প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার পর এবার অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য আবার চালু হতে যাচ্ছে জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষা। সাত মাস পার হয়ে গেলেও চলতি শিক্ষাবর্ষেই এই পরীক্ষা নেওয়ার প্রস্তুতি শুরু করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। ইতিমধ্যে এ নিয়ে এক সভাও অনুষ্ঠিত হয়েছে।
তবে জেএসসির মতো সব শিক্ষার্থী নয়, বাছাই করা নির্দিষ্টসংখ্যক শিক্ষার্থী এই পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবে। এ সিদ্ধান্ত নিয়ে শিক্ষাবিদদের মধ্যে মতবিরোধ দেখা দিয়েছে। অনেকেই মনে করছেন, এতে শিক্ষায় বৈষম্য বাড়বে, বাড়বে পরীক্ষার চাপ ও কোচিং নির্ভরতা।
এখনো পরীক্ষাটি কারা নেবে—শিক্ষা বোর্ড নাকি মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর—তা চূড়ান্ত হয়নি। পরীক্ষায় প্রাথমিকের মতো ৪০ শতাংশ শিক্ষার্থীকে সুযোগ দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনায় আছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শিক্ষার সার্বিক মানোন্নয়নে এমন পরীক্ষার বদলে সব শিক্ষার্থীর শেখার সুযোগ নিশ্চিত করাই জরুরি।











