রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়ার পর সরকার গঠনের প্রস্তুতি শুরু করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। দলটির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন মন্ত্রিসভা গঠনের প্রক্রিয়া এগিয়ে চলছে বলে দলীয় সূত্র জানিয়েছে।
দলটির একাধিক নেতা জানিয়েছেন, নতুন মন্ত্রিসভার আকার আগের সরকারের তুলনায় ছোট হতে পারে। মন্ত্রণালয়ের সংখ্যা ৩০-এর নিচে নামিয়ে আনার বিষয়টি বিবেচনায় রয়েছে। এতে প্রশাসনিক কার্যক্রম সহজ হওয়ার পাশাপাশি স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বাড়বে বলে মনে করছেন তারা।
নতুন মন্ত্রিসভায় নবীন ও প্রবীণ নেতাদের সমন্বয় রাখার পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানা গেছে। পাশাপাশি সমমনা দল থেকে নির্বাচিত কয়েকজন সংসদ সদস্যকেও মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত করার আলোচনা চলছে। নারী ও সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিত্বের বিষয়টিও বিবেচনায় রাখা হচ্ছে।
নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের মঙ্গলবার সকাল ১০টায় সংসদ ভবনের শপথকক্ষে শপথ পড়ানোর কথা রয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিন শপথ অনুষ্ঠান পরিচালনা করবেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
একইদিন বিকেলে সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় নতুন প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভার শপথ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হতে পারে। সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ পড়াবেন।
দলীয় সূত্রগুলো বলছে, প্রায় দুই ডজন পূর্ণমন্ত্রী এবং এক ডজনের মতো প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রী নিয়ে মন্ত্রিসভা গঠিত হতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়গুলোতে অভিজ্ঞ নেতাদের দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে, আর তরুণদের মধ্যে কেউ কেউ প্রতিমন্ত্রী বা উপমন্ত্রীর দায়িত্ব পেতে পারেন।
তবে শেষ পর্যন্ত কারা মন্ত্রিসভায় থাকছেন এবং কে কোন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পাচ্ছেন, তা শপথ অনুষ্ঠানের পরই স্পষ্ট হবে।
















