নিউজ

কারিগরি শিক্ষকদের মে মাসের বেতনের চেক ছাড়

নিজস্ব প্রতিবেদক |

কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের এইচএসসি(বিএম), এসএসি(ভোকেশনাল) এবং মাদ্রাসা (ভোকেশনাল ও বিএম) শিক্ষক-কর্মচারীদের মে মাসের এমপিওর (বেতন ভাতার সরকারি অংশ) চেক ছাড় হয়েছে। ১২ টি চেক অগ্রণী, জনতা, রুপালী ও সোনালী ব্যাংক লিমিটেড প্রধান কার্যালয়ে/স্থানীয় কার্যালয় বৃহস্পতিবার ( ৩১ মে) হস্তান্তর করা হয়েছে। স্মারক নং- ৫৭.০৩.০০০০.০৯১.২০.০০৫.১৮-৪৮৩,৪৮৪,৪৮৫ ও ৪৮৬। ১৪ জুন পর্যন্ত শিক্ষকরা স্ব স্ব অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা তুলতে পারবেন।

শিক্ষক-কর্মচারীগণ তাদের স্ব স্ব ব্যাংক একাউন্ট নম্বরের মাধ্যমে মার্চ মাসের বেতন ভাতা আগামী ১৪ জুন এর মধ্যে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের শাখা থেকে উত্তোলন করতে পারবেন। যারা এপ্রিল মাসের বেতনের সরকারি অংশ উত্তোলন করতে পারেন নি, তারাও নির্ধারিত সময়ের মধ্যে এপ্রিলের বেতন উত্তোলন করতে পারবেন। অধিদপ্তরের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানা গেছে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

বিভ্রাটে শুরু ট্রেনের আগাম টিকেট বিক্রি

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

সম্মানসূচক ডিলিট গ্রহণ করলেন শেখ হাসিনা

ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গের আসানসোলে অবস্থিত কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশেষ সমাবর্তনে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে সম্মানসূচক ডক্টর অব লিটারেচার-ডিলিট ডিগ্রি প্রদান করা হয়েছে। শনিবার দুপুর ১২টা ১০ মিনিটে প্রধানমন্ত্রীকে এই উপাধি দেয়া হয়।

বিমানযোগে শনিবার সকালে দুর্গাপুরের কাজী নজরুল বিমানবন্দরে পৌঁছান শেখ হাসিনা। তারপর সেখান থেকে সড়কপথে দুপুরে আসানসোলের কাজী নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে পৌঁছলে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানান বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক সাধন চক্রবর্তী। এরপর শুরু হয় বিশেষ সমাবর্তন ও ডি-লিট প্রদান অনুষ্ঠান।

এই সমাবর্তন অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছেন বাংলাদেশের শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ, পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ এইচ মাহমুদ আলী, সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নুর, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা এইচ টি ইমাম, গওহর রিজভী, তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরীসহ বাংলাদেশের শিক্ষা, সংস্কৃতি ও রাজনৈতিক অঙ্গনের বেশ কয়েকজন।

বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তন ও বাংলাদেশ ভবনের উদ্বোধন এবং কাজী নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশেষ সমাবর্তনে যোগ দিতে শুক্রবার সকালে দুই দিনের ভারত সফরে এসেছেন শেখ হাসিনা।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

শিক্ষা শিক্ষাবৃত্তি সঠিকভাবে বিতরণ করতে বললেন প্রধানমন্ত্রী

ঢাকা,২৩ মে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার শিক্ষা সহায়তা তহবিলের আওতায় সরকারের বৃত্তি ও অন্যান্য সুবিধা গরিব ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের মাঝে সঠিকভাবে বিতরণে যথাযথ পদক্ষেপ নিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশনা দিয়েছেন।

তিনি জানান, শিক্ষার্থীরা যেন শিক্ষা সহায়তার সুবিধা অনলাইনে পায় সেজন্য ই-স্টাইপেন্ড ব্যবস্থা চালুর নিদের্শ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

বৈঠকে তহবিলের কার্যক্রম ও বর্তমান অবস্থা এবং ২০১৮ সালের বৃত্তি কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা হয়।

বৈঠকে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন তহবিলের সদস্য অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত, শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ, পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মোস্তফা কামাল এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমান।

সম্প্রতি স্যাটেলাইট বঙ্গবন্ধু-১’র সফল উৎক্ষেপণের জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও প্রধানমন্ত্রীর তথ্যপ্রযুক্তি উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়কে অভিনন্দন জানান তহবিলের সদস্যরা।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

এমপিওভুক্ত হচ্ছে মাদ্রাসার ১২২৮ শিক্ষক

ডেস্ক,২৩ মে:

মাদ্রাসার আইসিটি এবং বিজ্ঞান বিষয়ের এক হাজার ২২৮ শিক্ষক এমপিওভুক্ত হচ্ছে। আজ বুধবার মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।সংশ্লিষ্ঠ সূত্র জানিয়েছে, বৈধভাবে মাদ্রাসায় নিয়োগপ্রাপ্ত এক হাজার ২২৮ শিক্ষককে এমপিওভুক্তির সিদ্ধান্ত নিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রাণালয়। চার শর্তে এই শিক্ষকদের এমপিওভুক্ত করতে মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

মন্ত্রণালয় থেকে বলা হয়েছে, গত ২২ আগস্ট অর্থ বিভাগে অনুষ্ঠিত আন্তঃমন্ত্রণালয়ের সভায় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, বিজ্ঞান বিষয়ের শিক্ষক এবং ২০১১ সালের ১৩ নভেম্বরের পরে অতিরিক্ত শ্রেণি শাখা বা বিভাগে নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষকদের এমপিওভুক্তির বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয় সিদ্ধান্ত নিতে বলেছে। এই সিদ্ধান্তের পরিপ্রেক্ষিতে শিক্ষা মন্ত্রণালয় এসব শিক্ষকদের এমপিওভুক্তির সিদ্ধান্ত নিয়েছে।  অর্থ বিভাগের সিদ্ধান্তের পরে মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর বেসরকারি মাদ্রাসা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (দালিখ ও আলিম) ২০১১ সালের ১৩ নভেম্বর জারিকৃত প্রজ্ঞাপনের পরে নিয়োগপ্রাপ্ত ও কর্মরত এমপিওবিহীন সহকারী শিক্ষক, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (কম্পিটার), সহকারী শিক্ষক (বিজ্ঞান) এবং প্রভাষক (বিজ্ঞান) আলিম স্তরের শিক্ষকদের একটি তালিকা করেছে।ওই তালিকা অনুযায়ী, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ের সহাকারী শিক্ষক এক হাজার ৫ জন, বিজ্ঞানের সহকারী শিক্ষক ১১০ জন ও প্রভাষক (বিজ্ঞান) ১১৩ জনকে এমপিওভুক্ত করবে অধিদপ্তর। তবে তাদেরকে বকেয়া বেতনভাতা দেওয়া হবে না। এমপিওভুক্তির জন্য এসব শিক্ষককে আঞ্চলিক অফিসের মাধ্যমে অনলাইনে আবেদন করতে হবে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভাঙচুর সহ্য করব না: প্রধানমন্ত্রী

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

১ লাখ ৭৩ হাজার কোটির এডিপি অনুমোদন বৃহস্পতিবার

 

ঢাকা: নির্বাচনকে সামনে রেখে ১০টি মেগা প্রকল্পের কাজ আরো এগিয়ে নিতে চাইছে সরকার। ফলে নির্বাচনী বছরে ১ লাখ ৭৩ হাজার কোটি টাকার নতুন বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) অনুমোদন দিতে যাচ্ছে।

নতুন এডিপির এ আকার প্রস্তাব করেছে অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়। এর মধ্যে বৈদেশিক সহায়তা থেকে সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৬০ হাজার কোটি টাকা। বাকি ১ লাখ ১৩ হাজার কোটি টাকা যোগান দেওয়া হবে সরকারের (জিওবি) খাত থেকে। ২০১৮-১৯ অর্থবছরের এডিপিতে অগ্রাধিকার পাবে এসব মেগা প্রকল্প।

১০টি মেগা প্রকল্পে অগ্রাধিকার দিতে গিয়ে স্থানীয় সরকার, বিদ্যুৎ বিভাগ, পরিবহন, বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি, রেল, সেতু, স্বাস্থ্য, প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষা, পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ে ১ লাখ ২৮ হাজার ১০০ কোটি টাকা বরাদ্দ থাকবে। যা মোট এডিপির ৭৪ দশমিক শূন্য ৫ শতাংশ।

বৃহস্পতিবার (১০ মে) জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের (এনইসি) বৈঠকে নতুন এই এডিপির অনুমোদন দেওয়া হবে। এতে সভাপতিত্ব করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

এ বিষয়ে পরিকল্পনা কমিশনের প্রধান (অতিরিক্ত সচিব) প্রশান্ত কুমার চক্রবর্ত্তী  বলেন, বৃহস্পতিবার নতুন এডিপি চূড়ান্ত করবেন প্রধানমন্ত্রী। নতুন এডিপির আকার হবে ১ লাখ ৭৩ হাজার কোটি টাকার। এর মধ্যে ৬০ হাজার কোটি টাকা বৈদেশিক সহায়তা, বাকি অর্থ জিওবি খাত থেকে মেটানো হবে। মেগা প্রকল্পে অগ্রাধিকার দিয়েই নতুন এডিপি চূড়ান্ত হতে যাচ্ছে।

নির্বাচনী বছরে সংসদ সদস্যদের (এমপি) বিভিন্ন চাহিদা থাকবে। কারণ ভোটের আগে স্থানীয় ভোটারদের বিভিন্ন প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন এমপিরা। ফলে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগ প্রায় দুই হাজার বরাদ্দবিহীন প্রকল্পের প্রস্তাব করেছে। এসবের মধ্যে এক হাজার বরাদ্দবিহীন প্রকল্পের নাম তালিকার একটা খসড়াও করেছে পরিকল্পনা কমিশন।

খসড়ায় দেখা গেছে, ১০ প্রকল্পেই প্রধান ফোকাস। এগুলো হলো- পদ্মা বহুমুখী সেতু নির্মাণ প্রকল্প, পদ্মা রেলসেতু সংযোগ প্রকল্প, চট্টগ্রামের দোহাজারী থেকে রামু হয়ে কক্সবাজার এবং রামু থেকে ঘুমধুম পর্যন্ত রেলপথ নির্মাণ প্রকল্প, ঢাকা

 

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

৯ অতিরিক্ত ও ১৯ যুগ্ম সচিব বদলি

ডেস্ক: জনপ্রশাসনে ৯ অতিরিক্ত সচিব ও ১৯ যুগ্ম-সচিবকে বদলি করা হয়েছে। বুধবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এই রদবদল করে আদেশ জারি করা হয়েছে। সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের অতিরিক্ত সচিব খন্দকার রাকিবুর রহমানকে ঢাকা পরিবহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষের (ডিটিসিএ) নির্বাহী পরিচালক নিয়োগ দেয়া হয়েছে। টেলিযোগাযোগ অধিদফতরের মহাপরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) মো. জাহাঙ্গীর আলমকে রেলপথ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব, আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটের পরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) শেখ মো. কাবেদুল ইসলামকে পরবর্তী পদায়নের জন্য জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের এপিডি অনুবিভাগে ন্যস্ত করা হয়েছে।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. নজরুল আনোয়ারকে শিল্প মন্ত্রণালয়ে, বেপজার সদস্য পদে বদলির আদেশাধীন ওএসডি অতিরিক্ত সচিব শিশির কুমার রায়কে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগে, সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের অতিরিক্ত সচিব যাহিদা খানমকে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ে, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব রওশন আরা বেগমকে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগে, তথ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মোস্তাফিজুর রহমানকে সুরক্ষা সেবা বিভাগে ও রাজশাহী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (অতিরিক্ত সচিব) কমলা রঞ্জন দাসকে সুরক্ষা সেবা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব হিসেবে বদলি করা হয়েছে।

অপরদিকে বিআরটিসির পরিচালক (যুগ্মসচিব) মো. আমজাদ হোসেন বাংলাদেশ ইন্সুরেন্স একাডেমির পরিচালক, বাংলাদেশ জুট মিলস করপোরেশনের পরিচালক (যুগ্ম সচিব) বিকাশ চন্দ্র সিকদার কিশোর-কিশোরী ক্লাব স্থাপন প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের পরিচালক (যুগ্ম সচিব) মো. মফিদুল ইসলাম বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের সদস্য (ট্রাফিক) এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগে সংযুক্ত ওএসডি যুগ্মসচিব খন্দকার আজিজুল ইসলাম তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের বাংলাদেশ হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষের পরিচালক (প্রশাসন ও অর্থ) নিয়োগ পেয়েছেন।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদফতরের পরিচালক (যুগ্ম সচিব) মো. খালিদ মাহমুদকে ওএসডি করে গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব হিসেবে সংযুক্ত ও বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের সদস্য (যুগ্ম সচিব) মো. হাবিবুর রহমানকে ওএসডি করা হয়েছে। অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের যুগ্ম সচিব মো. মাহবুব উল ইসলামকে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগে, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব মো. কামরুজ্জামানকে আইএমইডির যুগ্ম সচিব, আইএমইডির যুগ্মসচিব মীর নজরুল ইসলামকে মৎস্য মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব, খুলনা সড়ক ও জনপথ অধিদফতরের এস্টেট ও আইন কর্মকর্তা মো. শরীফুল ইসলামকে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের যুগ্ম সচিব, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে সংযুক্ত পরিচালক (যুগ্ম সচিব) মো. আজিজুর রহমানকে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মহাপরিচালক করা হয়েছে।

সিইডিপি প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক (যুগ্ম সচিব) জালাল উদ্দিন আহম্মেদকে ওএসডি করা হয়েছে।আরবান প্রাইমারি হেলথ কেয়ার সার্ভিসেস ডেলিভারি প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক মো. আব্দুল হামিক মজুমদারকে ওএসডি করে স্থানীয় সরকার বিভাগের একটি প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক করা হয়েছে। ইলেকট্রিক অ্যান্ড মেকানিক্যাল ঢাকা মাস র‌্যাপিড ট্রানজিট ডেভেলপমেন্ট প্রকল্পের প্রধান প্রকৌশলী (যুগ্ম সচিব) সুকুমার চন্দ্র কুন্ডুকে ওএসডি করে ঢাকা ম্যাস র‌্যাপিড ট্রানজিট ডেভেলপমেন্ট প্রকল্পে দায়িত্ব পালনের জন্য সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগে সংযুক্ত করা হয়েছে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

হাইকোর্টের নির্দেশে খুশি সদ্যপ্রয়াত কলেজছাত্র রাজীবের পরিবার ॥

মোয়াজ্জেম হোসেন, পটুয়াখালী প্রতিনিধি ॥
রাজধানীতে দুই বাসের চাপায় হাত হারানোর পর ঢাকা মেডিকেল কলেজে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যাওয়া পটুয়াখালীর বাউফলের দাশপাড়া ইউনিয়নের কৃতিসন্ত্রান ঢাকা তিতুমীর কলেজের শিক্ষার্থী রাজীব হাসানের পরিবারকে ১কোটি টাকা ক্ষতিপূরন দেয়ার হাইকোর্টের নির্দেশে খুশি রাজিবের পরিবার। রায় ঘোষনার পর মঙ্গলবার দুপরে উপজেলার দাশপাড়া গ্রামের বাড়ীতে ছোট মামা মিরাজের সাথে কথা হলে তিনি জানান, আদালতের রায়ের আমরা খুশী।
তবে এসময়ে রাজীবের মামা মিরাজ আক্ষেপ করে বলেন, জেলা প্রশাসক থেকে চল্লিশ হাজার টাকার চেক পেয়েছে রাজীবের ছোট দুই ভাই। এরপর থেকে আর কোন সহযোগিতা করা হয়নি। এমনকি যারা অনেক কিছু প্রতিশ্রতি দিয়েছিল তাদেরকেও এখন আর খুঁজে পাওয়া যায়না। রাজীবের পরিবারের পাশে এখন আর কেই নেই। বাড়ীতে দুই ভাইয়ের মাথা গোজার মতো কোন ঠাই না খাকায় রাজীবের দুই ছোট ভাইয়ের স্থান এখন ঢাকা একটি হাফেজি মাদরাসায় এতিম খানা। মাঝে মাঝে খালা জাহানারা পারভীনের বাসায় আশ্রায় নিয়ে থাকেন। ক্ষতিপুরনের এই অর্থ পেলে এতিম অসহায় ছোট দুই ভাইকে নিয়ে রাজীব যে স্বপ্ন দেখেছিল তা পুরন হবে।
উল্লেখ্য, ৩ এপ্রিল দুই বাস চালকের বেপরোয়া গাড়ী চালানো শিকার হন রাজীব। দুই বাসের চাপে হাতকাটা পড়ে রাজীবের। মাথায় প্রচন্ড রক্তক্ষনের ফলে ১৬ এপ্রিল সোমবার দিবাগত রাতে রাজীব মারা যান। মঙ্গলবার (৮মে) হাইকোটের বিচারপতি সালমা মাসুদ চৌধুরী ও বিচারপতি একএম জহিরুল হকের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ আদেশ দেন। রায়ের সময় আদালতে রাজীবের দুই ভাই মেহেদী হাসান ও আবদুল্লাহ এবং তাদের খালা জাহানারা পারভীন ও মামা জাহিদুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।
Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

সরকারি চাকরিজীবীরা গৃহঋণ পাবেন যেভাবে

নিজস্ব প্রতিবেদক,০৮ মে ২০১৮:

সরকারি চাকরিজীবীরা মাত্র ৫ শতাংশ সরল সুদে ৭৫ লাখ টাকা পর্যন্ত গৃহনির্মাণ ঋণ পাবেন। উপসচিব থেকে সচিব পদমর্যাদা বা জাতীয় বেতন স্কেলের পঞ্চম থেকে প্রথম গ্রেডভুক্ত কর্মকর্তারা ২০ বছর মেয়াদি এই ঋণ নিয়ে বাড়ি নির্মাণ কিংবা ফ্ল্যাট কিনতে পারবেন। তবে সর্বনিম্ন ১৮ থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মচারীরা ঢাকাসহ সব সিটি করপোরেশন ও বিভাগীয় সদরে ৩৫ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ সুবিধা পাবেন। চাকরি স্থায়ী হওয়ার পাঁচ বছর পর থেকে সরকারি চাকরিজীবীরা এই ঋণ নিতে পারবেন। সর্বোচ্চ ৫৮ বছর বয়স পর্যন্ত এই ঋণ নেওয়া যাবে।

১০ শতাংশ সরল সুদে রাষ্ট্রায়ত্ত যেকোনো ব্যাংক ও বাংলাদেশ হাউস বিল্ডিং ফিন্যান্স করপোরেশন থেকে এই ঋণ নেওয়া যাবে। এই ১০ শতাংশ সুদের মধ্যে ৫ শতাংশ সুদ পরিশোধ করবে সরকার। বাকি ৫ শতাংশ সুদ পরিশোধ করবেন ঋণগ্রহীতা চাকরিজীবী। নতুন এই ঋণ সুবিধা ২০১৮-১৯ অর্থবছর (আগামী ১ জুলাই) থেকে কার্যকর হবে।

সম্প্রতি অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগের সভাকক্ষে অর্থ বিভাগের সচিব মোহাম্মদ মুসলিম চৌধুরীর সভাপতিত্বে এ সংশ্লিষ্ট আন্তঃমন্ত্রণালয় কমিটির সভায় ‘সরকারি কর্মচারীদের জন্য ব্যাংকিং ব্যবস্থার মাধ্যমে গৃহনির্মাণ ঋণ প্রদান-সংক্রান্ত নীতিমালা, ২০১৮’-এর খসড়াটি সামান্য পরিবর্তন করে চূড়ান্ত করা হয়েছে। সভায় আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সিনিয়র সচিব মো. ইউনুসুর রহমানসহ কমিটির অন্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

সভা শেষে অর্থ বিভাগ সচিব মোহাম্মদ মুসলিম চৌধুরী বলেন, বেতন স্কেলের গ্রেড ভেদে সর্বোচ্চ ৭৫ লাখ এবং সর্বনিম্ন ৩০ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণের বিধান রেখে নীতিমালাটি চূড়ান্ত করা হয়েছে। এরপর নীতিমালাটি অর্থমন্ত্রীর অনুমোদনের জন্য তার কাছে পাঠানো হবে। অর্থমন্ত্রীর অনুমোদনের পর মন্ত্রিসভার বৈঠকে উপস্থাপনের জন্য পাঠানো হবে।

সরকারি কর্মচারীদের গৃহ নির্মাণে ঋণের মাধ্যমে অর্থের জোগান দিতে এই নীতিমালা করা হলেও সরকারের আওতাধীন মন্ত্রণালয়, বিভাগ, অধিদপ্তর, পরিদপ্তর ও কার্যালয়গুলোতে স্থায়ী পদের বিপরীতে নিয়োগপ্রাপ্ত বেসামরিক কর্মচারীরাও এ সুবিধা পাবেন। সামরিক, রাষ্ট্রায়ত্ত ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান, রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন কম্পানি, পৃথক বা বিশেষ আইন দ্বারা সৃষ্ট প্রতিষ্ঠানে নিযুক্ত কর্মচারীরা এ নীতিমালার আওতাভুক্ত হবেন না। তবে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোর কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ব্যাংক থেকে এ ধরনের গৃহনির্মাণ ঋণ সুবিধা পেয়ে থাকেন।

এ হিসাবে সরকারের প্রায় ১২ লাখ কর্মকর্তা-কর্মচারী গৃহনির্মাণ ঋণ সুবিধা পাবেন। তারা এককভাবে এই ঋণ নিতে পারবেন। আবাসিক বাড়ি করার জন্য গ্রুপভিত্তিক ঋণও নেওয়া যাবে। ফ্ল্যাট কেনার জন্যও এই ঋণ সুবিধা পাওয়া যাবে। তবে ফ্ল্যাট হতে হবে সম্পূর্ণ প্রস্তুত অর্থাৎ রেডি ফ্ল্যাট। অবশ্য সরকারি সংস্থার নির্মাণ করা ফ্ল্যাট কেনার ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ রেডি ফ্ল্যাটের শর্ত শিথিল করা যাবে।

নীতিমালার চূড়ান্ত খসড়া অনুযায়ী জাতীয় বেতন স্কেলের পঞ্চম গ্রেড থেকে প্রথম গ্রেডভুক্ত কর্মকর্তা, যাদের বেতন স্কেল ৪৩ হাজার বা এর বেশি তাঁরা প্রত্যেকে ঢাকাসহ সব সিটি করপোরেশন ও বিভাগীয় সদরে গৃহনির্মাণ ঋণ পাবেন ৭৫ লাখ টাকা। জেলা সদরে এর পরিমাণ হবে ৬০ লাখ টাকা এবং অন্যান্য এলাকায় ৫০ লাখ টাকা। বেতন স্কেলের নবম গ্রেড থেকে ষষ্ঠ গ্রেড পর্যন্ত বা যাঁদের মূল বেতন ২২ হাজার থেকে ৩৫ হাজার ৫০০ টাকা, তাঁরা ঢাকাসহ সব সিটি করপোরেশন ও বিভাগীয় সদর এলাকার জন্য ৬৫ লাখ টাকা, জেলা সদরের জন্য ৫৫ লাখ ও অন্যান্য এলাকার জন্য ৪৫ লাখ টাকা ঋণ পাবেন। ১১ হাজার থেকে ১৬ হাজার টাকা মূল বেতন বা দশম থেকে ১৩তম গ্রেডের চাকরিজীবীরা ঢাকাসহ সব সিটি করপোরেশন ও বিভাগীয় সদরের জন্য ৫৫ লাখ টাকা, জেলা সদরের জন্য ৪০ লাখ টাকা এবং অন্যান্য এলাকার জন্য ৩০ লাখ টাকা ঋণ পাবেন। ১৪তম থেকে ১৭তম গ্রেড বা ৯ হাজার থেকে ১০ হাজার ২০০ টাকা বেতন স্কেলে ঢাকাসহ সব সিটি করপোরেশন ও বিভাগীয় সদরের জন্য ৪০ লাখ টাকা, জেলা সদরের জন্য ৩০ লাখ টাকা ও অন্যান্য এলাকার জন্য ২৫ লাখ টাকা ঋণ পাবেন। আর ১৮তম থেকে ২০তম গ্রেড বা আট হাজার ২৫০ টাকা থেকে আট হাজার ৮০০ টাকা পর্যন্ত মূল বেতন পান, এমন কর্মচারীরা ঢাকাসহ সিটি করপোরেশন ও বিভাগীয় সদরের জন্য গৃহনির্মাণ ঋণ পাবেন ৩৫ লাখ টাকা। জেলা সদরে এটি হবে ২৫ লাখ টাকা এবং অন্যান্য এলাকার জন্য পাবেন ২০ লাখ টাকা।

ঋণ পাওয়ার যোগ্যতা হিসেবে নীতিমালার ৩ ধারায় বলা হয়েছে, আবেদনকারীকে সরকারি প্রতিষ্ঠানে রাজস্ব খাতভুক্ত স্থায়ী পদে কর্মরত হতে হবে। সরকারি প্রতিষ্ঠানে ন্যূনতম কর্মকাল পাঁচ বছর হতে হবে। সর্বোচ্চ বয়সসীমা হবে ৫৮ বছর। তবে কোনো কর্মকর্তা-কর্মচারীর বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা রুজু বা দুর্নীতি মামলার ক্ষেত্রে চার্জশিট দাখিল হলে মামলা চূড়ান্ত নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত তিনি ঋণ পাওয়ার যোগ্য বলে বিবেচিত হবেন না। সরকারি চাকরিতে চুক্তিভিত্তিক, খণ্ডকালীন ও অস্থায়ী ভিত্তিতে নিযুক্ত কেউ এই ঋণ সুবিধা পাবেন না।

ঋণের সর্বোচ্চ সিলিং নির্ধারণ সম্পর্কে খসড়া নীতিমালায় বলা হয়েছে, বেতন স্কেল অনুযায়ী সর্বোচ্চ যে সিলিং সরকার নির্ধারণ করে দেবে, সেটিও বাস্তবায়নকারী প্রতিষ্ঠানের যথাযথ পদ্ধতিতে যে পরিমাণ ঋণ সুবিধা নির্ধারণ করবে, তার মধ্যে যেটি কম, সে পরিমাণ ঋণ পাবেন। ফ্ল্যাট কেনা বা নিজস্ব জমিতে বাড়ি নির্মাণের ক্ষেত্রে ঋণ দেওয়ার জন্য ডেট ইক্যুইটি রেশিও হবে ৯০ঃ১০। অর্থাৎ ফ্ল্যাট কেনা বা নিজস্ব জমিতে বাড়ি নির্মাণের জন্য কেউ নিজস্ব উদ্যোগে ১০ টাকা খরচ করলে তিনি ৯০ টাকা ঋণ পাবেন। ঋণের সুদ সম্পর্কে খসড়া নীতিমালার ৭(ঘ) ধারায় বলা হয়েছে, ‘সরকারি কর্মচারীদের গৃহনির্মাণ ঋণের সুদের হার হবে সর্বোচ্চ ১০ শতাংশ। এটি হবে সরল সুদ এবং সুদের ওপর কোনো সুদ আদায় করা হবে না। ঋণগ্রহীতা কর্মচারী ব্যাংক রেটের সমহারে (বর্তমানে যা ৫ শতাংশ) সুদ পরিশোধ করবেন। সুদের অবশিষ্ট অর্থ সরকার ভর্তুকি হিসেবে প্রদান করবে।’

নীতিমালায় আরো বলা হয়েছে, সরকার সময়ে সময়ে বাস্তবায়নকারী প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে আলোচনা করে সুদের হার পুনর্নির্ধারণ করতে পারবে। তবে পুনর্নির্ধারিত সুদহার কেবল নতুন ঋণগ্রহীতার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে। ঋণগ্রহীতাকে গৃহনির্মাণ ঋণ পাওয়ার জন্য প্রসেসিং ফি বা আগাম ঋণ পরিশোধের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের অতিরিক্ত ফি দিতে হবে না।

৪ ধারায় ঋণ পাওয়ার শর্ত হিসেবে বলা হয়েছে, এই নীতিমালার আওতায় একজন সরকারি কর্মচারী দেশের যেকোনো এলাকায় গৃহনির্মাণ বা ফ্ল্যাট ক্রয়ের উদ্দেশ্যে ঋণ গ্রহণ করতে পারবেন। গৃহনির্মাণ বা ফ্ল্যাট কেনার ক্ষেত্রে ভবনের নকশা উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের অনুমোদিত হতে হবে। যে জমি বা ফ্ল্যাট কেনা হবে, তা সম্পূর্ণ দায়মুক্ত হতে হবে। ঋণদানকারী ব্যাংক বা বাস্তবায়নকারী প্রতিষ্ঠান নির্ধারিত ব্যাংকে আবেদনকারীর একটি হিসাব থাকবে। ওই হিসাবের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট কর্মচারীর বেতন-ভাতা, পেনশন এবং গৃহনির্মাণ বা ফ্ল্যাট ক্রয় ঋণ বিতরণ ও আদায়ের পুরো কার্যক্রম পরিচালিত হবে। রেডি ফ্ল্যাট কেনার ক্ষেত্রে ঋণের পুরো অর্থ এক কিস্তিতে ছাড় করবে ব্যাংক। গৃহনির্মাণের ক্ষেত্রে ঋণের টাকা চার কিস্তিতে ছাড় করা যাবে।

‘বাস্তবায়নকারী প্রতিষ্ঠান’ বলতে খসড়া নীতিমালা বলা হয়েছে, ‘সরকারি কর্মচারীদের জন্য ব্যাংকিং ব্যবস্থার মাধ্যমে গৃহনির্মাণ ঋণ প্রদান করার ক্ষেত্রে রাষ্ট্র মালিকানাধীন তফসিলি ব্যাংকসমূহ এবং বাংলাদেশ হাউস বিল্ডিং ফিন্যান্স করপোরেশন বাস্তবায়নকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে কার্যক্রমটি পরিচালনা করবে।’ সরকার অন্য যেকোনো বাণিজ্যিক ব্যাংক এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠানকে বাস্তবায়নকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে নিয়োগ দিতে পারবে। বাস্তবায়নকারী প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের নিজস্ব তহবিল থেকে সরকারি কর্মচারীদের জন্য এই ঋণ প্রদান কার্যক্রম পরিচালনা করবে।

খসড়া নীতিমালা অনুযায়ী, গৃহনির্মাণ ঋণ দেওয়ার আগে যে সম্পত্তিতে ঋণ দেওয়া হবে, তা ঋণদাতা প্রতিষ্ঠান বরাবর রেজিস্টার্ড দলিলমূলে বন্ধক রাখতে হবে। বাস্তুভিটায় বাড়ি করার ক্ষেত্রে ঋণগ্রহীতার মালিকানাধীন অন্য কোনো সম্পত্তি বন্ধক রাখা যাবে।

এই ঋণ পরিশোধের মেয়াদ হবে ২০ বছর। গৃহনির্মাণের প্রথম কিস্তি ঋণের অর্থ পাওয়ার এক বছর পর, ফ্ল্যাট কেনার ক্ষেত্রে ঋণের অর্থ পাওয়ার ছয় মাস পর থেকে ঋণগ্রহীতা মাসিক কিস্তিতে ঋণ পরিশোধ শুরু করবেন। কোনো কারণে মাসিক কিস্তি পরিশোধে দেরি হলে বিলম্বের জন্য আরোপযোগ্য সুদ শেষ কিস্তির সঙ্গে যুক্ত হবে। যে ব্যাংক ঋণ দেবে, সেই ব্যাংকে তাঁর মাসিক বেতনের হিসাব খুলতে হবে। তাঁর বেতন-ভাতা ওই হিসাবে জমা হবে। ব্যাংক সেখান থেকে প্রথমে মাসিক ভিত্তিতে কিস্তির টাকা কেটে নেবে। পরে ঋণগ্রহীতা বেতন-ভাতার বাকি অর্থ হিসাব থেকে তুলতে পারবেন। ঋণগ্রহীতা অন্যত্র বদলি হলে তার হিসাবও সেখানে একই ব্যাংকের কোনো শাখায় স্থানান্তর করে নেবেন। ঋণগ্রহীতা অবসর নেওয়ার ক্ষেত্রে তাঁর পিআরএল সময়কাল পর্যন্ত সরকারের দেওয়া সুদ বাবদ ভর্তুকি পাবেন। অবসর গ্রহণের পর সরকার কোনো ভর্তুকি দেবে না। পিআরএলে যাওয়া পর্যন্ত ঋণের কিস্তি অপরিশোধিত থাকলে সুদের হার ১০ শতাংশ বহাল রেখে অবশিষ্ট ঋণ পুনর্গঠন করে নিতে পারবেন। অবসরে যাওয়ার পরও যাতে ঋণের কিস্তি ঠিকমতো পরিশোধ হয়, সে জন্য ঋণগ্রহীতার মাসিক পেনশনের টাকা পূর্বনির্ধারিত ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে পরিশোধ করা হবে।

খসড়া নীতিমালায় আরো বলা হয়েছে, কোনো কর্মচারী ঋণ নেওয়ার পর স্বেচ্ছায় চাকরি ছাড়লে বা বাধ্যতামূলক অবসর, বরখাস্ত বা চাকরিচ্যুত হলে আদেশ জারির তারিখ থেকে ঋণের অবশিষ্ট মেয়াদের জন্য সুদ বাবদ সরকার কোনো ভর্তুকি দেবে না। এ ক্ষেত্রে ঋণের অপরিশোধিত অর্থ সংশ্লিষ্ট কর্মচারীর পেনশন সুবিধা বা আনুতোষিক সুবিধা থেকে আদায় করা হবে। ঋণগ্রহীতার মৃত্যু হলে তাঁর পারিবারিক পেনশন ও আনুতোষিক সুবিধা থেকে যতটুকু সম্ভব ঋণ পরিশোধ করা হবে। এর পরও ঋণ পাওনা থাকলে উত্তরাধিকারদের কাছ থেকে তা আদায় করা হবে।

নীতিমালা প্রণয়ন সংক্রান্ত গঠিত কমিটির একজন সদস্য জানান, ১৯৮২ সালে প্রথম সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য গৃহনির্মাণ ঋণ সুবিধা চালু করা হয়। চাকরিজীবীদের তখনকার মূল বেতনের ৪৮ মাসের সমপরিমাণ হিসাব করে এক লাখ ২০ হাজার টাকা গৃহনির্মাণ ঋণ দেওয়ার নিয়ম চালু করা হয়েছিল, যা ৪৮টি সমান কিস্তিতে পরিশোধ করতে হয়। এরপর চাকরিজীবীদের বেতন বাড়লেও এই ঋণসীমা বাড়েনি। কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এটি বাড়ানোর দাবি জানিয়ে আসছিলেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে অর্থ মন্ত্রণালয়ের একজন অতিরিক্ত সচিবের নেতৃত্বে এসংক্রান্ত নীতিমালা প্রণয়নের জন্য কমিটি গঠন করা হয়। কমিটি খসড়া নীতিমালা চূড়ান্ত করেছে। এটি মন্ত্রিসভার অনুমোদনের জন্য উত্থাপন করা হবে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

কোটা বাতিলে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা পায়নি মন্ত্রণালয়

সচিবালয় প্রতিবেদক :

কোটা সংস্কারের দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের পরিপ্রেক্ষিতে কোটা বাতিলের ঘোষণা দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। কিন্তু প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে চূড়ান্ত নির্দেশনা এখনো জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে আসেনি। তাই এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা যাচ্ছে না।

মঙ্গলবার সচিবালয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের শুদ্ধাচার কর্মপরিকল্পনার অংশ হিসেবে বিধি এবং সংগঠন ব্যবস্থাপনা অনুবিভাগের কার্যাবলী সম্পর্কে অবহিতকরণের লক্ষ্যে অংশীজনদের কর্মশালায় সিনিয়র সচিব ড. মো. মোজাম্মেল হক খান এ কথা বলেন।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের শুদ্ধাচার কর্মপরিকল্পনার অংশ হিসেবে বিধি এবং সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা অনুবিভাগের উদ্যোগে ২৮টি মন্ত্রণালয় বা বিভাগের প্রতিনিধিদের অংশগ্রহণে মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে এই কর্মশালা অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

সিনিয়র সচিব আরো বলেন, বিষয়টি নিয়ে কাজ চলছে। আশা করছি শিগগিরই প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে।

তিনি বলেন, যেহেতু প্রধানমন্ত্রী কোটা বাতিলের ঘোষণা দিয়েছেন, তাই প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ ও নির্দেশনা ছাড়া প্রজ্ঞাপন জারি করা সম্ভবপর হচ্ছে না।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

রাজাকারের সন্তানদের চাকরিতে অযোগ্য ঘোষণার দাবি

নিজস্ব প্রতিবেদক :

স্বাধীনতাবিরোধী চিহিৃত রাজাকারের সন্তানদের সরকারি চাকরিতে অযোগ্য ঘোষণার দাবি  জানিয়েছে ‘আমরা মুক্তিযোদ্ধার সন্তান’ নামে একটি সংগঠন। একইসঙ্গে সরকারি চাকরিতে স্বাধীনতাবিরোধীদের সন্তানরা থাকলে  তাদের বরখাস্তের দাবি জানানো হয়।

শনিবার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে এক সমাবেশে সংগঠনটির নেতারা এ দাবি জানান।

তারা মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য সংরক্ষিত ৩০ শতাংশ কোটা না কমানোর দাবি জানিয়ে বলেন, ‘রাষ্ট্রের নিরাপত্তার স্বার্থে স্বাধীনতাবিরোধীদের সম্পদ বাজেয়াপ্ত করাসহ স্বাধীনতাবিরোধীদের উত্তরসূরিদের সব চাকরিতে অযোগ্য ঘোষণা করতে হবে। স্বাধীনতাবিরোধী জামায়াত-শিবিরের রাজনীতি নিষিদ্ধ করতে হবে।’

একই সঙ্গে বাধ্যতামূলকভাবে ৩০ শতাংশ মুক্তিযোদ্ধা কোটা রেখে বিসিএসের প্রিলিমিনারি থেকে তা কার্যকর করতে হবে। কোটা সংস্কারের আন্দোলন ঘিরে জামায়াত-শিবির সারা দেশে নৈরাজ্য সৃষ্টির চেষ্টা করছে বলে বক্তারা দাবি করেন।

সমাবেশে ‘আমরা মুক্তিযোদ্ধার সন্তান’ সংগঠনের সভাপতি সাজ্জাদ হোসেন, সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক রাশেদুজ্জামান শাহীন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজ বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক আ ক ম জামাল উদ্দিন, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক কাজী সাইফুদ্দিন,  মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ডের সভাপতি মেহেদি হাসান প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

কুষ্টিয়ায় ৮ম শ্রেণির শিক্ষার্থী নিখোঁজ

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি :

কুষ্টিয়ার মিরপুরে মাসুদ রানা (১৪) নামের অষ্টম শ্রেণির এক স্কুল শিক্ষার্থী নিখোঁজ হয়েছে।

এ ব্যপারে শনিবার (২১ এপ্রিল) দুপুরে মিরপুর থানায় একটি সাধারন ডায়েরী (জিডি) করা হয়েছে।

মাসুদ রানা উপজেলার মালিহাদ ইউনিয়নের ঝুটিয়াডাঙ্গা গ্রামের আব্দুল খালেকের ছেলে এবং হাটবোয়ালিয়া নতুন কুড়ি আইডিয়াল স্কুলের অষ্টম শ্রেণির ছাত্র।

নিখোঁজ হওয়া ঐ শিক্ষার্থীর ভাই সাহিদুল ইসলাম জানান, গত বৃহস্পতিবার সকালে স্কুল ব্যাগ নিয়ে বাইসাইকেল যোগে আমার ভাই স্কুলে যাওয়ার জন্য রওনা হয়। পরে সে আর বাড়ী ফিরে আসেনি।

সাহিদুল ইসলাম বলেন, ‘আমার ভাই নিখোঁজ না অপহৃত তা আমরা বুঝতে পারছি না।’

যদি কেউ তার ভাইয়ের সন্ধান পান তাহলে ০১৭৮৮৬৫৫৮৮৩ এই নম্বরে যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ করেছেন তিনি।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

এশার বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করল ছাত্রলীগ

ডেস্ক রিপোর্ট : ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) কবি সুফিয়া কামাল হল শাখার ছাত্রলীগ সভাপতি ইফফাত জাহান এশার বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করেছে তাঁর সংগঠন।

আজ শুক্রবার সকাল ১০টার দিকে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় কমিটি এ কথা জানায়।

ওই বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে ইফফাত জাহান এশা সম্পূর্ণ নির্দোষ প্রমাণিত হয়েছেন। বহিষ্কারের আদেশ প্রত্যাহার করে তাঁকে আগের পদে বহাল করা হলো।

এ বিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি আবিদ আল হাসান জানান, পরিস্থিতির কারণে এশাকে বহিষ্কার করা হয়। পরে তদন্ত করে নির্দোষ প্রমাণিত হওয়ায় তাঁকে আগের পদে বহাল করা হয়েছে।

এর আগে গত মঙ্গলবার রাতে কোটা সংস্কার আন্দোলনে অংশ নেওয়ায় হলের এক সাধারণ ছাত্রীকে রুমে ডেকে নিয়ে মারধর করে রক্তাক্ত করার অভিযোগ ওঠে এশার বিরুদ্ধে। ওই ঘটনায় তাৎক্ষণিকভাবে হলের শিক্ষার্থীরা বিক্ষুব্ধ হয়ে এশাকে অবরুদ্ধ করে রাখেন এবং তাঁর বিচার দাবি করেন। একপর্যায়ে হলের প্রাধ্যক্ষ ও হাউস টিউটরদের সামনেই এশার গলায় জুতার মালা পরিয়ে দেন হলের ছাত্রীরা।

ওই রাতেই এশাকে হল ও বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিষ্কারের ঘোষণা দেন উপাচার্য ড. আখতারুজ্জামান। এ ছাড়া সংগঠনের শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগ এনে ছাত্রলীগ থেকেও এশাকে বহিষ্কার করা হয়।

সুফিয়া কামাল হলের একাধিক ছাত্রীর অভিযোগ, ছাত্রলীগের হল শাখার সভাপতি এশা এর আগেও সাধারণ ছাত্রীদের নিজের কক্ষে ডেকে নিয়ে মারধর করতেন। তবে এত দিন ভয়ে কেউ মুখ খোলেননি। সূত্র : এনটিভি

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

আগের জনের মতোই ‘ঘুষ’সহ ধরা প্রধান নৌ প্রকৌশলী

গত ১৮ জুলাই নিজের কার্যালয়ে বসে ‘ঘুষের পাঁচ লাখ টাকা’ নেওয়ার সময় নৌ পরিবহন অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী এ কে এম ফখরুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করেছিল দুদকের ঢাকা বিভাগের পরিচালক নাসিম আনোয়ারের নেতৃত্বে একটি দল।
Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

Responsive WordPress Theme Freetheme wordpress magazine responsive freetheme wordpress news responsive freeWORDPRESS PLUGIN PREMIUM FREEDownload theme free