ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচন প্রক্রিয়া স্থগিত করেছেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ কার্যক্রমও বন্ধ রাখতে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
সোমবার (১ সেপ্টেম্বর) বিচারপতি হাবিবুল গনি ও বিচারপতি শেখ তাহসিন আলীর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এক রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে এ আদেশ দেন।
তফসিল অনুযায়ী, আগামী ৯ সেপ্টেম্বর ডাকসু ও হল সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ হওয়ার কথা ছিল। এরই মধ্যে ছাত্রদল, ইসলামী ছাত্রশিবির ও গণতান্ত্রিক ছাত্রসংসদ পৃথক প্যানেল ঘোষণা করেছে। বামপন্থী সংগঠনগুলোও দুটি প্যানেল দিয়েছে। পূর্ণ ও আংশিক মিলিয়ে প্রায় ১০টি প্যানেল প্রতিদ্বন্দ্বিতার জন্য প্রস্তুত ছিল।
এবার ডাকসুর মোট ২৮টি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার জন্য ৪৭১ জন প্রার্থী মনোনয়ন জমা দিয়েছিলেন। এর মধ্যে নারী প্রার্থী ৬২ জন। সদস্যপদে সবচেয়ে বেশি ২১৭ জন প্রার্থী ছিলেন। এছাড়া ১৮টি হলে ১৩টি পদে মোট ১ হাজার ৩৫ জন প্রার্থী চূড়ান্তভাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন।
তবে হাইকোর্টের আদেশের ফলে নির্বাচন কার্যক্রম অনিশ্চয়তায় পড়ে গেল। আদালতের নির্দেশে ভোটার তালিকা ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা যাবে না; শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট হল ও প্রশাসনিক অফিসে সীমিত আকারে তা রাখা যাবে।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, শিক্ষার্থীদের ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষা ও গোপনীয়তা রক্ষার প্রশ্নে আদালতের এই সিদ্ধান্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলবে।











