নিউজ

সুচির নোবেল পুরস্কার বাতিলের আবেদন

suche-1ডেস্ক: ফার্ক গেরিলাদের সঙ্গে দীর্ঘ ৫২ বছরের রক্তাক্ত সংঘাতের ইতি টেনেছেন কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট হুয়ান ম্যানুয়েল সান্তোস। ৫২ বছরের সংঘাতে দেশটিতে প্রায় ২ লাখ ৬০ হাজার মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন।এমন সংঘাতপূর্ণ পরিস্থিতির অবসান ঘটাতে সক্ষম হওয়ায় ২০১৬ সালে সান্তোসকে নোবেল শাস্তি পুরস্কার দেওয়া হয়। অপরদিকে দীর্ঘ সামরিক শাসনের বিরুদ্ধে সংগ্রাম করায় অং সান সুচিকেও নোবেল পুরস্কার দেওয়া হয় ১৯৯১ সালে। নির্বাচনে জয়ী হয়ে তিনি দেশটিতে শান্তি প্রতিষ্ঠা করবেন এটাই ছিল সবার প্রত্যাশা। কিন্তু তিনি ক্ষমতাগ্রহণের পর মিয়ানমারে মুসলিমদের উপর নির্যাতন  আরো বেড়েছে। এ প্রেক্ষাপটে সুচির নোবেল কেড়ে দেওয়ার দাবি উঠেছে বিশ্বব্যাপী।

সুচির নোবেল পুরস্কার ফিরিয়ে নেওয়ার জন্য অনলাইনে এক আবেদনে স্বাক্ষর করেছেন লাখ লাখ মানুষ। ‘চেঞ্জ ডট অর্গ’ এ এই আবেদনে ইতোমধ্যে সই করেছেন লক্ষাধিক মানুষ। ধারণা করা হচ্ছে ইন্দোনেশিয়া থেকে এই আবেদনটি জানানো হয়েছে।

আবেদনে বলা হয়েছে, ‘আন্তর্জাতিক শান্তি এবং ভ্রাতৃত্ববোধ রক্ষায় যারা কাজ করেন, তাদেরকেই নোবেল শান্তি পুরস্কারের মতো সর্বোচ্চ পুরস্কার দেওয়া হয়। সুচির মতো যারা এই পুরস্কার পান, তারা শেষ দিন পর্যন্ত এই মূল্যবোধ রক্ষা করবেন, এটাই আশা করা হয়। যখন একজন নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী শান্তি রক্ষায় ব্যর্থ হন, তখন শান্তির স্বার্থেই নোবেল শান্তি পুরস্কার কমিটির উচিত এই পুরস্কার হয় জব্দ করা নয়তো ফিরিয়ে নেওয়া।’

রোহিঙ্গা মুসলিমদের ওপর মিয়ানমারে ধারাবাহিক নির্যাতনের ব্যাপারে অং সান সুচি তার নিশ্চুপ ভূমিকার কারণে ইতোমধ্যে সমালোচিত হয়েছেন। তিনি এমনকি যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূতকে এমন অনুরোধও জানিয়েছেন যেন রোহিঙ্গাদের এই নামে উল্লেখ করা না হয়।

ইন্দোনেশিয়াসহ বিশ্বের বহু দেশের মানুষ অং সান সুচিকে তার শান্তিপূর্ণ গণতান্ত্রিক আন্দোলনের জন্য শ্রদ্ধা করে একথা জানিয়ে এতে বলা হয়, কিন্তু তার এ ধরণের মন্তব্য বহু মানুষকে ক্রুদ্ধ এবং হতাশ করেছে। মিয়ানমারের মুসলিম সংখ্যালঘুদের ব্যাপারে সুচির মনোভাব আসলে কী, সে ব্যাপারে অনেক প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।

নরওয়ের নোবেল শান্তি কমিটি, যারা এই পুরস্কার দেয়, তাদের প্রতি আবেদনে এই পুরস্কার প্রত্যাহারের দাবি জানানো হয়। এতে বলা হয়, যারা বিশ্ব শান্তি বজায় রাখতে অঙ্গীকারবদ্ধ তাদেরকেই শুধু এই পুরস্কার দেওয়া উচিত। সূত্র: বিবিসি

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

প্রাথমিকে একাধিক সমিতি,সংকটে মন্ত্রনালয়

নিজস্ব প্রতিবেদক: দেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা দ্রুত আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণা করতে যাচ্ছেন। নতুন জাতীয় পে-স্কেল বাস্তবায়ন হলেও প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের কিছু চিহ্নিত সমস্যার কোনো সুরাহা না হওয়ায় সরকারকে আল্টিমেটাম দিয়ে কর্মসূচি ঘোষণা করতে যাচ্ছেন তারা।

প্রধান শিক্ষকদের দ্বিতীয় শ্রেণির গেজেটেড পদমর্যাদা বাস্তবায়ন ও পদমর্যাদা অনুযায়ী প্রবেশ পদে জাতীয় বেতন স্কেলের দশম গ্রেডে অন্তর্ভুক্ত করে প্রধান শিক্ষকদের নাম উল্লেখ করে গেজেট প্রকাশসহ পাঁচ দফা দাব, দীর্ঘ দিন ধরে সহকারী শিক্ষকরদের বন্ধ থাকা পদোন্নতি চালু, ২০১৮ সালের মধ্যে প্রতিটি বিদ্যালয়ে অষ্টম শ্রেণি চালু, জাতীয়করন সরকারী শিক্ষকদের সাথে পুরাতন সরকারী শিক্ষকদের সম্বনয় সহ একাধিক দাবী নিয়ে আন্দোলনের ঘোষনা আসতে পারে।

শিক্ষক নেতারা জানান, ২০১৪ সালের ৯ মার্চ প্রধানমন্ত্রী প্রধান শিক্ষকদের দ্বিতীয় শ্রেণির পদমর্যাদা ও সহকারী শিকদের বেতন এক ধাপ বৃদ্ধির ঘোষণা দেন। তবে তা তিন বছর পার হতে চললেও আজ তা বাস্তবায়িত হয়নি।

তারা বলেন, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের (ডিপিই) আমলাতান্ত্রিক মানসিকতায় সহকারী শিক্ষক পদে পদোন্নতি বন্ধ রয়েছে গত ১০-১২ বছর পর্যন্ত। উচ্চ আদালতের মামলার অবসান হলেও এ পদে পদোন্নতি পিএসসির দোহাই দিয়ে হচ্ছে না।

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি এবং প্রধান শিক্ষকদের একক সংগঠন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক সমিতির নেতারা বলেছেন, প্রাথমিক শিক্ষকদের অপেক্ষার প্রহর শেষ হতে চলেছে। সরকার ও নীতি-নির্ধারকদের অনেক সময় দেয়া হয়েছে। সরকারকে আমরা বিব্রত করতে চাইনি। আমরা অপেক্ষায় ছিলাম, কিন্তু কিছুই তো হচ্ছে না, হবে বলেও কোনো সম্ভাবনা দেখছি না, এ টেবিল ও টেবিলে ফাইল পড়ে আছে। তবে অর্থ মন্ত্রণালয় বলছে বিষয়টি নিয়ে তারা ইতমধ্যে কাজ শুরু করেছে।

মন্ত্রনালয়ের একটি সুত্র বলছে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একাধিক সংগঠন। তাদের একেক সংগঠনের একেক দাবী। প্রধান শিক্ষক বেতন স্কেল জটিলতার ব্যাপারে জানতে চাইলে শিক্ষাবার্তাকে বলেন কেউ গেজেটেড চাই,কেউ উন্নীত বেতন স্কেল চাই। আবার কেউ প্রধান শিক্ষকদের বেতন ঠিক রেখে তার নিচের ধাপে সহকারী শিক্ষকদের বেতন স্কেল চাই। বিষয়ট নিয়ে আমরা চেষ্টা চালাচ্ছি দ্রুত সমাধানের পথ বের করতে।

‘বাংলাদেশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক সমিতি’র সিনিয়ার যুগ্ম সম্পাদক এসএম সাইদুল্লাহ বলেন, প্রধান শিক্ষকদের দ্বিতীয় শ্রেণির গেজেটেড পদমর্যাদা বাস্তবায়ন ও পদমর্যাদা অনুযায়ী প্রবেশ পদে জাতীয় বেতন স্কেলের দশম গ্রেডে অন্তর্ভুক্ত করে প্রধান শিক্ষকদের নাম উল্লেখ করে গেজেট প্রকাশসহ পাঁচ দফা দাবি বাস্তবায়নের জন্য সরকারের কাছে ইতিমধ্যে স্বারকলিপি দেয়া হয়েছে। কিন্তু তার পরের কোন কাজ হচ্ছে না।

প্রধান শিক্ষক সমিতি’র আরেক সিনিয়ার যুগ্ম সম্পাদক স্বরুপ দাস বলেন ১০ গ্রেডসহ উন্নীত বেতন স্কেল না বাস্তবায়ন হলে আমাদের আইনের আশ্রয় নেয়া ছাড়া আর কোন উপায় থাকবে না।

উল্লেখ্য গতকাল বৃহস্পতিবার বিকালে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির নেতারা প্রধানমন্ত্রী বরাবর  উন্নীত বেতন স্কেল বাস্তবায়নসহ ১০ দফা দাবীতে স্বারকলিপি পেশ করেছে।

 

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

প্রাথমিকে মুক্তিযোদ্ধা কোটা মৌখিক পরীক্ষায় ১৫০ পদে প্রার্থী ৩৬৮

চট্টগ্রাম: প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে প্রাক-প্রাথমিকে সহকারী শিক্ষক পদে মুক্তিযোদ্ধা কোটায় চট্টগ্রামে ১৫০ জন নিয়োগ পাচ্ছেন। লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ৩৬৮ প্রার্থীর মধ্যে মৌখিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণরাই এ নিয়োগ পাবেন।

লিখিততে উত্তীর্ণদের মৌখিক পরীক্ষা তিন দফায় ২৬ থেকে ২৮ নভেম্বর চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হবে।  এরই মধ্যে সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় চট্টগ্রামের ২০ শিক্ষা থানার ১ হাজার ৬৩৪টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষাকে তরান্বিত করতে একটি করে সহকারী শিক্ষকের পদ সৃষ্টি করে। সেই প্রেক্ষিতে প্রাক প্রাথমিকে ইতোমধ্যে তিন দফায় নিয়োগ দিয়েছে মন্ত্রণালয়। পরে মুক্তিযোদ্ধা কোটায় নিয়োগের জন্য আবেদন আহবান করে। আবেদন অনুসারে ইতোমধ্যে লিখিত পরীক্ষা নেওয়া হয়েছে।

চট্টগ্রাম জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা নাসরিন সুলতানা  বলেন, থানা শিক্ষা অফিসারদের কাছ থেকে পাওয়া শূন্যপদের তালিকার প্রেক্ষিতে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়কে অবহিত করা হয়। প্রাক প্রাথমিকে সহকারী শিক্ষক পদে ইতোমধ্যে তিন দফায় নিয়োগ দিয়েছে মন্ত্রণালয়। পরে নির্ধারিত ৩০ ভাগ মুক্তিযোদ্ধা কোটায় সহকারী শিক্ষক পদে ২৯ অক্টোবর নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। মুক্তিযোদ্ধা কোটায় চট্টগ্রামের ২০ শিক্ষা থানায় ১৫০টি পদ রয়েছে।

ওই পদে চট্টগ্রামের ৩৬৮ জন নিয়োগ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছেন। উত্তীর্ণদের জেলা প্রশাসন কার্যালয়ে তিন দফায় ২৬ থেকে ২৮ নভেম্বর পর্যন্ত মৌখিক পরীক্ষা নেওয়া হবে। মৌখিক পরীক্ষার পর প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় দেড়শ জনকে নিয়োগ দিবে।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় মুক্তিযোদ্ধা কোটায় উত্তীর্ণ প্রার্থীদের আবেদনের কপি, লিখিত পরীক্ষার প্রবেশপত্র, নাগরিকত্ব সনদ, শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদসহ মুক্তিযোদ্ধা সনদ, মুক্তিযোদ্ধার সাথে সম্পর্ক সনদসহ যাবতীয় কাগজপত্রের মূলকপি ২০ নভেম্বরের মধ্যে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে প্রদর্শন করার জন্য নির্দেশনা দিয়েছেন।

চট্টগ্রাম জেলা মনিটরিং কর্মকর্তা নুর মোহাম্মদ  বলেন, চট্টগ্রামের ২০ শিক্ষা থানার ১ হাজার ৬৩৪ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে একটি করে প্রাক প্রাথমিক শিক্ষার জন্য সহকারী শিক্ষকের পদ সৃষ্টি হয়। ওই পদের ৩০ ভাগ মুক্তিযোদ্ধা কোটায় সহকারী শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, বর্তমানে চট্টগ্রাম জেলার ১৪ উপজেলা ও মহানগরীর ৬ শিক্ষা থানায় প্রধান শিক্ষকের ৪৪২টি ও সহকারী শিক্ষকের ৬৪৮টি শূন্যপদ রয়েছে। প্রধান শিক্ষকের ২ হাজার ২১৭টি পদের মধ্যে বর্তমানে কর্মরত আছেন ১ হাজার ৭৩৫ জন, সহকারী শিক্ষকের ১১ হাজার ২৪৭টি পদের মধ্যে কর্মরত আছেন ১০ হাজার ৫৯৯ জন।

কক্সবাজার জেলার ৮ শিক্ষা থানায় ১৫৩টি প্রধান শিক্ষক ও ৫২৩টি সহকারী শিক্ষকের পদ শূন্য রয়েছে। তিন পাবর্ত্য জেলার (রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান) ২৫ শিক্ষা থানায় ৩২৯টি প্রধান শিক্ষক ও ৩১৭টি সহকারী শিক্ষকের পদ শূন্য বলেও জানান তিনি।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

২০১৮ সালের মধ্যে প্রাথমিক শিক্ষাকে অষ্টম শ্রেণিতে উন্নীত

mustafijurনিজস্ব প্রতিবেদক: প্রাথমিক শিক্ষাকে ২০১৮ সালের মধ্যে অষ্টম শ্রেণিতে উপনীত করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমান। প্রাথমিক ও ইবতেদায়ি শিক্ষা সমাপনী (পিইসি) পরীক্ষা উপলক্ষে বৃহস্পতিবার প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান মন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমান।

মন্ত্রী বলেন, শিক্ষানীতি-২০১০ বাস্তবায়নের আলোকে প্রাথমিক শিক্ষাকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত উপনীত করার কাজ শুরু হয়েছে। এখন শুধু হস্তান্তরের অপেক্ষা। আশা করি ২০১৮ সালের মধ্যে এটি বাস্তবায়ন হবে।

পিইসি পরীক্ষা চালুর পর থেকেই প্রতি বছর পরীক্ষার্থী বাড়লেও এবার প্রায় সাড়ে ত্রিশ হাজার পরীক্ষার্থী কমেছে। পরীক্ষার্থী কমার কারণ সম্পর্কে জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, পরীক্ষার্থী কমার কারণ এখনো স্পষ্ট নয়। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

পিইসি এবং জেএসসি পরীক্ষা নিয়মিত হবে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, পরীক্ষা রাখা না রাখা মন্ত্রপরিষদের সিদ্ধান্ত। তারা চাইলে এটি থাকবে না চাইলে থাকবে না।

অন্যান্য পরীক্ষা আয়োজনে ধারাবাহিকতা বজায় রাখলেও মাঝামাঝি সময়ে কেন হয় এমন প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, পিইসির পরীক্ষার কাঠামোটাই এভাবেই শুরু হয়েছে। তাই ধারাবাহিকতা বজায় রাখা সম্ভব হচ্ছে না।

মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, এবার পরীক্ষা প্রতিদিন সকাল ১১টায় শুরু হয়ে চলবে বেলা দেড়টা পর্যন্ত। তবে অটিস্টিক শিশুদের জন্য অতিরিক্ত ২০ মিনিট সময় দেয়া হবে।

তিনি বলেন, এ বছর প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষায় ২ হাজার ৮৫৭ জন ও ইবতেদায়ী শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষায় ৯০ জন অটিস্টিক পরীক্ষার্থী অংশ নেবে।

মন্ত্রী জানান, এবার মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৩২ লাখ ৩০ হাজার ২৮৮ জন। এর মধ্যে প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষায় ২৯ লাখ ৩০ হাজার ৫৭৩ জন এবং ইবতেদায়ী শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষায় ২ লাখ ৯২ হাজার ৭১৫ জন শিক্ষার্থী অংশ নেবে। এ বছর মোট ৬টি বিষয়ের প্রতিটিতে একশ করে মোট ৬০০ নম্বরের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, এ বছর সর্বমোট ৭ হাজার ১৯৪টি কেন্দ্রে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। এর মধ্যে দেশে ৭ হাজার ১৮৩টি ও বিদেশে ১১টি কেন্দ্র।

উল্লেখ্য, প্রাথমিক ও ইবতেদায়ি শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা শুরু হবে ২০ নভেম্বর। ২০ নভেম্বর ইংরেজি, ২১ নভেম্বর বাংলা, ২২ নভেম্বর বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয়, ২৩ নভেম্বর প্রাথমিক বিজ্ঞান, ২৪ নভেম্বর ধর্ম ও নৈতিকতা শিক্ষা এবং ২৭ নভেম্বর গণিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁসে মেধাবীরাই জড়িত

পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষায় জালিয়াতিতে জড়িতদের অধিকাংশই মেধাবী। বৈদ্যুতিক ডিভাইস ব্যবহার ও ফাঁস হওয়া প্রশ্ন দ্রুত সমাধানের দক্ষতাকে তারা বিপথে কাজে লাগাচ্ছে।

রাজধানীর পল্টন ও লালবাগ এলাকায় মঙ্গলবার রাতে বিশেষ অভিযান চালিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষায় জালিয়াতিতে জড়িত থাকার অভিযোগে চার যুবককে গ্রেফতার করে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।

এ ব্যাপারে বিস্তারিত জানাতে আজ সিআইডি কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে কিছু মেধাবী শিক্ষার্থীর ভর্তি জালিয়াতির সঙ্গে জড়িত থাকার বিষয়টি উঠে আসে ।

সংবাদ সম্মেলনে সিআইডির ডিআইজি (ফরেনসিক) রওশন আরা বলেন, পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষায় ও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষাসহ বেশ কিছু পরীক্ষায় প্রশ্ন ফাঁসে অভিনব জালিয়াতি করে আসছে একটি চক্র। তারা বৈদ্যুতিক ডিভাইস ব্যবহার করে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি ও চাকরির পরীক্ষায় কৃতকার্য হওয়ার সুযোগ করে দিচ্ছে।

গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পেরে সিআইডির সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার এহসার উদ্দিন চৌধরীর নেতৃত্বে সম্প্রতি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ বেশ কয়েকটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রশ্ন ফাঁসের সঙ্গে জড়িত অভিযোগে চারজনকে গ্রেফতার করা হয়।

photo

গ্রেফতারকৃতরা হলেন ২০১৫ সালের ঢাবির ওয়ার্ল্ড রিলিজিয়ন ও কালচার বিভাগের মাস্টার্সের ছাত্র মাসুদ রানা, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের মাস্টার্সের ফার্স্ট ক্লাস সেকেন্ড জুয়েল খান, একই বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০০২ সালে উত্তীর্ণ ভূগোল বিভাগের ছাত্র কায়সার আলম খোকন এবং ঢাবির মার্কেটিং বিভাগের অনিয়মিত ছাত্র রাজিদুল শেখ।

অভিযানে তাদের কাছ থেকে ৫২টি এটিএম কার্ডসদৃশ কমিউনিকেটিং ডিভাইস, ৪৫টি ব্লুটুথ হিয়ারিং ডিভাইস, ৪৭টি সিম, বিভিন্ন কর্মকর্তার নামের সিল, ২টি ডিভাইসযুক্ত কালো রঙের গেঞ্জি, ল্যাপটপ, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীর মার্কশিট, সনদপত্রের ফটোকপি ও জামানতের ১২ লাখ টাকার অগ্রিম চেক জব্দ করা হয়েছে।

রওশন আরা বলেন, চক্রটি প্রথমে জালিয়াতির মাধ্যমে ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থী সংগ্রহ করে। তাদের একটি কক্ষে নিয়ে পরীক্ষার হলে কিভাবে ডিভাইস ব্যবহার করতে হবে তা হাতেনাতে শেখায়। এরপর ভর্তি পরীক্ষার কক্ষে অটো রিসিভ ডিভাইস ও ব্লুটুথ ডিভাইসের মাধ্যমে প্রশ্ন ফাঁস করে। বাইরে থাকা প্রশ্ন ফাঁসকারীরা উত্তর পাঠিয় দিলে তা পূরণ করে।

সিআইডির ডিআইজি (ফরেনসিক) রওশন আরা বলেন, এখন পর্যন্ত এই চক্রটি ঢাবিতে তিনজন, জবিতে চারজনসহ ১২ ছাত্রকে অবৈধভাবে জালিয়াতির মাধ্যমে ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ করিয়েছে।

রওশন আরা বলেন, মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে তারা এসব করে আসছিল। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সর্বোচ্চ সাড়ে ৩ লাখ টাকা পর্যন্ত ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীর কাছ থেকে নেয়ার প্রমাণ আমরা প্রাথমিকভাবে পেয়েছি।

গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে মামলা প্রক্রিয়াধীন। আরও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাদের রিমান্ড চাওয়া হবে। এই সিন্ডিকেটের পেছনে কারা কারা জড়িত তাদেরও খুঁজে বের করা হবে বলে জানান তিনি। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার আব্দুল কাহার আকন্দ, সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার এহসার উদ্দিন চৌধরী।

source: jagonews

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

৩৫তম বিসিএস : নন-ক্যাডারের আবেদনপত্র আহ্বান

pscনিজস্ব প্রতিবেদক : ৩৫তম বিসিএস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ কিন্তু পদ-স্বল্পতার জন্য ক্যাডার পদে সুপারিশ করা যায়নি, এমন প্রার্থীদের নন-ক্যাডার পদে নিয়োগের জন্য আবেদনপত্র আহ্বান করেছে সরকারি কর্মকমিশন (পিএসসি)।

বুধবার পিএসসির ওয়েবসাইটে এ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২০ নভেম্বর থেকে ৮ ডিসেম্বর পর্যন্ত অনলাইনে আবেদন করা যাবে। এ জন্য টেলিটক থেকে সংশ্লিষ্ট প্রার্থীদের মোবাইলে এসএমএস যাবে। ৮ ডিসেম্বর বিকেল পাঁচটার মধ্যে অনলাইনে যারা আবেদন করতে পারবেন না, তাদের প্রার্থিতা বাতিল বলে গণ্য হবে।

গত ১৭ আগস্ট ৩৫তম বিসিএসের চূড়ান্ত ফলে ৫ হাজার ৫৩৩ জন উত্তীর্ণ হন। এর মধ্যে ২ হাজার ১৫৮ জনকে বিভিন্ন ক্যাডারে নিয়োগের সুপারিশ করা হয় এবং পদ-স্বল্পতার কারণে সুপারিশ করা যায়নি, এমন ৩ হাজার ৩৫৯ জনকে নন-ক্যাডারের জন্য রাখা হয়।

শিক্ষাগত যোগ্যতা, বিদ্যমান সব কোটা এবং সরকারের কাছ থেকে পাওয়া শূন্য পদের ভিত্তিতে নন-ক্যাডারে নিয়োগ করা হবে। অনলাইনে আবেদনের সময় প্রার্থী প্রথম শ্রেণির, দ্বিতীয় শ্রেণির নাকি দুটিতেই আবেদন করতে যায়, সেটি উল্লেখ করতে হবে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

এসএসসি পরীক্ষার সময়সূচি প্রকাশ

edu1নিজস্ব প্রতিবেদক : আটটি শিক্ষা বোর্ডে এসএসসি পরীক্ষা শুরু হবে আগামী ২ ফেব্রুয়ারি থেকে। মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড সূত্র এ তথ্য জানিয়েছে।

 

সময়সূচি অনুযায়ী, ২ ফেব্রুয়ারি থেকে আটটি শিক্ষা বোর্ডে (ঢাকা, রাজশাহী, কুমিল্লা, যশোর, চট্টগ্রাম, বরিশাল, সিলেট ও দিনাজপুর) বাংলা প্রথমপত্রের পরীক্ষার মাধ্যমে এসএসসি পরীক্ষা শুরু হবে। পরীক্ষা সকাল ১০ থেকে দুপুর ১টা এবং দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে।

 

আগামী ৪ মার্চ সকাল সাড়ে ৯টায় সংগীতের ব্যবহারিক পরীক্ষা এবং ৫ থেকে ১১ মার্চের মধ্যে বেসিক ট্রেডসহ সব বিষয়ের ব্যবহারিক পরীক্ষা নেওয়া হবে।

 

* পরীক্ষার সময়সূচি : এখানে ক্লিক করুন

 

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

প্রশাসনের সাড়ে ৩শ’ কর্মকর্তার পদোন্নতি চূড়ান্ত

govপ্রশাসনের তিনটি স্তরে সাড়ে তিন শতাধিক কর্মকর্তার পদোন্নতি চূড়ান্ত করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। এর মধ্যে অতিরিক্ত সচিব পদে ৪০ থেকে ৪৫ জন, যুগ্মসচিব পদে ১৫০ জন এবং  উপসচিব পদে ১৬১ জনকে এ পদোন্নতি দেওয়া হবে। এর আগে পদোন্নতি বঞ্চিতরাও রয়েছেন এ তালিকায়। তবে এ সংখ্যা কিছু কম বা বেশি হতে পারে বলে জানা গেছে।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বিভিন্ন সময় আলাদা আলাদাভাবে এসব কর্মকর্তাদের পদোন্নতির বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এখন চূড়ান্ত অনুমোদন দেবে সুপিরিয়র সিলেকশন বোর্ড (এসএসবি)। বৈঠকে চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়ার পরই পদোন্নতি পাবেন এসব কর্মকর্তা।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব ড. কামাল আব্দুল নাসের চৌধুরী শিক্ষাবার্তাকে বলেন, ‘চলতি মাসের মধ্যেই যুগ্মসচিব এবং উপসচিব পদে পদোন্নতির সিদ্ধান্তটি চূড়ান্ত হবে।’ অতিরিক্ত সচিব পদে পদোন্নতির বিষয়টি চূড়ান্ত হচ্ছে কিনা-জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘হতেও পারে।’

জানা গেছে, জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থার (এনএসআই) প্রতিবেদন উপেক্ষা করে ১৯৮৬ সালের ব্যাচকে এবার অতিরিক্ত সচিব পদে পদোন্নতি দেওয়া হচ্ছে। স্বজনপ্রীতি ও ইচ্ছেমতো পদোন্নতি দিতেই এমনটি করা হচ্ছে।

এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে ড. কামাল আব্দুল নাসের মন্তব্য করতে চাননি।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

সরকারি চাকরিজীবীদের অবসরে যাওয়ার বয়স ৬০ বছর

অবশেষে বাড়ছে সরকারি কর্মকর্তাgov-কর্মচারীদের অবসরে যাওয়ার বয়সসীমা। সব কিছু ঠিক থাকলে চলতি বছরের নভেম্বর বা ডিসেম্বরে এ সংক্রান্ত ঘোষণা আসতে পারে। তার আগেই এ সংক্রান্ত আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে বলে জানা গেছে। আপাতত অবসর গ্রহণের এ বয়সসীমা বাড়বে একবছর।  পরবর্তী সময়ে আরও কয়েকটি ধাপে  এই বয়সসীমা বাড়বে বলে জানা গেছে। বিষয়টি নিয়ে অনেকদিন ধরে সরকারের ওপর মহলে   আলোচনা চললেও নানা কারণে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে দেরি করা হচ্ছিল। এ ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের আগ্রহকেই প্রাধান্য দিয়েছেন বলে জানা গেছে। বর্তমানে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অবসরে যাওয়ার  বয়সসীমা রয়েছে ৫৯ বছর এবং মুক্তিযোদ্ধা কর্মচারীদের অবসরের বয়স রয়েছে ৬০ বছর। একবছর বাড়লে সাধারণ গণকর্মচারীর জন্য হবে ৬০ বছর আর মুক্তিযোদ্ধা গণকর্মচারীর বয়স হবে ৬১ বছর।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, মুক্তিযোদ্ধা সরকারি চাকরিজীবীদের অবসরে যাওয়ার বয়স ৬২ বছর আর সাধারণ গণকর্মচারীর অবসরের বয়স ৬১ বছর করার বিষয়টি সক্রিয় বিবেচনাধীন থাকলেও নানা কারণে তা বাস্তবে রূপ পাচ্ছে না। এর আগে গণকর্মচারীদের অবসরের বয়স প্রথমবার বাড়ানো হয় ২০০৯ সালের ১৩ ডিসেম্বর। এ সময় ১৯৭৪ সালের গণকর্মচারী অবসর আইন সংশোধন করে মুক্তিযোদ্ধা গণকর্মচারীদের অবসরের বয়স ৫৭ বছর থেকে বাড়িয়ে ৫৯ বছর করা হয়।

সর্বশেষ ২০১১ সালের ৩ ফেরুয়ারি আলোচ্য আইন পুনরায় সংশোধন করে সব ধরনের গণকর্মচারীর অবসরের বয়স ৫৯ বছর করা হয় আর মুক্তিযোদ্ধা গণকর্মচারীর অবসরের বয়স করা হয় ৬০ বছর।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, বয়স বাড়ানোর ক্ষেত্রে আদালতেরও একটি নির্দেশনা রয়েছে। বয়স বাড়ানো হলে পদোন্নতির সুযোগ খুব কাছে থাকলেও তা পিছিয়ে যায়। তাই বয়স বাড়ানোর প্রক্রিয়া নিয়ে অনেকেই আপত্তি করছেন। এদিকে সর্বোচ্চ আদালতরে আদেশ প্রতিপালনে বাধ্য আমরা। তবে একসঙ্গে চাকররি বয়স ৬৫ বছরে উন্নীত করলে নানা রকম জটিলতা সৃষ্টি হবে প্রশাসনে। খুব সহজে এই জটলিতা কাটিয়ে ওঠা সহজ হবে না। এজন্য আপাতত সর্বোচ্চ আদালতের প্রতি সম্মান রেখে সরকারি চাকরিজীবীদের বয়স বাড়ানোর চেষ্টা চলছে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

শিক্ষকদের অবসর সুবিধা প্রদানে নিষ্ক্রিয়তা কেন বেআইনি নয়’

বেসরকারি শিক্ষকদের অবসরকালীন সুযোগ-সুবিধা দিতে বিবাদের নিষ্ক্রিয়তা ও ব্যর্থতাকে কেন বেআইনি ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।

আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে মন্ত্রী পরিষদ সচিব, অর্থসচিব, শিক্ষা সচিবসহ সংশ্লিষ্ট ১৫ জনকে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

এক রিট আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে হাইকোর্টের বিচারপতি ওবায়দুল হাসান ও বিচারপতি কৃষ্ণা দেবনাথের হাইকোর্ট বেঞ্চ এই আদেশ দেন।

একইসঙ্গে অবসরে যাওয়ার ৬ মাস পরও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের যেসকল শিক্ষক সুযোগ-সুবিধা পাননি (ভাতাদি) তাদের সংখ্যা এবং বেসরকারি শিক্ষক অবসরকালীন সুযোগ সুবিধা সংক্রান্ত বোর্ডের (বেনবেইজ) ফান্ডে কত টাকা রয়েছে তার পরিমাণও জানতে চেয়েছেন আদালত।

বেনবেইজের সদস্য সচিব, এ সংক্রান্ত ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্যকে আগামী তিন মাসের মধ্যে আদালতে প্রতিবেদন আকারে তা দাখিল করতে বলা হয়েছে।

আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট মনজিল মোরসেদ। অপরদিকে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন সহকারি অ্যাটর্নি জেনারেল সমরেন্দ্র নাথ বিশ্বাস।

আদেশের বিষয়ে আইনজীবী মনজিল মোরসেদ জানান, এর আগে সংবাদপত্রে ‘জীবন সায়াহ্নে ৭৬ হাজার শিক্ষকের আহাজারি’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশ পায়। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৭ অক্টোবর সংশ্লিষ্টদের প্রতি লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হয়।

ওই নোটিশের জবাব না পেয়ে জনস্বার্থে একটি রিট আবেদন করে হিউম্যান রাইটস এ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশ। রিটে পত্রিকায় প্রকাশিত প্রতিবেদন সংযুক্ত করে দেওয়া হয়। আজ ওই রিটের শুনানি করে আদালত এই নির্দেশ দেন।

পত্রিকায় প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়,সারাজীবন শিক্ষকতা করে অবসর গ্রহণের পর জীবন সায়াহ্নে এসে প্রায় ৭৬ হাজার শিক্ষক কল্যাণ ট্রাস্ট ও অবসর সুবিধার অর্থ না পেয়ে আহাজারি করছেন।

শিক্ষকদের এমপিওর (মান্থলি পে অর্ডার) ২ শতাংশ অর্থ কেটে রাখা হয় বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারী কল্যাণ ট্রাস্ট তহবিলে। আর ৪ শতাংশ কেটে রাখা হয় অবসর সুবিধা বোর্ড তহবিলে। মাসিক বেতনের অংশ থেকে কেটে রাখা অর্থ এই খাতে জমা রাখলেও চাকরি শেষে তা পাওয়ার জন্য পোহাতে হচ্ছে অশেষ ভোগান্তি। বার্ধক্যে উপনীত শিক্ষকরা জীবনের শেষ সময়গুলোয় একটু ভালো থাকতে, সুস্থ থাকতে এই টাকার জন্য রাজধানীর নীলক্ষেতে বেনবেইস ভবনে দায়িত্বরত কর্মকর্তাদের দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন।

শিক্ষকদের অনেকে রোগাক্রান্ত কিন্তু অর্থাভাবে চিকিৎসা করতে পারছেন না। প্রয়োজনীয় ওষুধ কিনতেও পারছেন না। শিক্ষকদের অনেকেই মারা গেছেন অবসরভাতার অর্থ হাতে না পেয়েই। এ অর্থের জন্য আবেদন করলেও তাদের অর্থ ছাড় হচ্ছে চার থেকে ছয় বছর পর।

শিক্ষকরা অবসরে যাওয়ার পর আবেদন করলে তাদের চার-পাঁচ বছর পর খোঁজ নিতে বলা হচ্ছে সংশ্লিষ্ট কার্যালয় থেকে। সরকারের অর্থপ্রাপ্তির পর হয়তো শিক্ষকদের অবসর সুবিধার অর্থ পেতে বেশি দুর্ভোগ পোহাতে হবে না্।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সংকট মেটাতে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক খুঁজছে সরকার

%e2%80%8dshikkha-picডেস্ক নিউজ: সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক সংকট মেটাতে এবার বিনা বেতনে ও বিনা সম্মানিতে কাজ করতে ইচ্ছুক এমন অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক খুঁজছে সরকার। অবসরপ্রাপ্ত আগ্রহী শিক্ষকদের তালিকা চেয়ে জেলা শিক্ষা অফিসারদের কাছে চিঠিও পাঠিয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর।
অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, সারা দেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া চলমান থাকার পরও শিক্ষকের অনেক পদ শূন্য রয়েছে। ফলে ওই সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পাঠদান বিঘ্নিত হচ্ছে। মানসম্মত প্রাথমিক শিক্ষা বাস্তবায়নেও সমস্যা সৃষ্টি হচ্ছে। এছাড়া আদালতের রায়ের আলোকে পুলভুক্ত শিক্ষকদের নিয়োগ না দিয়ে নতুন করে শিক্ষক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিও প্রকাশ করা যাচ্ছে না। এ কারণে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদের দিয়ে প্রতি উপজেলায় ১০ জনের একটি শিক্ষক রিসোর্স পুল গঠন করা হবে।
মাঠ পর্যায়ে পাঠানো চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, ‘এ কার্যক্রম সম্পূর্ণ বিনা বেতনে এবং বিনা সম্মানিতে এবং সমাজ কল্যাণমূলক কার্যক্রম হিসাবে বিবেচিত হবে। এ কাজের স্বীকৃতি হিসাবে সনদপত্র দেওয়া যেতে পারে।’
এর আগেও উপজেলা পর্যায় থেকে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদের তালিকা সংগ্রহ করা হয়েছে। সেখানে বিনা বেতনে, বিনা সম্মানিতে কথাটি উল্লেখ ছিল না। তবে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর বলছে, ‘অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদের তালিকা চেয়ে পাঠানো আগের চিঠিটি বাতিল করা হয়েছে, যেখানে বিনা বেতনে শব্দটি উল্লেখ ছিল না’।
একটি সূত্র জানিয়েছে, অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদের নিয়োগ দেয়া হবে এমন বিষয়টি প্রকাশ পাবার পর বিভিন্ন মহল থেতে তদ্বির শুরু হয়। এছাড়া পুল শিক্ষক এবং প্যানেল শিক্ষক নিয়ে মন্ত্রণালয়ের তিক্ত অভিজ্ঞতা রয়েছে। যে শিক্ষকদের নিয়োগ দেয়া হবে তাদের বেতন ভাতা সংক্রান্ত জটিলতা ছাড়াও আইনি সমস্যা সৃষ্টি হতে পারে। এ কারণে আগের চিঠি বাতিল করে বিনা বেতনে, বিনা সম্মানিতে কথাটি সংযুক্ত করে দেওয়া হয়েছে।
গতকাল নওগাঁ থেকে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক আনোয়ার হোসেন এসে জানতে চান, ‘তালিকায় আমার নাম পাঠানো হয়েছে। কবে নিয়োগ পাব। বেতন দেয়া হবে।’ তখন অধিদপ্তরের এক কর্মকর্তা তাকে জানান, স্বেচ্ছায় বিনাবেতনে কাজ করতে হবে। একথা শোনার পর অবসরপ্রাপ্ত ওই শিক্ষক বলেন, এটা কেমন কথা। এই বয়সে এসেও বিনাবেতনে কাজ করব। তিনি বলেন, ‘আমি সরকারের এই শর্তে রাজি নই। তালিকা থেকে আমার নাম বাদ দিন। ’
যার স্বাক্ষরে এই চিঠি জেলা পর্যায়ে পৌঁছেছে তিনি হলেন প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক আনোয়ারুল হক। গতকাল সোমবার তিনি শেষ দিনের অফিস করেছেন। এর আগের দিন তিনি অবসরের জন্য আনুষ্ঠানিক বিদায় নেন অধিদপ্তর থেকে। এই কর্মকর্তা ইত্তেফাক প্রতিনিধিকে জানান, ‘অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদের কাছ থেকে মতামত, পরামর্শ নেয়া হবে। বিনা সম্মানিতে এদের কাজ করতে হবে। এর আগে যে তালিকা নেয়া হয়েছে তা বাতিল করা হয়েছে’।
একাধিক জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা জানিয়েছেন, আগের তালিকা থেকে বাছাই শেষে শিক্ষকদের নির্ধারিত সম্মানি দিয়ে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেবে সরকার আমরা এমনই ধারণা করেছি। এমনভাবে বিষয়টি প্রকাশের কারণে অসংখ্য অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক আবেদন করেছেন, যারা আবারো এ পেশায় অর্থের বিনিময়ে শ্রম দিতে চান। মন্ত্রণালয় থেকে চিঠিতে সুনির্দিষ্ট কোনো বেতন বা নিয়োগের কথা ছিল না। তবে আমরা খবর নিয়ে জেনেছি তাদের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেবে, বেতন ভাতাও দেয়া হবে।
ঝালকাঠির জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা নির্মল চন্দ্র হালদার জানিয়েছেন, এর আগে সম্মানি দেয়া হবে এ কারণে শিক্ষকরা আবেদন করেছেন। এমন ৭০ শিক্ষকের তালিকা অধিদপ্তরে পাঠানো হয়েছে। তবে এবার বিনা বেতনে বলার কারণে আর শিক্ষকরা আগ্রহী হচ্ছেন না। রাজাপুর থেকে তিনজন শিক্ষক আবেদন করেছেন যারা স্বেচ্ছাশ্রমে শিক্ষকতায় রাজি। তিনি বলেন, তেমন সাড়া পাওয়া যাচ্ছে না। যতগুলো আবেদন পাওয়া যায় তা নভেম্বরের মধ্যেই অধিদপ্তরে পাঠানো হবে। এ সংক্রান্ত আগের চিঠিও বহাল বলে তিনি জানেন।
টাঙ্গাইলের জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আতাউর রহমান বলেন, বিনা বেতনে কাজ করতে রাজি নন কেউ। এছাড়া কোনো সম্মানি বা বেতন ছাড়া একজন শিক্ষককে কিভাবে শিক্ষকতার প্রস্তাব দেব এটা নিয়েও দ্বিধাদ্বন্দ্বে আছি। তবু মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্ত মেনেই কাজ করতে হবে।
প্রাথমিক প্রধান শিক্ষক সমিতির সিনিয়ার যুগ্ন সম্পাদক স্বরুপ দাস বলেন অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদের নিয়োগের বিষয়টি ভাল। তবে বিনা বেতনে শিক্ষকতা এটা আমাদের কাম্য নয়। নুন্যতম একটা সম্মানী দিলে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকরা এ পেশায় এগিয়ে আসত বলে তিনি মনে করেন।
চাকরি প্রার্থীরা একমত নন
তবে সরকারের এই উদ্যোগের সাথে একমত নন চাকরিপ্রার্থীরা। তাদের বক্তব্য, সরকার নিয়োগ দিয়েই শিক্ষক সংকট মেটাতে পারে। কিন্তু দীর্ঘদিন চাকরির পর আবার কেন তাদের নিয়োগ দেয়া হবে। নিয়োগ দিতে না পারার ব্যর্থতা মন্ত্রণালয়ের। সরকারের এই সিদ্ধান্তে দেশে বেকারের সংখ্যা আরো বাড়বে।
রাজধানীর মিরপুর কলেজ থেকে স্নাতক ডিগ্রিধারী আমিনুল ইসলাম বলেন, চাহিদা অনুযায়ী কর্মসংস্থান না থাকায় প্রাথমিক শিক্ষায় এখন উচ্চতর ডিগ্রিধারীরাও যাচ্ছেন। কিন্তু সরকার যদি উচ্চতর ডিগ্রিধারীদের নিয়োগ না দিয়ে অবসরপ্রাপ্তদের খুঁজে খুঁজে আবার নিয়োগ দেয় তাহলে আমরা কোথায় যাব।
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সংখ্যা ৬৩ হাজার
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, দেশে বর্তমানে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ৬৩ হাজার ৬০১টি। নতুন জাতীয়করণ করা হয়েছে প্রায় ২৬ হাজার স্কুল। এসব বিদ্যালয়গুলোর শিক্ষকের সংখ্যা প্রায় সাড়ে ৩ লাখ। বর্তমানে ৩০ হাজার শিক্ষকের সংকট রয়েছে।
মহাপরিচালকের বক্তব্য
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো: আলমগীর বলেন, অবসরপ্রাপ্ত ভালো শিক্ষক যাতে হারিয়ে না যান সে কারণে এ উদ্যোগ। অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকরা শিক্ষা সংক্রান্ত বিভিন্ন পরামর্শ দেবেন। অন্য শিক্ষকরা মতামত নেবেন। সভায় তাকে ডাকবেন। এই সব শিক্ষককে ক্লাস নিতে হবে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ওই শিক্ষক যদি মনে করেন ক্লাস নেয়া দরকার তাহলে ক্লাস নেবেন। আর কোনো সভায় যদি সম্মানি থাকে তবে অন্যান্যদের মতো তিনিও পাবেন।  ট্রেনিংয়ে বক্তা হিসাবে আনা হবে। সম্মানি থাকলে অন্যান্যদের মতো তিনিও পাবেন।
তিনি জানান, এখন শিক্ষক সংকট কমে গেছে। ১২ হাজারের মতো শিক্ষক পদ শূন্য আছে।
Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

দর্শনায় দক্ষিনচাদপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মিড ডে মিল চালু

damurhuda-mid-day-pic14-11-16দর্শনা অফিস : চুয়াডাঙ্গায় দামুড়হুদা উপজেলার দর্শনায় দক্ষিনচাদপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ব্যক্তিগত উদ্যোগে একটি স্কুলের শিক্ষার্থীদের জন্য দুপুরের খাবার দেওয়া (মিড ডে মিল) কার্যক্রম শুরু হয়েছে। সোমবার দুপুর সাড়ে ১টায় শহরের দক্ষিন চাদপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এই মিড ডে মিল কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন দামুড়হুদা উপজেলা চেয়ারম্যান আজিজুর রহমান ও জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার রমেন্দ্রনাথ পোদ্দার।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভাইচ চেয়ারম্যান আব্দুল কাদের,সালমা জাহান পারুল,সহকারী জেলা প্রাঃশিঃ অফিসার গোলাম নবী, উপজেলা শিক্ষা অফিসার(চুয়াডাঙ্গা) আবু হাসান, সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার আশরাফ, তাজকীর ,আবিদ আজাদ,মমতাজ পারভীন, সহকারী ইন্সট্রাক্টর নুরুজাম্মান, প্রাথমিক প্রধান শিক্ষক সমিতির উপদেষ্টা আরতি হালসানা,সিনিয়ার সহসভাপতি হেলেনা পারভীন, সাধারন সম্পাদক স্বরূপ দাস, প্রধান শিক্ষক সাইফুল আলম, প্রধান শিক্ষক নজরুল এবং দঃচাদপুর সপ্রাবি প্রধান শিক্ষক ও সমিতির সিনিয়ার সহ সভাপতি হাসানুল আলম। অনুষ্ঠান সঞ্চালন করেন উপজেলা শিক্ষা অফিসার নুরজাহান।
জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার রমেন্দ্রনাথ পোদ্দার বলেন কোনো দরিদ্র শিশু শিক্ষার্থীই দুপুরের খাবারের জন্য দুর্বল ও ক্ষুধায় কষ্ট পেয়ে ঝরে যাবে না। লেখাপড়ার মনোবল হারাবে না। এমন প্রত্যয় নিয়েই কাজ করলে শিশুরা ঝরে পড়বে না। প্রাথমিক শিক্ষায় কাঙ্খিত লক্ষ্য অর্জিত হবে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

কামিল পরীক্ষার ফল প্রকাশ

অনলাইন ডেস্ক: ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) অধীনে মাদরাসার কামিল (স্নাতকোত্তর) পরীক্ষা-২০১৪ এর ১ম ও ২য় পর্বের ফলাফল রোববার বেলা ১২টায় প্রকাশিত হয়েছে। ফলাফল পাওয়া যাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব ওয়েবসাইটে (www.iu.ac.bd)।

বিশ্ববিদ্যালয় পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অফিস সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

এ বছর কামিল প্রথম পর্বের শিক্ষার্থী ছিল ১৮৫২৬ জন। চূড়ান্ত পরীক্ষায় ১৮ হাজার ৪০ জন অংশ নিয়ে ১৭ হাজার ৬৯১ জন পাস করে। পাসের হার ৯৮.০৭। এছাড়াও কামিল দ্বিতীয় পর্বের ১৪৮১৭ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে ১৪৬৮০জন চূড়ান্ত পরীক্ষায় অংশ নেয়। এর মধ্যে ১৪৪৩৭ জন শিক্ষার্থী পাস করে। পাসের হার ৯৮.৩৪ জন।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

নিয়োগের ২০ মাস পরও বেতনহীন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রহরীরা

নিয়োগের পর প্রায় ২০ মাস অতিবাহিত হলেও এখনও বেতন পাচ্ছেন না দেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দফতরি কাম প্রহরীরা। তারা বকেয়া বেতন অতি দ্রুত পরিশোধের দাবি জানিয়েছেন। রবিবার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে ‘বাংলাদেশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারিবৃন্দ’র ব্যানারে করা এক মানববন্ধনে তারা এ দাবি জানান।

.

মানববন্ধনে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দফতরি কাম প্রহরীরামানববন্ধনে বক্তারা বলেন, ‘দেশের প্রায় ৪২টি উপজেলায় দফতরি কাম প্রহরী পদে সরকারের সব নীতিমালা অনুযায়ী নিয়োগপত্র পেয়ে আমরা যোগদান করি। যোগদান করার পর থেকে বিদ্যালয়ে আমরা যথারীতি কর্মরত আছি। কিন্তু দীর্ঘ ২০ মাস অতিবাহিত হলেও আমরা এখনও বেতন-ভাতা পাইনি। ফলে আমাদের প্রতিটি পরিবার মানবেতর জীবনযাপন করছে।’

তারা আরও বলেন, ‘বিদ্যালয়ে ২৪ ঘণ্টা কর্মরত থাকায় আমাদের অন্য কোনও কাজ করে উপার্জন করাও সম্ভব হচ্ছে না।’ মানববন্ধনে অতি দ্রুত বকেয়া বেতন-ভাতা পরিশোধের দাবিও জানান বক্তারা।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

গাইড থেকে প্রশ্ন : ৫ শিক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ

eduকুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের জেএসসি পরীক্ষার বাংলা ১ম পত্রের প্রশ্নপত্র প্রণয়ন ও পরিশোধনের দায়িত্ব পালনে অযোগ্যতা ও অবহেলার কারণে সংশ্লিষ্ট পাঁচ শিক্ষকের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। রোববার মন্ত্রণালয়ের উপসচিব সুবোধ চন্দ্র ঢালী স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়।

প্রশ্ন প্রণয়নকারী শিক্ষক হলেন ফেনী সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আবদুল ওহাব এবং প্রশ্ন পরিশোধনকারীরা হলেন কুমিল্লা জিলা স্কুলের সহকারী শিক্ষক রিক্তা বড়ুয়া, কুমিল্লা ক্যাডেট কলেজের সহকারী অধ্যাপক নাদিরা ইয়াসমিন, চাঁদপুর হাসান আলী সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নাছিমা খানম ও নোয়াখালী সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মো. শামিম আক্তার।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, এই পাঁচ শিক্ষকের বিরুদ্ধে অবিলম্বে দুর্গম স্থানে বদলিসহ বিভাগীয় কার্যক্রম গ্রহণ করা হবে।

শিক্ষা বোর্ডের সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা থাকা সত্ত্বেও বাজারে প্রকাশিত গাইড বই থেকে প্রশ্ন করায় তাদের বিরুদ্ধে এ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

Responsive WordPress Theme Freetheme wordpress magazine responsive freetheme wordpress news responsive freeWORDPRESS PLUGIN PREMIUM FREEDownload theme free