এক দশক পর গঠিত নবম পে কমিশনের সুপারিশের দিকে তাকিয়ে আছেন দেশের সরকারি কর্মজীবীরা। এবারের পে স্কেলে বেতন কেমন হবে—তা নিয়েই চলছে জোর আলোচনা।
সূত্র জানায়, এবার বেতন বৃদ্ধির পাশাপাশি প্রথমবারের মতো গ্রেড ভেঙে কমানো হতে পারে। পাশাপাশি সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন বেতনের অনুপাত কমিয়ে বৈষম্য কমানোর চিন্তা করছে কমিশন।
আরো পড়ুন: বৈষম্যমুক্ত পে স্কেল দাবিতে সংবাদ সম্মেলন শুক্রবার
পে কমিশনের প্রাথমিক খসড়ায় মূল বেতন দ্বিগুণ করার আভাস পাওয়া গেছে। অতীতে দেশের আটটি পে কমিশনের প্রত্যেকটিতেই ৫০ শতাংশের বেশি বেতন বৃদ্ধি করা হয়েছিল। তবে পূর্বের স্কেলগুলোতে নিম্নপদস্থ কর্মচারীদের বেতন বৃদ্ধির হার ছিল তুলনামূলক বেশি।
বৈষম্য কমানোর দাবি জোরালো
সরকারি কর্মচারী সংগঠনগুলোর দাবি, নতুন পে স্কেলে বৈষম্য দূর করে বেতন কাঠামোকে আরও বাস্তবসম্মত করা উচিত।
তারা বলছেন, বর্তমান অনুপাতে নিচের দিকের কর্মচারীরা আর্থিক চাপে রয়েছেন। এজন্য নতুন স্কেলে সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন বেতনের অনুপাত ১:৪ বা ১:৬ করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।
এছাড়া অনেক সংগঠন গ্রেড সংখ্যা কমিয়ে ১২–১৫টি করার দাবি তুলেছে, যাতে একই পদমর্যাদায় থাকা কর্মচারীদের মধ্যে পার্থক্য কমে আসে।












