ক্যাম্পাস

একাদশে ‘দেড় লাখ ভর্তি বঞ্চিতদের’ ফের আবেদন শুরু

ডেস্ক,১০ জুলাই:

চলতি মাসের এক তারিখ থেকে সারাদেশের কলেজগুলোতে একাদশ শ্রেণির ক্লাশ শুরু হয়েছে। তবে এখনও ভর্তি হতে পারেনি দেড় লাখেরও বেশি শিক্ষার্থী। এ পর্যন্ত ভর্তি হয়েছে ১২ লাখ ৫৬ হাজার ৩২৬ জন। অন্যদিকে, এবার কলেজ ভর্তির জন্য আবেদন করেছিল ১৪ লাখ ১৬ হাজার শিক্ষার্থী। এছাড়া মাধ্যমিক পাস করা শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় আড়াই লাখ শিক্ষার্থী কলেজে ভর্তির জন্য আবেদন করেনি। যাদের একটি বড় অংশ শিক্ষা থেকে ঝরে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।



তবে একাদশ শ্রেণিতে যেসব শিক্ষার্থী বিভিন্ন কারণে ভর্তি হতে পারেনি কিংবা ভর্তির আবেদন করতে পারেনি তাদের ফের আবেদনের সুযোগ দিচ্ছে শিক্ষা বোর্ডগুলো। আজ বুধবার থেকে ম্যানুয়াল প্রক্রিয়ায় ভর্তির আবেদন কার্যক্রম শুরু হচ্ছে। আগামী ১৬ জুলাই পর্যন্ত চলবে এ আবেদন। কলেজে আসন শূন্য থাকা সাপেক্ষে আগামী ২৭ জুলাইয়ের মধ্যে তাদের ভর্তি করা হবে। সংশ্লিষ্ট বোর্ডসূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

জানা যায়, এ বছর ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের অধীন কলেজগুলোতে একাদশ শ্রেণীতে ভর্তি হয়েছে তিন লাখ ১৬ হাজার ৮৬৩ শিক্ষার্থী। দেশের অন্যান্য শিক্ষা বোর্ডের তুলনায় এই বোর্ডে শিক্ষার্থী ভর্তির হার সবচেয়ে বেশি। এ বোর্ডে এখনও আসন খালি রয়েছে প্রায় দুই লাখ। তাই শেষ পর্যন্ত কোন শিক্ষার্থীই ভর্তি প্রক্রিয়ার বাইরে থাকবে না বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

শিক্ষা বোর্ড কর্মকর্তারা বলছেন, ভর্তি না হওয়া শিক্ষার্থীদের অনেকে ভর্তির জন্য আবেদন করে কলেজ পেয়েও ভর্তি হয়নি। অন্যদিকে, অনেকে আবার ভর্তির জন্য আবেদন করেনি। কিন্তু এখন এদের ভর্তির প্রক্রিয়া কি হবে; তারা কি ভর্তি হতে পারবে? এমন প্রশ্নের জবাবে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সভাপতি অধ্যাপক মু. জিয়াউল হক বলেন, আবেদনকারী সকল শিক্ষার্থীই ভর্তির সুযোগ পাবে। কারণ অসংখ্য আসন খালি আছে। এক্ষেত্রে ভর্তিচ্ছুরা কলেজে গিয়ে আসন খালি থাকা সাপেক্ষে সরাসরি ভর্তি হতে পারবে।

এর আগে গত ১২ থেকে ২৩ মে পর্যন্ত একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির জন্য অনলাইন ও মোবাইলে এসএমএস করে আবেদনের সুযোগ পায় এসএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা। একেকজন শিক্ষার্থী অনলাইনে পাঁচ থেকে ১০টি কলেজের জন্য আবেদন করার সুযোগ পায়। এদিকে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আবেদন করেছেন ১৪ লাখ ১৫ হাজার ৮২৫ জন শিক্ষার্থী। তবে মাধ্যমিকে উত্তীর্ণদের মধ্যে ২ লাখ ৪২ হাজার ৪২ শিক্ষার্থী একাদশে ভর্তির জন্য প্রথম ধাপে আবেদন করেননি। গত বছরও প্রথম ধাপে আবেদনের বাইরে ছিল প্রায় আড়াই লাখ।

শিক্ষা বোর্ড কর্মকর্তারা জানান, প্রতিবছরই এভাবে বেশকিছু শিক্ষার্থী কলেজ পর্যায়ে এসে শিক্ষার সাধারণ ধারায় থাকে না। তারা হয় কারিগরি ডিপ্লোমা বা বিদেশে চলে যায়। এভাবে কিছু শিক্ষার্থী ঝরে পরে। মেয়েদের অনেকের এই সময়ে বিয়ে হয়ে যায়। ফলে তারা সাধারণ কলেজ ভর্তির বাইরে থেকে যায়।

এবার কলেজে ভর্তি হতে ১০ লাখ ৫২ হাজার ১৮৪ জন অনলাইনে এবং ৩ লাখ ৭৪ হাজার ২২২ জন এসএমএসের মাধ্যমে আবেদন করেছে। ১৪ লাখ ১৫ হাজার ৮২৫ শিক্ষার্থীর কাছ থেকে ৬২ লাখ ৪৯ হাজার ৮৬টি আবেদন জমা পড়েছে। এর মধ্যে অনলাইনে ৫৮ লাখ ৬২ হাজার ৯৫টি এবং এসএমএসের মাধ্যমে ৩ লাখ ৮৬ হাজার ৯৫১টি আবেদন।

এবার ঢাকা বোর্ডে তিন লাখ ৯৯ হাজার ১৯৫ জন, রাজশাহীতে এক লাখ ৮৮ হাজার ৫৮২ জন, চট্টগ্রামে এক লাখ ২২ হাজার ৩৬ জন, কুমিল্লায় এক লাখ ৫৬ হাজার ৯৪৫ জন, যশোরের এক লাখ ৫৩ হাজার ৩৯৪ জন, বরিশালে ৭৭ হাজার ৪২০ জন, সিলেটে ৮০ হাজার ১৬২ জন, দিনাজপুরে এক লাখ ৪৭ হাজার ৯৭৮ জন, ময়মনসিংহে ৯৬ হাজার ৫৪৩ জন এবং মাদ্রাসা বোর্ডে এক লাখ ২৮ হাজার ৮১৮ শিক্ষার্থী কলেজে ভর্তি হতে আবেদন করেছে।

এদিকে, সম্প্রতি আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সভাপতি অধ্যাপক মু. জিয়াউল হক স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, আগামী ১০ থেকে ১৬ জুলাই ভর্তি বঞ্চিত শিক্ষার্থীরা নূন্যতম জিপিএ থাকা সাপেক্ষে কলেজে ম্যানুয়াল ভর্তির আবেদন জমা দিবে। আবেদনগুলো বিবেচনা করে আগামী ১৮ জুলাই শূন্য আসনের ভিত্তিতে কলেজ ভর্তিযোগ্যদের মেধাভিত্তিক তলিকা প্রকাশ করবে। আগামী ২০ জুলাই থেকে ২৭ জুলাই কলেজগুলো শূন্য আসনে ভর্তি গ্রহণ করবে। আর ৩০ জুলাইয়ের মধ্যে কলেজগুলোকে বোর্ডে ভর্তিকৃত শিক্ষার্থী তালিকা বোর্ডে জমা দিতে হবে।

প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়, ম্যানুয়াল ভর্তির ফি ৪৪৫ টাকা। এর মধ্যে আবেদন ফি ১৫০ টাকা, রেজিস্ট্রেশনসহ অন্যান্য ফি ১৯৫ টাকা এবং ডাটা এন্ট্রি ফি ১০০ টাকা। ভর্তির সাথে সাথে শিক্ষার্থীরা ক্লাসে অংশগ্রহণ করবে। কলেজগুলোর শূন্য আসনের তালিকা বোর্ডের ওয়েবসাইটে তুলে ধরা হয়েছে।

Facebooktwitterredditpinterestlinkedinmail

ঢাবির কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারে আগুন

ডেস্ক,৭ জুলাই: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। সার্ভিসের ৫টি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে তাৎক্ষণিকভাবে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। রোববার সকাল সাড়ে ১০টার পর গ্রন্থাগারের রেয়ার সেকশনে বৈদ্যুতিক তার থেকে এ আগুনের সূত্রপাত ঘটে।



কেন্দ্রীয় ফায়ার সার্ভিসের নিয়ন্ত্রণ কক্ষের ডিউটি অফিসার জানান, ১০টা ৪৫ মিনিট বৈদ্যুতিক বোর্ডে শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের ৫টি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে তাৎক্ষণিকভাবে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

তিনি জানান, আগুন দ্রুত নিয়ন্ত্রণ করে ফেলায় তেমন কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়নি

এদিকে, আগুন লাগার খবরে গ্রন্থাগার থেকে নিরাপদে বেরিয়ে আসেন আতঙ্কিত শিক্ষার্থীরা।

Facebooktwitterredditpinterestlinkedinmail

বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয় সনদ বিক্রির কারখানা

ডেস্ক,৪ মে:
বাংলাদেশের অল্প কয়েকটি বাদে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলো কেবল সনদ বিক্রির ভবনে পরিণত হয়েছে এবং পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে দলীয় রাজনীতি শিক্ষাগতমানের উপরে প্রভুত্ব করছে। শনিবার সকাল সাড়ে ১১টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানানো হয়।

‘কেমন বিশ্ববিদ্যালয় চাই: উচ্চশিক্ষা, নীতিমালা, কাঠামো’ শীর্ষক কনভেনশনের সারসংক্ষেপ তুলে ধরতে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। গত ১১-১২ এপ্রিল জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত এই কনভেনশন। কনভেনশনটি আয়োজন করে ‘বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক নেটওয়াক’।

কনভেনশনে সরকারি কর্তৃত্ব, স্বায়ত্তশাসনের অপব্যবহারসহ দেশের সরকারি-বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে চিহ্নিত আটটি সঙ্কট ও ছয়টি সমাধান সংবাদ সম্মেলনে তুলে ধরা হয়। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের অধ্যাপক ড. ফাহমিদুল হক ও সমাজ বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক ড. সামিনা লুৎফা।


সংবাদ সম্মেলনে উল্লেখিত বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষার সমস্যাগুলো হলো- বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে সরকারিক কর্তৃত্ব, নয়া উদারবাদী নীতি ও ইউজিসির কৌশলপত্র, স্বায়ত্তশাসনের অপব্যহার, শিক্ষা ও গবেষণায় কম বরাদ্দ, অস্বায়ত্তশাসিত বিশ্ববিদ্যালয়, দলীয় বিবেচনায় শিক্ষক নিয়োগ ও এমসিকিউনির্ভর শিক্ষার্থী ভর্তি, শিক্ষার্থীদের আবাসন ও ছাত্র রাজনীতি এবং মুনাফামুখী বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়।
Read More »

Facebooktwitterredditpinterestlinkedinmail

অবশেষে মেনে নিলো সাত কলেজের শিক্ষার্থীদের দাবি

নিজস্ব  প্রতিবেদকঃঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অধিভুক্ত সরকারি ৭ কলেজের শিক্ষার্থীদের দাবিসমূহ মেনে নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। প্রশাসনের আশ্বাসে সাময়িকভাবে আন্দোলন স্থগিত করেছেন ৫ দফা দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে যে সকল শিক্ষার্থী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধিভুক্ত হয়েছে তাদের কিছু জটিলতার কারণে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনায় সাময়িক অসুবিধা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ইতোমধ্যে এসব সমস্যা সমাধানের উদ্যোগ নিয়েছে। এছাড়া অধিভুক্ত সরকারি ৭ কলেজের শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা শেষ হওয়ার ৯০ কার্যদিবসের মধ্যে সকল বিষয়ের ফলাফল প্রকাশ করার ব্যাপারে ইতোমধ্যে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। যে সকল বিষয়ে অধিক হারে অকৃতকার্য হয়েছে, সেসব বিষয়ে আবেদনক্রমে পুনর্মূল্যায়নের ব্যবস্থা নেয়া হবে।

 

কর্তৃপক্ষ আরো জানায়, সাত কলেজের একাডেমিক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ইতোমধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনিক ভবনে স্বতন্ত্র সেল গঠন করা হয়েছে। ভবিষ্যতে সাত কলেজের জন্য স্বতন্ত্র নতুন ভবন নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। অধিভুক্ত সাত কলেজের সেশনজট নিরসনকল্পে ‘ক্রাশ প্রোগ্রাম’ বিষয়ে কলেজ অধ্যক্ষদের সঙ্গে আলোচনাক্রমে ব্যবস্থা নেয়া হবে। তাদের জন্য একাডেমিক ক্যালেন্ডার তৈরির কাজও প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। মাস্টার্স ২০১৬ অনলাইনে ফরম পূরণ শুরু হবে ২৮ এপ্রিল এবং পরীক্ষা শুরু হবে ১৭ জুন । অনার্স ২য় বর্ষ ২০১৮ পরীক্ষা শুরু হবে ১৯ মে। এছাড়া আগামী ২৮ এপ্রিল সাত কলেজের অধ্যক্ষদের সঙ্গে উপাচার্যের এক সভা অনুষ্ঠিত হবে। এতে শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন সমস্যা বিষয়ে সিদ্ধান্ত গৃহীত হবে।

Facebooktwitterredditpinterestlinkedinmail

৫ দফা দাবিতে শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন

নিজস্ব প্রতিবেদক,২৩ এপ্রিল:

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধিভুক্ত হওয়া সরকারি সাত কলেজে সেশনজট নিরসন, ক্রটিপূণ্য ফল সংশোধন এবং ফল প্রকাশের দীর্ঘসূত্রিতা দূর করাসহ নানা সমস্যা সমাধানের দাবিতে সড়ক অবরোধ করেছে শিক্ষার্থীরা।

৫ দফা দাবিতে মঙ্গলবার সকাল ১০ টায় ঢাকা কলেজের সামনে থেকে মানববন্ধন শুরু করে শিক্ষার্থীরা, যা নীলক্ষেত ও সাইন্সল্যাবের পর্যন্ত ছাড়িয়ে যায়। এরপর সড়ক আটকিয়ে বিক্ষোভ করতে থাকে তারা।

এ সময় তারা সাত কলেজের নানা সমস্যা তুলে ধরে বিভিন্ন স্লোগান দেয়। ‘গণহারে আর ফেল নয়, যথাযথ রেজাল্ট চাই’, ‘শিক্ষা কোনো পণ্য নয়, শিক্ষা নিয়ে ব্যবসা নয়’, ‘গণহারে ফেল, ঢাবি তোমার খেল’, ‘বন্ধ করো অনাচার, সাত কলেজের আবদার’, ‘নিচ্ছো টাকা দিচ্ছ বাশ, সময় শেষে সর্বনাশ’-এসব স্লোগান দেয়া হয় বিক্ষোভে।

আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা জানান, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে ২০১৭ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ঢাবির অধিভুক্ত হ্ওয়ার পর দীর্ঘ ৯ মাস সাত কলেজের কার্যক্রম বন্ধ থাকে। তারপর মানববন্ধন, অনশন কর্মসূচি সর্বশেষ সিদ্দিকের (তিতুমির কলের শিক্ষার্থী) চোঁখের বিনিময়ে ঢাবি আমাদের কার্যক্রম ধীরগতিতে শুরু করে। প্রায় ২ বছর ২ মাস অতিবাহিত হলেও সাত কলেজের শিক্ষার্থীরা কোনো সুফল ভোগ করতে পারছে না।

শিক্ষার্থীদের দাবি, পরীক্ষার খাতা মূল্যায়নে চরম বৈষম্যের শিকার হচ্ছেন তারা। সবশেষ পরীক্ষায় ঢাকা কলেজ বাংলা বিভাগের ২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষের ২১৬ জন শিক্ষার্থীদের মধ্যে সব বিষয়ে পাশ করেছেন মাত্র ৩ জন। ক্যামেস্টিতে ৪৮ জনের মধ্যে ৪০ জন অকৃতকার্য হয়েছেন।

তবিবুর নামে এক শিক্ষার্থী বলেন, ঢাবি আমাদের যে মান অনুযায়ী পরীক্ষার খাতা মূল্যায়ন করে সেই মান অনুযায়ী ক্লাসে পড়ানো হয় না। এমনও বিষয় আছে পাঁচটির বেশি ক্লাস হয় না। নানা অজুহাতে ক্লাস বন্ধ থাকে।

শিক্ষার্থী আনোয়ার হোসেন বলেন, আমাদের সমস্যা গুলো নিয়ে কলেজের শিক্ষকদের কাছে গেলে উনারা বলেন, ঢাবি তোমাদের সব কার্যক্রম করছে, আর ঢাবির প্রশাসনিক ভবনে গেলে বলে সাত কলেজের শিক্ষকরা সভা করে সকল সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। এভাবেই শিক্ষাথীরা দ্বারে দ্বারে ঘুরতে হয়।

 

Facebooktwitterredditpinterestlinkedinmail

তিন শিক্ষার্থীকে আজীবন ও পাঁচজনকে এক বছরের জন্য বহিষ্কার

ডেস্ক,২০ এপ্রিল: যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের তিন শিক্ষার্থীকে আজীবন ও পাঁচজনকে এক বছরের জন্য বহিষ্কার করা হয়েছে। শিক্ষকদের সঙ্গে অসদাচরণ ও শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে আজ শনিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম রিজেন্ট বোর্ডের ৫৪ তম সভায় আট শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বহিষ্কৃত শিক্ষার্থীরা ছাত্রলীগের নেতা-কর্মী ও সমর্থক।

আজীবন বহিষ্কৃত শিক্ষার্থীরা হলেন ফিশারিজ অ্যান্ড মেরিন বায়োসায়েন্স বিভাগের স্নাতকোত্তরের শিক্ষার্থী হুমায়রা আজমিরা এরিন, একরামুল কবির দ্বীপ ও মো. রোকনুজ্জামান। এক বছরের জন্য বহিষ্কৃত হয়েছেন শারীরিক শিক্ষা ও ক্রীড়াবিজ্ঞান বিভাগের স্নাতকের শিক্ষার্থী আসিফ আল মাহমুদ, মো. মোতাসসিন বিল্লাহ, ফিশারিজ অ্যান্ড মেরিন বায়োসায়েন্স বিভাগের মাহমুদুল হাসান শাকিব, কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিভাগের শিক্ষার্থী নিশাত তাসনীম ও বায়োমেডিকেল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থী হারুন অর রশীদ। বহিষ্কৃত শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো হলে অবস্থান করতে পারবেন না এবং তাঁদের বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে প্রবেশেও নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। আজীবন বহিষ্কৃত হুমায়রা আজমিরা বিশ্ববিদ্যালয়ের শেখ হাসিনা হল শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ও এক বছরের জন্য বহিষ্কৃত আসিফ আল মাহমুদ শারীরিক শিক্ষা ও ক্রীড়াবিজ্ঞান বিভাগ শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি। অন্যরা ছাত্রলীগের কর্মী ও সমর্থক।

বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন কর্তৃক ক্যাম্পাসে টাঙানো র‌্যাগিং–বিরোধী ফেস্টুন-পোস্টার ও নোটিশ ছিঁড়ে ফেলা, বিশ্ববিদ্যালয়ের লোগোর প্রতি অবমাননা ও শিক্ষকদের সঙ্গে অসদাচরণের ঘটনায় গঠিত তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে দোষী প্রমাণিত হওয়ায় তাঁদের বহিষ্কার করা হয়েছে। এ ছাড়া অপরাধের মাত্রা বিবেচনা করে তদন্ত কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে রিজেন্ট বোর্ড ফিশারিজ অ্যান্ড মেরিন বায়োসায়েন্স বিভাগের শিক্ষার্থী হৃদয় রাহুত, শেখ শরীফ উদ্দীন, সুকান্ত কুমার রায়, মো. জাহিদ হাসান এবং শারীরিক শিক্ষা ও ক্রীড়া বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী মো. সোহেল রানাকে চূড়ান্তভাবে সতর্ক করার সিদ্ধান্ত নেয়। তবে যাঁদের চূড়ান্ত সতর্ক করা হয়েছে, তাঁদের কেউ বিশ্ববিদ্যালয়ের আইনশৃঙ্খলা পরিপন্থী কোনো কাজে সম্পৃক্ত হলে তাৎক্ষণিকভাবে তাঁদের বহিষ্কার করা হবে মর্মেও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

Facebooktwitterredditpinterestlinkedinmail

শিক্ষার্থী মৃত্যুর ঘটনায় জাবিতে শোভাযাত্রা বাতিল

নিজস্ব প্রতিবেদক,১৪ এপ্রিল : জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিশিক্ষার্থী নুরুজ্জামান নিভৃত হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে মারা যাওয়ার ঘটনায় শোভাযাত্রা বাতিল করছে শিক্ষার্থীরা।

বিশ্ববিদ্যালয় চিকিৎসা কেন্দ্রে রোগ শনাক্ত করতে না পাড়ায় সাভারের এনাম মেডিকেল হাসপাতালে নেয়ার রাস্তায় শনিবার রাত ১০টার দিকে ইংরেজি বিভাগের ৪৫তম আবর্তনের এ শিক্ষার্থী মারা যান।

আজ বর্ষবণের বিভিন্ন আয়োজন থাকলেও নুরুজ্জামানের মৃত্যুতে শোক জানিয়ে মঙ্গল শোভাযাত্রা বাতিল করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার রহিমা কানিজ। এছাড়া বিভিন্ন বিভাগের অনুষ্ঠানে গান-বাজনা বন্ধ রাখার অনুরোধ জানানো হয়েছে বলেও জানান তিনি।

এদিকে কলা ও মানবিক অনুষদ বর্ষবরণর বিভিন্ন আয়োজন থাকলেও তা বাতিল করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন অনুষদের ডিন অধ্যাপক মোজাম্মেল হক।

বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসা কেন্দ্রের চিকিৎসকরা জানান, বুকে ও পেটে ব্যথা নিয়ে নুরুজ্জামান সন্ধ্যা সাতটার দিকে চিকিৎসা কেন্দ্রে যান। কর্তব্যরত চিকিৎসক ড. তরিকুল ইসলাম তাকে গ্যাস্ট্রিকের প্রাথমিক চিকিৎসা দেন। এতে ব্যথা না কমলে তাকে সাভারে এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পরামর্শ দেন তিনি।

পরে রাতে সোয়া নয়টার দিকে তাকে অ্যাম্বুলেন্সে করে এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। কিন্তু পথেই তার মৃত্যু হয়।

এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসক ডা. হরনাথ সরকার বলেন, ‘শ্বাসকষ্ট থেকে হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে নুরুজ্জামানের মৃত্যু হয়।’।

এদিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসাকন্দ্রে পর্যাপ্ত সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধির দাবিতে শহীদ মিনারের পাদদেশে অনির্দিষ্টকালের জন্য অবস্থান কর্মসূচি পালন করছে পাঁচ শিক্ষার্থী। পরে বেলা ১টায় একই দাবিতে মানববন্ধন করেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।

মানববন্ধন শেষে মৌন মিছিল নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসা কেন্দ্রে যায় এবং সেখানে ৪ দফা দাবিতে অবস্থান কর্মসূচি পালন করে শিক্ষার্থীরা।

তাদের দাবিগুলো হলো নিভৃতের মৃত্যুর তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে, নিহতের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দিতে হবে, পূর্ণাঙ্গ মেডিকেল বাস্তবায়ন করতে হবে, রোগীকে বাইরের হাসপাতালে রেফার করলে প্রশাসনকে এর ব্যয়ভার বহন করতে হবে।

এদিকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে চিকিৎসাকেন্দ্রের সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি নিয়ে দাবি তুলেছেন বেশ কয়েকজন শিক্ষক-শিক্ষার্থী।

নৃবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক মির্জা তাসলিমা সুলতানা লিখেছেন, ‘শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিক্যাল সেন্টারে চিকিৎসা ব্যবস্থা অপ্রতুল, এম্বুলেন্সযোগে পাঠাতে দেরি না হলে আর এম্বুল্যান্সে লাইফ সেভিং উপকরণ থাকলে অন্যরকম হতে পারত সব! এই আমাদের নববর্ষ! শুভ নববর্ষ!’

Facebooktwitterredditpinterestlinkedinmail

চলন্ত বাসে যৌন হয়রানি, ফেসবুকে বর্ণনা দিলেন বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রী

চবি প্রতিনিধি: তখন বিকেল ৩টা। বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লাস শেষে বাসে করে বাসায় ফিরছিলেন এক ছাত্রী। কিন্তু চলন্ত বাসে পথেই যৌন হয়রানির শিকার হন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের ওই শিক্ষার্থী। ওইদিন বাসের হেলপার ও চালকের ‘যৌন হয়রানি’ থেকে বাঁচতে চলন্ত বাস থেকে লাফ দেন তিনি।

পরে চলন্ত বাসে আক্রান্ত হওয়ার বিবরণ তুলে ধরে গত বৃহস্পতিবার রাতে নিজের ফেসবুক পেজে একটি পোস্ট দেন ওই ছাত্রী।সেখানে তিনি লিখেছেন, জিইসি মোড়ে আসার পর তার সঙ্গী এক সহপাঠী বাস থেকে নেমে যান। এর পর বাসটি রিয়াজউদ্দিন বাজার এলাকায় পৌঁছালে অন্য যাত্রীরাও নেমে যায়।

কাছেই নিউমার্কেট মোড়ে শেষ স্টপেজে বাসটির দাঁড়ানোর কথা ছিল। সেখানেই নামার কথা ছিল ওই ছাত্রীর। কিন্তু চালক হঠাৎ দ্রুতগতিতে বাস ঘুরিয়ে স্টেশন রোডের দিকে মোড় নেয়।

ওই ছাত্রী লিখেছেন, তিনি বাস থামাতে বললে চালকের সহকারী এগিয়ে আসে এবং তার ওড়না টেনে গলায় পেঁচিয়ে ধরে। তাতে তার নিঃশ্বাস বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়।

‘চিৎকার করার মতো পরিস্থিতিও আমার ছিল না। ওই মুহূর্তে আমার কেমন লাগছিল, আমি তা বলে বোঝাতে পারব না।’

তিনি লিখেছেন, হাতে থাকা মোবাইল ফোন দিয়ে তিনি সজোরে আঘাত করলে তা চালকের সহকারীর চোখে লাগে। তাতে সে ওড়না ছেড়ে দেয়। জীবন বাঁচাতে তখন চলন্ত বাস থেকে লাফিয়ে পড়েন তিনি। ‘এ সময় শুনতে পাই চালক চিৎকার করে বলছে- মেয়েটারে ধর শালা।’

পরে বাস থেকে লাফিয়ে পড়তে দেখে এক রিকশাচালক ওই ছাত্রীকে তুলে নেন এবং তার বাসায় পৌঁছে দেন। ইংরেজিতে লেখা ওই পোস্টের শেষে ওই ছাত্রী বাংলায় লিখেছেন- ‘এই দেশে আর থাকব না ভাই।’

Facebooktwitterredditpinterestlinkedinmail

যুক্তরাষ্ট্রের ৭ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডির আমন্ত্রণ পেয়েছেন বাংলাদেশি তরুণ

ঢাবি প্রতিনিধি,১৩ এপ্রিল: যুক্তরাষ্ট্রের সাত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি প্রোগ্রামে ভর্তির আমন্ত্রণ পেয়েছেন সাবেক বাংলাদেশি সাংবাদিক খায়রুল ইসলাম।

বিশ্ববিদ্যালয়গুলো হচ্ছে, ওয়াশিংটন ডিসির হাওয়ার্ড বিশ্ববিদ্যালয়, ইন্ডিয়ানা ইউনিভার্সিটি, পুরডু ইউনিভার্সিটি ইন্ডিয়াপোলিস, জর্জিয়া স্টেট ইউনিভার্সিটি, উয়েনে স্টেট ইউনিভার্সিটি ইন মিশিগান, সাউদার্ন ইলিনইস ইউনিভার্সিটি ইন কারবনডেলে, বোউলিং গ্রিন স্টেট ইউনিভার্সিটি ইন ওহাইয়ো এবং ইউনিভার্সিটি অব মেমপহিস ইন টেনিসি।

খায়রুল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেছেন। গবেষণার জন্য তার পছন্দ পাবলিক হেলথ, হেলথ কমিউনিকেশনের মতো বিষয়।

এ ব্যাপারে অনুভূতি ব্যক্ত করতে গিয়ে খায়রুল ইসলাম বাংলাদেশ জার্নালকে বলেন, একটা সময় যখন আমি স্কুলের গণ্ডি পেরোতে পারবো কিনা তা নিয়ে সন্দেহ ছিল, এখন সেই ছেলে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জনে যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম সাত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি প্রোগ্রামে ভর্তির আমন্ত্রণ পেয়েছি। এটি সত্যিই একটি দারুণ অনুভূতি!

খায়রুল বলেন, পিএইচডিতে আমি জনস্বাস্থ্য সংক্রান্ত তথ্য ও ভোক্তাদের মধ্যে যে শূন্যতা বিদ্যমান তা পরীক্ষা করবো। তিনি উল্লেখ করেন, ডিজিটাল প্রযুক্তির মাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ার কারণে সারা বিশ্বের মত বাংলাদেশেও ভোক্তারা নিজেদের স্বাস্থ্য সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণের মত শক্তি অর্জন করছে।

তিনি জানান, সহজেই বিশাল তথ্য ভাণ্ডারে প্রবেশের সুযোগ সৃষ্টির মাধ্যমে ইন্টারনেট স্বাস্থ্যগত তথ্যের এক শক্তিশালী ও প্রকৃত এক উৎসরূপে আর্বিভূত হয়েছে। এসব তথ্য একইসঙ্গে এক ধরনের উদ্বেগেরও সৃষ্টি করছে। যেখানে বিজ্ঞানীরা কোনো স্বাস্থ্যগত উদ্ভাবনের বিষয়ে দালিলিক প্রমাণের ওপর নির্ভর করেন সেখানে ভোক্তারা ভালো-মন্দ বিচার করতে তাদের কাছে থাকা নিজস্ব তথ্যকে গুরুত্ব দেন।

Facebooktwitterredditpinterestlinkedinmail

অনার্স ১ম বর্ষ পরীক্ষার সূচী প্রকাশ

ডেস্কঃ

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) অধীনে ২০১০-১১, ২০১১-১২ ও ২০১২-১৩ শিক্ষাবর্ষের গ্রেড উন্নয়ন পরীক্ষার্থীর ২০১৭ সালের অনার্স ১ম বর্ষ (বিশেষ) পরীক্ষার সময়সূচী প্রকাশ করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। বদরুজ্জামান পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক (ভারপ্রাপ্ত) স্বাক্ষরিত পরীক্ষার সময়সূচী অনুযায়ী এই পরীক্ষা ৫ মে থেকে শুরু হয়ে চলবে ২০ মে ২০১৯ পর্যন্ত। প্রতিদিনের পরীক্ষা শুরু হবে সকাল ৯.০০ টা থেকে। বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের দপ্তরের এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

পরীক্ষার সময়সূচী বিশ্ববিদ্যালয়ের (www.nu.edu.bd) ওয়েবসাইটে পাওয়া যাবে।

Facebooktwitterredditpinterestlinkedinmail

এইচএসসির ৫ দিনের পরীক্ষার সূচি পরিবর্তন

ঢাকা: চলমান এইচএসসি পরীক্ষার পাঁচ দিনের সূচি পরিবর্তন করা হয়েছে।১৭ এপ্রিলের পরীক্ষাগুলো ৯ মে বিকেলে, ১৮ এপ্রিলের পরীক্ষা ১১ মে বিকেলে, ২২ এপ্রিলের পরীক্ষা ১২ মে বিকেলে নেওয়া হবে।
 
এছাড়া ৪ মে ও ৬ মের পরীক্ষা একই দিন সকালের পরিবর্তে বিকেলে নেওয়া হবে।
 
আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় সাব-কমিটির সভাপতি অধ্যাপক মু. জিয়াউল হক রোববার (৮ এপ্রিল) এ তথ্য জানান।
 
শবেবরাতের কারণে একদিনের এবং অন্যগুলো পাশাপাশি পড়ে যাওয়ায় শিক্ষার্থীদের সুবিধার কথা বিবেচনা করে অন্য চারদিনের পরীক্ষার সূচি বদলে দেওয়া হয়েছে বলে জানান জিয়াউল হক।
 
আগামী ২১ এপ্রিল রাতে শবেবরাত পালিত হবে, সরকারি ছুটি থাকবে পরদিন ২২ এপ্রিল।
 
জিয়াউল হক জানান, ২০১৯ সালের বর্ষপঞ্জিতে ২১ এপ্রিল শবেবরাতের ছুটি ধরে পরীক্ষার সূচি প্রণয়ন করা হয়েছিল।
 
গত ১ এপ্রিল থেকে শুরু এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় এবার ১৩ লাখ ৫১ হাজার ৫০৫ জন শিক্ষার্থী অংশ নিচ্ছেন।
 
আগামী ১১ মে এইচএসসির তত্ত্বীয় পরীক্ষা শেষ হওয়ার কথা থাকলেও এখন তা ১২ মে শেষ হবে। আর ১২ থেকে ২১ মের মধ্যে হবে ব্যবহারিক পরীক্ষা।
 
অন্য পরীক্ষাগুলো যথাসময়ে অনুষ্ঠিত হবে বলে জানান জিয়াউল হক।

Facebooktwitterredditpinterestlinkedinmail

বঙ্গবন্ধু বিশ্ববিদ্যালয়ে যৌন নিপীড়ক শিক্ষককের কুশপুতুলে আগুন

গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি,৭ এপ্রিল: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে দুই ছাত্রীকে যৌন হয়রানির দায়ে অভিযুক্ত সিএসই বিভাগের প্রধান মো. আক্কাছ আলীর কুশপুত্তলিকা দাহ করেছেন শিক্ষার্থীরা। রবিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে আন্দোলনরত ক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা তার কুশপুত্তলিকা দাহ করেন।

এদিকে দুই ছাত্রীকে যৌন হয়রানির ঘটনায় শিক্ষার্থীরা অভিযুক্ত কম্পিউটার সাইন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রধান মো. আক্কাস আলীর পদত্যাগ দাবিতে ক্যাম্পাসে দফায় দফায় বিক্ষোভ করছেন। এসময় তারা অভিযুক্ত শিক্ষকের বহিষ্কার ও বিচারসহ পাঁচ দফা দাবি জানিয়েছেন।

তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে, অনতিবিলম্বে আক্কাস আলীকে স্থায়ীভাবে চাকরিচ্যুত করাসহ ক্যাম্পাসে আজীবন অবাঞ্চিত ঘোষণা, ভিকটিম ছাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত ও হয়রানি বন্ধ করা, কোন শিক্ষক কার্যদিবস ছাড়া ছাত্রীদের ডাকতে পারবেনা এবং ডিপার্টমেন্টাল অফিস ছাড়া কোথাও ডাকতে পারবেনা। এর পাশাপাশি অবিলম্বে ডিপার্টমেন্টভিত্তিক ছাত্র সংসদ নির্বাচনেরও দাবি জানিয়েছেন তারা।

শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেন, সিএসই বিভাগের প্রধান আক্কাস আলীর বিরুদ্ধে দুই ছাত্রীকে যৌন হয়রানির সুস্পষ্ট প্রমাণ থাকা সত্ত্বেও প্রশাসন তাকে কেবল সতর্কবার্তা দিয়েছে। এটা কোন ধরণের বিচার। আমরা এই নিপীড়ক শিক্ষককে ক্যাম্পাসে দেখতে চাই না।

উল্লেখ্য, সিএসই বিভাগের প্রধান আক্কাস আলীর বিরুদ্ধে একই বিভাগের দুই ছাত্রী যৌন হয়রানির অভিযোগ দিলেও ওই শিক্ষকে কেবল সতর্কবার্তা দেয়া হয়। বিষয়টি প্রমাণিত হলেও শিক্ষক আর শুক্র ও শনিবার শিক্ষার্থীদের ক্যাম্পাসে ডাকতে পারবেন না, তিনি থিসিসে কোন মেয়ে নিতে পারবেন না এমন কিছু অদ্ভত শাস্তি দেয়া হয়। এনিয়ে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

Facebooktwitterredditpinterestlinkedinmail

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে পুলিশের সঙ্গে ছাত্রলীগের সংঘর্ষ

চবি প্রতিনিধি,৭ এপ্রিল ২০১৯ : চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্দোলনরত ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ চলছে। অন্যদিকে ছাত্রলীগের ডাকা ধর্মঘটে চবিতে অচলাবস্থা বিরাজ করছে।
বিস্তারিত আসছে…

Facebooktwitterredditpinterestlinkedinmail

যেকারণে রোববারের জেএসসি-জেডিসি পরীক্ষা স্থগিত

১ নভেম্বর, বৃহস্পতিবার সারাদেশে একযোগে শুরু হয় জেএসসি ও জেডিসি পরীক্ষা। এদিকে আগামীকাল রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সারাদেশের কওমি মাদ্রাসার শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের সমাবেশের দিন জেএসসি ও জেডিসির নির্ধারিত পরীক্ষাগুলো পিছিয়ে দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

ডেস্ক,৩ নভেম্বর:   জুনিয়ার স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) ও জুনিয়র দাখিল সার্টিফিকেটের (জেডিসির) ৪ নভেম্বর রোববারের পরীক্ষাটি আগামী ৯ নভেম্বর শুক্রবার সকাল ৯টায় নেওয়া হবে বলে শিক্ষামন্ত্রীর সহকারী একান্ত সচিব মো. জাকির হোসেন জানিয়েছেন।

রোববার জেএসসিতে ইংরেজি ও ইংরেজি প্রথম পত্র (অনিয়মিত পরীক্ষার্থীদের জন্য) এবং জেডিসিতে আরবি দ্বিতীয় পত্রের পরীক্ষা ছিল। এসব পরীক্ষা পিছিয়ে গেল।

তবে, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, “রোববার ঢাকার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে কওমি মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের ‘শোকরানা মাহফিল’ থাকায় পরীক্ষার্থীদের অসুবিধার কথা বিবেচনা করে পরীক্ষা পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে।”

কওমি মাদ্রাসার সর্বোচ্চ সনদ দাওয়ায়ে হাদিসকে (তাকমীল) সাধারণ শিক্ষার স্নাতকোত্তর ডিগ্রির স্বীকৃতি দিতে সম্প্রতি আইন করেছে আওয়ামী লীগ সরকার। সেই জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাতে সারাদেশের ১৩ হাজার ৯০২টি কওমি মাদ্রাসার ১৪ লাখ শিক্ষার্থীর পক্ষ থেকে এই সমাবেশ ডাকা হয়েছে। এতে সভাপতিত্ব করবেন শাহ আহমদ শফী।Facebooktwitterredditpinterestlinkedinmail

ঢাবি’র ঘ ইউনিটের পরীক্ষা পুনরায় নেয়ার দাবিতে ছাত্রদলের বিক্ষোভ-সমাবেশ

ঢাবি : ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ঘ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা বাতিল করে পুনরায় নেয়ার দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল করেছে ছাত্রদলের বিশ্ববিদ্যালয় শাখা।
শনিবার (২০ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে তারা এ বিক্ষোভ মিছিল করেন। মিছিলে নেতৃত্ব দেন ঢাবি ছাত্রদলের সভাপতি আল মেহেদী তালুকদার ও সাধারণ সম্পাদক আবুল বাসার সিদ্দিকী। মিছিলটি শাহবাগ মোড় থেকে শুরু হয়ে কাঁটাবন মোড়ে গিয়ে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়।
সমাবেশে সভাপতি মেহেদী তালুকদার বলেন, ‘১২ অক্টোবর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ঘ ইউনিটের ফাঁস হওয়া প্রশ্নে পরীক্ষা হয়। যা বিশ্ববিদ্যালয়সহ গোটা বাংলাদেশের সঙ্গে প্রতারণা। তদন্ত কমিটি প্রশ্নপত্র ফাঁস হওয়ার প্রমাণ পেয়েছে। সেই পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ ছাত্রসমাজের সঙ্গে প্রতারণা। ঢাবি ছাত্রদল ১২ অক্টোবরে অনুষ্ঠিত পরীক্ষার ফলাফল স্থগিত করে নতুন প্রশ্নপত্রে পুনরায় পরীক্ষা গ্রহণের জোর দাবি জানাচ্ছে।’
সাধারণ সম্পাদক আবুল বাসার সিদ্দিকী বলেন, ‘প্রশ্নপত্র ফাঁসে জড়িত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় এনে জাতির সামনে বিচার করতে হবে। আমরা ঢাবি ছাত্রদল সাধারণ শিক্ষার্থীদের প্রতিনিধি হিসাবে ঘ ইউনিটের পরীক্ষার ফলাফল বাতিল করে পুনরায় পরীক্ষা গ্রহণ এবং প্রশ্নফাঁস চক্রে জড়িতদের কঠোর শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।’
এসময় বিক্ষোভ মিছিলে অর্ধশতাধিক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।Facebooktwitterredditpinterestlinkedinmail

Responsive WordPress Theme Freetheme wordpress magazine responsive freetheme wordpress news responsive freeWORDPRESS PLUGIN PREMIUM FREEDownload theme free

hit counter