হিসাবরক্ষণ অফিসের অডিটর পদটি ১১তম গ্রেডের এবং তারা সে অনুযায়ী ১১ তম গ্রেডে মূল বেতন ১২,৫০০ টাকা এবং সর্বসাকুল্যে ২১,৭০০ টাকা।
অডিটরগণ আদালতে রীট করে ১১তম গ্রেড হতে কেন তাদের দশম গ্রেডে উন্নীত হয়। অডিটর পদটিকে দশম গ্রেডে উন্নীত হলেও সরকারি আদেশ জারি করতে হবে সরকার গড়ীমশি করে।
কনটেম্পট পিটিশন এর প্রেক্ষিতে অর্থ মন্ত্রনালয় অডিটর পদকে ১০ম গ্রেডে উন্নীত না করে শুধুমাত্র ৬১ জন পিটিশনারের বেতন স্কেল ২৩/১২/২০১৮ হতে ১০ম গ্রেডে উন্নীত করেন, যা আদালতকে চরম অবমাননা করা হয় এবং বাংলাদেশের ইতিহাসে একই পদে দুইটি বেতন স্কেল এর বৈষম্য তৈরী হয়।
বর্তমানে সেই রায়ের বাস্তবায়ন করার জন্য সিএজি কার্যালয় হতে পুনরায় অর্থ মন্ত্রনালয়ে পত্র প্রেরন করা হয়। অর্থ মন্ত্রনালয় পুনরায় আইন মন্ত্রনালয়ে মতামত চাইলে আইন মন্ত্রনালয়ের আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল স্যার পুর্বের মত অডিটর পদের পক্ষে মতামত প্রদান করে অর্থ মন্ত্রনালয়ে পত্র প্রেরণ করেন।
কিন্তু পূর্বের ন্যায় একই ভাবে অর্থ মন্ত্রনালয় এবং সিএজি অফিস এ ব্যাপারে কোন কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ না করে নানা রকম তাল বাহানা করে ষড়যন্ত্র মুলক ভাবে হাইকোর্ট এর রায় কে অকার্যকর করে রেখেছে।














