টপ খবর

কিভাবে ব্লগার থেকে একটি ফ্রি ব্লগ খুলবেন

শিশির দাস,এডমিন:

আমরা অনেকেই চাই একটি ফ্রি ব্লগ বা ওয়েবসাইট খুলে লেখালেখি করতে। কিন্তু কোথা থেকে ফ্রি ব্লগ খুলবো, কিভাবে ডিজাইন করবো, কিভাবে পোস্ট লিখব- এরকম নানান প্রশ্ন নতুন অবস্থায় মনে আসাটাই স্বাভাবিক। আমিও প্রথম যখন নতুন ছিলাম তখন এরকম মনে হতো। তো সেই সব নতুন বা যারা এখনও ব্লগার থেকে ব্লগ খুলেননি তাদের জন্য আজকের এই ব্লগার ডট কম টিউটরিয়ালটি।

কিভাবে ব্লগার এর ঠিকানায় যাবেন?

আপনি প্রথমে কোন ব্রাউজারে গিয়ে গুগলে যান। অথবা ব্রাউজারের সার্চ বক্সে যেয়ে https://www.blogger.com  লিখে সার্চ করুন।

তারপর আপনার জিমেইল একাউন্ট দিয়ে নতুন একটি ব্লগ একাউন্ট করার জন্য ব্লগারে প্রথমবারের মত লগইন করুন । লগইন একদম সাধারন। আপনার জিমেইলের ঠিকানা এবং পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন করতে হবে।

এরপর আপনি নিচের পেজের মত একটি নতুন পেজ দেখতে পাবেন।

image of blogger.com

উপরের পেজে দেখতে পাচ্ছেন Welcome to blogger লেখা।এবার নিচে Create a Google+ Profile লেখা আছে একটু খেয়াল করলে দেখতে পাবেন। এখন Create a Google+ Profile এ ক্লিক করুন।

google+profile

তারপর উপরের পেজটি দেখতে পাবেন। এবার আপনার পূর্নাঙ্গ নাম লিখুন।

আপনার জেন্ডার বা লিঙ্গ নির্বাচন করুন। পুরুষ হলে Male আর মহিলা হলে Female সিলেক্ট করুন।

আপনার জম্মতারিখ নির্বাচন করুন। সবশেষে Upgrade এ ক্লিক করুন।

পরে যে পেজ আসবে সেই  পেজে এ Finish নামক একটি বাটন দেখতে পাবেন।  এই Finish বাটনে  ক্লিক করুন।

Screenshot_5

এখন যদি কোন ব্যক্তিকে আপনি আপনার ব্লগারের ফলো করতে চান বা বন্ধু হিসেবে যোগকরতে চান তবে Add more people এ ক্লিক করুন। যদি কাউকে আপনার একাউন্টে যোগ না করতে চান তবে Continue anyway তে ক্লিক করুন।

image of google.com

আপনি চাইলে আপনার একটি ছবি আপলোড করতে পারেন। তবে আপনার জিমেইল একাউন্টে যদি ছবি আপলোড করে থাকেন তবে এখানে সেই ছবিই সাধারনত প্রফাইল পিকচার হিসেবে দেখা যাবে।এবার Continue to Blogger এ ক্লিক করুন। এখন নিচের পেজটি দেখতে পাবেন।

image of blogger.com

আপনার নামে একটা ব্লগ এখন তৈরির প্রায় শেষ পর্যায়। আপনার নাম যদি সাকিব হয় Shakib’s blog দেখতে পাবেন।

উপরের পেজে Create Your Blog Now এর পাশে New Blog শব্দটি দেখা যাচ্ছে। এখন New Blog এ ক্লিক করুন। নিচের পেজটি দেখতে পাবেন।

image of blogger account

এখন উপরের ছবিতে  Title এর ঘরে আপনার ব্লগ এর টাইটেল বা শিরোনাম কী হবে তা লিখুন। উপরে আমি লিখেছি আমার মত করে।

তারপর আপনার ব্লগের URL বা এড্রেস বা ঠিকানা কী হবে তা লিখুন।আমি আমার মত করে একটি ঠিকানা দিয়েছি আপনি আপনার মত করে লিখুন। এরপর টেমপ্লেট থেকে আপনার পছন্দের একটি টেমপ্লেট পছন্দ করুন। সবশেষে Create Blog! এ ক্লিক করুন।

image of blogger.com

ব্যাস তৈরি হয়ে গেলো আপনার প্রত্যাশিত ফ্রি ব্লগ ।

এখন ড্যাশবোর্ড থেকে View Blog এ ক্লিক করে দেখতে পারেন কেমন দেখা যায় আপনার ব্লগ।

আগামী পর্বে দেখাবো কিভাবে তৈরি করা একটি ব্লগকে ডিজাইন করতে হয়।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

৮ শতাধিক শিক্ষকের সনদ জাল!

নিজস্ব প্রতিবেদক,১১ এপ্রিল: স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসার ৮২৯ জন শিক্ষকের জাল সনদের প্রমাণ পেয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। তাদের কারও শিক্ষক নিবন্ধন, কারও কম্পিউটার, কারও অনার্স-মাস্টার্সের সনদ জাল। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক তদন্ত প্রতিবেদনে এমন তথ্য উঠে এসেছে। এছাড়া আরো ৫ হাজার শিক্ষকের জাল সনদ অভিযোগের তদন্ত চলছে।

তদন্ত প্রতিবেদনে রাজশাহীর একটি কলেজের উদাহরণ দিয়ে বলা হয়েছে, সম্প্রতি কলেজটি সরকারিকরণ করা হয়েছে। এই কলেজের চার শিক্ষক জাল সনদ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে চাকরি করছেন। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তরের তদন্তে এর প্রমাণ মিলেছে। তবে অভিযুক্ত শিক্ষকরা এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। অন্যদিকে কলেজের উপাধ্যক্ষ বলছেন, এ সম্পর্কে তিনি কিছুই জানেন না।

জানা যায়, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তদন্তে শিক্ষক নিবন্ধন সনদ জাল ৫৫৯ জনের, কম্পিউটার সনদ জাল ২২১ জনের এবং অন্যান্য একাডেমিক সনদ জাল ৫৯ জন শিক্ষকের।

পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তরের যুগ্ম পরিচালক বিপুল চন্দ্র সরকার বলেন, আমরা মাঠ পর্যায়ে কাজ করতে গিয়ে অনেক অভিযোগ পাচ্ছি। এগুলো ধারাবাহিকভাবে তদন্ত করছি।

অভিযুক্ত শিক্ষকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে জানিয়ে শিক্ষা উপ-মন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী বলেন, এনটিআরসিএর মাধ্যমে এখন বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নিয়োগ হয়। এতে অনেকটাই স্বচ্ছতা নিশ্চিত হয়েছে। সামনের দিনে যাতে আরো স্বচ্ছভাবে শিক্ষক নিয়োগ হয় সেজন্য সবধরনের ব্যবস্থা থাকবে।

নিয়োগের স্বচ্ছতা নিশ্চিতে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের সক্ষমতা আরো বাড়ানো হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

কারা পাচ্ছেন এমপিও!

নিজস্ব প্রতিবেদক,১০ এপ্রিল: আগামী মাসে চারটি ক্যাটাগরিতে প্রায় আড়াই হাজার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে এমপিওভুক্ত করার ঘোষণা দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি। আজ বুধবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে শিক্ষা বিটের সাংবাদিকদের সঙ্গে এক বৈঠকে শিক্ষামন্ত্রী এসব কথা জানান।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, এমপিভুক্তির দাবিতে অনেক দিন ধরে শিক্ষক-কর্মচারীরা আন্দোলন করেছেন। তাদের বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে আমরা অনেক আগেই এমপিওভুক্তির কাজ শুরু করেছি।

তিনি বলেন, এমপিওভুক্তির জন্য চারটি ক্যাটাগরিতে প্রতিষ্ঠান থেকে আবেদন সংগ্রহ করা হয়েছে। এতে প্রায় আড়াই হাজার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান তালিকাভুক্ত করা হয়েছে।

তিনি বলেন, তালিকা ধরে আমরা আবেদনপত্রের তথ্য যাচাই-বাছাই করব। আমাদের কিছু প্রতিবন্ধকতা রয়েছে। আর্থিক বিষয়টি বিবেচনা করে দেখতে হবে আমরা সব প্রতিষ্ঠানকে এমপিওভুক্ত করতে পারব কি না। আমরা চাই, সব যোগ্য প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির আওতায় আসুক। প্রথম পর্যায়ে এসব প্রতিষ্ঠানগুলোকে ২৫ শতাংশ বেতন দেওয়া হতে পারে। যদি আর্থিক সংকট সৃষ্টি না হয়, তবে শতভাগ সুবিধা দেওয়া হবে।

দীপু মনি বলেন, স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদরাসার বিষয়টি আমার জানা ছিল না। সম্প্রতি ইবতেদায়ি মাদরাসার শিক্ষক-কর্মচারীরা বেশ কয়েকদিন রাস্তায় বসে আন্দোলন করেন। এরপর আমি তাদের নেতাদের সঙ্গে বসে তাদের সমস্যা জেনেছি। তারা অনেক কম বেতন পান-বিষয়টি অনেক মানবেতর। এসব প্রতিষ্ঠানে কর্মরত শিক্ষক-কর্মচারীদের অধিকার নিশ্চিত করার বিষয়েও আমরা দ্রুত একটি সিদ্ধান্ত নেব বলেও জানান মন্ত্রী।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

অগ্নিদগ্ধ মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাতকে বাঁচানো গেল না

অনলাইন রিপোর্টার,১০ এপ্রিল ॥ শরীরে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেওয়ায় দগ্ধ ফেনীর মাদ্রাসাছাত্রীকে শনিবার ঢাকা মেডিকেল কলেজের বার্ন ইউনিটে আনা হয়। শরীরে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেওয়ায় দগ্ধ ফেনীর মাদ্রাসাছাত্রীকে শনিবার ঢাকা মেডিকেল কলেজের বার্ন ইউনিটে আনা হয়।

যৌন নিপীড়নের প্রতিবাদের কারণে গায়ে কেরোসিন ঢেলে পুড়িয়ে দেওয়া ফেনীর মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত জাহান রাফি মারা গেছেন। পাঁচ দিন ধরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন ছিলেন নুসরাত। প্রধানমন্ত্রী চিকিৎসার জন্য তাকে সিঙ্গাপুরে নেওয়ার নির্দেশ দিলেও শারীরিক অবস্থার কারণে তা সম্ভব হচ্ছিল না।

বুধবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে তাকে মৃত ঘোষণা করেন ঢাকা মেডিকেলের বার্ন ইউনিটের সমন্বয়ক সামন্ত লাল সেন। ফেনীর সোনাগাজীর মেয়ে নুসরাত এ বছর আলিম পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছিলেন। ওই মাদ্রাসার অধ্যক্ষ সিরাজ-উদ-দৌলার বিরুদ্ধে ‘শ্লীলতাহানির’ অভিযোগ এনে গত মার্চে সোনাগাজী থানায় একটি মামলা করে নুসরাতের পরিবার।

সেই মামলা তুলে না নেওয়ায় অধ্যক্ষের অনুসারীরা গত শনিবার নুসরাতের গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেয় বলে মেয়েটির পরিবারের অভিযোগ। অগ্নিদগ্ধ নুসরাতকে প্রথমে সোনাগাজী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখান থেকে ফেনী সদর হাসাপাতালে এবং পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

শরীরের ৮০ শতাংশ পুড়ে যাওয়া নুসরাতের অবস্থা সংকটাপন্ন হওয়ায় সোমবার তাকে লাইফ সাপোর্টে নেওয়া হয়।- See more at: http://www.dailyjanakantha.com/details/article/415429/%E0%A6%85%E0%A6%97%E0%A7%8D%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%A6%E0%A6%97%E0%A7%8D%E0%A6%A7-%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%9B%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%80-%E0%A6%A8%E0%A7%81%E0%A6%B8%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A6%95%E0%A7%87-%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%81%E0%A6%9A%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%8B-%E0%A6%97%E0%A7%87%E0%A6%B2-%E0%A6%A8%E0%A6%BE#sthash.lbcW8r5j.dpuf

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নববর্ষ উদযাপনের নির্দেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক, ১০এপ্রিলঃ সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বাংলা নববর্ষ উদযাপনের নির্দেশ দিয়েছে সরকার। সোমবার (৮ এপ্রিল) অধিদপ্তরগুলোকে এ সিদ্ধান্তের কথা জানিয়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নববর্ষ উদযাপনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। অধিদপ্তরগুলো থেকে এদিনই জেলা ও উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তাদের কাছে এ সংক্রান্ত চিঠি পাঠানো হয়েছে।

১৪১৭ বঙ্গাব্দ থেকে জাতীয়ভাবে বাংলা নববর্ষ উদযাপিত হচ্ছে। গত ২৪ মার্চ শিল্পকলা একাডেমিতে জাতীয়ভাবে ১৪২৬ বঙ্গাব্দের নববর্ষ উদাপনের কর্মসূচি প্রণয়নে এক আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ। সভায় স্কুল, কলেজ মাদরাসাসহ সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বাংলা নববর্ষ উদযাপনে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। সিদ্ধান্ত অনুসারে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ, কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগ এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা জারি করতে বলা হয়েছে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

সহকারীদের ১১তম গ্রেড হিমাগারে।

নিজস্ব প্রতিবেদক,১০ এপ্রিল : ১১তম গ্রেডে বেতন প্রদান ও বৈষম্য নিরসনের দাবিতে দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন করছেন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকরা। দাবি মানা না হলে কঠোর কর্মসূচি পালনের কথাও জানিয়েছেন তারা। তবে এখনো এ ব্যাপারে অন্ধকারেই রয়েছেন প্রাথমিক শিক্ষকরা। শিগগিরই এ ব্যাপারে কোন সরকারি সিদ্ধান্ত না হলে আলোচনা করে করণীয় ঠিক করা হবে বলে বাংলাদেশ প্রাথমিক বিদ্যালয় সহকারী শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক সাবেরা বেগম জানিয়েছেন।

১১তম গ্রেডের দাবিতে আন্দোলনের অংশ হিসেবে ফেব্রুয়ারি ও মার্চ মাসে ধারাবাহিক কর্মসূচি পালন করেন প্রাথমিক সহকারী শিক্ষকরা। এছাড়া গত ১৪ মার্চ দেশব্যাপী একযোগে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেন তারা। এরপরও দাবি আদায় না হওয়ায় বৃহৎ কর্মসূচির পরিকল্পনার কথা জানিয়েছিলেন তারা।

এই দাবির আদায়ের ব্যাপারে বর্তমানে সরকারের অবস্থান নিয়ে এখনো অন্ধকারেই রয়েছেন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকরা। এছাড়া তাদেরকে ১২তম গ্রেডে বেতন দেওয়া হতে পারে এমন গুঞ্জনের কথাও জানিয়েছেন। তবে এটি মেনে নেবেন কিনা সে ব্যাপারে এখনো সিদ্ধান্ত নেননি শিক্ষকরা।

এ ব্যাপারে বাংলাদেশ প্রাথমিক বিদ্যালয় সহকারী শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক সাবেরা বেগম বলেন, ‘আমরা যতদূর জানতে পেরেছি- সিলেটের একটি অনুষ্ঠানে শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী জানিয়েছেন, সহকারী থানা শিক্ষা অফিসারদেরকে (এটিইও) নবম গ্রেড এবং প্রাথমিকের প্রধান শিক্ষকদের দশম গ্রেড দেওয়ার বিষয়ে চিন্তাভাবনা করা হচ্ছে। এছাড়া সহকারী প্রধান শিক্ষকদেরকে ১১তম গ্রেড এবং সহকারী শিক্ষকদেরকে ১২তম গ্রেড দেওয়া হতে পারে বলে আমরা শুনেছি।’

১২তম গ্রেড দেওয়া হলে সহকারী শিক্ষকরা মানবেন কিনা জানতে চাইলে সাবেরা বেগম বলেন, ‘এ ধরণের কথা শোনা গেলেও তা এখনো চূড়ান্ত নয়। মন্ত্রণালয় থেকে এ ব্যাপারে স্পষ্ট কোন তথ্য পেলে আমরা সিদ্ধান্ত নেব। এখনই শোনা কথায় আন্দোলন করার তো কোন মানে হয় না।’

তিনি বলেন, ‘প্রাথমিক শিক্ষকদের ৭-৮টি সংগঠন রয়েছে। তাদের কারোর সঙ্গেই এখনো এ ব্যাপারে বসা হয়নি। তাদের সঙ্গে আলোচনা করে এবং আমাদের সংগঠনে নেতারা বসে এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। এছাড়া সামনে রমজান মাসের ব্যাপারটিও মাথায় রাখতে হবে।’

প্রাথমিক সহকারী শিক্ষকরা জানিয়েছেন, ২০১৭ সাল থেকে এ দাবিতে তারা আন্দোলন করছেন। আওয়ামীলীগের নির্বাচনী ইশতেহারে ছাড়াও বিভিন্ন সময়ে দাবি মেনে নেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। তবে এখনো কোন সিদ্ধান্ত হয়নি।

অবশ্য সম্প্রতি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকদের ১১তম গ্রেড দাবি বাস্তবায়নের আশ্বাস দিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আকরাম আল হোসেন। তিনি জানিয়েছেন, সহকারী শিক্ষকদের বঞ্চিত করে বেতন আপগ্রেডের কোনো ঘোষণা আসবে না। এ ব্যাপারে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি বলেও জানিয়েছেন তিনি।

আরো পড়ুন: ৭ দিনের মধ্যে দাবি না মানলে বৃহত্তর আন্দোলন প্রাথমিক শিক্ষকদের

এর আগে ২০১৭ সালের ডিসেম্বরে বেতন বৈষম্য নিরসনের দাবিতে রাজধানী ঢাকার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে আমরণ অনশন শুরু করেছিলেন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকরা। সে সময়ও দাবি ছিল, প্রধান শিক্ষকদের এক ধাপ নিচে বেতন স্কেল নির্ধারণ। বাংলাদেশ প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক মহাজোটের উদ্যাগে আয়োজিত ওই অনশন কর্মসূচিতে জোটের অধীনে থাকা ১০টি সংগঠনের শিক্ষকরা অংশ নিয়েছিলেন।

বৈষম্য নিরসনে চার দফা দাবি: বেতন বৈষমস্য দূর করতে ইতোমধ্যে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রীর কাছে চার দফা দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ প্রাথমিক বিদ্যালয় সহকারি শিক্ষক মহাজোট। দাবিগুলো হচ্ছে- সহকারী শিক্ষকদের ১১তম গ্রেডে বেতন পুনঃনির্ধারণ, নিয়োগবিধি পরিবর্তন করে পুরুষ ও মহিলা- উভয়ের ক্ষেত্রেই শিক্ষাগত যোগ্যতা স্নাতক ডিগ্রী নির্ধারণ, সরাসরি প্রধান শিক্ষক নিয়োগ বন্ধ করে সহাকারী শিক্ষক থেকে পদোন্নতির ব্যবস্থা এবং সিএনডি/ডিপিএড ও বিএড প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত শিক্ষকদের বেতন উন্নীত স্কেলে বেতন নির্ধারণ। প্রাথমিকে মানুষ গড়ার কারিগর তথা সহাকারী শিক্ষকদের মর্যাদা রক্ষায় অবিলম্বে এই দাবিগুলো কার্যকরের দাবি জানিয়েছেন তারা।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

বউ পেটানো সেই আকতারুজ্জামানই শারীরিক শিক্ষার ডিডি!

নিজস্ব প্রতিবেদক,১০ এপ্রিল, ২০১৯ : বউ পেটানো ও দুর্নীতিসহ বিভিন্ন অভিযোগে প্রায় চার বছর বরখাস্ত ছিলেন বিসিএস সাধারণ শিক্ষা ক্যাডার কর্মকর্তা মো. আক্তারুজ্জামান ভূঞা। তিনটি মামলায় এখনও আদালতে নিয়মিত হাজিরা দেন তিনি। কঠোর শাস্তি হওয়ার কথা থাকলেও বাড়ৈ সিন্ডিকেটের সহায়তায় তার শাস্তি কমিয়ে শুধু ‘বেতনস্কেল এক ধাপ নিচে’ নামানো হয়। দণ্ড পাওয়ার তথ্য গোপন রেখে সহযোগী অধ্যাপক হিসেবে পদোন্নতি পেয়েছেন আকতারুজ্জামান

সর্বশেষ গত ২৪ মার্চ মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের শারীরিক শিক্ষা বিভাগের উপপরিচালক পদও বাগিয়েছেন তিনি।  নতুন পদায়নে বাড়ৈ সিন্ডিকেটে খুশির জোয়ার বইলেও শিক্ষা ক্যাডারের সৎ ও আওয়ামী লীগপন্থি কর্মকর্তারা যারপরনাই বিস্মিত হয়েছেন। তথ্য গোপন করা আকতারুজ্জামান গংদের প্রকৃত তথ্য ও রাজনৈতিক পরিচয় তুলে ধরে পুরান  ও নতুন সংসদ ভবনে ছুটেছেন ছাত্রলীগের সাবেক কয়েকজন নেতা। আওয়ামী লীগের বঙ্গবন্ধু এভিডিনিউ এবং ধানমন্ডির অফিসেও পৌঁছানো হয়েছে আকতারুজ্জামানদের প্রকৃত তথ্য।

অনুসন্ধানে জানা যায়, তথ্য গোপন করেছেন আকতারুজ্জামান। নিজ হাতে লেখা পার্সোনাল ডাটা শিটে (পিডিএস) বরখাস্তের তথ্য উল্লেখ করেননি তিনি। ২০১০ থেকে ২০১৩ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত তিনি বরখাস্ত ছিলেন। ২০১০ থেকে ২০১৩ পর্যন্ত এসিআরও নেই। ২০১২ খ্রিষ্টাব্দের ১৮ অক্টোবর তার বেতন স্কেল একধাপ নিচে নামিয়ে দেয়র তথ্যও নেই। শিক্ষা অধিদপ্তরের এসিআর-ডোসিয়ারেও তথ্য নেই।   বিএনপি-জামায়ত জমানায় তিনি ঢাকায় ভালো পদে থাকলেও সেই তথ্য চেপে রেখেছেন।

আকতারু্জ্জামানের পিডিএসে বদলি ও পদায়নের বিবরণে লেখা রয়েছে, ২০১৪ খ্রিষ্টাব্দের ৫ ডিসেম্বর তিনি ভোলা সরকারি কলেজে সহকারী অধ্যাপক হিসেবে যোগদান করেন। শেষ কবে তা উল্লেখ নেই। তার আগে ১৯৯৮ খ্রিষ্টাব্দের জুলাই থেকে ২০০৭ খ্রিষ্টাব্দের জুলাই পর্যন্ত রামগঞ্জ সরকারি কলেজের প্রভাষক পদে ছিলেন। তারও আগে মঠবাড়িয়া সরকারি কলেজ ১৯৯৮ খ্রিষ্টাব্দের ২২ ফেব্রুয়ারি থেকে একই বছরের ১৩ জুলাই পর্যন্ত প্রভাষক হিসেবে ছিলেন। সহযোগী অধ্যাপক পদে পদোন্নতি পেয়েছেন ২০১৮ খ্রিষ্টাব্দের ১৪ মে। একইদিনে ওই পদে যোগদান করেছেন লিথলেও কোথায় যোগদান করেছেন তা উল্লেখ করেননি। 

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে অভিযুক্ত শিক্ষা ক্যাডার কর্মকর্তা মো. আক্তারুজ্জামান ভূঞা দৈনিক শিক্ষাকে বলেন, এখন আমি একটি প্রশিক্ষণে আছি। এ বিষয়ে কখা বলতে পরে যোগাযোগ করুন।

উল্লেখ্য, শারীরিক শিক্ষার উপপরিচালক পদটি অন্যতম লোভনীয় পদ। শিক্ষাবোর্ডগুলোর অঢেল টাকায় বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগীতা আয়োজনের যাবতীয় কেনাকাটা আর লুটপাটের সুব্যবস্থা রয়েছে। শিক্ষা প্রশাসনের বড় কর্তাদের নানাভাবে খুশি করে এর আগে একজন কর্মকর্তা টানা ৯ বছর এই পদে ছিলেন। 

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত বিনামুল্যে উপকরন পাচ্ছে প্রাথমিকের শিশুরা

নিজস্ব প্রতিবেদক,১০ এপ্রিল: প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের জন্য বিশাল সুখবর নিয়ে আসছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের প্রয়োজনীয় বিভিন্ন উপকরণ বিনামূল্যে দেওয়ার পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে মন্ত্রণালয়টি। এর মধ্যে রয়েছে- পাঠ্যবইয়ের সঙ্গে খাতা, কলম, জামা (স্কুল ড্রেস) ও জুতাসহ বেশ কিছু ‍উপকরণ।

মূলত শিশু শিক্ষার্থীদের ঝরে পড়া রোধ, শিক্ষার প্রতি আগ্রহ সৃষ্টি, স্কুলের প্রতি মনোযোগী হওয়া এবং উপকরণের অভাবে যাতে কোনও শিক্ষার্থীর লেখাপড়া বন্ধ না হয়, তা নিশ্চিত করতেই এই পরিকল্পনা হাতে নিয়ে সরকার।

মন্ত্রণালয় সূত্র বলছে, শিক্ষার্থীদের জন্য খাতা, কলম, জামা ও জুতাসহ প্রয়োজনীয় শিক্ষা ও আনুষঙ্গিক উপকরণ দিতে একটি প্রকল্প প্রস্তাবনা তৈরি করা হচ্ছে। বিদ্যালয়ে লেখাপড়ার জন্য শিশুদের যা প্রয়োজন হবে, তার সবই দেওয়া হবে বছরের শুরুতে নির্দিষ্ট একটি সময়ে।

সূত্র আরো বলছে, প্রাথমিক শিক্ষা সবার জন্য বাধ্যতামূলক। তাই দেশের একটি শিশুও যেন প্রাথমিক শিক্ষা থেকে বাদ না পড়ে সেটিই হচ্ছে সরকারের লক্ষ্য। আর এটির ওপর বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্য সামনে রখে।

এ বছরই প্রকল্পটি অনুমোদন পেলে ২০২০ সাল থেকে শিক্ষার্থীদের এসব উপকরণ সরবরাহ করা হবে।

তবে অতিরিক্ত সচিব (উন্নয়ন) মো. গিয়াস উদ্দিন আহমেদ বলছেন, এখন পর্যন্ত সবই পরিকল্পনার মধ্যেই রয়েছে। কোনও কিছুই চূড়ান্ত হয়নি।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

প্রাথমিকে নারী শিক্ষক প্রার্থীদেরও সর্বনিম্ন যোগ্যতা স্নাতক

ডেস্ক, ৯এপ্রিলঃ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক হতে পুরুষদের পাশাপাশি এখন থেকে নারী প্রার্থীদেরও শিক্ষাগত যোগ্যতা স্নাতক হতে হবে। পাশাপাশি প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষক পদে আবেদনের বয়সসীমা নির্ধারণ করা হয়েছে ২১ থেকে ৩০ বছর

logoEnglish হোম অনলাইনজাতীয় প্রাথমিকে নারী শিক্ষক প্রার্থীদেরও সর্বনিম্ন যোগ্যতা স্নাতক কালের কণ্ঠ অনলাইন ৯ এপ্রিল, ২০১৯ ২০:০৬ পড়া যাবে: ৪ মিনিটেFacebook Share প্রাথমিকে নারী শিক্ষক প্রার্থীদেরও সর্বনিম্ন যোগ্যতা স্নাতক অ- অ অ+ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক হতে পুরুষদের পাশাপাশি এখন থেকে নারী প্রার্থীদেরও শিক্ষাগত যোগ্যতা স্নাতক হতে হবে। পাশাপাশি প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষক পদে আবেদনের বয়সসীমা নির্ধারণ করা হয়েছে ২১ থেকে ৩০ বছর। আর বিজ্ঞান বিষয়ের ২০ শতাংশ প্রার্থী নিয়োগ করতে হবে। এমন বিধান রেখে আগের বিধিমালা সংশোধন করে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক নিয়োগ বিধিমালা, ২০১৯ জারি করেছে। এতদিন এইচএসসি পাসের সনদ থাকা নারীরা প্রাথমিকের শিক্ষক হতে পারতেন। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব আকরাম-আল-হোসেন আজ মঙ্গলবার সাংবাদিকদের বলেন, শিক্ষক নিয়োগে এখন নারী-পুরুষ সবার যোগ্যতাই স্নাতক করা হয়েছে। প্রাথমিকের শিক্ষকদের নিয়োগ যোগ্যতা উন্নীত হওয়ায় তাদের বেতন গ্রেড উন্নীতকরণে কাজ চলছে বলেও জানিয়েছেন তিনি। সারা দেশে ৬৫ হাজার ৫৯৩টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আগের মতোই সরাসরি এবং পদোন্নতির মাধ্যমে শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হবে বলে উল্লেখ করা হয়েছে সংশোধিত বিধিমালায়। সংশোধিত বিধিমালায় সহকারী শিক্ষক ও প্রধান শিক্ষক নিয়োগে স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে দ্বিতীয় শ্রেণি বা সমমানের সিজিপিএসহ স্নাতক বা স্নাতক (সম্মান) বা সমমানের ডিগ্রি নির্ধারণ করা হয়েছে। এতদিন প্রধান শিক্ষক ও পুরুষ সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগের শিক্ষাগত যোগ্যতা ছিল কোনো স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ন্যূনতম দ্বিতীয় বিভাগ, শ্রেণি বা সমমানের জিপিএসহ স্নাতক বা সমমানের ডিগ্রি। অন্যদিকে এইচএসসি পাসের সনদ থাকা নারীরা প্রাথমিকের শিক্ষক হতে পারতেন।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা: অনুমোদন পেল ২০ বিষয়ের সিলেবাস

ডেস্কঃ সিলেবাসে শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার জন্য এনটিআরসিএ প্রণয়নকৃত ২০টি নতুন বিষয়  অনুমোদন দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। সোমবার (৮ এপ্রিল) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত চিঠি বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষকে (এনটিআরসিএ) পাঠানো হয়েছে।

জানা গেছে, শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা নেয়ার জন্য ২০টি নতুন বিষয়ের সিলেবাস প্রণয়ন করে এনটিআরসিএ। গত ৭ ফেব্রুয়ারি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে সিলেবাসগুলো পাঠানো হয়। এ বিষয়গুলোর সিলেবাসে অনুমোদন করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। 

এ বিষয়গুলো হলো, ড্রইং অ্যান্ড পেইন্টিং, প্রিন্ট মেকিং, কমার্সিয়াল আর্ট ও কম্পিবুটার গ্রাফিক্স, সিরামিক, স্কাল্পচার, ক্রাফটস, সভ্যতার ইতিহাস ও শিকল্পকলার ইতিহাস, চারু ও কারুকলা, ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস, ব্যাংকিং অ্যান্ড ইনসুরেন্স, প্রাণি চিকিৎসা ও উৎপাদন, মৎস, কৃষি প্রকৌশল, গণিত পরিমিতি ও পরিসংখ্যান, আদব, ফিকহ, হাদীস, তফসীর ও আইসিটি। 

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

সরকারি চাকরিজীবীদের উদ্দেশ্যে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা

অনলাইন ডেস্ক,৯ এপ্রিল:

সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের যাদের পদায়ন গ্রাম অঞ্চলে, তাদের গ্রামেই থাকতে হবে বলে নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তবে সরকারি এসব কর্মকর্তা-কর্মচারীদের গ্রামে ধরে রাখার উপযোগী পরিবেশ তৈরির জন্যও সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দিয়েছেন তিনি।

মঙ্গলবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের (এনইসি) সম্মেলন কক্ষে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) বৈঠকে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়। প্রধানমন্ত্রী ও একনেক চেয়ারপারসন শেখ হাসিনা বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন।

বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন পরিকল্পনমন্ত্রী এম এ মান্নান। তিনি বলেন, একনেকে প্রধানমন্ত্রী নির্দেশনা দিয়ে বলেছেন, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা যেন মাঠ পর্যায় থাকেন, তার ব্যবস্থা করতে হবে।

পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, সরকারি কর্মকর্তারা গ্রামে থাকতে চান না। আবার তারা গ্রামে থাকলেও তাদের পরিবার থাকে ঢাকায়। এ অবস্থায় তাদের মন পড়ে থাকে পরিবারের কাছে। ফলে জনগণকে সঠিক সেবা দিতে পারেন না। এ অবস্থায় কর্মকর্তা-কর্মচারীরা যেন পরিবার নিয়ে গ্রামের কর্মস্থলেই থাকতে পারেন। সেজন্য পরিবেশ তৈরি করতে হবে।

মঙ্গলবারের একনেকে সাতটি প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। প্রকল্পগুলোর ব্যয় ১৮ হাজার ১৯১ কোটি টাকা।

অনুমোদিত প্রকল্পগুলোর বিষয়ে পরিকল্পনামন্ত্রী জানান, রেলপথ মন্ত্রণালয়ের ‘বাংলাদেশ রেলওয়ের আখাউড়া-সিলেট সেকশনের মিটারগেজ রেললাইনকে ডুয়েলগেজ রেললাইনে রূপান্তর’ প্রকল্পে ব্যয় হবে ১৬ হাজার ১০৪ কোটি ৪৪ লাখ টাকা। এর মধ্যে বাংলাদেশ সরকার দেবে ৫ হাজার ৪৫০ কোটি ৮ লাখ টাকা এবং চীন সরকার ঋণ দেবে ১০ হাজার ৬৫৪ কোটি ৩৬ লাখ টাকা। চলতি বছরের জুলাই থেকে ২০২৫ সালের জুনের মধ্যে এই প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হবে।

পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ‘পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ কমপ্লেক্স নির্মাণ’ প্রকল্পে ব্যয় হবে ২৪৪ কোটি ৩১ লাখ টাকা। পুরোটাই সরকারি অর্থায়নে এ প্রকল্প চলতি বছরের মার্চ থেকে ২০২১ সালের জুনের মধ্যে বাস্তবায়ন করা হবে।

সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের ‘মাগুরা-শ্রীপুর জেলা মহাসড়ক বাঁক সরলীকরণসহ সম্প্রসারণ’ প্রকল্পে ব্যয় হবে ২১৫ কোটি ৯ লাখ টাকা। এ প্রকল্পের পুরোটাই সরকারি অর্থায়নে চলতি বছরের মার্চ থেকে ২০২১ সালের জুনের মধ্যে বাস্তবায়ন করা হবে।

প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের ‘মিরসরাইয়ে ভারতীয় অর্থনৈতিক অঞ্চল স্থাপন’ প্রকল্পে ব্যয় হবে ৯১৯ কোটি ৮৫ লাখ টাকা। এর মধ্যে বাংলাদেশ সরকার দেবে ৫ কোটি ২৬ লাখ টাকা এবং ভারতী ঋণ দেবে ৯১৪ কোটি ৫৯ লাখ টাকা। চলতি বছরের এপ্রিল থেকে ২০২১ সালের জুনের মধ্যে এ প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হবে।

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের ‘বিসিএসআইআর ঢাকা ও চট্টগ্রাম কেন্দ্রে নিরাপদ ও স্বাস্থ্যকর শুটকি মাছ প্রক্রিয়াকরণ এবং ইনডোর ফার্মিং গবেষণা সংক্রান্ত সুবিধাদি স্থাপন’ প্রকল্পে ব্যয় হবে ৮৯ কোটি টাকা। সরকারি অর্থায়নে এ প্রকল্প চলতি বছরের এপ্রিল থেকে ২০২২ সালের মার্চের মধ্যে বাস্তবায়ন করা হবে।

পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের ‘কুড়িগ্রাম জেলার রৌমারী উপজেলার ঘুঘুমারী থেকে ফুলুয়ার চর ঘাট ও রাজিবপুর উপজেলা সদর (মেম্বার পাড়া) থেকে মোহনগঞ্জ বাজার পর্যন্ত ব্রহ্মপুত্র নদের ভাঙন থেকে বাম তীর সংরক্ষণ’ প্রকল্পে ব্যয় হবে ৪৭৯ কোটি ২৩ লাখ টাকা। সরকারি অর্থায়নে এ প্রকল্প চলতি বছরের মে থেকে ২০২১ সালের জুনের মধ্যে বাস্তবায়ন করা হবে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

ঈদের ছুটি ৬ দিন হচ্ছে!

ডেস্ক ,৯ এপ্রিল ২০১৯:

সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য সুখবর আসছে। এখন থেকে ঈদের ছুটি ছয় দিন করার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের। আসন্ন ঈদুল আজহা থেকে এটি কার্যকর হবে বলে জানা গেছে।

সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য সুখবর আসছে। এখন থেকে ঈদের ছুটি ছয় দিন করার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের। আসন্ন ঈদুল আজহা থেকে এটি কার্যকর হবে বলে জানা গেছে।

বর্তমানে ঈদে সরকারি কর্মচারীরা ছুটি পান তিন দিন। চাকরিজীবীদের ঈদে স্বস্তিতে বাড়ি পোঁছাতে ছুটি বাড়ানোর এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

সরকারি একটি সূত্র জানিয়েছে, ঈদের ছুটি বাড়ানোর একটি প্রস্তাব জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পাঠানো হয়েছে। প্রস্তাবটি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অনুমোদন পেলে মন্ত্রিসভার বৈঠকে উপস্থাপন করা হবে।

সূত্র জানায়, প্রস্তাবটি অনুমোদন পেলে এবার ঈদের ছুটি শুরু হবে ৩০ আগস্ট বুধবার থেকে এবং শেষ হবে ৪ সেপ্টেম্বর সোমবার। যদিও এর মধ্যে সাপ্তাহিক ছুটি ঈদের ছুটি হিসেবে কার্যকর হবে। সব মিলিয়ে সরকারি চাকরিজীবীরা এবার ঈদের ছুটি পাবেন ছয় দিন। আর এ ছয় দিন সরকারি, আধাসরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, আধা-স্বায়ত্তশাসিত সব প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে। আর ঈদের এ বাড়তি ছুটি কর্মচারীদের ঐচ্ছিক ছুটি থেকে কেটে নেওয়া হবে।

এ বিষয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব ড. মোজাম্মেল হক খান বলেন, বাস্তব প্রেক্ষাপট বিবেচনা করে ঈদে ছুটি বাড়ানোর একটি প্রস্তাব সরকারের উচ্চ পর্যায়ে দেওয়া হয়েছে। সেখান থেকে নীতিগত সিদ্ধান্ত আসার পরই এটি সর্বোচ্চ ফোরামে উপস্থাপন করা হবে। এখানে অনুমোদন পেলে ছুটির আদেশ জারি হবে। না হলে বিদ্যমান নিয়মে ছুটি থাকবে।

তিনি বলেন, সরকার ছুটি বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিলে বছরের নির্ধারিত ছুটি ঠিকই থাকবে। বাড়তি ছুটি কর্মচারীদের ঐচ্ছিক ছুটি থেকে কেটে নেওয়া হবে। অর্থাৎ শুধু ঐচ্ছিক ছুটির সঙ্গে ঈদের ছুটির সমন্বয় করা হবে।

সংশ্লিষ্টরা জানান, সব ঠিকঠাক থাকলে এবার ঈদুল আজহা পালন হবে ২ সেপ্টেম্বর শনিবার। ঈদের দিন ও তার আগের দিন পড়ছে সাপ্তাহিক ছুটি। ফলে বিদ্যমান নিয়মে এবার তিন দিন ঈদের ছুটি থাকলে এর দু’দিনই পড়ছে সাপ্তাহিক ছুটি। বাড়তি কোনো ছুটি পাচ্ছেন না সরকারি চাকরিজীবীরা। চাকরিজীবীরা বৃহস্পতিবার অফিস শেষ করে বাড়ির দিকে রওনা হবেন। আবার সোমবার অফিস খোলা থাকায় ঈদের পরের দিন রোববার ঢাকামুখী হবেন। এতে একসঙ্গে রাস্তাঘাটা, ফেরি, লঞ্চ, রেলের ওপর চাপ বাড়বে। মানুষের দুর্ভোগের শেষ থাকবে না। এমনকি গ্রামের সড়কও বেহাল। তারপর এত চাপ মোকাবেলা করা প্রশাসনের পক্ষে কষ্টসাধ্য হয়ে পড়বে। সড়ক দুর্ঘটনার সংখ্যা বাড়ারও আশঙ্কা থাকছে। ফলে চাকরিজীবীদের নির্বিঘ্নে বাড়ি পোঁছাতে ঈদের ছুটি বাড়ানো হচ্ছে।

জানা গেছে, ঈদে ছুটি বাড়ানোর দাবি সরকারি কর্মচারীদের দীর্ঘদিনের। ২০১০ সালে ঈদুল ফিতরে সরকারি ছুটি তিন দিনের পরিবর্তে পাঁচ দিন করার একটি প্রস্তাব দেয় জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। যদিও পরে এটি নাকচ হয়ে যায়। গত ঈদুল ফিতরের ছুটিও ছয় দিন করার একটি প্রস্তাব তৈরি করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও এতে সম্মতি দেন; কিন্তু ওই সময় সংসদে বাজেট অধিবেশন থাকায় ছুটি বাড়ানোর প্রস্তাব আর কার্যকর হয়নি।

এবার সরকারি কর্মচারীদের দাবি বিবেচনায় নিয়ে এবং ঈদে যাতে ঘরমুখো মানুষ নির্বিঘ্নে যাতায়াত করতে পারেন এ জন্য ছুটি বাড়ানোর প্রস্তাব তৈরি করা হয়েছে। বর্তমানে বছরে অফিস-আদালত ১৫৯ দিন বন্ধ থাকে। এর মধ্যে সাপ্তাহিক ছুটি থাকে ১০৪ দিন। অন্যান্য ছুটি থাকে ৫৫ দিন।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

সুপারিশপ্রাপ্তদের যোগদান করানোর শেষ সুযোগ পাচ্ছেন প্রতিষ্ঠান প্রধানরা

নিজস্ব প্রতিবেদক ,০৯ এপ্রিল, ২০১৯ :

বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক পদে এনটিআরসিএর সুপারিশ পাওয়া প্রার্থীদের যোগদান করানোর শেষ সুযোগ দিচ্ছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। সুপারিশপ্রাপ্ত প্রার্থীদের যোগদানে বাধা দেয়ায় সাড়ে তিন শতাধিক প্রতিষ্ঠানের প্রধান ও ম্যানেজিং কমিটির বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়ার সুপারিশ করে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ)। এ প্রেক্ষিতে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের আগে সুপারিশপ্রাপ্তদের শিক্ষক পদে যোগদান করিয়ে নিতে প্রতিষ্ঠান প্রধানদের শেষ সুযোগ দেবে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। সোমবার (৮ এপ্রিল) মন্ত্রণালয়ে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের বিশ্বস্ত সূত্র দৈনিক শিক্ষা বার্তা এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

জানা গেছে, বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রায় ৪০ হাজার শূন্য পদে শিক্ষক নিয়োগের সুপারিশ করতে গত ডিসেম্বর মাসে গণবিজ্ঞপ্তি জারি করে এনটিআরসিএ। এ প্রেক্ষিতে গত জানুয়ারিতে সাড়ে ৩১ হাজার শূন্য পদে শিক্ষক নিয়োগের সুপারিশ করা হয়। কিন্তু সুপারিশপ্রাপ্তদের যোগদান করায়নি অনেক প্রতিষ্ঠান পরিচালনা কমিটি ও প্রতিষ্ঠান প্রধানরা। এ প্রেক্ষিতে ভুক্তভোগী প্রার্থীরা আবেদন করেছিলেন এনটিআরসিএতে। তাদের আবেদনগুলো আমলে নেয় মন্ত্রণালয় ও এনটিআরসিএ। সম্প্রতি সাড়ে তিনশর বেশি প্রতিষ্ঠানের প্রধান ও ম্যানেজিং কমিটির বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়ার সুপারিশ করা হয়।

মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানান, প্রতিষ্ঠান প্রধান ও ম্যনেজিং কমিটির বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়ার আগে শেষ সুযোগ দেয়া হবে। এ প্রেক্ষিতে চিঠি দেয়া হবে। সুপারিশপ্রাপ্তদের যোগদান করিয়ে নিতে বলা হবে চিঠিতে। 

উল্লেখ্য, গত বছরের ১২ জুন জারি করা বেসরকারি স্কুল-কলেজের এমপিও নীতিমালা ও জনবল কাঠামোর ১৮ এর (ঘ) অনুচ্ছেদে উল্লেখ রয়েছে, প্রতিষ্ঠান কর্তৃক এনটিআরসিএতে শিক্ষক চাহিদা দিলে উক্ত পদে মনোনীত প্রার্থীকে নিয়োগ দিতে হবে। প্যাটার্নের অতিরিক্ত চাহিদা দিলে উক্ত শিক্ষক কর্মচারীদের শতভাগ বেতন-ভাতা প্রতিষ্ঠান থেকে নির্বাহ করতে হবে। এর ব্যত্যয় ঘটলে প্রতিষ্ঠান প্রধানের বেতন ভাতা স্থগিত বা বাতিল করা হবে এবং পরিচালনা কমিটির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

এমপিও শিক্ষকদের বৈশাখী ভাতার চেক ছাড়

নিজস্ব প্রতিবেদক,৯ এপ্রিল ২০১৯: এমপিওভুক্ত স্কুল ও কলেজের শিক্ষক-কর্মচারীদের ১৪২৬ বঙ্গাব্দের ২০ শতাংশ বৈশাখী ভাতার চেক ছাড় হয়েছে।  আজ মঙ্গলবার (৯ এপ্রিল) অনুদান বণ্টনকারী চারটি ব্যাংকে চেক পাঠানো হয়েছে। ১১ এপ্রিল পর্যন্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা বৈশাখী ভাতার টাকা তুলতে পারবেন।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

প্রাথমিক শিক্ষক বদলিতে চালু হচ্ছে ডিজিটাল ব্যবস্থা

নিজস্ব প্রতিবেদক,৮ এপ্রিল : সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক বদলিতে দুর্নীতি ও হয়রানি বন্ধে ডিজিটাল ব্যবস্থায় যাচ্ছে সরকার। পরিবর্তিত এ ব্যবস্থায় ঘরে বসেই অনলাইনে বদলির আবেদন করতে পারবেন শিক্ষকরা। আর তদবির ছাড়াই প্রাপ্যতা অনুযায়ী বদলি কার্যক্রম চালু থাকবে। শিগগিরই অনলাইন পদ্ধতিতে আবেদনের প্রক্রিয়া চূড়ান্ত করতে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরকে নির্দেশ দেবে মন্ত্রণালয়। এতে বন্ধ হবে তদবির বাণিজ্য। সংশ্লিষ্ট সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আকরাম-আল-হোসেন শিক্ষাবার্তাকে বলেন, ‘শিক্ষকরা যাতে হয়রানির শিকার না হন তাই আমরা অনলাইনে বদলির ব্যবস্থা করবো। ঘরে বসেই শিক্ষকরা আবেদন জমা দিতে পারবেন। ঢাকায় এসে দৌড়াদৌড়ির দরকার হবে না। প্রাপ্যতা সাপেক্ষে শিক্ষকরা বদলি হতে পারবেন।’

মন্ত্রণালয় ও প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর সূত্রে জানা গেছে, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক বদলির শেষ সময় ছিল গত ৩১ মার্চ পর্যন্ত। তার এক সপ্তাহ আগে থেকেই প্রতিদিন শত শত শিক্ষক ভিড় করেন অধিদফতরে। পরিস্থিতি সামাল দিতে অধিদফতরের মহাপরিচালক শিক্ষকদের আশ্বাস দিয়ে বলেন, ‘যাদের তদবিরের কেউ নেই, তারাও বদলি হতে পারবেন। আমার ওপর ভরসা রাখেন।’

তবে মহাপরিচালকের ওপর ভরসা হারিয়ে অনেকেই অভিযোগ করেছেন বদলিতে অনিয়ম-দুর্নীতি হয়েছে। এক ডজনের মতো মন্ত্রীসহ প্রভাবশালীদের সুপারিশ আমলে নিয়ে বদলি করা হচ্ছে। তাদের অভিযোগ শূন্যপদের অনুমোদন নিয়েও দিনের পর দিন অপেক্ষা করা শিক্ষকরা বদলি হতে পারছেন না। আবার যাদের শূন্যপদের অনুমোদন নেই তারাও বদলি হচ্ছেন। আবেদন করার দুই দিনের মধ্যেও অনেককে বদলি করা হয়েছে।

মহাপরিচালকের কাছে শিক্ষকরা গত কয়েকদিন অনিয়ম-দুর্নীতি নিয়ে এসব অভিযোগ করেন। গত ২ এপ্রিল একজন মুক্তিযোদ্ধার মেয়ে তার আবেদন হারিয়ে গেছে বলে অভিযোগ করেন সচিবের কাছে। একই অভিযোগ করেছেন অনেকেই। আবার টাকা দিয়ে ফাইল উদ্ধার করা হয়েছে বলেও শিক্ষক এবং তাদের স্বজনরা অভিযোগ করেছেন।

এসব অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালক ড. এ এফ মঞ্জুর কাদির বলেন, ‘শিক্ষক বদলিতে কোনও দুর্নীতি হবে না। তবে বদলি করা পদের চেয়ে আবেদন অনেক বেশি।’ মন্ত্রী ও প্রভাবশালীদের তদবিরের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, তদবির তো থাকতেই পারে। তবে আমরা গুরুত্ব দিচ্ছি প্রাপ্যতা অনুযায়ী বদলি করার বিষয়ে।

এসব পরিস্থিতি সামাল দিতেই অনলাইন পদ্ধতিতে সহকারী শিক্ষক বদলি করার পরিকল্পনা নিয়েছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। শিগগিরই অনলাইন পদ্ধতিতে আবেদন করার প্রক্রিয়া চূড়ান্ত করতে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরকে নির্দেশ দেবে মন্ত্রণালয়। মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, অনলাইন পদ্ধতিতে আবেদন জমা নেওয়া হলে শিক্ষকদের ভোগান্তি কমবে। বন্ধ হবে দুর্নীতি ও তদবির বাণিজ্য। 

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

Responsive WordPress Theme Freetheme wordpress magazine responsive freetheme wordpress news responsive freeWORDPRESS PLUGIN PREMIUM FREEDownload theme free