ডেস্ক রিপোর্ট | ঢাকা
বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) প্রতিষ্ঠান প্রধান ও সহকারী প্রধান নিয়োগ পরীক্ষায় অনলাইনে আবেদনের সময়সীমা আরও এক সপ্তাহ বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে আবেদন প্রক্রিয়ায় ‘এডিট (Edit)’ অপশন যুক্ত করা হচ্ছে, যাতে আবেদনকারীরা তথ্য সংশোধনের সুযোগ পান।
বুধবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়–এর একটি সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
কেন সময় বাড়ানো ও এডিট অপশন
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই বিপুলসংখ্যক আবেদন জমা পড়েছে। তবে অনেক আবেদনকারী তথ্য সংশোধনের সুযোগ চাওয়ায় আবেদন ব্যবস্থায় এডিট অপশন রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
এর ফলে—
-
ইতোমধ্যে আবেদনকারীরা তথ্য সংশোধন করতে পারবেন
-
নতুন করে আরও এক সপ্তাহ আবেদন করার সুযোগ পাবেন আগ্রহীরা
আবেদন কার্যক্রম তদারকির দায়িত্বে থাকা বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ) জানায়, স্বচ্ছতা ও নির্ভুলতা নিশ্চিত করতেই এই সিদ্ধান্ত। বর্ধিত সময় শেষ হলে আর আবেদন বা সংশোধনের সুযোগ নাও থাকতে পারে বলে সতর্ক করা হয়েছে।
পরীক্ষা ও ফল প্রকাশের সম্ভাব্য সময়সূচি
এনটিআরসিএ সূত্র জানায়—
-
লিখিত পরীক্ষা: ৪ এপ্রিল
-
ফল প্রকাশ: পরীক্ষা শেষে প্রায় এক সপ্তাহের মধ্যে
-
ভাইভা: লিখিত ফল প্রকাশের পরপরই
-
চূড়ান্ত ফল: আগস্টে প্রকাশের পরিকল্পনা
সংশোধিত বিজ্ঞপ্তি ও আবেদন পদ্ধতি
প্রতিষ্ঠান প্রধান ও সহকারী প্রধান নিয়োগের সংশোধিত বিজ্ঞপ্তি ইতোমধ্যে প্রকাশ করা হয়েছে।
আবেদন করতে হবে অনলাইনে—
-
ওয়েবসাইট: http://ngi.teletalk.com.bd
-
বিস্তারিত বিজ্ঞপ্তি: https://ntrca.gov.bd এবং টেলিটক পোর্টাল
মোট শূন্যপদ: ১৩,৫৫৯টি
গত ৯ ফেব্রুয়ারি প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, স্কুল, কলেজ, মাদরাসা ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মোট ১৩ হাজার ৫৫৯টি শূন্যপদের বিপরীতে এই নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। মাঠপর্যায়ের হালনাগাদ তথ্য অনুযায়ী সংখ্যা কিছুটা কমবেশি হতে পারে।
অধিদপ্তরভিত্তিক শূন্যপদ
-
মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর: ১০,২৭৮টি
-
কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর: ১৯০টি
-
মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তর: ৩,১৩১টি
পদভিত্তিক চিত্র (সংক্ষেপ)
-
মাধ্যমিক বিদ্যালয়: প্রধান শিক্ষক ৩,৯২৩, সহকারী প্রধান শিক্ষক ৩,৮৭২
-
কলেজ/এইচএসসি পর্যায়: অধ্যক্ষ ও উপাধ্যক্ষসহ একাধিক পদ
-
মাদরাসা: সুপারিনটেনডেন্ট ও সহকারী সুপারিনটেনডেন্টসহ বিভিন্ন স্তর
এনটিআরসিএ জানিয়েছে, বর্ধিত সময় ও এডিট অপশনের মাধ্যমে আবেদন প্রক্রিয়া আরও সহজ, নির্ভুল ও অংশগ্রহণমূলক হবে।
















