প্রাথমিক সহকারি শিক্ষক হিসেবে এন্ট্রি পদে ১১তম গ্রেডে যোগদান, চাকরি জীবনের ১০ ও ১৬তম বছরে উচ্চতর গ্রেড পাওয়ার জটিলতা নিরসন এবং প্রধান শিক্ষক পদে শতভাগ পদোন্নতির দাবিতে সোমবার (৫ মে) একঘণ্টা কর্মবিরতি পালন করেছেন প্রাথমিকের শিক্ষকরা।
এছাড়াও, পূর্ব-ঘোষণা অনুসারে, ২৫ মের মধ্যে দাবি পূরণ না হলে, ২৬ মে থেকে লাগাতার পূর্ণদিবস কর্মবিরতিতে যাওয়ার ঘোষণাও দিয়েছেন তারা। সোমবার (৫ মে) একঘণ্টার কর্মবিরতি শেষে প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক সংগঠন ঐক্য পরিষদের পক্ষ থেকে এই তথ্য জানানো হয়।
তারা বলেন, আমাদের দাবির বিষয়ে নিয়ে গত ১০ ফেব্রুয়ারি প্রধান উপদেষ্টার কাছে সুপারিশ পাঠিয়েছে কনসালটেশন কমিটি। এরপর তিন মাস অতিবাহিত হলেও সুপারিশ বাস্তবায়নের জন্য কোন দৃশ্যমান পদক্ষেপ দেখা যায়নি। তবে কনসালটেশন কমিটির সুপারিশে সামান্য সংস্কারের দাবি জানিয়েছেন শিক্ষকরা।
তারা আরো বলছেন, কনসালটেশন কমিটির সুপারিশে শিক্ষক ১২তম গ্রেড, চার বছর পরে সিনিয়র শিক্ষক ১১তম গ্রেড, সহকারী প্রধান শিক্ষক ১১তম গ্রেডের সঙ্গে দায়িত্ব ভাতা এবং প্রধান শিক্ষকের ১০ম গ্রেডে বেতনের কথা বলা হয়েছে। কিন্তু আমরা শুধু মাত্র চার বছরের শর্তটা তুলে দিয়ে এন্ট্রি পদ শিক্ষক ধরে ১১তম গ্রেড দাবি করেছি।
তিনি আরো বলেন, আমরা ইতিমধ্যে জানতে পারলাম আমলাতান্ত্রিক জটিলতায় আবার আটকে আছে এই সুপারিশের বাস্তবায়ন। আমরা কোন ধরনের জটিলতা বুঝি না। সরকারের নিকট আবেদন কনসালটেশন কমিটির সুপারিশের সামান্য সংশোধন করে দ্রুত বাস্তবায়ন করুন।
তবে কর্মসূচি বাস্তবায়নের জন্য ৫ মে থেকে ১৫ মে পর্যন্ত একঘণ্টা কর্মবিরতি, ১৬ মে থেকে ২০ মে পর্যন্ত দু্ঘণ্টা কর্মবিরতি, ২১ মে থেকে ২৫ মে পর্যন্ত অর্ধ দিবস কর্মবিরতি চলবে এবং এরমধ্যে দাবি পূরণ না হলে ২৬ মে থেকে দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত লাগাতার কর্মবিরতির ঘোষণা দিয়েছেন শিক্ষকরা।











