অন্তর্বর্তী সরকার আপাতত ৩ হাজার ৬১৫টি বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির কার্যক্রম স্থগিত করেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক হাজার ৭১৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির ভুল তথ্য ছড়িয়ে পড়ার পর এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।
সোমবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তারা জানান, এ মুহূর্তে এমপিওভুক্তির কোনো প্রজ্ঞাপন জারির সম্ভাবনা নেই।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা বলেন, এমপিওভুক্তি একটি দীর্ঘ ও জটিল প্রক্রিয়া। যাচাই-বাছাইয়ের অনেক কার্যক্রম এখনো শেষ হয়নি। মানহীন বা শর্ত পূরণ না করা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ঢালাওভাবে এমপিওভুক্ত করা যাবে না।
আরো পড়ুন: বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারীদের অবসর সুবিধা আইন সংশোধন—গেজেট জারি
এর আগে সামাজিক মাধ্যমে কয়েকটি নামসর্বস্ব ফেসবুক পেজ থেকে আগামী সপ্তাহে এমপিওভুক্তির প্রজ্ঞাপন জারির খবর ছড়িয়ে পড়ে। তবে শিক্ষা মন্ত্রণালয় স্পষ্ট করে জানায়, নির্বাচনের আগে এমপিওভুক্তির কোনো সিদ্ধান্ত নেই।
প্রসঙ্গত, প্রায় দুই বছর পর বেসরকারি স্কুল-কলেজ, মাদরাসা ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করার উদ্যোগ নেয় সরকার। ১৪ জানুয়ারি থেকে ২৫ জানুয়ারি পর্যন্ত অনলাইনে আবেদন গ্রহণ করা হয়। এতে মোট ৩ হাজার ৬১৫টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান আবেদন করে।
আবেদনগুলো যাচাই-বাছাইয়ের জন্য ১১ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। যাচাইয়ের ক্ষেত্রে শিক্ষার্থী ও পরীক্ষার্থীর সংখ্যা এবং পাসের হারকে বিশেষ গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে। তবে এসব শর্ত পূরণে ব্যর্থ হওয়ায় অধিকাংশ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের এমপিওভুক্ত না হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
















