প্রযুক্তি

সিটিসেলকে বিটিআরসির বকেয়া পরিশোধের নির্দেশ

ডেস্ক,৫ মার্চ: দেশের সবচেয়ে পুরনো মোবাইল অপারেটর সিটিসেলকে বিটিআরসির প্রাপ্ত বকেয়া ১২৮ কোটি টাকা পরিশোধের নির্দেশ দিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ।

একই সঙ্গে সিটিসেলের পক্ষে করা মানহানি মামলার আবেদন খারিজ করে দিয়েছেন আদালত।

এ সংক্রান্ত আবেদনের ওপর শুনানি শেষে সোমবার প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বে চার সদস্যের আপিল বিভাগের বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

আদালতে সিটিসেলের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার রোকন উদ্দিন মাহমুদ ও অ্যাডভোকেট আহসানুল করিম।

বিটিআরসির পক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম, কামরুল হক সিদ্দিকী, ব্যারিস্টার ফজলে নূর তাপস ও খন্দকার রেজা-ই রাকিব।

খন্দকার রেজা-ই রাকিব পরে  বলেন, আদালতের নির্দেশের পর সিটিসেলকে বিটিআরসির পাওনা ১২৮ কোটি টাকা পরিশোধ করতে হবে।

শুধুমাত্র বিশ্বাসযোগ্য খবরই ‘নিউজ ফিডে’ দেখাবে ফেসবুক

ডেস্ক,২০ জানুয়ারী: এবার থেকে বিশ্বাসযোগ্য খবর ‘বুস্ট’ (গ্রাহকদের কাছে নির্দিষ্ট খবর পৌঁছে দেয়া) করবে ফেসবুক। এ জন্য ফেসবুক ব্যবহারকারীদের মধ্যে জরিপ চালাবে ফেসবুক।

জরিপে গ্রাহকদের কাছে জানতে চাওয়া হবে তারা কোন সংবাদমাধ্যমের খবর বিশ্বাস করে। সে ফলাফল থেকেই নির্ধারণ করা হবে কোন সংবাদমাধ্যম বেশি নির্ভরযোগ্য। এরপর সেসব সংবাদমাধ্যমের খবরই বেশি বেশি ফেসবুক ব্যবহারকারীদের কাছে পৌঁছে দেবে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ।

ফেসবুকের প্রতিষ্ঠাতা ও নির্বাহী মার্ক জাকারবার্গ বলেছেন, নিউজ ফিডে ৫ শতাংশের জায়গায় এখন থেকে ৪ শতাংশ খবর দেখাবে ফেসবুক। ফেসবুক ব্যবহার করে ভুয়া খবর ছড়িয়ে দেয়া ও এটিকে নেতিবাচকভাবে প্রচারের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার কমাতে এ উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। সূত্র : বিবিসি

সাড়ে ৩ কোটি মোবাইল ব্যাংকিং হিসাব বন্ধ

অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ দ্রুততম সময়ে এক স্থান হতে অন্য স্থানে টাকা পাঠানোর অন্যতম জনপ্রিয় মাধ্যম মোবাইল ব্যাংকিং। বর্তমানে এ সেবা ব্যবহার করেই মানুষ তাদের পরিবার পরিজন ও নিকটাত্মীয়ের কাছে বেশি টাকা পাঠাচ্ছেন। সর্বশেষ হিসাব মতে, দেশে মোবাইল ফিনান্সিয়াল সার্ভিসের গ্রাহক সংখ্যা ছাড়িয়েছে ৫ কোটি ৮৫ লাখ। এরমধ্যে ৩ কোটি ৫৪ লাখ ৩৫ হাজার হিসাবই বন্ধ রয়েছে। বাকি ২ কোটি ৩১ লাখ সক্রিয় হিসাব দিয়ে নবেম্বর মাসে গড়ে লেনদেন হয়েছে ৯১৯ কোটি টাকা। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, হিসাব খেলা ও পরিচালনায় কড়াকড়ি আরোপের ফলে সক্রিয় হিসাবের সংখ্যা কমেছে।

জানা গেছে, নিয়ম অনুযায়ী, কোনো অ্যাকাউন্ট থেকে টানা তিন মাস কোনো ধরনের লেনদেন না হলে তা ইন-অ্যাকটিভ বা নিষ্ক্রিয় অ্যাকাউন্ট হিসেবে বিবেচিত হয়। আর তিন মাসের মধ্যে একটি লেনদেন হলেই তা সক্রিয় হিসেবে বিবেচিত। অবশ্য বড় কোনো অনিয়ম না পাওয়া গেলে অ্যাকাউন্ট বন্ধ করে না ব্যাংক। কিন্তু সম্প্রতি মোবাইল ব্যাংকিং সেবায় অপব্যবহার ঠেকাতে বেশকিছু নির্দেশনা দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এতে হিসাব খেfলা ও পরিচালনা এবং লেনদেনে আরও বেশি কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে।

নির্দেশনায় বলা হয়, এখন একজন ব্যক্তি একটি সিম দিয়ে যেকোনো মোবাইল ব্যাংকিং সেবায় একটি মাত্র হিসাব চালু রাখতে পারবেন। ওই নির্দেশনার পর যাদের একাধিক হিসাব ছিল তা বন্ধ করা হয়। চলমান রয়েছে, তা দ্রুত বন্ধ করার নির্দেশনা দেয়া হয়। এই অবস্থায় নবেম্বর মাস শেষে সক্রিয় হিসাবের সংখ্যা ১৭ দশমিক ৩৫ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ২ কোটি ৩১ লাখ ৩১ হাজার। আর বন্ধ হিসাবের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩ কোটি ৫৪ লাখ ৩৫ হাজার। এরমধ্যে সবচেয়ে বেশি সংখ্যক বন্ধ হিসাবের সংখ্যা মোবাইল ব্যাংকি প্রতিষ্ঠান বিকাশের।

অতিরিক্ত সিম বন্ধের মেয়াদ আবারও বাড়ল

ডেস্ক রিপোর্ট : গ্রাহকের সুবিধার কথা বিবেচনা করে আবারও বাড়ানো হলো অতিরিক্ত সিম বন্ধের সময়সীমা। ১৫টির বেশি মোবাইল সিমকার্ড নিবন্ধিত থাকলে অতিরিক্ত সিম আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যে বন্ধ করার আল্টিমেটাম দিয়েছে বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন রেগুলেটরি কমিশন (বিটিআরসি)।

জাগো নিউজের প্রতিবেদনে জানা গেছে, অতিরিক্ত সিম বন্ধের শেষ সময় ছিল গত ৩১ ডিসেম্বর। এখন তা দুই মাস বাড়ানো হয়েছে। বিটিআরসির নির্দেশ, একজন মোবাইল ফোন ব্যবহারকারীর নামে গ্রাহককে নিজ উদ্যোগে সংশ্লিষ্ট মোবাইল ফোন অপারেটরের সঙ্গে যোগাযোগ করে অতিরিক্ত সিম বন্ধের এ কাজটি করতে হবে।

বিটিআরসির সচিব ও মুখপাত্র সরওয়ার আলম জানান, ১৫টির বেশি সিম থাকলে তা ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে বন্ধ করতে হবে। গ্রাহক ওই সময়ের মধ্যে স্বেচ্ছায় অতিরিক্ত সিম নিষ্ক্রিয় না করলে কমিশন পরে নিজেদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট অপারেটরের মাধ্যমে সেগুলোর নিবন্ধন বাতিল ও বন্ধ করে দেবে। সেক্ষেত্রে গ্রাহকের প্রয়োজনীয় সিমও বন্ধ হয়ে যেতে পারে বলে সতর্ক করা হয়েছিল ওই নির্দেশনায়।

এসব নির্দেশনা প্রিপেইড সিমের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে। সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, দেশে বর্তমানে সক্রিয় সিম সংখ্যা ১৪ কোটি ৩১ লাখ। বিটিআরসির মতে, একজন গ্রাহকের ১৫টির বেশি সিম থাকার দরকার নেই। তবে সময়ে সময়ে এ সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করার সুযোগ আছে।

এর আগে গত ৫ ডিসেম্বর বিটিআরসির এক নির্দেশনায় গ্রাহকপ্রতি সর্বোচ্চ ২০টি সিম রাখা যাবে বলে বিটিআরসি সীমা বেঁধে দিয়েছিল। গত বছরের আগস্টে তা আরও কমিয়ে পাঁচটি করা হয়েছিল। এরপর ওই সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করে গত ২৪ অক্টোবর গ্রাহকপ্রতি সর্বোচ্চ ১৫টি সিম বা রিম রাখার সুযোগ দেয় বিটিআরসি।

সর্বত্র ইন্টারনেট পৌঁছে দেওয়াকে অগ্রাধিকার দেবেন মোস্তফা জব্বার

হ্যাপী আক্তার : নবনিযুক্ত ডাক,টেলিযোগাযোগ এবং তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী মোস্তফা জব্বার বাংলাদেশের সর্বত্র ইন্টারনেট পৌঁছে দেওয়াকেই সবার আগে অগ্রধিকার দেবেন তার কাজে। মোস্তফা জব্বার জিনি কম্পিউটারের বাংলা লেখার জনপ্রিয় সফটওয়্যার বিজয়ের উদ্ভাবক হিসেবেই বেশি পরিচিত। গত বৃহস্পতিবার তিনি মন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণ করেন। এর আগে তিনি বাংলাদেশের তথ্যপ্রযুক্তি খাতের বড় একটি সংগঠন বেসিসের নেতৃত্ব দিয়েছেন।

বাংলাদেশ সরকারের নেতৃত্বের মেয়দ যখন আর মাত্র এক বছর সেখানে তিনি দায়িত্ব নিয়ে কতটুকু কি করতে পারবেন?

বিবিসি বাংলাকে এমন প্রশ্নের জবাবে মোস্তফা জব্বার বলেন, এক বছর যদি গণনা করা হয় তাহলে খুবই অল্প সময় এটি ঠিক। তবে তার কাছে সবচেয়ে সুবিধা হচ্ছে ২০০৯-১৭ পর্যন্ত বর্তমান সময় কালে সরকার এবং তার সকল অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ দেশকে ডিজিটালে রুপান্তরের জন্য যেভাবে কাজ করে এসেছে এটাকে প্রাথমিক প্রস্তুতি না বলে মোটামুটি একটি ভালো প্রস্তুতির জায়গা করে দিয়েছে সরকার, তা বলা যায়। এর ফলে এক বছরে যে কাজটি করা হবে সেখানে ৯ বছরের কাজের ফলাফল এক বছরের কাজে জমা হবে। তাই এক বছরের সময় কম মনে করছেন না তিনি।

কাজের ক্ষেত্রে কোন বিষয়গুলোকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে?

এমন প্রশ্নের জবাবে মোস্তফা জব্বার বলেন, ইন্টারনেট হচ্ছে মহাসড়ক, আর এই মহাসড়ক যদি প্রস্তুত আর মসৃন করা যায় তাহলে যে চলাচলের পথটি তৈরি হবে, তা হবে ডিজিটাল বাংলাদেশ তৈরির বড় অংশ। মোস্তফা জব্বারের আর একটি লক্ষ্য হচ্ছে ইন্টারনেটের গতি বাড়ানো এবং ইন্টারনেটকে সাশ্রয়ী করে জনগণের কাছে পৌঁছে দেওয়া।

তিনি আরো বলেন, সরকারে যে ডিপ্লোমা পদ্ধতি আছে তাকে ডিজিটাল করতে চান তিনি। তার জন্য সরকার জনগণের কাছে কেমন করে সেবা দিতে পাওে, তার সাথে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে সরকার পরিচালনা পদ্ধতি কেমন করে ডিজিটাল হতে পারে ইত্যাদি।

এর পরের অগ্রাধিকার হলো, শিক্ষাকে ডিজিটালে রুপান্তর, একই সাথে বাংলাদেশ ডিজিটাল ডিভাইজের ক্ষেত্রে আমদানিকারক নির্ভরশীল দেশ ছিল। সে জায়গাতে বাংলাদেশকে উৎপাদক না আমদানি-রফতানিকারক দেশ হিসেবে রুপান্তর করতে চান তিনি।

আন্তর্জাতিকভাবে যোগাযোগ রক্ষা করতে হয়। সেখানে মন্ত্রণালয়ের সব কাজ বাংলায় করতে নিদের্শ দিয়েছেন মন্ত্রী। বাংলায় কাজ করার বিষয়টি কি বাস্তব সম্মত?

এমন প্রশ্নের জবাবে মোস্তফা জব্বার বলেন, আন্তর্জাতিকভাবে যদি যোগাযোগ করতে হয় তাহলে জাপানের সাথে যদি যোগাযোগ করতে জাপানি ভাষায় যোগাযোগ কর ভালো হবে। আবার যদি মধ্যপ্রাচ্যের সাথে যোগাযোগ করতে তাহলে তাদের সাথে আরবি ভাষায় যোগাযোগ করলে ভালো হয়। অন্য দিকে ইংরেজিতে যদি যোগাযোগ করতে হয় সেখানে যে ইংরেজিতে যোগাযোগ করবো না সে কথা বলিনি। তবে যে লোকটি বাংলাদেশে থেকে ব্যবসা করবে অথচ বাংলায় চিঠি পাঠাবেন না, সেটা উচিত না। বাংলা শিখে বাংলাদেশে ব্যবসা করা উচিত বলে মনে করেন তিনি। আমি যখন জাপানে ব্যবসা করতে যাই, সেখানে জাপানি ভাষা শিখে ব্যবসা করতে হয়েছে।

এ প্রসঙ্গে মন্ত্রী আরো বলেন, একটি বিষয় ভুলে যাওয়া ঠিক না বাঙালী একমাত্র জাতি যে নিজের রক্ত দিয়ে ভাষা রক্ষা করেছে। অনেকেই যদি মনে করেন যে বাংলা ভাষা মন্ত্রণালয়ে প্রচলনের কথা বলাতে এটি ভুল কিছু করেছি, এটা ঠিক না। সংবিধানকে মাথার ওপরে রাখি এবং বাংলাদেশের সংবিধানকে নিয়ে গর্ববোধ করি।

বাংলাদেশ তথ্যপ্রযুক্তি খাতের ব্যবসার সাথে তিনি জড়িত ছিলেন। বর্তমানে সেই মন্ত্রণালয়েরই মন্ত্রীর দায়িত্ব পেয়েছেন। সেখানে সার্থের সংঘাত যাতে না হয় তা কিভাবে নিশ্চিত করবেন?

এই প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, শেখ হাসিনা সরকার পরিচালনা করেছেন ১৪ বছর। এই ১৪ বছরের মধ্যে বর্তমান সরকারের সাথে তার প্রতিষ্ঠান কোন ধরণের ব্যবসা করেনি। সে জায়গা থেকে তিনি বলেন, আমার জন্য সার্থের সংঘাতের কোনো ধরণের ইস্যু নেই। তিনি আরো বলেন, আমার কোম্পানি যদিও ব্যবসা করে এবং পণ্যের সাথে প্রতিযোগিতা করে যদি ব্যবসা পায় তাহলে সেখানে আপত্তি করার মতো কিছুই থাকবে না।

সাড়ে ১৬ হাজার টাকায় ল্যাপটপ

ডেস্ক ,১৬ ডিসেম্বর : রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে (বিআইসিসি) এক্সপোমেকারের আয়োজনে চলছে তিন দিনব্যাপী ল্যাপটপ মেলা। ‘শোক থেকে শক্তি, প্রযুক্তিতে মুক্তি’স্লোগানে বৃহস্পতিবার শুরু হওয়া এ মেলা শেষ হবে শনিবার।

মেলায় মাত্র ১৬ হাজার ৪৯৯ টাকায় ল্যাপটপ দিচ্ছে আই লাইফ ডিজিটাল নামে একটি প্রতিষ্ঠান। এ অফারে ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড় দেখা গেছে স্টলটিতে। ক্রেতারা সেখানে জানছেন ল্যাপটপটির কনফিগারেশন সম্পর্কে। পাশাপাশি জেনে নিচ্ছেন আর কী অফার আছে তাদের।

১৬ হাজার ৪৯৯ টাকায় ল্যাপটপ অফার সম্পর্কে কথা হয় স্টলটির দায়িত্বে থাকা বিজনেস ডেভলপমেন্ট অফিসার পারভেজ আহমেদের সঙ্গে।

তিনি বলেন, ক্রেতারা সবচেয়ে বেশি ভিড় করছেন এ অফারটি সম্পর্কে জানাতে। এটা জেড এয়ার ১৪ ইঞ্চি ল্যাপটপ। ইন্টেল কোয়ার্ড কোর প্রসেসর (ইউডিপিটও) ১.৮ গিগাহার্জ, ১৪ ইঞ্চি এলইডি ডিসপ্লে, র‌্যাম ২ জিবি (ডিডিআর৩), ৮ ঘণ্টা ব্যাটারি ব্যাকআপ। ওএস উইন্ডোজ ১০ জেনুইন। এছাড়া ১ বছরের ওয়ারেন্টিও আছে।

১৯তম বারের মতো এবারেরর ল্যাপটপ মেলায় একটি মেগা-প্যাভিলিয়ন, পাঁচটি প্যাভিলিয়ন, ১৪টি মিনি প্যাভিলিয়ন ও ২৭ স্টলে প্রযুক্তিপণ্য পণ্য প্রদর্শন ও বিক্রি হচ্ছে। দেশ-বিদেশের শীর্ষস্থানীয় প্রযুক্তিপণ্য নির্মাতা ও বিপণনকারী প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের সর্বশেষ প্রযুক্তির পণ্য প্রদর্শন ও বিক্রি করছে। মেলায় বিভিন্ন পণ্যে রয়েছে বিশেষ ছাড় ও নানা ধরনের অফার।

২ টাকায় খোলা যাবে ব্যাংক হিসাব

পোস্ট অফিসের মাধ্যমে দেশের মানুষকে ব্যাংকিং সুবিধার (আন ব্যাংকড) আওতায় আনতে ডাক টাকা চালু করেছে ডাক বিভাগ। সোমবার (১১ ডিসেম্বর) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর আইসিটি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সভাকক্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে এ ‘ডাক টাকায় উদ্বোধন করেন। ডাক ও টেলিযোগযোগ প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম এসময় উপস্থিত ছিলেন।

এসময় তিনি বলেন, ‘ডাক টাকা’ হচ্ছে একটি ডিডজটাল ওয়ালেট। ডিজিটাল পদ্ধতিতে আর্থিক লেনদেনের মাধ্যমে উক্ত ওয়ালেটটি ব্যবহার করা যাবে এবং এর মাধ্যমে মাচেন্ট ও খাত সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে ডিজিটাল ইকোসিমেস্টমের সাথে যুক্ত হওয়া যাবে। ‘ডাক টাকা’ এর মাধ্যমে কার্ড, অ্যাপ ও এমপিওএসসহ বিভিন্ন চ্যানেলে ব্যবহারের সুযোগ থাকবে (কেনাকাটা-লেনদেন)। নাগরিকদের সুবিধার কথা বিবেচনা করে এতে আর্থিক লেনদেনের ক্ষেত্রে নিয়ার ফিল্ড কমিউনিকেশন (এনএফসি) এবং কিউআর (কুইক রেসপন্স ) কোড সুবিধা রাখা হয়েছে।

জয় বলেন, ডাক বিভাগের টেকনিক্যাল পার্টনার অয়েনমেন্ট সুইচ প্রোভাইডার (আইটিসিএল) এবং এই সেবা প্রদানকারী সফটওয়্যার প্রতিষ্ঠান ডি-মানি এর মাধ্যমে খুব সহজেই ডাক টাকার অ্যাকাউন্ট খুলে পোষ্টাল ক্যাশ কার্ডের মাধ্যমে ক্যাশ-ইন ও ক্যাশ-আউট করা যাবে। নামমাত্র ব্যালেন্স জমা করার মাধ্যমে নাগরিকরা বিনামূল্যে ডাক টাকা অ্যাকাউন্ট খুলতে পারবে। দেশের পোষ্ট অফিসগুলো এভাবেই যাত্রা শুরু করেছে ‘ডিজিটাল ইকোনোমি’র দিকে ।

তিনি আরও বলেন, ডাক বিভাগের এ সেবা উদ্বোধন করতে পেরে আমি আনন্দিত। আমি আরও আনন্দিত যে, সর্বনিম্ন দুই টাকা রেখে এ অ্যাকউন্ট খোলা যাবে। এছাড়াও অ্যাকাউন্টে কমপক্ষে দুই টাকা ব্যালেন্স রাখতে হবে। বাংলাদেশ ব্যাংক এ প্রক্রিয়া শুরু করেছিল ৫ টাকা দিয়ে।

তিনি জানান, এছাড়াও বিপিও এর সকল ডিজিটাল সার্ভিস একীভ’ত করার মাধ্যমে বিপিও এর সেবা প্রদানের ধারা অব্যাহত রাখবে ডাক টাকা। আর ডাক টাকা ব্যবাহারকারীরা অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠান গুলোর সাথে লেনদেন করতে পারবেন। আজ ডাক টাকা প্লাটফর্ম এর উদ্বোধন করা হলো। তিন মাসের মধ্যে এর বাণিজ্যিক কার্যক্রম শুরু হবে। ২০১৮ সালের মধ্যে তিন কোটি আনব্যাংকট জনগোষ্ঠীকে এই ব্যাংকিং সেবার আওতায় আনাই ডাক টাকার লক্ষ্য।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন, ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিব শ্যাম সুন্দর সিকদারসহ বিভাগ ও এর অধীস্ত দপ্তর-সংস্থার প্রধানগণ।

একজন সর্বোচ্চ ১৫টি সিম কিনতে পারবেন: বিটিআরসি

এখন থেকে একটি জাতীয় পরিচয়পত্রের বিপরীতে সর্বোচ্চ ১৫টি সিম/রিম কিনতে পারবেন গ্রহকরা। বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) সিস্টেম অ্যান্ড সার্ভিস বিভাগের সিনিয়র সহকারী পরিচালক সনজিব কুমার সিংহ স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সরকারের পুনঃবিবেচনা অনুযায়ী এখন থেকে প্রতিটি জাতীয় পরিচয়পত্রের বিপরীতে সব অপারেটর মিলিয়ে সর্বোচ্চ ১৫টি প্রিপেইড সিম/রিম কিনতে পারবেন গ্রাহকরা। ২০১৬ সালের ৪ আগস্টের নির্দেশনা অনুযায়ী সর্বোচ্চ ২০টি এবং ২৪ অক্টোবরের নির্দেশনা অনুযায়ী সর্বোচ্চ ৫টি সিম কিনতে পারতেন গ্রাহকরা। কিন্তু সিদ্ধান্ত পুনঃবিবেচনা করে বর্তমানে এ সংখ্যা ১৫টি নির্ধারণ করেছে  সরকার।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, করপোরেট গ্রাহকের ক্ষেত্রে এ সীমা বাস্তবসম্মত নয় বলে কোনও প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে অনুমোদিত ব্যক্তি (পয়েন্ট অফ কন্টাক্ট) এই সীমার আওতামুক্ত থাকবেন।

এছাড়া যাদের ১৫টির বেশি সিম/রিম আছে তাদের আগামী ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে নিজ উদ্যোগে সংশ্লিষ্ট মোবাইল অপারেটরের কাস্টমার কেয়ারে উপস্থিত হয়ে অতিরিক্ত সিম/রিম নিষ্ক্রিয় করতে হবে। অন্যথায় সিম/রিম বন্ধ হয়ে যাওয়ার সম্ভাববনা আছে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে বিজ্ঞপ্তিতে।

একটি জাতীয় পরিচয়পত্র/পাসপোর্ট/ড্রাইভিং লাইসেন্স/জন্ম সদনের বিপরীতে কত সংখ্যক সিম/রিম আছে তা জানতে *১৬০০১# ডায়াল করে ফিরতি রিপ্লায়ে আইডি নম্বরের শেষ চারটি ডিজিট লিখে পাঠাতে হবে অথবা আইডি নম্বরের শেষ চারটি ডিজিট লিখে এসএমএস করতে হবে ১৬০০১ নম্বরে। উভয় ক্ষেত্রে ফিরতি এসএমএসে আইডির বিপরীতে সিম/রিমের সংখ্যা এবং নম্বরগুলো জানা যাবে।

মোবাইলে দ্রুত চার্জ দেবেন যেভাবে

তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক : নতুন মোবাইল ফোন কেনার পর চার্জিং নিয়ে সেভাবে সমস্যা হয় না। কিন্তু ফোন একটু পুরনো হতেই সমস্যা বাড়তে থাকে। ফোন ফুল চার্জ হতে অনেক সময় লেগে যায়। তবে কিছু নিয়ম মানলে ফোন দ্রুত চার্জ করা সম্ভব। যেমন, ফোন একটু পুরনো হলে নিয়মিত সেটিকে আপডেট করা। এর ফলে ফোন যেমন স্লো হবে না, তেমনি ফোনের ব্যাটারিও ভাল থাকবে। ব্র্যান্ডেড চার্জার ব্যবহার করা। কম্পিউটার বা ওয়্যারলেস চার্জিং করলেও চার্জ হতে সময় বেশি লাগে। ফলে প্লাগ পয়েন্ট থেকে ফোন চার্জ করাই শ্রেয়।

চার্জিংয়ের সময়ে যেসব নিয়ম মেনে চলবেন :
১. ফোন চার্জে বসানোর সময়ে ব্যাটারির সেভিং মোড অন করে দিতে পারেন।
২. ফোন চার্জ করার সময়ে ফ্লাইট মোড অ্যাক্টিভেট করে দিন। এর ফলে কলিং, ইন্টারনেট ও জিপিএস সবই বন্ধ থাকবে।
৩. যেখানে ফোন চার্জ করছেন সেই জায়গাটি খুব গরম বা ঠান্ডা হলে চার্জিংয়ে বেশি সময় লাগে। অতিরিক্ত গরমে ফোন চার্জ করলে ফোনের তাপমাত্রাও বেড়ে যায়। ফলে অত্যন্ত ধীর গতিতে ফোন চার্জ হয়।
৪. ফোন যদি অফ করে চার্জ দেন, তা হলেও সেটি দ্রুত চার্জ হবে।

গুগল কন্টাক্টস থেকে ডিলিট করা নম্বর পুনরুদ্ধারের উপায়

বিজ্ঞান-প্রযুক্তি ডেস্ক :

ফোন হারিয়ে গেলে কিংবা রিসেট দেওয়ার প্রয়োজন পড়লে ফোনবুক অর্থাৎ কন্টাক্টসে থাকা ফোন নম্বরগুলো আগেভাগে ব্যাকআপ রাখার সুবিধা দেয় গুগল কন্টাক্টস।

বর্তমানে বিশ্বের প্রায় ৯০ শতাংশ স্মার্টফোন অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেম চালিত এবং ইমেইলের ক্ষেত্রে রাজত্ব করছে গুগলের জিমেইল। ফলে ফোনের জরুরি কন্টাক্ট নম্বরগুলো ব্যাকআপ রাখার জন্য গুগল কন্টাক্টস সকলের ভরসা।

কিন্তু সমস্যা হচ্ছে, ফোনের কন্টাক্ট নম্বরগুলো যেখানে আমরা ব্যাকআপ রাখি সেই গুগল কন্টাক্টস থেকেই যদি ভুলবশত কোনো কন্টাক্ট নম্বর আমরা ডিলিট করে ফেলি, তাহলে তা ফেরত পাবার কোনো উপায় রয়েছে কি?

চমকপ্রদ উত্তর হচ্ছে, গুগল কন্টাক্টস থেকে ডিলিট করা কোনো কন্টাক্ট নম্বর খুব সহজেই আপনি পুনরুদ্ধার করতে পারবেন। এজন্য যা করতে হবে তা হচ্ছে, গুগল কন্টাক্টস পেজে গিয়ে বাঁ পাশের মেন্যু থেকে More অপশনটিতে ক্লিক করুন। এবার Undo changes অপশনটি থেকে সময়সীমা নির্বাচন করুন- কতক্ষণ বা কতদিন আগে কন্টাক্ট নম্বর ডিলিট করে ফেলেছিলেন। এরপর Restore অপশনে ক্লিক করলেই আপনার ডিলিট করে ফেলা কন্টাক্ট নম্বর এবং এডিট করা কন্টাক্ট নম্বরগুলো পেয়ে যাবেন। তবে এ কৌশলে কেবল ৩০ দিনের মধ্যে ডিলিট করা বা এডিট করা কন্টাক্ট নম্বরগুলো ফেরত পাওয়া যাবে।

সারা রাত ফোন চার্জ দিলে যে ক্ষতি হয়

ডেস্ক: সময়ের অভাবে অনেকে রাতে ফোনটি চার্জে রেখেই ঘুমিয়ে পড়েন। সকালে ঘুম থেকে উঠে চার্জিং পয়েন্ট থেকে মোবাইলটি আলাদা করেন। এভাবে ফোনে সারা রাত চার্জ দেয়ার কারণে অনেকগুলো ক্ষতি ডেকে আনছেন।

সারা রাত মোবাইলে চার্জ দিয়ে, ফোনের ক্ষমতাকে নিজের অজান্তেই একটু একটু করে নষ্ট করছেন আপনি। প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞদের মতে , যারা নিজের স্মার্টফোন রাতে চার্জে দিয়ে ঘুমিয়ে পড়েন, তারা গড়ে বছরে তিন থেকে চার মাস মোবাইল চার্জে ব্যয় করেন। এতে একদিকে যেমন ইলেকট্রিক বিল বাড়ছে, অন্যদিকে মেয়াদ কমছে ফোনেরও।

তথ্যপ্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা আরো বলেন, মোবাইল ফোনের চার্জ ৩৫ থেকে ৪০ শতাংশে নেমে গেলেই চার্জ দিতে হবে। এর থেকে বেশি চার্জ থাকলে মোবাইলে চার্জ দেয়ার প্রয়োজন নেই।

মোবাইলের আয়ু বাড়াতে মোবাইল ফোনকে ঠান্ডা পরিবেশে রাখতে হবে। উচ্চ তাপমাত্রা থেকে যতটা সম্ভব স্মার্টফোনকে দূরে সরিয়ে রাখা যায়, ততটাই মঙ্গল।

তাই কখনই দরকারের চেয়ে বেশি সময় ধরে ফোন চার্জে বসিয়ে রাখা উচিত নয়। তাই যাদের মধ্যে সারা রাত মোবাইল চার্জে বসিয়ে রাখার প্রবণতা রয়েছে, তারা এখনই বদলে ফেলুন এই অভ্যাস।

প্রতিদিন ১০ লাখ অ্যাকাউন্ট মুছে ফেলছে ফেসবুক

ডেস্ক,২৮ আগষ্ট; শীর্ষ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক তার ব্যবহারকারীদের সুরক্ষা দিতে চলতি বছরের এপ্রিল থেকে ফেক আইডি বন্ধে অভিযান শুরু করে। অনেক ফেক আইডি বন্ধও করে ফেসবুক। কিন্তু এরপরও ভুয়া অ্যাকাউন্ট বন্ধ না হওয়ায় এবার সরাসরি ফেক অ্যাকউন্ট মুছে ফেলছে ফেসবুক। প্রতিদিন প্রায় ১০ লাখ অ্যাকাউন্ট বন্ধ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ।

ফেসবুকের প্র্রধান নিরাপত্তা কর্মকর্তা আলেক্স স্ট্যামোস এক ফেসবুক পোস্টে জানিয়েছেন, যেসব অ্যাকাউন্ট মুছে ফেলা হচ্ছে সেগুলো মূলত স্প্যাম আইডি। এসব আইডি থেকে অপপ্রচার চালানো হয়। ব্যবহারকারীর আচরণ বিশ্লেষণ করে অ্যাকাউন্ট সন্দেহজনক মনে হলে সেটি ডিলিট করা হচ্ছে।

 কিছুদিন আগেই ফেসবুকের প্রধান নির্বাহী মার্ক জুকারবার্গ জানিয়েছিলেন, ফেসবুকে আপত্তিজনক বিষয় পোস্ট করা হচ্ছে কি না তা খতিয়ে দেখার জন্য অতিরিক্ত ৩ হাজার লোক নিয়োগ করা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, সাম্প্রতিককালে ফেসবুকের মতো জনপ্রিয় সোশ্যাল মিডিয়াকে হাতিয়ার করেই বিশ্বের বিভিন্ন দেশে হিংসা এবং উস্কানিমূলক বক্তব্য ছড়িয়ে দেয়া হচ্ছে। তাই পোস্টের বিষয়বস্তু সম্পর্কে ফেসবুককে আরও দায়িত্বশীল হতে বলেছিল বিভিন্ন সংস্থা। এর ফলে ফেসবুক এই উদ্যোগ নিয়েছে।

সিটিসেলের তরঙ্গ খুলে দিল বিটিআরসি

ডেস্ক: আদালতের নির্দেশে মোবাইল ফোন অপারেটর সিটিসেলের তরঙ্গ খুলে দিয়েছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)।

আজ  বুধবার সংবাদমাধ্যমকে এ তথ্য জানিয়েছেন বিটিআরসির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

এর আগে দেনার দায়ে বন্ধ হওয়া সিটিসেলের তরঙ্গ ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ফেরত দিতে বিটিআরসিকে নির্দেশ দেন আপিল বিভাগ। একই সঙ্গে দেশের প্রথম এই মোবাইল ফোন অপারেটরের লাইসেন্স পুনর্বহালের আদেশ দিয়েছেন সর্বোচ্চ আদালত।

সিটিসেলের এক আবেদনের শুনানি করে প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার নেতৃত্বে তিন বিচারপতির আপিল বেঞ্চ আজ মঙ্গলবার এই আদেশ দেন।

বিটিআরসির চেয়ারম্যান শাহজাহান মাহমুদ সিটিসেলের লাইসেন্স বাতিলের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করার কথা জানানোর পরদিন আদালতের এই নির্দেশনা এলো।

বিটিআরসির পাওনা পৌনে ৫০০ কোটি টাকা না দেওয়ায় গত বছর ২১ অক্টোবর সিটিসেলের তরঙ্গ বন্ধ করে দেওয়া হয়। আংশিক দেনা পরিশোধের পর আদালতের নির্দেশে ১৭ দিন পর সিটিসেলের সংযোগ ফিরিয়ে দেওয়া হলেও এ বছর ১১ জুন আবার তা বন্ধ করে দেওয়া হয়।

ফেসবুক থেকে ডিলিট হওয়া যেকোনো কিছু ফিরিয়ে আনতে যা করবেন

যেভাবে ফিরিয়ে আনবেন ?

ধাপ ০১

প্রথমেই আপনাকে যেতে হবে ফেসবুকের Settings থেকে General অপশনে। ক্লিক করুন
ধাপ ০২
General Settings ওপেন হওয়ার পর নিচের দিকে দেখতে পারবেন Download a copy of your Facebook data এটিতে ক্লিক করুন।
ধাপ ০৩
Download Your Information নামে একটা পেজ আসবে। সেখানে আপনি দেখতে পাবেন Start My Archive। ক্লিক করেলে ফেসবুক সিকুরিটির জন্য আপনার কাছে আইডি ও পাসওয়ার্ড জানতে চাইবে। সঠিক ভাবে আইডি পাসওয়ার্ড দিন।
ধাপ০৪
আ ই ডি পাসওয়ার্ড দেওয়ার পর Submit এ ক্লিক করুন। পরবর্তিতে একটি Download Link দেখতে পারবেন। কিছু সময় পরে (অনেক সময় ২৪ ঘন্টা সময় লাগতে পারে ) আপনার সকল ডাটা আপনার ইমেইলে পাঠিয়ে দেওয়া হবে যে ইমেইলটি আপনি ফেসবুক একটাউন্ট করতে ব্যবহার করেছিলেন।
ধাপ ০৫
আপনার Email চেক করুন। দেখবেন ফেসবুক থেকেএকটি ইমেইল আসবে সেখানে ডউনলোড লিংক দেওয়া থাকবে। লিংকে ক্লিক করে Download Archive থেকে আপনি ডউনলোড করে নিতে পারবেন । এখানে ডাউনলোড করার সময় পাসওযার্ড চাইবে।
ধাপ ০৬
ফাইলটি ডাউনলোড করার পরে একটা Zip ফইল পাবেন, ফাইলটি মাইসের রাইট বাটন ক্লিক করে Extrace All করুন। আনজিপ করার পর আপনার মেসেজ, ভিডিও, ছবি, পক , ফ্রেন্ডলিষ্ট ইত্যাদি দেখতে পারবেন। ফাইল গুলো অবশ্য .html ফরমেটে দেওয়া থাকবে। যে কোন একটি ফাইলের উপর ডাবল ক্লিক করে আপনার পছন্দের ব্রাউজার সিলেক্ট করে ওপেন করুন।

আবারোও ইন্টারনেটের দাম কমছে

স্টাফ রিপোর্টার: ২৭ এপ্রিল : আবারোও ইন্টারনেটের  দাম কমানো হচ্ছে বলে জানিয়েছেন টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম। তবে এর ফল পাওয়া যাবে আগামী ছয় মাসের মধ্যে। গতকাল বুধবার দুপুরে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা জানান। এর আগে টেলিযোগাযোগ বিভাগের সম্মেলন কক্ষে মোবাইল অপারেটরদের সাথে বৈঠক করেন তারানা হালিম। বৈঠকের পর তিনি বলেন, আমি ভ্যাট ট্যাক্স ও রাজস্ব ভাগাভাগি করে, ছাড় দিয়ে হলেও দাম কমাবো। দু-একদিনের মধ্যে এ বিষয়টি নিয়ে অর্থমন্ত্রীকে চিঠি দেবো। যেভাবেই হোক দাম কমাবো।

এদিকে ইন্টারনেটের মূল্য বিভ্রান্তি দূর করতে পাইকারি থেকে গ্রাহক পর্যায়ে মূল্য নির্ধারণের বিষয়ে অপারেটদের ব্যাখ্যা দিতে বলেছে টেলিযোগাযোগ বিভাগ। ইন্টারনেট ব্যান্ডউডথের পাইকারি দামের চেয়ে অপারেটররা ভোক্তা পর্যায়ে অনেকগুণ বেশি নিয়ে গ্রাহকের পকেট থেকে টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে বলে কয়েকটি দৈনিকে রিপোর্ট হয়েছে। এর বাইরেও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে গ্রাহকরা দীর্ঘদিন ধরে অভিযোগ জানিয়ে আসছেন। এই প্রেক্ষাপটে গতকাল সচিবালয়ে টেলিযোগাযোগ বিভাগের আমন্ত্রণে অপারেটরদের সাথে ইন্টারনেটের মূল্য পুনর্নির্ধারণ সংক্রান্ত সভা থেকে অপারেটরগুলোকে গ্রাহকদের কাছে এর ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়। ইন্টারনেটের মূল্য কীভাবে নির্ধারণ হচ্ছে বা দামের বিষয়ে কোনো ফাঁকি রয়েছে কি-না, সে বিষয়ে প্রকৃত তথ্য অপারেটরদেরকে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি দিয়ে গ্রাহকদের জানাতে বলা হয়।

সভায় নেশনওয়াইড টেলিকমিউনিকেশন ট্রান্সমিসন নেটওয়ার্ক (এনটিটিএন), ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার (আইএসপি) ও মোবাইল অপারেটররাসহ সাবমেরিন কেবল কোম্পানির প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। চলতি বছর ফেব্রুয়ারির শেষ নাগাদ বিটিআরসির হিসেবে বর্তমানে দেশে ইন্টারনেট গ্রাহকের সংখ্যা ছয় কোটি ৭২ লাখ ৪৫ হাজার। এর মধ্যে ছয় কোটি ৩১ লাখ ২০ হাজার গ্রাহক মোবাইল ইন্টারনেট ব্যবহার করছে।

Responsive WordPress Theme Freetheme wordpress magazine responsive freetheme wordpress news responsive freeWORDPRESS PLUGIN PREMIUM FREEDownload theme free

hit counter