টপ খবর

কারিগরি শিক্ষা বাধ্যতামূলক হবে : শিক্ষামন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক,২৪ জুন:
শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি জানিয়েছেন, ২০২১ সাল থেকে দেশের সব স্কুলে কারিগরি শিক্ষা বাধ্যতামূলক করা হবে। ৬ষ্ঠ থেকে ৮ম শ্রেণি পর্যন্ত কারিগরি শিক্ষার একটা বিষয় বাধ্যতামূলক করা হবে। প্রতিটি স্কুলে কমপক্ষে দু’টি ট্রেড থাকবে। দু’টির যে কোনো একটি ট্রেডে পারদর্শী হবে।’


রোববার ঢাকা বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ের আয়োজনে মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে ‘স্থানীয় পর্যায়ে টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট (এসডিজি) বাস্তবায়ন’ বিষয়ক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা জানান শিক্ষামন্ত্রী।

দীপু মনি বলেন, ‘যদি কোনো শিক্ষার্থী উচ্চতর শিক্ষা না নিতে পারে তাহলে সে যেন বেকার না থাকে এ জন্য কারিগরি শিক্ষা চালুর পরিকল্পনা করছে সরকার। এসডিজির ১৭টি লক্ষ্যের সবগুলোর সঙ্গই শিক্ষা জড়িত। শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়নে সরকার সংস্কারমূলক কার্যক্রম শুরু করছে। আমাদের সৃজনশীল পদ্ধতির মধ্যেও এক ধরনের কড়াকড়ি আছে, সরকার এ কড়াকড়ি দূরীকরণে কাজ করে যাচ্ছে। ভবিষ্যতে শিক্ষা বাজেট আরও বৃদ্ধি করতে হবে।’

অনুষ্ঠানে নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেন, ‘নির্ধারিত সময়ের অনেক আগেই বাংলাদেশ এসডিজি অর্জন করবে। আমাদের মনে রাখতে হবে-উন্নয়ন মানে পকেটভর্তি টাকা নয়; উন্নয়ন হলো জীবনযাত্রার উন্নয়ন এবং আইন মানার সংস্কৃতি তৈরি করা।’

পরিকল্পনা কমিশনের সিনিয়র সচিব ড. শামসুল আলম বলেন, ‘বাংলাদেশ এসডিজি অর্জনে অন্যান্য দেশের চেয়ে তুলনামূলক অনেক এগিয়ে আছে। এসডিজি খুবই জটিল ও বহুমুখী। অনেক কিছু আমাদের সঙ্গে প্রাসঙ্গিকও না। আমাদের মতো করে এগিয়ে যেতে হবে। এমডিজি অর্জনে সাফল্যের দিক দিয়ে বাংলাদেশ প্রথম ১৬টি দেশের মধ্যে অন্যতম। বাংলাদেশ এমডিজি অর্জনে ১০টি পুরস্কার পেয়েছে।’

ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার মোহাম্মদ জয়নুল বারীর সভাপতিত্বে কর্মাশালায় আরও বক্তব্য দেন সাংবাদিক শ্যামল দত্ত, মঞ্জুরুল আহসান বুলবুল প্রমুখ। কর্মশালায় উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিভাগের বিভিন্ন জেলা-উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

দর্শনা আজমপুর স্কুলে মিড ডে মিল

দর্শনা অফিস ঃ দৈনিক মাথাভাঙ্গা পত্রিকার দর্শনা ব্যুরো প্রধান হারুন রাজুর একমাত্র ছেলে সামিউর রশিদ-তনতু ৮ম জন্মদিন ছিলো গতকাল ২৩ জুন।



জন্মদিন উপলক্ষে দর্শনা আজমপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দুপুরে শিক্ষার্থীদের খাবারের আয়োজন করা হয়। এর আগে সকালে শিক্ষার্থীদের মিষ্টি মুখ ও দোয়া অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। শিক্ষার্থীদের দুপুরের খাবারের আগে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যকালে দামুড়হুদা উপজেলা চেয়ারম্যান আলী মুনসুর বাবু বলেন, জন্মদিন পালনে শির্ক্ষাথীদের খাওয়ানোর আয়োজন খুবই প্রসংশার যোগ্য। সমাজের সকলে যদি সাধ্যমতো এ ধরণের আয়োজন করা হয় তাহলে বিদ্যালয়মুখি হবে শিক্ষার্থীরা। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, দর্শনা পৌর প্যানেল মেয়র রবিউল হক সুমন, আ. জব্বার, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক স্বরুপ দাস, সহকারি শিক্ষক হাজি আ. হামিদ, আতিকুর রহমান টিপু, সরদার পিয়ারি খানম, যুবলীগনেতা ফয়সাল, আসাদুল, ছাত্রলীগনেতা অপু সরকার, মোহাম্মদ প্রমুখ। পরে বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের পক্ষ থেকে তনতুর জন্মদিনের কেক কাটা হয়।।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

প্রাথমিক শিক্ষকদের নতুন সুখবর

নিজস্ব প্রতিবেদক,১৩ জুন্:
প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার মান বাড়াতে বিষয়ভিত্তিক শিক্ষক নিয়োগের সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। আগামী জুলাই মাস থেকে এ কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হবে বলে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়েছে।



জানা গেছে, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিকসহ উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বিষয়ভিত্তিক শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হলেও প্রাথমিক স্তরে একজন শিক্ষককে সব বিষয় পড়াতে হচ্ছে। এ কারণে বিষয় অনুযায়ী দক্ষ শিক্ষক গড়ে তোলা এবং প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করা সম্ভব হচ্ছে না। কোনো মতে চলে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাঠদান কার্যক্রম।

বিষয়টিকে আমলে নিয়ে বর্তমানে বিষয়ভিত্তিক শিক্ষক তৈরির সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব আকরাম আল হোসেন বলেন, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বিষয়ভিত্তিক শিক্ষক তৈরি করা হবে। প্রশিক্ষণের মাধ্যমে বাংলা, ইংরেজি ও অংকের শিক্ষক তৈরি করা হবে। বর্তমানে যেসব শিক্ষক কর্মরত রয়েছেন, তাদের বাড়তি প্রশিক্ষণ দিয়ে বিশেষ একটি বিষয়ে পারদর্শী করা হবে। এরপর তারা সম্পূরক বিষয়ে ক্লাস নেবেন। তবে বিজ্ঞানের জন্য আলাদা শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হবে। এ কারণে শিক্ষক নিয়োগ নীতিমালায় আলাদাভাবে বিজ্ঞান বিষয়ের শিক্ষক নিয়োগের বিষয়টি যুক্ত করা হয়েছে।

সচিব বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বিষয়ভিত্তিক শিক্ষক না থাকায় শিক্ষার্থীরা অনেক পিছিয়ে পড়ছে। একজন শিক্ষক সব বিষয়ের ক্লাস নেয়ায় শিক্ষার্থীরা কে, কোন বিষয়ে দুর্বল তা শনাক্ত করা কঠিন হচ্ছে। এর ফলে দুর্বল শিক্ষার্থীরা আরও দুর্বল হয়ে পড়ছে।

তিনি বলেন, এসব বিষয়কে গুরুত্ব দিয়ে তিন ক্যাটাগরিতে বিভিন্ন বিষয়ে অভিজ্ঞ শিক্ষক তৈরির জন্য প্রশিক্ষণ কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। এর মাধ্যমে বাংলা, সমাজ ও ধর্ম বিষয়ে একজন, বিজ্ঞান বিষয়ে একজন ও ইংরেজি বিষয়ে একজন করে শিক্ষক তৈরি করা হবে।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে জানা গেছে, সারাদেশে বর্তমানে ৬৫ হাজারের বেশি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। যাতে প্রাক-প্রাথমিক থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত প্রায় আড়াই কোটি শিক্ষার্থী পড়ালেখা করছে। আর এসব বিদ্যালয়ে শিক্ষক আছেন প্রায় সাড়ে তিন লাখ। তাদের প্রশিক্ষণের জন্য ইতোমধ্যে ৫৫টি জেলায় প্রাথমিক শিক্ষক প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট (পিটিআই) গড়ে তোলা হয়েছে। সেখানে শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ দিয়ে অভিজ্ঞ করে তোলা হয়ে থাকে।

কর্মকর্তারা জানান, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রাক-প্রাথমিকে একটি, প্রথম থেকে দ্বিতীয় শ্রেণি পর্যন্ত ২টি এবং ৩য় থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত মোট পাঁচটি বিষয় পড়ানো হয়। এসব বিদ্যালয়ে কর্মরত শিক্ষকদের তিন ক্যাটাগরিতে প্রশিক্ষণ দেয়া হবে। বাংলা শিক্ষক বাংলা, সমাজ ও ধর্ম, ইংরেজি বিষয়ের শিক্ষক ইংরেজি ও বিজ্ঞান বিষয়ের শিক্ষক বিজ্ঞান বিষয় পড়াবেন।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বর্তমানে বিষয়ভিত্তিক শিক্ষক তৈরিতে ৫৫টি পিটিআইয়ের মাধ্যমে শিক্ষকদের বিশেষ প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়েছে। যিনি যে বিষয় পড়াতে আগ্রহী হবেন তাকে সে বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেয়া হচ্ছে। বিষয়ভিত্তিক শিক্ষক তৈরিতে শিক্ষকদের মাসব্যাপী প্রশিক্ষক দেয়া হবে। যেসব জেলায় এখনও পিটিআই গড়ে তোলা হয়নি পার্শ্ববর্তী জেলায় (যেখানে পিটিআই রয়েছে) তাদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হবে। পাশাপাশি অর্ধশত পিটিআই প্রশিক্ষককে (ইন্সট্রাকটর) ব্রিটিশ কাউন্সিল থেকে ইংরেজি বিষয়ের ওপর প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে। যারা ইংরেজি পড়াতে আগ্রহী তাদের বাড়তি প্রশিক্ষণের মাধ্যমে এ বিষয়ে পড়ানোর ওপর অভিজ্ঞ করে তুলবেন। এভাবে তিন ক্যাটাগরিতে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বিষয়ভিত্তিক তৈরি করা হবে।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব আকরাম আল হোসেন বলেন, প্রাথমিকে বিষয়ভিত্তিক শিক্ষক তৈরি হলে বাংলা, ইংরেজি ও অংকে শিক্ষার্থীদের দুর্বলতা কমে যাবে। প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত একজন শিক্ষক একই বিষয়ে পাঠদান করবেন। এর ফলে কোন শিক্ষার্থী কোন বিষয়ে দুর্বল- শিক্ষক তা সহজেই শনাক্ত করে বাড়তি ক্লাসের মাধ্যমে তা কাটিয়ে তুলতে সক্ষম হবেন।

তিনি বলেন, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মানসম্মত শিক্ষা প্রতিষ্ঠা ও টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যমাত্রা (এসজিডি)-৪ বাস্তবায়নে আমরা বিভিন্ন উদ্যোগ হাতে নিয়েছি। তার মধ্যে বিষয় ভিত্তিক শিক্ষক কার্যক্রমও রয়েছে। ইতোমধ্যে শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। আগামী জুলাইয়ে এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারির মাধ্যমে তা কার্যকর করা হবে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

জিপিএ ৫ আর থাকছে না

নিজস্ব প্রতিবেদক,১৩ জুন:
আগামী জেএসসি পরীক্ষা থেকে জিপিএ ৫ এর পরিবর্তে কিউমুলেটিভ গ্রেড পয়েন্ট অ্যাভারেজ (সিজিপিএ) ৪ এর মাধ্যমে ফল প্রকাশের উদ্যোগ নিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।
বুধবার আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির বৈঠকে সিজিপিএ পুনর্বিন্যাস করে একটি খসড়া উপস্থাপনের নির্দেশ দেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি।


আন্তঃশিক্ষা বোর্ডের সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মু. জিয়াউল হক বলেন, বৈঠকে জিপিএ ৫-এর পরিবর্তে সিজিপিএ ৪-এর মাধ্যমে ফল প্রকাশে সবাই একমত হয়েছেন। তবে এ ব্যাপারে আমরা বিভিন্ন স্টেকহোল্ডারের সঙ্গে বৈঠক করব। বিশ্বের অন্যান্য দেশের ফল পর্যালোচনা করব। এরপর আগামী এক মাসের মধ্যে সিজিপিএ ৪-এর মাধ্যমে কীভাবে ফল দেওয়া যায় সে ব্যাপারে একটি খসড়া শিক্ষামন্ত্রীর কাছে উপস্থাপন করব। যদি সম্ভব হয় আগামী জেএসসি থেকেই আমরা সিজিপিএ ৪-এর মাধ্যমে ফল প্রকাশ করতে চাই।

বর্তমানে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে সিজিপিএ ৪-এর মাধ্যমে ফল প্রকাশ করা হয়। এ কারণে এসএসসি ও এইচএসসির ফলের সঙ্গে উচ্চতর শিক্ষার ফলের সমন্বয় করতে গিয়ে দেশের চাকরিদাতারা সমস্যায় পড়েন। আর বিদেশে পড়ালেখা ও চাকরির ক্ষেত্রে পড়তে হয় আরও বড় সমস্যায়। কারণ প্রতিনিয়তই বাংলাদেশ থেকে শিক্ষার্থীরা বিদেশে পড়তে যাচ্ছে। তাদের এসএসসি ও এইচএসসি সার্টিফিকেটের সমতা করে তারপর বিদেশে যেতে হয়। এতে অনেক বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে গিয়ে সমস্যায় পড়তে হয়।

বাংলাদেশে ২০০১ সাল থেকে পাবলিক পরীক্ষায় গ্রেড পদ্ধতি চালু হয়। সেখানে ৮০ থেকে ১০০ নম্বর প্রাপ্তদের গ্রেড পয়েন্ট ৫, লেটার গ্রেড এ প্লাস। এটাই সর্বোচ্চ গ্রেড। এরপর ৭০ থেকে ৭৯ নম্বর প্রাপ্তদের গ্রেড পয়েন্ট ৪, লেটার গ্রেড এ। ৬০ থেকে ৬৯ নম্বর প্রাপ্তদের গ্রেড পয়েন্ট ৩.৫০, লেটার গ্রেড এ মাইনাস। ৫০ থেকে ৫৯ নম্বর প্রাপ্তদের গ্রেড পয়েন্ট ৩, লেটার গ্রেড বি। ৪০ থেকে ৪৯ নম্বর প্রাপ্তদের গ্রেড পয়েন্ট ২, লেটার গ্রেড সি। ৩৩ থেকে ৩৯ নম্বর প্রাপ্তদের গ্রেড পয়েন্ট এক, লেটার গ্রেড ডি। আর শূন্য থেকে ৩২ পাওয়া শিক্ষার্থীদের গ্রেড পয়েন্ট জিরো, লেটার গ্রেড এফ। জিপিএ ১ অর্জন করলেই তাকে উত্তীর্ণ হিসেবে ধরা হয়। কোনো বিষয়ে এফ গ্রেড না পেলে চতুর্থ বিষয় বাদে সব বিষয়ের প্রাপ্ত গ্রেড পয়েন্টকে গড় করেই একজন শিক্ষার্থীর লেটার গ্রেড নির্ণয় করা হয়।

বর্তমানে বাংলাদেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে গড়ে সব বিষয়ে ৮০-এর ওপরে নম্বর পেলে সিজিপিএ ৪ ও লেটার গ্রেড হয় ‘এ প্লাস’। এরপর ৭৫ থেকে ৮০-এর মধ্যে সিজিপিএ ৩.৭৫ ও লেটার গ্রেড ‘এ; ৭০ থেকে ৭৫-এর মধ্যে গ্রেড পয়েন্ট ৩.৫০ ও লেটার গ্রেড ‘এ মাইনাস; ৬৫ থেকে ৭০-এর মধ্যে পয়েন্ট ৩.২৫ ও লেটার গ্রেড ‘বি প্লাস; ৬০ থেকে ৬৫-এর মধ্যে পয়েন্ট ৩ ও লেটার গ্রেড ‘বি; ৫৫ থেকে ৬০-এর মধ্যে পয়েন্ট ২.৭৫ ও লেটার গ্রেড ‘বি মাইনাস’; ৫০ থেকে ৫৫-এর মধ্যে পয়েন্ট ২.৫০ ও লেটার গ্রেড ‘সি প্লাস’; ৪৫ থেকে ৫০-এর মধ্যে পয়েন্ট ২.২৫ ও লেটার গ্রেড ‘সি’; ৪০ থেকে ৪৫ নম্বর পেলে পয়েন্ট ২ ও লেটার গ্রেড ‘ডি’ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। আর ৪০-এর কম নম্বর পেলে ফেল, এর লেটার গ্রেড ‘এফ’, এতে কোনো গ্রেড পয়েন্ট নেই।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের প্রশ্নের সমাধান

প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার প্রথম ধাপ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার সকাল ১০টায় শুরু হয় এই পরীক্ষা। আগামী ৩১ মে, ১৪ জুন ও ২১ জুন বাকি ধাপের পরীক্ষা হবে।



Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

প্রাথমিক থেকেই শুরু হবে কম্পিউটার প্রোগ্রামিং শিক্ষা

নিজস্ব প্রতিবেদক,২৫মে:
ভবিষ্যৎ প্রযুক্তির চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় শিশুদের যুক্তিসংগত চিন্তাভাবনা করার সুযোগ দিতে হবে। সৃজনশীলতা তৈরির পাশাপাশি সমস্যা সমাধানের সক্ষমতা অর্জনেও প্রস্তুত করতে হবে। শিশুদের বর্ণমালা ও যোগ-বিয়োগ শেখানোর পাশাপাশি প্রগ্রামিং প্রশিক্ষণও জরুরি। এ জন্য প্রাথমিক স্তর থেকে কম্পিউটার প্রগ্রামিং শিক্ষা দেওয়া হবে। প্রগ্রামার তৈরির পাশাপাশি এটি শিশুর জীবনে বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে কাজে লাগবে, জানিয়েছেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার।


বুধবার কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে আইসিটি বিভাগ ও ইয়াংবাংলার যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত ‘জাতীয় শিশু-কিশোর প্রগ্রামিং প্রতিযোগিতা ২০১৯’-এর প্রশিক্ষক প্রশিক্ষণ কর্মশালার উদ্বোধন করে তিনি আরো জানান, ভবিষ্যতে ডিজিটাল প্রযুক্তির কারণে পেশাগত যে পরিবর্তন আসবে তার প্রতিটির সঙ্গে কোনো না কোনোভাবে প্রগ্রামিংয়ের বিষয়টি যুক্ত থাকবে। এ জন্য জাতীয় পর্যায়ে শিশু-কিশোরদের প্রগ্রামিং প্রতিযোগিতা নিয়মিত করা হবে। উল্লেখ্য, গত বছর দেশে প্রথমবারের মতো শিশু-কিশোর প্রগ্রামিং প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

ঈদের আগে বেতন বোনাস শিক্ষকদের শঙ্কা

নিজস্ব প্রতিবেদক,২৫মে:
ঈদের আগে বেতন বোনাস শিক্ষকরা ওঠাতে পারবে কি না সেটা নিয়ে শঙ্কা দেখা দিয়েছে। এর কারণ হিসেবে বলা হচ্ছে, মে মাসের এমপিওতে অনেক নতুন নতুন শিক্ষক এমপিওভুক্ত হয়েছেন। এর ফলে এমপিওভুক্তের কপি না পেয়ে বিল প্রস্তুত করা সম্ভব নয়।



এ ব্যাপারে শিক্ষক নেতা নজরুল ইসলাম রনি তার ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন।
‘ঈদের আগে বেতন ও ঈদ বোনাস শিক্ষক সমাজ ওঠাতে পারবেনা। এর কারণ মে মাসের এমপিও’তে অনেক নতুন নতুন শিক্ষক এমপিওভুক্ত হয়েছেন। এমপিওভুক্তের কপি না পেয়ে বিল প্রস্তুত করা সম্ভব নয়। আর এমপিও’র কপি হয়তো পাওয়া যাবে ৩ জুন। পরের দিন ব্যাংক বন্ধ। বিল প্রস্তুত করে শিক্ষকদের স্বাক্ষর এবং সব শেষে পরিচালনা পর্ষদের সভাপতির স্বাক্ষর। এর পর ব্যাংকে জমা। প্রত্যেক শিক্ষকের একাউন্ট্ এ posting সময়ের ব্যাপার। এমনি করে ঈদ এসে যাবে। হায়রে কপাল।’

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে বাধ্যতামূলক হচ্ছে কারিগরি শিক্ষা

নিজস্ব প্রতিবেদক,২৫মে:

শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছেন, ২০২১ সালের মধ্যে ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে সব শিক্ষার্থীদের কারিগরি শিক্ষা দেয়া হবে। সাধারণ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ মাদরাসাগুলোতেও কারিগরি শিক্ষাযুক্ত করা হবে। যাতে করে সব শিক্ষার্থীদের কারিগরি বিষয়ে অন্ততপক্ষে একটি বা দুটি বিষয়ে জ্ঞান থাকে।


শুক্রবার দুপুরে চাঁদপুর সদর উপজেলায় এক অনুষ্ঠানে যোগদান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি একথা বলেন।

দীপু মনি বলেন, মানুষের আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়ানোর লক্ষ্যে শিক্ষাব্যবস্থায় কারিগরি বিষয়ে অধিক জোর দেয়া হচ্ছে।

তিনি বলেন, শিক্ষা জীবন শেষে শিক্ষার্থীরা যেন উন্নত জীবন পায়, তাদের যেন আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ হয়, সেই কারণে আমরা শিক্ষা ব্যবস্থায় কারিগরির ব্যাপারে অধিক জোর দিচ্ছি। ২০১০ সালে দেশে কারিগরি শিক্ষায় শিক্ষার্থীদের ভর্তির হার ১ ভাগেরও কম ছিল। আমরা বলেছিলাম, ২০২১ সালের মধ্যে তা ২০ ভাগে উন্নতি করব। ইতোমধ্যে কারিগরি শিক্ষায় শিক্ষার্থীদের ভর্তির হার শতকরা ১৬ হয়েছে। আমি বিশ্বাস করি, ২০২১ সালের মধ্যে তা ২০ ভাগে উন্নতি হবে এবং ২০৩০ সালে তা ৩০ শতাংশ গিয়ে দাঁড়াবে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

সব পাবলিক পরীক্ষার ফি দেবে সরকার

নিজস্ব প্রতিবেদক

৬ষ্ঠ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পর্যন্ত সব শিক্ষার্থীর পাবলিক পরীক্ষার ফি, টিউশন ফি, বই কেনা ও উপবৃত্তি দেবে সরকার। এ লক্ষ্যে ১ লাখ ৩৭ হাজার কোটি টাকার প্রকল্প চালু করা হয়েছে। পাঁচ বছর মেয়াদী এসইডিপি প্রকল্পটি বাস্তবায়নে শিক্ষা কর্মকর্তা, প্রধান শিক্ষক, অধ্যক্ষসহ সবার সহযোগিতা চাইলেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মণি।



বৃহস্পতিবার রাজধানীর আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে অনুষ্ঠিত এসইডিপির এক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তৃতাকালে মন্ত্রী এ আহ্বান জানান। কর্মশালায় মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সিনিয়র সচিব সোহরাব হোসাইনসহ মন্ত্রণালয়ের কয়েকজন কর্মকর্তা এবং উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তারা অংশ নেন।
Read More »

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

১৬তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ

নিজস্ব প্রতিবেদক

বেসরকরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নিয়োগের ১৬তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ)। বৃহস্পতিবার এ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়।
প্রার্থীদের ১০০ নম্বরের এমসিকিউ পরীক্ষায় অংশ নিতে হবে। প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় পাস ৪০ বলে গণ্য হবে। পরীক্ষায় মোট ১০০ নম্বর থাকবে। প্রতি শুদ্ধ উত্তরের জন্য এক নম্বর দেয়া হবে। প্রতিটি ভুল উত্তরের জন্য প্রাপ্ত মোট নম্বর হতে শূন্য দশমিক ৫০ নম্বর কাটা হবে।


এর আগে গত ১৯ মে ১৫তম শিক্ষক নিবন্ধন প্রিলিমিনারি পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়েছে। এতে উত্তীর্ণ হয়েছেন ১ লাখ ৫২ হাজার পরীক্ষার্থী। মোট ৮ লাখ ৭৬ হাজার ৩৩ জনের মধ্যে ৮০ শতাংশ পরীক্ষার্থীই অকৃতকার্য হয়েছেন। পাসের হার ২০ দশমিক ৫৩ শতাংশ। মোট পরীক্ষার্থীর প্রায় ৮০ শতাংশ ফেল করেছেন।
Read More »

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

প্রাথমিকের ৯ সেট প্রশ্নপত্র ছাপা হবে পরীক্ষার দিন সকালে

ডেস্ক,২৩মে:
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগের প্রথম ধাপের লিখিত পরীক্ষা আগামীকাল (২৪ মে) অনুষ্ঠিত হবে। প্রশ্নফাঁস রোধে এবার পরীক্ষার দিন সকাল ৮টার মধ্যে প্রশ্নপত্র ছাপানো হবে। পরীক্ষার ৩০ মিনিট আগে তা প্রতিটি কেন্দ্রে পৌঁছে দেয়া হবে বলে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে।



সূত্র জানায়, গত রবিবার প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের (ডিপিই) ওয়েবসাইটে প্রথম ধাপের পরীক্ষার্থীদের প্রবেশপত্র সংযুক্ত করা হয়েছে। পরীক্ষার্থীরা ইউজার আইডি ও পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে প্রবেশপত্র সংগ্রহ করছেন। প্রথম ধাপে মোট ২৫ জেলায় লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

লিখিত পরীক্ষা প্রধম ধাপে ২৪ মে, দ্বিতীয় ধাপে ৩১ মে, তৃতীয় ধাপের পরীক্ষা ২১ জুন এবং চতুর্থ ধাপে ২৮ জুন পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। তিন পার্বত্য জেলা বাদে ৬১ জেলার ২৪ লাখ এক হাজার ৯১৯ প্রার্থী প্রায় ১২ হাজার পদের বিপরীতে পরীক্ষায় অংশ নেয়ার কথা রয়েছে।
Read More »

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

রাজস্ব কর্মকর্তা হিসেবে আউটসোর্সিংয়ে নিয়োগপাবে ১০হাজার শিক্ষার্থী

ডেস্ক,২৩মে :
রাজস্ব আদায়ে আউট সোর্স হিসেবে ১০ হাজার শিক্ষার্থীকে নিয়োগ দেয়া হবে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। তিনি বলেন, আমাদের অর্থনীতির আকার অনুযায়ী যে রাজস্ব আদায় হয় তা প্রায় অর্ধেক। রাজস্ব আদায় বাড়াতে এসব জনবল নিয়োগ দেয়া হবে।


গতকাল বুধবার শেরে বাংলা নগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষ অর্থনীতি-বিষয়ক সাংবাদিকদের সংগঠন ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরামের (ইআরএফ) সৌজন্যে ইফতার অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
Read More »

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিগ্রি পাস ও সার্টিফিকেট কোর্সের ফল প্রকাশ

ডেস্ক,২২মে:
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে অনুষ্ঠিত ২০১৬ সালের ডিগ্রী পাস ও সার্টিফিকেট কোর্স (পুরাতন সিলেবাস) পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়েছে। বুধবার (২২ মে) বিকাল ৫টা থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে ফল পাওয়া যাচ্ছে।



সারাদেশের এক হাজার ৬৩৩ টি কলেজের মোট ৬৯৬ টি কেন্দ্রে ৫২ হাজার ৫৪০ জন (নিয়মিত, অনিয়মিত ও মানোন্নয়নসহ) পরীক্ষার্থী এ পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে। উত্তীর্ণের হার ৭৬ দশমিক ৭৭ শতাংশ। পরীক্ষার্থীর ফল বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট (www.nu.ac.bd/results) থেকে এবং যে কোন মোবাইল থেকে মেসেজ অপশনে গিয়ে NU DEG ROLL লিখে ১৬২২২ নম্বরে ঝবহফ করে ফল পাওয়া যাবে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

৫ জন প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের বদলী

নিজস্ব প্রতিবেদক,২২মে:
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের অধীনভূক্ত আরও ৫ উপজেলা শিক্ষা অফিসারের বদলি ও পদায়ন করা হয়েছে। সেই সাথে আরও ৫ ইন্সট্রাক্টরকে বদলি ও পদায়ন করা হয়েছে।



মঙ্গলবার (২১মে) পৃথক পৃথক আদেশ জারি করা হয় প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

প্রথম থেকে দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষাক্রমে পরিবর্তন হচ্ছে

ডেস্ক,২২মে:

প্রাথমিক থেকে উচ্চমাধ্যমিক (দ্বাদশ) স্তরের শিক্ষাক্রমে বড় ধরনের পরিবর্তন আসছে। ইতিমধ্যে শিক্ষাক্রম পরিমার্জনের কাজ শুরু করেছে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি)। ২০২১ সাল থেকে নতুন শিক্ষাক্রমে পাঠ্যবই দেওয়া শুরু হবে। এই পরিবর্তনে দক্ষতাভিত্তিক শিক্ষা গুরুত্ব পাবে।



কী পড়ানো হবে, কেন পড়ানো হবে, কে পড়বে, কারা পড়াবেন, কীভাবে পড়াবেন এবং পড়ার ফলে কী হবে, তার বিস্তারিত দিকনির্দেশনা থাকে শিক্ষাক্রমে। সর্বশেষ ২০১২ সালে প্রাথমিক থেকে উচ্চমাধ্যমিক স্তরের শিক্ষা শিক্ষাক্রম পরিবর্তন করা হয়েছিল। প্রায় সাত বছর পর আবারও শিক্ষাক্রমে পরিবর্তন আনতে যাচ্ছে সরকার। এর ফলে প্রাথমিক থেকে উচ্চমাধ্যমিক পর্যন্ত পাঠ্যবইয়ে পরিবর্তন আসবে। তবে জাতীয় শিক্ষানীতিতে প্রাথমিক শিক্ষাকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত করার কথা থাকলেও বিদ্যমান পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত ধরেই এই স্তরের শিক্ষাক্রমে পরিবর্তন করা হচ্ছে।

প্রাথমিক থেকে উচ্চমাধ্যমিক (দ্বাদশ) স্তরের শিক্ষাক্রমে বড় ধরনের পরিবর্তন আসছে। ইতিমধ্যে শিক্ষাক্রম পরিমার্জনের কাজ শুরু করেছে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি)। ২০২১ সাল থেকে নতুন শিক্ষাক্রমে পাঠ্যবই দেওয়া শুরু হবে। এই পরিবর্তনে দক্ষতাভিত্তিক শিক্ষা গুরুত্ব পাবে।

কী পড়ানো হবে, কেন পড়ানো হবে, কে পড়বে, কারা পড়াবেন, কীভাবে পড়াবেন এবং পড়ার ফলে কী হবে, তার বিস্তারিত দিকনির্দেশনা থাকে শিক্ষাক্রমে। সর্বশেষ ২০১২ সালে প্রাথমিক থেকে উচ্চমাধ্যমিক স্তরের শিক্ষা শিক্ষাক্রম পরিবর্তন করা হয়েছিল। প্রায় সাত বছর পর আবারও শিক্ষাক্রমে পরিবর্তন আনতে যাচ্ছে সরকার। এর ফলে প্রাথমিক থেকে উচ্চমাধ্যমিক পর্যন্ত পাঠ্যবইয়ে পরিবর্তন আসবে। তবে জাতীয় শিক্ষানীতিতে প্রাথমিক শিক্ষাকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত করার কথা থাকলেও বিদ্যমান পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত ধরেই এই স্তরের শিক্ষাক্রমে পরিবর্তন করা হচ্ছে।

শিক্ষাক্রমের পরিবর্তনের কাজটি করছে এনসিটিবি। সেখানকার একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা বলেন, প্রাথমিক স্তরের শিক্ষাক্রম পরিমার্জনের প্রক্রিয়া গত বছরের শেষ দিকে শুরু হয়। আর মাধ্যমিক স্তরের (মাদ্রাসাসহ) কাজটি এ বছরের প্রথম দিকে শুরু হয়।

বর্তমানে প্রাথমিক স্তরে সব মিলিয়ে পাঠ্যবই ৩৩টি এবং মাধ্যমিকে ৭১টি। প্রাথমিক থেকে মাধ্যমিক স্তর পর্যন্ত মোট শিক্ষার্থী ৪ কোটি ৪০ লাখ।

এনসিটিবি সূত্রে জানা গেছে, প্রাথমিকের শিক্ষাক্রম পরিবর্তনের জন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউট সহযোগিতা করছে। এই স্তরের শিক্ষাক্রম পর্যালোচনার জন্য শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের একদল শিক্ষার্থীসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা দেশের ৪৫টি বিদ্যালয়ে টানা তিন মাস কাজ করেন। ইতিমধ্যে প্রাথমিকের শিক্ষাক্রম পর্যালোচনার প্রতিবেদনও তৈরি করা হয়েছে।

এনসিটিবির একজন কর্মকর্তা বলেন, টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রায় (এসডিজি) দক্ষতা অর্জনের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। পরিমার্জিত শিক্ষাক্রমও হবে দক্ষতাভিত্তিক। যেমন একজন শিক্ষার্থী ইংরেজিতে কতটা বলতে পারল বা লিখতে পারল, সেটার ওপর বেশি জোর দেওয়া হবে। এমনিভাবে অন্যান্য বিষয়ভিত্তিক দক্ষতা অর্জন কীভাবে সম্ভব, তা বলা হবে পরিমার্জিত শিক্ষাক্রমে। এ ছাড়া যুগের চাহিদা অনুযায়ী অন্যান্য বিষয়ও অন্তর্ভুক্ত করা হবে।

অন্যদিকে মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষাক্রম পর্যালোচনার জন্য ১৮টি জেলার ৩৬টি উপজেলার ২০০ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে বেছে নেওয়া হয়। পর্যালোচনার কাজে যুক্ত ব্যক্তিরা বিভিন্ন দলে ভাগ হয়ে ওই সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে গিয়ে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, পরিচালনা কমিটির সদস্যসহ স্থানীয় বিভিন্ন পর্যায়ের মানুষের সঙ্গে কথা বলেন। তাঁরা বর্তমান শিক্ষাক্রমসহ বিভিন্ন বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করেন। মাধ্যমিকের তথ্য সংগ্রহের কাজ এ মাসের প্রথম দিকে শেষ হয়েছে। এখন তথ্য বিশ্লেষণের কাজ চলছে। এর ভিত্তিতে প্রতিবেদন তৈরি করা হবে। এরপর পরিমার্জনের কাজটি হবে।

এনসিটিবির সদস্য (শিক্ষাক্রম) অধ্যাপক মো. মশিউজ্জামান বলেন, আগামী বছরের মার্চের মধ্যে শিক্ষাক্রম পরিমার্জনের কাজটি শেষ করা হবে। এরপর পরিমার্জিত শিক্ষাক্রমের ভিত্তিতে পরের বছর (২০২১) প্রাথমিক স্তরের প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণি এবং মাধ্যমিকের ষষ্ঠ শ্রেণির বই দেওয়া হবে। ২০২২ সালে প্রাথমিকের তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণি এবং মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিকের সপ্তম, নবম ও একাদশ শ্রেণির বই দেওয়া হবে নতুন শিক্ষাক্রমের ভিত্তিতে। এরপর ২০২৩ সালে পঞ্চম, অষ্টমসহ অন্য শ্রেণিগুলোর বই দেওয়া হবে নতুন শিক্ষাক্রমের আলোকে।

প্রাথমিক শিক্ষা পঞ্চম শ্রেণিই থাকছে!
২০১০ সালে আওয়ামী লীগ সরকারের করা জাতীয় শিক্ষানীতি অনুযায়ী, ২০১৮ সালের মধ্যে প্রাথমিক শিক্ষা পঞ্চম থেকে বাড়িয়ে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত করার কথা ছিল। এর প্রক্রিয়াও শুরু হয়েছিল। পরীক্ষামূলকভাবে প্রায় ৬০০ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে (মোট প্রাথমিক বিদ্যালয় ৬৩ হাজারের বেশি) ষষ্ঠ থেকে অষ্টম শ্রেণি চালু করেছিল প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। এরপর ২০১৬ সালে শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় যৌথ সভা করে প্রাথমিক শিক্ষা অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত করার ঘোষণা দিয়েছিল। পরে এর ভিত্তিতে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় বিদ্যমান প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা উঠিয়ে অষ্টম শ্রেণি শেষে সমাপনী পরীক্ষা নেওয়ার প্রস্তাব করলে মন্ত্রিসভা তা নাকচ করে দেয়। এরপর আর বিষয়টি এগোয়নি।

তবে সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত করার সিদ্ধান্ত থেকে সরেও আসেনি। বিষয়টি এখনো ঝুলে আছে। এর মধ্যেই প্রাথমিক শিক্ষা পঞ্চম শ্রেণি রেখেই শিক্ষাক্রম পরিবর্তন করছে সরকার। যদি এই স্তর অষ্টম শ্রেণি করা হতো, শিক্ষাক্রমের পরিবর্তনও সেভাবে ধারাবাহিকতা রেখে করা হতো। কিন্তু সেটা আর হচ্ছে না।

এ বিষয়ে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা-সচিব মো. আকরাম-আল-হোসেন প্রথম আলোকে বলেছেন, পঞ্চম শ্রেণি ধরেই শিক্ষাক্রম পরিবর্তন করা হচ্ছে। পরে যখন সিদ্ধান্ত হবে, তখন সেই অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

Responsive WordPress Theme Freetheme wordpress magazine responsive freetheme wordpress news responsive freeWORDPRESS PLUGIN PREMIUM FREEDownload theme free

hit counter