টপ খবর

ব্যাংক ঋণ পেতে শারীরিক সম্পর্ক করতে হবে!

অনলাইন ডেস্ক

বেসরকারি একটি ব্যাংক থেকে ঋণ চেয়েছিলেন এক নারী। কিন্তু ঋণ পেতে হলে ওই নারীকে শারীরিক সম্পর্কে লিপ্ত হতে হবে বলে জানান ব্যাংক ব্যবস্থাপক। এমন অভিযোগে ওই নারী প্রকাশ্যে জুতাপেটা করেন ওই কর্মকর্তাকে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে এই মারধরের ছবি ও ভিডিও।

ভারতের টেলিভিশন চ্যানেল এনডিটিভির প্রতিবেদন বলা হয়, গতকাল সোমবার ভারতের কর্ণাটক রাজ্যের দাওয়ানগর শহরে এই ঘটনা ঘটে। বার্তা সংস্থা এএনআইকে ওই নারী জানিয়েছেন, তিনি সেখানকার একটি ব্যাংকে ১৫ লাখ রুপি ঋণের জন্য আবেদন করেন। কিন্তু ব্যাংকের ব্যবস্থাপক ঋণ পাইয়ে দিতে তার সঙ্গে শারীরিক সম্পর্কের প্রস্তাব দেন। এমন প্রস্তাবের জন্য তিনি রাস্তায় ওই ব্যাংক ব্যবস্থাপককে জুতাপেটা করেন।

সাম্প্রতি যৌন হেনস্তার বিরুদ্ধে #মিটু আন্দোলনে তোলপাড় ভারতজুড়ে। অভিনেতা, খেলোয়াড়, লেখকসহ অনেকেই অভিযুক্তদের তালিকায় রয়েছে। শুধু পুরুষরাই নয় #মিটু-তে বিদ্ধ হয়েছেন বলিউডের অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাউত। তার বিরুদ্ধে যৌন হেনস্তার অভিযোগ করেছেন প্রাক্তন প্রেমিক অধ্যয়ন সুমন। কিন্তু সাধারণ মহিলাদেরও তো দৈনন্দিন জীবনে নানাভাবে যৌন হেনস্তার মুখে পড়তে হয়। ঠিক যেমন পড়তে হয়েছে কর্নাটকে ওই নারীকে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ওই ভিডিওতে দেখা যায়, সালোয়ার-কামিজ পরা মধ্যবয়সী এক নারী শার্ট-প্যান্ট পরা এক লোকের কলার ধরে টানছেন আর লাঠি দিয়ে মারছেন। এ সময় ওই নারী লোকটাকে পুলিশ ফাঁড়িতে যাওয়ার জন্য বলছেন। ৫০ সেকেন্ডের ওই ভিডিও ক্লিপে দেখা যায়, লাঠি দিয়ে মারার পাশাপাশি ওই নারী লোকটাকে পা দিয়ে আঘাত করছেন। একপর্যায়ে চটি দিয়েও পেটান।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ভিডিওটি শেয়ার হওয়ার পর মাত্র এক ঘণ্টার মাথায় ২৫ হাজার মানুষ তা দেখেন এবং অনেকেই তাতে মন্তব্য করেন। মন্তব্যকারীদের বেশির ভাগই ওই নারীকে প্রকৃত নায়ক বলে অবহিত করেন। আবার কয়েকজনকে লিখতে দেখা যায়, ‘এটা হলো আসল #মি টু’।

এদিকে ব্যাংক ব্যবস্থাপকের ঘটনাটি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে দেশটির পুলিশ।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

প্রশ্নের উত্তর দিতে না পেরে অনশনে ঢাবি ছাত্র

ডেস্ক: ফাঁস হওয়া প্রশ্নে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘ঘ’ ইউনিটের ভর্তিপ্রক্রিয়া বাতিলসহ চারটি দাবিতে ঢাকা বিশ্ববিদালয়ের আইন বিভাগের তৃতীয় বর্ষের ছাত্র আখতার হোসেন অনশনে বসেছেন। মঙ্গলবার দুপুর সাড়ে ১২টা থেকে রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে তার এই অনশন শুরু হয়।

আমরণ অনশনে বসার কারণ হিসেবে আখতার জানান, ভর্তি-ইচ্ছুক ১৩ জন ছাত্রকে তিনি পড়াতেন। এবার প্রশ্নপত্র ফাঁসের পর ছাত্রদের একজনের প্রশ্ন ছিল, ‘স্যার, আমরা এত পড়াশোনা করলাম, কিন্তু প্রশ্ন ফাঁস হওয়ায় আমরা কি চান্স পাব? তাহলে কি আমরা দুর্নীতির কাছে হেরে গেলাম?’

ছাত্রের এই প্রশ্নের সদুত্তর দিতে না পারাই ২০১৫-১৬ সেশনে ‘ঘ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় ১৪তম হওয়া আখতার হোসেন আমরণ অনশনে বসেন।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

দুর্গাপূজা উপলক্ষে বিজয় ফুল প্রতিযোগিতার সূচি পরিবর্তন

নিজস্ব প্রতিবেদক |

দুর্গাপূজা উপলক্ষে বিজয় ফুল প্রতিযোগিতার সময় পরিবর্তন করেছে। পরিবর্তিত সূচি অনুযায়ী স্কুল পর্যায়ের প্রতিযোগিতা আগামী ২৮ অক্টোবর, উপজেলা পর্যায়ের প্রতিযোগগিতা ৩১ অক্টোবর, জেলা পর্যায়ের প্রতিযোগিতা ২ নভেম্বর ও বিভাগ পর্যায়ের প্রতিযোগিতা ৬ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হবে।

তবে জাতীয় পর্যায়ের প্রতিযোগিতার সময়ের কোন পরিবর্তন করা হয়নি। ১৩ ডিসেম্বর জাতীয় পর্যায়ের প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে। মঙ্গলবার (১৬ অক্টোবর) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের  চিঠিতে সূচি পরিবর্তনের বিষয়টি জানানো হয়।

আগের সূচি অনুয়ায়ী ১৭ অক্টোবর স্কুল পর্যায়ের প্রতিযোগিতা, ২০ অক্টোবর উপজেলা পর্যায়ের প্রতিযোগিতা, ২৩ অক্টোবর জেলা পর্যায়ের প্রতিযোগিতা ও ২৭ অক্টোবর বিভাগ পর্যায়ের প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিলো। কিন্তু বিদ্যালয় পর্যায়ের প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠানের নির্ধারিত দিন ১৭ অক্টোবর দুর্গা পূজা বা মহাঅষ্টমী পূজা রয়েছে। উপজেলা পর্যায়ের প্রতিযোগিতাও বিজয়া দশমীর পরদিন ২০ অক্টোবর ছুটির মধ্যে অনুষ্ঠানের কথা ছিলো।

এদিকে বিজয় ফুল প্রতিযোগিতার সূচি পরিবর্তনে  মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এ সিদ্ধান্তকে  সাধুবাদ জানিয়েছেন বঙ্গবন্ধু প্রাথমিক শিক্ষা ও গবেষণা পরিষদের নেতারা।

এর আগে সোমবার (১৫ অক্টোবর) পূজার ছুটির পরে বিজয় ফুল প্রতিযোগিতা আয়োজনের দাবি জানিয়েছিলেন বঙ্গবন্ধু প্রাথমিক শিক্ষা ও গবেষণা পরিষদের নেতারা। দৈনিকশিক্ষা ডটকমে পাঠানো এক যুক্ত বিবৃতিতে সংগঠনের আহ্বায়ক মো. সিদ্দিকুর রহমান, যুগ্ম আহ্বায়ক গোলাম মোস্তফা ও সদস্য সচিব সুব্রত রায় বলেন, পূজার ছুটি সময় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানভিত্তিক প্রতিযোগিতাটির সময় নির্ধরিত হওয়ায় হিন্দু সম্প্রদায়ের শিক্ষার্থীরা অনেকেই এ প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ থেকে বঞ্চিত হবে।

কারণ বিদ্যালয় পর্যায়ে নির্ধারিত ১৭ অক্টোবর বড় পূজা বা মহাঅষ্টমী পূজা। ২০ অক্টোবর উপজেলা পর্যায়ের প্রতিযোগিতাও ছুটির মধ্যে বিজয়া দশমীর পরদিন। হিন্দু সম্প্রদায়ের শিক্ষকরাও পূজার ছুটি সানন্দে উপভোগ করতে পারবেন না। ফলে এ নিয়ে শুধু হিন্দু সম্প্রদায়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরাই নয় জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সাথে সংশ্লিষ্ট সকলের মধ্যে চাপা অসন্তুষ্টি বিরাজ করছে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

প্রশ্ন ফাঁস: ঢাবি ‘ঘ’ ইউনিটের ফল স্থগিত

নিজস্ব প্রতিবেদক,১৫ অক্টোবর: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদভুক্ত ‘ঘ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার ফল স্থগিত করা হয়েছে। সোমবার সকালে এক বিজ্ঞপ্তিতে ফল প্রকাশ স্থগিতের সিদ্ধান্তের কথা জানায় ঢাবি কর্তৃপক্ষ। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, উপাচার্য দপ্তরের অ্যাসাইনমেন্ট অফিসারের পাঠানো ভুল তথ্যের জন্য ‘মঙ্গলবার ঘ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হবে’ মর্মে সোমবার প্রেস বিজ্ঞপ্তি পাঠানো হয়। কিন্তু উপাচার্যের নির্দেশে এ সিদ্ধান্ত স্থগিত করা হয়েছে। ফল প্রকাশের বিষয়ে যথাসময়ে প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানানো হবে।

এদিকে ‘ঘ’ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র পরীক্ষার আগের দিন রাতে ফাঁস হয়েছে বলে শনিবার রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে করা এক এজাহারে অভিযোগ করা হয়েছে। পরীক্ষার দিন সকাল পর্যন্ত সেটি বিক্রি হয়েছে বলেও তথ্য মিলেছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান নিরাপত্তা কর্মকর্তা এস এম কামরুল হাসান ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ২০১৮ এর ২২(২), ৩৩(২) ধারা সহ পাবলিক পরীক্ষা (অপরাধ) আইন, ১৯৮০ এর ১৩/৪ ধারায় এ মামলা করেন।

ওই মামলায় গ্রেপ্তার আসামিরা হলেন, জাহিদুল ইসলাম (৪৫), ইনসান আলী ওরফে রকি (১৯), মো. মোস্তাকিম হোসেন (২০), মো: সাদমান সালিদ (২১), মো. তানভীর আহমেদ (২১), মো. আবু তালেব (১৯)। সবাই বগুড়ার স্থায়ী বাসিন্দা। তারা রিমান্ডে স্বীকারোক্তিও দিয়েছেন।

ডিজিটাল ডিভাইসের মাধ্যমে বৃহস্পতিবার মধ্যেরাত থেকে পরীক্ষার দিন সকাল পর্যন্ত বগুড়ার রাহেমা কোচিং সেন্টারের সাব্বির ও গুগল এডমিশন অ্যান্ড ইনফরমেশন সেন্টারের লিমন ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র সংগ্রহ করে এবং পরে তিন লাখ টাকায় তা বিক্রি করা হয়।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা ডিসেম্বরে

নিজস্ব প্রতিবেদক |

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগের লিখিত পরীক্ষা ডিসেম্বরের মধ্যে নেয়া শুরু হবে। জানুয়ারির মধ্যে মৌখিক পরীক্ষা শেষ এবং ফেব্রুয়ারি মধ্যে ফল প্রকাশ করার পরিকল্পনা রয়েছে। একসঙ্গে সবজেলায় পরীক্ষা না হয়ে ৩/৪টি করে জেলায় একসঙ্গে পরীক্ষা হবে। এবার রেকর্ডসংখ্যক প্রার্থীর আবেদন ও পরীক্ষার হল সংকটের কারণে এ পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমান ফিজার শিক্ষাবার্তাকে  বলেন, মামলার কারণে দীর্ঘদিন রাজস্ব খাতের শূন্যপদে শিক্ষক নিয়োগ দেয়া যায়নি। অনেক পদ শূন্য। এ মাসের মধ্যেই সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা শুরুর চিন্তাভাবনা ছিল। কিন্তু ওএমআর ফরমসহ অন্যান্য দ্রব্যাদি কেনাকাটায় সরকারি ক্রয় আইন (পিপিআর) অনুসরণ করতে গিয়ে আমাদের গতি একটু কমে যাচ্ছে। তাছাড়া একসঙ্গে সারা দেশে পরীক্ষা নেয়া যাচ্ছে না। নভেম্বর মাসজুড়ে দুটি বড় পরীক্ষা আছে। তাই পরীক্ষা হল পাওয়া যাচ্ছে না। সবমিলিয়ে পরীক্ষা ডিসেম্বরে চলে যাচ্ছে। হল পাওয়া সাপেক্ষে ৩/৪টি করে জেলার পরীক্ষা একসঙ্গে নেয়া হবে।

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ১২ হাজার শিক্ষক নিয়োগে ৩০ জুলাই বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। ১-৩০ আগস্ট অনলাইনে আবেদন নেয়া হয়। মোট ২৪ লাখ ১ হাজার ৫৯৭ জন আবেদন করেছেন। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের (ডিপিই) কর্মকর্তারা বলছেন, এর আগে সর্বশেষ নিয়োগে প্রায় ১২ লাখ প্রার্থী আবেদন করেছিল। সে হিসাবে এবার প্রার্থী দ্বিগুণ।

কর্মকর্তারা আরও জানান, সর্বশেষ নিয়োগে সারা দেশে ৩ হাজার ৬৬২ কেন্দ্রে পরীক্ষা নেয়া হয়। এবার দ্বিগুণ প্রার্থী হওয়ায় কেন্দ্রের সংখ্যা বাড়ানো দরকার। কিন্তু উপজেলা-জেলা পর্যায়ে এত কেন্দ্র পাওয়া কঠিন। এ কারণে উপজেলা সদরের কাছাকাছি পরীক্ষা কেন্দ্র নির্বাচনের সিদ্ধান্ত হয়েছে। কেন্দ্র নির্বাচনের দায়িত্ব জেলা প্রশাসকদের দেয়া হয়েছে। এখন জেলা প্রশাসকরা কেন্দ্র ঠিক করে দিলে দুই তা ততোধিক জেলায় একসঙ্গে পরীক্ষা নেয়া হবে। এই পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে নেয়ার জন্য মন্ত্রণালয় ২০ সেট প্রশ্নপত্র তৈরি করবে।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে, আগে এই নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্ন তৈরিসহ পরীক্ষা গ্রহণে নেতৃত্ব দিত ডিপিই। প্রশ্নপত্র ফাঁস রোধে আরও কড়াকড়ি আনা এবং সুষ্ঠুভাবে পরীক্ষা আয়োজনে এবার প্রশ্ন নির্বাচন ও আসন বিন্যাস মন্ত্রণালয় থেকে নির্ধারণ করে দেয়া হবে। ডিজিটাল পদ্ধতিতে প্রণয়ন করা হবে নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র। ওএমআর ফরম ডিজাইন ও মূল্যায়ন, পরীক্ষার সময়সূচি, ফলাফল প্রক্রিয়াকরণ ও প্রকাশ এবং পরীক্ষা কেন্দ্রের আসন বিন্যাসের পদ্ধতি উন্নয়ন বিষয়েও সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব আকরাম আল হোসেন  শিক্ষাবার্তাকে বলেন, পরীক্ষার ব্যাপারে বুয়েটের সঙ্গে বৈঠক হয়েছে। ওএমআর ফরম কেনার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। পরীক্ষা কেন্দ্র বাড়াতে এবার উপজেলা সদরের পাশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে কেন্দ্র বাড়ানোর প্রস্তাব এসেছে। কেন্দ্র নিশ্চিতকরণের দায়িত্ব প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরকে দেয়া হয়েছে। তারা প্রতিটি জেলা প্রশাসকের সঙ্গে আলোচনা করে কেন্দ্র বৃদ্ধি ও পরীক্ষা আয়োজনের জন্য সময় নির্ধারণ করবে। এরপর নিয়োগ পরীক্ষার সময় ঘোষণা করা হবে। একই সঙ্গে যদি সব জেলায় একসঙ্গে কেন্দ্র খালি না পাওয়া যায় তবে কয়েকটি জেলায় সমন্বয় করে পর্যায়ক্রমে নিয়োগ পরীক্ষা আয়োজন করা হতে পারে।

আকরাম আল-হোসেন আরও বলেন, এবার তিন ধাপের পরীক্ষার মাধ্যমে এই নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ করার চিন্তা ছিল। কিন্তু সময়স্বল্পতার কারণে আগের মতোই দুই স্তরের পরীক্ষায় নিয়োগ করা হবে। সে অনুযায়ী ৮০ নম্বরে এমসিকিউ পদ্ধতির লিখিত পরীক্ষার পর ২০ নম্বরে ভাইভা নেয়া হবে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

বিশ্ব জুড়ে আগামী ৪৮ ঘণ্টা বিপর্যস্ত হতে পারে ইন্টারনেট পরিষেবা!

সংবাদ সংস্থা,নয়াদিল্লি|১২ অক্টোবর:

আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে বিশ্ব জুড়ে ইন্টারনেট পরিষেবা বিপর্যস্ত হবে। কি ডোমেন সার্ভারের রুটিন মেরামতের কারণে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের এই সমস্যার মুখোমুখি হতে হবে বলে এক রিপোর্টে উল্লেখ করেছে রাশিয়া টুডে। ফলে ওই সময়ের মধ্যে ওয়েব পেজ খোলায় সমস্যা হবে, ব্যাহত হতে পারে ইন্টারনেটের সঙ্গে জড়িত সমস্ত রকম লেনদেনও। এমনকি ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধও হয়ে যেতে পারে বলে জানানো হয়েছে।

রাশিয়া টুডে-র রিপোর্টে বলা হয়েছে, দি ইন্টারনেট কর্পোরেশন অব অ্যাসাইনড নেমস অ্যান্ড নাম্বারস (আইসিএএনএন) এই মেরামতির কাজ করবে। ইন্টারনেটের অ্যাড্রেস বুক বা ডোমেন নেম সিস্টেম(ডিএনএস)-কে সুরক্ষিত রাখার জন্য যে ‘ক্রিপটোগ্রাফিক কি’ রয়েছে তা বদলানোর কাজ চলবে এই সময়ে।

কেন এমন সিদ্ধান্ত?

আইসিএএনএন জানিয়েছে, বিশ্ব জুড়ে যে ভাবে সাইবার হানা বাড়ছে, হ্যাকারদের কবল থেকে ইন্টারনেটকে সুরক্ষিত রাখতেই এই ‘ক্রিপটোগ্রাফিক কি’ বদলানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

কমিউনিকেশনস রেগুলেটরি অথরিটি(সিআরএ) এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ডিএনএস-কে আরও সুরক্ষিত করতে এই সময়ের জন্য বিশ্ব জুড়ে ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ করে দেওয়া জরুরি। সিআরএ আরও জানিয়েছে, নেটওয়ার্ক অপারেটরস বা ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার-রা (আইএসপি) যদি এই অবস্থার জন্য প্রস্তুতি না নেয় তা হলে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীরা সমস্যার মুখে পড়তে পারেন। তবে সিস্টেম সিকিউরিটি এক্সটেনশন-কে যদি যথাযথ ভাবে সক্রিয় রাখা যায়, তা হলে কিছুটা হলেও এর প্রভাব আটকানো সম্ভব হবে বলে জানিয়েছে সিআরএ। তবে বিশেষজ্ঞদের একাংশ বলছেন, এ নিয়ে অযথা আতঙ্কিত হওয়ার কারণ নেই। শাট ডাউন মানেই যে ইন্টারনেট পরিষেবা পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যাবে, এমনটা নয়।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

অভিন্ন রেজিস্ট্রেশনে সব বোর্ড পরীক্ষা

সব ধরনের পাবলিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য একজন শিক্ষার্থীর একটিমাত্র রেজিস্ট্রেশন নম্বর থাকবে। প্রাথমিক সমাপনী (পিইসি) থেকে শুরু করে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা পর্যন্ত সব বোর্ড পরীক্ষায় থাকবে এই একই নম্বর। আগামী ২০১৯ সালের জানুয়ারি থেকেই এই নিয়ম কার্যকর হবে বলে জানিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এ জন্য তৈরি করা হচ্ছে বিশেষ সফটওয়্যার। এতে প্রতিটি রেজিস্ট্রেশন নম্বরের বিপরীতে সংশ্নিষ্ট শিক্ষার্থীর বিস্তারিত একাডেমিক তথ্য সংরক্ষণ করা হবে।

শিক্ষাবিদরা মনে করছেন, অভিন্ন রেজিস্ট্রেশন পদ্ধতি চালু করা গেলে স্কুল-কলেজে অনিয়ম কমবে। সরকারি বৃত্তি পেতে অথবা অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা নিতে শিক্ষার্থীর সংখ্যা বাড়িয়ে দেখানোর প্রবণতা কমে যাবে। আবার দুর্নীতি-অনিয়ম করে আসনের বেশি ভর্তি করিয়ে সরকারি কাগজপত্রে শিক্ষার্থী কম দেখানোর সুযোগও কমে যাবে। শিক্ষা বোর্ডগুলোর রেজিস্ট্রেশন রিপ্লেস জালিয়াতিও চিরতরে বন্ধ হবে। পাশাপাশি জানা যাবে, বিভিন্ন স্তরে ঝরে পড়া শিক্ষার্থীর প্রকৃত সংখ্যা।

২০১৯ শিক্ষাবর্ষের শুরু থেকেই এ পদ্ধতি কার্যকর করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। জানুয়ারিতে ভর্তি শেষ হওয়ার পর পঞ্চম, অষ্টম, নবম ও একাদশ শ্রেণির ছাত্রছাত্রীদের এই অভিন্ন রেজিস্ট্রেশনের আওতায় আনা হবে। সরকারি হিসেবে ২০১৯ শিক্ষাবর্ষে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরে মোট শিক্ষার্থী হবে চার কোটি ২৬ লাখ ১৯ হাজার। নতুন এ পদ্ধতি কার্যকর করতে এরই মধ্যে একটি সফটওয়্যার তৈরির কাজে হাত দিয়েছে এ মন্ত্রণালয়। মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন ‘বাংলাদেশ শিক্ষাতথ্য ও পরিসংখ্যান ব্যুরো’কে (ব্যানবেইস) এ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

বর্তমানে প্রতিটি পাবলিক পরীক্ষার জন্য একজন শিক্ষার্থীকে ভিন্ন ভিন্ন রেজিস্ট্রেশন করতে হয়। এতে একজন শিক্ষার্থীর প্রতিটি পরীক্ষার রেজিস্ট্রেশন এবং রোল নম্বরও ভিন্ন হয়। এতে শিক্ষার্থীদের প্রকৃত তথ্য বের করা জটিল হয়ে পড়ে। নতুন পদ্ধতিতে একজন শিক্ষার্থীর প্রাথমিক সমাপনীর রেজিস্ট্রশন নম্বর তার উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা পর্যন্ত কার্যকর থাকবে। একই রেজিস্ট্রেশন নম্বর নিয়ে সব পরীক্ষায় অংশ নেবে ছাত্রছাত্রীরা। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এ সিদ্ধান্ত কার্যকর করার উপযুক্ত একটি সফটওয়্যার তৈরির কাজে হাত দিয়েছে ব্যানবেইস।

এ বিষয়ে ব্যানবেইসের মহাপরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) মো. ফসিউল্লাহ সমকালকে বলেন, ‘আগামী ২০১৯ শিক্ষাবর্ষ থেকে সব পরীক্ষা একটিমাত্র রেজিস্ট্রেশন নম্বরের মাধ্যমে হবে। শিক্ষার্থীদের প্রাপ্ত বৃত্তির টাকা, তাদের জন্য সরকার প্রদত্ত স্বাস্থ্যসেবা, জাতীয় পর্যায়ের খেলাধুলায় অংশগ্রহণ- এর সবই হবে এই একটি মাত্র রেজিস্ট্রেশন নম্বরের মাধ্যমে।’ তিনি বলেন, ‘একজন ছাত্র ও ছাত্রীকে ‘ডিজিটালি’ চেনা হবে তার রেজিস্ট্রেশন নম্বরের মাধ্যমে। এ জন্য ব্যানবেইসে একটি ডাটাবেস গড়ে তোলার কাজ চলছে। এর ফলে কোন শিক্ষার্থী স্কুল থেকে চলে গেল, কে ঝরে গেল, কে মাদ্রাসায় ভর্তি হলো, কে কারিগরি শিক্ষায় ভর্তি হলো, কে পরীক্ষা ড্রপ করল, সবই রেজিস্ট্রেশন ট্র্যাকিংয়ের মাধ্যমে জানা যাবে। শিক্ষার্থীর একাডেমিক পারফরম্যান্সের সব তথ্য এ রেজিস্ট্রেশন নম্বরের বিপরীতেই পাওয়া যাবে।’

ব্যানবেইস সূত্র জানায়, কেবল ছাত্রছাত্রীদের জন্য নয়, শিক্ষকদের জন্যও একটি পৃথক তথ্যভাণ্ডার (ডাটাবেস) গড়ে তোলা হচ্ছে। এ জন্য পৃথক আরেকটি সফটওয়্যার তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন প্রতিটি দপ্তরের সঙ্গে এই তথ্যভাণ্ডারের ‘ইন্টিগ্রিটি কানেকটিভিটি’ থাকবে। এসব প্রতিষ্ঠান তাদের দাপ্তরিক প্রয়োজনে এই তথ্যভাণ্ডারের তথ্য ব্যবহার করতে পারবে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন ‘পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তরের (ডিআইএ) যুগ্ম পরিচালক বিপুল চন্দ্র সরকার সমকালকে বলেন, অটোমেশন পদ্ধতিতে সব শিক্ষা দপ্তরের সঙ্গে একটি ‘ইন্টিগ্রিটি কানেটিভিটি’ গড়ে তোলা হচ্ছে। এতে কোনো শিক্ষকের সনদ জাল কি-না, ডিআইএ তা সহজেই যাচাই করতে পারবেন। এ ছাড়া সংশ্নিষ্ট শিক্ষকের নিয়োগ সংশ্নিষ্ট তথ্যাদি, শিক্ষাগত যোগ্যতা, প্রশিক্ষণ, এমপিওভুক্তিজনিত বিভিন্ন তথ্য ইত্যাদি সব একসঙ্গে এক জায়গায় পাওয়া যাবে। তিনি বলেন, আগে এসব যাচাই করতে বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের মধ্যে চিঠি চালাচালি করতে হতো। নতুন এ প্রক্রিয়ায় যে কোনো তদন্ত ও যাচাইয়ের ক্ষেত্রে দীর্ঘসূত্রতা কমবে।

সরকারের নতুন এ উদ্যোগ প্রসঙ্গে বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) কম্পিউটার বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ কায়কোবাদ সমকালকে বলেন- কিশোর, তরুণ-তরুণী সবার সব একাডেমিক তথ্য একটিমাত্র রেজিস্ট্রেশন নম্বর প্রেস করে এক জায়গায় পাওয়া যাবে- এ উদ্যোগ নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয়। তবে পরামর্শ হলো, এ প্রক্রিয়ার কারিগরি ত্রুটির দিকে যেন গুরুত্বের সঙ্গে লক্ষ্য রাখা হয় এবং ডাটাবেইসে সঠিক তথ্য সন্নিবেশ করতে যেন আন্তরিকতা দেখানো হয়।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

অক্টোবরে হচ্ছে না প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা

নিজস্ব প্রতিবেদক,১১ অক্টোবর: সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা নিয়ে হিমশিম খাচ্ছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। রেকর্ড সংখ্যক আবেদন হওয়ায় এমন পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। এ কারণে অক্টোবরে পরীক্ষার আয়োজন হওয়ার কথা থাকলেও তা পিছিয়ে দেয়া হয়েছে। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

গতকাল মঙ্গলবার শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা আয়োজন নিয়ে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে সচিব আকরাম আল হোসেনের সভাপত্বিতে একটি সভা অনুষ্ঠিত হয়। সে সভায় পরীক্ষা কেন্দ্র বাড়ানো, ডিজিটাল পদ্ধতিতে নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র প্রণয়ন, ওএমআর ফরম ডিজাইন ও মূল্যায়ন, পরীক্ষার সময়সূচি, ফলাফল প্রক্রিয়াকরণ ও প্রকাশ এবং পরীক্ষা কেন্দ্রের আসন বিন্যাসের পদ্ধতি উন্নয়ন বিষয়ে আলোচনা হলেও পরীক্ষা-সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো নিয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া সম্ভব হয়নি।

সভায় উপস্থিত প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব এ এফ এম মনজুর কাদির বুধবার বলেন, নিয়োগ পরীক্ষা-সংক্রান্ত বিষয়ে সভায় সার্বিক বিষয় তুলে ধরা হয়েছে। যেহেতু এবার ১২ হাজার শিক্ষক নিয়োগের জন্য ২৪ লাখের বেশি প্রার্থী আবেদন করেছে, সেহেতু আমাদের বড় ধরনের প্রস্তুতি প্রয়োজন রয়েছে। পরীক্ষা কেন্দ্র বাড়ানো, নিরাপত্তা নিশ্চিতসহ পূর্বের ক্রটি-বিচ্যুতিগুলো সংশোধন করে নিয়োগ পরীক্ষা সম্পন্ন করা। এ কারণে অক্টোবরে পরীক্ষা নেয়ার প্রস্তাবনা থাকলেও তা পিছিয়ে দেয়া হয়েছে।

১ নভেম্বর থেকে সমাপনী-ইবতেদায়ি পরীক্ষা শুরু হবে। পরীক্ষার কার্যক্রম নিয়ে শিক্ষক-কর্মকর্তারা ব্যস্ত থাকবেন। পরীক্ষার পরে শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার আয়োজন করা হবে। পরীক্ষা কেন্দ্র বাড়াতে এবার উপজেলা সদরের পাশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে পরীক্ষা কেন্দ্র বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। কেন্দ্র নিশ্চিতকরণের দায়িত্ব প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরকে দেয়া হয়েছে। তারা প্রতিটি জেলা প্রশাসকের সঙ্গে আলোচনা করে কেন্দ্র বৃদ্ধি ও পরীক্ষা আয়োজনের জন্য সময় নির্ধারণ করবে। এরপর নিয়োগ পরীক্ষার সময় ঘোষণা করা হবে। একইসঙ্গে যদি সব জেলায় একসঙ্গে কেন্দ্র খালি না পাওয়া যায় তবে, কয়েকটি জেলায় সমন্বয় করে পর্যায়ক্রমে নিয়োগ পরীক্ষা আয়োজন করা হতে পারে বলেও জানান মনজুর কাদির।

মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানান, এবার ১২ হাজার সহকারী শিক্ষক পদের বিপরীতে ২৪ লাখ ১ হাজার ৫৯৭টি আবেদন হওয়ায় নিয়োগ পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে আয়োজন ও প্রশ্নফাঁস রোধ করাটা কঠিন হয়ে পড়েছে। এ কারণে পরীক্ষা পদ্ধতিতে কিছুটা পরিবর্তন আনা হতে পারে।

সূত্র জানায়, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক সংকট নিরসনে প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন প্রকল্প-৪ (পিইডিপি-৪) আওতাভুক্ত ১২ হাজার শিক্ষক নিয়োগ কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। গত ৩০ জুলাই ‘সহকারী শিক্ষক নিয়োগ-২০১৮’ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। গত ১-৩০ আগস্ট পর্যন্ত অনলাইনে আবেদন কার্যক্রম শেষ হয়। সারাদেশ থেকে মোট ২৪ লাখ ১ হাজার ৫৯৭টি আবেদন এসেছে।

বর্তমানে সারাদেশে ৬৪ হাজার ৮২০টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। তার মধ্যে প্রায় ১২ হাজার সহকারী শিক্ষকের পদ শূন্য রয়েছে। এ কারণে নতুন করে আরও ১২ হাজার সহকারী শিক্ষক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। পুরনো নিয়োগ বিধিমালা অনুসরণ করে এ নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দেয়া হয়।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

ছাপা হচ্ছে ৩৫ কোটি পাঠ্যবই

ডেস্ক,১০ অক্টোবর:দরজায় কড়া নাড়ছে নতুন বছর। কোমলমতি শিক্ষার্থীরাও বার্ষিক পরীক্ষার প্রস্তুতি নিচ্ছে। নতুন শ্রেণিতে উত্তীর্ণের প্রতীক্ষার পালা। ২০১৯ সালের ১ জানুয়ারি নতুন শিক্ষাবর্ষের প্রথম দিনে শিক্ষার্থীরা খালি হাতে স্কুলে যাবে আর কোমলমতি শিক্ষার্থীরা ঘরে ফিরবে ঝকঝকে নতুন পাঠ্যবই নিয়ে। আগামী শিক্ষা বছরের জন্য ৩৫ কোটি বিনামূল্যের পাঠ্যবই ছাপার কাজ চলছে। ইতিমধ্যে ১১ কোটি বই ছাপা হয়ে বিভিন্ন জেলা ও উপজেলায় পৌঁছে গেছে। জানা গেছে, জাতীয় সংসদ নির্বাচনের কারণে অন্য বছরের তুলনায় এবার বইয়ের মুদ্রণ কাজ এগিয়ে আনা হয়েছে। বই ছাপানোর সর্বশেষ দিন ধরা হয়েছে ১৪ ডিসেম্বর।

গতকাল মঙ্গলবার ঢাকার মাতুয়াইলে ৩টি প্রেসে বিনামূল্যের পাঠ্যবই ছাপানোর কার্যক্রম পরিদর্শন বরেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ। পরিদর্শন শেষে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, বছরের প্রথম দিন শিক্ষার্থীদের হাতে বিনামূল্যের পাঠ্যবই তুলে দেয়া হবে। ২০১০ সাল থেকে নববর্ষের উপহার হিসেবে শিক্ষাবর্ষের প্রথম দিনে শিক্ষার্থীদের বিনামূল্যে নতুন বই দেয়া হচ্ছে। এবারো এর কোনো ব্যত্যয় হবে না।

শিক্ষামন্ত্রী নাহিদ বলেন, ৩৫ কোটির বেশি পাঠ্যপুস্তক শিক্ষার্থীদের মাঝে বিতরণ করা হবে। প্রায় ১১ কোটি বই ইতিমধ্যে উপজেলা পর্যায়ে পৌঁছে দেয়া হয়েছে। প্রতিদিনই জেলা-উপজেলায় বই পাঠানো হচ্ছে। ১৪ ডিসেম্বরের মধ্যে সব বই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পৌঁছে যাবে। এবার ৪ কোটির বেশি শিক্ষার্থীর মধ্যে নতুন বই বিতরণ করা হবে।

তিনি বলেন, প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের জন্য ব্রেইল বই এবং ৫টি নৃতাত্ত্বিক গোষ্ঠীর শিক্ষার্থীদের জন্য তাদের নিজ ভাষায় বই ছাপা হয়েছে। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এবার বইয়ের ছাপার মান অনেক ভালো হয়েছে। বইয়ের মান প্রতি বছরই উন্নত হচ্ছে। ছাপার কাজ বাকি নেই উল্লেখ করে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, নির্বাচনের বছর সত্ত্বেও শিক্ষার্থীরা ঠিক সময়ে বই পাবে।

এ সময় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব নাজমুল হক খান, জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক নারায়ণ চন্দ্র সাহা, সদস্য ড. মিয়া ইনামুল হক সিদ্দিকী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) সূত্রে জানা গেছে, ২০১৯ সালের প্রথম থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত ৪ কোটি ২৬ লাখ ১৯ হাজার শিক্ষার্থীর জন্য ছাপা হচ্ছে ৩৫ কোটি ২১ লাখ ৯৭ হাজার ৮৮২ কপি পাঠ্যবই। প্রাথমিক স্তরের ১১ কোটি ৬ লাখ ১ হাজার ৫২১ কপি বই ছাপিয়ে বিতরণ করা হবে। এর মধ্যে প্রাক-প্রাথমিক স্তরের বই ৬৮ লাখ ৫৬ হাজার ২০ কপি। প্রাথমিক স্তরের ৯ কোটি ৮৮ লাখ ৮২ হাজার ৮৯৯ কপি, ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর ভাষার বই ২ লাখ ৭৬ হাজার ৭৮৪ কপি, ইবতেদায়ির ২ কোটি ২৫ লাখ ৩১ হাজার ২৮৩ কপি এবং দাখিলের ৩ কোটি ৭৯ লাখ ৫৮ হাজার ৫৩৪ কপি বই।

মাধ্যমিক (বাংলা সংস্করণের) স্তরের ১৮ কোটি ৫৩ হাজার ১২২ কপি এবং একই স্তরের ইংরেজি ভার্সনের ১২ লাখ ৪৭ হাজার ৮২৬ কপি বই ছাপা হচ্ছে। এ ছাড়া কারিগরি শিক্ষা স্তরের ১২ লাখ ৩৫ হাজার ৯৪৮ কপি, এসএসসি ভোকেশনাল স্তরের ১ লাখ ৪৩ হাজার ৮৭৫ কপি, ব্রেইল পাঠ্যপুস্তক ৫ হাজার ৮৫৭ কপি এবং সম্পূরক কৃষি (ষষ্ঠ-নবম) স্তরের ১ লাখ ২৪ হাজার ২৬১ কপি বই ছাপা হচ্ছে।

এসব বই ছাপাতে দেশি-বিদেশি প্রায় ৪০০ ছাপাখানার সঙ্গে চুক্তি করে কার্যাদেশ দিয়েছে এনসিটিবি। মুদ্রণ প্রতিষ্ঠানগুলোর ২টি ভারতের ‘কৃষ্ণা ট্রেডার্স’ ও ‘স্বপ্না প্রিন্টার্স’। বাকিগুলো সবই দেশের। ঢাকা ছাড়াও এবার পাঠ্যবই ছাপানো হচ্ছে বগুড়া, রংপুর, টাঙ্গাইল, চট্টগ্রাম, মানিকগঞ্জ, গাজীপুর ও নরসিংদীর ছাপাখানা থেকে। সারাদেশের প্রায় ৪শ’ মুদ্রণ প্রতিষ্ঠানে (প্রিন্টিং প্রেস) পাঠ্যবই ছাপা, কাটিং ও বাইন্ডিংয়ের কাজে ব্যস্ত ৯৮ হাজার মানুষ।

মাধ্যমিক (বাংলা ও ইংরেজি সংস্করণ) এবং এসএসসি ভোকেশনাল স্তরের পাঠ্যবই মুদ্রণ, বাঁধাই ও সরবরাহ করতে কাগজ ছাড়া ৩৪০টি লটে কার্যাদেশ দেয়া হয়েছে। মাধ্যমিক বাংলা ও ইংরেজি সংস্করণ, ইবতেদায়ি, দাখিল, এসএসসি ও দাখিল ভোকেশনাল এবং কারিগরি (ট্রেড বই) স্তরের বিনামূল্যের পাঠ্যপুস্তক মুদ্রণ, বাঁধাই ও সরবরাহের জন্য কাগজসহ ৩২০টি লটে কার্যাদেশ দেয়া হয়েছে।

এবার ৩৫ কোটি ২২ লাখ কপি বই ছাপাতে প্রায় ৮৫ হাজার টন কাগজ ব্যবহƒত হচ্ছে। এর মধ্যে এনসিটিবি কিনে দিয়েছে প্রায় ১৫ হাজার টন কাগজ। বাকি কাগজ মুদ্রণকারীরা বাজার থেকে কিনে বই ছাপিয়ে সরবরাহ করছেন। এসব বই ছাপার পর জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে পৌঁছে দিতে কাজ করছে ১৬ হাজার ৪০০টি ট্রাক।
এনসিটিবির নিয়োগ করা ২টি প্রতিষ্ঠানের বিশেষজ্ঞ কর্মকর্তারা বইয়ের মান যাচাই করছেন। প্রাথমিক স্তরের পাঠ্যবইয়ের মান যাচাই করছে ‘কন্টিনেন্টাল’ নামের একটি প্রতিষ্ঠান। মাধ্যমিক স্তরের বইয়ের মান যাচাই করছে অপর একটি প্রতিষ্ঠান ‘ব্যুরো ভেরী টাচ’।

দেশজুড়ে পাঠ্যবই মুদ্রণ ও পরিবহন কাজের তদারকি করছেন জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (এনসিটিবি) ২২টি টিমের ৬৬ জন কর্মকর্তা। এর বাইরেও এনসিটিবির চেয়ারম্যান ও সদস্যদের নেতৃত্বে কেন্দ্রীয় মনিটরিং টিম, এনসিটিবির কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মনিটরিং টিম মিলিয়ে আরো ২১২ কর্মকর্তা-কর্মচারী কাজ করছেন।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

সরকারি বিদ্যালয়ে ভর্তির আবেদন নভেম্বরে

ঢাকা : সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ২০১৯ শিক্ষাবর্ষে ভর্তি কার্যক্রম ১৫ ডিসেম্বরের মধ্যে শেষ করা হবে। প্রথম-নবম শ্রেণি পর্যন্ত ভর্তির জন্য যথাক্রমে লটারি, পরীক্ষা ও জেএসসি পরীক্ষার ফলের ভিত্তিতে করা হবে।

মঙ্গলবার (৯ অক্টোবর) মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতরের (মাউশি) এক সভায় এ বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত হয়েছে।

২০১৯ শিক্ষাবর্ষে ভর্তির জন্য সব প্রক্রিয়া ১৫ ডিসেম্বরের মধ্যে শেষ করা হবে। সে হিসেবে নভেম্বরের শেষে অনলাইনে আবেদন শুরু হবে। খুব শিগগিরই এ নিয়ে মন্ত্রণালয়ে বৈঠক হবে। মাউশি সূত্রে এতথ্য জানা গেছে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

এমপিও শিটে নাম না আসায় শিক্ষকের আত্মহত্যা

সাতক্ষীরা,১০ অক্টোবর: সাতক্ষীরা জেলার তালা উপজেলায় এমপিও শিটে নাম না আসায় লোকলজ্জার ভয়ে বিষপানে আত্মহত্যা করেছেন বিধান চন্দ্র ঘোষ (৪২) নামে এক শিক্ষক।
বুধবার সকালে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
এর আগে মঙ্গলবার রাতে বিষপান করলে তাকে ভর্তি করা হয়।
বিধান চন্দ্র ঘোষ তালার ধানদিয়া ইউনিয়নের সেনেরগাঁতী বালিকা বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক (কম্পিউটার) এবং দৌলতপুর গ্রামের মৃণাল কান্তি ঘোষের ছেলে।
বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক শহিদুল ইসলাম জানান, বিধান চন্দ্র ঘোষ ২০০২ সাল থেকে শিক্ষকতা করে আসছিলেন। কিন্তু ২০১৬ সালে বিদ্যালয়ের মিনিস্ট্রি অডিটের সময় তার সনদ সংক্রান্ত ত্রুটি দেখা যায়। তিনি নিয়মিত বেতনও উত্তোলন করে আসছিলেন। কিন্তু চলতি বছরের সেপ্টেম্বর মাসের এমপিও শিটে তার নাম না থাকার বিষয়টি জানাজানি হলে মঙ্গলবার রাত আটটার দিকে লোকলজ্জার ভয়ে তিনি বিষপান করেন।

তিনি জানান, পরিবারের লোকজন তাৎক্ষণিক তাকে সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সকাল আটটার দিকে তার মৃত্যু হয়।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষা খাতা পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন শুরু ১০ অক্টোবর

নিজস্ব প্রতিবেদক | ০৭ অক্টোবর, ২০১৮: মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার খাতা পুনঃনিরীক্ষণ করার সুযোগ দেবে স্বাস্থ্য অধিদফতর। আগ্রহী পরীক্ষার্থীরা আগামী ১০ অক্টোবর থেকে ২০ অক্টোবরের মধ্যে টেলিটকে এসএমএসের মাধ্যমে এক হাজার টাকা (অফেরতযোগ্য) জমা দিয়ে নিজ ফল পুনঃনিরীক্ষার জন্য আবেদন করার সুযোগ পাবেন।

আজ রোববার (৭ অক্টোবর) স্বাস্থ্য অধিদফতরের পরিচালক (চিকিৎসাশিক্ষা ও স্বাস্থ্য জনশক্তি উন্নয়ন) অধ্যাপক ডা. মো. আবদুর রশীদ এ তথ্য জানান।
পুনঃনিরীক্ষার ফলাফল যথাসময়ে জানানো হবে। এ ব্যাপারে স্বাস্থ্য অধিদফতরের ভর্তি পরীক্ষা কমিটির সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত বিবেচিত হবে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
গত শুক্রবার অনুষ্ঠিত মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় ৬৩ হাজার ২৬ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন। তাদের মধ্যে ন্যূনতম ৪০ নম্বর পেয়ে পাস করেন ২৪ হাজার ৯৬৮ জন।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

টাকা দিয়ে কেনা দারুল ইহসান বিশ্ববিদ্যালয়ের সনদে নিয়োগ ও এমপিওভুক্ত।প্রধান শিক্ষককে তলব

টাকা দিয়ে কেনা দারুল ইহসান বিশ্ববিদ্যালয়ের সনদে নিয়োগ ও এমপিওভুক্ত হওয়ায় সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ার হাওড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও সহকারী লাইব্রেরীয়ানকে তলব করেছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর। রোববার (৭ অক্টোবর) অধিদপ্তর থেকে তাদের কাছে এ সংক্রান্ত এক চিঠি পাঠানো হয়েছে।

চিঠিতে বলা হয়, সহকারী লাইব্রেরীয়ান মো: সামছুল আলম ভুয়া সার্টিফিকেট প্রদর্শন করে হাওড়া উচ্চ বিদ্যালয়ে নিয়োগ পান এবং পরে টাকার বিনিময়ে দারুল ইহসান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সনদ সংগ্রহ করে এমপিওভুক্ত হয়েছেন বলে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরে অভিযোগ এসেছে।
অভিযোগে বলা হয়, ২০১৩-২০১৪ অর্থ বছরে সহকারী লাইব্রেরীয়ান মো: সামছুল আলম ভুয়া সার্টিফিকেট প্রদর্শন করে হাওড়া উচ্চ বিদ্যালয়ে নিয়োগ পান। পরে এমপিওভুক্তির চেষ্টা করে ব্যর্থ হন তিনি। পরবর্তীতে ২০১৫ খ্রিস্টাব্দে দারুল ইহসান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে টাকার বিনিময়ে ভুয়া সনদ সংগ্রহ করে ম্যানেজিং কমিটিকে টাকা দিয়ে এমপিওভুক্ত হয়েছেন হাওড়া উচ্চ বিদ্যালয়ে সহকারী লাইব্রেরীয়ান মো: সামছুল আলম।

প্রধান শিক্ষককে সহকারী লাইব্রেরীয়ান মো: সামছুল আলমের সকল সনদ, নিয়োগপত্র, যোগদানপত্র সিএসকপিসহ স্বশরীরে উপস্থিত থেকে মাধ্যমিক শাখার পরিচালকের কক্ষে প্রদর্শন করতে বলা হয়েছে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

প্রতিটি বিভাগে মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হবে : প্রধানমন্ত্রী

অনলাইন রিপোর্টার ॥ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘আমাদের যারা বিত্তশালী, সম্পদশালী তাঁরা তো একটু হাঁচি-কাশি হলেও বিদেশে চলে যেতে পারে চিকিৎসার জন্য। কিন্তু সাধারণ মানুষ তো আর সেই সুযোগ পায় না। বড়লোক বিত্তবানরা যাক, তাতে আমাদের সিট খালি থাকবে। সাধারণ মানুষ চান্স পাবে। আমার আপত্তি নাই।’

রবিবার বিকেলে গণভবনে বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশন- বিএমএর আয়োজনে চিকিৎসক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এই সম্মেলনের উদ্বোধনকালে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘একজন ডাক্তার রোগীর সাথে কথা বলেও কিন্তু রোগীর অর্ধেক রোগ ভালো করে দিতে পারেন। ডাক্তারদের কাছ থেকে মানুষ সেই সেবাটাই চায়। আমি আশা করি সেই সেবাটাই দেবেন। আমার দেশের সাধারণ মানুষ যারা মধ্যবিত্ত নিম্নবিত্ত যাদের বিদেশে যাওয়ার মতো সঙ্গতি নাই- তাদের চিকিৎসা সেবাটা নিশ্চিত করা আমাদের দায়িত্ব ও কর্তব্য।’

আবারও ক্ষমতায় আসতে পারলে প্রতিটি বিভাগে একটি করে মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় করার পরিকল্পনা রয়েছে বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

এমবিবিএস ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ

ডেস্ক,৭ অক্টোবর: চলতি বছরের মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশিত হয়েছে। জাতীয় মেধাতালিকার ভিত্তিতে সরকারি ৩৬টি মেডিকেল কলেজে ভর্তির জন্য নির্বাচিত হয়েছেন ৪ হাজার ৬৮জন পরীক্ষার্থী। অপেক্ষমান তালিকায় রাখা হয়েছে ৫০০ জনকে।

১০০ নম্বরের নৈর্ব্যক্তিক প্রশ্নপত্রের ভর্তি পরীক্ষায় প্রাপ্ত সর্বোচ্চ নম্বর ৮৭ ও সর্বনিম্ন ৫৭।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল কালাম আজাদ ও পরিচালক (চিকিৎসা শিক্ষা ও স্বাস্থ্য জনশক্তি উন্নয়ন) আজ (রোববার) দুপুরে ফলাফল প্রকাশের এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

৫ অক্টোবর সরকারি ও বেসরকারি মেডিকেল কলেজে এমবিবিএস প্রথম বর্ষের (২০১৮-২০১৯ শিক্ষাবর্ষ) ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। স্বাস্থ্য অধিদফতরের অধীনে কেন্দ্রীয়ভাবে রাজধানীসহ সারাদেশের ১৯টি কেন্দ্রের ২৭টি ভেন্যুর ৮১৪টি কক্ষে ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।

চলতি বছর ভর্তি পরীক্ষায় আবেদনকারী ৬৫ হাজার ৯১৯ জনের মধ্যে অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা ছিল ৬৩ হাজার ২৬ জন।

উল্লেখ্য, ১০০ নম্বরের নৈর্ব্যক্তিক প্রশ্নপত্রে নেয়া পরীক্ষায় পাস নম্বর ৪০। ৪০ নম্বর পেয়ে সরকারি ও বেসরকারি উভয় মেডিকেল কলেজে ভর্তির জন্য নির্বাচিত হয়েছেন ২৪ হাজার ৯৬৮ জন।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক ডা. আবুল কালাম আজাদ জানান, জাতীয় মেধাতালিকার ভিত্তিতে নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের কাছে এসএমএসের মাধ্যমে ফল স্বল্পতম সময়ে পৌঁছে যাবে। এ ছাড়া স্বাস্থ্য অধিদফতরের ওয়েবসাইট থেকে ফল জানা যাবে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

Responsive WordPress Theme Freetheme wordpress magazine responsive freetheme wordpress news responsive freeWORDPRESS PLUGIN PREMIUM FREEDownload theme free