টপ খবর

প্রধান শিক্ষক আতাউর রহমান সাময়িক বরখাস্ত

মোস্তাফিজুর রহমান(মোস্তফা)লালমনিরহাট প্রতিনিধি,২৯ আগষ্ট :-লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলার গড্ডিমারী দ্বি-মুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আতাউর রহমানকে সাময়িক ভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে।

বুধবার বিকালে ওই বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটি’র সভায় প্রধান শিক্ষক আতাউর রহমানের বিরুদ্ধে সহকারী প্রধান শিক্ষক নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ উঠলে তাকে সাময়িক ভাবে বরখাস্ত করা হয়। সভার রেজুলেশনে ১০ জন সদস্যের মধ্যে সভাপতিসহ ৭ জন সদস্য স্বাক্ষর করেছেন। বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটি’র সভাপতি অধ্যক্ষ আবু বক্কর সিদ্দিক শ্যামল জানান, বুধবার বিকালে সহকারী প্রধান শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে পরিচালনা কমিটির সভা চলছিলোএ সময় সহকারী শিক্ষক আব্দুল হাকিম নামে এক প্রার্থী দাবী করেন, প্রধান শিক্ষক আতাউর রহমান তাকে সহকারী প্রধান শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দেয়ার কথা বলে তার কাছ থেকে ৮ লক্ষ ৮০ হাজার টাকা নিয়েছেন।সভায় উপস্থিত সদস্যরা প্রধান শিক্ষক আতাউর রহমানের কাছে এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি কোনো উওর দিতে পারেনি।

ফলে সভায় উপস্থিত সদস্যরা ওই প্রধান শিক্ষক আতাউর রহমানকে সাময়িক বরখাস্ত করে পুরো বিষয়টি তদন্তের দাবী জানান। পরে সকলের সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রধান শিক্ষককে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।হাতীবান্ধা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা কর্ন্দপ নারায়ন রায় জানান, আজ সহকারী শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে পরিচালনা কমিটি’র সভা ছিলো। কিন্তু প্রধান শিক্ষককে সাময়িক ভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে এমন তথ্য তিনি এখনো পাননি। তবে ওই বিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে ঝামেলার কথা তিনি শিকার করেন

স্কুল-কলেজ শিক্ষকদের আগস্টের এমপিওর চেক ছাড়

নিজস্ব প্রতিবেদক :

এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের আগস্ট (২০১৯) মাসের এমপিওর চেক ছাড় হয়েছে। বেতনের আটটি চেক নির্ধারিত অনুদান বণ্টনকারী চারটি ব্যাংকের শাখায় পাঠানো হয়েছে। মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের একজন কর্মকর্তা দৈনিক শিক্ষাবার্তা ডটকমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

শিক্ষক-কর্মচারীরা ৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত নিজ নিজ ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থেকে বেতন-ভাতার সরকারি অংশ তুলতে পারবেন।  আদেশের স্মারক নম্বর: ৩৭.০২.০০০০.১০২.৩৭.০০৪.২০১৯/৬৫১২/০৪।

এর আগে সোমবার (২৬ আগস্ট) মাদরাসার শিক্ষক-কর্মচারীদের ২০১৯ খ্রিষ্টাব্দের আগস্ট মাসের এমপিওর চেক ছাড় হয়েছে। অনুদান বণ্টনকারী রাষ্ট্রায়ত্ত চারটি ব্যাংকে চেক পাঠানো হয়েছে। শিক্ষকরা আগামী ৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বেতন-ভাতার সরকারি অংশের টাকা তুলতে পারবেন। মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মোহাম্মদ শামসুজ্জামান দৈনিক শিক্ষাবার্তা ডটকমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।  মাদরাসার আদেশের স্মারক নম্বর ৫৭.২৫.০০০০.০০২.০৮.০০৪.১৯-৩৪১

এইচএসসি পরীক্ষার সূচি প্রকাশ

নিজস্ব প্রতিবেদক |

আগামী বছরের এইচএসসি পরীক্ষার সূচি প্রকাশ করেছে ঢাকা বোর্ড। আগামী ১ এপ্রিল থেকে শুরু হয়ে ৪ মে পর্যন্ত চলবে ২০২০ খ্রিষ্টাব্দের এইচএসসি পরীক্ষা। আর ৫ থেকে ১৩ মের মধ্যে এইচএসসির ব্যবহারিক পরীক্ষা গ্রহণ করতে হবে।

বুধবার (২৮ আগস্ট) ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটে এইচএসসি পরীক্ষার সূচি প্রকাশ করা হয়।

অবশেষে চুড়ান্ত- প্রাথমিকের প্রশ্ন প্রণয়ন স্ব স্ব বিদ্যালয়ে

নিজস্ব প্রতিবেদক : সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বিভিন্ন শ্রেণির পরীক্ষার প্রশ্নপত্র স্ব স্ব বিদ্যালয়ে প্রণয়ন করতে হবে। শিক্ষকদের সৃজনশীল করতে এ নির্দেশ দিয়েছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়।

বুধবার এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।


প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব মো. আকরাম আল হোসেন স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম ও দ্বিতীয় সাময়িক এবং বার্ষিক পরীক্ষার সব প্রশ্ন স্ব স্ব প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের প্রণয়ন করতে হবে। বর্তমানে উপজেলা/থানা পরীক্ষা পরিচালনা ও সমন্বয় কমিটি প্রশ্নপত্র প্রণয়ন করে থাকে।

শিক্ষকদের প্রশ্ন করার দক্ষতা না থাকলে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের দক্ষতা যাচাই করা সম্ভব হবে না। শিক্ষার্থীদের সৃজনশীল করতে প্রথমে শিক্ষকদের সৃজনশীল করতে হবে। এতে শিক্ষার্থীদের মধ্যে উৎসাহ সৃষ্টি হবে। এ কারণে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সব ক্লাসের পরীক্ষার (প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষা বাদে) প্রশ্নপত্র স্ব স্ব বিদ্যালয় শিক্ষকদের প্রণয়ন করতে হবে। উপজেলা বা থানা প্রশ্ন প্রণয়ন কমিটির মাধ্যমে বা অন্য কোনো সূত্র থেকে প্রাথমিকের বার্ষিক পরীক্ষার প্রশ্ন সংগ্রহ করা যাবে না বলেও প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।প্রশ্নপত্র প্রণয়ন

১৬২৬৩ ডায়াল করলে মেসেজে প্রেসক্রিপশন পাঠাচ্ছেন ডাক্তার

স্বাস্থ্য ডেস্ক,২৮ আগষ্ট:
স্বাস্থ্য বাতায়ন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় পরিচালিত একটি সেবা। এই স্বাস্থ্য বাতায়নের হেল্পলাইন ১৬২৬৩ এ কল করে স্বাস্থ্য সংক্রান্ত যেকোন বিষয়ে সরাসরি ডাক্তারের পরামর্শ পাওয়া যাবে। এই হেল্পলাইন দিনরাত ২৪ ঘন্টা গ্রাহকের সেবায় নিয়োজিত।


ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়াও স্বাস্থ্য বাতায়ন থেকে সরকারী হাসপাতাল, ডাক্তারের তথ্য কিংবা স্বাস্থ্যসেবা বিষয়ক অন্যান্য যেকোন তথ্য এবং ফোন নাম্বার পাওয়া যাবে। সরকারী, বেসসরকারী স্বাস্থ্যসেবা অথবা হাসপাতাল বিষয়ক কোন অভিযোগ কিংবা পরামর্শ থাকলেও এই নম্বরে জানানো যাবে।

স্বাস্থ্য বাতায়ন থেকে সেবা নেওয়া ইকরামোতুল্লাহ নামে এক সেবাগ্রহীতা জানান, তার কয়েকদিন থেকে গলা ব্যথা ও শুকনো কাঁশি সারছে না। ১৬২৬৩ নম্বরে ফোন দিলে ডাক্তারের সঙ্গে কথা বলতে শূন্য চাপতে বলা হয়। আর সঙ্গে সঙ্গেই অপরপ্রান্ত থেকে ডাক্তার দিল আফরোজ সমস্যার কথা জানতে চান।

সব শুনে তিনি গরম পানি দিয়ে কুলকুচির পরামর্শ ছাড়াও মোবাইলে মেসেজ করে চিকিৎসাপত্র পাঠিয়ে দেন।

দশম গ্রেড বাস্তবায়ন ও টাইমস্কেল জটিলতা নিরসনে জরুরি সভা

ডেস্ক,২৮ আগষ্ট:
দশম গ্রেড বাস্তবায়ন ও টাইমস্কেল জটিলতা নিরসনে জরুরি সভা ডেকেছে বাংলাদেশ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক সমিতি। আগামী ১ সেপ্টেম্বর সকাল ১০টাই ঢাকার নবাবগঞ্জে নবাবগঞ্জ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালযয়ে জরুরি সভার আয়োজন করা হয়েছে। জরুরী সভায় কেন্দ্রীয় কমিটির সকল সদস্য, জেলা/ উপজেলার প্রতিনিধি ও টাইমস্কেল বঞ্চিত সকল প্রধান শিক্ষকদের উপস্থিত থাকার জন্য অনুরোধ করেছে প্রধান শিক্ষক সমিতির সভাপতি রিয়াজ পারভেজ ও সাধারন সম্পাদক নজরুল ইসলাম।


আলোচ্য সূচিতে আছে
(১) ১০ম গ্রেডের রায় বাস্তবায়নে করনীয়।
(২) বকেয়া টাইমস্কেল বাস্তবায়নে করনীয় ঠিক করা।
(৩) সমিতির গঠনতন্ত্র সংশোধন করে চুড়ান্ত অনুমোদন দেয়া।
(৪) পূর্বের ন্যায় টাইমস্কেল ও সিলেকশন গ্রেড ফিরিয়ে আনা।
(৫) প্রধান শিক্ষকদের পদোন্নতি প্রসঙ্গে।
(৬) বিবিধ।
১০ গ্রেড রায় বাস্তবায়নে কাজ করছে প্রধান শিক্ষক সমিতির চেয়ারম্যান আলাউদ্দিন মোল্লা, সাধারন সম্পাদক নজরুল ইসলাম,সিনিয়ার যুগ্ন সাধারন সম্পাদক এস এম সাইদুল্লাহ,সাংগাঠনিক সম্পাদক খাইরুর ইসলামসহ প্রত্যেক বিভাগের বিভাগীয় সম্বনয়করা। এদিকে টাইমস্কেল জটিলতা নিরসনে কাজ করছে প্রধান শিক্ষক সমিতির সভাপতি রিয়াজ পারভেজ, সিনিয়ার যুগ্ন সাধারন সম্পাদক স্বরুপ দাস ও বিভাগের বিভাগীয় প্রতিনিধিরা। প্রধান শিক্ষকদের সকল সমস্যা দ্রুত সমাধান হবে বলে আশা ব্যক্ত করেছেন সমিতির কেন্দ্রিয় নেতৃবৃন্দ।

প্রাথমিক সমাপনীতে ৩২ সেট প্রশ্ন তৈরি

নিজস্ব প্রতিবেদক,আগস্ট, ২৮, ২০১৯:
আগামী ১৭ নভেম্বর থেকে পঞ্চম শ্রেণির সমাপনী ও ইবতেদায়ি পরীক্ষা শুরু হতে যাচ্ছে। ক্ষুদে শিক্ষার্থীদের এ পরীক্ষা ২৪ নভেম্বর পর্যন্ত চলবে। প্রশ্নফাঁস ঠেকাতে ও সুষ্ঠুভাবে পরীক্ষা আয়োজনে ৩২ সেট প্রশ্ন তৈরি ও গোপনীয়তা বাড়ানোর পদক্ষেপ নিয়েছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়।



সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে সম্প্রতি পরীক্ষা সংক্রান্ত এক সভায় এসব সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন।

সভা সূত্রে জানা গেছে, সমাপনী ও ইবতেদায়ি পরীক্ষা প্রশ্নপত্রের পাণ্ডুলিপি জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি (নেপ) প্রণয়ন করে থাকে। গত তিন বছর একাধিক সেট প্রশ্ন প্রণয়ন করা হলেও, এবার ৩২টি সেট প্রণয়ন করা হবে। সেখান থেকে লটারীর মাধ্যমে নির্বাচন করা হবে ৮টি সেট। সেটগুলোর প্রশ্নপত্রের মাধ্যমে সারাদেশে এ পরীক্ষা আয়োজন করা হবে।

সভা শেষে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী এ পরীক্ষার নিরাপত্তা ও গোপনীয়তা রক্ষার ক্ষেত্রে সবাইকে অধিকতর যত্নবান ও সাবধানতা অবলম্বন করার আহ্বান জানিয়ে বলেন, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে পাবলিক পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁস, পরীক্ষা ও ফলাফল নিয়ে বেশকিছু দুর্নীতির অভিযোগের দায় সরকারকে নিতে হয়েছে। প্রশ্নপত্র প্রণয়ন থেকে শুরু করে ফলাফল প্রকাশ পর্যন্ত সবাই সতর্কতার সঙ্গে ও আন্তরিকভাবে কাজ করলে এ ধরনের ঘটনা এড়িয়ে যাওয়া সম্ভব।

আগামী বছর থেকে প্রাথমিকের শিক্ষক বদলি অনলাইনে

ডেস্ক,২৮ আগষ্ট:
অনলাইনে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক বদলির নীতিমালা প্রণয়নে সফটওয়্যার তৈরির কাজ শুরু হয়েছে। ফলে আগামী বছর থেকে শিক্ষক বদলি অনলাইনে হবে বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন।


সোমবার (২৬ আগস্ট) ঝিনাইদহ সার্কিট হাউসে অনুষ্ঠিত প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়ন বিষয়ক মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, অনলাইনে বদলির নীতিমালা প্রণয়নে সফটওয়্যার তৈরির কাজ শুরু হয়েছে। জানুয়ারি-মার্চ সহকারী শিক্ষক বদলির নীতিমালা সংশোধন হচ্ছে। এ সংক্রান্ত কমিটি এক মাসের মধ্যে নীতিমালা চূড়ান্ত করতে কাজ করছে। প্রাথমিক শিক্ষার কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বঙ্গবন্ধুর আদর্শে উজ্জীবিত হয়ে দিনে কমপক্ষে দুই ঘণ্টা জাতির জন্য ব্যয় করার নির্দেশনা দিয়েছেন প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন।

১৫ আগস্ট প্রথমবারের মতো শোক দিবস পালন করার জন্য প্রতিটি বিদ্যালয়ে দুই হাজার টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিদ্যালয়ে দুই শিফটের পরিবর্তে এক শিফট চালুর কাজ চলমান। এছাড়া, প্রতিটি বিদ্যালয়ে কমপক্ষে ৯টি কক্ষ নিশ্চিতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন তিনি।

বিদেশ সফরের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে প্রাথমিক শিক্ষায় নতুন নতুন বিষয় সংযোজন করা হচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তা-শিক্ষকদের জন্য বিদেশে প্রশিক্ষণের নতুন সুযোগ সৃষ্টি হচ্ছে। এছাড়া, প্রশিক্ষণের সুবিধা বৃদ্ধি করা হয়েছে।

ঝিনাইদহ জেলা প্রশাসকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ঝিনাইদহের জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তারা

মাদরাসা শিক্ষকদের আগস্টের এমপিওর চেক ছাড়

নিজস্ব প্রতিবেদক,২৭ আগষ্ট:
মাদরাসার শিক্ষক-কর্মচারীদের ২০১৯ খ্রিষ্টাব্দের আগস্ট মাসের এমপিওর চেক ছাড় হয়েছে। সোমবার (২৬ আগস্ট) অনুদান বণ্টনকারী রাষ্ট্রায়ত্ত চারটি ব্যাংকে চেক পাঠানো হয়েছে। শিক্ষকরা আগামী ৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বেতন-ভাতার সরকারি অংশের টাকা তুলতে পারবেন।
মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মোহাম্মদ শামসুজ্জামান দৈনিক শিক্ষাবার্তাকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

আদেশের স্মারক নম্বর ৫৭.২৫.০০০০.০০২.০৮.০০৪.১৯-৩৪১

প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগের ফল সেপ্টেম্বরে

নিজস্ব প্রতিবেদক | ২৭ আগস্ট , ২০১৯:
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগের লিখিত পরীক্ষার ফল প্রকাশের কার্যক্রম চূড়ান্ত পর্যায়ে। ৮ থেকে ১০ সেপ্টেম্বর প্রকাশ করা হতে পারে এ ফলাফল। চারটি ধাপে নিয়োগ পরীক্ষা হলেও ৬১ জেলার ফল একত্রে প্রকাশ করা হবে বলে জানিয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা।


সোমবার ডিপিইর মহাপরিচালক ড. এ এফ এম মঞ্জুর কাদির সাংবাদিকদের বলেন, সহকারী শিক্ষক নিয়োগের লিখিত পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের কাজ শেষ পর্যায়ে। ৮ থেকে ১০ সেপ্টেম্বর এ ফল প্রকাশের চিন্তা-ভাবনা করা হচ্ছে। চারটি ধাপে নিয়োগ পরীক্ষা আয়োজন করা হলেও সব জেলায় একত্রে ফলাফল প্রকাশ করা হবে।

তিনি আরও বলেন, ৮ থেকে ১০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে শিক্ষক নিয়োগের লিখিত পরীক্ষার ফল প্রকাশের জন্য প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব দেয়া হয়। মন্ত্রণালয় এ বিষয়ে অনুমোদন দিয়েছে।
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর কর্মকর্তা জানান, লিখিত পরীক্ষার ফল তৈরির কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে। বর্তমানে নম্বর সিট তৈরি করা হচ্ছে। বুয়েটে ওএমআর সিট মূল্যায়ন কাজও শেষ হয়েছে। লিখিত পরীক্ষায় প্রার্থীর সংখ্যা অনেক বেশি হওয়ায় দ্রুত ফল প্রকাশের সিদ্ধান্ত থাকলেও ফল তৈরির কাজ শেষ করতে দুই মাসের বেশি পার হয়ে যাচ্ছে, অথচ এখনও তা প্রকাশ করা সম্ভব হয়নি। প্রায় ১২ হাজার শিক্ষক নিয়োগে প্রার্থীর সংখ্যা ২৪ লাখের বেশি হওয়ায় এমন পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে।

এদিকে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগের লিখিত পরীক্ষার প্রথম ধাপ গত ২৪ মে, দ্বিতীয় ধাপ ৩১ মে, তৃতীয় ধাপ ২১ জুন এবং চতুর্থ ধাপের পরীক্ষা ২৮ জুন অনুষ্ঠিত হয়।

উল্লেখ্য, গত বছরের ৩০ জুলাই ‘সহকারী শিক্ষক’ নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। গত ১ থেকে ৩০ আগস্ট পর্যন্ত অনলাইনে আবেদন কার্যক্রম শেষ হয়।

প্রাইমারি স্কুলে সভাপতির যোগ্যতা ডিগ্রি পাস হচ্ছে

বিশেষ প্রতিনিধি | ২৭ আগস্ট , ২০১৯
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি যোগ্যতায় পরিবর্তন আনা হচ্ছে। বর্তমানে সভাপতির শিক্ষাগত যোগ্যতা নূন্যতম ডিগ্রি পাস। আগে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি হতে শিক্ষাগত যোগ্যতার কোনো বালাই ছিল না।


উল্লেখ্য, সারাদেশের বিভিন্ন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে স্লিপের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে প্রধান শিক্ষক ও সভাপতির বিরুদ্ধে।

মন্ত্রণালয় সংশ্লিষ্টরা বলেছেন, মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিচালনায় পরিবর্তন আনা হচ্ছে। তাই সভাপতির শিক্ষাগত যোগ্যতা নূন্যতম ডিগ্রি পাস করে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরকে প্রস্তাব পাঠাতে বলা হয়েছে। অধিদপ্তর থেকে প্রস্তাব আসার পর এ বিষয়ে নির্দেশনা জারি করা হবে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র।

মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানান, সারাদেশে ৬৫ হাজার ৫৯০টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। সুষ্ঠুভাবে পরিচালনায় প্রতিটি বিদ্যালয়ে ১১ জনের পরিচালনা পর্ষদ রয়েছে। তাদের মধ্যে প্রধান শিক্ষক সদস্য সচিব, একজন শিক্ষক প্রতিনিধি, নিকটবর্তী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের একজন শিক্ষক প্রতিনিধি, জমিদাতার একজন প্রতিনিধি, কাউন্সিলর বা ইউপি সদস্য, শিক্ষানুরাগী দুজন, অভিভাবক প্রতিনিধি চারজনসহ মোট ১১ জন সদস্য নির্বাচন করা হয়। তাদের মধ্যে একজনকে সভাপতি ও একজনকে সহ-সভাপতি হিসেবে নির্বাচন করা হয়।

জানা গেছে, অনেক বিদ্যালয়ে কমিটির সভাপতি হিসেবে নিরক্ষর ব্যক্তিকে নির্বাচন করায় প্রতিষ্ঠান পরিচালনায় নানা প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হয়। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিচালনা ও শিক্ষার মান বাড়াতে তারা কোনো ধরনের সহায়তা ও দিকনির্দেশনা দিতে পারেন না, বরং বিদ্যালয়ের উন্নয়নসহ বিভিন্ন অর্থ হাতিয়ে নিতে ব্যস্ত থাকেন। নানা সময়ে শিক্ষকদের সঙ্গে খারাপ আচরণ করেন। সভাপতিরা স্থানীয় ব্যক্তি ও ক্ষমতাবান হওয়ায় নানা ধরনের অনিয়ম করলেও শিক্ষকরা ভয়ে তাদের বাধা দেন না। এ ধরনের বিভিন্ন অভিযোগ মন্ত্রণালয়ে আসায় যোগ্য ব্যক্তিদের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সভাপতি নির্বাচন করার নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে মন্ত্রণালয়।

জানতে চাইলে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এ এফ এম মঞ্জুর কাদির বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পরিচালনা পর্ষদের সভাপতিরা বিদ্যালয় পরিচালনায় ব্যাপক ভূমিকা পালন করে। প্রতিষ্ঠান পরিচালনার জন্য তাদের অনেক সিদ্ধান্ত ও পরামর্শ বাস্তবায়ন করা হয়। যদি সভাপতি অযোগ্য হন তবে নানা ধরনের সমস্যা সৃষ্টি হয়। বিদ্যালয়ে শিক্ষার মান বাড়াতে পরিচালনা পর্ষদের সভাপতির শিক্ষাগত যোগ্যতা নির্ধারণ করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। তাকে সভাপতি হতে হলে স্নাতক বা ডিগ্রি পাস হতে হবে। তিনি বলেন, এ বিষয়টি কার্যকর করতে মন্ত্রণালয় থেকে প্রস্তাবনা তৈরি করে পাঠাতে বলা হয়েছে। এই প্রস্তাবনায়ই পরিবর্তনের রূপরেখা তুলে ধরা হবে। তারপর প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সভা করে সিদ্ধান্ত দেবে।

শিক্ষা ক্যাডারের বদলির নতুন নীতিমালা

নিজস্ব প্রতিবেদক,২৫ আগষ্ট:
শিক্ষা ক্যাডারে বদলি-পদায়নের আবেদনের হার্ডকপি গ্রহণ করা হবে না বলে জানিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। ক্যাডার কর্মকর্তাদের বদলির আবেদন নির্ধারিত সময়ে ই-মেইলে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠাতে হবে। বিষয়টি জানিয়ে রোববার (২৫ আগস্ট) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়। একই সঙ্গে শিক্ষা ক্যাডার কর্মকর্তাদের বদলির আবেদন ফরম ও প্রকাশ করা হয়েছে।


জানা গেছে, সরকারি কলেজ শিক্ষকদের বদলি-পদায়ন নীতিমালার আলোকে গত ২৮ এপ্রিল শিক্ষা ক্যাডার কর্মকর্তাদের ই-মেইলে বদলির আবেদন পাঠাতে বলা হয়েছিল। একই সঙ্গে ক্যাডার কর্মকর্তাদের বদলির আবেদনের সময় নির্ধারণ করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। প্রভাষক এবং সহকারী অধ্যাপকদের বদলির আবেদন ১ম দফায় জানুয়ারি, ২য় দফায় এপ্রিল, ৩য় দফায় জুলাই এবং ৪র্থ দফায় অক্টোবর মাসে এবং সহযোগী অধ্যাপক ও অধ্যাপকদের ১ম দফায় ফেব্রুয়ারি, ২য় দফায় মে, ৩য় দফায় আগস্ট এবং ৪র্থ দফায় নভেম্বর মাসে ই-মেইলে (ds_college@moedu.gov.bd) বদলির আবেদন করতে বলা হয়েছিল।

সূত্র জানায়, সম্প্রতি লক্ষ করা যাচ্ছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগে অনেক শিক্ষা ক্যাডার কর্মকর্তা ই-মেইল ঠিকানায় আবেদন না করে নীতিমালা ভঙ্গ করে হার্ডকপি জমা দিচ্ছেন। সে প্রেক্ষিতে আজ রোববার বিজ্ঞপ্তি জারি করে শিক্ষা ক্যাডার কর্মকর্তাদের নীতিমালা অনুসরণ করে অনলাইনে বদলির আবেদন পাঠাতে পুনরায় বলেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

জানা গেছে, আজ রোববার (২৫ আগস্ট) থেকে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগে কোনো বদলির আবেদনের হার্ড কপি গ্রহণ করা হবে না বলেও বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

তিন জেলায় নতুন ডিসি

নিজস্ব প্রতিবেদক,২৫ আগষ্ট:
জামালপুরের পর এবার চুয়াডাঙ্গা ও খাগড়াছড়িতে নতুন জেলা প্রশাসক (ডিসি) নিয়োগ দিয়েছে সরকার। রোববার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এই নিয়োগ দিয়ে আদেশ জারি করা হয়েছে।


পরিকল্পনামন্ত্রীর একান্ত সচিব (উপসচিব) মোহাম্মদ এনামুল হককে জামালপুরের নতুন ডিসি নিয়োগ দেয়া হয়েছে। এই জেলার ডিসি ছিলেন আহমেদ কবীর। নারী অফিস সহকারীর সঙ্গে আপত্তিকর ভিডিও প্রকাশের ঘটনায় তাকে ওএসডি করে আজ আদেশ জারি করে সরকার। এরপর অপর এক আদেশে এনামুল হককে নতুন ডিসি হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়।

অন্যদিকে চুয়াডাঙ্গার জেলা প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের উপসচিব মো. নজরুল ইসলাম সরকার এবং খাগড়াছড়ির জেলা প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উপসচিব প্রতাপ চন্দ্র বিশ্বাস।

চুয়াডাঙ্গার জেলা প্রশাসক গোপাল চন্দ্র দাসকে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের উপসচিব এবং খাগড়াছড়ির জেলা প্রশাসক মো. শহীদুল ইসলামকে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উপসচিব হিসেবে বদলি করা হয়েছে।

সড়ক দুর্ঘটনা থেকে বাঁচার উপায়

মোঃ সালাহউদ্দিন:
দৈনিক পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের ভিত্তিতে ঈদ-উল-আযহা কে কেন্দ্র করে ঈদের আগে এবং পরে সড়ক দুর্ঘটনায় ২২৪ জন নিহত হয়েছে এবং মারাত্মক আহত হয়েছে ৯০৮ জন লোক। এভাবে প্রতিদিন সড়ক দুর্ঘটনায় কোন না কোন তাজা প্রাণ ঝরে যাচ্ছে। প্রতি বছর হাজার হাজার মানুষ পঙ্গু হয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছে। এই সব দুর্ঘটনার ফলে থমকে যাচ্ছে বহু পরিবার। সড়ক দুর্ঘটনায় যারা মারা যাচ্ছে এবং যারা আহত হয়ে পঙ্গুত্ব জীবন যাপন করছে একমাত্র তারাই এর কঠিন যন্ত্রণা এবং বাস্তবতা উপলব্ধি করতে পারে।



এই কঠিন বাস্তবতা আপনার আমার জীবনে যে কোন সময় ঘটতে পারে। অতীতে আমরা বহু ইন্টেলেকচ্যুয়াল ব্যক্তিত্বদের হারিয়েছি। এখন প্রশ্ন হলো কেন এত দুর্ঘটনা ? এর থেকে পরিত্রাণের কোনো পথ নেই ? কোন একটা দুর্ঘটনা ঘটলেই বলা হয় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে অথবা ফিটনেস না থাকার কারণে দুর্ঘটনাটি ঘটেছে। আমার পর্যবেক্ষণের আলোকে বলতে পারি শুধুমাত্র চালকদের বেপরোয়া গতিতে গাড়ি চালানো এবং রোড সাইন না বুঝে যেখানে সেখানে ওভারটেক করার কারণে ঘটছে এসব মারাত্মক দুর্ঘটনা।

সড়ক দুর্ঘটনার অনেক কারণ রয়েছে। এসব কারণ সম্পর্কে আমরা প্রায় সকলেই অবগত আছি। তবে দুর্ঘটনার জন্য মূল ভূমিকা পালন করে চালক নিজে। ত্রুটিপূর্ণ গাড়ির কারণে দুর্ঘটনা ঘটলে সেটাও আমি চালককে দায়ী করব। কারণ গাড়ি বের করার পূর্বে গাড়ির চাকা থেকে শুরু করে সবকিছু চেক করার দায়িত্ব চালকের। বর্তমান বেশি দুর্ঘটনা ঘটাচ্ছে বাস চালকেরা। একজন চালককে বুঝতে হবে তার ওপর নির্ভর করছে উক্ত গাড়ির সমস্ত যাত্রীর জীবন এবং তাদের পরিবারের জীবন। তার একটা ভুলের কারণে যেকোনো পরিবারে আসতে পারে ভয়াবহ পরিস্থিতি। সড়ক দুর্ঘটনার জন্য গাড়ির মালিক অনেকাংশে দায়ী কারণ অনেক মালিক গাড়ি মেরামত না করে ত্রুটিপূর্ণ গাড়ি চালাতে চালককে বাধ্য করে।

একজন চালক একটানা ৬ ঘণ্টা গাড়ি চলনার কথা অথচ মালিকরা তাদের দিয়ে দিয়ে প্রায় ১৩/ ১৪ ঘণ্টা গাড়ি চালাচ্ছে। বিশেষ করে সকালের দিকে যেসব দুর্ঘটনাগুলো ঘটে সেটা ঘুমের কারণে ঘটে। গাড়ি চালানো অত্যধিক পরিশ্রমের কাজ যেকোনো সময় ঘুম চলে আসতে পারে। তাই মালিক সমিতি ও শ্রমিক ইউনিয়ন যদি বিষয়টি কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করত তাহলে এইসব দুর্ঘটনা রোধ করা সম্ভব হতো। অনেক যাত্রী চালকদের দ্রুত গতিতে গাড়ি চালাতে উৎসাহিত করে। এটা পরিহার করতে হবে।

যেহেতু বাংলাদেশ অধিক জনসংখ্যার দেশ। তাই মহাসড়কে চলাচল নিষিদ্ধ গাড়িগুলো সম্পুর্নরূপে বন্ধ করা সম্ভব হচ্ছে না যদিও পুলিশের তৎপরতার কারণে অনেক এলাকার মহাসড়কে নিষিদ্ধ গাড়ি গুলো বন্ধ আছে। যেহেতু মহাসড়কের সমস্যাগুলো স্বল্প সময়ে সমাধান করা সম্ভব নয় তাই আমাদের গাড়ির গতি কমাতে হবে। বাস এবং ট্রাক এর ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ গতি ৭০ কিলোমিটার উপরে হওয়া ঝুঁকিপূর্ণ। বেশির ভাগ দূর্ঘটনা ঘটে মহাসড়কের বাঁকে। বাক এলাকায় রাস্তার মাঝখান দিয়ে সাদা লম্বা দাগ দেওয়া থাকে। এই সমস্ত জায়গায় ওভারটেক করা নিষেধ।

আমাদের দেশের বেশিরভাগ চালকদের রোড সাইন না বুঝে ওভারটেক করার চেষ্টা করে ফলে ঘটে যায় মারাত্মক দুর্ঘটনা। ড্রাইভিং লাইসেন্স দেওয়ার পূর্বে চালকদের রোড সাইন, গাড়ির হেডলাইট এর সঠিক ব্যবহার এবং ট্রাফিক আইন এর বেসিক বিষয়গুলোর উপর প্রশিক্ষণ দেওয়া জরুরি। বর্তমান অধিক সি সি যুক্ত বেপরোয়া মোটরসাইকেল চালানোর কারণে বহু প্রাণ অকালে ঝরে যাচ্ছে। এক্ষেত্রে মোটরসাইকেল কেনার ক্ষেত্রে মা-বাবা সতর্ক থাকলে দুর্ঘটনা কমানো সম্ভব। মহাসড়কের এই দুর্ঘটনা কমানোর জন্য সারা দেশে স্পিড গানের ব্যবহার নিশ্চিত করা যেতে পারে। প্রতি জেলায় যদি গাড়িসহ দুটি টিম নিয়োগ করা যায় এবং প্রতিটি টিমকে কমপক্ষে ৩০ কিলোমিটার এলাকা নির্ধারণ করে দিয়ে স্থান পরিবর্তন করে স্পিড গানের মাধ্যমে গাড়ির গতি শনাক্ত করে যদি দ্রুতগতির গাড়ির বিরুদ্ধে মামলার জরিমানা করা অব্যাহত থাকে তাহলে মহাসড়কে চালকরা দ্রুত গতিতে গাড়ি চালাতে সাহস পাবে না। গাড়ির গতি সনাক্ত করার জন্য একজন পুলিশ সদস্য স্পিডগান এবং walkie-talkie সহ কোন গাছের আড়ালে দাঁড়িয়েছে দ্রুতগতির গাড়িগুলো শনাক্ত করে নির্ধারিত ৫০০ মিটার দূরে অবস্থানরত টিমকে কত গতিতে গাড়ি চালাচ্ছে তা ওয়াকি টকির মাধ্যমে উক্ত টিমকে অবহিত করে যদি ওইসব গাড়ির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয় এবং এই ক্ষেত্রে জরিমানা মালিকের পরিবর্তে চালককে বহন করতে হয় তাহলে পরবর্তীতে চালক দ্রুত গতিতে গাড়ি চালানো থেকে বিরত থাকবে ।

এই পদ্ধতিতে স্বচ্ছতার মাধ্যমে কাজ করার জন্য পুলিশ সুপার কর্তৃক বাছাইকৃত সৎ এবং পজিটিভ মনের অধিকারী পুলিশ সদস্যদের নিয়োগ করা গেলে এবং এর সঙ্গে যদি প্রতিটি টিমে একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ করা যায় এবং দুই ঘণ্টা অন্তর অন্তর জেলা প্রশাসক এবং পুলিশ সুপার মহোদয় নির্দেশনা মূলক পরামর্শ দেয় তাহলে উক্ত টিম কাজ করতে উৎসাহিত হবে। এছাড়া এ টিম মহাসড়কে নসিমন করিমন এবং ইজিবাইক সহ মহাসড়কে নিষিদ্ধ গাড়ির বিরুদ্ধে জরিমানা করে মহাসড়ক নিয়ন্ত্রণ করতে সক্ষম হবে। স্পিড গানের ব্যবহার যদি সারাদেশে মহাসড়কে সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত স্থান পরিবর্তন করে ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক নগদ জরিমানা করা অব্যাহত থাকে তাহলে আমার বিশ্বাস সারাদেশের মহাসড়ক ৭ দিনের মধ্যে নিয়ন্ত্রণ আসতে বাধ্য এবং জাতি এই অভিশপ্ত দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পাবে। আমার অভিমত সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত দ্রুতগতির গাড়ির বিরুদ্ধে যে নগদ জরিমানা করা হবে তার শতকরা ৫০ ভাগ টাকা ম্যাজিস্ট্রেটসহ উক্ত টিমকে ইন্সেন্টিভ হিসেবে দেওয়া হলে এবং অবশিষ্ট ৫০ ভাগ টাকা সরকারি কোষাগারে জমা করলে উক্ত কাজ করতে তারা উৎসাহিত হবে।

মোঃ সালাহউদ্দিন, পুলিশ পরিদর্শক, শহর ও যানবাহন, ঝিনাইদহ ০১৭৩৩৫৩৪৩৮৪
email ksalahuddin84@gmail.com

প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সময়সুচিতে পরিবর্তন চান শিক্ষকরা

নিজস্ব প্রতিবেদক,২৪ আগষ্ট ২০১৯:
৫+ বয়স থেকে ১১+ বয়স পর্যন্ত শিশুরা প্রাথমিক বিদ্যালয়ে লেখাপড়া করে। শিশু শ্রেণি থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত প্রাথমিক শিক্ষা স্তর। এ স্তরে শিশুদের শারীরিক, মানসিক ও নৈতিক মূল্যবোধের বিকাশ ঘটে। এ স্তরে শিশুরা অবাধ বিচরণের মাধ্যমে, খেলাধুলার মাধ্যমে, মুক্ত পরিবেশে ও প্রকৃতিকে চেনার মাধ্যমে শিক্ষাগ্রহণ করে। আমাদের দেশের প্রাথমিক স্তরের শিশুরা নানা কারণে শারীরিক ও মানসিক বিকাশের সুযোগ পায়না। এর মধ্যে একটি কারণ হচ্ছে শিশুর দৈহিক ও মানসিকতার পরিপন্থী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সময়সূচি।



প্রাথমিক স্তরের শিশুরা বিদ্যালয়ে সকাল ৯টা থেকে বিকাল সাড়ে ৪ পর্যন্ত অবস্থান করতে হয়। এতো দীর্ঘ সময় খাঁচার মধ্যে বন্দি থাকার মতো অবস্থায় ধরা বাঁধা নিয়মের মধ্যে থেকে কিভাবে শিশুদের দৈহিক ও মানসিক বিকাশ ঘটে তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। এছাড়া দীর্ঘ সময় স্কুলে থাকতে হওয়ায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে স্কুল ফাঁকি দেওয়ার বা না আসার প্রবণতা তৈরি হয়। তারা স্কুলকে ভয় পায়। যেটি ড্রপ আউট হওয়ার অন্যতম কারণ বলে মনে করেন অনেকে।

এরই মধ্যে ২০২৩ সালের মধ্যে সারাদেশের সকল প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ‘মিড ডে’ মিল চালু খসড়ার অনুমোদন দিয়েছে সরকার। এ নিয়ে শিক্ষকদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। তাদের মতে এতে শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত হবে। প্রতিদিন ব্যাপক সংখ্যক ছাত্রছাত্রীর জন্য খাবার প্রস্তুত করা বিশাল কর্মযজ্ঞের ব্যাপার। এতে দৈনন্দিন শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত হতে পারে।

সোশাল মিডিয়ায় এ নিয়ে নানান রকম প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছেন শিক্ষকরা। আবু জাফর মানিক নামে একজন লিখেছেন, ‘মিড ডে মিল এর পরিবর্তে কর্মঘন্টা কমিয়ে ও পিছিয়ে এক শিফট সকাল ৯-২ টা বেশি ফলপ্রসূ হবে। মিড ডে মিল ছাত্র,ছাত্রী, শিক্ষক, কমিটি সবাই রান্না ও বিতরণ নিয়ে সময় পার করবে। লেখাপড়ায় বিঘ্ন ঘটবে।’

ওমর ফারুক লিখেছেন, মিড ডে মিল এর পরিবর্তে কর্মঘন্টা কমিয়ে দিলে, শিক্ষা উপকরন দিলে বেশি ফলপ্রসূ হবে আশা করি।

স্বপন কুমার দাশ লিখেছেন, যদি মিড ডে মিল প্রতি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে রান্না করে শিশুদের খাওয়ানো হয়, তাহলে রান্না করা আর খাওয়া দাওয়ায় সারাদিন শেষ হয়ে যাবে,যা মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিতের প্রধান অন্তরায় হবে।

মিজান রহমান লিখেছেন, ‘শুরু ৯.০০! বিরতি মাত্র ৩০ মিনিট! শিশুদের খেলাধুলা এবং মিড ডে মিল! ৪.১৫ ক্লাস শেষ! শিশুদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশ কতটুকু সম্ভব ?
প্রধান শিক্ষক সমিতির যুগ্ন সাধারন সম্পাদক স্বরুপ দাস বলেন মানসম্মত প্রাথমিক শিক্ষা বাস্তবায়ন করতে হলে অবশ্যয় শিশুদের কর্মঘন্টা কমাতে হবে। কারন মানসম্মত প্রাথমিক শিক্ষা বাস্তবায়নের প্রধান অন্তরায় কর্মঘন্টা। তাছারা বিকাল সাড়ে ৪ টায় বিদ্যালয় শেষ হলে শিশুদের খেলার জন্য থাকে না সময়। ফলে শারিরিক বিকাশ বাধাগ্রস্থ হয়।

Responsive WordPress Theme Freetheme wordpress magazine responsive freetheme wordpress news responsive freeWORDPRESS PLUGIN PREMIUM FREEDownload theme free

hit counter