প্রযুক্তি

থ্রিজি থেকে টুজিতে গেলেই কী করবেন!

ডেস্ক: সেলফোনের তৃতীয় প্রজন্মের ইন্টা20xcv-300x169রনেট সেবার (থ্রিজি) গ্রাহকরা দ্বিতীয় প্রজন্মের নেটওয়ার্কের আওতায় এলেই ক্ষতিপূরণ পাবেন। অর্থাৎ যারা থ্রিজি প্যাকেজ কিনবেন তারা যদি টুজি নেটওয়ার্কে ঢুকে পড়েন তবে সংশ্লিষ্ট অপারেটর গ্রাহককে ৪০ শতাংশ ডাটা ক্ষতিপূরণ হিসেবে দেবে।

বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ রেগুলটরি কমিশন (বিটিআরসি) সম্প্রতি অপারেটরদের প্রতি এ নির্দেশনা জারি করেছে, যা ১০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে বাস্তবায়ন করতে হবে।

বিটিআরসির সিস্টেমস অ্যান্ড সার্ভিসেস বিভাগ থেকে সব অপারেটরেকে এ সংক্রান্ত চিঠি পাঠানো হয়েছে ৷

এ প্রসঙ্গে বিটিআরসি চেয়ারম্যান সুনীল কান্তি বোস সাংবাদিকদের  বলেন, ‘গ্রাহকদের জানা দরকার কোন এলাকায় থ্রিজি আছে আর কোন এলাকায় নাই। কারণ থ্রিজি এরিয়ায় যে গতি তা টুজি এরিয়ায় গেলে পাওয়া যাবে না।’

গ্রাহক ৪০ শতাংশ.ক্ষতিপূরণ কীভাবে পাবে সে বিষয়ে সুনীল বলেন, ‘অপারেটরদের সঙ্গে আলাপ করে বিষয়টি জানানো হবে।

Facebooktwitterredditpinterestlinkedinmail

‘টেলিটককে শক্তিশালী করা হবে’

অনলাইন রিপোর্টার ॥ বেসরকারি indexমোবাইল ফোন অপারেটরদের সাথে প্রতিযোগিতার উপযুক্ত করে রাষ্ট্রায়ত্ত মোবাইল ফোন অপারেটর টেলিটককে গড়ে তোলা হবে জানিয়েছেন ডাক ও টেলিযোগাযাগ প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম।
বুধবার সচিবালয়ে টেলিকম খাতের প্রতিবেদকদের সংগঠন ‘টেলিকম রিপোর্টার্স নেটওয়ার্ক বাংলাদেশ’ এর সঙ্গে এক মতবিনিময় অনুষ্ঠানে সেই পরিকল্পনা জানান তারানা।
ডাক ও টেলিযোগাযাগ প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমরা একটা লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি করতে চাই, যাতে টেলিটক স্বাবলম্বী প্রতিষ্ঠান হিসাবে টিকে থাকতে পারে।
তিনি বলেন, টেলিটককে বাজারে কম্পিটিটিভ উপযুক্ত করে গড়ে তোলা আমাদের অন্যতম একটা চ্যালেঞ্জ। সেজন্য পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। টেলিটককে শক্তিশালী করার আমাদের একটা পরিকল্পনা আছে। টেলিটক নিজের পায়ে দাঁড়াক। দাঁড়িয়ে কম্পিটিটিভ বাজারে যেন কম্পিটিশনে উপযুক্ত হতে পারে।
ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়তে বেসরকারি খাতের প্রয়োজনের কথা স্বীকার করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, “আমরা প্রাইভেট সেক্টরকে অবশ্য চাই, তারা বৈধ সুবিধা নিয়ে বৈধভাবে কাজ করবে।

Facebooktwitterredditpinterestlinkedinmail

রবি-এয়ারটেল একীভূত হবে!

অনলাইন রিপোর্টার ॥ রবি আজিয়াটা লিমিটেড ও এয়ারটেল বাংলাদেশ লিমিটেডের ব্যবসা একীভূত করা যায় কিনা- তা পর্যালোচনার কাজ শুরু হয়েছে।
বুধবার রবির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
এতে বলা হয়, আজিয়াটা গ্রুপ বারহাদ (আজিয়াটা) ও ভারতী এয়ারটেল লিমিটেড (ভারতী) এই মর্মে যৌথভাবে ঘোষণা করছে যে, উভয়পক্ষ দীর্ঘ ও সুচিন্তিত আলোচনার পর এই সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছে যে, তারা নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের বাংলাদেশের মালিকানাধীন টেলিকমিউনিকেশন্স ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের- যথাক্রমে রবি আজিয়াটা লিমিটেড (রবি) ও এয়ারটেল বাংলাদেশ লিমিটেড (এয়ারটেল), ব্যবসা একীভূত করা যায় কিনা তা পর্যালোচনার কাজ শুরু করেছে।
‘তবে এমন কোনো নিশ্চয়তা নেই যে, দুই ব্যবসা প্রতিষ্ঠান একীভূত করার (রবি আজিয়াটা লিমিটেড ও এয়ারটেল বাংলাদেশ লিমিটেড) যে পর্যালোচনা প্রক্রিয়া- তা সুনিশ্চিত চুক্তিতে পরিণত হবে।’
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এ ঘোষণা উভয় প্রতিষ্ঠানের পর্যালোচনার উদ্যোগকে সহায়তা এবং পরস্পরের মধ্যে তথ্য আদান-প্রদানের সুবিধা ও এ সম্পর্কিত নিয়ন্ত্রক (রেগুলেটরি বডি) সংস্থাগুলোর সঙ্গে আলোচনার পথকেও সহজ করবে।
এ বিষয়ে বিশেষ কোনো অগ্রগতি সাধিত হলে আজিয়াটা ও ভারতী পরবর্তীতে ঘোষণা দেবে বলেও সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।

Facebooktwitterredditpinterestlinkedinmail

নতুন পোস্টপেইড একুইজিশন প্যাক এনেছে রবি

ডেস্ক,ঢাকা: সribiময়ের সাথে গ্রাহকের প্রয়োজন ও চাহিদার পরিবর্তনের বিষয়টি মাথায় রেখে সম্প্রতি একটি নতুন পোস্টপেইড একুইজিশন প্যাক চালু করেছে মোবাইল ফোন অপারেটর রবি আজিয়াটা লিমিটেড।
রবির নতুন এই পোস্টপেইড প্যাকটির সাথে ফ্রি কানেকশন পাবেন গ্রাহকরা। কিন্তু সিকিউরিটি ডিপোজিট হিসাবে ৫০০ টাকা জমা দিতে হবে যা ফেরতযোগ্য। অফারের অংশ হিসাবে গ্রাহকরা ৫০০টাকা মূল্যমানের সেবা উপভোগ করতে পারবেন। এছাড়া গ্রাহকরা দিন-রাত ২৪ ঘন্টা যে কোন অপারেটরে প্রতি ১০ সেকেন্ডে ১০ পয়সা, যে কোন স্থানীয় অপারেটরে প্রতি এসএমএস ৩৫ পয়সা ও প্রতি মেগাবাইট ইন্টারনেট ৫০ পয়সা হিসাবে ব্যবহার করতে পারবেন। এই প্যাকে কোনো লাইন রেন্ট নেই।

গ্রাহকরা ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে অ্যাক্টিভেশন বোনাস হিসাবে ৫০০ মেগাবাইট ডাটা, ৫০০টি এসএমএস ও ৫০০টি এমএসএস পেয়ে যাবেন যার মেয়াদ থাকবে এক মাস। এছাড়া বিনামূল্যে তিন মাস মেয়াদি ডেইলি নিউজ এলার্ট ও কল ব্যাক সার্ভিস গ্রহণ করতে পারবেন গ্রাহকরা। একমাত্র নতুন পোস্টপেইড গ্রাহকরাই অ্যাক্টিভেশন বোনাসটি উপভোগ করতে পারবেন। বর্তমান পোস্টপেইড গ্রাহকরা নতুন পোস্টডেইড একুইজেশন প্যাকে মাইগ্রেট করার মাধ্যমে অ্যাক্টিভেশন বোনাসটি ছাড়া বাকী সব ট্যারিফ ও বেনিফিটগুলো পাবেন। মাইগ্রেশনের জন্য *১৪০*৫২# নাম্বারে ডায়াল বা ১০<স্পেস> অন লিখে ৮২৪৪ নাম্বারে এমএসএস করতে হবে।

এছাড়া প্রতি মাসে কী পরিমাণে মোবাইল ফোন সেবা গ্রহণ করছেন এর ওপর ভিত্তি করে বোনাস পাবেন গ্রাহকরা। এক মাসে গ্রাহকের মাসিক বিল যদি ২০০ টাকার বেশি হয় তবে তিনি রবি-রবি ২০০ মিনিট এবং ১ জিবি ডাটা বিনামূল্যে ব্যবহার করতে পারবেন। অন্যদিকে বিল ৪০০ টাকা ছাড়িয়ে গেলে তিনি মাসের বাকী সময়ে রবি-রবি প্রতি মিনিট ৪৫ পয়সা রেটে কথা বলতে পারবেন। এছাড়া বিল ৬০০ টাকা ছাড়িয়ে গেলে রবি-রবি প্রতি মিনিট ৩০ পয়সা রেটে কথা বলতে পারবেন গ্রাহকরা (১০ সেকেন্ড পালস)।

নতুন পোস্টপেইড গ্রাহকরা সরাসরি রবি’র লয়েল্টি প্রোগ্রামের সদস্য হয়ে যাবেন। এছাড়া রবি সেবায় থাকা সাপেক্ষে গ্রাহকরা শেষের ছয়টি ডিজিট নিজের ইচ্ছামত নেয়ার সুযোগ পাবেন।

Facebooktwitterredditpinterestlinkedinmail

মস্তিষ্কের দৈনিক সচলতা বাড়ায় স্মার্টফোন

ঢাকা: স্মার্টjakia..smartphone_59540ফোনে মেসেজ টাইপ, স্ক্রল করে ওয়েব পেজ দেখা বা ই-মেল চেক করা বদলে দিতে পারে মস্তিষ্ক ও আঙুলের সংযোগ স্থাপনের সূত্র। ফ্রিবর্গ ইউনিভার্সিটি ও জুরিক ইউনিভার্সিটির এক যৌথ গবেষণায় উঠে এসেছে এই তথ্য।
২৬জন স্মার্টফোন ব্যবহারকারী এবং ১১জন পুরনো প্রযুক্তির ফোন ব্যবহারকারীকে নিয়ে গবেষণা চালিয়েছে জুরিক ইউনিভার্সিটির ডা. অর্ক ঘোষ। এদের প্রত্যেকের মাথায় পরানো হয়েছিল ৬২টি ইলেকট্রোড যুক্ত ইইজি ক্যাপ। যার সাহায্যে ফোন ব্যবহার করার সময় তাদের মস্তিষ্কের সঙ্গে বুড়ো আঙুল, মধ্যমা ও তর্জনীর সংযোগ স্থাপনের প্রক্রিয়া পরীক্ষা করা হয়। এই পরীক্ষার ফলেই উঠে এসেছে কিভাবে ক্রমাগত টাচস্ক্রিনে আঙুলের নড়াচড়া বদলে দেয় মস্তিষ্কের সঙ্গে সংযোগ স্থাপনের সূত্র।
ডা. ঘোষ জানায়, যারা স্মার্টফোন ব্যবহার করেন তাদের মস্তিষ্ক স্পর্শে সাধারণ ফোন ব্যবহারকারীদের থেকে অন্যভাবে প্রতিক্রিয়া জানায়। সেই সঙ্গেই মস্তিষ্কের প্রতিদিনের সচলতা বাড়াতে স্মার্টফোন ব্যবহার খুবই উপযোগী বলেও জানান ডা. ঘোষ।
কল প্রেস জার্নাল কারেন্ট বায়োলজিতে প্রকাশিত হয়েছে এই গবেষণার ফল।
Facebooktwitterredditpinterestlinkedinmail

টাকা খেকো ভাইরাস! দেখুন আপনার অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল থেকে কিভাবে গায়েব হচ্ছে ব্যালান্স সহ সব তথ্য !

ডেস্ক :ইদানিং কি প্রায়ই এমন হয়, আপনার মোবাইল ফোন থেকে টাকা হারিয়ে যাচ্ছে ? ব্যালান্স থেকে হুট করে টাকা গায়েব  এরকম অভিযোগ এখন অনেকের কাছেই শোনা যায় । এবার বিশেষজ্ঞরা বের করেছেন এর পেছনের রহস্যজনক বিষয় ।

মোবাইল ফোন থেকে হঠাৎ করেই টাকা গায়েব? এর পেছনে থাকতে পারে ভয়ংকর একটি ট্রোজান ভাইরাস। অ্যান্ড্রয়েডনির্ভর মোবাইল ফোনে নতুন একটি ভাইরাস দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে যা ব্যবহারকারীর মোবাইলে থাকা অর্থ শেষ করে ফেলতে পারে। এ ছাড়া তথ্য চুরি করা কিংবা মোবাইলে থাকা কন্ট্যাক্ট নম্বরগুলোতে বার্তা পাঠিয়ে সর্বনাশ করতে পারে। সাইবার বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলছেন, মারাত্মক এই ট্রোজান ভাইরাসটির নাম ‘অ্যান্ড্রয়েড এসএমএস সেন্ড’।
সাইবার বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ‘অ্যান্ড্রয়েড এসএমএস সেন্ড’ ভাইরাসটি প্রিমিয়াম সার্ভিস বিনষ্টকারী ম্যালওয়্যারের তালিকায় পড়ে। অ্যান্ড্রয়েডে ভুয়া অ্যাপ্লিকেশনের ছদ্মবেশে এ ভাইরাসটি ঢুকে পড়ে মোবাইলের সর্বনাশ করে। একবার এ ভাইরাসটি ইনস্টল হয়ে গেলে কন্ট্যাক্ট তালিকায় থাকা নম্বরগুলোতে টেক্সট বার্তা পাঠাতে থাকে।
কম্পিউটার ইমারজেন্সি রেসপন্স টিম অব  (সিইআরটি-ইন) গবেষকেরাঅ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোন ব্যবহারকারীদের এ ভাইরাসটি সম্পর্কে সতর্ক করেছেন।
পুরোনো ফোনের বিপদ ও সুরক্ষাবিশেষজ্ঞরা বলছেন, ভাইরাসটি স্মার্টফোনের আইএমইআই নম্বর, মোবাইল আইডি, মোবাইলের ধরনসহ অন্যান্য তথ্য চুরি করে দুর্বৃত্তদের কাছে পাঠাতে পারে এবং মোবাইলে অন্যান্য স্পাইওয়্যার ডাউনলোডের জন্য জায়গা করে দিতে পারে। ভাইরাসটি এতটাই মারাত্মক যে মোবাইল থেকে নম্বর চুরি, ছবি গায়েব, লোকেশন ট্র্যাক, পাসওয়ার্ড চুরি, টেক্সট মেসেজ কপি, মোবাইল পুরোপুরি অচলও করে দিতে পারে। এ ছাড়া মোবাইল ব্যাংকিংয়ের তথ্যও হাতিয়ে নিতে পারে। অ্যান্টি ভাইরাস সফটওয়্যারকেও ফাঁকি দিতে পারে এ ভাইরাসটি।
অনলাইনের অ্যাপ মার্কেটপ্লেসে পরিচিত অ্যাপের ছদ্মবেশে এ ভাইরাসটি লুকিয়ে থাকে। দুর্বৃত্তরা পরিচিত অ্যাপের মধ্যে এ ভাইরাস ঢুকিয়ে তা মার্কেটপ্লেসে রেখে দেয়।android-virus1

এ ভাইরাসটি থেকে বাঁচতে পরিচিত উত্স ছাড়া আর কোনো স্থান থেকে অ্যাপ ডাউনলোড না করার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। এ ছাড়া হালনাগাদ মোবাইল সিকিউরিটি সফটওয়্যার বা অ্যান্টি ভাইরাস দিয়ে মোবাইল পুরোপুরি স্ক্যান করে ফেলতে বলেছেন তাঁরা। কোনো অ্যাপ ইনস্টল করার আগে তা কী ধরনের অনুমতি চাইছে তা দেখে নিতে বলছেন। কোনো সাইটের লিংকে ক্লিক করার আগে কিংবা অ্যান্ড্রয়েড আপডেট করার আগেও সচেতন থাকার পরামর্শ দিয়েছেন তাঁরা।
গবেষকদের পরামর্শ হচ্ছে, অ্যান্ড্রয়েডের তথ্য অন্য কোথাও ব্যাকআপ হিসেবে রেখে দেবেন এবং অপরিচিত কোনো ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্ক ব্যবহারের ক্ষেত্রে সচেতন থাকবেন। ভাইরাস থেকে বাঁচতে ডিভাইস এনক্রিপশন ব্যবহার করুন।

Facebooktwitterredditpinterestlinkedinmail

ডিএনএ কপি করে উদ্ভিদের পুনর্জন্ম

07এনামুল হক:কিছু কিছু লতাগুল্ম জাতীয় উদ্ভিদের অদ্ভুত একটা ক্ষমতা আছে। তা হলো, আপনা থেকেই পুনর্জন্ম লাভ করা। এই বিস্ময়কর কাজটা তারা কিভাবে সম্পন্ন করে, বিজ্ঞানীরা এখন তা জানতে পেরেছেন। ওরা নিজেদের ডিএনএ-র প্রতিরূপ সৃষ্টি করে পুনর্জন্ম নেয়।

চারণরত প্রাণীরা যেমনÑ গরু, মহিষ বা মেষ লতাগুল্ম জাতীয় উদ্ভিদের একাংশ হয়তো ছিঁড়ে খেয়ে নেয়। বাকি যে অংশ থাকে, সেটা এক সময় হয়তো মরে যায়। কিন্তু এ ধরনের কিছু উদ্ভিদ তার এই ক্ষতিটা মাত্রাতিরিক্তভাবে পুষিয়ে নেয়। তারা আরও বেশি পরিমাণে উদ্ভিদ পদার্থ তৈরি করে। এবং অন্য সময় যতটা উর্বর হতে পারত, তার চেয়ে বেশি উর্বর হয়ে ওঠে। এক পর্যায়ে এরা আবার নতুন করে জন্মাতে থাকে। সেই পুনর্জন্মের রহস্যটা বিজ্ঞানীরা গবেষণা করে বের করেছেন। তাদের এই সংক্রান্ত একটি রিপোর্ট ‘মলিকুলার ইকোলজি’ নামক একটি সাময়িকীতে প্রকাশিত হয়েছে।
এই গবেষণার মধ্য দিয়ে প্রথমবারের মতো দেখা গেছে যে, কাটছাঁট হবার পরও একটা উদ্ভিদের নাটকীয়ভাবে ফিরে আসার ক্ষমতাটা একটা প্রক্রিয়ার ওপর নির্ভর করে, যাকে বলে জেনোম ডুপ্লিকেশন বা জিনের প্রতিরূপ সৃষ্টি। এক্ষেত্রে এক একটি কোষ তার মধ্যকার জিনেটিক উপাদানের সবগুলোর একাধিক প্রতিরূপ সৃষ্টি করতে পারে।
জেনোমের প্রতরিূপ সৃষ্টি বিজ্ঞানের কাছে নতুন কিছু নয়। গবেষকরা বেশ কয়েক দশক ধরে এই ব্যাপারটি জেনে এসেছেন। তবে ঠিক কী উদ্দেশ্যে এই প্রতিরূপ সৃষ্টি করা হয়, তা নিয়ে খুব সামান্য ক’জনই মাথা ঘামিয়েছেন। আলোচ্য গবেষণাটি যিনি পরিচালনা করেছেন, তিনি ইলিনয় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণী জীববিজ্ঞানের অধ্যাপক কেন পেইজ। তিনি বলেছেন, বেশিরভাগ লতাগুল্ম জাতীয় উদ্ভিদÑ আরও সুনির্দিষ্টভাবে বললে এ জাতীয় ৯০ ভাগ উদ্ভিদ তাদের জেনোমের প্রতিরূপ সৃষ্টি করে। কেন করে, তা নিয়ে ২০১১ সালে এক গবেষণায় পেইজ ও তার সহযোগী গবেষক ড্যানিয়েল স্কলেস দেখিয়েছেন যে, যেসব উদ্ভিদ দেদারসে জেনোমের প্রতিরূপ সৃষ্টি করে চলে, তারা ক্ষতিগ্রস্ত হবার পর আবার সবলদেহে ফিরে আসে। গবেষকদের ধারণা, জেনোমের প্রতিরূপ সৃষ্টির মধ্য দিয়ে উদ্ভিদরা সেই শক্তি লাভ করে থাকে, যা তাদের প্রতিকূলতা কাটিয়ে ওঠার জন্য প্রয়োজন।
গবেষণায় এরাবিডোপসিস থালিয়ানা নামে সরিষা পরিবারের একটি উদ্ভিদের ওপর দৃষ্টি নিবন্ধ করা হয়। দেখা যায়, কিছু কিছু এরাবিডোপসিস উদ্ভিদ জেনোমের প্রতিরূপ সৃষ্টির কাজে নিয়োজিত থাকে, আবার অন্যগুলো থাকে না। যেগুলো থাকে, সেগুলো প্রতিটি কোষের মধ্যে তাদের সকল ক্রোমোজমের ডজনকে ডজন কপি সঞ্চিত করে রাখে। নতুন এক গবেষণায় স্কলেস এরাবিডোপসিস উদ্ভিদের মধ্যে যেগুলোর নিজেদের জেনোমের প্রতিরূপ সৃষ্টির ক্ষমতা আছে এবং যেগুলোর তা নেই এই উভয় শ্রেণীর মধ্যে সঙ্কর প্রজনন ঘটায়। স্কলেস বলেন, ডিএনএর প্রতিরূপ সৃষ্টি এবং উদ্ভিদের পুনর্জন্মের মধ্যকার সম্পর্কটা যদি কাকতালীয় ব্যাপার হয়ে থাকত, তাহলে উভয়ের মধ্যকার সংস্রবটা তাদের বংশধরদের মধ্যে অদৃশ্য হয়ে যেত। কিন্তু দেখা গেল যে, এই সম্পর্কটা বংশধরদের মধ্যেও বিরাজ করছে। অর্থাৎ, দুটো বৈশিষ্ট্য যে একে অপরকে প্রভাবিত করছে, এটা তার প্রথম প্রমাণ।
অনুমাননির্ভর এই ধারণাটি আরও পরীক্ষা করে দেখার জন্য স্কলেস পরীক্ষামূলকভাবে একটি এরাবিডোপসিস উদ্ভিদের জেনোম প্রতিরূপ তৈরির ক্ষমতা বাড়িয়ে দেন। তার জন্য তিনি সেটাকে এমন এক শ্রেণী থেকে বেছে নেন, যার জেনোমের প্রতিরূপ সৃষ্টির ক্ষমতা নেই এবং চারণ হবার পর যার উর্বরতা বড় ধরনের হ্রাস পেয়েছে। তিনি যেমনটি প্রত্যাশা করেছিলেন ঠিক তেমনটাই ঘটেছিল। দেখা গেল, রূপান্তরিত উদ্ভিদটি ক্ষতিগ্রস্ত হবার পর আবার বলিষ্ঠভাবে ফিরে এসেছে বা জোরেশোরে পুনরুৎপাদিত হয়েছে। স্কলেস বলেন, জেনোমের প্রতিরূপ সৃষ্টির ফলে কোষগুলোর আকার বড় হয়ে যায় এবং একেকটি জিনের অনেকগুলো কপি ধারণ করার ক্ষমতা জন্মে। এতে করে কোষের বৃদ্ধির পেছনে চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করা গুরুত্বপূর্ণ প্রোটিন ও অন্যান্য মলিকুলের উৎপাদন বৃদ্ধি পাওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
সূত্র : ন্যাশনাল জিওগ্রাফি
Facebooktwitterredditpinterestlinkedinmail

পদার্থবিদ্যায়ও নোবেল পেলেন তিন বিজ্ঞানী

ডেস্ক রিপোর্ট : পদার্থবিদ্যায় চলতি বছর নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন তিন বিজ্ঞানী। তারা হলেন জাপানের ইসামু আকাসাকি ও হিরোশি আমানো এবং আমে76336_nobel-physics-cp-5647431রিকার শুজি নাকামুরা। জ্বালানি সাশ্রয়ী উজ্জ্বল আলো তৈরি করতে পারে এমন নীল এলইডি (লাইট এমিটিং ডায়োড) উদ্ভাবনের জন্য তাদেরকে নোবেল পুরস্কার দেয়া হয়েছে জানিয়েছে রয়্যাল সুইস একাডেমি।
৮৫ বছর বয়স্ক আকাসাকি মেইজো বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক। ৫৪ বছর বয়স্ক আমানো নাগোয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক। আর ৬০ বছর বয়স্ক নাকামুরা ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক।
১৯৯০-এর দশকের শুরুর দিকে তারা প্রথম নীল এলইডি তৈরি করেন, যার সাথে সবুজ ও লাল এলইডি যুক্ত করে জ্বালানি সাশ্রয়ী ও দীর্ঘস্থায়ী নতুন ধরনের এলইডি বাতি তৈরি করা সম্ভব হয়। বিজ্ঞানীরা ক্রম উন্নয়নের মাধ্যমে এলইডি বাতিকে এমন এক পর্যায়ে নিয়ে গেছেন যাতে একটি এলইডি বাতি ১৬টি সাধারণ বাতি অথবা ৭০টি ফ্লুরোসেন্ট বাতির সমান আলো দিতে পারে।
নোবেল কমিটির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, যে পরিমাণ বিদ্যুৎ প্রতিদিন খরচ হয়, তার এক চতুর্থাংশ যায় পৃথিবীকে আলোকিত করতে। এই এলইডি বাতি জ্বালানির পাশাপাশি কাঁচামালের চাহিদাও কমিয়ে আনতে পারে, কারণ একটি সাধারণ বাতি যেখানে গড়ে ১ হাজার ঘণ্টা আলো দেয়, সেখানে এলইডি বাতি এক লাখ ঘণ্টা আলো দিতে পারে। এই তিন বিজ্ঞানীর উদ্ভাবন বিপ্লব ঘটিয়েছে। সাধারণ লাইট বাল্ব ২০ শতকের পৃথিবীকে আলোকিত করেছে। আর একুশ শতকের পৃথিবীকে আলোকিত করবে এলইডি বাতি।
রীতি অনুযায়ী আগামী ১০ ডিসেম্বর স্টকহোমে আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের হাতে তুলে দেওয়া হবে নোবেল পুরস্কারের ৮০ লাখ সুইডিশ ক্রোনার।
গতকাল মেডিসিনে নোবেলজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হয়েছিল। তাতেও তিনজন পুরস্কার পেয়েছিলেন। নয়াদিগন্ত

Facebooktwitterredditpinterestlinkedinmail

উদ্ভিদের সাহায্য ছাড়াই তৈরি হতে পারে অক্সিজেন

প্রযুক্তি ডেস্ক: এক সময়ে পৃথিবীতে ছিPlantLeavesSunlight_m_1003-300x169লো না গাছপালার অস্তিত্ব। তখন বায়ুমন্ডলে ভরে ছিলো কার্বন ডাই অক্সাইড এবং বিভিন্ন বিষাক্ত গ্যাস। অনেকেই বিশ্বাস করেন উদ্ভিদের উদ্ভব হবার পর অক্সিজেন উৎপাদন হওয়া শুরু হয় এবং অনেক বেশি পরিমাণে অক্সিজেন দখল করে বায়ুমণ্ডল। কিন্তু একটি গবেষণায় জানা যাচ্ছে শুধু গাছ নয়, বরং অতিবেগুনী রশ্মির সাহায্যে কার্বন ডাই অক্সাইড থেকে অক্সিজেন তৈরি হওয়া সম্ভব।

এ গবেষণা থেকে জানা যেতে পারে ঠিক কি উপায় আদিম পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে পরিবর্তন আসে। এ ছাড়াও মহাশূন্যে অক্সিজেন তৈরি করার ক্ষেত্রে এই গবেষণার তথ্য কাজে লাগতে পারে।

যদিও বিজ্ঞানীরা বিশ্বাস করেন পৃথিবীর বেশিরভাগ অক্সিজেনই আসে উদ্ভিদ থেকে, কিন্তু ধারণা করা হয় গাছপালার উদ্ভবের আগেও কিছু পরিমাণে অক্সিজেনের উপস্থিতি ছিলো। ধরে নেওয়া হতো দুটি অক্সিজেনের পরমাণু একে অপরের সাথে সংঘর্ষের পর অক্সিজেন অণুতে পরিনত হতো। কিন্তু এখন অন্যরকম তথ্য পাওয়া যাচ্ছে। আলো যখন কার্বন ডাই অক্সাইডকে (CO2) ভাঙ্গে, তখন সাধারণত কার্বন মনোক্সাইড(CO) এবং একটি অক্সিজেনের পরমাণু(O) তৈরি হয়। অনেকে মনে করেন কার্বন ডাই অক্সাইড ভেঙ্গে অক্সিজেন অনু (O2) এবং কার্বন পরমাণু (C) তৈরি করা সম্ভব কিন্তু প্রাকৃতিকভাবে এই ঘটনা কখনো কেউ শনাক্ত করতে পারেননি।

ইউনিভার্সিটি অফ ক্যালিফোর্নিয়ার কেমিস্ট এঞ্জি এবং তার সহকর্মীরা তৈরি করেছেন এমন এক যন্ত্র যার সাহায্যে অতিবেগুনী রশ্মির উপস্থিতিতে কার্বন ডাই অক্সাইডকে ভেঙ্গে ফেলা হয়। এই যন্ত্রে দুটো লেজার কাজ করে। একটি ব্যবহার করে অণুটিকে ভেঙ্গে ফেলা হয়। অন্যটি ব্যবহার করে ভাঙ্গা অংশগুলো শনাক্ত করা হয়।
যখন প্রথম লেজারটি দিয়ে কার্বন ডাই অক্সাইড অণুকে ভেঙ্গে ফেলা হয়, তখন দ্বিতীয় লেজারটি দিয়ে অক্সিজেন অণু এবং কার্বন পরমাণু শনাক্ত করা যায়। এতে ধারণা করা হচ্ছে, অল্প পরিমাণে (মোটামুটি ৫ শতাংশ) কার্বন ডাই অক্সাইড থেকে অক্সিজেন তৈরি হয়েছে। এতে দেখা যায়, অনেক কম পরিমাণে হলেও অজৈবিক উপায়ে অক্সিজেন উৎপাদন সম্ভব।

Facebooktwitterredditpinterestlinkedinmail

বন্ধ হচ্ছে উইন্ডোজ ৭

নিউ ইয়র্ক: বন্ধ হয়ে যেতেimage_89994_0 চলেছে উইন্ডোজ ৭৷জানা গিয়েছে, ২০১৫ সালের ১৩ জানুয়ারির পর আনুষ্ঠানিক ভাবে বন্ধ করে দেওয়া হবে উইন্ডোজ ৭ অপারেটিম সিস্টেম৷

এই নির্দিষ্ট সময়ের পর মাইক্রোসফট করপোরেশন, উইন্ডোজ ৭ –এ আর কোনো নিরাপত্তা পরিষেবা দেবে না বলে জানা গিয়েছে৷ একই পদ্ধতিতে ২০১৮ সালের ৯ জানুয়ারির পর উইন্ডোজ ৮ এবং ৮.১ সংস্করণের নিরাপত্তা ব্যবস্থা বন্ধ করে দেবে মাইক্রোসফট৷ চলতি বছর এই একই পদ্ধতিতে মাইক্রোসফটের উইন্ডোজ এক্সপি-র নিরাপত্তাবিষয়ক সমস্ত ব্যবস্থা বন্ধ করে দেওয়া হয়৷

মূলত মাইক্রোসফট উইন্ডোজের নতুন সংস্করণের ব্যবহার বাড়াতেই এমন উদ্যোগ নিয়েছে বলে জানা গিয়েছে৷ ইতিমধ্যে মাইক্রোসফট উইন্ডোজ ৯ নিয়ে কাজ শুরু করে দিয়েছে মাইক্রোসফট করপোরেশন । আগামী বছরেই উইন্ডোজ ৯ বাজারে ছাড়া হবে সংস্থা থেকে জানান হয়েছে। – ওয়েবসাইট।

Facebooktwitterredditpinterestlinkedinmail

ক্যান্সার কোষ ধ্বংসে স্মার্ট ডিভাইস

ডেস্ক রিপোর্ট : জীববিজ্ঞাuntitled-16_62074-300x146নীরা সম্প্রতি একটি নতুন প্রযুক্তি আবিষ্কার করেছেন, যার মাধ্যমে স্মার্ট ডিভাইস ব্যবহার করে মানুষের শরীরের ক্যান্সার আক্রান্ত কোষ ধ্বংস করা সম্ভব। তবে এ প্রক্রিয়ায় শরীরের সুস্থ কোষ ক্ষতিগ্রস্ত হবে না। নর্থ ওয়েস্টার্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল গবেষক সম্প্রতি সফলভাবে এ প্রযুক্তি উদ্ভাবন করে। বিভিন্ন ধরনের উদ্ভাবনের মাধ্যমে এরই মধ্যে বিস্ময়ের সীমা ছাড়িয়েছে প্রযুক্তি। প্রতিনিয়তই নতুন নতুন অনুষঙ্গ যুক্ত হচ্ছে প্রযুক্তি খাতে। এরই ধারাবাহিকতায় সম্প্রতি আবিষ্কৃত হয়েছে মরণব্যাধি ক্যান্সার কোষ ধ্বংসের যুগান্তকারী প্রযুক্তি, যা মানব সমাজের সুস্থ জীবনযাপন ও উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট গবেষকরা। ডিভাইসটি মূলত একটি প্রোটিন বায়োসেন্সর, যা মানব শরীরে স্থাপন করলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ক্যান্সার আক্রান্ত কোষ শনাক্ত করতে সক্ষম হবে। ফলে আক্রান্ত কোষ শনাক্তকরণের পর ডিভাইসটি একটি বিশেষ সিগনাল প্রেরণ করে ইঞ্জিনিয়ার্ড কোষের নিউক্লিয়াসে। সিগনাল প্রেরিত হলে ডিভাইসটিতে স্বয়ংক্রিয়ভাবে জিন এক্সপ্রেশন নামে একটি প্রোগ্রাম চালু হয়, যা আক্রান্ত ক্যান্সার কোষকে ধ্বংস করবে। পাশাপাশি সুস্থ কোষের কোনো ক্ষতি করবে না। এ বিষয়ে নর্থ ওয়েস্টার্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের এমসিক্রমিক স্কুল অব ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড অ্যাপ্লাইড সায়েন্সের সহকারী প্রভাষক জোসুয়া লিওনার্দ জানান, এ প্রক্রিয়ায় ক্যান্সার চিকিৎসায় কোনো পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া নেই।

Facebooktwitterredditpinterestlinkedinmail

নতুন বছরে ৫ হাজার টাকায় নেটবুক

ডেস্ক: নতুন বছরে অর্ধেকে দামে বাজারজাত করা হচ্ছে মুখ থুবড়ে পড়া দোয়েল। মাত্র পাঁচ হাজার টাকায় বিক্রি করা হচ্ছে দেশী ব্র্যান্ডের প্রাইমারি-২১০২ মডেলের নেটবুক।

বুধবার থেকে গুলিস্তানের বিটিসিএল ওয়ান পয়েন্ট সার্ভিস সেন্টার, গাজীপুরের টেলিফোন শিল্প সংস্থার (টেশিস) বিপণন সেন্টার এবং খুলনার বিসিএল ওয়ান পয়েন্ট থেকে বিক্রি করা হচ্ছে সাশ্রয়ী মূল্যের এই নোটবুক।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, এসব বিক্রয় সেন্টার থেকে দোয়েল এর সবচেয় কম মূল্য ১০ হাজার ৫০০ টাকার নেটবুক বিক্রি হচ্ছে পাঁচ হাজার টাকায়। ৩২০ জিবি ধারণ ক্ষমতার বেসিক ০৭০৩পি বিক্রি করা হচ্ছে ১৩ হাজার ৩০০ টাকায়। এর পূর্বমূল্য ছিল ১৫ হাজার ৫০০ টাকা। এছাড়াও একই মডেলের ২৫০জিবি হার্ডডিস্ক এর নোটবুক বিক্রি করা হচ্ছে ১৩ হাজার টাকায়।

পূর্বমূল্য ২০ হাজার ৩০০ টাকার স্ট্যান্ডার্ড ২৬০৩ মডেলের নোটবুক ১৪ হাজার, অ্যাডভান্স-১৬১২ নোটবুক ১৪ হাজার, অ্যাডভান্স ১৬১২ মডেল ২০ হাজার এবং ১৬১২ই মডেল বিক্রি করা হচ্ছে ২১ হাজার টাকায়।

অবশ্য দোয়েল পারফরমেন্স বিতর্ক এবং বিনিয়োগ জটিলতায় দোয়েল এর এই নোটবুকগুলো নিয়ে রয়েছে নানা বিতর্ক।

Facebooktwitterredditpinterestlinkedinmail

ঝিনাইদহে বাংলালায়ন ওয়াইম্যাক্সের বানিজ্যিক কার্যক্রম শুরু

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি, ১৫ সেপ্টেম্বর: বাংলালায়ন কমিউনিকেশন্স লিঃ (বিসিএল) দেশব্যাপী ওয়াইম্যাক্স প্রযুক্তি সম্প্রসারণের অংশ হিসেবে রোববার থেকে ঝিনাইদহ শহরে তাদের আনুষ্ঠানিক বানিজ্যিক কার্যক্রম শুরু করেছে। এ উপলক্ষ্যে রোববার দুপুর দুইটার দিকে ঝিনাইদহ প্রেসক্লাব মিলনায়তনে এক সাংবাদিক সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

সাংবাদিক সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে বাংলালায়ন ওয়াইম্যাক্স সেবা সম্পর্কে সাংবাদিকদের অবহিত করেন বাংলালায়ন কমিউনিকেশন্স লিঃ এর চীফ কো-অর্ডিনেশন অফিসার আজহার এইচ. চৌধূরী। এ সময় অন্যান্যের মধ্যে বাংলালায়ন কমিউনিকেশন্স লিঃ এর চীফ মার্কেটিং অফিসার জি এম ফারুক, হেড অব সেলস ফয়সাল বিন রাফেক, সিনিয়র ম্যানেজার রিফাত হোসাইন, মিডিয়া ম্যানেজার সৈয়দ নাসিম, খুলনা রিজিওনাল ম্যানেজার জহির উদ্দীন খান ও রিজিওনাল সেলস কো-অর্ডিনেটর সাইফুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।

Facebooktwitterredditpinterestlinkedinmail

কবে, কী নিয়ে আসছে থ্রিজি

ডেস্ক,৯ সেপ্টেম্বর: গতকালের থ্রিজি নিলামের পর এ কথা স্পষ্ট যে, শিগগিরই দেশের পাঁচ মোবাইল অপারেটর প্রতিষ্ঠান থ্রিজির যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়তে যাচ্ছে। বেঁধে দেওয়া নিয়মে সামনের নয় মাসের 522d9c4565e59-3মধ্যেই থ্রিজি সেবা চালু করতে হবে প্রতিষ্ঠানগুলোকে। চলতি বছরের অক্টোবর মাসের প্রথমার্ধেই গ্রাহকদের জন্য থ্রিজি সেবা চালু করবে গ্রামীণফোন। আজ সোমবার সোনারগাঁও হোটেলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে গ্রামীণফোনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) বিবেক সুদ জানিয়েছেন, ঢাকা ও চট্টগ্রামের নির্বাচিত কিছু এলাকায় অক্টোবরের প্রথম দিকেই থ্রিজি চালু করবে মোবাইল ফোন প্রতিষ্ঠানটি। ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ ও গাজীপুরকে এ সেবার আওতায় আনা হবে নভেম্বরের মধ্যে। ডিসেম্বরের মধ্যেই সাতটি বিভাগীয় শহরে এ সেবা চালু করা হবে।
গ্রামীণফোন ছাড়াও এয়ারটেলও দ্রুত থ্রিজি সেবা চালুর কথা ভাবছে। টেলিটক এরই মধ্যে থ্রিজির জনপ্রিয়তা বাড়াতে ব্যাপক পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে বলে জানিয়েছেন টেলিটকের একজন কর্মকর্তা।
টেলিটকের বিপণন বিভাগের সাবেক এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, থ্রিজির ডাটা খরচ নিয়ে প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে। তবে এ ক্ষেত্রে টেলিটক থ্রিজি নিয়ে জনগণকে সচেতনতার কাজটি এগিয়ে রেখেছে।
বর্তমান অবকাঠামো ও চাহিদার ক্ষেত্রে টেলিটকের পক্ষে পুরো দেশে থ্রিজির সেবা দেওয়া সম্ভব ছিল না। এখন প্রতিদ্বন্দ্বিতার চেয়ে উন্নত সেবার প্রতিযোগিতা বাড়বে। সে ক্ষেত্রে টেলিটক উন্নত সেবা দেওয়ার চেষ্টা চালিয়ে যাবে।

থ্রিজির
সুবিধা ও সম্ভাবনা

বাংলাদেশে সাশ্রয়ী দামের অনেক স্মার্টফোনেই থ্রিজি ব্যবহারের সুবিধা রয়েছে। তবে বাংলাদেশের অধিকাংশ মানুষ এখনো ফিচার ফোন ব্যবহার করছে। বিটিআরসির এক তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশে জুন মাস পর্যন্ত মোবাইল ফোন ব্যবহারকারীর সংখ্যা প্রায় ১০ কোটি ৫০ লাখ। সবচেয়ে বেশি গ্রাহক গ্রামীণফোনের। প্রায় চার কোটি ৩৯ লাখ ৬৭ হাজার গ্রাহক রয়েছে প্রতিষ্ঠানটির। দুই কোটি ৭০ লাখ ৭৬ হাজার গ্রাহক নিয়ে বাংলালিংক দ্বিতীয় অবস্থানে আছে। এ ছাড়া দুই কোটি ২৮ লাখ ৯৭ হাজার রবি, ৭৮ লাখ ২১ হাজার এয়ারটেল, ১৯ লাখ আট হাজার টেলিটক এবং ১৩ লাখ ৮৩ হাজার সিটিসেল গ্রাহক রয়েছে।

দেশে মোট ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা প্রায় তিন কোটি ৫৬ লাখ ৩১ হাজার ২৬৯। এর মধ্যে মোবাইল ফোনে তিন কোটি ৩৯ লাখ চার হাজার গ্রাহক ইন্টারনেট ব্যবহার করেন। পাঁচ অপারেটরে থ্রিজির সুবিধা যুক্ত হওয়ায় মোবাইল ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যাও এখন দ্রুত বাড়বে।

চলতি বছরের মে মাসে এরিকসন বাংলাদেশ লিমিটেড (ইবিএল) ‘নেটওয়ার্ক সোসাইটি’ শীর্ষক  আয়োজনে জানিয়েছিল, ১০ শতাংশ মুঠোফোন ইন্টারনেট ব্যবহারকারী বাড়লে সেই দেশের ১ শতাংশ জিডিপি বাড়ে। কোনো দেশের ইন্টারনেটের গতি দ্বিগুণ হলেই জিডিপিও বাড়ে। ভবিষ্যতে ইন্টারনেট  সংযুক্ত গাড়িগুলো ট্রাফিক জ্যামের মতো সমস্যাগুলো পাশ কাটিয়ে চলতে পারবে। মুঠোফোন ও ইন্টারনেটের ব্যবহার বাড়লে আইসিটি ও অর্থনীতির প্রবৃদ্ধিও বাড়বে। এরিকসনের একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রতি এক হাজার নতুন ইন্টারনেট ব্যবহারকারী বাড়লে ৮০টি নতুন কাজের সৃষ্টি হয়।

এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেসের (বেসিস) সভাপতি শামীম আহসান বলেন, কম খরচে ও সহজলভ্য ইন্টারনেট হলে বাংলাদেশের জন্য প্রচুর সম্ভাবনার খাত রয়েছে।

থ্রিজির মতো সুবিধা উন্নত হওয়ায় বাংলাদেশে তথ্যপ্রযুক্তিতে বিদেশি বিনিয়োগ বাড়তে পারে বলে ধারণা করছেন সেল বাজারের সিইও আরিল ক্লোকারহৌগ।

 

থ্রিজির কাজ

দ্রুতগতিতে তথ্য পরিবহন করাটাই থ্রিজির কাজ। এতে দূরশিক্ষণ কার্যক্রম সহজতর হবে, মোবাইল ফোন ব্যবহার করে সহজে কেনাকাটা করা যাবে, সহজ হবে স্বাস্থ্যসেবাও। একই সঙ্গে চলতি পথে মোবাইল ফোনেই টেলিভিশন দেখা যাবে। সহজতর হবে অন্যান্য বিনোদনও। যেকোনো স্থান থেকে যখন খুশি ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে যোগাযোগ করা যাবে।

 

থ্রিজি নাকি ফোরজি?

থ্রিজির জন্য বরাদ্দ তরঙ্গের আওতায় ফোরজির লাইসেন্স পাচ্ছেন মোবাইল অপারেটররা। থ্রিজি তরঙ্গ বরাদ্দের লাইসেন্স নিয়ে চতুর্থ প্রজন্মের (ফোরজি) সেবা দিতে পারবে প্রতিষ্ঠানগুলো। ফোরজির জন্য আলাদা লাইসেন্স নিতে হবে না। ফোরজি চালু হলে থ্রিজির চেয়ে আরও দ্রুতগতিসম্পন্ন ইন্টারনেট সেবা পাওয়া যাবে। তখন মোবাইল ফোনসেট থেকে উন্নত রেজুলেশনে সিনেমা দেখা বা দ্রুতগতিতে ডাউনলোড করাও সম্ভব হবে। তবে ফোরজি সমর্থনযোগ্য মোবাইল পণ্যের সংখ্যা দেশে তুলনামূলকভাবে কম।

 

কত খরচ পড়বে থ্রিজি সেবার?

থ্রিজি নিয়ে দেশের মোবাইল ফোন অপারেটরগুলোর মধ্যে প্রতিযোগিতার আভাস পাওয়া যাচ্ছে আগে থেকেই। খরচের বিষয়টি এখনই প্রকাশ করতে চাইছে কোনো অপারেটর। টেলিটকের এক কর্মকর্তার মন্তব্য হচ্ছে, টেলিটক অনেক সাশ্রয়ী ডেটা প্যাকেজ দিচ্ছে। অন্যান্য প্রতিষ্ঠানকেও থ্রিজি সেবার ক্ষেত্রে আরও সাশ্রয়ী ডেটা প্যাকেজ দেওয়া উচিত। কম খরচে থ্রিজির উন্নত সেবা দিতে পারলে প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে প্রতিযোগিতার চেয়ে বাজার বাড়বে দ্রুত।

 

 

Facebooktwitterredditpinterestlinkedinmail

Responsive WordPress Theme Freetheme wordpress magazine responsive freetheme wordpress news responsive freeWORDPRESS PLUGIN PREMIUM FREEDownload theme free

hit counter