ঢাকা, ১১ নভেম্বর:
আসন্ন ২০২৬ শিক্ষাবর্ষে সরকারি ও বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ১ম থেকে ৯ম শ্রেণিতে ভর্তি প্রক্রিয়া ডিজিটাল লটারির মাধ্যমে সম্পন্ন করা হবে।এ সংক্রান্ত প্রস্তুতির অংশ হিসেবে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শূন্য আসন ও প্রয়োজনীয় তথ্য পাঠাতে নির্দেশনা দিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)।
প্রতিষ্ঠানগুলোকে ১২ থেকে ১৯ নভেম্বরের মধ্যে টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেডের ওয়েবসাইট gsa.teletalk.com.bd -এ প্রবেশ করে তথ্য জমা দিতে হবে।মাউশির এক নির্দেশনায় জানানো হয়,
“তথ্য প্রদানে কোনো ভুল হলে বা ত্রুটি থেকে জটিলতা তৈরি হলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের প্রধান ব্যক্তিগতভাবে দায়ী থাকবেন।”চিঠিটি দেশের সব সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও স্কুল-অ্যান্ড-কলেজের প্রধানদের কাছে পাঠানো হয়েছে।
২০২৬ শিক্ষাবর্ষে ভর্তি প্রক্রিয়ায় অংশ নেবে—সারাদেশের সব সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও স্কুল-অ্যান্ড-কলেজমহানগর, জেলা সদর ও উপজেলা সদরের বেসরকারি স্কুল ও স্কুল-অ্যান্ড-কলেজ (মাধ্যমিক, নিম্ন মাধ্যমিক ও সংযুক্ত প্রাথমিক স্তরসহ)
প্রতিষ্ঠানপ্রধানদের টেলিটক কর্তৃক সরবরাহকৃত ইউজার আইডি ও পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে অনলাইন ফরম পূরণ করতে হবে।তথ্য প্রদানের সময় নিম্নলিখিত বিষয়গুলো বাধ্যতামূলকভাবে অনুসরণ করতে হবে—
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ ভর্তি নীতিমালা অনুসারে তথ্য দিতে হবে।কোনো শ্রেণি বা শাখায় শিক্ষার্থীর চাহিদা সংখ্যা ৫৫ জনের বেশি দেওয়া যাবে না।ঢাকা মহানগরের প্রতিষ্ঠানপ্রধানরা সর্বোচ্চ ৩টি থানা (ক্যাচমেন্ট এরিয়া) নির্ধারণ করতে পারবেন।ব্যাংক সংক্রান্ত তথ্যের ক্ষেত্রে অনলাইন ব্যাংক হিসাব নম্বর ও রাউটিং নম্বর প্রদান করতে হবে।কোনো এনালগ বা হাতে লেখা নম্বর গ্রহণযোগ্য হবে না।ভুল তথ্য প্রদান বা ত্রুটি ধরা পড়লে প্রতিষ্ঠানপ্রধান ব্যক্তিগতভাবে দায়ী থাকবেন।
“ভর্তি সংক্রান্ত সব কার্যক্রম শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অনুমোদিত ভর্তি নীতিমালা অনুযায়ী পরিচালিত হবে।
তথ্য প্রেরণের সময় যথাযথ যাচাই-বাছাইয়ের মাধ্যমে নির্ভুল তথ্য পাঠাতে হবে।”











