Home » ক্যাম্পাস

ক্যাম্পাস

অস্বাভাবিক ‘সুবিধায়’ শিক্ষকদের পদোন্নতি

নিজস্ব প্রতিবেদক, ৪ অক্টোবর ২০২০,
এক বছরের মধ্যে কোনো জার্নালে সাতটি প্রকাশনা থাকলেই প্রভাষক থেকে সহকারী অধ্যাপক হওয়ার সুযোগ। সহযোগী অধ্যাপক হতেও রেয়াত সুবিধা।
এক বছরের মধ্যে কোনো জার্নালে সাতটি প্রকাশনা বেরোতে হবে। তবেই পাওয়া যাবে দুই বছরের রেয়াত (ছাড়) সুবিধা। এই সুবিধায় মিলবে এক বছরের মধ্যে প্রভাষক থেকে সহকারী অধ্যাপক হওয়ার সুযোগ। জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে এমন রেয়াত সুবিধা আছে অন্যান্য পদেও।

এরই মধ্যে কয়েকজন শিক্ষক এই সুবিধা নিয়ে পদোন্নতি পেয়েছেন। তবে শিক্ষকদেরই একটি অংশ বলছেন, এত অল্প সময়ে কারও পক্ষেই ভালো মানের সাতটি গবেষণা প্রবন্ধ কোনো স্বনামধন্য জার্নালে প্রকাশ করা সম্ভব নয়। অনেকেই নিজ বিভাগের জার্নালে প্রবন্ধ প্রকাশ করেও এই সুবিধা নিচ্ছেন, যা ভালো উদাহরণ নয়।

এই সুবিধায় নতুন করে অন্তত ছয়জন শিক্ষককে বিভিন্ন স্তরে পদোন্নতির সুযোগ দিচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। এ বিষয়ে আলোচনা করতে আজ শনিবার ডাকা হয়েছে সিন্ডিকেটের বৈঠক।
বিজ্ঞাপন

ময়মনসিংহের ত্রিশালে অবস্থিত বিশ্ববিদ্যালয়টিতে মোট শিক্ষক প্রায় ২০০ এবং কর্মকর্তা প্রায় ১০০ জন।

উপাচার্য এ এইচ এম মোস্তাফিজুর রহমানও মনে করেন, বিদ্যমান সুবিধা অনেক বেশি নমনীয়। তিনি বলেন, এই নিয়ম তাঁর আসার আগে থেকেই ছিল। এটি দেখে তিনিও অবাক হন। কারণ, বড় কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে এমন সহজ নিয়ম নেই। তবে একবার সুবিধা দিয়ে সেটি বাদ দেওয়াও কঠিন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের পদোন্নতি নীতিমালার সাধারণ নিয়মে বলা হয়েছে, পিএইচডি বা এমফিল ডিগ্রিধারী ছাড়া কেবল স্নাতকোত্তর ডিগ্রিধারী কোনো প্রভাষককে পদোন্নতি পেয়ে সহকারী অধ্যাপক হওয়ার জন্য তিন বছরের শিক্ষকতা বা গবেষণার অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। একই সঙ্গে স্বীকৃত জার্নালে ন্যূনতম একটি প্রকাশনা থাকতে হবে। কিন্তু পরে আবার বলা হয়েছে, আপগ্রেডেশনের (পদোন্নতি) ক্ষেত্রে নির্ধারিত প্রকাশনার (প্রভাষকের ক্ষেত্রে একটি) বাইরে অতিরিক্ত তিনটি প্রকাশনার জন্য এক বছরের এবং অতিরিক্ত ছয়টি বা তার বেশি প্রকাশনার জন্য সর্বোচ্চ দুই বছর পর্যন্ত ‘রেয়াত’ সুবিধা দেওয়া যাবে।
বিজ্ঞাপন

এর অর্থ হলো, কেউ প্রভাষক হিসেবে যোগ দিয়ে এক বছরের মধ্যে নির্ধারিত একটির সঙ্গে আরও ছয়টি (মোট সাতটি) প্রকাশনা কোনো জার্নালে প্রকাশ করতে পারলেই সহকারী অধ্যাপক হতে পারবেন।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, এই সুবিধা নিয়ে ফিন্যান্স বিভাগের একজন শিক্ষক এক বছরের মাথায় সহকারী অধ্যাপক হয়েছেন। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগ দিয়েছিলেন ২০১৮ সালের নভেম্বরে। আর গত বছরের নভেম্বরেই সহকারী অধ্যাপক হয়েছেন। একইভাবে পরিবেশবিজ্ঞান বিভাগের এক শিক্ষকও এই সুবিধায় সহকারী অধ্যাপক হয়েছেন। তিনি তাঁর নিজ বিভাগ থেকে জার্নাল বের করে সেখানে প্রবন্ধ প্রকাশ করেন। এমনকি একই বিষয়ে তাঁর দুটি প্রকাশনা বেরিয়েছে একই সংখ্যায়।

সহকারী থেকে সহযোগী অধ্যাপক পদে পদোন্নতির জন্য সাধারণ নিয়ম হলো, শিক্ষকতার ১০ বছরের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। সঙ্গে লাগবে সহকারী অধ্যাপক হিসেবে তিনটিসহ মোট চারটি প্রকাশনা। কিন্তু এখানেও সেই রেয়াত সুবিধা নিয়ে আট বছরের মধ্যেই সহযোগী অধ্যাপক হওয়া যায়। অবশ্য পিএইচডি বা এমফিল ডিগ্রিধারীদের ক্ষেত্রে নিয়ম আলাদা।

এই প্রক্রিয়ায় এখন মানবসম্পদ ও ব্যবস্থাপনা বিভাগ, হিসাববিজ্ঞান ও তথ্যপদ্ধতি, কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং, বাংলাসহ কয়েকটি বিভাগে অন্তত ছয়জন সহকারী অধ্যাপককে সহযোগী অধ্যাপক করা হচ্ছে। ইতিমধ্যে বাছাই বোর্ডও হয়ে গেছে। এখন সিন্ডিকেটে সেটি অনুমোদন হলেই চূড়ান্ত হবে।
বিজ্ঞাপন

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন শিক্ষক বলেন, একজন সহকারী অধ্যাপক পিএইচডি করে সাত বছরের মধ্যে সহযোগী অধ্যাপক হবেন। আরেকজন কোনোরকমে কয়েকটি প্রকাশনা প্রকাশ করেই রেয়াত সুবিধায় আট বছরের মধ্যে সহযোগী অধ্যাপক হয়ে যাচ্ছেন। এর ফলে কার্যত পিএইচডি বা উচ্চতর গবেষণাকে নিরুৎসাহিত করা হচ্ছে। তিনি মনে করেন, এই রেয়াত সুবিধা সংশোধন করা উচিত।

বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) সদস্য অধ্যাপক দিল আফরোজ বলেন, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়েই আপগ্রেডেশন নিয়ে এ ধরনের কিছু ঘটনা ঘটছে, যা নিয়ে তাঁরা উদ্বিগ্ন। এ জন্য ইউজিসি আগামী মাসেই একটি সাধারণ নির্দেশিকা সব বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে পাঠাচ্ছে।

ইউজিসির সাবেক চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম বলেন, নিয়োগ ও পদোন্নতিতে একেক বিশ্ববিদ্যালয়ে একেক নিয়ম। এ জন্য নিজেদের মতো এগুলো করা হচ্ছে। তাই সব বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য ন্যূনতম যোগ্যতা থাকা দরকার। এ বিষয়ে ইউজিসি সমন্বিত নিয়োগ ও পদোন্নতি নীতিমালাও করেছিল, কিন্তু সেটি মানতে চায় না বিশ্ববিদ্যালয়গুলো। এটি হওয়া দরকার।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

৪ শর্ত মেনে শুরু হল ‘ও’ এবং ‘এ’ লেভেলের পরীক্ষা

ঢাকা,১ অক্টোবর : শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দেয়া ৪ শর্ত মেনে আজ বৃহস্পতিবার (০১ অক্টোবর) থেকে শুরু হয়েছে ইংরেজি মাধ্যমের ‘ও’ এবং ‘এ’ লেভেল পরীক্ষা। আগামী ২৩ অক্টোবর পর্যন্ত চলবে এ পরীক্ষা। এতে ৫ হাজার ২০০ শিক্ষার্থী অংশ নেয়ার কথা রয়েছে।

এর আগে গত ২৩ সেপ্টেম্বর এক বিবৃতিতে ব্রিটিশ কাউন্সিল জানিয়েছে, এ বছরের অক্টোবর-নভেম্বর (২০২০) সেশনের ইন্টারন্যাশনাল জিসিএসই, আইজিসিএসই, ‘ও’ লেভেল এবং ‘এ’ লেভেল পর্যায়ের পরীক্ষা নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী অনুষ্ঠিত হবে।

এতে বলা হয়, দেশে প্রায় ৫ হাজার ২০০ শিক্ষার্থী আছে, যারা অক্টোবর-নভেম্বরের পরীক্ষার জন্য জুলাই-আগস্টে রেজিস্ট্রেশন করেছে। সময়মতো এই পরীক্ষা দেয়া তাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য বাধ্যতামূলক ফেস মাস্ক পরিধান, পরীক্ষার্থীদের শারীরিক দূরত্ব, পরীক্ষাকেন্দ্র নিয়মিত পরিষ্কার, স্যানিটাইজেশনসহ ব্রিটিশ কাউন্সিলের সুরক্ষা প্রোটোকলগুলো ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট, নারায়ণগঞ্জ ও খুলনার সব পরীক্ষা কেন্দ্রে মানা হবে।

এর আগে করোনার কারণে বিশ্বব্যাপী মে-জুন সেশনের পরীক্ষা না নেয়ার সিদ্ধান্ত নেয় ব্রিটিশ কাউন্সিল।

গত ২৭ সেপ্টেম্বর শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক আদেশে বলা হয়, ব্রিটিশ কাউন্সিল বাংলাদেশের পরিচালনায় ‘ও’ লেভেল এবং ‘এ’ লেভেল পরীক্ষা চার শর্তে আগামী ১ অক্টোবর থেকে ২৩ অক্টোবর পর্যন্ত নেয়ার অনুমতি দিয়ে মন্ত্রণালয় সম্মতি জানিয়েছে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দেয়া শর্তগুলোর মধ্যে রয়েছে-
১. স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের স্বাস্থ্যবিধি ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্দেশনা কঠোরভাবে অনুসরণ করতে হবে।

২. সারা দেশের ৩৫টি ভেন্যুতে প্রতিদিন এক হাজার ৮০০ পরীক্ষার্থীর বেশি জনের পরীক্ষা নেয়া যাবে না। পরীক্ষার হলে প্রতিজন শিক্ষার্থীর মাঝে দূরত্ব থাকতে হবে ৬ ফুট।

৩. পরিস্থিতি বিবেচনায় যেকোনো সময় সরকার জনস্বার্থে পরীক্ষা নেয়ার অনুমতি বাতিল করতে পারবে।

৪. পরীক্ষার সময় কোনো শিক্ষার্থী করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হলে তার দায়দায়িত্ব নিতে হবে ব্রিটিশ কাউন্সিলকেই।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

জাল সনদ: এনটিআরসিএ কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জড়িত থাকার অভিযোগ

ডেস্ক,২৯ সেপ্টেম্বর:
জাতীয়করণ করা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ বেসরকারি অন্যান্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক সনদ যাচাইয়ে জাল চিহ্নিত হচ্ছে। সেপ্টেম্বরের ১০টি প্রতিবেদনে ২০ জন শিক্ষকের জাল শিক্ষা সনদ চিহ্নিত করা হয়। মূল সনদের রোল নম্বর ব্যবহার করে এসব জাল সনদ তৈরি করা হয়েছে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে। আর কয়েকটি সনদের রোল নম্বর যাচাই করে ফলাফলের তালিকায় তা পাওয়া যায়নি।
এই সনদ জালিয়াতির ঘটনায় বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ) সংশ্লিষ্ট থানায় মামলার নির্দেশ দিয়েছে। তবে এই জালিয়াতি নিয়ে শিক্ষকদের অভিমত, শুধু শিক্ষকরাই জড়িত নন, জালিয়াতির সঙ্গে এক শ্রেণির এনটিআরসিএ কর্মকর্তা-কর্মচারীরাও জড়িত। শিক্ষকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি জালিয়াত চক্রের অনুসন্ধান করে তাদের দোষীদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নিতে হবে। ’

শিক্ষক নিবন্ধন সনদ জালিয়াতির ঘটনায় এনটিআরসিএ কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে এনটিআরসিএ চেয়ারম্যান মো. আকরাম হোসেন বলেন, সুনির্দিষ্ট অভিযোগ থাকলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জাল শিক্ষক সনদ বিষয়ে জানতে চাইলে বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতির (বাশিস) কেন্দ্রীয় সভাপতি ও এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জাতীয়করণ লিঁয়াজো ফোরামের মুখপাত্র মো. নজরুল ইসলাম রনি বলেন, ‘জাল সনদধারী শিক্ষকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি অনুসন্ধান করতে হবে কিভাবে তারা জাল সনদ সংগ্রহ করলেন? কোথায় থেকে সংগ্রহ করেছেন? সংশ্লিষ্ট এক শ্রেণির কর্মকর্তা-কর্মচারী এই জাল সনদের সঙ্গে জড়িত। নিরীহ শিক্ষকদের বেকায়দা বুঝে জাল সনদের ব্যবস্থা করেছে একটি চক্র। সনদ জালের উৎসে অনুসন্ধান করে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে।’
জানতে চাইলে রাজশাহীর চারঘাট উপজেলার উত্তর মেরামতপুর স্কুলের সহকারী প্রধান শিক্ষক মো. মোখলেসুর রহমান বলেন, ‘সনদ জালিয়াতির সঙ্গে এনটিআরসিএ-এর এক শ্রেণির কর্মকর্তা-কর্মচারী জড়িত। সংশ্লিষ্ট একাধিক কর্মকর্তা-কর্মচারী কাছ থেকে দালালদের মাধ্যমে শিক্ষকরা সনদ কিনেছেন টাকা দিয়ে। দেশে ৪০ থেকে ৫০ হাজার শিক্ষক জাল সনদে চাকরি করছেন। এ জন্য এনটিআরসিএ দায়ী। ২০০৫ সালের আগে যারা শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ নিয়েছেন কিন্তু নিয়োগপত্র পেয়েছেন পরে তাদের অনেকেই এমপিওভুক্তির জন্য জাল সনদ কিনেছেন। শিক্ষকতার জন্য জরুরিভিত্তিতে সনদের প্রয়োজনে শিক্ষকরা যখন দিশেহারা, তখন সনদ কিনতে পাওয়া গেছে ৫ থেকে ১০ হাজার টাকায়।’

মো. মোখলেসুর আরও রহমান বলেন, ‘রংপুরের জাল সনদে দূরের জেলার অন্য বিষয়ের সনদের রোল নম্বর হুবহু মিলিয়ে শিক্ষকরা জাল সনদ তৈরি করতে পারবেন না। এনটিআরসিএ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা জড়িত না থাকলে সম্ভব নয়। জাল চক্র খুঁজে বের করে তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নিতে হবে।’

এনটিআরসিএ প্রকাশিত চলতি সেপ্টেম্বরের ১০টি প্রতিবেদনে ২০টি জাল সনদ চিহ্নিত করা হয়েছে। এর মধ্যে গত ২৪ সেপ্টেম্বরের একটি প্রতিবেদনে দেখা গেছে, জাতীয়করণ করা রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার সরকারি শাহ্ আব্দুর রউফ কলেজের আট জন প্রভাষকের শিক্ষক নিবন্ধন সনদ ভুয়া বা জাল। শিক্ষক আত্তীকরণে সনদ যাচাই করলে ভুয়া বলে প্রমাণ পায় এনটিআরসিএ। এর আগে ১৩ সেপ্টেম্বরের প্রতিবেদনে একই কলেজের আরও একজন শিক্ষকের জাল সনদ চিহ্নিত হয়।

কলেজটির আটজন শিক্ষকের মধ্যে সমাজ বিজ্ঞানের প্রভাষক সুরাইয়া বেগমের জমা দেওয়া সনদে রুজিনা আক্তার নামের অন্য এক জনের রোল নম্বর ব্যবহার করা হয়েছে। রাষ্ট্রবিজ্ঞানের প্রভাষক মোসা. হাসিনা আক্তারের জমা দেওয়া সনদের জাহাঙ্গীর আলম নামের অন্য এক জনের রোল নম্বর ব্যবহার করা হয়েছে।

এর আগে গত ১৩ সেপ্টেম্বরের একটি প্রতিবেদনে দেখা গেছে, সরকারি শাহ্ আব্দুর রউফ কলেজের ইসলামের ইতিহাসের প্রভাষক দিল রওশন আরার জমা দেওয়া সনদে বদরুল আমিনের সনদের রোল নম্বর ব্যবহার করা হয়েছে।

গত ২৪ সেপ্টেম্বরের অন্য একটি প্রতিবেদনে আরও দুই জন শিক্ষকের সনদ জাল চিহ্নিত করা হয়েছে। নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলার মাগুড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মো. লতিফুজ্জামান ও মনিকা রানী রায়ের শিক্ষক নিবন্ধন সনদ জাল। মো. লতিফুজ্জামানের জমা দেওয়া সনদটি সাইফুল ইসলাম নামের এক জনের সনদ জাল করা হয়েছে। আর মনিকা রানী রায়ের জমা দেওয়া সনদটি মিজানুর রহমান নামের একজনের সনদ জাল করে করা হয়েছে।

গত ২২ সেপ্টেম্বরের প্রতিবেদন অনুযায়ী জাতীয়করণ করা রংপুরের বদরগঞ্জ সরকারি কলেজের বাংলা বিভাগের প্রভাষক শামীম আল মামুনের সনদটি রাজবাড়ী জেলার ভূগোল বিষয়ের সহকারী শিক্ষকের সনদ জাল করে করা হয়েছে।

গত ১৭ সেপ্টেম্বরে প্রতিবেদনে দেখা গেছে, জাতীয়করণ করা নওগাঁর নিয়ামত সরকারি কলেজের রাষ্ট্রবিজ্ঞানের প্রভাষক মো. আসাদ আলীর জমা দেওয়া সনদে মো. আব্দুল খালেকের সনদের রোল নম্বর ব্যবহার করা হয়েছে, রাষ্ট্রবিজ্ঞানের আরেক প্রভাষক সুরুজ কুমারের জমা দেওয়া সনদে আব্দুস সালামের রোল নম্বর ব্যবহার করা হয়েছে।

১৭ সেপ্টেম্বরের আরেকটি প্রতিবেদনে দেখা গেছে, ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার সরকারি মাহাতাব উদ্দিন ডিগ্রি কলেজের ইতিহাসের প্রভাষক ফাতেমা খাতুনের জমা দেওয়া সনদে আব্দুল লতিফের রোল নম্বর ব্যবহার করা হয়েছে।

এই সব সনদ জালিয়াতির ঘটনায় জালিয়াত চক্রকে আইনের আওতায় আনা সম্ভব হবে না বলে মনে করেন শিক্ষকরা। কারণ এনটিআরসিএ কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কেউ জড়িত থাকলেও এতদিন পর তা প্রমাণ করার সুযোগ নেই।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

নাসিমকে নিয়ে কটূক্তির অভিযোগে রাবি শিক্ষক বহিষ্কার

রাবি প্রতিনিধি | ২৮জুন, ২০২০

প্রয়াত সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিমকে নিয়ে ফেসবুকে কটূক্তির অভিযোগে গ্রেপ্তার রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) শিক্ষক কাজী জাহিদুর রহমানকে সাময়িক বহিষ্কার করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

শনিবার সকালে উপাচার্যের বাসভবনে অনুষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করে সিন্ডিকেট সদস্য ও মাদার বখশ হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক আব্দুল আলীম সমকালকে বলেন, সিন্ডিকেট সভায় শিক্ষক কাজী জাহিদুর রহমানকে সাময়িক বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তিনি মামলায় জেলে আছেন। সেজন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন সেলের পরামর্শ মতো সিন্ডিকেট এ সিদ্ধান্ত নেয়।

সভায় উপাচার্য অধ্যাপক এম আব্দুস সোবহান সভাপতিত্ব করেন।

ফেসবুকে মোহাম্মদ নাসিমকে নিয়ে কটূক্তির অভিযোগে গত ১৭ জুন মধ্যরাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক কোয়ার্টার থেকে কাজী জাহিদকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহকারী অধ্যাপক।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

বুয়েটের নতুন উপাচার্য সত্য প্রসাদ মজুমদার

নিজস্ব প্রতিবেদক | ২৫ জুন, ২০২০
বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক সত্য প্রসাদ মজুমদারকে প্রতিষ্ঠানটির উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে সরকার।

বুয়েট অধ্যাদেশ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি এই অধ্যাপককে চার বছরের জন্য উপাচার্য নিয়োগ দিয়েছেন জানিয়ে বৃহস্পতিবার আদেশ জারি করেছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ।

উপাচার্য হিসেবে তিনি বর্তমান পদের সমপরিমান বেতন-ভাতা এবং বিধি অনুযায়ী পদ সংশ্লিষ্ট অন্যান্য সুবিধা ভোগ করবেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে তাকে সার্বক্ষণিক ক্যাম্পাসে অবস্থান করতে হবে।

রাষ্ট্রপতি ও চ্যান্সেলর প্রয়োজন মনে করলে যে কোনো সময় এই নিয়োগ বাতিল করতে পারবেন বলেও আদেশে বলা হয়েছে।

২০১৬ সালের ২২ জুন বুয়েটের ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক সাইফুল ইসলামকে চার বছরের জন্য প্রতিষ্ঠানটির উপাচার্য নিয়োগ দিয়েছিল সরকার।

এই অধ্যাপকের মেয়াদ শেষ হওয়ায় ওই পদে অধ্যাপক সত্য প্রসাদ মজুমদারকে নিয়োগ দেওয়া হল।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

নাসিমকে নিয়ে কটূক্তি, এবার গ্রেপ্তার রাবি শিক্ষক

নিজস্ব প্রতিবেদক,১৭ জুন:

সদ্য প্রয়াত সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগ নেতা মোহাম্মদ নাসিমকে নিয়ে ফেসবুকে কটূক্তির অভিযোগে এবার রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) এক শিক্ষককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। কাজী জাহিদুর রহমান নামের ওই সহকারী অধ্যাপককে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

জানা গেছে, বুধবার (১৭ জুন) দিবাগত রাত ২টার দিকে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক কোয়ার্টারের বাসা খেকে গ্রেপ্তার করা হয় কাজী জাহিদুর রহমানকে। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সাইন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (সিএসই) বিভাগের শিক্ষক।

আরো পড়ুন : স্নাতকে বৃত্তি পাওয়া শিক্ষার্থীদের তথ্য পাঠাতে হবে ২১ জুনের মধ্যে

এর আগে রাজশাহীর সাগরপাড়ার বাসিন্দা অ্যাডভোকেট তাপস কুমার সাহা ওইদিন রাতেইমতিহার থানায় অভিযোগটি দায়ের করেন। রাবি শিক্ষককে গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মতিহার থানা পুলিশের এএসআই আসাদুজ্জামান।

তিনি জানান, মোহাম্মদ নাসিমকে নিয়ে ফেসবুকেআপত্তিকর মন্তব্য করার অভিযোগে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা করার পর তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তার আইনের ২৫, ২৯ ও ৩১ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।

জানা গেছে, কাজী জাহিদুর রহমান নড়াইল জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক। মোহাম্মদ নাসিম অসুস্থ হওয়ার পর তিনি ফেসবুকে নাসিমকে ইঙ্গিত করে স্বাস্থ্যখাত নিয়ে স্ট্যাটাস দেন। এতে স্বাস্থ্যখাতে নানা অনিয়মের কথা উল্লেখ করেন।

মোহাম্মদ নাসিম মারা যাওয়ার পর বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) এক শিক্ষককেও একই ধরনের অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়। এরপর জাহিদুর রহমানের ফেসবুক স্ট্যাটাসগুলো সামনে আসে। এরপর তার শাস্তির দাবি জানান ছাত্রলীগের নেতাকর্মী এবং আওয়ামীপন্থী শিক্ষকরা। এর আগে স্ট্যাটাসের জেরে গত ১৬ জুন তাকে নড়াইল জেলা আওয়ামী লীগের পদ থেকেও বহিষ্কার করা হয়।


Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছুটির মেয়াদ আরও বাড়ছে

নিজস্ব প্রতিবেদক,১৪জুন:

দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সাধারণ ছুটির মেয়ার আরও বাড়ানো হচ্ছে। করোনা সংক্রমণের পরিস্থিতি উন্নত না হওয়ায় এমন সিদ্ধান্ত নিচ্ছে সরকার। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে চলমান ছুটি ১৫ জুন শেষ হচ্ছে। তবে এই ছুটির মেয়াদ আরও বাড়িয়ে আজ-কালকের মধ্যে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় প্রজ্ঞাপন জারি করবে বলে জানা গেছে। এরপর শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে ছুটি বাড়ানোর নির্দেশনা দেয়া হবে।

গত ১৭ মার্চ থেকে করোনাভাইরাসের কারণে প্রাক্-প্রাথমিক থেকে উচ্চশিক্ষা পর্যন্ত দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সাধারণ ছুটি চলছে। আবারও ছুটির মেয়াদ বাড়িয়ে প্রজ্ঞাপন জারির বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের মো. সচিব মো মাহবুব হোসেন গণমাধ্যমকে বলেন, স্কুল-কলেজের ছুটির মেয়াদ বাড়ানো হবে কি হবে না, হলে কতদিন তা নির্ভর করছে জনপ্রশাসন থেকে সাধারণ ছুটির বিষয়ে আদেশ পাওয়ার ওপর। আজ রোববার স্কুল-কলেজের ছুটির বিষয়ে নির্দেশনা দেয়া হতে পারে।

আরো পড়ুননাসিমকে নিয়ে কটূক্তি, সেই শিক্ষিকা গ্রেপ্তার

এদিকে স্কুল খোলার বিষয়ে জানতে চাইলে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. ফসিউল্লাহ শনিবার গণমাধ্যমকে বলেন, শিক্ষার্থীদের করোনা ভাইরাস থেকে সুরক্ষিত রাখাই এখন আমাদের একমাত্র লক্ষ্য। তবে তাদের পাঠদান চালিয়ে যেতে হবে। যেহেতু এই মুহূর্তে ভাইরাস সংক্রমণ পরিস্থিতির কোন উল্লেখযোগ্য উন্নতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে না, তাই সঙ্গত কারণেই বলা যায় ১৫ জুনের পরও স্কুল খোলা হচ্ছে না।

ছুটি কতদিন বাড়তে পারে এ বিষয়ে তিনি আরও বলেন, তবে এ বিষয়ে সরকারের উচ্চ পর্যায় থেকে নির্দেশনা পাওয়ার পর স্কুলে ছুটির বৃদ্ধির বিষয়টি সুস্পষ্টভাবে উল্লেখ করে আদেশ জারি করা হবে।

করেনা সংকটের সময় শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষার বিষয়ে জোর দিচ্ছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এর আগে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছেন, যখনই পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে তখনই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেয়া হবে। শিক্ষার্থীদের আমরা বিপদের মুখে ঠেলে দিতে পারি না। শিক্ষার্থীদের সুরক্ষার বিষয়েটি সর্বোচ্চ প্রাধান্য দেয়া হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, শিক্ষা কার্যক্রম একেবারে বন্ধ সেটাও বলা যাবে না। সংসদ টিভি এবং বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান অনলাইনের মাধ্যমে শিক্ষাকার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। সেখানেও ছাত্র-ছাত্রীরা অনেক লাভবান হচ্ছে।

গত ৩১ মে এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলের দিন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কবে নাগাদ খুলতে পারে- এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছিলেন, করোনা পরিস্থিতির উন্নতি হলে বন্ধ থাকা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো ধাপে ধাপে খুলে দেয়া হবে। তখন তিনি আরও বলেছেন, এই মুহূর্তে আমরা সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান উন্মুক্ত করতে চাচ্ছি না। কেননা আমরা চাই না- আমাদের ছেলে-মেয়েরা করোনা ভাইরাসে সংক্রমিত হোক। তারা আমাদের ভবিষ্যৎ। তাদেরকে আমরা ঝুঁকিতে ফেলতে পারি না। সেজন্য এখনই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান উন্মুক্ত করব না। তবে করোনা পরিস্থিতি যদি কাটিয়ে উঠতে পারি তাহলে যতটুকু সম্ভব খুলে দেব। পরে অবস্থা বুঝে আরও উন্মুক্ত করব।

এসময় তিনি শিক্ষার্থীদের বাড়িতে পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়ার আহবান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, শিক্ষার্থীরা এখন বাড়িতে পড়াশোনার সুযোগ পাচ্ছেন। তারা সেই সুযোগটি কাজে লাগিয়ে অনেক কিছু শিখতে পারছেন। আশা করি, তারা বাড়িতে বসে মনোযোগ দিয়ে পড়াশোনা করবে।

এর আগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গত এপ্রিলের শেষ নাগাদ এক অনুষ্ঠানে বলেছিলেন, বর্তমান করোনা পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বন্ধ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত থাকবে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানান, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ইতিপূর্বে সেপ্টেম্বরের আগে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে না দেওয়ার ব্যাপারে ইঙ্গিত দিয়েছেন। সেটাকেই তারা যথাযথ দিকনির্দেশনা বলে মনে করছেন। তাই প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা কার্যক্রম বিদ্যমান অবস্থায় রাখা এবং ছাত্রছাত্রীদের বাসায় রেখে লেখাপড়ার ব্যবস্থা বা বিকল্প পাঠদানের চিন্তা চলছে।

১৬ মার্চ দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও কোচিং সেন্টার ৭ মার্চ থেকে ৩১ মার্চ পর্যন্ত বন্ধ ঘোষণা করেছিল সরকার। এরপর ১ এপ্রিল থেকে শুরু হতে যাওয়া এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষাও স্থগিত করা হয়। দেশে সর্বশেষ সাধারণ ছুটি বহাল ছিল ৩০ মে পর্যন্ত। এরপর ৩১ মে থেকে সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত এবং বেসরকারি অফিসগুলো স্বাস্থ্যবিধি মেনে নিজ ব্যবস্থাপনায় সীমিত আকারে চালু হয়। তবে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছুটি আরো ১৫ দিন বাড়ানো হয়েছে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

নাসিমকে নিয়ে কটূক্তি, সেই শিক্ষিকা গ্রেপ্তার

ডেস্ক,১৪ জুন:

সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিমকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে কুরুচিপূর্ণ স্টাটাস দেয়ায় রংপুর বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের শিক্ষক সিরাজুম মুনিরাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সভাপতি তুষারের দায়ের করা আইসিটি মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

শনিবার মধ্যরাতে বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন পার্কমোড় ভাড়া ভাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতি বলছে এটি তার ব্যক্তিগত দায়। শিক্ষক সমিতি এ নিয়ে কোন হস্তক্ষেপ করবে না।

পুলিশ জানায়, শিক্ষক মনিরা সুলতানা বাংলা বিভাগের শিক্ষক। তিনি তার ফেসবুকে সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে নিয়ে লেখেন, ‘যোগ্য নেতৃত্বে দেশে নাসিম্যা মুক্ত হলো’।

এ ঘটনার পর ওই ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা স্কিনশট দিয়ে স্টাটাসটি ভাইরাল করে দেয়। পরে শিক্ষক মুনিরাকে প্রকাশ্যে জাতির কাছে ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান জানায় ছাত্রলীগ। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে ব্যবস্থা নেয়ার আহ্বানও জানায়।

পুলিশ জানায়, ওই ঘটনার পর বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সভাপতি তুষার কিবরিয়া তাজহাট থানায় আইসিটি মামলা করেন। ওই মামলায় সিরাজুম মুনিরাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সভাপতি তুষার কিবরিয়া জানান, আমরা ওই স্টাটাস দেখার পর বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে ব্যবস্থা নিতে অনুরোধ করি। কিন্তু প্রশাসন কোন ব্যবস্থা নেয়নি। আমি থানায় মামলা করলেও প্রথমে সেটা গ্রহণ না করে তারাই মামলা করবে বলে থানায় ফোন করে। অবশ্য পরে পুলিশ আমার মামলাটি গ্রহণ করে।

তিনি বলেন, পরে গভীর রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার আবু হেনা মোস্তফা কামালও একটি ডিজিটাল আইনে মামলা করেন। সেই মামলাও গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। ছাত্রলীগের করা আহ্বানে শিক্ষক মুনিরা নিজের ভুল বুঝতে পেরে ওই স্টাটাসটি মুছে দিয়ে দুঃখ প্রকাশ করে আরেকটি স্টাটাস দিয়েছিলেন বলে অনেকে বলছেন। কিন্তু সেটা অনেক পরে, তাও নাকি তিনি তার সিদ্ধান্তে অনড় ছিলেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক তাবিউর রহমান প্রধান জানান, সিরাজুম মুনিরা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক। তিনি এই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ছিলেন। কিন্তু তিনি যে নেক্কারজনক ঘটনাটি ঘটিয়েছেন, এজন্য এর দায় তাকেই নিতে হবে। শিক্ষক সমিতি হস্তক্ষেপ করবে না।

তাজহাট থানার ওসি (তদন্ত) রবিউল ইসলাম গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

সরকারি নির্দেশ অমান্য করে রোববার খুলছে পাবনায় বিশ্ববিদ্যালয়

বিডি নিউজ,৩০ মে:
করোনাভাইরাস সংক্রমণ রোধে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে রোববার খুলে দেওয়া হচ্ছে পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়।

শনিবার এটির উপাচার্য প্রফেসর ড. এম রোস্তম আলীর নির্দেশে অতিরিক্ত রেজিস্টার বিজয় কুমার ব্রহ্ম সাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়েছে।

অতিরিক্ত রেজিষ্ট্রার বিজন কুমার বলেন, “ভিসি স্যারের নির্দেশে তিনি বিশ্ববিদ্যালয় খোলার নোটিশ করেছেন। “

গত ২৮ মে এক প্রজ্ঞাপনে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন জানায়, করোনাভাইরাসের বিস্তার রোধে মন্ত্রী পরিষদ বিভাগের নির্দেশনা অনুসারে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন সরকারি ও বেসরকারি সব বিশ্ববিদ্যালয়ের অনলাইন ও ডিসট্যান্স ক্লাস ছাড়া যাবতীয় কার্যক্রম পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত আগামী ১৫ জুন পর্যন্ত বন্ধ রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনের বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের সচিব ড. ফেরদৌস জামান বলেন, “মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় মন্ত্রী পরিষদ সচিব বিভাগ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধের সিদ্ধান্ত দিয়েছে। আমরা শুধুমাত্র তা বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে জানিয়েছি।

“নির্দেশনা না মেনে পাবিপ্রবি খোলা হলে তা সেটা প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনাকে অবজ্ঞা ও অমান্য করার শামিল। এমন সিদ্ধান্ত নেওয়ার এখতিয়ার পাবিপ্রবি প্রশাসনের নেই।”

তবে এই খোলার ব্যাপারে আপত্তি রয়েছে এ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

৩১ মে থেকে সীমিত পরিসরে খুলছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

ঢাবি প্রতিনিধি,২৯ মে:
মহামারি করোনা পরিস্থিতিতে ৩১ মে থেকে সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ও অফিস-আদালত খুলছে। যদিও স্কুল-কলেজসহ সব ধরণের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ১৫ জুন পর্যন্ত। তবে ৩১ মে থেকে সীমিত পরিসরে প্রতিষ্ঠান খোলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

বৃহস্পতিবার (২৮ মে) এ বিষয়ে প্রাথমিক সিদ্ধান্তও নেয়া হয়েছে। আজ তা চূড়ান্ত বিজ্ঞপ্তি আকারে জারি হতে পারে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

স্কুল বন্ধে সময় কাটুক 10 minute live school এ

নিজস্ব প্রতিবেদক,২১ এপ্রিল:
করোনা ভাইরাসে আজ বাংলাদেশসহ বিশ্বের অধিকাংশ দেশ আক্রান্ত। বাংলাদেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ সকল অফিস আদালত বন্ধ।
শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় শিক্ষার্থীরা পড়াশোনায় পিছিয়ে পড়ছে। বৈশ্বিক এ দুর্যোগের মধ্যেও শিক্ষার্থীরা যেন তথ্য প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে তাদের শিক্ষা কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে পারে সে লক্ষে a2i নির্দেশনায় ৩য় শ্রেণি হতে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষা কার্যক্রম চালানোর সিদ্ধান্ত গৃহিত হয়।
10 minute live school এ মুলত গণিত বিষয়কে প্রাধান্য দিয়ে প্রতিদিন লাইভ/ভিডিও ক্লাস আপলোড করা হয়। ক্লাসটি পরিচালনা করেন গণিত শিক্ষক স্বরুপ দাস।
প্রতিদিন বিষয়ভিত্তিক স্বনামধন্য শিক্ষকরা ক্লাস নিচ্ছেন।
এ স্কুলের সাথে যুক্ত হতে আপনি এখনি
www.facebook.com/10minuteliveschool এ ফেসবুক পেজে লাইক দিন।
ফেসবুকে ক্লাসগুলো শেয়ার করে অন্যকে দেখার সুযোগ করে দিন।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

৯ এপ্রিল পর্যন্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ

ডেস্ক,২৪ মার্চঃ
করোনাভাইরাস পরিস্থিতিতে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান আগামী ৯ এপ্রিল পর্যন্ত বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।

আজ মঙ্গলবার শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের যৌথসভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
এর আগে ৩১ মার্চ পর্যন্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছিল।
বিস্তারিত আসছে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

ঢাবির শিক্ষার্থীদের হল ছাড়ার নির্দেশ,

ঢাবি হতে,১৯ মার্চঃ
করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব মোকাবিলায় আবাসিক হলগুলো খালি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম সিন্ডিকেট৷

আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে সিন্ডিকেটের এক জরুরি সভা থেকে আগামীকাল শুক্রবার সন্ধ্যা ছয়টার মধ্যে হলে অবস্থানরত শিক্ষার্থীদের হল ছাড়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এ ছাড়া করোনা–পরিস্থিতিতে শিক্ষার্থীদের ছুটি তিন দিন বাড়ানো হয়েছে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সিন্ডিকেটের সদস্য ও বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক এ এস এম মাকসুদ কামাল প্রথম আলোকে সিন্ডিকেট সভার এসব সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ভবনে আজ দুপুর ১২টার দিকে এই সভা বসে।

এ এস এম মাকসুদ কামাল বলেন, ১৬ মার্চ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ১৮ থেকে ২৮ মার্চ পর্যন্ত ক্লাস-পরীক্ষা স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত জানিয়েছিল। সিন্ডিকেট সভায় এই ছুটি তিন দিন বাড়িয়ে ৩১ মার্চ করা হয়েছে। শুক্রবার সন্ধ্যা ছয়টার মধ্যে শিক্ষার্থীদের হল ছাড়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। হল প্রাধ্যক্ষদের বিষয়টি জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া করোনার প্রাদুর্ভাবের এই সময়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের গুরুত্বপূর্ণ কার্যালয়গুলোর (উপাচার্য, সহ-উপাচার্য কার্যালয়) কার্যক্রম সীমিত রাখা এবং অন্য সব কার্যালয় বন্ধ রাখতে বলেছে সিন্ডিকেট।

করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব বাড়লে বিশ্ববিদ্যালয় এলাকার তথ্য সমন্বয় করতে সিন্ডিকেট সভা থেকে পাঁচ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির নাম দেওয়া হয়েছে ‘করোনা রেসপন্স কমিটি’। এই কমিটির আহ্বায়ক করা হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসা অনুষদের ডিন শাহরিয়ার নবীকে। সদস্যসচিব করা হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় চিকিৎসাকেন্দ্রের প্রধান চিকিৎসা কর্মকর্তা সারওয়ার জাহানকে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

স্কুল-কলেজগুলো নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত

ডেস্ক,১২ মার্চঃ
চীনের হুবেই প্রদেশের উহান শহরে প্রথমে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হলেও বর্তমানে বিশ্বের ১১৯টি দেশে ছড়িয়ে গেছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডাব্লিউএইচও) করোনা ভাইরাসকে বৈশ্বিক মহামারি ঘোষণা করেছে।

করোনা ভাইরাস প্রায় সব মহাদেশের শতাধিক দেশে ছড়িয়ে ১ লাখের বেশি মানুষকে আক্রান্ত এবং ৪ হাজারের বেশি মানুষের মৃত্যুর কারণ হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের চেয়েও বেশি আতঙ্ক ছড়িয়েছে করোনাভাইরাস।

বাংলাদেশেও করোনার কিছুটা প্রভাব পড়েছে। বাংলাদেশ সরকার করোনা মোকাবেলায় বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে। তার মধ্যে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে সচেতনামূলক নির্দেশনা দিয়েছে।

বুধবার মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর থেকে এমন নির্দেশনা দেয়া হয়েছে- সরকার ইতোমধ্যে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়েছে। এ ভাইরাসের সংক্রমণ রোধে সবার সতর্কতা ও সচেতনতা প্রয়োজন। মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের অধীন সব অফিস ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সংশ্লিষ্ট সবাইকে এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় জনসমাগম এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেওয়া হলো।

এতে আরও বলা হয়েছে, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সাংস্কৃতিক, ক্রীড়া ও অন্যান্য যেসব অনুষ্ঠানে জনসমাগম হয় সেসব অনুষ্ঠান আয়োজনের সূচি পুনর্বিন্যাস করে পরবর্তী সময়ে আয়োজনের নির্দেশনা দেওয়া হলো। এ ছাড়া পুনরাদেশ না দেওয়া পর্যন্ত প্রাত্যহিক সমাবেশ শ্রেণি কক্ষগুলোতে আয়োজন করতে হবে। সেখানেই জাতীয় সঙ্গীত গাওয়াসহ অন্যান্য কার্যক্রম পরিচালিত হবে।

এদিকে করোনা সম্পর্কে সহায়তা পেতে এখন থেকে আর ১২টি নম্বারে ফোন করতে হবে না। মাত্র একটি নাম্বারের ফোন করলেই হবে। নাম্বারটি হচ্ছে ০১৯৪৪৩৩৩২২২। এই সেল নাম্বারে যোগাযোগ করলেই প্রয়োজনীয় নাম্বারে ফোন ঢুকে যাবে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

নিজেদের শিক্ষক পরিচয় দিতে লজ্জা পান যেসব শিক্ষকরা

ডেস্ক,৮ মার্চঃ
শ্রেণিকক্ষে মনোযোগী না হয়ে নন ক্যাডার শিক্ষকরা ব্যস্ত থাকেন কোথায় কোন নিয়োগ পরীক্ষা, কোথায় বদলি হবেন, মন্ত্রণালয় ও শিক্ষা অধিদপ্তরে ঘোরাঘুরি ও প্রধান শিক্ষকদের অসহযোগীতা করাসহ ইত্যাদি কাজে। এতে পড়াশোনা মারাত্মক ব্যাহত হচ্ছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরে আসা লিখিত অভিযোগে এসব তথ্য উঠে এসেছে।
এ বিষয়ে বাংলাদেশ সরকারি মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির নেতারাও ননক্যাডার শিক্ষকদের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ তুলেছেন। সিনিয়র শিক্ষকদের তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করে কথা বলার অভিযোগ রয়েছে এসব নন ক্যাডারদের বিরুদ্ধে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক মুন্সিগঞ্জের কে কে গভ. ইনস্টিটিউশনের কয়েকজন শিক্ষক বলেন, নন ক্যাডারদের তো স্কুলেই পাওয়া যায় না। পরীক্ষা আর তদবিরে ব্যস্ত থাকেন তারা।

এ ভি জে এম সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের কয়েকজন শিক্ষক বলেন, নন ক্যাডাররা মনে-প্রাণে শিক্ষক না। নিজেদের কর্মকর্তা হিসেবে পরিচয় দিতে ব্যস্ত। শিক্ষক পরিচয় দিতে লজ্জাবোধ করেন। চাকরিতে যোগদান করেই সিনিয়র শিক্ষকদের বিরুদ্ধে বিষোদগারে লিপ্ত হয়েছেন কেউ কেউ।

এ অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে সিরাজুল ইসলাম নামের একজন ননক্যাডার শিক্ষক বলেন, এটা খুবই যৌক্তিক যে আমরা ক্যাডার কর্মকর্তা হওয়ার জন্য ফের বিসিএস পরীক্ষা দেবো। এতে শ্রেণিকক্ষে পাঠদান তো কিছুটা ব্যাহত হবেই। পরীক্ষা দেয়া তো আমার অধিকার। তাছাড়া সরকারি হাইস্কুলে কিছু সিনিয়র শিক্ষক রয়েছেন যারা কোনোভাবে চাকরিতে ঢুকেছিলেন। পড়াশোনা খুব একটা জানে না। তারা জুনিয়রদের সহজে মেনে নিতে চান না।

তবে এ বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একাধিক কর্মকর্তা জানান, অভিযোগের বিষয়টি গুরুত্বসহকারে বিবেচনা করছে মন্ত্রণালয়। শীঘ্রই এ বিষয় নিয়ে সুষ্ঠ সমাধান হবে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

Responsive WordPress Theme Freetheme wordpress magazine responsive freetheme wordpress news responsive freeWORDPRESS PLUGIN PREMIUM FREEDownload theme free

hit counter