দীর্ঘ ১৬ বছর পর আবার আগের নিয়মে চালু হতে যাচ্ছে প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা। এ বছর থেকেই ডিসেম্বরের বার্ষিক পরীক্ষা শেষে পৃথকভাবে এই বৃত্তি পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। পাশাপাশি ট্যালেন্টপুল ও সাধারণ—দুই ধরনের বৃত্তির অর্থ বাড়ানোর পাশাপাশি বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীর সংখ্যাও বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে।
২০০৯ সালে প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী (পিইসি) পরীক্ষা প্রচলনের পর বন্ধ হয়ে গিয়েছিল পঞ্চম শ্রেণির পৃথক বৃত্তি পরীক্ষা।
তবে সেই নিয়ম আবার ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নিয়েছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর জানিয়েছে, ডিসেম্বর মাসে বার্ষিক পরীক্ষা শেষেই বৃত্তি পরীক্ষা নেওয়া হবে। এ লক্ষ্যে বৃত্তি পরীক্ষার নীতিমালার খসড়া এরই মধ্যে মন্ত্রণালয়ে জমা দেওয়া হয়েছে।
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবু নূর মো. শামসুজ্জামান শিক্ষাবার্তাকে এসব তথ্য জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, ‘আগের মতো বৃত্তি পরীক্ষা চালুর সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত। খসড়া নীতিমালা নিয়ে আগামী বৃহস্পতিবার মন্ত্রণালয়ে বৈঠক হবে। এরপর নীতিমালা চূড়ান্ত করে প্রকাশ করা হবে।’
বর্তমানে ট্যালেন্টপুলে বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা মাসে ৩০০ টাকা এবং সাধারণ বৃত্তিপ্রাপ্তরা ২২৫ টাকা করে পায়।















