Author Archives: chief editor

৫ ব্যাংকের নিয়োগ পরীক্ষা ১২ জানুয়ারি

ডেস্ক: স্থগিত হওয়া রাষ্ট্রায়ত্ত তিন ব্যাংকের পরীক্ষা বাদে অন্য পাঁচ ব্যাংকের নিয়োগ পরীক্ষা আগামী ১২ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে।

মঙ্গলবার সকালে বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকার্স সিলেকশন কমিটির সদস্য সচিব ও বাংলাদেশ ব্যাংকের মহাব্যবস্থাপক মোশাররফ হোসেন খান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, যথাসময়েই পরীক্ষা হবে। এ নিয়ে বিভ্রান্তির কোনো সুযোগ নেই। এ সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি আজকের মধ্যেই বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইটে পাওয়া যাবে।

মোশাররফ হোসেন বলেন, আদালতের নিষেধাজ্ঞার কারণে সোনালী ব্যাংক লিমিটেডে ৫২৭টি, জনতা ব্যাংক লিমিটেডে ১৬১, রূপালী ব্যাংক লিমিটেডে ২৮৩টিসহ ৯৭১টি পদের নিয়োগ স্থগিত থাকবে।

তবে বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক লিমিটেডে ৩৯টি, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে ৩৫১, রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংকে ২৩১, বাংলাদেশ হাউস বিল্ডিং ফাইন্যান্স করপোরেশনে ১টি ও ইনভেস্টমেন্ট কর্পোরেশন অব বাংলাদেশে (আইসিবি) ৭০টি পদসহ ৬৯২ পদের নিয়োগ পরীক্ষা হবে বলে জানান তিনি।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এই মহাব্যবস্থাপক বলেন, আমরা আইনজীবীর সঙ্গে কথা বলছি। যাতে জটিলতা এড়িয়ে আরও নিয়োগ দেয়া যায়, সেই চেষ্টা করছি।

গত রোববার রাষ্ট্রায়ত্ত সোনালী, জনতা ও রূপালী ব্যাংকে জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা, কর্মকর্তা, কর্মকর্তা (ক্যাশ)-সহ বিভিন্ন পদে নিয়োগ পরীক্ষাসহ যাবতীয় কার্যক্রম গ্রহণ না করতে নির্দেশ দেন হাইকোর্ট।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

আধুনিক মেডিকেল কলেজের ভর্তি প্রক্রিয়া নিয়ে রুল

ডেস্ক: রাজধানীর উত্তরা আধুনিক মেডিকেল কলেজের ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষে সাধারণ কোটায় ভর্তিকৃত ৫৭ শিক্ষার্থীর একাডেমিক কার্যক্রমে ৩০ দিনের নিষেধাজ্ঞা জারি করেছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে ‘আগে আসলে আগে ভর্তির সুযোগ’ ভর্তি প্রক্রিয়া কেন অবৈধ হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন আদালত।

মঙ্গলবার এক রিট আবেদনের শুনানি নিয়ে বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরী ও বিচারপতি জে বি এম হাসানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন। আগামী ১০ দিনের মধ্যে স্বাস্থ্য সচিব, স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক ও উত্তরা আধুনিক মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষকে বিশেষ বার্তা বাহকের মাধ্যমে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

সাড়ে ৩ কোটি মোবাইল ব্যাংকিং হিসাব বন্ধ

অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ দ্রুততম সময়ে এক স্থান হতে অন্য স্থানে টাকা পাঠানোর অন্যতম জনপ্রিয় মাধ্যম মোবাইল ব্যাংকিং। বর্তমানে এ সেবা ব্যবহার করেই মানুষ তাদের পরিবার পরিজন ও নিকটাত্মীয়ের কাছে বেশি টাকা পাঠাচ্ছেন। সর্বশেষ হিসাব মতে, দেশে মোবাইল ফিনান্সিয়াল সার্ভিসের গ্রাহক সংখ্যা ছাড়িয়েছে ৫ কোটি ৮৫ লাখ। এরমধ্যে ৩ কোটি ৫৪ লাখ ৩৫ হাজার হিসাবই বন্ধ রয়েছে। বাকি ২ কোটি ৩১ লাখ সক্রিয় হিসাব দিয়ে নবেম্বর মাসে গড়ে লেনদেন হয়েছে ৯১৯ কোটি টাকা। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, হিসাব খেলা ও পরিচালনায় কড়াকড়ি আরোপের ফলে সক্রিয় হিসাবের সংখ্যা কমেছে।

জানা গেছে, নিয়ম অনুযায়ী, কোনো অ্যাকাউন্ট থেকে টানা তিন মাস কোনো ধরনের লেনদেন না হলে তা ইন-অ্যাকটিভ বা নিষ্ক্রিয় অ্যাকাউন্ট হিসেবে বিবেচিত হয়। আর তিন মাসের মধ্যে একটি লেনদেন হলেই তা সক্রিয় হিসেবে বিবেচিত। অবশ্য বড় কোনো অনিয়ম না পাওয়া গেলে অ্যাকাউন্ট বন্ধ করে না ব্যাংক। কিন্তু সম্প্রতি মোবাইল ব্যাংকিং সেবায় অপব্যবহার ঠেকাতে বেশকিছু নির্দেশনা দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এতে হিসাব খেfলা ও পরিচালনা এবং লেনদেনে আরও বেশি কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে।

নির্দেশনায় বলা হয়, এখন একজন ব্যক্তি একটি সিম দিয়ে যেকোনো মোবাইল ব্যাংকিং সেবায় একটি মাত্র হিসাব চালু রাখতে পারবেন। ওই নির্দেশনার পর যাদের একাধিক হিসাব ছিল তা বন্ধ করা হয়। চলমান রয়েছে, তা দ্রুত বন্ধ করার নির্দেশনা দেয়া হয়। এই অবস্থায় নবেম্বর মাস শেষে সক্রিয় হিসাবের সংখ্যা ১৭ দশমিক ৩৫ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ২ কোটি ৩১ লাখ ৩১ হাজার। আর বন্ধ হিসাবের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩ কোটি ৫৪ লাখ ৩৫ হাজার। এরমধ্যে সবচেয়ে বেশি সংখ্যক বন্ধ হিসাবের সংখ্যা মোবাইল ব্যাংকি প্রতিষ্ঠান বিকাশের।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

জীবননগর হাবিবপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক তাপস ও শিক্ষিকা শিউলীর প্রেম কাহিনী

জীবননগর ব্যুরো: জীবননগর উপজেলার বহুল আলোচিত হাবিবপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক তাপস কুমার পাল ও সহকারী শিক্ষিকা শিউলীর মধ্যে অনৈতিক কার্যকলাপের অভিযোগের ভিত্তিতে ওই দুজনের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ ও অপসারণের দাবিতে আন্দোলনরত এলাকাবাসী গত সোমবার স্কুলের সামনে ঝাড়ু মিছিল করেছে। অভিযুক্ত শিক্ষকদ্বয় বিদ্যালয়ে আসছেন এমন খবরের ভিত্তিতে এলাকাবাসী এ ঝাড়– মিছিল করে বলে জানা গেছে।
প্রধান শিক্ষক তাপস কুমার পাল ও সহকারী শিক্ষিকা শিউলী খাতুনের মধ্যে অনৈতিক সম্পর্কের অভিযোগ এনে এলাকাবাসী তাদেরকে বিদ্যালয় থেকে অপসারণের দাবিতে আন্দোলনে নামে। স্কুলের শিক্ষার্থীরাও তাদের সাথে যোগ দিয়ে মানববন্ধন ও ক্লাস বর্জন করে। তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হয় সংশ্লিষ্ট দফতরে। অভিযোগের প্রেক্ষিতে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস কর্তৃক তদন্তের পরিপ্রেক্ষিতে তাদের দুজনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। প্রধান শিক্ষক তাপস কুমার পাল দীর্ঘদিন স্কুলে না গেলেও সহকারী শিক্ষীকা শিউলী খাতুন গত ২১ ডিসেম্বর স্কুলে যোগদান করেন। তারপর আর তিনি স্কুলে যায়নি। এ অবস্থায় এলাকাবাসী সংবাদ পায় গতকাল সোমবার প্রধান শিক্ষক তাপস ও সহকারী শিক্ষিকা শিউলী স্কুলে আসছেন। সংবাদ শুনে তাদেরকে প্রতিহত করতে স্কুলের শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও ম্যানেজিং কমিটির সদস্যগণ লাঠি ও ঝাড়ু নিয়ে মিছিল করেন এবং সড়কের ওপর অবস্থান গ্রহণ করেন বলে এলাকাসূত্রে জানা গেছে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

এসএসসি পরীক্ষার তিন দিন আগে থেকে কোচিং সেন্টার বন্ধ থাকবে

নিজস্ব প্রতিবেদক: আসন্ন এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরুর তিন দিন আগে থেকে শুরু করে সকল পরীক্ষা শেষ হওয়া পর্যন্ত দেশে সব ধরনের কোচিং সেন্টার বন্ধ থাকবে।

সোমবার সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে জাতীয় মনিটরিং কমিটির সভায় এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।

সভায় সিদ্ধান্ত নেয়া হয় যে, আসন্ন এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় পরীক্ষার্থীদেরকে পরীক্ষা শুরুর আধা ঘন্টা আগে অবশ্যই পরীক্ষার হলে প্রবেশ করে স্ব স্ব আসনে বসতে হবে। এক্ষেত্রে কোন ধরনের অজুহাত গ্রহণযোগ্য হবে না এবং এর অন্যথা পরীক্ষার্থীকে পরীক্ষায় অংশগ্রহন করতে দেয়া হবে না। কোন পরীক্ষার্থীর হাতে কোন মোবাইল ফোন পাওয়া গেলে তাকে তৎক্ষনাৎ বহিস্কার করা হবে। নকলমুক্ত পরিবেশে পরীক্ষা অনুষ্ঠানের জন্য এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

সভায় শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদের সভাপতিত্ব করেন। আসন্ন মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমান পরীক্ষা সুষ্ঠু, নকলমুক্ত ও ইতিবাচক পরিবেশে অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় জানানো হয়, পরীক্ষাকেন্দ্রে কেউ স্মার্ট ফোন ব্যবহার করতে পারবে না। শুধুমাত্র কেন্দ্র সচিব একটি সাধারণ ফোন ব্যবহার করতে পারবেন।
সভায় শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আসন্ন এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা সম্পূর্ণ নকলমুক্ত পরিবেশে অনুষ্ঠানের জন্য সব ধরনের ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। এ ব্যাপারে কোন ছাড় দেয়া হবে না।

তিনি বলেন, সরকারের সংশ্লিষ্ট সকল সংস্থা নকল প্রতিরোধে আক্রমনাত্মক থাকবে। কোন শিক্ষক-কর্মকর্তা এর সাথে জড়িত হলে তাকে সাথে সাথে বহিস্কার সহ শাস্তিমুলক ব্যবস্থা নেয়া হবে।

সভায় পরীক্ষা শুরুর আগে থেকে পরীক্ষা চলাকালীন দেশে ইন্টারনেট ও ফেইসবুক বন্ধ রাখার ব্যাপারেও আলোচনা হয়।

সভায় মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. সোহরাব হোসাইন, কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. আলমগীর, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক প্রফেসর মো. মাহাবুবুর রহমান, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব চৌধুরী মুফাদ আহমদ, কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব অশোক কুমার বিশ্বাস প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

এবার আমরণ অনশনে মাদ্রাসা শিক্ষকরা!

ডেস্ক: বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের নিবন্ধনভুক্ত সব স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদ্রাসা জাতীয়করণের দাবিতে অবস্থান ধর্মঘট করছেন ইবতেদায়ি মাদ্রাসার শিক্ষকরা।

আজ সোমবার সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে শিক্ষকরা অবস্থান নিয়ে অবিলম্বে ইবতেদায়ি মাদ্রাসা জাতীয়করণ করতে প্রধানমন্ত্রীর কাছে আবেদন জানান। সেইসঙ্গে আগামীকাল মঙ্গলবারের মধ্যে দাবি আদায় না হলে আমরণ অনশনের ঘোষণাও দেন তাঁরা।

বাংলাদেশ স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদ্রাসা কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি কাজী রুহুল আমিন চৌধুরী বলেন, ‘আজকে আমরা ৩৪ বছর ধরে এই বেতন-ভাতা থেকে বঞ্চিত। ৫০ হাজার শিক্ষক ৩৪ বছর ধরে একটি পয়সাও বেতন-ভাতা পাচ্ছেন না। আগামীকালকে ১০টা পর্যন্ত যদি আমাদের কাছে কোনো কিছু না আসে, তাহলে আমাদের সিদ্ধান্ত, আগামীকালকে ১১টা থেকে আমাদের আমরণ অনশন চলবে।’

অবস্থান নেওয়া শিক্ষকরা বলছেন, দীর্ঘদিন ধরে মাদ্রাসায় কাজ করেও তাঁরা তাঁদের প্রাপ্য বেতন ভাতা বুঝে পাননি। তাঁরা অভিযোগ করে বলেন, প্রাইমারি স্কুলের শিক্ষকরা যেভাবে পাঠদান করেন, একইভাবে তাঁরাও শিক্ষার্থীদের পাঠদান করেন। তা ছাড়া প্রাইমারি স্কুল যে মন্ত্রণালয়ের অধীনে, তাঁরাও সেই মন্ত্রণালয়ের অধীনে কাজ করেন। অথচ প্রাইমারি স্কুলের আগে রেজিস্ট্রেশন পেলেও তাঁরা এখনো তাদের প্রতিষ্ঠানকে জাতীয়করণ করতে পারেননি। অবিলম্বে তাদের প্রতিষ্ঠানকে জাতীয়করণ না করলে আমরণ অনশনের হুমকি দেন মাদ্রাসা শিক্ষকরা।

বাংলাদেশ স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদ্রাসা কেন্দ্রীয় কমিটির মহাসচিব কাজী মোখলেসুর রহমান বলেন, ‘প্রাইমারি এবং ইবতেদায়ি মাদ্রাসা একই প্রতিষ্ঠান। একই মন্ত্রণালয় কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত, পরিচালিত। ওরা যেমন সমাপনী পরীক্ষায় গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে অংশগ্রহণ করে, আমাদের স্বতন্ত্র মাদ্রাসাগুলোও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে সমাপনী পরীক্ষায় অংশ নেয়। এ জন্য আমরা জাতীয়করণের দাবি করছি।’

এর আগে এমপিওভুক্তির দাবিতে প্রেসক্লাবের সামনে অনশনে বসেন নন-এমপিও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরা। কয়েক দিন অনশন চলার পরে প্রধানমন্ত্রীর আশ্বাসে অনশন ভাঙেন শিক্ষকরা।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

রাষ্ট্রায়ত্ত ৩ ব্যাংকের পরীক্ষা স্থগিত

ডেস্ক: রাষ্ট্রায়ত্ত সোনালী, রূপালী ও জনতা ব্যাংকের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন পদে আগামী শুক্রবারের নিয়োগ পরীক্ষার কার্যক্রম স্থগিত করেছেন হাইকোর্ট।একই সঙ্গে নিয়োগ পরীক্ষা কেন বাতিল করা হবে না- তা জানতে চেয়ে রুল জারি করা হয়েছে।

এ বিষয়ে এক রিটের শুনানি নিয়ে রোববার হাইকোর্টের বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরী ও বিচারপতি জে বি এম হাসানের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ আদেশ দেন।আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট রাশিদুল হক খোকন। তার সঙ্গে ছিলেন অ্যাডভোকেট তানজিম আল ইসলাম।শুনানি শেষে আইনজীবী অ্যাডভোকেট রাশিদুল হক খোকন এ তথ্য জানান।

আগামী শুক্রবার (১২ জানুয়ারি) ব্যাংকার্স সিলেকশন কমিটির অধীনে সমন্বিতভাবে এসব ব্যাংকের নিয়োগ পরীক্ষা হওয়ার কথা ছিল।এর আগে বগুড়ার আসাদুজ্জামান, কুমিল্লার আবু বকরসহ ২৮ জন পরীক্ষার্থী নিয়োগ পরীক্ষা বাতিল চেয়ে হাইকোর্টে রিট করেন।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

বেসরকারি মেডিকেল : তিন দশকেও আইন নেই, নীতিমালাতেই সর্বনাশ

ডেস্ক: রাজধানীসহ সারাদেশে ৯৫টি বেসরকারি মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজ পরিচালনার জন্য কোনো আইন নেই। বর্তমানে সারাদেশে বেসরকারি পর্যায়ে ৬৯টি মেডিকেল কলেজ ও ২৬টি ডেন্টালসহ মোট ৯৫টি মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজ পরিচালিত হচ্ছে।

১৯৮৫ সালে দেশে বেসরকারি মেডিকেল কলেজ স্থাপনের মধ্য দিয়ে বেসরকারিভাবে মেডিকেল শিক্ষা কার্যক্রম শুরু হয়। কিন্তু সে সময় থেকে কোনো প্রকার বিধিবদ্ধ আইন না থাকা শুধু নীতিমালার ভিত্তিতেই এসব প্রতিষ্ঠান খেয়াল-খুশি মতো পরিচালিত হচ্ছে। এতে করে নিভৃতে দেশের চিকিৎসা শিক্ষার সর্বনাশ ঘটছে।

বেসরকারি মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজ স্থাপন নীতিমালা অনুসারে ৫০ আসনের নতুন যে কোনো বেসরকারি মেডিকেল কলেজ স্থাপনের জন্য মেট্রোপলিটন এলাকায় দুই একর এবং অন্য এলাকায় চার একর নিজস্ব জমি থাকতে হবে। সেই জমির ওপর প্রতিষ্ঠিত কলেজের একাডেমিক ভবনে এক লাখ বর্গফুট এবং হাসপাতাল ভবনের জন্য এক লাখ বর্গফুট ফ্লোর স্পেস থাকতে হবে।

বেসরকারি ডেন্টাল কলেজের জন্য মেট্রোপলিটন এলাকায় দেড় একর ও অন্য এলাকায় চার একর নিজস্ব জমি থাকতে হবে। ডেন্টাল কলেজ ও হাসপাতালের ফ্লোর স্পেস এক লাখ বর্গফুট হতে হবে।

এছাড়া বেসরকারি মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীর অনুপাত হবে ১:১০। শিক্ষকদের নিয়োগ, যোগ্যতা, মেয়াদ ও অন্যান্য শর্ত নির্ধারিত হবে বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিলের বিধিবিধান অনুযায়ী। শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারী নিয়োগ দিতে হবে সার্বক্ষণিক।

তবে নীতিমালা থাকলেও আইন না থাকায় অধিকাংশ বেসরকারি মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজগুলো এখন চলছে যেমন খুশি তেমন স্টাইলে- এ অভিযোগ দীর্ঘদিনের।

বর্তমানে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় প্রস্তুতকৃত মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজ স্থাপন নীতিমালার ভিত্তিতে এসব প্রতিষ্ঠান পরিচালিত হচ্ছে।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও স্বাস্থ্য অধিদফতর বিভিন্ন সময় নানা অভিযোগে একাধিক কলেজ বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে। কিন্তু বেসরকারি এসব প্রতিষ্ঠানের জন্য কোনো আইন নেই বলে তারা আদালতে গিয়ে পার পাচ্ছে বারবার।

চিকিৎসা শিক্ষা বিশেষজ্ঞরা আশঙ্কা প্রকাশ করে বলছেন, সুনির্দিষ্ট আইন না থাকাতেই দেশে চিকিৎসা শিক্ষার নিরব সর্বনাশ ঘটছে। গত কয়েক বছর ধরেই বেশ কিছু মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজ নীতিমালা কিংবা স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও স্বাস্থ্য অধিদফতরের নির্দেশনাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে নিজেদের ইচ্ছেমতো শিক্ষার্থী ভর্তি করছে। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এসব প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ভর্তি স্থগিতসহ বিভিন্ন শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিলেও প্রতিটি কলেজ কর্তৃপক্ষ উচ্চ আদালতে রিট করে অবৈধ কার্যক্রম বৈধ করে নেয়।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকারের দুই দফায় মোট নয় বছরের শাসনামলে বেশ কয়েকবার বেসরকারি মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজ স্থাপন আইন প্রণয়নের উদ্যোগ নেয়া হলেও তা আলোর মুখ দেখেনি।

সর্বশেষ ‘বেসরকারি মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজ স্থাপন ও পরিচালনা আইন, ২০১৩’-এর খসড়া করে সংশ্লিষ্ট ও বিশেষজ্ঞদের মতামত নেয়া হয়। কিন্তু এ সংক্রান্ত একটি কমিটি থাকলেও তারা গত দুই বছরের মধ্যে মাত্র দু’একটি সভা করেছে।

মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজ স্থাপন নীতিমালা অনুসারে যে কোনো নতুন মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজ স্থাপনের আগে ৫০ আসনের জন্য প্রয়োজনীয় অবকাঠামো, শিক্ষক, শিক্ষা উপকরণ, ২৫০ শয্যার হাসপাতাল ও প্রয়োজনীয় সংখ্যক রোগী থাকার নিয়ম রয়েছে। কিন্তু একশ্রেণির অর্থলোভী লগ্নিকারক নীতিমালা ভেঙে বিভিন্নভাবে বেসরকারি মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজ তৈরি করে তা পরিচালনা করে আসছে।

এর সুযোগ নিয়েই প্রতি বছর এমবিবিএস কোর্সে নতুন শিক্ষার্থী ভর্তির ক্ষেত্রে নীতিমালা মেনে স্বাস্থ্য অধিদফতরের নির্দেশনা অনুযায়ী জাতীয় মেধাতালিকার ভিত্তিতে ভর্তি না করে নিজেদের ইচ্ছামতো শিক্ষার্থী ভর্তি করা হচ্ছে। এতে করে মেধা যাচাই না করে শুধু টাকার জোরে মেডিকেলে পড়াশোনার সুযোগ পাচ্ছে অনুপযুক্তরা।

১৯৮৫ সালে রাজধানীতে বাংলাদেশ মেডিকেল কলেজ স্থাপনের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে বেসরকারিভাবে মেডিকেল শিক্ষা কার্যক্রম শুরু হয়। ওই সময় হাতে গোণা দুই চারটি মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজ থাকায় নতুন নিয়ম প্রণীত হয়নি।

অভিযোগ আছে, বেশ কিছু কলেজের নিজস্ব জায়গা ও হাসপাতাল নেই। পর্যাপ্তসংখ্যক প্রতিষ্ঠানে নিয়মিত শিক্ষকও নেই। প্রায়োগিক শিক্ষার জন্য তারা রোগী দেখার সুযোগ পায় না। কিন্তু ভর্তির সময় শিক্ষীর্থীদের থেকে ইচ্ছামত ফি নেয়া হয়। এসব প্রতিষ্ঠানের ওপর স্বাস্থ্য অধিদফতর ও মন্ত্রণালয়ের কার্যত কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই।

এদিকে, বর্তমান সরকারের মেয়াদেও নিয়মনীতি লঙ্ঘন করে বেশ কয়েকটি মেডিকেল কলেজ অনুমোদন পেয়েছে।

এসব প্রতিষ্ঠানের জন্য এলাকাভেদে জমির পরিমাণ, বরাদ্দকৃত জায়গা, শিক্ষক-শিক্ষার্থী অনুপাত, শিক্ষকদের যোগ্যতা ও নিয়োগ, মেয়াদ ও অন্যান্য শর্ত বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিলের বিধিবিধান অনুযায়ী হবে বলে আইনের খসড়ায় বলা হয়েছে।

সরকারের এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক সহ-উপাচার্য ও বিশিষ্ট চিকিৎসক রশীদ-ই-মাহবুব। তিনি বলেন, বেসরকারি মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজগুলোর ওপর সরকারের কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই। আইনটি হলে কিছুটা অন্তত লাভ হবে।

মন্ত্রণালয় ও স্বাস্থ্য অধিদফতর সূত্র জানিয়েছে, বর্তমানে বেসরকারি মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজ স্থাপন ও পরিচালনার জন্য কোনো আইন নেই। বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য একটি বিধি আছে।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের পরিচালক (চিকিৎসা, শিক্ষা ও জনশক্তি উন্নয়ন) শাহ আবদুল লতিফ (অতি সম্প্রতি তাকে ওএসডি করা হয়েছে) বলেন, ‘স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও স্বাস্থ্য অধিদফতর বিভিন্ন সময় নানা অভিযোগে একাধিক কলেজ বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে। কিন্তু এসব প্রতিষ্ঠান পরিচালনার কোনো আ্ইন না থাকায় তারা আদালতে গিয়ে পাড় পাচ্ছে। কিন্তু নীতি অমান্য করলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থার নেয়া কোনো বিধান নেই।

তিনি বলেন, আইনের খসড়া নিয়ে ব্যাপকভিত্তিক আলোচনা হওয়া দরকার। বেসরকারি এসব কলেজ যেন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে পরিণত না হয়, সেই সুরক্ষা আইনে থাকতে হবে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

চুয়াডাঙ্গায় আজ সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৫.৮ ডিগ্রী সেলসিয়াস

চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি : চুয়াডাঙ্গার আজ শনিবার মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৫.৮ ডিগ্রী সেলসিয়াস।

গত ৪ দিন ধরে হাড়কাঁপানো তীব্র শীতে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে।

বুধবার বিকাল থেকে পারদের তাপমাত্রা নামতে শুরু করেছে। বৃহস্পতিবার দেশের সর্বনিন্ম তাপমাত্রা ছিল চুয়াডাঙ্গায় ৬.৫ ডিগ্রী সেলসিয়াস। শুক্রবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ৮ দশমিক ০ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ইতিমধ্যে দেয়া হয়েছে ৭ হাজার কম্বল।

হঠাৎ করে তীব্র থেকে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহে জেলার কয়েক লাখ মানুষ চরম বিপাকে পড়েছে। গরীবেরা রাস্তার ধারে খড়-কুটো জ্বেলে শীত নিবারণের চেষ্টা করছেন। ঘন কুয়াশার আড়ালে ঢাকা পড়েছে গোটা এলাকা। ফলে জীবনযাত্রা প্রায় অচল হয়ে পড়েছে। প্রচন্ড ঠান্ডার কারণে খুব প্রয়োজন ছাড়া কেউ ঘর থেকে বাইরে বের হচ্ছেন না। শীতে পশু পাখি যবুথুবু হয়ে পড়েছে। চাহিদা থাকায় গরম কাপড়ের দোকানে বেচাকেনা বেড়ে গেছে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

পঞ্চম শ্রেণির পড়াশোনা ॥ বিষয় ॥ প্রাথমিক বিজ্ঞান

  • মোঃ আনোয়ার হোসেন
  • সহকারী শিক্ষক
  • দেলুঞ্জ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, আদমদীঘি, বগুড়া।

মহাবিশ্ব

প্রশ্ন: দূরের বস্তুকে স্পস্টভাবে দেখার জন্য কোন যন্ত্র ব্যবহার করা হয়?

উত্তর : অণুবীক্ষণ যন্ত্র।

প্রশ্ন: মহাবিশ্ব কি?

উত্তর : পৃথিবী এবং অন্যান্য সমস্ত গ্রহ, নক্ষত্র, গ্যালাক্সীসমূহ, তাদের অন্তর্বর্তী স্থানের মধ্যে অন্যান্য পদার্থ এবং শূণ্যস্থান (মহাকাশ), এবং তাত্ত্বিক ভাবে নির্ধারিত যদিও তারা সরাসরি পর্যবেক্ষিত নয়; এমন সব কিছু মিলে যে জগৎ তাকেই বলা হয় মহাবিশ্ব।

প্রশ্ন: পৃথিবী থেকে চাঁদের দূরত্ব কত?

উত্তর : ৩,৮৪,৪০০ কি.মি.।

প্রশ্ন: আলো প্রতি সেকেন্ডে কত দূরত্ব অতিক্রম করে?

উত্তর: ৩,০০,০০০

কি.মি.।

প্রশ্ন: চাঁদ থেকে পৃথিবীতে আলো আসতে কত সেকেন্ড সময় লাগে?

উত্তর: ১.৩ সেকেন্ড

প্রশ্ন: জ্যোতির্বিজ্ঞান কি?

উত্তর: মহাকাশ সম্পর্কিত গবেষণাকে জ্যোতির্বিজ্ঞান বলা হয়।

প্রশ্ন: পৃথিবী থেকে সূর্যের দূরত্ব কত?

উত্তর: প্রায় ১৫,০০,০০,০০০ কি.মি.।

প্রশ্ন: সূর্য থেকে পৃথিবীতে আলো পৌঁছাতে কত মিনিট সময় লাগে?

উত্তর : প্রায় ৮ মিনিট।

প্রশ্ন : পৃথিবী সৌরজগতের কি?

উত্তর :একটি গ্রহ।

প্রশ্ন : কক্ষপথ কাকে বলে?

উত্তর : যে পথে পৃথিবী এবং অন্যান্য গ্রহসমূহ সূর্যকে আর্বতন করে তাকে কক্ষপথ বলে।

প্রশ্ন : বার্ষিক গতি কাকে বলে?

উত্তর : সূর্যের চারদিকে নির্দিষ্ট কক্ষপথে পৃথিবীর আবর্তনকে বার্ষিক গতি বলে।

প্রশ্ন : সূর্যের চারদিকে একবার ঘুরে আসতে পৃথিবীর কত সময় লাগে?

উত্তর: ৩৬৫ দিন ৬ ঘন্টা।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

মেধাবীদের দীর্ঘ মেয়াদী ভিসা দিচ্ছে চীন

অনলাইন ডেস্ক ॥ বিদেশ থেকে সেরা মেধাবীদের আকৃষ্ট করতে চীন দীর্ঘ মেয়াদী ভিসা দেয়া শুরু করেছে যাতে তারা সেখানে কাজ করতে পারেন। চীনের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানাচ্ছে এই মাল্টি এন্ট্রি ভিসা পাঁচ থেকে দশ বছর মেয়াদী।

বিশেষ করে প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ, উদ্যোক্তা এবং বিজ্ঞানীদের আকৃষ্ট করতে চাইছে দেশটি।

চীন তার অর্থনৈতিক এবং সামাজিক উন্নয়নের জন্য যে লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে তা বাস্তবায়নে বিদেশ থেকে সেরা মেধাবীদের আকৃষ্ট করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছে।

এই দীর্ঘমেয়াদী ভিসা দেয়ার উদ্যোগ যখন প্রথম নেয়া হয়েছিল, তখন চীন বলেছিল প্রায় ৫০ হাজার বিদেশি এর সুযোগ পাবে।

কারা আবেদন করতে পারবেন:

চীনের এই দীর্ঘমেয়াদী ভিসার আবেদন অনলাইনেই করা যায়। চীন সরকার বলছে, এর জন্য কোন ফি নেয়া হয় না এবং খুব দ্রুত এসব আবেদন বিবেচনা করা হয়।

যাদের ভিসা দেয়া হবে তারা একদফায় একটানা ১৮০ দিন করে চীনে থাকতে পারবেন । তারা তাদের স্ত্রী এবং ছেলে-মেয়েদের চীনে আনতে পারবেন।

২০১৬ সালে চীন একটি সূচক প্রকাশ করেছিল যেখানে দেশটিতে কোন ধরণের বিদেশি কর্মী দরকার তা চিহ্ণিত করা হয়েছিল।

সেখানে অদক্ষ কর্মীর সংখ্যা কমিয়ে মেধাবী বিদেশি কর্মীদেরই বেশি গুরুত্ব দেয়া হয়।

চীনা সরকারের একটি দলিলে এই সেরা মেধাবীদের তালিকায় যাদের কথা উল্লেখ করা আছে তাদের মধ্যে আছে নোবেল পুরস্কার বিজয়ী, সফল অলিম্পিক অ্যাথলীট এবং সঙ্গীত বা শিল্পকলার বিশ্বখ্যাত প্রতিষ্ঠানগুলোর পরিচালকরা।

শীর্ষ বিজ্ঞানী, বড় বড় আর্থিক প্রতিষ্ঠানের প্রধান বা নামকরা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপকরাও এই তালিকায় আছেন।

সূত্র ॥ বিবিসি

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

এমপিও ভুক্তি হচ্ছে ৫২৪২ প্রতিষ্ঠান

মোরশেদ মুকুল: নন-এমপিও শিক্ষকদের আমরণ অনশনের ৬ষ্ঠ দিনে ১২২ শিক্ষক অসুস্থ হয়ে পড়ার মধ্যেই শুক্রবার বিকেলে প্রধানমন্ত্রীর আশ্বাসে কর্মসূচি প্রত্যাহার করে নিয়েছেন নন এমপিও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শিক্ষক কর্মচারী ফেডারেশন।

তাতে প্রধানমন্ত্রীর আশ্বাসে এমপিওভুক্তির সুযোগ পাচ্ছে ৫২৪২ নন এমপিও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।

স্বীকৃতিপ্রাপ্ত সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের এমপিও ভুক্তি, স্বীকৃতিপ্রাপ্ত নন-এমপিও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষকদের ইনডেক্স নম্বর, স্বীকৃতির সময় থেকে চাকরির বয়স গণনা করাই ছিল শিক্ষকদের আন্দোলনের প্রধান বিষয়।

নন এমপিও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শিক্ষক কর্মচারী ফেডারেশনের সভাপতি ও খুলনা মডেল কলেজের অধ্যক্ষ মাহমুদুন্নবী ডলার জানান প্রধানমন্ত্রী আমাদের দাবি সমূহ আদায়ের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। যাতে করে আমাদের দীর্ঘ ২০ বছরের মতো একটি অনিশ্চিত জীবনের অবসান হতে যাচ্ছে।

আশা করছি দ্রুত সময়েই প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়িত হবে।

এর আগে ২৬ ডিসেম্বর থেকে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে অবস্থান কর্মসূচি শুরু করে নন এমপিও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শিক্ষক কর্মচারী ফেডারেশন। পরে শিক্ষামন্ত্রী নুরুল নাহিদ শিক্ষকদের দাবির বিষয়টি আলোচনা করবে বলে জানায়। কিন্তু সুনিদিষ্ট কোন আশ্বাস না দেয়ায় ৩১ ডিসেম্বর থেকে আমরণ অনশন শুরু করে শিক্ষকরা।

শুক্রবার বিকেলে প্রধানমন্ত্রী তাদের দাবি পুরনের প্রতিশ্রুতি দিলে কর্মসূচি প্রত্যাহার করে সংগঠনটি।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

অতিরিক্ত সিম বন্ধের মেয়াদ আবারও বাড়ল

ডেস্ক রিপোর্ট : গ্রাহকের সুবিধার কথা বিবেচনা করে আবারও বাড়ানো হলো অতিরিক্ত সিম বন্ধের সময়সীমা। ১৫টির বেশি মোবাইল সিমকার্ড নিবন্ধিত থাকলে অতিরিক্ত সিম আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যে বন্ধ করার আল্টিমেটাম দিয়েছে বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন রেগুলেটরি কমিশন (বিটিআরসি)।

জাগো নিউজের প্রতিবেদনে জানা গেছে, অতিরিক্ত সিম বন্ধের শেষ সময় ছিল গত ৩১ ডিসেম্বর। এখন তা দুই মাস বাড়ানো হয়েছে। বিটিআরসির নির্দেশ, একজন মোবাইল ফোন ব্যবহারকারীর নামে গ্রাহককে নিজ উদ্যোগে সংশ্লিষ্ট মোবাইল ফোন অপারেটরের সঙ্গে যোগাযোগ করে অতিরিক্ত সিম বন্ধের এ কাজটি করতে হবে।

বিটিআরসির সচিব ও মুখপাত্র সরওয়ার আলম জানান, ১৫টির বেশি সিম থাকলে তা ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে বন্ধ করতে হবে। গ্রাহক ওই সময়ের মধ্যে স্বেচ্ছায় অতিরিক্ত সিম নিষ্ক্রিয় না করলে কমিশন পরে নিজেদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট অপারেটরের মাধ্যমে সেগুলোর নিবন্ধন বাতিল ও বন্ধ করে দেবে। সেক্ষেত্রে গ্রাহকের প্রয়োজনীয় সিমও বন্ধ হয়ে যেতে পারে বলে সতর্ক করা হয়েছিল ওই নির্দেশনায়।

এসব নির্দেশনা প্রিপেইড সিমের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে। সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, দেশে বর্তমানে সক্রিয় সিম সংখ্যা ১৪ কোটি ৩১ লাখ। বিটিআরসির মতে, একজন গ্রাহকের ১৫টির বেশি সিম থাকার দরকার নেই। তবে সময়ে সময়ে এ সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করার সুযোগ আছে।

এর আগে গত ৫ ডিসেম্বর বিটিআরসির এক নির্দেশনায় গ্রাহকপ্রতি সর্বোচ্চ ২০টি সিম রাখা যাবে বলে বিটিআরসি সীমা বেঁধে দিয়েছিল। গত বছরের আগস্টে তা আরও কমিয়ে পাঁচটি করা হয়েছিল। এরপর ওই সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করে গত ২৪ অক্টোবর গ্রাহকপ্রতি সর্বোচ্চ ১৫টি সিম বা রিম রাখার সুযোগ দেয় বিটিআরসি।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

প্রধানমন্ত্রীর আশ্বাসে শিক্ষকদের অনশন প্রত্যাহার

ডেস্কঃ

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষ থেকে আশ্বাস পাওয়ার পর আমরণ অনশন কর্মসূচি স্থগিত করেছেন নন-এমপিও শিক্ষকেরা। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের একজন কর্মকর্তা আজ দুপুরে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে আন্দোলনরত শিক্ষকদের সঙ্গে কথা বলে এই আশ্বাসের কথা জানান। এরপর শিক্ষকেরা আন্দোলন কর্মসূচি স্থগিতের ঘোষণা দেন।

এমপিওভুক্তির দাবিতে নন এমপিও শিক্ষকেরা গত রোববার থেকে প্রেস ক্লাবের সামনে আমরণ কর্মসূচি চালিয়ে আসছেন। আজ ছিল কর্মসূচির ৬ষ্ঠ দিন। এর আগে শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ শিক্ষকদের দাবি মেনে নেওয়ার ব্যাপারে আশ্বাস দিয়েছিলেন। তবে শিক্ষকেরা তাঁর আশ্বাসে ভরসা রাখতে পারেননি। তাঁরা চেয়েছেন আশ্বাস আসতে হবে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

ধাঁধার সমাধান করতে গিয়ে তোলপাড় হল টুইটার

অনলাইন ডেস্ক ॥ ছোট্ট একটা ধাঁধা। যা সমাধান করতে গিয়ে তোলপাড় হল টুইটার।

আপনিও এই ধাঁধার উত্তর ভাবতে শুরু করে দিলেন নাকি! এই ধাঁধার উত্তর খুঁজতে গিয়ে রীতিমতো ভাইরাল হয়ে গিয়েছে একটা টুইট। টুইটটিতে লাইক পড়েছে প্রায় তিন লক্ষ। শেয়ার হয়েছে ৯৫ হাজারেরও বেশি বার। আর সংখ্যাটা কিন্তু বেড়েই চলেছে।

৩ জানুয়ারি এই ধাঁধাটি টুইট করেন নিউ ইয়র্কের অ্যালবানির বাসিন্দা ব্রেট টার্নার। ব্রেট পেশায় একজন শিক্ষক। ব্রেট জানান, প্রথমে তাঁর ক্লাস ওয়ানে পড়া ছেলের কাছে এই ধাঁধার উত্তর জানতে চেয়েছিলেন। ছেলের উত্তর শুনে তাজ্জব বনে যান তিনি। কারণ, ছেলের উত্তর ছিল ‘মৃত্যু’। ‘সব কিছুর শুরু আর শেষ’ কী হতে পারে? বছর ছয়-সাতেকের সন্তানের কাছ থেকে এমন উত্তর পেলে বাবা-মা অবাক হবেন বইকি!

শিশুটির উত্তর এবং ধাঁধার প্রকৃত উত্তর নিয়ে এখনও জোর চর্চা চলছে টুইটারে। আপনি কি পারবেন এই ধাঁধার উত্তর দিতে?

সূত্র : আনন্দবাজার পত্রিকা

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail
hit counter