স্টাফ রিপোর্টার,ঢাকা, ২৭ আগস্ট
বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) পরীক্ষা পদ্ধতিতে বড় ধরনের পরিবর্তন আসতে যাচ্ছে। শিক্ষক নিয়োগে একাধিক অধিদপ্তরে একই বিষয়ের জন্য ভিন্ন ভিন্ন যোগ্যতার মানদণ্ড থাকায় দীর্ঘদিন ধরে জটিলতা তৈরি হচ্ছিল। এ সমস্যার সমাধান এবং পরীক্ষা পদ্ধতি সংস্কারের প্রস্তাব বুধবার (২৭ আগস্ট) এক কর্মশালায় উপস্থাপন করা হয়।
কর্মশালায় উপস্থিত শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা জানান, বাংলা, ইংরেজি ও অন্যান্য সাধারণ বিষয়ে তিনটি অধিদপ্তরে ভিন্ন ভিন্ন যোগ্যতার মানদণ্ড থাকায় প্রার্থীদের বাছাইয়ে সমস্যা হচ্ছিল। কর্মশালায় এসব বিষয় একীভূত করে সব অধিদপ্তরের জন্য একই যোগ্যতা নির্ধারণের সুপারিশ করা হয়েছে।
এর ফলে অনেক প্রার্থী, যাদের সার্টিফিকেট বা প্রতিষ্ঠানের কারণে সীমাবদ্ধতা ছিল, তারা নতুন করে সুপারিশের সুযোগ পাবেন। দ্রুত নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ করতে প্রার্থীদের যোগ্যতার প্রমাণপত্র যাচাইয়েরও প্রস্তাব এসেছে।
পরীক্ষার নম্বর কাঠামোয় পরিবর্তন
কর্মশালায় পরীক্ষা পদ্ধতিতেও পরিবর্তনের প্রস্তাব তোলা হয়।
-
জেনারেল, মাদরাসা ও কারিগরি পর্যায়ের জন্য মোট ২০০ নম্বরের পরীক্ষা আয়োজনের কথা বলা হয়েছে।
-
এর মধ্যে বিষয়ভিত্তিক এমসিকিউ ১৪০ নম্বর এবং আবশ্যিক বিষয় ৬০ নম্বর প্রস্তাব করা হয়েছে।
-
বিশেষ করে মাদরাসা ও কারিগরি শিক্ষকদের জন্য কিছু ছাড় দেওয়ার বিষয়টিও আলোচনায় উঠে এসেছে।
কর্মশালায় জানানো হয়, এ পরিবর্তন কার্যকর হলে অতিরিক্ত দুই থেকে আড়াই হাজার প্রার্থীকে সুপারিশ করার সুযোগ তৈরি হবে।
কর্মশালার আয়োজন
কর্মশালার উদ্বোধন করেন এনটিআরসিএ চেয়ারম্যান মো. আমিনুল ইসলাম। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন প্রশাসন ও অর্থ অনুবিভাগের সদস্য এরাদুল হক। সঞ্চালনা করেন সচিব এ এম এম রিজওয়ানুল হক।
অনুষ্ঠানে শিক্ষা মন্ত্রণালয়, এনসিটিবি, তিন অধিদপ্তরের প্রতিনিধি, বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান ও এনটিআরসিএ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।











