নবম জাতীয় পে-স্কেল চূড়ান্ত করার লক্ষ্যে আজ বৃহস্পতিবার (১৪ জানুয়ারি) পূর্ণ কমিশনের গুরুত্বপূর্ণ সভা অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের পুরাতন ভবনের সভাকক্ষে দুপুর ১২টায় এ বৈঠক শুরু হবে বলে জানিয়েছে পে কমিশনের একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র।
সভায় সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন বেতন, গ্রেড সংখ্যা, বাড়ি ভাড়া, চিকিৎসা ভাতা, উৎসব ভাতা, অবসরকালীন সুবিধাসহ সরকারি কর্মচারীদের বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হবে। যেসব বিষয়ে কমিশনের সদস্যরা ঐকমত্যে পৌঁছাবেন, সেগুলো চূড়ান্ত করার সম্ভাবনা রয়েছে।
পে-কমিশনের এক সদস্য জানান, কমিশন শুধু বেতন কাঠামোর সুপারিশ নয়, বরং ক্রমবর্ধমান মূল্যস্ফীতি, নিত্যপণ্যের দাম, পারিবারিক ব্যয়, আবাসন ও শিক্ষা খরচকে ভিত্তি করে একটি পূর্ণাঙ্গ ফ্রেমওয়ার্ক তৈরি করছে। ভবিষ্যতে সরকার এই কাঠামোকেই বেতন নির্ধারণের রেফারেন্স হিসেবে ব্যবহার করবে।
এদিকে কমিশনের নির্ভরযোগ্য সূত্র জানিয়েছে, নবম পে-স্কেলে সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন বেতনের অনুপাত ১:৮ চূড়ান্ত করা হয়েছে। গত ৮ জানুয়ারি কমিশনের সভায় এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়।
🔹 সর্বনিম্ন বেতন নিয়ে তিন প্রস্তাব
নবম পে-স্কেলের সর্বনিম্ন বেতন নির্ধারণে কমিশনের সামনে রয়েছে তিনটি প্রস্তাব—
২১ হাজার টাকা
১৭ হাজার টাকা
১৬ হাজার টাকা
এই তিনটির মধ্য থেকে একটি চূড়ান্ত হতে পারে।
তবে সর্বোচ্চ বেতন স্কেল এখনো নির্ধারিত হয়নি। কারণ বাড়ি ভাড়া, চিকিৎসা ও অন্যান্য ভাতার কাঠামো চূড়ান্ত না হওয়ায় সর্বোচ্চ বেতনের পরিমাণ এখনো খোলা রাখা হয়েছে।
উল্লেখ্য, জাতীয় বেতন কমিশন ২০২৫ সালের ২৭ জুলাই গঠিত হয়। সাবেক অর্থসচিব জাকির আহমেদ খানের নেতৃত্বে গঠিত এ কমিশনের মেয়াদ চলতি বছরের ফেব্রুয়ারির মধ্যেই শেষ হওয়ার কথা রয়েছে। কমিশনের সুপারিশ জাতীয় নির্বাচনের আগেই সরকারের কাছে জমা দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।











