নিউজ

রাজনীতি থেকে শিক্ষকরা বিরত থাকলে শিক্ষার মান বাড়বে

দলীয় রাজনীতি থেকে শিক্ষকরা বিরত থাকলে শিক্ষার গুণগত মান বাড়বে বলে মন্তব্য করেছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, শিক্ষা হতে হবে জীবন গড়ার জন্য, জীবিকার জন্য নয়।

বৃহস্পতিবার রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ব্যবসায় প্রশাসন ইনস্টিটিউটের (আইবিএ) ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে সুবর্ণ জয়ন্তী উৎসবে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

নবীন-প্রবীণের মিলনমেলায় উদযাপিত এ উৎসবে সভাপতিত্বে করেন বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্য অধ্যাপক ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক। অনুষ্ঠানে প্রো-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. নাসরীন  আহমাদ ও প্রো-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান বিশেষ অতিথি হিসাবে বক্তব্য দেন। স্বাগত বক্তব্য দেন আইবিএর পরিচালক অধ্যাপক ড. এ কে এম সাইফুল মজিদ। ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন আইবিএ অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন এমপি।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

প্রকৃত শিক্ষার্থী হওয়ার আহ্বান

বাংলা নিউজ:

শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার্থী হিসেবে নয়, প্রকৃত শিক্ষার্থী হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

শুক্রবার (২৩ ডিসেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে রাজধানীর মিরপুর সিদ্ধান্ত হাই স্কুলে আয়েজিত ‘শতবর্ষ পূর্তি উৎসব উদযাপন-২০১৬ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান। মিরপুর সিদ্ধান্ত হাই স্কুলে ‘শতবর্ষ পূর্তি উৎসব উদযাপন-২০১৬ অনুষ্ঠানে সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘তোমরা নিজেদের পরীক্ষার্থী ভেবে না, শিক্ষার্থী ভেবো’। যদি নিজেদের পরীক্ষার্থী ভাবলে তাহলে শিক্ষার প্রকৃত উদ্দেশ্য ব্যহত হবে। আগামী প্রজন্মকে আমরা পরীক্ষার্থী হিসেবে নয়, শিক্ষার্থী হিসেবে দেখতে চাই।

এসময় শিক্ষ‍ার্থীদের উদ্দেশে তিনি আরো বলেন, তোমরা পড়াশোনা করছো, জীবিকার জন্য না জীবনের জন্য? এসময় শিক্ষার্থীরা উত্তরে বলেন জীবনের জন্য। তাহলে জীবনকে সুন্দর করতে প্রকৃত শিক্ষার্থী হও।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

সরকারি প্রাথমিকে শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার ফি বাড়লেও লাভ হয়নি বিদ্যালয়ের

নিজস্ব প্রতিবেদক: মানসম্মত শিক্ষাব্যবস্থা বাস্তবায়ন করতে না পারলেও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের ব্যয়  বাড়ানো হয়েছে। ফলে এখন থেকে পরীক্ষার ফি, ক্লাস ফি ও বিবিধ ব্যয়ের নামে বাড়তি অর্থ পরিশোধ করতে হবে সব শিশু শিক্ষার্থীকে। এদিকে  সরকারি প্রাথমিকে শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার ফি বাড়লেও লাভ হয়নি বিদ্যালয়ের।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর কর্তৃক সম্প্রতি পরীক্ষার ফি বাড়ানো সংক্রান্ত এক পরিপত্রে এমন তথ্য জানা গেছে।

তথ্য মতে, সারাদেশের সরকারি প্রাথমিকের শিক্ষাব্যবস্থা নিয়ে রয়েছে নানা বিতর্ক। প্রথম শ্রেণির একজন পরীক্ষার্থীকে আগে যেখানে প্রথম সাময়িক পরীক্ষার জন্য ৫ টাকা ফি দিলেই হতো, এখন সেই একই পরীক্ষায় ফি দিতে হবে ১০টাকা। বছরে তিনটি পরীক্ষার জন্য প্রথম শ্রেণির পরীক্ষার্থীকে মোট গুণতে হবে ৩০ টাকা।

একইভাবে অন্য শ্রেণিতেও পরীক্ষার ফি বাড়ানো হয়েছে। এছাড়া আগে চতুর্থ ও পঞ্চম শ্রেণিতে একই হারে পরীক্ষার ফি নেয়া হলেও এবার থেকে এই দুই শ্রেণিতে আলাদা হারে পরীক্ষার ফি নির্ধারণ করা হয়েছে।৪র্থ শ্রেণিতে ৩০ টাকা এবং ৫ম ৩৫ টাকা।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর সম্প্রতি পরীক্ষার ফি বাড়ানো সংক্রান্ত পরিপত্র জারি করে। পরিপত্রটি ইতোমধ্যেই মাঠপর্যায়ের প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাদের কাছে পাঠানো হয়েছে।

পরিপত্রে বলা হয়েছে, পরীক্ষার ফি পরীক্ষা খাতে খরচ করার পর উদ্বৃত্ত থাকলে তা দিয়ে বিদ্যালয়ে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পুরস্কার ও শ্রেষ্ঠ শিক্ষার্থীর পুরস্কারের কল্যাণে খরচ করা যাবে।

এতে আরও বলা হয়েছে, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম ও দ্বিতীয় সাময়িক এবং বার্ষিক পরীক্ষা নেয়ার জন্য উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে প্রধান করে ছয় সদস্যের একটি পরীক্ষা কমিটি গঠন করতে হবে। শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে নেয়া পরীক্ষার ফি’র হিসাব ব্যাংকের মাধ্যমে সংরক্ষণ করার পাশাপাশি স্কুলেও আলাদা নথি রাখতে হবে।

এ বিষয়ে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক ড. মো. আবু হেনা মোস্তফা কামাল বলেন, প্রতিনিয়ত সব কিছুর খরচ বেড়ে গেছে। এ কারণে স্কুলের খরচ কিছুটা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, আগে এক পাতার প্রশ্নপত্র প্রণয়ন হতো। এখন যোগ্যতাভিত্তিক প্রশ্নপত্র প্রণয়ন করতে ৮/৯ পৃষ্ঠা লাগে। ফলে আগে যে হারে পরীক্ষার ফি নেয়া হতো তাতে এখনকার প্রশ্নপত্র প্রণয়নের খরচ মেটানো যাচ্ছে না। এ নিয়ে শিক্ষকরা পরীক্ষা ফি বাড়ানোর দাবি জানিয়ে আসছিলেন। এরপর মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে পরীক্ষা ফি বাড়ানো হয়েছে।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর থেকে জারি করা পরিপত্রে বলা হয়েছে, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেণিতে প্রথম সাময়িক পরীক্ষার ফি ১০ টাকা। উত্তরপত্র তৈরিসহ বিবিধ খরচ হিসেবে শিক্ষার্থী পরীক্ষার ফি’র সঙ্গে আরো ৬ টাকা এবং উপজেলা শিক্ষা অফিসে প্রশ্নপত্র ছাপানোর জন্য দিতে হবে ৪ টাকা।
এ বিষয়ে প্রাথমিক প্রধান শিক্ষক সমিতির কেন্দ্রিয় সিনিয়ার যুগ্ন সাধারন সম্পাদক স্বরুপ দাস বলেন, আগে প্রশ্নপত্র বাবদ ফি দিতে হত ৩ টাকা হারে। তা বেড়ে উপজেলা শিক্ষা অফিসকে দিতে হবে ৪/৬/৭/৮/১০ টাকা হারে। আগে পঞ্চম শ্রেণির পরীক্ষার ফি ২০ টাকা নির্ধারন ছিল। সেখান থেকে ৩ টাকা দিতে হত। অর্থাৎ ১৭ টাকা বিদ্যালয়ে থাকত । এখন থাকবে ২৫ টাকা।

এদিকে উপজেলা শিক্ষা অফিসে ৩ টাকা হারে প্রশ্ন ও অনান্য খরচ বাবদ দিতে হত। এখন দিতে হবে ১০ টাকা হারে। বিধায় লাভ হয়েছে উপজেলা শিক্ষা অফিসার সহ অনান্যদের। বিদ্যালয়ের কোন লাভ হয়নি। অথাৎ আমার বিদ্যালয়ে এখন ৫০০ টাকা দিলেই প্রশ্ন পেতাম। কিন্তু ১০০০ টাকার বেশি দিতে হবে।

প্রধান শিক্ষক সমিতির কেন্দ্রিয় সিনিয়ার যুগ্ন সাধারন সম্পাদক রঞ্জিত ভট্রাচার্য বলেন আগে যেভাবে প্রশ্নপত্র প্রণয়ন শিক্ষক সমিতি করত এখনও ঠিক সেভাবে উপজেলা শিক্ষা অফিসের সাথে প্রধান শিক্ষক সমিতির সমন্বয় করে প্রশ্নপত্র ছাপানোর দাবী জানান।

 

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

৯ বিষয়ে অনুষ্ঠিত হবে এসএসসি পরীক্ষা

ডেস্ক : ২০১৯ সাল থেকে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা ১৩টির পরিবর্তে ৯টি বিষয়ে অনুষ্ঠিত হবে।

পাবলিক ঐ পরীক্ষার সময়ও কমিয়ে আনা হবে। বরেণ্য শিক্ষাবিদের নিয়ে অনুষ্ঠিত একটি কর্মশালা সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

জানা গেছে, বিদ্যমান পরীক্ষা পদ্ধতি সংস্কার করে ক্লাসে নানাবিধ সূচকে শিক্ষার্থীদের মূল্যায়নের পর পাবলিক পরীক্ষার বিষয় কমানো হবে। শুধু পরীক্ষা পদ্ধতি নয়, প্রশ্নপত্র প্রণয়ন, উত্তরপত্র মূল্যায়ন, পাঠ্যক্রম, পাঠ্যসূচি, পাঠ্যপুস্তক, পাঠদান ইত্যাদিতে সংস্কার আনা হবে।

কক্সবাজারে গত শুক্র ও শনিবার দেশের বরেণ্য শিক্ষাবিদদের নিয়ে বৃহৎ পরিসরে একটি কর্মশালায় এসব বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। ঐ কর্মশালায় শিক্ষাবিদরা এ বিষয়ে সুপারিশ করেন।

কর্মশালায় অংশনেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের ইমেরিটাস অধ্যাপক ড. আনিসুজ্জামান, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ড. মুহম্মদ জাফর ইকবাল, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপউপাচার্য অধ্যাপক আখতারুজ্জামান, বিশ্বসাহিত্যকেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ, বাংলাদেশে প্রকৌশল জগতে বরেণ্য অধ্যাপক জামিলুর রেজা চৌধুরী, গণসাক্ষরতা অভিযানের নির্বাহী পরিচালক ও তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা রাশেদা চৌধুরীসহ অনেক শিক্ষাবিদ। এ ছাড়া মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা, বোর্ড চেয়ারম্যানরা ওই কর্মশালায় উপস্থিত ছিলেন।

সূত্র মতে, দেড়-দুই মাস সময় নিয়ে পাবলিক পরীক্ষা গ্রহণ করা হয়। এভাবে শিার্থীদের দীর্ঘ সময় ব্যয় করতে হয়। আবার শিক্ষা প্রশাসনও বছরের অধিকাংশ সময় ব্যস্ত থাকে পরীক্ষা নিয়ে। উন্নত দেশে দশ-বারোটি বিষয়ে পাবলিক পরীক্ষা নেওয়া হয় না। সেসব দেশে শুধু গণিত, মাতৃভাষা, ইংরেজি পরীক্ষা গ্রহণ করা হয়। বাকি বিষয়গুলো ক্লাসেই মূল্যায়ন করা হয়। ঐ কর্মশালায় শিক্ষাবিদরা সরকারকে পরামর্শ দিয়েছে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা ১৩টির পরিবর্তে ৯টি বিষয়ে নেওয়া হয়। তুলনামূলক কম গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে ক্লাসে মূল্যায়ন করে বোর্ড পরীক্ষায় নম্বর যোগ করার বিষয় বিবেচনার কথা বলেন। দীর্ঘমেয়াদি পরীক্ষার সূচি না করে, কম সময়ে অথবা দুই বেলা পরীক্ষা গ্রহণ করা যায় কিনা সে বিষয়টিও ভেবে দেখার কথা জানান তারা। এ সবই সুপারিশ বলে জানান তারা। এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

শিক্ষার মান উন্নয়নে মাধ্যমিক স্তরের পাঠ্যবই সহজ ও প্রাঞ্জল ভাষায় রচনা, প্রশ্নপত্র প্রণয়ন, উত্তরপত্র মূল্যায়ন, পাঠ্যক্রম, পাঠ্যসূচি, পাঠ্যপুস্তক, পাঠদান ইত্যাদিতে সংস্কারের বিষয়ে শিক্ষাবিদদের সঙ্গে একমত হয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। গতকাল রবিবার সন্ধ্যায় শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ এ বিষয়ে জানান, বিগত কয়েক দফায় দেশের বরেণ্য শিক্ষাবিদদের নিয়ে কর্মশালার সুপারিশের ভিত্তিতে মন্ত্রণালয় আগামীর করণীয় সম্পর্কে আজ সোমবার দুপুরে সংবাদ সম্মেলন করবে।উলে¬খ্য, শিক্ষার মান উন্নয়ন নিয়ে ১২ নভেম্বর জাতীয় শিক্ষা ব্যবস্থাপনা একাডেমি নায়েম মিলনায়তনে শিক্ষকদের মতামত নিয়েছে মন্ত্রণালয়। পাঠ্যক্রম, পাঠ্যবই পরিবর্তন করার জন্য বইয়ের লেখক, সম্পাদকদের মতামত নেওয়া হয়েছে ২১ নভেম্বর। তাদের মতামতের আলোকে ২৫-২৬ নভেম্বর কক্সবাজারে অনুষ্ঠিত হয় এ আবাসিক কর্মশালা।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

পাঠ্যপুস্তকে স্বাধীনতার ইতিহাস তুলে ধরা হয়েছে : শিক্ষামন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক: শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ বলেছেন, পাঠ্যপুস্তকে মুক্তিযুদ্ধে ও স্বাধীনতার ইতিহাস সঠিকভাবে তুলে ধরা হয়েছে, যাতে শিক্ষার্থীরা আমাদের শিকড় এবং জাতির ইতিহাস নিয়ে গর্ব করতে পারে, অনুপ্রাণিত হতে পারে। এ অনুপ্রেরণা তাদেরকে সাহস যোগাবে।
বৃহস্পতিবার রাজধানীর আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এ কথা বলেন।
নুরুল ইসলাম নাহিদ বলেন, বাঙালী জাতির হাজার বছরের ইতিহাসে গৌরবোজ্জ্বল অধ্যায় হচ্ছে আমাদের মুক্তিযুদ্ধ, আমাদের স্বাধীনতা। আর এই মহত্তম অর্জনের মহানায়ক হলেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। তিনিই বাঙালী জাতিকে জাগিয়ে ছিলেন, অনুপ্রাণিত করেছিলেন। আর এর ফলেই আমরা আজ স্বাধীন জাতি।
মন্ত্রী নাহিদ বলেন, স্বাধীনতা অর্জনের জন্য অনেক রক্ত, ত্যাগ ও জীবন দিতে হয়েছে। স্বাধীনতার লক্ষ্য অর্জন আরো অনেক কঠিন। স্বাধীনতার লক্ষ্য ছিল ক্ষুধা-দারিদ্র্যমুক্ত সুখী সমৃদ্ধ বাংলাদেশ। এতদিনেও তা পুরণ হয়নি। তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ার জন্য তার সুযোগ্য কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ সর্বক্ষেত্রে এগিয়ে যাচ্ছে। এ অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখতে নতুন প্রজন্মকে দক্ষ ও মানবিক মূল্যবোধ সম্পন্ন মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে শিক্ষকদের প্রতি মন্ত্রী আহ্বান জানান।
মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. সোহরাব হোসাইনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. আলমগীর, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব ড. অরুণা বিশ্বাস, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. এস এম ওয়াহিদুজ্জামান এবং আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. জীনাত ইমতিয়াজ আলী বক্তব্য রাখেন।
Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

ঠাকুরগাঁওয়ের দুই সরকারি হাই স্কুলে ৬ষ্ঠ শ্রেণিতে ভর্তি হচ্ছেনা ॥ বিপাকে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা

নিজস্ব সংবাদদাতা, ঠাকুরগাঁও ॥ আসন্ন শিক্ষা বর্ষে ঠাকুরগাঁও শহরের সরকারি বালক ও বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে ৬ষ্ঠ শ্রেণিতে কোন শিক্ষার্থী ভর্তি করা হচ্ছেনা। আর তাই অসংখ্য অভিভাবক দিশেহারা হয়ে ভালো বিদ্যালয়ে পড়ানোর লক্ষ্যে শিশু শিক্ষার্থীদের নিয়ে ছুটছেন পাশর্^বর্তী রংপুর, নীলফামারী, পঞ্চগড় ও দিনাজপুরে। তাঁরা ওই জেলার সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষার কোচিং এর জন্য প্রতিদিন ভোরে কনকনে শীত উপেক্ষা করে পিতা মাতারা শিশু সন্তানদের নিয়ে ওইসব জেলায় যাচ্ছেন ও সন্ধ্যায় ফিরে আসছেন। কেউ কেউ সেখানেই অবস্থান করছেন।

শহরের রুমানা আক্তার রুমি নামে এক মাতা জানান, তাঁর সন্তান শহরের এক সরকারী প্রাথমিক স্কুল থেকে ৫ম শ্রেণির সমাপনী পরীক্ষা দিয়েছে। ঠাকুরগাঁও সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ে ৬ষ্ঠ শ্রেণিতে ভর্তি করানোর উদ্দেশ্যে তিনি দুই বছর থেকে প্রস্তুতি নিয়েছেন। কিন্তু এখন সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ে ৬ষ্ঠ শ্রেণিতে ভর্তি নিচ্ছেনা শুনে তাঁর মাথায় আকাশ ভেঙ্গে পড়েছে। দু’বছর আগে তৃতীয় শ্রেণিতে তার সন্তান অল্পের জন্য ভর্তি হতে পারেনি। তিনি জানান, খুব ভোরে তিনি ছেলেকে নিয়ে পঞ্চগড় যাচ্ছেন। সেখানে ভর্তির কোচিং করিয়ে সন্ধ্যায় আবার ফিরে আসছেন। এরকম অনেক অভিভাবকের একই অবস্থা। অপর অভিভাবক, শাহেদা জাহান কলি জানান, শহরে যে কয়টি বেসরকারি হাইস্কুল রয়েছে সেখানে শিক্ষার্থীদের মাসিক বেতনের হার অনেক বেশি কিন্ত তাতে শিক্ষার ভালো পরিবেশ ও আশাজনক ফলাফল পাওয়া যায় না । তাই তাদের অন্য জেলায় ছুটতে হচ্ছে।

সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আখতারুজ্জামান জানান, তাঁর স্কুলে ৫ম শ্রেণিতে প্রভাতি ও দিবা শাখায় মোট ২৪৯ জন ছাত্র পিএসসি পরীক্ষা দিয়েছে। আশা করছি সবাই পাশ করবে। ৬ষ্ঠ শ্রেণিতে মোট আসন সংখ্যা রয়েছে ২৪০ টি। ভর্তি কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এবার নতুন কোন ছেলে ভর্তি করার সুযোগ নেই। একই কথা বলেন সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা বিলকিস সালাম। তিনি বলেন, আসন ফাঁকা না থাকায় বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়েও কোন মেয়ের ভর্তির সুযোগ নেই। শুধু ৯ম শ্রেণিতে ২২ জন মেয়ে ভর্তি হবে। তিনি জানান, ক্লাস রুম ও শিক্ষকের সংখ্যা বাড়ানো হলে ৬ষ্ঠ শ্রেণির সেকশন বাড়িয়ে ভর্তি নেয়া যেতে পারে। এতে কোন বিধিনিষেধ নেই। যে কোন সরকারি স্কুলেই একাধিক সেকশন খোলা যেতে পারে। তবে শর্ত হলো পর্যাপ্ত কক্ষ ও শিক্ষক থাকতে হবে। কিন্তু ঠাকুরগাঁও শহরের দুটি সরকারি স্কুলের কোনটিতেই পর্যাপ্ত শিক্ষক ও কক্ষ নেই।

বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আখতারুজ্জামান জানান, স্কুলের উত্তরা ভবনের একটি কক্ষে ৪০ জনের বেশি ছাত্রের স্থান সংকুলান হয়না। অথচ সেখানে ৬০ জন ছাত্রকে গাদাগাদি করে বসতে হয়। এতে পাঠদান ব্যাহত হয় দারুন ভাবে।

এব্যাপারে ভর্তি কমিটির সভাপতি জেলা প্রশাসক মো. আব্দুল আওয়াল জানান, আমি যতদূর জানি নতুন সেকশন খুলতে গেলে বোর্ডের পূর্বানুমতি প্রয়োজন। কিন্তু এই মুহূর্তে তা সম্ভব নয়। দুটি স্কুলেই শ্রেণি কক্ষ ও শিক্ষকের স্বল্পতা রয়েছে। তবে আগামী বছর থেকে আমরা পূর্ব প্রস্তুতি গ্রহণ করবো। তাছাড়া আমরা বেসরকারি স্কুলের লেখাপড়ার মান বাড়ানোর চেষ্টা করছি। এগুলির মান বাড়ানো হলে অভিভাবকরা বেসরকারি স্কুলেও সন্তানদের ভর্তি করাতে আগ্রহী হবে। সরকারি স্কুলের উপর ভর্তির চাপ কমবে।

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস জানায়, জেলায় এবার মোট ২৯,০৭৩ জন পিএসসি পরীক্ষা দিয়েছে। এর মধ্যে সদর উপজেলায় পরীক্ষা দিয়েছে ১২,৪৩৩ জন।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

মেডিকেল ছাত্রী নিঝুমের প্রাণ বাঁচাতে সাহায্য করুন

পৃথিবীতে সুন্দরভাবে বেঁচে থাকার স্বপ্ন সবাই দেখে। কিন্তু কে কয়দিন বেঁচে থাকবে তা হয়তো কারও জানা নেই। তবুও এই পৃথিবীর প্রতি প্রগাঢ় ভালোবাসা আর মায়ার পিছনেই আমরা ছুটে বেড়াই। প্রিয় মুখ গুলোকে নিয়ে বেঁচে থাকতে চাই।

ঢাকার ইবনে সিনা মেডিক্যাল কলেজের মেধাবী ছাত্রী জেরিন তাসনিম নিঝুম। সুন্দর ভাবেই হেসে খেলে মেডিক্যাল কলেজের শিক্ষা জীবনের চারটি বছর পার করেছে। বন্ধু বান্ধব আত্মীয়দের সাথে সুন্দর জীবন অতিবাহিত করেছে। কিন্তু হঠাৎ এক ভয়ংকর রোগ সুন্দর জীবনটাকে অন্ধকারে ঢেকে দিলো।

চিকাৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় বলে Acute Myeloid Leukaemia. সহজ ভাষায় যাকে বলা হয় ব্লাড ক্যান্সার। ইতোমধ্যে ডায়াগনোসিস করা হয়েছে। বোন ম্যারো ট্রান্সপ্লান্টের জন্য (৫০-৬০) লক্ষ টাকার প্রয়োজন।

নিঝুমের খুব কাছের বান্ধবী সামিয়া শাখাওয়াৎ সারা জানান নিঝুমের মধ্যবিত্ত বাবা আবদুল করিমের পক্ষে এতো টাকার ব্যয় বহন করা সম্ভব নয়। তিনি তার সর্বোচ্চ টুকু দিয়ে মেয়ের চিকিৎসা করাচ্ছেন। নিঝুমের পরিবার এবং কাছের বন্ধুরা সবার কাছে আরোগ্য লাভের জন্য দোয়া চেয়েছেন। সমাজের হৃদয়বান মানুষের কাছে সহযোগিতার আহ্বান করেছেন।

নিঝুমের চিকাৎসা বৃত্তান্ত এবং সাহায্য পাঠানোর একাউন্ট নাম্বার দেওয়া হল।
ডাচ বাংলা ব্যাংক: ১০৫১০১৩৫৯৩৭ (নিঝুমের পিতা আবদুল করিম)
বিকাশ: ০১৬৭৭৩১৯৮৩৩ (সাবিত)

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

স্কুলছাত্রকে হত্যা, আটক ৪

মুন্সিগঞ্জের সিরাজদিখানে আজ সন্ধ্যা ৬টার দিকে বাহার আলিফ (১৪) নামে এক স্কুলছাত্রকে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে চারজনকে আটক করেছে পুলিশ।

নিহত আলিফ লতব্দী ইউনিয়নের রামকৃষ্ণদী গ্রামের বাদল শেখের ছেলে এবং উপলেজার শেখ মীয়ার হোসেন উচ্চ বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণির ছাত্র।সিরাজদিখান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ইয়ারদৌস হাসান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, নিহতের শরীরে দেশীয় অস্ত্রের (কাচি) আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। তাকে কুপিয়ে ও শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত সন্দেহে চারজনকে আটক করা হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় হত্যা মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

ইবিতে খাবার নিয়ে ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, আহত ৭

মহান বিজয় দিবসের খাবার নেওয়াকে কেন্দ্র করে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার বেলা তিনটার দিকে সাদ্দাস হোসেন হলে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক গ্রুপের কর্মীদের মধ্যে এ ঘটনা ঘটে।

এতে সভাপতি গ্রুপের অন্তত ৭ কর্মী আহত হয়। আহতদেরকে তাৎক্ষনিক ভাবে বিশ্ববিদ্যালয় চিকিৎসা কেন্দ্রে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।এদিকে ঘটনার পর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ঘটনাস্থলে আসলে ছাত্রলীগের এক কর্মী তাকে শারিরীক ভাবে লাঞ্চিত করেছে বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন।

প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার বিজয় দিবস উপলক্ষে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল আবাসিক হল শিক্ষার্থীদের জন্য উন্নতমানের খাবারের আয়োজন করে। বেলা দুইটার দিকে সাদ্দাম হোসেন হলের শিক্ষার্থীদের মাঝে খাবার বিতরণ শুরু করে হল প্রশাসন। এসময় বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক অমিত কুমার দাস গ্রুপের কর্মী ও সাদ্দাম হলের সহ সভাপতি খন্দকার নওশাদ ২৫-৩০ জন ছাত্রলীগ কর্মী ও বহিরাগদের নিয়ে খাবার নিতে আসে।

পরে আড়াই টার দিকে ছাত্রলীগের সভাপতি সাইফুল ইসলাম গ্রুপের নেতা ও সাদ্দাম হলের সভাপতি মেহেদী হাসান নাঈম এবং খাবার বিতরণকারী সেচ্ছাসেবকদের সাথে খাবার নেওয়াকে কেন্দ্র করে সম্পাদক গ্রুপের কর্মীদের কথা কাটাকাটি হয়। এর এক পর্যায়ে সাংগঠনিক সম্পাদক তৌকির মাহফুজ মাসুদ, নওশাদ, উজ্জল হোসেন ডলার, সুজয় কুমার, সাকিল আহম্মেদ সুমনসহ ২৫-৩০ জন নেতাকর্মী ও বহিরাহতরা সভাপতি গ্রুপের কর্মীদের উপর অতর্কিত হামলা চালায়।

এতে সভাপতি গ্রুপের অন্তত ৭ কর্মী আহত হয়। এরা হলেন, জসিম (হিসাব বিজ্ঞান বিভাগ), নীল (হিসাব বিজ্ঞান বিভাগ), জাকির, মিজান, আশিক, হৃদয় (পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগ), হিমেল। আহতদের মধ্যে জসিম ও মিজানের অবস্থা আশংকাজনক। সংঘর্ষের সময় খাবার নিতে আসা সাধারণ শিক্ষার্থীরা ভয়ে দিকবিদিক ছুটতে থাকে। অন্যদিকে সংঘর্ষের ঘটনা শুনে সভাপতি সাইফুল ইসলামের নেতৃত্বে ৩০-৩৫ কর্মী সাদ্দাম হলে আসেন। পরে আহতদেরকে উদ্ধার করে বিশ্ববিদ্যালয় চিকিৎসা কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়। প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে জসিম ও মিজানকে আশংকাজনক অবস্থায় কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

এদিকে ঘটনার পর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর প্রফেসর ড. মাহবুবর রহমান ঘটনাস্থলে বিষয়টি সমাধান করার চেষ্টা করেন। এসময় আরিফুল ইসলাম নামের এক কর্মী প্রক্টরকে লাঞ্চিত করে বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান।

এ বিষয়ে সাদ্দাম হোসেন হল ছাত্রলীগের সভাপতি মেহেদী হাসান নাঈম বলেন, ‘সাধারণ সম্পাদক গ্রুপের কর্মীরা বহিরাগতদের নিয়ে টোকেন ছাড়াই খাবার নেওয়ার চেষ্টা করছিল। এটা ছাত্রলীগের কয়েকজন কর্মী বাধা দিলে সেক্রেটারী গ্রুপ আমাদের উপর অতর্কিত হামলা চালায়। ’

সাধারণ সম্পাদক গ্রুপের খন্দকার নওশাদ কবির বলেন, ‘আমরা খাবার নিতে গেলে হল সেক্রেটারি সাগর বহিরাগতদের নিয়ে আমাদের ডাইনিং রুম থেকে বের করে দেয় এবং খারাপ আচরণ করে। আমরা এর প্রতিবাদ করেছি। ’

সাধারণ সম্পাদক অমিত কুমার দাস বলেন ‘বিষয়টি নিয়ে সভাপতির সাথে কথা বলে দলীয় ভাবে তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে। ’

বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘খাবার নিয়ে কর্মীদের মাঝে কথা কাটাকাটি হয়েছে। ঘটনাটি শুনার সাথে সাথে ঘটনাস্থালে এসে মিমাংসা করেছি। ’

শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করার বিষয়টি অস্বীকার করে প্রক্টর প্রফেসর ড. মাহবুবর রহমান বলেন, ‘ছাত্রলীগের সাথে বহিরাগতরা থাকায় এমনটি হয়েছে। পরে আমি বিষয়টি ঠিক করে দিয়েছি। ’

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

কারিগরি ও মাদ্রাসা বিভাগের সচিব মো. আলমগীর

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদ্রাসা বিভাগের ভারপ্রাপ্ত সচিব পদে নিয়োগ পেলেন প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. আলমগীর। বৃহস্পতিবার (১৫ ডিসেম্বর) এ বিষয়ে এক প্রজ্ঞাপন জারি করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।

সূত্র জানায়, বর্তমান সচিবদের মধ্যে বেশ কয়েকজন অবসরোত্তর ছুটিতে যাওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে পরিবর্তন আনা হয়েছে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

জবির ‘টিএসসি’ দখল করে ফের ব্যবসা

জবি প্রতিনিধি :

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) শিক্ষার্থীদের ঘোষিত শিক্ষক-ছাত্র মিলনায়তন কেন্দ্রের (টিএসসি) জায়গা দখল করে ছাত্রলীগ ফের ব্যবসা বসিয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন শিক্ষার্থীরা।

 

২০১৪ সালের হল আন্দোলনের সময় ছাত্রলীগের নেতৃত্বে শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের বিপরীত পাশে সমবায় ব্যাংকের দখলে থাকা জমি দখল নিয়ে টিএসসি ঘোষণা দেন তারা। ওই টিএসসিতে জবি ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের নির্দেশে ফের কাপড়ের ব্যবসা বসানো হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

 

সূত্র জানায়, পাঁচ থেকে সাত লাখ টাকার বিনিময়ে পুরনো কাপড় ব্যবসায়ী ইউনুসকে তিন মাসের জন্য শীতকালীন কাপড় ব্যবসা করার অনুমতি দেয় ছাত্রলীগ নেতারা। এরপর উন্মুক্ত ওই জায়গার চারপাশে টিন দিয়ে বেড়া দেওয়া হয়েছে।

 

এতে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা। কয়েকটি ছাত্রসংগঠন বিক্ষোভসহ উচ্ছেদের আল্টিমেটামও দেয়। তবুও বহাল তবিয়তে চলছে তাদের ব্যবসা।

 

শিক্ষার্থীরা বলছেন, ছাত্রলীগের নেতৃত্বে আন্দোলন করে ওই জায়গাটি দখলে নিয়েছিলেন তারা। সাধারণ শিক্ষার্থীদের টিএসসির স্বপ্ন দেখিয়ে নেতারাই ব্যবসা করছেন। রক্ষক হয়ে ভক্ষকের কাজ করছেন তারা। এটা লজ্জাজনক। এ ব্যবসার ফলে টিএসসিতে তাদের রোপণ করা কাঠবাদাম গাছগুলোও ক্ষতিগ্রস্ত হবে এবং তাদের নির্মিত একটি মঞ্চও ক্ষতিগ্রস্ত হবে। এজন্য ব্যবসা বন্ধ করার দাবি শিক্ষার্থীদের।

 

শিক্ষার্থীদের স্বপ্নের টিএসটিতে ২০১৪ সালের ১৬ জুন রাতে প্রথমবারের মতো ব্যবসার পথ খুলে বসেন শাখা ছাত্রলীগ সভাপতি শরিফুল ইসলাম। শিক্ষার্থীদের ক্ষোভের মুখে আট দিনের মাথায় ব্যবসা গুটিয়ে নিতে বাধ্য হন তিনি। কিন্তু ব্যবসা থেমে থাকেনি। তারপর থেকে বিভিন্নভাবে ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ। ওই বছরই শীতকালীন কাপড় ব্যবসার জন্য নৌকা মাঝি শ্রমিক লীগের সভাপতি জাবেদ ইকবাল মিঠুর কাছে টিএসসি ভাড়া দেয় তারা। এ নিয়ে গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পর বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা তাদের ব্যবসায় আগুন দিয়ে তাদের উচ্ছেদ করে। এরপর ২০১৫ সালের নভেম্বরে আবারো কাপড় ব্যবসার জন্য ভাড়া দেয় ছাত্রলীগের চার নেতা। শিক্ষার্থীরা উচ্ছেদ করতে গেলে ছাত্রলীগ বাধা দেয়। শিক্ষার্থীদের বাধা পেরিয়ে ওই বছর সফলভাবে ব্যবসা করতে পেরেছিলেন তারা। এর ধারাবাহিকতায় ফের ব্যবসায় বসিয়েছেন তারা। শিক্ষার্থীদের কোনো কথা আমলে নিচ্ছেন না। এতে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছেন তারা।

 

শিক্ষার্থীদের দাবি, দখলকৃত ওই জায়গা তৎকালীন জগন্নাথ কলেজের ছিল। তারা সমবায় ব্যাংকের দখল উচ্ছেদ করেছেন। এরপর থেকে ওই জায়গায় অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো জবির টিএসসি প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন দেখেন শিক্ষার্থীরা। কিন্তু সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নে দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ নেয়নি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। মজার ব্যপার হলো, আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়ে যে ছাত্রলীগ টিএসসি প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন দেখিয়েছিল, সেই ছাত্রলীগই স্বপ্ন বাস্তবায়নে এগিয়ে না এসে স্বপ্ন ধূলিসাৎ করে দিচ্ছে। শিক্ষার্থীদের ক্ষোভের মধ্যেও তারাই প্রতিবছর টিএসসির জায়গা দখল করে মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে শীতের কাপড় ব্যবসার জন্য ভাড়া দেন।

 

বিশ্ববিদ্যালয়ের এস্টেট অফিসার কামাল হোসেন সরকার বলেন, সমবায় ব্যাংকের ওই জায়গাটি বিশ্ববিদ্যালয়কে দিয়ে দিতে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, সমবায় ব্যাংকের চেয়ারম্যান ও সমবায় মন্ত্রণালয়ে চিঠি দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে জমিটি বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়ন্ত্রণেই রয়েছে। তবে কারা জমিটিতে ব্যবসা করছে তা তিনি জানেন না বলে জানান।

 

ব্যবসায়ীরা জানান, গরিবদের মাঝে স্বল্পমূল্যে কাপড় বিক্রি করার জন্য জবি ছাত্রলীগের নেতারা এ জায়গাটিতে ব্যবসা করতে অনুমতি দেন। এতে সমবায় নেতাদেরও সায় রয়েছে।

 

জবি ছাত্রলীগের সভাপতি শরিফুল ইসলাম এবং সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম ব্যবসার বিষয়টি অস্বীকার করে তারা বলেন, এর সঙ্গে তারা জড়িত নন। ছাত্রলীগের কেউ জড়িত থাকলে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 

 

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

আমতলীতে এক নিয়মিত শিক্ষকের নাম গেজেটে নেই

নিজস্ব সংবাদদাতা, আমতলী (বরগুনা) ॥ বরগুনার আমতলী পৌর শহরের খোন্তাকাটা বেগম নুরজাহান সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নিয়মিত শিক্ষক নেছার উদ্দিনের নাম গেজেটে নেই। আছে বিদ্যালয় ও শিক্ষা অফিসে । এনিয়ে তোলপাড় শুরু হয়েছে উপজেলা শিক্ষা অফিসে। হতবাক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটি ও শিক্ষকরা। গেজেটে আছে হাফসা সিদ্দিকী নাম। উপজেলা ও জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তারা বলছেন তাদের প্রেরিত প্রতিবেদনে হাফসা সিদ্দিকীর নাম ছিল না। প্রশ্ন হচ্ছে গেজেটে ওই নাম অন্তভুক্ত হয়েছে কিভাবে ? এনিয়ে উচ্চ পর্যায়ের তদন্তের দাবী করেছেন ক্ষতিগ্রস্থ শিক্ষক নেছার উদ্দিন।

বরগুনা জেলা শিক্ষা অফিসার মো.আবদুল মজিদ জানান আমার প্রেরিত মন্ত্রনালয়ের প্রতিবেদনে শিক্ষক নেছার উদ্দিনের নাম অন্তর্ভুক্ত ছিল। বিদ্যালয় পরিদর্শন কালে হাফসা সিদ্দিকাকে কোন দিন পাইনি। তিনি আরো জানান মন্ত্রনালয়ে প্রেরিত কোন প্রতিবেদনে হাফসা সিদ্দিকার নাম ছিল না কিন্তু কিভাবে জেলা ও উপজেলা শিক্ষা অফিসের প্রেরিত প্রতিবেদন বাদ দিয়ে মন্ত্রনালয় হাফসা সিদ্দিকার নাম অন্তর্ভুক্ত করেছে তা আমার জানা নেই।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

কক্সবাজারে শিক্ষকের উপর হামলা, আটক ২

কক্সবাজার সদরের ইসলামপুর ইউনিয়ন নাপিতখালী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও জেলা ফুটবল দলের সাবেক কৃতি ফুটবলার আবুল কাশেম এর ছোট ভাই সৈয়দ করিম এর উপর হামলার ঘটনা ঘটেছে।

সোমবার বিকাল ৪টায় ফুলছড়ি মাদ্রাসা খেলার মাঠে ক্রিকেট খেলাকে কেন্দ্র করে সন্ত্রাসী উত্তর নাপিতখালী বাশকাটা গ্রামে মৃত ছৈয়দ নুরের ছেলে ওমর আলী, তার ছেলে ও  কবিরসহ ৮/১০ জন সন্ত্রাসী হামলা চালায়।

ঘটনার পরপর হামলার প্রতিবাদে ও ইসলামপুরের চিহ্নিত সন্ত্রাসীদের  গ্রেপ্তারের দাবীতে ফুলছড়ি নতুন অফিস বাজারে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এরপর ঈদগাঁও পুলিশ বিশেষ অভিযান চালিয়ে ২ সন্ত্রাসীকে গ্রেপ্তার করেছে।

প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, ইদগাহ ফরিদ আহমদ ডিগ্রি কলেজের প্রভাষক আবদুল হামিদ, ডুলাহাজারা ডিগ্রি কলেজের প্রভাষক ও কক্সবাজার জেলা রেফারী সমিতির সদস্য আবুল কাসেম, ইসলামপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সাধারন সম্পাদক শাহ জাহান চৌধুরী, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগ সদস্য ও ইউনিয়ন আওয়া্মী লীগের সহ-সভাপতি ফরিদুল আজিম দাদা, ৫নং ওযার্ডের ইউপি সদস্য ও ইসলামপুর ইউনিয়ন আওমী লীগ সাংগঠনিক সম্পাদক আবদু শুক্কুর ,

কক্সবাজার সদর আওয়ামী লীগ উপ প্রচার সম্পাদক  মোহাম্মদ শরিফ, ১ নং ওয়ার্ডের এমইউপি জসিম উদ্দিন, সাবেক কৃতি খেলোয়াড় সিকান্দার, ঈদগাহ হাইস্কুল শিক্ষক  আবদুল মজিদ, ১ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ সাধারন সম্পাদক ও ফুলছড়ি মাদ্রাসার পরিচালনা কমিটির সভাপতি  রেজাউল করিম, প্রচার সম্পাদক নুরূল হুদা। বিক্ষোভ মিছিলে সহ সর্বস্তরের জনসাধারন এই প্রতিবাদ সমাবেশে ও মিছিলে অংশ গ্রহন করেন।

এদিকে সাড়ে বিকাল ৪টার দিকে ঈদগাও তদন্ত কেন্দ্রের এএসআই মহিউদ্দিনের নেতৃত্বে একদল পুলিশ অভিযান চালিয়ে ২ সন্ত্রাসীকে ঘটনাস্থল থেকে গ্রেপ্তার করেন। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, ইসলামপুর উত্তর নাপিতখালী বাশকাটা এলাকার মৃত ছৈয়দ নুরের ছেলে ওমর আলী ও নুরুল করিব।

এব্যাপারে মামলার প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছেন আহত শিক্ষক সৈয়দ করিম।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

‘আপত্তিকর’ কাজে বাধা দেয়ায় রাবি প্রহরীকে মারধর

রাজশাহী প্রতিনিধি : বান্ধবীর সঙ্গে ‘আপত্তিকর’ কাজে বাধা দেওয়ায় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) প্রহরীকে মারধর করেছে এক শিক্ষার্থী। শনিবার বিকেলে সাড়ে ৪টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের রবীন্দ্র কলা ভবনে এ ঘটনা ঘটে। পরে ওই শিক্ষার্থীকে প্রক্টর পুলিশে তুলে দিলেও পুলিশ তাকে ছেড়ে দেয়।

আটক অনিক মুক্তাদির বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী। রাজশাহী মহনগরীর লক্ষীপুরে তার বাসা।

প্রত্যক্ষদর্শী মার্কেটিং বিভাগের অধ্যাপক শিব শঙ্কর রায় জানান, শনিবার বিকেলে আমি একটি পরীক্ষার হলে দায়িত্বরত ছিলাম। এসময় ছাদের উপরে অনিক নামের ওই ছেলেকে এক মেয়ের সঙ্গে আপত্তিকর অবস্থায় দেখতে পাই। তখন আমি আসলাম নামে কর্তব্যরত এক প্রহরীর মাধ্যমে ওই ছেকে ডেকে পাঠাই। ওই প্রহরী অনিককে আমার কথা বললে ওই মেয়ে সেখান থেকে দ্রুত প্রস্থান করে।

এরপর প্রহরী অনিককে আমার কাছে নিয়ে আসতে চাইলে সে ওই প্রহরীকে কিলঘুষি মারতে শুরু করে। পরে পালিয়ে যাওয়ার সময় রবীন্দ্র ভবনের সামনে থাকা শিক্ষার্থীরা তাকে ধরে ফেলে। এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক মজিবুল হক আজাদ খান এই বেলাকে জানান, ‘তাকে পুলিশে দেওয়া হয়েছে। পুলিশ ব্যবস্থা নিবে।’

জানতে চাইলে নগরীর মতিহার থানার ওসি হুমায়ুন কবির  বলেন, ‘তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।’

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

প্রাথমিকে গণিত পরীক্ষা দিতে পারেনি ৪০ হাজার শিক্ষার্থী

নীলফামারী প্রতিনিধি : সারাদেশে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পূর্বনির্ধারিত রুটিন অনুযায়ী শনিবার বার্ষিক পরীক্ষা শুরু হলেও শুধু নীলফামারী জেলার সদর উপজেলায় এর ব্যতিক্রম ঘটেছে।

 

শনিবার ছিল গণিত পরীক্ষা, কিন্তু প্রশ্নপত্র তৈরি না হওয়ায় জেলার সদর উপজেলা প্রাথমিকের ৪০ হাজার শিক্ষার্থী গণিত পরীক্ষা দিতে পারেনি।

 

এ নিয়ে শিক্ষকরা পড়েছেন বিপাকে। সেই সঙ্গে পরীক্ষার প্রস্তুতি নিয়ে প্রথম শ্রেণি হতে চতুর্থ শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষার্থীরা তাদের নিজ নিজ বিদ্যালয়ে এসে পরীক্ষা হবে না জানতে পেরে ফিরে গেছে।

 

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, এ জেলার অপর ৫ উপজেলা ডোমার, ডিমলা, জলঢাকা, কিশোরীগঞ্জ ও সৈয়দপুরে যথানিয়মে পরীক্ষা শুরু হলেও নীলফামারী সদরের ২০৩টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৪০ হাজার শিক্ষার্থী শনিবারের পরীক্ষায় অংশ নিতে পারেনি।

 

সংশ্লিষ্ট সূত্র মতে, রুটিন পরীক্ষা শেষ হলে নতুন করে তারিখ দিয়ে গণিত পরীক্ষা নেওয়া হবে।

 

নীলফামারী সদর উপজেলার বিভিন্ন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকরা জানান, তারা গতকাল শুক্রবার সকাল থেকে উপজেলা শিক্ষা অফিসে প্রশ্নপত্র আনতে গেলে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা প্রশ্নপত্র সরবরাহ করতে কালক্ষেপণ করতে থাকেন। একপর্যায়ে বিকেলেও প্রশ্ন দিতে না পারায় শনিবারের পরীক্ষাটি সবার শেষে গ্রহণ করা হবে বলে শিক্ষকদের জানিয়ে দেন উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা।

 

নীলফামারী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মানিক ভুষণ চক্রবর্তী বলেন, ‘একাডেমিক ক্যালেন্ডার অনুযায়ী কোন পরীক্ষা কখন হবে সেটি নির্ধারণ করা হয়ে থাকে। বার্ষিক পরীক্ষাও সরকারি ক্যালেন্ডার অনুযায়ী হওয়ার কথা। কিন্তু প্রশ্নপত্র তৈরি না হওয়ায় যথাসময়ে অনুষ্ঠিত হচ্ছে না।’

 

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস সূত্র জানায়, এক মাস আগে পরীক্ষার তারিখ নির্ধারণ করা হয় এবং যথাসময়ে পরীক্ষা সম্পন্নের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি গ্রহণ করার কথা। সে হিসেবে শনিবার থেকেই গোটা জেলায় প্রথম শ্রেণি থেকে চতুর্থ শ্রেণি পর্যন্ত বার্ষিক পরীক্ষার দিন নির্ধারণ করা হয়েছে।

 

নীলফামারী সদর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) খন্দকার শরিফুল ইসলাম বলেন, ‘শুক্রবার শিক্ষা বিষয়ে এক কর্মশালায় ব্যস্ত থাকায় প্রশ্নপত্রের বিষয়টি সমাধান করতে পারিনি। এ ছাড়া ছাপাখানা (প্রেস) প্রশ্নপত্র সরবরাহ করতে পারেনি। যে কারণে শনিবারের গণিত পরীক্ষা সব শেষে গ্রহণ করা হবে।’

 

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা দিলীপ কুমার বণিক জানান, বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

 

 

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

Responsive WordPress Theme Freetheme wordpress magazine responsive freetheme wordpress news responsive freeWORDPRESS PLUGIN PREMIUM FREEDownload theme free

hit counter