ডেস্ক রিপোর্ট | ঢাকা
বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠান প্রধান ও সহকারী প্রধান পদে নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ)। তিনটি অধিদপ্তরের অধীন মোট ১৩ হাজার ৫৯৯টি শূন্যপদে অনলাইনে আবেদন নেওয়া হবে।
বৃহস্পতিবার প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী আগামী ৩ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৯ ফেব্রুয়ারি রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত আবেদন করা যাবে। আবেদন ফি জমা দেওয়া যাবে ২০ ফেব্রুয়ারি রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত।
প্রার্থীদেরকে অনলাইনে http://ngi.teletalk.com.bd ওয়েবসাইটে আবেদন করতে হবে। বিস্তারিত বিজ্ঞপ্তি পাওয়া যাবে এনটিআরসিএর ওয়েবসাইটেও।
পরীক্ষা পদ্ধতি ও নম্বর বণ্টন
এমসিকিউ পরীক্ষা: ৮০ নম্বর (সময় ১ ঘণ্টা)
শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ মূল্যায়ন: ১২ নম্বর
মৌখিক পরীক্ষা: ৮ নম্বর
মোট নম্বর: ১০০
আলাদাভাবে কমপক্ষে ৪০% নম্বর পেতে হবে
৮০টি এমসিকিউ প্রশ্ন থাকবে।
প্রতি সঠিক উত্তরে ১ নম্বর, ভুল উত্তরে কাটা যাবে ০.২৫ নম্বর।
এমসিকিউতে উত্তীর্ণদের মৌখিক পরীক্ষায় ডাকা হবে।
পরীক্ষার বিষয়সমূহ
বাংলা, ইংরেজি, আইসিটি, মানসিক দক্ষতা ও গাণিতিক যুক্তি, সাধারণ জ্ঞান (বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক), প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনা, আর্থিক ব্যবস্থাপনা এবং সংশ্লিষ্ট অধিদপ্তরভিত্তিক বিষয়।
অধিদপ্তরভেদে অতিরিক্ত বিষয়:
মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর: সাধারণ শিক্ষা ব্যবস্থাপনা
কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর: কারিগরি শিক্ষা সংশ্লিষ্ট জ্ঞান
মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তর: কুরআন, হাদিস, ফিকাহ, আরবি ও ইসলামি শিক্ষা
সম্পূর্ণ স্বয়ংক্রিয় নিয়োগ সুপারিশ
লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষার মোট নম্বরের ভিত্তিতে মেধাক্রম তৈরি করে প্রার্থীর পছন্দক্রম অনুযায়ী সফটওয়্যারের মাধ্যমে শতভাগ স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে নিয়োগ সুপারিশ করা হবে, যার প্রযুক্তিগত সহায়তায় থাকবে টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেড।
শূন্যপদের হিসাব (অধিদপ্তরভিত্তিক)
মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর: ১০,২৭৮টি
মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক: ৩,৯২৩
সহকারী প্রধান শিক্ষক: ৩,৮৭২
কলেজ অধ্যক্ষ/উপাধ্যক্ষসহ অন্যান্য পদ মিলিয়ে বাকিগুলো
কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর: ১৯০টি
অধ্যক্ষ, সুপারিনটেনডেন্ট ও সহকারী সুপারিনটেনডেন্ট
মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তর: ৩,১৩১টি
কামিল, ফাজিল, আলিম পর্যায়ের অধ্যক্ষ ও উপাধ্যক্ষ
দাখিলের সুপারিনটেনডেন্ট ও সহকারী সুপারিনটেনডেন্ট
যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা
তিন অধিদপ্তরের সর্বশেষ জারিকৃত জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা অনুযায়ী নির্ধারিত শিক্ষাগত যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা প্রযোজ্য হবে।
এই নিয়োগের মাধ্যমে বেসরকারি স্কুল, কলেজ ও মাদরাসায় দীর্ঘদিনের নেতৃত্ব সংকট দূর হবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন।














