ফেব্রুয়ারিতে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে টানা পাঁচ দিনের ছুটি পাচ্ছেন শিক্ষার্থীরা। নির্বাচন, সাপ্তাহিক ছুটি ও ধর্মীয় উৎসব মিলিয়ে ১১ থেকে ১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত স্কুল–কলেজের শ্রেণি কার্যক্রম বন্ধ থাকবে।
মাসের শুরুতেই মাঘী পূর্ণিমা উপলক্ষে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছুটি ছিল। এরপর ৪ ফেব্রুয়ারি পবিত্র শবে বরাতের ছুটি শেষে আবারও দীর্ঘ ছুটি আসছে।
ঘোষণা অনুযায়ী, ১১ ও ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে সাধারণ ছুটি, এরপর ১৩ ও ১৪ ফেব্রুয়ারি শুক্র ও শনিবার সাপ্তাহিক ছুটি এবং ১৫ ফেব্রুয়ারি শ্রী শ্রী শিবরাত্রি ব্রত উপলক্ষে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছুটি থাকবে। ফলে সব মিলিয়ে টানা পাঁচ দিন শ্রেণি কার্যক্রম বন্ধ থাকবে।
সরকার ইতোমধ্যে নির্বাচনের আগের দিন ১১ ফেব্রুয়ারি সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছে। নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে ১২ ফেব্রুয়ারি, যেদিন সাধারণ ছুটি আগেই নির্ধারিত ছিল। এ উপলক্ষে নির্বাচনকালীন নির্বাহী আদেশে সরকারি, আধা সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি অফিস–প্রতিষ্ঠান এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে।
এদিকে শিল্পাঞ্চলের শ্রমিকদের জন্য ১০ ফেব্রুয়ারি বিশেষ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। ফলে শ্রমিকরা শুক্র–শনিবার বাদে টানা তিন দিন ছুটি পাবেন।
স্কুলের বার্ষিক ছুটির তালিকা অনুযায়ী, চলতি বছরে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মোট ৬৪ দিন ছুটি রয়েছে। এর মধ্যে ৮ মার্চ থেকে ঈদুল ফিতর, জুমাতুল বিদা ও স্বাধীনতা দিবস মিলিয়ে টানা ১৯ দিন শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। দীর্ঘ ছুটির পর ২৯ মার্চ থেকে ক্লাস শুরু হবে।
এ ছাড়া ২৪ মে থেকে ৪ জুন পর্যন্ত ঈদুল আজহা ও গ্রীষ্মকালীন ছুটি মিলিয়ে টানা ১২ দিন, দুর্গাপূজায় পাঁচ দিন এবং অন্যান্য ধর্মীয় ও জাতীয় দিবসে নির্ধারিত ছুটি থাকবে। পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানের প্রধানের হাতে সংরক্ষিত দুই দিন ছুটিও বহাল থাকবে।
















