বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও কর্মচারীদের অবসর সুবিধা আইন সংশোধন করে গেজেট জারি করা হয়েছে। সংশোধিত আইনে বোর্ড গঠন সম্ভব না হলে সরকারের অনুমোদনক্রমে শিক্ষক-কর্মচারীদের অবসর সুবিধা দেয়ার বিধান যুক্ত করা হয়েছে।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) এ সংক্রান্ত অধ্যাদেশের গেজেট প্রকাশ করা হয়। গেজেটে উল্লেখ করা হয়েছে, সংসদ ভেঙে যাওয়ায় সংবিধানের ৯৩(১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি অধ্যাদেশ জারি করেছেন।
সংশোধিত আইনে অবসর সুবিধা বোর্ডের পরিচালনা পরিষদ পুনর্গঠন করা হয়েছে। নতুন কাঠামো অনুযায়ী, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব বোর্ডের চেয়ারম্যান এবং মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজি) ভাইস-চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। পাশাপাশি এমপিওভুক্ত বিভিন্ন স্তরের শিক্ষক ও কর্মচারীদের প্রতিনিধিত্বও বোর্ডে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
আইনে আরও স্পষ্ট করা হয়েছে যে, অবসর সুবিধা প্রদান নয়—বরং অবসর সুবিধার অনুমোদন বোর্ডের দায়িত্ব হবে। চাকরিরত অবস্থায় কোনো শিক্ষক বা কর্মচারীর মৃত্যু হলে তার পরিবারের জন্য অবসর সুবিধা অনুমোদনের বিষয়টিও সংশোধিত আইনে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
এছাড়া বোর্ড গঠন সম্ভব না হলে অন্তর্বর্তী ব্যবস্থা হিসেবে সরকারের অনুমোদনে অবসর সুবিধা প্রদানের বিধান রাখা হয়েছে। একই সঙ্গে অবসর সুবিধার স্থায়ী তহবিল রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক, সরকারি বন্ড বা সরকারি বিলে বিনিয়োগের বাধ্যবাধকতাও নির্ধারণ করা হয়েছে।
সংশোধিত এ আইন কার্যকর হলে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও কর্মচারীদের অবসর সুবিধা প্রাপ্তিতে দীর্ঘদিনের জটিলতা অনেকটাই কমবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।















