ঢাকা: চলতি বছরের মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় লিখিত অংশ যুক্ত করার পরিকল্পনা থাকলেও এবার তা বাতিল করা হয়েছে। আগের মতোই পরীক্ষা এমসিকিউ (MCQ) পদ্ধতিতে অনুষ্ঠিত হবে।
স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের বরাত দিয়ে জানা গেছে, ফল প্রকাশে বিলম্ব ও মূল্যায়নের জটিলতা এড়াতে লিখিত অংশ বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
লিখিত পরীক্ষা বাদ দেয়ার কারণ
বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিল (বিএমএন্ডডিসি) এবং স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের দুইটি সূত্র নিশ্চিত করেছে, ভর্তি পরীক্ষায় লিখিত অংশ সংযোজনের বিষয়ে অন্তত ১৫ বার বৈঠক হয়েছে। তবে বিভিন্ন মহলে আপত্তি ওঠায় এবং ফল প্রকাশ বিলম্ব হওয়ার আশঙ্কা থাকায় শেষ পর্যন্ত এমসিকিউ পদ্ধতি বজায় রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের ব্যাখ্যা
মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. নাজমুল হোসেন বলেন,“লিখিত পরীক্ষা রাখলে খাতা মূল্যায়নে অনেক সময় লাগত। এমসিকিউ প্রশ্নের ফলাফল ওএমআর মেশিনে দুই দিনের মধ্যে প্রকাশ করা সম্ভব। তাই এবারের ভর্তি পরীক্ষায় লিখিত অংশ রাখা হয়নি।”
তিনি আরও জানান, সাধারণ জ্ঞান অংশে ১০ নম্বরের প্রশ্ন থাকতে পারে, যা ১৫–২০ নম্বরে বৃদ্ধি পেতে পারে।
বিশ্লেষণী ক্ষমতা ও মানবিকতা যাচাই
অধ্যাপক নাজমুল হোসেন বলেন,“এতদিন শুধু স্মরণশক্তি ও মুখস্তবিদ্যা যাচাই হতো। এবার ধীরে ধীরে আমরা প্রার্থীর বিশ্লেষণী ক্ষমতা, বুদ্ধিমত্তা এবং মানবিকতা যাচাই করার চেষ্টা করছি। কিছু প্রশ্নের ধরন পরিবর্তন করা হবে, তবে প্যাটার্ন এমসিকিউ থাকবে।”
তিনি বলেন, শীর্ষস্থানীয় বিশেষজ্ঞদের মতামত নেওয়া হয়েছে। বড় ধরনের পরিবর্তন এবার হবে না, তবে আগামী দুই-তিন বছরে বিশ্লেষণী ও মানবিকতার প্রশ্ন সংখ্যা বৃদ্ধি করা হবে।
















