Home » Tag Archives: করোনা

Tag Archives: করোনা

করোনায় আরও ১৫৩ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ৮ হাজার ৬৬১

নিজস্ব প্রতিবেদক | ০৪ জুলাই, ২০২১

মহামারি করোনাভাইরাসের (কোভিড-১৯) প্রকোপে দেশে লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে সংক্রমণ ও মৃত্যুর হার। গত ২৪ ঘণ্টায় এ ভাইরাস কেড়ে নিয়েছে আরও ১৫৩ জনের প্রাণ, যা একদিনে সর্বোচ্চ। এ নিয়ে করোনায় মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়াল ১৫ হাজার ৬৫ জনে।

এর আগ, ১ জুলাই সর্বোচ্চ ১৪৩ জনের মৃত্যু হয়। এরপর ২ জুলাই ১৩২ জন মারা যান। ৩ জুলাই ১৩৪ জনের মৃত্যু হয়েছিল। এ সময়ে নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছে ৮ হাজার ৬৬১ জন। এনিয়ে মোট আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৯ লাখ ৪৪ হাজার ৯১৭ জনে।

রোববার (৪ জুলাই) স্বাস্থ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত পরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, একই সময়ে সরকারি ও বেসরকারি ৬০৩টি ল্যাবরেটরিতে ২৯ হাজার ৩১৫টি নমুনা সংগ্রহ ও ২৯ হাজার ৮৭৯টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এ নিয়ে মোট নমুনা পরীক্ষার সংখ্যা দাঁড়ালো ৬৭ লাখ ২৩ হাজার ৫৬০টি।

নমুনা পরীক্ষার তুলনায় শনাক্তের হার ২৮ দশমিক ৯৯ শতাংশ। মোট পরীক্ষার তুলনায় শনাক্তের হার ১৪ দশমিক ০৫ শতাংশ। গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়ে হয়েছেন ৪ হাজার ৬৯৮ জন। এ নিয়ে সুস্থ হয়ে ওঠা রোগীর সংখ্যা ৮ লাখ ৩৩ হাজার ৮৯৭ জন। ২৪ ঘন্টায় সুস্থতার হার ৮৮দশমিক ২৫ শতাংশ।

মারা যাওয়াদের মধ্যে পুরুষ ৯৬ এবং নারী ৫৭ জন। এদের মধ্যে ৯ জন বাসায় মারা গেছেন। ৩ জনকে হাসপাতালে মৃত অবস্থায় আনা হয়েছে। বাকিরা হাসপাতালে মারা গেছেন।

মৃত ১৫৩ জনের মধ্যে বয়সের হিসাবে বিশোর্ধ্ব ৩ জন, ত্রিশোর্ধ্ব ১১ জন, চল্লিশোর্ধ্ব ২৪ জন, পঞ্চাশোর্ধ্ব ৪৫ জন এবং ষাটোর্ধ্ব ৭০ জন মারা যান। বিভাগওয়ারি হিসাবে দেখা গেছে, ঢাকায় ৪৬, চট্টগ্রামে ১৫, রাজশাহীতে ১২, খুলনায় ৫১, বরিশালে ৩,সিলেটে ২, রংপুরে ১৫ এবং ময়মনসিংহ বিভাগে ৯ জনের মৃত্যু হয়।

গত বছরের ৮ মার্চ দেশে প্রথম ৩ জনের দেহে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়। এর ১০ দিন পর ১৮ মার্চ দেশে এ ভাইরাসে আক্রান্ত প্রথম একজনের মৃত্যু হয়।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

ভারতে অক্সফোর্ডের টিকা নেওয়া ব্যক্তিদের সংক্রমণের হার খুব কম

ডেস্ক,২২ এপ্রিল
ভারতে টিকা নেওয়ার পর করোনাভাইরাসে (কোভিড-১৯) আক্রান্ত হওয়ার সংখ্যা বেশ কম। বুধবার দেশটির কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, যারা সেরাম ইনস্টিটিউটে উৎপাদিত অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার করোনার টিকা কোভিশিল্ডের একটি ডোজ নিয়েছেন, তাঁদের মধ্যে দশমিক শূন্য ২ শতাংশ মানুষের নতুন করে করোনা শনাক্ত হয়েছে। আর যারা এই টিকার দুটি ডোজ নিয়েছেন তাঁদের মধ্যে এ হার আরও কম, দশমিক শূন্য ৩ শতাংশ। ভারত বায়োটেকের তৈরি কোভ্যাক্সিন গ্রহণকারীদেরও সংক্রমণের হার কম।
আরো খবর

তৃতীয় গণবিজ্ঞপ্তিতে দিনে দুই লাখ আবেদন

বাংলাদেশেও অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার উদ্ভাবিত ও সেরাম ইনস্টিটিউটের তৈরি করোনার টিকা কোভিশিল্ডের প্রয়োগ চলছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী গত মঙ্গলবার পর্যন্ত দেশে ৫৭ লাখের বেশি মানুষকে প্রথম ডোজের টিকা দেওয়া হয়েছে। আর ১৬ লাখের বেশি মানুষ দ্বিতীয় ডোজের টিকা পেয়েছেন।
ভারতে টিকা নেওয়ার পর করোনাভাইরাসে (কোভিড-১৯) আক্রান্ত হওয়ার সংখ্যা বেশ কম। বুধবার দেশটির কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, যারা সেরাম ইনস্টিটিউটে উৎপাদিত অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার করোনার টিকা কোভিশিল্ডের একটি ডোজ নিয়েছেন, তাঁদের মধ্যে দশমিক শূন্য ২ শতাংশ মানুষের নতুন করে করোনা শনাক্ত হয়েছে। আর যারা এই টিকার দুটি ডোজ নিয়েছেন তাঁদের মধ্যে এ হার আরও কম, দশমিক শূন্য ৩ শতাংশ। ভারত বায়োটেকের তৈরি কোভ্যাক্সিন গ্রহণকারীদেরও সংক্রমণের হার কম।

বাংলাদেশেও অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার উদ্ভাবিত ও সেরাম ইনস্টিটিউটের তৈরি করোনার টিকা কোভিশিল্ডের প্রয়োগ চলছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী গত মঙ্গলবার পর্যন্ত দেশে ৫৭ লাখের বেশি মানুষকে প্রথম ডোজের টিকা দেওয়া হয়েছে। আর ১৬ লাখের বেশি মানুষ দ্বিতীয় ডোজের টিকা পেয়েছেন।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

মৃত্যু আরও বাড়ার আশঙ্কা!

ডেস্ক,২০ এপ্রিল:
দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা আক্রান্ত হয়ে ১১২ জনের মৃত্যুর তথ্য দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদফতর। মহামারিকালে বাংলাদেশ একদিনে এত মৃত্যু আগে দেখেনি। সরকারি হিসেবে এ নিয়ে দেশে করোনায় মোট মারা গেছেন ১০ হাজার ৪৯৭ জন।

এর আগে টানা তিন দিন মারা যান— রবিবার ১০২ জন, শনিবার ১০১ জন এবং শুক্রবার ১০১ জন। তার আগে বৃহস্পতিবার ৯৪ জন এবং বুধবার ৯৬ জন মারা যান।

স্বাস্থ্য অধিদফতর গত ৩১ মার্চ ৫২ জনের মৃত্যুর কথা জানায়। তারপর থেকে সোমবার পর্যন্ত আর একদিনও মৃত্যুর সংখ্যা নিচে নামেনি।

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আগামীতে মৃত্যুর সংখ্যা আরও বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

এদিকে আইইডিসিআর তাদের প্রতিবেদনে বলেছে, কোভিড-১৯ রোগের তীব্রতা আরও বেড়েছে। যে কারণে রোগীর মৃত্যুও হচ্ছে দ্রুত। চিকিৎসকরা বলছেন, দেশে নতুন ভ্যারিয়েন্টের দ্রুত ছড়িয়ে পড়া এবং স্বাস্থ্য ব্যবস্থার নাজুক অবস্থার কারণে রোগীরা সময় মতো চিকিৎসা পাচ্ছেন না।

দেশে গত বছরের ৮ মার্চ দেশে প্রথম তিন জন করোনা রোগী শনাক্তের খবর দেয় রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান (আইইডিসিআর)। তার ঠিক ১০ দিন পর ১৮ মার্চ প্রথম করোনা আক্রান্ত রোগীর মৃত্যুর খবর দেয় প্রতিষ্ঠানটি। শুরু থেকে চলতি বছরের ৩১ মার্চ মোট মৃত্যুর সংখ্যা ৯ হাজার ছাড়িয়ে যায়। এর মাত্র ১৫ দিনের মধ্যে এক হাজারের বেশি রোগী মারা যান। এরপর গত ১৫ এপ্রিল মারা যাওয়া ৯৪ জনকে নিয়ে দেশে করোনায় মৃতের সংখ্যা ১০ হাজার ছাড়িয়ে যায়।

গত শনিবার (১৭ এপ্রিল) স্বাস্থ্য অধিদফতর জানায়, দেশে গত সপ্তাহে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ৪৪৮ জন, আর চলতি সপ্তাহে মারা গেছেন ৬২২ জন। আগের সপ্তাহের চেয়ে মৃত্যুর হার বেড়েছে ৩৮ দশমিক ৮৪ শতাংশ।

এরমধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পাঁচ দিনের মধ্যে মারা গেছেন ৪৮ শতাংশ

দেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্তরা আগের চেয়ে দ্রুত সময়ের মধ্যে মারা যাচ্ছেন বলে জানিয়েছে রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান (আইইডিসিআর)। প্রতিষ্ঠানটি তাদের এক প্রতিবেদনে বলেছে, গত বছরের চেয়ে এবার আক্রান্ত এবং মৃত্যুর হারও বেড়েছে অনেক বেশি তীব্রতা নিয়ে।

আইইডিসিআরের প্রতিবেদনে বলা হয়, চলতি বছরের মার্চে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ৬৩৮ জন, আর ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত মারা গেছেন ৯৪১ জন। মৃত্যুর সংখ্যা বেড়েছে ৩২ দশমিক ২ শতাংশ।

আইইডিসিআর সংক্রমণ পরিস্থিতির বিষয়ে জানায়, এ বছরের এপ্রিলে আগের বছরের সর্বোচ্চ মৃত্যু হারের চেয়ে প্রতিদিন প্রায় ৫০ শতাংশ বেশি মৃত্যু হয়েছে।

২০২০ এবং ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারি, মার্চ ও এপ্রিল মাসের সঙ্গে চলতি বছরের তিন মাসের তুলনা করে আইইডিসিআর তাদের প্রতিবেদনে উল্লেখ করে— গত বছরের ফেব্রুয়ারিতে কেউ মারা যাননি, মার্চে মারা গেছেন পাঁচ জন, আর এপ্রিলে মারা যান ১৬৩ জন। কিন্তু চলতি বছরের এই তিন মাসে মারা গেছেন যথাক্রমে ২৮১, ৬৩৮ এবং ৯৪১ জন।

চলতি বছরের ২৮ জানুয়ারি থেকে ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত তথ্য পর্যালোচনা করে আইইডিসিআর বলছে, এ সময়ে করোনায় আক্রান্ত রোগীদের ৪৪ শতাংশ হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন, ৩৩ শতাংশ রোগী প্রাতিষ্ঠানিক আইসোলেশনে, ১৭ শতাংশ রোগী বাড়িতে এবং ৬ শতাংশ রোগী অন্যান্য উপায়ে চিকিৎসা নিয়েছেন।

আইইডিসিআর জানায়, করোনায় আক্রান্ত হয়ে যারা মারা গেছেন, তাদের ৫২ শতাংশই উপসর্গ শুরুর পাঁচ দিনের মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন, ২৬ শতাংশ পাঁচ থেকে ১০ দিনের মধ্যে এবং ১২ শতাংশ উপসর্গ শুরুর ১১ থেকে ১৫ দিনের মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পাঁচ দিনের মধ্যে মারা গেছেন ৪৮ শতাংশ এবং পাঁচ থেকে ১০ দিনের মধ্যে মারা গেছেন ১৬ শতাংশ রোগী।


হাসপাতাল উদ্বোধনের সময় মানা হয়নি স্বাস্থ্যবিধি
বিশেষজ্ঞরা যা বলছেন

সংক্রমণ বেড়ে যাওয়া মানে মৃত্যু বেড়ে যাওয়া মন্তব্য করে আইইডিসিআরের উপদেষ্টা ও মহামারি বিশেষজ্ঞ ডা. মুশতাক হোসেন বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘সংক্রমণের যে গতি-প্রকৃতি তাতে রোগতাত্ত্বিক ব্যবস্থা নেওয়া হলে তার ইফেক্ট পাওয়া যায় দুই সপ্তাহ পর। আর মৃত্যুহারের প্রভাব বোঝা যাবে তিন সপ্তাহ পরে। সেই হিসেবে এখন যেসব সংক্রমণ দেখা যাচ্ছে, তাতে গড়ে তারা দুই সপ্তাহ আগে শনাক্ত হয়েছেন। আর এখন যাদের মৃত্যু হচ্ছে, তারা তিন সপ্তাহ আগে শনাক্ত হয়েছেন। তবে সরকার যে কঠোর বিধিনিষেধের ব্যবস্থা নিয়েছে, তাতে করে মৃত্যুর হার খুবই ধীরে ধীরে নামবে, আরও তিন সপ্তাহ পরে। তবে যদি স্বাস্থ্যবিধি না মানা হয়, সেটা আবারও লাফ দিয়ে বাড়বে।

মৃত্যুর নিম্নগামীতা আমরা দেখতে পাবো ১৪ এপ্রিলের তিন সপ্তাহের মাথায়।’

ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের করোনা ইউনিটে দায়িত্বরত একজন চিকিৎসক নাম না প্রকাশের অনুরোধ জানিয়ে বলেন, ‘আগামী ১৫ দিনের মধ্যে এটা অন্তত ২০০ (প্রতি দিনের মৃত্যু) পার হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, যদি এভাবেই চলতে থাকে।’

‘‘যখন স্বাস্থ্য ব্যবস্থার ক্যাপাসিটি রোগী ম্যানেজমেন্ট করতে না পারে, তখন মৃত্যু বাড়বেই”, বলেন এই চিকিৎসক।

তিনি বলেন, ‘একজন রোগী হাসপাতালে আসার পর যদি ভালো কেয়ার পান, অনেক বেশি খারাপ না, আবার বেশি ভালো নয়— এধরনের রোগীদের যদি দ্রুত ভর্তি করে চিকিৎসা শুরু করা যায়, আইসোলেট করে ফেলা যায়, তাহলে কমিউনিটি সংক্রমিত হবে না এবং রোগীও চিকিৎসা পাবেন। কিন্তু যখন সব হাসপাতাল ওভারলোডেড হয়ে যায়, ক্যাপাসিটি ওভারফ্লো হয়ে যায়, তখন মানুষ ঘুরতে থাকে বেড না পেয়ে।’

হেলথ সিস্টেমের এই ক্যাপাসিটি ইতোমধ্যেই ওভারফ্লো হয়ে গেছে। এ জন্য মৃত্যুও বাড়ছে জানিয়ে ঢামেক হাসপাতালের এই চিকিৎসক বলেন, ‘সেই সঙ্গে নতুন ভ্যারিয়েন্ট এসেছে। এই ভ্যারিয়েন্ট খুব দ্রুত সংক্রমণ ছড়াচ্ছে। আর এসব ভ্যারিয়েন্ট কেবল দ্রুত সংক্রমণই ছড়ায় না, জটিলতাও বাড়ায়।’

পাবলিক হেলথ অ্যাডভাইজারি কমিটির সদস্য আবু জামিল ফয়সাল বলেন, ‘হাসপাতালে ঘুরতে ঘুরতে অনেকের মৃত্যু হচ্ছে। তাই এখন একটা সমন্বিত পরিকল্পনা করতে হবে। একইসঙ্গে বাসায় যারা মারা যাচ্ছেন, অথবা পরীক্ষা না করিয়ে মারা যাচ্ছেন, তাদের রিপোর্টিং হচ্ছে না। অনেকে উপসর্গ নিয়ে মারা যাচ্ছেন সেটাও রিপোর্টিং হচ্ছে না।’

তিনি বলেন, ‘একটি গবেষণায় দেখা গেছে, ২১ শতাংশ মানুষ হাসপাতালে ভর্তি হন শুধুমাত্র জ্বর এবং কাঁশি নিয়ে। এই মানুষগুলো যদি না ভর্তি হতেন, তাহলে ২১ শতাংশ বেড যেগুলো দখল হয়ে যাচ্ছে, সেগুলো খালি রাখা যেতো ক্রিটিক্যাল রোগীদের ভর্তি করার জন্য।’

তাতে করে করোনা রোগীরা চিকিৎসা পেতেন। ফলে চিকিৎসা পেলে মৃত্যু কমতো’, বলেন তিনি।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

করোনায় আক্রান্ত ও মৃতের নতুন রেকর্ড ভারতের

ডেস্ক,১৯ এপ্রিল ২০২১:
ভারতে করোনা সংক্রমণ বাড়ছেই। সোমবার সকালে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশটিতে নতুন করে আরও দুই লাখ ৭৩ হাজার ৮১০ জনের করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। একই সময়ে মৃত্যু হয়েছে এক হাজার ৬১৯ জনের। ভারতে করোনা মহামারি শুরুর পর থেকে এখন পর্যন্ত এটিই একদিনে সর্বোচ্চ শনাক্ত ও মৃতের ঘটনা।

গত ৫ দিন ধরেই দেশটিতে নতুন শনাক্তের সংখ্যা দুই লাখেরও বেশি। এর জেরে দেশটিতে মোট শনাক্তের সংখ্যা এরইমধ্যে দেড় কোটি ছাড়িয়েছে। মোট শনাক্তের দিক থেকে যুক্তরাষ্ট্রের পরই ভারতের অবস্থান।

আন্তর্জাতিক জরিপ সংস্থা ওয়ার্ল্ডোমিটারস-এর হিসাব অনুযায়ী, ভারতে এখন পর্যন্ত এক কোটি ৫০ লাখ ৬১ হাজার ৯১৯। এর মধ্যে এক লাখ ৭৮ হাজার ৭৯৩ জনের মৃত্যু হযেছে। বর্তমানে সক্রিয় রোগীর সংখ্যা ১৯ লাখ ২৯ হাজার ৩০৫।

এতো বেশি সংখ্যক সক্রিয় রোগী এর আগে আর দেখা যায়নি। রোগী বৃদ্ধির জেরে হাসপাতাল, নার্সিংহোমগুলিতে শয্যা প্রায় ভর্তি। একই শয্যায় দুই রোগীকে শুয়ে থাকার দৃশ্য দেখা গিয়েছে বেশ কয়েকটি রাজ্যে। এমনকি অক্সিজেন না পেয়ে কোভিড রোগীর মৃত্যুর খবর আসছে।

দৈনিক মৃত্যু এই পর্যায়ে চলে যাওয়ায় হাসপাতালের মর্গের বাইরে, শ্মশানে এবং কবরস্থানে মরদেহের সারি পড়ে থাকছে। সব মিলিয়ে যে পরিস্থিতির তৈরি হয়েছে তা দেখা যায়নি করোনার প্রথম পর্বেও। তবে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেছেন, করোনার প্রথম তরঙ্গের মতো এর দ্বিতীয় ঢেউকেও পরাজিত করতে সক্ষম হবে ভারত। কোভিড পরিস্থিতি এবং টিকাদান কর্মসূচি নিয়ে এক পর্যালোচনা সভায় এমন মন্তব্য করেন তিনি।

তিনি বলেন, কঠোরভাবে করোনাবিধি পালনের মাধ্যমে আরও দ্রুত গতিতে সমন্বয় সাধন করে কোভিডকে মোকাবিলা করা সম্ভব।

সংক্রমণের গতি রুখতে কোভিড পরীক্ষা, সংক্রমিতের সংস্পর্শে আসা ব্যক্তিদের খুঁজে বের করা এবং তাদের চিকিৎসার ওপর জোর দিয়েছেন মোদি। তিনি বলেন, ‘কোভিড পরীক্ষা, সংক্রমিতের সংস্পর্শে আসা ব্যক্তিদের সন্ধান করা এবং তাদের চিকিৎসার কোনও বিকল্প নেই।’

কোভিড রোগীদের চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পর্যাপ্ত আইসিইউ বেডের ব্যবস্থা করারও তাগিদ দেন মোদি। পাশাপাশি রোগীদের জন্য রেমডেসিভির-সহ অন্যান্য ওষুধের সরবরাহ ব্যবস্থাও পর্যালোচনা করেন তিনি। সূত্র: আনন্দবাজার।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

দেশে আজও ১০১ জনের মৃত্যু

ডেস্ক,১৭ এপ্রিল ২০২১:

করোনাভাইরাসে দেশে একদিনে আরও ১০১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এসময় রোগী শানাক্ত হয়েছে ৩৪৭৩ জন। এর আগে শুক্রবারও (১৬ এপ্রিল) করোনায় মারা যান রেকর্ড ১০১ জন।
আরো খবর

বাড়তে পারে লকডাউন

শনিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাঠানো করোনা বিষয়ক নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তির তথ্য মতে, গত ২৪ ঘণ্টায় ১৫ হাজার ৪১৩ জনের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। পরীক্ষা করা হয়েছে ১৬ হাজার ১৮৫টি। এ পর্যন্ত মোট নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ৫১ লাখ ৫০ হাজার ৬৬৩টি। পরীক্ষা অনুযায়ী মোট রোগী শনাক্ত হয়েছে ৭ লাখ ১৫ হাজার ২৫২ জন। এদের মধ্যে ১০ হাজার ২৮৩ জনের মৃত্যু হয়েছে।

এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ৫ হাজার ৯০৭ জন। এ পর্যন্ত মোট ৬ লাখ ৮ হাজার ৮১৫ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন।

গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষার তুলনায় শনাক্তের হার ২১ দশমিক ৪৬ শতাংশ। মোট পরীক্ষার তুলনায় শনাক্তের হার ১৩ দশমিক ৮৯ শতাংশ।

নতুন মৃত্যু ১০১ জনের মধ্যে ঢাকা বিভাগের ৬৭ জন। চট্টগ্রামের ২৩, রাজশাহী ২, খুলনা ৩, বরিশাল ১, সিলেট ২ জন, রংপুর ০ ও ময়মনসিংহের ৩ জন মারা গেছেন। এদের মধ্যে ৬৯ জন পুরুষ, ৩২ জন নারী। ভাইরাসটিতে মোট মারা যাওয়া ১০ হাজার ২৮৩ জনের মধ্যে পুরুষ ৭ হাজার ৬৩৫ জন এবং নারী ২ হাজার ৬৪৮ জন।

বয়সভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা গেছে, মারা যাওয়া ১০১ জনের মধ্যে ৫৮ জনেরই বয়স ৬০ বছরের বেশি। এছাড়া ৫১ থেকে ৬০ বছরের ২৯, ৪১ থেকে ৫০ বছরের ৮ জন এবং ৩১ থেকে ৪০ বছরের ৩ জন এবং ২১ থেকে ৩০ বছরের ৩ জন রয়েছেন।

প্রসঙ্গত, ২০২০ সালের ৮ মার্চ দেশে করোনা ভাইরাসের প্রথম রোগী শনাক্ত হয়। এর ১০ দিন পর ১৮ মার্চ করোনায় প্রথম একজনের মৃত্যু হয়।

আনোয়ার খান মডার্ণ মেডিকেল কলেজ

গত ২৪ ঘণ্টায় আনোয়ার খান মডার্ণ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৭২ জনের করোনার নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। এর মধ্যে করোনা পজিটিভ হয়েছে ১৯ জনের। এছাড়াও হাসপাতালটিতে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্ত হয়ে ২৬ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন। গত একদিনে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ২১ জন।

প্রসঙ্গত, কোভিড ও নন কোভিড রোগীদের সম্পূর্ণ পৃথক চিকিৎসার ব্যবস্থা রয়েছে আনোয়ার খান মডার্ণ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। এমনকি দুটি বিভাগের চিকিৎসক, নার্সসহ কর্মরত প্রত্যেকের আলাদা থাকার ব্যবস্থা করা হয়েছে। করোনা চিকিৎসা ছাড়া অন্য সকল চিকিৎসা সেবা কার্যক্রম আগের মতই চলমান রয়েছে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

ভারতে করোনায় আক্রান্ত ৫০ লাখ ছাড়াল

ডেস্ক,১৬ সেপ্টেম্বর:
ভারতে করোনাভাইরাসে (কোভিড-১৯) আক্রান্তের সংখ্যা ৫০ লাখ ছাড়িয়েছে। আর দেশটিতে করোনায় মৃত্যু হয়েছে ৮২ হাজারের বেশি মানুষের।

করোনায় আক্রান্তের দিক দিয়ে বিশ্বে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে ভারত। গত ২৪ ঘণ্টায় ভারতে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৯০ হাজার ১২৩ জন। এ নিয়ে সেখানে মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫০ লাখ ২০ হাজার ৩৬০ জন। খবর এনডিটিভির

২৪ ঘণ্টায় ভারতে মৃত্যু হয়েছে ১ হাজার ২৯০ জনের। এখন পর্যন্ত একদিনে এটিই সর্বোচ্চ মৃত্যু। এ নিয়ে মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৮২ হাজার ৬৬ জনে।

দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ভারতে করোনা থেকে সুস্থতার হারও বেশি। এখন পর্যন্ত সেখানে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৩৯ লাখ ৪২ হাজার ৩৬০ জন।

জন্স হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ্যানুযায়ী, করোনায় আক্রান্ত ও মৃত্যুর দিক দিয়ে বিশ্বে সবার ওপরে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটিতে ইতোমধ্যে করোনায় মৃত্যুর সংখ্যা ১ লাখ ৯৫ হাজার ছাড়িয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ৬৬ লাখ ৫ হাজার ৭৩৩ জন।

তৃতীয় অবস্থানে থাকা লাতিন আমেরিকার দেশ ব্রাজিলে এখন পর্যন্ত করোনায় ৪৩ লাখ ৮২ হাজার ২৬৩ জন আক্রান্ত হয়েছে। মৃত্যু হয়েছে ১ লাখ ৩৩ হাজার ১১৯ জনের।

বুধবার সকাল পর্যন্ত বিশ্বে করোনায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২ কোটি ৯৫ লাখ ৭১ হাজার ৩৩৩ জন। মৃতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৯ লাখ ৩৪ হাজার ৯৮৬ জন।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

চুয়াডাঙ্গায় করোনায় প্রাণ গেল আ’লীগ নেতার

চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি,২৮ আগষ্ট:
করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গায় আসাবুল হক ঠান্ডু নামে এক আওয়ামী লীগ নেতার মৃত্যু হয়েছে।

বৃহস্পতিবার বিকালে ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।

আসাবুল আলমডাঙ্গা উপজেলার ভাংবাড়িয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও চুয়াডাঙ্গা জেলা পরিষদের নির্বাচিত সদস্য ছিলেন।

রাতেই তার লাশ উপজেলার বড়বোয়ালিয়া গ্রামে নিজ বাড়িতে নেয়া হয়েছে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

করোনার পর স্কুল খুলতে ১২৮ কোটি টাকা খরচ করবে সরকার

ডেস্ক,১৪ আগষ্ট:

মহামারি করোনা ভাইরাস পরিস্থিতিতে শিক্ষার্থীদের সুরক্ষার জন্য সব ধরনের সরকারি-বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও কিন্ডারগার্টেন বন্ধ রাখা হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ রাখার ফলে সরকারি বিদ্যালয়গুলো অপরিষ্কার অপরিচ্ছন্ন হয়ে পড়েছে। এবার বন্ধ থাকা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলো খুলে দিতে ১২৮ কোটি টাকার পরিকল্পনা হাতে নিচ্ছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। শিক্ষার গুণগত পরিবেশ তৈরি করতে এই টাকা খরচ হবে বলে জানা গেছে।

মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ থাকা বিদ্যালয়গুলোতে আগাছার স্তুপ তৈরি হয়েছে। বন্যার কারণে অনেক বিদ্যালয় তৈরি হয়েছে আবর্জনার ভাগাড়ে। প্রকল্পের টাকায় এসব বিদ্যালয়ে নিরাপদ পয়ঃনিষ্কাশন, শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ ও ডিজিটাল কন্টেন্ট তৈরি করা হবে।

স্কুল খুলে দেয়ার পর শিক্ষার্থীরা যেন নতুন করে স্বাস্থ্য ঝুঁকির মধ্যে না পড়ে সেই জন্যই ‘বাংলাদেশ কোভিড-১৯ স্কুল সেক্টর রেসপন্স’ নামে এ প্রকল্পটি হাতে নেয়া হয়েছে। প্রকল্পের মোট ব্যয় ১২৮ কোটি ৪০ লাখ ৫০ হাজার টাকা। প্রকল্পটি শুধু সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বাস্তবায়ন করা হবে।

এমন বিশাল উদ্যোগ বাস্তবায়নে ১২৬ কোটি ৫৩ লাখ টাকা অনুদান দেবে গ্লোবাল পার্টনারশিপ ফর এডুকেশন (ডিপিই)। বাকি টাকা সরকারি অর্থায়ন থেকে মেটানো হবে। চলতি সময় থেকে ২০২২ সালের জুন মেয়াদে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হবে।

প্রসঙ্গত, বর্তমানে সারাদেশে সরকারি বিদ্যালয় ৬৫ হাজার ৬২০টি। এসব প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মোট ১ কোটি ৭৩ লাখ ৩৮ হাজার একশ’ জন শিক্ষার্থী পড়াশোনা করছে।

এছাড়া নতুন এই প্রকল্পটির আওতায় প্রাথমিকের সব শ্রেণিতে সব বিষয়ের ডিজিটাল কন্টেন্ট নির্মাণ শুরু হবে। ক্লাসে সনাতন পদ্ধতিতে পড়ানো ছাড়াও এ কন্টেন্টগুলো প্রদর্শন করে শ্রেণি কার্যক্রমে আধুনিকায়ন করা হবে।

এসব বিষয়ে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব আকরাম আল হোসেন বলেন, শিক্ষাকে যুগোপযোগী করার সব ধরনের চেষ্টা মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে করা হচ্ছে। করোনার কারণে যে ঘাটতি তৈরি হয়েছে সেটি পূরণ করতে এরকম আরো প্রকল্প হাতে নিতে হবে।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (উন্নয়ন) রতন চন্দ্র পণ্ডিত বলেন, করোনার মতো যেকোনো মহামারিতে শিক্ষার্থীদের শিক্ষায় যেন কোনো বাধা না আসে সেভাবে পরিকল্পনা সাজানো হচ্ছে। স্কুলগুলোতে কম্পিউটার ও ডিজিটাল স্ক্রিন কেনা হবে। এবার সব মিলিয়ে ৪০ হাজার কম্পিউটার কেনা হবে।


Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

করোনায় রেকর্ড সনাক্ত।। আরো ৪০ জনের মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিবেদক | ৩১ মে, ২০২০
দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত আরও ৪০ জনের মৃত্যু হয়েছে। দেশের নতুন করে আরও ২ হাজার ৫৪৫ জন রোগী শনাক্ত হয়েছেন। এখন পর্যন্ত মোট ৬৫০ জন আক্রান্ত রোগী মৃত্যুবরণ করেছেন। মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা ৪৭ হাজার ১৫৩ জন।

রোববার (৩১ মে) নিয়মিত প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা।

তিনি জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় ১১ হাজার ৮৪৬ টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। ৫২ ল্যাবের নমুনা পরীক্ষার তথ্য উপস্থাপন করা হয়।

তিনি জানান, আরও ৪০৬ জন গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে বাড়িতে ফিরেছেন। এখন পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়েছেন ৯ হাজার ৭৮১ জন।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

একে একে সবই খুলছে, ঝুঁকিও বাড়ছে

ডেস্ক,২৯ মে:
করোনাভাইরাসের মহামারী ঠেকাতে দুই মাসের সাধারণ ছুটির শেষে অবরুদ্ধ অবস্থা কাটিয়ে অফিস, আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর পাশাপাশি গণপরিবহনও চালু হচ্ছে।

দেশে একদিনে সর্বাধিক কোভিড-১৯ রোগী শনাক্তের দিন বৃহস্পতিবারই ঘোষণা আসে, ৩১ মে থেকে অফিস খুলবে, বাস-লঞ্চ-ট্রেন-বিমান চলবে, খুলবে পুঁজিবাজার, ব্যাংকে লেনদেন হবে আগের মতোই। দোকান-পাট তো ঈদের আগেই খুলেছিল।

ভাইরাস সংক্রমণের দিক থেকে নাজুক পরিস্থিতির মধ্যে এভাবে সব খোলার সিদ্ধান্তকে আত্মঘাতী মনে করছেন সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা। আপত্তি এসেছে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল থেকেও।

তবে সরকারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, অর্থনীতি সচলের জন্য স্বাস্থ্যবিধি মেনেই এসব খোলা হবে। ১৫ জুন পর্যন্ত পরিস্থিতি দেখে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

তবে ততদিনে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার অবস্থায় থাকবে কি না, তা নিয়ে সংশয় রয়েছে বিশেষজ্ঞদের। কেননা দেশে ‘লকডাউন’ও ঠিকভাবে করা যায়নি, যে কারণে ভাইরাস এখন ৬৪ জেলায়ই ছড়িয়ে পড়েছে।

বৈশ্বিক মহামারী আকার ধারণ করা কোভিড-১৯ রোগে আক্রান্ত প্রথম রোগী বাংলাদেশে ধরা পড়েছিল গত ৮ মার্চ। রোগীর সংখ্যা ১০০ ছাড়াতে লেগেছিল প্রায় এক মাস।

এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহের পর থেকে রোগীর সংখ্যা দ্রুত বাড়তে থাকে। এক মাসের মধ্যে ৪ মে রোগীর সংখ্যা ১০ হাজার ছাড়িয়ে যায়, ততদিনে দোকান-পাট, কারখানা খোলার সিদ্ধান্ত এসেছিল।

এরপর রোগীর সংখ্যা বাড়ছে লাফিয়ে লাফিয়ে। এর মধ্যেই ঈদযাত্রায় ছাড় দেওয়া হলে তার প্রতিক্রিয়ায় এই মহামারীর চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় গঠিত ‘জাতীয় টেকনিক্যাল পরামর্শক কমিটির’ সদস্য ভাইরোলজিস্ট অধ্যাপক নজরুল ইসলাম বলেছিলেন, “তাহলে তো ভাইরাস সারা দেশে ছড়িয়ে যাবে!”

ঈদের তিন পর ২৮ মে বৃহস্পতিবার এক দিনে রেকর্ড ২ হাজার ২৯ জনের মধ্যে সংক্রমণ ধরা পড়ে, যা শনাক্ত রোগীর সংখ্যা ৪০ হাজার ছাড়িয়ে নেয়। এর মধ্যে মৃত্যু ঘটেছে ৫৫৯ জনের।

আর এদিনই সব কিছু খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত আসতে থাকে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

সূর্যের আলোতে কয়েক মিনিটেই মারা যায় করোনা : গবেষণা

জাগো নিউজ ডেস্ক,২৪ এপ্রিল:
সূর্যের আলোতে কয়েক মিনিটেই মারা যেতে পারে প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস। সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের হোমল্যান্ড সিকিউরিটি ডিপার্টমেন্টের নতুন এক গবেষণায় এ তথ্য উঠে এসেছে।

ওই গবেষণায় বলা হয়েছে যে, সূর্যের অতি বেগুণী রশ্মির বিকিরণ করোনাভাইরাসের জেনেটিক উপাদানকে ক্ষতিগ্রস্ত করে এবং এতে এর বিস্তার বাধাপ্রাপ্ত হয়।
হোমল্যান্ড সিকিউরিটি অ্যান্ড টেকনোলজি ডিপার্টমেন্টের উপদেষ্টা উইলিয়াম ব্রিয়ান হোয়াইট হাউস থেকে এক সংবাদ সম্মেলনে নতুন গবেষণা সম্পর্কে বিভিন্ন তথ্য তুলে ধরেন।

তিনি বলেন, উচ্চ তাপমাত্রা ও আদ্রতা বৃদ্ধি করোনাভাইরাসের জন্য ক্ষতিকারক। একই সঙ্গে তিনি আশা প্রকাশ করে বলেছেন, গ্রীষ্মে হয়তো এই ভাইরাসের বিস্তার কমতে শুরু করবে।

এর আগেও এক গবেষণায় বলা হয়েছে যে, আর্দ্রতা এবং তাপমাত্রা বাড়িয়ে করোনার বিস্তার কমানো সম্ভব। এটা বিশ্বের যে কোনো স্থানের জন্যই প্রযোজ্য। তবে শুধুমাত্র আবহাওয়া পরিবর্তনের মাধ্যমেই এই ভাইরাসের প্রকোপ একেবারে বন্ধ করা সম্ভব নয়।

সে সময় চীনের বেইহাং এবং সিনঘুয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল গবেষক জানান, চীনের শতাধিক শহরে আবহাওয়া উষ্ণ এবং সেখানকার আদ্রতা বাড়তে থাকায় কোভিড-১৯য়ের প্রকোপ কমেছে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

ঘরেই যেভাবে করোনা রোগীদের চিকিৎসা করবেন!

যেভাবে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে ঘরে থাকা রোগীদের

ঢাকার একজন চিকিৎসক গত সোমবার জানতে পারেন তার করোনাভাইরাস হয়েছে। এরপর তিনি প্রায় পাঁচদিন ধরে ঘরে কোয়ারেন্টিনে থেকেই কোভিড-১৯ এর চিকিৎসা নিচ্ছেন।

শুক্রবার করোনাভাইরাসের উপসর্গ দেখা দেয়ার পর রোববার তার নমুনা পরীক্ষা করা হয় এবং উপসর্গ মৃদু হওয়ায় চিকিৎসকদের সাথে পরামর্শের ভিত্তিতে তিনি ঘরে চিকিৎসা নেয়ার সিদ্ধান্ত নেন।

তিনি বলেন, ‘কোয়ারেন্টিনের শুরু থেকে আমি আলাদা একটি রুমে আছি, যেই রুমের সাথে বাথরুম আছে। আমার খাবার রুমের বাইরে রেখে যাওয়া হয় এবং আমি এখন পর্যন্ত ঐ ঘর থেকে বের হইনি।’

শুরুতে জ্বর, কাশি, শরীরে ব্যথা হওয়ার মত কিছু উপসর্গ দেখা গিয়েছিল তার। তবে কয়েকদিন ঘরে চিকিৎসা নেয়ার পর তার উপসর্গ ধীরে ধীরে স্বাভাবিক মাত্রায় নেমে এসেছে বলে জানান তিনি।

চিকিৎসকদের সাথে তিনি নিয়মিত যোগাযোগ রাখছেন। চিকিৎসকরা তাকে নির্দিষ্ট কয়েকটি ওষুধ খাওয়ার পরামর্শ দেয়ার পাশাপাশি খাদ্যাভ্যাস ও স্বাস্থ্যবিধি সংক্রান্ত উপদেশ দিয়েছেন বলে জানান ওই নারী। তাকে পানীয় জাতীয় খাবার নিয়মিত খাওয়া, প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন সি – যেমন লেবু, কমলালেবু ইত্যাদি ফল খাওয়া এবং প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার খাওয়ার উপদেশ দেয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, ‘পানি, স্যালাইনের মত তরল খাবার খাওয়ার পেছনে বেশি গুরুত্ব দেয়া হয়েছে। এছাড়া নিয়মিত গরম খাবার বা গরম পানীয় খাচ্ছি। পাশাপাশি নাকেমুখে পানির বাষ্প নেয়াও অব্যাহত রেখেছি।’

তিনি জানান, নিয়মিত চিকিৎসকদের সাথে যোগাযোগের সময় তার উন্নতি ও উপসর্গের মাত্রা যাচাই করে চিকিৎসকরা তার পরবর্তী করণীয় সম্পর্কে মন্তব্য জানান।

চিকিৎসকরা কীভাবে ঘরে থাকা রোগীদের সেবা দিচ্ছেন?

ঘরে কোয়ারেন্টিন অবস্থায় থাকার ক্ষেত্রে এই নারী বা তার পরিবারের সদস্যরা সামাজিকভাবে কোনওধরনের বিরূপ মনোভাবের শিকার না হলেও তার পরিচিত কয়েকজন আক্রান্ত রোগী নানা ধরণের জটিলতার মধ্যে পড়েছেন বলে জানান।

আর বাংলাদেশে করোনাভাইরাস আক্রান্ত অনেকেই এই ধরনের সমস্যার মধ্যে পড়ছেন বলে মন্তব্য করেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের ইন্টার্নাল মেডিসিন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক নাজমুল হাসান। তিনি বাড়িতে চিকিৎসাধীন করোনাভাইরাস রোগীদের খোঁজখবর রাখছেন।

পরিবার বা বাড়িতেকোয়ারেন্টিন করার পরিস্থিতি না থাকা, হল বা মেসে থাকায় সেবাযত্ন করার মানুষ না থাকায় এবং অনেকসময় পাড়া প্রতিবেশী বা বাড়িওয়ালার আপত্তিতেও মানুষের ঘরে বসে চিকিৎসার কাজ ব্যাহত হচ্ছে বলে মন্তব্য করেন নাজমুল হাসান।

তিনি বলেন, ‘অনেকেই রয়েছেন যাদের অল্প উপসর্গ রয়েছে ও বাসায় চিকিৎসা করা সম্ভব, কিন্তু নানা সমস্যার কারণে তাদের ঘরে চিকিৎসা করা সম্ভব হচ্ছে না – এই ধরনের রোগীদের ক্ষেত্রে বেশ সমস্যা হচ্ছে আমাদের।’

তবে বাংলাদেশের অধিকাংশ কোভিড-১৯ রোগীকে এখন ঘরে রেখে চিকিৎসা দেয়া সম্ভব হলেও যাদের ডায়াবেটিস, হৃদরোগ বা কিডনির সমস্যা রয়েছে, তাদেরকে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পরামর্শ দেয়া হচ্ছে বলে জানান নাজমুল হাসান।

ডাক্তার হাসান জানান, ঘরে যারা চিকিৎসা নেন, তাদের ক্ষেত্রে মূলত কয়েকটি বিষয়ে নিয়মিত খোঁজখবর রাখা হয়। কাশি অনেক বেড়ে যাচ্ছে কিনা, শ্বাসকষ্ট হঠাৎ বেড়ে যাচ্ছে কিনা, জ্বরের তীব্রতা বেড়ে অজ্ঞান ভাব হচ্ছে কিনা এবং শারীরিক অস্বস্তি চরম পর্যায়ে পৌঁছাচ্ছে কিনা।

ঘরে থাকা রোগীদের ক্ষেত্রে চিকিৎসকেরা এ বিষয়গুলোর নিয়মিত খোঁজখবর রাখছেন। অবস্থা খারাপ হলে তারা সঙ্গে সঙ্গে রোগীকে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন।

সূত্র: বিবিসি বাংলা

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

ঢাকার ১০৮ স্থানে করোনার হানা, জেনে নিন কোথায় কতজন

ডেস্ক,১৮ এপ্রিল:

গতকাল পর্যন্ত করোনাভাইরাসে নতুন করে ১৫ জন মৃত্যুবরণ করেছেন। এ নিয়ে দেশে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়াল ৭৫ জন। এছাড়াও গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আরও ২৬৬ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছে। এ নিয়ে দেশে মোট শনাক্তের সংখ্যা দাঁড়াল ১,৮৩৮।

করোনায় একদিনে মৃত্যু ও আক্রান্তের সংখ্যা এটি সর্বোচ্চ। শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) বেলা আড়াইটায় অনলাইন ব্রিফিংয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

বাংলাদেশে আক্রান্ত রোগীর মধ্যে সবচেয়ে বেশি সংখ্যাক ঢাকায়। ঢাকা মহানগরীতে ৭৪০ জন আক্রান্ত হয়েছে। চলুন এক নজরে দেখে নেই ঢাকার আক্রান্ত এলাকা ও এর সংখ্যা-

১. মিরপুর এলাকা ৫০ জন। ২. ওয়ারী ২৭ জন। ৩. মোহাম্মদপুর ২৬ জন। ৪. যাত্রাবাড়ী ২৫ জন। ৫. লালবাগ ২১ জন। ৬. উত্তরা ২০ জন। ৭. টোলারবাগ ১৯ জন। ৮. ধানমন্ডি ১৮ জন। ৯. বাসাবো ১৭ জন। ১০. মিটফোর্ড ১৭ জন। ১১. তেজগাঁও ১৬ জন। ১২. হাজারীবাগ ১৫ জন। ১৩. বংশাল ১৫ জন। ১৪. গেন্ডারিয়া ১৪ জন। ১৫. গুলশান ১৩ জন।

১৬. রাজারবাগ ১৩ জন। ১৭. মহাখালী ১২ জন। ১৮. বাবু বাজার ১১ জন। ১৯. মগবাজার ১১ জন। ২০. আজিমপুর ১১ জন। ২১. গ্রিন রোড ১০ জন। ২২. চকবাজার ১০ জন। ২৩. সুত্রাপুর ৯ জন। ২৪. বাড্ডা ৮ জন। ২৫. বনানী ৮ জন। ২৬. শান্তিনগর ৭ জন। ২৭. শাঁখারীবাজার ৭ জন। ২৮. শাহবাগ ৬ জন। ২৯. ইস্কাটন ৬ জন। ৩০. চানখারপুল ৬ জন।

৩১. আদাবর ৫ জন। ৩২. জিগাতলা ৫ জন। ৩৩. বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা ৫ জন। ৩৪. নাখালপাড়া ৫ জন। ৩৫. রমনা ৫ জন। ৩৬. লক্ষ্মীবাজার ৪ জন। ৩৭. কোতয়ালী ৪ জন। ৩৮. রামপুরা ৪ জন। ৩৯. মালিবাগ ৪ জন। ৪০. কামরাঙ্গীরচর ৪ জন। ৪১. শ্যামলী ৪ জন। ৪২. নারিন্দা ৩ জন। ৪৩. সোয়ারীঘাট ৩ জন। ৪৪. বেইলী রোড ৩ জন। ৪৫. কাজীপাড়া ৩ জন।

৪৬. হাতিরপুল ৩ জন। ৪৭. মুগদা ৩ জন। ৪৮. গুলিস্তান ৩ জন। ৪৯. সিদ্ধেশ্বরী ৩ জন। ৫০. জুরাইন ৩ জন। ৫১. গোপীবাগ ৩ জন। ৫২. ইসলামপুর ২ জন। ৫৩. পুরানা পল্টন ২ জন। ৫৪. শাহ আলীবাগ ২ জন। ৫৫. পীরেরবাগ ২ জন। ৫৬. আগারগাঁও ২ জন। ৫৭. কদমতলী ২ জন। ৫৮. জেলগেট ২ জন। ৫৯. সবুজবাগ ২ জন। ৬০. ডেমরা ২ জন। ৬১. নবাবগঞ্জ ২ জন।

৬২. বসিলা ১ জন। ৬৩. সেন্ট্রাল রোড ১ জন। ৬৪. বুয়েট এলাকা ১ জন। ৬৫. উর্দু রোড ১ জন। ৬৬. শাজাহানপুর ১ জন। ৬৭. নিকুঞ্জ ১ জন। ৬৮. আশকোনা ১ জন। ৬৯. দয়াগঞ্জ ১ জন। ৭০. ধোলাইখাল ১ জন। ৭১. শনির আখড়া ১ জন। ৭২. হাতিরঝিল ১ জন। ৭৩. মানিকদী ১ জন। ৭৪. বেড়িবাঁধ ১ জন। ৭৫. বেগুনবাড়ী ১ জন। ৭৬. ঢাকেশ্বরী ১ জন।

৭৭. সায়েদাবাদ ১ জন। ৭৮. ফার্মগেট ১ জন। ৭৯. নবাবপুর ১ জন। ৮০. রায়ের বাজার ১ জন। ৮১. আরমানিটোলা ১ জন। ৮২. বানিয়ানগর ১ জন। ৮৩. খিলগাঁও ১ জন। ৮৪. কুড়িল ১ জন। ৮৫. মতিঝিল ১ জন। ৮৬. শান্তিবাগ ১ জন। ৮৭. শ্যামপুর ১ জন। ৮৮. ভাটারা ১ জন। ৮৯. কল্যাণপুর ১ জন। ৯০. মাতুয়াইল ১ জন। ৯১. রায়েরবাগ ১ জন।

৯২. বেগমবাজার ১ জন। ৯৩. বকশীবাজার ১ জন। ৯৪. তেজতুরী বাজার ১ জন। ৯৫. ফরিদাবাগ ১ জন। ৯৬. কারওয়ান বাজার ১ জন। ৯৭. কচুক্ষেত ১ জন। ৯৮. সায়েন্সল্যাব ১ জন। ৯৯. শেওড়াপাড়া ১ জন। ১০০. শেখের টেক ১ জন। ১০১. ক্যান্টনমেন্ট ১ জন। ১০২. গোড়ান ১ জন। ১০৩. খিলক্ষেত ১ জন। ১০৪. কলতা বাজার ১ জন। ১০৫. মালিটোলা ১ জন। ১০৬. মোহনপুর ১ জন। ১০৭. সদরঘাট ১ জন। এবং ১০৮. পুরান ঢাকার ওয়ারী ২৭ জন।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলবে ২৬ এপ্রিল

ডেস্ক,১১ এপ্রিলঃ
দেশে নভেল করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব বাড়তে থাকায় সাধারণ ছুটি ২৫ এপ্রিল পর্যন্ত বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। সরকারের সিদ্ধান্তের সঙ্গে মিল রেখে সব সরকারি-বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটিও ২৫ এপ্রিল পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে।

শুক্রবার এই সিদ্ধান্তের কথা নিশ্চিত করেছেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. মাহাবুব হোসেন।

শিক্ষা সচিব বলেন, যেহেতু সরকার আগামী ২৫ এপ্রিল পর্যন্ত সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছে, তাই শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে নতুন কোনো নির্দেশনার প্রয়োজন নেই। আগামী ২৫ এপ্রিল পর্যন্ত সব ধরনের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানও বন্ধ থাকবে।

শিক্ষাপঞ্জি অনুসারে ২৫ এপ্রিল থেকেই রমজান ও ঈদের ছুটি শুরু হওয়ার কথা। তাই এই ছুটি রোজা ও ঈদের ছুটির সঙ্গে সংযুক্ত হতে পারে বলে শিক্ষা মন্ত্রণালয় নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে। তবে শিক্ষাসচিব বলেন, আমরা আগে ২৫ এপ্রিল পর্যন্ত দেখব। এরপর পরিস্থিতি বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত জানানো হবে।

এর আগে ১৭ মার্চ থেকে ৩১ মার্চ পর্যন্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করা হয়। এরপর সেই ছুটি প্রথমে ৯ এপ্রিল ও পরে ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত বাড়ানো হয়। এবার আগামী ২৫ এপ্রিল পর্যন্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছুটি বাড়ানো হলো।

ইতিমধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়সহ একাধিক বিশ্ববিদ্যালয় অনির্দিষ্টকালের জন্য তাদের ক্লাস-পরীক্ষা স্থগিত করেছে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

প্রাথমিকসহ সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ছুটি ৩০ মে পর্যন্ত!

ডেস্ক
দেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা দিনদিন বাড়ছে। এই প্রাণঘাতী ভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। ইতোমধ্যে সাধারণ ছুটি বাড়িয়ে ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত করা হয়েছে। একইসঙ্গে বাড়ানো হয়েছে সব ধরনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটিও।

|আরো খবর
জাপানে জরুরি অবস্থা জারি
বস্তিবাসীদের মুখে খাবার তুলে দিচ্ছেন রাকুল প্রীত
ফের বাবা হচ্ছেন সাকিব
করোনার প্রকোপ বেড়ে যাওয়ায় আসছে রমজান ও ঈদুল ফিতরের ছুটি সমন্বয় করে উদ্ভুত পরিস্থিতে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটি আগামী ৩০ মে পর্যন্ত দীর্ঘায়িত হচ্ছে। দুই একদিনের মধ্যে এমন ঘোষণা আসতে পারে। এ অবস্থায় শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় ক্ষতি পুষিয়ে নিতে নানা ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে সরকার।

এর আগেও দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ঈদুল ফিতরের পর খোলার সিদ্ধান্ত নেয়ার বিষয়ে গণভবনে অনানুষ্ঠানিক আলোচনা হয়েছে বলেও জানা গেছে। এদিকে ঘোষিত সাধারণ ছুটি পহেলা বৈশাখের ছুটি সঙ্গে সমন্বয় করে ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত দীর্ঘায়িত হয়েছে। আবার এর ১০ দিন পর শুরু হচ্ছে পবিত্র রমজান। ফলে রমজান এবং ঈদুল ফিতরের ছুটি সমন্বয় করে আগামী ৩০ মে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো খোলার সিদ্ধান্ত আসতে পারে।

এছাড়া রমজানের আগে আবাসিক শিক্ষার্থীরা দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আসলে করোনাভাইরাসে সংক্রমিত হওয়ার ঝুঁকি থেকে যায়। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকার পাশাপাশি বন্ধ করা হয়েছে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের আবাসিক হলগুলোও। এতে করে শিক্ষার্থীরা বাড়িতে ফিরে গিয়েছেন। এখন যদি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান চালু করা হয়, তাহলে সকল শিক্ষার্থীই সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানে ফিরে আসবে, এতে করে ঝুঁকি আরও বেড়ে যেতে পারে। তাই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ঈদুল ফিতরের পরে খোলার সিদ্ধান্ত নেয়া হবে বলে জানা গেছে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা বলেছেন, এই পরিস্থিতিতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান একবারে ঈদের পর খোলার ঘোষণা দেয়ার চিন্তাভাবনা চলছে। কেননা ২৪ এপ্রিল রোজার ছুটি শুরু হয়ে যাবে। এদিকে সব ধরনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ১৭ মার্চ থেকে বন্ধ। বিদ্যমান শিক্ষাপঞ্জি অনুযায়ী, ২৪ এপ্রিল রোজার ছুটি শুরু। করোনা পরিস্থিতির উন্নতি ঘটলেও ১৪ এপ্রিলের পর রোজার ছুটির আগ পর্যন্ত কর্মদিবস আছে মাত্র ৬টি।

এ ব্যাপারে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব মো. মাহবুব হোসেন বলেন, আমাদের এখনকার অগ্রাধিকার হচ্ছে বিদ্যমান পরিস্থিতি থেকে শিক্ষার্থীদের সুরক্ষা। এরপর পরিস্থিতির উন্নতি হলে ক্ষয়ক্ষতি পর্যালোচনা করে পরবর্তী কর্মসূচি নির্ধারণ করা হবে।

এর আগে গণভবনে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটি দীর্ঘায়িত করার জন্য একটি বৈঠকে অনানুষ্ঠিক আলোচনার সিদ্ধান্ত হয়েছিল। সেখানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ছাড়াও অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তাফা কামাল, খাদ্যমন্ত্রী, জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী, ত্রাণ ও দুর্যোগ প্রতিমন্ত্রীসহ স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এবং সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিব পর্যায়ের কর্মকর্তারা এতে উপস্থিত থাকার কথা ছিল।

আর করোনার কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটি দীর্ঘায়িত হলে শিক্ষার্থীদের পড়ালেখা যাতে ব্যাহত না হয় এর জন্য ইতোমধ্যে ব্যবস্থা নিয়েছে সরকার। প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের পাঠদানের ভিডিও ক্লাস বাংলাদেশ সংসদ টেলিভিশনে সমপ্রচার করা হচ্ছে। ছুটির পর ক্লাস খুললে টিভির ক্লাসের মূল্যায়ন নেয়া হবে জানায় মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর।

এর অংশ হিসেবে গত ২৯ মার্চ থেকে মাধ্যমিক স্তরের পাঠদান চলছে সংসদ বাংলাদেশ টেলিভিশনে। একই টিভিতে আজ দুপুর ২টায় শুরু হচ্ছে প্রাথমিক স্তরের শিক্ষার্থীদের পাঠদান। শিশু থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত ৬টি শ্রেণির ২০ মিনিট করে আলাদা পাঠদান করা হবে।

পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের শিক্ষার্থীদেরও অনলাইনে লেখাপড়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। কোনো শিক্ষক চাইলে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় কানেকটিভি ‘বিডিরেন’ ব্যবহার করে লেকচার দিতে পারছেন।

এ ব্যাপারে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক ড. আখতারুজ্জামান গণমাধ্যমকে বলেন, আমাদের এই মুহূর্তের অগ্রাধিকার হচ্ছে মহামারী মোকাবেলা। আমাদের অনেক ছাত্রছাত্রী দেশ-জাতির সেবায় নিয়োজিত। তাই এ মুহূর্তে লেখাপড়ার চেয়ে পরিস্থিতি মোকাবেলা করা জরুরি। দুর্যোগ শেষ হলে আমরা লেখাপড়ার ক্ষয়ক্ষতি পুষিয়ে নেয়ার জন্য করণীয় নির্ধারণ করব।

এদিকে করোনা ভাইরাসের কারণে ইতোমধ্যে সাধারণ ছুটি তিন দফা বাড়িয়ে ১৪ এপ্রিল করা হয়েছে। এ পরিস্থিতি আর কতদিন স্থায়ী থাকবে, তা কেউ বলতে পারছেন না।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

Responsive WordPress Theme Freetheme wordpress magazine responsive freetheme wordpress news responsive freeWORDPRESS PLUGIN PREMIUM FREEDownload theme free

hit counter