Home » Tag Archives: করোনা

Tag Archives: করোনা

প্রাথমিক খুললেও বন্ধ থাকবে প্রাক-প্রাথমিক

অনলাইন ডেস্ক, ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২২
দেশের করোনা সংক্রমণ কমায় প্রাথমিক বিদ্যালয় আগামী ১ মার্চ থেকে প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত ক্লাস চলার ঘোষণা এলেও বন্ধই থাকছে প্রাক-প্রাথমিক ক্লাস। শুক্রবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী জাকির হোসেন গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, করোনা সংক্রমণ কমায় আপাতত স্বাস্থ্যবিধি মেনে প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত ক্লাস নেওয়া হবে। আর প্রাক-প্রাথমিক স্তরের শ্রেণিকক্ষের শিক্ষা আপাতত বন্ধই থাকবে।
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিশুদের এক বছরমেয়াদী প্রাক-প্রাথমিক নামে শিক্ষার একটি স্তর আছে। যা শিশুশ্রেণি নামেও পরিচিত। এছাড়া ইংরেজি মাধ্যমের স্কুল এবং কিন্ডারগার্ডেনে প্লে, নার্সারি, কেজি ইত্যাদি শ্রেণি আছে।

গতকাল শুক্রবার সকালে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মাহবুবুর রহমান তুহিন বলেন, আগামী ১ মার্চ থেকে প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে সশরীরে পাঠদান শুরু হবে। এ বিষয়ে শিগগিরই অফিস আদেশ জারি করা হবে।
এর আগে, বৃহস্পতিবার শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি এক সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছিলেন, আগামী ২২ ফেব্রুয়ারি থেকে মাধ্যমিক, উচ্চমাধ্যমিক ও বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে শ্রেণিকক্ষে পাঠদান শুরু হবে।

করোনা সংক্রমণের কারণে ২০২০ সালের ১৭ মার্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেওয়া হয়। সংক্রমণ কমায় দেড় বছর পর ২০২১ সালের ১২ সেপ্টেম্বর খুলে দেওয়া হয় সব স্তরের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো। কিন্তু ফের সংক্রমণ বাড়ায় গত ২১ জানুয়ারি থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখা হয়। আগামী ২১ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বন্ধ থাকবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান

স্কুল-কলেজ খুললে যেভাবে ক্লাস

নিজস্ব প্রতিবেদক | ১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২২ঃ

আগামী ২২ ফেব্রুয়ারি থেকে স্কুল কলেজে সশরীরে পাঠদান শুরু হচ্ছে। জানুয়ারিতে যে অবস্থায় শ্রেণিকক্ষে পাঠদান বন্ধ হয়েছে, সেই জায়গা থেকেই স্কুল-কলেজ খুললে পাঠদান শুরু হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। তিনি বলেছেন, আমাদের ক্লাসের সংখ্যা যে রকম ছিল, আমরা এখন শুরু করব সেই জায়গায়। তারপরে আমরা চেষ্টা করব সেই সংখ্যাকে পরিস্থিতি সাপেক্ষে বাড়িয়ে স্বাভাবিক অবস্থায় নিয়ে যাওয়ার।
আরো পড়ুনঃ প্রাইমারি স্কুলের দপ্তরিদের কাজ না করলে সেবামূল্য দেয়ার সুযোগ নেই : অধিদপ্তর

বৃহস্পতিবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ মন্তব্য করেন তিনি।
সেপ্টেম্বর থেকে জানুয়ারিতে বন্ধের আগ পর্যন্ত একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণিতে প্রতিদিনই ক্লাস হত। আর পাঠদান হত তিন বিষয়ের। ৩০ ডিসেম্বর মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর মাধ্যমিক স্তরে শ্রেণি কার্যক্রম পরিচালনায় সর্বশেষ নির্দেশনা দেয়।

সে হিসেব অনুযায়ী, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের সপ্তাহে প্রতিদিন চারটি বিষয়ের ওপর ক্লাস নেয়া হবে, ১০ম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের সপ্তাহে প্রতিদিন (বিদ্যালয় খোলা থাকা সাপেক্ষে) ক্লাস হবে এবং দিনে তিনটি বিষয়ের ক্লাস নেয়া হবে। এছাড়া অষ্টম ও নবম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য সপ্তাহে দুইদিন তিনটি করে বিষয়ের ওপর ক্লাস নেয়া হবে। ষষ্ঠ ও সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য সপ্তাহে একদিন তিনটি বিষয়ে ক্লাস নেয়া হবে। আর ২০২২ খ্রিষ্টাব্দের এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের প্রতিদিন চারটি বিষয়ের ক্লাস নিতে হবে কলেজগুলোকে।

আর বাড়ছে না প্রাথমিকের ছুটি

ডেস্ক,১২ ফেব্রুয়ারী ঃ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের চলমান ছুটি আর না বাড়ানোর ইঙ্গিত দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি।

শনিবার দুপুরে ‘বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালস ইন্টারন্যাশনাল মডেল ইউনাইটেড নেশন্স কনফারেন্স’ এর সমাপনী অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন তিনি।

তিনি বলেন, আমরা দেখতে পাচ্ছি, করোনা সংক্রমণের হার কমছে। এটা ভালো খবর। আমরা আশা করছি, এর হার আরও কমবে৷ শিক্ষার্থীদের শিক্ষা জীবন আর যাতে ব্যাহত না হয়, সেজন্য শ্রেণি কক্ষে যে পাঠদান বন্ধ আছে আশা করছি সেটা আর বাড়াতে হবে না।

তিনি বলেন, করোনা সংক্রান্ত জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটির সাথে আগামীকাল আমাদের একটি বৈঠক হওয়ার কথা ছিল। তবে সেটি আরও দুইদিন পরে হবে। সেখানে আমরা সার্বিক অবস্থা পর্যালোচনা করব।

মন্ত্রী বলেন, আমরা কারিগরি পরামর্শক কমিটির সাথে পরামর্শ করে এর আগেও বিজ্ঞান সম্মত সিদ্ধান্ত নিয়েছি, সামনেও নিব।

এর আগে শুক্রবার সকালে সিলেট সার্কিট হাউস মিলনায়তনে জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগের নেতার সঙ্গে মতবিনিময় সভায় শিক্ষামন্ত্রী জানান, করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দিন দিন কমছে, আশা করা যাচ্ছে খুব শিগগিরই খুলে দেয়া হবে সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান

জানুয়ারিতে মৃত ৩২২ জনের মধ্যে টিকা নেননি ২৩৪ জন

ডেস্ক,১ ফেব্রুয়ারী ২০২২ঃ
দেশে ওমিক্রনের দাপটে করোনা শনাক্তের সংখ্যা বাড়ছে লাফিয়ে লাফিয়ে। সেই সঙ্গে বাড়ছে মৃত্যুও। সদ্য বিদায়ী জানুয়ারিতে দেশে করোনায় মারা গেছেন মোট ৩২২ জন। এদের মধ্যে ২৩৪ জনই টিকা নেননি। স্বাস্থ্য অধিদফতর এ তথ্য জানিয়েছে।

মঙ্গলবার ( ১ ফেব্রুয়ারি) মাসভিত্তিক বিশ্লেষণে স্বাস্থ্য অধিদফতর জানায়, সদ্য শেষ হওয়া জানুয়ারি মাসে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ৩২২ জন। তাদের মধ্যে করোনা ভাইরাস প্রতিরোধী টিকা নিয়েছেন মাত্র ৮৮ জন। বাকি ২৩৪ জনই টিকা নেননি।

অধিদফতরের হিসাব বলছে, মারা যাওয়া ৩২২ জনের মধ্যে টিকা নেননি ২৩৪ জন, শতকরা হিসাবে যা ৭২ দশমিক ৭ শতাংশ। আর টিকা নিয়েছেন ৮৮ জন, শতকরা হিসাবে ২৭ দশমিক ৩ শতাংশ।

জানুয়ারিতে মৃত ব্যক্তিদের মধ্যে যে ৮৮ জন টিকা নিয়েছিলেন, তাদের মধ্যে প্রথম ডোজ নিয়েছেন ১৮ জন, দ্বিতীয় ডোজ নিয়েছেন ৬৮ জন এবং তৃতীয় অর্থাৎ বুস্টার ডোজ নিয়েছিলেন দুই জন।

বৃহস্পতিবার থেকে কার্যকর হচ্ছে ১১ বিধিনিষেধ

করোনাভাইরাসের নতুন ভ্যারিয়েন্ট ওমিক্রন মোকাবিলায় নতুন করে সরকারের আরোপ করা বিধিনিষেধ বৃহস্পতিবার (১৩ জানুয়ারি) থেকে কার্যকর হচ্ছে। এই বিধিনিষেধ চলাকালে সবাইকে ১১ দফা নির্দেশনা মেনে চলতে হবে।

গত সোমবার (১০ জানুয়ারি) বিকেলে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, করোনাভাইরাসজনিত রোগের (কোভিড-১৯) নতুন ধরন ওমিক্রনের প্রাদুর্ভাব ও দেশে এ রোগের সংক্রমণ পরিস্থিতি পর্যালোচনা সংক্রান্ত সভায় নেওয়া সিদ্ধান্ত অনুযায়ী দেশের আর্থ-সামাজিক অবস্থা, অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড সচল রাখা এবং সামগ্রিক পরিস্থিতি বিবেচনায় ১৩ জানুয়ারি থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সার্বিক কাৰ্যাবলি/চলাচলে বিধিনিষেধ আরোপ করা হলো।
বিধিনিষেধ চলাকালে যে ১১ নির্দেশনা মেনে চলতে হবে

১. দোকান, শপিংমল ও বাজারে ক্রেতা-বিক্রেতা এবং হোটেল-রেস্তোরাঁসহ সব জনসমাগমস্থলে বাধ্যতামূলক সবাইকে মাস্ক পরতে হবে। অন্যথায় তাকে আইনানুগ শাস্তির সম্মুখীন হতে হবে।

২. অফিস-আদালতসহ ঘরের বাইরে অবশ্যই মাস্ক ব্যবহার করতে হবে। স্বাস্থ্যবিধি প্রতিপালনে ব্যত্যয় রোধে সারাদেশে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করতে হবে।
৩. রেস্তোরাঁয় বসে খাবার গ্রহণ এবং আবাসিক হোটেলে থাকার জন্য অবশ্যই করোনার টিকা সনদ প্রদর্শন করতে হবে।

৪. ১২ বছরের বেশি বয়সী সব শিক্ষার্থীকে শিক্ষা মন্ত্রণালয় কর্তৃক নির্ধারিত তারিখের পরে টিকা সনদ ছাড়া শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হবে না।

৫. স্থলবন্দর, সমুদ্রবন্দর ও বিমানবন্দরে স্ক্রিনিংয়ের সংখ্যা বাড়াতে হবে। পোর্টগুলোতে ক্রুদের জাহাজের বাইরে আসার ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা প্রদান করতে হবে। স্থলবন্দরগুলোতেও আগত ট্রাকের সঙ্গে শুধু চালক থাকতে পারবে। কোনো সহকারী আসতে পারবে না। বিদেশগামীদের সঙ্গে আসা দর্শনার্থীদের বিমানবন্দরে প্রবেশ বন্ধ করতে হবে।

৬. ট্রেন, বাস এবং লঞ্চে সক্ষমতার অর্ধেক যাত্রী নেওয়া যাবে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে কার্যকারিতার তারিখসহ সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা জারি করবে। সর্ব প্রকার যানের চালক ও সহকারীকে আবশ্যিকভাবে কোভিড-১৯ টিকা সনদধারী হতে হবে।

৭. বিদেশ থেকে আসা যাত্রীসহ সবাইকে বাধ্যতামূলক কোভিড-১৯ টিকা সনদ প্রদর্শন করতে হবে।

৮. স্বাস্থ্যবিধি প্রতিপালন এবং মাস্ক পরার বিষয়ে সব মসজিদে জুমার নামাজের খুতবায় ইমামরা সংশ্লিষ্টদের সচেতন করবেন। জেলা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তারা এ বিষয়টি নিশ্চিত করবেন।

৯. সর্বসাধারণের করোনার টিকা এবং বুস্টার ডোজ গ্রহণ ত্বরান্বিত করার লক্ষ্যে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় প্রয়োজনীয় প্রচার এবং উদ্যোগ গ্রহণ করবে। এক্ষেত্রে তারা তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সহায়তা গ্রহণ করবে।

১০. উন্মুক্ত স্থানে সামাজিক, রাজনৈতিক, ধর্মীয় অনুষ্ঠান এবং সমাবেশ-পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত বন্ধ রাখতে হবে।

১১. কোনো এলাকায় ক্ষেত্রবিশেষ কোনো পরিস্থিতি সৃষ্টি হলে সেক্ষেত্রে স্থানীয় প্রশাসন সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করে ব্যবস্থা নিতে পারবে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জরুরী নির্দেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক,১২ জানুয়ারি ২০২২:

ফের ঊর্ধ্বমুখী করোনাভাইরাসের সংক্রমণ। এমন পরিস্থিতিতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংক্রমণের অবস্থা মনিটরিং করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এরই অংশ হিসেবে প্রতিদিন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের করোনা সংক্রান্ত তথ্য পাঠাতে হবে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরে (মাউশি)।

মঙ্গলবার রাতে মাউশির মহাপরিচালক (অতি: দা:) শাহেদুল খবির চৌধুরীর সই করা অফিস আদেশ থেকে এ তথ্য জানা যায়।

এতে বলা হয়- মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে জারি করা গাইডলাইন, নির্দেশনাপত্র এবং কোডিড-১৯ সংক্রান্ত বিধির আলোকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নিয়মিতভাবে সুরক্ষিত রাখার জন্য দৈনিক ভিত্তিতে মনিটরিং করার লক্ষ্যে একটি চেকলিস্ট প্রস্তুত করা হয়েছে। কোভিড-১৯ সংক্রমণ পুনরায় বৃদ্ধি পাওয়ায় মনিটরিং চেকলিস্টের তথ্যগুলো গুগল ফরমের মাধ্যমে প্রতিদিন বেলা ৫টার মধ্যে পাঠাতে হবে।

এ লিংকে প্রবেশ করে (https://tinyurl.com/dshe-school-reopen) তথ্য দিতে হবে।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধের বিষয়ে সিদ্ধান্ত হতে পারে রোববার

ডেস্ক,৮ জানুয়ারী ২০২১ঃ
দেশে আবারও করোনার সংক্রমণ বেড়ে যাচ্ছে। এ পরিস্থিতিতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করা হবে কি না সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে আগামীকাল (রোববার) করোনাভাইরাস সংক্রান্ত জাতীয় পরামর্শক কমিটির সঙ্গে বৈঠক করবেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি।

আজ (শনিবার) শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে বিষয়টি জানা গেছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্য ও জনসংযোগ কর্মকর্তা এম এ খায়ের শনিবার সন্ধ্যায় বলেন, করোনাভাইরাসের ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্টের কারণে উদ্ভূত পরিস্থিতি নিয়ে আগামীকাল রোববার কোভিড-১৯ সংক্রান্ত জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটির সঙ্গে বৈঠক করবেন শিক্ষামন্ত্রী। আগামীকাল রাত ১০টায় ভার্চুয়ালি এ সভা হবে। সেখানে বর্তমান পরিস্থিতিতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা রাখা যায় কি না বা খোলা রাখা হলে কি পদ্ধতি অনুসরণ করা প্রয়োজন, সেসব বিষয়ে পরামর্শ নেওয়া হবে।

তবে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মকর্তা বলেন, বর্তমানে করোনার ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্টের বিস্তারে শিক্ষার্থীরা ঝুঁকিতে রয়েছে। ১২ বছরের উপরে শিক্ষার্থীদের ভ্যাকসিনের আওতায় আনা হলেও প্রাথমিক স্তরের শিক্ষার্থীদের এর আওতায় আনা সম্ভব হচ্ছে না। এ কারণে ঝুঁকি না নিতে আবারও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেওয়ার চিন্তাভাবনা করছে সরকার। সে বিষয়ে পরামর্শ নিতে জাতীয় পরামর্শক কমিটির সঙ্গে বৈঠক করবেন শিক্ষামন্ত্রী।

বৈঠকে শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব, কারিগরি ও মাদরাসা বিভাগের সচিবসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদেরও উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে।

এর আগে রোববার রাজধানীতে এক অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আজ আমাদের মন্ত্রণালয়ে নিজেদের মধ্যে আলাপ আছে। আগামীকাল রোববার কোভিড-১৯ সংক্রান্ত জাতীয় কারিগরি কমিটির সঙ্গে নির্ধারিত বৈঠক আছে। সার্বিক পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

তিনি বলেন, আমাদের ধারণা ছিল, মার্চে গিয়ে সংক্রমণ বাড়বে। কিন্তু এখন জানুয়ারির গোড়াতেই বাড়তে শুরু করেছে। কাজেই যে পরিকল্পনা, তাতে কিছুটা সমন্বয়ের দরকার হবে। কিন্তু আমরা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করতে চাই না। বরং আমরা চাই প্রত্যেক শিক্ষার্থী যেন করোনার টিকা নিয়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আসে। সেটিরও ব্যবস্থা করা হচ্ছে। হয়তো একটু অসুবিধা হতে পারে। যারা ১২ বছরের কম বয়সী শিক্ষার্থী, তাদের জন্য। সেসব বিষয় নিয়েও আমরা সিদ্ধান্ত নেবো।

টিকা ছাড়া স্কুলে যেতে পারবে না শিক্ষার্থীরা

অনলাইন ডেস্ক ॥ করোনাভাইরাসের টিকা না নিয়ে শিক্ষার্থীদের স্কুলে যাওয়া যাবে না বলে জানিয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম।

তিনি জানান, ১২ বছরের বেশি বয়সের শিক্ষার্থীদের অন্তত এক ডোজ টিকা নিয়ে স্কুলে যেতে হবে।শিক্ষা সংক্রান্ত কারিগরি কমিটির বৈঠকের সুপারিশ অনুযায়ী মন্ত্রিসভার বৈঠকে এমন সিদ্ধান্ত হয়েছে।

আরো পড়ুনঃ প্রাথমিকের প্রধান শিক্ষকরা দ্বিতীয় শ্রেণির গেজেটেড কর্মকর্তার পদমর্যাদা পাচ্ছেন

আজ বৃহস্পতিবার (৬ জানুয়ারি) মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম এসব কথা জানান। এছাড়াও বাস, ট্রেন, বিমান ও লঞ্চে চলাচল করতে ডাবল ডোজ টিকার সার্টিফিকেট থাকতে হবে বলে জানান তিনি।

গত বছরের ২৬ নবেম্বর থেকে সারাদেশে স্কুল শিক্ষার্থীদের টিকা কার্যক্রম শুরু হয়েছে। প্রথম ধাপে ৪৭টি জেলা শহরে কেন্দ্র স্থাপন করে ১২-১৭ বছরের শিক্ষার্থীদের টিকা দেওয়া হয়।

এর আগে ১ নবেম্বর থেকে ঢাকা মহানগরের আটটি স্কুলে ১২ থেকে ১৭ বছরের শিক্ষার্থীদের টিকাদান কার্যক্রম শুরু হয়। রাজধানীর মতিঝিলের আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ টিকাদান কেন্দ্রে এই কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক ও শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি।

মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) সূত্রে জানা গেছে, সারাদেশে টিকা পাওয়ার উপযোগী এক কোটি ২০ লাখ শিক্ষার্থী রয়েছে।

চলতি মাসেই দেয়া হবে বুস্টার ডোজ

নিজস্ব প্রতিবেদক,১৩ ডিসেম্বর ২০২১
করোনা প্রতিরোধে চলতি মাসেই বুস্টার ডোজ দেয়া শুরু হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। সোমবার মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ কথা বলেন তিনি।

আরো খবরঃ ওমিক্রনে প্রথম মৃত্যু দেখলো ব্রিটেন

এছাড়া বুস্টার ডোজ ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার পাবেন ষাটোর্ধ্ব ও ফ্রন্টলাইনাররা, সে জন্য সুরক্ষা অ্যাপও আপডেট করা হবে বলে জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

তিনি বলেন, ‘বুস্টারের সিদ্ধান্ত আমরা নিয়েছি, আমরা বুস্টার ডোজ দেবো। যারা ষাটোর্ধ ব্যক্তি, ফ্রন্টলাইন ওয়ার্কার যারা আছে তাদেরও দেয়ার পরিকল্পনা নিয়েছি। এ বিষয়ে কার্যক্রম চলছে। নির্দেশনা আমরা দিয়েছি। সুরক্ষা অ্যাপে কিছু আপডেট করতে হবে। আশা করছি, এ মাসেই কাজ শুরু করতে পারবো।’

স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেন, বুস্টার ডোজ দিতে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের যে প্রস্তুতি সেটাও হয়ে যাবে। আইসিটির প্রস্তুতিটাও আমরা করে ফেলতে পারবো। একটা প্রায়োরিটি সেট (নির্ধারণ) করতে হয়। সেই অনুযায়ী যারা বয়স্ক বা মৃত্যু-ঝুঁকি বেশি তাদের আমরা আগে দেবো। যারা ফ্রন্টলাইন ওয়ার্কার তাদেরও দেবো। সবাইকে দেয়ার পরে উন্মুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে আমাদের।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, আমাদের হাসপাতালগুলো যেভাবে ছিল আমরা সেভাবেই রেখেছি। এটাকে আরও জোরদার করা হয়েছে। আমরা প্রায় ৮০টি জেনারেটর স্থাপন করছি, অক্সিজেন জেনারেটর। এর মধ্যে ৩০টি স্থাপনের কাজ প্রায় সমাপ্তির পথে। বাকিগুলো আগামী অল্পদিনের মধ্যে দেশে আসলে আমরা লাগিয়ে দেবো।

টিকার বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, আমরা এ পর্যন্ত ১১ কোটি টিকা দিয়েছি। এ মাসে আরও দেড় থেকে দুই কোটি টিকার দেয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। টিকা আমাদের হাতে প্রায় ৪ কোটি আছে। আজকেও ইউকে থেকে ৪০ লাখ ডোজ টিকা পাবো। টিকার কোনো অসুবিধা নেই।

ওমিক্রনের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘এই ভাইরাসটি এখনো খুব ক্ষতিকারক না। এটি সাংঘাতিক সংক্রামক কিন্তু মৃত্যুর খবর কোথাও আমরা পাইনি। আমাদের এজন্য সজাগ থাকতে হবে। গতকালও আমরা দেখেছি ১ দশমিক ৫ সংক্রমণের হার। এটি এখন কিছুটা বাড়তির দিকে। আমাদের মৃত্যুও ৬ হয়েছে গতকাল, এটা শূন্য, ১ বা ২-এ ছিল। স্বাস্থ্যবিধি মেনে আমাদের চলতে হবে। টিকা যারা নেননি তাদের আহ্বান করবো টিকা নিয়ে আপনারা সুরক্ষিত হয়ে যান।’

অন্তত ৮০ শতাংশ মানুষ দুই ডোজ টিকা পাওয়ার আগে তৃতীয় ডোজের পক্ষে ছিলেন না বাংলাদেশের গবেষক ও স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা। এখনও পর্যন্ত বাংলাদেশে মাত্র ২৫ শতাংশের মতো মানুষ দুই ডোজ টিকা পেয়েছেন।

অমিক্রন: করোনার নতুন ভ্যারিয়েন্ট থেকে নতুন ঢেউএর জন্য সব দেশকে প্রস্তুত থাকতে বলেছে ডাব্লিউএইচও

ডেস্ক,৩ ডিসেম্বর ২০২১ঃ
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা সতর্ক করেছে যে নতুন অমিক্রন ভ্যারিয়েন্ট থেকে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বৃদ্ধির জন্য যেন সব দেশ প্রস্তুত থাকে।

পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগরীয় এলাকায় ডাব্লিউএইচও-র আঞ্চলিক ডিরেক্টার ড. তাকেশি কাসাই বলেছেন বিভিন্ন দেশ থেকে কোভিড-১৯-এর অমিক্রন ভ্যারিয়েন্টে আক্রান্তের সংখ্যা প্রতিদিন বাড়ছে বলে খবর পাওয়া যাচ্ছে।

তিনি বলেছেন যে খবর এই মুহূর্তে আমরা পাচ্ছি, প্রকৃত চিত্র তার থেকেও ব্যাপক- “ভৌগলিকভাবে তা ইতোমধ্যেই অনেক বেশি ছড়িয়ে গেছে”।

অমিক্রন ভ্যারিয়েন্ট থেকে করোনা সংক্রমণের নতুন ঢেউ আসার সম্ভাবনার জন্য সব দেশকে তৈরি থাকতে বলেছেন ড. কাসাই। তিনি বলেছেন, ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট ঠেকাতে যেসব শিক্ষা আমরা পেয়েছি নতুন এই ভ্যারিয়েন্ট মোকাবেলায় তা কাজে লাগাতে হবে।
অমিক্রন নিয়ে গবেষণা

ডাব্লিউএইচও আরও বলেছে ভ্রমণের ওপর ঢালাও নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে কোন দেশ এই ভ্যারিয়েন্টের ঢোকা শুধু বিলম্বিত করতে পারবে, কিন্তু তা একেবারে ঠেকাতে পারবে না।

সংস্থার আপদকালীন আঞ্চলিক ডিরেক্টার ড. বাবাতুন্ডে ওলউকুরে বলেছেন, অমিক্রন ভ্যারিয়েন্টের গতিপ্রকৃতি বুঝতে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বিশাল সংখ্যক গবেষণা প্রতিষ্ঠানের সাথে বর্তমানে এক যোগে কাজ করছে। তবে এখনও পর্যন্ত তারা এমন কোন তথ্য পায়নি, যার জন্য এই মহামারি মোকাবেলায় এই মুহূর্তে নতুন দিক নির্দেশনার প্রয়োজন রয়েছে।

সংস্থাটি বলছে, প্রতিটি দেশ যেন তাদের নিজস্ব ঝুঁকি বিবেচনায় নিয়ে বর্তমান পদক্ষেপগুলো জোরদার করে, যেমন: মাস্ক পরা, দূরত্ব বজায় রাখা, হাত ধোয়া, জনসমাগম এড়িয়ে চলা, সংক্রমিতদের ট্রেস করা, আক্রান্তদের আইসোলেশনে রাখা এবং টিকাদান অব্যাহত রাখা।

ড. কাসাই স্কুল খোলা রাখার ঝুঁকিগুলো মূল্যায়ন করে যথাযথ ব্যবস্থা নেবার ওপরও জোর দিয়েছেন।

গত সপ্তাহে অমিক্রনকে “উদ্বেগজনক ভ্যারিয়েন্ট” ঘোষণা করা হয়।

ভাইরাসের এই ধরনটি আগের ভ্যারিয়েন্টগুলোর থেকে দ্রুত ছড়াচ্ছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে বর্তমান টিকা এই ভ্যারিয়েন্ট প্রতিরোধে কতটা কার্যকর হবে সে বিষয়ে এখনও স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যায়নি।
দক্ষিণ আফ্রিকায় নজিরবিহীন সংক্রমণ

দক্ষিণ আফ্রিকার স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা বলছেন সে দেশে অমিক্রন ভ্যারিয়েন্টের প্রকোপে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ নজিরবিহীন মাত্রায় বাড়ছে।

মাত্র দু সপ্তাহ আগে যেখানে দৈনিক শনাক্তের সংখ্যা ছিল গড়ে তিনশয়ের সামান্য বেশি, সেখানে এখন প্রতিদিনি নতুন কোভিড শনাক্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে সাড়ে এগারো হাজারের বেশি।

জন স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ বলছে মহামারির এই চতুর্থ ঢেউ আগের তুলনায় অনেক মারাত্মক রূপ নিয়েছে। নজিরবিহীন মাত্রায় সংক্রমণ বাড়ছে, তবে অমিক্রন আগের ভ্যারিয়েন্টগুলোর তুলনায় বেশি প্রাণঘাতী এমন প্রমাণ তারা এখনও পাননি বলে জানাচ্ছেন।

দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রী, জো ফাহলা জন সাধারণকে টিকা নেবার অনুরোধ জানিয়েছেন।

জোহানেসবার্গ থেকে বিবিসির সংবাদদাতা পুমজা ফিলহানি জানাচ্ছেন দেশটির গাউতেং প্রদেশে, যেখানে আক্রান্তের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি সেখানে আগের ঢেউগুলোর তুলনায় অনেক বেশি সংখ্যক পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশুকে হাসপাতালে ভর্তি করতে হয়েছে।

বিজ্ঞানীরা বলছেন এর কারণ কী তা তারা গবেষণা করে দেখছেন।

পাবনায় তিন শিক্ষক করোনা আক্রান্ত, স্কুল বন্ধ

পাবনায় একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৩ শিক্ষক করোনায় আক্রান্ত হওয়ায় বিদ্যালয়টি বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।

আরো খবরঃ

মঙ্গলবার (২৩ নভেম্বর) সকালে পাবনার বেড়া উপজেলার নগরবাড়ি ঘাট-সংলগ্ন রাজনারায়ণপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রেহানা পারভীন বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘ আমাদের স্কুলের তিন শিক্ষক করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। তারা হলেন সহকারী শিক্ষক শামীমা আক্তার (৩২) মহব্বত আলী (৩৫) ও ইফফার আরা (৩৮)।

প্রধান শিক্ষক রেহানা পারভীন জানান, ১৪ নভেম্বর টেস্ট করে শামীমা পারভীনের শরীরে করোনা পজিটিভ রিপোর্ট আসে। ১৬ নভেম্বর স্কুলের বাকি ৭ শিক্ষক টেস্ট করতে গেলে আরও দুইজনের রিপোর্টও পজিটিভ আসে।

এ খবর শুনার পর শিক্ষার্থীরা স্কুলে আসা বন্ধ করে দেয়। পরে উপজেলা শিক্ষা অফিসের নির্দেশনায় স্কুলটি বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। কঠোর স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করার পর করোনায় আক্রান্ত হওয়াটা দুঃখজনক বলে তিনি জানান।

করোনা আক্রান্ত শিক্ষিকা শামীমা আক্তার বলেন, ‘করোনা টেস্টে রেজাল্ট পজিটিভ আসলে ছুটি নিয়ে বাড়িতে চিকিৎসা নিচ্ছি। এখন শারীর অনেকটা ভালো লাগছে। ’

বেড়া উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা কফিল উদ্দিন জানান, ‘জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার সাথে এ বিষয়ে কথা বলে স্কুল বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। সবাই সুস্থ না হওয়া পর্যন্ত স্কুল খোলা হবে না।’

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা খন্দকার মনছুর রহমান জানান, তিন শিক্ষক করোনায় আক্রান্ত হওয়ার পর তারা বিদ্যালয়টি ছুটির আবেদন করেছিল। আপাতত বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে ‘

২০ মাস পর খুললো পশ্চিমবঙ্গের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান

ডেস্ক | ১৬ নভেম্বর, ২০২১
করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে পশ্চিমবঙ্গে বন্ধ হয়ে যাওয়া স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় আজ মঙ্গলবার থেকে খুলছে। ২০ মাস পর করোনা বিধিনিষেধ মেনে খুলছে রাজ্যের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।

গত কয়েক দিন থেকে রাজ্যে করোনার প্রকোপ অনেকটা কমে আসায় রাজ্য সরকার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার সিদ্ধান্ত নেয়।

রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তরের সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টার বুলেটিনে গতকাল রোববার রাতে বলা হয়েছে, এই রাজ্যে সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় করোনায় সংক্রমিত হয়েছেন ৮৭৫ জন, মৃত্যু হয়েছে ৭ জনের। এই নিয়ে এই রাজ্যে করোনায় মৃত্যু হলো ১৯ হাজার ৩২৪ জনের। আর সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে ১৬ লাখ ৪ হাজার ১৯৩ জনের।

পশ্চিমবঙ্গে করোনা সংক্রমণ ও মৃত্যুর হার নিম্নমুখী হওয়ায় কলকাতাসহ রাজ্যের সব স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্য সরকার। আজ অষ্টম শ্রেণি থেকে বিশ্ববিদ্যালয় স্তর পর্যন্ত ক্লাস শুরু হবে।

গতকাল রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু বলেছেন, নিচু শ্রেণির ক্লাসও শিগগির খুলে দেওয়া হবে।

এর আগে, রাজ্যে করোনা গ্রাফ নিম্নমুখী থাকায় গত ২৬ অক্টোবর মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় উত্তরবঙ্গের শিলিগুড়িতে রাজ্যের প্রশাসনিক বৈঠকে যোগ দিয়ে ঘোষণা দিয়েছিলেন, করোনা বিধিনিষেধ মেনে ১৬ নভেম্বর থেকে রাজ্যের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলবে।

করোনা সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় পশ্চিমবঙ্গ সরকার গত বছরের ১৬ মার্চ থেকে রাজ্যের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করে।

মুখ্যমন্ত্রী রাজ্যের মুখ্যসচিব হরেকৃষ্ণ দ্বিবেদীকে নির্দেশ দিয়েছেন, রাজ্যের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান যথাযথ পরিষ্কার ও স্যানিটাইজ করে খোলার ব্যবস্থা করতে হবে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ঢুকতে হবে করোনা বিধিনিষেধ মেনে। এই করোনা বিধিনিষেধ মানতে হবে রাজ্যের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা, কর্মচারী, শিক্ষক-শিক্ষিকা ও শিক্ষার্থীদের

চলতি সপ্তাহেই ২১ কেন্দ্রে শিশুদের টিকা প্রয়োগ

ঢাকা : চলতি সপ্তাহ থেকে সারা দেশের ২১টি কেন্দ্রে ১২ থেকে ১৭ বছর বয়সী শিশু-কিশোরদের করোনার টিকা দেওয়া শুরু হবে। মঙ্গলবার (১২ অক্টোবর) দুপুরে এক অনুষ্ঠান শেষে স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. এবিএম খুরশীদ আলম সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, এই সপ্তাহের মধ্যেই শিশুদের টিকা দেওয়া শুরু হবে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর মাধ্যমেই তাদের নিবন্ধন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে। আর তাদের জন্য আলাদা টিকা কেন্দ্র তৈরি করা হবে।

আরো পড়ুনঃ  রান পেলেন সৌম্য, ব্যর্থ মুশফিক-লিটন-নাইম-আফিফরা

খুরশীদ আলম বলেন, শিশু-কিশোরদের টিকার বিষয়টি নানা কারণে এখনো হয়ে ওঠেনি। এর প্রধান কারণ হলো, এখন পর্যন্ত বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) অনুমোদন দেয়নি। তবে সম্প্রতি স্বাস্থ্যমন্ত্রী জেনেভায় গিয়ে ডব্লিউএইচওর ডিজির সঙ্গে কথা বলেছেন। এ বিষয়ে তারা সম্মতি দিয়েছেন। বিভিন্ন দেশে ফাইজারের টিকা দেওয়া হচ্ছে। সেটি মাথায় রেখে আমরাও একই টিকা দেবো।

স্বাস্থ্য মহাপরিচালক বলেন, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ১২ বছরের বেশি শিক্ষার্থীদের অনুমোদন না দিলেও বিভিন্ন দেশে তাদের ফাইজার দেওয়া হচ্ছে। আমাদেরও এমনটা পরিকল্পনা আছে। ইতোমধ্যে ২১টি কেন্দ্র ঠিক করা হয়েছে। এটি চাইলে সব জায়গায় দেওয়া সম্ভব নয়। কারণ, ফাইজারের টিকা সংরক্ষণের জন্য সারা দেশে ওরকম সুযোগ সুবিধা নেই।

তিনি আরও বলেন, ফাইজারের টিকা অন্যান্য টিকার চেয়ে একটু আলাদা। এজন্য আলাদা করে টিকা প্রয়োগকারীদের প্রশিক্ষণের দরকার আছে। তবে যেদিন থেকে শিশুদের টিকা দেওয়া শুরু হবে, তার আগের দিন সবাইকে জানিয়ে দেওয়া হবে।

কোন কোন জেলায় এই টিকা কার্যক্রম শুরু হবে জানতে চাইলে স্বাস্থ্যের ডিজি বলেন, জেলা ও সিটি করপোরেশনগুলোর যেখানে সুবিধা আছে, আপাতত সেখানেই দেওয়া হবে। বাকিগুলোতে পর্যায়ক্রমে দেওয়া হবে। এটাই এখন মেনে নিতে হবে।

এ সময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা, অধিদফতরের পরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. শামিউল ইসলাম প্রমুখ।

করোনার উপসর্গ নিয়ে এবার লক্ষ্মীপুরে মাদ্রাসাছাত্রীর মৃত্যু

ডেস্ক,২৫ সেপ্টেম্বর:
করোনার উপসর্গ নিয়ে এবার লক্ষ্মীপুরে এক মাদ্রাসাছাত্রীর মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার রাতে সদর হাসপাতালে মারা যায় শিশু জান্নাতুল ফিজা। সে রায়পুর উপজেলার দেবীপুর এলাকার সিএনজিচালক সেলিম উদ্দিনের মেয়ে এবং সায়েস্তানগর ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসার পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। এর আগে গত বুধবার মানিকগঞ্জে করোনার উপসর্গ নিয়ে এক স্কুলছাত্রীর মৃত্যু হয়।

আরো পড়ুনঃ প্রাথমিকে শিক্ষক বদলি নিয়ে সুখবর

সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক কমলা শীষ রায় জানান, জান্নাতুলকে হাসপাতালের আনার পর অক্সিজেন লেভেল শূন্যে নেমে আসে। পরে রাতেই সে মারা যায়।

ফিজার স্বজনরা জানায়, মাদ্রাসা খোলার পর নিয়মিত ক্লাসে গেছে সে। চার দিন আগে তার জ্বর আসে। সঙ্গে সর্দি-কাশিও ছিল। শুক্রবার সন্ধ্যায় শ্বাসকষ্ট শুরু হলে তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছিল।

ছাত্রীর পর এবার এক শিক্ষকের করোনা শনাক্ত

ডেস্ক,২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১:
প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এক ছাত্রীর করোনা আক্রান্তের খবরের পর এবার আরও এক শিক্ষকের করোনা শনাক্তের খবর পাওয়া গেছে। শিক্ষকের করোনা শনাক্তের পর বিদ্যালয়টির সকল শিক্ষক-শিক্ষার্থীর নমুনা পরীক্ষার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বাগেরহাটের মোংলা উপজেলার মোংলা উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে।

বুধবার (২২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে তার করোনা পজিটিভ রিপোর্ট আসে। করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ওই শিক্ষকের নাম পুলিন কুমার মন্ডল। পরে মোংলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কমলেশ মজুমদার বিদ্যালয়টির সব শিক্ষক-শিক্ষার্থীর নমুনা পরীক্ষার নির্দেশ দেন।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নরেন চন্দ্র হালদার জানান, শিক্ষক পুলিন কুমার মন্ডল আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে সহকারী প্রিসাইডিং অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। মঙ্গলবার (২১ সেপ্টেম্বর) সকালে তিনি বিদ্যালয়ে পাঠদানের জন্য আসেন।

তিনি বলেন, বিদ্যালয়ে প্রবেশকালে তার শরীরের তাপমাত্রা স্বাভাবিক ছিল। কিন্তু পরবর্তীতে শিক্ষক কক্ষে বসে তিনি শরীরে জ্বর অনুভব করেন এবং কাশি দিতে থাকেন। একপর্যায়ে ফোন করে জানতে পারেন তার স্ত্রীর করোনা শনাক্ত হয়েছেন।

পড়ুন: যেদিন থেকে প্রাথমিক শিক্ষক বদলি শুরু

বিষয়টি জানতে পেরে তাৎক্ষণিকভাবে তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গিয়ে নমুনা দেওয়ার জন্য অনুরোধ করা হয়। বুধবার তার করোনা পজিটিভ রিপোর্ট আসে।

মোংলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কমলেশ মজুমদার বলেন, বিদ্যালয়ের এক শিক্ষকের করোনা শনাক্ত হয়েছে। এতে ওই বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীকে নমুনা পরীক্ষার জন্য বলা হয়েছে। রিপোর্ট আসলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এর আগে, গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলায় ৪ নম্বর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির এক ছাত্রীর করোনা শনাক্ত হয়। ওই ছাত্রী আক্রান্ত হওয়ার পরে তৃতীয় শ্রেণির পাঠদান ১৪ দিনের জন্য বন্ধ করে দিয়েছে উপজেলা শিক্ষা অফিস।

গতকাল মঙ্গলবার (২১ সেপ্টেম্বর) বিদ্যালয়টিতে গিয়ে ওই ছাত্রী আক্রান্ত হওয়ার সত্যতা পাওয়া গেছে। তবে এ বিষয়ে ওই বিদ্যালয়ের অন্যান্য শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও শিক্ষকরা আতংকিত নন বলে জানিয়েছেন বিদ্যালয়টির ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক সোহেলী পারভীন পান্না।

HSC MATH CRAZY COURSE



Responsive WordPress Theme Freetheme wordpress magazine responsive freetheme wordpress news responsive freeWORDPRESS PLUGIN PREMIUM FREEDownload theme free

hit counter