প্রাথমিক শিক্ষা

প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের ইংরেজিতে পারদর্শী করার নির্দেশ

শিক্ষাবার্তা ডেস্কঃ

প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের বাংলার পাশাপাশি ইংরেজিতে পারদর্শী করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেছেন, প্রাথমিকের শিক্ষার মান উন্নয়নে উদ্যোগ নিতে হবে। বিশেষ করে ছোট ছেলে-মেয়েদের বাংলা শিক্ষার পাশাপাশি ইংরেজিতে পারদর্শী করতে হবে। ছোট ছেলে-মেয়ারা অনেক মেধাবী হয়। পারলে তারা আরও দু- একটি ভাষাতেও পারদর্শী হতে পারে।

মঙ্গলবার জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) বৈঠকে এসব নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের (এনইসি) সম্মেলন কক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠক শেষে ব্রিফিংয়ে প্রধানমন্ত্রীর এই নির্দেশনা জানান পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল।

সভায় শেখ হাসিনা বলেন, এখন থেকে ক্লাসরুমে বাংলার পাশাপাশি ইংরেজি ভাষা ব্যবহার করতে হবে। দুটি ভাষা অবশ্যই শেখাতে হবে। এর বাইরে আরও একটি ভাষা শিখলে ভালো হয়।

‘ছোট ছেলে-মেয়েদের পরিচ্ছন্নতা সংক্রান্ত শিক্ষা দিতে হবে। এ জন্য প্রয়োজনে পাঠ্যপুস্তকে এই ধরনের অধ্যায় সংযোজন করতে হবে। অন্যদিকে ট্রাফিক সংক্রান্ত শিক্ষাও দিতে হবে। দেশের প্রায় সর্বত্র যানবাহনের পরিমাণ বেড়েছে। এ জন্য কীভাবে তারা রাস্তা পারাপার হবে সে সংক্রান্ত শিক্ষাও তাদের দিতে হবে’- বলেন তিনি।

একনেক সভায় চিনি কলে বর্জ্য শোধনাগার স্থাপন সংক্রান্ত প্রকল্প অনুমোদন দেয়া হয়। এ সময় সরকারি ১৫টি চিনি কল বন্ধ না করার নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী। এগুলো বাঁচাতে তিনটি পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, চিনিকলগুলো বর্তমানে বছরের ৩ মাস চিনি উৎপাদন করে। বাকি সময় কাজে লাগাতে চিনি আমদানি করে সেগুলো রিফাইন্ড করতে হবে। তাহলে সারাবছর রিফাইনারি হিসেবে কাজ করবে এবং লাভজনক হবে। এ ছাড়া চিনি উৎপাদনে আখের পাশাপাশি সুগার বিট উৎপাদন ও ব্যবহার করতে হবে। সেইসঙ্গে ঝোলা গুড় দিয়ে স্প্রিট তৈরি করতে হবে।

jagonews24

সভায় মোট ১৬ প্রকল্পের অনুমোদন দেয়া হয়। এর মধ্যে চতুর্থ প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচি (পিইডিপি-৪) প্রকল্পও রয়েছে। প্রাইমারি শিক্ষার মানোন্নয়নে এই প্রকল্পের আওতায় আগামী পাঁচ বছরে এক লাখ ৬৫ হাজার শিক্ষক নিয়োগ ও পদায়ন করা হবে। একই সঙ্গে প্রায় বিদ্যমান তিন লাখ শিক্ষককে প্রশিক্ষণ দেয়া হবে। উন্নয়ন করা হবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অবকাঠামো।

প্রকল্পটির প্রাক্কলিত ব্যয় ধরা হয়েছে ৪৪ হাজার ৬৫৪ কোটি টাকা। এর মধ্যে বাংলাদেশ সরকার (জিওবি) দেবে ৩১ হাজার ৮৪৮ দশমিক ৫৭ কোটি টাকা এবং প্রকল্প সাহায্য হতে নেয়া হবে ১২ হাজার ৮০৫ কোটি টাকা। প্রকল্পে উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা বিশ্বব্যাংক, এডিবি, জাইকা, ইইউ, ডিএফআইডি, অস্ট্রেলিয়ান এইড, কানাডিয়ান সিডা, সুইডিশ সিডা ও ইউনিসেফ ঋণ সহায়তা দেবে।

Facebooktwitterredditpinterestlinkedinmail

গোপালগঞ্জে প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় অসুদাপয় অবলম্বনের অভিযোগে ৬ জনকে জেল

গোপালগঞ্জ সংবাদদাতা :  গোপালগঞ্জে প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় অসুদাপয় অবলম্বনের অভিযোগে ৬ জনকে জেল-জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমান আদালত।

 

শুক্রবার গোপালগঞ্জ জেলায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ২শ’টি সহকারী শিক্ষক পদের বিপরীতে ২১ টি কেন্দ্রে ১৪ হাজার ২০ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেন।

 

নিয়োগ পরীক্ষা চলাকালে ইলেকট্রনিক ডিভাইস ব্যবহার করে পরীক্ষায় অংশ গ্রহনের অভিযোগে গোপালগঞ্জ স্বর্নকলি উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্র থেকে শংকর দাস, শিউলি মজুমদার, কনা মল্লিক, হামিদা আক্তার. মিম বালা ও তনুজা বিশ্বাসকে বহিস্কার করে তাদেরকে ভ্রাম্যমান আদালতে সোপর্দ করা হয়।

 

পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট মোঃ মোহসিন উদ্দিন তাদেরকে উপরোক্ত সাজা প্রদান করেন।

Facebooktwitterredditpinterestlinkedinmail

প্রধান শিক্ষক পদে চলতি দায়িত্ব হস্তান্তরে অস্বীকৃতি : নালিতাবাড়ীতে দুই সহকারী শিক্ষকসহ তিন প্রধান শিক্ষককে শোকজ, বেতন-ভাতা বন্ধ

নালিতাবাড়ী (শেরপুর)প্রতিনিধি : সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের শুন্যপদে চলতি দায়িত্বপ্রাপ্তদের দায়িত্ব হস্তান্তরে অস্বীকৃতি প্রদান করায় কারণ দর্শানোর নোটিশের পাশাপাশি বেতন-ভাতা বন্ধ করে দিয়েছেন কর্তৃপক্ষ। তিনটি বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক ও দুইজন সহকারী শিক্ষকের বিরুদ্ধে এ ব্যবস্থা নিয়েছে শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয়।
জানা গেছে, সরকারের সিদ্ধান্তের আলোকে গত ১ এপ্রিল নালিতাবাড়ী উপজেলার মোট ৩৪টি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের শুন্যপদে ৩৪জন সিনিয়র সহকারী শিক্ষকদের চলতি দায়িত্ব প্রদান করে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয়। ওই আদেশ মতে চলতি দায়িত্বপ্রাপ্তরা সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়সমূহে যোগদান করতে গেলে বেশকিছু বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক দায়িত্ব হস্তান্তরে অস্বীকৃতি জানান। পরে উর্ধতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপে বেশকিছু বিদ্যালয়ে দায়িত্ব প্রদান করা হয়। কিন্তু কর্তৃপক্ষের নির্দেশ অমান্য করে পিঠাপুনি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, জামিরাকান্দা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় ও কালিনগর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সংশ্লিষ্ট ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকগণ চলতি দায়িত্ব প্রাপ্তদের দায়িত্ব হস্তান্তর করেননি। এমতাবস্থায় উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে উল্লেখিত তিনটি বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান (সহকারী শিক্ষক হিসেবে গেজেটভুক্ত) শিক্ষক মোঃ শাহজাহান আলম, মোঃ আমিরুল ইসলাম ও মোখলেছুর রহমান লিটনকে শৃংখলা পরিপন্থি কাজের জন্যে ‘কেন তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না’ মর্মে ৫ কার্যদিবসের মধ্যে কারণ দর্শানোর নোটিশ প্রদান করা হয় এবং তাদের বেতন-ভাতাদি বন্ধ করা হয়। একইসঙ্গে চলতি দায়িত্বপ্রাপ্তদের এমআর (মাসিক প্রতিবেদন) শীটে স্বাক্ষর না করায় কালিনগর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী দুই শিক্ষক মানিক মিয়া ও রফিকুল্লাহকে একইভাবে কারণ দর্শানোর নোটিশ প্রদানসহ তাদের বেতন-ভাতাও বন্ধ রাখা হয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা ফজিলাতুন্নেছা জানান, গত ৩ মে তাদের কারণ দর্শানোর নোটিশ প্রদান করা হয়েছে এবং বেতন-ভাতা স্থগিত রাখা হয়েছে।
এছাড়াও তিনি জানান, এর আগে অনিয়ম, শৃংখলা ভঙ্গ ও ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণের জন্য পিঠাপুনি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোঃ শাহজাহান আলমকে কারণ দর্শানোর নোটিশ প্রদান করা হয়। কিন্তু তিনি সন্তোষজনক জবাব না দিয়ে উল্টো হাস্যকর ও ঔদ্ধত্যপূর্ণ জবাব দেওয়ায় তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা দায়ের করা হয়েছে।

Facebooktwitterredditpinterestlinkedinmail

জাতীয়করন প্রধান শিক্ষকদের টাইম স্কেল বাতিলের সিদ্ধান্ত নিয়ে রুল

নিজস্ব প্রতিবেদক : জাতীয়করণকৃত প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের টাইম স্কেল বাতিলে ডিভিশনাল কন্ট্রোলার অব অ্যাকাউন্টসের (ডিসিএ- ঢাকা) আদেশ কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।

মঙ্গলবার এক রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে বিচারপতি নাইমা হায়দার ও বিচারপতি জাফর আহমদের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রুল জারি করেন।

আগামী ১০ দিনের মধ্যে অর্থ মন্ত্রণালয়ের সচিব, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং কন্ট্রোলার জেনারেল অব অ্যাকাউন্টসের কার্যালয়কে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

আদালতে রিট আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার ফজলে নূর তাপস, ব্যারিস্টার আবুল কালাম আজাদ এবং ব্যারিস্টার জহির উদ্দিন বাবর। অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মোখলেছুর রহমান।

ব্যারিস্টার আবুল কালাম আজাদ বলেন, গত ২৬ এপ্রিল ডিভিশনাল কন্ট্রোলার অব অ্যাকাউন্টসের কার্যালয় থেকে ডেপুটি ডিভিশনাল কন্ট্রোলার কর্তৃক স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে বলা হয়, নিম্ন পদ (সহকারী শিক্ষক) ও উচ্চ পদ (প্রধান শিক্ষক) চাকরির সমষ্টির (৫০ শতাংশ) ভিত্তিতে টাইম স্কেল প্রাপ্য নয়।

কিন্তু  জাতীয়করণকৃত প্রাথমিক  বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের চাকরি বিধিমালা, ২০১৩ এর ২(গ) এবং ৯(১ ও ৩) অনুযায়ী প্রধান শিক্ষকগণ চাকরির সমষ্টির ভিত্তিতে টাইম স্কেল প্রাপ্য বলে আবুল কালাম আজাদ জানান। এর পরিপ্রেক্ষিতে চাকরি বিধিমালা অনুসারে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকগণ ২০১৩ সাল থেকে টাইম স্কেল সুবিধা পেয়ে আসছে। এরপরেও ডিসিএর ওই বিতর্কিত চিঠির কারণে জেলা ও উপজেলার হিসাবরক্ষণ অফিস প্রধান শিক্ষকদের বেতন-ভাতা অনুমোদনে অপরাগতা প্রকাশ করেন। এ অবস্থায় উক্ত চিঠির বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়।

ময়মনসিংহের তারাকান্দা উপজেরার হারুনুর রশিদ আকন্দ, মো. হাবিবুর রহমান, হালুয়াগাট উপজেলার নবী হোসেন, গফরগাঁও উপজেলার জহিরুল ইসলাম ও ত্রিশাল উপজেলার মাজহার হোসেনসহ ১০৮ জন প্রধান শিক্ষক রিটটি দায়ের করেন।

রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে আদালত উক্ত আদেশ দেন।

Facebooktwitterredditpinterestlinkedinmail

রংপুরে ঘুষের টাকাসহ প্রাথমিক শিক্ষার উপপরিচালক গ্রেপ্তার

রংপুর প্রতিনিধি : রংপুরে ঘুষের টাকাসহ প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর রংপুর বিভাগীয় কার্যালয়ের উপপরিচালক সিরাজুল ইসলামকে সোমবার গ্রেপ্তার করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

দুদকের রংপুর কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক জাহাঙ্গীর আলম জানান, সোমবার সন্ধ্যা পৌনে সাতটার দিকে রংপুর প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগীয় কার্যালয়ে অভিযান চালানো হয়। ঢাকা থেকে আসা ঢাকা বিভাগীয় দুদক কার্যালয়ের পরিচালক নাসিম আনোয়ারের নেতৃত্বে সাত সদস্যের একটি দল ওই অভিযান চালায়। অভিযানে ওই শিক্ষা কর্মকর্তার ড্রয়ার থেকে ৬০ হাজার উদ্ধার করে। এই টাকা নেওয়া হয়েছিল ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুর উপজেলার বালিহারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক শারমিন আকতারের কাছ থেকে। তিনি (শিক্ষক) তাঁর বদলির জন্য দীর্ঘদিন ধরে ঘুরছিলেন। শেষে তাঁর (উপপরিচালক) দাবি করা ৬০ হাজার টাকা ঘুষ হিসেবে সোমবার সন্ধ্যার আগে দেওয়া হয়। আর ওত পেতে থাকা দুদকের দলটি ঘুষের টাকাসহ ওই কর্মকর্তাকে আটক করে।

এ ঘটনায় ঢাকা বিভাগীয় দুদক কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মাসুদুর রহমান বাদী হয়ে রংপুর কোতোয়ালি থানায় একটি মামলা করেছেন।

Facebooktwitterredditpinterestlinkedinmail

সদ্য জাতীয়করণকৃত প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কর্মরত সহকারি শিক্ষকদের চাকুরী রাজস্বখাতে আত্নীকরণে হাইকোর্টের রুল।

ডেস্ক,৯ এপ্রিল: খুলনা জেলার বিভিন্ন উপজেলার সদ্য জাতীয়করণকৃত প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কর্মরত ১৯ জন সহকারি শিক্ষকগনের চাকুরী রাজস্বখাতে নিয়োগ/আত্নীকরণের নির্দেশনা চেয়ে মহামান্য হাইকোর্ট বিভাগে একটি রীট পিটিশন দায়ের করেন। রীটকারীদের পক্ষে রীট পিটিশনটি শুনানী করেন আইনজীবী অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ সিদ্দিক উল্লাহ্ মিয়া।

গতকাল ০৮/০৪/২০১৮ ইং তারিখে মহামান্য হাইকোর্ট বিভাগের মাননীয় বিচারপতি নাঈমা হায়দার এবং মাননীয় বিচারপতি জাফর আহম্মেদ এর সমন্বয়ে গঠিত দ্বৈত বেঞ্চ এ রীট পিটিশনের প্রাথমিক শুনানী শেষে রীটকারী কর্মরত শিক্ষকগনের চাকুরি রাজস্বখাতে নিয়োগ/আত্রীকরনের ব্যর্থতা কেন অবৈধ ঘোষনা করা হবেনা এবং একই সাথে কেন উক্ত শিক্ষকগনের চাকুরি রাজস্বখাতে আতœীকরনের নির্দেশনা দেওয়া হবে না তা জানতে চেয়ে বিবাদীগণের প্রতি ৪ সপ্তাহের রুলনিশি জারী করেন মহামান্য হাইকোর্টের এই দ্বৈত বেঞ্চ।

প্রাথমিক ও গনশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিবসহ ৭ জনকে বিবাদী করা হয়েছে। রীটকারীদের পক্ষে শুনানী করেন অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ সিদ্দিক উল্লাহ মিয়া ও রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন, ডেপুটি এর্টনি জেনারেল মোখলেছুর রহমান।

অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ সিদ্দিক উল্লাহ মিয়া বলেন, রীট আবেদনকারী ১৯ জনকে খুলনা জেলার বিভিন্ন উপজেলার বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে (সদ্য জাতীয়করণকৃত) সহকারি শিক্ষক পদে নিয়োগ প্রদান করা হয়। সম্প্রতি ২০১৩ সালে বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সহ অন্যান্য সকল রেজিঃ প্রাথমিক বিদ্যালয় জাতীয়করণের ঘোষনা দেওয়া হয়। উক্ত নির্দেশনা অনুসারে রীট আবেদনকারীদের বিদ্যালয়গুলো জাতীয়করণ করা হয় ও পরবর্তীতে সময়ে রীট আবেদনকারীদের সহকর্মী শিক্ষকদেরকে রাজস্বখাতে নিয়োগ/আতœীকরণ করা হয় কিন্তুু রীট আবেদনকারীদের নিয়োগ/আতœীকরণ করা হয়নাই। বিধি অনুসারে রাজস্বখাতে নিয়োগ/আতœীকরণ সকল শর্ত পূরন করা হলেও তাদের নিয়োগ/আতœীকরণ করা হয়নি। অবশেষে রীটকারীগন প্রাথমিক ও গনশিক্ষা মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরে যোগাযোগ করা হলেও তাদের আতœীকরণ করা হলে জাতীয়করণকৃত প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বাদ পড়া কর্মরত ১৯ জন সহকারি শিক্ষক চাকুরী রাজস্বখাতে নিয়োগ/আতœীকরণের নির্দেশনা চেয়ে মহামান্য হাইকোর্ট বিভাগে এই রীট পিটিশন দায়ের করেন । রীটকারীগণ হলেন খুলনা জেলার জেলার বায়রা উপজেলার নূরনাস আকতার, সামসুন নাহার, হোসনেয়ারা আকতার, মেহজাবিন ইসলাম সোনাডাঙ্গা উপজেলার রিনজিন খাতুন সহ সর্বমোট ১৯ জন সহকারি শিক্ষক ।

Facebooktwitterredditpinterestlinkedinmail

১২ জেলায় সহকারী শিক্ষক নিয়োগ ২০১৪ পরীক্ষা ২০ এপ্রিল

নিজস্ব সংবাদদাতাঃ  দেশের ১২ জেলায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে রাজস্ব খাতভুক্ত ‘সহকারী শিক্ষক নিয়োগ ২০১৪’ লিখিত পরীক্ষা ২০ এপ্রিল অনুষ্ঠিত হবে।

রোববার প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের উপ-পরিচালক (নিয়োগ) একেএম সাফায়েত আলম স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে রাজস্ব খাতভুক্ত ‘সহকারী শিক্ষক নিয়োগ ২০১৪’ লিখিত পরীক্ষা আগামী ২০ এপ্রিল (শুক্রবার) সকাল ১০ টা থেকে বেলা ১১ টা ২০ মিনিট পর্যন্ত মেহেরপুর, নড়াইল, চুয়াডাঙ্গা, মুন্সিগঞ্জ, শরীয়তপুর, মাদারীপুর, ঝালকাঠি, নারায়ণগঞ্জ, বরগুনা, ফেনী, লক্ষ্মীপুর ও জয়পুরহাট জেলায় একযোগে অনুষ্ঠিত হবে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে রাজস্ব খাতভুক্ত ‘সহকারী শিক্ষক নিয়োগ ২০১৪’ লিখিত পরীক্ষা আগামী ২০ এপ্রিল (শুক্রবার) সকাল ১০ টা থেকে বেলা ১১ টা ২০ মিনিট পর্যন্ত মেহেরপুর, নড়াইল, চুয়াডাঙ্গা, মুন্সিগঞ্জ, শরীয়তপুর, মাদারীপুর, ঝালকাঠি, নারায়ণগঞ্জ, বরগুনা, ফেনী, লক্ষ্মীপুর ও জয়পুরহাট জেলায় একযোগে অনুষ্ঠিত হবে।

ওএমআর শীট পূরণের নির্দেশনাবলী ও পরীক্ষা সংক্রান্ত অন্যান্য তথ্য ওয়েবসাইটে www.dpe.gov.bd-এ পাওয়া যাবে।

Facebooktwitterredditpinterestlinkedinmail

১২ জেলায় ২০১৪ সালে প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগ পরীক্ষা ২০ এপ্রিল

নিজস্ব প্রতিবেদক,৬ এপিল:শরীয়তপুর সহ ১২ জেলায় ২০১৪ সালে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগ পরীক্ষা আগামী ২০/০৪/২০১৮ তারিখে নেবার সিদ্ধান্ত হয়েছে। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের এক বিশ্বস্ত সুত্র থেকে এ খবর নিশ্চিত করেছে শিক্ষাবার্তা প্রতিবেদকের কাছে। আগামী রবিবার ১২ জেলার ডিপিইও রা ইমেলের মাধ্যমে জানতে পারবে বলে জানান ওই কর্মকর্তা। ইতিমধ্যে সকল ডিপিইওকে টেলিফোনে জানিয়ে দেয়া হয়েছে।

বিস্তারিত আসছে।oে

আগামীকাল চোখ রাখুন দৈনিক শিক্ষাবার্তা পত্রিকায়।

Facebooktwitterredditpinterestlinkedinmail

প্রাথ‌মিক স্তরেই প্রোগ্রা‌মিং : মোস্তফা জব্বার

ডেস্ক ঃ শিশুদের প্রাথ‌মিক স্তর থে‌কেই প্রোগ্রা‌মিং শেখা‌নোর উদ্যোগ নেওয়া হ‌চ্ছে ব‌লে জা‌নি‌য়ে‌ছেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী মোস্তফা জব্বার।

বৃহস্প‌তিবার (৫ এপ্রিল) ম‌তি‌ঝি‌লের চেম্বার ভব‌নে ‘প্রযু‌ক্তি, উদ্ভাবন ও তার প্র‌য়োগ’ বিষয়ক এক সে‌মিনা‌রে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তি‌নি এ পরিকল্পনার কথা জানান। সে‌মিনা‌রটির আ‌য়োজক মে‌ট্রোপ‌লিটন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ড্রা‌স্টি (এম‌সি‌সিআই)।

মোস্তফা জব্বার ব‌লেন, উদ্ভাবনী কা‌জের পেছনে সরকা‌রের বরাদ্দ অনেক কম। এ কা‌জে নতুন প্রজন্ম‌কে সহযোগিতা দেওয়ার জন্য এম‌সি‌সিআই যে দাবি জানিয়েছে, তা সরকা‌রের উচ্চমহ‌লে পৌঁছা‌নোর জন্য দায়িত্ব নি‌চ্ছি।

‌সে‌মিনা‌রে এম‌সি‌সিআই সভাপ‌তি নিহাদ ক‌বির ব‌লেন, তথ্যপ্রযুক্তি খা‌তে উদ্যো‌গ গ্রহণের ক্ষে‌ত্রে এখনও ট্যাক্স সংক্রান্ত ঝামেলা র‌য়ে‌ছে। এ বিষ‌য়টিও সমাধা‌ন প্রয়োজন।

‌সে‌মিনা‌রে কী-নোট উপস্থাপন ক‌রেন নর্থ সাউথ বিশ্ব‌বিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মো. রুজনুজ্জামান।

সেমিনারে আরও বক্তব্য রাখেন প্রযু‌ক্তি‌বিদ ও প্র‌কৌশলী ড. জা‌মিলুর রেজা চৌধুরী, ড. আরিফ দৌলা, হা‌বিবুল্লাহ এন ক‌রিম, মাই‌ক্রোসফট বাংলা‌দে‌শের কা‌ন্ট্রি ডি‌রেক্টর সো‌নিয়া ব‌শির প্রমুখ।

Facebooktwitterredditpinterestlinkedinmail

এ মাসেই প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ । নীতিমালায় পরিবর্তন

এস কে দাস: সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষক নিয়োগ বিধিমালায় বড় পরিবর্তন আসছে। নিয়োগপ্রার্থীদের শিক্ষাগত যোগ্যতা, বয়সসহ নানা ক্ষেত্রে পরিবর্তনের বিধান রেখে এরই মধ্যে নতুন নিয়োগ বিধিমালার খসড়া প্রণয়ন করেছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর (ডিপিই)। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় ওই খসড়া যাচাই-বাছাই করছে। এ মাসেই সহকারী শিক্ষক পদে শিক্ষক নিয়োগ আসবে বলে প্রাথমিক অধিদপ্তর সুত্রে জানা যায়।
বর্তমানে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে ২০১৩ সালে প্রণীত বিধিমালা অনুযায়ী।
জানা যায়, নতুন বিধিমালায় বড় আকারে পাঁচটি পরিবর্তন আসছে। ২০১৩ সালের নিয়োগ বিধিমালায় পুরুষ ও নারীর জন্য আলাদা শিক্ষাগত যোগ্যতা রয়েছে। সহকারী শিক্ষক পদে পুরুষের জন্য স্নাতক আর নারীদের জন্য উচ্চ মাধ্যমিক পাস হতে হয়। কিন্তু নতুন বিধিমালায় সহকারী শিক্ষক পদে পুরুষ ও নারী উভয়ের ক্ষেত্রেই শিক্ষাগত যোগ্যতা স্নাতক প্রস্তাব করা হয়েছে। তবে নারীদের জন্য ৬০ শতাংশ কোটা বহাল থাকছে।
সরাসরি প্রধান শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে এত দিন স্নাতক পাস হলেই আবেদন করা যেত। নতুন বিধিমালার খসড়ায় এই শিক্ষাগত যোগ্যতা স্নাতকোত্তর প্রস্তাব করা হয়েছে। এত দিন প্রধান শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে বয়সসীমা ছিল ২৫ থেকে ৩৫ বছর। কিন্তু এখন এই পদটি দ্বিতীয় শ্রেণিতে উন্নীত হওয়ায় সরকারি কর্মকমিশনের (পিএসসি) নীতিমালার সঙ্গে সংগতি রেখে বয়স নির্ধারণ করা হয়েছে ২১ থেকে ৩০ বছর। তবে আগের মতো সহকারী শিক্ষকদের মধ্য থেকে ৬৫ শতাংশ পদোন্নতির মাধ্যমে প্রধান শিক্ষক হওয়ার বিধানও থাকছে। সে ক্ষেত্রে শিক্ষাগত যোগ্যতা হবে শিথিলযোগ্য। বাকি ৩৫ শতাংশ পদে সরাসরি নিয়োগ দেওয়া হবে। তবে এই পদে নিয়োগ ও পদোন্নতির পুরো দায়িত্বই থাকবে পিএসসির।
নতুন বিধিমালায় বিষয়ভিত্তিক শিক্ষক নিয়োগেও জোর দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে যেকোনো বিষয়ে পাস করা প্রার্থীর সমান সুযোগ রয়েছে। কিন্তু এতে মানবিক বিভাগ থেকে আসা শিক্ষকরা গণিত ও বিজ্ঞানের মতো বিষয়গুলো সহজে আত্মস্থ করতে পারেন না। এ কারণে নতুন বিধিমালায় সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগের ক্ষেত্রে মোট পদের শতকরা ২০ ভাগ বিজ্ঞান বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রিধারীদের মধ্য থেকে নেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে। এ ছাড়া ক্লাস্টার বা উপজেলাভিত্তিক আর্ট ও সংগীত শিক্ষক রাখার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।
নতুন বিধিমালা কার্যকর হলে শিক্ষক নিয়োগ আগের মতোই উপজেলা বা থানাভিত্তিক হবে। তবে কেন্দ্রীয়ভাবে গঠিত সহকারী শিক্ষক নির্বাচন কমিটির সুপারিশ ছাড়া কোনো ব্যক্তিকে সহকারী শিক্ষক পদে সরাসরি নিয়োগ দেওয়া যাবে না। বাংলাদেশের স্থায়ী বাসিন্দা না হলে কাউকে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক পদে নিয়োগ দেওয়া যাবে না। এমন ব্যক্তিকে বিবাহ করেছেন অথবা বিবাহ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, যিনি বাংলাদেশের নাগরিক নন, এমন ব্যক্তিকেও শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া যাবে না।
নতুন বিধিমালার খসড়ায় বলা হয়েছে, ১৩তম থেকে ১৬তম বেতন গ্রেডের কোনো পদে থাকা শিক্ষককে দশম থেকে দ্বাদশ বেতন গ্রেডের কোনো পদে পদোন্নতির সুপারিশ করা যাবে। আর দশম থেকে দ্বাদশ গ্রেডে থাকা শিক্ষক নবম বা তদূর্ধ্ব গ্রেডের কোনো পদে পদোন্নতির সুপারিশ পেতে পারেন। তবে উভয় ক্ষেত্রেই পিএসসির সুপারিশ প্রয়োজন হবে। ২০১৩ সালের নিয়োগ বিধিমালায় এসব শর্ত নেই। বর্তমানে কোনো ব্যক্তির শিক্ষক পদে যোগদান করার তিন বছরের মধ্যে প্রশিক্ষণ বা উচ্চতর ডিগ্রি অর্জনের বাধ্যবাধকতা থাকলেও নতুন বিধিতে তা থাকছে না।
Facebooktwitterredditpinterestlinkedinmail

চুয়াডাঙ্গাসহ ১২ জেলায় সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা ২০ এপ্রিল

নিজস্ব প্রতিবেদক,৪ এপিল: চুয়াডাঙ্গা সহ ১২ জেলায় ২০১৪ সালে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগ পরীক্ষা আগামী ২০/০৪/২০১৮ তারিখে নেবার সিদ্ধান্ত হয়েছে। বিস্তারিত আসছে। আগামীকাল চোখ রাখুন দৈনিক শিক্ষাবার্তা পত্রিকায়।

Facebooktwitterredditpinterestlinkedinmail

প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষায় বৃত্তি পেয়েছে ৮২ হাজার ৫০০ জন

অনলাইন রিপোর্টার ॥ প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমান ফিজার আজ মঙ্গলবার সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের তালিকা প্রকাশের কথা জানান এবং এর বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন।

প্রাথমিক সমাপনীর ফলাফলের ভিত্তিতে এবার ৮২ হাজার ৫০০ জন বৃত্তি পেয়েছে। এর মধ্যে ৩৩ হাজার ট্যালেন্টপুলে এবং ৪৯ হাজার ৫০০ জন সাধারণ বৃত্তি পেয়েছে।

বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের তালিকা পাওয়া যাবে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে (www.dpe.gov.bd)।

ট্যালেন্টপুলে বৃত্তিপ্রাপ্তদের মাসে ৩০০ টাকা এবং সাধারণ বৃত্তিপ্রাপ্তদের মাসে ২২৫ টাকা করে দেওয়া হবে। ষষ্ঠ থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত তিন বছর বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা বৃত্তির টাকা পাবে।

শিক্ষার্থীদের ঝরে পড়া রোধ, শ্রেণিকক্ষে উপস্থিতি বৃদ্ধি এবং মেধার স্বীকৃতি দিতে প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষায় ফলাফলের ভিত্তিতে বৃত্তি দেওয়া হয়। এবার বৃত্তি পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা বাড়ানোর পাশাপাশি বৃত্তির অর্থের পরিমাণও বাড়িয়েছে গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে।

গত বছরের প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষায় ৯৫ দশমিক ১৮ শতাংশ ও ইবতেদায়ীতে ৯২ দশমিক ৯৪ শতাংশ শিক্ষার্থী পাস করে। প্রাথমিকে ২ লাখ ৬২ হাজার ৬০৯ জন এবং ইবতেদায়ীতে ৫ হাজার ২৩ জন জিপিএ-৫ পায়।

Facebooktwitterredditpinterestlinkedinmail

সমাপনীতে পুনঃনিরীক্ষার পর ২৬ হাজার ৩৮৬ শিক্ষার্থীর ফল পরিবর্তন

অনলাইন রিপোর্টার ॥ আজ মঙ্গলবার প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর (ডিপিই) সূত্রে জানা গেছে, প্রাথমিক ও ইবতেদায়ি সমাপনী পরীক্ষায় ২৬ হাজার ৩৮৬ শিক্ষার্থীর ফল পরিবর্তন হয়েছে। তার মধ্যে প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনীতে (পিইসি) ২৪ হাজার ৩৬৪ ও ইবতেদায়িতে ২ হাজার ২২ জন শিক্ষার্থীর ফল পরিবর্তন হয়েছে।

 

জানা গেছে, পিইসিতে ও ইবতেদায়ি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের ফলাফলে অসন্তোস হওয়ায় ৯৬ হাজার ৭১৫ জন শিক্ষার্থী বিভিন্ন বিষয়ের ফল পুনঃনিরীক্ষার জন্য আবেদন করে। এর মধ্যে পিইসিতে ৯১ হাজার ৪৮৯ জন আবেদন করলে ২৪ হাজার ৩৬৪ জনের ফল পরিবর্তন হয়। অপরদিকে, ইবতেদায়িতে ৫ হাজার ২৬ জন আবেদন করলে তাদের মধ্যে ২ হাজার ২২ জনের ফল পরিবর্তন হয়।

 

তথ্যমতে, শিক্ষার্থীদের আবেদনের মধ্যে ২২ হাজার ৯৭৭ জন ইংরেজি বিষয়ে আপত্তি জানিয়ে সব চাইতে বেশি আবেদন করলে তার মধ্যে ৫ হাজার ৬৩ জনের ফল পরিবর্তন হয়েছে। আর পরিবেশ পরিচিতি বিষয়ে ফল পরিবর্তন হয়েছে ৫ হাজার ৬০৬ জন শিক্ষার্থীর।

Facebooktwitterredditpinterestlinkedinmail

প্রাথমিকে এবছর থেকেই বাদ এমসিকিউ। থাকছে সংক্ষিপ্ত প্রশ্নের উত্তর

নিজস্ব প্রতিবেদক | :

প্রশ্নফাঁস ঠেকাতে চলতি বছর থেকে প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষায় বহুনির্বাচনী প্রশ্ন (এমসিকিউ) বাদ দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এর বদলে সব প্রশ্নই হবে যোগ্যতাভিত্তিক। প্রাথমিকে এই যোগ্যতাভিত্তিক প্রশ্নকেই বলা হয় কাঠামোবদ্ধ প্রশ্ন বা সৃজনশীল প্রশ্ন।

মঙ্গলবার (৩ এপ্রিল) সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী মো. মোস্তাফিজুর রহমান প্রাথমিক সমাপনী বৃত্তির ফল প্রকাশ উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান।

মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, আগামী নভেম্বরে অনুষ্ঠিত প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষা থেকে এমসিকিউ উঠিয়ে দেয়া হবে। আইন ছাড়াই কৌশল নিয়ে যেন প্রশ্নফাঁস ঠেকানো যায় সে ব্যবস্থা নেয়া হবে। আর আইন তো আছেই।
মন্ত্রী বলেন, প্রশ্ন ফাঁসরোধ, শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ বিশেষ করে শিক্ষার্থীদের মেধা বিকাশের জন্য সবার মতামত নিয়ে আগামী পরীক্ষায় এমসিকিউ বাদ দেয়া হচ্ছে। এর পরিবর্তে সংক্ষিপ্ত প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে শিক্ষার্থীদের। আগে যেখানে টিক চিহ্ন দিতে হতো এখন সেখানে দুই এক লাইন লিখতে হবে। তাতে লেখা ও পড়ায় মনোযোগী হবে শিক্ষার্থীরা।

মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁসের সময় যে ঘটনাগুলো ঘটেছিল বা সেগুলো নিয়ে জ্ঞানী-গুণীদের মধ্যে যে আলোচনা হয়েছে, আমরা বিভিন্ন আলোচনার মধ্যদিয়ে অনেক পরামর্শ পেয়েছি। সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ যেমন- রাষ্ট্রপতি, সর্বোচ্চ পদাধিকার; তিনিও সাজেশন দিয়েছেন।

তিনি বলেন, আমরা চাই নকলমুক্ত পরিবেশে আমাদের ছাত্র-ছাত্রী পরীক্ষা দিক। ছাত্ররা প্রশ্ন ফাঁসের এই জ্বালা নিয়ে না জ্বলুক আমরা চাই। শিক্ষাকে এগিয়ে নেওয়ার জন্য সরকারের যে প্রাণান্তকর চেষ্টা, তার মধ্যে এ জাতীয় কর্মকাণ্ডগুলো বিষফোঁড়ার মতো। এটা থেকে বেরিয়ে আসার জন্য এ ভাবনাটি নিয়ে আমরা ভাবছি।
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাম্মদ সাইফ-উজ-জামান, মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. গিয়াস উদ্দিন আহমেদ, অতিরিক্ত সচিব আকরাম-আল-হোসেনসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা এতে উপস্থিতি ছিলেন।

এদিকে, জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি সূত্রে জানা গেছে, খুব শিগগিেই নতুন নিয়মে প্রশ্নপত্রের কাঠামো চূড়ান্ত করে একাডেমির ওয়েবসাইটে দেওয়া হবে এবং সংশ্লিষ্টদের কাছে পাঠিয়ে দেয়া হবে।

গত ১৮ ফেব্রুয়ারি প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষার প্রশ্নপত্রের কাঠামো ও নম্বর বিভাজন করে আদেশ জারি করেছিল প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি। দেড় মাসের মধ্যে আবার এই নতুন সিদ্ধান্ত নেয়া হলো।

Facebooktwitterredditpinterestlinkedinmail

প্রাথমিক বৃত্তির ফল প্রকাশ

ডেস্ক: প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা-২০১৭ এর ফলাফলের উপর ভিত্তি করে বৃত্তিপ্রাপ্তদের নাম ঘোষণা করেছে সরকার।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমান মঙ্গলবার (৩ এপ্রিল) সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে বৃত্তির ফল ঘোষণা করেন।

ট্যালেন্টপুলে বৃত্তিপ্রাপ্তরা মাসে ৩০০ টাকা করে এবং সাধারণ কোটায় বৃত্তিপ্রাপ্তরা মাসে ২২৫ টাকা করে পাবে।

বৃত্তিপ্রাপ্তদের তালিকা প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে www.dpe.gov.bd তে পাওয়া যাবে।

গণশিক্ষা মন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষার মাধ্যমে পূর্বে ৫৫ হাজার শিক্ষার্থীদের মাঝে মেধার ভিত্তিতে বৃত্তি দেয়া হতো। ২০১৫ খ্রিস্টাব্দ থেকে এ সংখ্যা বাড়িয়ে ৮২ হাজার ৫০০ করা হয়েছে। এবার মেধা কোটায় ( ট্যালেন্টপুল) বৃত্তি পাবে ৩৩ হাজার শিক্ষার্থী, যা পূর্বে ছিল ২২ হাজার। সাধারণ কোটায় পাবে ৪৯ হাজার ৫০০ জন পূর্বে পেতো ৩৩ হাজার শিক্ষার্থী। যারা সমাপনী পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে বৃত্তি পাবে তারা ৮ম শ্রেণি পর্যন্ত এই বৃত্তি পাবে।
মোস্তাফিজুর রহমান,বর্তমানে ট্যালেন্টপুল বৃত্তি ৩৩ হাজার। প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষায় উপজেলায় অংশগ্রহনকারী শিক্ষার্থীর সংখ্যার অনুপাতে সমান সংখ্যক ছাত্র ও ছাত্রীকে এ বৃত্তি বণ্টন করা হয়। সাধারণ কোটায় বৃত্তির সংখ্যা ৪৯ হাজার ৫০০। সেই হিসেবে মোট ৭ হাজার ৯৭০ টি ইউনিয়ন/ পৌরসভার ওয়ার্ডে প্রতিটিতে ৬টি (৩ জন ছাত্র ও ৩ জন ছাত্রী ) সাধারণ বৃত্তি হিসাবে ৪৭ হাজার ৮২০ টি সাধারণ বৃত্তি প্রদান করা হয়েছে। অবশিষ্ট ১৬৮০ টি বৃত্তি হতে প্রতিটি উপজেলা/থানা হতে আরো ৩টি (১ জন ছাত্র, ১ জন ছাত্রী ও ১ জন উপজেলা মেধার ভিত্তিতে) করে ৫০৯টি উপজেলা/থানায় মোট ১৫২৭ টি সাধারণ বৃত্তি প্রদান করা হয়েছে। বাকি ১৫৩ টি সাধারণ বৃত্তি হতে প্রতিটি জেলায় আরো ২টি ( ১ জন ছাত্র ও ১ জন ছাত্রী) করে ৬৪টি জেলায় আরও ১২৮ টি বৃত্তি বণ্টন করা হয়েছে বলে জানান গণশিক্ষা মন্ত্রী।

Facebooktwitterredditpinterestlinkedinmail

Responsive WordPress Theme Freetheme wordpress magazine responsive freetheme wordpress news responsive freeWORDPRESS PLUGIN PREMIUM FREEDownload theme free

hit counter