টপ খবর

ক্রিকেটে লজ্জার বিশ্বরের্কড- ৩ রানে অলআউট, ইনিংসে শূন্যতে আউট দশজন

chitkaক্রীড়া ডেস্ক: টেমস নদীর তীরে ক্রিকেটে লজ্জার বিশ্বরেকর্ড হল। ইংল্যান্ডের ঘরোয়া ক্রিকেটে ঘটল এক অভাবনীয় ঘটনা। চেসারে লিগের তৃতীয় ডিভিশনের এক ম্যাচে মাত্র ৩ রানে অলআউট হয়ে গেল উইরাল ক্লাব (Wirral, from north-west England)। মোট ৩ রানের ইনিংসে আবার দুটো রান এল অতিরিক্ত হিসাবে। দশ জন ব্যাটসম্যান শূন্যরানে আউট হলেন। একমাত্র রান পেলেন এগারো নম্বরে নামা ব্যাটসম্যান। করলেন ১ রান।

একটা সময় উত্তর-পশ্চিম ইংল্যান্ডের ক্লাব উইরালের স্কোর ছিল ০ রানে ৮ উইকেট। দশ ওভারে একটা অতিরিক্ত হওয়ার পর অবশেষে ইনিংসে রানের খাতা খোলে। হ্যাসিলংটন বনাম উইরাল ক্লাবের এই ম্যাচ ঢুকে গেল ইতিহাসে। হ্যাসিলংটন এই ইতিহাস গড়ার ম্যাচে জিতল ১০৫ রানে।

১০৮ রানে অলআউট হয়ে গিয়েছিল হ্যাসিলংটন। তারপর মাত্র ৩ রানেই ইনিংস শেষ হয়ে যায় উইরাল-এর। উইরাল ক্লাবের হয়ে একসময় খেলতেন ইংল্যান্ডের প্রাক্তন অধিনায়ক মাইকেল ভন, ও ডেভিড লয়েড।

এ খবর ছডিয়ে পড়ার পর অনেকই বলছেন, এ যেন এগারো জন গৌতম গম্ভীরকে নিয়ে খেলতে নামা। কেকেআর-এর হয়ে গম্ভীর ৩টে শূন্য করার পর চতুর্থ ইনিংসে করেন ১ রান। উইরাল দলেরও যেন ঠিক সেই ১১ জন গৌতম গম্ভীর ছিল।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

নতুন নিয়মে ৩৫তম বিসিএস!

ব্যবস্থা আধুনিকায়ন করা হচ্ছে। পরীক্ষা প্রক্রিয়া ও মানবণ্টনে আসছে নানা পরিবর্তন। পরিবর্তিত নিয়মে আগামী ৩৫তম বিসিএস পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হতে পারে।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এবং পিএসসির সংশ্লিষ্ট সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। সম্প্রতি নতুন নিয়মের প্রস্তাবনা ও সুপারিশসহ একটি চিঠি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছে পিএসসি। এছাড়া ‘বাংলাদেশ সরকারি কমকমিশন ২০১৩ খসড়া নীতিমালা’ ও ‘বিসিএস পরীা আইন ২০১৩ ‘ বাংলায় প্রণয়ন করা হবে বলে প্রতিষ্ঠানটির বার্ষিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

প্রস্তাবিত সুপারিশ অনুযায়ী, আগামীতে বিসিএস প্রিলিমিনারী পরীার পূর্ণমান হবে ৩০০ এবং তিন ঘন্টায় এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। বিদ্যমান নিয়মে ১০০ নম্বরের প্রিলিমিনারি পরীক্ষা এক ঘণ্টায় অনুষ্ঠিত হয়। আর এ পরীক্ষার ফি ৫০০ টাকার পরিবর্তে ৭০০ টাকা এবং আদিবাসীদের জন্য ৫০ টাকার পরিবর্তে ২৫০ টাকা ফি নির্ধারণ করার প্রস্তাব করা হয়েছে।

প্রস্তাবিত পদ্ধতি বাস্তবায়িত হলে বিসিএসের বিষয়ভিত্তিক লিখিত পরীায় ২০০ নম্বরের প্রথম পত্রের পরীক্ষা ৩ ঘণ্টায় এবং ১০০ নম্বরের দ্বিতীয় পত্র পরীক্ষা ৩ ঘণ্টায় অনুষ্ঠিত হবে। বিদ্যমান পদ্ধতিতে দুই পত্রের পরীক্ষারই পূর্ণমান ১০০ এবং তিন ঘণ্টায় প্রতি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। বর্তমানে ১০০ পূর্ণমানের পরীক্ষা ২৫ নম্বরের নিচে ‘নো নম্বর’ হিসেবে বিবেচিত হলেও নতুন নিয়মে ৩০ নম্বরের নিচে এ মান নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়া মৌখিক পরীক্ষায় পাসের জন্য সর্বনিম্ম ৫০ শতাংশ নম্বর নির্ধারণ করা হয়েছে। বর্তমানে এটি ৪০ শতাংশ।

মন্ত্রণালয় এবং পিএসসির একাধিক সূত্র জানায়, ৩৫তম বিসিএস থেকেই নতুন নিয়ম কার্যকর করা হবে। এ নিয়ম সামনে রেখেই পরীক্ষা ব্যবস্থার প্রস্তাবনা চূড়ান্ত হলেই ৩৫তম বিসিএসের বিজ্ঞাপন প্রকাশ করা হবে।

এ প্রসঙ্গে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব ড. কামাল আব্দুল নাসের চৌধুরী বলেন, বাংলাদেশ পাবলিক সার্ভিস কমিশন পরীা পদ্ধতি নিয়ে নতুন একটি প্রস্তাব পাঠিয়েছে। বর্তমান নিয়ম নীতিগুলো ইংরেজিতে লেখা। আর নতুন প্রস্তাবটি বাংলায় লিখিত। শিগগিরই এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

পদার্থের সৃজনশীল প্রশ্নও ফাঁস!

উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) পরীক্ষায় পদার্থবিজ্ঞানের সৃজনশীল প্রশ্নও ফাঁস হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন একাধিক পরীক্ষার্থী, অভিভাবক ও শিক্ষক।
সৃজনশীল প্রশ্নপত্রে গতকাল বুধবার এই বিষয়ের পরীক্ষা হয়। কিন্তু এর আগের দিন মঙ্গলবার থেকেই পরীক্ষাটির প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগ ওঠে। গতকাল পরীক্ষার পর একাধিক অভিভাবক ও শিক্ষক ফোন করে বলেন, মূল প্রশ্নের সঙ্গে ফাঁস হওয়া প্রশ্নের প্রায় সবই মিলেছে।
এর আগে প্রশ্ন ফাঁসের কারণে ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের অধীন এইচএসসির ইংরেজি দ্বিতীয় পত্রের পরীক্ষা স্থগিত করা হয়। ১০ এপ্রিল পরীক্ষাটি হওয়ার কথা ছিল। এ ঘটনায় দুটি তদন্ত কমিটি কাজ করছে। এরই মধ্যে আবারও প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগ উঠল।
সব শিক্ষা বোর্ডে সৃজনশীলের প্রশ্ন অভিন্ন হওয়ায় দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগ পাওয়া গেছে।
বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) একজন ছাত্র জানান, তিনি নটর ডেম কলেজের একজন পরীক্ষার্থীর গৃহশিক্ষক। তাঁর ওই ছাত্র পরীক্ষার আগের দিন ফোনে জানায় সে কিছু সাজেশন পেয়েছে, তাই তিনি যেন সেগুলোর উত্তর বলে দেন। পরীক্ষার দিন সকালে আরেকজন তাঁর কাছে নির্দিষ্ট কিছু প্রশ্নের উত্তর জানতে চান। পরীক্ষার পর দেখা যায়, এসব প্রশ্ন মূল প্রশ্নের সঙ্গে মিলেছে।
বুয়েটের ওই ছাত্র জানান, যাঁরা প্রশ্ন ফাঁস করেছেন, তাঁরা চালাকির আশ্রয় নিয়েছেন। দেখা গেছে, ফাঁস হওয়া প্রশ্ন ও মূল প্রশ্নের মধ্যে কিছু শব্দগত পরিবর্তন ও ক্রমসংখ্যায় ওলট-পালট রয়েছে। কিন্তু বিষয়বস্তু ঠিক রয়েছে। ফাঁস হওয়া প্রশ্নকে সাজেশন হিসেবে চালানোর জন্য এমন কৌশল নেওয়া হতে পারে।
ফাঁস হওয়া প্রশ্ন ও পরীক্ষার প্রশ্নের মধ্যে দেখা গেছে, পরীক্ষার একটি প্রশ্নের একটি অংশে বলা হয়েছে মেধাবী ছাত্র তাহিয়াত…। সেখানে ফাঁস হওয়া প্রশ্নে রয়েছে মোহতাব…। আবার পরীক্ষার একটি প্রশ্নে গাড়ির ছবি ব্যবহার করা হলেও ফাঁস হওয়া প্রশ্নে তা করা হয়নি। সেখানে গাড়ির বদলে একটি বর্গক্ষেত্রের মাঝে গাড়ি লেখা রয়েছে।
একজন চিকিৎসক জানান, তাঁর একজন নিকটাত্মীয় এবার রাজধানীর সিটি কলেজথেকে এইচএসসি পরীক্ষা দিচ্ছেন। পরীক্ষার আগের দিন তাঁরা ফাঁস হওয়া প্রশ্ন পান। পরীক্ষার পর দেখা যায়, মূল প্রশ্নের সঙ্গে তা প্রায় সব মিলে গেছে। তাঁর অভিযোগ, একটি চক্র ফার্মগেট এলাকায় হাতে লেখা প্রশ্ন ফটোকপি করে বিক্রি করছে। একই সঙ্গে উত্তরও পাওয়া যায়।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক রংপুর অঞ্চলের একজন শিক্ষকসহ আরও কয়েকজন একই ধরনের অভিযোগ করেন।
তবে ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক এস এম ওয়াহিদুজ্জামান প্রথম আলোকে বলেন, তাঁদের কাছে কেউ এ ধরনের অভিযোগ করেনি। এ ছাড়া তাঁরাও কোনো সূত্র থেকে এমন কিছু পাননি যেটা মিলিয়ে দেখবেন।
নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী জানান, রাজশাহীতেও পরীক্ষার আগের দিন রাতেই শিক্ষার্থীরা মুঠোফোনের খুদে বার্তায় প্রশ্ন পায়, যা গতকাল মূল প্রশ্নের সঙ্গে মিলেছে।
কয়েকজন পরীক্ষার্থী বলেছেন, রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের অধীনে অনুষ্ঠিত এ পর্যন্ত সাতটি পরীক্ষার মধ্যে শুধু জীববিজ্ঞানের উদ্ভিদবিদ্যা অংশের ফাঁস হওয়া প্রশ্নের সঙ্গে মূল প্রশ্নপত্র মেলেনি। বাকি সব পরীক্ষার প্রশ্নের ক্রম আগে-পিছে করা থাকলেও ফাঁস হওয়া প্রশ্ন প্রায় মিলে গেছে।
এ বিষয়ে রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান আবদুর রউফ মিঞা বলেন, সাজেশন আকারে বাইরে প্রশ্ন পাওয়া যাচ্ছে—এটা তিনি শুনেছেন। তবে মূল প্রশ্নের সঙ্গে কয়েকটি পার্থক্যের উদাহরণ শুনে তিনি বলেন, এগুলোকে তো পার্থক্য বলাই যায় না। কীভাবে এটা হচ্ছে তিনি কিছুই বুঝতে পারছেন না। তিনি বিষয়টি নিয়ে শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক আবু হুরাইরার সঙ্গে কথা বলতে বলেন।
জানতে চাইলে পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মুঠোফোনে বলেন, ‘এ বিষয়ে আপনার কাছ থেকেই প্রথম শুনলাম।’

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

সৈয়দা রিজওয়ানা হাসানের স্বামী আবু বকর সিদ্দিক উদ্ধার হয়েছে

ডেস্ক: পরিবেশ আইনবিদ সমিতির (বেলা) প্রধান নির্বাহী সৈয়দা রিজওয়ানা হাসানের স্বামী আবু বকর সিদ্দিকি উদ্ধার হয়েছে। তাকে কলাবাগান চেকপোস্ট থেকে উদ্ধার করে রাতেই তাকে সেন্ট্রালরোডের বাসায় নেয়া হয়।  ab siddikশুক্রবার সকালে তাকে নারায়ণগঞ্জের আদালতে নেয়ার কথা।
বৃহস্পতিবার রাত পৌনে দুইটার দিকে রাজধানীর মিরপুর রোডের কলাবাগান বাসস্ট্যান্ডে বসানো চেকপোস্টে কর্তব্যরত পুলিশ কর্মকর্তা একটি সিএনজি থেকে তাকে উদ্ধার করেন।
ধানমন্ডি থানার ডিউটি অফিসার এএসআই আলী হোসেন জানান, রাজধানীর ধানমন্ডি মিরপুর রোডে সিএনজি দিয়ে যাওয়ার সময় কর্তব্যরত পুলিশ তাকে উদ্ধার করে। তবে সিএনজিতে তিনি একাই ছিলেন বলে জানান ডিউটিরত ওই পুলিশ অফিসার।
তিনি বলেন, আবু বকর সাহেব বর্তমানে সুস্থ্য আছেন এবং তার স্ত্রী রিজওয়ানা হাসান ও তার আত্মীয়রা থানায় এসেছেন। তবে রিজওয়ানা হাসান মনে করেন, টাকার জন্য তার স্বামীকে অপহরণ করা হয়নি।
ধানমন্ডি থানায় আবু বকর সাংবাদিকদের বলেন, তাঁকে মাইক্রোবাসে তুলে নেওয়ার প্রায় তিন ঘণ্টা পর একটি বাড়িতে নেওয়া হয়। চোখ সার্বক্ষনিক বাঁধা ছিল। ধরে নেওয়ার সময় কিছু কিল-ঘুষি ছাড়া তাঁকে কোনো নির্যাতন করা হয়নি।
তিনি বলেন, গতকাল (বৃহস্পতিবার) রাতে তাঁকে মিরপুরের আনসার ক্যাম্প এলাকায় গাড়ি থেকে নামিয়ে দেওয়ার সময় পকেটে ৩০০ টাকা দিয়ে দেয় অপহরণকারীরা। তিনি সেন্ট্রাল রোডের বাসায় যাওয়ার জন্য প্রথমে একটি রিকশায় ওঠে কাজীপাড়া পর্যন্ত আসেন। এরপর একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশা পান।
রিজওয়ানা বলেন, ধরে নিয়ে যাওয়ার পর এক সেকেন্ডের জন্য চোখ খুলে দেওয়া হয়নি। কিন্তু কেন তাঁকে ধরে নিয়ে যাওয়া হলো, তা সম্পূর্ণ রহস্যাবৃত্তই রয়ে গেছে। তারা ‘মোটিভ ক্লিয়ার’ করেনি। অপহরণকারীরা নিজেরা নিজেরা টাকার কথা বলছিল। তবে কেউ টাকা চায়নি। এমনকি তাঁর কাছে পরিবারের নম্বরও চায়নি।
রিজওয়ানা বলেন, টাকার জন্য এই অপহরণ করা হয়েছে বলে আমি প্রাথমিকভাবে মনে করছি না। প্রচন্ড চাপের মধ্যে পড়ে তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
কীসের চাপ জানতে চাইলে তিনি বলেন, গণমাধ্যমের চাপ তো ছিলই। এ ছাড়া প্রধানমন্ত্রী নিজে নির্দেশনা দিয়ে পুরো বিষয়টি তদারকি করছিলেন। আইনশৃক্সখলা রক্ষাকারী বাহিনীর তৎপরতাও ছিল অনেক বেশি।পরে রাত সোয়া তিনটার দিকে আবু বকর সিদ্দিকে থানা থেকে বাসায় নিয়ে যাওয়া হয়।

উল্লেখ্য, গতকাল বুধবার বিকেল সোয়া ৩টায় নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার ভূইয়া ফিলিং স্টেশনের সামনে থেকে ৭ থেকে ৮ জন যুবক লাঠি সোটা ও অস্ত্রের মুখে তুলে নিয়ে যায় সৈয়দা রেজওয়ানা হাসানের স্বামী আবু বকর সিদ্দিকে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

নাইটরাইডার্সের জয়

ক্রীড়া ডেস্ক : আবুধাবী শেখ জাKolkatanightridersয়েদ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিচত আইপিএল-এর উদ্বোধনী ম্যাচে বলিউড সুপারস্টার শাহরুখ খানের কলকাতা নাইট রাইডার্স ৪১ রানে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সকে হারিয়েছে।

কলকাতা নাইটরাইডার্স টস জিতে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৬৩ রান তোলে। জবাবে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স নির্ধারিত ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে ১২২ রান সংগ্রহ করে। কলকাতা নাইটরাইডার্সের জ্যাক ক্যালিস (৭২) প্লেয়ার অব দি ম্যাচ হন।

আইপিএলের সপ্তম আসরের মাঠের লড়াই শুরু হয়েছে। বুধবার উদ্বোধনী ম্যাচে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের মুখোমুখি হয় কলকাতা নাইটরাইডার্স।

মাঠের লড়াই শুরুর আগেই আরব আমিরাতে ক্রিকেটার ও সংগঠকরা গিয়ে পৌঁছান। মঙ্গলবার রাতে সেখানেই এক ধরনের উত্সবের আমেজ বিরাজ করে। যেখানে নজর কেড়েছে শাহরুখ-কোহলির খুনসুটি। ‘আরে বিরাট, দ্যাখো তো তোমার কী রকম মেয়ে পছন্দ?’ বলতে বলতে তিন-চারটে ছবি বের করলেন শাহরুখ খান। প্রথমে চারটে, তার পর দুটো, শেষে একটা। আর শেষেরটা কার? কেন, আনুশকা শর্মার! বিরাট দেখলেন এবং হাসতে হাসতে নিজের পার্স থেকে আনুশকার ছবি বের করে বলে দিলেন, ‘এটার জন্য এত খাটাখাটনি করার কী দরকার ছিল? এ তো আমার কাছেই ছিল!’ করুণ মুখে শাহরুখও এবার পার্স খুললেন, আনুশকারই আর একটা ছবি বের করে বিরাটের হাতে ধরিয়ে বলে উঠলেন, ‘একটাই ছিল। এবার এটা তুমিই রেখে দাও!’

মঙ্গলবার রাতে আবুধাবির কিং খান রাজকীয় মেজাজে। মহেন্দ্র সিংহ ধোনিকে ‘লুঙ্গি ড্যান্স’-এ নাচানোর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। দেখে কে বলবে, রাত পোহালে তার দল উদ্বোধনী যুদ্ধে নামছে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের বিপক্ষে? আমির শাহির আইপিএল-কাণ্ডে আমিরি মেজাজ। তবে সুপ্রিম কোর্টের আইপিএল-কাণ্ডকে ঘিরে একটা উত্কণ্ঠা ছিল। কী হলো, এমিরেটস প্যালেসের আইপিএল-উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে কী হলো না, সেটাই প্রশ্ন! দীপিকা পাড়ুকোনের পারফরম্যান্স, আতশবাজির ধুন্ধুমার প্রদর্শনী পর্যন্ত সব এগোচ্ছিল আর পাঁচটা আইপিএল উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের নিয়ম মেনে। কিন্তু দৃশ্যপট পুরো পাল্টে যায় কেকেআর মালিক স্টেজ দখল করার পর। একটা বিশাল ওয়েডিং ইনভিটেশন বের করে বিভিন্ন ছবি কোহলিকে দেখিয়ে শেষ পর্যন্ত বের হলো আনুশকার ছবি। প্রভূত কৌতুকের শেষে ওই ছবি সোজা ঝুলিয়ে দিলেন বিরাটের গলায়! এত দিন পর্যন্ত বিরাট আনুশকার সম্পর্ক নিয়ে জল্পনা প্রকাশ হচ্ছিল শুধু মিডিয়ায়। কখনও আনুশকার সঙ্গে দেখা করতে বিরাট শ্রীলঙ্কা উড়ে গিয়েছেন। কখনও নিউজিল্যান্ডের রাস্তায় দুজনকে হাত ধরে ঘুরতে দেখা গেছে বলে লাফিয়ে পড়েছে মিডিয়া। কিন্তু আমির শাহির মোহিনী রাতের আগ পর্যন্ত না বিরাট, না আনুশকা কেউ কোথাও সম্পর্কের কথা স্বীকার করেননি। যেটি প্রায় স্বীকৃতি পেয়ে গেল বলিউড বাদশার পাল্লায়!

শুধু আরসিবি অধিনায়ক বিরাট কেন? বাকি অধিনায়কদেরও শাহরুখ ছাড়লেন না। ‘লুঙ্গি ডান্সে’র সঙ্গে নাচিয়ে দিলেন। যে নাচে রীতিমতো লড়াই চলল মুম্বাই অধিনায়ক রোহিত শর্মা, সানরাইজার্স অধিনায়ক শিখর ধাওয়ান এবং বিরাটের মধ্যে। এখানেও জয়ী বিরাট।

‘ওই দ্যাখো, দীপিকা পর্যন্ত তোমার নাচ দেখতে চাইছে’ বলে ধোনিকেও নাচানোর চেষ্টা করেছিলেন কিং খান। কিন্তু সেটা সম্ভব হয়নি। ভারত অধিনায়ককে নিয়ে অবশ্য এর পর আস্ত একটা ম্যাজিক শো-র বন্দোবস্ত করে ফেললেন শাহরুখ!

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

প্রাইমারী শিক্ষক পুলের ১৫ হাজার নিয়োগ পাচ্ছেন

ডেস্ক রিপোর্ট : সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য গঠিত শিক্ষক পুলের (চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ কাঠামো) ১৫ হাজার শিক্ষকের নিয়োগ জটিলতার অবসান হতে যাচ্ছে। নিয়মিত শিক্ষকদের ছুটিজনিত কারণে শূন্য পদ পূরণে শর্তসাপেক্ষে মাসিক ছয় হাজার টাকা সম্মানী ভাতায় পুলভুক্ত শিক্ষকদের নিয়োগ দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই এ নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু হবে বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। এর ফলে শিক্ষক পুল নিয়ে দুই বছরেরও বেশি সময় ধরে চলা শিক্ষক আন্দোলনসহ জটিলতার অবসান হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমান সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, আপাতত ছয় মাসের জন্য অস্থায়ীভাবে তাদের নিয়োগ দেয়া হবে। এ জন্য নীতিমালাও চূড়ান্ত করা হয়েছে। এ ফলে দীর্ঘদিন ঝুলে থাকা বিষয়টির নিষ্পত্তি হচ্ছে। শীঘ্রই এ নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করা হবে। জানা গেছে, ২০১২ সালের ফেব্র“য়ারি মাসে প্রাথমিকের সহকারী শিক্ষক নিয়োগের ফল প্রকাশের পর উত্তীর্ণ ১২ হাজার ৭০১ জনকে নিয়োগের সুপারিশ করা হয়। অবশিষ্ট প্রার্থীদের মধ্য থেকে ১৫ হাজার ১৯ জনকে উপজেলা বা থানাভিত্তিক প্রাথমিক শিক্ষক পুল (চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ কাঠামো) গঠনের জন্য নিয়োগের সুপারিশ করে মন্ত্রণালয়। তবে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন এবং জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ছাড়পত্র না পাওয়ায় ঝুলে যায় শিক্ষক পুলের নিয়োগ প্রক্রিয়া। শিক্ষকদের প্রশিক্ষণের জন্য ছুটি, সরকারী কাজে অন্য জায়গায় ব্যস্ত থাকা এবং ৭০ ভাগ নারী শিক্ষকের মাতৃত্বকালীন ছুটিসহ বিভিন্ন কারণে শিক্ষক সঙ্কটে পাঠদান ব্যাহত হওয়া থেকে মুক্তির জন্য শিক্ষক পুল গঠন করা হয়েছিল। শিক্ষক পুল গঠনের লক্ষ্য ছিল সাময়িক শিক্ষক ঘাটতি পূরণে বর্তমানে কর্মরত শিক্ষকদের বিপরীতে ১০ শতাংশ হারে ‘লিভ রিজার্ভ’ পদ তৈরি। কিন্তু পরীক্ষা দিয়েও নিয়োগ না পাওয়ায় দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন করে আসছেন পুলভুক্ত প্রার্থীরা। সম্প্রতি এসব শিক্ষক সংবাদ সম্মেলনে ঘোষণা দেন, আগামী মাসের মধ্যে নিয়োগ না পেলে অনশনসহ কঠোর আন্দোলনের নামবেন তারা। পুল শিক্ষক হিসেবে নির্বাচিত সাদিয়া শবনম বলছিলেন, ২০১২ সালের ফেব্র“য়ারি মাসের ২৪ তারিখ ১৫ হাজার ১৯ জন প্রার্থী চূড়ান্তভাবে পুল শিক্ষক হিসেবে নির্বাচিত হওয়ার পরও আমরা নিয়োগ পাইনি। নিয়োগ না পাওয়ার কারণও এখন পর্যন্ত আমরা জানি না। মাঝে মাঝে শুনি নিয়োগ নাকি হবে না। প্রধানমন্ত্রী ও শিক্ষামন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি দেয়া হলেও কোন ধরনের সাড়া পাওয়া যায়নি বলে জানান পুল শিক্ষক হিসেবে নির্বাচিতরা। আগামী মাসের মধ্যে নিয়োগ দেয়ার জন্য সরকারের প্রতি অনুরোধও করেন তারা। পুলভুক্ত শিক্ষকরা বলছেন, পরীক্ষা দিয়েও নিয়োগ না পাওয়ায় দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন করে আসছেন পুলভুক্ত শিক্ষকরা। ইতোমধ্যে তাঁদের অনেকেরই চাকরির বয়স শেষ হয়ে গেছে।

তবে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং অধিদফতর বলছে, এই সঙ্কটের অবসান হচ্ছে। এ লক্ষ্যে প্রাথমিক শিক্ষক পুল নীতিমালা-২০১৪ প্রণীত হয়েছে। নীতিমালায় বলা হয়, এসব শিক্ষকের নিয়োগ ও নিয়ন্ত্রণের জন্য প্রতি উপজেলা বা থানায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নেতৃত্বে তিন সদস্যের কমিটি থাকবে। তবে সিটি কর্পোরেশন এলাকার জন্য অতিরিক্ত জেলা প্রশাসকের (শিক্ষা) নেতৃত্বে চার সদস্যের কমিটি হবে। এসব কমিটি পুলের শিক্ষকদের সাময়িক শূন্যপদে নিয়োগ সুপারিশ করলে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সাময়িক শূন্যপদের বিপরীতে নিযুক্ত করবেন। নীতিমালা অনুযায়ী পাঁচ শর্তে শিক্ষকরা নিযুক্ত হবেন জানিয়ে বলা হয়, পুলের শিক্ষকদের নিযুক্তির সময় দেড় শ’ টাকার নন-জুডিসিয়াল স্ট্যাম্পে একটি চুক্তিতে সই করতে হবে। শর্তগুলো হলো, সম্মানী ভাতা হবে মাসে ছয় হাজার টাকা, নিয়োগের মেয়াদ হবে ছয় মাস, তবে প্রয়োজনে মেয়াদ নবায়ন করা যাবে। এই নিয়োগ নিয়মিত হবে না এবং এটি স্থায়ী হওয়ার নিশ্চয়তা দেবে না। তাঁরা সরকারী ছুটি ছাড়া অন্য কোন প্রকার ছুটি দাবি করতে পারবেন না। তবে অসুস্থতা বা দুর্ঘটনাজনিত কারণে সাত দিন ছুটি নিতে পারবেন। আর কোন শিক্ষক কর্মস্থলে বিনা অনুমতিতে অনুপস্থিত থাকলে তাঁর সম্মানী ভাতা থেকে টাকা কাটা হবে। এ ছাড়া কেউ অনুমতি না নিয়ে টানা সাত দিন কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকলে তাঁর নিয়োগ বাতিল হবে বলে শর্তে উল্লেখ করা হয়। নিয়োগবিধিতে নির্ধারিত যোগ্যতা থাকা সাপেক্ষে ন্যাশনাল সার্ভিসের সদস্যদেরও এই পুলে অন্তর্ভুক্ত করা যাবে। তবে পুলে অন্তর্ভুক্ত শিক্ষকের সংখ্যা সারাদেশে সর্বোচ্চ ২০ হাজারের বেশি হওয়া যাবে না। নীতিমালা অনুযায়ী দেশের প্রতিটি উপজেলা বা থানার জন্য রাজস্ব খাতে সৃষ্ট সহকারী শিক্ষকদের মোট পদের অনধিক ১০ শতাংশ পদের সমন্বয়ে ‘উপজেলা/থানা প্রাথমিক শিক্ষক পুল’ গঠিত হবে। তবে পুলের জন্য সংশ্লিষ্ট উপজেলা বা থানার বাইরের কোন প্রার্থীকে বিবেচনায় আনা হবে না। পুলের প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করে মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা বলছেন, গত বছর সরকারী হওয়া প্রায় ২৬ হাজার বিদ্যালয় বাদে আগের সরকারী ৩৭ হাজার ৬৭২টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এক লাখ ৮০ হাজার সহকারী শিক্ষক রয়েছেন। তাঁদের মধ্যে প্রায় ৭০ শতাংশ নারী। নারী শিক্ষকদের ছয় মাসের মাতৃত্বকালীন ছুটি রয়েছে। সব শিক্ষকেরই প্রশিক্ষণের ছুটি, সরকারী কাজে অন্যখানে যাওয়াসহ নানা কারণে পাঠদান ব্যাহত হয়। শিক্ষক যখন অনুপস্থিত থাকেন তখন পুলের শিক্ষক দিয়ে শিক্ষা কার্যক্রম অব্যাহত রাখা হবে। শিক্ষক পুলের সঙ্কট সমাধানের বিষয়ে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালক শ্যামল কান্তি ঘোষ বলেন, তাঁদের শীঘ্রই নিয়োগ দেয়া হবে। এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। শর্তসাপেক্ষে তাঁরা নিয়োগ পাবেন। এর ফলে দীর্ঘদিনের এ সঙ্কটের অবসান হবে বলে আশা মহাপরিচালকের। জনকণ্ঠ

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

বাড়তি পড়ার চাপে বেসরকারি শিশু শিক্ষার্থীরা

ডেস্ক: cfbcbc সরকারি স্কুলগুলোতে প্রথম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য রয়েছে মাত্র তিনটি বই। অথচ বেসরকারি স্কুলগুলোতে বইয়ের সংখ্যা চার থেকে পাঁচ গুন বেশি। এসব স্কুল মনে করে, অল্প বয়সেই শিশুরা সবচেয়ে বেশি পাঠ গ্রহণ করতে পারে। অন্যদিকে, মনোচিকিৎসকরা বলছেন, অতিরিক্ত পড়ার চাপে প্রায়ই অসুস্থ্ হয়ে পড়ছে শিশুরা।

মানুষটির তুলনায়, বইয়ের ব্যাগের ভার বেশি। এই ভারে হিমশিম খায় শিশুরা, তাই প্রায়ই বইয়ের ব্যাগ বহন করতে দেখা যায় অভিভাবকদের। আর এটিই বেসরকারি স্কুলের নিত্যদিনের চিত্র।

শিশুরা যে শুধু শারিরীকভাবেই এই বইয়ের বোঝা বইতে অক্ষম তা নয়। অভিভাবকরা বলছেন, এ ঘটনা শিশুদের লেখাপড়ার ক্ষেত্রেও সৃষ্টি করছে অনিহা।
স্কুলগুলোর দাবি এই বয়সেই শিশুরা সবচেয়ে বেশি পড়া মনে রাখতে পারে। তাই তাদের লেখাপড়ার মান ধরে রাখতেই এই প্রচেষ্টা।
তবে মনোচিকিৎসকরা বলছেন, অতিরিক্ত পড়ার চাপ শিশুদের মানসিকভাবে অসুস্থ করে দিতে পারে।
স্কুলে শিশুদের ওপর বইয়ের এই বাড়তি চাপ দেয়াকে অনৈতিক বলে মনে করেন শিক্ষামন্ত্রীও।
শিশুশ্রেণি ছাড়াও বিভিন্ন শ্রেনিতে শিক্ষাবোর্ডের অনুমোদন ছাড়াই শিশুদের পড়তে হয় অনেক বই। এসব নিয়ে বিতর্ক চললেও নেই কোন সমাধান। ইন্ডিপেন্ডেন্ট টিভি

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

প্রতিটি স্কুলে রমরমা কোচিং ব্যবসা, প্রশাসন নিরব

নিজস্ব প্রতিবেদক: শ্রেণিimage_178_35902কক্ষে পাঠদানের দূর্বলতার সুযোগে আরো রমরমা হচ্ছে কোচিং ব্যবসা। এর প্রতি শিক্ষার্থীও অভিভাবকদের ঝোঁক কমাতে কেবল আইনের উপর নির্ভর না করে, পাঠদান ও মূল্যায়ন পদ্ধতির উপর পরিবর্তন আনার তাগিদ দিয়েছেন শিক্ষাবিদরা। এদিকে অবৈধ্য বানিজ্য পুরোপুরি বন্ধ করা না গেলেও, তা নিয়ন্ত্রন এর মধ্যে রাখার চেষ্টা করা হবে বললেন শিক্ষামন্ত্রী।
বিজ্ঞাপন দিয়ে কোচিং পরিচালনা আইনগত নিষিদ্ধ থাকলেও কে শুনছে কার কথা ! বিপননে বিজ্ঞাপনে শিক্ষা বানিজ্যের এক অভিনব ফাঁদ পেতেছে কোচিং সেন্টার গুলো। শিক্ষার্থী এবং অভিভাবকদের কোচিং নির্ভরতায়, এই  অজুহাতে রাষ্টীয় কর্তৃপক্ষ এবং প্রশাসন পালন করছে নিরব দর্শকের ভূমিকা।
রাজধানীর পাড়া মহল্লা, এমন কোন অলি গলি পাওয়া যাবেনা, যেখানে  কোচিং এর বানিজ্যিক প্রচারণা চোখে না পড়বে। প্রথম শ্রেণি থেকে উচ্চমাধ্যমিক। ব্যান্ড এবং ননব্রান্ড মিলিয়ে একাডেমিক কোচিং সেন্টারের সংখ্যা কত এর সঠিক কোন হিসাব না থাকলে, তার ক্রমবর্ধমান হার।
শিক্ষাবিদ অধ্যাপক মোহাম্মদ কায়কোবাদ বলেন, কোচিং সেন্টারে পড়লে পরিক্ষায় ভাল রেজাল্ট করা যায়। এটা সবাই জানে, এমন সঠিক কোন উদারন নাই। ক্লাসে পড়ে ভাল করেছে, এমন উদারন আছে।
আমরা আইন করে তা বন্ধ করতে পারবো না। শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের ঝোঁক কমাতে পাঠদান এবং মূল্যায়ন পদ্ধতিতে পরিবর্তন আনার তাগিদ এবং শ্রেণিকক্ষের সাইজ কমাতে হবে। যেটা অতিব জরুরি, শ্রেণিকক্ষের মান উন্নয়ন করতে হবে। প্রশ্নপত্র এবং মূল্যায়ন পদ্ধতি ঢেলে সাজাতে হবে।
শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ বলেন, কোচিং বানিজ্য নিয়ে আমরা গুরত্ব দিয়ে ভাবছি, নির্দেশ দেবো আর বন্ধ হয়ে যাবে এমন পরিস্থিতি নাই। কেউ পড়তে চায়, কেউ পড়াতে চায়। আমাদের উদ্বেগের বিষয় হল, আমাদের দেশে কোচিং বানিজ্যে পরিণত হয়ে গেছে। তাই আমরা এ বাণিজ্য বন্ধ করতে চাই।
শিক্ষা সহায়তা করন এর নামে চলছে কোচিং এর প্রাতিষ্ঠানিকরণ ঘটছে, শুধুমাত্র একটি ট্রেড লাইসেন্স এর বদলে।
শিক্ষামন্ত্রী আরো বলেন, যারা সেচ্ছায় পড়তে চায়, কিন্তু জোর করা যাবেনা। তাদেরকে গিয়ে ক্লাস করানো যাবে, ক্লাস এর নাম হবে অতিরিক্ত ক্লাস। সেখানে প্রতি ঘন্টায় শিক্ষকদের একটা বেতন দেওয়া হবে, তা ১৭৫ টাকা করে নির্ধারন করে দেওয়া হয়েছে। সুতরাং এটা একটা পক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। আমরা যেহেতু আইন করে এটা বন্ধ করতে পারছি না। সেহেতু এটাকে একটা শৃঙ্খলা এর  মধ্যে নিয়ে আসতে চাচ্ছি। যাতে শিক্ষার্থীদের ব্যবসায়িক কোচিং সেন্টারে না যেতে হয়। তা আস্তে আস্তে কমিয়ে আনা সম্ভব।
শিক্ষাবিদরা বলেন, পরিক্ষায় ভাল রেজাল্ট শিক্ষার্থীদের পাশে থাকলে তাদের মেধাও জ্ঞান এবং বিশ্লেষনী ক্ষমতা বাড়াতে কোচিং এর কোন ভূমিকা নাই। কারন একটাই, শিক্ষকরা ক্লাসে ঠিকমত পড়ান না।

বেশিরভাগ  অভিভাবক মনে করেন স্কুলের অতিরিক্ত ক্লাসের নামে চলছে এক ধরনের কোচিং। আগে ছেলেমেয়েদের একটা বা দুইটা প্রাইভেট দিলে হত । এখন তা হয় না। স্কুলের পর অতিরিক্ত ক্লাস যাতে অতিরিক্ত ফি ৬০০/৮০০ টাকা এবং সাথে কোচিং। কারণ অতিরিক্ত ক্লাসেও ৪০ জন ছাত্রছাত্রী। সচেতল মহলের দাবী অরিরিক্ত ক্লাস এবং কোচিং বানিজ্য বাদ দিয়ে ক্লাসে মনোযোগি হবে এটাই তাদের প্রত্যাশা।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

৩৪তম বিসিএসের বিষয়ভিত্তিক পরীক্ষা শুরু ৪ মে

নিজস্ব প্রতিবেদক : ৩৪তম বিসিএসের বিষয়ভিত্তিক পরীক্ষার সূচি প্রকাশ করেছে সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি)। আগামী ৪ থেকে ২৫ মে পর্যন্ত এই বিষয়ভিত্তিক পরীক্ষা হবে। গতকাল বৃহস্পতিবার পিএসসির সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, খুলনা, বরিশাল, সিলেট ও রংপুর কেন্দ্রে প্রতিদিন সকাল-বিকাল দুটি করে পদসংশ্লিষ্ট বিষয়ের লিখিত পরীক্ষা হবে। গত ২৪ থেকে ৩১ মার্চ পর্যন্ত ৩৪তম বিসিএসের আবশ্যিক বিষয়ের লিখিত পরীক্ষা হয়। বিভিন্ন ক্যাডারে দুই হাজার ৫২টি পদে নিয়োগের জন্য গত বছর ৭ ফেব্র“য়ারি ৩৪তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে কমিশন। গত বছরের মে মাসে প্রিলিমিনারিতে এক লাখ ৯৫ হাজার পরীক্ষার্থী অংশ নেন। লিখিত পরীক্ষার জন্য ৪৬ হাজার ২৫০ জন উত্তীর্ণ হন।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

নতুন পে-স্কেল ঘোষণা আগামী অর্থবছরই : প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক : সরকারি চাকরিজীবীদের নতুন পে-স্কেল আগামী অর্থবছরেই ঘোষণা করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বুধবার সংসদে প্রধানমন্ত্রীর জন্য নির্ধারিত প্রশ্নোত্তর পর্বে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকারি চিকিত্সক এবং শিক্ষকরা কর্মস্থলে না থাকলে তাদের বরখাস্ত করা হবে। এছাড়া চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা বাড়ানো হবে না।

জাতীয় পার্টির সেলিম উদ্দিন এমপির এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আগামী অর্থবছরেই সরকারি চাকরিজীবীদের নতুন পে-স্কেল ঘোষণা করা হবে। এ লক্ষ্যে বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. মোহাম্মদ ফরাসউদ্দিনের নেতৃত্বে গঠিত ১৫ সদস্যের বেতন ও চাকরি কমিশন বিভিন্ন শ্রেণির কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং পেশাজীবী সংগঠনের সঙ্গে দুটি সভায় তাদের মতামত সংগ্রহ করেছে। সংগৃহীত তথ্য-উপাত্তের ভিত্তিতে পিতা-মাতাসহ অনূর্ধ্ব ৬ জনের একটি পরিবারের জীবনযাত্রার ব্যয়নির্বাহের বিষয়সহ অন্যান্য আনুষঙ্গিক বিষয় বিবেচনায় রেখে সরকারের কাছে সুপারিশ পেশ করবে।

শেখ হাসিনা বলেন, সরকারের আন্তরিকতা থাকলেও বিএনপি-জামায়াত শিবিরের ব্যাপক ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ডের কারণে বেতন ও চাকরি কমিশন কাজ শুরু করতে বিলম্ব হয়। তবে কমিশনের সুপারিশ আগামী ছয় মাসের মধ্যে পাওয়া যেতে পারে। অন্তর্বর্তীকালীন ব্যবস্থা হিসেবে সরকার ২০১৩ সালের ১ জুলাই হতে ২০ শতাংশ মহার্ঘভাতা চালু করেছে। এ ব্যবস্থায় সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীগণ সর্বনিন্ম ১৫শ’ টাকা এবং সর্বোচ্চ ৬ হাজার টাকা বেশি পাচ্ছেন। তিনি বলেন, মহাজোট সরকার ক্ষমতায় আসার পর ২০০৯ সালে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন বৃদ্ধি করে। এ সময় সর্বনিম্ন বেতন ২৪শ’ টাকা থেকে ৪৩১০ টাকা এবং ৪১শ’ টাকা থেকে ৭৭৪০ টাকা। সর্বোচ্চ ২৩ হাজার টাকা হতে ৪০ হাজার করা হয়।

নজরুল ইসলামের সম্পূরক এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের অনেকের প্রবণতা আছে কর্মস্থল থেকে রাজধানীতে চলে আসা। তাদের তো চাকরি করার দরকার নাই। আর, শিক্ষকদের একই অবস্থা। বেসরকারি হলে ঠিকই থাকে, সরকারি হলে শহরে না থাকলে ইজ্জত থাকে না— এমন একটা প্রবণতা। যারা চাকরি নিয়ে কর্মস্থলে না থাকে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।।

অপর এক প্রশ্নের জবাবে সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা বাড়ানোর প্রস্তাব নাকচ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকারি চাকরির বয়সসীমা ৩২ করলে ছাত্র থাকে না, মধ্য বয়সে চলে আসে। তখন মনোযোগ কিভাবে থাকে। ছাত্রদের সরকারি চাকরিপ্রার্থীদের মনোযোগ দিয়ে পড়াশোনার পরামর্শ দেন প্রধানমন্ত্রী।

শফিকুল ইসলাম শিমুলের অপর এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আগের মতো এখন আর শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সেশন জট নাই। তবে কেউ যদি বছরের পর বছর পরীক্ষা না দিয়ে আদু ভাই হয়ে থাকতে চান তাদের জন্যতো আর কিছু করার নাই। এখন ২২ থেকে ২৩ বছরের মধ্যে একজন শিক্ষার্থী মাস্টার্স শেষ করতে পারছেন।

ঢাকায় জনসংখ্যা বেড়েছে ৬০ গুণ: কামরুল আশরাফ খানের লিখিত প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ঢাকা মহানগরীর পরিকল্পনা প্রণয়ন উন্নয়ন ও উন্নয়ন নিয়ন্ত্রণে গৃহায়ন ও গণপূর্ত নিয়ন্ত্রাধীন রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ কাজ করে যাচ্ছে। জাতির জনক শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে রক্তক্ষয়ী সংগ্রামের মধ্যেমে বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জনের মধ্য দিয়ে রাজধানী ঢাকা প্রসাশনিক অর্থনৈতিক সামাজিক ও রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে এবং শহরের জনসংখ্যা ক্রমাগতভাবে বৃদ্ধি পেতে থাকে। ১৯৭২ ঢাকা শহরে জনসংখ্যা ছিল দুই লাখ ৮০ হাজার, বর্তমানে ঢাকায় জনসংখ্যা এক কোটি ৬০ লাখ, যা প্রায় ৬০ গুণ।

– See more at: http://www.dailybartoman.com/index.php?page=details&nc=5&news_id=24207#sthash.KeDBtKvZ.dpuf

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

এইচএসসি পরীক্ষা কাল শুরু

HSC-Examনিজস্ব প্রতিবেদক : সারাদেশে উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমানের পরীক্ষা আগামীকাল বৃহস্পতিবার শুরু হচ্ছে। এ বছর আটটি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এইচএসসি, মাদ্রাসা বোর্ডের অধীনে আলিম ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এইচএসসি (বিএম/ভোক) পরীক্ষায় প্রায় ১২ লাখ শিক্ষার্থী অংশ নিচ্ছে। আগামী ৫ জুন তত্ত্বীয় পরীক্ষা শেষ হবে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে আরও জানা গেছে, উচ্চ মাধ্যমিকের শিক্ষার্থীরা এ বছর বাংলা প্রথমপত্রসহ আরও কয়েকটি বিষয়ে সৃজনশীল প্রশ্ন পদ্ধতিতে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করবে। সৃজনশীল রচনামূলক প্রশ্নে ৬০ নাম্বার এবং বহু নির্বাচনী (অবজেকটিভ) প্রশ্নে ৪০ নাম্বার থাকবে। সৃজনশীল রচনামূলক অংশে দুই ঘণ্টা ১০ মিনিট, উত্তরপত্র গ্রহণ ও ওএমআর বিতরণের জন্য ১০ মিনিট এবং বহু নির্বাচনীর জন্য ৪০ মিনিট সময় বরাদ্দ করা হয়েছে।

 

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

প্রাথমিকে প্রশ্নের মানবণ্টন নিয়ে অন্তর্কলহ

ডেস্ক রিপোর্ট : পরীক্ষার প্রশ্নের মানবণ্টন নিয়ে প্রাথমিক শিক্ষা প্রশাসনে অন্তর্কলহ শুরু হয়েছে। এর জের ধরে বছরের তিন মাস চলে গেলেও কত নম্বরের যোগ্যতাভিত্তিক (সৃজনশীল) প্রশ্ন হবে সেটি এখনও নির্ধারণ হয়নি। এতে বিপাকে পড়েছেন শিক্ষকরা। আর সিলেবাস কিংবা মানবণ্টন হাতে না পাওয়ায় শিক্ষার্থীরা কী পড়াশোনা করবে তা বুঝে উঠতে পারছে না। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।

এদিকে, অসাধু বই ব্যবসায়ীরা প্রাথমিকের বিভিন্ন বিষয়ের কাল্পনিক একটি মানবণ্টন দিয়ে ‘গাইড’ বই বাজারে ছেড়েছে। অনুপম, লেকচার, জুপিটার ও পাঞ্জেরী প্রকাশনা থেকে ছাপা হওয়া এসব অবৈধ গাইড বইয়ে ‘কাল্পনিকভাবে’ ৫০ নম্বরের যোগ্যতাভিত্তিক প্রশ্ন দেয়া হয়েছে। অথচ পরীক্ষায় প্রশ্নের মানবণ্টন এখনও হয়নি। নিজেরাই কাল্পনিকভাবে এই মানবণ্টন ছাপিয়ে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে প্রতারণা করছে গাইডবই ব্যবসায়ীরা।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, দাতাসংস্থার প্রতিনিধিরা চাইছেন চলতি বছর প্রাথমিকের প্রত্যেক বিষয়ের পরীক্ষায় অন্তত ৪৫ নম্বরের যোগ্যতা ভিত্তিক প্রশ্ন। তৃতীয় প্রাথমিক শিক্ষা কর্মসূচিতে বিভিন্ন দাতাগোষ্ঠী অর্থ সহায়তা দেয়ার কারণে প্রশ্নের মানবণ্টন নিয়ে তারা প্রস্তাব দিতে পারে। অন্যদিকে, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর (ডিপিই) এবং জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থাপনা একাডেমি (নেপ) বলছে, যোগ্যতাভিত্তিক প্রশ্নের জন্য শিক্ষকদের পর্যাপ্ত প্রশিক্ষণ দেয়া হয়নি। এ অবস্থায় যোগ্যতাভিত্তিক প্রশ্ন বাড়ানো হলে ফল বিপর্যয় হবে। তাদের মতে, চলতি বছর ২৫ থেকে ৩৫ নম্বরের যোগ্যতাভিত্তিক প্রশ্ন রাখা উচিত।

প্রশ্নের মানবণ্টন নিয়ে দাতাগোষ্ঠীর সঙ্গে সুর মিলিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব এস এম আশরাফুল ইসলাম। অন্যদিকে ‘প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর’ ও ‘নেপ’ বিপরীতমুখী অবস্থান নিয়েছে। এরকম পরিস্থিতিতে কর্মকর্তাদের মধ্যে অন্তর্কলহ সৃষ্টির অভিযোগ পাওয়া গেছে। উদ্ভূত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আগামী ২ এপ্রিল প্রশ্নের মানবণ্টন নিয়ে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ে বৈঠক ডাকা হয়েছে। উল্লেখ্য, ২০১২ সাল থেকে প্রাথমিক শিক্ষার্থীরা যোগ্যতাভিত্তিক প্রশ্নে পরীক্ষা দিচ্ছে। ‘১২ সালে ১০০’র মধ্যে ১০ নম্বর এবং ‘১৩ সালে ২৫ নম্বর যোগ্যতাভিত্তিক প্রশ্নে পরীক্ষা দেয় শিক্ষার্থীরা। যোগ্যতাভিত্তিক ছাড়া বাকি প্রশ্ন সনাতন পদ্ধতিতে করা হয়।

একাধিক শিক্ষক বলেছেন, আগামী ২২ এপ্রিল থেকে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রথম সাময়িক পরীক্ষা শুরু হবে। সে হিসেবে পরীক্ষার ২০ দিন আগেও প্রশ্নপত্রের মানবণ্টন নির্ধারণ হয়নি। এছাড়া আগামী নভেম্বরে অনুষ্ঠিত হবে চলতি বছরের প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা। আট মাস পরে এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। কিন্তু এখনও প্রশ্নের মানবণ্টন নেই।

তাদের মতে, বর্তমানে প্রাথমিকের প্রশ্নপত্রে ২৫ নম্বরের যোগ্যতাভিত্তিক প্রশ্ন রয়েছে। যোগ্যতাভিত্তিক প্রশ্নের সংখ্যা বাড়ার কথা। কিন্তু কত নম্বরের যোগ্যতা ভিত্তিক প্রশ্ন বাড়ানো হবে সেটি এখন চূড়ান্ত হয়নি। প্রশ্নের মানবণ্টন চূড়ান্ত না হওয়ায় শিক্ষকরা বুঝতে পারছেন না প্রথম সাময়িক পরীক্ষার জন্য কী-রকম প্রশ্নপত্র তৈরি করবেন।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন কর্মকর্তা বলেছেন, দাতাসংস্থার উদ্ধৃতি দিয়ে মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব এসএম আশরাফুল ইসলাম নথিতে লিখেছেন প্রাথমিকে এবছর ৪৫ নম্বরের যোগ্যতাভিত্তিক প্রশ্ন প্রণয়ন করা উচিত। যদি কোনো কারণে ৪৫ নম্বরের যোগ্যতাভিত্তিক প্রশ্ন প্রণয়ন করা না যায় তাহলে ন্যূনতম ৪০ নম্বরের প্রশ্ন করা হোক। গত সপ্তাহে এ সংক্রান্ত নথি মন্ত্রীর দপ্তরে উত্থাপন করা হয়েছে। কিন্তু বিষয়টিতে বাধা দিয়েছে নেপ ও প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক। তারা বলেছেন, শিক্ষকদের পর্যাপ্ত প্রশিক্ষণ না দিয়ে যোগ্যতাভিত্তিক প্রশ্নের মান বাড়ানো হলে শিক্ষার্থী ও শিক্ষক উভয়েরই জন্য সমস্যা হবে। এরকম বাধার মুখে মন্ত্রী নথি সই না করে আলোচনার জন্য রেখেছেন। আগামী ২ এপ্রিল এ বিষয়ে আলোচনা হবে বলে মন্ত্রণালয়ের ওই কর্মকর্তা জানিয়েছেন।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব এসএম আশরাফুল ইসলাম  বলেন, বিভিন্ন কারণে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর যোগ্যতাভিত্তিক প্রশ্ন বাড়ানোর পক্ষে না। তবে দাতাগোষ্ঠী বলছে যোগ্যভিত্তিক প্রশ্ন বাড়াতে হবে। এছাড়া প্রশ্ন নিয়ে আমাদেরও কিছু টার্গেট রয়েছে। যা-ই হোক না কেন সবার সঙ্গে আলোচনা করে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। প্রশ্নের বিষয়ে কর্মকর্তাদের মধ্যে কোনো অন্তর্কলহও নেই বলে তিনি দাবি করেছেন।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শ্যামল কান্তি ঘোষ বলেছেন, আমরাও চাই যোগ্যতাভিত্তিক প্রশ্ন বাড়ানোর পক্ষে। কিন্তু এটা রাতারাতি নয়। শিক্ষার্থীদের অর্জন-দক্ষতা এবং শিক্ষকদের পর্যাপ্ত প্রশিক্ষণের পরই যোগ্যতাভিত্তিক প্রশ্ন বাড়ানো উচিত। তিনি বলেন, যোগ্যতাভিত্তিক প্রশ্ন নিয়ে আমাদের মধ্যে কোনো অন্তর্কলহ নেই। আমরাও চাই শিশুরা মুখস্থ বিদ্যা থেকে বেরিয়ে আসবে, তবে ধাপে ধাপে। একসঙ্গে করতে চাইলে ক্ষতি হতে পারে।

জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থাপনা একাডেমির (নেপ) মহাপরিচালক নাজমুল হাসান খান  বলেন, চলতি বছর প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যোগ্যতাভিত্তিক প্রশ্ন বাড়ানো নিয়ে অনেক প্রস্তাব এসেছে। শেষ পর্যন্ত কত নম্বরের যোগ্যতাভিত্তিক প্রশ্ন প্রণয়ন হবে তা এখনও নির্ধারণ হয়নি।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক দামুড়হুদা উপজেলার একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বলেন, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে প্রশ্নের মানবণ্টন নিয়ে এখনও কোনো নির্দেশনা আসেনি। কিন্তু ৫০ নম্বরের যোগ্যতাভিত্তিক প্রশ্নের মানবন্টন দিয়ে গাইড বই বাজারে ছাড়া হয়েছে। শিক্ষার্থীরা গাইডবই কেনার জন্য ব্যস্ত হয়ে পড়ছে। গাইড বইয়ে কাল্পনিক ৫০ নম্বরের যোগ্যতাভিত্তিক প্রশ্ন ছাপানোর বিষয়ে অনুপম প্রকাশনীর স্বত্বাধিকারী মির্জ্জা আলি আশরাফ কাশেম বলেন, আমি বিষয়টি দেখি না, সহকারিরা দেখভাল করছেন। অতএব তারাই এর ব্যাখা দিতে পারবেন। বর্তমান

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

জাতীয় সংগীত গাইতে না পেরে কলেজ ছাত্রীর আত্মহত্যা

আহমেদ নাসিম আনসারী, ঝিনাইদাহ: ‘লাখো কণ্ঠে জাতীয় সংগীত’ অনুষ্ঠানে অংশ নিতে  না পারায় ঝিনাইদহের শৈলকুপায় এক অনার্স পড়ুয়া কলেজ ছাত্রী আত্মহত্যা করেছে। নিহত ছাত্রীর নাম নিহারিকা খাতুন অরুণা।

আজ সকাল ১০টার দিকে উপজেলার বিজুলিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

জানা যায়, জাতীয় সংগীতে অংশ নিতে সহপাঠীদের সঙ্গে কলেজে যেতে চেয়েছিল অরুণা। কিন্তু বাড়িতে সাংসারিক কাজ থাকায় তাকে বাঁধা দিয়েছিল তার বাবা। আর তাতেই অভিমান করে গলায় ওড়না পেচিয়ে আত্মহত্যা করে সে। নিহত অরুণা কুষ্টিয়ার শৈলকুপা সরকারি মহিলা কলেজের অনার্স তৃতীয় বর্ষের ছাত্রী।

অরুণার বাবা আব্দুল কুদ্দুস জানান, পারিবারিক নানা কাজ থাকায় অরুণাকে নিষেধ করা হয়েছিল কলেজে যেতে। তিনি জানান, সে সহপাঠীদের সঙ্গে লাখো কন্ঠে জাতীয় সংগীত গাইতে কলেজে যেতে চেয়েছিল।

 

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

পতাকা নিষেধাজ্ঞায় ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ভারত-পাকিস্তানে

ডেস্ক: flagএখন থেকে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশিরা অন্য দেশের পতাকা হাতে স্টেডিয়ামে প্রবেশ করতে পারবে না। তবে অন্য দেশের নাগরিকেরা যে যার দেশের পতাকা নিয়ে মাঠে প্রবেশ করতে পারবে।টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডকে জাতীয় পতাকাসংক্রান্ত এ আইন মেনে চলার নির্দেশ দিয়েছে সরকার। বিসিবি ত্বরিত এ ব্যাপারে ব্যবস্থা নিয়েছে।

বাংলাদেশের ৪৪তম স্বাধীনতা দিবসের আগের দিন নেওয়া বিসিবির এ সিদ্ধান্ত বাংলাদেশের সব ক্রিকেট খেলুড়ে দলের সমর্থকের জন্য প্রযোজ্য। তবে অনুমিতভাবেই সবচেয়ে বেশি প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে ভারত ও পাকিস্তানে। কারণ বাংলাদেশে এ দুটি দেশের সমর্থক অন্যান্য দেশের তুলনায় বেশি। বিসিবির সিদ্ধান্তে সমালোচনায় মুখর হয়েছেন পাকিস্তানের সাবেক ক্রিকেটাররাও।

পাকিস্তানের ক্রিকেট কিংবদন্তি জাভেদ মিয়াঁদাদ এএফপিকে বলেছেন, ‘এ ধরনের সিদ্ধান্তে খুবই বিস্মিত হয়েছি। ক্রিকেটের মূল দিকটি হচ্ছে খেলোয়াড়ি চেতনা। এ সিদ্ধান্তে খেলোয়াড়দের চেতনা নষ্ট হবে।’ পাকিস্তানের আরেক সাবেক অধিনায়ক মোহাম্মদ ইউসুফ বলেন, ‘আমি নিশ্চিত বিসিবি সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করবে। কারণ এটি অযৌক্তিক। আইসিসি নিশ্চয়ই এর ব্যাখ্যা চাইবে।’ ৯০ টেস্টে খেলা ইউসুফ অবশ্য জানিয়েছেন, প্রতিবার বাংলাদেশে এসে উষ্ণ অভ্যর্থনাই পেয়েছেন। আরেক সাবেক অধিনায়ক ইউনুস খান পুনর্বিবেচনা করতে বলেছেন এ সিদ্ধান্ত, ‘এটি খেলার চেতনাবিরোধী। যে কেউ তার প্রিয় দলকে সমর্থন করতে পারে, সেটি আপনি বন্ধ করতে পারেন না।’

ভারত-পাকিস্তানের অধিকাংশ সংবাদমাধ্যমই খবরটি গুরুত্বের সঙ্গে প্রকাশ করেছে। প্রকাশিত সংবাদের নিচে পাঠকদের নানা মন্তব্য-প্রতিক্রিয়ায় ভরে উঠেছে। ‘টাইমস অব ইন্ডিয়া’র খবরে বিস্ত নামের এক পাঠক মন্তব্য করেছেন, ‘এতে কাজ হবে না। ২০১৩ চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতেও ভারতের সমর্থক ঠেকাতে ইংল্যান্ড এ রকম কিছু একটা করতে চেয়েছিল। শেষ পর্যন্ত এটি একটি খেলাই। বাংলাদেশ মাত্রই বড় টুর্নামেন্ট আয়োজন করতে শুরু করেছে।’

পাকিস্তানের প্রভাবশালী পত্রিকা ‘ডন’-এর খবরে ইমরান নামের এক পাঠক বলেছেন, ‘মনে হচ্ছে, দুনিয়ায় আমরাই একমাত্র জাতি নয়, যারা হাস্যকর সিদ্ধান্ত নিই না। এ তালিকায় বিসিবিও রয়েছে।’ আজাহার নামের আরেক পাঠক বলেছেন, ‘পুরোই নির্বোধ!’ ইহতেশাম কায়ানি বলেছেন, ‘পতাকা নিষেধাজ্ঞায় কাজ হবে না।’ ‘দ্য এক্সপ্রেস ট্রিবিউনে’ প্রকাশিত খবরের নিচে সামি মন্তব্য করেছেন, ‘ওয়াহ! ধর্মনিরপেক্ষ সহনশীল উদার বাংলাদেশ… উদারতার ক্ষেত্রে আরেকটি জয়!’ একই পত্রিকার খবরে আওয়াইশ নিক ব্যবহারকারী বলেছেন, ‘কতটা শিশুসুলভ হতে পারে বাংলাদেশ

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

৩৪তম বিসিএসের লিখিত পরীক্ষা শুরু

নিজস্ব প্রতিবেদক:৩১১৪তম বিসিএসের আবশ্যিক বিষয়ে লিখিত পরীক্ষা শুরু হয়েছে। ঢাকা, রাজশাহী, চট্টগ্রাম, খুলনা, বরিশাল, সিলেট ও রংপুর কেন্দ্রে একযোগে এই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। আগামী ৩১ মার্চ পর্যন্ত চলবে লিখিত পরীক্ষা।

সোমবার সকাল ১০টায় ইংরেজি প্রথম পত্রের পরীক্ষার মধ্য দিয়ে লিখিত পরীক্ষা শুরু হয়। বিকেলে অনুষ্ঠিত হবে ইংরেজি দ্বিতীয় পত্রের পরীক্ষা।

২০১৩ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি ৩৪তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে কমিশন। বিভিন্ন ক্যাডারে ২ হাজার ৫২ পদে নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।

২০১৩ সালের মে মাসে অনুষ্ঠিত ৩৪তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় ১ লাখ ৯৫ হাজার পরীক্ষার্থী অংশ নেন। গত বছরের ৮ জুলাই কোটার ভিত্তিতে প্রিলিমিনারির ফল প্রকাশ হয়। এতে ১২ হাজার ৩৩ জন উত্তীর্ণ হন। প্রকাশিত ফলে মেধাবীরা অনেকেই বাদ পড়েন। পরে বিষয়টি নিয়ে আন্দোলন শুরু হলে ১৪ জুলাই পুনর্মূল্যায়িত ফল প্রকাশ করা হয়। সে ফলাফলে ৪৬ হাজার ২৫০ জন উত্তীর্ণ হয়।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

Responsive WordPress Theme Freetheme wordpress magazine responsive freetheme wordpress news responsive freeWORDPRESS PLUGIN PREMIUM FREEDownload theme free