স্বাস্থ্য চিকিৎসা

ব্যথা কমাতে ৮ খাবার

ডেস্ক: ব্যথা এমন এক অনুভূতি যার ফলে আমারা কোনো কাজ সহজে করতে পারি না। কারণ, সেই সময়ে আমাদের মন থাকে ব্যথার দিকে। ব্যথা অনেক রকমের হতে পারে যেমন- দাঁতে ব্যথা, মাথা ব্যথা, পেশিতে ব্যথা ইত্যাদি।

এসব ব্যথা অনেক ক্ষেত্রে দীর্ঘস্থায়ী হয়। সেই কারণেই আমরা ব্যথা কমানোর জন্য বিভিন্ন ধরনের ওষুধ খেয়ে থাকি। অনেক মানুষই মনে করে ড্রাগ নিলে ব্যথা কমে যায়। এই সূত্র আসলে সব সময় ঘটে না। কারণ, ড্রাগের মধ্যে এমন কিছু রাসায়নিক পদার্থ থাকে যা শরীরের জন্য ক্ষতিকর। তাই সবচেয়ে ভালো হয় আপনি যদি স্বাস্থ্যকর খাবার খান।

নিচে কিছু স্বাস্থ্যকর খাবারের নাম দেয়া হলো যা শরীরের ব্যথা কমানোর জন্য কার্যকরী।

১. চেরি: অ্যাসপিরিন শরীরের ব্যথা কমানোর জন্য একটি জনপ্রিয় ওষুধ। কিন্তু নতুন গবেষণার মতে, চেরি এসপিরিনের চেয়েও আরো বেশী কার্যকরী ওষুধ। এই ফলের মধ্যে এমন কিছু প্রাকৃতিক উপাদান আছে যা কিনা শরীরের ব্যথা কমাতে সাহায্য করে। তাই এই সুযোগটি হাতছাড়া করবেন না।

২. আদা: আদা আমাদের পাকস্থলীর জন্য ভালো। এটি হজমেও সহযোগিতা করে। এছাড়া আপনি জানলে অবাক হবেন, আদা আমাদের  শরীরের ব্যথা কমানোর জন্যও উপকারী ওষুধ। স্পোর্টস্ম্যানদের জন্যও আদা অনেক উপকারী। তাই প্রত্যেকটি মানুষেরই দৈনিক ৫০০ মিলিগ্রাম আদা খাওয়া উচিত।

৩. হলুদ: হলুদ ব্যবহার করা হয় খাবারের স্বাদের জন্য। আমরা অনেকেই হয়ত জানি না হলুদ স্বাস্থ্যের জন্য কতখানি উপকারী। কিন্তু বিজ্ঞানীরা বলেছেন এর উপকারিতা সত্যিই আশ্চর্যজনক। প্রতিদিন যদি খাবারের সঙ্গে হলুদ যোগ করা হয় তবে তা আমাদের ক্যান্সার প্রতিরোধে সাহায্য করবে। এছাড়া শরীরের ব্যথা কমাতেও তা সাহায্য করে।

৪. স্যালমন: এই মাছটি হয়ত অনেকেরই প্রিয়। স্যালমন মাছের মধ্যে ওমেগা-৩ রয়েছে যা আমাদের স্বাস্থ্য ও মস্তিস্কের জন্য অনেক উপকারী। এছাড়া ওমেগা-৩ আমাদের শরীরের ব্যথা কমায়। এছাড়া বেশি করে স্যালমন মাছ খেলে আমাদের শরীরের ফোলা অংশগুলোও কমে যাবে।

৫. সেলারি: এটি একটি শাকবিশেষ যা স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। তাই প্রতিদিন কোনো কিছুর খাওয়ার সময় এই শাকটি যোগ করুন। কারণ, আপনার শরীরের কোনো অংশে ব্যথা থাকলে তা কমে যাবে। এছাড়া আপনি কোনো প্রকার জুস বানালে এই শাকটিও যোগ করতে পারেন। এই শাকটির একটি সুন্দর গন্ধও আছে।

৬. অলিভ ওয়েল: আমারা কোনো কিছু রান্নার সময় তেল ব্যবহার করি। কিন্তু বাজারে যেসব তেল কিনতে পাওয়া যায় তার মধ্যে অলিভ ওয়েলই সবচেয়ে ভালো। এটি আমদের শরীরের ব্যথা কমাতে সাহায্য করে। অলিভ ওয়েল আমারা শুধু খাওয়ার কাজেই ব্যবহার করি না, আমরা তা গায়েও দেই।

৭. গোলমরিচ: গোলমরিচ এক ধরনের গরম মরিচ। এটি অন্য মরিচের চেয়ে কিছুটা ঝাল। এর মধ্যে সাধারণত উচ্চ মাত্রায় ক্যাপ্‌সাসিন থাকে  যা সাধারণত পেইন কিলার তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। আপনার যদি পেশিতে ব্যথা করে তাহলে কোনো একটি ক্রিমের সঙ্গে গোলমরিচের গুড়া ব্যবহার করুন। দেখবেন ব্যথা কমে যাবে।

৮. ওয়ালনাট: এই বাদামের ভেতরে অনেক প্রাকৃতিক গুণাগুণ রয়েছে। প্রথমত, এর ভিতরে ওমেগা-৩ আছে যা কিনা আমাদের শরীরের জন্য উপকারী। তাছাড়া, এটি খেতেও মজা ও স্বাস্থ্যকর। আমরা ওয়ালনাট বাদাম যেকোনো জায়গায় খেতে পারি। এছাড়াও, এই বাদাম আমাদের ব্যথা কমাতে অনেক সাহায্য করে।

আপনার শরীর যদি কখনো ব্যথা করে তবে আপনি উপরে যেসব খাবারের কথা বলা হয়েছে তা খেয়ে দেখেন। দেখবেন শরীরের ব্যাথা চলে গিয়েছে।– ওয়েবসাইট।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

ক্যান্সার রুখতে খান সিগারেট

cigসিগারেটের প্যাকেটের সাবধানবানী আমাদের কাররই চোখ এড়ায়নি। ভয়াবহ ছবির সঙ্গে লেখা থাকে সতর্কবার্তা। সিগারেট সেবন স্বাস্থ্যের পক্ষে ক্ষতিকর। অতিরিক্ত তামাক সেবন হতে পারে ক্যান্সারের কারণ। এবারে শোনা গেল পুরো উলটপুরাণ। তামাক গাছ নাকি হতে পারে ক্যান্সারের যম।

হ্যাঁ। শুনতে অবাক লাগলেও এমনটাই দাবি করেছেন অস্ট্রেলিয়ার বিজ্ঞানীরা। লাট্রোব ইউনিভার্সিটির ড. মার্ক হুলেটের দাবি NaD1 ক্যান্সার কোষের ছড়িয়ে পড়া রুখতে পারে। এই সব অনু প্যাথোজেন মেরে ফেলতে পারে। NaD1 নিজেই ক্যান্সার কোষ খুঁজে নেয় ও পাশের সম্পূর্ণ সুস্থ কোষ অক্ষুন্ন রেখেই ক্যান্সার কোষ নষ্ট করতে পারে। এখনও পর্যন্ত ক্যান্সার কোষের ওপর প্রয়োগ করে পরীক্ষা বাকি রয়েছে।

তবে গবেষনার সবথেকে বড় চমক এখানেই। এখন থেকে কী লেখা থাকবে সিগারেটের প্যাকেটে?

[Source: eLife, La Trobe University] Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

স্মৃতিশক্তি বাড়াতে

ডেস্ক : দৌড়াদৌড়ি বা যে কোনো ধরনের কায়িক ব্যায়াম হূদযন্ত্রসহ শরীরের অন্যান্য অঙ্গ সচল ও সুস্থ রাখে। নতুন তথ্য হলো— দৌড়াদৌড়ি করলে স্মৃতিশক্তি বাড়ে এবং বিশেষত মধ্যবয়স্করা তাদের হারিয়ে যাওয়া স্মৃতি ফিরে পেতে পারেন। এমনই তথ্য জানিয়েছেন আমেরিকার একদল গবেষক। খবর বিবিসির।
যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব মিনেসোটার এ গবেষকরা তিন হাজার স্বাস্থ্যবান মানুষকে নিয়ে গবেষণা চালিয়েছেন, যাদের গড় বয়ষ ২৫।
যারা ব্যায়াম বা দৌড়ঝাঁপ করে না এবং একঘেয়েমি জীবনযাপন করে তাদের তুলনায় সুস্বাস্থ্যের অধিকারী এসব মানুষ যথেষ্ট স্মৃতি ধরে রাখতে পারেন।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

গর্ভধারণের আগেই দেখে নিন, জেনে নিন আপনার শিশুকে

ডেস্ক: এবার গর্ভধারণের আগেই আপনি দেখতে পারেন আপনার শিশুকে। গবেষকরা আবিষ্কার করেছেন এমনই এক প্রযুক্তির যার দ্বারা বাবা, মায়ের ডিএনএ-র মিশ্রণে তৈরি করা যাবে ডিজিটাল ভ্রুণ। নতুন এই প্রযুক্তির নাম ম্যাচরাইট টেকনোলজি। কী ধরণের বংশগত রোগ শিশুর মধ্যে সঞ্চারিত হতে পারে তাও জানা যাবে এই পদ্ধতির সাহায্যে।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দুটি ফার্টিলিটি ক্লিনিকে এই প্রযুক্তির সুবিধা পাওয়া যাবে। এই প্রযুক্তি দ্বারা শিশুর চোখ, ত্বকের রং, উচ্চতা ও কোমরের মাপও জানা যাবে। প্রিন্সটন ইউনিভার্সিটির গবেষক লি সিলভার জানালেন, “এই প্রযুক্তি দ্বারা ভ্রূণ বংশগত রোগের বাহক কিনা তা জানা যাবে। সিস্টিক ফাইব্রোসিস বা টে স্যাচ রোগের মত বিরল কিছু জিনগত রোগ বাতলে দেবে এই প্রযুক্তি।”

বর্তমানে গর্ভধারনের পর ডিএনএন স্ক্রিনিং পদ্ধতির সাহায্যে ভ্রূণের রোগ সম্পর্কে জানা যায়। কিন্তু পদ্ধতির সাহায্যে গর্ভধারণের আগেই তা জানা যাবে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

নিয়মিত দুধ পানে নারীর হাঁটুর সমস্যা কমে

এস কে দাস: milkkkkkkকোন নারী নিয়মিত চর্বিমুক্ত কিংবা কম চর্বিযুক্ত দুধ পান করলে তার হাঁটুতে অনেক বিলম্বে সমস্যা হবে। বিশেষ করে হাঁটুর বাত হওয়ার সম্ভাবনা থাকবে অনেক কম।
এক গবেষণায় দেখা গেছে, যারা পনির বেশি খান তাদের হাঁটুর বাত হতে পারে। তবে দই নারী বা পুরুষ কারোই হাঁটুতে বাত হতে সহায়ক নয়।
বোস্টনের ওমেন’স হাসপাতালের গবেষণা দলের প্রধান বিং লু বলেন, নিয়মিত দুধ পান হাড়কে সুস্থ রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
হাড়ের বাত মানবদেহে সাধারণ ব্যাপার। এতে হাত ও হাঁটুর জোড়ায় ব্যথা করে এবং ফুলে যায়। গবেষণায় দুই হাজার ১৪৮ জন অংশ নেন যাদের হাড়ে বাত রয়েছে। গবেষণার শুরুতে তাদের খাবারের অভ্যাস সম্পর্কে তথ্য নেয়া হয় এবং এক্স-রে করে হাড়ের জোড়ার প্রশ¯ত্মতার অবস্থা সম্পর্কে জেনে নেয়া হয়।
পরে তাদের দুধ পানের মাত্রা দেখে পরীক্ষা করা হয়। যারা সপ্তাহে ৩, ৪, ৬ অথবা ৭ গ্লাস দুধ পান করেন তাদের হাড়ের জোড়ার প্রশ¯ত্মতা যথাক্রমে ০.৩৮, ০.২৯, ০.২৯ এবং ০.২৬ মিলিমিটার কমে যায়। পুরুষদের ক্ষেত্রে এ ধরণের কোন পরিবর্তন দেখা যায়নি।
লু বলেন, আমাদের গবেষণায় এটা স্পষ্ট যে, যে নারী নিয়মিত দুধ পান করেন তার হাঁটুতে বাত হওয়ার সম্ভাবনা কমে যায়। খালিজ টাইমস

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

সর্দি কাশিতে নিরাময় পাবার উপায়

ভাইরাসজনিত কারণে 8 Food when sickশীতকালে অধিকাংশ মানুষ অসুস্থ্য হয়ে যায়। যখন আপনি অসুস্থ্য হয়ে যান তখন শরীরের স্বাভাবিকতা ফিরিয়ে আনার জন্য কিছু ক্যালরির দরকার হয়। সংক্রমণ থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য এটি কার্যকরী ভূমিকা রাখে বিশেষ করে যখন জ্বরের কারণে শরীরের তাপমাত্রা অনেকটাই বেড়ে যায়। এই সংক্রমণ থেকে রক্ষার জন্য কিছু উচ্চ ক্যালরিযুক্ত খাবারের প্রয়োজন হয়ে পড়ে।
আপনি যখন অসুস্থ্য থাকবেন তখন আপনার দৈনন্দিন খাবার তালিকাটি ঠিক রাখতে হবে। কারণ ক্যালরিযুক্ত খাবারের অভাবে শরীর দুর্বল হয়ে যেতে পারে। আর পরবর্তীতে এই ক্যালরি পূরণে অনেক সময় লেগে যায়।
সর্দি কাশির ফলে ক্ষুধামন্দা তৈরি হয়। এসময় ভালো পুষ্টিকর খাবার ও অতিরিক্ত জলজ খাবার খাওয়া প্রয়োজন যেগুলো আপনার শরীরে শক্তি এবং পুষ্টি যোগাবে।
ঠান্ডা কমাতে প্রচুর তরল খাবার খেতে হবে। যেমন- স্যুপ : এটি চিরাচরিত স্যুপের মত নয়। এতে মুরগি এবং নুডুলস যুক্ত করতে হবে। মুরগিতে কিসটেইন নামক অ্যামিনো এ্যাসিড রয়েছে যেটি ফুসফুসে পাতলা শ্লেষ্মা জমানো রোধ করে, গরম জুস অনুনাসিক আর্দ্রতা আনতে সহায়তা করে, জল বিয়োজন প্রতিরোধ করে এবং গলার ব্যথা কমায়। এছাড়া অন্যান্য উপাদানগুলি ঠান্ডা কমাতে সহায়তা করে।
গরম চা : উষ্ণ তরল গলা ব্যথা প্রশমিত করে এবং অস্বাভাবিক রক্ত সঞ্চালণ উপশম করে। ফলে সতেজ গ্রীন টি খাওয়া দরকার যেটি সংক্রমণ প্রতিরোধে অ্যান্টিঅক্সিডেন্টস এর যোগান দেয়। আপনি যদি চা পছন্দ না করেন তবে লেবুর রসযুক্ত গরম পানি বিকল্প হিসেবে  খেতে পারেন।
সাইট্রিক এ্যাসিডযুক্ত ফলমূল : এটি একটি প্রচলিত কথাই রয়েছে যে ভিটামিন সি’র ফলে ঠান্ডা আরোগ্য হয়। যদিও এই কথাটির পেছনে কোনো উপযুক্ত বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা নেই। সাইট্রিক এ্যাসিডযুক্ত সব ধরনের ফলই কার্যকরী নয়। কমলালেবু, লেবু এবং বাতাবি লেবুর ত্বকের উপরের নরম সাদা অংশে ফ্ল্যাভোনয়েডস থাকে যেটি ঠান্ডা থেকে দ্রুত আরোগ্যে সহায়তা করে।
পপসিকলস : ঠান্ডা রোধে ফল সরাসরি খাওয়ার চেয়ে এর জুস করে খাওয়া বেশি কার্যকরী। পপসিকলস এর জন্য বেশ কার্যকর বিশেষ করে গলা ব্যথার ক্ষেত্রে যদি নি সেটি ১০০ ভাগ ফলের রসে বা পুরো ফলের রসে ভরপুর থাকে।
মশলাযুক্ত খাবার : মশলাযুক্ত খাবার খেলে আপনার বন্ধ নাক খুলে যাবে। কাঁচামরিচ, ঝাল সজিনা খেলে এক্ষেত্রে অনেকটাই উপকার পাওয়া যাবে।
উদরপূর্তি খাবার : ঠান্ডার সময়ে এমন কিছু খাবার খাওয়া প্রয়োজন যা খুব দ্রুত হজম হয়ে যায়। এরকম কিছু খাবার হল –
ক্র্যাকার্স ও টোস্ট : বিভিন্ন স্বাদের ক্র্যাকার্স এবং টোস্ট খুব তাড়াতাড়ি হজম হয়ে যায়। উচ্চ মাড়যুক্ত খাবার বমিভাব দূর করে এবং হজমে সহায়তা করে।

কলা : কলাতে অনেক পরিমাণে পটাশিয়াম রয়েছে যেটি অতিরিক্ত ঘাম, বমি বা ডায়রিয়া কমিয়ে ফেলে। এটি হজমে সহায়তা করে, দেহের তাপমাত্রা কমায় এবং হারিয়ে যাওয়া ইলেক্ট্রোলাইটস ফিরিয়ে আনে।

আদা : গবেষণায় বলা হয় যে শীতল বমি বমি ভাব এবং অন্যান্য কোষ্ঠকাঠিন্য, পেটে ব্যথা ও বমির মত কিছু গ্যাস্ট্রিক রোগ প্রতিরোধে আদা কার্যকরী ভূমিকা রাখে। আদার চা পান করা বা শুধু আদার পানীয় খেলে পেটের যন্ত্রণাসহ অনেক অসুখই শিথিল করে।

ডা:এস কে দাস, ডি এইচ,এম,এস (অধ্য:) ঢাকা

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

শিশুর কানপাকায় করনীয়

ডেস্ক: 1387291632শিশুদের কান থেকে পুঁজ বা পানি পড়াকে প্রচলিত কথায় বলা হয় কানপাকা। কান থেকে পুঁজ পড়ার প্রধান কারণ হলো মধ্যকর্ণের প্রদাহ। কানের পর্দা যার অন্য নাম টিমপানিক মেমব্রেন, তার পেছনে পুঁজ জড়ো হয়। এরপর তা চোখের জল নামার মতো ফেটে বেরিয়ে আসে। এতে তীব্র ব্যথা হয়। অস্থায়ী বধিরতাও সৃষ্টি হতে পারে। ওষুধ বা সার্জারির মাধ্যমে ভালো করে তোলা হলে কয়েক সপ্তাহ পর আপনা-আপনি এই ছেঁড়া পর্দা ভরাট হয় ওঠে।

কীভাবে কর্ণপর্দা  ছিড়ে   যায়
কানের সংক্রমণ।
বিমানে বা উঁচু পাহাড়েওঠার সময় হঠাৎ করে বায়ুর চাপ পরিবর্তন।
বিকট জোরে শব্দ হলে, যেমন বোমা বিস্ফোরণের ভডয়ংকর শব্দ।
মাথায় আঘাত, যাতে মাথার অস্থি বা সরাসরি কর্ণযন্ত্র আঘাতপ্রাপ্ত হয়।

কানের পর্দা ফেটে গেছে?
প্রথমে কানে ব্যথা হবে।
কান থেকে পুঁজ বা রক্তমাখা পানি বেড়িয়ে আসতে পারে।
কানে না শোনা।
কানে ভোঁ ভোঁ শব্দ।
মাথা ঘোরানো।
কখনো মুখমণ্ডলের মাংসপেশিতে অসাড়তা।

চিকিৎসা
চিকিৎসক কান পরীক্ষা করে বা কানের পুঁজ পরীক্ষা করিয়ে নিতে পারেন।
অ্যান্টিবায়োটিকস খেতে দিতে পারেন।
ভবিষ্যতে আর এমনটা না হওয়ার জন্য পরামর্শ দেবেন।

প্রতিরোধ
কখনো শিশুদের কানের ভেতরে কিছু ঢোকানো যাবে না, এমনকি কটন বাড়ও নয়।
ছোট শিশুরা প্রচণ্ড কান্নাকাটি করলে কান দুটো ভালো করে পরীক্ষা করুন। ভিজে মনে হলে গন্ধ শুঁকে দেখুন। শিশুরা অনেক সময় সমস্যা নির্দিষ্ট করে নাও বলতে পারে।
জোরে নাক বন্ধ রেখে মুখ দিয়ে বাতাস বের করার চেষ্টা করলে কান আর শুকাবে না।
পেট্রোলিয়াম জেলিমিশ্রিত কটন উলের প্লাগ কানে বসানো হয়।
কান পাকার সময়ে  সুইমিংপুল ব্যবহার বা পুকুরে সাঁতার দেওয়া যাবে না, দিলেও কানের প্লাগ ব্যবহার করতে হবে, শিশুদের গোসলের আগে শাওয়ার ক্যাপ পরানো ভালো।

ডা. প্রণব কুমার চৌধুরী
শিশুরোগ বিভাগ

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

ক্যানসার প্রতিরোধে ফুলকপি

ডেস্ক :foolcopyবাজারে এখন শীতের সবজির তাজা ঘ্রাণ। হরেক রকমের সবজি এখন বাজার জুড়ে। এর মধ্যে ফুলকপি ছোট-বড় সবারই প্রিয়। এতে রয়েছে প্রচুর আঁশ, যা পরিপাকতন্ত্রকে ভালো রাখতে সাহায্য করে। আরও আছে অ্যান্টি-ক্যানসার বা ক্যানসার নিরোধক উপাদান।

চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, ফুলকপি খেলে মূত্রথলির ক্যানসারের ঝুঁকি ৪০ শতাংশ কমে যেতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রের রসওয়েল পার্ক ক্যানসার ইনস্টিটিউটের চিকিৎসকেরা বলছেন,এর জন্য সপ্তাহে অন্তত তিনবার ফুলকপি খেতে হবে।

একইসাথে মলাশয় ক্যানসারের ঝুঁকিও প্রায় অর্ধেক কমে যায় ফুলকপি খেলে। চিকিৎসকরা বলছেন, এর জন্য সপ্তাহে প্রায় দুই পাউন্ড ফুলকপি এবং এ জাতীয় সবজি খেতে হবে।

এছাড়া ফুলকপিতে আছে সালফোফেন নামের যৌগ, যা অস্টিওআর্থ্রাইটিস কমাতে সাহায্য করে। গরুর দুধের চেয়েও প্রায় পাঁচ গুণ বেশি ক্যালসিয়াম রয়েছে ফুলকপিতে। ২০০ গুণ বেশি আয়রন।

ফুলকপি বেশি সেদ্ধ বা রান্না করলে এর সালফার যৌগ নষ্ট হয়ে যায় এবং এসব গুণাগুণ অনেকটাই বিনষ্ট হয়। সম্পূর্ণ গুণাগুণ পেতে ফুলকপিকে সামান্য ভাপ দিয়ে বা স্টিম করে খেতে হবে।

তবে যাদের অ্যাসিডিটির সমস্যা আছে, তাদের ক্ষেত্রে ফুলকপি খেতে একটু সাবধান হতে হবে। অনেকের ফুলকপি খেলে গ্যাস দেখা দেয়। সেক্ষেত্রে ফুলকপি খেতে পরিমিতভাবে ঝোল করে খেতে হবে।

 

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

জেনে নিন বয়স লুকানোর কিছু উপায়

ডা: এস কে দাস: অনেকেই আছেন চেহারায় বয়স লুকাতে চান। নিজেকে সদা তরুণ ও সদা প্রফুল্ল রাখতে চান। অন্যের সামনে নিজেকে কম বয়সী হিসেবে হাজির করতে চান। তাদের জন্য কিছু উপায় বাতলে দেয়া গেল ১. সপ্তাহে তিন দিন রাতে ভালো মানের মধু খান ও চেহারায় মেখে ধুয়ে ফেলুন।
২. অবশ্যই নিয়মমাফিক পানি পান করুন।girl2-224x300
৩. অস্বাস্থ্যকর খাবার এড়িয়ে চলুন।
৪. পছন্দের বা বিনোদনমূলক স্থানগুলো ভ্রমণ করুন।
৫. ছলনা করবেন না। ভালোবাসায় ছলনা আপনাকে অচিরেই বুড়িয়ে দেবে।
৬. জীবনসঙ্গীর সাথে বেশি সময় কাটান।
৭. নিজের চেয়ে বয়স বেশি, এমন মানুষের সঙ্গে সময় কাটান বেশি বেশি।
৮. ইতিবাচক চিন্তা করুন। নেতিবাচক চিন্তা চেহারায় বসয়ের ছাপ ফেলে।
৯. চোয়াল খানিক এলিয়ে থাকতে দিন। মুখের ভারিক্কি ভাব দূর হয়ে যাবে।
১০. শিরদাঁড়া সোজা রেখে দাঁড়িয়ে থাকার অভ্যাস করুন।
১১. সুযোগ পেলে নাচুন।
১২. বেশি বেশি মন খুলে হাসুন।
১৩. মন থেকে ভালোবাসুন বই, গাছ, আকাশ।
১৪. সবসময় উদ্যমী ও প্রাণবন্ত থাকুন।
১৫. নিয়ম করে ঘুমান।
১৬. বৃক্ষজাত খাবার বেশি খান।
১৭. মুটিয়ে যাবেন না কখনই। মুটিয়ে যাওয়া মানেই নিজেকে বয়সী করে তোলা।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

শুক্রাণুকে দুরন্ত গতি দিতে গাজর খান

ডেস্ক: গতিময় জীবনে আপনার শুক্রাণুই বা পিছিয়ে থাকবে কেন? শুক্রাণুকে কি উসেইন বোল্টের গতি দিতে চান? তাহলে অবশ্যই বেশি করে গাজর খান। নতুন এক গবেষণায় উঠে এসেছে শাক-সব্জী সুস্থ সবল শুক্রাণু তৈরিতে বিশেষ ভূমিকা গ্রহণ করে। হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল অফ পাবলিক হেলথের গবেষকরা দাবি করেছেন গাজর একাই ডিম্বাণুর দিকে শুক্রাণুর গতি কয়েক গুণ বাড়িয়ে দেওয়ার ক্ষমতা রাখে। গাজরের সঙ্গে লেটুস, পালংও বাড়িয়ে দিতে পারে শুক্রাণুর গতি।

গাজর, লেটুস, পালংয়ের মত সব্জীতে বিটা-ক্যারোটিন নামের এক জাতীয় অ্যান্টিঅক্সিডান্ট থাকে। গবেষকদের মতে এই অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট ডিম্বাণু অভিমুখে শুক্রাণুর গতি ৬.৫% থেকে ৮% বাড়িয়ে দিতে পারে।

অন্যদিকে, টম্যাটোর মধ্যে লাইকোপেন নামক এক ধরনের প্রোটিন থাকে। টম্যাটোর লাল রংয়ের জন্য দায়ি এই প্রোটিন। লাইকোপেন অস্বাভাবিক আকৃতির শুক্রাণুর উৎপন্নকে প্রতিহত করে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

এলাচ দিয়ে রোগ নিরাময়

অনলাইন ডেস্ক: ভারতীয় উপমহাদেশের রসনা বিলাসের অন্যতম উপাদান মশলা। এলাচ তার অন্যতম। বেদ এ উল্লেখ আছে ‘দ্রাবিড়ীণাং ফলং’ অর্থাৎ এলাচ দানার কথা। এটি দ্রাবিড় অঞ্চলে হয়ে থাকে বলে এর নাম দ্রাবিড়ী। উত্তরবঙ্গ ও সিকিমেও পাওয়া যায় এ মশলাটি। ফল বহণকারী পুষ্পমঞ্জরীদুটি ‘এলাইয়া পড়ে’ বলে এর নাম ‘এলাচ’ হয়েছে বলে মনে করেন অনেক গবেষক। দ্রাবিড় ভাষায় একে বলে 73976_el‘এলা’। পৌরানিক আমল থেকে সুপরিচিত এই মশলার কিছু ভেষজ গুনাবলীর কথা আজ জানা যাক-
এলাচ বাটা বা গুড়া ও তেল ব্যবহার করা হয় নানা কাজে।
১। পেটে বায়ু জমে নিঃসারিত না হলে এলাচের কাত্থ (বাটা) এক কাপ সকালের দিকে একবার খেলে ভাল ফলাফল পাওয়া যায়। হজমের গোলযোগেও খালি পেটে এলাচ বাটা পানিতে মিশিয়ে খাওয়া যায়।
৩। কোষ্ঠবদ্ধতায় এক গ্লাস ইষদুষ্ণ এলাচের কাত্থ একবার খেয়ে দেখতে পারেন।
৪। শ্বাসকষ্টে বা ব্রঙ্কিয়াল এজমা থাকলে ২টি ছোট এলাচের এবং ২টি বড় এলাচের কাত্থ করে এক কাপ সেবন করুন।
৫। হাঁপানি বা কার্ডিয়াক এজমার জন্য সমপরিমাণ পিপুল ও ছোট এলাচ চূর্ণ অল্প ঘিয়ের সঙ্গে মিশিয়ে খেতে পারেন।
৬। গা-হাত-পায়ে ব্যথায় বা যন্ত্রণায় বড় এলাচের কাত্থ দিনে দুবার খেয়ে দেখতে পারেন।
৭। খিঁচুনি ধরা ব্যথায় এবং চুলকানির মত সমস্যায়ও এলাচ কার্যকরি ঔষধীর ভূমিকা রাখতে পারে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

লিভার অকেজোর ১০ কারণ

ডেস্ক: মানুষের শরীরের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অভ্যন্তরীণ অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের মধ্যে একটি হচ্ছে লিভার বা যকৃৎ। লিভারের সুস্থতার ওপর নির্ভর করে শারীরিক সুস্থতা। আর, শারীরিক সুস্থতার ওপর মানসিক সুস্থতা নির্ভরশীল। লিভারের সুস্থতার সঙ্গে তাই মনোদৈহিক সুস্থতার সম্পর্ক ওতপ্রোত। লিভার অকেজো হওয়ার ১০টি প্রধান কারণ এখানে 70974_leverতুলে ধরা হলো:
১) রাতে খুব দেরিতে ঘুমাতে যাওয়া ও সকালে দেরি করে ঘুম থেকে ওঠা।
২) সকালে মূত্রত্যাগ ও পর্যাপ্ত পানি পান না করা।
৩) অতিরিক্ত খাবার খাওয়া।
৪) সকালে নাস্তা না করা।
৫) মাত্রাতিরিক্ত ওষুধ সেবন করা।
৬) প্রিজারভেটিভ, ফুড কালার ও খাবার মিষ্টি করতে কৃত্রিম সুইটেনার ব্যবহার করা খাবার বেশি খাওয়া।
৭) রান্নায় অস্বাস্থ্যকর তেল ব্যবহার করা।
৮) ভাজা-পোড়া জাতীয় খাবার খাওয়া ও ভাজার সময় অতিরিক্ত তেল ব্যবহার করা।
৯) মাত্রাতিরিক্ত যে কোন কিছুই ক্ষতিকর। খুব বেশি পরিমাণে কাঁচা খাদ্য খাওয়ার অভ্যাসও লিভারের ওপর চাপ সৃষ্টি করে।
১০) অ্যালকোহল সেবন করা।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

কী খেলে ওজন কমবে

বাড়তি ওজন শরীরের জন্য ভালো নয় মোটেই। সৌন্দর্য, স্বাস্থ্য—সবদিকেই বাড়তি ওজন বড় যন্ত্রণা। তাই বলে ওজন কমাতে গিয়ে না খেয়ে থাকাও যে কাজের কথা নয়। অনেকই ওজন কমাতে গিয়ে না খেয়ে থাকেন, কিংবা এতটাই কম খান যে সারা দিন চলার মতো শক্তিটুকু থাকে না। তাই খেতে হবে। তবে খাওয়াটা হবে হিসাব করে, পরিমাণমতো আর জেনে-বুঝে।
বারডেম জেনারেল হাসপাতালের জ্যেষ্ঠ পুষ্টি ও পথ্যবিদ শামুন্নাহার নাহিদ বলেন, ওজন কমাতে হলে খাওয়া-দাওয়ায় নিয়ন্ত্রণ আনতে হবে ঠিকই, তাই বলে খাওয়া-দাওয়া ছেড়ে দেওয়া যাবে না একেবারেই। খাওয়া ছাড়লে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যাবে। তাই খেতে হবে নিয়ম করে।

যেসব খাবার নিয়ন্ত্রিতভাবে খেলে ওজন বাড়ে না, দেখে নেওয়া যাক সেগুলো:
সকাল:
রুটি, কুসুম ছাড়া ডিম ও অল্প তেলে রান্না সবজি খেতে পারেন। এই খাবারগুলো শরীরে শক্তি জোগাবে ঠিকই, কিন্তু মেদ জমবে না।
মধ্যসকাল: সকালের খাবার শেষে যখন কর্মব্যস্ত দিন শুরু হবে, চলতে-ফিরতে কিছু একটা খেতে ইচ্ছে করলে ফলেই তৃপ্ত থাকুন। নানা বর্ণ-গন্ধের ফল আছে বাজারে। সেই ক্ষেত্রে টক ফলকেই বেছে নিন।
দুপুর: দুপুরে পরিমাণমতো ভাত, এক টুকরো মাছ, পাতলা ডাল আর সবজি রাখুন। তবে অনেক ভাত খাওয়া ঠিক হবে না। ওজন কমাতে চাইলে ভাত কমিয়ে দিন। ভাত দিয়ে সবজি নয়, সবজি দিয়ে অল্প ভাত খান। মাছ খাওয়া যাবে। কারণ, এর প্রোটিন শরীরের জন্য খুব দরকারি।ছবি: নকশা
বিকেল: বিকেলে খিদে তো লাগবেই। আর ওজন কমাতে খিদে পেটে মুখ গোমড়া করে বসে থাকবেন, তা কী করে হয়! তার চেয়ে বরং মুড়ি-মুড়কি খান। এতে ওজন বাড়বে না, আবার খিদেও মিটবে।
রাত: রাতে রুটি খেতে পারেন, সঙ্গে মাছ। মাঝেমধ্যে স্বাদের পরিবর্তন আনতে অল্প তেল-মসলায় রান্না কচি মুরগি নিন। অল্প করে এ খাবারগুলো খাওয়ায় পেট তো ভরবে না! আবার খালি পেটে ঘুমও যে আসবে না। তাই পেট ভরাতে সালাদ খান।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

Responsive WordPress Theme Freetheme wordpress magazine responsive freetheme wordpress news responsive freeWORDPRESS PLUGIN PREMIUM FREEDownload theme free