নিউজ

সচিব হলেন পাঁচ কর্মকর্তা

ডেস্ক: প্রশাসনে পাঁচ কর্মকর্তাকে সচিব পদে পদোন্নতি দিয়েছে সরকার। পদোন্নতি দিয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে রোববার (১৩ আগস্ট) আদেশ জারি করা হয়েছে।

এ পাঁচ অতিরিক্ত সচিব ভারপ্রাপ্ত সচিবের মর্যাদায় দায়িত্ব পালন করছিলেন।

  পদোন্নতির পর সচিবদের বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওএসডি) করা হয়। এরপর দুটি আদেশে তাদের আগের স্থানেই সচিব হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে।

পদোন্নতি পেয়ে সচিব হয়েছেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব ইব্রাহীম হোসেন খান, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের ভারপ্রাপ্ত সচিব সুবীর কিশোর চৌধুরী এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব মো. আসাদুল ইসলাম।

এছাড়া বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগের (আইএমইডি) ভারপ্রাপ্ত সচিব মো. মফিজুল ইসলাম এবং বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ডের মহাপরিচালক (ভারপ্রাপ্ত সচিব পদমর্যাদায়) শিরীন আখতারকে সচিব হিসেবে পদোন্নতি দেয়া হয়েছে।

সচিব হচ্ছেন কোনো মন্ত্রণালয় বা বিভাগের সর্বোচ্চ প্রশাসনিক কর্মকর্তা। বর্তমানে প্রশাসনে সিনিয়র সচিব, সচিব ও ভারপ্রাপ্ত সচিব রয়েছেন ৭৮ জন।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

১৯ আগস্ট শুরু ঈদে ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি

শিশির দাস : কোরবানি ঈদে ঘরমুখী যাত্রীদের ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু হচ্ছে আগামী ১৯ আগষ্ট। ঢাকা ও চট্টগ্রাম থেকে বিভিন্ন রুটে রয়েছে ৫ জোড়া বিশেষ ট্রেন। এছাড়াও ঈদের দিন চলবে শোলাকিয়া এক্সপ্রেস নামে বিশেষ ট্রেন।

আগামী দোসরা সেপ্টেম্বর ঈদের দিন ধরে অগ্রিম টিকেট বিক্রির পরিকল্পনা করেছে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ। নিয়ম অনুযায়ী ১০দিন আগে অর্থাৎ ১৯ আগস্ট দেয়া হবে ২৮ আগস্টের টিকিট। পর্যায়ক্রমে ২০শে আগস্ট ২৯ আগস্টের, ২১শে আগস্ট ৩০শে আগস্টের, ২২শে আগস্ট ৩১শে আগস্টের এবং ২৩শে আগস্ট দেয়া হবে পহেলা সেপ্টেম্বর যাত্রার টিকেট। এবারও প্রতিজন যাত্রী কাউন্টার থেকে ৪টি করে টিকিট সংগ্রহ করতে পারবেন।

কম মূল্যে এবং আরামদায়ক ভ্রমণ হওয়ায় ট্রেনে যাত্রীদের চাহিদা থাকে ব্যাপক। তাই ঈদ যাত্রায় টিকেটের কালোবাজারি ঠেকাতে জি আর পি’র পক্ষ থেকে বিশেষ ব্যবস্থা নেয়া হবে। অন্যদিকে, ঈদের অতিরিক্ত যাত্রী চাপ সামাল দিতে চলছে পুরাতন ও নষ্ট বগি মেরামতের কাজ।

চট্টগ্রাম স্টেশন থেকে ঢাকাগামী সুবর্ণ এক্সপ্রেস, সোনার বাংলা এক্সপ্রেস, মহানগর প্রভাতী, মহানগর গৌধুলী, তূর্ণা নিশীতা, চট্টলা এক্সপ্রেস, ময়মনসিংহগামী বিজয় এক্সপ্রেস, সিলেটগামী উদয়ন ও পাহাড়িকা এক্সপ্রেস এবং চাঁদপুরগমী মেঘনা এক্সপ্রেসের অগ্রিম টিকিট বিক্রি হবে।-তথ্যসূত্র : সময় টিভি

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

সুনামগঞ্জের সাত উপজেলায় প্রাইমারি স্কুলের পরীক্ষা স্থগিত

সুনামগঞ্জ  প্রতিনিধি:   সুনামগঞ্জে সার্বিক বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। পাউবোর দেয়া তথ্যমতে শনিবার সকাল ৯টায় সুনামগঞ্জ শহরের ষোলঘর পয়েন্টে সুরমা নদীর পানি বিপদসীমার ৭০ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
এদিকে বন্যার পানি বিভিন্ন স্কুল ও স্কুল সংলগ্ন এলাকায় প্রবেশ করায় জেলার সাতটি উপজেলার প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দ্বিতীয় সাময়িক পরীক্ষা স্থগিত রাখা হয়েছে।

সুনামগঞ্জ সদর, বিশ্বম্ভরপুর, তাহিরপুর, দক্ষিণ সুনামগঞ্জ, দোয়ারাবাজার, দিরাই ও  ধর্মপাশা উপজেলায় পরীক্ষা স্থগিতের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. বায়োজীদ খান।

তিনি  বলেন, উল্লেখিত উপজেলার সকল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের আজ শনিবার ও আগামীকাল রোববারের  পরীক্ষা স্থগিত ঘোষণা করা হয়েছে।

জেলা শিক্ষা কর্মকর্তঅ বলেন, জেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সিদ্ধান্ত মোতাবেক স্কুল ও স্কুল সংলগ্ন এলাকায় বন্যার পানি প্রবেশ করায় পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে। পরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে দু’টি বিষয়ে পরীক্ষা আবার নেয়া হবে।

এদিকে পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, সীমান্তের ওপাড় থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও গত কয়েক দিনের বৃষ্টিপাতের কারণে সুনামগঞ্জের বন্যা পরিস্থিতি অবনতি হয়েছে।

শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টার পরিমাপ অনুযায়ী সুরমা নদীর পানি বিপদসীমার ৫৭ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। রাতে বৃষ্টি বেশি হওয়ায় নদীতে পানি বৃদ্ধি পেয়েছে।

পাউবোর দেয়া তথ্যমতে আজ শনিবার সকাল ৯টায় সুনামগঞ্জ শহরের ষোলঘর পয়েন্টে সুরমা নদীর পানি বিপদসীমার ৭০ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় জেলায় ২০৫ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। বৃষ্টিপাত ও পাহাড়ি ঢল অব্যাহত থাকায় জেলার সবকটি নদ-নদী ও হাওরে পানি বাড়ছে বলে খবর পাওয়া গেছে।

এদিকে পাহাড়ি ঢল ও বন্যার পানিতে কয়েকশ পুকুরের মাছ ভেসে যাওয়ার কথা জানিয়েছেন মাছচাষীরা।
বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার শক্তিরখলা সড়ক ঢলের পানিতে ডুবে যাওয়ায় সুনামগঞ্জ তাহিরপুরে সড়কে সরাসরি যানবাহন চলাচল বন্ধ রয়েছে। এছাড়া ফতেহপুর-সুনামগঞ্জ সড়কের বেশ কয়টি অংশ বন্যার পানিতে নিমজ্জিত রয়েছে। বন্যায় জেলার রোপা আমনেরও ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে বলে জানা গেছে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপ-পরিচালক জাহেদুল হক  জানান, রোপা-আমন যা রোপন করা হয়েছিল তা পানিতে তলিয়ে গেছে। দু’একদিনের মধ্যে পানি না কমলে ব্যাপক ক্ষতি হবে। এ পর্যন্ত জেলার তাহিরপুর, দোয়ারা বাজার, বিশ্বম্ভরপুর ও সদর উপজেলার প্রায় এক হাজার হেক্টর রোপা-আমন পানিতে নিমজ্জিত রয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

জেলা প্রশাসক মো. সাবিরুল ইসলাম  বলেন, দুর্যোগ মোকাবেলায় সব ধরনের প্রস্তুতি প্রশাসনের রয়েছে। যেখানে যা প্রয়োজন সেখানে সেরকম সাহায্য সহযোগিতা করা হবে। ইতোমধ্যে সার্বিক পরিস্থিতির ওপর সার্বক্ষণিক নজর রাখতে নিয়ন্ত্রণ কক্ষ খোলা হয়েছে। উপজেলা প্রশাসনের সব স্থরের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সেভাবে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

নোয়াখালীতে সদ্য জাতীয়করণকৃত বিদ্যালয়ে জালিয়াতির মাধ্যমে প্রধান শিক্ষক হওয়া তথ্য উদঘাটন

বিধিবর্হিভুতভাবে টাইমস্কেল নেয়ার চাঞ্চল্যকর তথ্য

নোয়াখালি প্রতিনিধি: নোয়াখালীর সদর ও হাতিয়া উপজেলার সদ্য জাতীয়করণকৃত বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের পদে পদোন্নতি নেয়ার ক্ষেত্রে কাক্ষিক যোগ্যতা না থাকা সত্ত্বেও এবং ২৯/১২/২০১২ খ্রিঃ তারিখের পরে জাতীয়করণকৃত বিদ্যালয়ে পদোন্নতি না দেয়ার সুযোগ না থাকলেও ভুয়া তথ্যের ভিত্তিতে সদর( নোয়াখালী) উপজেলার শিক্ষক মোঃ বেলাল উদ্দিন বাবর, সুবর্ণচরের মোঃ আলী আক্কাছ,প্রধান শিক্ষক, চরজুবলী অলি উল্যাহ সপ্রাবি ও হাতিয়া উপজেলার মোঃ নবীর উদ্দিন গং সহযোগীতায় বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষাও বাস্তবায়ণ ইউনিট, শিক্ষা ভবন, ঢাকার অসাধূ কর্মকর্তাদের মাধ্যমে মোটা অংকের অর্থের বিমিনয়ে জুন- ২০১৩ এর এমপিওর মাধ্যমে প্রধান শিক্ষকের স্কেল প্রাপ্ত হয়ে এসএসসি ও এইচএসসি তে ৩য় বিভাগ থাকা শিক্ষকবৃন্দ প্রধান শিক্ষক হিসেবে গেজেটভুক্ত হয়ে প্রধান শিক্ষকের বেতনগ্রেডে দুই দুইটি টাইমস্কেল পরিগ্রহন করছে।

অনিয়মের মাধ্যমে প্রধান শিক্ষক হওয়া শিক্ষকরা হলেন নোয়াখালী সদর উপজেলার ১। ছৈয়দ আহাম্মদ ,প্রধান শিক্ষক, দক্ষিণ খলিসা টোলা সপ্রাবি, ২। ফয়েজের রহমান, প্রধান শিক্ষক, বদিয়াজ্জামান সপ্রাবি, ৩। মো ঃ নুরুল হক, প্রধান শিক্ষক, দেবীপুর সপ্রাবি হাতিয়া উপজেলার ১। মোঃ নুর উদ্দিন, প্রধান শিক্ষক , জাহাজমারা লুৎফুল করিম সপ্রাবি,  ২। আবদুল মতিন, প্রধান শিক্ষক, অাবদুল খালেক সপ্রাবি ৩ । মোঃ আমির হোসেন, প্রধান শিক্ষক, উত্তর পশ্চিম জাহাজমারা সপ্রাবি, ৪। আকতারা বেগম লাকি, প্রধান শিক্ষক, পশ্চিম চর আমান উল্যাহ সপ্রাবি  ৫। মোঃ মাঈন উদ্দিন, প্রধান শিক্ষক, মধ্য জাহাজমারা সপ্রাবি ৬। মোঃ নাসির উদ্দিন, প্রধান শিক্ষক, চরকিং জাহান আরা সপ্রাবি ৭। আবুল হোসেন ,প্রধান শিক্ষক, কে এ হোসেন সপ্রাবি ৮। বিক্রম চন্দ্র দাস, প্রধান শিক্ষক ,লক্ষিদিয়া সপ্রাবি ৯। মোঃ নবীর উদ্দিন, প্রধান শিক্ষক, দক্ষিণ পশ্চিম চরঈশ্বর রায় সপ্রাবি ১০। রিংকু দাস ,প্রধান শিক্ষক, চরকিং ইউনিয়ন সপ্রাবি । এছাড়া কাক্ষিত অভিজ্ঞতা ও যোগ্যতা না থাকা সত্ত্বেও নোয়াখালীর সব কটি উপজেলায় বিধিবহিভর্’তভাবে কেবল মাত্র স্নাতক ডিগ্রীধারী হয়ে কোন ধরণের এমপিওভুক্ত বিদ্যালয়ে/ সরকারি বিদ্যালয়ের ৩ বছরের অভিজ্ঞতা ব্যতিরেকে সরাসরি প্রধান শিক্ষক হিসেবে ২০১২ সালে এমপিও ভুক্তির সুবাধে রেজিস্টার্ড বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সকল সার্কুলার ও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগবিধিমালা ১৯৯১ এর সরাসরি লঙ্গন করে প্রধান শিক্ষক কর্মরত রয়েছেন।

নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলার গোলাম মাওলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো ঃ জয়নুল আবেদীন ২০১০ সালে পূবূবর্তী ঐ বিদ্যালয়ের মৃত্যুজনীত পদে পদোন্নতি নেয়ার পরেও তিনি তথ্য গোপন করে যোগদানের প্রথম থেকে প্রধান শিক্ষক হিসেব করে ইতোমধ্যে ২ টি টাইমস্কেল নিয়েছেন প্রধান শিক্ষকের স্কেলে। এক দিকে নোয়াখালী র সকল উপজেলায় অবৈধ প্রধান শিক্ষকের ছড়াছড়ি অপরদিকে সেই প্রধান শিক্ষকরাসহ প্রায় ৩০০ প্রধান শিক্ষক বিধি বহির্ভুতভাবে ২/৩ টি টাইমস্কেল প্রধান শিক্ষক হিসবে গ্রহন করায় প্রতি মাসে সরকারের লক্ষ লক্ষ টাকা লোপাট হচ্ছে পাশাপাশি সাবেক সরকারি শিক্ষকগণেরা সদ্য জাতীকরণকৃত প্রধান শিক্ষকদের চেয়ে বেতন ভাতা কম পাওয়ায় ক্ষোভ ও অস্থিরতা তৈরী হচ্ছে।

গত ৩০ জুলাই সুবর্ণচর উপজেলার অবৈধ প্রধান শিক্ষক নিয়ে সর্বাধিক পঠিতব্য অনলাইন পত্রিকা শিক্ষা বার্তা ডটকমে  সংবাদ প্রকাশিত হওয়ার পরেও এ সংক্রান্ত কোন তদন্ত ও ব্যবস্থা না হওয়ায় জনে মনে ক্ষোভের সৃষ্টি ও সন্দেহ সৃষ্টি হয়েছে।

সদ্য জাতীয়করণকৃত অনেক প্রধান শিক্ষক শিক্ষকতার পাশাপাশি নিয়মিত পড়ালেখা চালিয়ে গিয়ে পরবর্তী সময়ে সেই সনদের সুবিধাও নিয়েছেন। যাহা আইনত অগ্রাহ্য ।

এ ব্যাপারে অবিযুক্ত শিক্ষকদের সাথে কথা বলার চেষ্টা করলে তারা কথা বলতে রাজী হননি।

এ ক্ষেত্রে সনদও বাতিল ,চাকুরিও বাতিল এখন পর্যন্ত সেই বিধিতেই দেশের কার্যক্রম চরছে। তাই সকলের প্রত্যাশা করছে পুরো জাতীয়করণকৃত প্রধান শিক্ষকদেও প্রধান শিক্ষক হিসেবে এমপিওভুক্তির তারিখ উল্লেখিত বাধ্যতামূলক প্রথমিক শিক্ষা ,ইউনিট ঢাকা কর্র্তক প্রদেয় স্বস্ব নামের পত্রটি, সনদপত্রসহ নিয়োগপত্র গুলো যাছাইয়ের মাধ্যমে সত্য উদঘাটিত হবে বলে সচেতন মহল দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে ।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

চুয়াডাঙ্গায় সব ধরনের কোচিং বন্ধ ঘোষনা

নিজস্ব প্রতিবেদক: চুয়াডাঙ্গা জেলার শিক্ষার মান ফিরিয়ে আনার লক্ষে নিয়ম বহির্ভূত সব ধরনের কোচিং বন্ধ ঘোষনা করেছে জেলা প্রশাসক । শুক্রবার স্থানীয় সকল পত্রিকার মাধ্যমে এ নির্দেশনা জারী করা হয়।

শিক্ষার মান উন্নয়নে সকলেই নিয়মিত ক্লাশ, ব্যবহারিক ক্লাশ, নিয়মিত উপস্থিতি, মনিটরিংকে শিক্ষার মানের উন্নয়নে সহায়ক হিসেবে কাজ করবে । অপরপক্ষে ছাত্র-অভিভাবকের অসচেতনতা, অনিয়মিত ক্লাশ, বিদ্যালয়ে ছাত্র ও শ্রেণিকক্ষে শিক্ষকগণের মোবাইল ফোনের ব্যবহার, স্কুল চলাকালে কোচিং সেন্টারের প্রভাবকে শিক্ষার মান হ্রাসের প্রধান কারণ হিসেবে চিহ্নিত করেন।

১। বিদ্যালয় চলাকালে সকাল ৭টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত কোন ধরনের কোচিং করানো যাবে।

২। শিক্ষা মন্ত্রনালয় কর্তৃক জারীকৃত কোচিং বানিজ্য বন্ধ নীতিমালা অনুসরন করতে হবে।

৩। সন্ধ্যার পর কোন কোচিং সেন্টারে কোচিং করানো যাবে না।

৪। প্রত্যেক কোচিং সেন্টারে আগষ্ট মাসে ডিজিটাল হাজিরার ব্যবস্থা করতে হবে।

৫। ছাত্র ও ছাত্রীদের একই সময়ে একই ব্যাচে কোচিং করানো যাবে না।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

অবসরপ্রাপ্ত সরকারি চাকরিজীবীদের উদ্দেশ্যে প্রজ্ঞাপন

আবার বিয়ে করলে ভাতা দেবে না সরকার

 

নিজস্ব প্রতিবেদক: শতভাগ পেনশন সমর্পণকারী অবসরপ্রাপ্ত সরকারি চাকরিজীবীদের মৃত্যুর পর তাঁদের বিধবা স্ত্রী বা বিপত্নীক স্বামী ও তাঁদের প্রতিবন্ধী সন্তানেরা বছরে দুটি উৎসব ভাতা ও চিকিৎসা ভাতা পাবেন। তবে আবার বিয়ে করলে কেউ কোনো ভাতা পাবেন না।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ গত সপ্তাহে এ ব্যাপারে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। ২০১৬ বছরের ১ ফেব্রুয়ারি থেকে এই প্রজ্ঞাপন কার্যকর ধরা হবে।
এতে বলা হয়েছে, শতভাগ পেনশন সমর্পণকারী অবসরপ্রাপ্ত সরকারি চাকরিজীবীদের মৃত্যুর পর তাঁদের বিধবা স্ত্রী ও প্রতিবন্ধী সন্তান ভাতা পাবেন আজীবন।
তবে বিপত্নীক স্বামী ভাতা পাবেন সর্বোচ্চ ১৫ বছর পর্যন্ত। তবে শতভাগ পেনশন সমর্পণকারী চাকরিজীবীর অবসর গ্রহণের তারিখ থেকে ১৫ বছর মেয়াদ পূর্তি হতে যে সময় বাকি থাকবে, বিপত্নীক স্বামী শুধু সেই সময়টুকুর জন্যই ভাতা পাবেন।

বিধবা স্ত্রী বা বিপত্নীক স্বামী যদি আবার বিয়ে করেন, তাহলে এই ভাতাসুবিধা থেকে বঞ্চিত হবেন বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে। উৎসব ভাতার পরিমাণ নির্ধারিত হবে মাসিক নিট পেনশনের ভিত্তিতে। অর্থাৎ শতভাগ পেনশন সমর্পণকারীরা শতভাগ পেনশন সমর্পণ না করলে মাসিক যে পরিমাণ নিট পেনশন পেতেন, তার ভিত্তিতে।
শতভাগ পেনশন সমর্পণকারীর বিধবা স্ত্রী বা বিপত্নীক স্বামী ২০১৬ সালের ১ ফেব্রুয়ারির আগে কোনো উৎসব ভাতা বা চিকিৎসা ভাতা উত্তোলন করে থাকলে তা তাঁদের পরবর্তী সময়ে প্রাপ্য ভাতা থেকে সমন্বয় করা হবে বলে প্রজ্ঞাপনে বলা হয়।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

১৭৩ জন শিক্ষক-কর্মচারির এমপিওভুক্তির বাতিল

নিজস্ব প্রতিবেদক: ১৭৩ জন শিক্ষক-কর্মচারির এমপিওভুক্তির আবেদন বাতিল করেছে কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর। প্রাথমিক যাচাইয়ে অসম্পূর্ণ তথ্য ও দারুল ইহসানের সনদসহ বিভিন্ন সমস্যার কারণে এমপিওর এসব আবেদন বাতিল করা হয় বলে অধিদপ্তরের একাধিক কর্মকর্তা জানিয়েছেন।

আবেদন বাতিলের কারণসমূহের মধ্যে রয়েছে কম্পিউটার প্রশিক্ষণ সনদ সরকার অননুমোদিত প্রতিষ্ঠানের, কাম্য শিক্ষাগত যোগ্যতার অভাব, দারুল ইহসান বিশ্ববিদ্যালয়ের সনদ দাখিলকৃত সনদগুলো সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কর্তৃক যাচাইকৃত নয়, আবেদনকারীর কোন মামলা নেই মর্মে কোন পত্র না দেয়া ও নিয়োগ সংক্রান্ত অভিযোগ থাকা।

এছাড়াও রয়েছে, প্যাটার্নবহির্ভূতভাবে নিয়োগ পাওয়ায়, স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পর্যায়ের অর্জিত সনদ অনলাইনে খুজে না পাওয়া যাওয়া, নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির স্থানীয় পত্রিকার মূল কপি না থাকা, নিয়োগকালীন ম্যানেজিং কমিটির প্রমাণ সংযুক্ত না থাকা এবং এসএসসিতে ৩য় বিভাগে উত্তীণ হওয়া।

প্রাথমিক যাচাইয়ে অসম্পূর্ণ ও বিভিন্ন সমস্যা সম্বলিত কাগজপত্র ও চিহ্নিত সমস্যার জবাব আগামী ১ মাসের মধ্যে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরে জমা দিতে বলা হয়েছে। অন্যথায় তাদেরকে এমপিওভুক্ত, টাইমস্কেল ও উচ্চতর স্কেলের জন্য পুনরায় আবেদন করতে হবে বলে জানিয়েছে অধিদপ্তর।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

ঈদের ছুটি ৩০ আগস্ট থেকে ৪ সেপ্টেম্বর !

ডেস্ক: সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য সুখবর আসছে। এখন থেকে ঈদের ছুটি ছয় দিন করার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের। আসন্ন ঈদুল আজহা থেকে এটি কার্যকর হবে। বর্তমানে ঈদে সরকারি কর্মচারীরা ছুটি পান তিন দিন। চাকরিজীবীদের ঈদে স্বস্তিতে বাড়ি পেঁৗছাতে ছুটি বাড়ানোর এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এরই মধ্যে ঈদের ছুটি বাড়ানোর একটি প্রস্তাব জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পাঠানো হয়। প্রস্তাবটি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অনুমোদন পেলে মন্ত্রিসভার বৈঠকে উপস্থাপন করা হবে। সরকারি একটি সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

সূত্র জানায়, প্রস্তাবটি অনুমোদন পেলে এবার ঈদের ছুটি শুরু হবে ৩০ আগস্ট বুধবার থেকে এবং শেষ হবে ৪ সেপ্টেম্বর সোমবার। যদিও এর মধ্যে সাপ্তাহিক ছুটি ঈদের ছুটি হিসেবে কার্যকর হবে। সব মিলিয়ে সরকারি চাকরিজীবীরা এবার ঈদের ছুটি পাবেন ছয় দিন। আর এ ছয় দিন সরকারি, আধাসরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, আধা-স্বায়ত্তশাসিত সব প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে। আর ঈদের এ বাড়তি ছুটি কর্মচারীদের ঐচ্ছিক ছুটি থেকে কেটে নেওয়া হবে।

এ বিষয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব ড. মোজাম্মেল হক খান বলেন, বাস্তব প্রেক্ষাপট বিবেচনা করে ঈদে ছুটি বাড়ানোর একটি প্রস্তাব সরকারের উচ্চ পর্যায়ে দেওয়া হয়েছে। সেখান থেকে নীতিগত সিদ্ধান্ত আসার পরই এটি সর্বোচ্চ ফোরামে উপস্থাপন করা হবে। এখানে অনুমোদন পেলে ছুটির আদেশ জারি হবে। না হলে বিদ্যমান নিয়মে ছুটি থাকবে।

তিনি বলেন, সরকার ছুটি বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিলে বছরের নির্ধারিত ছুটি ঠিকই থাকবে। বাড়তি ছুটি কর্মচারীদের ঐচ্ছিক ছুটি থেকে কেটে নেওয়া হবে। অর্থাৎ শুধু ঐচ্ছিক ছুটির সঙ্গে ঈদের ছুটির সমন্বয় করা হবে। সংশ্লিষ্টরা জানান, সব ঠিকঠাক থাকলে এবার ঈদুল আজহা পালন হবে ২ সেপ্টেম্বর শনিবার। ঈদের দিন ও তার আগের দিন পড়ছে সাপ্তাহিক ছুটি। ফলে বিদ্যমান নিয়মে এবার তিন দিন ঈদের ছুটি থাকলে এর দু’দিনই পড়ছে সাপ্তাহিক ছুটি। বাড়তি কোনো ছুটি পাচ্ছেন না সরকারি চাকরিজীবীরা। চাকরিজীবীরা বৃহস্পতিবার অফিস শেষ করে বাড়ির দিকে রওনা হবেন। আবার সোমবার অফিস খোলা থাকায় ঈদের পরের দিন রোববার ঢাকামুখী হবেন। এতে একসঙ্গে রাস্তাঘাটা, ফেরি, লঞ্চ, রেলের ওপর চাপ বাড়বে। মানুষের দুর্ভোগের শেষ থাকবে না। এমনকি গ্রামের সড়কও বেহাল। তারপর এত চাপ মোকাবেলা করা প্রশাসনের পক্ষে কষ্টসাধ্য হয়ে পড়বে। সড়ক দুর্ঘটনার সংখ্যা বাড়ারও আশঙ্কা থাকছে। ফলে চাকরিজীবীদের নির্বিঘ্নে বাড়ি পেঁৗছতে ঈদের ছুটি বাড়ানো হচ্ছে।

জানা গেছে, ঈদে ছুটি বাড়ানোর দাবি সরকারি কর্মচারীদের দীর্ঘদিনের। ২০১০ সালে ঈদুল ফিতরে সরকারি ছুটি তিন দিনের পরিবর্তে পাঁচ দিন করার একটি প্রস্তাব দেয় জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। যদিও পরে এটি নাকচ হয়ে যায়। গত ঈদুল ফিতরের ছুটিও ছয় দিন করার একটি প্রস্তাব তৈরি করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও এতে সম্মতি দেন; কিন্তু ওই সময় সংসদে বাজেট অধিবেশন থাকায় ছুটি বাড়ানোর প্রস্তাব আর কার্যকর হয়নি। এবার সরকারি কর্মচারীদের দাবি বিবেচনায় নিয়ে এবং ঈদে যাতে ঘরমুখো মানুষ নির্বিঘ্নে যাতায়াত করতে পারেন এ জন্য ছুটি বাড়ানোর প্রস্তাব তৈরি করা হয়েছে। বর্তমানে বছরে অফিস-আদালত ১৫৯ দিন বন্ধ থাকে। এর মধ্যে সাপ্তাহিক ছুটি থাকে ১০৪ দিন। অন্যান্য ছুটি থাকে ৫৫ দিন

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

ইডেনের ২ ছাত্রীকে যৌন হয়রানি, ছাত্রলীগ নেতা বহিষ্কার

ডেস্ক : ইডেনের দুই ছাত্রীকে যৌন হয়রানি ও নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির পরিবেশ বিষয়ক উপ-সম্পাদক মিজানুর রহমান পিকুলের বিরুদ্ধে। রোববার রাতে আজিমপুর সংলগ্ন পলাশী মোড়ে এ ঘটনা ঘটে বলে চকবাজার থানায় এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা।

তারা দু’জন সম্পর্কে বোন। এর মধ্যে একজন ইডেনের সাবেক ছাত্রী, আর অন্যজন তার ছোট বোন তৃতীয় বর্ষের ছাত্রী।  এদিকে এ ঘটনায় রাতেই এক বিজ্ঞপ্তিতে শৃঙ্খলা ভঙের দায়ে পিকুলকে ছাত্রলীগ থেকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়।

লিখিত অভিযোগে বড় বোন উল্লেখ করেন, রোববার রাত ৮টায় তিনি, তার স্বামী ও ছোট বোন পলাশী মোড়ের মাছবাজারে মাছ কিনতে যান। সেসময় বাজারে হাঁটার একসময় বড় বোনের স্বামীর সঙ্গে পিকুলের ধাক্কা লাগলে সে তার স্বামীকে গালিগালাজ করে এবং মারধরের জন্য তেড়ে আসে। দুই বোন এর প্রতিবাদ করায় পিকুল তাদের ওপর চড়াও হয়। এরপর পিকুল মোবাইল ফোনে তার সহযোগীদের ডেকে এনে ওই দুই বোনের শ্লীলতাহানি করে এবং তার স্বামীকে মেরে রক্তাক্ত করে।

এদিকে রাতেই এক বিজ্ঞপ্তিতে শৃঙ্খলা ভঙের দায়ে পিকুলকে ছাত্রলীগ থেকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয় এবং আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়।

অভিযোগের বিষয়টি নিশ্চিত করে চকবাজার মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শামীম অর রশিদ বলেন, এ ঘটনায় কোনো সাধারণ ডায়েরি (জিডি) বা মামলা হয়নি।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

রংপুর মেডিকেলে চিকিৎসার অভাবে শিশুর মৃত্যুর অভিযোগ

নিজস্ব সংবাদদাতা, রংপুর ॥ রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের শিশু সার্জারি ওয়ার্ডে বিনা চিকিৎসায় এক শিশুর মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। শিশুটির চিকিৎসার জন্য চিকিৎসককে বার বার ডাকার কারণে দায়িত্বরত চিকিৎসক ক্ষিপ্ত হয়ে শিশুটির ভর্তিপত্র ছুড়ে ফেলে দিয়েছেন বলে জানান স্বজনরা। এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ স্বজনরা ওই চিকিৎসকের দৃষ্টান্তমুলক শাস্তির দাবী জানিয়েছেন। ঘটনাটি ঘটেছে রবিবার সকালে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপালে।

রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ভর্তি ফাইল থেকে জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার ঠাকুরগাঁও জেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সিজারের মাধ্যমে পুত্র সন্তানের মা হন সদরের বাহাদুরপাড়া এলাকার হাসান আলীর স্ত্রী রীনা বেগম। সেখানে শিশুটির অবস্থার অবনতি হলে রেফার্ড করা হয় রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসাপাতালে। শনিবার সন্ধ্যা সাতটার দিকে ওই দম্পতি নবজাতককে হাসাপাতলের শিশু সার্জারি ওয়ার্ডে ভর্তি করান।

মৃত ওই নবজাতকের স্বজন পারভীন আক্তার সাংবাদিকদের জানান, আমরা যখন ঠাকুরগাঁও হাসপাতালে ছিলাম তখন শিশুটি ভালো ছিল। এখানে আসার পর ভর্তি হই। কিন্তু কেউ আমাদের খোঁজ খবর রাখেনি। রাতে চিকিৎসার জন্য বার বার ছোটছুটি করি কেউ সাড়া দেয়নি। নার্সদের ডাকা ডাকির পরও তারা আসেনি। দু’জন নার্স এলেও তারা বলেন, আমরা এই ওয়ার্ডে ভাড়ায় এসেছি। আমরা কিছু করতে পারব না। পরে তারাও চলে যায়।

চাঁদনী নামের আরেকজন স্বজন জানান, একজন ওয়ার্ড বয় আসে। তিনি এক’শ টাকা চান লেবুনেশন করার জন্য। সেই টাকা দেয়ার পর তিনি চেষ্টা করেও লেবুনেশন দিতে পারেন নি। এরপর তিনিও চলে যান। আমরা অসহায় হয়ে পড়ি।

নিহত ওই নবজাতকের বাবা আহসান আলী জানান, আমরা চিকিৎসকের জন্য ছুটাছুটি করি কেউ আসে না। এরপর রাত দশটার দিকে আমাদেরকে ওয়ার্ড থেকে বের করে দেয়া হয়। সকাল আটটায় দিয়ে দেখি আমার বাবু মারা গেছে। আমি এর বিচার চাই।

আহসান আলীর স্ত্রী রিনা আখতার বলেন, আমার বুক খালি হয়েছে। আমি আর কোন মায়ের বুক খালি হতে দেব না। আমি ওদের বিচার চাই।

নবজাতকের বাবা আহসান এর বন্ধু সাইফুল ইসলাম সাংবাদিকদের জানান, একজন চিকিৎসক বিরক্ত হয়ে শিশুর ভর্তি ফরম ছুড়ে ফেলে দেন। এরপর সেখানকার নার্সরাই তাদের হাসপাতাল থেকে বরে হয়ে যেতে বলেন। তিনি প্রশ্ন রেখে বলেন, এটা কোন দেশ? সেখানে ডাক্তার নার্সরা হাসপাতাল থেকে বের হয়ে যেতে বলেন। তিনি ওই চিকিৎসক ও নার্সদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার জন্য সরকারের প্রতি অনুরোধ জানান।

ওই ওয়ার্ডে দায়িত্বরত চিকিৎসক ডা. মাহফুজুল হক মানিক সাংবাদিকদের বলেন, আমি ওই সময় দায়িত্বে ছিলাম না। কিন্তু শিশুর বিষয়ে জানতাম। শিশুটি জন্মের পর বায়ুপথ ছিল না। আর তার বয়স অনুযায়ী অপরারেশন করার মত অবস্থাও ছিল না। আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছি। এরপরেও কোন চিকিৎকের অবহেলা থাকলে কর্তৃপক্ষ বিসয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেবেন।

এ বিষয়ে হাসপাতালটির পরিচালক ডা: মওদুদ বলেন, আমি রংপুরের বাইরে। বিষয়টি নিয়ে পরে কথা হবে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

পেনশন সমর্পণকারীদের জন্য নতুন প্রজ্ঞাপন

বিশেষ প্রতিদেক :

এখন থেকে শতভাগ পেনশন সমর্পণকারী অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীর মৃত্যুর পর তার বিধবা স্ত্রী বা বিপত্নীক স্বামী ও প্রতিবন্ধী সন্তান চিকিৎসা ভাতা ও বছরে দুটি উৎসব ভাতা পাবেন। এ বিষয়ে শতভাগ পেনশন সমর্পণকারী অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য নতুন প্রজ্ঞাপন জারি করেছে অর্থ মন্ত্রণালয়।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, শতভাগ পেনশন সমর্পণকারী অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীর মৃত্যুর পর তাদের বিধবা স্ত্রী ও প্রতিবন্ধী সন্তান আজীবন চিকিৎসা ও উৎসব ভাতা পাবেন। বিপত্নীক স্বামী সর্বাধিক ১৫ বছর (শতভাগ পেনশন সমর্পণকারী কর্মচারীর অবসর গ্রহণের তারিখ থেকে মোট ১৫ বছর মেয়াদ পূর্তির কোনো সময় অবশিষ্ট থাকলে শুধু উক্ত সময় পূর্তি পর্যন্ত) মাসিক চিকিৎসা ভাতা ও বছরে দুটি উৎসব ভাতা পাবেন। এই সুবিধা গত ২০১৬ বছরের ১ ফেব্রুয়ারি থেকে কার্যকর হবে।

তবে পুনরায় বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হলে বিধবা স্ত্রী বা বিপত্নীক স্বামী এ সুবিধা পাবেন না বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে। শতভাগ পেনশন সমর্পণকারীগণ শতভাগ পেনশন সমর্পণ না করলে যে পরিমাণ মাসিক নিট পেনশন পেতেন তার ভিত্তিতে উৎসব ভাতার পরিমাণ নির্ধারিত হবে।

প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়, শতভাগ পেনশন সমর্পণকারীর বিধবা স্ত্রী বা বিপত্নীক স্বামী ২০১৬ সালের ১ ফেব্রুয়ারির আগে কোনো চিকিৎসা ভাতা বা উৎসব ভাতা উত্তোলন করে থাকলে তা তাদের পরবর্তীকালে প্রাপ্য চিকিৎসা বা উৎসব ভাতা থেকে সমন্বয় করা হবে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

অবশেষে বদলি হলেন শিক্ষা অধিদপ্তরের সেই পরিচালক

ডেস্ক: জুনিয়র সহকর্মীর দাপট সইতে না পেরে স্বেচ্ছায় বদলি হয়েছেন মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের প্রশিক্ষণ শাখার পরিচালক ড. মো: শফিকুল ইসলাম তালুকদার। তিনি মানিকগঞ্জ দেবেন্দ্র কলেজের  অধ্যক্ষ পদে বদলি হয়েছেন। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ ২রা আগস্ট প্রজ্ঞাপন জারি করেছে।

অধিদপ্তরের একাধিক সূত্রমতে, বদলি হয়ে যাওয়ার আগে সেই ‘দুর্নীতিবাজ’ জুনিয়র সহকর্মী একই শাখার সহকারি পরিচালককে কারণ দর্শানোরে নোটিশ দিয়েছেন। গত বছর দেড়কোটি টাকার কেনাকাটার হিসেব দিতে পারেনি সহকারি পরিচালক মান্নান চৌধুরী।

তারা দুজনই বি সি এস সাধারণ শিক্ষা ক্যাডারভুক্ত সরকারি কলেজ শিক্ষক।

সাবেক শিক্ষাসচিব মো: নজরুল ইসলাম খান বলেন, শিক্ষা প্রশাসনে সুশাসনের অভাব দীর্ঘদিনের। এর অবসান না হলে সুশিক্ষা নিশ্চিত করা যাবে না। দুষ্টের দমন শিষ্টের লালন করা দক্ষ প্রশাসকের কাজ।

দৈনিক শিক্ষা

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

সিদ্দিকুরের চোখের অপারেশন শুরু

জাহিদ হাসান : বাংলাদেশ সময় বিকাল সাড়ে তিনটায় সিদ্দিকুরের অপারেশন শুরু হয়েছে, বলে জানিয়েছেন সিদ্দিকুরের সহপাঠী ও বন্ধু শেখ ফরিদ। শুক্রবার বিকালে তিনি এ তথ্য জানান।

শেখ ফরিদ বলেন, ‘শংকর নেত্রালয়ের চিকিৎসক লিঙ্গম গোপাল এই অপারেশন করবেন।’ বাংলাদেশ থেকে সিদ্দিকুরের সঙ্গে যাওয়া জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইন্সটিটিউটের সহযোগী অধ্যাপক ডা. জাহিদুল এহসান মেনন তাদেরকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

সিদ্দিকুরের বন্ধু শেখ ফরিদ বলেন, ‘সিদ্দিকুর মানসিকভাবে সুস্থ ও শক্ত আছেন ও সবার কাছে দোয়া চেয়েছেন।’

এর আগে, ২ আগস্ট সিদ্দিকুরের অনেকগুলো পরীক্ষা-নিরীক্ষা হয়। বৃহস্পতিবার সেগুলোর রিপোর্ট পাওয়ার পর সবকিছু ঠিক থাকায় চিকিৎসক লিঙ্গম গোপাল শুক্রবার অপারেশনের দিন ঠিক করেছেন বলে জানিয়েছিলেন শেখ ফরিদ।

উল্লেখ্য, পরীক্ষার রুটিন ও তারিখ ঘোষণাসহ কয়েকটি দাবিতে গত ২০ জুলাই শাহবাগে অবস্থান কর্মসূচি পালন করছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভূক্ত হওয়া নতুন সাতটি সরকারি কলেজের শিক্ষার্থীরা। এ সময় শিক্ষার্থীদের ওপর লাঠিচার্জ ও টিয়ারশেলে গুরুতর আহত হন তিতুমীর কলেজের ছাত্র সিদ্দিকুর রহমান। পরে তার চোখের চিকিৎসার ব্যাপারে নির্দেশনা দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ ও স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিমের তত্ত্বাবধানে জাতীয় চক্ষুবিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের চিকিৎসরা তাকে চেন্নাইয়ের শংকর নেত্রালয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য পাঠান। বাংলা ট্রিবিউন অবলম্বনে

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

চার সরকারি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নতুন পরিচালক

রিকু আমির : সেনাবাহিনীর চারজন ব্রিগেডিয়ার জেনারেলকে ঢাকা, রাজশাহী, বগুড়া ও ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নতুন পরিচালক হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে সরকার।

তাদের চাকরি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য সেবা বিভাগে ন্যস্ত করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় বৃহস্পতিবার আদেশ জারি করেছে।
আদেশে অনুযায়ী- ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ মিজানুর রহমানের স্থলে দায়িত্ব পেয়েছেন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল একেএম নাসির উদ্দিন।

রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এএফএম রফিকুল ইসলামের স্থলে পরিচালকের দায়িত্ব পেয়েছেন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. জামিলুর রহমান।

ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. গোলাম রসুলকে বগুড়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, তিনি এসেছেন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এ কে এম মাসুদ আহসানের স্থলে। ব্রিগেডিয়ার জেনারেল পারভেজ কবীরকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক করা হয়েছে, তিনি এসেছেন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. নাছির উদ্দীন আহমদের স্থলে। আগের চার পরিচালকের চাকরি সশস্ত্র বাহিনী বিভাগে ন্যস্ত করা হয়েছে।

আরেকটি আদেশে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এসএমএম সালেহ ভূঁইয়াকে সেনাবাহিনীতে ফেরৎ পাঠিয়ে সেই দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. জাকির হাসানকে। এছাড়া ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এসএম শামিম উজ জামানকে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম-সচিব হিসেবে নিয়োগ দিয়ে আদেশ জারি করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

২৭ যুগ্মসচিবের দফতর বদল

ঢাকা: জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের পৃথক দুটি প্রজ্ঞাপনে ২৭ যুগ্মসচিবের দফতর রদবদলের কথা বলা হয়েছে।

প্রথম প্রজ্ঞাপনে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রকল্প পরিচালক মোহাম্মদ হুমায়ূন কবীর ও কৃষি মন্ত্রণালয়ের প্রকল্প পরিচালক শেখ মো. রেজাউল ইসলাম, বিসিএস প্রশাসন একাডেমির পরিচালক জাহাংগীর আলম, সাভারের বিপিএসিটির পরিচালক আবদুল বাকী, কৃষি মন্ত্রণালয়ের বাংলাদেশ ফলিত পুষ্টি গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের পরিচালক ইকবাল মাহমুদ ও পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিচালক মাসুদ করিমকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হিসেবে বদলি করা হয়েছে।

ভূমি মন্ত্রণালয়ের প্রকল্প পরিচালক আহসান হাবীব তালুকদারকে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের যুগ্মসচিব, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রমজান আলীকে স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগে ও বেগম সামিনা ইয়াসমিনকে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ে, বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের পরিচালক মো. মোয়াজ্জেম হোসেনকে বাস্তবায়ন, পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগে, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এ কে এম আফতাব হোসেন প্রামাণিককে স্থানীয় সরকার বিভাগে, বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষের জেনারেল ম্যানেজার বেগম রাশিদা ফেরদৌসকে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে বদলী করা হয়েছে।

পরের প্রজ্ঞাপনে ভূমি মন্ত্রণালয়ের ন্যাশনাল ল্যান্ড জোনিং প্রকল্পের পরিচালক শওকত আকবরকে একই মন্ত্রণালয়ের মৌজা ও প্লট ভিত্তিক ডিজিটাল ভূমি জোনিং প্রকল্পের পরিচালক, জাতীয় গৃহায়ণ কর্তৃপক্ষের সদস্য এ বি এম ফজলুর রহমানকে ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তরের পরিচালক, জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের সচিব অশোক কুমার বিশ্বাসকে জাতীয় সমুদ্র গবেষণা ইনস্টিটিউট স্থাপন প্রকল্পের পরিচালক, ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের পরিচালক আইয়ুব হোসেনকে জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের সদস্য, জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের পরিচালক নারায়ণ চন্দ্র দেবনাথকে বাংলাদেশ ফলিত পুষ্টি গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের পরিচালক, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব মোহাম্মদ জয়নুল বারীকে বাংলাদেশ বিমানের পরিচালক, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব আবু বকর সিদ্দিককে পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি অব বাংলাদেশের নির্বাহী পরিচালক, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শাহজাহান আলীকে জাতীয় কারিকুলাম অ্যান্ড টেক্সট বুক বোর্ডের সদস্য, কামরুল হাসানকে নির্বাচন কমিশনের যুগ্মসচিব, বেগম লায়লা আরজুমান্দ বানুকে বাংলাদেশ প্রেস ইনস্টিটিউটের পরিচালক ও এ কে এম আলী আহাদ খানকে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের পরিচালক, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব এ হামিদ জমাদ্দরকে প্রতিটি জেলা ও উপজেলায় একটি করে ৫৬০টি মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সংস্কৃতিক কেন্দ্র স্থাপন শীর্ষক প্রকল্পের পরিচালক, জাতীয় সমুদ্র গবেষণা ইনস্টিটিউট স্থাপন শীর্ষক প্রকল্পের অতিরিক্ত পরিচালক সৈয়দ তৌহিদুর রহমানকে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের পরিচালক হিসেবে বদলি করা হয়েছে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

Responsive WordPress Theme Freetheme wordpress magazine responsive freetheme wordpress news responsive freeWORDPRESS PLUGIN PREMIUM FREEDownload theme free

hit counter