Home » টপ খবর (page 4)

টপ খবর

দৈনিক সংক্রমণে বিশ্ব রেকর্ড, মৃত্যু ছাড়াল দু’হাজার

ডেস্ক,২১ এপ্রিল:

করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের ধাক্কায় রীতিমতো কাঁপছে ভারত। দেশটিতে ভয়াবহভাবে বেড়েই চলেছে ভাইরাসে আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা। গত কয়েকদিন ধরে দেশটির দৈনিক করোনা সংক্রমণ দুই লাখ ছাড়িয়ে যাচ্ছে। বুধবার সেই সংখ্যা পৌঁছেছে তিন লাখের কাছাকাছি। এক দিনে আক্রান্তের এই সংখ্যা শুধুমাত্র ভারতে নয় বিশ্বেও সর্বোচ্চ। এনডিটিভি, আনন্দবাজার।

একইসঙ্গে লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে মৃত্যুর সংখ্যাও। ভারতে মৃত্যুর সংখ্যা বাড়তে বাড়তে গত কয়েকদিনে তা হাজারের ঘর পেরিয়েছে, কিন্তু বুধবার সেই সংখ্যা ছাড়িয়েছে দুই হাজারের ঘর। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশটিতে মারা গেছেন রেকর্ড ২ হাজার ২৩ জন।

বুধবার ভারতের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশটিতে নতুন করে করোনায় সংক্রমিত হয়েছেন ২ লাখ ৯৫ হাজার ৪১ জন। যা মঙ্গলবারের তুলনায় প্রায় ৩৬ হাজার বেশি। সংক্রমণের এই রেকর্ড বৃদ্ধিতে দেশটিতে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ছাড়িয়েছে ১ কোটি ৫৬ লাখের ঘর। মোট আক্রান্তের দিক দিয়ে বিশ্বে আমেরিকার পর দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে ভারত।

মঙ্গলবার দেশটিতে করোনায় আক্রান্ত হয়ে ১ হাজার ৭৬১ জনের মৃত্যুর কথা জানানো হলেও বুধবার সেই সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ২৩ জনে। এ নিয়ে দেশটিতে করোনায় মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৮২ হাজার ৫৫৩ জনে।

দৈনিক বিপুল সংখ্যক মানুষ আক্রান্ত হওয়ার কারণে ভারতে উল্লেখযোগ্য হারে বাড়ছে সক্রিয় রোগীর সংখ্যা। গত ২৪ ঘণ্টায় ভারতে সক্রিয় রোগী বেড়েছে ১ লাখ ২৫ হাজার ৫৬১ জন। দেশটিতে এখন মোট সক্রিয় রোগীর সংখ্যা ২১ লাখ ৫৭ হাজার ৫৩৮ জন। যদিও এ বছর ফেব্রুয়ারি মাসের শেষের দিকে দেশটিতে সক্রিয় রোগীর সংখ্যা কমে দেড় লাখের নিচে চলে এসেছিল।

কিন্তু এরপর রোগী বাড়তে বাড়তে তা সাড়ে ২১ লাখ ছাড়িয়েছে। ফলে হাসপাতাল, স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলোতে রোগীদের চিকিৎসা সেবা দেওয়ার সুযোগ ক্রমেই কমে আসছে। অনেক ক্ষেত্রেই একই শয্যায় একাধিক রোগীকে শুয়ে থাকতে দেখা যাচ্ছে। অক্সিজেনেরও অভাব সামাল দিতে হিমশিম খাচ্ছে দেশটি। অনেক জায়গায়ই অস্থায়ী করোনা সেন্টার তৈরি করে পরিস্থিতি মোবাবিলার চেষ্টা চালাচ্ছে বিভিন্ন রাজ্য সরকার।

এদিকে সংক্রমণ প্রতিরোধে ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে লকডাউনও জারি করা হয়েছে। রাজধানী দিল্লিতে সোমবার থেকে চলছে লকডাউন। মহারাষ্ট্রেও ‘করোনা কারফিউ’ চলছে। উত্তরপ্রদেশ, মধ্যপ্রদেশের মতো রাজ্যে সপ্তাহান্তে চলছে লকডাউন। রাত্রিকালীন কারফিউ জারি হয়েছে দেশের বিভিন্ন শহরে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

বিশ্ববিদ্যালয়ে গুচ্ছ ভর্তির আবেদন শুরু ২ মে, পরীক্ষা ৩১ জুলাই

নিজস্ব প্রতিবেদক,২০ এপ্রিল:
৭টি কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের গুচ্ছ পদ্ধতিতে ভর্তি পরীক্ষার মাধ্যমে ১ম বর্ষ স্নাতক শ্রেণিতে ২০২০-২০২১ শিক্ষাবর্ষে ভর্তির আবেদন গ্রহণ আগামী ২ মে থেকে শুরু হবে। আগামী ৩১ জুলাই এমসিকিউ পদ্ধতিতে ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। ৫ আগস্ট ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হবে।

সোমবার (১৯ এপ্রিল) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর ও কেন্দ্রীয় ভর্তি কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মো. গিয়াসউদ্দীন মিয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ভর্তি কমিটির অনলাইন সভায় এসব সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়। কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠানো এক সংবাদবিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পাল্টাপাল্টি বিবৃতি দেয়া সমীচীন হয়নি: হাইকোর্ট

নিজস্ব প্রতিবেদক | ২০ এপ্রিল, ২০২১
লকডাউনের মধ্যে রাজধানীতে পুলিশ, ম্যাজিস্ট্রেট ও নারী চিকিৎসকের বাগবিতণ্ডার ঘটনায় দুই পেশাজীবী সংগঠনের পাল্টাপাল্টি বিবৃতিতে উষ্মা প্রকাশ করেছেন হাইকোর্ট।

মঙ্গলবার (২০ এপ্রিল) বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি সরদার মো. রাশেদ জাহাঙ্গীরের হাইকোর্ট বেঞ্চ এমন মন্তব্য করেন।
আরো খবর:

দুই নারী সঙ্গীর বিষয়ে পুলিশকে যা বললেন মামুনুল

আদালত বলেছেন, ওই ঘটনায় সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পাল্টাপাল্টি বিবৃতি দেয়া সমীচীন হয়নি। তাদের এমন আচরণ অনাকাঙ্ক্ষিত। সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কাছে এমন আচরণ কাম্য নয়।

১৮ এপ্রিল রাজধানীর নিউ এ্যালিফেন্ট রোডের একটি চেকপোস্টে পুলিশ, ম্যাজিস্ট্রেট ও নারী চিকিৎসকের বাগবিতণ্ডার এ অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটে। ফেসবুকে ইতোমধ্যে ভিডিওটি ভাইরাল হয়েছে।

চেকপোস্টে আইডি কার্ড দেখতে চাওয়া হলে চিকিৎসক আইডি প্রদর্শন করতে পারেন নি। উল্টো বাগবিতন্ডায় জড়িয়ে পরেন তিনি। নিজেকে বীর বিক্রমের কন্যাও দাবি করেন। তাকে হয়রানি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন সাংবাদিকদের কাছে। উপস্থিত পুলিশ সদস্যরা ও ম্যাজিস্ট্রেট তখন বলেন, ‘আপনাকে হয়রানি করা হচ্ছে না। আপনাকে তো খারাপ কিছু বলা হয়নি। আইডি কার্ড চাওয়া হয়েছে। আপনি এ রকম ব্যবহার করছেন কেন? আমরা তো আইনের কাজই করছি।’

এ পর্যায়ে গাড়িতে উঠে পরেন চিকিৎসক। তখন আবারও উপস্থিত ম্যাজিস্ট্রেটের সাথে বাগবিতন্ডায় জড়ান তিনি। এসময় তিনি ডাক্তারদের আন্দোলনের ভয় দেখান পুলিশ সদস্যদের। সাংবাদিকদের কাছে নালিশ করেন ওই চিকিৎসক। মোবাইল ফোনে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো: জাকির হোসেনকে যুক্ত করে কথা বলার জন্য ফোনটি ধরিয়ে দেন ঝগড়ারত পুলিশ সদস্যসের হাতেেই।

এসময় উপস্থিত একজন সাংবাদিককে ওই চিকিৎসক বলেন, ‘সাংবাদিক ভাই শুনেন, দেখেন ডাক্তারদের সাথে কি করতেসে এই হারামজাদা পুলিশ।’ এসময় ডাক্তার হয়রানি বন্ধ করতে হবে বলেও কয়েকবার চিৎকার করেন ওই চিকিৎসক।

এসময় পুলিশ সদস্যরা বলেন, ‘আপনি আমাদের তুই তুকারি করতে পারেন না।’

এসময় ওই নারী চিকিৎসক পুলিশের উদ্দেশ্যে চিৎকার করে বলেন, ‘এই শোন আমি মেডিকেলে চান্স পাইছি বলেই আমি ডাক্তার, তুই চান্স পাসনাই বলেই তু্ই পুলিশ। আমি ডাক্তার, ডাক্তার, ডাক্তার।’ আমি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) সহযোগী অধ্যাপক, যুগ্মসচিব লেভেলের ডাক্তার। আমি ডাক্তারদের নেতা।

এসময় পুলিশ সদস্যরা বলেন, ‘আমরা প্রশাসনের লোক। আমাদের আইডি কার্ডও সাথে আছে।’

জানা যায়, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক ডা. সাঈদা শওকত জেনি তার পরিচয়পত্র বাসায় রেখে এসেছেন।
ডাক্তার জেনি নিজেকে মুক্তিযোদ্ধার সন্তান দাবি করে পুলিশ সদস্যদের গালিগালাজ করে বলেন, করোনায় জীবন গেছে কয়জন ডাক্তারের, আর আপনারা কতজন মরছেন। আমার কাছে আবার চান মুভমেন্ট পাস।
এ সময় নিউমার্কেট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এসএম কাইয়ুম ওই নারীকে বলেন, আপনি আমাদের ধমক দিচ্ছেন কেন? জবাবে ডাক্তার বলেন, আমি বীর বিক্রম শওকত আলীর মেয়ে। জবাবে ওসি বলেন, আমিও মুক্তিযোদ্ধার ছেলে। আপনি আমাকে শোনাচ্ছেন মুক্তিযোদ্ধার কথা।

একপর্যায়ে ডাক্তারের অন্য সহকর্মীরা ঘটনাস্থলে এলে বিষয়টি সমাধান হয়। প্রায় আধা ঘন্টা পরে ডাক্তার জেনি ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

ক্যালরি ঝরান এক ঘণ্টার সেক্সে

ডেস্ক,২০ এপ্রিল ২০২১:
মেনুতে আজ কী ছিল? আপনার প্রিয় মাটন চাপ? তাই বেশি খেয়ে ফেলেছেন! অপরাধী মন নিয়ে ঘুমোতে যাচ্ছেন। শেষমেশ ঠিক করে নিলেন কাল সকালে ট্রেডমিলে আধ ঘণ্টা বেশি দৌড়লেই কাজ হয়ে যাবে। আর কোনও দিন লোভে প়ড়ে বেশি খাবেন না ভেবে হয়তো নিয়েও নিলেন কঠিন রেজলিউশন। তবে, নিজেও জানেন এই রেজলিউশনের আয়ুকাল ৪৮ ঘণ্টার বেশি নয়। এই রুটিন তো আপনার চলছে টানা এক বছর। কিন্তু ফল? রোগা হওয়া তো দূরের কথা বরং ইঞ্চিখানেক বেড়েই গিয়েছে কোমরের মাপ। ‘ট্রেডমিল খারাপ’ এই অজুহাতে রাগও দেখিয়েছেন কয়েক বার। তবে সমস্যা কি সত্যিই ট্রেডমিলে? নাকি আপনার হিসেবে? ভেবে দেখেছেন কখনও?

ঠিক কতটা ক্যালরি ঝরিয়ে ফেলতে কতখানি শরীরচর্চার প্রয়োজন তার এক সহজ সমীকরণ করে দিয়েছে হার্ভার্ড মেডিক্যাল স্কুল। হিসেব খুব সোজা। ক্যালরি ইন বনাম ক্যালরি আউট। কোন খাবার কতটা পরিমাণ খেলে আপনার কোন ধরনের শরীরচর্চা করা উচিত, কত ক্ষণ করা উচিত তার একটা তালিকা তৈরি করেছে হার্ভার্ড মেডিক্যাল স্কুল। শরীরচর্চা বলতে কিন্তু শুধুই জিমে গিয়ে ঘাম ঝরানো নয়। সাঁতার, সাইক্লিং, দৌড়নো, নাচ, হাঁটা, কম্পিউটারে বসে কাজ, সেক্স, বই পড়া যে কোনও কিছুই সাহায্য করে মেদ ঝরাতে। তবে তার একটা নির্দিষ্ট হিসেব রয়েছে। যেমন—

এক ঘণ্টা সাঁতার কেটে ঝরানো যেতে পারে ৭৭২ ক্যালরি। যা প্রায় সাড়ে পাঁচ ক্যান কোল্ডড্রিঙ্কের সমান।

এক ঘণ্টা সাইকেল চালালে ঝরে যাবে ৭০০ ক্যালরি। প্রায় তিনটি ডোনাটের সমান।

যদি আপনি এক টুকরো চিপ খান তবে অন্তত এক ঘণ্টা চিউইং গাম চিবিয়ে নিন। সারা দিন যত ক্ষণ জেগে থাকেন প্রতি ঘণ্টায় যদি একটা করে চিউইং গাম খান তবে এক বছরে পাঁচ কেজি পর্যন্ত ওজন কমানো যেতে পারে।

বড় এক বাটি আলুভাজা খেলে এক ঘণ্টা দৌড়ে আসুন। এক বাটি আলুভাজা মানে অন্তত হাজার ক্যালরি।

পার্টিতে গিয়ে তিন গ্লাস ওয়াইন খেয়ে ফেলেছেন? এই ৪০০ ক্যালরি ঝরিয়ে ফেলতে হলে কিন্তু অন্তত এক ঘণ্টা নাচতেই হবে।

আপনি কি জানেন, একটা চকোলেট বারের এক তৃতীয়াংশ খেলেও আপনার শরীরে ঢুকছে ১১ ক্যালরি? চিন্তা নেই। এক ঘণ্টা বসে কম্পিউটারে কাজ করলেই ঝরে যাবে।

বই পড়তে ভালবাসেন? জানলে খুশি হবেন যে এক ঘণ্টা পড়ে আপনি ২৮ ক্যালরি পর্যন্ত কমাতে পারেন।

পিজায় কি চিজ একটু বেশি ছিল? আপনার চিন্তার সমাধান করতে পারে এক ঘণ্টার সেক্স। পুরুষেরা এক ঘণ্টার সেক্সে কমাতে পারেন ১.৮ পাউন্ড চিজের সমান ক্যালরি। মহিলারা ১.২ পাউন্ড চিজের ক্যালরি কমাতে পারবেন।

এ বার তা হলে ভাবতে বসুন কী করবেন। খাওয়ার পর খাতা-পেন্সিল নিয়ে হিসেব কষে নিন— নাচবেন, দৌড়বেন নাকি শুধু বই পড়ে আর সেক্সের সময় বাড়িয়েই কমিয়ে ফেলবেন ক্যালরি!

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

করোনা পরিস্থিতিতে বাতিল আইসিএসই দশম শ্রেণির পরীক্ষা, দ্বাদশ নিয়ে সিদ্ধান্ত জুনে

নিজস্ব সংবাদদাতা,২০ এপ্রিল ২০২১
বাতিল হল আইসিএসই (দশম শ্রেণির) পরীক্ষা। দেশে করোনা সংক্রমণের দ্বিতীয় ঢেউয়ের আবহেই এই সিদ্ধান্ত। সোমবার রাতে একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করে এই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছে সিআইএসসিই বোর্ড। সেই সঙ্গে দশম শ্রেণির পড়ুয়াদের একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। যদিও আইএসসি (দ্বাদশ শ্রেণির) পরীক্ষা কবে হবে, সে ব্যাপারে আগের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী জুন মাসে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে।

দেশে করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধির কথা মাথায় রেখে গত শুক্রবার আইসিএসই এবং আইএসসি পরীক্ষা পিছিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল কেন্দ্র। বোর্ডের তরফে জানানো হয়েছিল, জুন মাসের প্রথম সপ্তাহে পরীক্ষার নয়া সূচির ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। বর্তমান কোভিড পরিস্থিতি পর্যালোচনা করেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়। সোমবার রাতের নতুন বিজ্ঞপ্তিতে সিআইএসসিই তাদের অনুমোদিত স্কুলগুলিকে নির্দেশ দিয়েছে, অবিলম্বে দশম শ্রেণির ছাত্র-ছাত্রীদের একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি করার প্রক্রিয়া শুরু করে দিতে। একই সঙ্গে অনলাইনে একাদশ শ্রেণির ওই পড়ুয়াদের পঠনপাঠন শুরু করে দেওয়ার কথাও বলা হয়েছে নোটিসে।

যদিও দ্বাদশ শ্রেণি অর্থাৎ আইএসসি পরীক্ষা নিয়ে আলাদা করে কোনও সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়নি। নোটিসে বলা হয়েছে, ১৬ এপ্রিলের বিজ্ঞপ্তিতে ‘আইএসসি ২০২১’ পরীক্ষা নিয়ে যে সিদ্ধান্ত হয়েছে, আপাতত তাতে কোনও বদল হচ্ছে না। জুন মাসের প্রথম সপ্তাহেই আইএসসি-র নয়া সূচি নিয়ে সিদ্ধান্ত হবে।
সুত্র: আনন্দবাজার পত্রিকা

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

মৃত্যু আরও বাড়ার আশঙ্কা!

ডেস্ক,২০ এপ্রিল:
দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা আক্রান্ত হয়ে ১১২ জনের মৃত্যুর তথ্য দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদফতর। মহামারিকালে বাংলাদেশ একদিনে এত মৃত্যু আগে দেখেনি। সরকারি হিসেবে এ নিয়ে দেশে করোনায় মোট মারা গেছেন ১০ হাজার ৪৯৭ জন।

এর আগে টানা তিন দিন মারা যান— রবিবার ১০২ জন, শনিবার ১০১ জন এবং শুক্রবার ১০১ জন। তার আগে বৃহস্পতিবার ৯৪ জন এবং বুধবার ৯৬ জন মারা যান।

স্বাস্থ্য অধিদফতর গত ৩১ মার্চ ৫২ জনের মৃত্যুর কথা জানায়। তারপর থেকে সোমবার পর্যন্ত আর একদিনও মৃত্যুর সংখ্যা নিচে নামেনি।

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আগামীতে মৃত্যুর সংখ্যা আরও বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

এদিকে আইইডিসিআর তাদের প্রতিবেদনে বলেছে, কোভিড-১৯ রোগের তীব্রতা আরও বেড়েছে। যে কারণে রোগীর মৃত্যুও হচ্ছে দ্রুত। চিকিৎসকরা বলছেন, দেশে নতুন ভ্যারিয়েন্টের দ্রুত ছড়িয়ে পড়া এবং স্বাস্থ্য ব্যবস্থার নাজুক অবস্থার কারণে রোগীরা সময় মতো চিকিৎসা পাচ্ছেন না।

দেশে গত বছরের ৮ মার্চ দেশে প্রথম তিন জন করোনা রোগী শনাক্তের খবর দেয় রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান (আইইডিসিআর)। তার ঠিক ১০ দিন পর ১৮ মার্চ প্রথম করোনা আক্রান্ত রোগীর মৃত্যুর খবর দেয় প্রতিষ্ঠানটি। শুরু থেকে চলতি বছরের ৩১ মার্চ মোট মৃত্যুর সংখ্যা ৯ হাজার ছাড়িয়ে যায়। এর মাত্র ১৫ দিনের মধ্যে এক হাজারের বেশি রোগী মারা যান। এরপর গত ১৫ এপ্রিল মারা যাওয়া ৯৪ জনকে নিয়ে দেশে করোনায় মৃতের সংখ্যা ১০ হাজার ছাড়িয়ে যায়।

গত শনিবার (১৭ এপ্রিল) স্বাস্থ্য অধিদফতর জানায়, দেশে গত সপ্তাহে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ৪৪৮ জন, আর চলতি সপ্তাহে মারা গেছেন ৬২২ জন। আগের সপ্তাহের চেয়ে মৃত্যুর হার বেড়েছে ৩৮ দশমিক ৮৪ শতাংশ।

এরমধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পাঁচ দিনের মধ্যে মারা গেছেন ৪৮ শতাংশ

দেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্তরা আগের চেয়ে দ্রুত সময়ের মধ্যে মারা যাচ্ছেন বলে জানিয়েছে রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান (আইইডিসিআর)। প্রতিষ্ঠানটি তাদের এক প্রতিবেদনে বলেছে, গত বছরের চেয়ে এবার আক্রান্ত এবং মৃত্যুর হারও বেড়েছে অনেক বেশি তীব্রতা নিয়ে।

আইইডিসিআরের প্রতিবেদনে বলা হয়, চলতি বছরের মার্চে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ৬৩৮ জন, আর ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত মারা গেছেন ৯৪১ জন। মৃত্যুর সংখ্যা বেড়েছে ৩২ দশমিক ২ শতাংশ।

আইইডিসিআর সংক্রমণ পরিস্থিতির বিষয়ে জানায়, এ বছরের এপ্রিলে আগের বছরের সর্বোচ্চ মৃত্যু হারের চেয়ে প্রতিদিন প্রায় ৫০ শতাংশ বেশি মৃত্যু হয়েছে।

২০২০ এবং ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারি, মার্চ ও এপ্রিল মাসের সঙ্গে চলতি বছরের তিন মাসের তুলনা করে আইইডিসিআর তাদের প্রতিবেদনে উল্লেখ করে— গত বছরের ফেব্রুয়ারিতে কেউ মারা যাননি, মার্চে মারা গেছেন পাঁচ জন, আর এপ্রিলে মারা যান ১৬৩ জন। কিন্তু চলতি বছরের এই তিন মাসে মারা গেছেন যথাক্রমে ২৮১, ৬৩৮ এবং ৯৪১ জন।

চলতি বছরের ২৮ জানুয়ারি থেকে ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত তথ্য পর্যালোচনা করে আইইডিসিআর বলছে, এ সময়ে করোনায় আক্রান্ত রোগীদের ৪৪ শতাংশ হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন, ৩৩ শতাংশ রোগী প্রাতিষ্ঠানিক আইসোলেশনে, ১৭ শতাংশ রোগী বাড়িতে এবং ৬ শতাংশ রোগী অন্যান্য উপায়ে চিকিৎসা নিয়েছেন।

আইইডিসিআর জানায়, করোনায় আক্রান্ত হয়ে যারা মারা গেছেন, তাদের ৫২ শতাংশই উপসর্গ শুরুর পাঁচ দিনের মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন, ২৬ শতাংশ পাঁচ থেকে ১০ দিনের মধ্যে এবং ১২ শতাংশ উপসর্গ শুরুর ১১ থেকে ১৫ দিনের মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পাঁচ দিনের মধ্যে মারা গেছেন ৪৮ শতাংশ এবং পাঁচ থেকে ১০ দিনের মধ্যে মারা গেছেন ১৬ শতাংশ রোগী।


হাসপাতাল উদ্বোধনের সময় মানা হয়নি স্বাস্থ্যবিধি
বিশেষজ্ঞরা যা বলছেন

সংক্রমণ বেড়ে যাওয়া মানে মৃত্যু বেড়ে যাওয়া মন্তব্য করে আইইডিসিআরের উপদেষ্টা ও মহামারি বিশেষজ্ঞ ডা. মুশতাক হোসেন বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘সংক্রমণের যে গতি-প্রকৃতি তাতে রোগতাত্ত্বিক ব্যবস্থা নেওয়া হলে তার ইফেক্ট পাওয়া যায় দুই সপ্তাহ পর। আর মৃত্যুহারের প্রভাব বোঝা যাবে তিন সপ্তাহ পরে। সেই হিসেবে এখন যেসব সংক্রমণ দেখা যাচ্ছে, তাতে গড়ে তারা দুই সপ্তাহ আগে শনাক্ত হয়েছেন। আর এখন যাদের মৃত্যু হচ্ছে, তারা তিন সপ্তাহ আগে শনাক্ত হয়েছেন। তবে সরকার যে কঠোর বিধিনিষেধের ব্যবস্থা নিয়েছে, তাতে করে মৃত্যুর হার খুবই ধীরে ধীরে নামবে, আরও তিন সপ্তাহ পরে। তবে যদি স্বাস্থ্যবিধি না মানা হয়, সেটা আবারও লাফ দিয়ে বাড়বে।

মৃত্যুর নিম্নগামীতা আমরা দেখতে পাবো ১৪ এপ্রিলের তিন সপ্তাহের মাথায়।’

ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের করোনা ইউনিটে দায়িত্বরত একজন চিকিৎসক নাম না প্রকাশের অনুরোধ জানিয়ে বলেন, ‘আগামী ১৫ দিনের মধ্যে এটা অন্তত ২০০ (প্রতি দিনের মৃত্যু) পার হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, যদি এভাবেই চলতে থাকে।’

‘‘যখন স্বাস্থ্য ব্যবস্থার ক্যাপাসিটি রোগী ম্যানেজমেন্ট করতে না পারে, তখন মৃত্যু বাড়বেই”, বলেন এই চিকিৎসক।

তিনি বলেন, ‘একজন রোগী হাসপাতালে আসার পর যদি ভালো কেয়ার পান, অনেক বেশি খারাপ না, আবার বেশি ভালো নয়— এধরনের রোগীদের যদি দ্রুত ভর্তি করে চিকিৎসা শুরু করা যায়, আইসোলেট করে ফেলা যায়, তাহলে কমিউনিটি সংক্রমিত হবে না এবং রোগীও চিকিৎসা পাবেন। কিন্তু যখন সব হাসপাতাল ওভারলোডেড হয়ে যায়, ক্যাপাসিটি ওভারফ্লো হয়ে যায়, তখন মানুষ ঘুরতে থাকে বেড না পেয়ে।’

হেলথ সিস্টেমের এই ক্যাপাসিটি ইতোমধ্যেই ওভারফ্লো হয়ে গেছে। এ জন্য মৃত্যুও বাড়ছে জানিয়ে ঢামেক হাসপাতালের এই চিকিৎসক বলেন, ‘সেই সঙ্গে নতুন ভ্যারিয়েন্ট এসেছে। এই ভ্যারিয়েন্ট খুব দ্রুত সংক্রমণ ছড়াচ্ছে। আর এসব ভ্যারিয়েন্ট কেবল দ্রুত সংক্রমণই ছড়ায় না, জটিলতাও বাড়ায়।’

পাবলিক হেলথ অ্যাডভাইজারি কমিটির সদস্য আবু জামিল ফয়সাল বলেন, ‘হাসপাতালে ঘুরতে ঘুরতে অনেকের মৃত্যু হচ্ছে। তাই এখন একটা সমন্বিত পরিকল্পনা করতে হবে। একইসঙ্গে বাসায় যারা মারা যাচ্ছেন, অথবা পরীক্ষা না করিয়ে মারা যাচ্ছেন, তাদের রিপোর্টিং হচ্ছে না। অনেকে উপসর্গ নিয়ে মারা যাচ্ছেন সেটাও রিপোর্টিং হচ্ছে না।’

তিনি বলেন, ‘একটি গবেষণায় দেখা গেছে, ২১ শতাংশ মানুষ হাসপাতালে ভর্তি হন শুধুমাত্র জ্বর এবং কাঁশি নিয়ে। এই মানুষগুলো যদি না ভর্তি হতেন, তাহলে ২১ শতাংশ বেড যেগুলো দখল হয়ে যাচ্ছে, সেগুলো খালি রাখা যেতো ক্রিটিক্যাল রোগীদের ভর্তি করার জন্য।’

তাতে করে করোনা রোগীরা চিকিৎসা পেতেন। ফলে চিকিৎসা পেলে মৃত্যু কমতো’, বলেন তিনি।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

ডাক্তার-পুলিশ: এলিফ্যান্ট রোডে বিতণ্ডার ভাইরাল ভিডিও নিয়ে যা জানা যাচ্ছে

ডেস্ক,১৯ এপ্রিল:
সোশ্যাল মিডিয়ায় ঢাকার রাস্তায় ধারণ করা একটি ভিডিও ভাইরাল হয়ে পড়েছে । যেখানে দেখা যাচ্ছে কয়েকজন পুলিশ ও একজন ম্যাজিস্ট্রেটের সঙ্গে এক ডাক্তারের উত্তপ্ত বাকবিতণ্ডা।

ভিডিওর শুরুতেই দেখা যায় ওই ডাক্তার কিছুটা ক্ষিপ্ত মেজাজেই পুলিশ আর ম্যাজিস্ট্রেটকে বলছেন – “আমি আইডি কার্ড নিয়ে আসি নাই”।

পুলিশ যখন জানতে চাইল “আপনার মুভমেন্ট পাস আছে?”

ওই ডাক্তার গাড়ির স্টিকার দেখিয়ে বললেন “এই যে মুভমেন্ট পাস”।

তখন সাদা শার্ট পরিহিত ব্যক্তি যিনি ম্যাজিস্ট্রেট বলে জানা যাচ্ছে তিনি বলেন ” আমিতো ওটা দেখতে চাচ্ছি না। আপনার মুভমেন্ট পাস আছে কিনা। আপনার আইডি কই?”

তখন ওই ডাক্তার জবাব দেন, “ডাক্তারের মুভমেন্ট পাস? কতজন ডাক্তারের প্রাণ গেছে করোনায়?

এক পর্যায়ে ওই ডাক্তার নিজের পরিচয় প্রকাশ করে বলেন, তিনি বীরবিক্রম খেতাবপ্রাপ্ত এক মুক্তিযোদ্ধার মেয়ে সাঈদা শওকত। উত্তপ্ত বাক্যবিনিময়ের এক পর্যায়ে তিনি পুলিশ এবং কর্তব্যরত ম্যাজিস্ট্রেটক ‘তুই’ বলে সম্বোধন করলে তারাও ক্ষিপ্ত হন।

সাঈদা শওকত উত্তেজিতভাবে বলতে থাকেন ‘ডাক্তার হয়রানি বন্ধ করতে হবে’।
‘আমার বাবা মুক্তিযোদ্ধা বলে তুইও পুলিশ’ এমন মন্তব্য আসলে পুলিশের পক্ষ থেকেও একজন বলে ওঠেন তার বাবাও মুক্তিযোদ্ধা।

‘ডাক্তার বড় না পুলিশ বড়’- সেই প্রশ্ন তুলে দেখে নেওয়ারও হুমকি দেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক ডা. সাঈদা শওকত জেনি ।

ভাইরাল হওয়া ওই ভিডিওটি ধারণ করেছেন ফটোসাংবাদিক জীবন আহমেদ। বিবিসি বাংলাকে ঘটনাটির বিস্তারিত জানিয়েছেন মি. আহমেদ।
কী ঘটেছিল তখন?

এলিফ্যান্ট রোড এলাকার ঘটনা এটি। জীবন আহমেদের গাড়িও রাস্তায় চেক করে পুলিশ।

পুলিশের চেকিং শেষ হবার পর সেখানেই ছবি তুলছিলেন মি. আহমেদ।

ওই চেকপোস্টেই ডা: সাঈদা শওকতের প্রাইভেট কারটি আটকায় পুলিশ ও ম্যাজিস্ট্রেট, তার মুভমেন্ট পাস বা আইডি কার্ড দেখতে চান তারা।

“তিনি ডাক্তার কীনা, তা জানতে আইডি কার্ড দেখতে চান তারা”।

“তিনি উত্তেজিত হয়ে পড়েন। পুলিশ বলছিল, আমিতো আইডি কার্ড দেখতে চাচ্ছি, আমিতো অপরাধ করছি না। আপনি খারাপ ব্যবহার করছেন কেন? এখানেতো অনেকেই অনেক পরিচয় দিয়ে বের হচ্ছে। এজন্যতো আপনি এরকম ব্যবহার করতে পারেন না।”

জীবন আহমেদের তথ্য অনুযায়ী সেখানে নিউ মার্কেট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, একজন ম্যাজিস্ট্রেটসহ পুলিশের কয়েকজন কর্মকর্তা ছিলেন।

এক পর্যায়ে ওই ডাক্তার একজন মন্ত্রীকেও কল করার চেষ্টা করেন।

জীবন আহমেদের ভাষ্য অনুযায়ী, এই ডাক্তার যে সরকারের উচ্চপর্যায়ে অনেকের ঘনিষ্ঠ সেরকম একটি ব্যাপার দেখানোর চেষ্টা ছিল এটি।

ডাক্তার আর পুলিশের এমন আচরণ নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপক আলোড়ন উঠেছে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

করোনায় আক্রান্ত ও মৃতের নতুন রেকর্ড ভারতের

ডেস্ক,১৯ এপ্রিল ২০২১:
ভারতে করোনা সংক্রমণ বাড়ছেই। সোমবার সকালে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশটিতে নতুন করে আরও দুই লাখ ৭৩ হাজার ৮১০ জনের করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। একই সময়ে মৃত্যু হয়েছে এক হাজার ৬১৯ জনের। ভারতে করোনা মহামারি শুরুর পর থেকে এখন পর্যন্ত এটিই একদিনে সর্বোচ্চ শনাক্ত ও মৃতের ঘটনা।

গত ৫ দিন ধরেই দেশটিতে নতুন শনাক্তের সংখ্যা দুই লাখেরও বেশি। এর জেরে দেশটিতে মোট শনাক্তের সংখ্যা এরইমধ্যে দেড় কোটি ছাড়িয়েছে। মোট শনাক্তের দিক থেকে যুক্তরাষ্ট্রের পরই ভারতের অবস্থান।

আন্তর্জাতিক জরিপ সংস্থা ওয়ার্ল্ডোমিটারস-এর হিসাব অনুযায়ী, ভারতে এখন পর্যন্ত এক কোটি ৫০ লাখ ৬১ হাজার ৯১৯। এর মধ্যে এক লাখ ৭৮ হাজার ৭৯৩ জনের মৃত্যু হযেছে। বর্তমানে সক্রিয় রোগীর সংখ্যা ১৯ লাখ ২৯ হাজার ৩০৫।

এতো বেশি সংখ্যক সক্রিয় রোগী এর আগে আর দেখা যায়নি। রোগী বৃদ্ধির জেরে হাসপাতাল, নার্সিংহোমগুলিতে শয্যা প্রায় ভর্তি। একই শয্যায় দুই রোগীকে শুয়ে থাকার দৃশ্য দেখা গিয়েছে বেশ কয়েকটি রাজ্যে। এমনকি অক্সিজেন না পেয়ে কোভিড রোগীর মৃত্যুর খবর আসছে।

দৈনিক মৃত্যু এই পর্যায়ে চলে যাওয়ায় হাসপাতালের মর্গের বাইরে, শ্মশানে এবং কবরস্থানে মরদেহের সারি পড়ে থাকছে। সব মিলিয়ে যে পরিস্থিতির তৈরি হয়েছে তা দেখা যায়নি করোনার প্রথম পর্বেও। তবে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেছেন, করোনার প্রথম তরঙ্গের মতো এর দ্বিতীয় ঢেউকেও পরাজিত করতে সক্ষম হবে ভারত। কোভিড পরিস্থিতি এবং টিকাদান কর্মসূচি নিয়ে এক পর্যালোচনা সভায় এমন মন্তব্য করেন তিনি।

তিনি বলেন, কঠোরভাবে করোনাবিধি পালনের মাধ্যমে আরও দ্রুত গতিতে সমন্বয় সাধন করে কোভিডকে মোকাবিলা করা সম্ভব।

সংক্রমণের গতি রুখতে কোভিড পরীক্ষা, সংক্রমিতের সংস্পর্শে আসা ব্যক্তিদের খুঁজে বের করা এবং তাদের চিকিৎসার ওপর জোর দিয়েছেন মোদি। তিনি বলেন, ‘কোভিড পরীক্ষা, সংক্রমিতের সংস্পর্শে আসা ব্যক্তিদের সন্ধান করা এবং তাদের চিকিৎসার কোনও বিকল্প নেই।’

কোভিড রোগীদের চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পর্যাপ্ত আইসিইউ বেডের ব্যবস্থা করারও তাগিদ দেন মোদি। পাশাপাশি রোগীদের জন্য রেমডেসিভির-সহ অন্যান্য ওষুধের সরবরাহ ব্যবস্থাও পর্যালোচনা করেন তিনি। সূত্র: আনন্দবাজার।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

আরও ৭ দিন বাড়লো লকডাউন

শিক্ষাবার্তা রিপোর্ট,১৯ এপ্রিল ২০২১,
চলমান লকডাউনের মেয়াদ আরও এক সপ্তাহ বাড়ানো হয়েছে। সোমবার (১৯ এপ্রিল) মন্ত্রিপরিষদ খন্দকার আনোয়ারুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সচিবদের সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন বলেন, জাতীয় টেকনিক্যাল কমিটির পরামর্শ ছিল লকডাউন আরও এক সপ্তাহ বাড়ালে বর্তমান চেইনটা ভেঙে দেওয়া সম্ভব হবে এবং সংক্রমণ নিম্নগামী হবে। সেটা বিবেচনায় নিয়ে ২২-২৮ এপ্রিল পর্যন্ত লকডাউনের সময় বাড়িয়ে সার সংক্ষেপ তৈরি করে প্রধানমন্ত্রীর কাছে পাঠানো হয়েছে। তিনি সই করার পরে প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

বাড়তে পারে লকডাউন

ডেস্ক,১৭ এপ্রিল ২০২১:
চলমান লকডাউন আরও ৭ দিন বাড়ানোর চিন্তা করছে সরকার। লকডাউন পরিস্থিতি নিয়ে আগামী সোমবার (১৯ এপ্রিল) সভা ডাকা হয়েছে। সেখানেই লকডাউনের বিষয়ে পরবর্তী সিদ্ধান্ত হবে।
আরো খবর

দেশে আজও ১০১ জনের মৃত্যু

জানতে চাইলে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা আবদুল্লাহ শিবলী সাদিক বলেন, করোনায় দেশে আশঙ্কাজনকহারে মৃত্যু-আক্রান্ত বাড়ছে, যা লকডাউন ছাড়া রোধ করা সম্ভব নয়। তবে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ১৯ এপ্রিলের সভার পর ওই দিন বা ২০ এপ্রিল কী হবে, তা জানিয়ে দেওয়া হবে।

এদিকে গত বছরের ৮ মার্চ দেশে প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হয়। এর ১০ দিন পর ১৮ মার্চ প্রথম মৃত্যু হয়। এরপর সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে সরকার ২৬ মার্চ থেকে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছিল। কয়েক দফায় বাড়িয়ে টানা ৬৬ দিন সাধারণ ছুটি ছিল।

একপর্যায়ে করোনার সংক্রমণ কমেও গিয়েছিল। কিন্তু চলতি বছরের মার্চ মাস থেকে করোনার সংক্রমণ আবারও বাড়ছে। এমন পরিস্থিতিতে করোনার সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে সরকার প্রথমে ৫ এপ্রিল থেকে ৯ দিনের জন্য গণপরিবহন চলাচলসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিধিনিষেধ জারি করেছিল। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে না আসায় ১৪ থেকে ২১ এপ্রিল পর্যন্ত আরও কঠোর বিধিনিষেধ দিয়ে ‘সর্বাত্মক লকডাউন’ শুরু হয়। তবে এই লকডাউন আরও বাড়বে কি না, সেটি নিয়ে মানুষের মধ্যে আলাপ-আলোচনা চলছে।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের পরিকল্পনা হলো, চলমান লকডাউন আরও ৭ দিন বাড়িয়ে শর্তসাপেক্ষে বিভিন্ন বিধিনিষেধ দেওয়া। এভাবে পবিত্র ঈদুল ফিতর পর্যন্ত চলতে পারে। পরে পরিস্থিতি বিবেচনা করে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া। লকডাউন ৭ দিন যদি বাড়ে, তাহলে ২৮ এপ্রিল পর্যন্ত হয়।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

দেশে আজও ১০১ জনের মৃত্যু

ডেস্ক,১৭ এপ্রিল ২০২১:

করোনাভাইরাসে দেশে একদিনে আরও ১০১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এসময় রোগী শানাক্ত হয়েছে ৩৪৭৩ জন। এর আগে শুক্রবারও (১৬ এপ্রিল) করোনায় মারা যান রেকর্ড ১০১ জন।
আরো খবর

বাড়তে পারে লকডাউন

শনিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাঠানো করোনা বিষয়ক নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তির তথ্য মতে, গত ২৪ ঘণ্টায় ১৫ হাজার ৪১৩ জনের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। পরীক্ষা করা হয়েছে ১৬ হাজার ১৮৫টি। এ পর্যন্ত মোট নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ৫১ লাখ ৫০ হাজার ৬৬৩টি। পরীক্ষা অনুযায়ী মোট রোগী শনাক্ত হয়েছে ৭ লাখ ১৫ হাজার ২৫২ জন। এদের মধ্যে ১০ হাজার ২৮৩ জনের মৃত্যু হয়েছে।

এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ৫ হাজার ৯০৭ জন। এ পর্যন্ত মোট ৬ লাখ ৮ হাজার ৮১৫ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন।

গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষার তুলনায় শনাক্তের হার ২১ দশমিক ৪৬ শতাংশ। মোট পরীক্ষার তুলনায় শনাক্তের হার ১৩ দশমিক ৮৯ শতাংশ।

নতুন মৃত্যু ১০১ জনের মধ্যে ঢাকা বিভাগের ৬৭ জন। চট্টগ্রামের ২৩, রাজশাহী ২, খুলনা ৩, বরিশাল ১, সিলেট ২ জন, রংপুর ০ ও ময়মনসিংহের ৩ জন মারা গেছেন। এদের মধ্যে ৬৯ জন পুরুষ, ৩২ জন নারী। ভাইরাসটিতে মোট মারা যাওয়া ১০ হাজার ২৮৩ জনের মধ্যে পুরুষ ৭ হাজার ৬৩৫ জন এবং নারী ২ হাজার ৬৪৮ জন।

বয়সভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা গেছে, মারা যাওয়া ১০১ জনের মধ্যে ৫৮ জনেরই বয়স ৬০ বছরের বেশি। এছাড়া ৫১ থেকে ৬০ বছরের ২৯, ৪১ থেকে ৫০ বছরের ৮ জন এবং ৩১ থেকে ৪০ বছরের ৩ জন এবং ২১ থেকে ৩০ বছরের ৩ জন রয়েছেন।

প্রসঙ্গত, ২০২০ সালের ৮ মার্চ দেশে করোনা ভাইরাসের প্রথম রোগী শনাক্ত হয়। এর ১০ দিন পর ১৮ মার্চ করোনায় প্রথম একজনের মৃত্যু হয়।

আনোয়ার খান মডার্ণ মেডিকেল কলেজ

গত ২৪ ঘণ্টায় আনোয়ার খান মডার্ণ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৭২ জনের করোনার নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। এর মধ্যে করোনা পজিটিভ হয়েছে ১৯ জনের। এছাড়াও হাসপাতালটিতে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্ত হয়ে ২৬ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন। গত একদিনে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ২১ জন।

প্রসঙ্গত, কোভিড ও নন কোভিড রোগীদের সম্পূর্ণ পৃথক চিকিৎসার ব্যবস্থা রয়েছে আনোয়ার খান মডার্ণ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। এমনকি দুটি বিভাগের চিকিৎসক, নার্সসহ কর্মরত প্রত্যেকের আলাদা থাকার ব্যবস্থা করা হয়েছে। করোনা চিকিৎসা ছাড়া অন্য সকল চিকিৎসা সেবা কার্যক্রম আগের মতই চলমান রয়েছে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

বৃত্তি পেলো সাড়ে ১০ হাজার শিক্ষার্থী

নিজস্ব প্রতিবেদক,১৬ এপ্রিল:

২০২০ সালের উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) পরীক্ষার ফলের ভিত্তিতে মেধাবৃত্তি ও সাধারণ বৃত্তি পেয়েছেন ১০ হাজার ৫০১ জন।
আরো খবর

লকডাউনের মধ্যেই ৯ শিক্ষা কর্মকর্তাকে স্ট্যান্ড রিলিজ

শুক্রবার মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, এবার এইচএসসি পরীক্ষায় মেধাবৃত্তি পেয়েছেন ১ হাজার ১২৫ জন এবং সাধারণ বৃত্তি পেয়েছেন ৯ হাজার ৩৭৬ জন।

মেধাবৃত্তি পাওয়া শিক্ষার্থীদের মধ্যে ঢাকা শিক্ষা বোর্ডে ৪২৭ জন, ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ডে ৭২ জন, রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডে ১৯৪ জন, কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডে ৬৯ জন, সিলেট শিক্ষা বোর্ডে ৩১ জন, বরিশাল শিক্ষা বোর্ডে ৪১ জন, যশোর শিক্ষা বোর্ডে ৯৪ জন, চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডে ৮৬ জন এবং দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডে ১১১ জন।

সাধারণ বৃত্তি পেয়েছেন ঢাকা শিক্ষা বোর্ডে ২ হাজার ৭০০ জন, ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ডে ৬৫৯ জন, রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডে ১ হাজার ২৬২ জন, কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডে ৮৯৬ জন, সিলেট শিক্ষা বোর্ডে ৫৯২ জন, বরিশাল শিক্ষা বোর্ডে ৫৭০ জন, যশোর শিক্ষা বোর্ডে ১ হাজার ২ জন, চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডে ৭২৯ জন, দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডে ৯৬৬ জন।

মেধাবৃত্তি হিসেবে মাসিক ৮২৫ টাকা ও বছরে এককালীন ১৮০০ টাকা দেওয়া হবে। সাধারণ বৃত্তিপ্রাপ্তদের মাসিক ৩৭৫ টাকা এবং বছরে এককালীন ৭৫০ টাকা দেওয়া হবে। বৃত্তির টাকা ২০২০-২১ অর্থবছরে রাজস্ব বাজেটের বৃত্তি-মেধা বৃত্তি খাত থেকে নির্বাহ করা হবে।


Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

লকডাউনের মধ্যেই ৯ শিক্ষা কর্মকর্তাকে স্ট্যান্ড রিলিজ

নিজস্ব প্রতিবেদক

সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী সারাদেশে বন্ধ সরকারি-বেসরকারি অফিস। চলছে না কোন ধরণের দূরপাল্লার গণপরিবহন। এমন পরিস্থিতিতে ৯ শিক্ষা কর্মকর্তাকে স্ট্যান্ড রিলিজ করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।
|আরো খবর

একদিনে রেকর্ড ১০১ মৃত্যু, শনাক্ত ৪৪১৭

বুধবার এ সংক্রান্ত আলাদা প্রজ্ঞাপন জারি করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগ। তবে বৃহস্পতিবার (১৫ এপ্রিল) আরও একটি প্রজ্ঞাপনে একজন কর্মকর্তার স্ট্যান্ড রিলিজ প্রত্যাহার করা হয়।

স্ট্যান্ড রিলিজ করা কর্মকর্তাদের মধ্যে রয়েছেন- বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষক প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে (বিএমটিটিআই) কর্মরত অধ্যাপক (প্রাণিবিদ্যা) ইসমাৎ আরা জেবিন, সহযোগী অধ্যাপক (আরবি) মাহমুদুল হক, সহযোগী অধ্যাপক (অর্থনীতি) দিলরুবা ফৌজিয়া খান, সহযোগী অধ্যাপক (ইংরেজি) মুর্শিদা করিম, সহযোগী অধ্যাপক (রাষ্ট্রবিজ্ঞান) মিয়া নাদির হোসেন, সহযোগী অধ্যাপক (রাষ্ট্রবিজ্ঞান) এ কে এম সেলিম চৌধুরী, প্রভাষক (শিক্ষা) মজিবুর রহমান এবং প্রভাষক (ইংরেজি) এ এফ এম সাদ্দাতুল আনোয়ার। স্ট্যান্ড রিলিজ করা কর্মকর্তাদের কঠোর লকডাউনচলাকালে ১৫ এপ্রিলের মধ্যে অবমুক্ত বলে গণ্য করা হয়েছে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে তাৎক্ষণিক বদলী হওয়া এক শিক্ষক বলেন, মহামারী পরিস্থিতিতে এমন ধরণের সিদ্ধান্ত সত্যিই ভোগান্তিকর। যখন দেশ এক অর্থে অচল তখন মাদ্রাসা অধিদপ্তরের এমন সিদ্ধান্তকে শিক্ষা ক্যাডারের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের মধ্যে ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে।


Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

একদিনে রেকর্ড ১০১ মৃত্যু, শনাক্ত ৪৪১৭

ডেস্ক,১৬ এপ্রিল:

করোনাভাইরাসে দেশে একদিনে আরও ১০১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এটিই এখন পর্যন্ত একদিনে সর্বোচ্চ মৃতের সংখ্যা। এর আগে ১৪ এপ্রিল সর্বোচ্চ ৯৬ জনের মৃত্যু হয়। এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় রোগী শনাক্ত হয়েছে ৪৪১৭ জন।

শুক্রবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাঠানো করোনা বিষয়ক নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় ১৮ হাজার ৭০৭ জনের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। পরীক্ষা করা হয়েছে ১৮ হাজার ৯০৬টি। এ পর্যন্ত মোট নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ৫১ লাখ ৩৪ হাজার ৪৭৮টি। পরীক্ষা অনুযায়ী মোট রোগী শনাক্ত হয়েছে ৭ লাখ ১১ হাজার ৭৭৯ জন। তাদের মধ্যে ১০ হাজার ১৮২ জনের মৃত্যু হয়েছে।

এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ৫ হাজার ৬৯৪ জন। এ পর্যন্ত মোট ৬ লাখ ২ হাজার ৯০৮ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন।

গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষার তুলনায় শনাক্তের হার ২৩ দশমিক শতাংশ। মোট পরীক্ষার তুলনায় শনাক্তের হার ১৩ দশমিক ৮৬ শতাংশ।

নতুন মৃত্যু ১০১ জনের মধ্যে ঢাকা বিভাগেরই রয়েছেন ৫৯ জন। এছাড়া চট্টগ্রামে ২০, রাজশাহীতে ৩, খুলনায় ৫, বরিশালে ৪, সিলেটে ১ জন, রংপুরে ৬ জন ও ময়মনসিংহে ৩ জন রয়েছেন। এদের মধ্যে ৬৭ জন পুরুষ, বাকি ৩৪ জন নারী।

এ পর্যন্ত ভাইরাসটিতে মোট মারা যাওয়া ১০ হাজার ১৮২ জনের মধ্যে পুরুষ ৭ হাজার ৫৬৬ জন এবং নারী ২ হাজার ৬১৬ জন।

প্রসঙ্গত, ২০২০ সালের ৮ মার্চ দেশে করোনা ভাইরাসের প্রথম রোগী শনাক্ত হয়। এর ১০ দিন পর ১৮ মার্চ করোনায় প্রথম একজনের মৃত্যু হয়।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

পদোন্নতির বেড়াজালে প্রাথমিক শিক্ষা

মো. সিদ্দিকুর রহমান | ১৫ এপ্রিল, ২০২১

স্বাধীনতা ৫০বছর পেরিয়ে গেলেও প্রাথমিকে নেই কোন ক্যাডার সার্ভিস। হাঁস-মুরগী, গাছপালার জন্যও ক্যাডার সার্ভিস বিদ্যমান। বাংলাদেশে তৃণমূলের শিক্ষার ভিত মজবুত করার দায়িত্বে নিয়োজিত প্রাথমিক ও গণশিক্ষা নামে বিশাল জনগোষ্ঠীর মন্ত্রণালয়। প্রাথমিকের মতো এত জনবল আর কোনো মন্ত্রণালয়ে নেই। একটু গভীরভাবে উপলদ্ধি করলে দেখা যাবে, এ দেশের শিশু শিক্ষার ব্যাপক দায়িত্ব নিয়ে বিশাল কর্মযজ্ঞ চালিয়ে যাচ্ছে এ মন্ত্রণালয়। সব মন্ত্রণালয়ের থেকে বেশি গুরুত্ব পাওয়ার কথা প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের। সব পর্যায়ের শিক্ষাদার কার্যক্রমের মধ্যে কঠিন হলো অবুঝ শিশুকে শিক্ষা দিয়ে মানব শিশুতে রূপান্তরিত করা।

বাড়িতে একটা ছোট্ট শিশু থাকলে সবার নজর থাকে তার ওপর। প্রাথমিক শিক্ষকদের অনুরূপভাবে অনেক শিশুর জন্য সদা সতর্কতার সাথে দেখভাল করতে হয়। কর্মকর্তা-মন্ত্রী শিশুদের হইচইর মাঝে কতক্ষণ অবস্থান করতে পারবেন জানিনা? শিশুদের প্রতি ভালবাসায় আবদ্ধ হয়ে প্রাথমিক শিক্ষকরা এ কঠিন কাজটি করে যাচ্ছেন। প্রাথমিকের মন্ত্রণালয়ও এ বিশাল কর্মযজ্ঞ করেও মাঝে মাঝে নানা অবহেলা পরিলক্ষিত হয়। ভাবখানা এমন শিক্ষার সব দায়িত্ব যেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়, অর্থ মন্ত্রণালয়সহ অন্যান্যদের। এ মন্ত্রণালয়কে অনেকে অবুঝ মন্ত্রণালয়ের মতো কম গুরুত্বহীন মনে করে থাকেন। আমাদের সংশ্লিষ্টরা অবুঝ শিশুর মতো তাদের ভাবনার মাঝে আবদ্ধ।

শিক্ষক হিসেবে আমাদের উপলদ্ধি করতে হবে আমরা সবচেয়ে কঠিন শিক্ষা দানের কাজটি করে থাকি। সংশ্লিষ্টদেরও ভাবতে হবে আমাদের মন্ত্রণালয় সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। আমরা সব মন্ত্রণালয়ের মতো সমান সুযোগ সুবিধা প্রাপ্তির অধিকারী। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বৈষম্যের বিরুদ্ধে আজীবন সংগ্রাম করে গেছেন। অথচ স্বাধীনতার পাঁচ দশক পরও প্রাথমিক শিক্ষা ক্যাডারবিহীন। প্রাথমিক শিক্ষায় মেধাবী উচ্চ শিক্ষিত শিক্ষকের গুরুত্ব অপরিসীম। পাশাপাশি অভিজ্ঞতাকে গুরুত্বহীন করে মানসম্মত প্রাথমিক শিক্ষা বিঘ্ন সৃষ্টি করাও কাম্য নয়। একজন কৃষকের সন্তান বাবা-মায়ের সাহচর্যে থেকে অভিজ্ঞতা নিয়ে ভালভাবে পরবর্তীতে কৃষিকাজ করে থাকেন। অনুরূপভাবে একজন সহকারী শিক্ষক দীর্ঘসময় শিক্ষকতা করে অভিজ্ঞতা অর্জন করে থাকেন। যার ফলে তার পদোন্নতির পথ সুগম হলে তার পক্ষে অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে মানসম্মত প্রাথমিক শিক্ষার চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করা সম্ভব।

এ বাস্তবতা শুধু বৃক্ততা-বিবৃতি ও কথার ফুল-ঝুড়ির মাঝে পরিলক্ষিত হচ্ছে। প্রাথমিক শিক্ষার উন্নয়নের জন্য বিষয়টি আন্তরিকতার সাথে ভাবনা, সংশ্লিষ্টদের মাঝে দৃশ্যমান নয়। শুধু দৃশ্যমান হচ্ছে শিক্ষকরা তেল দিচ্ছেন সংশ্লিষ্টদের। এভাবে ক্ষণিকের স্বার্থ রক্ষায় শেষ পর্যন্ত তেল গড়াচ্ছে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ওপরও। দীর্ঘ প্রায় এক যুগ ধরে প্রাথমিকের প্রধান শিক্ষক পদে পদোন্নতি বন্ধ। চলতি দায়িত্বে নিয়োজিত প্রাথমিকের প্রধান শিক্ষক পদোন্নতি না পেয়ে অবসর গ্রহণ বা মারা যাচ্ছেন। চলতি দায়িত্বে সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার থেকে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারদের ক্যাডারবিহীন পদোন্নতি চালু আছে। অথচ প্রাথমিক শিক্ষকদের ভাগ্যের কী নির্মম পরিহাস?

প্রাথমিক শিক্ষকদের পদোন্নতি নামক সোনার হরিন সীমাহীন আকাশের দিগন্ত রেখার মত পিছিয়ে যাচ্ছে। ডিজি, সচিব, প্রতিমন্ত্রী, মহোদয়ের বক্তব্যে আশার বাণী শুনলে মনে হয় শতভাগ সহকারী শিক্ষকের প্রধান শিক্ষক পদোন্নতি অতি সন্নিকটে। সময়ক্ষেপন এমন এক পর্যায়ে যা সীমাহীন আকাশের মত দেখা যায়। এ বুঝি একটু পথ পেরুলেই আকাশকে স্পর্শ করা যাবে। শিক্ষকদের মনে প্রশ্ন সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসারদের চলতি দায়িত্ব খুব তাড়াতাড়ি উপজেলা শিক্ষা অফিসার পদোন্নতিপ্রাপ্ত হয়। অথচ চলতি দায়িত্বের প্রধান শিক্ষকরা এ সুযোগ থেকে বঞ্চিত। এ বৈষম্য বঞ্চনা প্রাথমিক শিক্ষকদের ক্ষেত্রে কেন? শতকরা ৩৫ ভাগ প্রধান শিক্ষক পদে সরাসরি নিয়োগ চলছে। যার ফলে শিক্ষকতায় যোগ্যতাসম্পূর্ণ নিয়োগ হয়ে অভিজ্ঞতাহীন প্রধান শিক্ষককে ভরপুর হচ্ছে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

যার ফলে অনেক বিদ্যালয়ে অভিজ্ঞতাবিহীন সাবেক ছাত্র প্রধান শিক্ষকের সাথে অভিজ্ঞতাপ্রাপ্ত সহকারী শিক্ষক হৃদয়বিদারক শিক্ষকতা জীবন শুরু হয়। আরও ক্ষত বিক্ষত হয় শিক্ষকতায় অভিজ্ঞতাবিহীণ সহকারী উপজেলা ও উপজেলা শিক্ষা অফিসার নামে সাবেক শিক্ষার্থীর সাথে। অভিজ্ঞতা ছাড়া কর্মকর্তা শিক্ষকের শিক্ষক হিসেবে কাজ করে কতটুকু মানসস্মত প্রাথমিক বাস্তবায়নে সক্ষম হবে? শিক্ষকদের মানসিক যন্ত্রণা মানসম্মত প্রাথমিক শিক্ষার অন্যতম চ্যালেঞ্জ। ঢাকা শহর ব্যতিরেকে সারাদেশের শিক্ষকেরা তবু বুক ভরা আশা নিয়ে বেঁচে আছেন, একদিন তাদের পদোন্নতির সুযোগ হবে। ঢাকা শহরে শূন্যপদে প্রধান শিক্ষক সহকারী শিক্ষকের পদ বাহিরের জেলা থেকে বদলি করে ভরপুর করে রেখেছে।

বর্তমান করোনা সংক্রামিত হওয়ার মতো। হাসপাতালে রোগীর আই.সি.ইউ, অক্সিজেন ও সিটের সংকট। এ সংকট মোকাবিলা যেমন স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলে সংক্রমণরোধ করা প্রয়োজন। ঢাকা শহরের শিক্ষকদের সারাদেশের শিক্ষকদের মতো পদোন্নতির ও পোষ্যের কোটা পাওয়ার অধিকার আছে। সে প্রেক্ষাপটে নীতিমালা ভঙ্গ করে আর বাইরের জেলা থেকে বদলি করে ঢাকা শহরের শিক্ষকদের অধিকারকে সংক্রমিত করে নিঃশেষ না করার আহ্বান রইল। নীতিমালা ভঙ্গ করে সিরাজগঞ্জ জেলার উল্লাপাড়া উপজেলা ৩ বছরের স্থলে সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসারবৃন্দ ৭-১০ বছর যাবৎ একই কর্মস্থল থেকে শিক্ষকদের ওপর প্রভাব সৃষ্টি করে চলেছেন।

তারা করোনার স্বাস্থ্যবিধি মোতাবেক বিদ্যালয়ের জন্য তাপমাত্রা মাপাসহ অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র বিদ্যালয় কেনার বিষয়টি নিয়ে শিক্ষকদের ওপর প্রভাব বিস্তার করছে বলে গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে। বিভিন্নস্থানে প্রাথমিকের কর্মকর্তরা বহু বছর বা ঘুরে ফিরে একই স্থানে থেকে নীতিমালা বহির্ভূতভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। বিষয়টি দুর্নীতি দমন কমিশন একই স্থানে দীর্ঘ সময় থাকা কর্মকর্তাদের দুর্নীতির বিষয়টি দেখবেন বলে আশা করি। মানসম্মত প্রাথমিক শিক্ষা বাস্তবায়নে প্রাথমিক শিক্ষার সব অনিয়ম, দুর্নীতি, শূন্যের কোটায় নামিয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার নীতি বাস্তবায়নে সকলকে এগিয়ে আসতে হবে।

মানসম্মত প্রাথমিক শিক্ষা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সহকারী শিক্ষক পদকে এন্টি ধরে শতভাগ পদোন্নতি সর্বোচ্চ পর্যায় পর্যন্ত ক্যাডার সৃষ্টি করে শিক্ষার উন্নয়ন ও অধিকার বাস্তবায়ন করতে হবে। অভিজ্ঞতার আলোকে গড়ে উঠবে মানসম্মত প্রাথমিক শিক্ষা।

জয় বাংলা। বাংলাদেশ চিরজীবী হোক।

লেখক : মো. সিদ্দিকুর রহমান, সভাপতি, বঙ্গবন্ধু প্রাথমিক শিক্ষা গবেষণা পরিষদ; সম্পাদকীয় উপদেষ্টা, দৈনিক শিক্ষাডটকম।

সুত্র: দৈনিক শিক্ষাডটকম

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

Responsive WordPress Theme Freetheme wordpress magazine responsive freetheme wordpress news responsive freeWORDPRESS PLUGIN PREMIUM FREEDownload theme free

hit counter