ঢাকা, নিজস্ব প্রতিবেদক:
সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বহুল প্রত্যাশিত নবম জাতীয় পে-স্কেল বাস্তবায়নের প্রক্রিয়া আরও দীর্ঘায়িত হচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে সরকারের উচ্চপর্যায়ে আলোচনা চললেও এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ঘোষণা করা হয়নি।
সচিবালয় সূত্রে জানা গেছে, প্রস্তাবিত বেতন কাঠামো নিয়ে গঠিত কমিটি এখনো বিস্তারিত পর্যালোচনা করছে। দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি, বাজেট সক্ষমতা এবং মূল্যস্ফীতি বিবেচনায় নিয়েই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
📊 পে-স্কেল নিয়ে কী প্রস্তাব আছে
প্রস্তাবিত কাঠামোয় বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের সুপারিশ করা হয়েছে—
- 🔹 সর্বনিম্ন বেতন: ২০,০০০–৩৫,০০০ টাকা
- 🔹 সর্বোচ্চ বেতন: ১,২০,০০০–১,৬০,০০০ টাকা
- 🔹 বর্তমান ২০ গ্রেড কমিয়ে ১২ গ্রেডে আনার প্রস্তাব
- 🔹 টাইম স্কেল ও সিলেকশন গ্রেড পুনর্বহালের আলোচনা
- 🔹 বাজারমূল্যের সাথে সমন্বিত সুবিধা (রেশন/ভাতা)
💰 বেতন বাড়তে পারে কতটা
সূত্র মতে—
👉 গড়ে প্রায় ১০৫% পর্যন্ত বেতন বৃদ্ধির সুপারিশ করা হয়েছে
👉 নিম্ন গ্রেডে বৃদ্ধি হতে পারে ১৪০% পর্যন্ত
👉 উচ্চ গ্রেডে তুলনামূলক কম (প্রায় ৮০%)
🧾 পেনশনভোগীদের জন্য সম্ভাব্য সুবিধা
- কম পেনশনপ্রাপ্তদের জন্য ১০০% পর্যন্ত বৃদ্ধি
- ৭৫ বছরের বেশি বয়সীদের জন্য ১০,০০০ টাকা চিকিৎসা ভাতা প্রস্তাব
🏛️ সরকারের বর্তমান অবস্থান
সরকার এখনো নির্দিষ্ট সময় ঘোষণা না করলেও কিছু ইঙ্গিত পাওয়া গেছে—
- 📌 ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে বরাদ্দের পরিকল্পনা
- 📌 ধাপে ধাপে বাস্তবায়নের চিন্তা
- 📌 সম্ভাব্য সময়: জুলাই ২০২৬ থেকে কার্যকর
📣 কর্মচারীদের দাবি
সরকারি কর্মচারী সংগঠনগুলোর প্রধান দাবিগুলো—
- অবিলম্বে নবম পে-স্কেল ঘোষণা
- অন্তর্বর্তীকালীন ৫০% মহার্ঘ ভাতা
- বাজেটে পর্যাপ্ত বরাদ্দ















