এসএসসি পরীক্ষা পেছানোর সুযোগ নেই, রুটিন অনুযায়ীই হবে: শিক্ষা বোর্ড

Image

ডেস্ক রিপোর্ট | ঢাকা
এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা পেছানোর কোনো সুযোগ নেই বলে স্পষ্টভাবে জানিয়েছে শিক্ষা বোর্ড কর্তৃপক্ষ। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পরীক্ষা পেছানো নিয়ে যে আলোচনা চলছে, তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে নাকচ করে দিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। নির্ধারিত সময়েই এসএসসি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

রোববার ঢাকা শিক্ষা বোর্ড–এর কর্মকর্তারা দৈনিক শিক্ষাবার্তা ডটকম–কে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. খন্দকার এহসানুল কবির বলেন,“আমরা এখন পুরোপুরি মাধ্যমিক পরীক্ষা নিয়ে ব্যস্ত আছি। এসএসসি পরীক্ষা রুটিন অনুযায়ীই হবে, পেছানোর কোনো প্রশ্ন নেই।”

তিনি আরও বলেন, উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার তারিখ এখনো নির্ধারিত হয়নি।“এইচএসসির ফরম পূরণ শুরু হবে ১ মার্চ থেকে। পরীক্ষা কবে হবে, সে সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় এখনো আসেনি।”

এসএসসি পরীক্ষার সময়সূচি

শিক্ষা বোর্ড প্রকাশিত রুটিন অনুযায়ী—

লিখিত পরীক্ষা শুরু: ২১ এপ্রিল

লিখিত পরীক্ষা শেষ: ২০ মে

পরীক্ষার সময়: প্রতিদিন সকাল ১০টা

ব্যবহারিক পরীক্ষার সূচি

ব্যবহারিক পরীক্ষা: ৭ জুন থেকে ১৪ জুন

নম্বরফর্দ ও কাগজপত্র জমা: ১৮ জুনের মধ্যে

ব্যবহারিক উত্তরপত্র, আনুষঙ্গিক কাগজপত্র ও স্বাক্ষরলিপি বিভাগ অনুযায়ী রোল নম্বরের ক্রমানুসারে সাজিয়ে মাধ্যমিক পরীক্ষা শাখায় হাতে হাতে জমা দিতে হবে।

সঙ্গীত বিষয়ের ব্যবহারিক পরীক্ষা

সঙ্গীত বিষয়ের সঙ্গীত অংশের ব্যবহারিক পরীক্ষায় পরীক্ষার্থীকে—

প্রবেশপত্র, নিবন্ধনপত্র,নিজস্ব বাদ্যযন্ত্র,তবলাবাদক,শনাক্তকারী শিক্ষক,সহ নিজ খরচে নির্ধারিত দিনে সকাল সাড়ে ৯টার মধ্যে কেন্দ্রে উপস্থিত থাকতে হবে। ব্যবহারিক পরীক্ষায় শুধু ব্যবহারিক উত্তরপত্র ব্যবহার করতে হবে; তত্ত্বীয় পরীক্ষার মূল উত্তরপত্র ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।

বিশেষ নির্দেশনা

পরীক্ষা শুরুর ৩০ মিনিট আগে পরীক্ষার্থীদের কেন্দ্রে আসন গ্রহণ করতে হবে।

প্রশ্নপত্রে উল্লিখিত সময় অনুযায়ী পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

প্রথমে এমসিকিউ, পরে সৃজনশীল/রচনামূলক (তত্ত্বীয়) পরীক্ষা হবে—এর মাঝে কোনো বিরতি থাকবে না।

পরীক্ষার্থীরা পরীক্ষা শুরুর কমপক্ষে তিন দিন আগে নিজ নিজ প্রতিষ্ঠান প্রধানের কাছ থেকে প্রবেশপত্র সংগ্রহ করবে।

ধারাবাহিক মূল্যায়ন

শারীরিক শিক্ষা, স্বাস্থ্য বিজ্ঞান ও খেলাধুলা এবং ক্যারিয়ার শিক্ষা বিষয়ের নম্বর জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড–এর নির্দেশনা অনুযায়ী ধারাবাহিক মূল্যায়নের মাধ্যমে নির্ধারিত হবে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো এসব নম্বর সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রে পাঠাবে এবং কেন্দ্রগুলো বোর্ডের ওয়েবসাইটে অনলাইনে আপলোড করবে।

শিক্ষা বোর্ড কর্তৃপক্ষ শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের গুজবে বিভ্রান্ত না হয়ে শুধুমাত্র বোর্ডের ঘোষিত তথ্যের ওপর আস্থা রাখার আহ্বান জানিয়েছে।

Image Not Found

Leave a Reply

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।