স্বাস্থ্য চিকিৎসা

সর্দি-ঠান্ড সারার প্রাকৃতিক নিরাময়

বর্ষায় এই বৃষ্টিতে ঠান্ডা ঠান্ডা ভাব, আবার একটু পরেই ভ্যাপসা গরম। এই ঠান্ডা-গরমে আপনার শরীর আর সইছে না। নাক ঝরা, হাঁচি-কাশি, সামান্য জ্বর, ঠা-া লাগা, অতি সাধারণ অথচ খুবই ছোঁয়াচে রোগে আষ্টেপৃষ্টে ধরছে। এই আবহাওয়া পরিবর্তনের সময় কমবেশি প্রায় সকলেরই ভুগছেন। তাই, এ থেকে মুক্তির প্রাকৃতিক টিপস দেয়া হলো। প্রাকৃতিক উপাদানের যে রোগ নিরাময়ের ক্ষমতা আছে, তা আধুনিক ওষুধ আবিষ্কারের বহু আগে মানুষের জানা ছিল। প্রাকৃতিক উপায়ে ছোটখাট শারীরিক সমস্যা সমাধানে ইদানিং আবার মানুষের ঝোঁক বাড়ছে।

প্রতিকার
১. রাতে শোবার আগে সরষের তেল বা ঘি হালকা গরম করে শুঁকলে সর্দি-ঠান্ডা দূর হয় এবং প্রতিরোধ করে।
২. রাতে খাবার সঙ্গে রসুন খেলেও সর্দি-ঠান্ডা দূর হয়।
৩. সকালে চারটি তুলসী পাতা এবং চারটি গোল মরিচ খেলে ঠান্ডা লেগে আসা জ্বর উপশম হয়।
৪. পুদিনাপাতা, তুলসী পাতা, কাঁচা আদা, মধু মিশিয়ে খেলে ঠান্ডা লাগা দ্রুত ভালো হয়।
প্রতিরোধ
১. যাদের ঠান্ডা লেগেছে, তাদের কাছ থেকে দূরে থাকুন। কারণ, এর ভাইরাস নিঃশ্বাসের সঙ্গে, এমনকি হাতের মাধ্যমেও ছড়ায়।
২. পর্যাপ্ত খাওয়া-দাওয়া করলে ও ঘুমালে শরীরে রোগ-প্রতিরোধক্ষমতা বাড়ে।
৩. আপনার ঘরের তাপমাত্রা বেশি শুষ্ক করবেন না। বেশি আর্দ্রও করবেন না। এতে রোগ-প্রতিরোধে সক্ষম হওয়া যায় সহজেই।
৪. নিয়মিত লেবু খান। লেবুতে আছে প্রচুর পরিমানে ভিটামিন সি। যা ঠা-া লাগা প্রতিরোধ করে।

ডাঃ স্বরুপ দাস

ডিএইসএমএস(ঢাকা)

01811898061

বন্ধ্যত্বে স্বামী দায়ী ৪০ ভাগ

1405230016সাথী আক্তার : একজন পূর্ণাঙ্গ রমণীর ডিম্বাশয় থেকে প্রতি মাসে একটি করে ডিম্বাণু নির্গত হয়। ৪৫ বছর বয়স পর্যন্ত প্রজনন বয়স ধরা হলেও ৩৫ বছরের পর থেকে প্রজনন ক্ষমতা কমতে থাকে। প্রজনন বয়সের শেষ দিকে ডিম্বাণু নিঃসরণ প্রতি মাসে না-ও হতে পারে। সাধারণত ৮০ শতাংশ দম্পতির চেষ্টার প্রথম বছরের মধ্যেই সন্তান হয়ে থাকে। ১০ শতাংশ দম্পতির দ্বিতীয় বছরের মধ্যে হয়। বাকি ১০ শতাংশের কোনো না কোনো কারণে সন্তান ধারণে অসুবিধা হয়। এই না হওয়ার পিছনে স্বামী-স্ত্রী দুজনের যে কেউই কারণ হতে পারেন। আবার সম্মিলিত অসুবিধার কারণেও হতে পারেন। সমীক্ষায় দেখা গেছে, ৪০ শতাংশ ক্ষেত্রে শুধু স্বামী দায়ী, ৪০ শতাংশ ক্ষেত্রে শুধু স্ত্রী দায়ী এবং ২০ শতাংশ ক্ষেত্রে স্বামী-স্ত্রী উভয়েই দায়ী।
সন্তান ধারণে ব্যর্থতার কারণ অনেক। তবে কারণ যা-ই হোক, প্রতিটি ক্ষেত্রে বিশেষ চিকিত্সা রয়েছে। তার পরও নিচের কারণে বন্ধ্যত্ব হয়। যেমন ক. ডিম্বাণু তৈরি হওয়া (অনেক কারণে ডিম্বাণু তৈরি হয় না); খ. ডিম্বনালি বন্ধ হয়ে গেলে কিংবা কার্যক্রম না থাকলে; গ. এন্ডোমেট্রিওসিস নামক ডিজিজের ফলে; ঘ. জরায়ুতে টিউমার হলে; ঙ. জরায়ুগ্রীবার শুক্রাণুর প্রতি শত্রুভাবাপন্ন ভাব থাকলে।
তবে পুরুষদের ক্ষেত্রে মুখ্য কারণ হলো, ক. শুক্রাণুর পরিমাণ কম থাকলে; খ. শুক্রাণুর আকৃতি স্বাভাবিক না থাকলে; গ. শুক্রাণুর চলাচল স্বাভাবিক না থাকলে; ঘ. শুক্রাণু অনুপস্থিত থাকলে; ঙ. মিলনে স্বামীর অক্ষমতা থাকলে।
এ ছাড়া সম্মিলিত সমস্যার কারণে না হতে পারে এবং কখনও কখনও উভয়ের কোনো কারণ ছাড়াই সন্তান না হতে পারে। যখন কোনো নির্দিষ্ট কারণ খুঁজে না পাওয়া যায়, তখন তাকে ব্যাখ্যাহীন বন্ধ্যত্ব বলে।
বন্ধ্যত্বের চিকিত্সা: বন্ধ্যত্বের চিকিত্সা অনেক সময়সাপেক্ষ ব্যাপার। মানবজাতির স্বাভাবিক প্রজননের হার অন্যান্য প্রজাতির চেয়ে অনেক কম। আমাদের মতো জনসংখ্যা বিস্ফোরণের দেশে বাস করে এ কথা অবিশ্বাস্য মনে হলেও সত্যি এটিই যে ১০০ জন দম্পতি যাদের কোথাও কোনো সমস্যা নেই তারা তাদের প্রজনন সময় একত্রে বসবাস করলেও মাসে গর্ভ সঞ্চার হবে মাত্র ২০ জনের। স্ত্রীর বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে এর হার আরও কমতে থাকে। সন্তান ধারণে ব্যর্থ হলে স্বামী-স্ত্রীর কোথাও না কোথাও সমস্যা বিদ্যমান থাকা স্বাভাবিক। সে ক্ষেত্রে চিকিত্সা করে প্রজননের হার স্বাভাবিক হারের বাড়ানো খুবই কঠিন ব্যাপার। আর সে জন্যই বন্ধ্যত্বের চিকিত্সা হলো ধাপে ধাপে এবং ধীরে ধীরে চিকিত্সা। বিভিন্ন ধাপের কোনো এক ধাপে আশানুরূপ ফল পাওয়া যায়। এই ধাপে ধাপে চিকিত্সার জন্যই চিকিত্সার সময় দীর্ঘায়িত হয়। অন্য কোনো অসুস্থতার মতো তাড়াতাড়ি করে এটির সমাধান দেখা যায় না। তবে অবশ্যই স্ত্রীর বয়সের দিকে এবং বন্ধ্যত্বের কারণের দিকে খেয়াল রাখতে হবে।
বন্ধ্যত্বের স্বপ্ন পূরণে টেস্টটিউব বেবি: বর্তমানে অনেক দম্পতি টেস্টটিউব বেবির মাধ্যমে সন্তান গ্রহণ করছেন। টেস্টটিউব পদ্ধতিতে দুটি ভাগ আছে। একটি আইভিএফ (IVF), অন্যটি ইকসি (ICSI)। আইভিএফে স্বামী-স্ত্রীর শুক্রাণু ও ডিম্বাণুকে প্রকৃতিগত পদ্ধতিকে বাদ দিয়ে একটি গ্লাসের পাত্রে মিলিত হওয়ার ব্যবস্থা করা হয়। এ পাত্রটি একটি বিশেষ ইনকিউবেটরে রাখা হয় এবং সেখানেই নিষেক হয়ে ভ্রূণের সৃষ্টি হয়। এ পদ্ধতিতে একাধিক ডিম্বাণু তৈরি করা সম্ভব বলে একাধিক ভ্রূণ তৈরি হয়ে থাকে। তা থেকে সবচেয়ে ভালো মানসম্পন্ন তিনটি ভ্রূণকে স্ত্রীর জরায়ুতে স্থাপন করা হয়, যা পরে স্বাভাবিক গর্ভসঞ্চালনের মতোই বৃদ্ধি পেয়ে পূর্ণাঙ্গ শিশু হয়। পদ্ধতিটির প্রসারিত নাম ইনভিট্রো ফার্টিলাইজেশন। ভিট্রো একটি ল্যাটিন শব্দ যার ইংরেজি পরিভাষা হচ্ছে গ্লাস। এই গ্লাসের পাত্রে নিষেক হয় বলেই এর নামকরণ হয়েছে টেস্টটিউব বেবি। ইকসি টেস্টটিউব পদ্ধতির আর একটি ভাগ। এ পদ্ধতিতে ডিম্বাণু সংগ্রহের পর একটি ডিম্বাণুর ভিতরে একটি শুক্রাণুকে প্রবেশ করে দেয়া হয়।
আইভিএফে একটি পাত্রে একটি ডিম্বাণুর সঙ্গে ৫০ হাজার থেকে এক লাখ শুক্রাণু ছেড়ে দেয়া হয়। তা থেকে একটি শুক্রাণু নিজ ক্ষমতাবলে ডিম্বাণুর ভিতরে প্রবেশ করে। যখন শুক্রাণুর পরিমাণ অতি মাত্রায় কম থাকে কিংবা মোটেই থাকে না, তখন ইকসি করা হয়। বীর্যে শুক্রাণু অনুপস্থিত থাকলে অণ্ডকোষ থেকে ছোট্ট অপারেশনের মাধ্যমে শুক্রাণু পরিপক্ব কিংবা অপরিপক্ব পর্যায়ে বের করে একটি বিশেষ অণুবীক্ষণ যন্ত্রের সাহায্যে ডিম্বাণুর ভিতরে প্রবেশ করিয়ে দেয়া হয়। পরে ইনকিউবেটরে রাখা হয় এবং বাকি পর্যায় আইভিএফের মতোই।
আমাদের দেশে বেশির ভাগ সময়ই বাচ্চা না হওয়ার জন্য মাকে দায়ী করা হয়, কিন্তু সন্তান না হওয়ার জন্য শুধু মা একা দায়ী নয়, বাবাও দায়ী থাকেন। আবার কখন কখন বাবা মা উভয়ই দায়ী থাকেন, তাই শুধু একজনের উপর সব দোষ চাপিয়ে দেয়া উচিত নয়। যারা শিক্ষিত মানুষ যারা বুজতে পারেন আসলে কোনটা ঠিক আর কোনটা ভুল তাদের কাছে অনুরোধ নিজেরা সচেতন হন এবং অপরকে সচেতন হতে সাহায্য করুন।
( ৪র্থ বর্ষ ফার্মেসি বিভাগ, ডেফোডিলস ইউনিভার্সিটি, ঢাকা। )

স্ট্রবেরী মস্তিষ্ক শক্তিশালী করতে অত্যন্ত কার্যকর

স্বাস্থ্য ডেস্ক: স্ট্রবে1403724424.রী ফলটি দেখতে অনূরুপ লিচুর মত। স্বাদের দিক দিয়েও ভালো অবস্থানে রয়েছে স্ট্রবেরী। শুধু স্বাদে নয় গুণেও সেরা স্ট্রবেরী। স্ট্রবেরী “স্ট্র+বেরী” অর্থ্যাৎ স্ট্রবেরী একটি বেরীজাতীয় ফল।
এটি পলিফেনোলিক যৌগ সমৃদ্ধ খাবার । এটি মস্তিষ্ককে শক্তিশালী করার অত্যন্ত কার্যকর একটি উপাদান। শুধু তাই নয়, বার্ধক্যজনিত আলঝেইমাসের মত নিউরেডিজেনারেটিভ ডিজিজ প্রতিরোধ করতেও সক্ষম। স্ট্রবেরী মস্তিষ্কের বোধশক্তি বাড়াতে ও মস্তিষ্কের বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধেও কার্যকরী একটি ভেষজগুন সম্পর্ণ ফল।
শুতরাং আসুন আমরা বেশী বেশী করে স্ট্রবেরী খাই ও এর চাষ করি। বিদেশ থেকে ফল আমদানীর মাত্ত্রা কমিয়ে দেশকে স্বনির্ভর করে তুলি। সুস্থ্য ও সুন্দর থাকি।

খেতে খেতে পানি, একদম নয়

শিক্ষাবার্তা ডেস্ক: image_81934_0পঞ্চব্যাঞ্জনে সাজানো থালা, পাশে ঝকঝকে গ্লাসে পানি। দ্বিপ্রহর বা নৈশভোজে এই ছবি যদি আপনার পরিচিত হয়, তাহলে সাবধান। আপনি জেরবার হতে পারেন হজমের সমস্যায়। খাওয়ার মাঝে পানিপান স্বাস্থ্যের পক্ষে অত্যন্ত ক্ষতিকর বলে সতর্ক করছেন বিশেষজ্ঞরা। তাই গ্লাসের পানি বরং গ্লাসেই থাকুক।
সারাদিনে যথেষ্ট পরিমাণে পানিপান আমাদের শরীরের পক্ষে অত্যন্ত জরুরি। কিন্তু কিছু খেতে খেতে তার মধ্যে পানি খাওয়া একেবারেই নৈব নৈব চ। মাইক্রোবায়োটিক বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন যে, খাওয়ার মাঝে পানি পানের ফলে হজম ক্ষমতা কমে যায়। আমাদের দেশে তো খাবারের সঙ্গে পানি নিয়েই খেতে বসেন। তারা মনে করেন যে পানি সহজে খাবার শরীরের ভেতরে নিয়ে যেতে সাহায্য করে। কিন্তু এই ধারণা একেবারেই ভুল। আসলে আমরা যখন কিছু খাই, তখনই পাকস্থলী থেকে পাচক রস নির্গত হয়। এই রস খাবারকে ভেঙে ফেলে আর হজম প্রক্রিয়াকে দ্রুত করে। কিন্তু এর সঙ্গে পানি মিশলে পাচক রস পাতলা হয়ে কর্মক্ষমতা হারায়। ফলে হজম প্রক্রিয়া হ্রাস পায়।

গবেষকরা অবশ্য জানাচ্ছেন যে খাওয়ার মাঝে দু-এক চুমুক পানি কিছু ক্ষতিকর নয়। কিন্তু গ্লাস গ্লাস পানি খেয়ে নিলে তা অবশ্যই হজম প্রক্রিয়ায় প্রভাব ফেলবে। খাওয়ার মাঝে পানিতেষ্টা কমাতে কম নোনতা খাবার খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন সোনালী সব্রেওয়াল। পাশাপাশি খুব তাড়াহুড়ো করে না খেয়ে ধীরেসুস্থে বারবার চিবিয়ে খাবার খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।– ওয়েবসাইট।

ব্যথা কমাতে ৮ খাবার

ডেস্ক: ব্যথা এমন এক অনুভূতি যার ফলে আমারা কোনো কাজ সহজে করতে পারি না। কারণ, সেই সময়ে আমাদের মন থাকে ব্যথার দিকে। ব্যথা অনেক রকমের হতে পারে যেমন- দাঁতে ব্যথা, মাথা ব্যথা, পেশিতে ব্যথা ইত্যাদি।

এসব ব্যথা অনেক ক্ষেত্রে দীর্ঘস্থায়ী হয়। সেই কারণেই আমরা ব্যথা কমানোর জন্য বিভিন্ন ধরনের ওষুধ খেয়ে থাকি। অনেক মানুষই মনে করে ড্রাগ নিলে ব্যথা কমে যায়। এই সূত্র আসলে সব সময় ঘটে না। কারণ, ড্রাগের মধ্যে এমন কিছু রাসায়নিক পদার্থ থাকে যা শরীরের জন্য ক্ষতিকর। তাই সবচেয়ে ভালো হয় আপনি যদি স্বাস্থ্যকর খাবার খান।

নিচে কিছু স্বাস্থ্যকর খাবারের নাম দেয়া হলো যা শরীরের ব্যথা কমানোর জন্য কার্যকরী।

১. চেরি: অ্যাসপিরিন শরীরের ব্যথা কমানোর জন্য একটি জনপ্রিয় ওষুধ। কিন্তু নতুন গবেষণার মতে, চেরি এসপিরিনের চেয়েও আরো বেশী কার্যকরী ওষুধ। এই ফলের মধ্যে এমন কিছু প্রাকৃতিক উপাদান আছে যা কিনা শরীরের ব্যথা কমাতে সাহায্য করে। তাই এই সুযোগটি হাতছাড়া করবেন না।

২. আদা: আদা আমাদের পাকস্থলীর জন্য ভালো। এটি হজমেও সহযোগিতা করে। এছাড়া আপনি জানলে অবাক হবেন, আদা আমাদের  শরীরের ব্যথা কমানোর জন্যও উপকারী ওষুধ। স্পোর্টস্ম্যানদের জন্যও আদা অনেক উপকারী। তাই প্রত্যেকটি মানুষেরই দৈনিক ৫০০ মিলিগ্রাম আদা খাওয়া উচিত।

৩. হলুদ: হলুদ ব্যবহার করা হয় খাবারের স্বাদের জন্য। আমরা অনেকেই হয়ত জানি না হলুদ স্বাস্থ্যের জন্য কতখানি উপকারী। কিন্তু বিজ্ঞানীরা বলেছেন এর উপকারিতা সত্যিই আশ্চর্যজনক। প্রতিদিন যদি খাবারের সঙ্গে হলুদ যোগ করা হয় তবে তা আমাদের ক্যান্সার প্রতিরোধে সাহায্য করবে। এছাড়া শরীরের ব্যথা কমাতেও তা সাহায্য করে।

৪. স্যালমন: এই মাছটি হয়ত অনেকেরই প্রিয়। স্যালমন মাছের মধ্যে ওমেগা-৩ রয়েছে যা আমাদের স্বাস্থ্য ও মস্তিস্কের জন্য অনেক উপকারী। এছাড়া ওমেগা-৩ আমাদের শরীরের ব্যথা কমায়। এছাড়া বেশি করে স্যালমন মাছ খেলে আমাদের শরীরের ফোলা অংশগুলোও কমে যাবে।

৫. সেলারি: এটি একটি শাকবিশেষ যা স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। তাই প্রতিদিন কোনো কিছুর খাওয়ার সময় এই শাকটি যোগ করুন। কারণ, আপনার শরীরের কোনো অংশে ব্যথা থাকলে তা কমে যাবে। এছাড়া আপনি কোনো প্রকার জুস বানালে এই শাকটিও যোগ করতে পারেন। এই শাকটির একটি সুন্দর গন্ধও আছে।

৬. অলিভ ওয়েল: আমারা কোনো কিছু রান্নার সময় তেল ব্যবহার করি। কিন্তু বাজারে যেসব তেল কিনতে পাওয়া যায় তার মধ্যে অলিভ ওয়েলই সবচেয়ে ভালো। এটি আমদের শরীরের ব্যথা কমাতে সাহায্য করে। অলিভ ওয়েল আমারা শুধু খাওয়ার কাজেই ব্যবহার করি না, আমরা তা গায়েও দেই।

৭. গোলমরিচ: গোলমরিচ এক ধরনের গরম মরিচ। এটি অন্য মরিচের চেয়ে কিছুটা ঝাল। এর মধ্যে সাধারণত উচ্চ মাত্রায় ক্যাপ্‌সাসিন থাকে  যা সাধারণত পেইন কিলার তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। আপনার যদি পেশিতে ব্যথা করে তাহলে কোনো একটি ক্রিমের সঙ্গে গোলমরিচের গুড়া ব্যবহার করুন। দেখবেন ব্যথা কমে যাবে।

৮. ওয়ালনাট: এই বাদামের ভেতরে অনেক প্রাকৃতিক গুণাগুণ রয়েছে। প্রথমত, এর ভিতরে ওমেগা-৩ আছে যা কিনা আমাদের শরীরের জন্য উপকারী। তাছাড়া, এটি খেতেও মজা ও স্বাস্থ্যকর। আমরা ওয়ালনাট বাদাম যেকোনো জায়গায় খেতে পারি। এছাড়াও, এই বাদাম আমাদের ব্যথা কমাতে অনেক সাহায্য করে।

আপনার শরীর যদি কখনো ব্যথা করে তবে আপনি উপরে যেসব খাবারের কথা বলা হয়েছে তা খেয়ে দেখেন। দেখবেন শরীরের ব্যাথা চলে গিয়েছে।– ওয়েবসাইট।

ক্যান্সার রুখতে খান সিগারেট

cigসিগারেটের প্যাকেটের সাবধানবানী আমাদের কাররই চোখ এড়ায়নি। ভয়াবহ ছবির সঙ্গে লেখা থাকে সতর্কবার্তা। সিগারেট সেবন স্বাস্থ্যের পক্ষে ক্ষতিকর। অতিরিক্ত তামাক সেবন হতে পারে ক্যান্সারের কারণ। এবারে শোনা গেল পুরো উলটপুরাণ। তামাক গাছ নাকি হতে পারে ক্যান্সারের যম।

হ্যাঁ। শুনতে অবাক লাগলেও এমনটাই দাবি করেছেন অস্ট্রেলিয়ার বিজ্ঞানীরা। লাট্রোব ইউনিভার্সিটির ড. মার্ক হুলেটের দাবি NaD1 ক্যান্সার কোষের ছড়িয়ে পড়া রুখতে পারে। এই সব অনু প্যাথোজেন মেরে ফেলতে পারে। NaD1 নিজেই ক্যান্সার কোষ খুঁজে নেয় ও পাশের সম্পূর্ণ সুস্থ কোষ অক্ষুন্ন রেখেই ক্যান্সার কোষ নষ্ট করতে পারে। এখনও পর্যন্ত ক্যান্সার কোষের ওপর প্রয়োগ করে পরীক্ষা বাকি রয়েছে।

তবে গবেষনার সবথেকে বড় চমক এখানেই। এখন থেকে কী লেখা থাকবে সিগারেটের প্যাকেটে?

[Source: eLife, La Trobe University]

স্মৃতিশক্তি বাড়াতে

ডেস্ক : দৌড়াদৌড়ি বা যে কোনো ধরনের কায়িক ব্যায়াম হূদযন্ত্রসহ শরীরের অন্যান্য অঙ্গ সচল ও সুস্থ রাখে। নতুন তথ্য হলো— দৌড়াদৌড়ি করলে স্মৃতিশক্তি বাড়ে এবং বিশেষত মধ্যবয়স্করা তাদের হারিয়ে যাওয়া স্মৃতি ফিরে পেতে পারেন। এমনই তথ্য জানিয়েছেন আমেরিকার একদল গবেষক। খবর বিবিসির।
যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব মিনেসোটার এ গবেষকরা তিন হাজার স্বাস্থ্যবান মানুষকে নিয়ে গবেষণা চালিয়েছেন, যাদের গড় বয়ষ ২৫।
যারা ব্যায়াম বা দৌড়ঝাঁপ করে না এবং একঘেয়েমি জীবনযাপন করে তাদের তুলনায় সুস্বাস্থ্যের অধিকারী এসব মানুষ যথেষ্ট স্মৃতি ধরে রাখতে পারেন।

গর্ভধারণের আগেই দেখে নিন, জেনে নিন আপনার শিশুকে

ডেস্ক: এবার গর্ভধারণের আগেই আপনি দেখতে পারেন আপনার শিশুকে। গবেষকরা আবিষ্কার করেছেন এমনই এক প্রযুক্তির যার দ্বারা বাবা, মায়ের ডিএনএ-র মিশ্রণে তৈরি করা যাবে ডিজিটাল ভ্রুণ। নতুন এই প্রযুক্তির নাম ম্যাচরাইট টেকনোলজি। কী ধরণের বংশগত রোগ শিশুর মধ্যে সঞ্চারিত হতে পারে তাও জানা যাবে এই পদ্ধতির সাহায্যে।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দুটি ফার্টিলিটি ক্লিনিকে এই প্রযুক্তির সুবিধা পাওয়া যাবে। এই প্রযুক্তি দ্বারা শিশুর চোখ, ত্বকের রং, উচ্চতা ও কোমরের মাপও জানা যাবে। প্রিন্সটন ইউনিভার্সিটির গবেষক লি সিলভার জানালেন, “এই প্রযুক্তি দ্বারা ভ্রূণ বংশগত রোগের বাহক কিনা তা জানা যাবে। সিস্টিক ফাইব্রোসিস বা টে স্যাচ রোগের মত বিরল কিছু জিনগত রোগ বাতলে দেবে এই প্রযুক্তি।”

বর্তমানে গর্ভধারনের পর ডিএনএন স্ক্রিনিং পদ্ধতির সাহায্যে ভ্রূণের রোগ সম্পর্কে জানা যায়। কিন্তু পদ্ধতির সাহায্যে গর্ভধারণের আগেই তা জানা যাবে।

নিয়মিত দুধ পানে নারীর হাঁটুর সমস্যা কমে

এস কে দাস: milkkkkkkকোন নারী নিয়মিত চর্বিমুক্ত কিংবা কম চর্বিযুক্ত দুধ পান করলে তার হাঁটুতে অনেক বিলম্বে সমস্যা হবে। বিশেষ করে হাঁটুর বাত হওয়ার সম্ভাবনা থাকবে অনেক কম।
এক গবেষণায় দেখা গেছে, যারা পনির বেশি খান তাদের হাঁটুর বাত হতে পারে। তবে দই নারী বা পুরুষ কারোই হাঁটুতে বাত হতে সহায়ক নয়।
বোস্টনের ওমেন’স হাসপাতালের গবেষণা দলের প্রধান বিং লু বলেন, নিয়মিত দুধ পান হাড়কে সুস্থ রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
হাড়ের বাত মানবদেহে সাধারণ ব্যাপার। এতে হাত ও হাঁটুর জোড়ায় ব্যথা করে এবং ফুলে যায়। গবেষণায় দুই হাজার ১৪৮ জন অংশ নেন যাদের হাড়ে বাত রয়েছে। গবেষণার শুরুতে তাদের খাবারের অভ্যাস সম্পর্কে তথ্য নেয়া হয় এবং এক্স-রে করে হাড়ের জোড়ার প্রশ¯ত্মতার অবস্থা সম্পর্কে জেনে নেয়া হয়।
পরে তাদের দুধ পানের মাত্রা দেখে পরীক্ষা করা হয়। যারা সপ্তাহে ৩, ৪, ৬ অথবা ৭ গ্লাস দুধ পান করেন তাদের হাড়ের জোড়ার প্রশ¯ত্মতা যথাক্রমে ০.৩৮, ০.২৯, ০.২৯ এবং ০.২৬ মিলিমিটার কমে যায়। পুরুষদের ক্ষেত্রে এ ধরণের কোন পরিবর্তন দেখা যায়নি।
লু বলেন, আমাদের গবেষণায় এটা স্পষ্ট যে, যে নারী নিয়মিত দুধ পান করেন তার হাঁটুতে বাত হওয়ার সম্ভাবনা কমে যায়। খালিজ টাইমস

সর্দি কাশিতে নিরাময় পাবার উপায়

ভাইরাসজনিত কারণে 8 Food when sickশীতকালে অধিকাংশ মানুষ অসুস্থ্য হয়ে যায়। যখন আপনি অসুস্থ্য হয়ে যান তখন শরীরের স্বাভাবিকতা ফিরিয়ে আনার জন্য কিছু ক্যালরির দরকার হয়। সংক্রমণ থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য এটি কার্যকরী ভূমিকা রাখে বিশেষ করে যখন জ্বরের কারণে শরীরের তাপমাত্রা অনেকটাই বেড়ে যায়। এই সংক্রমণ থেকে রক্ষার জন্য কিছু উচ্চ ক্যালরিযুক্ত খাবারের প্রয়োজন হয়ে পড়ে।
আপনি যখন অসুস্থ্য থাকবেন তখন আপনার দৈনন্দিন খাবার তালিকাটি ঠিক রাখতে হবে। কারণ ক্যালরিযুক্ত খাবারের অভাবে শরীর দুর্বল হয়ে যেতে পারে। আর পরবর্তীতে এই ক্যালরি পূরণে অনেক সময় লেগে যায়।
সর্দি কাশির ফলে ক্ষুধামন্দা তৈরি হয়। এসময় ভালো পুষ্টিকর খাবার ও অতিরিক্ত জলজ খাবার খাওয়া প্রয়োজন যেগুলো আপনার শরীরে শক্তি এবং পুষ্টি যোগাবে।
ঠান্ডা কমাতে প্রচুর তরল খাবার খেতে হবে। যেমন- স্যুপ : এটি চিরাচরিত স্যুপের মত নয়। এতে মুরগি এবং নুডুলস যুক্ত করতে হবে। মুরগিতে কিসটেইন নামক অ্যামিনো এ্যাসিড রয়েছে যেটি ফুসফুসে পাতলা শ্লেষ্মা জমানো রোধ করে, গরম জুস অনুনাসিক আর্দ্রতা আনতে সহায়তা করে, জল বিয়োজন প্রতিরোধ করে এবং গলার ব্যথা কমায়। এছাড়া অন্যান্য উপাদানগুলি ঠান্ডা কমাতে সহায়তা করে।
গরম চা : উষ্ণ তরল গলা ব্যথা প্রশমিত করে এবং অস্বাভাবিক রক্ত সঞ্চালণ উপশম করে। ফলে সতেজ গ্রীন টি খাওয়া দরকার যেটি সংক্রমণ প্রতিরোধে অ্যান্টিঅক্সিডেন্টস এর যোগান দেয়। আপনি যদি চা পছন্দ না করেন তবে লেবুর রসযুক্ত গরম পানি বিকল্প হিসেবে  খেতে পারেন।
সাইট্রিক এ্যাসিডযুক্ত ফলমূল : এটি একটি প্রচলিত কথাই রয়েছে যে ভিটামিন সি’র ফলে ঠান্ডা আরোগ্য হয়। যদিও এই কথাটির পেছনে কোনো উপযুক্ত বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা নেই। সাইট্রিক এ্যাসিডযুক্ত সব ধরনের ফলই কার্যকরী নয়। কমলালেবু, লেবু এবং বাতাবি লেবুর ত্বকের উপরের নরম সাদা অংশে ফ্ল্যাভোনয়েডস থাকে যেটি ঠান্ডা থেকে দ্রুত আরোগ্যে সহায়তা করে।
পপসিকলস : ঠান্ডা রোধে ফল সরাসরি খাওয়ার চেয়ে এর জুস করে খাওয়া বেশি কার্যকরী। পপসিকলস এর জন্য বেশ কার্যকর বিশেষ করে গলা ব্যথার ক্ষেত্রে যদি নি সেটি ১০০ ভাগ ফলের রসে বা পুরো ফলের রসে ভরপুর থাকে।
মশলাযুক্ত খাবার : মশলাযুক্ত খাবার খেলে আপনার বন্ধ নাক খুলে যাবে। কাঁচামরিচ, ঝাল সজিনা খেলে এক্ষেত্রে অনেকটাই উপকার পাওয়া যাবে।
উদরপূর্তি খাবার : ঠান্ডার সময়ে এমন কিছু খাবার খাওয়া প্রয়োজন যা খুব দ্রুত হজম হয়ে যায়। এরকম কিছু খাবার হল –
ক্র্যাকার্স ও টোস্ট : বিভিন্ন স্বাদের ক্র্যাকার্স এবং টোস্ট খুব তাড়াতাড়ি হজম হয়ে যায়। উচ্চ মাড়যুক্ত খাবার বমিভাব দূর করে এবং হজমে সহায়তা করে।

কলা : কলাতে অনেক পরিমাণে পটাশিয়াম রয়েছে যেটি অতিরিক্ত ঘাম, বমি বা ডায়রিয়া কমিয়ে ফেলে। এটি হজমে সহায়তা করে, দেহের তাপমাত্রা কমায় এবং হারিয়ে যাওয়া ইলেক্ট্রোলাইটস ফিরিয়ে আনে।

আদা : গবেষণায় বলা হয় যে শীতল বমি বমি ভাব এবং অন্যান্য কোষ্ঠকাঠিন্য, পেটে ব্যথা ও বমির মত কিছু গ্যাস্ট্রিক রোগ প্রতিরোধে আদা কার্যকরী ভূমিকা রাখে। আদার চা পান করা বা শুধু আদার পানীয় খেলে পেটের যন্ত্রণাসহ অনেক অসুখই শিথিল করে।

ডা:এস কে দাস, ডি এইচ,এম,এস (অধ্য:) ঢাকা

শিশুর কানপাকায় করনীয়

ডেস্ক: 1387291632শিশুদের কান থেকে পুঁজ বা পানি পড়াকে প্রচলিত কথায় বলা হয় কানপাকা। কান থেকে পুঁজ পড়ার প্রধান কারণ হলো মধ্যকর্ণের প্রদাহ। কানের পর্দা যার অন্য নাম টিমপানিক মেমব্রেন, তার পেছনে পুঁজ জড়ো হয়। এরপর তা চোখের জল নামার মতো ফেটে বেরিয়ে আসে। এতে তীব্র ব্যথা হয়। অস্থায়ী বধিরতাও সৃষ্টি হতে পারে। ওষুধ বা সার্জারির মাধ্যমে ভালো করে তোলা হলে কয়েক সপ্তাহ পর আপনা-আপনি এই ছেঁড়া পর্দা ভরাট হয় ওঠে।

কীভাবে কর্ণপর্দা  ছিড়ে   যায়
কানের সংক্রমণ।
বিমানে বা উঁচু পাহাড়েওঠার সময় হঠাৎ করে বায়ুর চাপ পরিবর্তন।
বিকট জোরে শব্দ হলে, যেমন বোমা বিস্ফোরণের ভডয়ংকর শব্দ।
মাথায় আঘাত, যাতে মাথার অস্থি বা সরাসরি কর্ণযন্ত্র আঘাতপ্রাপ্ত হয়।

কানের পর্দা ফেটে গেছে?
প্রথমে কানে ব্যথা হবে।
কান থেকে পুঁজ বা রক্তমাখা পানি বেড়িয়ে আসতে পারে।
কানে না শোনা।
কানে ভোঁ ভোঁ শব্দ।
মাথা ঘোরানো।
কখনো মুখমণ্ডলের মাংসপেশিতে অসাড়তা।

চিকিৎসা
চিকিৎসক কান পরীক্ষা করে বা কানের পুঁজ পরীক্ষা করিয়ে নিতে পারেন।
অ্যান্টিবায়োটিকস খেতে দিতে পারেন।
ভবিষ্যতে আর এমনটা না হওয়ার জন্য পরামর্শ দেবেন।

প্রতিরোধ
কখনো শিশুদের কানের ভেতরে কিছু ঢোকানো যাবে না, এমনকি কটন বাড়ও নয়।
ছোট শিশুরা প্রচণ্ড কান্নাকাটি করলে কান দুটো ভালো করে পরীক্ষা করুন। ভিজে মনে হলে গন্ধ শুঁকে দেখুন। শিশুরা অনেক সময় সমস্যা নির্দিষ্ট করে নাও বলতে পারে।
জোরে নাক বন্ধ রেখে মুখ দিয়ে বাতাস বের করার চেষ্টা করলে কান আর শুকাবে না।
পেট্রোলিয়াম জেলিমিশ্রিত কটন উলের প্লাগ কানে বসানো হয়।
কান পাকার সময়ে  সুইমিংপুল ব্যবহার বা পুকুরে সাঁতার দেওয়া যাবে না, দিলেও কানের প্লাগ ব্যবহার করতে হবে, শিশুদের গোসলের আগে শাওয়ার ক্যাপ পরানো ভালো।

ডা. প্রণব কুমার চৌধুরী
শিশুরোগ বিভাগ

ক্যানসার প্রতিরোধে ফুলকপি

ডেস্ক :foolcopyবাজারে এখন শীতের সবজির তাজা ঘ্রাণ। হরেক রকমের সবজি এখন বাজার জুড়ে। এর মধ্যে ফুলকপি ছোট-বড় সবারই প্রিয়। এতে রয়েছে প্রচুর আঁশ, যা পরিপাকতন্ত্রকে ভালো রাখতে সাহায্য করে। আরও আছে অ্যান্টি-ক্যানসার বা ক্যানসার নিরোধক উপাদান।

চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, ফুলকপি খেলে মূত্রথলির ক্যানসারের ঝুঁকি ৪০ শতাংশ কমে যেতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রের রসওয়েল পার্ক ক্যানসার ইনস্টিটিউটের চিকিৎসকেরা বলছেন,এর জন্য সপ্তাহে অন্তত তিনবার ফুলকপি খেতে হবে।

একইসাথে মলাশয় ক্যানসারের ঝুঁকিও প্রায় অর্ধেক কমে যায় ফুলকপি খেলে। চিকিৎসকরা বলছেন, এর জন্য সপ্তাহে প্রায় দুই পাউন্ড ফুলকপি এবং এ জাতীয় সবজি খেতে হবে।

এছাড়া ফুলকপিতে আছে সালফোফেন নামের যৌগ, যা অস্টিওআর্থ্রাইটিস কমাতে সাহায্য করে। গরুর দুধের চেয়েও প্রায় পাঁচ গুণ বেশি ক্যালসিয়াম রয়েছে ফুলকপিতে। ২০০ গুণ বেশি আয়রন।

ফুলকপি বেশি সেদ্ধ বা রান্না করলে এর সালফার যৌগ নষ্ট হয়ে যায় এবং এসব গুণাগুণ অনেকটাই বিনষ্ট হয়। সম্পূর্ণ গুণাগুণ পেতে ফুলকপিকে সামান্য ভাপ দিয়ে বা স্টিম করে খেতে হবে।

তবে যাদের অ্যাসিডিটির সমস্যা আছে, তাদের ক্ষেত্রে ফুলকপি খেতে একটু সাবধান হতে হবে। অনেকের ফুলকপি খেলে গ্যাস দেখা দেয়। সেক্ষেত্রে ফুলকপি খেতে পরিমিতভাবে ঝোল করে খেতে হবে।

 

জেনে নিন বয়স লুকানোর কিছু উপায়

ডা: এস কে দাস: অনেকেই আছেন চেহারায় বয়স লুকাতে চান। নিজেকে সদা তরুণ ও সদা প্রফুল্ল রাখতে চান। অন্যের সামনে নিজেকে কম বয়সী হিসেবে হাজির করতে চান। তাদের জন্য কিছু উপায় বাতলে দেয়া গেল ১. সপ্তাহে তিন দিন রাতে ভালো মানের মধু খান ও চেহারায় মেখে ধুয়ে ফেলুন।
২. অবশ্যই নিয়মমাফিক পানি পান করুন।girl2-224x300
৩. অস্বাস্থ্যকর খাবার এড়িয়ে চলুন।
৪. পছন্দের বা বিনোদনমূলক স্থানগুলো ভ্রমণ করুন।
৫. ছলনা করবেন না। ভালোবাসায় ছলনা আপনাকে অচিরেই বুড়িয়ে দেবে।
৬. জীবনসঙ্গীর সাথে বেশি সময় কাটান।
৭. নিজের চেয়ে বয়স বেশি, এমন মানুষের সঙ্গে সময় কাটান বেশি বেশি।
৮. ইতিবাচক চিন্তা করুন। নেতিবাচক চিন্তা চেহারায় বসয়ের ছাপ ফেলে।
৯. চোয়াল খানিক এলিয়ে থাকতে দিন। মুখের ভারিক্কি ভাব দূর হয়ে যাবে।
১০. শিরদাঁড়া সোজা রেখে দাঁড়িয়ে থাকার অভ্যাস করুন।
১১. সুযোগ পেলে নাচুন।
১২. বেশি বেশি মন খুলে হাসুন।
১৩. মন থেকে ভালোবাসুন বই, গাছ, আকাশ।
১৪. সবসময় উদ্যমী ও প্রাণবন্ত থাকুন।
১৫. নিয়ম করে ঘুমান।
১৬. বৃক্ষজাত খাবার বেশি খান।
১৭. মুটিয়ে যাবেন না কখনই। মুটিয়ে যাওয়া মানেই নিজেকে বয়সী করে তোলা।

শুক্রাণুকে দুরন্ত গতি দিতে গাজর খান

ডেস্ক: গতিময় জীবনে আপনার শুক্রাণুই বা পিছিয়ে থাকবে কেন? শুক্রাণুকে কি উসেইন বোল্টের গতি দিতে চান? তাহলে অবশ্যই বেশি করে গাজর খান। নতুন এক গবেষণায় উঠে এসেছে শাক-সব্জী সুস্থ সবল শুক্রাণু তৈরিতে বিশেষ ভূমিকা গ্রহণ করে। হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল অফ পাবলিক হেলথের গবেষকরা দাবি করেছেন গাজর একাই ডিম্বাণুর দিকে শুক্রাণুর গতি কয়েক গুণ বাড়িয়ে দেওয়ার ক্ষমতা রাখে। গাজরের সঙ্গে লেটুস, পালংও বাড়িয়ে দিতে পারে শুক্রাণুর গতি।

গাজর, লেটুস, পালংয়ের মত সব্জীতে বিটা-ক্যারোটিন নামের এক জাতীয় অ্যান্টিঅক্সিডান্ট থাকে। গবেষকদের মতে এই অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট ডিম্বাণু অভিমুখে শুক্রাণুর গতি ৬.৫% থেকে ৮% বাড়িয়ে দিতে পারে।

অন্যদিকে, টম্যাটোর মধ্যে লাইকোপেন নামক এক ধরনের প্রোটিন থাকে। টম্যাটোর লাল রংয়ের জন্য দায়ি এই প্রোটিন। লাইকোপেন অস্বাভাবিক আকৃতির শুক্রাণুর উৎপন্নকে প্রতিহত করে।

এলাচ দিয়ে রোগ নিরাময়

অনলাইন ডেস্ক: ভারতীয় উপমহাদেশের রসনা বিলাসের অন্যতম উপাদান মশলা। এলাচ তার অন্যতম। বেদ এ উল্লেখ আছে ‘দ্রাবিড়ীণাং ফলং’ অর্থাৎ এলাচ দানার কথা। এটি দ্রাবিড় অঞ্চলে হয়ে থাকে বলে এর নাম দ্রাবিড়ী। উত্তরবঙ্গ ও সিকিমেও পাওয়া যায় এ মশলাটি। ফল বহণকারী পুষ্পমঞ্জরীদুটি ‘এলাইয়া পড়ে’ বলে এর নাম ‘এলাচ’ হয়েছে বলে মনে করেন অনেক গবেষক। দ্রাবিড় ভাষায় একে বলে 73976_el‘এলা’। পৌরানিক আমল থেকে সুপরিচিত এই মশলার কিছু ভেষজ গুনাবলীর কথা আজ জানা যাক-
এলাচ বাটা বা গুড়া ও তেল ব্যবহার করা হয় নানা কাজে।
১। পেটে বায়ু জমে নিঃসারিত না হলে এলাচের কাত্থ (বাটা) এক কাপ সকালের দিকে একবার খেলে ভাল ফলাফল পাওয়া যায়। হজমের গোলযোগেও খালি পেটে এলাচ বাটা পানিতে মিশিয়ে খাওয়া যায়।
৩। কোষ্ঠবদ্ধতায় এক গ্লাস ইষদুষ্ণ এলাচের কাত্থ একবার খেয়ে দেখতে পারেন।
৪। শ্বাসকষ্টে বা ব্রঙ্কিয়াল এজমা থাকলে ২টি ছোট এলাচের এবং ২টি বড় এলাচের কাত্থ করে এক কাপ সেবন করুন।
৫। হাঁপানি বা কার্ডিয়াক এজমার জন্য সমপরিমাণ পিপুল ও ছোট এলাচ চূর্ণ অল্প ঘিয়ের সঙ্গে মিশিয়ে খেতে পারেন।
৬। গা-হাত-পায়ে ব্যথায় বা যন্ত্রণায় বড় এলাচের কাত্থ দিনে দুবার খেয়ে দেখতে পারেন।
৭। খিঁচুনি ধরা ব্যথায় এবং চুলকানির মত সমস্যায়ও এলাচ কার্যকরি ঔষধীর ভূমিকা রাখতে পারে।

Responsive WordPress Theme Freetheme wordpress magazine responsive freetheme wordpress news responsive freeWORDPRESS PLUGIN PREMIUM FREEDownload theme free

hit counter