ডেস্ক রিপোর্ট:
বর্তমান বিধান অনুযায়ী শিক্ষকরা প্রতি তিন বছর অন্তর শ্রান্তি বিনোদন ভাতা পাওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে তা নিয়মিতভাবে সম্ভব হচ্ছে না। এর প্রধান কারণ হিসেবে উঠে এসেছে রমজান মাসের সময়গত পরিবর্তন ও ছুটির কাঠামোগত জটিলতা।
সংশ্লিষ্টদের মতে, রমজান মাস প্রতিবছর প্রায় ১০ দিন করে এগিয়ে আসে। ফলে তিন বছরে মোট প্রায় ৩০ দিন সময় এগিয়ে যায়। এর ফলে দেখা যাচ্ছে, তিন বছর পূর্ণ হওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে রমজান মাসে শিক্ষকদের শ্রান্তি বিনোদন ভাতা পাওয়ার যোগ্যতা পূর্ণ হয় না। এতে করে অনেক ক্ষেত্রেই শিক্ষকদের চতুর্থ বছরে গিয়ে শ্রান্তি বিনোদন ভাতা গ্রহণ করতে হচ্ছে।
অন্যদিকে, বছরে যদি দুটি করে ১৫ দিনের ছুটি ধরা হয়, তাহলে শিক্ষকদের অধিকাংশকেই বাস্তবে তিন থেকে সাড়ে তিন বছর পর পর শ্রান্তি বিনোদন ভাতা পেতে হয়। এতে ভাতা প্রাপ্তির নির্ধারিত সময় ও বাস্তব প্রাপ্তির মধ্যে স্পষ্ট অসামঞ্জস্য তৈরি হচ্ছে।
এ অবস্থায় শিক্ষক সমাজের পক্ষ থেকে ছুটির তালিকা কারিগরি সংশোধনের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। প্রস্তাব অনুযায়ী, বর্তমান ছুটির তালিকার ৮ নম্বর ক্রমিকে থাকা শুক্র ও শনিবারের ছুটিগুলোকে ২৮ নম্বর ক্রমিকে যুক্ত করে অন্তত ১৫ দিনের কার্যকর ছুটি নিশ্চিত করা হলে এই সমস্যার সমাধান সম্ভব।
শিক্ষকদের দাবি, এভাবে ছুটির তালিকা সামান্য পুনর্বিন্যাস করা হলে
শ্রান্তি বিনোদন ভাতা নিয়মিত ও সময়মতো পাওয়া যাবে
শিক্ষকদের অধিকার সংরক্ষিত থাকবে
একই সঙ্গে মোট ছুটির পরিমাণও বৃদ্ধি পাবে না
শিক্ষা সংশ্লিষ্ট মহল মনে করছে, বিষয়টি দ্রুত পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেওয়া হলে দীর্ঘদিনের এই জটিলতা থেকে শিক্ষকরা মুক্তি পেতে পারেন।
শ্রান্তি বিনোদন ভাতা পেতে শিক্ষকদের অপেক্ষা বাড়ছে: ছুটির তালিকা সংশোধনের দাবি















