নিউজ

মাধ্যমিক বিদ্যালয়কে প্রাথমিক শিক্ষার অধিভুক্ত করার দাবি

নিজস্ব প্রতিবেদক: অগ্রাধিকার ভিত্তিতে নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোকে প্রাথমিক শিক্ষার অধিভুক্ত করার দাবি জানিয়েছে নন-এমপিও নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয় শিক্ষক-কর্মচারী সমিতি। এই দাবিতে আগামী ২৩ অক্টোবর প্রধানমন্ত্রীর কাছে স্মারক লিপি দেবেও বলে জানিয়েছে শিক্ষক-কর্মচারীদের এই সংগঠনটি।

রোববার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে (ডিআরইউ) আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা জানানো হয়।

এসময় বক্তারা বলেন, সরকার প্রাথমিক শিক্ষাকে ৫ম শ্রেণি থেকে ৮ম শ্রেণিতে উন্নীতকরণের নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আর এই প্রক্রিয়ায় নন-এমপিও নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলো প্রাথমিক শিক্ষার অধিভুক্ত করা হোক।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন আয়োজক সংগঠনের আহ্বায়ক শরীফুজ্জামান আগা খান। এসময় আরোও উপস্থিত ছিলেন আয়োজক সংগঠনের মহা সচিব মনসুর আলী, যুগ্ম আহ্বায়ক মো. শফিকুল ইসলাম, সদস্য শাহীনুর রহমান প্রমুখ।

উল্লেখ্য, চলতি বছরের মে মাসে প্রাথমিক শিক্ষা অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত করার সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এই স্তরের শিক্ষার কার্যক্রম দেখভালের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়কে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

পূজার ছুটি থেকে বঞ্চিত মনিপুর স্কুলের শিক্ষার্থীরা

নিজস্ব প্রতিবেদক: দুর্গা পূজা উপলক্ষে বৃহস্পতিবার থেকে সারা দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। কিন্তু রাজধানীর মিরপুরের মনিপুর উচ্চ বিদ্যালয় অ্যান্ড কলেজের শিক্ষার্থীদেরকে ছুটি দেওয়া হয়নি। হিন্দু ধর্মাবলম্বী শিক্ষার্থীদেরকে ধর্মীয় এ অনুষ্ঠান পালনে বঞ্চিত করেছে স্কুল কর্তৃপক্ষ।

স্কুলটির কয়েকজন অভিভাবক  কাছে অভিযোগ করে বলেন,পূজা উপলক্ষে সারা দেশের স্কুল-কলেজ বন্ধ। অথচ মনিপুর স্কুলের কর্তৃপক্ষ জোর করে স্কুল খোলা রেখেছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গুলোর ছুটির তালিকা থেকে জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার (৬ অক্টোবর) থেকে আগামী ১৫ অক্টোবর পর্যন্ত দেশের সব স্কুল-কলেজ পূজা উপলক্ষে ছুটি দেওয়া হয়েছে।

নাম না প্রকাশ করার শর্তে হিন্দু ধর্মাবলম্বী এক ছাত্রীর অভিভাবক অভিযোগ করে বলেন, দুর্গা পূজা আমাদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় অনুষ্ঠান। সরকার পূজা উপলক্ষে আগে থেকেই ৯দিনের ছুটির তালিকা দিয়ে রেখেছে। কিন্তু এই স্কুল কর্তৃপক্ষ সেই ছুটি না দিয়ে শিক্ষার্থীদেরকে ক্লাসে আটকে রেখেছে। ক্লাস করতে বাধ্য করছে। এতে আমাদের সন্তানরা মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছে ।

তিনি আরও বলেন, সবাই যখন মণ্ডপে পূজা দিতে যাচ্ছেন, আমাদের সন্তানরা তখন ক্লাসে যাচ্ছে। স্কুল থেকে বলা হয়েছে, কেবল দশমীর দিন ছুটি দেওয়া হবে। স্কুল কর্তৃপক্ষ রীতিমত এটা শিক্ষার্থীদের ওপর জুলুম করছে।

আরেক অভিভাবক বলেন, স্কুলটিতে প্রতিনিয়ত অনিয়ম করে যাচ্ছেন শিক্ষকরা। আমরা অনেক কিছুই জানি, কিন্তু সন্তানের ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে কিছু বলতেও পারিনা।

তিনি বলেন, স্কুল কর্তৃপক্ষ এখন শিক্ষার্থীদের প্রাপ্য ছুটি দিচ্ছে না। অথচ যেদিন বন্ধ থাকার কথা নয়, সেদিনও স্কুল বন্ধ থাকে এবং ক্লাস হয় না।

এতথ্য জানিয়ে তিনি বলেন, এর আগে প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিন উপলক্ষে গত ২৮ সেপ্টেম্বর স্কুলের প্রধান ক্যাম্পাসে একটি অনুষ্ঠান হওয়ার কথা ছিল। সে অনুযায়ী স্কুলের প্রিন্সিপাল একটি নোটিশও করেন শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের। তাতে বলা হয়,সেখানে সবাই আমন্ত্রিত। যেহেতু প্রধানমন্ত্রী  তার জন্মদিন উপলক্ষে সব অনুষ্ঠান নিজেই বাতিল করেছিলেন, তাই স্কুল কর্তৃপক্ষও ওই অনুষ্ঠানটি বাতিল করে। কিন্তু ওইদিন স্কুলটি বন্ধ ছিল, কোনও ক্লাস হয়নি।

এই অভিভাবক বলেন, পরের দিন ২৯ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিন উপলক্ষে অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। ফলে ওইদিনও স্কুলে কোনও ক্লাস হয়নি।

পূজার ছুটি কেন দেওয়া হয়নি জানতে মনিপুর উচ্চ বিদ্যালয় অ্যাণ্ড কলেজের অধ্যক্ষ ফরহাদ হোসেইনকে ফোন করা হলে, সাংবাদিক পরিচয় পেয়ে সঙ্গে সঙ্গে তিনি বলেন, ‘যা যানতে চান আমাকে মেইল করেন। আমি পরে উত্তর দেবো।’ এই বলে ফোন রেখে দেন। এরপর তার মোবাইলে এসএমএস করে প্রশ্ন  পাঠালেও তিনি তার উত্তর দেননি।

ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান বলেন, ‘এটা তো শিক্ষার্থীদের প্রাপ্য ছুটি। এটা কেন দেবে না। ছুটি যদি না দিয়ে থাকে, তাহলে স্কুল কর্তৃপক্ষ নিয়ম লঙ্ঘন করেছে।’

তিনি আরও বলেন,‘এই স্কুলের কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে আমাদের কাছে আরও অভিযোগ আছে। এরা কোনও নিয়মই মানে না।’

মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক  শিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালক এস এম ওহিদুজ্জামান  বলেন, ‘নিয়ম অনুযায়ী পূজা উপলক্ষে ছুটি রয়েছে। তারা কেন ছুটি দেয়নি, তা জানতে চাওয়া হবে। তারা কি উত্তর দেয়, সেটা আমি দেখবো। ছুটি না দেওয়ার পেছনে গ্রহণযোগ্য কোনও যুক্তি আছে কিনা সেটা যাচাই করবো।’

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

নিয়োগ পরীক্ষায় আটক ১৭ জন

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের ‘উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা’ নিয়োগ পরীক্ষায় ইলেক্ট্রনিক্স ডিভাইস ব্যবহার ও প্রক্সি দেয়ার অপরাধে ১৭ জনকে আটক করা হয়েছে। এদের মধ্যে ৫ জন ভুয়া পরীক্ষার্থীকে সাজা প্রদান করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। আর পরীক্ষায় ইলেক্ট্রনিক্স ডিভাইস ব্যবহারের অপরাধে ১২ জনকে গ্রেফতার করে র্যাবের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গতকাল শুক্রবার সকাল ১০টায় ‘উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা’ নিয়োগ পরীক্ষা শুরু হয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসা প্রশাসন ইন্সটিটিউটের (আইবিএ) অধীনে ১৩টি কেন্দ্রে এ নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।

নিয়োগ পরীক্ষায় ৫ জন পরীক্ষার্থী অপকৌশলের মাধ্যমে মূল পরীক্ষার্থীর পরিবর্তে প্রক্সি হিসেবে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন। এ ভুয়া ৫ পরীক্ষার্থীকে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন।

এছাড়াও ১১ জন পরীক্ষার্থীকে পরীক্ষা চলাকালীন সময়ে ইলেক্ট্রনিক্স ডিভাইস ব্যবহারের কারণে পরীক্ষা কেন্দ্র থেকে আটক করা হয়। ইলেক্ট্রনিক্স ডিভাইস ব্যবহারে সহযোগিতার অপরাধে আরও ১ জনকে উদয়ন উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের কেন্দ্রের বাহির থেকে আটক করা হয়। তাদেরকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য র্যাবের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের ‘উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা’ নিয়োগ পরীক্ষায় ২৫ হাজার ২৪৩ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ২০ হাজার ৯৩৫ জন অংশগ্রহণ করেন। যথাযথ নিরাপত্তার মাধ্যমে পরীক্ষা সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে সম্পন্ন হয়েছে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

গাইড-কোচিং বন্ধে নতুন আইন: শিক্ষামন্ত্রী

শিক্ষকদের কোচিং বাণিজ্য আর ব্যবসায়ীদের গাইড ব্যবসার কারণে শিক্ষার্থীরা শ্রেণিকক্ষ বিমুখ হয়ে যাচ্ছে। ফলে শিক্ষার মান যেমন কাঙ্খিত হারে বাড়ছে না, তেমনি অনেক শিক্ষার্থী বিপথগামী হচ্ছে। এই সমস্যা সমাধানে নতুন আইন করা হবে।
---

আজ বৃহস্পতিবার যশোর শিক্ষা বোর্ড মডেল স্কুল এন্ড কলেজে খুলনা বিভাগের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধানদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে শিক্ষামন্ত্রী এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, যারা গাইড-নোট বইয়ের ব্যবসার সঙ্গে জড়িত থাকবে তাদের ঠিকানা হবে জেলখানা। কোচিং বাণিজ্যের সঙ্গে জড়িত শিক্ষকদের বিরুদ্ধেও কঠোর ব্যবস্থার বিধান রেখে এই আইন করা হবে। আগামী সপ্তাহে আইনটি সংসদে উঠবে।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন বর্তমানে আমাদের সামনে প্রধান সমস্যা হিসেবে দেখা দিয়েছে জঙ্গিবাদ। এই জঙ্গিবাদকে রুখতে দেশের শিক্ষক সমাজকে সবচেয়ে বেশি ভূমিকা রাখতে হবে। কারণ যারা জঙ্গিবাদের সঙ্গে জড়িয়ে পড়ছে তারা বেশিরভাগ ছাত্র। কোন কোন শিক্ষকও এই ভয়ঙ্কর পথে যোগ দিয়েছে। এখান থেকে আমাদের বেরিয়ে আসতে সচেতনতা বাড়াতে হবে। শিক্ষার্থীদের ভাল পথের দিকনির্দেশনা দিতে হবে।

নুরুল ইসলাম নাহিদ আরো বলেন, আমাদের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের খেলাধুলায় অংশ নেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে। শিক্ষার্থীরা সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় অংশ নেবে। বিএনসিসি, গার্লসগাইড, স্কাউট এর সদস্য হতে শিক্ষার্থীদের উদ্বুদ্ধ করতে হবে।

আমাদের মনে রাখতে হবে যে শিক্ষার্থীরা বিএনসিসির সদস্য হয়ে কাজ করে তারা কখনো ক্রাইমে জড়িয়ে পড়ে না। আমাদের শুধু শিক্ষার্থীদের ভাল ফলাফল করালে হবে না। ভাল মানুষ হওয়ার শিক্ষা দিতে হবে।

যশোর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর আব্দুল মজিদের সভাপতিত্বে এ সময় আরো বক্তব্য রাখেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত সচিব কেএস মাহমুদ, খুলনা বিভাগীয় কমিশনার আব্দুস সামাদ, যশোরের জেলা প্রশাসক ড. হুমায়ুন কবীর প্রমুখ।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

জুন পর্যন্ত টাইম স্কেল বিবেচনার নির্দেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক : সরকারি চাকরিজীবীদের গত ৩০ জুন পর্যন্ত টাইম স্কেল সুবিধা বিবেচনার নির্দেশ দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। মন্ত্রণালয়ে এ সংক্রান্ত বেশ কিছু আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে তিনি এ নির্দেশ দিয়েছেন। অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

সূত্রে জানা গেছে, বঞ্চিত কয়েকজন চাকরিজীবীরা অর্থমন্ত্রীর কাছে লিখিত আবেদন করেছেন। এছাড়া মন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেও অনেকে তাদের বঞ্চনার কথা জানিয়েছেন। পরে মন্ত্রী এ বিষয়ে বিবেচনার নির্দেশ দেন। এ সংক্রান্ত এক নোটে অর্থমন্ত্রী লিখেছেন, ‘বিষয়টি জরুরি ভিত্তিতে মীমাংসা করুন।’

এর আগে অষ্টম জাতীয় বেতন স্কেলের আওতায় চাকরিজীবীদের গত ১৪ ডিসেম্বরের পর টাইম স্কেল সুবিধা বাতিল করা হয়। এতে অনেক কর্মকর্তা ও কর্মচারী বঞ্চিত হয়েছেন।

অর্থমন্ত্রীর কাছে আবেদনপত্রে এক কর্মচারী লিখেছেন, ২০১৫ সালের ১৫ ডিসেম্বরে জাতীয় বেতন স্কেলের গ্যাজেট প্রকাশ করা হয়। এর আগের দিন পর্যন্ত টাইম স্কেল ও ইনক্রিমেন্ট সুবিধা দেয়া হয়। আর পরের দিন থেকে পাওনা থাকলেও অনেক কর্মকর্তা ও কর্মচারী বঞ্চিত হয়েছেন। ২০১৫ সালের ১ জুন থেকে ২০১৬ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত কোনো ধরনের গ্যাজেট ছাড়াই ইনক্রিমেন্ট প্রদান করা হয়েছে। আবেদনে এ সময়কালে সবাইকে টাইম স্কেল প্রদান করার জন্য অনুরোধ করা হলো।

জানা গেছে, জাতীয় বেতন স্কেল ২০১৫ ঘোষণার সঙ্গে বাতিল করা হয় টাইম স্কেল, সিলেকশন গ্রেড ও ইনক্রিমেন্ট (বেতন বর্ধিত) সুবিধা। তবে ২০১৫ সালের ১৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত তিনটি সুবিধা বহাল রাখা হয়। কিন্তু বছরের মাঝামাঝি ১৫ ডিসেম্বর থেকে এ সুবিধা পুরোপুরি বন্ধ ঘোষণার কারণে কাছাকাছি সময়ে এসে অনেকেই বঞ্চিত হয়েছেন। ফলে একই পদের একজন এ সুবিধা পেলেও পাশের টেবিলে আরেকজন বঞ্চিত হয়েছেন।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

কল্যাণ ট্রাস্টের অর্থ যথাসময়ে চান শিক্ষকরা

trustনিজস্ব প্রতিবেদক: শিক্ষকদের জন্য গঠিত কল্যাণ ট্রাস্টের টাকা যথাসময়ে পরিশোধের দাবি জানিয়েছেন বাংলাদেশ কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি (বাকবিশিক)। একই সঙ্গে কলেজ শিক্ষকদের অধ্যাপক পদমর্যাদায় পদোন্নতি দেওয়ারও দাবি জানান তারা।

বুধবার রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাগর-রুনি মিলনায়তনে ‘বিশ্ব শিক্ষক দিবস’ উপলক্ষে ‘শিক্ষক মূল্যায়ন ও মর্যাদার উন্নয়ন’ শীর্ষক আলোচনা সভায় বক্তারা এসব দাবি জানান।

আলোচনায় সভায় সংগঠনের নির্বাহী সভাপতি অধ্যক্ষ মো. আবদুল রশীদের সভাপতিত্বে আরোও বক্তব্য দেন, বাংলাদেশ কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সভাপতি প্রফেসর ড. মো. আখতারুজ্জামান ও সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক সিরাজুল হক আলো, মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি মো. আবুল বাশার হাওলাদার, বাংলাদেশ শিক্ষক সসিতির জুলফিকার আলম চৌধুরী, বাকবিশিসের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক প্রফেসর শামসুল আরেফিন চৌধুরীসহ বিভিন্ন শিক্ষক সমিতির নেতারা।

এ সময় বক্তারা বলেন, চাকরিকালীন শিক্ষকদের কল্যাণ ট্রাস্টের আর্থিক সুবিধা দিতে মূল বেতনের ২ শতাংশ টাকা কেটে রাখা হয়। কিন্তু এ অর্থ শিক্ষকদের সময়মত দেওয়া হচ্ছে না। কল্যাণ তহবিলের টাকা পেতে বছরের পর বছর ঘুরছেন শিক্ষকরা। অনেকে পৃথিবী ছেড়ে চলেও যাচ্ছেন। কিন্তু তারপরও পাচ্ছেন না কল্যাণ ট্রাস্টের অর্থ। তাই জাতি গঠনের এই কারিগরদের নির্ধারিত সময়ে কল্যাণ তহবিলের টাকা পরিশোধের দাবি জানান তারা।

বক্তারা আরো বলেন, বর্তমানে কলেজগুলোতে শিক্ষকদের সর্বোচ্চ সহকারী অধ্যাপক পদপর্যাদা দেওয়া হয়। এতে যোগ্যতা থাকা সত্তেও অধ্যাপক মর্যাদা পাচ্ছেন না তারা। বিষয়টি নিয়ে এর আগে কয়েক দফা উদ্যোগ নিলেও কোনো সূরাহা করেনি সরকার। যত শিগগিরই সম্ভব বিষয়টি সমাধান করে শিক্ষকদের প্রাপ্য মর্যাদা দেওয়ার দাবি জানান তারা।

উল্লেখ, আজ ৫ অক্টোবর ‘বিশ্ব শিক্ষক দিবস’। এবারের প্রতিপাদ্য হচ্ছে, ‘শিক্ষকের মূল্যায়ন, মর্যাদার উন্নয়’। শিক্ষকরা যাতে ভবিষ্যত প্রজন্মের চাহিদা পূরণ করতে পারে তা নিশ্চিত করতেই দিবসটি পালন করা হয়। শিক্ষকদের অবদানকে স্মরণ করার জন্য জাতিসংঘের অঙ্গসংস্থা ইউনেস্কোর সদস্যভুক্ত প্রতিটি দেশে ১৯৯৫ সাল থেকে প্রতি বছর এ দিনে দিবসটি উদযাপন করা হচ্ছে।

দিবসটি পালনের উদ্দেশ্য- জাতীয় ও আঞ্চলিক পর্যায়ে শিক্ষা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের শিক্ষকদের মর্যাদা ও মানসম্মত শিক্ষা বাস্তবায়নে শিক্ষকের গুরুত্ব সম্পর্কে অবহিত করা, মানসসম্মত শিক্ষা তথা সকল শিশুর জন্য প্রাথমিক শিক্ষা নিশ্চিতকরণে শিক্ষকদের দায়িত্ব ও কর্তব্য সম্পর্কে আলোকপাত করা এবং প্রবীণ শিক্ষকদের অভিজ্ঞতাকে জানা ও কাজে লাগানো।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

সিলেট সরকারি মহিলা কলেজের ছাত্রী খাদিজা আক্তার নার্গিসকে কুপিয়ে আহত

সিলেট: সিলেট সরকারি মহিলা কলেজের ছাত্রী খাদিজা আক্তার নার্গিসকে কোপানোর আগে নিজের ব্যক্তিগত ফেসবুক একাউন্টে একটি স্ট্যাটাস দেয় শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগের সহ-সম্পাদক বদরুল আলম।

syl_std-550x307
সোমবার বেলা ৩ টা ২১ মিনিটে ওই স্ট্যাটাসে তিনি লিখেন, ‘নিষ্ঠুর পৃথিবীর মানুষগুলোর কাছে আমি সবিনয়ে ক্ষমা প্রার্থী।’
এই স্ট্যাটাস দেওয়ার ঘণ্টা দেড়েক পরই এমসি কলেজ ক্যাম্পাসের পুকুর পাড়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর আহত করে খাদিজা আক্তার নার্গিসকে। ওই সময়ে অনার্স দ্বিতীয় বর্ষের পরীক্ষা দিয়ে বের হয় খাদিজা। পরে আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও মঙ্গলবার ভোরে তাকে ঢাকায় এনে স্কয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
এরআগে সোমবার রাত সাড়ে ১২টা দিকে অ্যাম্বুলেন্সে করে তাকে নিয়ে ঢাকায় রওয়ানা হন পরিবারের সদস্যরা।
আহত খাদিজা আক্তার নার্গিসের ভাই নুর আহমদ জানান, তার বোন সিলেট সরকারি মহিলা কলেজের স্নাতক দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী। সোমবার দুপুরে পরীক্ষা দিতে সে এমসি কলেজে যায়। পরীক্ষা শেষে বের হলে বিকেলে সন্ত্রাসী বদরুল তার বোনকে কুপিয়ে গুরুতর আহত করে। ধারালো অস্ত্র দিয়ে মাথায় আঘাত করার কারণে তার মগজ বের হয়ে গেছে। এছাড়া হাতে কোপানোর কারণে রগও কেটে গেছে বলে ডাক্তাররা জানিয়েছেন। ডাক্তারদের পরামর্শে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকায় নিয়ে আসা হয়েছে।
এদিকে হামলা করে পালিয়ে যাওয়ার সময় বদরুল আলমকে আটক করে গণধোলাই দেয় শিক্ষার্থীরা।
হামলাকারী বদরুল ইসলাম সুনামগঞ্জ জেলার ছাতক উপজেলার চেচানবাজারের সোনাইগাতি গ্রামের সাইদুর রহমানের ছেলে। ছাতকের নূতন বাজার বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয় ও গোবিন্দগঞ্জ আবদুল হক স্মৃতি ডিগ্রী কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পাশ করে সে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে অর্থনীতি বিভাগে ভর্তি হয়। ২০০৮-২০০৯ শিক্ষাবর্ষের ছাত্র হিসেবে অনার্স শেষ করে। সে শাবি ছাত্রলীগের সহ-সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছে। পাশাপাশি আয়াজুর রহমান উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করছে বলে জানা গেছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক শাবির এক ছাত্র জানান, বদরুল শাবিতে ভর্তির পর সিলেট সদর উপজেলার মোগলগাঁও ইউনিয়নের হাউসা গ্রামের সৌদি আরব প্রবাসী মাসুক মিয়ার বাড়িতে লজিং মাস্টার হিসেবে উঠে। এর আগে কলেজে থাকাকালীন সময় থেকেই খাদিজা আক্তার নার্গিসের সঙ্গে তার প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে।
দীর্ঘ ৬ বছর তারা প্রেম করে। সম্প্রতি তাদের সম্পর্কে ভাঙ্গন দেখা দেয়। খাদিজা আক্তার নার্গিস এড়িয়ে চলতে শুরু করে বদরুলকে। এ নিয়ে উভয়ের মধ্যে মনোমালিন্যও ছিলো। গত ২৫ আগস্ট বদরুল আলম ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দেয়। এতে উল্লেখ করে, ‘হৃদয়ের পার্লামেন্টে আজ স্পিকার নেই। মনের জনসভায় নেই কোনো বক্তা। অন্তরে হরতাল ডেকেছে বিরোধীদল। ভালবাসার ভোটকেন্দ্রে একটিমাত্র ভোট পেয়েছিলাম; তাও আবার জাল। হায়রে কপাল।’ ৩১ আগস্ট আরেকটি স্ট্যাটাসে ‘দূরে সরে গেছ, তাতে কী/ দু’জনে এক আকাশের নিচেই তো আছি’ উল্লেখ করে সে।
এদিকে বদরুল আলম সম্পর্কে অনুসন্ধানে জানা গেছে, অনেকটা উগ্র মেজাজি ছিল সে। ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত থাকার কারণে, বেপরোয়াভাবে চলাফেরা করত। তার বিরুদ্ধাচরণ করলেই মারধোর করতো সে। বছর চারেক আগে শাবির হলে দলবল নিয়ে হামলা করে বদরুল। এ সময় সে কয়েকটি কক্ষে ভাংচুর ও লুটপাট চালায়। এর জের ধরে ২০১২ সালের ১৬ জানুয়ারি সদর উপজেলার জাঙ্গাইল এলাকায় তার উপর হামলা হয়। ওই সময় ছাত্রলীগ দাবি করেছিল, শিবির নেতাকর্মীরা বদরুলকে কুপিয়েছে।
সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের শাহপরান (রহ.) থানার ওসি শাহজালাল মুন্সি জানান, প্রাথমিক তথ্যে জানা গেছে বদরুল ও খাদিজার মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক ছিল। সম্প্রতি খাদিজা বদরুলকে এড়িয়ে চলতে শুরু করলে ৬ বছরের প্রেমে ভাঙ্গন দেখা দেয়। এ কারণে সে ক্ষিপ্ত হয়ে খাদিজাকে কোপায়।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

এমপিওভুক্ত সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে ভ্যাট ও আয়কর দিতে হবে

নিজস্ব প্রতিবেদক: এখন থেকে এমপিওভুক্ত সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে উৎসে মূসক ও আয়কর দিতেই হবে। এ ব্যাপারে নির্দেশনা (পরিপত্র) জারি করেছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদফতর (মাউশি)। মাউশির পরিচালক (ফাইন্যান্স অ্যান্ড প্রকিউরমেন্ট) প্রফেসর জুলফিকার রহমান গত ৪ সেপ্টেম্বর এ সংক্রান্ত নির্দেশনা পত্র জারি করে। এখন এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ অর্থাৎ সারাদেশের এমপিওভুক্ত স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসা প্রধানকে অবহিত করবেন মাউশির কলেজ ও প্রশাসন পরিচালক এবং মাধ্যমিক শাখার পরিচালক।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারী সংগ্রামী ঐক্য পরিষদের প্রধান সমন্বয়কারী নজরুল ইসলাম রনি সংবাদকে বলেন, ‘আমরা যেসব প্রতিষ্ঠান বা ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে কোন কেনাকাটা করি যেসব প্রতিষ্ঠানই ভ্যাট বা এ জাতীয় সরকারি প্রাপ্য কেটে রাখে। এখন নতুন করে আমাদের ওপর হয়রানিমূলক আর্থিক ব্যয় চাপিয়ে দেয়া ঠিক হবে না।’

শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে দেয়া এনবিআরের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) নির্দেশনা অনুযায়ী উৎসে মূসক কর্তন ও আয়কর কর্তন হচ্ছে না। উৎসে মূসক কর্তন না করায় ২০১৩-১৪ আর্থিক সালে এমপিওভুক্ত স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসায় সরকারের ৪৪ লাখ ৮১ হাজার ৬০৭ টাকার ক্ষতি হয়েছে।

এছাড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মুদ্রণ ও ডেকোরেট কাজ, আপ্যায়ন আসবাবপত্র তৈরি ও সরবরাহ, পূর্ত ব্যয়, সাধারণ সেবার ক্ষেত্রে ভ্যাট কর্তন না করায়ও সরকারের বিপুল অংকের টাকা ক্ষতি হয়েছে। ২০১৩-১৪ অর্থবছরে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদফতরের চট্টগ্রাম অঞ্চলের পাঁচটি জেলার শিক্ষা অফিসের ৯৫টি এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নিরীক্ষাকালে রেকর্ডপত্র পর্যালোচনায় দেখা গেছে, এসব প্রতিষ্ঠানের (৯৫টি) বিভিন্ন খাতে ব্যয়িত টাকার ওপর উৎসে আয়কর কর্তন না করায় সরকারের নয় লাখ ৭১ হাজার ৩১২ টাকার রাজস্ব ক্ষতি হয়েছে।

এনবিআরের ২০১৩ সালের ৬ জুন জারি করা এক সাধারণ আদেশে বলা হয়েছে, বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মুদ্রণ ও ডেকোরেট কাজের ওপর ১৫ শতাংশ, আপ্যায়নের ওপর ৬ শতাংশ, আসবাবপত্র তৈরি ও সরবরাহের ক্ষেত্রে ৯ শতাংশ, পূর্ত/উন্নয়ন ব্যয়ের ক্ষেত্রে ৫.৫ শতাংশ, সাধারণ ক্রয়/যোগানদার সেবার ক্ষেত্রে ৪ শতাংশ হারে ভ্যাট (মূল্য সংযোজন কর) কর্তনের বিধান থাকলেও আলোচ্য ক্ষেত্রে তা অনুসরণ করা হয়নি।

আয়কর অধ্যাদেশ-১৯৮৪ এর ৫২ এর মাধ্যমে ঠিকাদারী চুক্তির মাধ্যমে সরবরাহ গ্রহণ এবং বিধি ১৬ এর মোতাবেক নির্ধারিত হারে উৎসে আয়কর কর্তন ও সরকারি কোষাগারে জমাযোগ্য।

এ ব্যাপারে প্রফেসর জুলফিকার রহমানের পত্রে বলা হয়েছে, ‘স্থানীয় ও রাজস্ব অডিট অধিদফতর কর্তৃক ২০১৩-১৪ ও ২০১৪-১৫ অর্থবছরের নিরীক্ষা কার্য সম্পাদনপূর্বক বেসরকারি এমপিওভুক্ত স্কুল/মাদ্রাসা/কলেজসমূহের ভ্যাট বিভিন্ন ব্যয়ের ক্ষেত্রে ও উৎসে আয়কর কর্তন করা হয়নি মর্মে অডিট আপত্তি উত্থাপন করে। এই অডিট আপত্তির পরিপ্রেক্ষিতে মাউশি’র আওতাধীন এমপিওভুক্ত স্কুল/মাদ্রাসা/কলেজসমূহে অর্থ ব্যয়ের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য মূসক কর্তন ও বিভিন্ন খাতে ব্যয়িত টাকার ওপর উৎসে আয়কর এনবিআরের নির্দেশনা অনুযায়ী কর্তন করার নির্দেশনা প্রদান করে পত্র জারি করতে অনুরোধ করা হলো। মহাপরিচালকের অনুমোদনক্রমে এ পত্র জারি করা হলো।’

মাউশির অধীনে দেশে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক স্তরে এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রয়েছে ২৮ হাজার ৩৮৩টি। এসব প্রতিষ্ঠানে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারী আছেন প্রায় চার লাখ ৭০ হাজার। আর কারিগরি শিক্ষা অধিদফতরের অধীনে এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রয়েছে প্রায় দেড় হাজার। এছাড়াও মাউশি’র অধীনে সারাদেশে দেশে নন-এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠান রয়েছে প্রায় দশ হাজার। তবে সরকারি হাই স্কুল ও কলেজগুলো এনবিআরের নিয়মানুযায়ী উৎসে মূসক ও আয়কর কর্তন করছে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

জবির ‘সি’ ইউনিটের ফল প্রকাশ

জবি প্রতিনিধি : জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) ২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষের বাণিজ্য অনুষদভুক্ত ‘সি’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়েছে। সোমবার বিশ্ববিদ্যালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘সি’ ইউনিটের ৫৬০টি আসনের (বাণিজ্য-৪৯০ ও অন্যান্য-৭০) বিপরীতে ৯৫০ জন (বাণিজ্য- ৭৯২ ও অন্যান্য ১৫৮ জন) পরীক্ষার্থী প্রাথমিকভাবে ভর্তির ন্যূনতম যোগ্যতা অর্জন করেছে।

উল্লেখ্য, ২৭ হাজার ৮২৫ জন পরীক্ষার্থী ভর্তি পরীক্ষার জন্য আবেদন করেছিল। ‘সি’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার ফলাফল জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের নোটিশ বোর্ড এবং ওয়েবসাইট (www.jnu.ac.bd বা www.result.jnu.ac.bd ) এ পাওয়া যাচ্ছে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

মাস্টার্সে ভর্তির ৩য় রিলিজ স্লিপ ৬ অক্টোবর

ঢাকা: জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৩-২০১৪ শিক্ষাবর্ষে মাস্টার্স শেষ পর্ব (নিয়মিত) কোর্সে অনলাইন ভর্তি কার্যক্রমে ৩য় রিলিজ স্লিপের মেধা তালিকা ৬ অক্টোবর প্রকাশ করা হবে।

সোমবার জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ, তথ্য ও পরামর্শ দফতর থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

ফল ওই দিন বিকাল ৪টায় যেকোনো মোবাইল থেকে SMS এর মাধ্যমে nu<space>atmf<space> Roll লিখে ১৬২২২ নম্বরে পাঠিয়ে ফল জানা যাবে।

এ ছাড়া রাত ৯টায় www.nu.edu.bd/admissions অথবা admissions.nu.edu.bd ওয়েবসাইটে ফল পাওয়া যাবে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

স্কুলের জমি দখল রোধে ১৫ ছাত্রীর লড়াই

0ডেস্ক রিপোর্ট : সাত সকালে পটুয়াখালী সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে কিছু লোকের জটলা। তারা বহিরাগত, ভাড়া করা। স্কুলের পশ্চিম কোণে বালু ফেলে সরকারি পুকুর ভরাট করতে শুরু করে। দখলের এই কর্মকাণ্ড দেখে প্রতিবাদী হয়ে ওঠে স্কুলের কয়েকজন ছাত্রী। তারা ছুটে গিয়ে শিক্ষকদের খবর দেয়। শিক্ষকরা তাৎক্ষণাৎ এসে দেখেন ঘটনাস্থলে দাঁড়িয়ে আছেন জেলা আওয়ামী লীগের শ্রমবিষয়ক সম্পাদক গাজী হাফিজুর রহমান ওরফে সবির। তাঁর নেতৃত্বে চলছে স্কুলের জমি দখল। ওই সময় শিক্ষকরা ভয়ে মুখ খোলার সাহস পাননি। পরে তাঁরা জেলা প্রশাসকের দারস্থ হন। খবর পেয়ে জেলা প্রশাসক নড়েচড়ে বসেন। কিন্তু আওয়ামী লীগ নেতার নাম শুনে তিনিও থেমে যান।

তবে স্কুল কর্তৃপক্ষের পিছুটান ও জেলা প্রশাসকের নিষ্ক্রিয় ভূমিকা দেখে দখলরোধে সাহসী লড়াই করে ১৫ জন ছাত্রী। তারা জড়ো হয়ে স্কুলের জমি দখল করে রাস্তা নির্মাণকাজ বন্ধ করে দেয়। দখলদারের বিরুদ্ধে পৌর মেয়রের কাছে লিখিত অভিযোগ করে। কিন্তু দখল সাময়িক বন্ধ হলেও আওয়ামী লীগ নেতার চেষ্টা এখনো অব্যাহত রয়েছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, আওয়ামী লীগ নেতা গাজী হাফিজুর রহমান সবিরের ভাইয়ের বাড়ি রয়েছে স্কুলের পাশে। সেই বাড়িতে যাওয়ার পথ তৈরি করতে চলছে সরকারি পুকুর ভরাটের কাজ। তাঁর ভাইয়ের নাম সাঈদুর রহমান গাজী। যিনি বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। তাঁর বাড়ি যাওয়ার পথ তৈরি করতে সরকারি পুকুরসহ স্কুলের জমি দখল করছেন আওয়ামী লীগ নেতা সবির।

স্কুলের ছাত্রীরা বলছে, দখলের ফলে তারা খেলাধুলা করতে পারছে না। এমনকি কম্পাউন্ডে বহিরাগতদের অবাধ চলাচলের কারণে তারা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। ২৫ সেপ্টেম্বর রাত থেকেই সরকারি পুকুর ভরাটের পাশাপাশি স্কুল মাঠের একটা অংশ দখল করে রাস্তা নির্মাণের কাজ চলছিল। পরের দিন সকালে বিষয়টি তাদের নজরে আসে।

গত ২৭ সেপ্টেম্বর দুপুরে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, পটুয়াখালী সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের পশ্চিম পাশের ভবনসংলগ্ন খেলার মাঠ, প্রধান শিক্ষকের বাসভবনসংলগ্ন পশ্চিম-উত্তর পাশে সরকারি পুকুর। সেখানে জেলা আওয়ামী লীগের শ্রমবিষয়ক সম্পাদক গাজী হাফিজুর রহমান সবির চলাচলের জন্য পুকুর ভরাট করে রাস্তা তৈরি করছিলেন। এজন্য বিদ্যালয় লাগোয়া বেশ কয়েকটি গাছ কেটে ফেলা হয়েছে। সরকারি পুকুরটির উত্তর-পূর্বাংশে বালু ফেলে ভরাট করেছেন। সঙ্গে খেলার মাঠের একটা অংশ ভরাট চলছে। এসব ঘটনায় স্কুল কর্তৃপক্ষ, জেলা প্রশাসন নীরব থাকলেও স্কুলের জমি দখল ঠেকাতে লড়ছে ১৫ জন ছাত্রী।

গত ২৬ সেপ্টেম্বর ১৫ জন ছাত্রীর স্বাক্ষরিত একটি আবেদন মেয়রের কাছে পাঠানো হয়। আবেদনে বলা হয়, ‘বিদ্যালয়ের পশ্চিম দিকের ভবনসংলগ্ন গেটের পরেই আমাদের খেলার মাঠ। সেই মাঠটি আমাদের একমাত্র খেলার স্থান। ‘দুর্ভাগ্যবশত জনৈক প্রতিবেশী সরকারি পুকুর ভরাট করে রাস্তা তৈরি করছেন। শুধু তাই নয়, বিদ্যালয়ের পশ্চিম পাশের রাস্তার সঙ্গে একত্র করে বিদ্যালয়ের জমি দখলের পাঁয়তারা করছেন। দখলের এই পদক্ষেপ বন্ধ করার জন্য অনুরোধ করছি।’

স্কুলের জমি দখল ঠেকাতে লড়াই করা ওই ১৫ ছাত্রী হলো—মালিহা বিনতে নজরুল, সাজিয়া আফরোজ ঐশী, সামিয়া শফিক প্রভা, অনানিম সাইমা রাইতা, উম্মে কুলসুম ফাল্গুনী, অনন্যা সরকার অন্তরা, সানজিদা আফরিন ঐশী, লামিয়া ইসলাম জাবিন, খন্দকার মাইশা, মৌমিতা দত্ত, মারিয়া জাহান সিনথিয়া, অধিকা দত্ত, ইমরানা জাহান ইতু, মারজান ইসলাম ও তাবিয়া জামান অর্পি।

ওই ছাত্রীরা বলে, ‘খেলার মাঠ উদ্ধারের জন্য আমরা প্রধান শিক্ষকের কাছে ছুটে গেছি। স্যার আমাদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে বিদ্যালয়ের সভাপতি জেলা প্রশাসকের কাছে দখলরোধে করণীয় ব্যাপারে আলোচনা করেছেন। জেলা প্রশাসক বিদ্যালয়ের মাঠটি অবৈধ দখলদারদের রুখতে কোনো পদক্ষেপ নেননি। শুনেছি, ডিসি স্যার বিষয়টি নিয়ে জনপ্রতিনিধির সঙ্গে শিক্ষকদের আলোচনা করতে পরামর্শ দিয়েছেন। কিন্তু শিক্ষকরা সাহস পাচ্ছিলেন না। আমরা তো শিক্ষার্থীদের প্রতিনিধিত্ব করি, সেই দৃষ্টিকোণ থেকেই মেয়রের কাছে আবেদন করেছি।’

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে বিদ্যালয় পরিচালনা পর্যদের সভাপতি ও জেলা প্রশাসক এ কে এম শামীমুল হক সিদ্দিকী গত বৃহস্পতিবার বিকেলে বলেন, ‘সরকারি পুকুর ভরাটের পাশাপাশি স্কুল মাঠের পাশ দিয়ে রাস্তা নির্মাণের কাজ চলছিল। শিক্ষার্থীরা নিজ উদ্যোগে সেই কাজ বন্ধ করে দিয়েছে। বিষয়টি নিয়ে শিক্ষকরা স্থানীয় জনপ্রতিনিধির সঙ্গে আলোচনায় বসেছেন। রাস্তা নির্মিত হবে না বলে জনপ্রতিনিধিরা আশ্বস্ত করেছেন।

সরকারি পুকুর ভরাট ও গাছ কাটার ব্যাপারে প্রশাসন কী ব্যবস্থা নিয়েছে এমনটা জানতে চাইলে জেলা প্রশাসক বলেন, ‘কাগজপত্র যাচাইয়ে কাজ চলছে, সে অনুযায়ী পরে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

এ বিষয়ে জেলা আওয়ামী লীগের শ্রমবিষয়ক সম্পাদক গাজী হাফিজুর রহমান গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যায় বলেন, ‘পৌরসভার মেয়র ডা. শফিকুল ইসলাম স্থানীয়দের চলাচলের সুবিধার্থে বিদ্যালয়ের ভেতর দিয়ে রাস্তা নির্মাণের জন্য একটি প্রকল্প দিয়েছিলেন। সেই প্রকল্পের ঠিকাদার হিসেবে রাস্তা নির্মাণের জন্য পুকুরের পাশের একটি অংশ ভরাট করেছি। স্কুলের কিছু জমি ভরাটের সময় শিক্ষার্থীরা বাধা দিয়েছিল। স্কুল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে মেয়রের আলোচনা চলছে, তাই কাজ সাময়িক সময়ের জন্য বন্ধ রয়েছে।’

মৌখিকভাবে আমাকে ঠিকাদারির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল এমনটি দাবি করে গাজী হাফিজুর রহমান আরো বলেন, ‘স্কুলের পাশে আমার কোনো জমি নেই। আমার ভাই সাঈদুর রহমান গাজীর (বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত) ১৫ শতাংশ জমির ওপর বাড়ি রয়েছে। সবাই ভাবছে সেই সুবিধার্থে রাস্তা তৈরি করছি।’

এ ব্যাপারে জানতে জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক পটুয়াখালী পৌরসভার মেয়র ডা. শফিকুল ইসলামের সঙ্গে মুঠোফোনে দুই দিন ধরে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাঁকে পাওয়া যায়নি। কালের কন্ঠ

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

মেয়াদোত্তীর্ণ সিবিএ নেতাদের দাপটে চাকরি হারালেন চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারি

নিজস্ব প্রতিবেদক: bcicবিসিআইসির মেয়াদোত্তীর্ণ সিবিএ নেতাদের দাপটে চাকরি হারালেন চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারি মুক্তিযোদ্ধার সন্তান মিরাজ হোসেন। এর প্রতিবাদ করায় চাকরি হারনোর আশঙ্কা দেখা দিয়েছে আরও কয়েকজনের। এই মেয়াদোত্তীর্ণ সিবিএ নেতারা এক সময় বিএনপি জামায়াতের রাজনীতিতে যুক্ত থাকলেও এখন ক্ষমতাসীনদের সঙ্গে তাল মিলিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
শনিবার সকালে বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স এসোসিয়েশন মিলনায়তনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এমন অভিযোগ করেন বিসিআইসির কর্মচারিরা।
তারা জানান, গত ২২ সেপ্টেম্বর বিসিআিইসি কর্মচারী লীগের কমিটির মেয়াদ শেষ হয়। গত ১ আগষ্ট হাইকোর্টের নির্দেশনা আসে নির্বাচনের। কিন্তু কোন নির্বাচন দেয়া হয়নি। কর্মচারিদের স্বার্থরক্ষায় এই নির্বাচন দাবি করায় গত ২৫ সেপ্টেম্বর মেয়াদোত্তীর্ণ কমিটির যোগসাজশে উপ-কর্মচারি প্রধান মান-১ স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে চাকরি থেকে অবসানের আদেশ প্রদান করা হয় মিরাজকে। এই কমিটির নেতারা বিনা নির্বাচনে আবারও ক্ষমতায় থাকার চেষ্টা চালালে অন্য কর্মচারিরা এর প্রতিবাদ জানান। এর ফলে ট্রেড ইউনিয়নের সম্ভাব্য প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থীসহ ৪৩ জনের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেয় এই মেয়াদোত্তীর্ণ কমিটি। এ নিয়ে বিসিআইসির কর্মচারিদের মধ্যে চাপা উত্তেজনা বিরাজ করছে। পাশাপাশি নির্বাচন দেয়ারও দাবি জানিয়েছেন তারা।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, বিএনপি জামায়াতের আমলে কমিটিতে থাকা ৮ জন বর্তমান কমিটিতে রয়েছেন। তারা জাতীয়তাবাদে বিশ্বাসী হলেও এখন আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে ঢুকে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি সৃষ্টির চেষ্টা চালাচ্ছে। বর্তমান সরকারের ভাবমুর্তি ক্ষুন্ন করতে অপচেষ্টা চালাচ্ছে এই চক্র বলে অভিযোগ তাদের। এ অবস্থায় মিরাজের চাকরি পুনর্বহাল ও ট্রেড ইউনিয়নের নির্বাচন দাবি করেছেন বিসিআইসির কর্মচারিরা।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

৩৭ তম বিসিএস পরীক্ষা শুরু

bcsঅনলাইন রিপোর্টার॥ সকাল সাড়ে আটটার দিকে রাজধানীর আগারগাঁও সরকারি কর্মকমিশন সচিবালয়ে লটারির মাধ্যমে বিসিএসের প্রশ্নপত্র ঠিক করা হয়। এ বছর চিত্রা সেটের প্রশ্নপত্র দিয়ে বিসিএস পরীক্ষা হচ্ছে। ৩৭ তম বিসিএস পরীক্ষা আজ শুক্রবার সকাল সাড়ে নয়টার দিকে শুরু হয়েছে। এতে অংশ নিচ্ছে দুই লাখ ৪৩ হাজার ৪৭৬ জন পরীক্ষার্থী।

লটারির আগে পাবলিক সার্ভিস কমিশনের (পিএসসি) চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাদিক দেশের ছয়টি বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা প্রশাসকদের সঙ্গে ভিডিও সম্মেলন করেন। লটারিতে প্রশ্ন নির্ধারণের পর সম্মেলনের মাধ্যমে জানিয়ে দেওয়া হয়।

পিএসসি চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাদিক বলেন, ‘আমরা চাই বিসিএস পরীক্ষা স্বচ্ছভাবে হোক। এ কারণেই আমাদের সব আয়োজন। ঢাকায় দুজন ও চট্টগ্রামে একজন জেলখানায় বসে পরীক্ষা দিচ্ছেন। প্রত্যেক কেন্দ্রে একজন করে নির্বাহী হাকিম আছেন। পুরো দুই ঘণ্টা তাঁরা কেন্দ্রে পর্যবেক্ষণ করবেন।’

ঢাকার ১২৩টি কেন্দ্রসহ ছয় বিভাগের ১৯০টি কেন্দ্রে এই পরীক্ষা হচ্ছে। পরীক্ষার কক্ষে কোনো রকম বইপত্র, মোবাইল, ক্যালকুলেটর, ইলেকট্রনিকস ডিভাইস, হাত ঘড়ি, পকেট ঘড়িও সঙ্গে আনা নিষেধ।

প্রথম শ্রেণির গেজেটেড কর্মকর্তা হিসেবে এক হাজার ২২৬ জনকে নিয়োগ দিতে গত ২৯ ফেব্রুয়ারি ৩৭ তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে পিএসসি। এ বিসিএসে অংশ নিতে গত ৩১ মার্চ থেকে ২ মে পর্যন্ত প্রার্থীরা আবেদন করেছেন।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

নতুন অধ্যাপকদের পদায়নের কাজ চলছে

অধ্যাপক পদে পদোন্নতি পাওয়া প্রায় ৩৮০ জনকে বিভিন্ন সরকারি কলেজ ও মাদ্রাসায় অধ্যক্ষ ও উপাধ্যক্ষ পদে পদায়নের কাজ চলছে। মঙ্গলবার বি সি এস সাধারণ শিক্ষা ক্যাডারের পদোন্নতি কমিটির সভায় প্রায় ৩৮০ জন সহযোগী অধ্যাপককে অধ্যাপক পদে পদোন্নতি দেয়া হয়।

নতুন অধ্যাপকদের পদায়নসহ পদোন্নতির তালিকা প্রকাশ করার উদ্যোগ নিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এ উপলক্ষে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও শিক্ষা অধিদপ্তরে ভীড় জমিয়েছেন হবু অধ্যাপকরা। যারা ৭ম ও ৮ম বি সি এস’র তারা মোটামুটি নিশ্চিত যে অধ্যাপক হচ্ছেন। তাই তারা পছন্দমতো পদায়নের তদবির শুরু করছেন।

আজ-কালের মধ্যে আদেশ জারি হতে পারে ।

অপরদিকে প্রভাষক ও সহকারি অধ্যাপক থেকে যারা পদোন্নতি পাবেন তারা তদবির শুরু করছেন। শিগগিরই আরেকটি ডিপিসির সভা অনুষ্ঠিত হতে পারে মর্মে খবর পাওয়া গেছে।
এদিকে বি সি এস শিক্ষা সমিতির কোনো কোনো নেতা পূর্বের নেতাদের ধারাবাহিকতায় পদোন্নতি নিয়ন্ত্রের চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়েছে বলে জানা গেছে।

 

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

এনটিআরসিতে হয়রানিতে হাজার হাজার প্রার্থী

ডেস্ক:%e0%a7%a7দেশে বেসরকারি শিক্ষক নিয়োগে দুর্নীতি ও হয়রানি বন্ধে শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা চালু করে সরকার। আর শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ) শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষাসহ যাবতীয় বিষয় দেখভাল করে। কিন্তু সেবার বদলে এনটিআরসি থেকে হয়রানির শিকার হচ্ছেন হাজার হাজার প্রার্থী ও শিক্ষক এ অভিযোগ পাওয়া গেছে।

জানা যায়, দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে প্রতিদিন শত শত চাকরি প্রত্যাশী বিভিন্ন ধরনের তথ্য জানতে অফিসটিতে ভিড় করলেও কেউ ভেতরে প্রবেশ করার অনুমতি পান না। অফিসের গেট থেকেই তাদের ফিরে যেতে হয়।

এ খবর জানার পর মঙ্গলবার রাজধানীর নিউমার্কেট এলাকায় অবস্থিত এনটিআরসিএ অফিসে সাংবাদিকরা ছুটে গেলে তারাও প্রবেশ করতে ব্যর্থ হয়েছেন। এমনকি প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান কথাও বলেননি। উল্টো পুলিশ ডেকে হয়রানি করার চেষ্টা করেন।

এ সময় গাজীপুর থেকে আসা মো. রুহুল আমিন সাংবাদিকদের অভিযোগ করে বলেন, ‘১২তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় প্রভাষক পদে ৮২ নম্বর পেয়ে উত্তীর্ণ হয়েছি। নিজ উপজেলার কোনও কলেজে আমার বিষয়ে প্রভাষক পদ শূন্য নেই। এখন আমি অন্য কলেজে নিয়োগ পাবো কিনা তা জানার জন্য এসেছিলাম। সকাল থেকে অপেক্ষা করেও ভেতরে ঢুকতে পারিনি’।

শরীয়তপুর থেকে এসেছিলেন নাসির উদ্দিন। তিনি বলেন, ‘এক মাস আগে নদীভাঙনে আমাদের বাড়িঘর পদ্মায় বিলীন হয়ে গেছে। এখন এলাকা ছেড়ে ফরিদপুর বসবাস করছি। শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলার একটি কলেজে প্রভাষক পদে নিয়োগের জন্য আবেদন করেছি। নিয়ম অনুযায়ী নিজ উপজেলার প্রার্থীদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। নদীভাঙনের কারণে ঠিকানা পরিবর্তন করা যাবে কিনা তা জানতে এসেছিলাম। দুই ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থেকে অনেক অনুরোধ করেও অফিসের ভেতরে প্রবেশ করতে পারিনি’।

টাঙ্গাইল থেকে আসা মাহমুদুল হাসান অভিযোগ করেন, ‘১৩তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার ফল কবে দেবে, তা জানতে এসেছিলাম। ভেতরে ঢোকা তো দূরের কথা, লিফট থেকে নামার পর দাঁড়নোর জায়গাও পেলাম না। বাধ্য হয়ে চলে যেতে হচ্ছে। অথচ জামালপুর-৪ আসনের এমপির এপিএস পরিচয় দেওয়ার পর একজনকে ভেতরে ঢুকতে দেওয়া হয়েছে’।

রোকসানা পারভীন নামে একজন অভিযোগ করেন, ‘প্রভাষক পদে আবেদন করার পর আমার বিয়ে হয়েছে। আবেদন সংশোধন করে স্বামীর ঠিকানা দেওয়া যাবে কিনা জানতে এসেছিলাম। অনেক অনুরোধ করেও অফিসের ভেতরে ঢুকতে দেওয়ানি। অথচ পিএসসিতে বিসিএসের আবেদন সংশোধনের সুযোগ আছে।’

সনদ তুলতে এসেছিলেন বিধান। তিনিও কয়েক ঘণ্টা অপেক্ষা করে ভেতরে ঢুকতে না পেরে সনদ ছাড়াই ফিরে যান।

ভুক্তভোগীরা সাংবাদিকদের কাছে অভিযোগ করলে এ প্রতিবেদকসহ কয়েকজন সাংবাদিক ছুটে যান নায়েম ক্যাম্পাসের একটি ভবনের পাঁচতলায় অস্থায়ী অফিসে। লিফট থেকে নামার জায়গায়ও ফাঁকা ছিল না। লিফটের এক ফুট সামনেই কলাপসিবল গেট দিয়ে অফিসে প্রবেশের পথ আটকে রাখা হয়েছে। গেটে ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে বড় বড় ৪টি তালা। অফিসের নোটিশ বোর্ডের ও তথ্যকেন্দ্র গেটের ভেতরে। কারও পক্ষে তথ্য জানার সুযোগ নেই।

সাংবাদিকরা নিজেদের পরিচয় দিয়ে ভেতরে প্রবেশের অনুমতি চাইলে গেটে দাঁড়িয়ে থাকা দারোয়ান তসলিম বলেন, ‘অফিসের ভেতরে প্রবেশ নিষেধ। চেয়ারম্যান স্যার দেড় বছর ধরে এ নিষেধাজ্ঞা জারি করেছেন।’

সাংবাদিকরা ভিজিটিং কার্ড চেয়ারম্যানকে দেওয়ার জন্য বললে তিনি কয়েকজন কর্মকর্তাকে ডেকে আনেন। তারাও এসে বলেন, ‘ভেতরে ঢোকা যাবে না। চেয়ারম্যান স্যার কারও সঙ্গে দেখা করেন না।’ ভেতরে ঢোকা নিয়ে একপর্যায় সাংবাদিকদের সঙ্গে তর্কে জড়িয়ে পড়েন তারা। পরে তারা ভেতরে গিয়ে কিছু সময় পর ফিরে এসে বলেন, ‘এবার দেখবেন মজা!’

এ ঘটনার কয়েক মিনিট পরেই নিউমার্কেট থানার পুলিশের এসআই আবুল এসে হাজির হন ঘটনাস্থলে। তিনি ভেতরে ঢুকে ফিরে এসে বলেন, ‘চেয়ারম্যান স্যার কারও সঙ্গে দেখা করবেননা। আপনারা এখান থেকে চলে যান।’ এসময় তিনিও সাংবাদিকদের সঙ্গে তর্কে জড়িয়ে পড়েন।

এ ব্যাপারে এনটিআরসিএ’র চেয়ারম্যান (অতিরিক্ত সচিব) এএমএম আজাহারের সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনিও কথা বলতে রাজি হননি।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

Responsive WordPress Theme Freetheme wordpress magazine responsive freetheme wordpress news responsive freeWORDPRESS PLUGIN PREMIUM FREEDownload theme free