সাতক্ষীরা, ৯ নভেম্বর:
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক স্বল্পতার কারণে পাঠদান যেন ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, সেজন্য যেসব বিদ্যালয়ে শিক্ষকের ঘাটতি রয়েছে, তা দ্রুত পূরণের নির্দেশ দিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক ডা. বিধান রঞ্জন রায় পোদ্দার।
রোববার (৯ নভেম্বর) সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার বিভিন্ন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শনকালে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের এ নির্দেশ দেন তিনি।
আরো পড়ুন: তিন দাবি নিয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে বৈঠকে বসছেন প্রাথমিক শিক্ষকরা
পরিদর্শনকালে উপদেষ্টা বলেন “শিক্ষক স্বল্পতার কারণে কোনো বিদ্যালয়ের পাঠদান ব্যাহত হওয়া উচিত নয়। যেখানে ঘাটতি আছে, সেখানে দ্রুত পদক্ষেপ নিয়ে শিক্ষক নিয়োগ বা স্থানান্তরের মাধ্যমে সমস্যা সমাধান করতে হবে।”
তিনি আরও বলেন, চলমান উন্নয়ন কার্যক্রমগুলো দ্রুত ও আন্তরিকতার সঙ্গে সম্পন্ন করতে হবে, যাতে বিদ্যালয়গুলোর অবকাঠামো ও শিক্ষার পরিবেশ আরও উন্নত হয়।
উপদেষ্টা সুন্দরবন সংলগ্ন প্রত্যন্ত ও দুর্গম অঞ্চলে অবস্থিত নিম্নলিখিত বিদ্যালয়গুলো পরিদর্শন করেন—পশ্চিম শ্রীফলকাটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়,মুন্সিগঞ্জ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়,বুড়ি দাতিনাখালি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়,বুড়ি গোয়ালিনী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়
এলাকার শিক্ষার মান দেখে উপদেষ্টা সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং শিক্ষক ও অভিভাবকদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।
তিনি বলেন,“শিক্ষার মানোন্নয়নে শিক্ষক, অভিভাবক ও স্থানীয় প্রশাসনের সমন্বয় জরুরি। প্রত্যন্ত অঞ্চলের অভিভাবকদের সন্তানদের নিয়মিত বিদ্যালয়ে পাঠানোর বিষয়ে আরও সচেতন হতে হবে।”
পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন—মিরাজুল ইসলাম উকিল, পরিচালক, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর,ড. মো. শফিকুল ইসলাম, উপপরিচালক, খুলনা প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর,দিদারুল ইসলাম, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও), শ্যামনগর,এছাড়া স্থানীয় শিক্ষা কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।












