Home » নিউজ (page 53)

নিউজ

ঢাবির সেই শিক্ষককে বহিষ্কার না করলে কঠোর ‌‌আন্দোলন: হেফাজত

hefajot news (1)ঢাকা: হিজাব পরার জন্য ছাত্রীকে ক্লাসরুম থেকে বের করে দেয়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ড. আজিজুর রহমানকে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিষ্কারের দাবি জানিয়েছে হেফাজতে ইসলাম। অন্যথায় ইসলামের প্রতি শ্রদ্ধাশীল দলমত নির্বিশেষে সকল শ্রেণীর মা-বোনদের ইজ্জত রক্ষার্থে রাজপথে নেমে আসতে বাধ্য হবে হেফাজতে ইসলাম।

শনিবার বিকেলে জামিয়া মাদানিয়া বারিধারা মিলনায়তনে হেফাজতে ইসলামীর জরুরি সভায় সভাপতির বক্তব্যে এই কথা বলেন সংগঠনের ঢাকা মহানগর আহ্বায়ক আল্লামা নূর হোসাইন কাসেমী।

কাসেমী বলেন, “নাস্তিকদের প্রেতাত্মা ড. আজিজুর রহমানকে জাতির সামনে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে হবে। অমার্জনীয় অপরাধের জন্য অবিলম্বে আজিজকে শিক্ষকতার পদ থেকে বহিষ্কার করতে হবে। অন্যথায় আবারও ঈমান রক্ষায় রাজপথে নেমে আসবে হেফাজতের লক্ষ লক্ষ সৈনিক।”

আল্লামা নূর হোসাইন কাসেমী বলেন, “দেশের সর্বত্র যখন অস্থিরতা চলছে। দেশপ্রেমিক দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা যখন পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে সাধ্যানুযায়ী চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। সে মুহুর্তে ৯২ শতাংশ মুসলমানের দেশের সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে কোন খুঁটির জোরে, কাকে খুশি করার জন্য একজন হিজাব পরিহিতা ছাত্রীকে ক্লাশরুম থেকে বের করে দেয়া হলো। শুধু তাই নয়, যেসব সহপাঠী প্রতিবাদ করলেন, তাদেরও বের করে দেয়া হলো। এই ঘটনা কি সংবিধানবিরোধী ও মানবতাবিরোধী আচরণ নয়?”

কাসেমী সরকারের উদ্দেশ্যে বলেন, “ দেশবাসী জানতে চায়, আপনারা কি দেশটাকে রামরাজ্য বানাতে চান? আমরা এদেশে বহু ধর্ম ও মতের মানুষ শান্তি-শৃঙ্খলার পরিবেশে সহাবস্থানে বিশ্বাসী। শান্তির পরিবেশে অশান্তি সৃষ্টি করার চেষ্টা করবেন না। আমরা পরিষ্কার বলে দিতে চাই, পীর আউলিয়ার এ দেশে মুসলিম ঐহিত্য ও ইসলামিক কৃষ্টিকালচার ভালো না লাগলে তাসলিমা নাসরিনের মতো যেখানে ভালো লাগে সেখানে চলে যান। দেশবাসী ইসলামী তাহযীব-তামাদ্দুন ও শরয়ী বিধি-বিধান নিয়ে উপহাস আর অপমানজনক আচরণ করবেন না।”

সভায় আরো বক্তব্য রাখেন হেফাজতে ইসলামীর ঢাকা মহানগরীর যুগ্ম আহবায়ক মাওলানা আবুল কালাম, হাফেজ মাওলানা আতাউল্লাহ হাফিজ্জী, মাওলানা জহিরুল হক ভূইয়া, ড. আহমদ আব্দুল কাদের, মাওলানা আবু জাফর কাসেমী, মাওলানা মুজিবুর রহমান হামিদী, যুগ্ম সদস্যসচিব মাওলানা ফজলুল করীম কাসেমী, মাওলানা বাহাউদ্দিন যাকারিয়া, মাওলানা আহমদ আলী কাসেমী, আতীকুজ্জামান, মুফতি ফখরুল ইসলাম, মাওলানা ফয়সাল আহমদ, মাওলানা শরীফুল্লাহ ও মাওলানা হাবীবুল্লাহ ইসলামপুরী।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

আবারও লাঞ্ছনার শিকার কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রীরা

কুমিল্লা প্রতি1433607125নিধি : আবারও লাঞ্ছনার শিকার হয়েছেন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রীরা। সর্বশেষ গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের বাসভবনের সামনের রাস্তায় মটরবাইক আরোহী বখাটের দ্বারা কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী লাঞ্ছিত হওয়ার ঘটনা ঘটে। এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা প্রশাসনের সমালোচনা করে প্রতিবাদের ঝড় তুলেছেন।

প্রত্যক্ষদর্শী একজন শিক্ষার্থী নাম প্রকাশ না করার শর্তে এ প্রতিবেদককে জানান, বৃহস্পতিবার উপাচার্যের বাসভবনের সামনের রাস্তা দিয়ে ক্যাম্পাসের ফটকের দিকে যাচ্ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের তিনজন ছাত্রী। এ সময় তাদের পিছন দিক থেকে হর্ণ বাজিয়ে আসছিল একটি মটরবাইক। ঐ মটরবাইকে দুইজন আরোহী ছিলেন। তারা মটরবাইকের গতি কমিয়ে দিয়ে পাশাপশি হাটতে থাকা তিনজন ছাত্রীর মধ্যে একজনের নিতম্বে থাপ্পড় মেরে দ্রুত চলে যায়।

লাঞ্ছনার আতঙ্কে দিন পার করছেন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রীরা। সম্প্রতি কয়েকটি ঘটনায় তাদের মাঝে এ আতঙ্ক বিরাজ করছে। চলতি বছরের শুরু থেকে থেকে এপ্রিল মাস পযর্ন্ত ছিনতাই, মারধর, বিশ্ববিদ্যালয়ের বাসে চলাকালে গায়ে রং ছিটিয়ে মারধর করা, এমন কি হত্যার হুমকিরও শিকার হচ্ছেন বাংলা বিভাগের অষ্টম ব্যাচের শিক্ষার্থী নওশাদ আহমেদ কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় বার্তা নামের ফেইসবুক গ্রুপে লেখেন, ‘নির্বিকার প্রশাসনের কাছে কতটুকু নিরাপদ কুবির ছাত্র-ছাত্রীরা’, তিনি বিভিন্ন সময় ছিনতাই, লাঞ্ছনা, মারধরের ঘটনার বিরুদ্ধে প্রশাসনের ভূমিকা প্রশ্নবিদ্ধ বলে উল্লেখ করেন।’

কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থী তারিক বিন তাসিন নিজ ফেইসবুক প্রোফইলে লেখেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়েল প্রাঙ্গনে আমাদের মেয়েরা কতটুকু নিরাপদ? বিশ্ববিদ্যালয়ের আশেপাশের এলাকার এই ছেলেপেলেগুলোর সাহসিকতা দেখে অবাক হয়ে যাই। তাদের এই সাহস এক দিনে হয়নি। দিনে দিনে প্রশাসনের দুর্বলতা আর হোমরা চোমরাদের তেলবাজি করে তারা নোংরামির সার্টফিকেট নিয়েছে, তারা এখন রাজা। বিশ্ববিদ্যালয়ের মেয়েরা তাদের নিজেস্ব সম্পত্তি! আঙ্গুলটা প্রশাসনের দিকে তুলছি।’

এ নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষর্থীরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুকে সমালোচনার ঝড় তোলেন। এ রকম পরিস্থিতির জন্য তারা প্রশাসনের নির্বিকার ভূমিকাকে দায়ী করেন তারা। পূর্বের ঘটনাসমূহের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা না নেওয়ার কারনে এখন হরহামেশাই ছাত্রীদের লাঞ্ছনার শিকার হতে হচ্ছে বলে মনে করেন শিক্ষার্থীরাএ বিষয়ে প্রক্টর মো: আইনুল হক বলেন, ‘মটরবাইক আরোহীর দ্বারা ছাত্রী লাঞ্ছনার ঘটনার বিষয় আমি জানি না এবং কোন অভিযোগও পাইনি। যে অভিযোগগুলো আমরা পাই তার বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা আমরা নিয়ে থাকি। লাঞ্ছনা রোধে বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের সদস্যদের সচেতনাও জরুরী।’

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

কুয়েটের ইটি বিভাগের পরিবর্তিত নাম ইএসই

খুলনা অফিস ॥ খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ব¦বিদ্যালয়ের (কুয়েট) যন্ত্রকৌশল অনুষদের অন্তর্ভুক্ত ‘এনার্জি টেকনোলজি’ (ইটি) বিভাগের নাম পরিবর্তন করে ‘এনার্জি সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং’ (ইএসই) বিভাগ করা হয়েছে। বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের অনুমোদনক্রমে বিভাগটির নাম পরিবর্তন করা হয়।
Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

আন্দোলনরত সরকারি নার্সদের সতর্ক করলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী

স্টাফ রি1461786304_78পোর্টার ॥ আন্দোলনরত সরকারি নার্সদের সতর্ক করে দিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম। তিনি বলেন, আইন কানুন ও শৃংখলা মেনে সরকারি কর্মকর্তা কর্মচারীকে চাকুরী করতে হবে। চাকুরী বিধি লংঘনকারীর বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কোন উস্কানিতে বিভ্রান্ত না হয়ে শৃংখলা ও আচরণ বিধি ভঙ্গঁ না করার জন্য তিনি সরকারি চাকুরীরত নার্সদেরকে নির্দেশ প্রদান করেন।

বুধবার সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে সরকারি হাসপাতালে নার্স নিয়োগ সংক্রান্ত মতবিনিময় সভায় সভাপতিত্বকালে তিনি একথা বলেন। স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী জাহিদ মালেক, মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব বিমান কুমার সাহা এনডিসি, বাংলাদেশ মেডিকেল এ্যাসোসিয়েশনের মহাসচিব অধ্যাপক ডাঃ ইকবাল আর্সলান, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ডাঃ শারফুদ্দিন আহমেদ, সেবা পরিদপ্তরের পরিচালক নিলুফার ফরহাদসহ মন্ত্রণালয়ের উর্দ্ধতন কর্মকর্তাবৃন্দ এসময় উপস্থিত ছিলেন।

৩ হাজার ৬০০ নার্স নিয়োগের আসন্ন পরীক্ষায় এক হাজার নম্বরের লিখিত পরীক্ষা থাকবে না এবং শুধুমাত্র ১০০ নম্বরের প্রিলিমিনারী ও ১০০ নম্বরের মৌখিক পরীক্ষা হবে জানিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, সরকারি হাসপাতালে নার্স সংকট সমাধান ত্বরান্বিত করার উদ্যোগের অংশ হিসেবে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অনুরোধের প্রেক্ষিতে পাবলিক সার্ভিস কমিশন লিখিত পরীক্ষা না নিতে সম্মতি দিয়েছে। তিনি বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নার্সদের প্রতি আন্তরিকভাবে সহানুভুতিশীল বলেই তাঁদের পদমর্যাদা দ্বিতীয় শ্রেণীতে উন্নীত করেছেন। সরকারও বেকার নার্সদের প্রতি সংবেদনশীল, তাই ৩ হাজার ৬০০ নার্স নিয়োগ ত্বরান্বিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আরো ১০ হাজার নার্সের পদ সৃষ্টি করা হয়েছে যার মধ্যে বর্তমান অর্থ বছরে ৭ হাজার নার্স নিয়োগ দেওয়া হবে। সরকারী চাকুরিতে নিয়োগ বিধি অনুযায়ী দ্বিতীয় শ্রেণীর পদে নিয়োগ পাবলিক সার্ভিস কমিশনের মাধ্যমে হতে হবে, একথা উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, চাকুরীর নিয়োগ বিধির বাইরে যাওয়ার সুযোগ মন্ত্রণালয়ের নাই। তিনি বলেন, দেশে নার্সিং এর মতো একটি মহান পেশার বিকাশ ঘটাতে সরকার আন্তরিক। এলক্ষ্যে নার্সিং পরিদপ্তরকে অধিদপ্তরে রূপান্তরের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে যা খুব শীঘ্রই সম্পন্ন হবে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

নারায়ণগঞ্জে সড়ক দুর্ঘটনায় এইচএসসি পরীক্ষার্থী নিহত ॥

নারায়ণগঞ্জ ॥ ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ পুরাতন সড়কের নারায়ণগঞ্জ শহরের মাসদাইর এলাকায় সিমেন্টভর্তি একটি কাভার্ডভ্যান একটি মোটর সাইকেলকে ধাপা দেয়। এতে মোটরসাইকেল চালক এইচএসসি পরীক্ষার্থী ইয়াছিন আরাফাত (২২) নিহত হয়েছে। এ ঘটনায় সিয়াম (২১) নামে মোটর সাইকেল আরোহী গুরুতর আহত হয়েছে। তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। নিহত ইয়াছিন আরাফাত ফতুল্লার পঞ্চবটি গুলশানের মফিজুল ইসলামের একমাত্র ছেলে। ঘটনাটি মঙ্গলবার দুপুরে।

পুলিশ ও প্রত্যদক্ষদর্শীরা জানায়, দুপুরে দুই বন্ধু মোটর সাইকেল যোগে চাষাঢ়ার অপর এক বন্ধুর কাছ থেকে থেকে সাজেশন নিয়ে বাসায় ফিরছিল। এ সময় তাদের মোটরসাইকেলটি মাসদাইর এলাকায় পৌঁছলে সিমেন্টবাহী একটি কাভার্ড ভ্যান (ঢাকা মেট্রো-উ-১১-১০৫৯) তাদের চাপা দেয়। এ সময় ঘটনাস্থলেই আরাফাত নিহত ও সিয়াম গুরুতর আহত হয়। নিহত ইয়াছিন আরাফাত ও আহত সিয়াম নারায়ণগঞ্জ কমার্স কলেজের এইচএসসি পরীক্ষার্থী।

ফতুল্লা থানার ওসি কামাল হোসেন জানান, কাভার্ডভ্যানের চাপায় মোটরসাইকেল আরোহী ইয়াছিন আরাফত ঘটনাস্থলে নিহত ও অপর একজনকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়ছে। দুর্ঘটনার পর ঘাতক কাভার্ডভ্যানটি চালকসহ আটক করা হয়েছে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

সেই মাদ্রাসার সহকারি শিক্ষক আশরাফুজ্জামান মন্ডলের গ্রেফতার দাবিতে মানববন্ধন

লালমনিরহাট ॥ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কে নিয়ে অশ্লীল কবিতা লিখে ফেসবুকে দিয়েছে মাদ্রাসার সহকারি শিক্ষক আশরাফুলজ্জামান মন্ডল সবুজ। তাকে গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে আজ সোমবার সকাল সাড়ে ১১ টায় জেলা শহরের বিডিআর গেট চত্বরে মানববন্ধ ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশে সাধারন গ্রামের মানুষসহ বিভিন্ন সংগঠনের কয়েক শতাধিক নেতা কর্মী অংশ নেয়।

জাতির জনককে নিয়ে অশ্লীল কবিতা লেখায় ৪দিন আগে লালমনিরহাট সদর থানায় তথ্য ও প্রযুক্তি আইনে মামলা দায়ের হয়। মামলা রেকর্ড হয়েছে। কিন্তু অদৃশ্য কারনে এই উগ্রমৌলবাদী মাদ্রাসার শিক্ষককে আটক করছেনা পুলিশ।

সমাবেশে মাদ্রাসার সহকারি শিক্ষক আশরাফুজ্জামান মন্ডল সবুজকে দ্রুত গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি তুলে। মানববন্ধন ও সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, ৭১’র ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির জেলা শাখার সদস্য সচিব সাংবাদিক জাহাঙ্গীর আলম শাহীন, জেলা যুবলীগের সভাপতি হুমায়ন কবির, জেলা সেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি মো. সাইফুল ইসলাম, সাধারন সম্পাদক এ্যাডঃ মো. শরিফুল ইসলাম রাজু, জেলা আওয়ামীলীগের অন্যতম সদস্য সাবেক ছাত্র নেতা এরশাদ হোসেন জাহাঙ্গীর, মামলার বাদি বঙ্গবন্ধু ছাত্রপরিষদের সাধারন সম্পাদক তন্ময় প্রমুখ।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

এবার হবে ইলেকট্রনিক পাসপোর্ট: প্রধানমন্ত্রী

অনলাইন রিপোর্টার ॥ উন্নতমানের নিরাপদ ভ্রমণ দলিল ‘ইলেকট্রনিক পাসপোর্ট বা ই-পাসপোর্ট’ প্রবর্তনের পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ঢাকা বিভাগীয় পাসপোর্ট ও ভিসা অফিস এবং দেশের ৯টি আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসের নবনির্মিত ভবনের উদ্বোধনকালে এ কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।

রবিবার আগারগাঁওয়ে বহিরাগমন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তরে এক অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, ‘আরও নতুন প্রযুক্তি এসে গেছে। ইলেকট্রনিক পাসপোর্টও আমরা ইনশায়াল্লাহ তৈরি করব, এ পরিকল্পনা ইতোমধ্যে গ্রহণ করেছি। প্রতিনিয়ত প্রযুক্তির পরিবর্তন ঘটছে। এই অধিদপ্তরকে ডিজিটাল ডিপার্টমেন্ট হিসেবেই আমরা গড়ে তুলতে চাই। বিশ্বের সঙ্গে আমাদের তাল মিলিয়ে চলতে হবে, এটা আমাদের মাথায় রাখতে হবে।’

রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বহিরাগমন ও পাসপোর্ট অধিদফতরে রবিবার সকালে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে ভবনগুলোর উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। ঢাকা বিভাগীয় পাসপোর্ট ও ভিসা অফিস ছাড়াও মানিকগঞ্জ, কুষ্টিয়া, পাবনা, পটুয়াখালী, ফেনী, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, কিশোরগঞ্জ, মুন্সিগঞ্জ ও দিনাজপুরে আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসের নতুন ভবনের উদ্বোধন করেন তিনি।

পাসপোর্ট সেবা সপ্তাহ-২০১৬ উপলক্ষে আয়োজিত এ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা পাসপোর্ট ও ইমিগ্রেশন সেক্টরকে আরও আধুনিক সেক্টরে পরিণত করতে চাই। আমাদের সরকার পাসপোর্ট সেবাকে জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে চায়। পর্যায়ক্রমে সারাদেশে আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস স্থাপন করা হবে বলেও জানান তিনি।

শেখ হাসিনা বলেন, তার নেতৃত্বাধীন সরকারের সময় ২০১০ সাল থেকে এমআরপি কার্যক্রম হাতে নেওয়া হয় এবং ‘পর্যায়ক্রমিকভাবে’ তা বাস্তবায়ন করা হয়। ইতোমধ্যে এক কোটি ৪০ লাখ মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট এবং তিন লাখ ২৬ হাজার মেশিন রিডেবল ভিসা দেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি। আধুনিক বিশ্বের সঙ্গে তাল মেলাতে না পারায় পূর্ববর্তী সরকারগুলোর সমালোচনা করেন প্রধানমন্ত্রী। বর্তমানে বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশের ৬৫টি মিশনে পাসপোর্ট ও ভিসা অফিস খোলা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

প্রধানমন্ত্রী দেশের অগ্রগতিসহ পাসপোর্ট অধিদফতরের উন্নয়নে তার সরকারের নানা পদক্ষেপ তুলে ধরেন। তুলে ধরেন এমআরপি কার্যক্রমেরও বিভিন্ন দিকও নিয়ে কথো বলেন। এমআরপি সাফল্যের জন্য সংশ্লিষ্টদের অভিনন্দনও জানান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। শেখ হাসিনা তার নেতৃত্বাধীন সরকারের সময় বিভিন্ন উন্নয়নের চিত্র তুলে ধরেন এবং বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের পর যারা রাষ্ট্রক্ষমতা দখল করেছিলেন তাদের সমালোচনা করেন। ‘১৯৭৫ এর ১৫ অগাস্টের পর যারা ক্ষমতায় এসেছিল তারা নিজেদের ভাগ্য গড়তে যতটা ব্যস্ত ছিল, মানুষের ভাগ্য গড়তে ততটা পদক্ষেপ নেয়নি।’

দেশের বিভিন্ন স্থানে পাসপোর্ট অফিস স্থাপন ও জনবল বৃদ্ধির কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা যখন থেকেই ক্ষমতায় এসেছি তখন থেকেই সব এলাকায় পাসপোর্ট অফিস তৈরির কাজ করে যাচ্ছি।’

অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল, সাংসদ জাহাঙ্গীর কবির নানক বক্তব্য দেন। এর আগে প্রধানমন্ত্রী শেরেবাংলা নগর আদর্শ মহিলা কলেজের নবনির্মিত ভবন উদ্বোধন করেন।

– See more at: https://www.dailyjanakantha.com/details/article/187204/%E0%A6%8F%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%B9%E0%A6%AC%E0%A7%87-%E0%A6%87%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%95%E0%A6%9F%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%95-%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%B8%E0%A6%AA%E0%A7%8B%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%9F-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A7%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%AE%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%80#sthash.HracNKPo.dpuf

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

প্রাইমারি ও হাইস্কুল শিক্ষককে গ্রেপ্তার করলো দুদক

ঢাকা : দুর্নীতির অভিযোগে এবার কাজী (নেকাহ রেজিঃ), প্রাইমারি ও হাইস্কুল শিক্ষককে গ্রেপ্তার করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন দুদক। একইসঙ্গে একজন ব্যবসায়ী ও রাজউকের কর্মকর্তাসহ গ্রেপ্তার করা হয় ৫ জনকে। দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা এ তথ্য দিয়েছেন। রোববার দুদকের বিশেষ অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

জানা গেছে, দুদকের উপ-পরিচালক আবু বক্কর সিদ্দীকের নেতৃত্বে একটি টিম রাজধানীর সেগুনবাগিচা এলাকা থেকে রাজউকের তত্ত্বাবধায়ক তাহমিদুল ইসলাম মিলনকে গ্রেপ্তার করে। তার বিরুদ্ধে ২০১৫ সালের সেপ্টেম্বর মাসে দু’টি মামলা করা হয়। এর একটি হল- মিথ্যাভাবে নিজেকে ব্যবসায়ী পরিচয় দিয়ে বিদেশ ভ্রমণ। অন্যটি হল- ব্র্যাক ব্যাংকের বিজয়নগর শাখায় তার হিসাব নম্বরে ৯৮ লাখ ১৫ হাজার ৪০০ টাকার অবৈধ লেনদন। এ দুই মামলায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

অন্যদিকে, খুলনা থেকে মুসলিম বিবাহ ও তালাক রেজিস্টার কাজী মুজিবুর রহমানকে গ্রেপ্তার করেছে দুদকের সহকারী-পরিচালক মাহতাব উদ্দিন। তার বিরুদ্ধে তালাকপ্রাপ্ত নারী-পুরুষকে দেখিয়ে ১০ লাখ টাকার ভুয়া (দেনমোহর) কাবিনামা তৈরির অভিযোগে ২০১৫ সালের নভেম্বরে খুলনা থানায় একটি মামলা করা হয়েছিল। এ মামলা দায়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

অন্যদিকে, কুষ্টিয়া থেকে কুষ্টিয়ার দৌলতপুরের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক মো. দিরাজ আলীকে গ্রেপ্তার করেন দুদকের উপ-সহকারী পরিচালক রবীন্দ্রনাথ দাসের নেতৃত্বে একটি টিম। প্রাথমিকে চাকরি দেয়ার নাম করে ২ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

কুষ্টিয়ার সিরাজুল হক মুসলিম মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. জালাল উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করেন দুদকের উপ-পরিচালক মো. আব্দুল গাফফার। চাকরি দেয়ার নাম করে ৭ লাখ ৬৮ হাজার ৬৬০ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

অপরদিকে, চট্টগ্রামের এফএফ অ্যাপারেলস গার্মেন্টসের ডিএমডি মো. সিরাজুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করেন দুদকের পরিচালক মো. আবদুল আজিজ ভূঁইয়ার নেতৃত্বে একটি টিম। উত্তরা ব্যাংকের চট্টগ্রাম আগ্রাবাদ শাখা থেকে ১ কোটি ৬৩ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে কোতোয়ালি থানায় ২০০৩ সালে একটি মামলা করা হয় তার বিরুদ্ধে। ওই মামলায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

শক্তিশালী ভূমিকম্পে কাঁপল গোটা দেশ

স্টাফ রিপোর্টার: শক্তিশালী ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল রাজধানী ঢাকাসহ গোটা দেশ। রিখটার স্কেলে এ ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৬.৯। বুধবার রাত ৭ টা ৫৫ মিনিটে এ ভূমিকম্প অনুভূত হয়। যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা ইউএস1জিএসের ওয়েবসাইটের তথ্য অনুযায়ী, ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ছিল মিয়ানমারের মাওলাইক থেকে ৭৪ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে। সংস্থাটি জানায়, ইন্ডিয়া-ইউরোশিয়া প্লেটের ঘর্ষণে এ ভূমিকম্প উৎপন্ন হয়। এর কেন্দ্র ছিল ভূপৃষ্ঠের ১৩৪ কিলোমিটার গভীরে। বার্তা সংস্থা রয়টার্স বলছে, মিয়ানমারে রিখটার স্কেলে ৭ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। এছাড়া বাংলাদেশের আবহাওয়া অধিদফতরের পরিচালক শামসুদ্দিন আহমেদ জানান, উৎপত্তিস্থলে ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৭ দশমিক ২। বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা থেকে ৪২০ কিলোমিটার পূর্ব দিকে মিয়ানমারে ছিল এ ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল। মিয়ানমারের নিকটবর্তী হওয়ায় বাংলাদেশের চট্টগ্রাম এবং কুমিল্লা অঞ্চলে এ ভূমিকম্প বেশি অনুভূত হয়। শক্তিশালী এ ভূমিকম্পে ঢাকার ভবনগুলো দুলতে থাকে। এ সময় আতংকিত লোকজন বাসাবাড়ি ও বিভিন্ন ভবন থেকে রাস্তায় বেরিয়ে আসে। উদ্বিগ্ন অনেককেই মোবাইলফোনে আত্মীয়-স্বজনদের খোঁজ-খবর নিতে দেখা যায়। ভূমিকম্পে আতংকিত হয়ে হুড়োহুড়ি করে নামতে গিয়ে রাজধানীর মগবাজার এলাকায় একটি মাদ্রাসার কয়েকজন ছাত্র আহত হয়েছে। এছাড়া দেশের বিভিন্ন স্থানে বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন বলে খবর পাওয়া গেছে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে সিম নিবন্ধনকে বৈধ ঘোষণা

অনলাইন রিপোর্টার ॥ আ25ঙুলের ছাপ নিয়ে বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে সিম নিবন্ধন করা বৈধ বলে রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট। বিচারপতি সৈয়দ মোহাম্মদ দস্তগীর হোসেন ও বিচারপতি এ কে এম সাহিদুল হকের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ আজ মঙ্গলবার এ রায় দেন।

সিম নিবন্ধনের ক্ষেত্রে মোবাইল অপারেটরগুলোকে বিটিআরসির দেওয়া নির্দেশনা কঠোরভাবে পালন করতে বলা হয়। নাগরিকদের ব্যক্তিগত তথ্য অতি নিরাপত্তার সঙ্গে সংরক্ষণেরও নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। এসব তথ্য যাতে কোনোভাবে অপব্যবহৃত না হয়, সেদিকে কর্তৃপক্ষকে লক্ষ রাখতে হবে।

আদালতে রিট আবেদনকারীর পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মুক্তাদির রহমান ও অনীক আর হক। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল মুরাদ রেজা।

বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে সিম নিবন্ধন কার্যক্রমের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে আইনজীবী এস এম এনামুল হক গত ৯ মার্চ এই রিট আবেদনটি করেন। ব্যক্তিগত গোপনীয়তা লঙ্ঘনের আশঙ্কা থেকে এটি করা হয়েছিল।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

প্যানেলভুক্ত শিক্ষকরা নিয়োগ পাচ্ছেন!

ডেস্ক: আপিল বিভাগের রায়ের আলোকে অবশেষে বেসরকারি রেজিস্টার্ড প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক পদে প্যানেলভুক্ত ১০ জনকে নিয়োগ দিতে মাঠ কর্মকর্তাদের চিঠি দিয়েছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। তাঁরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নিয়োগ পাচ্ছেন।
এ ছাড়া এই রায়কে ভিত্তি ধরে সারা দেশে প্যানেলভুক্ত প্রায় ২৮ হাজার প্রার্থীকেও নিয়োগ দেওয়ার চিন্তাভাবনা করছে মন্ত্রণালয়। এঁদের মধ্যে কয়েক হাজার প্রার্থী রিট করলে হাইকোর্ট রিটকারীদের নিয়োগ দিতে সরকারের প্রতি নির্দেশ দিয়েছেন। আইন মন্ত্রণালয়ও রায়ের ভিত্তিতে সবাইকে নিয়োগ দেওয়ার পক্ষে গত মঙ্গলবার মতামত দিয়েছে।
চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত হয়েও নিয়োগ না পাওয়া প্যানেলভুক্ত প্রার্থীরা প্রায় সাড়ে তিন বছর ধরে আন্দোলন ও আইনি লড়াই করছেন।
প্রাথমিক ও গণশিক্ষাসচিব হুমায়ুন খালিদ বুধবার  বলেন, যেহেতু বিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষকের প্রয়োজন রয়েছে, তাই আইনগত কোনো সমস্যা না থাকলে ওই ১০ জনের রায়ের ভিত্তিতে বাকিদেরও নিয়োগের পক্ষে তিনি। এ বিষয়ে প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমানের সঙ্গে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা বলেন, সম্প্রতি প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটি মামলায় না লড়ে সবাইকে নিয়োগ দিতে মন্ত্রণালয়ের প্রতি সুপারিশ করে। পরে মন্ত্রণালয় এ বিষয়ে আইন মন্ত্রণালয়ের কাছে মতামত চায়। মঙ্গলবার আইন মন্ত্রণালয় আদালতের রায়ের আলোকে সবাইকে নিয়োগ দেওয়ার বিষয়ে মতামত দিয়েছে। এ বিষয়ে কয়েক দিনের মধ্যে সিদ্ধান্ত আসতে পারে।
এদিকে কয়েক দিন আগে আপিল বিভাগের রায়ের আলোকে ১০ জনকে নিয়োগ দিতে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর, নওগাঁর জেলা প্রশাসক, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ও উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে লিখিত নির্দেশ দিয়েছে মন্ত্রণালয়। নওগাঁর জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আমিনুল ইসলাম মণ্ডল বুধবার বলেন, তাঁরা মন্ত্রণালয়ের চিঠি পেয়েছেন। এ জন্য নির্দেশনা চেয়ে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে চিঠি দেওয়া হচ্ছে।
মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা বলেন, প্যানেলভুক্ত সবাইকে নিয়োগ দেওয়ার বিষয়ে ইতিবাচক চিন্তা হলেও যেহেতু এখন সব রেজিস্টার্ড প্রাথমিক বিদ্যালয় সরকারি হয়ে গেছে তাই প্যানেলভুক্তদের কীভাবে, কোন বিদ্যালয়ে নিয়োগ দেওয়া হবে, সে জন্য নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে সিদ্ধান্ত হতে হবে। তবে যেহেতু আদালতের রায় আছে, পদ আছে, আবার যথাযথ নিয়োগ পরীক্ষা নিয়ে প্যানেলভুক্ত করে নিয়োগের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে, তাই নিয়োগ দিতে বাধা নেই।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

যশোর মেডিকেল কলেজে ভাঙচুর

যশোর প্রতিনিধি : যশোর মেডিকেল কলেজ স্থায়ী ক্যাম্পাসে স্থানান্তর ও নিয়মিত ক্লাস নেওয়ার দাবিতে প্রিন্সিপালের অফিস ও প্যাথলজি বিভাগ ভাঙচুর করেছে শিক্ষার্থীরা।  বৃহস্পতিবার বেলা ১২টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

কলেজের প্রধান সহকারী আব্দুস সবুর খান জানান, কিছু শিক্ষার্থী অধ্যক্ষের সঙ্গে দেখা করতে চান। তিনি অধ্যক্ষের কাছ থেকে দেখা করার অনুমতি এনে দিলে বেশ কিছু শিক্ষার্থী অধ্যক্ষের অফিস কক্ষে কথা বলতে যান।

এ সময় হঠাৎ কিছু উচ্ছৃঙ্খল শিক্ষার্থী অধ্যক্ষের অফিসের জানালা এবং আসবাবপত্র ভাঙচুর করে। কিছুক্ষণ পরে প্যাথলজি বিভাগেও তারা ভাঙচুর করে। ঘটনার সময় বহিরাগতরাও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে যোগ দিয়ে ভাঙচুর করেছে বলে জানান তিনি।

তবে একটি সূত্র জানিয়েছে, কলেজ শাখা ছাত্রলীগের দুই শীর্ষ নেতাই পঞ্চম বর্ষে অকৃতকার্য হয়েছেন। তাদের পাশ করিয়ে দেওয়ার দাবি অগ্রাহ্য হওয়ায় ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। তবে এই তথ্য কলেজ সংশ্লিষ্ট কোনো সূত্র নিশ্চিত করেনি।

মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ ডা. আবু হেনা মো. মাহবুবুল মওলা চৌধুরী বলেন পরীক্ষা ফল প্রকাশিত হয়েছে সবে গতকাল। কে পাশ করেছে আর কে ফেল করেছে তা এখনও অজানা। ফলে পাশ-ফেল নিয়ে কোনো ঘটনা ঘটার কথা নয়।

তিনি জানান, ভাঙচুরের ঘটনায় একাডেমিক কাউন্সিলের জুরি সভায় সাত সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির প্রধান করা হয়েছে ডা. নিকুঞ্জবিহারী গোলদারকে।

আগামী সাত দিনের মধ্যে কমিটি তদন্ত রিপোর্ট পেশ করবে। দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

কোতয়ালি থানার ওসি মো. ইলিয়াস হোসেন জানান ভাঙচুরের ব্যাপারে কর্তৃপক্ষ পুলিশকে কোনো অভিযোগ জানায়নি। অভিযোগ দিলে পুলিশ ব্যবস্থা নেবে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

সংখ্যালঘু পরিবারের এক স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ ॥ ছাত্রীর স্কুল বন্ধ, বাবা নিখোঁজ

নওগাঁ, ৬ এপ্রিল ॥ মান্দায় সংখ্যালঘু পরিবারের এক স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ চেষ্টার ঘটনা মাটিচাপা দিতে গ্রাম্য সালিশে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করে ৩ বখাটেকে ছেড়ে দিয়েছে মাতবররা। ঘটনার পর থেকে ওই পরিবারের দিন কাটছে চরম আতঙ্কে। তিন দিন ধরে স্কুলে যেতে পারছে না ওই ছাত্রী। বুধবার সকাল থেকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না তার বাবাকেও। এ অবস্থায় মা-মেয়ের দিন কাটছে চরম নিরাপত্তাহীনতায়।

ভিকটিম স্কুলছাত্রীর মা জানান, তার মেয়ে স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণীর শিক্ষার্থী। সোমবার সকাল ৯টার দিকে গ্রামের পেছনের রাস্তা দিয়ে স্কুলের উদ্দেশে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যায়। পথে গোলাবাড়ী আমবাগানে পৌঁছলে আগে থেকেই অবস্থান নেয়া বখাটে শরিফ, আসাদুল ও ফরিদ মেয়েটিকে আটকে ধর্ষণের চেষ্টা করে। এ সময় তার চিৎকারে লোকজন এগিয়ে এলে বখাটেরা মাঠের ভেতর দিয়ে পালিয়ে যায়। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় একাধিক ব্যক্তি জানান, বিষয়টি স্থানীয়ভাবে নিষ্পত্তির জন্য সোমবার সন্ধ্যায় পাকুড়িয়া ইউনাইটেড উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে সালিশের আহ্বান করেন ভারশোঁ ইউনিয়নের মেম্বার সাব্বর আলী ও স্থানীয় মাতবর আব্দুস সামাদ সরদার। সেখানে উপস্থিত লোকজনের সঙ্গে বখাটেদের আত্মীয়-স্বজনের বাগ্বিত-া ও হাতাহাতির ঘটনায় সালিশ বৈঠকটি ভ-ুল হয়ে যায়।

মঙ্গলবার সন্ধ্যায় কালীসফা গ্রামের মোবারক হোসেনের ছেলে তারেক রহমানের নেতৃত্বে কালীসফা খামারবাড়িতে আবারও সালিশের আয়োজন করা হয়। তারেক রহমানের সভাপতিত্বে সালিশে ভারশোঁ ইউনিয়নের সদস্য সাব্বর আলী, পাকুড়িয়া ভটভটি সমিতির সভাপতি ইসাহাক আলী, চেইন মাস্টার মমতাজ হোসেন, আব্দুস সামাদ সরদারসহ আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকে ৩ বখাটের নিকট থেকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করেন মাতবররা। সেই সঙ্গে প্রত্যেককে জুতাপেটা করা হয়। জরিমানার টাকা ভিকটিম পরিবারকে না দিয়ে পকেটস্থ করেন মাতবররা।

এদিকে বুধবার সকাল থেকে ওই স্কুলছাত্রীর বাবাকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। তার স্ত্রী জানান, সকালে কোন কিছু না খেয়েই তিনি বাড়ি থেকে বেরিয়ে যান। তার ব্যবহৃত মুঠোফোনটিও বন্ধ রয়েছে। ঘটনার পর থেকে তাদের হুমকির মুখে রাখা হয়েছে।

সালিশের সভাপতি তারেক রহমান জানান, বখাটেদের জুতাপেটা ও জরিমানা করে বিষয়টি স্থানীয়ভাবে মিটিয়ে ফেলা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, ৫০ হাজার নয়, বখাটেদের নিকট থেকে ১৫ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে। সেই টাকা এখনও তার পকেটে রয়েছে বলে স্বীকার করেন তিনি।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

যশোরে এমপিও বিড়ম্বনায় শিক্ষক ॥অনৈতিক ফায়দা লোটার অভিযোগ

যশোর অফিস ॥ ১২ দিন ধরে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা (মাউশি) বিভাগে সার্ভার সমস্য চলছে। এ কারণে যশোর জেলার শিক্ষকেরা তাদের এমপিওভুক্তির আবেদন করতে পারছেন না। এ বিয়েয়ে প্রতিদিন ভুক্তভোগী শিক্ষকরা জেলা শিক্ষা অফিসে ধরনা দিয়েও কোন সুরাহা করতে না পারায় চরম হতাশায় ভুগছেন। আগামী ১০ এপ্রিল হচ্ছে আবেদনের শেষ তারিখ।

যশোর জেলা শিক্ষা অফিসে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন ভুক্তভোগী শিক্ষক জানান, তারা নিয়ম মাফিক নিয়োগ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে শিক্ষকতার পেশায় যোগ দিয়ে এমপিওভুক্তির আশায় দীর্ঘদিন ধরে অপেক্ষা করছেন। কারও কারও এ অপেক্ষার পালা বছর এমনকি তারও বেশি পার হয়ে গেছে। এখন এমপিওভুক্তির আবেদন করতে গিয়ে তারা পড়েছেন আর এক বিড়ম্বনায়। এমপিওভুক্তির আবেদন করতে হচ্ছে ইন্টারনেটের মাধ্যমে। কিন্তু সার্ভার সমস্যার কারণে কেউ ওই আবেদন পেশ করতে পারছেন না। শিক্ষকরা জানান, এই আবেদন করার সময় আগে ১২টি ডকুমেন্ট সংযুক্ত করতে হতো। পরবর্তীতে ২৭টি ডকুমেন্ট সংযুক্ত করার নিয়ম করা হয়। এই নিয়মটি করার দু’একদিনের মধ্যে আরও দু’টি ডকুমেন্ট বাড়িয়ে ২৯টি করা হয়েছে। ভুক্তভোগী শিক্ষকরা সব ডকুমেন্ট জোগাড় করে আবেদনপত্রের সাথে সংযুক্ত করে ইন্টারনেটের মাধ্যমে পাঠাতে গেলে সার্ভার সমস্যার কারণে পাঠানো যাচ্ছে না। শিক্ষকরা এ বিষয় নিয়ে খুলনা ডিডিপিআই অফিসে যোগাযোগ করলে তাদের জানানো হচ্ছে সার্ভারে কাজ হচ্ছে। চেষ্টা করতে থাকুন সব ঠিক হয়ে যাবে। গত ২৫ মার্চ থেকে এ অবস্থা চললেও সার্ভার সমস্যার সমাধান হচ্ছে না। অথচ আগামী ১০ এপ্রিল হচ্ছে এমপিওভুক্তির আবেদনের শেষ তারিখ।

এ বিষয়ে খুলনা বিভাগের ডিডিপিআই অফিসে যোগাযোগ করলে বিদ্যালয় পরিদর্শক নিভারাণী পাঠক জানান, উর্ধতন কর্তৃপক্ষ ১০ এপ্রিল সময় বেঁধে দিয়েছেন। সময় আর বাড়ানো হবে না। সার্ভার আপলোড করার কারণে টেকনিক্যাল সমস্যা দেখা দিয়েছে। আশা করা যায় ১০ তারিখের মধ্যেই সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে। ভুক্তভোগী শিক্ষকরা অনেকেই অভিযোগ করেছেন, অনৈতিক ফায়দা লোটার জন্য এই টেকনিক্যাল সমস্যা ইচ্ছাকৃত সৃষ্টি করা হয়েছে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

অগ্রিম ইনক্রিমেন্ট দিয়ে সরকারী চাকুরেদের বেতন স্কেল সংশোধন

নিজস্ব প্রতিবেদক: আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত অগ্রিম ইনক্রিমেন্ট দিয়ে সরকারী চাকুরেদের নতুন বেতন কাঠামো সংশোধন করা হয়েছে। এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে অর্থ মন্ত্রণালয়। রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে অর্থ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মোহাম্মদ আবু তাহের স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ১ জুলাই, ২০১৫ হতে ৩০ জুন ২০১৬ পর্যন্ত কোন কর্মচারী যে তারিখে বার্ষিক বর্ধিত বেতন প্রাপ্য হতেন, সেই নির্ধারিত তারিখের পরিবর্তে সকল কর্মচারী একই তারিখে অর্থাৎ ১৫ ডিসেম্বর, ২০১৫ তারিখে বার্ষিক বর্ধিত বেতন প্রাপ্য হবেন।

তবে বার্ষিক বর্ধিত বেতন নির্ধারণ প্রক্রিয়ায় ইতোমধ্যে যে সকল কর্মচারী ১ জুলাই ২০১৫ থেকে ১৪ ডিসেম্বর, ২০১৫ তারিখ পর্যন্ত বার্ষিক বর্ধিত বেতন বাবদ যে অর্থ উত্তোলন করেছেন তাদের উত্তোলিত অর্থ ফেরত প্রদান করতে হবে না। একই সঙ্গে কোন কর্মচারী ওই সময়ের মধ্যে প্রাপ্যতা অনুযায়ী বার্ষিক বর্ধিত বেতন উত্তোলন না করে থাকেন তিনিও এই সুবিধা প্রাপ্য হবেন।

প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়েছে অনুচ্ছেদ ১৭-এর উপ-অনুচ্ছেদ (৫)-এর পরিবর্তে উপ-অনুচ্ছেদ (৫) প্রতিস্থাপিত হবে। যথা, যদি স্বামী ও স্ত্রী উভয়েই কোন সরকারী বা স্বশাসিত সংস্থা, ব্যাংক, বীমা বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানের চাকরিজীবী হন এবং তারা একত্রে সরকারী বাসস্থানে বসবাস করেন, তাহলে তাঁদের মধ্যে যার নামে বাসস্থান বরাদ্দ রয়েছে, তিনি কোন বাড়ি ভাড়া ভাতা প্রাপ্য হবেন না। অপরজন (স্বামী বা স্ত্রী) প্রচলিত বিধান মোতাবেক পূর্ববৎ বাড়ি ভাড়া ভাতা প্রাপ্য হবেন। এটা ১ জুলাই ২০১৫ তারিখে কার্যকর করা হয়েছে বলে গণ্য করা হবে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, গত ১৫ ডিসেম্বর থেকে আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত যাদের ইনক্রিমেন্ট পাওয়ার কথা, কেবল তাদের ইনক্রিমেন্ট দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। নতুন বেতন কাঠামোর গেজেটে তাদের ইনক্রিমেন্ট বাতিল করার কথা বলা হলেও এখন নতুন করে প্রজ্ঞাপন জারি করে তাদের ইনক্রিমেন্ট দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। আর নতুন কাঠামো অনুযায়ী, আগামী অর্থবছর থেকে ইনক্রিমেন্ট যার যেদিনই পাওয়ার কথা হোক না কেন, সবাই একসঙ্গে ১ জুলাই তারিখে পাবেন। এতে চাকরিজীবীদের মধ্যে বৈষম্য দূর হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। তবে টাইম স্কেল ও সিলেকশন গ্রেড আর পুনর্বহাল হচ্ছে না। যদিও এই দুটি বিষয় পুনর্বহালে সরকারী কর্মকর্তা-কর্মচারীদের একটি অংশ দাবি জানিয়ে আসছিল।

জানা গেছে, সারা বছর এবং প্রতিদিনই বিপুলসংখ্যক সরকারী কর্মকর্তা-কর্মচারী ইনক্রিমেন্ট পেতেন। এতে সরকারী চাকরিজীবীদের বেতন ব্যয় নিয়ে সরকারের হিসাব রাখা দুরূহ হয়ে পড়ে। এই বিবেচনায় ড. ফরাসউদ্দিনের নেতৃত্বাধীন জাতীয় বেতন ও চাকরি কমিশনের সুপারিশ ছিলÑপ্রতিবছর ১ জুলাই সব কর্মকর্তা-কর্মচারীর বার্ষিক ইনক্রিমেন্ট দেয়ার। ইতোমধ্যে সচিব কমিটি ও মন্ত্রিসভাও এই প্রস্তাব অনুমোদন করে। তার পরিপ্রেক্ষিতে নতুন বেতন কাঠামোতে এই ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

1459468224_13

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

Responsive WordPress Theme Freetheme wordpress magazine responsive freetheme wordpress news responsive freeWORDPRESS PLUGIN PREMIUM FREEDownload theme free

hit counter