বেসরকারি স্কুল-কলেজের জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা–২০২৫ খসড়া নিয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে বিস্তারিত মতামত পাঠিয়েছে অর্থ বিভাগ। নীতিমালার বেশ কিছু ধারা, সংজ্ঞা ও শর্তে পরিবর্তন আনার প্রস্তাব করা হয়েছে।
অনুপস্থিতি নিয়ে কঠোরতা:
বর্তমান খসড়ায় এক বছর অনুপস্থিত থাকলে এমপিও অযোগ্য করার যে প্রস্তাব ছিল, অর্থ বিভাগ সময়সীমা কমিয়ে ৬০ দিন করার সুপারিশ করেছে। ৬০ দিন বিনা অনুমতিতে অনুপস্থিত থাকলে পদটি শূন্য ঘোষণা করে নতুন নিয়োগ দিতে হবে।
বাজেট সাপেক্ষে এমপিও অনুমোদন:
শর্ত পূরণ করলেও বাজেট বরাদ্দ না থাকলে নতুন প্রতিষ্ঠানকে এমপিও দেওয়া যাবে না। এমপিও অনুমোদনের আগে অর্থ বিভাগের সম্মতি বাধ্যতামূলক করার প্রস্তাব করা হয়েছে। এতে আর্থিক সক্ষমতাই হবে মূল বিবেচ্য বিষয়।
পদোন্নতিতে দক্ষতা যাচাই:
এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের পদোন্নতির ক্ষেত্রে পৃথক দক্ষতা যাচাই পরীক্ষা নেওয়ার সুপারিশ করেছে অর্থ বিভাগ। তাদের মতে, এতে শিক্ষকতার মান বৃদ্ধি পাবে।
অনার্স-মাস্টার্সে ৩,৫০০ শিক্ষক এমপিওভুক্তির প্রস্তাব বজায়:
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়-অধিভুক্ত কলেজের অনার্স-মাস্টার্স বিভাগে সর্বোচ্চ ৩,৫০০ শিক্ষককে এমপিওভুক্ত করার প্রস্তাব বহাল রাখা হয়েছে। তবে শিক্ষার্থী সংখ্যা, পরীক্ষার্থী সংখ্যা ও পাসের হার– এসব শর্ত পূরণ বাধ্যতামূলক থাকবে।
অন্যান্য প্রস্তাব:
-
বিভাগ খোলার শর্তাবলি ও মহিলা কলেজের মানদণ্ডে অসামঞ্জস্য দূর করার পরামর্শ।
-
উদ্বৃত্ত পদ সমন্বয় সংক্রান্ত ধারা (৯.২ ও ৯.৩) বাদ দেওয়ার সুপারিশ।
-
পাসের হার শহর এলাকায় ৬০% ও মফস্বলে ৪৫% করার প্রস্তাব।
শিক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, অর্থ বিভাগের মতামত নিয়ে চূড়ান্ত নীতিমালা প্রকাশের কাজ চলছে।













