Home » টপ খবর (page 3)

টপ খবর

চুল পড়ার জন্য দায়ী যেসব খাবার

নিজস্ব প্রতিবেদক,২৪ সেপ্টেম্বর:
যেসব সমস্যা আমাদের জন্য ভীষণ কমন, তার একটি হলো চুল পড়া। এই সমস্যায় ভুগছেন না বা কখনো ভোগেননি, এমন কাউকে খুঁজে পাওয়া দুষ্কর। চুল আমাদের বাহ্যিক সৌন্দর্য প্রকাশ করে। তাই চুল পড়া বন্ধ করতে না পারলে স্বাভাবিকভাবেই সৌন্দর্য কমতে শুরু করে। এই চুল পড়া নিয়ে মন খারাপ করেন অনেকেই। আবার নানারকম পদ্ধতির প্রয়োগ করেও মেলে না সমাধান।

ধুলোবালি কিংবা আবহাওয়ার প্রভাব কিংবা জীবনযাপনের ধরন তো আছেই, সেইসঙ্গে চুল পড়া সমস্যার জন্য আমাদের খাদ্যাভ্যাসও অনেকটা দায়ী। চুল যদি ভেতর থেকে পুষ্টি না পায় তবে বাইরে থেকে যতই যত্ন নেয়া হোক না কেন, সমাধান মিলবে না। সেজন্য নজর রাখতে হবে খাবারের তালিকায়ও। ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস জানাচ্ছে, চুল পড়া বন্ধ করতে হলে কিছু খাবার বাদ দিতে হবে।

মিষ্টি খাবার লোভনীয়, তাতে সন্দেহ নেই। তাই অতিরিক্ত চিনি বা রিফাইন্ড ময়দা দিয়ে তৈরি খাবার খাদ্যতালিকা থেকে বাদ দিন। ব্লাড সুগার বাড়লে অ্যান্ড্রোজিন হরমোনের ক্ষরণ বেড়ে হেয়ার ফলিকল নষ্ট করে দেয়, যা চুল পড়ার অন্যতম কারণ।

যেসব খাবারে অতিরিক্ত স্যাচুরেটেড ফ্যাট ও হাইডারোজেনেটেড অয়েল রয়েছে, চেষ্টা করুন সেসব এড়িয়ে চলার। এই তেল স্ক্যাল্পে জমে লোমকূপ বন্ধ করে দিতে পারে, যার ফলে চুল পড়ার সমস্যা বাড়তে পারে। এর বদলে ট্রান্স ফ্যাট রয়েছে এমন খাবার রাখুন তালিকায়। বেকড খাবারে ট্রান্স ফ্যাট থাকে।

খাবার তালিকা থেকে অতিরিক্ত পারদযুক্ত মাছ বাদ দিন। ভেটকি বা টুনা জাতীয় মাছ বেশি খাবেন না। তার বদলে ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড রয়েছে এমন মাছ খেতে পারেন। ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড চুল বাড়তে সাহায্য করে।

জিঙ্ক আমাদের চুলের স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। অতিরিক্ত বিয়ার বা ওয়াইন পান করলে জিঙ্ক হজম করতে অসুবিধে হয়। বেশি পরিমাণ মদ্যপান সাধারণভাবেই চুলের পক্ষে ক্ষতিকর। তাই মদ্যপান এড়িয়ে চলুন।

কী খাবেন?
আমাদের চুলের জন্য পর্যাপ্ত খনিজ পদার্থ খুবই প্রয়োজনীয়। ডিম, মাংস, বিনস, মাশরুম, ড্রাই ফ্রুটস, সবুজ শাক সবজি যেমন পালং শাক ইত্যাদি আয়রন এবং জিঙ্ক সমৃদ্ধ খাবার খান। চুলের স্বাস্থ্যের জন্য আয়রন এবং জিঙ্ক প্রয়োজনীয় দুটি খনিজ পদার্থ।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

জেলা পর্যায়ে ২৫ শতাংশ প্রাথমিক বিদ্যালয় খুলে দেয়ার প্রস্তাব

নিজস্ব প্রতিবেদক, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২০:
করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) পরিস্থিতির মধ্যে জেলা পর্যায়ে ২৫ শতাংশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় খুলে দেয়ার পরামর্শ দিয়েছেন মাঠ পর্যায়ের শিক্ষক-কর্মকর্তারা।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার বিষয়ে নিজ নিজ মন্ত্রণালয়কে সিদ্ধান্ত নিতে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে ঘোষণা আসার পর মাঠ পর্যায়ে শিক্ষক-কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় শুরু করেছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। তাদের মতামতের ভিত্তিতে ২৭ সেপ্টেম্বর সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে সভা করে স্কুল খোলার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে বলে জানা গেছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী জাকির হোসেন মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) বলেন, সারাদেশের প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলো কীভাবে চালু করা যায়, সে বিষয়ে সারাদেশের মাঠপর্যায়ের শিক্ষক-কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করে পরামর্শ নেয়া হচ্ছে। তিনি বলেন, ইতোমধ্যে আমরা বেশ কয়েকটি জেলার শিক্ষক-কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিয়ম করেছি। তারা বিভিন্ন ধরনের প্রস্তাব দিয়েছেন। অনেকে প্রথম ধাপে জেলা পর্যায়ের ২৫ শতাংশ বিদ্যালয় খুলে দেয়ার প্রস্তাব জানিয়েছেন। আরও অনেক জেলার সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করে তারা সে সব পরামর্শ দেবেন, তার আলোকে আগামী ২৭ সেপ্টেম্বর মন্ত্রণালয়ে সভা করা হবে।

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, এরপর সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে বৈঠক করে পরিস্থিতি বিবেচনার মাধ্যমে কবে থেকে বিদ্যালয় খোলা যায়, সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। বর্তমানে বিদ্যালয়গুলো পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করতে শিক্ষকদের নির্দেশনা দেয়া হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

সূত্র জানায়, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার বিষয়ে নিজ নিজ মন্ত্রণালয় সিদ্ধান্ত নেবে-মন্ত্রিপরিষদ সচিবের এমন ঘোষণার পর প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন এবং সিনিয়র সচিব আকরাম-আল-হোসেন ভিডিও কনফারেন্সে দেশের বিভিন্ন জেলার শিক্ষক-কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় শুরু করেছেন। প্রথম ধাপে রাজধানী ঢাকার স্কুলগুলো না খুলে মফস্বল পর্যায়ের ২৫ শতাংশ স্কুল খোলার পরামর্শ এসেছে। শহরের বিদ্যালয়গুলো বন্ধ থাকালেও এসব শিক্ষার্থী টিভি, রেডিওসহ নানা মাধ্যমে ক্লাস করার সুযোগ পাচ্ছে।

অন্যদিকে করোনা পরিস্থিতির কারণে বিদ্যালয় বন্ধ থাকায় মফস্বলের শিক্ষার্থীরা পড়ালেখা থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। নানা প্রতিবন্ধকতার কারণে তারা টিভি-রেডিও ক্লাসের সুযোগ পাচ্ছে না। এ কারণে শিক্ষক-কর্মকর্তারা মফস্বল পর্যায়ের ২৫ শতাংশ স্কুল খুলে দেয়ার পরামর্শ দিয়েছেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।


Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

এইচএসসি পরীক্ষা আয়োজনের গাইডলাইন তৈরি আগামীকাল

নিজস্ব প্রতিবেদক, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২০

করোনা পরিস্থিতিতে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা আয়োজনের প্রস্তুতি সংক্রান্ত গাইডলাইন তৈরি করা হচ্ছে। এ জন্য বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) সব শিক্ষাবোর্ড চেয়ারম্যান সভায় বসবেন। সেখানে পরীক্ষা শুরুর একাধিক প্রস্তাব তৈরি করা হবে বলে জানা গেছে।

সংশ্লিষ্টরা জানান, টানা ছয় মাস পিছিয়ে গেলেও করোনার কারণে এখনো এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা নেয়া সম্ভব হয়নি। বর্তমানে সবকিছু ক্রমান্বয়ে স্বাভাবিক হওয়ায় এইচএসসি পরীক্ষা আয়োজনের চিন্তাভাবনা করছে শিক্ষাবোর্ড। এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে বৃহস্পতিবার সব শিক্ষাবোর্ডের চেয়ারম্যান সভায় বসছেন। সেখানে কখন কীভাবে স্বাস্থ্যবিধি মেনে পরীক্ষা নেয়া যায় সে বিষয়ে প্রস্তাবনা তৈরি করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে। সেটি অনুমোদন হলে এইচএসসি পরীক্ষা শুরু হবে।

জানা গেছে, এইচএসসি পরীক্ষার বিষয়ে তিনটি প্রস্তাব তৈরি করা হচ্ছে। এগুলো হচ্ছে- স্বাস্থ্যবিধি মেনে মৌলিক বিষয়গুলোর ওপর স্বল্প পরিসরে পরীক্ষা নেয়া। যদি সেটাও সম্ভব না হয় তবে জেএসসি-এসএসসি এবং কলেজের প্রথম ও দ্বিতীয় বর্ষের মূল্যায়নের ওপর ফল (গ্রেড) ঘোষণা দেয়া যেতে পারে। অথবা আগামী মার্চ পর্যন্ত এ পরীক্ষার জন্য অপেক্ষার প্রস্তাবও তৈরি করা হচ্ছে। এসব বিষয়ে ২৪ সেপ্টেম্বর আন্তঃশিক্ষা বোর্ডের সভা ডাকা হয়েছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে আন্তঃশিক্ষা সমন্বয়ক বোর্ডের সচিব তপন কুমার শিক্ষাবার্তাকে বলেন, ২৪ সেপ্টেম্বর আন্তঃশিক্ষা বোর্ডের সভা ডাকা হয়েছে। সেখানে এইচএসসি পরীক্ষা কীভাবে নেয়া যায় সে বিষয়ে আলোচনা করা হবে।

মাদরাসা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক কায়সার আহমেদ জাগো নিউজকে বলেন, এইচএসসি পরীক্ষা সংক্রান্ত বিষয়ে ২৪ সেপ্টেম্বর আন্তঃশিক্ষা সমন্বয়ক বোর্ডের সভা ডাকা হয়েছে। পরীক্ষা কবে ও কীভাবে নেয়া যায় সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত হবে। স্বাস্থ্যবিধি মেনে বসার ব্যবস্থাসহ বিভিন্ন দিক নিয়ে বৈঠকে আলোচনা হবে।

তিনি আরও বলেন, করোনা পরিস্থিতিতে এইচএসসি পরীক্ষা সম্পর্কিত সিদ্ধান্ত মূলত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পরামর্শ, করোনাবিষয়ক জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটির সুপারিশ ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ওপর নির্ভর করছে। এছাড়া স্কুলে জেএসসি ও সমমানের পরীক্ষা কীভাবে নেয়া যায় সে বিষয়েও সভায় আলোচনা হবে। এ সংক্রান্ত একটি প্রস্তাব শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে। মন্ত্রণালয় থেকে অনুমোদন দেয়া হবে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা কবে শুরু করা হবে।


Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

আসছে হোয়াটসঅ্যাপের আপডেট, যা থাকছে

ফেসবুকের মালিকানাধীন ম্যাসেজিং অ্যাপ হোয়াটসঅ্যাপ প্রায়ই তার ব্যবহারকারীদের জন্য নতুন আপডেট নিয়ে আসে। বেশ কিছুদিন ধরে গুঞ্জন, দ্রুতই আসছে হোয়াটসঅ্যাপের নতুন ফিচার, যেখানে ডেস্কটপ বা ওয়েব সংস্করণে যুক্ত হচ্ছে ফিঙ্গার প্রিন্ট সুবিধা।

হোয়াটসঅ্যাপের নতুন আপডেটে কী থাকছে, তা অফিশিয়ালি এখনো জানা না গেলেও ভারতীয় গণমাধ্যম ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস জানিয়েছে, ওয়েবে ফিঙ্গার প্রিন্ট সুবিধা ছাড়াও আরো যা থাকতে পারে সে তথ্য :

* আসন্ন আপডেটে হোয়াটসঅ্যাপে থাকতে পারে বিভিন্ন রিংটোন সেট করার সুবিধা। যার ফলে ব্যবহারকারীরা স্বতন্ত্র কল ও গ্রুপ কলের মধ্যে পার্থক্য বুঝতে পারবে।

* ডেস্কটপ বা ওয়েব সংস্করণের পর আপডেটে অ্যান্ড্রয়েড সংস্করণেও ব্যাকগ্রাউন্ড ডুডল পরিবর্তনের সুযোগ পেতে পারেন ব্যবহারকারীরা।

* অ্যান্ড্রয়েড সংস্করণে কল ধরা ও কল করার সিস্টেম আপডেট করা হবে।

* স্টিকার ও অ্যানিমেটেড স্টিকারগুলোতে আসছে পরিবর্তন। থাকবে একাধিক লুপ।

* ব্যবসায়ী অ্যাকাউন্টের জন্য শিগগিরই হোয়াটসঅ্যাপ শর্টকাট অ্যাক্সেস যুক্ত করতে পারে। ফলে তাৎক্ষণিক দেখা যাবে পোর্টফোলিও। এ ছাড়া অ্যাপে একটি নতুন কল বোতাম যুক্ত হতে পারে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় স্টেশনারি ব্যবসায় ধস

ডেস্ক,২২সেপ্টেম্বর:স্টেশনারি ব্যবসা, দেশে নীরব একটি চলমান ব্যবসা। যাতে কোনও শোরগোল নেই, কিন্তু চাহিদা প্রায় সারা বছরই সমান থাকে। করোনাভাইরাসের কারণে ছয় মাস ধরে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় এই ব্যবসাটি প্রায় ধ্বংসের পথে। শুধু তাই নয়, স্টেশনারি পণ্যগুলোর উৎপাদনের সঙ্গে জড়িত অনেকেই এখন বেকার হয়ে পড়েছেন।

রবিবার (২০ সেপ্টেম্বর) সরেজমিনে নীলক্ষেত ও পুরান ঢাকার বাবু বাজারের সৈয়দ হাসান আলী লেনের পাইকারি প্রতিষ্ঠান ও কারখানাগুলো ঘুরে দেখা গিয়েছে, খুব একটা হইচই নেই পাইকারি দোকানগুলোতে। মাঝে মধ্যে দু-এক জন ক্রেতা আসছেন আবার কখনও ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসে থাকছেন দোকান মালিক ও কর্মচারীরা। কারখানাগুলোও কমিয়েছে লোকবল।

দোকান মালিকদের তথ্য মতে, এই স্টেশনারি ব্যবসায়ে পাইকারি দোকানগুলোতে দিনে এক থেকে দেড় লাখ টাকা বিক্রি হতো। আর খুচরো প্রতিষ্ঠানগুলোতে বিক্রি হতো ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকা। কিন্তু করোনার কারণে এখন বিক্রি নেই। বর্তমানে অনেকেই চলছেন ঋণের বোঝা মাথায় নিয়ে। আবার অনেকে দোকান ভাড়াই দিতে পারছেন না। যার ফলে অনেকটাই হতাশা ব্যবসায়ীরা।

নীলক্ষেতের স্টেশনারি ব্যবসায়ী শফিকুল ইসলাম বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘আমরা খুব করুণ অবস্থায় আছি। বর্তমানে প্রতিদিন ১২-১৩শ’ টাকা বিক্রি হয়। নরমাল সময়ে ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকা বিক্রি হতো প্রতিদিন। এই ১২-১৩শ’ টাকা বিক্রি করে আমাদের তেমন কিছুই হয় না। দোকান ভাড়া আছে, আমাদের থাকা-খাওয়ার খরচ আছে, বাসা ভাড়া আছে—এমন একটা অবস্থা খাওয়ার পয়সাই উঠে না, ঘর ভাড়া কোথা থেকে দেবো। বর্তমানে আমরা ঋণগ্রস্ত।’

নীলক্ষেতে আরেক ব্যবসায়ী মমিনুর মিয়া বলেন, ‘৬ মাস ধরে ব্যবসা একেবারেই শেষ। এখন যে দোকানের মালামাল দেখছেন, এগুলো নতুন করে ঋণ নিয়ে কেনা। পুরো মার্কেটের বাকি ব্যবসায়ীদেরও একই অবস্থা এখন। স্কুল-কলেজ না খুললে আমাদের ব্যবসা হয় না, স্কুল কলেজের সঙ্গেই আমাদের ব্যবসা। এখন সেই অপেক্ষাতেই আছি।’

স্টেশনারি ব্যবসার পাইকারি ব্যবসায়ীরা বসে আছেন গোমরা মুখে। করোনার সাধারণ ছুটিতে ২ মাস একেবারেই বন্ধ ছিল পাইকারি ব্যবসায়ের মার্কেট। পরবর্তীতে সরকার সব অফিস আদালত খুলে দেয় সীমিত পরিসরে। তখন থেকে শুরু হয় আবারও স্টেশনারি ব্যবসা। তবে স্টেশনারি ব্যবসা জড়িত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সঙ্গে। যার ফলে ব্যবসা শুরু হলেও শুধুমাত্র ব্যবসা ধরে রাখার জন্য মাসের পর মাস পরিচালনা খরচ বহন করতে হচ্ছে ব্যবসায়ীদের।

পুরান ঢাকার বাবু বাজারের সৈয়দ হাসান আলী লেনের পাইকারি আব্দুর রহমান বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘করোনা পরবর্তী সময়টায় আমাদের খুব খারাপ অবস্থা হয়েছে। ব্যবসা ছিল এককেন্দ্রিক। শুধু অফিস-আদালতে মালামাল সাপ্লাই করি এখনও। অন্যদিকে স্কুল, কলেজ ও ইউনিভার্সিটিতে ব্যাপক মালামাল লাগতো সারা বছর, সেই অংশটা এখনও বন্ধ আছে। করোনার আগে আমাদের প্রতিদিন ৮০ থেকে এক লাখ টাকা বিক্রি ছিল। এখন আমাদের বিক্রি হয় ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকা। এদিকে বিদেশি মালামালের জন্য ঋণের চাপ আছে। আমাদের এখন একটাই চাওয়া, সরকারের কাছে স্কুল-কলেজ খুলে দিলে হয়তো আমাদের ব্যবসা আবার আগের অবস্থায় ফিরে যাবে।’

আরেক ব্যবসায়ীইকরাম হোসেন বলেন, ‘আগে যখন সবকিছু খোলা ছিল তখন অনেক ভালো ব্যবসা হতো। এখন স্কুল বন্ধ, তবে অফিস-আদালত খোলা থাকার কারণে টুকটাক বিক্রি হচ্ছে। এতে করে দোকান ভাড়াটা অন্তত দিতে পারছি। আগেই স্কুলের জন্য খাতা, ডায়েরি, ফাইলসহ অনেক কিছু অর্ডার হতো। এখন এগুলো বিক্রি বন্ধ, সেইসঙ্গে কাজও বন্ধ আছে। আগে ডেইলি এক থেকে দেড় লাখ টাকা বিক্রি হতো, এখন হয় ২০-৩০ হাজার টাকা । বর্তমান অবস্থায় ব্যবসায় কোনও লাভ হচ্ছে না।’

উৎপাদনকারী ইউসুফ আহমেদ বলেন, ‘এই এলাকায় সব মিলিয়ে প্রায় লাখ খানেক কর্মী স্টেশনারি পণ্য উৎপাদনে কাজ করে। কিন্তু সেই কর্মী সংখ্যা এখন প্রায় ৬০ হাজার। বাকিদের বাধ্য হয়ে কাজ থেকে অব্যাহতি দিতে হয়েছে। কারণ নিয়মিত ইনকাম ছাড়া তাদের বেতন দেওয়া আমাদের পক্ষে সম্ভব না।’

তার দেওয়া তথ্যের সত্যতা মিলেছে স্টেশনারি উৎপাদনকারী কারখানাগুলো ঘুরে। স্টেশনারি পণ্যের উৎপাদনের সঙ্গে জড়িত থাকা কর্মীর সংখ্যা কমেছে। মাসের পর মাস বেতন দিতে না পারায় মালিকরা আর কর্মীদের ধরে রাখতে পারেনি। বাধ্য হয়ে অনেক কর্মীকেই অব্যাহতি দিতে হয়েছে কাজ থাকে। প্রতিটি ১০ জন কর্মীর কারখানায় লোকবল কমেছে বর্তমানে ৫০ থেকে ৬০ শতাংশ।

ফাইলবক্স তৈরি কারখানার মালিক উজ্জ্বল সরকার বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘বাবা কী করবো, এখন তো সবাইকে বেতন দিতে পারি না। অর্ডার কম। দীর্ঘ দিন ধরে আমার এই কারখানাটিতে ১০ জন শ্রমিক কাজ করতো। করোনায় দুই মাস বন্ধ ছিল। এখন অর্ডার নাই বললেই চলে। মাত্র ৩ জন নিয়ে কারখানা চালাই। তারপরও অপেক্ষা করতে হয় আরেক অর্ডারের জন্য। আর আগে ১০ জনেও কাজ শেষ করতে পারতাম না।’

স্টেশনারি ব্যবসায়ের সঙ্গে সংশ্লিষ্টরা এখন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার অপেক্ষায়। তাদের আশা স্কুল-কলেজ খুললেই ব্যবসা আবার ঘুরে দাঁড়াবে। মেশিনের শব্দে কারখানা হবে মুখর, আর পাইকারি প্রতিষ্ঠানগুলো আবার জমজমাট হয়ে উঠবে।


Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

শপথ নিলেন পিএসসির নবনিযুক্ত চেয়ারম্যান

ঢাকা,২২ সেপ্টেম্বর: শপথ নিয়েছেন সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) চেয়ারম্যান মো. সোহরাব হোসাইন।

সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) বিকেলে সুপ্রিম কোর্ট জাজেস লাউঞ্জে তাকে শপথবাক্য পাঠ করান প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন।

অবসরপ্রাপ্ত সিনিয়র সচিব সোহরাব হোসাইনকে গত ১৬ সেপ্টেম্বর পিএসসির চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ দেয় সরকার।

পিএসসির চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ সাদিকের বয়স ৬৫ বছর পূর্ণ হওয়ায় গত ১৭ সেপ্টেম্বর অবসরে যান। মোহাম্মদ সাদিকের স্থলাভিষিক্ত হচ্ছেন সোহরাব হোসাইন।

সোহরাব হোসাইনের নিয়োগের আদেশে বলা হয়েছে, রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশের সংবিধানের ১৩৮(১) অনুচ্ছেদে প্রদত্ত ক্ষমতাবলে সোহরাব হোসাইনকে তার অভোগকৃত অবসরোত্তর ছুটি ও তৎসংশ্লিষ্ট সুবিধা স্থগিতের শর্তে জনস্বার্থে পিএসসির চেয়ারম্যান পদে নিয়োগ প্রদান করেছেন।

তিনি দায়িত্বভার গ্রহণের তারিখ থেকে পরবর্তী পাঁচ বছর মেয়াদে বা তার বয়স ৬৫ বছর পূর্ণ হওয়া- এর মধ্যে যা আগে ঘটে, সে সময় পর্যন্ত কমিশনের চেয়ারম্যান পদে দায়িত্ব পালন করবেন।

মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগে দায়িত্বে থাকাবস্থায় ২০১৯ সালের ৩১ ডিসেম্বর সিনিয়র সচিব মো. সোহরাব হোসাইন অবসরোত্তর ছুটিতে যান।

২০১৩ সালের ১৩ ডিসেম্বর সোহরাব হোসাইনকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব নিয়োগ দেয় সরকার। পরে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ এবং কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগ সৃজন করা হলে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের দায়িত্ব পান সোহরাব হোসাইন। শিক্ষা সচিব হিসেবে যোগদানের আগে বিসিএস প্রশাসন একাডেমির রেক্টর হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন সোহরাব।

১৯৮৪ ব্যাচের প্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তা সোহরাব হোসাইন এর আগে জনপ্রশাসন ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে অতিরিক্ত সচিববের দায়িত্ব পালন করেন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যলয়ের বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের ছাত্র সোহরাব হোসাইন আওয়ামী লীগ সরকারের প্রথম দফার আমলে শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদের একান্ত সচিবের (পিএস) দায়িত্বে ছিলেন।

ছাত্রজীবন থেকেই তিনি বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাংস্কৃতিক দল ও নাট্যচক্রের সদস্য ছিলেন। তিনি বাংলা একাডেমির আজীবন সদস্য।

সোহরাব হোসাইন ১৯৬১ সালে নোয়াখালীর চাটখিল উপজেলায় জন্মগ্রহণ করেন।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

সফটওয়্যার ‘আইবাস++’আপগ্রেড হলেই প্রাথমিক শিক্ষকদের উচ্চধাপে বেতন

ঢাকা,২২ সেপ্টেম্বর: সরকারি কর্মচারীদের বেতন-ভাতা নির্ধারণে সফটওয়্যার ‘আইবাস++’ আপগ্রেড হলেই প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকরা উচ্চধাপে বেতন পাবেন বলে জানিয়েছে সরকার।

সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এ সফটওয়্যার আপগ্রেড অতিদ্রুত হবে।

মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকদের বেতন গ্রেড-১৪ (প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত) এবং বেতন গ্রেড-১৫ (প্রশিক্ষণবিহীন) থেকে বেতন গ্রেড-১৩ তে উন্নীত করে উচ্চধাপে নির্ধারণ করা হয়েছে।

‘বর্তমানে সরকারি কর্মচারীদের বেতন-ভাতা নির্ধারিত সফটওয়্যার ‘আইবাস++’ এর মাধ্যমে সম্পন্ন করা হয়। প্রাথমিক শিক্ষকদের উচ্চধাপে বেতন নির্ধারণের লক্ষ্যে ‘আইবাস++’ সফটওয়্যার আপগ্রেডের কাজ চলছে, যা শিগগিরই সম্পন্ন হবে। ’

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, মাঠ পর্যায়ে ‘আইবাস++’ এ বেতন নির্ধারণে সাময়িক অসুবিধার বিষয়টি তাদের দৃষ্টিগোচর হয়েছে। আশা করা হচ্ছে, অতিদ্রুত ‘আইবাস++’ আপগ্রেড সম্পন্ন হবে ও প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকরা উচ্চধাপে বেতন পাবেন।

জনসংযোগ কর্মকর্তা রবীন্দ্রনাথ রায় জানান, চলতি বছরের ৯ ফেব্রুয়ারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকদের বেতন জাতীয় বেতন গ্রেড উন্নীত করে সরকার। বেতনগ্রেড উন্নীত করা হলেও বেতন ‘ফিক্সেশন’ করার সময় অনেকের বেতন কমে যায়। পরে এ বিষয়টির সমাধান চেয়ে অর্থ সচিবকে চিঠি দেয় মন্ত্রণালয়। অর্থ মন্ত্রণালয় উচ্চতর ধাপে শিক্ষকদের বেতন নির্ধারণের বিষয়ে সম্মতি দেয়।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (বিদ্যালয়) আলমগীর মুহম্মদ মনসুরুল আলম শিক্ষাবার্তাকে বলেন, বেতন গ্রেড উন্নীতের দিন থেকেই নতুন গ্রেড কার্যকর হবে। তবে অর্থ মন্ত্রণালয়ের সফটওয়্যারের কারণে তাদের বেতন ফিক্সেশনে সমস্যা ছিল। বিষয়টি দ্রুতই সমাধান হবে বলে অর্থ মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, গ্রেড উন্নীত হওয়ার তথ্য সফটওয়্যারে ইনপুট দিলে তারা নতুন বেতন কাঠামোর আওতায় আসবেন। তবে কেউই ক্ষতিগ্রস্ত হবেন না। গ্রেড অনুযায়ী তারা বেতন-ভাতাদি ওই দিন থেকেই পাবেন।


Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

ভিপি নুরের বিরুদ্ধে আরও এক মামলা

ঢাকা: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সাবেক সহ-সভাপতি (ভিপি) নুরুল হক নুরের বিরুদ্ধে আরও একটি মামলা হয়েছে। তরুণীকে অপহরণ, এরপর পারস্পরিক সহযোগিতায় ধর্ষণ এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে হেয় প্রতিপন্ন করার অভিযোগ আনা হয়েছে মামলাটিতে।

মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর কোতোয়ালি থানায় ভুক্তভোগী ওই তরুণী নিজেই বাদী হয়ে মামলাটি করেছেন বলে জানা গেছে। এছাড়া তিনিই আগের মামলাটিও করেছেন বলে জানা গেছে। এ মামলায়ও ওই ছয়জনকেই পৃথক পৃথক অভিযোগে আসামি করা হয়েছে।

জানা গেছে, মামলাটিতে দুইটি ধারা উল্লেখ করা হয়েছে। একটি নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন। আরেকটি ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন। এছাড়া মামলাটির ছয় আসামি হলেন, বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক নাজমুল হাসান সোহাগ (২৮), একই সংগঠনের আহ্বায়ক হাসান আল মামুন (২৮), ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সাবেক ভিপি নুরুল হক নুরু (২৫), বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক মো. সাইফুল ইসলাম (২৮), বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদের নাজমুল হুদা (২৫) এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আব্দুল্লাহহিল কাফি (২৩)।

কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান বাংলানিউজকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

মামলায় ঘটনার দিনক্ষণ উল্লেখ করা হয়েছে চলতি বছরের ৯ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যা ৭টা ৪০ মিনিট থেকে রাত সাড়ে ৮টা পর্যন্ত। স্থান উল্লেখ করা হয়েছে, কোতোয়ালি থানা এলাকার সদরঘাট হোটেল অ্যান্ড রেস্টুরেন্ট।

এর আগে সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ওই শিক্ষার্থীর দায়ের করা ধর্ষণ মামলায় নুরসহ এই ছয়জনকে আসামি করা হয়। পরে ওই মামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিলে নামলে ভিপি নুরসহ ছয়জনকে আটক করে পুলিশ। অবশ্য ঘণ্টাখানেকের মধ্যেই তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়।

পুলিশ প্রাথমিকভাবে জানায়, বিক্ষোভ মিছিলের সময় বাধা দিলে তারা পুলিশের ওপর হামলা চালায়। এ কারণেই তাদের আটক করা হয়।


Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

৫৭ ও ৩৯ দিনের দুইটি সংক্ষিপ্ত পাঠ পরিকল্পনা প্রকাশ

নিজস্ব প্রতিবেদক | ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২০
আগামী ৩ অক্টোবর থেকে এবং ১ নভেম্বর থেকে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শ্রেণি কার্যক্রম শুরুর দুইটি আলাদা টার্গেট নিয়েছে সরকার। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে এ দুই সময় থেকে স্কুল কার্যক্রম চালানোর দুইটি আলাদা আলাদা পাঠ পরিকল্পনা প্রকাশ করা হয়েছে। এগুলোর একটিতে ৫৭ দিনের ও একটিতে ৩৯ দিনের সংক্ষিপ্ত পাঠ পরিকল্পনা দেয়া হয়েছে। পাঠ পরিকল্পনা দুটি প্রকাশ করেছে জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি (নেপ)।

একটিতে, ৩ অক্টোবর থেকে স্কুল খোলা সম্ভব হল ২৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাঠ পরিকল্পনা দেয়া হয়েছে। অপরটিতে ১ নভেম্বর থেকে ২৯ ডিসেম্বরের পর্যন্ত প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাঠ পরিকল্পনা দেয়া হয়েছে। মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, সংক্ষিপ্ত এই পাঠ পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা গেলে শ্রেণি মূল্যায়নেরও সুযোগ থাকবে।


Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

সরকারি চাকরি প্রার্থীদের বয়স পাঁচ মাস ছাড়, প্রজ্ঞাপন জারি

নিজস্ব প্রতিবেদক | ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২০

বয়স ৩০ বছর পেরিয়ে যাওয়া প্রার্থীদের চাকরির আবেদনে পাঁচ মাসের বেশি সময় ছাড় দিয়েছে সরকার। ২৫ মার্চ যাদের বয়স ৩০ বছর হবে তারা আগস্ট পরবর্তী সময়ের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে আবেদনের সুযোগ পাবেন। বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এ নির্দেশনা দিয়ে আদেশ জারি করা হয়েছে।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা আদেশে বলা হয়েছে, মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও এর অধীন অধিদপ্তর, পরিদপ্তর, সংস্থা এবং সংবিধিবদ্ধ, স্বায়ত্তশাসিত বা জাতীয়কৃত প্রতিষ্ঠানসমূহ বিভিন্ন ক্যাটাগরি সরকারি চাকরিতে (বিসিএস ব্যতীত) সরাসরি নিয়োগের লক্ষ্যে যথাযথ কর্তৃপক্ষ থেকে ২৫ মার্চের আগে নিয়ােগের ছাড়পত্র গ্রহণসহ সার্বিক প্রস্তুতি সম্পন্ন করা সত্ত্বেও কোভিড-১৯ পরিস্থিতির কারণে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করতে পারেনি, সে সকল দপ্তরের নিয়ােগ বিজ্ঞপ্তিতে ২৫ মার্চ প্রার্থীদের সর্বোচ্চ বয়সসীমা নির্ধারণ করে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের বিষয়ে প্রয়ােজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট সকল মন্ত্রণালয় বা বিভাগকে নির্দেশক্রমে অনুরােধ করা হলাে।

গত ৮ মার্চ প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হয়। এরপর ১৭ মার্চ থেকে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং ২৬ মার্চ থেকে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করে সার্বিক চলাচলও নিয়ন্ত্রণ করে সরকার। পর্যায়ক্রমে অফিস-আদালত-গণপরিবহন চালু হয়। তবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। সংক্রমণ প্রতিরোধ ব্যবস্থা নিয়ে ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হতে চলছে জনজীবন। এ অবস্থায় সরকারি চাকরি প্রত্যাশীদের জন্য সুখবর দিলো সরকার।

এ বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, ২৬ মার্চের পর মার্চ-এপ্রিল-মে-জুন-জুলাই-আগস্ট পর্যন্ত যে সমস্ত মন্ত্রণালয় চাকরির জন্য তাদের বিজ্ঞাপন দেয়ার কথা ছিল কিন্তু দিতে পারেনি তারা আগস্টের পর থেকে বিজ্ঞপ্তি দিচ্ছে। সেই ক্ষেত্রে প্রার্থী যারা থাকবে তাদের জন্য আবেদন চাইবে যে ২৫ মার্চ তাদের বয়স ৩০ বছর হতে হবে। এটুকু দিলে তারা (চাকরি প্রত্যাশী) কনসেশনটা পেয়ে গেল। আবেদনকারীদের জন্য এ সুবিধা গত আগস্ট মাস পর্যন্ত থাকবে জানিয়ে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী বলেন, আগস্টের পর তো নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি যাচ্ছে। সেপ্টেম্বর মাস থেকে যে বিজ্ঞপ্তিগুলো যাচ্ছে ২৫ মার্চ তার ৩০ বছর হয়ে যাবে। তাহলে আর কোনো সমস্যা হবে না।


Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

ননএমপিও শিক্ষকদের এমপিওভুক্তির ক্ষেত্রে শর্ত শিথিল হচ্ছে

ডেস্ক,১৬ সেপ্টেম্বর:
সরকার ঘোষিত এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর যেসব শিক্ষকরা এমপিওভুক্ত হতে পারছিলেন না, তাদের জটিলতা কাটতে যাচ্ছে। এসব প্রতিষ্ঠানে এমপিওভুক্তির ক্ষেত্রে যে শর্ত ছিল- তা শিথিল করতে যাচ্ছে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ।

বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) এনটিআরসিএ এর শিক্ষাতন্ত্র ও শিক্ষামানের সদস্য (যুগ্ম সচিব) ড. কাজী আসাদুজ্জামান বলেন, এনটিআরসিএ থেকে মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের বিষয়টি জানিয়ে চিঠি দেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, দ্বিতীয় নিয়োগ চক্রে নন-এমপিও পদে সুপারিশকৃতদের সুপারিশপত্রে বলা ছিল, নন-এমপিও পদে সুপারিশকৃত প্রার্থীরা কখনো এমপিও সুবিধা দাবি করতে পারবেন না। তবে এ শর্ত বাতিল করা হয়েছে। এখন থেকে এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের এমপিও প্রাপ্তিতে কোনো শর্ত লাগবে না।

জানা গেছে, সরকার ঘোষিত এমপিওভুক্ত আড়াই হাজারের বেশি প্রতিষ্ঠানে দ্বিতীয় নিয়োগ চক্রে এনটিআরসিএর সুপারিশ পাওয়া শিক্ষকরা এমপিওভুক্ত হতে পারছিলেন না। কারণ, তাদের সুপারিশ পত্রে শর্ত ছিল নন-এমপিও পদে সুপারিশপ্রাপ্তরা এমপিও দাবি করতে পারবেন না। যে কারণে শিক্ষকদের এমপিও আবেদন মাঠ পর্যায় থেকে গ্রহণ করা হচ্ছিল না। এ জটিলতার সমাধান দিয়েছে এনটিআরসিএ।

গত অক্টোবরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত বলে ঘোষণা করেন। নতুন এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানের যেসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও পদ নতুন করে এমপিওভুক্ত হয়েছে তাদের ক্ষেত্রে এ শর্ত শিথিলযোগ্য বলে বিবেচিত হবে। প্রচলিত এমপিও নীতিমালার আলোকে তাদের ক্ষেত্রে এমপিওভুক্তর এ শর্ত প্রতিবন্ধকতা তৈরি করবে না। কেবল মাত্র নন-এমপিও চাহিদা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান (যেগুলো এমপিওভুক্ত হয়েছে এবং এমপিও নীতিমালার আলোকে ভবিষ্যতে এমপিওভুক্ত হবে) এবং এনটিআরসিএ কর্তৃক সুপারিশ করা হয়েছিল সেগুলোর ক্ষেত্রে এ শর্ত শিথিলযোগ্য মর্মে বিবেচিত হবে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

প্রাথমিকে ম্যানেজিং কমিটির নীতিমালায় সংশোধন

নিজস্ব প্রতিবেদক,১৬ সেপ্টেম্বর:
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিচালনায় স্কুল ম্যানেজিং কমিটির (এসএমসি) নীতিমালায় সংশোধন আনা হচ্ছে। করোনা পরিস্থিতিতে বিদ্যালয় পরিচালনায় বার্ষিক উন্নয়ন বাবদ অর্থ বরাদ্দ বৃদ্ধি ও ব্যয়ে নতুন নিদের্শনা আসছে। বিদ্যালয়ের পরিবেশ ঝুঁকিমুক্ত রাখতে উন্নয়নের পাশাপাশি মেডিকেল সরঞ্জাম ক্রয়ের নির্দেশনা যুক্ত করা হবে। নীতিমালা সংশোধনে বুধবার প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ে একটি সভা ডাকা হয়েছে বলে জানা গেছে।

করোনা মহামারির মধ্যে স্বাস্থ্যবিধি মেনে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার চিন্তাভাবনা করা হচ্ছে। বিদ্যালয় পরিচালনায় ইতোমধ্যে স্বাস্থ্যবিধি প্রণয়ন করেছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়।

স্বাস্থ্যবিধিতে এসমএসির জন্য নানা ধরনের কার্যক্রম উল্লেখ করা হয়েছে। তার মধ্যে তাপমাত্রা পরিমাপ করতে থার্মোমিটার ক্রয়, পানির ব্যবস্থা, ছেলেমেয়েদের জন্য পৃথক শৌচাগার স্থাপন বা সম্প্রসারণ করা, মেয়েদের ঋতুকালীন স্বাস্থ্য সুরক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা, খোলার আগে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণসহ শ্রেণিকক্ষ ও টয়লেটসমূহ স্বাস্থ্যসম্মত ও জীবাণুমুক্ত করা। এ লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় জীবাণুনাশক, সাবানসহ অন্যান্য পরিচ্ছন্নতা উপকরণ সংগ্রহ ক্রয় করতে বলা হয়েছে।

স্বাস্থ্যবিধিতে বলা হয়েছে, বিদ্যালয় চলাকালীন প্রতি শিফটে অন্তত একবার পরিষ্কার ও জীবাণুমুক্ত করা, প্রতিদিন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান চত্বরের আবর্জনা পরিষ্কার এবং আবর্জনা সংরক্ষণকারী পাত্র জীবাণুমুক্ত করা, প্রতিবার টয়লেট ব্যবহারের পরে অবশ্যই সাবান দিয়ে হাত জীবাণুমুক্ত করতে শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও পরিচ্ছন্নতাকর্মীকে যথাযথ প্রশিক্ষণ প্রদান ও সচেতন করে তোলা, কেউ অসুস্থ হলে বিদ্যালয়ে উপস্থিতি থেকে বিরত রাখা, অসুস্থ সন্তানকে বিদ্যালয়ে না পাঠানাের জন্য অভিভাবকদের অনুরোধ করা, অসুস্থতাজনিত অনুপস্থিতির কারণে কোনো শিক্ষার্থী যেন শ্রেণি মূল্যায়নে ক্ষতিগ্রস্ত না হয় সে বিষয়ে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

বিদ্যালয়ে শিক্ষক, কর্মচারী ও শিক্ষার্থীদের বাধ্যতামূলক মাস্ক ব্যবহার করতে বলা হয়েছে। প্রতিনিয়ত সাবান দিয়ে হাত পরিষ্কারসহ অন্যসব স্বাস্থ্যবিধি আবশ্যিকভাবে মানতে বলা হয়েছে। হাঁচি-কাশি দেয়ার সময় মুখ ও নাক ঢাকতে টিস্যু বা কনুই ব্যবহার করতে হবে। এসব বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা গ্রহণ করতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি অভিভাবকদের মাঝে লিফলেট, পোস্টার ও সামাজিক যোগাযােগ মাধ্যম ব্যবহার করে সচেতন করতে বলা হয়েছে।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে জানা গেছে, করোনা পরিস্থিতির মধ্যে বিদ্যালয়ের ক্লাস কার্যক্রম পদ্ধতি বদলে যাবে। সকল সরকারি বিদ্যালয়ে স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করতে থার্মোমিটার, মাস্ক, সাবান, জীবাণুনাশক উপাদান ক্রয়সহ পোস্টার, লিফলেট তৈরি করতে হবে। বিষয়গুলোত এসএমসি নীতিমালায় অন্তর্ভুক্ত করা হবে

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

ভারতে করোনায় আক্রান্ত ৫০ লাখ ছাড়াল

ডেস্ক,১৬ সেপ্টেম্বর:
ভারতে করোনাভাইরাসে (কোভিড-১৯) আক্রান্তের সংখ্যা ৫০ লাখ ছাড়িয়েছে। আর দেশটিতে করোনায় মৃত্যু হয়েছে ৮২ হাজারের বেশি মানুষের।

করোনায় আক্রান্তের দিক দিয়ে বিশ্বে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে ভারত। গত ২৪ ঘণ্টায় ভারতে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৯০ হাজার ১২৩ জন। এ নিয়ে সেখানে মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫০ লাখ ২০ হাজার ৩৬০ জন। খবর এনডিটিভির

২৪ ঘণ্টায় ভারতে মৃত্যু হয়েছে ১ হাজার ২৯০ জনের। এখন পর্যন্ত একদিনে এটিই সর্বোচ্চ মৃত্যু। এ নিয়ে মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৮২ হাজার ৬৬ জনে।

দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ভারতে করোনা থেকে সুস্থতার হারও বেশি। এখন পর্যন্ত সেখানে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৩৯ লাখ ৪২ হাজার ৩৬০ জন।

জন্স হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ্যানুযায়ী, করোনায় আক্রান্ত ও মৃত্যুর দিক দিয়ে বিশ্বে সবার ওপরে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটিতে ইতোমধ্যে করোনায় মৃত্যুর সংখ্যা ১ লাখ ৯৫ হাজার ছাড়িয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ৬৬ লাখ ৫ হাজার ৭৩৩ জন।

তৃতীয় অবস্থানে থাকা লাতিন আমেরিকার দেশ ব্রাজিলে এখন পর্যন্ত করোনায় ৪৩ লাখ ৮২ হাজার ২৬৩ জন আক্রান্ত হয়েছে। মৃত্যু হয়েছে ১ লাখ ৩৩ হাজার ১১৯ জনের।

বুধবার সকাল পর্যন্ত বিশ্বে করোনায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২ কোটি ৯৫ লাখ ৭১ হাজার ৩৩৩ জন। মৃতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৯ লাখ ৩৪ হাজার ৯৮৬ জন।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

মিড ডে মিল প্রশিক্ষণে কতজন বিদেশ যাবেন, জানা নেই প্রতিমন্ত্রীর

নিজস্ব প্রতিবেদক,১৬ সেপ্টেম্বর:
প্রাথমিক বিদ্যালয়ের স্কুল ফিডিং কার্যক্রম আরও উন্নত করতে কিছু কর্মকর্তাকে বিদেশ পাঠানো হবে। তবে কতজনকে বিদেশ পাঠানোর প্রস্তাব করা হয়েছে সে তথ্য জানা নেই প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেনের।

মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) মন্ত্রণালয়ে কর্মকর্তাদের বিদেশ ভ্রমণের বিষয়ে জানতে চাইলে প্রতিমন্ত্রী বলেন, “সারাদেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ‘মিড ডে মিল’ প্রকল্পের আওতায় শিক্ষার্থীদের দুপুরের খাবার হিসেবে স্বাস্থ্যসম্মত খিচুড়ি খাওয়ানো হবে। বর্তমানে দেশের ১৬টি উপজেলা পাইলটিং হিসেবে প্রায় এক হাজার বিদ্যালয়ে তিনদিন দুপুরে রান্না করা খিচুড়ি শিক্ষার্থীদের খাওয়ানো হচ্ছে। এটি সারাদেশে চালু করতে ১৯ হাজার ২৯০ কোটি টাকার একটি প্রকল্প প্রস্তাবনা অনুমোদনের জন্য পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে।”

প্রস্তাবনায় বিদেশ সফরে ৫০০ কর্মকর্তাকে খিচুড়ি রান্না ও পরিবেশন শিখতে বিদেশ পাঠানোর প্রস্তাবের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘প্রকল্প পরিকল্পনায় কতজন কর্মকর্তাকে বিদেশ পাঠানোর প্রস্তাব করা হয়েছে, তা আমার জানা নেই। তবে যেসব দেশের প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মিড ডে মিল কার্যক্রম চালু রয়েছে সেখানে কিছু কর্মকর্তাকে দেখে আসার জন্য পাঠানো হবে। আমরা শুধু প্রস্তাব পাঠিয়েছি, সেটি বিচার-বিবেচনা করে অনুমোদনের দায়িত্ব পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় ও একনেক সভার সদস্যদের হাতে। তারা যেটি পাস করবেন, সেটি বাস্তবায়ন হবে।’

এদিকে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে জানা গেছে, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর (ডিপিই) প্রাথমিকভাবে ৫০ কর্মকর্তার বিদেশ যাত্রার জন্য পাঁচ কোটি টাকা চেয়েছে। এছাড়া দেশেই প্রশিক্ষণের জন্য আরও ১০ কোটি টাকা চাওয়া হয়েছে। প্রস্তাবিত এই রান্না করা খাবার বিতরণ কর্মসূচির জন্য ব্যয় ধরা হয়েছে ১৯ হাজার ২৮৩ কোটি টাকা। এর আওতায় পাঁচ বছর ধরে প্রায় এক কোটি ৪৮ লাখ শিক্ষার্থীকে পুষ্টিকর বিস্কুট ও রান্না করা খিচুড়ি দেয়া হবে। ৫০৯টি উপজেলার শিক্ষার্থীরা এ খাবার পাবে।

তবে পরিকল্পনা কমিশন এই প্রকল্পের নানাবিধ ব্যয় কমাতে বলেছে। বিদেশ সফরের জন্য দুটি দলে অল্প সংখ্যক কর্মকর্তাকে পার্শ্ববর্তী দেশে পাঠাতে বলা হয়েছে। এছাড়া দেশেও এ ধরনের প্রশিক্ষণের বিষয়ে যৌক্তিকতা কী জানতে চেয়েছে।

পরিকল্পনা কমিশন জানিয়েছে, প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এ ধরনের খাবার বিতরণ নতুন নয়। ডিপিই দীর্ঘদিন ধরে এ ধরনের কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে।

এদিকে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব আকরাম-আল-হোসেন জানিয়েছেন, খিচুড়ি রান্নার প্রশিক্ষণের জন্য নয়, অন্যান্য দেশ স্কুলে মিড ডে মিল (দুপুরের খাবার) কীভাবে বাস্তবায়ন করে, সেক্ষেত্রে অভিজ্ঞতা অর্জনে বিদেশে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। তবে এক্ষেত্রে মোট প্রকল্পের অতি অল্প অর্থ ব্যয় ধরা হয়েছে। এ অর্থ ব্যয় কোনো অপচয় নয় বরং অভিজ্ঞতা অর্জনে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থাটা রাখা হয়েছে।

জানা গেছে, পরিকল্পনা কমিশন প্রকল্পের ৫০০ কর্মকর্তাদের বিদেশ যাওয়াসহ বেশকিছু অপ্রয়োজনীয় খরচ চিহ্নিত করেছে। সূত্র জানায়, এ প্রকল্পে সামাজিক সংহতির জন্য সাড়ে সাত কোটি এবং পরামর্শকের জন্য ছয় কোটি টাকা ব্যয়ের প্রস্তাব করা হয়েছে। এছাড়া আট লাখ টাকা দিয়ে একটি এসি ও দুই কোটি টাকা দিয়ে ফার্নিচার ক্রয়ের বিষয়েও আপত্তি তুলেছে। মিটিং, সেমিনার ও ওয়ার্কশপের জন্য আরও পাঁচ কোটি টাকা চেয়েছে ডিপিই।

ওই প্রকল্পের আওতায় ১৭ হাজার ১৮৬ কোটি টাকা খাবার ক্রয়ের জন্য বরাদ্দ রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে। এছাড়া খাবার সরবরাহের জন্য ১৭ কোটি এবং প্লেট কেনার জন্য ১১৩ কোটি ৫৪ লাখ টাকা বরাদ্দ রাখার কথা বলা হয়েছে। এ ব্যয় মূল্যায়ন ছাড়াই কমানো সম্ভব বলে মনে করছে পরিকল্পনা কমিশন।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

প্রাথমিকের দফতরিরা রাজস্ব খাতে যাচ্ছে।

নিজস্ব প্রতিবেদক,১৬ সেপ্টেম্বর:

দেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দফতরি কাম প্রহরীদের চাকরি রাজস্ব খাতে নিতে চায় প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর (ডিপিই)। এজন্য প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিবকে এ প্রস্তাব দিয়ে চিঠি দিয়ে গেছেন সদ্য সাবেক মহাপরিচালক মো. ফসিউল্লাহ্। গত সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) শেষ কর্ম দিবসে এ চিঠি দেন তিনি।

জানা গেছে, আউটসোর্সিংয়ের মাধ্যমে নিয়োগ দেওয়া দফতরি কাম প্রহরীরা আন্দোলন করলে রাজস্ব খাতে পদ সৃষ্টির জন্য প্রস্তাবটি পাঠানো হয়। এতে বলা হয়েছে, সরকারি ভবন, মেশিনারিজ, ল্যাপটপ, স্থাপনা, মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর ও ইকুইপমেন্ট রক্ষণাবেক্ষণে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে রাজস্ব খাতে সৃষ্ট ৬৮৪টি ছাড়া অবশিষ্ট ৩৬ হাজার ৯৮৮টি বিদ্যালয়ে দফতরি কাম প্রহরী পদ আউটসোর্সিংয়ের মাধ্যমে সৃষ্টি করা হয়।

ইতোমধ্যে রেজিস্টার্ড বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সরকারীকরণ ও বিদ্যালয়হীন এলাকায় এক হাজার ৫০০ বিদ্যালয় স্থাপন শীর্ষক প্রকল্পে নির্মিত বিদ্যালয় ও পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় পরিচালিত বিদ্যালয়গুলো জাতীয়করণ করায় এ সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়ে ৬৫ হাজার ৫৫৩টিতে উন্নীত হয়েছে।

এসব বিদ্যালয়ে ‘দফতরি কাম প্রহরী’ পদগুলোকে রাজস্ব খাতে মোট ৬৪ হাজার ৮৪৩টি পদ সৃষ্টির জন্য জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের নির্ধারিত চেকলিস্ট অনুযায়ী গত ২২ আগস্ট প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে মন্ত্রণালয় থেকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠানো হয়।

এ বিষয়ে সদ্য বিদায় নেয়া প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালক মো. ফসিউল্লাহ্ বলেন, ‘দেশের সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দফতরি কাম প্রহরীদের চাকরি রাজস্ব খাতে নেওয়ার বিষয়টি পুনর্বিবেচনার জন্য চিঠি দিয়েছি।’

এদিকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে গত ২৩ ফেব্রুয়ারি এ পদটি ‘সেবা গ্রহণ নীতিমালা, ২০১৮’ এর তফশিলভুক্ত হওয়ায় রাজস্ব খাতে সৃষ্টির সুযোগ নেই বলে দেয়। পরে গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে ১৯ মার্চ পাঠানো চিঠির পরিপ্রেক্ষিতে তা জানায় জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।

এ সংক্রান্ত চিঠিতে বলা হয়, দফতরি কাম প্রহরী পদে অর্থ মন্ত্রণালয়ের জারিকৃত আউটসোর্সিং নীতিমালা অনুযায়ী জনবল নিয়োগ না করে গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে ২০১২ সালের ৯ ডিসেম্বরের অনুমোদিত নীতিমালা অনুযায়ী আউট সোর্সিংয়ের মাধ্যমে নিয়োগ করা হয়।

এ অবস্থায় অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা নীতিমালা অনুযায়ী জনবল নিয়োগ না করে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জারি করা নীতিমালা অনুযায়ী দফতরি কাম প্রহরী পদে নিয়োগ করা হয়েছে। এজন্য রক্ষণাবেক্ষণের বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করে ৬৪ হাজার ৮৬৯টি দফতরি কাম প্রহরী পদ রাজস্ব খাতে সৃষ্টির প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণে অনুরোধ করা হয়েছে।

Facebooktwitterlinkedinrssyoutubemailby feather

Responsive WordPress Theme Freetheme wordpress magazine responsive freetheme wordpress news responsive freeWORDPRESS PLUGIN PREMIUM FREEDownload theme free

hit counter