ঢাকা, নিজস্ব প্রতিবেদক:
দেশের চলমান অর্থনৈতিক চাপ ও আর্থিক সংকটের মধ্যেও সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশিত নবম জাতীয় পে-স্কেল আংশিকভাবে বাস্তবায়নের পরিকল্পনা করছে সরকার। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে, আগামী অর্থবছরের শুরু অর্থাৎ জুলাই থেকে প্রথম ধাপে মূল বেতন ৫০ শতাংশ বৃদ্ধির প্রস্তাব বিবেচনায় রয়েছে।
তবে সরকারের পক্ষ থেকে এখনো এ বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক গেজেট বা চূড়ান্ত প্রজ্ঞাপন প্রকাশ করা হয়নি।
বাজেটে বাড়তি বরাদ্দের পরিকল্পনা
সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, নতুন অর্থবছরের বাজেটে পে-স্কেলের প্রথম ধাপ বাস্তবায়নের জন্য অতিরিক্ত অর্থ বরাদ্দের পরিকল্পনা রয়েছে। এতে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা খাতে ব্যয় উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেতে পারে।
বর্তমানে বেতন-ভাতা খাতে সরকারের অন্যতম বড় ব্যয় বরাদ্দ রয়েছে এবং নতুন স্কেল কার্যকর হলে এ খাতে ব্যয় আরও বাড়বে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
কমিশনের প্রস্তাবিত বেতন কাঠামো
পে-কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী—
- সর্বনিম্ন মূল বেতন: ৮,২৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০,০০০ টাকা
- সর্বোচ্চ মূল বেতন: ৭৮,০০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১,৬০,০০০ টাকা
প্রস্তাবিত এই কাঠামোতে নিম্ন গ্রেডের কর্মচারীদের বেতন বৃদ্ধির হার তুলনামূলক বেশি রাখা হয়েছে।
তিন ধাপে বাস্তবায়নের সম্ভাব্য পরিকল্পনা
প্রথম ধাপ (জুলাই)
- মূল বেতনের ৫০% বৃদ্ধি কার্যকর
দ্বিতীয় ধাপ
- অবশিষ্ট বেতন বৃদ্ধি কার্যকর
তৃতীয় ধাপ (২০২৮-২৯ অর্থবছর)
- বিভিন্ন ভাতা, সুবিধা ও অন্যান্য আর্থিক সুবিধা যুক্ত করা
ফলে কমিশনের পূর্ণাঙ্গ সুপারিশ বাস্তবায়নে আরও কয়েক বছর সময় লাগতে পারে।
এখনো চূড়ান্ত নয়
সংশ্লিষ্ট মহল বলছে, নবম পে-স্কেল নিয়ে বিভিন্ন পর্যায়ে আলোচনা চললেও সরকারের আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত ছাড়া কোনো তথ্যকে চূড়ান্ত হিসেবে ধরা যাবে না।
অর্থ মন্ত্রণালয় ও সরকারের উচ্চপর্যায়ের অনুমোদনের পরই এ বিষয়ে চূড়ান্ত ঘোষণা আসবে।











