Author Archives: chief editor

৩৬তম বিসিএস নন-ক্যাডারে পদ প্রাথমিক প্রধান শিক্ষকসহ প্রায় ৪ হাজার

ঢাকা, ১৩ ফেব্রুয়ারি : ৩৬তম বিসিএস নন-ক্যাডার নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু করেছে বাংলাদেশ কর্ম কমিশন (পিএসসি)। নন-ক্যাডার নিয়োগে ১ম ও ২য় শ্রেণিতে মাত্র ৭৮৭ পদ পেয়েছে বাংলাদেশ কর্ম কমিশন (পিএসসি)। তবে প্রধান শিক্ষকসহ এই পদ প্রায় ৪ হাজার বলে জানিয়েছেন পিএসসির চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাদিক।
যদিও বিসিএসে উত্তীর্ণদের প্রাথমিকের প্রধান শিক্ষক পদে নিয়োগ নিতে অনীহা রয়েছে। কারণ এই পদটি ২য় শ্রেণির বলা হলেও এখনো শিক্ষকেরা বেতন পান ১১ ও ১২ তম গ্রেডে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে পিএসসির চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাদিক শিক্ষাবার্তাকে বলেন, পদ তো আমরা অনেক পেয়েছি। সেটা প্রায় চার হাজার। ১ম ও ২য় শ্রেণিতে নিয়োগ দেয়া যাবে ৭৮৭ জনকে।
এক প্রশ্নের জবাবে মোহাম্মদ সাদিক বলেন, ‘প্রাথমিকের প্রধান শিক্ষক পদে নিয়োগে অনীহা থাকার বিষয়টি তো আমাদের কিছু করার নেই। এটা মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্ত। এবিষয়ে আমরা কিছু বলতে পারব না।’
পিএসসি সূত্রে জানা গেছে, ৩৬তম বিসিএসে ২ হাজার ৩২৩ জনকে বিভিন্ন ক্যাডারে নিয়োগের সুপারিশ করা হয়। এ ছাড়া উত্তীর্ণ ৩ হাজার ৩০৮ জনকে নন-ক্যাডারে রাখা হয়।
নন-ক্যাডারে নিয়োগ দিতে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের কাছে শূন্য পদ চেয়ে চিঠি পাঠায় পিএসসি। এতে বেশ সাড়া পেয়েছে তারা। ১ম শ্রেণির পদে ৪২২টি এবং ২য় শ্রেণির ৩৬৫টিসহ মোট ৭৮৭টি শূন্য পদ পেয়েছে পিএসসি। আর প্রাথমিকের প্রধান শিক্ষক পদ রয়েছে কয়েক হাজার।

মোবাইলে প্রশ্ন ও উত্তরপত্র, ৭ পরীক্ষার্থী আটক

জেলা প্রতিনিধি, দিনাজপুর:  দিনাজপুরের তিন উপজেলায় মোবাইলে প্রশ্ন এবং উত্তরপত্র রাখার অভিযোগে সাত এসএসসি পরীক্ষার্থীকে আটক করা হয়েছে। মঙ্গলবার পদার্থ বিজ্ঞান, ইতিহাস ও ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিষয়ের পরীক্ষা শুরুর আগে বিরল, বিরামপুর ও বোচাগঞ্জ উপজেলা থেকে মোবাইলসহ তাদেরকে আটক করা হয়।

জানা গেছে, সকাল ৯টায় পরীক্ষা শুরু হওয়ার আগে বিরলের ধুকুরঝাড়ী দ্বি-মুখী উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রের মূল গেটের বাইরে উপজেলার ফরক্কাবাদ ইউপির ফরক্কাবাদ এন আই স্কুল অ্যান্ড কলেজের ছাত্র ও মাঝাপাড়া গ্রামের আবুল কালাম আজাদের ছেলে নুর ইসলাম নয়ন (রোল নং ২৫০৭০৩), মোহনা মঙ্গলপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্র ও মঙ্গলপুর ইউপির ধনগ্রামের শাহীনুর ইসলামের ছেলে মাহফুজ আলম (রোল নং ২৫০৭৯২) ও মোহনপুর গ্রামের আনছারুল আজিমের ছেলে রিয়াদ উল ইসলাম (রোল নং ২৫০৮০০) মোবাইল ফোনে প্রশ্ন ও উত্তরপত্র দেখার সময় উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) এ বি এম রওশন কবীর তাদেরকে মোবাইল ফোনসহ হাতেনাতে আটক করেন।

মোবাইল ফোনে যোগাযোগের মাধ্যমে পরীক্ষার প্রশ্ন ও উত্তরপত্র সরবরাহের ঘটনায় আটকদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

এ বিষয়ে ধুকুরঝাড়ী দ্বি-মুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের কেন্দ্র সচিব বিমল চন্দ্র সরকার বলেন, পরীক্ষা শুরুর ঘণ্টা খানেক আগে তারা স্কুলের সামনে ধুকুরঝাড়ী বাজারের মোবাইল ফোনে প্রশ্নপত্র দেখার সময় ম্যাজিস্ট্রেট ওই তিন ছাত্রকে আটক করেন। তারা পরীক্ষা কেন্দ্রে না থাকায় আমি অনুপস্থিত দেখাই।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার তৈয়ব আলী জানান, তিনি বাদী হয়ে আটকদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়ের করেছেন।

অপরদিকে বোচাগঞ্জ উপজেলার সেতাবগঞ্জ মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রের সামনে মোবাইল ফোনে প্রশ্ন ও উত্তরপত্র দেখার সময় বোচাগঞ্জ উপজেলার আনোয়ারা ধদইর গ্রামের আব্দুর রশিদের ছেলে ওমর ফারুককে (রোল নং- ২২১৭৪৯) উপজেলা নির্বাহী অফিসার গোলাম সারাওয়ার মোর্শেদ মোবাইলসহ ধরে কেন্দ্রে নিয়ে যান। পরীক্ষা শুরু হলে প্রশ্নপত্র মিলে যাওয়ায় তাকে আটক করা হয়। তার বিরুদ্ধে বোচাগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।

এছাড়াও বিরামপুর উপজেলায় এসএসসি পরীক্ষার প্রশ্ন পত্র ফাঁসের জের ধরে মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৯টার সময় বিরামপুর সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে প্রধান গেটের ফটক থেকে বিজ্ঞান বিভাগের এসএসসি পরীক্ষার্থী কলেজ বাজার এলাকার মনিরুজ্জামানের ছেলে নাজমুল সাকিব (১৭), শৌলাহার গ্রামের আমিনুল ইসলামের ছেলে শামীম আহমেদ সবুজ (১৬), মুকুন্দপুর ইউনিয়নের উড়ুম্বা গ্রামের প্রেমদাস চন্দ্রের ছেলে বিজয় চন্দ্রকে (১৬) মোবাইলে ইন্টারনেটের মাধ্যমে পরীক্ষার প্রশ্নপত্র সার্চ করে দেখার সময় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাকে হাতেনাতে আটক করে।

কেন্দ্র সচিব রইচ উদ্দিন পাটোয়ারী জানান, ২শ গজের মধ্যে আজকের পদার্থ বিজ্ঞান, ইতিহাস ও ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিষয়ের পরীক্ষার প্রশ্নপত্র মোবাইল ফোনে নেটের মাধ্যমে সার্চ করে দেখার অপরাধে আটকদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে।

বিরামপুর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোখলেছুর রহমান মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ তৌহিদুর রহমান জানান, পরীক্ষার্থীদের কাছ থেকে একটি স্ক্রিনটাচ মোবাইল ফোন জব্দ করে থানায় জমা দেয়া হয়েছে

জাতীয়করনকৃত প্রধান শিক্ষকদের টাইমস্কেল এর আপত্তি

নিজস্ব প্রতিবেদক: জয়পুরহাটে ১৬ জন জাতীয়করনকৃত প্রধান শিক্ষককের টাইমস্কেলে আপত্তি জানিয়েছে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার আশরাফুল কবীর। গত ১৮ ডিসেম্বর ২০১৭ ইং তারিখে এ আপত্তি জানান তিনি । তিনি বলেন যেহেতু সবাই (পদ্দোন্নতীপ্রাপ্ত ) ১৪/০৭/২০০৮ ইং তারিখের পত্র অনুযায়ী পদ্দোন্নতীপ্রাপ্ত তাই তাদের অর্থ মন্ত্রনালয়ের ২৩/০৩/৯৫ সালের পত্র অনুযায়ী টাইমস্কেল প্রাপ্তহবেন না।

 

পরীক্ষা হলে প্রবেশের আগেই ৪ শিক্ষার্থী বহিষ্কার

টাঙ্গাইল,১২ ফেব্রুয়ারী: টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে এসএসসি পরীক্ষার জন্য হলে প্রবেশের আগেই প্রশ্নফাঁসের অভিযোগে চার শিক্ষার্থীকে বহিষ্কার ও বহিরাগত একজনকে আটক করা হয়েছে।
মঙ্গলবার পদার্থবিজ্ঞান পরীক্ষায় ভূঞাপুর পাইলট সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠের বাইরে থেকে তাদের বহিষ্কার ও আটক করা হয়।
আটককৃতের নাম- সিজেন খান ওরফে আব্দুল কাইয়ুম। সে উপজেলার অর্জুনা গ্রামের আইয়ুব খানের ছেলে। সিজেন খান ইবরাহীম খাঁ সরকারি কলেজের শিক্ষার্থী। এসময় প্রশ্নফাঁসের জড়িত পাপ্পু নামে এক ব্যক্তি পালিয়ে যায়।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শরিফ আহম্মেদ জানান, ভূঞাপুর পাইলট সরকারি বিদ্যালয় কেন্দ্রের বাইরে কয়েকজন শিক্ষার্থী হলে প্রবেশ না করে মোবাইল ফোনে প্রশ্ন দেখছিল। এমন সময় সেখানে উপস্থিত হলে প্রশ্নফাঁসের মুলহোতা পাপ্পু পালিয়ে যায়। পরে এঘটনায় চার শিক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়। পরে বহিরাগত সিজেন খানকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করা হয়েছে।

যে কারণে ছেলেকে নিয়ে গণমাধ্যমে এসেছিলেন অপু

ঢাকা,১২ ফেব্রয়ারী : আগামী ২২ ফেব্রুয়ারি আনুষ্ঠানিকভাবে শাকিব খান-অপু বিশ্বাসের বিচ্ছেদ হয়ে যাচ্ছে। ডিভোর্স মেনে নেয়ার পর অপু জানিয়েছেন, বিয়ের পর থেকেই তার স্বামী শাকিব তাকে অবহেলা করেছেন। তার শেষ অনুরোধটিও রাখেননি শাকিব।
অপু বিশ্বাস বলেন, আমি নই, বরং শাকিবই আমাকে বিয়ের পর থেকে অবহেলা করেছে। তার ক্যারিয়ারের কথা চিন্তা করে তার অনুরোধে দীর্ঘসময় বিয়ে ও সন্তানের কথা গোপন রেখেছিলাম। তার কাছে আমার শেষ একটি অনুরোধ ছিল সে যেন বুবলীর সঙ্গে কাজ না করে। কারণ শাকিব আর বুবলীর সম্পর্কে নানাজন নানা কথা আমাকে বলছিল। যা স্ত্রী হিসেবে আমি সহ্য করতে পারছিলাম না। কিন্তু শাকিব আমার এই অনুরোধকেও পাত্তা দেয়নি। তখন বাচ্চাকে নিয়ে আমার প্রকাশ্যে আসা ছাড়া আর কোনো পথ ছিল না।
অপু বলেন, যা হওয়ার তাতো হয়ে গেছে। এখন আমার ধ্যান জ্ঞান একমাত্র আমার সন্তান আবরাম খান জয়। তার জন্য বাঁচব আর তাকে মানুষ করতে পরিশ্রম করে যাব। শাকিবকে নিয়ে আর কখনো কোনো কথা বলতে চাই না।

সোনালী ব্যাংকে ২২০১ জনকে নিয়োগে বাধা নেই

ঢাকা: সোনালী ব্যাংকে ২০১৬ সালের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী তিনটি পদে ২ হাজার ২০১ জনকে নিয়োগপ্রক্রিয়ায় বাধা কেটেছে। ওই নিয়োগপ্রক্রিয়ার ওপর আগে দেওয়া স্থিতাবস্থা তুলে নিয়েছেন সর্বোচ্চ আদালত। একই সঙ্গে হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে চাকরিপ্রত্যাশীদের করা পৃথক পাঁচটি লিভ টু আপিল (আপিলের অনুমতি চেয়ে আবেদন) খারিজ করে দিয়েছেন আপিল বিভাগ।
প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বাধীন চার সদস্যের আপিল বিভাগ আজ মঙ্গলবার এ আদেশ দেন। আদালতে সোনালী ব্যাংকের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন আইনজীবী শেখ ফজলে নূর তাপস ও মোহাম্মদ মেহেদী হাসান চৌধুরী। অন্যদিকে, লিভ টু আপিলকারীদের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী আবদুল মতিন খসরু, কামরুল হক সিদ্দিকী, রফিকুর রহমান ও এ এ ম আমিন উদ্দিন।
মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০১৬ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি সোনালী ব্যাংক কর্তৃপক্ষ সিনিয়র অফিসার, অফিসার ও অফিসার ক্যাশ পদে নিয়োগের জন্য তিনটি বিজ্ঞপ্তি দেয়। যেখানে পদসংখ্যা ছিল ২ হাজার ২০১। ওই নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে নিয়োগের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট করেন ৪৭৪ চাকরিপ্রত্যাশী। তাঁরা ২০১৪ সালে ৩১ জানুয়ারি সোনালী ব্যাংকে ১ হাজার ৭০৭টি পদে নিয়োগের জন্য দেওয়া সার্কুলারের ভিত্তিতে আবেদনকারী। রিট আবেদনে ওই বিজ্ঞপ্তির পরিপ্রেক্ষিতে হওয়া পরীক্ষায় অভ্যন্তরীণ তালিকায় তাঁদের নাম রয়েছে বলে দাবি করেন তাঁরা। তাই রিটকারীরা ২০১৬ সালের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী নিয়োগের আরজি জানান।
রিটের চূড়ান্ত শুনানি শেষে গত বছরের ২৭ জুলাই হাইকোর্ট রিট আবেদন খারিজ করে রায় দেন। এ রায়ের বিরুদ্ধে চাকরিপ্রত্যাশীরা পৃথক পাঁচটি লিভ টু আপিল করেন। আপিল বিভাগ এ নিয়োগপ্রক্রিয়ার ওপর স্থিতাবস্থা বজায় রাখতে আদেশ দেন। লিভ টু আপিলের শুনানি শেষে আজ আদালত তা খারিজ করে আদেশ দেন।
আদেশের পর আইনজীবী মোহাম্মদ মেহেদী হাসান চৌধুরী বলেন, আপিল বিভাগ পৃথক পাঁচটি লিভ টু আপিল খারিজ করে দিয়েছেন। ২০১৬ সালের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী পরীক্ষাসহ নিয়োগপ্রক্রিয়ার ওপর আগে আপিল বিভাগের দেওয়া স্থিতাবস্থা প্রত্যাহার করা হয়েছে। ফলে ২ হাজার ২০১টি পদে নিয়োগ কার্যক্রম পরিচালনায় আইনগত কোনো বাধা নেই। তিনি বলেন, ওই বিজ্ঞপ্তির পরিপ্রেক্ষিতে আট লাখ দরখাস্ত জমা পড়েছিল। তবে উচ্চ আদালতে মামলা করার কারণে পরবর্তী পদক্ষেপ নেয়নি কর্তৃপক্ষ।

চট্টগ্রামে ৫০ পরীক্ষার্থীর মোবাইলে পদার্থ বিজ্ঞানের প্রশ্ন

চট্টগ্রাম: চট্টগ্রাম নগরীর কোতোয়ালি থানাধীন বাংলাদেশ মহিলা সমিতি স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রের বাইরে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের মোবাইলে পদার্থ বিজ্ঞানের প্রশ্নপত্র পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় প্রশ্নফাঁস চক্রের পাঁচ সদস্যকে গ্রেফতার করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
মঙ্গলবার সকালে পরীক্ষা শুরুর ৩০ মিনিট আগে পাওয়া প্রশ্নপত্রের সঙ্গে মিলে যায় মূল প্রশ্ন। একটি বাসের মধ্যে বসে ফাঁস হওয়া প্রশ্নের উত্তর শিখে নিচ্ছিল শিক্ষার্থীরা।
এ সময় ভ্রাম্যমাণ আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট বাসটিতে তল্লাশি চালিয়ে শিক্ষার্থীর ব্যাগ থেকে মোবাইল ফোন উদ্ধার করে। যাতে ফাঁস হওয়া প্রশ্ন ছিল। সেইসঙ্গে প্রশ্নফাঁস চক্রের পাঁচ সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো. হাবিবুর রহমান জানান, পটিয়া আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষার্থীরা বাওয়া স্কুল কেন্দ্রে পরীক্ষা দিতে আসে। কেন্দ্রের বাইরে কিছু শিক্ষার্থীর মোবাইলে প্রশ্নপত্র পাওয়া যায়। তাদের প্রহরায় পরীক্ষা নেয়া হচ্ছে। ঘটনাস্থলে চট্টগ্রাম শিক্ষাবোর্ডের টিম রয়েছে। এ ঘটনায় পাঁচজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

৬৯ পরীক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিলো বরিশাল বোর্ড

বরিশাল:

২০১৭ সালের এইচএসসি পরীক্ষায় উত্তরপত্র মূল্যায়নে বিভিন্ন ধরনের ভুলত্রুটি করায় ৬৯ পরীক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়েছে বরিশাল মাধ্যমকি ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড। এসব ভুলত্রুটি হওয়ায় বিষয়টি প্রধান পরীক্ষকের প্রতিবেদন এবং উত্তরপত্র পুননিরীক্ষণের সময় প্রমাণিত হয়েছে।

ব্যবস্থাগ্রহণকারীদের মধ্যে ‘ঘ’ শ্রেণিতে অন্তর্ভুক্ত পরীক্ষকদের ২০১৮ সালের (১ বছরের জন্য) এইচএসসি পরীক্ষার দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে। যারমধ্যে প্রধান পরীক্ষকদের প্রতিবেদন অনুযায়ী ১৪ এবং পুননিরীক্ষণের প্রতিবেদন অনুযায়ী ৪২ জন শিক্ষক রয়েছেন।

অপরদিকে ‘ঙ’ শ্রেণিতে অন্তর্ভুক্ত পরীক্ষকদের ২০১৮ ও ২০১৯ সালের (২ বছরের জন্য) এইচএসসি পরীক্ষার দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে। যার মধ্যে প্রধান পরীক্ষকদের প্রতিবেদন অনুযায়ী ৮ এবং পুননিরীক্ষণের প্রতিবেদন অনুযায়ী ৫ জন শিক্ষক রয়েছেন।

ভুলত্রুটি সংগঠিত হওয়া উত্তরপত্র মূল্যায়নের মতো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালনে অবহেলার সামিল, তাই এসব পরীক্ষকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন বরিশাল মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক আনোয়ারুল আজিম।

প্রশ্নফাঁসে ৩০০ মোবাইল নম্বর চিহ্নিত

নিজস্ব প্রতিবেদক: প্রশ্নফাঁসে ব্যবহৃত ৩০০ মোবাইল নম্বর এ পর্যন্ত চিহ্নিত করেছে প্রশ্নফাঁস মূল্যায়ন কমিটি। এসব নম্বর কমিটির সদস্যদের মাঝে বণ্টন করে দেয়া হয়েছে।

এই নম্বরধারীদের অধিকাংশ ছাত্র-ছাত্রী, যারা মেডিকেল, ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে, কম্পিউটার সায়েন্সে পড়েন এবং এদের অভিভাবকরাও আছেন। এদের বিরুদ্ধে পুলিশ অভিযানে নেমেছে।

প্রশ্নফাঁস মূল্যায়ন কমিটির আহ্বায়ক কারিগরি ও মাদরাসা বিভাগের সচিব মো. আলমগীর এসব তথ্য জানিয়েছেন। রোববার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে প্রশ্নফাঁস মূল্যায়ন কমিটির জরুরি সভা শেষে তিনি সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান। সভায় পুলিশ, র‌্যাবের সদস্যসহ কমিটির ১১ সদস্য উপস্থিত ছিলেন।

কমিটির প্রধান বলেন, যাদের মোবাইল নম্বর পাওয়া যাবে সে অভিভাবক হোক, ছাত্র-ছাত্রী, শিক্ষক হোক, তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে। পরীক্ষা আইন এবং সাইবার অপরাধের আইনে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে। এমনও হতে পারে তারা যে বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করেছেন সেখানে থেকে তাদের বহিষ্কার করাও হতে পারে। যেসব ফেসবুক লিঙ্ক, টেলিফোন নম্বরসহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রশ্ন আদান-প্রদান হয়েছে সেগুলো আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর আওতায় চলে এসেছে। দ্রুত তাদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হবে।

সচিব বলেন, প্রশ্নফাঁস নিয়ে এ পর্যন্ত চারটি মামলা হয়েছে। কাউকে ছাড় দেয়া হবে না। ইতোমধ্যে ১৪ জনকে আইনশৃঙ্খলাবাহিনী গ্রেফতার করেছে। অরো গ্রেফতারের প্রক্রিয়া চলছে। শুধু গ্রেফতার নয়, এদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।

‘প্রশ্নফাঁসের তথ্য পাওয়া গেছে, পরীক্ষা বাতিল করা হবে কি না তা শিক্ষামন্ত্রী সিদ্ধান্ত নেবেন। কমিটির কাজ সবকিছু তথ্য-উপাত্ত যাচাই-বাছাই করে সুপারিশ করা। আমরা সেটিই করবো’-বলেন তিনি।

আলমগীর বলেন, প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়েছে কি না সে বিষয়টি পর্যালোচনা করে দেখা হচ্ছে। মিডিয়ায় ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে যেসব তথ্য এসেছে সেগুলো নিয়ে কাজ করা হচ্ছে। এ বিষয়ে রোববার আবারো সভায় বসে প্রশ্নফাঁস মূল্যায়ন কমিটি একটি সুপারিশ চূড়ান্ত করবে।

তিনি বলেন, আজ কমিটি গঠনের কাগজ পাওয়ার পর প্রথম সভা ডাকা হয়েছে। সেখানে তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহের দায়িত্ব ভাগাভাগি করে নেয়া হয়েছে। আসলেই ফাঁস হয়েছে কি না, কতক্ষণ আগে ফাঁস হয়েছে, তার প্রভাবটা কী, কতজন ছাত্র-ছাত্রী এটির মধ্য দিয়ে প্রভাবিত হয়েছে, পরীক্ষা বাতিল করা হবে কি না, বাতিল করা হলে কতজন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে সেসব বিষয় খতিয়ে দেখা হবে।

সচিব বলেন, যে প্রশ্ন পেয়েছে ৫-১০ মিনিট আগে। ওই প্রশ্ন পেয়ে তো বেশি প্রভাবের সুযোগ নেই। আবার দেখা গেছে, বেশ আগে ফাঁস হলেও ৫ বা ১০ হাজার ছেলে মেয়ে পেয়েছে। কিন্তু পরীক্ষা দিয়েছে ২০ লাখ। এমন বিষয়গুলো হিসাব-নিকাশ করে প্রতিবেদন দেয়া হবে। আমাদের দায়িত্ব ফাঁস হওয়ার যে অভিযোগ এসেছে সেগুলো নিয়ে কাজ করা।

উল্লেখ্য, গত এক সপ্তাহ আগে প্রশ্নফাঁস সংক্রান্ত যাচাই-বাছাই ও মূল্যায়ন কমিটি গঠন করা হলেও গত বৃহস্পতিবার বিকেলে ই-মেলে কমিটি গঠনের কাগজ পাঠানো হয়েছে। রোববার সে কাগজ পাওয়ায় পর এ কমিটির প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।

কলম্বিয়ায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মিনিস্কার্ট পরে প্রতিবাদ

ডেস্ক: কলম্বিয়ায় একটি বিশ্ববিদ্যালয় তার ছাত্রীদের মিনিস্কার্ট পরতে মানা করার পর শিক্ষার্থীরা এর অভিনব প্রতিবাদ জানিয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ‘সহপাঠী ও শিক্ষকদের মনোযোগ’ নষ্ট করার জন্যে ছাত্রীদেরকে মিনিস্কার্ট পরতে নিষেধ করেছিলো।

বিশ্ববিদ্যালয়ের এই উদ্যোগকে যৌনবৈষম্যবাদী উল্লেখ করে শিক্ষার্থীরা এর প্রতিবাদে আগামী মঙ্গলবার ছাত্র ছাত্রী সবাইকে মিনিস্কার্ট পরার ডাক দিয়েছে।

মেডেলিন পনটিফিসাল বলিভারিন বিশ্ববিদ্যালয় যা ইউপিবি নামে পরিচিত, তারা তাদের ওয়েবসাইটে ছাত্রীদেরকে মিনিস্কার্ট না পরার অনুরোধ করেছে।

তারপর এনিয়ে হৈচৈ শুরু হওয়ার পর বিশ্ববিদ্যালয় বলছে, খুব সাধারণভাবেই তারা এই পরামর্শ দিয়েছে।

“ব্যক্তিত্ব প্রকাশের অধিকারকে সম্মান করে ইউপিবি। এবং বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রছাত্রীদের উপর কখনো ড্রেস কোড চাপিয়ে দেয়নি,” এক বিবৃতিতে বলেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

পরে ওয়েবসাইট থেকে ওই বক্তব্যটি মুছে দেওয়া হয়েছে। সেখানে শিরোনাম ছিলো: “কি ধরনের পোশাক পরে আপনার বিশ্ববিদ্যালয়ে যাওয়া উচিত?”

অনেক পরামর্শ ছিলো ছাত্র-ছাত্রী উভয়ের জন্যে। কিন্তু প্রচুর পরামর্শ ছিলো শুধু ছাত্রীদের উদ্দেশ্য করে।

সেখানে লেখা ছিলো: “আপনার সহপাঠী ও শিক্ষকদের মনোযোগ নষ্ট না করতে আমরা আপনাদেরকে নেকলাইন্স, শর্ট স্কার্টস এবং আটোসাঁটো কাপড় না পরার জন্যে পরামর্শ দিচ্ছি।”

ওয়েবসাইটে এটা প্রকাশ করা হয় ৩০শে জানুয়ারি পরে শিক্ষার্থীদের সোশাল মিডিয়া অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে সেটি ছড়িয়ে দেওয়া হয়।

স্থানীয় একটি সংবাদ মাধ্যম বলছে, অনলাইনে একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এই ঘোষণা দেয়। ভিডিওটিতে দেখা যায় একজন ছাত্র একটি মেয়ের স্কার্ট উপরে তুলতে থাকলে মেয়েটি নিচে পড়ে যায়।

বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ অবশ্য এই ভিডিওটির কথা উল্লেখ করেনি। পরে এক টুইট করে বলেছে, এই দুটোর মধ্যে কোনো সম্পর্ক নেই।

পরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এনিয়ে সমালোচনা ও বিতর্ক শুরু হয়। ছাত্রছাত্রীরা তখন মিনিস্কার্ট পরিহিত অবস্থায় নিজেদের ছবি পোস্ট করতে শুরু করে।

এক ছাত্রী বলেন, এধরনের ঘোষণা দিয়ে নারীদের যেভাবে অসম্মান করা হয়েছে আমরা তার প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

এরপর অনেকে এই ঘোষণার প্রতিবাদে মিনিস্কার্ট পরে ক্লাসে গিয়ে হাজির হন।

এর আগেও এই বিশ্ববিদ্যালয়টির বিরুদ্ধে যৌনবৈষম্যবাদী আচরণের অভিযোগ আনা হয়েছিলো।

২০১৫ সালে সেখানে ৫ থেকে ১০ বছর বয়সী মেয়েদের জন্যে একটি ক্লাস চালু করা হয়েছিলো যার নাম দেওয়া হয়েছিলো: ‘মেয়েদের বিষয়’।

মার্চে প্রাথমিক সহকারি শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা

নিজস্ব প্রতিবেদক,৮ ফেব্রুয়ারী :স্থগিত থাকা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগের লিখিত পরীক্ষা আগামী মার্চের শেষ দিকে অনুষ্ঠিত হবে। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের উপপরিচালক (নিয়োগ) একেএম সাফায়েত আলম আজ ব্রহস্পতিবার (৮ই ফেব্রুয়ারি) সাংবাদিকদের এ খবর জানিয়েছেন।

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকদের শূন্য পদে নিয়োগের উদ্যোগ নিয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। এজন্য স্থগিত থাকা একটি পরীক্ষা নেওয়ার পাশাপাশি নতুন করে বিজ্ঞপ্তিও প্রকাশ করা হবে বলে জানা গেছে।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সূ্ত্রে জানা যায়, সহকারী শিক্ষক নিয়োগ দিতে ২০১৪ খ্রিস্টাব্দের ৯ ডিসেম্বর একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছিলো প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। এতে প্রায় ১২ লাখ প্রার্থী আবেদন করেছিলেন। কিন্তু ‘পুল’ ও ‘প্যানেলভুক্ত’ শিক্ষকদের মামলা সংক্রান্ত জটিলতায় ওই বিজ্ঞপ্তির বিপরীতে প্রায় ১০ হাজার পদে নিয়োগ প্রক্রিয়া আটকে যায়।

মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা সাংবাদিকদের বলেন, ‘পুল’ ও ‘প্যানেলভুক্ত’ শিক্ষকদের নিয়োগের পর মামলা জটিলতা নিরসন হওয়ায় নতুন করে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এজন্য মন্ত্রণালয়ের কাছে বাজেট চেয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর।

তিনি বলেন, নতুন করে আরো প্রায় ১০ হাজার সহকারী শিক্ষক নিয়োগ দিতে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সেখানে ৮-১০ হাজার শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হবে।

মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর জানায়, সহকারী শিক্ষকের প্রায় ১৭ হাজার এবং প্রধান শিক্ষকের আরো প্রায় ২০ হাজার পদ বর্তমানে পদ শূন্য রয়েছে। প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন প্রকল্প-৪ এর আওতায় নতুন করে শিক্ষক নিয়োগ করা হবে।

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা সূচি

ডেস্ক,৮ ফেব্রুয়ারী : জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৭ সালের অনার্স চতুর্থ বর্ষ পরীক্ষা আগামী ৫ মার্চ থেকে শুরু হয়ে ২২ এপ্রিল পর্যন্ত চলবে।

মাস্টার্স শেষ পর্ব পরীক্ষার সময়সূচি : জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৫ সালের মাস্টার্স শেষ পর্ব (নিয়মিত, অনিয়মিত, গ্রেড উন্নয়ন ও সিজিপিএ উন্নয়ন) পরীক্ষা আগামী ২৪ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হয়ে ১৮ এপ্রিল পর্যন্ত চলবে।

উভয় পরীক্ষা প্রতিদিন দুপুর ১টা ৩০ মিনিট থেকে শুরু হবে। এসব পরীক্ষার বিস্তারিত সময়সূচি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট www.nu.edu.bd I www.nubd.info থেকে জানা যাবে। বুধবার বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ, তথ্য ও পরামর্শ দপ্তরের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক মো. ফয়জুল করিম এ তথ্য জানিয়েছেন।

২ এপ্রিল থেকে এইচএসসি পরীক্ষা শুরু

নিউজ ডেস্কঃ
চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা আগামী ২ এপ্রিল শুরু হবে, তত্ত্বীয় পরীক্ষা চলবে ১৩ মে পর্যন্ত।
বুধবার মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ ২০১৮ সালের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার সূচি অনুমোদন করে তা প্রকাশ করেছে।
সূচি অনুযায়ী, ১৪ থেকে ৩০ মে হবে ব্যবহারিক পরীক্ষা। পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষা শুরুর ৩০ মিনিট আগে অবশ্যাই পরীক্ষার হলে গিয়ে আসনে বসতে হবে।
এবারও শুরুতে বহুনির্বাচনী (এমসিকিউ) অংশ এবং পরে রচনামূলক অংশের পরীক্ষা হবে।
৩০ নম্বরের বহুনির্বাচনী পরীক্ষার সময় ৩০ মিনিট এবং ৭০ নম্বরের সৃজনশীল পরীক্ষার সময় আড়াই ঘণ্টা। যেসব বিষয়ে ব্যবহারিক পরীক্ষা রয়েছে সেগুলোর ২৫ নম্বরের বহুনির্বাচনী পরীক্ষার সময় ২৫ মিনিট এবং সৃজনশীল অংশের জন্য দুই ঘণ্টা ৩৫ মিনিট সময় নির্ধারণ করা হয়েছে।

প্রশ্নফাঁসের অভিযোগে ২ এসএসসি পরীক্ষার্থী আটক

ফরিদপুর:

ফরিদপুর সদরপুর উপজেলায় এসএসসি পরীক্ষার প্রশ্নফাঁসের অভিযোগে দুই পরীক্ষার্থীকে আটক করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) পূরবী গোলদার।

বৃহস্পতিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) পরীক্ষা কেন্দ্রে প্রবেশকালে মোবাইল ফোনে প্রশ্নপত্র পাওয়ায় তাদের আটক করা হয়।

আটকরা হলেন- উপজেলার চরবিষ্ণুপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্র সুমন শিকদার (১৭) ও সজীব প্রামাণিক (১৭)।

ইউএনও পূরবী শিক্ষাবার্তাকে বলেন, আটকদের থানায় পাঠানো হয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেছে সদরপুর থানা পুলিশ।

এর আগে, প্রশ্ন সরবরাহের অভিযোগে লুৎফর রহমান (২০) নামে এক কলেজছাত্রকে বুধবার (৭ ফেব্রুয়ারি) আটক করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মেহনাজ হোসেন ফারবি।

ফরিদপুর কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বিপুল কুমার দে  জানান, লুৎফরের মোবাইল ফোনে ইংরেজি দ্বিতীয়পত্রের একটি প্রশ্নপত্র পাওয়া যায় যা পরীক্ষার মূল প্রশ্নের সঙ্গে হুবুহু মিলে গেছে।

পরে সরকারি বালিকা বিদ্যালয়ের কেন্দ্র সচিব সতিন্দ্র নাথ ভৌমিক বাদী হয়ে তার বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেন।
লুৎফরকে আদালতেরর মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে বলেও জানান ওসি বিপুল।

অবশেষে একুশে পদক পাচ্ছেন হুমায়ুন ফরীদি

বিনোদন ডেস্ক: অভিনয়ের জাদুকর। মঞ্চ থেকে চলচ্চিত্র- অভিনয়ের সবখানে তিনি রাজত্ব করেছেন দুর্দান্ত প্রতাপে। মুগ্ধ করে রাখা সেই অভিনেতার নাম হুমায়ুন ফরীদি।

অভিনয়ে তিনি মাতিয়ে রেখেছিলেন কয়েক দশক। কিন্তু রাষ্ট্রীয় কোনো সম্মাননা না পাওয়ায় আক্ষেপ ছিলো তার ভক্ত-অনুরাগীদের। তার বন্ধুবর হুমায়ূন আহমেদও আক্ষেপ করেছিলেন ফরীদি একুশে পদক না পাওয়ায়।

ফরীদিকে একুশে পদক দেয়ার দাবিতে বিভিন্ন সময় জাগো নিউজসহ অন্যান্য সংবাদমাধ্যমে প্রকাশ হয়েছে নানা রকম ফিচার। গেল বছর এক দল পাগল ভক্ত ফরীদিকে একুশে পদক দেয়ার দাবিতে ফেসবুকে ইভেন্টও চালু করেছিলো।

অবশেষে পূরণ হলো সবার চাওয়া। জীবন্ত ফরীদি তার বর্ণাঢ্য কর্মজীবনের স্বীকৃতি নিজের হাতে না পেলেও, মরণোত্তর একুশে পদকে ভূষিত হতে যাচ্ছেন।

২০১৮ সালের একুশে পদকজয়ীদের তালিকায় তার নাম। এ খবরে আনন্দে ভাসছে ফরীদির ভক্ত-অনুরাগীরা। ফেসবুকে অনেকেই হুমায়ুন ফরীদিকে একুশে পদক দেয়ায় রাষ্ট্রকে অভিনন্দিত করছেন।

আসছে ২০ ফেব্রুয়ারি প্রধানমন্ত্রী এবারের পদকজয়ীদের হাতে পদক তুলে দেবেন। ধারণা করা হচ্ছে হুমায়ুন ফরীদির মেয়ে বাবার হয়ে পদক গ্রহণ করবেন।

হুমায়ুন ফরীদির জন্ম ১৯৫২ সালের ২৯ মে, ঢাকার নারিন্দায়। মঞ্চ নাটক দিয়ে অভিনয়ের সঙ্গে যুক্ত হন। এরপর তিনি টিভি নাটকে কাজ করে জনপ্রিয়তা পান। বিটিভিতে প্রচারে হওয়া ‘সংশপ্তক’ নাটকে কানকাটা রমজান চরিত্রে অনবদ্য ফরীদি জয় করে নিয়েছিলেন সারা দেশের দর্শকের মন।

পরবর্তীতে প্রয়াত চিত্রপরিচালক শহীদুল ইসলাম খোকনের ‘দিনমজুর’ সিনেমা দিয়ে চলচ্চিত্রে অভিনয়ে নাম লেখান। বাকীটুকু ইতিহাস। তিনি একইসঙ্গে কমেডি ও খল চরিত্রে সাফল্য পেয়ে চলচ্চিত্রের অভিনয়ে ভিন্নমাত্রা যোগ করেন।

ব্যক্তি জীবনে সুবর্ণা মুস্তাফার সঙ্গে বিচ্ছেদের পর নিঃসঙ্গই ছিলেন তিনি। ২০১২ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি মারা যান হুমায়ুন ফরীদি।

hit counter