শিক্ষা মন্ত্রণালয় মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষার্থীদের জন্য জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষা নীতিমালা ২০২৫ প্রকাশ করেছে। নতুন এই নীতিমালায় পরীক্ষার কাঠামো, বৃত্তি প্রদানের নিয়মাবলি, শিক্ষার্থী নির্বাচনের মানদণ্ড এবং বৃত্তির সুবিধা সম্পর্কে বিস্তারিত নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, আগামী বছর থেকে মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোতে ষষ্ঠ ও সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। এ পরীক্ষায় বাংলা, ইংরেজি, গণিত, বিজ্ঞান ও সমাজবিজ্ঞান বিষয় অন্তর্ভুক্ত থাকবে।
নীতিমালায় উল্লেখযোগ্য দিকগুলো হলো—
-
প্রতি জেলায় নির্দিষ্ট সংখ্যক শিক্ষার্থীকে মেধা ও ট্যালেন্টপুল বৃত্তি প্রদান করা হবে।
-
পরীক্ষায় এমসিকিউ ও লিখিত উভয় ধরণের প্রশ্ন থাকবে।
-
নির্বাচিত শিক্ষার্থীরা নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত মাসিক ভাতা পাবে।
-
পরীক্ষার স্বচ্ছতা রক্ষায় কেন্দ্রীয়ভাবে প্রশ্ন প্রণয়ন, মুদ্রণ ও মূল্যায়ন হবে।
-
সুবিধাবঞ্চিত ও দূরবর্তী অঞ্চলের বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ কোটার ব্যবস্থা থাকবে।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, বৃত্তি পরীক্ষার মাধ্যমে মেধাবী শিক্ষার্থীদের প্রণোদনা দেওয়া এবং শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় আগ্রহ বৃদ্ধি করাই মূল লক্ষ্য। এ ছাড়া প্রযুক্তি ব্যবহার করে প্রশ্নপত্র প্রণয়ন ও মূল্যায়নের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা হবে।
শিক্ষাবিদদের মতে, মাধ্যমিক স্তরে জুনিয়র বৃত্তি প্রবর্তন শিক্ষার্থীদের প্রতিযোগিতামূলক মানসিকতা তৈরি করবে এবং মেধাভিত্তিক শিক্ষা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করবে।















