এর আগে বগুড়ার আসাদুজ্জামান, কুমিল্লার আবু বকরসহ ২৮ জন পরীক্ষার্থী নিয়োগ পরীক্ষা বাতিল চেয়ে হাইকোর্টে রিট করেন।

Facebooktwitterredditpinterestlinkedinmail

বেসরকারি মেডিকেল : তিন দশকেও আইন নেই, নীতিমালাতেই সর্বনাশ

ডেস্ক: রাজধানীসহ সারাদেশে ৯৫টি বেসরকারি মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজ পরিচালনার জন্য কোনো আইন নেই। বর্তমানে সারাদেশে বেসরকারি পর্যায়ে ৬৯টি মেডিকেল কলেজ ও ২৬টি ডেন্টালসহ মোট ৯৫টি মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজ পরিচালিত হচ্ছে।

১৯৮৫ সালে দেশে বেসরকারি মেডিকেল কলেজ স্থাপনের মধ্য দিয়ে বেসরকারিভাবে মেডিকেল শিক্ষা কার্যক্রম শুরু হয়। কিন্তু সে সময় থেকে কোনো প্রকার বিধিবদ্ধ আইন না থাকা শুধু নীতিমালার ভিত্তিতেই এসব প্রতিষ্ঠান খেয়াল-খুশি মতো পরিচালিত হচ্ছে। এতে করে নিভৃতে দেশের চিকিৎসা শিক্ষার সর্বনাশ ঘটছে।

বেসরকারি মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজ স্থাপন নীতিমালা অনুসারে ৫০ আসনের নতুন যে কোনো বেসরকারি মেডিকেল কলেজ স্থাপনের জন্য মেট্রোপলিটন এলাকায় দুই একর এবং অন্য এলাকায় চার একর নিজস্ব জমি থাকতে হবে। সেই জমির ওপর প্রতিষ্ঠিত কলেজের একাডেমিক ভবনে এক লাখ বর্গফুট এবং হাসপাতাল ভবনের জন্য এক লাখ বর্গফুট ফ্লোর স্পেস থাকতে হবে।

বেসরকারি ডেন্টাল কলেজের জন্য মেট্রোপলিটন এলাকায় দেড় একর ও অন্য এলাকায় চার একর নিজস্ব জমি থাকতে হবে। ডেন্টাল কলেজ ও হাসপাতালের ফ্লোর স্পেস এক লাখ বর্গফুট হতে হবে।

এছাড়া বেসরকারি মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীর অনুপাত হবে ১:১০। শিক্ষকদের নিয়োগ, যোগ্যতা, মেয়াদ ও অন্যান্য শর্ত নির্ধারিত হবে বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিলের বিধিবিধান অনুযায়ী। শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারী নিয়োগ দিতে হবে সার্বক্ষণিক।

তবে নীতিমালা থাকলেও আইন না থাকায় অধিকাংশ বেসরকারি মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজগুলো এখন চলছে যেমন খুশি তেমন স্টাইলে- এ অভিযোগ দীর্ঘদিনের।

বর্তমানে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় প্রস্তুতকৃত মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজ স্থাপন নীতিমালার ভিত্তিতে এসব প্রতিষ্ঠান পরিচালিত হচ্ছে।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও স্বাস্থ্য অধিদফতর বিভিন্ন সময় নানা অভিযোগে একাধিক কলেজ বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে। কিন্তু বেসরকারি এসব প্রতিষ্ঠানের জন্য কোনো আইন নেই বলে তারা আদালতে গিয়ে পার পাচ্ছে বারবার।

চিকিৎসা শিক্ষা বিশেষজ্ঞরা আশঙ্কা প্রকাশ করে বলছেন, সুনির্দিষ্ট আইন না থাকাতেই দেশে চিকিৎসা শিক্ষার নিরব সর্বনাশ ঘটছে। গত কয়েক বছর ধরেই বেশ কিছু মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজ নীতিমালা কিংবা স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও স্বাস্থ্য অধিদফতরের নির্দেশনাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে নিজেদের ইচ্ছেমতো শিক্ষার্থী ভর্তি করছে। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এসব প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ভর্তি স্থগিতসহ বিভিন্ন শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিলেও প্রতিটি কলেজ কর্তৃপক্ষ উচ্চ আদালতে রিট করে অবৈধ কার্যক্রম বৈধ করে নেয়।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকারের দুই দফায় মোট নয় বছরের শাসনামলে বেশ কয়েকবার বেসরকারি মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজ স্থাপন আইন প্রণয়নের উদ্যোগ নেয়া হলেও তা আলোর মুখ দেখেনি।

সর্বশেষ ‘বেসরকারি মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজ স্থাপন ও পরিচালনা আইন, ২০১৩’-এর খসড়া করে সংশ্লিষ্ট ও বিশেষজ্ঞদের মতামত নেয়া হয়। কিন্তু এ সংক্রান্ত একটি কমিটি থাকলেও তারা গত দুই বছরের মধ্যে মাত্র দু’একটি সভা করেছে।

মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজ স্থাপন নীতিমালা অনুসারে যে কোনো নতুন মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজ স্থাপনের আগে ৫০ আসনের জন্য প্রয়োজনীয় অবকাঠামো, শিক্ষক, শিক্ষা উপকরণ, ২৫০ শয্যার হাসপাতাল ও প্রয়োজনীয় সংখ্যক রোগী থাকার নিয়ম রয়েছে। কিন্তু একশ্রেণির অর্থলোভী লগ্নিকারক নীতিমালা ভেঙে বিভিন্নভাবে বেসরকারি মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজ তৈরি করে তা পরিচালনা করে আসছে।

এর সুযোগ নিয়েই প্রতি বছর এমবিবিএস কোর্সে নতুন শিক্ষার্থী ভর্তির ক্ষেত্রে নীতিমালা মেনে স্বাস্থ্য অধিদফতরের নির্দেশনা অনুযায়ী জাতীয় মেধাতালিকার ভিত্তিতে ভর্তি না করে নিজেদের ইচ্ছামতো শিক্ষার্থী ভর্তি করা হচ্ছে। এতে করে মেধা যাচাই না করে শুধু টাকার জোরে মেডিকেলে পড়াশোনার সুযোগ পাচ্ছে অনুপযুক্তরা।

১৯৮৫ সালে রাজধানীতে বাংলাদেশ মেডিকেল কলেজ স্থাপনের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে বেসরকারিভাবে মেডিকেল শিক্ষা কার্যক্রম শুরু হয়। ওই সময় হাতে গোণা দুই চারটি মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজ থাকায় নতুন নিয়ম প্রণীত হয়নি।

অভিযোগ আছে, বেশ কিছু কলেজের নিজস্ব জায়গা ও হাসপাতাল নেই। পর্যাপ্তসংখ্যক প্রতিষ্ঠানে নিয়মিত শিক্ষকও নেই। প্রায়োগিক শিক্ষার জন্য তারা রোগী দেখার সুযোগ পায় না। কিন্তু ভর্তির সময় শিক্ষীর্থীদের থেকে ইচ্ছামত ফি নেয়া হয়। এসব প্রতিষ্ঠানের ওপর স্বাস্থ্য অধিদফতর ও মন্ত্রণালয়ের কার্যত কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই।

এদিকে, বর্তমান সরকারের মেয়াদেও নিয়মনীতি লঙ্ঘন করে বেশ কয়েকটি মেডিকেল কলেজ অনুমোদন পেয়েছে।

এসব প্রতিষ্ঠানের জন্য এলাকাভেদে জমির পরিমাণ, বরাদ্দকৃত জায়গা, শিক্ষক-শিক্ষার্থী অনুপাত, শিক্ষকদের যোগ্যতা ও নিয়োগ, মেয়াদ ও অন্যান্য শর্ত বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিলের বিধিবিধান অনুযায়ী হবে বলে আইনের খসড়ায় বলা হয়েছে।

সরকারের এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক সহ-উপাচার্য ও বিশিষ্ট চিকিৎসক রশীদ-ই-মাহবুব। তিনি বলেন, বেসরকারি মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজগুলোর ওপর সরকারের কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই। আইনটি হলে কিছুটা অন্তত লাভ হবে।

মন্ত্রণালয় ও স্বাস্থ্য অধিদফতর সূত্র জানিয়েছে, বর্তমানে বেসরকারি মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজ স্থাপন ও পরিচালনার জন্য কোনো আইন নেই। বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য একটি বিধি আছে।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের পরিচালক (চিকিৎসা, শিক্ষা ও জনশক্তি উন্নয়ন) শাহ আবদুল লতিফ (অতি সম্প্রতি তাকে ওএসডি করা হয়েছে) বলেন, ‘স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও স্বাস্থ্য অধিদফতর বিভিন্ন সময় নানা অভিযোগে একাধিক কলেজ বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে। কিন্তু এসব প্রতিষ্ঠান পরিচালনার কোনো আ্ইন না থাকায় তারা আদালতে গিয়ে পাড় পাচ্ছে। কিন্তু নীতি অমান্য করলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থার নেয়া কোনো বিধান নেই।

তিনি বলেন, আইনের খসড়া নিয়ে ব্যাপকভিত্তিক আলোচনা হওয়া দরকার। বেসরকারি এসব কলেজ যেন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে পরিণত না হয়, সেই সুরক্ষা আইনে থাকতে হবে।

Facebooktwitterredditpinterestlinkedinmail

চুয়াডাঙ্গায় আজ সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৫.৮ ডিগ্রী সেলসিয়াস

চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি : চুয়াডাঙ্গার আজ শনিবার মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৫.৮ ডিগ্রী সেলসিয়াস।

গত ৪ দিন ধরে হাড়কাঁপানো তীব্র শীতে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে।

বুধবার বিকাল থেকে পারদের তাপমাত্রা নামতে শুরু করেছে। বৃহস্পতিবার দেশের সর্বনিন্ম তাপমাত্রা ছিল চুয়াডাঙ্গায় ৬.৫ ডিগ্রী সেলসিয়াস। শুক্রবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ৮ দশমিক ০ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ইতিমধ্যে দেয়া হয়েছে ৭ হাজার কম্বল।

হঠাৎ করে তীব্র থেকে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহে জেলার কয়েক লাখ মানুষ চরম বিপাকে পড়েছে। গরীবেরা রাস্তার ধারে খড়-কুটো জ্বেলে শীত নিবারণের চেষ্টা করছেন। ঘন কুয়াশার আড়ালে ঢাকা পড়েছে গোটা এলাকা। ফলে জীবনযাত্রা প্রায় অচল হয়ে পড়েছে। প্রচন্ড ঠান্ডার কারণে খুব প্রয়োজন ছাড়া কেউ ঘর থেকে বাইরে বের হচ্ছেন না। শীতে পশু পাখি যবুথুবু হয়ে পড়েছে। চাহিদা থাকায় গরম কাপড়ের দোকানে বেচাকেনা বেড়ে গেছে।

Facebooktwitterredditpinterestlinkedinmail

পঞ্চম শ্রেণির পড়াশোনা ॥ বিষয় ॥ প্রাথমিক বিজ্ঞান

  • মোঃ আনোয়ার হোসেন
  • সহকারী শিক্ষক
  • দেলুঞ্জ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, আদমদীঘি, বগুড়া।

মহাবিশ্ব

প্রশ্ন: দূরের বস্তুকে স্পস্টভাবে দেখার জন্য কোন যন্ত্র ব্যবহার করা হয়?

উত্তর : অণুবীক্ষণ যন্ত্র।

প্রশ্ন: মহাবিশ্ব কি?

উত্তর : পৃথিবী এবং অন্যান্য সমস্ত গ্রহ, নক্ষত্র, গ্যালাক্সীসমূহ, তাদের অন্তর্বর্তী স্থানের মধ্যে অন্যান্য পদার্থ এবং শূণ্যস্থান (মহাকাশ), এবং তাত্ত্বিক ভাবে নির্ধারিত যদিও তারা সরাসরি পর্যবেক্ষিত নয়; এমন সব কিছু মিলে যে জগৎ তাকেই বলা হয় মহাবিশ্ব।

প্রশ্ন: পৃথিবী থেকে চাঁদের দূরত্ব কত?

উত্তর : ৩,৮৪,৪০০ কি.মি.।

প্রশ্ন: আলো প্রতি সেকেন্ডে কত দূরত্ব অতিক্রম করে?

উত্তর: ৩,০০,০০০

কি.মি.।

প্রশ্ন: চাঁদ থেকে পৃথিবীতে আলো আসতে কত সেকেন্ড সময় লাগে?

উত্তর: ১.৩ সেকেন্ড

প্রশ্ন: জ্যোতির্বিজ্ঞান কি?

উত্তর: মহাকাশ সম্পর্কিত গবেষণাকে জ্যোতির্বিজ্ঞান বলা হয়।

প্রশ্ন: পৃথিবী থেকে সূর্যের দূরত্ব কত?

উত্তর: প্রায় ১৫,০০,০০,০০০ কি.মি.।

প্রশ্ন: সূর্য থেকে পৃথিবীতে আলো পৌঁছাতে কত মিনিট সময় লাগে?

উত্তর : প্রায় ৮ মিনিট।

প্রশ্ন : পৃথিবী সৌরজগতের কি?

উত্তর :একটি গ্রহ।

প্রশ্ন : কক্ষপথ কাকে বলে?

উত্তর : যে পথে পৃথিবী এবং অন্যান্য গ্রহসমূহ সূর্যকে আর্বতন করে তাকে কক্ষপথ বলে।

প্রশ্ন : বার্ষিক গতি কাকে বলে?

উত্তর : সূর্যের চারদিকে নির্দিষ্ট কক্ষপথে পৃথিবীর আবর্তনকে বার্ষিক গতি বলে।

প্রশ্ন : সূর্যের চারদিকে একবার ঘুরে আসতে পৃথিবীর কত সময় লাগে?

উত্তর: ৩৬৫ দিন ৬ ঘন্টা।

Facebooktwitterredditpinterestlinkedinmail
hit counter