সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণিতে যেসব বিষয়ে পাঠ্যপুস্তক ও শিক্ষক সহায়িকা—উভয়ের মাধ্যমে পাঠদান হয়, সেসব বিষয়ে ৫০ শতাংশ ধারাবাহিক মূল্যায়ন এবং ৫০ শতাংশ সামষ্টিক মূল্যায়ন বা পরীক্ষা নেওয়া হবে। তবে যেসব বিষয়ে কেবল শিক্ষক সহায়িকার মাধ্যমে পাঠদান করা হয়, সেসব বিষয়ে শতভাগ ধারাবাহিক মূল্যায়ন কার্যকর থাকবে; কোনো পরীক্ষা হবে না।
একই সঙ্গে তৃতীয় থেকে পঞ্চম শ্রেণির মূল্যায়ন পদ্ধতিতেও পরিবর্তন আনা হয়েছে।
মূল্যায়ন নির্দেশিকা ডাউনলোড করুন
আরো পড়ুন: রমজানের ছুটি সমন্বয়ের দাবিতে শিক্ষকদের আবেদন, মন্ত্রণালয় থেকে আসতে পারে সুখবর
এ স্তরে পাঠ্যপুস্তক ও শিক্ষক সহায়িকার মাধ্যমে পরিচালিত বিষয়গুলোতে ধারাবাহিক মূল্যায়ন নির্ধারণ করা হয়েছে ৩০ শতাংশ এবং সামষ্টিক মূল্যায়ন ৭০ শতাংশ। আর যেসব বিষয়ে শুধু শিক্ষক সহায়িকার মাধ্যমে পাঠদান হয়, সেসব বিষয়ে ১০০ শতাংশ ধারাবাহিক মূল্যায়নই বহাল থাকবে।
সভায় সিদ্ধান্ত হয়, প্রতিটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় নিজ উদ্যোগে প্রান্তিক পরীক্ষার প্রশ্নপত্র প্রণয়ন করবে। কোনো বিদ্যালয় এককভাবে প্রশ্নপত্র তৈরি করতে না পারলে পার্শ্ববর্তী বিদ্যালয়গুলোর সঙ্গে যৌথভাবে প্রশ্নপত্র তৈরি করতে পারবে।
















