Home » ক্যাম্পাস

ক্যাম্পাস

বুয়েটে আন্দোলন চলবে

ডেস্ক

মাঠ পর্যায়ের আন্দোলন প্রত্যাহারের ১৩ দিনের মাথায় ফের আন্দোলনের ঘোষণা বুয়েট শিক্ষার্থীদের। পারফেক্ট ফলাফল না দেখা পর্যন্ত আন্দোলনে থাকার ঘোষণা দেন তারা।
মঙ্গলবার বিকালে এক সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষার্থীরা এই ঘোষণা দেয়।

শিক্ষার্থীরা বলেন, দাবি পূরণে বুয়েট প্রশাসনের উদাসীনতা প্রত্যক্ষ করা যাচ্ছে। আবরার হত্যা মামলার খরচ বুয়েট প্রশাসন দিচ্ছে না বলেও অভিযোগ করেন শিক্ষার্থীরা। আবরারের পরিবারেরকে ক্ষতিপূরণ দিতে আজ পর্যন্ত কেউ যোগাযোগ করেনি বলেও জানান তারা।

শিক্ষার্থীরা বলেন, ১০ দাবির মধ্যে মাত্র দুটি দাবি মানা হয়েছে। বাকি দাবিগুলো আদায়ে ক্লাস পরীক্ষা বর্জন কর্মসূচি চলবে বলে জানান শিক্ষার্থীরা। দাবি গুলোর বিষয়ে ফের বুয়েট উপাচার্যের সাথে বসার আগ্রহ প্রকাশ করেন তারা।


রুয়েটের ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ

রাজশাহী:
রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (রুয়েট) ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষে প্রথম বর্ষ ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৯ অক্টোবর) রাতে এ ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে।

ভর্তি পরীক্ষা কমিটির সভাপতি প্রফেসর ড. মো. মোশাররফ হোসেন এবং সদস্য সচিব ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার প্রফেসর ড. মো. সেলিম হোসেনের যৌথ সই করা এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে মঙ্গলবার রুয়েট প্রশাসনিক ভবনের নোটিশ বোর্ডে এবং ওয়েবসাইটে (www.ruet.ac.bd) প্রথম বর্ষ ভর্তি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হয়।

ফলাফলে ভর্তি পরীক্ষায় প্রাপ্ত নম্বরের ভিত্তিতে ‘ক’ গ্রুপের বিভাগগুলোতে ভর্তির জন্য ১ থেকে ৫২৪৩তম প্রার্থীর মেধাক্রম অনুযায়ী তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। এছাড়া ‘খ’ গ্রুপের বিভাগে ভর্তির জন্য ১ থেকে ৩৮৫তম প্রার্থীর মেধাক্রম অনুযায়ী তালিকা প্রকাশ করা হয়।

আগামী ১২ ডিসেম্বর সকাল ৯টা থেকে মেধা তালিকায় ‘ক’ গ্রুপে ১ থেকে ১২০০তম পর্যন্ত এবং ‘খ’ গ্রুপে ১ থেকে ৩০তম স্থান অর্জনকারী শিক্ষার্থীদের ভর্তি করা হবে। ভর্তির নিয়ম এবং প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টের তালিকা রুয়েট প্রশাসনিক ভবনের নোটিশ বোর্ডে এবং ওয়েবসাইটে (www.ruet.ac.bd) প্রকাশ করা হয়েছে। ভর্তির জন্য নির্ধারিত তারিখ ও অন্যান্য তথ্য প্রার্থীকে নিজ দায়িত্বে জেনে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।


আবরার হত্যায় অমিত সাহা গ্রেপ্তার

নিজস্ব প্রতিবেদক,১০ অক্টোবর:
বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় অমিত সাহা নামে আরও একজনকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা ও অপরাধ তথ্য বিভাগ।




অমিত সাহা বুয়েটের সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের ১৬তম ব্যাচের ছাত্র। তিনি বুয়েট শাখা ছাত্রলীগের আইনবিষয়ক উপসম্পাদক। পুলিশের গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) সূত্র বলছে, রাজধানীর সবুজবাগ এলাকা থেকে আজ বৃহস্পতিবার বেলা ১১ টার দিকে অমিত সাহাকে গ্রেপ্তার করা হয়। আবরার হত্যার এজাহারে অমিত সাহার নাম না থাকলেও তাঁকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে বলে জানিয়েছে ডিএমপি নিউজ।

আবরারের বাবা বরকত উল্লাহ্‌ বুধবার গণমাধ্যমের কাছে অভিযোগ করেন, ‘অমিত সাহা নামের একজনের কক্ষে আমার ছেলেকে নির্যাতন করা হয়েছে। তার নামটা এজাহারে আসে নাই। গতকাল (মঙ্গলবার) মামলার তদন্ত কর্মকর্তার সঙ্গে আলাপ হয়েছে, তাঁকে বলেছি অমিত সাহাকে মামলায় অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। উনি (তদন্ত কর্মকর্তা) বলেছেন, তদন্ত করে অন্তর্ভুক্ত করা হবে।’



মৃত্যুর আগে কি বলেছিল আবরার?

ডেস্ক,১০অক্টোবর:

ক্ষমতাসীন দলের অঙ্গ সংগঠন ছাত্রলীগ নেতা-কর্মীদের নির্মম নির্যাতনে অকালে প্রাণ হারিয়েছেন প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) মেধাবী শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদ। এই মৃত্যুর ঘটনায় গোটা দেশে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। তিন দফায় প্রায় সাত ঘণ্টার টানা নির্যাতনে মারা যায় ছেলেটি। কিন্তু মরার আগেও বাঁচার আকুতি ছিলো আবরারের মুখে।



প্রত্যক্ষদর্শীদের উদ্ধৃতি দিয়ে বিবিসির এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে আবরার হত্যার লোমহর্ষক কিছু মুহূর্ত। প্রতিহিংসামূলক হামলার শিকার হওয়ার শঙ্কায় নাম না প্রকাশ করে বুয়েটের এক শিক্ষার্থী বিবিসিকে বলেন, যে কক্ষে আবরারকে মারধর করা হয়, সেখানে রাত ২টা পর্যন্ত জীবিত ছিলেন আবরার।

তিনি বলেন, ‘আমি আবরারকে ২০০৫ নম্বর কক্ষে দেখতে পাই, তখনো সে জীবিত। কয়েকজন জুনিয়র শিক্ষার্থীকে সঙ্গে করে আমি তাকে সিঁড়ির কাছে নিয়ে যাই।’ তখনো সে জীবিত। সে বলছিল- ‘প্লিজ, আমাকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে চলো।’ বিশেষ করে বিশেষায়িত কোন হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার কথা বলে সে।

বুয়েটের ওই প্রত্যক্ষদর্শী শিক্ষার্থী আরো জানায়, ‘এম্বুলেন্স আসতে দেরি হচ্ছিল। পুলিশ ছিল। যেকোন কারণেই হোক আমার আর সেখানে থাকা সম্ভব হয়নি।’

আরো পড়ুন

আবরার হত্যার বিচারে রাজপথে সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা

ঘটনাস্থলে থাকা আরেক শিক্ষার্থী বলেছেন, আবরারকে বাঁচাতে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য কয়েকজন শিক্ষার্থী হলের সহকারী প্রভোস্টের কক্ষে যান। তখন বাইরে থেকে ওই কক্ষের দরজায় ধাক্কাধাক্কি করছিল ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা। তারা কক্ষে ঢোকার চেষ্টা করে।

স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের বরাত দিয়ে বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়, বাংলাদেশ-ভারত পানি চুক্তি নিয়ে সরকারের সমালোচনা করে ফেইসবুকে স্ট্যাটাস দেওয়ার পর আবরারকে ধরে নিয়ে যায় ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। এরপর তার ওপর চলে অকথ্য নির্যাতন। হলের ২০১১ নম্বর কক্ষে হামলাকারীদের নির্মম নির্যাতনের মুখে আবরার দুবার বমি করেন। সঙ্গে প্রস্রাবও করেন। এই নির্যাতন সইতে না পেরে এক সময় মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে আবরার। এরপর তার মরদেহ ফেলে রাখা হয় বুয়েটের শেরেবাংলা হলের নিচতলা ও দোতলার মাঝামাঝি সিঁড়িতে। সেখান থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে বুয়েট ছাত্রলীগের ১৪ নেতাকর্মীকে আটক করেছে পুলিশ।

জানা যায়, ফেনী নদীর পানি বণ্টন ও বন্দর ব্যবহারসহ ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের বিভিন্ন চুক্তির সমালোচনা করে ফেইসবুকে স্ট্যাটাস দেওয়ায় শিবির সন্দেহে তাকে পিটিয়ে হত্যা করেছে ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা। যদিও শিবিরের সঙ্গে আবরারের কোনো সম্পৃক্ততা খুঁজে পাওয়া যায়নি। তার পরিবারের লোকজন আওয়ামী লীগ করে বলে শোনা গেছে।


আবরার হত্যার বিচারে রাজপথে সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা

ডেস্ক,১০অক্টোবর:
রাজধানীর বেসরকারি স্কুল-কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা আবরার হত্যার বিচারের দাবিতে একযোগে আন্দোলন নামতে যাচ্ছে। ২৫টি স্কুল-কলেজ ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম উল্লেখ করে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। শিক্ষার্থীদের কাছে শেয়ার করতে আহ্বান জানিয়েছে জাস্টিস ফর আববার গ্রুপের সদস্যরা।


বৃহস্পতিবার সকালে রাজধানীর সায়েন্সল্যাব মোড়ের স্কুল-কলেজের ড্রেসে শান্তিপূর্ণ আন্দোলন শুরু করা হবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়। এছাড়া আন্দোলনে দেশের সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের যোগ দিতেও আহ্বান করা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বুয়েটের শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদ ৭ অক্টোবর রাতে ছাত্রলীগের কতিপয় যুবকের হাতে খুন হন। বিচারহীনতার সংস্কৃতির এ দেশে যেন এই হত্যার বিচার যেন হারিয়ে না যায়। এভাবে চলতে থাকলে আজ আবরার কাল আমি এবং পরশু হতে পারেন আপনি এই নির্মম হত্যার শিকার।
আরো পড়ুন

আবরার হত্যাকারীরা অনুতপ্ত হয়ে যা বললেন!

এমনকি তার ছোট ভাই আবরার ফাইয়াজের ভাষ্যমতে, আজকে অতিরিক্ত এসপি কোথা থেকে সাহস পায় আমার গায়ে হাত দেয়ার? আমার ভাবিকে মারছে? নারীদের গায়ে নিষ্ঠুরভাবে আঘাত করা হয়েছে, এই চাটুকারদের কি বিচার হবে না? তিনি কালকে ২ মিনিটে জানাজা শেষ করতে বলেন কীভাবে? যেই ছাত্রলীগ মারলো তারা কেন সর্বত্র? বিচার চাই। আমি বিচার চাই। নয়তো আমাকে মেরে ফেলুন বাবা মা কষ্ট একবারে পাবে।

বলা হয়েছে, তার ওপর হামলার প্রতিবাদ করার সময় এসেছে। আমরা প্রতিবাদ করি। এ অন্যায়ের শেষ কোথায়? আমরা জানতে চাই। ঢাকার সকল শিক্ষার্থীকে আহ্বান জানাচ্ছি স্কুল-কলেজ ড্রেস পরিধান করে ও আইডি কার্ডসহ বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় সায়েন্সল্যাব মোড়ে চলে আসতে। শিক্ষার্থীদের প্ল্যাকার্ড, ব্যানার, ফেস্টুন আনতেও বলা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, শতভাগ শান্তিপূর্ণ আন্দোলন পালন করা হবে, তাই কোনো অঘটন কাম্য নয়।


আবরার হত্যাকারীরা অনুতপ্ত হয়ে যা বললেন!

নিজস্ব প্রতিবেদক,১০ অক্টোবর:
বাংলাদেশ প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদকে পিটিয়ে হত্যায় অংশ নেয়ায় হতবাক অনিক সরকার এবং মেহেদী হাসান রবিনের পরিবার। এরা দুজনই বুয়েটের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী।




অনিকের বিভাগ মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং। আর রবিনের কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং। দুজনেরই বাড়ি রাজশাহী। আবরার হত্যায় এরা দুজন গ্রেপ্তার হওয়ার পর থেকেই মুষড়ে পড়েছে তাদের পরিবার।

অনিক বুয়েট ছাত্রলীগের প্রচার ও গবেষণা সম্পাদক পদে ছিলেন। আর রবিন ছিলেন সাংগঠনিক সম্পাদক। ইতিমধ্যেই তাদের সংগঠন থেকে স্থায়ী বহিষ্কার করা হয়েছে। আর এ হত্যাকাণ্ডে অংশ নেয়ায় চুরমার হয়ে গেছে তাদের বাবা মায়ের স্বপ্ন। মেধাবি এ দুই শিক্ষার্থী আরেক মেধাবি শিক্ষার্থীকে পিটিয়ে হত্যার মতো লোমহর্ষক ঘটনা ঘটিয়েছেন তা তারা এখনও মানতেই পারছেন না।

অনিক সরকারের বাড়ি রাজশাহীর মোহনপুর উপজেলার বড়ইকুড়ি গ্রামে। আবরার ফাহাদকে মদ্যপ অবস্থায় সবচেয়ে বেশি মারধর করেছে অনিক।

জিজ্ঞাসাবাদে অনিক জানায়, আবরারকে অন্তত দেড়শ বার আঘাত করেন তিনি। মারধরের সময় নিজের ভূমিকার বিষয়েও জিজ্ঞাসাবাদে তথ্য দিয়েছেন।

তিনি বলেছেন, আবরার একেক সময়ে একেক তথ্য দিচ্ছিলেন। এজন্য তার মাথা গরম হয়ে যায়। ক্ষিপ্ত হয়ে তিনি তাকে বারবার মারছিলেন। বর্বরোচিত নির্যাতনের একপর্যায়ে আবরার যখন নিস্তেজ হয়ে পড়ছিলেন, তারা বলছিল- ‘ও ঢং ধরেছে’।

হামলাকারীদের নানা পরামর্শ দেন বুয়েট শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান রাসেল। আবরার হত্যা মামলায় গ্রেফতারকৃতরা রিমান্ডে এ ঘটনায় তাদের প্রত্যেকের ভূমিকার কথা তুলে ধরেন।

কয়েকজন ‘অনুতপ্ত’ হয়ে গোয়েন্দাদের এও বলেন, ‘ক্রসফায়ার নইলে ফাঁসি দিয়ে দেন। ওই হত্যার দায় নিয়ে বাঁচতে চাই না।’ একাধিক দায়িত্বশীল সূত্রে গতকাল এসব তথ্য পাওয়া গেছে।



রাবি ভর্তি পরীক্ষায় প্রাথমিক আবেদন ১ লাখ ৩৭ হাজার

রাবি প্রতিনিধি | ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৯
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষার জন্য প্রাথমিক আবেদন করেছে ১ লাখ ৩৭ হাজার শিক্ষার্থী। সোমবার রাতে (১৬ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের আইসিটি সেন্টারের পরিচালক অধ্যাপক খাদেমুল ইসলাম মোল্যা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এদিকে প্রাথমিক আবেদনের পর এবার চূড়ান্ত আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হচ্ছে আগামীকাল মঙ্গলবার (১৭ সেপ্টেম্বর)। এদিন দুপুর ১২টা থেকে আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হয়ে চলবে ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এবং ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে আগামী ২০-২২ অক্টোবর।
বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তর সূত্রে জানা যায়, এবার ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নিতে প্রাথমিক আবেদন করেছেন ‘এ’ ইউনিটে ৫৪ হাজার ৭৬ জন, ‘বি’ ইউনিটে ২৭ হাজার সাতশ ৯৪ জন এবং ‘সি’ ইউনিটে ৫৬ হাজার ৩৩ জন ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থী। এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে প্রতি ইউনিটে সর্বোচ্চ ৩২ হাজার করে সর্বোচ্চ ৯৬ হাজার শিক্ষার্থী ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবেন। প্রতি ইউনিটের জন্য ফি দিতে হবে ১৩২০ টাকা। উল্লেখ্য, ভর্তির আবেদনসহ ভর্তি প্রক্রিয়া সম্পর্কিত বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যাবে (http://admission.ru.ac.bd) তে।

ঢাবিতে ভর্তি পরীক্ষা শুরু

ঢাবি প্রতিনিধ,১৩ সেপ্টেম্বর:
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) ২০১৯-২০২০ শিক্ষাবর্ষে প্রথম বর্ষ স্নাতক (সম্মান) শ্রেণিতে ভর্তি পরীক্ষা শুরু হয়েছে। আজ শুক্রবার (১৩ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টায় ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদভুক্ত ‘গ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার মধ্য দিয়ে শুরু হয় এ কার্যক্রম। পরীক্ষা চলবে বেলা সাড়ে ১১টা পর্যন্ত।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ক্যাম্পাসের মোট ৫৬টি কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হচ্ছে ‘গ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা। এ বছর ‘গ’ ইউনিটে এক হাজার ২৫০টি আসনের বিপরীতে ২৯ হাজার ৫৮ জন ভর্তীচ্ছু আবেদন করেছেন। আর চারুকলা অনুষদভুক্ত ‘চ’ ইউনিটের সাধারণ জ্ঞান অংশের ভর্তি পরীক্ষা আগামীকাল শনিবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টা থেকে ১১টা পর্যন্ত চারুকলা অনুষদসহ ক্যাম্পাসের ১৯টি কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হবে। এই ইউনিটে ১৩৫টি আসনের বিপরীতে ১৬ হাজার একজন শিক্ষার্থী আবেদন করেছেন।


এ বছরই প্রথম ভর্তীচ্ছু শিক্ষার্থীদের নৈর্ব্যক্তিক পরীক্ষার পাশাপাশি লিখিত পরীক্ষাও দিতে হচ্ছে। মোট ১২০ নম্বরের মধ্যে এমসিকিউয়ের জন্য ৭৫ নম্বর, আর লিখিত পরীক্ষার জন্য ৪৫ নম্বর। ৯০ মিনিটের পরীক্ষায় এমসিকিউ অংশের জন্য সময় নির্ধারণ করা হয়েছে ৫০ মিনিট এবং লিখিত পরীক্ষার জন্য ৪০ মিনিট। তবে চ-ইউনিটে ৫০ নম্বরের এমসিকিউ পরীক্ষার জন্য এক ঘণ্টা এবং ৭০ নম্বরের অংকন পরীক্ষায় ৯০ মিনিট বরাদ্দ রাখা হয়েছে। ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হলে প্রার্থীকে নৈর্ব্যক্তিক অংশে ৩০ এবং লিখিত অংশে ১২ নম্বরসহ মোট ৪৮ নম্বর পেতে হবে। বিষয়ভিত্তিকভাবেও পরীক্ষার্থীদের পাস করতে হবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের admission.eis.du.ac.bd ওয়েবসাইট থেকে জানা যাবে ভর্তি পরীক্ষার সিট-প্ল্যান।

সেরা এক হাজারেও নেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

অনলাইন ডেস্ক

লন্ডনভিত্তিক শিক্ষা বিষয়ক সাময়িকী টাইমস হায়ার এডুকেশন প্রতি বছর বিশ্বের বিশ্ব্যবিদ্যালয়গুলোর যে র‍্যাংকিং প্রকাশ করে তাতে বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্থান এক হাজারের পরে। তালিকাটিতে ৯২টি দেশের ১৩শ’ বিশ্ববিদ্যালয় অন্তুর্ভুক্ত করা হয়েছে। বাংলাদেশের এই একটি বিশ্ববিদ্যালয়ই এই তালিকাতে স্থান পেয়েছে।


শিক্ষার পরিবেশ, গবেষণার সংখ্যা ও সুনাম, সাইটেশন বা গবেষণার উদ্ধৃতি, এখাত থেকে আয় এবং আন্তর্জাতিক যোগাযোগ বা সংশ্লিষ্টতাসহ ৫টি মানদণ্ড বিশ্লেষণ করে এই তালিকা তৈরি করা হয়েছে।

র‍্যাংকিংয়ে বিদেশী ছাত্রের ক্ষেত্রে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় পেয়েছে শূন্য। অর্থাৎ বিশ্ববিদ্যালটির ৪ হাজার ১০৮ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে কোন বিদেশী শিক্ষার্থী নেই কিংবা থাকলেও সেই সংখ্যা সন্তোষজনক নয়।

২০১৬ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্থান ছিলো ৬শ’ থেকে আটশর মধ্যে। তবে এর বছর দুই পরেই এটির অবস্থান হঠাৎই নেমে যায়। ২০১৮ সালে বিশ্ববিদ্যালয়টির অবস্থান গিয়ে দাঁড়ায় এক হাজারেরও পরে।

এ বছরই মে মাসে সাময়িকীটি এশিয়ার সেরা বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর একটি তালিকা প্রকাশ করেছিল। সেই তালিকায় উল্লেখিত এশিয়ার ৪১৭টি বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে বাংলাদেশের একটি বিশ্ববিদ্যালয়েরও উল্লেখ ছিল না।

এদিকে তালিকা লক্ষ্য করলে দেখা যায় যে, বাংলাদেশের প্রতিবেশী দেশ ভারত এবং পাকিস্তানের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো বেশ ভালো করেছে। এই তালিকায় তিনশ থেকে শুরু করে এক হাজারের মধ্যে রয়েছে ভারতের ৩৬টি বিশ্ববিদ্যালয়। এরমধ্যে ইন্ডিয়ান ইন্সটিটিউট অব টেকনোলজির নাম বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। এমনকি রাজনীতিসহ বিভিন্ন ইস্যুতে অস্থিতিশীল দেশ পাকিস্তানের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর অবস্থানও বাংলাদেশের চেয়ে ভালো।

তালিকায় এক হাজারের মধ্যে রয়েছে পাকিস্তানের ৭টি বিশ্ববিদ্যালয়। এর মধ্যে প্রথম ৫শ’ বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে রয়েছে ইসলামাবাদের কায়েদ-ই-আজম ইউনিভার্সিটি। এশিয়ার অন্য দেশগুলোর মধ্যে চীন এবং জাপানের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো তালিকায় উঠে এসেছে উল্লেখযোগ্য হারে।

এছাড়া মার্কিন নিষেধাজ্ঞায় জর্জরিত ইরানের কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ও এ তালিকায় স্থান পেয়েছে।

এদিকে, বরাবরের মতোই এই তালিকায় কর্তৃত্ব করছে যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো। এ বছরের তালিকার প্রথম ১০টি বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে ৭টিই যুক্তরাষ্ট্রের। যার মধ্যে রয়েছে ক্যালিফোর্নিয়া ইন্সটিটিউট অব টেকনোলজি, স্ট্যানফোর্ড ইউনিভার্সিটি, ম্যাসাচুসেটস ইন্সটিটিউট অব টেকনোলজি, হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটি, ইয়েল ইউনিভার্সিটি। তবে চতুর্থবারের মতো এবছরও তালিকায় প্রথম স্থানটি দখলে নিয়েছে যুক্তরাজ্যের ইউনিভার্সিটি অব অক্সফোর্ড। তৃতীয় স্থানে রয়েছে কেমব্রিজ ইউনিভার্সিটি। আর দশম স্থানে রয়েছে ইম্পেরিয়াল কলেজ লন্ডন।

তালিকা নিয়ে এক বিশ্লেষণে বলা হচ্ছে যে, যুক্তরাজ্যের কথিত ‘গোল্ডেন ট্রায়াঙ্গল’ অর্থাৎ অক্সফোর্ড, কেমব্রিজ এবং লন্ডন ইউনিভার্সিটি বরাবরের মতোই খুব ভালো করছে।

টাইমস হায়ার এডুকেশনের এক বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, এর মানে হচ্ছে জার্মানি বিশ্ববিদ্যালয় ব্যবস্থায় বিনিয়োগ বাড়িয়েছে উল্লেখযোগ্য হারে। ব্রেক্সিটের পর ইউরোপীয় ইউনিয়নের গবেষণা অংশীদারিত্ব হারালে তহবিলের ক্ষেত্রে জার্মানির তুলনায় পিছিয়ে পড়তে পারে ব্রিটেন।

অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটির ভাইস চ্যান্সেলর লুইস রিচার্ডসন বলেন, ‘অক্সফোর্ডের সফলতার পেছনে একটা বড় কারণ হচ্ছে বিশ্বের আরো অনেক খ্যাত বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে আমাদের গবেষণা সহযোগিতা। আর এ কারণে, ব্রেক্সিটে যাই আসুক না কেন, আমরা এই অংশীদারিত্ব আরো প্রসার এবং গভীর করা অব্যাহত রাখবো।’ সূত্র: বিবিসি

একাদশে ‘দেড় লাখ ভর্তি বঞ্চিতদের’ ফের আবেদন শুরু

ডেস্ক,১০ জুলাই:

চলতি মাসের এক তারিখ থেকে সারাদেশের কলেজগুলোতে একাদশ শ্রেণির ক্লাশ শুরু হয়েছে। তবে এখনও ভর্তি হতে পারেনি দেড় লাখেরও বেশি শিক্ষার্থী। এ পর্যন্ত ভর্তি হয়েছে ১২ লাখ ৫৬ হাজার ৩২৬ জন। অন্যদিকে, এবার কলেজ ভর্তির জন্য আবেদন করেছিল ১৪ লাখ ১৬ হাজার শিক্ষার্থী। এছাড়া মাধ্যমিক পাস করা শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় আড়াই লাখ শিক্ষার্থী কলেজে ভর্তির জন্য আবেদন করেনি। যাদের একটি বড় অংশ শিক্ষা থেকে ঝরে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।



তবে একাদশ শ্রেণিতে যেসব শিক্ষার্থী বিভিন্ন কারণে ভর্তি হতে পারেনি কিংবা ভর্তির আবেদন করতে পারেনি তাদের ফের আবেদনের সুযোগ দিচ্ছে শিক্ষা বোর্ডগুলো। আজ বুধবার থেকে ম্যানুয়াল প্রক্রিয়ায় ভর্তির আবেদন কার্যক্রম শুরু হচ্ছে। আগামী ১৬ জুলাই পর্যন্ত চলবে এ আবেদন। কলেজে আসন শূন্য থাকা সাপেক্ষে আগামী ২৭ জুলাইয়ের মধ্যে তাদের ভর্তি করা হবে। সংশ্লিষ্ট বোর্ডসূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

জানা যায়, এ বছর ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের অধীন কলেজগুলোতে একাদশ শ্রেণীতে ভর্তি হয়েছে তিন লাখ ১৬ হাজার ৮৬৩ শিক্ষার্থী। দেশের অন্যান্য শিক্ষা বোর্ডের তুলনায় এই বোর্ডে শিক্ষার্থী ভর্তির হার সবচেয়ে বেশি। এ বোর্ডে এখনও আসন খালি রয়েছে প্রায় দুই লাখ। তাই শেষ পর্যন্ত কোন শিক্ষার্থীই ভর্তি প্রক্রিয়ার বাইরে থাকবে না বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

শিক্ষা বোর্ড কর্মকর্তারা বলছেন, ভর্তি না হওয়া শিক্ষার্থীদের অনেকে ভর্তির জন্য আবেদন করে কলেজ পেয়েও ভর্তি হয়নি। অন্যদিকে, অনেকে আবার ভর্তির জন্য আবেদন করেনি। কিন্তু এখন এদের ভর্তির প্রক্রিয়া কি হবে; তারা কি ভর্তি হতে পারবে? এমন প্রশ্নের জবাবে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সভাপতি অধ্যাপক মু. জিয়াউল হক বলেন, আবেদনকারী সকল শিক্ষার্থীই ভর্তির সুযোগ পাবে। কারণ অসংখ্য আসন খালি আছে। এক্ষেত্রে ভর্তিচ্ছুরা কলেজে গিয়ে আসন খালি থাকা সাপেক্ষে সরাসরি ভর্তি হতে পারবে।

এর আগে গত ১২ থেকে ২৩ মে পর্যন্ত একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির জন্য অনলাইন ও মোবাইলে এসএমএস করে আবেদনের সুযোগ পায় এসএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা। একেকজন শিক্ষার্থী অনলাইনে পাঁচ থেকে ১০টি কলেজের জন্য আবেদন করার সুযোগ পায়। এদিকে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আবেদন করেছেন ১৪ লাখ ১৫ হাজার ৮২৫ জন শিক্ষার্থী। তবে মাধ্যমিকে উত্তীর্ণদের মধ্যে ২ লাখ ৪২ হাজার ৪২ শিক্ষার্থী একাদশে ভর্তির জন্য প্রথম ধাপে আবেদন করেননি। গত বছরও প্রথম ধাপে আবেদনের বাইরে ছিল প্রায় আড়াই লাখ।

শিক্ষা বোর্ড কর্মকর্তারা জানান, প্রতিবছরই এভাবে বেশকিছু শিক্ষার্থী কলেজ পর্যায়ে এসে শিক্ষার সাধারণ ধারায় থাকে না। তারা হয় কারিগরি ডিপ্লোমা বা বিদেশে চলে যায়। এভাবে কিছু শিক্ষার্থী ঝরে পরে। মেয়েদের অনেকের এই সময়ে বিয়ে হয়ে যায়। ফলে তারা সাধারণ কলেজ ভর্তির বাইরে থেকে যায়।

এবার কলেজে ভর্তি হতে ১০ লাখ ৫২ হাজার ১৮৪ জন অনলাইনে এবং ৩ লাখ ৭৪ হাজার ২২২ জন এসএমএসের মাধ্যমে আবেদন করেছে। ১৪ লাখ ১৫ হাজার ৮২৫ শিক্ষার্থীর কাছ থেকে ৬২ লাখ ৪৯ হাজার ৮৬টি আবেদন জমা পড়েছে। এর মধ্যে অনলাইনে ৫৮ লাখ ৬২ হাজার ৯৫টি এবং এসএমএসের মাধ্যমে ৩ লাখ ৮৬ হাজার ৯৫১টি আবেদন।

এবার ঢাকা বোর্ডে তিন লাখ ৯৯ হাজার ১৯৫ জন, রাজশাহীতে এক লাখ ৮৮ হাজার ৫৮২ জন, চট্টগ্রামে এক লাখ ২২ হাজার ৩৬ জন, কুমিল্লায় এক লাখ ৫৬ হাজার ৯৪৫ জন, যশোরের এক লাখ ৫৩ হাজার ৩৯৪ জন, বরিশালে ৭৭ হাজার ৪২০ জন, সিলেটে ৮০ হাজার ১৬২ জন, দিনাজপুরে এক লাখ ৪৭ হাজার ৯৭৮ জন, ময়মনসিংহে ৯৬ হাজার ৫৪৩ জন এবং মাদ্রাসা বোর্ডে এক লাখ ২৮ হাজার ৮১৮ শিক্ষার্থী কলেজে ভর্তি হতে আবেদন করেছে।

এদিকে, সম্প্রতি আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সভাপতি অধ্যাপক মু. জিয়াউল হক স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, আগামী ১০ থেকে ১৬ জুলাই ভর্তি বঞ্চিত শিক্ষার্থীরা নূন্যতম জিপিএ থাকা সাপেক্ষে কলেজে ম্যানুয়াল ভর্তির আবেদন জমা দিবে। আবেদনগুলো বিবেচনা করে আগামী ১৮ জুলাই শূন্য আসনের ভিত্তিতে কলেজ ভর্তিযোগ্যদের মেধাভিত্তিক তলিকা প্রকাশ করবে। আগামী ২০ জুলাই থেকে ২৭ জুলাই কলেজগুলো শূন্য আসনে ভর্তি গ্রহণ করবে। আর ৩০ জুলাইয়ের মধ্যে কলেজগুলোকে বোর্ডে ভর্তিকৃত শিক্ষার্থী তালিকা বোর্ডে জমা দিতে হবে।

প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়, ম্যানুয়াল ভর্তির ফি ৪৪৫ টাকা। এর মধ্যে আবেদন ফি ১৫০ টাকা, রেজিস্ট্রেশনসহ অন্যান্য ফি ১৯৫ টাকা এবং ডাটা এন্ট্রি ফি ১০০ টাকা। ভর্তির সাথে সাথে শিক্ষার্থীরা ক্লাসে অংশগ্রহণ করবে। কলেজগুলোর শূন্য আসনের তালিকা বোর্ডের ওয়েবসাইটে তুলে ধরা হয়েছে।

ঢাবির কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারে আগুন

ডেস্ক,৭ জুলাই: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। সার্ভিসের ৫টি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে তাৎক্ষণিকভাবে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। রোববার সকাল সাড়ে ১০টার পর গ্রন্থাগারের রেয়ার সেকশনে বৈদ্যুতিক তার থেকে এ আগুনের সূত্রপাত ঘটে।



কেন্দ্রীয় ফায়ার সার্ভিসের নিয়ন্ত্রণ কক্ষের ডিউটি অফিসার জানান, ১০টা ৪৫ মিনিট বৈদ্যুতিক বোর্ডে শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের ৫টি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে তাৎক্ষণিকভাবে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

তিনি জানান, আগুন দ্রুত নিয়ন্ত্রণ করে ফেলায় তেমন কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়নি

এদিকে, আগুন লাগার খবরে গ্রন্থাগার থেকে নিরাপদে বেরিয়ে আসেন আতঙ্কিত শিক্ষার্থীরা।

বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয় সনদ বিক্রির কারখানা

ডেস্ক,৪ মে:
বাংলাদেশের অল্প কয়েকটি বাদে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলো কেবল সনদ বিক্রির ভবনে পরিণত হয়েছে এবং পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে দলীয় রাজনীতি শিক্ষাগতমানের উপরে প্রভুত্ব করছে। শনিবার সকাল সাড়ে ১১টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানানো হয়।

‘কেমন বিশ্ববিদ্যালয় চাই: উচ্চশিক্ষা, নীতিমালা, কাঠামো’ শীর্ষক কনভেনশনের সারসংক্ষেপ তুলে ধরতে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। গত ১১-১২ এপ্রিল জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত এই কনভেনশন। কনভেনশনটি আয়োজন করে ‘বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক নেটওয়াক’।

কনভেনশনে সরকারি কর্তৃত্ব, স্বায়ত্তশাসনের অপব্যবহারসহ দেশের সরকারি-বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে চিহ্নিত আটটি সঙ্কট ও ছয়টি সমাধান সংবাদ সম্মেলনে তুলে ধরা হয়। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের অধ্যাপক ড. ফাহমিদুল হক ও সমাজ বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক ড. সামিনা লুৎফা।


সংবাদ সম্মেলনে উল্লেখিত বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষার সমস্যাগুলো হলো- বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে সরকারিক কর্তৃত্ব, নয়া উদারবাদী নীতি ও ইউজিসির কৌশলপত্র, স্বায়ত্তশাসনের অপব্যহার, শিক্ষা ও গবেষণায় কম বরাদ্দ, অস্বায়ত্তশাসিত বিশ্ববিদ্যালয়, দলীয় বিবেচনায় শিক্ষক নিয়োগ ও এমসিকিউনির্ভর শিক্ষার্থী ভর্তি, শিক্ষার্থীদের আবাসন ও ছাত্র রাজনীতি এবং মুনাফামুখী বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়।
Read More »

অবশেষে মেনে নিলো সাত কলেজের শিক্ষার্থীদের দাবি

নিজস্ব  প্রতিবেদকঃঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অধিভুক্ত সরকারি ৭ কলেজের শিক্ষার্থীদের দাবিসমূহ মেনে নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। প্রশাসনের আশ্বাসে সাময়িকভাবে আন্দোলন স্থগিত করেছেন ৫ দফা দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে যে সকল শিক্ষার্থী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধিভুক্ত হয়েছে তাদের কিছু জটিলতার কারণে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনায় সাময়িক অসুবিধা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ইতোমধ্যে এসব সমস্যা সমাধানের উদ্যোগ নিয়েছে। এছাড়া অধিভুক্ত সরকারি ৭ কলেজের শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা শেষ হওয়ার ৯০ কার্যদিবসের মধ্যে সকল বিষয়ের ফলাফল প্রকাশ করার ব্যাপারে ইতোমধ্যে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। যে সকল বিষয়ে অধিক হারে অকৃতকার্য হয়েছে, সেসব বিষয়ে আবেদনক্রমে পুনর্মূল্যায়নের ব্যবস্থা নেয়া হবে।

 

কর্তৃপক্ষ আরো জানায়, সাত কলেজের একাডেমিক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ইতোমধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনিক ভবনে স্বতন্ত্র সেল গঠন করা হয়েছে। ভবিষ্যতে সাত কলেজের জন্য স্বতন্ত্র নতুন ভবন নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। অধিভুক্ত সাত কলেজের সেশনজট নিরসনকল্পে ‘ক্রাশ প্রোগ্রাম’ বিষয়ে কলেজ অধ্যক্ষদের সঙ্গে আলোচনাক্রমে ব্যবস্থা নেয়া হবে। তাদের জন্য একাডেমিক ক্যালেন্ডার তৈরির কাজও প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। মাস্টার্স ২০১৬ অনলাইনে ফরম পূরণ শুরু হবে ২৮ এপ্রিল এবং পরীক্ষা শুরু হবে ১৭ জুন । অনার্স ২য় বর্ষ ২০১৮ পরীক্ষা শুরু হবে ১৯ মে। এছাড়া আগামী ২৮ এপ্রিল সাত কলেজের অধ্যক্ষদের সঙ্গে উপাচার্যের এক সভা অনুষ্ঠিত হবে। এতে শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন সমস্যা বিষয়ে সিদ্ধান্ত গৃহীত হবে।

৫ দফা দাবিতে শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন

নিজস্ব প্রতিবেদক,২৩ এপ্রিল:

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধিভুক্ত হওয়া সরকারি সাত কলেজে সেশনজট নিরসন, ক্রটিপূণ্য ফল সংশোধন এবং ফল প্রকাশের দীর্ঘসূত্রিতা দূর করাসহ নানা সমস্যা সমাধানের দাবিতে সড়ক অবরোধ করেছে শিক্ষার্থীরা।

৫ দফা দাবিতে মঙ্গলবার সকাল ১০ টায় ঢাকা কলেজের সামনে থেকে মানববন্ধন শুরু করে শিক্ষার্থীরা, যা নীলক্ষেত ও সাইন্সল্যাবের পর্যন্ত ছাড়িয়ে যায়। এরপর সড়ক আটকিয়ে বিক্ষোভ করতে থাকে তারা।

এ সময় তারা সাত কলেজের নানা সমস্যা তুলে ধরে বিভিন্ন স্লোগান দেয়। ‘গণহারে আর ফেল নয়, যথাযথ রেজাল্ট চাই’, ‘শিক্ষা কোনো পণ্য নয়, শিক্ষা নিয়ে ব্যবসা নয়’, ‘গণহারে ফেল, ঢাবি তোমার খেল’, ‘বন্ধ করো অনাচার, সাত কলেজের আবদার’, ‘নিচ্ছো টাকা দিচ্ছ বাশ, সময় শেষে সর্বনাশ’-এসব স্লোগান দেয়া হয় বিক্ষোভে।

আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা জানান, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে ২০১৭ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ঢাবির অধিভুক্ত হ্ওয়ার পর দীর্ঘ ৯ মাস সাত কলেজের কার্যক্রম বন্ধ থাকে। তারপর মানববন্ধন, অনশন কর্মসূচি সর্বশেষ সিদ্দিকের (তিতুমির কলের শিক্ষার্থী) চোঁখের বিনিময়ে ঢাবি আমাদের কার্যক্রম ধীরগতিতে শুরু করে। প্রায় ২ বছর ২ মাস অতিবাহিত হলেও সাত কলেজের শিক্ষার্থীরা কোনো সুফল ভোগ করতে পারছে না।

শিক্ষার্থীদের দাবি, পরীক্ষার খাতা মূল্যায়নে চরম বৈষম্যের শিকার হচ্ছেন তারা। সবশেষ পরীক্ষায় ঢাকা কলেজ বাংলা বিভাগের ২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষের ২১৬ জন শিক্ষার্থীদের মধ্যে সব বিষয়ে পাশ করেছেন মাত্র ৩ জন। ক্যামেস্টিতে ৪৮ জনের মধ্যে ৪০ জন অকৃতকার্য হয়েছেন।

তবিবুর নামে এক শিক্ষার্থী বলেন, ঢাবি আমাদের যে মান অনুযায়ী পরীক্ষার খাতা মূল্যায়ন করে সেই মান অনুযায়ী ক্লাসে পড়ানো হয় না। এমনও বিষয় আছে পাঁচটির বেশি ক্লাস হয় না। নানা অজুহাতে ক্লাস বন্ধ থাকে।

শিক্ষার্থী আনোয়ার হোসেন বলেন, আমাদের সমস্যা গুলো নিয়ে কলেজের শিক্ষকদের কাছে গেলে উনারা বলেন, ঢাবি তোমাদের সব কার্যক্রম করছে, আর ঢাবির প্রশাসনিক ভবনে গেলে বলে সাত কলেজের শিক্ষকরা সভা করে সকল সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। এভাবেই শিক্ষাথীরা দ্বারে দ্বারে ঘুরতে হয়।

 

তিন শিক্ষার্থীকে আজীবন ও পাঁচজনকে এক বছরের জন্য বহিষ্কার

ডেস্ক,২০ এপ্রিল: যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের তিন শিক্ষার্থীকে আজীবন ও পাঁচজনকে এক বছরের জন্য বহিষ্কার করা হয়েছে। শিক্ষকদের সঙ্গে অসদাচরণ ও শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে আজ শনিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম রিজেন্ট বোর্ডের ৫৪ তম সভায় আট শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বহিষ্কৃত শিক্ষার্থীরা ছাত্রলীগের নেতা-কর্মী ও সমর্থক।

আজীবন বহিষ্কৃত শিক্ষার্থীরা হলেন ফিশারিজ অ্যান্ড মেরিন বায়োসায়েন্স বিভাগের স্নাতকোত্তরের শিক্ষার্থী হুমায়রা আজমিরা এরিন, একরামুল কবির দ্বীপ ও মো. রোকনুজ্জামান। এক বছরের জন্য বহিষ্কৃত হয়েছেন শারীরিক শিক্ষা ও ক্রীড়াবিজ্ঞান বিভাগের স্নাতকের শিক্ষার্থী আসিফ আল মাহমুদ, মো. মোতাসসিন বিল্লাহ, ফিশারিজ অ্যান্ড মেরিন বায়োসায়েন্স বিভাগের মাহমুদুল হাসান শাকিব, কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিভাগের শিক্ষার্থী নিশাত তাসনীম ও বায়োমেডিকেল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থী হারুন অর রশীদ। বহিষ্কৃত শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো হলে অবস্থান করতে পারবেন না এবং তাঁদের বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে প্রবেশেও নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। আজীবন বহিষ্কৃত হুমায়রা আজমিরা বিশ্ববিদ্যালয়ের শেখ হাসিনা হল শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ও এক বছরের জন্য বহিষ্কৃত আসিফ আল মাহমুদ শারীরিক শিক্ষা ও ক্রীড়াবিজ্ঞান বিভাগ শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি। অন্যরা ছাত্রলীগের কর্মী ও সমর্থক।

বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন কর্তৃক ক্যাম্পাসে টাঙানো র‌্যাগিং–বিরোধী ফেস্টুন-পোস্টার ও নোটিশ ছিঁড়ে ফেলা, বিশ্ববিদ্যালয়ের লোগোর প্রতি অবমাননা ও শিক্ষকদের সঙ্গে অসদাচরণের ঘটনায় গঠিত তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে দোষী প্রমাণিত হওয়ায় তাঁদের বহিষ্কার করা হয়েছে। এ ছাড়া অপরাধের মাত্রা বিবেচনা করে তদন্ত কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে রিজেন্ট বোর্ড ফিশারিজ অ্যান্ড মেরিন বায়োসায়েন্স বিভাগের শিক্ষার্থী হৃদয় রাহুত, শেখ শরীফ উদ্দীন, সুকান্ত কুমার রায়, মো. জাহিদ হাসান এবং শারীরিক শিক্ষা ও ক্রীড়া বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী মো. সোহেল রানাকে চূড়ান্তভাবে সতর্ক করার সিদ্ধান্ত নেয়। তবে যাঁদের চূড়ান্ত সতর্ক করা হয়েছে, তাঁদের কেউ বিশ্ববিদ্যালয়ের আইনশৃঙ্খলা পরিপন্থী কোনো কাজে সম্পৃক্ত হলে তাৎক্ষণিকভাবে তাঁদের বহিষ্কার করা হবে মর্মেও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

Responsive WordPress Theme Freetheme wordpress magazine responsive freetheme wordpress news responsive freeWORDPRESS PLUGIN PREMIUM FREEDownload theme free

hit counter