Home » Tag Archives: শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান

Tag Archives: শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান

প্রাথমিক বিদ্যালয় খুলছে ১ মার্চ

ডেস্ক,১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২২: আগামী ২২ ফেব্রুয়ারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলতে যাচ্ছে। তবে ১২ বছরের কম বয়সী শিক্ষার্থীদের অর্থাৎ প্রাইমারি স্কুল খুলবে আগামী ১ মার্চ। প্রথমে ১২ বছরের বেশি বয়সী শিক্ষার্থীদের জন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা হবে।

বৃহস্পতিবার শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে এ তথ্য জানা যায়।

করোনাবিষয়ক জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটির সঙ্গে বৈঠক করেন শিক্ষামন্ত্রীসহ শিক্ষা প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তারা। বৈঠকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জাতীয়করণের সময় এসেছে: পরিকল্পনামন্ত্রী

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জাতীয়করণের সময় এসেছে। এ বিষয়ে আমাদের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে হবে। যত্রতত্র শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান না করে, সেগুলোকে সরকারের আওতায় আনা প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেছেন পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান।

মঙ্গলবার (৫ সেপ্টেম্বর) ‘বাংলাদেশ বেসরকারি শিক্ষক কর্মচারী ফোরাম’ আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন সংসদ সদস্য আ ক ম সরওয়ার জাহান বাদশা, ইঞ্জিনিয়ার মোয়াজ্জেম হোসেন রতন, সংরক্ষিত নারী সংসদ সদস্য হাবিবা রহমান খান ও সাবেক শিক্ষা সচিব নজরুল ইসলাম (এন আই) খান।

পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, ‘শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জাতীয়করণ একটি যৌক্তিক দাবি। এমপিওভুক্তিতে শিক্ষক-কর্মচারীরা যে অর্থ পান, তা দিয়ে তাদের পরিবার চালাতে কষ্ট হয়। সেটি নজরে এসেছে, এ বিষয়ে আমরা কাজ করছি। এতে কত টাকার প্রয়োজন, তা হিসাব-নিকাশ করে প্রধানমন্ত্রীর কাছে প্রস্তাব পাঠানো হবে। তিনি শিক্ষকদের বিষয়ে অনেক আন্তরিক।’

তিনি বলেন, দেশের প্রায় সব স্থানে যত্রতত্র শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা হয়েছে। শিক্ষাব্যবস্থাকে সবার দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে সময়ের প্রয়োজনে এটা করা হয়েছে। বর্তমানে সময় এসেছে সেগুলো গুছিয়ে নেওয়ার।

তিনি আরও বলেন, বর্তমান প্রগতিশীল ও মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে কাজ করা সরকারকে সরিয়ে মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তি দেশের ক্ষমতায় বসতে ষড়যন্ত্র শুরু করেছে। সবার চেষ্টায় তাদের হটাতে হবে।

প্রকাশ হল মাধ্যমিকের ১৮তম অ্যাসাইনমেন্ট

মাধ্যমিকের (৬ষ্ঠ থেকে ৯ম শ্রেণি) ১৮তম সপ্তাহের অ্যাসাইনমেন্ট প্রকাশ করেছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)।

মঙ্গলবার (২৮ সেপ্টেম্বর) মাউশির ওয়েবসাইটে অ্যাসাইনমেন্ট প্রকাশ করা হয়।

এতে বলা হয়, সব শিক্ষার্থীকে অ্যাসাইনমেন্ট বিতরণ ও জমা নেওয়ার ক্ষেত্রে স্বাস্থ্যবিধি সংক্রান্ত বিধিনিষেধ যথাযথভাবে অনুসরণ করতে হবে।

প্রসঙ্গত, ২০ মার্চ প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এ মূল্যায়ন কার্যক্রম শুরু হয়। ইতোমধ্যে ১৭তম সপ্তাহের অ্যাসাইনমেন্ট শিক্ষার্থীদের বিতরণ করা হয়েছে।

জাবি‘র অধিভুক্ত কলেজের নামে ‘বিশ্ববিদ্যালয়’ ব্যবহার না করার নির্দেশ

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত অনার্স-মাস্টার্স পর্যায়ের কলেজের নামের সঙ্গে ‘বিশ্ববিদ্যালয়’ শব্দ ব্যবহার করা যাবে না। এ বিষয়ে কয়েক দফা নির্দেশনা দিলেও এখনো তা মানা হচ্ছে না বলে ফের সতর্ক করেছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

বৃহস্পতিবার (২৩ সেপ্টেম্বর) জারি করা এ সংক্রান্ত নির্দেশনায় বলা হয়, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত কলেজ, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও ইনস্টিটিউটগুলোতে সংশ্লিষ্ট কলেজের নামের পাশাপাশি তাদের সাইনবোর্ড, বিভিন্ন ব্যানার, কলেজ প্যাড, শিক্ষকদের ভিজিটিং কার্ডসহ বিভিন্ন প্রকাশনায় ‘বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ’ নাম ব্যবহার করছে। যা জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্তি সংক্রান্ত প্রবিধান পরিপন্থী।

এ পরিস্থিতিতে সংশ্লিষ্ট কলেজ, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ইনস্টিটিউটগুলোকে উল্লেখিত কার্যক্রম থেকে বিরত থাকতে নির্দেশ দেয় জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

স্কুল-কলেজে ম্যানেজিং কমিটি গঠনের নির্দেশ দিয়েছে ঢাকা বোর্ড!

মহামারি করোনাভাইরাসের কারণে দীর্ঘদিন আটকে থাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক স্তরের বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর ম্যানেজিং কমিটি গঠনের নির্দেশ দিয়েছে ঢাকা বোর্ড।

বৃহস্পতিবার (২৩ সেপ্টেম্বর) ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড থেকে দুটি আলাদা অফিস আদেশে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান, রিটার্নিং কর্মকর্তা ও প্রিজাইডিং অফিসারকে এ নির্দেশ দেওয়া হয়।

আদেশে বলা হয়, নিম্মমাধ্যমিক, মাধ্যমিক স্তরের বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর ক্ষেত্রে প্রবিধান মালা-২০০৯ এর প্রবিধি ৭ ও ৮ এবং উচ্চ মাধ্যমিক স্তরের প্রতিষ্ঠানগুলোর ক্ষেত্রে প্রবিধি ৪ ও ৫ মোতাবেক ম্যানেজিং কমিটি গঠন করতে হবে।

তবে ম্যানেজিং কমিটি গঠনের জন্য নির্বাচন অনুষ্ঠানের উদ্দেশ্যে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার আগে একজন প্রিজাইডিং অফিসার নিয়োগের জন্য প্রতিষ্ঠান প্রধানকে জেলা প্রশাসক বা উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে লিখিতভাবে আবেদন করতে হবে।

করোনার উপসর্গ থাকলে শিক্ষার্থীকে স্কুলে পাঠানো যাবে না: শিক্ষামন্ত্রী

মহামারি করোনাভাইরাসের বিন্দুমাত্র উপসর্গ থাকলে কোনো শিক্ষার্থীকে স্কুলে না পাঠাতে অভিভাবকদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি।

বৃহস্পতিবার (২৩ সেপ্টেম্বর) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে ডা. জোহরা বেগম কাজী ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে স্মারক গ্রন্থ প্রকাশ অনুষ্ঠান শেষে এসব কথা বলেন শিক্ষামন্ত্রী।

এ সময় তিনি বলেন, ‘আমাদের সবাইকে চোখ-কান খোলা রাখতে হবে। আমরা অভিভাবকদের বলেছি, কোনো শিক্ষার্থীর বিন্দু পরিমাণ উপসর্গও যদি থাকে বা তার বাড়িতে কারও উপসর্গ থাকে, তাহলে শিক্ষার্থীকে স্কুলে পাঠানো যাবে না।’

শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের বাড়িতে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আসার পথে করোনা সংক্রমণ হতে পারে। আমরা এ বিষয়ে সতর্ক আছি। কোথাও এমন কিছু ঘটলে সঙ্গে সঙ্গে কন্ট্রাক্ট ট্রেসিং করা হবে। তবে আশার কথা মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এখন পর্যন্ত এমন ঘটনা ঘটেনি।’

পিএসসি ও জেএসসি পরীক্ষা নিয়ে অনিশ্চয়তা

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার পর চলতি বছরের ১১ নভেম্বর এসএসসি ও সমমান এবং ২ ডিসেম্বর এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা হতে যাচ্ছে। তবে গতবারের মতো এবারের ৫ম ও ৮ম শ্রেণির সমাপনী ও জেএসসি পরীক্ষা নিয়েও অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে।

প্রতি বছর সেপ্টেম্বরের মধ্যে এ সংক্রান্ত প্রস্তুতি সারলেও এ বছর তেমন কিছু দেখা যাচ্ছে না।

আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, প্রতি বছর নভেম্বরের শুরুতে জেএসসি ও জেডিসি এবং একই মাসের শেষের দিকে প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা হয়। পরীক্ষার প্রস্তুতি হিসেবে সেপ্টেম্বর মাস থেকেই কার্যক্রম শুরু হয়। পরীক্ষার প্রশ্নপত্র তৈরি, কেন্দ্র নির্ধারণী নানাবিধ সিদ্ধান্ত হয়। এবার এখন পর্যন্ত কোন সিদ্ধান্ত হয়নি।

এদিকে গত ১২ সেপ্টেম্বর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দিলেও অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের শ্রেণিকক্ষে প্রতিদিন সরাসরি পাঠদান করা হচ্ছে না। তাদের সপ্তাহে একদিন শ্রেণিকক্ষে পাঠদান করা হচ্ছে।

তাছাড়া জাতীয় শিক্ষাক্রমের খসড়া রূপরেখা অনুযায়ী নতুন কারিকুলামে পঞ্চম ও অষ্টম শ্রেণির সমাপনী পরীক্ষা বাতিল করা হয়েছে। সব মিলিয়ে এবারের দুই সমাপনী বাতিল হতে পারে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। তবে এ বিষয়ে সরাসরি কিছু বলতে নারাজ বোর্ড সংশ্লিষ্টরা।

শিক্ষার্থীরা মানলেও অভিভাবকরা স্বাস্থ‌্যবিধি মানছেন না : শিক্ষামন্ত্রী

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার পর থেকে শিক্ষার্থীরা স্বাস্থ‌্যবিধি মানলেও অধিকাংশ জায়গায় অভিভাভবকরা সেটা মানছেন না। আমাদের আরও সচেতন হতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি।

রোববার (১৯ সেপ্টেম্বর) যাত্রাবাড়ী আইডিয়াল স্কুল অ‌্যান্ড কলেজ পরিদর্শনে গিয়ে মন্ত্রী এমন মন্তব্য করেন।

মন্ত্রী বলেন, ‘আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি স্বাস্থ‌্যবিধি মেনে পুরোদমে শিক্ষা কার্যক্রম শুরু করতে। বিশ্ববিদ্যালয় খোলার বিষয়েও আমাদের কার্যক্রম চলমান রয়েছে। টিকা দেওয়া শেষে অ্যাকাডেমিক কাউন্সিলের সিদ্ধান্ত নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো খোলা যাবে। ইতিমধ্যে এ সংক্রান্ত নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে উপাচার্যদের।’

তিনি আরও বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে পর্যবেক্ষণ চলছে। সংক্রমণের হার কমে আসলে সব ক্লাসই নেওয়া যাবে। তবে হার যদি বেড়ে যায় তখন পরিস্থিতি অনুযায়ী কারিগরি কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

স্কুল খুলতে গোপালগঞ্জের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গুলোতে প্রস্তুতি প্রায় সম্পন্ন

মহামারি করোনাভাইরাসের সংক্রমণের কারণে র্দীঘ প্রায় দেড় বছর পর আগামী ১২ সেপ্টেম্বর থেকে ক্লাস চালু করতে গোপালগঞ্জের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গুলোতে প্রস্তুতি সম্পন্ন প্রায়। শ্রেণিকক্ষ, অফিসকক্ষসহ বিদ্যালয় চত্বরে চলছে শেষ মুহূর্তের পরিচ্ছন্নতার কাজ। চলছে বেঞ্চ সাজিয়ে রাখার কাজ।

শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা ও প্রাথমিক চিকিৎসার জন্যও নেওয়া হয়েছে প্রস্তুতি। দীর্ঘ দিন পর বিদ্যালয় খুলে দেওয়ায় শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে ফিরে এসেছে প্রাণচাঞ্চল্য। শুক্রবার (১০ সেপ্টেম্বর) সকালে শহরের বেশ কয়েকটি স্কুলে গিয়ে দেখা গেছে এমন প্রস্তুতির দৃশ্য।

গোপালগঞ্জ জেলার ১২শ’র বেশি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। দীর্ঘ দিন বন্ধ থাকায় এসব বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষের বেঞ্চ, চেয়ার, টেবিল, ব্লাকবোর্ড, অফিস রুম ও খেলার মাঠসহ বিভিন্ন জায়গায় জমেছে ধুলাবালি ও আবর্জনার স্তুপ।

জেলার ৮৬২টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ২০৩টি মাধ্যমিক ও ৮৯টি মাদ্রাসা ও শতাধিক কিন্ডারগার্ডেন স্কুল এখন ক্লাস নিতে প্রস্তুত।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মনিটরিং কমিটি গঠনের নির্দেশ দিয়েছে মাউশি

মহামারি করোনাভাইরাসের কারণে দীর্ঘ দেড় বছর বন্ধ থাকার পর আগামী ১২ সেপ্টেম্বর থেকে দেশের সব প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলছে।

সরকারি-বেসরকারি সব স্কুল-কলেজকে সরকারের দেওয়া স্বাস্থ্যবিধির নির্দেশনা পালন নিশ্চিত করতে ও সঠিকভাবে অনুসরণের জন্য মনিটরিং টিম গঠনের জন্য নির্দেশ দিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)।

বৃহস্পতিবার (৯ সেপ্টেম্বর) শিক্ষা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এ আদেশে বলা হয়, করোনা পরিস্থিতিতে দেশের সব মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান আগামী ১২ সেপ্টেম্বর থেকে স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে পুনরায় চালুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

টিকা পেয়েছেন প্রাথমিকের ৩ লক্ষের বেশি শিক্ষক

সারাদেশে ৬৫ হাজারের বেশি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মোট শিক্ষক রয়েছেন ৩ লাখ ৬৫ হাজার ৭১২ জন। আর ১৬ হাজার ৭৪ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী রয়েছেন। এর মধ্যে এখন পর্যন্ত ৩ লাখ ১০ হাজার ৩০০ জন করোনা টিকার দুটি ডোজ পেয়েছেন। আর কর্মকর্তা-কর্মচারীর মধ্যে পেয়েছেন ১৩ হাজার ৬৬৩ জন। সব মিলিয়ে ৮৫ শতাংশ টিকা পেয়েছেন।

শিক্ষকদের মধ্যে এখনো টিকার বাইরে রয়েছেন ৫৫ হাজার ৪১২ জন। আর কর্মকর্তা-কর্মচারীর মধ্যে টিকা পাননি দুই হাজার ৪১১ জন। এদের মধ্যে অনেকে রেজিস্ট্রেশন করলেও টিকা পাননি। অনেকে আবার অসুস্থতার কারণে টিকা নিচ্ছেন না।

তবে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় বলছে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার আগে তাদের টিকার আওতায় আনা হবে।

জানতে চাইলে মন্ত্রণালয়ের সচিব গোলাম মো. হাসিবুল আলম সোমবার (৬ সেপ্টেম্বর) বলেন, এ পর্যন্ত আমাদের সব শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে ৮৫ শতাংশ টিকার আওতায় এসেছে। বাকি ১৫ শতাংশ গর্ভবতী, অসুস্থ ও অন্যান্য জটিলতার কারণে টিকা নেননি। তবে এ বিষয়ে আমরা স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা করেছি। সবাই টিকা নিতে পারবে। ১২ সেপ্টেম্বরের আগে প্রাথমিক শিক্ষার শতভাগ টিকার আওতায় আনা সম্ভব হবে বলে।

নিয়ন্ত্রণ করা হবে স্কুল-কলেজের সামনে মায়েদের আড্ডা

মহামারি করোনাভাইরাস সংক্রমণ রোধে সরকারের ঘোষিত চলমান ছুটি শেষে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার সিদ্ধান্ত সিয়েছে সরকার।

এরই ধারাবাহিকতায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সামনে শিক্ষার্থীর মা ও অভিভাবকদের আড্ডা, অপেক্ষা এবং অবস্থান নিয়ন্ত্রণ করতে স্কুল কর্তৃপক্ষকে নির্দেশনা দেয়া হবে।

রোববার (৫ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সম্মেলন কক্ষে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার বিষয়ে আন্তঃমন্ত্রণালয়ের বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি।

এ প্রসঙ্গে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, করোনা পরিস্থিতির মধ্যে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করতে চেকলিস্টের মাধ্যমে প্রতিদিন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে পরিবীক্ষণ ও রিপোর্ট পাঠাতে হবে। শিক্ষক, অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি করতে হবে। এসব বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে মনিটরিং করা হবে।

তিনি আরও বলেন, যেহেতু সব ধরনের কার্যক্রম মনিটরিং করা হবে, তাই শুরুতে শিক্ষার্থীদের সপ্তাহে ছয় দিন ক্লাস করানোর জন্য স্বাস্থ্যবিধি মেনে পাঠদান করাতে পর্যাপ্ত ক্লাস রুমের সংকট দেখা দেবে। আর একই ক্লাসের শিক্ষার্থীদের একাধিক কক্ষে বসিয়ে ক্লাস করানোর মতো পর্যাপ্ত শিক্ষক নেই অনেক প্রতিষ্ঠানে। পাশাপাশি সংক্রমণ ঝুঁকির বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে সপ্তাহে একদিন ক্লাস করানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

‘রাজধানীর অনেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সামনে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আসা মায়েরা জটলা পাঁকিয়ে আড্ডা দেন। সেগুলো নিয়ন্ত্রণ করা হবে। স্বাস্থ্যবিধি মেনে যাতে তারা দূরত্ব বজায় রেখে বসেন, সেজন্য স্কুল-কলেজ কর্তৃপক্ষকে নির্দেশনা দেওয়া হবে’- যোগ করেন শিক্ষামন্ত্রী।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান চালুর প্রসঙ্গে পরামর্শক কমিটির সুপারিশ

মহামারি করোনাভাইরাসের সংক্রমণের কারণে র্দীঘ প্রায় দুই বছর পর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এরই ধারাবাহিকতায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দিতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে টিকা দেওয়া ও স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করাসহ একগুচ্ছ সুপারিশ করেছে করোনা সংক্রান্ত জাতীয় পরামর্শক কমিটি।

বৃহস্পতিবার রাতে শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে বৈঠকে এসব সুপারিশ দিয়েছে এই কমিটি, যা লিখিত আকারে সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পাঠানো হয়।

সূত্র জানিয়েছে, কমিটি বেশ কয়েক পৃষ্ঠার জনস্বাস্থ্য বিষয়ক বা করোনা সংক্রান্ত স্বাস্থ্যবিধি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বাস্তবায়নের জন্য পাঠিয়েছে। এগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে-যেসব শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারী টিকা নেননি, তাদেরকে তা নিতে হবে।

প্রতিদিন সবাইকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আনা যাবে না, এখন কেবল এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার্থীরা ৬ দিন ক্লাস করবেন, আর বাকিরা সপ্তাহে সর্বোচ্চ দুই দিন ক্লাসে যাবেন।

শ্রেণিকক্ষে বসার আকার আগের চেয়ে ছোট হবে। বসানোর ক্ষেত্রে শারীরিক দূরত্ব নিশ্চিত করতে হবে, এ ক্ষেত্রে কোনাকুনি বা ‘জিকজ্যাক’ সিস্টেমে বসাতে হবেঅ ঢোকার ও প্রবেশের পথ আলাদা থাকবে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কোনো জটলা করা যাবে না। অর্থাৎ অ্যাসেম্বলি ধরনের কোনো কর্মসূচি থাকবে না।

স্যানিটাইজার ব্যবহার করতে হবে। ওয়াশরুম পরিচ্ছন্ন থাকতে হবে। ৫ বছরের উপরের বয়সিরা মাস্ক পরবেন, তবে তা তদারকি করবেন শিক্ষকরা। স্বাস্থ্যবিধি প্রতিপালন সংক্রান্ত দিকগুলো নিয়মিত তদারকি করতে হবে, পারলে তা প্রতিবেদন আকারে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ গ্রহণ করবে।

এ প্রসঙ্গে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি শুক্রবার সাংবাদিকদের বলেন, ‘শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার ব্যাপারে আমাদের সব ধরনের প্রস্তুতি আছে। এমনকি স্কুল খুলে দেওয়ার পরে দৈনিক বাধ্যতামূলক প্রতিবেদন পাঠানোর বিষয় আছে। এটা এজন্য যে, সংশ্লিষ্ট সবাই যাতে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলেন।’

১২ সেপ্টেম্বর খুলছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান: শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক,৩ সেপ্টেম্বর:
১১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের চলমান ছুটি আর না বাড়ানোর চিন্তা রয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। ফলে ১২ সেপ্টেম্বর থেকে খুলছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।
ডা. দীপুমণি জানান, গত সপ্তাহে নেওয়া শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বৈঠকে নেওয়া সিদ্ধান্ত অনুযায়ী চলমান ছুটি ১১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বাড়ানো হয়। দীর্ঘ ১৭ মাস শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার কারণে শিশু-কিশোররা স্বাভাবিক বেড়ে ওঠার সুযোগ বঞ্চিত হচ্ছে বলেও স্বীকার করেন তিনি।
শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেন, বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে আজকেও কথা হয়েছে, তারা মনে করছেন আমরা যে সংক্রমণের হার অনেক কম রাখতে পেরেছি, তার অন্যতম কারণ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখা। অন্য অনেক কারণের পাশাপাশি এটিও অনেক ভূমিকা রেখেছে বলে মনে করছেন তারা।

দ্রুত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে: প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক,২ সেপ্টেম্বর:
দ্রুত দেশের সব ধরনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আজ বৃহস্পতিবার (০২ সেপ্টেম্বর) একাদশ জাতীয় সংসদের চতুর্দশ অধিবেশনে তিনি এ কথা জানান।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্দেশনা অনুযায়ী শিক্ষার্থীদের টিকা দেয়া হবে। স্কুল পর্যায়ের শিক্ষার্থীদেরও টিকার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের টিকা দিয়েই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেয়া হবে।

তিনি বলেন, দেশে করোনা টিকার আর কোনো সমস্যা নেই। যেখান থেকে যতটুকু পারছি আমরা নিয়ে আসছি।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, খুব তাড়াতাড়ি স্কুল-কলেজ খুলে দেওয়ার জন্য আমি নির্দেশ দিয়েছি। ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। শিক্ষকদের টিকা দেওয়া হচ্ছে। শিক্ষকদের পাশাপাশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যাঁরা কর্মরত আছেন, তাঁদের পরিবারসহ যেন টিকা দেওয়া হয়, সেই ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

এর আগে, গত বুধবার (২২ আগস্ট) মন্ত্রিপরিষদের নিয়মিত বৈঠকেও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার কথা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেছেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশাপাশি স্কুল-কলেজগুলোও দ্রুত খুলে দেয়া এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। কারণ শিশুরা ঘরে থাকতে থাকতে তাদেরও যথেষ্ট কষ্ট হচ্ছে। সেই দিকে আমাদের নজর দেওয়া দরকার।

Responsive WordPress Theme Freetheme wordpress magazine responsive freetheme wordpress news responsive freeWORDPRESS PLUGIN PREMIUM FREEDownload theme free

hit counter