Author Archives: chief editor

শিক্ষকদের বদলি বন্ধে সতর্ক হওয়ার নির্দেশ

ডেস্ক,১ ফেব্রুয়ারী : সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষকদের বদলি ও তদবির বন্ধে সতর্ক হওয়ার নির্দেশনা দিয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর (ডিপিই)। যথাযথ প্রক্রিয়ায় এসব কার্যক্রম করার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

গতকাল মঙ্গলবার ডিপিই’র পলিসি-২ শাখার সহকারী পরিচালক মো. মোসলেম উদ্দিনের সাক্ষরিত একটি সতর্কবার্তা জারি করা হয়।

সেখানে বলা হয়েছে, অনেক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ও প্রধান শিক্ষকরা বদলির জন্য মহাপরিচালক বরাবর আবেদন করে থাকেন। যা চাকরি শৃঙ্খলা পরিপন্থি। শিক্ষকদের বদলির ক্ষেত্রে যথাযথ প্রক্রিয়া কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে আবেদন করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। নতুবা শৃঙ্খলা ভঙ্গকারীদের বিরুদ্ধে চাকরিবিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ডিপিই’র অতিরিক্ত মহাপরিচালক মো. রমজান আলী জাগো নিউজকে বলেন, অনেকে বদলির জন্য যথাযথ প্রক্রিয়ায় আবেদন না করে সংশ্লিষ্ট অধিদফতরের মহাপরিচালক বরাবর আবেদন করেন। এরপর তা কার্যকর হতে নানাভাবে তদবির চালায়। এতে মহাপরিচালকের গুরুত্বপূর্ণ সময় নষ্টসহ নানা ধরনের জটিলতা সৃষ্টি হয়। এ কারণে সহকারী শিক্ষক বদলিতে প্রধান শিক্ষকের মাধ্যমে এবং প্রধান শিক্ষক বদলিতে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের মাধ্যমে আবেদন করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, কোনো শিক্ষক এর ব্যত্যয় ঘটালে চাকরিবিধি অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এক ক্লিকেই প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সব তথ্য

ডেস্ক,১ ফেব্রুয়ারী : সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহে নতুন ওয়েবসাইট তৈরি করা হয়েছে। বিদ্যালয়ের শিক্ষক কতজন, শিক্ষার্থীর সংখ্যা, ফলাফল, ভবনের অবস্থানসহ সব তথ্য থাকবে এ ওয়েবসাইটে। শুধুমাত্র প্রাইমারি এডুকেশন প্রপার্টি ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেম (পিইপিএমআইএস) সাইটে গিয়ে ক্লিক করলেই বিস্তারিত দেখা যাবে।

শুধুমাত্র যাদের অ্যাকসেস থাকবে তারাই দেখতে পাবেন এসব তথ্য। ডিজিটাল এই ওয়েবসাইটি তৈরি করেছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। সরকারি প্রাথমিক স্কুলের ভবন নির্মাণসহ সব উন্নয়ন কাজের দীর্ঘসূত্রতা দূর হয়েছে। প্রথম দিকে মাঠপর্যায় থেকে তথ্য সংগ্রহ করতে কয়েক মাস সময়ে লেগে যেত। সঠিক তথ্য যথা সময়ে মিলতো না।

বর্তমানে সারাদেশের সব স্কুলের যাবতীয় তথ্য পিইপিএমআইএস ওয়েবসাইটে রয়েছে। ক্লিক করলেই মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা প্রত্যেক স্কুলের ভৌগোলিক অবস্থানসহ সব তথ্য পাচ্ছেন। ওয়েবসাইটের তথ্যের মাধ্যমেই এখন সব উন্নয়ন কাজ পরিচালনা করছেন। ফলে অর্থ এবং সময়ের অপচয় কমেছে। নেই কোনো তদবির।

এ বিষয়ে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উন্নয়ন শাখার সহকারী প্রধান কর্মকর্তা মো. নুরুন্নবী বলেন, ‘জনপ্রতিনিধিসহ অনেকে স্কুলের নতুন ভবন নির্মাণের দাবি নিয়ে আসতেন। তারা অভিযোগ করতেন, ভবন সঙ্কটের কারণে শিক্ষার্থীরা গাছের নিচে ক্লাস করে। এখন কেউ তদবির নিয়ে আসলেই ওয়েবসাইটে ঢুকে ঘটনার সত্যতা যাছাই করা হয়। ভবনের ছবিসহ বিস্তারিত তথ্য দেখানোর পরে অনেকে সরি বলে চলে যান।

তিনি বলেন, একটি স্কুলের উন্নয়নমূলক কাজ করতে যত ধরনের তথ্য দরকার তার সব তথ্য ওয়েবসাইটিতে রয়েছে। ভবিষ্যতে ভবন নির্মাণের প্রয়োজন হলে তার ডিজাইন ও স্থানও নির্ধারণ করে ওয়েবসাইটে আপলোড করেছেন শিক্ষকরা।’

মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, পিইপিএমআইএস ওয়েবসাইটে স্কুলের শ্রেণিভিত্তিক ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা, কর্মরত নারী ও পুরুষ শিক্ষকের সংখ্যা, শিক্ষক পদের সংখ্যা ও শূন্যপদ, চালু থাকা শিফট, স্কুলের জমির পরিমাণ, জমির মালিকানার সনদ, সেনিটেশন ব্যবস্থার চিত্র, ভবন ও ক্লাস রুমের সংখ্যা, ভবন ও ক্লাস রুমের আয়তন, ধরন, নির্মাণের সময়কাল, স্কুলের ভবনের সামনের-পেছনের দিকের ও দৈর্ঘ্যের ছবিসহ বিস্তারিত তথ্য দেয়া আছে।

প্রথম দিনে অনুপস্থিত প্রায় ১০ হাজার, বহিষ্কার ২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক,১ ফেব্রুয়ারী : sssএসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার প্রথম দিন বৃহস্পতিবার অনুপস্থিত ছিল প্রায় ১০ হাজার শিক্ষার্থী। এছাড়া অসাধুপন্থা অবলম্বন করায় ২৬ পরীক্ষার্থী বহিষ্কার হয়েছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রণ বিভাগ থেকে এ তথ্য জানিয়েছে।

বৃহস্পতিবার এসএসসি পরীক্ষার প্রথম দিনে সাধারণ আট বোর্ডে বাংলা (অবশ্যিক) ১ম পত্র, -১ পত্র, কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধিনে বাংলা ভাষা ও বাংলাদেশের সংস্কৃতি-১ম পত্র এবং মাদরাসা বোর্ডে কুরআন মাজিদ ও তাজবিদ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।

পরীক্ষা নিয়ন্ত্রণ বিভাগ জানায়, প্রথম দিনের পরীক্ষায় সারাদেশে ৯ হাজার ৭৪২ শিক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিল। আর বহিষ্কৃত শিক্ষার্থীর সংখ্যা ২৬ জন। তবে প্রথম দিনে শিক্ষক বহিষ্কারের ঘটনা ঘটেনি। এদিন সারাদেশে ১০টি বোর্ডের অধীনে ৩ হাজার ৩৩৬টি কেন্দ্রে মোট ১৭ লাখ ৭৪ হাজার ৫৩৩ পরীক্ষার্থী অংশ নেয়। এছাড়াও বিদেশে সাতটি কেন্দ্রে ২৯৬ জন পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে। এর মধ্যে ২১২ ছাত্র এবং ২৪৬ জন ছাত্রী।

জানা যায়, সাধারণ আট বোর্ডের মধ্যে ঢাকা বোর্ডে অনুপস্থিতির সংখ্যা ছিল সব চেয়ে বেশি। এ বোর্ডে অনুপস্থিত ছিল ১৪৯৩ পরীক্ষার্থী। এছাড়াও দুই পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে রাজশাহী বোর্ড। এ বোর্ডে অনুপস্থিতির সংখ্যা ৬৪৩ জন। তবে এ বোর্ডে কেউ বহিষ্কার হয়নি। তৃতীয় অবস্থানে যশোর বোর্ডে ৫৯৫ পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিল।

এছাড়া কুমিল্লা বোর্ডে ৫৪৩, দিনাজপুরে ৫২১, চট্রগ্রামে ৪২০, সিলেটে ৩৫৫ এবং বরিশাল বোর্ডে ৩১৫ পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিলো।

অন্যদিক, অনুপস্থিতির দিক দিয়ে সবচেয়ে এগিয়ে রয়েছে মাদরাসা বোর্ড। এ বোর্ডে অনুপস্থিতির সংখ্যা ৩ হাজার ১৫৭ জন, বহিষ্কার করা হয়েছে ১৭ পলক্ষার্থীকে।

কারিগরি বোর্ডে অনুপস্থিত ছিল ১৭২০ পরীক্ষার্থী। বহিষ্কৃত শিক্ষাথীর সংখ্যা ৭ জন।

উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হয়েছে এসএসসি পরীক্ষা। ২৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত তত্ত্বীয় বিষয়ের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। ২৬ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৬ মার্চের মধ্যে শেষ করতে হবে ব্যবহারিক পরীক্ষা। গত বছরের চেয়ে এবার ২০৭টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং ১৭৬টি কেন্দ্র বেড়েছে।

জাতিসংঘে বাংলা সময়ের দাবি : মোস্তাফা জব্বার

নিজস্ব প্রতিবেদক: জাতিসংঘের দাপ্তরিক ভাষা হিসেবে বাংলা ব্যবহার সময়ের দাবি বলে মন্তব্য করেছেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার। তিনি বলেন, বাংলা ভাষা বিশ্বের অনেক ভাষার চাইতে বৈজ্ঞানিক এবং সমৃদ্ধ। প্রযুক্তিগত জটিলতাও কাটিয়ে উঠছি আমরা। ১৯৫২ সালে তরুণরা রক্ত দিয়ে মায়ের ভাষার অধিকার রক্ষা করেছেন। এখন আমরা আন্দোলনের মধ্য দিয়ে বাংলা ভাষাকে বৈশ্বিক রূপ দেব।

‘জাতিসংঘে বাংলা চাই’ স্লোগানকে সামনে রেখে দেশের শীর্ষ নিউজ পোর্টাল জাগো নিউজ২৪.কম- এর অনলাইন আবেদন কর্মসূচির উদ্বোধন অনুষ্ঠানে এমন আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় প্রাণ-আরএফএল সেন্টারে এই কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়। উদ্বোধন অনুষ্ঠানে দাবির পক্ষে বক্তব্য রাখেন, প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের প্রধান নির্বাহী আহসান খান চৌধুরী, প্রাণ গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইলিয়াছ মৃধা, প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের বিপণন পরিচালক কামরুজ্জামান কামাল, জাগো নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম এর সম্পাদক সুজন মাহমুদ ও প্রধান বার্তা সম্পাদক মহিউদ্দিন সরকার। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন সহকারী সম্পাদক ড. হারুন রশীদ। এ সময় জাগো নিউজের প্রধান প্রতিবেদক মনিরুজ্জামান উজ্জ্বলসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানের শুরুতেই ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয়। আলোচনায় অংশ নিয়ে মন্ত্রী বলেন, বাংলা ভাষার ইতিহাস সবারই জানা। রক্ত দিয়ে ভাষার অধিকার প্রতিষ্ঠা করার ইতিহাস দ্বিতীয়টি আর নেই। ভাষার নামেই প্রতিষ্ঠা পেয়েছে ‘বাংলাদেশ’। তিনি বলেন, ভাষাকেন্দ্রিক আন্দোলনের হাজার বছরের ইতিহাস থাকলেও চূড়ান্ত আন্দোলনের রূপায়ন ঘটে ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি। ১৯৭০ সালে বঙ্গবন্ধু প্রতিজ্ঞা করেছিলেন, আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করলে সর্বত্র বাংলা ভাষার প্রচলন ঘটবে। স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালেই বঙ্গবন্ধু বাংলা ভাষার ব্যবহার এবং উন্নয়নে নানা উদ্যোগ নিয়েছিলেন। প্রশাসন, ব্যাংক, আদালত এমনকি সেনা কমান্ডেও বাংলার ব্যবহার নিশ্চিত করার তাগিদ দিয়েছিলেন।

bangla

বঙ্গবন্ধুর হত্যার পরেই বাংলা ভাষার প্রতি অবহেলা আর উদাসীনতা নেমে আসে। জিয়াউর রহমান ক্ষমতায় এসে বাংলাদেশ বেতারকে বাংলাদেশ রেডিও নামকরণ করেন। বাংলার পরিবর্তে রোমান হরফ ব্যবহারে জোর দিতে থাকেন, বলেন মন্ত্রী। বাংলার প্রতি অবহেলা এখনও বিরাজমান উল্লেখ করে তিনি বলেন, এখনও অনেকে মনে করেন, বাংলা ভাষা আন্তর্জাতিকমানের হতে পারবে না। এটি হচ্ছে আমাদের মানসিক সংকীর্ণতা। এমন প্রবণতা হচ্ছে কাক হয়ে ময়ূরের পালক ধারণ করা। এই প্রবণতার মাধ্যমে নিজের মাকে অস্বীকার ও মাতৃভাষার প্রতি অবজ্ঞা করা। নিজ মা ও ভাষাকে অবহেলা করে কেউ স্ব জাতিতে বড় হতে পারে না।

তিনি বাংলা ভাষার উন্নয়নে আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, এমন কোনো ভাষা নেই, যার ডিজিটাল রূপ নেই। বাংলা ভাষারও ডিজিটাল রূপ রয়েছে। ‘জাতিসংঘে বাংলা চাই’ এই দাবি জোরালো করতে হলে প্রযুক্তির আরও উৎকর্ষ সাধন করতে হবে। আমাদের তরুণ মেধাবীরাই সে প্রয়াস চালিয়ে যাচ্ছে। প্রযুক্তির ব্যবহারের কারণেই ইংরেজির উপর নির্ভরতা কমে যাচ্ছে।বাংলা ভাষার উন্নয়নে সরকার বিশেষ একটি প্রকল্পও হাতে নিয়েছে বলে জানান মন্ত্রী, যা আগামী বছর নাগাদ শেষ হবে। আর এটি হলে জাতিসংঘে বাংলা ব্যবহারের যে দাবি, তাতে সহায়ক ভূমিকা রাখবে।

bangla

মোস্তাফা জব্বার বলেন, জাতিসংঘে বাংলার ব্যবহার নিশ্চিত করতে স্ব-স্ব জায়গা থেকে দাবি তুলতে হবে। এই দাবির সার্বজনীন রূপ দিতে হলে মিডিয়াকেই অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে। জাগো নিউজ এমনই একটি আওয়াজ তুলেছে। এ কর্মসূচির উদ্বোধন করতে পেরে নিজেকে ধন্য মনে করছি। অনলাইনে আবেদনের মাধ্যমে এই দাবি সর্বত্র ছড়িয়ে পড়বে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করছি।

উল্লেখ্য, বাংলাদেশ ও বাংলাদেশের বাইরে থেকে যেকোনো ব্যক্তি তার নাম এবং ই-মেইল অথবা মোবাইল নম্বর ব্যবহার করে আবেদন (পিটিশন) করতে পারবেন। কর্মসূচি শেষে জাতিসংঘের মহাসচিব বরাবর আবেদনটি পৌঁছে দেয়া হবে। মাসব্যাপী এই কর্মসূচিতে সহায়তা করছে শীর্ষ ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান ‘প্রাণ’।

বাবা হিসেবে শাকিবের লজ্জা হওয়া উচিত ছিল : অপু বিশ্বাস

বিনোদন ডেস্ক : শারীরিকভাবে সুস্থ নন শাকিব খান। তারপরও শুটিংয়ের জন্য গত সোমবার দিবাগত রাতে অস্ট্রেলিয়ার উদ্দেশে ঢাকা ছেড়েছেন তিনি। এর আগে রোববার সন্ধ্যায় কলকাতা থেকে ঢাকায় এসেছিলেন এ নায়ক।

তবে ঢাকা যাওয়ার আগে কিছু গণমাধ্যমে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি আফসোস করেছেন একমাত্র সন্তানের দেখা না পেয়ে। তার দাবি, বারবার ছেলেকে দেখতে চেয়ে যোগাযোগ করেছেন। কিন্তু অপু বিশ্বাস ছেলেকে দেখতে দেননি। এ খবরে শাকিব ভক্তরা বেশ ক্ষোভ প্রকাশ করছেন অপুর নামে, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে।

এদিকে অপু বিশ্বাস জানালেন, ছেলেকে দেখতে চেয়ে তার সঙ্গে কোনো যোগাযোগই করেননি শাকিব। তিনি বুধবার সকালে বলেন, ‘আমার ফোন সর্বক্ষণ আমার সঙ্গেই ছিল। শাকিবের কোনো কল এতে আসেনি। তার কোনো লোকও আমাকে কল দেয়নি। তবে কেন তিনি মিথ্যে কথা বলছেন যে আমি তাকে একবারের জন্যও বাচ্চার মুখ দেখতে দেইনি। আর যারা শাকিবের এসব যুক্তিহীন বক্তব্য ছাপছেন তারা কী একবারও মনে করেননি আমার সঙ্গে কথা বলে এ বক্তব্যের সত্যতা যাছাইয়ের প্রয়োজন ছিল। আমি তো দেশেই রয়েছে, আমার নাম্বারটিও তাদের কাছে আছে।’

অপু আফসোস প্রকাশ করে বলেন, ‘বাবা হিসেবে শাকিব চমৎকার। ছেলের জন্য আর সব বাবার মতোই তারও টান রয়েছে, নিয়মিত কাছে থাকতে না পারার কষ্টও হয়তো আছে। ব্যস্ততার কারণে সে কাছে থাকতে পারে না। কিন্তু যখন সে দেশে আসে সেই সময়টাতে তো ওর উচিত ছেলের কাছে থাকা। ও কখন দেশে আসে কখন যায় কিছুই জানি না আমি। ছেলের সঙ্গেও দেখা করার চেষ্টা করে না।’

 

তিনি বলেন, ‘লোকে মন্দ বলবে সেই ভেবে ও নিজের দোষ বারবার আমার ওপর চাপাতে চায়। সেখানে সে বাচ্চার ইমোশন নিয়ে আসে। দেশের মানুষকে কী এতো বোকা মনে করে সে? ছেলেকে দেখতে চাইলে কে তাকে আটকে রেখেছিল? নাকি নিউজ করিয়ে আমাকে খারাপ স্ত্রী প্রমাণ করাই মূল উদ্দেশ্য? এতদিন পর এসে ছেলের পাশে একটু সময়ের জন্যও বসতে পারলো না, বাবা হিসেবে লজ্জা হওয়া উচিত ছিল তার। যে বয়সের বাচ্চা বাবা-মায়ের আদরে বড় হয় সে বয়সী জয়ের বাবাকে কাছে না পাওয়ার দুঃখ কী বোঝে শাকিব? উল্টো আমার নামে অভিযোগ করছে।’

ছেলেকে নিয়ে যাবার জন্য শাকিব খানের কাছের মানুষজন আপনার সঙ্গে যোগাযোগ করেছিল। আপনি নাকি না করেছেন? এমন প্রশ্নের জবাবে অপু বলেন, ‘প্রশ্নই আসে না। কেউ যোগাযোগ করেনি আমার সঙ্গে। শাকিব যদি কাউকে দায়িত্ব দিয়েও থাকে সে হয়তো যোগাযোগ না করেই আমার নামে দোষ দিয়েছে। আগেও এমন অনেকবার হয়েছে। ওর কানে আমার নামে নামা কটুকথা ছড়িয়েছে তার চারপাশের মানুষেরা। যারা চায় না শাকিব-অপু সুখে থাকুক। শাকিব হয়তো এসব টের পায় না। আর পেলেও ওদের কথাই বিশ্বাস করে নেয় ভালো মন্দ না ভেবে’

তিনি বলেন, ‘আচ্ছা বলুন তো, বাবা আসবে তার ছেলেকে দেখতে, ছেলের জন্য নানা জিনিস নিয়ে তার জন্য প্রতিবারই এতো নাটকীয়তার কী আছে? বাসায় এসে ছেলেকে দেখতে পারে, সঙ্গে নিয়েও যেতে পারে। তবে ও কেন লোক দিয়ে যোগাযোগের প্রশ্ন আসবে? ছেলেকে দেখার ইচ্ছে থাকলে বাসায় আসতে পারতো। কেউ তাকে বের করে দিতো না। সেটা ভাবার অবকাশও নেই। এর আগেও কিন্তু ও আমার বাসায় এসে ছেলেকে দেখে গেছে। বারবার মনে হচ্ছে, ছেলেকে দেখতে চাওয়ার চেয়ে আমার নামে মিথ্যে অভিযোগ করাটাই মুখ্য।’

অপু আরও যোগ করেন, ‘শাকিব এবারে এসেছে কবে সেটা আমি জানি না। কিছু নিউজ দেখে বুঝলাম ও চলেও গেছে। আমার এ বাসার ভাড়াটা সেই দেয়। এবারে তাও দিয়ে যায়নি। ওর এসবে কোনো টান নেই, সংসার নিয়ে হয়তো ভাবনাও নেই। ওর ক্যারিয়ার দরকার। ক্যারিয়ারের জন্য ও প্রেম, ভালোবাসা, সংসার, পরিবার সবই জলে ভাসিয়েছে। কিন্তু তাই বলে ক্যারিয়ারের জন্য বাচ্চার ইমোশনকে ব্যবহার করবে! কোনো বাবা এমনটি করে? ক্যারিয়ারই সব নাকি? জীবন কতো বড়ো, দিনশেষে সবাইকেই পরিবারের কাছে আসতে হয়। সন্তানের আদরে বাঁচতে হয়। ওসব কী শাকিব ভাবে কখনো?’

ঢালিউড কুইন খ্যাত এই অভিনেত্রী বলেন, ‘বারবার স্ত্রী হিসেবে আমি খারাপ এটা প্রমাণ করতে ও আমার নামে মিথ্যে তথ্য ছড়ায়। যেসব তথ্যের কোনো ভিত্তিই থাকে না। সত্যটা প্রকাশ হলে নিজেই ছোট হয়। তবে কী দরকার এমন করে? ছেলেকে নিয়ে নোংরা কাদা ছোঁড়াছুড়ি করে? শাকিবের ক্যারিয়ার আরও রঙিন হোক, স্ত্রী হিসেবে সেই প্রত্যাশা করি। কিন্তু আমাদের সম্পর্কের জটিলতায় আমি কোনোকিছুতেই ছেলেকে দেখতে চাই না।’

ফেসবুক বন্ধ চায় শিক্ষামন্ত্রী, যা বললেন মোস্তাফা জব্বার

নিজস্ব প্রতিবেদক,২৪ জানুয়ারী : এসএসসি পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁস ঠেকাতে পরীক্ষা চলাকালীন সময়ে ফেসবুক বন্ধ রাখার সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ। এর বিরোধিতা করে টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বলেছেন, প্রযুক্তি সচল রেখেই প্রযুক্তির অপব্যবহার মোকাবিলা করতে হয়। তিনি বলেন, ‘সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক বন্ধের পক্ষে আমি নই।’

মঙ্গলবার (২৩ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় একটি অনলাইন গণমাধ্যমকে একথা বলেন মোস্তাফা জব্বার। এর আগে দুপুরে সচিবালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আসন্ন এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা চলাকালীন ৩ ঘণ্টা সারাদেশে ফেসবুক-টুইটারসহ সব সোশ্যাল মিডিয়া বন্ধ থাকবে।

সংবাদ সম্মেলনে এসএসসি পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁস ঠেকাতে পরীক্ষা চলার সময় ফেসবুক বন্ধ রাখতে আইসিটি বিভাগ ও টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসিকে অনুরোধ করবেন বলেও জানান শিক্ষামন্ত্রী।

শিক্ষামন্ত্রীর বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় মোস্তাফা জব্বার বলেন, ‘আমাকে এখনও কেউ অনুরোধ করেননি। অনুরোধ করলে অবস্থান জানাবো। এর আগেও ফেসবুক বন্ধ করা হয়েছিল। তখন প্রধানমন্ত্রীর তথ্যপ্রযুক্তি উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় তা চালুর উদ্যোগ নেন। ফলে আবারও তা বন্ধ করার কোনও কারণ দেখি না। তবে প্রধানমন্ত্রী ও তথ্যপ্রযুক্তি উপদেষ্টা যে সিদ্ধান্ত দেবেন, সে অনুযায়ীই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

মোস্তাফা জব্বার বলেন, ‘প্রযুক্তি দিয়েই (সচল রেখে) প্রযুক্তির মোকাবিলা করতে হবে। প্রযুক্তি বন্ধ করে দেওয়া কোনও সমাধান হতে পারে না।’

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, পরীক্ষা শুরুর নির্ধারিত সময় সকাল ১০টা। এর আধা ঘণ্টা আগে অর্থাৎ ৯ টা ৩০ মিনিটে পরীক্ষার্থীকে নিজ আসনে বসতে হবে। এর পরে কেউ এলে তাকে পরীক্ষাকেন্দ্রে কাউকে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না।

তিনি বলেন, প্রশ্নফাঁস ঠেকাতে পরীক্ষার ৩০ মিনিট আগে প্রশ্নপত্রের প্যাকেট খুলে তা বণ্টন করতে হবে। এর এক মিনিট আগেও প্রশ্নপত্রের প্যাকেট খোলা যাবে না। কেউ খুলে ফেললে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তিনি আরো বলেন, প্রশ্নপত্রের প্যাকেট কেউ আগে খুলে ফেলছে কিনা তা তদারকি করতে নির্ধারিত একটি টিম থাকবে। এই টিম কেন্দ্রে কেন্দ্রে গিয়ে বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করবে। কোথাও প্রশ্নপত্র আগে খোলা হলে ওই কেন্দ্রের সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

পাঁচ শতাধিক প্রধান শিক্ষককে নিয়োগ

নিজস্ব প্রতিবেদক,২৪ জানুয়ারী: সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চলতি দায়িত্বে দুই জেলায় আরও পাঁচ শতাধিক শিক্ষককে পদায়ন দেয়া হবে। আগামী সপ্তাহে এ সংক্রান্ত নির্দেশনা জারি করা হবে বলে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে জানা গেছে।

মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা জানান, চলতি সপ্তাহে নেত্রকোনা, কুষ্টিয়া ও ঠাকুরগাঁও জেলায় ৭৭৬ জন শিক্ষককে চলতি দায়িত্বে প্রধান শিক্ষক পদে পদায়ন করা হয়েছে। আগামী সপ্তাহে কিশোরগঞ্জ ও মানিকগঞ্জ জেলার ৫২৩ জন জ্যেষ্ঠ সহকারী শিক্ষকদের প্রধান শিক্ষক চলতি দায়িত্ব দেয়া হবে।

জানা গেছে, সম্প্রতি প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর (ডিপিই) থেকে কিশোরগঞ্জ ও মানিকগঞ্জ জেলার প্রধান শিক্ষক শূন্য প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জ্যেষ্ঠ শিক্ষকদের তালিকা পাঠানো হয়। তালিকা অনুযায়ী মানিকগঞ্জ জেলায় ২৭৩ জন ও কিশোরগঞ্জে ২৫৫ জন শিক্ষক রয়েছে। চলতি সপ্তাহে মন্ত্রণালয় থেকে এ দুই জেলার প্রধান শিক্ষক পদায়নের নির্দেশনা জারি করা হবে।

এ বিষয়ে প্রাথমিক ও গণ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. গিয়াসউদ্দিন আহমেদ শিক্ষাবার্তাকে বলেন, জ্যেষ্ঠতার ভিত্তিতে মানিকগঞ্জ ও কিশোরগঞ্জের তালিকা চূড়ান্ত করা হয়েছে। আগামী সপ্তাহে এ সংক্রান্ত নির্দেশনা জারি করা হবে। এ দুই জেলার ৫২৩ জন জ্যেষ্ঠ সহকারী শিক্ষককে চলতি দায়িত্বে প্রধান শিক্ষক পদে দায়িত্ব দেয়া হবে।

তিনি বলেন, এটি একটি চলমান প্রক্রিয়া। পর্যায়ক্রমে সব জেলার প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক শূন্য আসনে চলতি দায়িত্বে পদায়ন করা হবে।

তিনি আরও বলেন, ইতোমধ্যে সাত জেলার প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জ্যেষ্ঠ সহকরী শিক্ষকদের প্রধান শিক্ষকের চলতি দায়িত্বে পদোন্নতি দেয়া হয়। এছাড়াও মেহেরপুর, ফরিদপুর জেলার শিক্ষকদের তালিকা তৈরি করা হচ্ছে। জ্যেষ্ঠতার ভিত্তিতে তাদেরকেও এ দায়িত্ব দেয়া হবে।

জানা যায়, জ্যেষ্ঠ শিক্ষকদের তালিকা প্রণয়নে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরকে দায়িত্ব দেয়া হয়। সে তালিকার ভিত্তিতে মন্ত্রণালয় থেকে যোগ্য শিক্ষকদের পদায়নে অনুমোদন দেয়। অধিদফতর সেসব শিক্ষকদের প্রধান শিক্ষক পদে পদায়ন করে থাকে।

উল্লেখ্য, গত ২৩ মে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকের শূন্য স্থানে জ্যেষ্ঠ সহকারী শিক্ষকদের দায়িত্ব দেয়ার ঘোষণা দেন।

নিজের মেয়েকে এপিএস করলেন প্রতিমন্ত্রী

ডেস্ক,২৪ জানুয়ারী : নিজের মেয়েকে সহকারী একান্ত সচিব (এপিএস) করলেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদ্রাসাশিক্ষা বিভাগের নতুন প্রতিমন্ত্রী কাজী কেরামত আলী। প্রতিমন্ত্রীর অভিপ্রায় অনুযায়ী আজ মঙ্গলবার এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। তাঁর নাম কানিজ ফাতেমা।

জাতীয় বেতন স্কেলের ২২ হাজার টাকার মূল স্কেলে তাঁকে বেতন দেওয়া হবে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, প্রতিমন্ত্রী যত দিন এ পদ অলংকৃত করবেন বা কানিজ ফাতেমাকে এই পদে যত দিন রাখার ইচ্ছা প্রকাশ করবেন, তত দিন পর্যন্ত এ আদেশ কার্যকর হবে।

কানিজ ফাতেমা প্রতিমন্ত্রীর একমাত্র সন্তান।

রাজবাড়ীর সাংসদ কাজী কেরামত আলী ৩ জানুয়ারি কারিগরি ও মাদ্রাসাশিক্ষা বিভাগের প্রতিমন্ত্রী হন।

ঘুষ লেনদেন: মোতালেব-নাসির সাময়িক বরখাস্ত হচ্ছেন

ঢাকা: ঘুষ লেনদেনের অভিযোগে শিক্ষামন্ত্রীর ব্যক্তিগত কর্মকর্তা (পিও) মো. মোতালেব হোসেন ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উচ্চমান সহকারী নাসিরউদ্দিন সাময়িক বরখাস্ত হচ্ছেন।
আজ মঙ্গলবার কর্মকর্তারা এসব কথা জানান।
ঘুষ লেনদেনের অভিযোগে মোতালেব হোসেন ও নাসিরউদ্দিনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে পুলিশের গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)। তাঁরা গ্রেপ্তার আছেন।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব মো. সোহরাব হোসাইন জানান, গ্রেপ্তার হওয়া দুই কর্মকর্তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হচ্ছে।
মন্ত্রণালয়ের একজন অতিরিক্ত সচিব বলেন, পিও মোতালেব হোসেনকে মন্ত্রণালয় থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হবে। আর নাসিরউদ্দিনকে প্রেষণ-প্রত্যাহার করে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরে সাময়িক বরখাস্তের জন্য বলা হচ্ছে।
নাসিরউদ্দিন মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের কর্মচারী ছিলেন। কিন্তু তিনি প্রেষণে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে কাজ করতেন।

ভিসির কার্যালয়ের গেট ভেঙ্গে শিক্ষার্থীদের অবস্থান

ঢাকা: কয়েক দফা দাবিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) উপাচার্যের (ভিসি) কার্যালয় ঘেরাও করেছেন ‘নিপীড়নবিরোধী শিক্ষার্থীবৃন্দের’ ব্যানারে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা।
আজ মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে অপরাজেয় বাংলার পাদদেশে জড়ো হয়ে মিছিল শুরু করেন শিক্ষার্থীরা।
পরে মিছিলটি টিএসসি, কলাভবন, বিজনেস ফ্যাকাল্টি, বিজনেস স্টাডিজ অনুষদ ঘুরে উপাচার্য কার্যালয়ের সামনে আসে।


শিক্ষার্থীদের দাবির মধ্যে রয়েছে- অধিভুক্ত ৪ কলেজ বাতিলের দাবিতে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা, যৌন নিপীড়নকারী ছাত্রলীগ নেতাদের বহিষ্কার, প্রশাসনের করা নিপীড়নবিরোধী শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে অজ্ঞাতনামা মামলা প্রত্যাহার, দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ প্রক্টরের পদত্যাগ।
এর আগে গত রোববার তিন দফা দাবি আদায়ে মঙ্গলবার পর্যন্ত সময় বেঁধে দেন শিক্ষার্থীরা। দাবি আদায় না হওয়ায় আজ আবারও আন্দোলনে নেমেছেন তারা।

সরকারি কর্মচারিদের জন্য বেশি দামের পোষাক

আনিসুর রহমান তপন : ১৬ থেকে ২০তম গ্রেডের সরকারি কর্মচারিরা এখন থেকে আরো বেশি দামের পোষাক ও আনুষাঙ্গিক দ্রব্যাদি পাবেন। আগে একজন কর্মচারি পোষাকের জন্য দেড় হাজার টাকা পেলেও এখন তা উন্নীত করে আড়াই হাজার টাকা বরাদ্ধ করে আদেশ জারি করেছে সরকার।

সম্প্রতি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা পরিপত্রে বলা হয়েছে, গ্রীষ্মকালের পোশাক হিসেবে পুরুষ কর্মচারীরা প্রতি দুই বছরের জন্য এক সেট ফুল সাফারি বাবদ ২ হাজার ৫শ টাকা এবং এক সেট হাফ সাফারী সেট মজুরীসহ ২ হাজার ৫শ করে পাবেন। এরআগে এ জন্য ১ হাজার ৬শ টাকা বরাদ্ধ ছিল। প্রতি বছর ১ হাজার ৮শ টাকা দামের এক জোড়া কালো অক্সফোর্ড জুতা পাবেন কর্মচারিরা। আগে যা ছিল ১ হাজার টাকা। ১০০ টাকার পরিবর্তে কর্মচারীরা এখন পাবেন ১৫০ টাকার দুই জোড়া কালো মোজা। কর্মচারিরা প্রতি বছরের জন্য ৩শ টাকা দামের কালো রংয়ের একটি ছাতা পাবেন। এছাড়া পরিপত্র অনুযায়ী, শীতকালীন পোষাক ও শার্ট পাবেন পুরুষ কর্মচারিরা।

সরকারি নারী কর্মচারীরা দুই বছরের জন্য গ্রীষ্মকালীন পোশাক হিসেবে ৫ হাজার টাকা দামের দুটি জর্জেট ও দুটি সুতি শাড়িসহ ব্লাউজ, পেটিকোট পাবেন। আগে ৪টি শাড়ি, ব্লাউজ পেটিকোটের জন্য মোট ২ হাজার ৫০০ টাকা পেতেন তারা।

নারীরা প্রতি বছরের জন্য এক হাজার ৮০০ টাকা মূল্যের দুই জোড়া জুতা পাবেন। আর ১৫০ টাকার দুই জোড়া মোজা পাবেন। আগে জুতার জন্য ৯০০ টাকা ও মোজার জন্য ১০০ টাকা পেতেন। নারীরা প্রতি বছরের জন্য ৩’শ টাকা দামের একটি রঙিন ছাতা পাবেন। যা আগে ২০০ টাকা ছিল। এছাড়া অন্যান্য ঋতুভিত্তিক পোশাকের ক্ষেত্রে পুরুষদেও মতো নারীরাও নির্ধারিত বরাদ্ধ পাবেন।

শিক্ষামন্ত্রীর ব্যক্তিগত কর্মকর্তাসহ ‘নিখোঁজ’ তিনজন ডিবিতে

নিজস্ব প্রতিবেদক,২১ জানুয়ারী : গত দু’দিনে রাজধানী থেকে শিক্ষামন্ত্রীর ব্যক্তিগত কর্মকর্তাসহ নিখোঁজ তিনজনকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। গোয়েন্দা ও অপরাধ তথ্য বিভাগের একটি দল রাজধানীর গুলশান ও বসিলা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে তাদের গ্রেফতার করে।

গ্রেফতাররা হলেন, মো. খালেদ হাসান মতিন, মো. নাসিরুদ্দিন ও মো. মোতালেব হোসেন।

ডিবি পুলিশ সূত্রে জানানো হয়, ২১ জানুয়ারি রাত সাড়ে ৮টায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের রিসিভ ও ডেসপাস শাখার উচ্চমান সহকারী মো. নাসিরুদ্দিনকে এক লাখ ত্রিশ হাজার টাকাসহ গুলশান এলাকা হতে গ্রেফতার করা হয়। পরবর্তী সময়ে তার সঙ্গে যোগাযোগের সূত্রধরে মোতালেব হোসেনকে গ্রেফতার করা হয়।

অপর এক অভিযানে লেকহেড স্কুলের মো. খালেদ হাসান মতিনকে গুলশান এলাকা হতে গ্রেফতার করা হয়।

ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপ-কমিশনার মাসুদুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার রাত ১১টা থেকে রাজধানীর বনানী এলাকা থেকে নিখোঁজ হন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মচারী নাসির উদ্দিন। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের গ্রহণ ও বিতরণ শাখার উচ্চমান সহকারী।

এ ঘটনায় রাজধানীর বনানী থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন নাসিরের শ্বশুর আব্দুল মান্নান।

শনিবার বিকেল ৪টায় গুলশান-১ এর ১৩৫ নম্বর রোডে অবস্থিত লেকহেড গ্রামার স্কুলের সামনে থেকে মতিন নিখোঁজ হন।

শনিবার সন্ধ্যায় গুলশান থানায় এ জিডি করেন মতিনের অফিসের স্টাফ ইদ্রিস আলী। জিডি নম্বর-১৩৭৮।

সর্বশেষ শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদের ব্যক্তিগত কর্মকর্তা মোতালেব হোসেনকে তুলে নেয়ারর অভিযোগে হাজারীবাগ থানায় জিডি করা হয়।

জিডিতে উল্লেখ করা হয়, শনিবার বিকেল ৩টার দিকে রাজধানীর বছিলা থেকে অজ্ঞাত ব্যক্তিরা তুলে নিয়ে গেছে।

এ ব্যাপারে থানা পুলিশ জানায়, বছিলা ব্রিজের কাছে মোতালেব হোসেনের বাড়ি নির্মাণের কাজ চলছে। গতকাল বিকেলে তিনি নির্মাণ কাজ দেখতে যান। এ সময় তিন-চারজন নির্মাণাধীন ভবনের নিরাপত্তারক্ষীর কাছে মোতালেব সম্পর্কে জানতে চায়। মোতালেব ছাদে আছেন জানার পর তারা সেখানে যায়। বাড়ি ভাড়া নেয়ার কথা বলে তাকে নিচে নামিয়ে এনে মাইক্রোবাসে তুলে নিয়ে যায় তারা। মোতালেবের গ্রামের বাড়ি ঝালকাঠি। রাজধানীর গ্রিন রোডে সরকারি স্টাফ কোয়ার্টারে তিনি থাকতেন।

মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের যুগ্ম কমিশনার আব্দুল মতিন জানান, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের গ্রহণ ও বিতরণ শাখার উচ্চমান সহকারী নাসিরের কাছে নগদ এক লাখ ৩০ হাজার টাকা পাওয়া গেছে।

আর শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে নানা দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে মোতালেব ও নাসিরুদ্দিনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। খালেদ হাসান মতিনকে গ্রেফতার করা হয়েছে জঙ্গিবাদে অর্থায়নের অভিযোগে।

সরাসরি খারাপ কাজের জন্য আমাকে অফার করা হয়েছে

ডেস্ক,২১ জানুয়ারী: মানবাধিকার সংগঠন আইন ও শালিস কেন্দ্র বলছে, ২০১৭ সাল জুড়ে ধর্ষণের ঘটনার সংখ্যা যেমন বেড়েছে, সেই সাথে বেড়েছে যৌন সহিংসতায় নিষ্ঠুরতা ও ভয়াবহতা। বাংলাদেশে টেলিকম কোম্পানির যেসব বিজ্ঞাপন ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়েছে তার একটি ছিল কাস্টমার কেয়ার সার্ভিস নিয়ে নির্মিত একটি বিজ্ঞাপন, যেখানে অভিনয় করে রীতিমত তারকা হিসেবে দর্শকপ্রিয়তা পেয়েছিলেন মডেল ফারহানা শাহরিন ফারিয়া। খবর বিবিসির।

সম্প্রতি মিডিয়া জগতের কাজের ক্ষেত্রে নানারকম হয়রানির কথা উঠে এসেছে তার এক মডেল ফারহানা শাহরিন ফারিয়ার সাক্ষাতকারে। বিবিসি বাংলাকে তিনি বলছিলেন মিডিয়া জগতে কাজ করতে হলে তার ভাষায় ‘স্যাক্রিফাইস’ করতে হয়।

ফেসবুকে লাইভ ভিডিওতে এবং একাধিক স্ট্যাটাসে হয়রানির বিষয়টিতে কথা বলেছেন ফারহানা শাহরিন ফারিয়া। তিনি বলেন, আমি ছিলাম লাক্স চ্যানেল আই সুপারস্টার ২০০৭ এর সেকেন্ড রানার আপ। মূলত যখন আমি বাংলালিংক কাস্টমার কেয়ারের বিজ্ঞাপন করি তারপর থেকে বিভিন্ন মানুষের কাছ থেকে বাজে প্রস্তাব পাই”, বলেন ফারিয়া।

কিন্তু এটি নিয়ে আগে মুখ খোলেননি কেন? জানতে চাইলে তিনি জানান, সবসময়ই তিনি এ বিষয়ে প্রতিবাদ করে আসছেন। যার জন্য অনেক বড় বড় কাজ হারাতে হয়েছে তাকে।

তিনি বলেন ‘সরাসরি অফার করা হয়েছে। বলা হয়েছে, আমাদের সাথে ‘পার্সোনাল রিলেশন’ মেইনটেইন করতে হবে। কেন আমি পার্সোনাল রিলেশন রাখবো? আমার কোয়ালিটি, বিউটি দিয়ে আমি কাজ করবো। এই অফারগুলির কারণে আমাকে অনেক কাজ ছেড়ে দিতে হয়েছে। যেখানে আমার মনে হয়েছে আমার কোয়ালিটির চেয়ে ‘স্যাক্রিফাইস’ টা বেশি গুরুত্বপূর্ণ।’

কেন আমাকে কাজের অফার দেয়া হলো তার সাথে এমন শর্ত দেয়া হলো? কিন্তু বাংলাদেশে কাজ দেয়ার নাম করে যৌন হেনস্থার অভিযোগ তার মত অনেকের কাছ থেকেই সংবাদ মাধ্যমে উঠে আসে। কিন্তু এগুলোকে কতটা গুরুত্ব দেন ইন্ডাস্ট্রির নেতৃত্ব স্থানীয় পরিচালকরা?

চলচ্চিত্র পরিচালক প্রযোজক সোহানুর রহমান সোহানের কাছে প্রশ্ন রাখা হলে তিনি বলেন, ‘এখানে ভালো খারাপ অনেক মানুষ আছে। কেউ ফিল্মকে হয়তো খারাপভাবে ব্যবহার করছে। তিনি (ফারিয়া) হয়তো এরকম কারো পাল্লায় পড়েছেন। দীর্ঘ ৪০ বছর কাজ করছি। তবে আমার ক্ষেত্রে এমন কখনো ঘটেনি। আবার অনেকসময় কেউ কেউ আমাদেরও প্রস্তাব দিয়ে সুযোগ নিতে চায়, যেটা কখনো সম্ভব না’।

তবে অভিযোগ থাকলে প্রমাণ নিয়ে প্রযোজক বা পরিচালক সমিতিতে জানালে তারা ব্যবস্থা নেবেন বলে তিনি উল্লেখ করেন।

শুধুমাত্র বিশ্বাসযোগ্য খবরই ‘নিউজ ফিডে’ দেখাবে ফেসবুক

ডেস্ক,২০ জানুয়ারী: এবার থেকে বিশ্বাসযোগ্য খবর ‘বুস্ট’ (গ্রাহকদের কাছে নির্দিষ্ট খবর পৌঁছে দেয়া) করবে ফেসবুক। এ জন্য ফেসবুক ব্যবহারকারীদের মধ্যে জরিপ চালাবে ফেসবুক।

জরিপে গ্রাহকদের কাছে জানতে চাওয়া হবে তারা কোন সংবাদমাধ্যমের খবর বিশ্বাস করে। সে ফলাফল থেকেই নির্ধারণ করা হবে কোন সংবাদমাধ্যম বেশি নির্ভরযোগ্য। এরপর সেসব সংবাদমাধ্যমের খবরই বেশি বেশি ফেসবুক ব্যবহারকারীদের কাছে পৌঁছে দেবে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ।

ফেসবুকের প্রতিষ্ঠাতা ও নির্বাহী মার্ক জাকারবার্গ বলেছেন, নিউজ ফিডে ৫ শতাংশের জায়গায় এখন থেকে ৪ শতাংশ খবর দেখাবে ফেসবুক। ফেসবুক ব্যবহার করে ভুয়া খবর ছড়িয়ে দেয়া ও এটিকে নেতিবাচকভাবে প্রচারের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার কমাতে এ উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। সূত্র : বিবিসি

অবশেষে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের দ্বিতীয় শ্রেণির পদমর্যাদা, বিস্তারিত জানুন

জুমবাংলা ডেস্ক,২০ জানুয়ারী : সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের দ্বিতীয় শ্রেণীর পদমর্যাদা এবং সহকারী শিক্ষকদের বেতন স্কেল একধাপ উন্নীত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। গত রোববার সচিব কমিটির সভায় ওই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। সে অনুযায়ী মঙ্গলবার এ সংক্রান্ত আদেশ জারি হওয়ার কথা ছিল। তবে কৌশলগত কারণে তা আপাতত হচ্ছে না। এ ধরনের পদের আপগ্রেডেশন আর বেতন স্কেল উন্নীত করার দাবি প্রাথমিক শিক্ষকদের দীর্ঘদিনের। এ নিয়ে তারা রাজপথের আন্দোলন পর্যন্ত করেছেন। এমনকি দিনের পর দিন বিদ্যালয়ে তালা ঝুলিয়ে তারা কর্মবিরতি পালন করেন। শেষপর্যন্ত সেই দাবি তাদের পূরণ হল। দায়িত্বশীল সূত্র জানায়, অর্থ মন্ত্রণালয় বিষয়টিতে সম্মতি আর সচিব কমিটির অনুমোদনের পরও এ ব্যাপারে আদেশ জারি করতে কৌশলের আশ্রয় নিতে হচ্ছে সরকারকে। এর অন্যতম কারণ হচ্ছে, নির্বাচনী তফসিল ঘোষণা। সারা দেশে ভোট গ্রহণের ক্ষেত্রে প্রাথমিক শিক্ষকদের কেউ প্রিসাইডিং অফিসার আবার কেউ সহকারী প্রিসাইডিং অফিসারের দায়িত্ব পালন করে থাকেন। তাই তফসিল ঘোষণা হয়ে যাওয়ায় এ মুহূর্তে শিক্ষকদের দেয়া সুবিধার বিষয়টি নিয়ে আপত্তি উঠতে পারে বলে সরকারের সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

রোববার সচিবালয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আন্তঃমন্ত্রণালয়ের সচিব কমিটির বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। ওই সভায়ই প্রাথমিক শিক্ষকদের উল্লিখিত বিষয়টি অনুমোদন হয় বলে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব কাজী আখতার হোসেন সাংবাদিকদের জানান। তিনি এও জানান, এ ব্যাপারে তার মন্ত্রণালয় থেকে কোনও প্রজ্ঞাপন জারি হবে না। কারণ এটি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের এখতিয়ার। সেখান থেকেই প্রজ্ঞাপন বা অন্য যা-ই করা হোক হবে। তাদের বিষয়টি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে অবহিত করা হবে মাত্র। তিনি আরও বলেন, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের দ্বিতীয় শ্রেণীর পদমর্যাদা এবং সহকারী শিক্ষকদের বেতন স্কেল উন্নীতকরণের বিষয়টি ঘোষণা এখন একটি আনুষ্ঠানিকতার বাকি মাত্র।
মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব এসএম আশরাফুল ইসলাম বলেন, এ ব্যাপারে মঙ্গলবারই আদেশ জারি হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু তা হয়েছে কিনা তিনি জানেন না। বলেন, শিক্ষকদের দুটি দাবি মেনে নিতে সরকারকে বছরে ৫শ’ কোটির বেশি টাকা অতিরিক্ত ব্যয় করতে হবে। তবে ওই অর্থ এ বছর অর্থ মন্ত্রণালয়কে দিতে হবে। প্রয়োজনীয় অর্থ বাজেটে রয়েছে। জানা গেছে, জাতীয় বেতন স্কেল ২০০৯ অনুযায়ী বর্তমানে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক (প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত) ১৩তম গ্রেডে বেতন ও সুবিধাদি পাচ্ছেন। প্রশিক্ষণবিহীন প্রধান শিক্ষক পাচ্ছেন ১৪তম গ্রেডে। প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত সহকারী শিক্ষক ১৫তম গ্রেড এবং প্রশিক্ষণবিহীন সহকারী শিক্ষক ১৬তম গ্রেডে বেতন ও সুবিধাদি পাচ্ছেন। সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের দ্বিতীয় শ্রেণীর কর্মকর্তার পদমর্যাদা বৃদ্ধি পেলে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক ১০ম এবং প্রশিক্ষণবিহীন প্রধান শিক্ষক ১১তম গ্রেডে বেতন ও সুবিধাদি পাবেন। এছাড়া সহকারী শিক্ষকদের বেতন স্কেল উন্নীত হলে সেক্ষেত্রে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত সহকারী শিক্ষক ১৩তম গ্রেড এবং প্রশিক্ষণবিহীন সহকারী শিক্ষক ১৪তম গ্রেডে বেতন ও সুবিধাদি পাবেন। দেশে বর্তমানে প্রায় ৩৮ হাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। এর বাইরে নতুন করে জাতীয়করণ করা ২৬ হাজার বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরাও এ সুবিধা পাবেন।

hit counter