বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি প্রধান শিক্ষক পদে শতভাগ পদোন্নতি নিশ্চিত করার দাবিতে এবং সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) সম্প্রতি প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিকে অবৈধ দাবি করে বাতিল করার আহ্বান জানিয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৪ সেপ্টেম্বর) কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক খায়রুন নাহার লিপি পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে জানান, ‘সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকরা বহু বছর ধরে প্রধান শিক্ষক পদে শতভাগ পদোন্নতির দাবি জানিয়ে আসছেন। কিন্তু পিএসসি সম্প্রতি একটি অবৈধ ও শিক্ষকবিরোধী বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে, যা প্রাথমিক শিক্ষকদের স্বার্থের পরিপন্থী এবং দীর্ঘদিনের ন্যায্য দাবিকে উপেক্ষা করে।’
বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়, ‘প্রধান শিক্ষক পদে শতভাগ পদোন্নতি ছাড়া অন্য কোনো প্রক্রিয়া গ্রহণযোগ্য নয়। পিএসসির অবৈধ বিজ্ঞপ্তি অবিলম্বে বাতিল করতে হবে এবং প্রাথমিক শিক্ষকদের অধিকার নিয়ে কোনো প্রকার তামাশা সহ্য করা হবে না।’
দাবির প্রেক্ষিতে আজ বিকাল ৩টায় আগারগাঁও সরকারি কর্ম কমিশন ও সচিবালয় প্রাঙ্গণে বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান কর্মসূচি পালন করবে।
এর আগে গত ৩১ আগস্ট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নিয়োগের বড় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। পিএসসি মোট ২,১৬৯টি পদের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, প্রশিক্ষণপ্রাপ্তদের জন্য ১১তম গ্রেড এবং প্রশিক্ষণবিহীনদের জন্য ১২তম গ্রেড নির্ধারণ করা হয়েছে। জাতীয় বেতন স্কেল ২০১৫ অনুযায়ী এই গ্রেড নির্ধারণ করা হয়েছে।
আবেদনের যোগ্যতায় বলা হয়েছে—
কোনো স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ন্যূনতম দ্বিতীয় শ্রেণি বা সমমানের সিজিপিএসহ স্নাতক/সম্মান ডিগ্রি থাকতে হবে।
শিক্ষা জীবনে কোনো স্তরে তৃতীয় বিভাগ বা সমমানের জিপিএ গ্রহণযোগ্য হবে না।
নিয়োগ পরীক্ষা ১০০ নম্বরের হবে, যার মধ্যে লিখিত পরীক্ষা ৯০ নম্বরের হবে। লিখিত পরীক্ষার বিষয়গুলো—বাংলা, ইংরেজি, গণিত, দৈনন্দিন বিজ্ঞান ও সাধারণ জ্ঞান (বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী)। লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীরা মৌখিক পরীক্ষার জন্য যোগ্য বিবেচিত হবেন। মৌখিক পরীক্ষার নম্বর ১০। লিখিত পরীক্ষার পাসের সর্বনিম্ন নম্বর ৫০ শতাংশ।















