বৈষম্যহীন, অন্তর্ভুক্তিমূলক, জীবনব্যাপী ও যুগোপযোগী শিক্ষাব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে নতুন শিক্ষা আইনের খসড়া প্রকাশ করেছে সরকার। খসড়ায় বলা হয়েছে, আইন প্রবর্তনের তিন থেকে পাঁচ বছরের মধ্যে কোচিং সেন্টার স্থাপন, সহায়ক বই প্রকাশ এবং প্রাইভেট টিউশন কার্যক্রম স্থায়ীভাবে বন্ধের উদ্যোগ নেওয়া হবে।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের প্রণীত খসড়া আইনের বিশ্লেষণে এ তথ্য জানা গেছে। এতে উল্লেখ করা হয়, কোচিং সেন্টার, সহায়ক পুস্তক, নোট বা গাইড বই—যে নামেই পরিচিত হোক না কেন—এসব নিয়ন্ত্রণের জন্য সরকার বিধিমালা প্রণয়ন করবে এবং ধাপে ধাপে নিরুৎসাহিত করে কার্যক্রম বন্ধ করা হবে।
শিক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, নতুন শিক্ষা আইনের খসড়ার ওপর মতামত পাঠাতে আগ্রহীদের আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি বিকেল ৫টার মধ্যে [email protected] ইমেইলে মতামত পাঠাতে হবে।
মন্ত্রণালয়ের ভাষ্য অনুযায়ী, নিরক্ষরতা দূরীকরণ, অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষার প্রসার, সবার জন্য মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করা এবং শিক্ষক-শিক্ষার্থীর অধিকার ও কল্যাণ সংরক্ষণের লক্ষ্যে এই আইন প্রণয়ন করা হচ্ছে। শিক্ষা সম্পর্কিত বিদ্যমান আইনগুলোকে আরও সমন্বিত ও কার্যকর করতেই এ নতুন আইন আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।














