ক্যাম্পাস

জাবিতে আওয়ামী পন্থী শিক্ষকদের ভিসি কার্যালয় ঘেরাও

বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক, জাবি : জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্যের (ভিসি) কার্যালয় ঘেরাও করেছেন সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক শরীফ এনামুল কবিরের অনুসারী আওয়ামী পন্থী শিক্ষকরা।

গত ১৭ এপ্রিল আওয়ামী পন্থীদের আরেক পক্ষ উপাচার্য অধ্যাপক ফারজানা ইসলামের অনুসারী শিক্ষকদের সঙ্গে হাতাহাতির ঘটনায় ‘লাঞ্ছনার’ বিচারসহ চারদফা দাবিতে পূর্বঘোষিত এ কর্মসূচি পালন করছেন তারা।

শিক্ষকদের উপর হামলা, অবৈধভাবে ডিন-প্রভোস্ট অপসারণ ও নিয়োগের প্রতিবাদে এবং অবিলম্বে উপাচার্য প্যানেল ও জাকসু নির্বাচনসহ একাধিক দবিতে সকাল ১০টা থেকে উপাচার্য অফিস ঘেরাও করেছেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় প্রগতিশীল শিক্ষক সমাজ। দুপুর একটা পর্যন্ত চলবে এ কর্মসূচি।

কর্মসূচি চলাকালে সংগঠনটির সভাপতি অধ্যাপক অজিত কুমার মজুমদার বলেন, ‘আমরা বরাবর চেয়েছি বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালিত হবে অধ্যাদেশ অনুসারে গণতান্ত্রিক পন্থায়। কিন্তু ন্যায্য এ দাবি আদায়ের আন্দোলন করতে গেলে তারা আমাদের লাঞ্ছিত করেন।’

এ বিষয়ে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ফারজানা ইসলাম বলেন, ‘আন্দোলনরত শিক্ষকরা কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতনের বিষয়টি বিবেচনায় রাখেননি। তারা থেকে থেকে শিক্ষার্থী-প্রশাসনকে জিম্মি করছেন। আমি আহ্বান জানাই তারা যেন বিশ্ববিদ্যালয়ের মঙ্গলের জন্য ধর্মঘট, ঘেরাও এসব কর্মসূচি প্রত্যাহার করেন।’

প্রসঙ্গত, গত ১৭ এপ্রিল সর্বাত্মক ধর্মঘট কর্মসূচি পালনের ঘোষণা দেন আন্দোলনরত শিক্ষকরা। এ কর্মসূচির অংশ হিসেবে পরিবহন ডিপোতে তালা দিতে গেলে উপাচার্য সমর্থিত শিক্ষকদের সঙ্গে আন্দোলনরত শিক্ষকদের ধাক্কাধাক্কির ঘটনা ঘটে। আন্দোলনরত শিক্ষকদের দাবি এ ঘটনায় তাদের ৬ শিক্ষক লাঞ্ছিত হয়েছেন।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

কোটা সংস্কার আন্দোলন স্থগিত : প্রজ্ঞাপন দাবি

ডেস্ক,১২ এপ্রিল : জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কোটা বাতিলের ঘোষণার পর কোটা সংস্কার আন্দোলন স্থগিত করেছেন আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা। একই সঙ্গে কোটা বাতিলের ঘোষণা আইন আকারে প্রজ্ঞাপন জারির দাবি জানানো হয়েছে।

বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১১টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) রাজু ভাস্কর্যের সামনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের আহ্বায়ক হাসান আল মামুন এ ঘোষণা দেন।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, আমরা দাবি জানাচ্ছি, প্রধানমন্ত্রী যে ঘোষণা দিয়েছেন তা দ্রুত সময়ের মধ্যে প্রজ্ঞাপন আকারে জারি করবেন। প্রজ্ঞাপন জারি না হওয়া পর্যন্ত আমাদের আন্দোলন স্থগিতের ঘোষণা দিচ্ছি।

তিনি বলেন, সারাদেশে কোটা সংস্কারের দাবি প্রাণের দাবি হয়ে উঠেছে। কোটা সংস্কারের আন্দোলন করতে গিয়ে নানা ঘটনা জন্ম হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণায় আমরা আস্থা রাখছি। তিনি যে ঘোষণা দিয়েছেন তা দ্রুত সময়ের মধ্যে প্রজ্ঞাপন আকারে জারি করা হবে বলে আশা করছি।

হাসান আল মামুন আরও বলেন, পাশাপাশি ঢাকাসহ সারাদেশে যেসব আন্দোলনকারী শিক্ষার্থী ভাই-বোনকে আটক করা হয়েছে তাদের ছেড়ে দিতে হবে। যারা আহত হয়েছেন তাদের সরকারি খরচে চিকিৎসা নিশ্চিত করতে হবে। দুই মাস ধরে চলা আন্দোলন সফল হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে একই সঙ্গে কোটা সংস্কার আন্দোলনে পুলিশের ‘হামলার’ জড়িতদের বিচারের আওতায় আনার দাবি জানানোসহ বেশ কয়েকটি দাবি জানানো হয়। দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে- দ্রুত গেজেট প্রকাশ করে বাস্তবায়ন, আটকদের নিঃশর্ত মুক্তি, আহতদের চিকিৎসার ব্যয়ভার বহন, মামলা প্রত্যাহার, কোনো প্রকার হয়রানি না করা।

এছাড়া কোটা সংস্কার আন্দোলনে অংশগ্রহণকারী, সংহতি জানানো শিক্ষক, বুদ্ধিজীবী, সাংবাদিকসহ সবাইকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হয়।

ভিডিও দেখুন

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

কোটাব্যবস্থা পরীক্ষা-নিরীক্ষার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

এস দাস : জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়কে বর্তমান কোটাব্যবস্থা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সোমবার মন্ত্রিসভার বৈঠকে অনির্ধারিত আলোচনায় প্রধানমন্ত্রী এ নির্দেশ দেন।

বৈঠক শেষে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে বৈঠকটি হয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এতে সভাপতিত্ব করেন।

কোটব্যবস্থা সংস্কারের দাবিতে বেশ কিছুদিন ধরেই আন্দোলন করছেন শিক্ষার্থী ও চাকরিপ্রার্থীরা। সর্বশেষ রোববার তারা কোটা সংস্কারের দাবিতে শাহবাগের সড়ক অবরোধ করে রাখেন। একপর্যায়ে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন আন্দোলনকারীরা। গভীর রাত পর্যন্ত এই সংঘর্ষ চলে।

কোটা সংস্কারের বিষয়ে মন্ত্রিসভার বৈঠকে কোনো আলোচনা হয়েছে কি না- জানতে চাইলে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘কোটা নিয়ে আসলে তো কোনো সমস্যা নেই। এখন যে কোটাব্যবস্থা এক্সিসটিং (বহাল) রয়েছে সেখানে মেধা কোটা ৪৫ শতাংশ, মুক্তিযোদ্ধা কোটা ৩০ শতাংশ, নারী কোটা ১০ শতাংশ, ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর কোটা ৫ শতাংশ, ক্ষেত্রবিশেষে জেলা কোটা ১০ শতাংশ, ক্ষেত্রবিশেষে প্রতিবন্ধী কোটা ১ শতাংশ।’

তিনি বলেন, ‘মন্ত্রিসভা সিদ্ধান্ত দিয়েছিল, মুক্তিযোদ্ধা বা অন্যান্য কোটাগুলো যদি পূরণ করা সম্ভব না হয় তবে তা মেধাতালিকার শীর্ষে অবস্থানকারী প্রার্থীদের দিয়ে পূরণ করতে হবে। সেটা পূরণ করা হয়েছে।’

৩৩তম বিসিএসে মেধাকোটায় পূর্ণ হয়েছে ৭৭ দশমিক ৪০ শতাংশ, ৩৫তম বিসিএসে ৬৭ দশমিক ৪৯ শতাংশ মেধা তালিকা থেকে এসেছে। ৩৬তম বিসিএসে ৭০ দশমিক ৩৮ শতাংশ মেধাকোটায় নিয়োগ পেয়েছেন বলেও জানান শফিউল আলম।

তিনি বলেন, ‘কোটার মাধ্যমে মেধা অবহেলিত হয়নি। কোটার ক্ষেত্রেও যারা মেধাতালিকায় ভালো তারা আসছেন। এমন না যে মেধাতালিকায় যারা আছেন তারা অবহেলিত আছেন, পেছনে পড়ে যাচ্ছেন। কোটার দ্বারা কারও মেধা ক্ষতিগ্রস্ত হবে না।’

বিভিন্ন কোটায় প্রার্থী পাওয়া যায় না, তাহলে কোটা সংস্কারে সমস্যা কোথায় জানতে চাইলে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘যেটা মোডিফাই করা হয়েছে অর্থাৎ পদ পাওয়া না গেলে মেধাতালিকার শীর্ষে যারা আছেন তাদের দিয়ে পূরণ করা হবে। এটাই তো একটা সংস্কার।’

‘কোটা হচ্ছে একটা সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা। এর মাধ্যমে অনগ্রসর যারা আছেন তাদের সামনে আনা হয়।’

মন্ত্রিসভার বৈঠকে কোটার বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত বা নির্দেশনা দেয়া হয়েছে কি না- জানতে চাইলে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘যা আলোচনা হয়েছে তা জানিয়েছি তো। কোটার কারণে যারা মেধাবী তারা খুব বেশি বঞ্চিত হয়নি। আপনাদের তো তিনটা বিসিএসের রেজাল্ট দিয়ে দিলাম।’

কোটায় প্রার্থী পাওয়া না গেলে মেধাতালিকা থেকে তা পূরণের সিদ্ধান্ত মন্ত্রিসভা দিলেও জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এ সংক্রান্ত ব্যাখ্যায় জানিয়েছে, প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির পদের ক্ষেত্রে কোনো কোটা পূরণ না হলে অন্যান্য কোটা দিয়ে পূরণ করতে হবে। এ জন্য আন্দোলন হচ্ছে।

এ বিষয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের আদেশটি আমরা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখব।’

কোট সংস্কারের বিষয়ে আজকের মন্ত্রিসভা বৈঠকে কোনো সিদ্ধান্ত হয়েছে কি না- এমন প্রশ্নের জবাবে শফিউল আলম বলেন, ‘না আজকে কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। এটা পরীক্ষা-নিরীক্ষার বিষয় আছে। অনির্ধারিত আলোচনা তো এরকম কিছু হয়ই। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় হলো এটার স্টেক হোল্ডার। তারা এটা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখবে। দেখে অবহিত করবে।’

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়কে পরীক্ষার-নিরীক্ষার জন্য প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, এ ক্ষেত্রে তিনি কোনো নির্দেশনা দিয়েছেন কি না- জানতে চাইলে শফিউল আলম বলেন, ‘ইনফরমাল আলোচনা তো, ইনফরমালভাবেই….ধরেন….।’

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

ঢাবি ক্যাম্পাসে রড লাঠি নিয়ে ছাত্রলীগের অবস্থান

এস দাস: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) ক্যাম্পাসের মল চত্বর এলাকায় অবস্থান নিয়েছে ছাত্রলীগ। সংগঠনটির নেতাকর্মীদের অধিকাংশের হাতে রয়েছে রাম দাসহ বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্র। পুরো ক্যাম্পাস এলাকায় উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে।

সোমবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে মল চত্বরে শতাধিক মোটরসাইকেলে করে জড়ো হয় ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। একইসঙ্গে বিভিন্ন হল থেকে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা মল চত্বরের দিকে আসছে। তাদের অধিকাংশের হাতেই লোহার রড।

এদিকে টিএসসি এলাকায় অবস্থান নিয়েছে সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কার নিয়ে আন্দোলনকারীরা। তাদের হাতে ইট ও লাঠি দেখা যায়। এরইমধ্যে ছাত্রলীগের সঙ্গে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার ঘটনাও ঘটেছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছে, সন্ধ্যা ৭টা থেকে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের বিশ্ববিদ্যালয় মল চত্বরে শতাধিক মোটরসাইকেল, দেশীয় অস্ত্র, রামদা, হকিস্টিক নিয়ে অবস্থান গ্রহণ করেছে। রাত পৌনে ৯টায় এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত তাদের অবস্থান ছিল। রাত ৮টার দিকে নীলক্ষেত মোড় থেকে হেলমেট পরা আরো বেশ কয়েকজন নেতাকর্মী মল চত্বরে আসে।

ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের হাতে ছিল রড, রাম দা, হকিস্টিকসহ বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্র।
জানা যায়, মল চত্বরে অবস্থানকারী ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের সঙ্গে যোগ দিয়েছে ঢাকা কলেজসহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে আসা ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

৫৬% কোটা জাতির জন্য লজ্জাজনক: জাবি উপাচার্য

ডেস্ক রিপোর্ট : ৫৬% কোটা জাতির জন্য লজ্জাজনক বলে মন্তব্য করেছেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ফারজানা ইসলাম।

সোমবার কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনরত জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশি হামলার পর দুপুর ৩টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক সংলগ্ন রাস্তায় উপস্থিত হয়ে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সাথে কথা বলার সময় তিনি এ কথা বলেন। এসময় শিক্ষার্থীদের দাবির প্রতি পূর্ণ সমর্থন ব্যক্ত করেন তিনিসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতনরা।

তিনি বলেন, ‘৫৬% কোটা আসলেই একটি জাতির জন্য লজ্জাজনক। এ আন্দোলনে আমাদের সমর্থন আছে, আমরা তোমাদের পাশে আছি। প্রয়োজন হলে তোমাদের সাথে আমরা একসাথে আন্দোলন করব।’

এসময় উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. আমির হোসেন, শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক বশির আহমেদসহ জ্যেষ্ঠ শিক্ষকরা উপস্থিত ছিলেন।

ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ ও নিন্দা জানিয়ে উপাচার্য আরও বলেন, ‘আমি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, সড়ক ও সেতুমন্ত্রী, বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেটর জাহাঙ্গীর কবির নানকসহ যতজনের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পেরেছি তাদের কাছে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছি। তাদের বলেছি, এটা এভাবে সমাধান করা যায় না। আলোচনার মাধ্যমে এই সংকটের সমাধান হতে পারে। তার জন্য টিয়ার শেল, রাবার বুলেট, লাঠিপেটা করার কোনও প্রয়োজন ছিল না। আমরা কেন এরকম একটা পরিস্থিতির মধ্যে পড়লাম। আমি এর জবাব চাই।’

তিনি আরও বলেন, ‘এটি একটি যৌক্তিক দাবি। পুলিশি হামলা চালিয়ে এ আন্দোলন দমানো যাবে না। এ দাবি আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করতে হবে। কিন্তু সরকার তা না করে শিক্ষার্থীদের উপর একের পর এক হামলা চালাচ্ছে। ইতোমধ্যে প্রচুর রক্তপাত হয়েছে। আমরা আর রক্তপাত চাই না। আমি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, সড়ক ও সেতুমন্ত্রী এবং জাহাঙ্গীর কবির নানককে বিষয়টি জানিয়েছি। কেন আমার শিক্ষার্থীদের উপর পুলিশ হামলা করে রক্তাক্ত করল, আমি তার জবাব চেয়েছি।’

এর আগে সোমবার সকাল সাড়ে ১০টা থেকে প্রায় হাজার খানেক বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থী ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক অবরোধ করে রাখে। পরে সাড়ে ১২টার দিকে পুলিশ টিয়ারশেল, রাবার বুলেট ও জলকামান মেরে ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক থেকে শিক্ষার্থীদের সরিয়ে দেয়। দুপুর সাড়ে ১২টা থেকে ৩টা পর্যন্ত দফায় দফায় পুলিশের সাথে সংঘর্ষে জড়ান শিক্ষার্থীরা।

এ ঘটনায় শতাধিক শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন। আহতদের বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসাকেন্দ্রে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। প্রায় ৭০ জনকে সাভার এনাম মেডিকেল কলেজে পাঠাতে হয়েছে। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত ২০ জন চিকিৎসাধীন আছেন বলে জানিয়েছেন প্রক্টর সিকদার মো. জুলকারনাইন।

সূত্র : পরিবর্তন

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

আন্দোলন দেখেছি কিন্তু এমন তাণ্ডব দেখিনি : ঢাবি ভিসি

অনলাইন ডেস্ক,৯ এপ্রিল:   ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের বাসভবনে রবিবার দিবাগত রাত ২টার দিকে আগুন ধরিয়ে দিয়ে ব্যাপক ভাঙচুর চালানো হয়েছে। এতে ভিসি’র বাসভবনের কিছুই অবশিষ্ট ছিল না। সব কিছুই তছনছ করে দেওয়া হয়েছে। এ দৃশ্য দেখে নির্বাক হয়ে গেছেন অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান।

তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় তিনি সাংবাদিকদের বলেন, হামলাকারীরা ছাত্র হতে পারে না। তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র না, মুখোশধারী-বহিরাগত। আর কারা হামলা করেছে, তা আপনারা জানেন, দেখেছেন।

তিনি আরো বলেন, অনেক আন্দোলন দেখেছি। কিন্তু এমন তাণ্ডব দেখিনি। হত্যার পরিকল্পনাই ছিল হয়ত। নইলে বেডরুমে ঘুমন্ত মানুষগুলোর ওপরে এভাবে হামলা হতে পারে না। ওরা কিছুই আর অবশিষ্ট রাখেনি। ঘরে পা রাখারও উপায় নেই।

তিনি বলেন, কোটা সংস্কার সম্পূর্ণ সরকারের এখতিয়ার। আমরা এখানে কিই-বা করতে পারি। এই ঘটনার দুঃখ জানানোর ভাষা নেই।

এদিকে মধ্যরাতে কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ধাওয়া দিয়ে টিএসসির ভেতরে ঢুকিয়ে দিয়েছেন ছাত্রলীগের কর্মীরা। পরে র‌্যাব এবং পুলিশের উপস্থিতিতে পরিস্থিতি শান্ত হয়।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

আন্দোলনের উত্তেজনার পর থমথমে ঢাবি

পূর্ব ঘোষিত পদযাত্রা কর্মসূচিতে অংশ নিতে রোববার দুপুর দেড়টা থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন হল থেকে মিছিলে মিছিলে কর্মসূচিস্থলে আসতে শুরু করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) শিক্ষার্থীরা। তাদের দাবি ছিল- কোটা বিলুপ্ত নয় যৌক্তিক সংস্কার।

দুপুর মোটামুটি ৩টার পর শাহবাগ মোড় অবরুদ্ধ করে ফেলেন আন্দোলনকারীরা। এতে ভোগান্তিতে পড়তে হয় অনেককে। অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে বিপুলসংখ্যক পুলিশ লাঠিসোটা, টিয়ারসেল নিয়ে অবস্থান নেয়।

নিরাপত্তার অংশ হিসেবে শাহবাগ থানার সামনে একটি সাঁজোয়া যান (এপিসি) প্রস্তুত রাখে পুলিশ। যানটি শাহবাগ থানার পাশ দিয়ে শিক্ষার্থীদের কাছাকাছি আসতেই শিক্ষার্থীরা মাটিতে শুয়ে পড়ে। তাদের ওপর দিয়ে সাঁজোয়া যান চালাতে বলে। শিক্ষার্থীদের সড়কে শুয়ে থাকতে দেখে পেছনে নেয়া হয় সাঁজোয়া যানটি।

দুপুরের দিকে কোটাবিরোধী আন্দোলনের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক সাইফুল ইসলাম জাগো নিউজকে বলেন, ‘আমি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলায় মাস্টার্স করে এক বছর ধরে চাকরির জন্য ঘুরে বেড়াচ্ছি। কোনোভাবেই হচ্ছে না। ১৯৭২ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সেসময়কার বাস্তবতা বিবেচনায় ৫৬ শতাংশ কোটা রেখেছিলেন। তবে এখন আর এতো কোটার প্রয়োজন নেই। সরকার এটাকে বহাল রেখে মেধাবীদের চাকরি থেকে বঞ্চিত করছে। আমাদের সুনির্দিষ্ট আশ্বাস না দেয়া হলে আমরা রাজপথ ছাড়ব না।’

এদিকে ঢাকার পাশপাশি রোববার বিকেলেরে মধ্যে আন্দোলন ছড়ায় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়েও (রাবি)। রাবির প্রধান ফটকের সামনে মহাসড়কে প্রায় দুইশ শিক্ষার্থী অবস্থান নেয়। এতে সড়কের দু’পাশে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। ভোগান্তিতে পড়েন যাত্রীরা।

শাহবাগ যখন কোটাবিরোধীদের আন্দোলনে উত্তাল তখন সেখানকার ফুল ব্যবসায়ীরা আতঙ্কে তাদের দোকান বন্ধ করে দেন। একজন বিক্রেতা বলেন, আমাদের কষ্ট কেউ দেখার নেই। আন্দোলন করছে শিক্ষার্থীরা আর দোকান বন্ধ আমাদের। দোকান বন্ধ থাকায় আমরা আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবো।

শাহবাগ মোড়ে অবস্থান নিয়ে নানা বক্তৃতা দিতে থাকেন আন্দোলনকারীরা। ‘সেভ মেরিট সেভ নেশন, রিডিউস কোটা অনার-’ প্ল্যাকার্ডে এমন লেখাও ছিল আন্দোলনকারীদের।

সেখান থেকে একজন বক্তা বলেন, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আপনার কাছে করজোড়ে অনুরোধ দয়া করে মাত্র পাঁচ বছরের জন্য এই মেধাবীদের নিয়োগ দিয়ে দেশসেবার সুযোগ দিন। এ সময়ের মধ্যে এ মেধাবীরা দেশকে উন্নত দেশে পরিণত করে দেখাবে।’

বক্তব্যের পাশাপাশি শাহবাগে তখন চলছিল দেশাত্মবোধক গানও। এভাবেই আন্দোলন চাঙা রাখছিলেন তারা।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

ঢাবি বিজয় একাত্তর হল ক্যান্টিন মালিককে অবাঞ্চিত ঘোষণা

বিশ্ববিদ্যালয় রিপোর্টার ॥ ক্যান্টিনের খাবারের নিন্মমান ও পুষ্টিহীন বলে অনেক দিন ধরে অভিযোগ করে আসছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) বিজয় একাত্তর হলের আবাসিক শিক্ষার্থীরা। শিক্ষার্থীদের সেসব অভিযোগের ভিত্তিতে ও মানসম্মত খাবার পরিবেশন করতে ব্যার্থ হওয়ায় ক্যান্টিন ম্যানেজারকে অবাঞ্চিত ঘোষণা করেছে হল প্রশাসন। আজ মঙ্গলবার দুপুরে হল বিজয় একাত্তর প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. এ জে এম শফিউল আলম ভূইয়া  এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

এ বিষয়ে হল প্রশাসন থেকে একটি নোটিশ দেয়া হয়েছে। নোটিশে লেখা হয়েছে- ‘কর্তৃপক্ষের অনুমতি ব্যতিরেকে ০১ (এক) দিন দুই বেলা ক্যান্টিন বন্ধ রাখা, ক্যান্টিনের খাবারের মান যথার্থ না হওয়া এবং নির্ধারিত মূল্য তালিকার অধিক মূল্যে খাবার পরিবেশন করার কারণে বিজয় একাত্তর হল ক্যান্টিন ম্যানেজার ইসমাঈল হোসেনকে বিজয় একাত্তর হল প্রাঙ্গণে অবাঞ্চিত ঘোষণা করা হয়েছে। এই বিজ্ঞপ্তি জারির পর তাকে হল প্রাঙ্গণে দেখা গেলে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

বিজয় একাত্তর হলের ক্যান্টিন ম্যানেজার হলেন- মো. ইসমাঈল হোসেন। ক্যান্টিনে অত্যন্ত নিন্মমান ও পুষ্টিহীন খাবার পরিবেশন করার অভিযোগ শিক্ষার্থীদের। বিষয়টি নজরে আসার পরপর হল প্রাধ্যক্ষ ড. এ জে এম শফিউল আলম ভূইয়া ওই ক্যান্টিন ম্যানেজারের বিরুদ্ধে এই ব্যবস্থা গ্রহন করেন।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

এইচএসসিতে বরিশালে অনুপস্থিত ৬৫১, বহিষ্কার ৬

বরিশাল: বরিশাল মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ডে উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) পরীক্ষার প্রথম দিনে বাংলা প্রথম পত্রে ৬৫১ জন পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিলো। এদিন কোনো শিক্ষক বহিষ্কার না হলেও ৬ জন পরীক্ষার্থী বহিষ্কার হয়েছে।

এর মধ্যে বরিশাল জেলার উজিরপুরে একজন, পিরোজপুর জেলা সদরে একজন এবং ভোলা জেলার বোরহানউদ্দিন উপজেলায় দুইজন, দৌলতখানে একজন ও মনপুরায় একজন পরীক্ষার্থী বহিষ্কার হয়েছে।

অপরদিকে অনুপস্থিতির মধ্যে ভোলা জেলায় ৯৪, বরগুনায় ৮৩, পটুয়াখালীতে ১২১, পিরোজপুরে ৬৯, ঝালকাঠিতে ৪৪ ও বরিশালে ২৪০ জন রয়েছে।

এরফলে সোমবার (১৫ এপ্রিল) বাংলা প্রথম পত্র পরীক্ষায় মোট ৫৪ হাজার ৪০২ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৫৩ হাজার ৭৫১ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেয়।

শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক মো. আনোয়ারুল আজিম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ২০১৮ সালের এইচএসসি পরীক্ষায় বরিশাল মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের আওতায় বিভাগের ৬ জেলায় মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৬৩ হাজার ৩২৭ জন। যারমধ্যে ৩২ হাজার ৪৯৬ জন ছেলে এবং ৩০ হাজার ৮৩১ জন মেয়ে পরীক্ষার্থী রয়েছে।

মোট পরীক্ষার্থীর মধ্যে এ বছরে নিয়মিত পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৪৯ হাজার ২২৫ জন। এছাড়া ৫১৭ জন জিপিএ উন্নয়নে, ১৭ জন প্রাইভেট ও অনিয়মিত ১৩ হাজার ৫৬৮ জন পরীক্ষার্থী রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, ৩৩২টি কলেজের মোট পরীক্ষার্থীর মধ্যে বিজ্ঞান বিভাগে ১২ হাজার ৯৪২ জন, মানবিক বিভাগে ৩৩ হাজার ৫৭৫ জন ও ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে ১৬ হাজার ১৮০ জন রয়েছে যারা ১১৬টি কেন্দ্রে পরীক্ষা দিচ্ছে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

এবার আর প্রশ্নফাঁস হবে না: শিক্ষামন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক:

শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ আশা প্রকাশ করে বলেছেন, এবার আর প্রশ্নফাঁস হবে না। এসময় তিনি আরও জানান, এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁস রোধ ও পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে অনুষ্ঠানের জন্য মানুষের সাধ্যে যা করা সম্ভব, তা-ই করা হয়েছে।

আজ সোমবার রাজধানীর বেইলি রোডে সিদ্ধেশ্বরী গার্লস কলেজ কেন্দ্র পরিদর্শনের পর সেখানে উপস্থিত সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগ ওঠা অস্বাভাবিক নয়। কিন্তু আমাদের এসব অভিযোগ খতিয়ে দেখা উচিত, তা সত্য না মিথ্যা।

মন্ত্রী বলেন, এত কিছুর পরেও কেউ প্রশ্ন ফাঁস করলে তিনিই দায়ী থাকবেন এবং আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ভবিষ্যতে পরীক্ষাপদ্ধতিতে ব্যাপক সংস্কার ও প্রশ্নপত্রের এমসিকিউ অংশ তুলে দেওয়ার ইঙ্গিত করে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আমাদের কাজ প্রাথমিকভাবে শুরু করেছি। এ বিষয়ে বিশেষজ্ঞসহ সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করেই তা করা হবে। তিনি এ বিষয়ে জনমত গঠন করার জন্য সাংবাদিকদের আহ্বান জানান।

সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে প্রশ্নপত্র ফাঁসের গুজব ছড়ানো বা প্রশ্নপত্র ফাঁসের বিজ্ঞাপন দেওয়ার বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, সঙ্গে সঙ্গে বিটিআরসিকে জানিয়ে দেয়া হচ্ছে।

শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদসহ মন্ত্রণালয় ও শিক্ষা বোর্ডের উচ্চপদস্থ কয়েকজন কর্মকর্তা রাজধানীর বেইলি রোডে অবস্থিত সিদ্ধেশ্বরী গার্লস কলেজ কেন্দ্র পরিদর্শন করেন। এ সময় মন্ত্রীর উপস্থিতিতে প্রশ্নপত্রের প্যাকেট খোলেন ওই কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (কেন্দ্র সচিব) ও কলেজটির অধ্যক্ষ কানিজ মাহমুদা আকতার।

কেন্দ্র পরিদর্শনের সময় শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব মো. সোহরাব হোসাইন, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মাহাবুবুর রহমান, ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান মু. জিয়াউল হক প্রমুখ।

উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমানের পরীক্ষা আজ সকাল ১০টা থেকে শুরু হয়েছে। এবার ১০ বোর্ডে মোট ১৩ লাখ ১১ হাজার ৪৫৭ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিচ্ছে। ২ হাজার ৫৪১টি কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হবে এই পরীক্ষা। পরীক্ষা শেষ হবে আগামী ১৪ মে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

চুয়াডাঙ্গায় HSC সকল কোচিং/প্রাইভেট পরীক্ষা শেষ না হওয়া পর্যন্ত বন্ধ-জেলা প্রশাসক

ডেস্ক: চুয়াডাঙ্গায় HSC সকল কোচিং/প্রাইভেট পরীক্ষা শেষ না হওয়া পর্যন্ত বন্ধ ঘোষনা করেছে জেলা প্রশাসক জিয়াউদ্দীন আহমেদ । এমনকি যারা শিক্ষকতা বাদে অন্য চাকুরি করেন তারাও অবসরে এক্সটা সময়ে কোচিং করতেন তাদেরকেও কোচিং করাতে নিষোধাজ্ঞা জারি করেছে সরকার। পরীক্ষা শেষে কলেজ ক্যাম্পাসে HSC ২য় বর্ষের কোচিং করানো থেকে বিরত থাকতে বলা হয়েছে।

এইচ.এস.সি পরীক্ষার নির্দেশনাসমূহ:

১. পরীক্ষা শুরুর কমপক্ষে ৩০ মিনিট পূর্বে অবশ্যই পরীক্ষা কেন্দ্রে প্রবেশ করে আসন গ্রহণ করতে হবে।

২। পরীক্ষায় ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ব্যতীত কেন্দ্র বা কেন্দ্রের ২০০ মিটারের অভ্যন্তরে কেউ মোবাইল ফোন বা অননুমোদিত ইলেকট্রনিক ডিভাইস ব্যবহার করতে পারবে না। মোবাইল ফোন বা অননুমোদিত ইলেকট্রনিক ডিভাইস ব্যবহারকারীগণের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

৩। পরীক্ষা চলাকালীন এবং এর আগে/পরে পরীক্ষা কেন্দ্রে পরীক্ষার্থী ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ ছাড়া অন্যদের প্রবেশ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। অন্যথায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। গেটে চেকিং এর সময় পরীক্ষার্থীকে তার প্রবেশপত্র প্রদর্শন করতে হবে।
অননুমোদিত সাংবাদিক, গভর্নিং বডির সদস্য ও তরুন নেতৃবৃন্দকে বিশেষভাবে বিষয়টি মনে রাখার পরামর্শ দেয়া হলো।

৪। সকল কোচিং সেন্টার পরীক্ষা শেষ না হওয়া পর্যন্ত (২৯/০৪/২০১৮) সম্পূর্ণরূপে বন্ধ থাকবে।

৫। সকল পরীক্ষার্থীর কানসহ মুখমন্ডল (বিশেষ করে বোরখা পরিহিত) দৃশ্যমান রাখতে হবে।

৬। প্রবেশপত্র এবং কলম ছাড়া অন্য কোন কিছু নিয়ে কেন্দ্রে প্রবেশ করা যাবে না।

৮। চুয়াডাঙ্গার অধিকাংশ কেন্দ্রের প্রতিটি পরীক্ষা কক্ষ এবার সিসিটিভির আওতায় আনা হয়েছে। কেন্দ্র সচিব, উপজেলা নির্বাহী অফিসার, জেলা প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাগণ মনিটর এবং মোবাইল ফোনে প্রতিটি কক্ষ দূর থেকেই পর্যবেক্ষণ করতে পারবেন।

আশা করছি আপনারা এই নির্দেশনাসমূহ প্রতিপালন করে আমাদের সহায়তা করবেন।

জেলা প্রশাসক
চুয়াডাঙ্গা।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

সোমবার থেকে শুরু হচ্ছে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা

উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমানের পরীক্ষা সোমবার থেকে শুরু হচ্ছে। সকাল ১০টা থেকে শুরু হয়ে চলবে দুপুর ১টা পর্যন্ত।

সোমবার সকাল ৯টায় শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ রাজধানীর বেইলি রোডের সিদ্ধেশ্বরী গার্লস কলেজের পরীক্ষা কেন্দ্র পরির্দশন করবেন। অন্যদিকে, একই সময়ে পুরান ঢাকার বকশিবাজার আলিয়া মাদরাসা কেন্দ্র পরিদর্শন করবেন শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী কাজী কেরামত আলী। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আলাদা দুটি বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

মন্ত্রণালয় থেকে জানা গেছে, এবার সারা দেশে ১০টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় ১৩ লাখ ১১ হাজার ৪৫৭ পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করবে। যা আগের বছরের তুলনায় ১ লাখ ২৭ হাজার ৭৭১ পরীক্ষার্থী বেড়েছে। বৃদ্ধি হার ১০ দশমিক ৭৯ শতাংশ। এবার ছেলেদের তুলনায় মেয়ের সংখ্যা কম। ছেলে ৬ লাখ ৯২ হাজার ৭৩০ এবং মেয়ে ৬ লাখ ১৮ হাজার ৭২৮ জন।

সোমবার আট সাধারণ বোর্ডের অধীনে বাংলা ১ম পত্র (আবশ্যিক), সহজ বাংলা ১ম পত্র, বাংলা ভাষা ও বাংলাদেশের সংস্কৃতি ১ম পত্র, মাদরাসা বোর্ডের অধীনে কোরআন মাজিদ ও কারিগরি বোর্ডের অধীনে বাংলা ১ম পত্র (আবশ্যিক) পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। লিখিত পরীক্ষা শেষ হবে ১৩ মে। ১৪ মে ব্যবহারিক পরীক্ষা শুরু হয়ে ২৩ মে শেষ হবে।

এবারও শুরুতে বহুনির্বাচনী (এমসিকিউ) এবং পরে রচনামূলক অংশের পরীক্ষা হবে। ৩০ নম্বরের বহুনির্বাচনী পরীক্ষার সময় ৩০ মিনিট এবং ৭০ নম্বরের সৃজনশীল পরীক্ষার সময় আড়াই ঘণ্টা। পরীক্ষা শুরুর ২৫ মিনিট আগে কেন্দ্রীয়ভাবে লটারির মাধ্যমে প্রশ্ন সেট নির্ধারণ করে সব বোর্ডে অভিন্ন প্রশ্নে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। প্রতিটি কেন্দ্রে একাধিক প্রশ্নের সেট পৌঁছে দেয়া হবে।

এবার সাধারণ আট বোর্ডে শিক্ষার্থী সংখ্যা ১০ লাখ ৯২ হাজার ৬০৭ জন। তার মধ্যে ছেলে ৫ লাখ ৫২ হাজার ৬১২ এবং মেয়ে ৫ লাখ ৩৯ হাজার ৯৯৫ জন। অন্যদিকে, মাদরাসা বোর্ডের পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ১ লাখ ১২৭ জন। যার মধ্যে মেয়ে ৪৪ হাজার ১৩৫, ছেলে ৫৫ হাজার ৯৯২ জন। এছাড়াও কারিগরি শিক্ষায় মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ১ লাখ ১৭ হাজার ৭৫৪।

তথ্যমতে, এবার এইচএসসি পরীক্ষায় সারা দেশে মোট কেন্দ্রের সংখ্যা কমে গেছে। এবার মোট ২ হাজার ৫৪১ কেন্দ্রে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। যা গত বছরের তুলনায় ৪৪টি কমেছে। এছাড়া বিদেশি ৭টি কেন্দ্রে এবার পরীক্ষার্থী ২৯৯। প্রতি বছরের মতো এবারও প্রতিবন্ধী ও বিশেষ চাহিদাপ্রাপ্ত পরীক্ষার্থীদের জন্য অতিরিক্ত ৩০ মিনিট বরাদ্দ থাকবে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে তল্লাশি দুই বস্তা অস্ত্রসহ ২০ ছাত্রলীগ কর্মী আটক

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) শাহ জালাল ও সোহরাওয়ার্দী হলে তল্লাশি চালিয়ে বিপুল পরিমাণ দেশীয় অস্ত্রসহ ২০ জনকে আটক করেছে পুলিশ। আটকরা ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ও সিটি মেয়র আ.জ.ম নাছির উদ্দিনের অনুসারী বলে জানা গেছে।

বুধবার (২৮ মার্চ) সন্ধ্যা ৬টা থেকে সাড়ে ৭টা পর্যন্ত এই অভিযান চালানো হয়। এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন চট্টগ্রামের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মশিউদ্দৌলা।

তিনি জানান, গতকালের সংঘর্ষের পর দুই হলে দেড় ঘন্টাব্যাপী তল্লাশি চালিয়ে পাঁচটি মোটরসাইকেল, দুই বস্তা দেশীয় অস্ত্র ও তিন বস্তা পাথর উদ্ধার করা হয়েছে। যাচাই-বাছাই করে আটকদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।

তিনি আরও জানান, বৈধ মালিক ও কাগজপত্র না থাকায় মোটরসাইকেলগুলো জব্দ করা হয়। এছাড়া উভয় হলের ১৫টি কক্ষ সিলগালা করে দেয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

এ ব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর আলী আজগর চৌধুরী জানান, বিশৃঙ্খলা এড়াতে এবং ক্যাম্পাসে শান্তি ফিরিয়ে আনতে এই তল্লাশি অভিযান চালানো হয়েছে। আটকদের বিরুদ্ধে নিয়মানুযায়ী পুলিশ ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ব্যবস্থা নেবে।

প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার (২৭ মার্চ) বিকালে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সিটি মেয়র আ.জ.ম নাছির উদ্দিনের অনুসারী ভিএক্স ও সিএক্সটি নাইন গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এ ঘটনায় আজ সারাদিন ক্যাম্পাসে উত্তেজনা বিরাজ করে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

এইচএসসির প্রশ্নফাঁস ঠেকাতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ৪ পরিপত্র

নিজস্ব প্রতিবেদক | :
উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) এবং সমমান পরীক্ষার প্রশ্নফাঁস রোধে শিক্ষা মন্ত্রণালয়  চারটি পরিপত্র জারি করেছে।
বুধবার (২৮ মার্চ) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক উচ্চ বিভাগের উপসচিব আবু আলী মো: সাজ্জাদ হোসেন স্বাক্ষরিত পৃথক চারটি পরিপত্রে পরীক্ষার্থীদের কেন্দ্রে প্রবেশের সময়সীমা, মোবাইল ফোন বা ইলেকৈট্রনিক ডিভাইস ব্যবহারে বিধিনিষেধ,প্রশ্নপত্র ট্রেজারী,থানা,ব্যাংকের নিরাপত্তা হেফাজত থেকে গ্রহণ ও কেন্দ্রে পরিবহন এবং পরীক্ষা কেন্দ্রে পরীক্ষার্থী এবং পরীক্ষা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ ব্যতীত অন্যদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।
Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

বেসরকারি কলেজ অনার্স-মাস্টার্সে শিক্ষক নিয়োগ কেন্দ্রীয়ভাবে

নিজস্ব প্রতিবেদক | : বেসরকারি কলেজের অনার্স-মাস্টার্স কোর্সে কেন্দ্রীয়ভাবে শিক্ষক নিয়োগের নীতিগত সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। মঙ্গলবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে এ সংক্রান্ত একটি বৈঠকের সিদ্ধান্ত শিক্ষামন্ত্রী অনুমোদন দিলে আগামীতে এ ধরনের নিয়োগের লক্ষ্যে প্রাথী বাছাইয়ের দায়িত্ব শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষকে (এনটিআরসিএ) দেয়া হবে।
এর আগে গত বছরের ৩০ জুলাই শিক্ষা মন্ত্রণালয় একই ধরণের সিদ্ধান্ত নিলেও তার কোনো অগ্রগতি হয়নি অদ্যাবধি।
বর্তমানে বেসরকারি অনার্স-মাস্টার্স শিক্ষকদের নিয়োগের ক্ষমতা কলেজের গভর্নিং বডির হাতে। কিন্তু এতে মানসম্পন্ন শিক্ষক নিয়োগ না পাওয়া এবং নিয়োগে প্রায়ই বাণিজ্যসহ নানা অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে। তাছাড়া বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের বার্ষিক প্রতিবেদনে কলেজের অনার্স ও মাস্টার্স শিক্ষার মান সম্পর্কে আপত্তি আছে।
বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব মো. সোহবার হোসাইন। এতে মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব  ড. মোল্লা জালাল উদ্দিন, অতিরিক্ত সচিব  চৌধুরী মুফাদ আহমেদ, অতিরিক্ত সচিব জাবেদ আহমেদ, এনটিআরসিএ চেয়ারম্যান  এমএম আজহার, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসির প্রতিনিধিসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

Responsive WordPress Theme Freetheme wordpress magazine responsive freetheme wordpress news responsive freeWORDPRESS PLUGIN PREMIUM FREEDownload theme free