Author Archives: chief editor

জামিন পেয়ে কারামুক্ত হলেন লক্ষীপুরের সেই সিভিল সার্জন

লক্ষীপুরে ভ্রাম্যামাণ আদালতে ৩ মাসের সাজা আদেশের পর ২৪ ঘন্টার মধ্যে জামিন পেয়ে কারামুক্ত হলেন সাবেক সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ সালাহ উদ্দিন শরীফ।

মঙ্গলবার ( ০৫ ডিসেম্বর) বেলা ১১ টায় লক্ষীপুর অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে জামিন আবেদন করলে বিচারক মীর শওকত হোসেন ৫ হাজার টাকা বন্ডে তার জামিন মঞ্জুর করেন। দুপুর সোয়া ১২ টার দিকে কারাগার থেকে স্থানীয় চিকিৎসকরা তাকে সিভিল সার্জন কার্যালয়ে নিয়ে আসেন।

এসময় সাবেক সিভিল সার্জন তার প্রতিক্রিয়ায় গণমাধ্যমকর্মীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, এ ধরণের অনাকাঙ্খিত ঘটনার যেন পুনরাবৃত্তি না হয় এবং সিনিয়র চিকিৎসক যেন অসম্মানিত ও অপমানিত না হন এ জন্য জোর দাবী জানাই। একই সঙ্গে মোবাইল কোর্টের নামে যে তৎপরতা চালানো হচ্ছে অবশ্যই এটি বন্ধ করা সহ যারা এই অনাকাঙ্খিত ঘটনা ঘটিয়েছে তাদের আইনের আওতায় এনে শাস্তির দাবী জানান তিনি।

এসময় উপস্থিত ছিলেন- ডা. আশফাকুর রহমান মামুন, ডা. নিজাম উদ্দিন, ডা. জাকির হোসেন, ডা. নুরুল ইসলাম, ডা. হামিদ প্রমুখ।

সালাউদ্দিনের আইনজীবি রাসেল মাহমুদ মান্না জানান. অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে ডা. সালাউদ্দিন শরীফের জামিন আবেদন করলে আদালত ৫ হাজার টাকার মুচলেকা দিয়ে জামিন মঞ্জুর করেন।

প্রসঙ্গত, সোমবার (৪ ডিসেম্বর) জেলা প্রশাসন কর্তৃক পরিচালিত শহরের কাকলি স্কুলের প্রবেশ পথে আগে পরে যাওয়াকে কেন্দ্র করে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) শেখ মুর্শিদুল ইসলাম ও ডা. সালাহ উদ্দিন শরীফের বড় ছেলে মিনহাজের সঙ্গে বাক বিতন্ডা হয়। এসময় ডা. সালাহ উদ্দিন এগিয়ে এসে পরিচয় জানতে চান। কিন্তু এডিসি পরিচয় না দিয়ে তার সাথে বাকবিতন্ডায় লিপ্ত হন। এক পর্যায়ে এডিসিকে থাপ্পড় মারেন ডাক্তার।

বাবা ছেলে ও এডিসি’র মধ্যে হাতাহাতির ঘটনাও ঘটে। পরে পুলিশ ডেকে ডাক্তারকে আটক করে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। কিছুক্ষনের মধ্যেই ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে সাজা দিয়ে কারাগারে পাঠানো হয় ডাক্তারকে।

খবর পেয়ে জেলায় কর্মরত চিকিৎসকরা বিক্ষুব্ধ হয়ে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে ছুটে যান। বিক্ষুব্ধ অবস্থায় চিকিৎসকরা প্রশাসনের সকল সেবা কার্যক্রম ও সকল হাসপাতাল ক্লিনিক বন্ধ রাখার হুমকি দিয়ে নিঃশর্তভাবে ওই চিকিৎসকের মুক্তি দাবিকরেন।

জেলা প্রশাসক হোমায়রা বেগমের সঙ্গে প্রায় আধা ঘন্টার মতো রুদ্ধদ্বার বৈঠকে বসেন তারা। তবে বৈঠকে চিকিৎসকরা তড়ি ঘড়ি করে সাজা দেয়ার বিষয় নিয়ে জেলা প্রশাসককের কাছে প্রশ্ন তোলেন। এসময় জেলা প্রশাসক আপিল করলে সহযোগীতা করার আশ্বাস দেন বলে জানান চিকিৎসকরা।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

আত্তীকৃতদের ক্যাডারের মর্যাদা দেয়া হবে না : শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক: আত্তীকৃত সরকারি কলেজের শিক্ষকরা এখন আর বিসিএস ক্যাডারের মর্যাদা পাচ্ছেন না। তবে এই শিক্ষকরা ক্যাডারের মর্যাদাই চায়। অন্যদিকে বিসিএস ক্যাডার শিক্ষকরা বলছেন, আত্তীকৃত কলেজ শিক্ষকদের কোন ভাবেই ক্যাডার র্মযাদা দেয়া যাবে না। এর জন্য তারা আন্দলোনের পাশাপাশি আলোচনা করতেও রাজি । এদিকে শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, আত্তীকৃত শিক্ষকরা বিসিএস মার্যদা পাবেন না। এ জন্য আইন পরির্বতন করা হবে।

চার দশক ধরে বিসিএস শিক্ষা ক্যাডারে যুক্ত হয়ে আসছেন সরকারকৃত কলেজ শিক্ষকরা। এবার যখন একযোগে ২৮৫ কলেজে ১২ হাজার শিক্ষকের চাকরি সরকারি হতে যাচ্ছে তখন তার বিরোধিতা করছেন বিসিএস পরিক্ষা দিয়ে আসা শিক্ষকরা। কলেজ শিক্ষকদের ক্যাডার মর্যাদা না দেয়ার দাবিতে মহাসমাবেশ সহ কর্মসূচি পালন করেছে বিসিএস সাধারণ শিক্ষা সমিতি । এদিকে আগামী জানুয়ারি মাসেও তিনদিনের কর্মবিরতি ঘোষণা দেয়া আছে। পাশাপাশি একটি রিট আবেদনের উপর শুনানি চলছে হাই কোর্টে ।

এ সম্পর্কে বিসিএস সাধারণ শিক্ষা সমিতির মহাসচিব শাহেদুল খবির চৌধুরী বলেন, ‘কলেজগুলো জাতীয়করণ হবে এবং শিক্ষকগণ ওই কলেজেই থাকবেন। আমাদের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে জাতীয়করণ তখনই সম্ভব যদি সেই শিক্ষকগুলোকে ক্যাডারের বাহিরে থাকে এবং এর জন্য মন্ত্রীমহাদ্বয়ের প্রতি কৃতজ্ঞ।’

এমন পরিস্থিতিতে শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ গণমাধ্যম কর্মীদের জানিয়েছেন , ‘সরকারিকৃত কলেজ শিক্ষকরা বিসিএস ক্যাডারের মর্যাদা পাবেন না। আর এর জন্য আইন পরিবর্তনের কাজ চলছে।’

এদিকে বিসিএস ক্যাডারের মর্যাদার দাবি পূরণ না হলে আদালোতে যাবেন আত্তীকৃত কলেজ শিক্ষকরা। এ সম্পর্কে সরকারিকরণকৃত কলেজ শিক্ষক সমিতির সভাপতি জহুরুল ইসলাম বলেন, ‘সরকার এর আগে শিক্ষক নিয়োগ দেয়ার সময় ক্যাডার মর্যাদা দিয়েছে। সরকারি করণের একই প্রক্রিয়ায় দুইরকম হলে শিক্ষা ব্যবসায়ায় নৈরাজ্য সৃষ্টি হবে।’

২০১০ সালে উন্নিত জাতীয় শিক্ষানীতিতে বিসিএস ক্যাডারদের অগ্রাধিকার দেয়ার কথা বলা হযেছে। এমনকি পৃথক একটি নীতিমালা তৈরী করে কলেজ সরকারিকরণের কথা বলা হয়েছে।
সূত্র : যমুনা টিভি

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

জয় এখন কোথায় যাবে?

বিনোদন ডেস্ক:ঢাকা: ঢালিউডের আলোচিত জুটি শাকিব খান-অপু বিশ্বাসের সংসার ভাঙনের খবর গতকাল বিকেল থেকে টক অব দ্য কান্ট্রিতে পরিণত হয়েছে। সবার এখন একটাই প্রশ্ন শাকিব-অপুর একমাত্র ছেলে আব্রাম খান জয় এখন কার কাছে থাকবে?

জানা গেছে, চিত্রনায়িকা অপু বিশ্বাসকে তালাকের নোটিশ পাঠিয়েছেন দেশের শীর্ষ চিত্রনায়ক শাকিব খান।

সোমবার অপু বিশ্বাসের বাসায় এই তালাকনামা পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন শাকিব খানের ঘনিষ্ঠ বন্ধু প্রযোজক ও চলচ্চিত্র পরিচালক মোহাম্মদ ইকবাল। দুদিন আগেই অপু বিশ্বাসের বাসার ঠিকানায় এই তালাকের নোটিশ পাঠিয়েছেন শাকিব খানের আইনজীবী। তবে এই তালাক কার্যকর হবে তিন মাস পর।

শাকিব খানের গণমাধ্যম বিষয়ক মুখপাত্র মোহাম্মদ ইকবাল জানান, অপু বিশ্বাসকে ব্যারিস্টার রোকনউদ্দিন মাহমুদের মাধ্যমে তালাকনামা পাঠানো হয়েছে।

এ বিষয়ে জানতে শাকিব খানকে এসএমএস পাঠালে তিনি ফিরতি এসএমএসে বলেন, বর্তমানে নোলক ছবির শুটিং এ হায়দ্রাবাদে শুটিংয়ে আছি, পরে কথা বলছি। তারপর একটু পরেই তালাকনামার তথ্য নিশ্চিত করে তিনি জানান, ‘অপুর কাছে ডিভোর্সের চিঠি পাঠিয়েছি। ৩০ নভেম্বর হায়দ্রাবাদ আসার আগে ডিভোর্স পেপারে স্বাক্ষর করেছি।’

অপরদিকে চিত্র নায়িকা অপু বিশ্বাস জাগো নিউজকে জানিয়েছেন, ‘গণমাধ্যমের খবরে জেনেছি শাকিব আমাকে ডিভোর্স লেটার পাঠিয়েছে। কিন্তু আমি তা হাতে পাইনি। কারণ আমি বাসায় ছিলাম না।’

উল্লেখ্য, ২০০৮ সালের ১৮ এপ্রিল শাকিব খান ও অপু বিশ্বাসের বিয়ে হয়। বিয়ের ব্যাপারটি কঠোর গোপনীয়তার মধ্যে রেখে তারা দুজন সমানতালে সিনেমার শুটিং অব্যাহত রাখেন। গত এপ্রিলে ঢাকাই ছবির নতুন নায়িকা শবনম বুবলীর সঙ্গে শাকিব ঘরোয়া পরিবেশে একটি ছবি তোলেন। ছবিটিতে ‘ফ্যামিলি টাইম’ ক্যাপশন লিখে নিজের সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে প্রকাশ করেন বুবলী। এর পরই অপু বিশ্বাসের সঙ্গে সম্পর্কের অবনতি ঘটে শাকিব খানের। এ বছর ১০ এপ্রিল বিকেলে একটি টেলিভিশন চ্যানেলে ছয় মাস বয়সের ছেলে আব্রামকে সঙ্গে নিয়ে উপস্থিত হন অপু। সেদিন অপু বলেন, আমি শাকিবের স্ত্রী, আমাদের ছেলে আছে।

আট বছর আগের সে বিয়ের খবর জনসমক্ষে আসার পর দুজনের সম্পর্কের টানাপোড়েন তৈরি হয়। পরিস্থিতি এমন অবস্থায় পৌঁছায় যে শাকিব খান ও অপু বিশ্বাস নিজেদের মধ্যে মুখ দেখাদেখি বন্ধ করে দেন। শুধু ছেলে আব্রামের কারণে মাঝেমধ্যে দেখা হলেও কথা হয়নি দুজনের। এবার তাদের সেই টানাপোড়েনের চূড়ান্ত পরিণতি ঘটেছে। শাকিব খান আর অপু বিশ্বাসের আনুষ্ঠানিকভাবে বিবাহবিচ্ছেদ ঘটছে।

এই দুই জনপ্রিয় চিত্রতারকার ঘনিষ্ঠজনদের মতে, শাকিব খান আর অপু বিশ্বাসের বিবাহবিচ্ছেদের অনেকগুলো কারণ রয়েছে। যেমন শাকিবকে কোনো কিছু না জানিয়ে হুট করে টেলিভিশনে শিশুসন্তানকে নিয়ে অপুর হাজির হওয়া, নানা সময়ে সংবাদমাধ্যমে দেওয়া সাক্ষাৎকারে শাকিব খান আর তার পরিবার নিয়ে অপুর কটূক্তি করা, অন্য নায়িকাদের সঙ্গে শাকিব খানকে জড়িয়ে মুখরোচক কথা বলা, একমাত্র সন্তানের জন্মদিন বাবা শাকিব খানের অর্থে উদ্যাপন করা হলেও দাওয়াতপত্রে শুধু মা অপুর স্থিরচিত্র ব্যবহার করা, আর গত কয়েক মাসে দেশের সিনেমায় যারা প্রকাশ্যে শাকিব খানের বিরোধিতা করছিলেন, তাদের সঙ্গে অপুর সুসম্পর্ক বজায় রাখা এবং কাজ করা।

এর আগে বিবাহবিচ্ছেদ নিয়ে অপু বলেন, আমি ডিভোর্স নিয়ে এখনই কিছু বলব না। আর বিবাহবিচ্ছেদ হলে আপনারা তখন জানতেই পারবেন। বিষয়টি একান্তই ব্যক্তিগত। যদি এমন কিছু ঘটে, তা আমি নিজেই আপনাদের ডেকে জানাব।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

একজন সর্বোচ্চ ১৫টি সিম কিনতে পারবেন: বিটিআরসি

এখন থেকে একটি জাতীয় পরিচয়পত্রের বিপরীতে সর্বোচ্চ ১৫টি সিম/রিম কিনতে পারবেন গ্রহকরা। বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) সিস্টেম অ্যান্ড সার্ভিস বিভাগের সিনিয়র সহকারী পরিচালক সনজিব কুমার সিংহ স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সরকারের পুনঃবিবেচনা অনুযায়ী এখন থেকে প্রতিটি জাতীয় পরিচয়পত্রের বিপরীতে সব অপারেটর মিলিয়ে সর্বোচ্চ ১৫টি প্রিপেইড সিম/রিম কিনতে পারবেন গ্রাহকরা। ২০১৬ সালের ৪ আগস্টের নির্দেশনা অনুযায়ী সর্বোচ্চ ২০টি এবং ২৪ অক্টোবরের নির্দেশনা অনুযায়ী সর্বোচ্চ ৫টি সিম কিনতে পারতেন গ্রাহকরা। কিন্তু সিদ্ধান্ত পুনঃবিবেচনা করে বর্তমানে এ সংখ্যা ১৫টি নির্ধারণ করেছে  সরকার।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, করপোরেট গ্রাহকের ক্ষেত্রে এ সীমা বাস্তবসম্মত নয় বলে কোনও প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে অনুমোদিত ব্যক্তি (পয়েন্ট অফ কন্টাক্ট) এই সীমার আওতামুক্ত থাকবেন।

এছাড়া যাদের ১৫টির বেশি সিম/রিম আছে তাদের আগামী ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে নিজ উদ্যোগে সংশ্লিষ্ট মোবাইল অপারেটরের কাস্টমার কেয়ারে উপস্থিত হয়ে অতিরিক্ত সিম/রিম নিষ্ক্রিয় করতে হবে। অন্যথায় সিম/রিম বন্ধ হয়ে যাওয়ার সম্ভাববনা আছে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে বিজ্ঞপ্তিতে।

একটি জাতীয় পরিচয়পত্র/পাসপোর্ট/ড্রাইভিং লাইসেন্স/জন্ম সদনের বিপরীতে কত সংখ্যক সিম/রিম আছে তা জানতে *১৬০০১# ডায়াল করে ফিরতি রিপ্লায়ে আইডি নম্বরের শেষ চারটি ডিজিট লিখে পাঠাতে হবে অথবা আইডি নম্বরের শেষ চারটি ডিজিট লিখে এসএমএস করতে হবে ১৬০০১ নম্বরে। উভয় ক্ষেত্রে ফিরতি এসএমএসে আইডির বিপরীতে সিম/রিমের সংখ্যা এবং নম্বরগুলো জানা যাবে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

লেকহেড স্কুলের বিরুদ্ধে ভয়াবহ তথ্য ছিল : অ্যাটর্নি জেনারেল

নিজস্ব প্রতিবেদক : জঙ্গি কার্যক্রমে পৃষ্ঠপোষকতার অভিযোগে বন্ধ করে দেয়া রাজধানীর ধানমন্ডি ও গুলশানের লেকহেড স্কুলের বিরুদ্ধে গোয়েন্দা প্রতিবেদনে ভয়াবহ তথ্য ছিল বলে মন্তব্য করেছেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম।

অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, আপিল বিভাগে আমরা যে গোয়েন্দা প্রতিবেদন দাখিল করেছি তাতে ভয়াবহ পরিস্থিতির কথা উল্লেখ ছিল। এই স্কুলের সাবেক পরিচালনা পর্ষদ, সাবেক কিছু শিক্ষক ও অভিভাবকের বিরুদ্ধে জঙ্গি সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ছাড়া এই স্কুলের সঙ্গে যুক্ত কয়েকজন সদস্য সিরিয়ায় আইএসের সঙ্গে জড়িত ছিলেন।

আজ মঙ্গলবার অ্যাটর্নি জেনারেল নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন।

source: jagonews

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডে নতুন চেয়ারম্যান

ডেস্ক: দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডে নতুন চেয়ারম্যান নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এ পদে নিয়োগ পেয়েছেন মো. আবু বকর সিদ্দিক। তিনি এর আগে দিনাজপুর সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

আজ সোমবার রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে সিনিয়র সহকারী সচিব ফাতেমা তুল জান্নাত স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে মো. আবু বকর সিদ্দিককে দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান পদে নিয়োগ দেওয়া হয়। ২০১০ সালে তিনি উপাধ্যক্ষ হিসেবে দিনাজপুর সরকারি কলেজে যোগদান করেন। ২০১৪ সালে তিনি অধ্যক্ষ হন।

মো. আবু বক্কর সিদ্দিক ঠাকুরগাঁও জেলার পীরগঞ্জ উপজেলার ভাকুড়া গ্রামের বাসিন্দা। তিনি পীরগঞ্জ পাইলট বিদ্যালয় থেকে এসএসসি ও পীরগঞ্জ ডিগ্রি কলেজ থেকে এইচএসসি পাস করে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রসায়ন বিভাগে পড়াশোনা করেন। তাঁর বাবার নাম মো. লুৎফর রহমান ও মায়ের নাম জেবুন নেছা।

নিয়োগলাভের পর মো. আবু বকর সিদ্দিক প্রথম আলোকে বলেন, ‘শিক্ষা বোর্ডের সব কার্যক্রম যেন আবার প্রাণ ফিরে পায়, সেভাবেই কাজ করব। সব কর্মকর্তা-কর্মচারীকে নিয়ে দুর্নীতিমুক্ত একটি শিক্ষা বোর্ড উপহার দিতে চাই।’

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

দামুড়হুদাসহ বাংলাদেশের স্কুলে শিক্ষার ভয়াবহ চিত্র

নিউজ ডেস্ক:  বাংলাদেশে শিক্ষার মান নিয়ে সরকারের পরিচালিত এক গবেষণা বলছে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা তাদের প্রয়োজনীয় শিক্ষার মাত্র ৪০ শতাংশ স্কুল থেকে পাচ্ছে।

শিক্ষার্থীদের মূল্যায়ন শীর্ষক এই গবেষণায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষার মান নিয়ে আশঙ্কাজনক চিত্র ফুটে উঠেছে। খবর বিবিসির

পঞ্চম শ্রেণীর ৯০ শতাংশ শিক্ষার্থীরই গণিত শিক্ষার মান নিম্ন। অন্যদিকে, তৃতীয় শ্রেণীর ৩৫ শতাংশ শিক্ষার্থীর বাংলা ভাষা শিক্ষার মান নিম্ন।

বাংলাদেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সংখ্যা ৬৩ হাজার ৬০০। শিক্ষার্থীর সংখ্যা ২কোটি ১৯ লাখ। ফলে, শিক্ষা গবেষকরা বলেন, এই সব স্কুলের শিক্ষার মানের সাথে দেশের সামগ্রিক শিক্ষার মানের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে।

বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় শিক্ষা গবেষক ও সাবেক তত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা রাশেদা কে চৌধুরী বলেছেন প্রাথমিক স্তরে শিক্ষার মান এবং অপ্রতুলতা খুবই উদ্বেগজনক। তিনি বলেন, তাদের পরিচালিত ২০১৫ সালের এক সমীক্ষায় দেখা গেছে স্কুলে শিক্ষা না পেয়ে শিক্ষার্থী কোচিং নির্ভর হয়ে পড়ছে।

সরকারের প্রাথমিক এবং গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব গিয়াস-উদ্দিন আহমেদ বলেন, তারা এই গবেষণার ফলাফল গ্রহণ করছেন এবং সমস্যা সমাধানের উপায় নিয়ে গভীরভাবে চিন্তা-ভাবনা করছেন।

গণিতের শিক্ষার মান উন্নয়নে প্রাথমিক স্কুল স্তরে বিভিন্ন প্রতিযোগিতার কথা ভাবা হচ্ছে বলে তিনি জানান।

তবে ঢাকার এক স্কুলের একজন প্রাথমিক শিক্ষক বলেছেন, এই পরিস্থিতির প্রধান কারণ হলো শিক্ষক স্বল্পতা।

ঢাকার আমতলী স্টাফ কোয়ার্টার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক ফাতিমা শারমিন জানান, তার স্কুলে ৫২৯ জন শিক্ষার্থীর বদলে শিক্ষক রয়েছে মাত্র ১০ জন।

অর্থাৎ একজন শিক্ষককে গড়ে ৫০ জনেরও বেশি শিক্ষার্থীকে সামলাতে হয় যেখানে সরকারি নীতিতেই এই সংখ্যা ৩০ জনের বেশি হওয়ার কথা নয়। গ্রামাঞ্চলে এই চিত্র আরো বেশি খারাপ।

প্রধান শিক্ষক সমিতির সিনিয়ার যুগ্ন সাধারন সম্পাদক স্বরুপ দাস বলেন শিক্ষকদের শ্রেণিকক্ষে থাকার চেয়ে আনুষাঙ্গিক কাজে বেশি ব্যস্ত রাখা হয়। এতে করে শিক্ষার্থীরা সঠিকভাবে শিক্ষা লাভ করতে পারে না। শি জরীপের নামে শিক্ষকদের করা হয় হয়রানী।

তিনি আরও বলেন একজন শিক্ষক যদি গণিতের যোগ শেখান তবে তাকে আগে ভাবে পাঠটীকা লিখতে হয়।  এটা না লিখলে কি ক্ষতি হয় তা আমাদের জানা নেই।

‘এমনিতেই শিক্ষার্থীর সংখ্যা অনেক বেশি, তারপর একেকজনের মেধার স্তর একেক রকম। সবার প্রতি আমরা প্রয়োজনীয় নজর দিতে পারছি না, ফলে অনেক কম-মেধার ছাত্র-ছাত্রী হারিয়ে যাচ্ছে।’

‘প্রশিক্ষণের সময় আমাদের শেখানো হয় ক্লাস নেওয়ার আগে প্রস্তুতি নিতে, কিন্তু সময় কোথায়?’

বর্তমান সরকার প্রাথমিক শিক্ষায় শিক্ষার্থীর সংখ্যা বাড়ানো এবং ঝরে না পড়ার দিকে নজর দিলেও, শিক্ষার মান নিয়ে দিন দিন আশঙ্কা তৈরি হচেছ।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

এনবিআরে ২২ আইটি কর্মকর্তা নিয়োগ

অর্থনৈতিক  প্রতিবেদক :

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) দাপ্তরিক কার্যক্রমে আরো গতি আনতে সিনিয়র সিস্টেম অ্যানালিস্ট, সিস্টেম অ্যানালিস্ট, সিনিয়র প্রোগ্রামার ও প্রোগ্রামারসহ ২২ জনকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

বাংলাদেশ সরকারি কর্মকমিশন সচিবালয়ের সুপারিশের পরিপ্রেক্ষিতে এনবিআরের আওতাধীন আয়কর, শুল্ক ও মূসক কমিশনারেটে সরাসরি কোটায় শূন্য পদে তাদের নিয়োগ দেয় অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ।

নিয়োগকৃতদের মধ্যে রয়েছে ১ জন প্রোগ্রামার, ২ জন সিস্টেম এনালিস্ট, ৫ জন প্রোগ্রামার ও ১০ জন সহকারী প্রোগ্রামার। গত ৩০ নভেম্বর তাদের নিয়োগ দেওয়া হয়। ২২ জনের মধ্যে ৪ জন মুক্তিযোদ্ধার সন্তান।

এনবিআরের জনসংযোগ কর্মকর্তা সৈয়দ এ মু’মেন এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

সোমবার ৪ সহকারী প্রোগ্রামার ব্যতিত ১৮ জন এনবিআরে যোগদানপত্র দাখিল করেছেন। এনবিআর সম্মেলন কক্ষে এনবিআর চেয়ারম্যান মো. নজিবুর রহমানের তাদের ফুলেল শুভেচ্ছা জানান।

অভিনন্দন জানিয়ে চেয়ারম্যান বলেন, ডিজিটাল এনবিআর গঠনে সরকার কাজ করছে। প্রযুক্তির সহায়তায় জনগণের দোরগোড়ায় করসেবা পৌঁছে যাচ্ছে। মানুষ উন্নত সেবা পাচ্ছেন। ফলে কর প্রদানে আগ্রহী হচ্ছেন।

তিনি বলেন, এনবিআরের প্রতিটি কাজে প্রযুক্তি ছোঁয়া লেগেছে। আমরা প্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহার করে প্রযুক্তি নির্ভর এনবিআর গঠন করতে কাজ করছি। নতুন আইটি কর্মকর্তা নিয়োগের মাধ্যমে কাজে আরো গতি আসবে।

চেয়ারম্যান নবীন কর্মকর্তাদের সরকারের ভিশন বাস্তবায়নে সততা ও নিষ্ঠার সাথে কাজ করার নির্দেশ দেন। এ সময় এনবিআরের সদস্য ও কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

কোচিং বাণিজ্য : ৯৭ শিক্ষকের বিরুদ্ধে সুপারিশ মন্ত্রিপরিষদে

কোচিং বাণিজ্যের সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত রাজধানীর আট নামিদামি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ৯৭ জন শিক্ষকের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক চূড়ান্ত সুপারিশ মন্ত্রিপরিষদে পাঠিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

অনুসন্ধানের চূড়ান্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার প্রায় দুই মাস পর কমিশন থেকে ওই সুপারিশ রোববার মন্ত্রিপরিষদ সচিব বরাবর পাঠানো হয়েছে। দুদকের জনসংযোগ দপ্তর  এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

দুদক সচিব ড. শামসুল আরেফিন সই করা চিঠিতে পাঁচটি বিষয়ে সুপারিশ করা হয়েছে। চিঠির প্রথম দুই সুপারিশে এমপিওভুক্ত চারটি বিদ্যালয় ও চারটি সরকারি বিদ্যালয়ের ৯৭ জন শিক্ষকের বিরুদ্ধে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের কোচিং বাণিজ্য বন্ধ নীতিমালা, ২০১২ অনুযায়ী শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বলা হয়েছে।

এর মধ্যে এমপিওভুক্ত চারটি বিদ্যালয়ের ৭২ জন শিক্ষকের বিরুদ্ধে নীতিমালা অনুযায়ী শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের কমিটি সভাপতি ও পরিচালনা পর্ষদকে অনুরোধ করা হয়েছে। অন্যদিকে সরকারি বিদ্যালয়ের ২৫ জন শিক্ষকের বিরুদ্ধে নীতিমালা ও সরকারি কর্মচারী বিধিমালা, ১৯৮৫ অনুযায়ী শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।

কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতিঝিল শাখার ৩২ জন ও বনশ্রী শাখার চারজনসহ মোট ৩৬ জন, মতিঝিল মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজের ২৪ জন, ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের সাতজন, রাজউক উত্তরা মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজের পাঁচজন, মতিঝিল সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের ১২ জন, মতিঝিল সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের চারজন, খিলগাঁও সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের একজন ও গভর্নমেন্ট ল্যাবরেটরি হাই স্কুলের আটজন শিক্ষকসহ ৯৭ জনের বিরুদ্ধে নেওয়া হবে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা।

তবে দুদক টিমের সুপারিশে মনিপুর উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের ১৪ শিক্ষকের নাম থাকলেও চূড়ান্ত সুপারিশে তাদের নাম বাদ দেওয়া হয়েছে।

শাস্তির বিষয়ে চিঠিতে আরো বলা হয়েছে, কোচিং বাণিজ্য রোধে এর সঙ্গে জড়িত শিক্ষকদেরকে সরকারি নীতিমালা অনুযায়ী এক বিদ্যালয় হতে অন্য বিদ্যালয়ে, এক শাখা হতে অন্য শাখায়, দিবা শিফট হতে প্রভাতী শিফটে বা প্রভাতী শিফট হতে দিবা শিফটে নির্দিষ্ট সময় অন্তর অন্তর বদলির জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ করা যেতে পারে। যারা একইসঙ্গে দীর্ঘদিন একই প্রতিষ্ঠানে বহাল থেকে কোচিং বাণিজ্যের সঙ্গে যুক্ত থেকে অনৈতিকভাবে অর্থ উপার্জন করেছেন তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া যেতে পারে। কারণ এ জাতীয় আয়ে কোনো প্রকার ভ্যাট বা কর দেওয়া হয় না। ফলে এভাবে উপর্জিত আয় অনুপর্জিত আয়ে পরিণত হয়, যা সংবিধানের ২০ (২) অনুচ্ছেদের লঙ্ঘন। যেখানে বলা হয়েছে, ‘রাষ্ট্র এমন অবস্থাসৃষ্টির চেষ্টা করিবেন, যেখানে সাধারণ নীতি হিসাবে কোন ব্যক্তি অনুপার্জিত আয় ভোগ করিতে সমর্থ হইবেন না।’ এ ছাড়া কোচিং বন্ধে আইন প্রণয়নের কথা বলা হয়েছে সুপারিশে।

এ বিষয়ে দুদক সচিব ড. শামসুল আরেফিন  বলেন, ‘দুদকের ঢাকা বিভাগীয় কার্যালয় থেকে অনুসন্ধান প্রতিবেদন জমা দেওয়ার পর কমিশন তা যাচাই-বাছাই শেষে সুপারিশ চূড়ান্ত করেছে।’

এর আগে অক্টোবরের প্রথম সপ্তাহে অনুসন্ধান শেষে কোচিং বাণিজ্যের সঙ্গে সম্পৃক্ত ১১১ শিক্ষকদের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট তথ্য-প্রমাণসহ এ পর্যায়ের চূড়ান্ত অনুসন্ধান প্রতিবেদন কমিশনে জমা দেয় দুদকের অনুসন্ধান টিম। অনুসন্ধান পর্যায়ে দুদক টিম বেশ কয়েকবার রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও কোচিং সেন্টারে অভিযান পরিচালনা করে।

অভিযুক্ত শিক্ষকদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি সুনির্দিষ্ট শাস্তির বিধান রেখে কোচিং বাণিজ্য বন্ধে আইন প্রণয়নের সুপারিশ করে কমিশনে প্রতিবেদন পেশ করেছে ঢাকা বিভাগীয় কার্যালয় থেকে। আপাতত আইনি সীমাবদ্ধতার কারণে কোনো ধরনের শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলা হয়নি প্রতিবেদনে।

এ বিষয়ে দুদকের ঢাকা বিভাগীয় কার্যালয়ের উপপরিচালক ও টিম প্রধান মোহাম্মদ ইব্রাহীম  বলেন, ‘আমরা আমাদের সাধ্যমত পরিশ্রম দিয়ে অনুসন্ধান করে তথ্য-প্রমাণসহ প্রতিবেদন দুদকের প্রধান কার্যালয়ে জমা দিয়েছি। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নীতিমালা অনুযায়ী কোচিংয়ে জড়িত শিক্ষকদের বিরুদ্ধে সরাসরি শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা সম্ভব না হলেও কোচিংয়ে যুক্ত শিক্ষকদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করা হয়েছে। এখন কমিশন এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিবেন।’

২০১২ সালের ২০ জুন কোচিং বাণিজ্য বন্ধ করতে নীতিমালা তৈরি করে প্রজ্ঞাপন জারি করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। নীতিমালায় নিজ নিজ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের কোচিং অথবা প্রাইভেট পড়াতে নিষেধ করা হয়েছে। তবে কর্তৃপক্ষের অনুমতি সাপেক্ষে অন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সর্বোচ্চ ১০ জন ছাত্রছাত্রীকে নিজ বাসায় পড়ানোর সুযোগ রয়েছে। এক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠান প্রধানকে লিখিতভাবে ছাত্র-ছাত্রীর নাম ও রোল নম্বরসহ তালিকা জানাতে হবে। শুধু তাই নয়, সংশ্লিষ্ট শিক্ষকরা ওই ১০ শিক্ষার্থীর মধ্যে নিজ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের একজনকে পড়ালেও তাকে অভিযুক্ত হিসেবে চিহ্নিত করা হবে। কোচিং সেন্টারের নামে বাসা ভাড়া নেওয়ার ক্ষেত্রে বিধিনিষেধের কথা বলা হয়েছে। এমনকি কোনো শিক্ষক বাণিজ্যিকভাবে গড়ে ওঠা কোচিং প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত হতে পারবেন না।

শাস্তির বিষয়ে নীতিমালায় বলা হয়েছে, সরকারি বা এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক কোচিং বাণিজ্যে জড়িত থাকলে সাময়িক বা চূড়ান্ত বরখাস্ত, এমপিওভুক্ত শিক্ষক হলে এমপিও স্থাগিত, বাতিল, বেতন-ভাতাদি স্থগিত, বার্ষিক বেতন বৃদ্ধি স্থগিত, বেতন এক ধাপ অবনমিতকরণ ইত্যাদি শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া যাবে।

অভিযুক্ত শিক্ষকদের তালিকা :
আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ : নিজাম উদ্দিন কামাল (ইংরেজি), আব্দুল মান্নান (রসায়ন), উম্মে ফাতিমা (বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয়), মো. আজমল হোসেন (বাংলা), গোলাম মোস্তফা (গণিত), আশরাফুল আলম (রসায়ন), বাবু সুবাস চন্দ্র পোদ্দার (রসায়ন), লাভলী আখতার, তাসমিন নাহার, মতিনুর (ইংরেজি), উম্মে সালমা (ইংরেজি), মো. আব্দুল জলিল (ব্যবসায় শিক্ষা, মোহাম্মদ ফখরুদ্দীন (রসায়ন), মনিরা জাহান (ইংরেজি), ফাহমিদা খানম পরী (গণিত), লুৎফুন নাহার (গণিত), হামিদা বেগম (গণিত), নাজনীন আক্তার (গণিত), উম্মে সালমা (ইংরেজি), তৌহিদুল ইসলাম (ইংরেজি), সুরাইয়া জান্নাত (ইংরেজি), মো. সফিকুর রহমান-৩ (গণিত ও বিজ্ঞান), মো. শফিকুর রহমান সোহাগ (গণিত ও বিজ্ঞান), নুরুল আমিন (গণিত), মনিরুল ইসলাম (ইংরেজি), রফিকুল ইসলাম (সমাজ বিজ্ঞান), গোলাম মোস্তফা (গণিত), অহিদুজ্জামান (বাংলা), মাকসুদা বেগম মালা, আলী নেওয়াজ আলম করিম, মো. আবুল কালাম আজাদ ও মো. আব্দুর রব এবং বনশ্রী শাখার মো. শফিকুল ইসলাম (ইংরেজি), মো. মাহবুবুর রহমান (পদার্থ বিজ্ঞান), মো. মোয়াজ্জেম হোসেন (গণিত) ও আব্দুল হালিম (গণিত)।

মতিঝিল মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ : সহকারী প্রধান শিক্ষক এনামুল হক, মেজবাহুল ইসলাম (ইংরেজি), সুবীর কুমার সাহা (গণিত), মো. সাইফুল ইসলাম,  মোহনলাল ঢালী, বাসুদেব সমদ্দার, বকুল বেগম, আসাদ হোসেন (ইংরেজি), প্রদীপ কুমার বসাক, আবুল খায়ের, শারমীন খানম, মো. কবীর আহমেদ, খ ম কবির আহমেদ, মো. দেলোয়ার হোসেন,  মাও. কামরুল হাসান, মো. রুহুল আমিন-২, মো. কামরুজ্জামান, শেখ শহীদুল ইসলাম, শুকদেব ঢালী, হাসান মঞ্জুর হিলালী, আমান উল্লাহ আমান, হামিদুল হক খান, রমেশ চন্দ্র বিশ্বাস ও চন্দন রায়।

ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজ : প্রভাতি শাখার সহকারী শিক্ষক কামরুন্নাহার চৌধুরী (ইংলিশ ভার্সন), ড. ফারহানা (পদার্থবিজ্ঞান), সুরাইয়া নাসরিন (ইংরেজি), লক্ষ্মী রানী, ফেরদৌসী ও নুশরাত জাহান।

রাজউক উত্তরা মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ : এ বি এম মইনূল ইসলাম (গণিত), মো. আলী আকবর (গণিত), মো. রেজাউর রহমান (গণিত), মোহাম্মদ কামরুল ইসলাম (ইংরেজি) ও মোহাম্মদ কামরুজ্জামান (রসায়ন)।

মতিঝিল সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় : প্রভাতি শাখার সহকারী শিক্ষক আবুল হোসেন মিয়া (ভৌতবিজ্ঞান), মো. মোখতার আলম (ইংরেজি), মো. মাইনুল হাসান ভূঁইয়া (গণিত), মুহাম্মদ বেলায়েত হোসেন (গণিত), মুহাম্মদ আফজালুর রহমান (ইংরেজি), মো. ইমরান আলী (ইংরেজি), দিবা শাখার সহকারী শিক্ষক মোহাম্মদ কবীর চৌধুরী, এ বি এম ছাইফুদ্দীন ইয়াহ, মো. মিজানুর রহমান, মো. আবুল কালাম আজাদ, মো. জহিরুল ইসলাম ও সহকারী শিক্ষক মো. জামাল উদ্দিন বেপারী।

মতিঝিল সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় : প্রভাতি শাখার সহকারী শিক্ষিক নূরুন্নাহার সিদ্দিকা (সামাজিক বিজ্ঞান), দিবা শাখার সহকারী শিক্ষক শাহ মো. সাইফুর রহমান (গণিত), মো. শাহ আলম (ইংরেজি), মোসা. নাছিমা আক্তার (ভূগোল)।

গভর্নমেন্ট ল্যাবরেটরি হাই স্কুল : মো. শাহজাহান সিরাজ (গণিত), মোহাম্মদ ইসলাম (গণিত), জাকির হোসেন (গণিত), মো. শাহজাহান (গণিত), মো. আবদুল ওয়াদুদ খান (সামাজিক বিজ্ঞান), মো. আলতাফ হোসেন খান (ইংরেজি), মো. আযাদ রহমান (ইংরেজি) ও রণজিৎ কুমার শীল (গণিত)।

খিলগাঁও সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মো. নাছির উদ্দিন চৌধুরী।

দুদক ছয় সদস্যের অনুসন্ধান টিমের অন্যান্য সদস্যরা হলেন- সহকারী পরিচালক মো. জাহাঙ্গীর আলম, মো. আবদুল ওয়াদুদ, মনিরুল ইসলাম, ফজলুল বারী ও উপসহকারী পরিচালক আতাউর রহমান।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

শেকৃবির ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ

বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক: রাজধানীর শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক প্রথমবর্ষের ভর্তি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে। সোমবার বিকেল সাড়ে ৫টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. কামাল উদ্দিন আহাম্মদ প্রশাসনিক ভবনে কেন্দ্রীয় ভর্তি অফিসে আনুষ্ঠানিকভাবে এই ফলাফল প্রকাশ করেন।

এরপর তা নোটিশ বোর্ডে উন্মুক্ত করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে ও নোটিশ বোর্ডে ফলাফল পাওয়া যাবে।

প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, মূল মেধাতালিকা থেকে ভর্তি ২০ ও ২১ ডিসেম্বর এবং ক্লাস শুরু হবে ২ জানুয়ারি থেকে। মেধা ও অপেক্ষামাণ তালিকায় থাকা শিক্ষার্থীদের ৬ ডিসেম্বর থেকে ১০ ডিসেম্বর বিকেল ৫টার মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে অনুষদভিত্তিক অপশন পূরণ করতে হবে।

এবারের ভর্তি পরীক্ষায় এককভাবে প্রাপ্ত সর্বোচ্চ নম্বর ৮৩। প্রাপ্ত নম্বর এবং এসএসসি ও এইচএসসির জিপিএর ভিত্তিতে মেধাতালিকা তৈরি করা হয়েছে। অপেক্ষামাণ তালিকা থেকে ভর্তি করা হবে ২৬ ডিসেম্বর। অটোমাইগ্রেশন ফলাফলসহ অপেক্ষমাণ তালিকা ২৪ ডিসেম্বর প্রকাশ করা হবে।

ভর্তি বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট www.sau.edu.bd থেকে জানা যাবে।

উল্লেখ্য, চারটি অনুষদে ৬৮২টি আসনের বিপরীতে ৩৮ হাজার ১৬৩ জন শিক্ষার্থী আবেদন করেন। গত ১ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত ভর্তি পরীক্ষায় এক আসনের বিপরীতে গড়ে ৫৬ জন ভর্তিযুদ্ধে অংশ নেন।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

ইবির ‘এইচ’ ইউনিটের ফল প্রকাশ

বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক: ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষে ১ম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষার আইন ও শরীয়াহ অনুষদভুক্ত ‘এইচ’ ইউনিটের ফল প্রকাশিত হয়েছে। সোমবার রাত ৮টার দিকে ‘এইচ’ ইউনিটের সমন্বয়কারী অধ্যাপক নূরুন নাহার বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক হারুন-উর-রশিদ আসকারীর কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে ফল হস্তান্তর করেন।

এ সময় উপ-উপাচার্য অধ্যাপক শাহিনুর রহমান, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক সেলিম তোহা, আইন বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক জহুরুল ইসলাম, আল-ফিকহ অ্যান্ড লিগ্যাল স্টাডিজ বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক এ কে এম নুরুল ইসলাম এবং আইন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক আরমিন খাতুন উপস্থিত ছিলেন।

‘এইচ’ ইউনিটে ২৪০টি আসনের বিপরীতে ১০ হাজার ৭৫১ জন শিক্ষার্থী আবেদন করেন। এর মধ্যে ৯ হাজার ২৫২ জন পরীক্ষায় উপস্থিত থেকে ৩ হাজার ৮৯৬ জন পরীক্ষার্থী উত্তীর্ণ হন। উত্তীর্ণদের মধ্য হতে ১ম শিফটের মেধাক্রম ১ থেকে ১৪৭ পর্যন্ত আগামী ১২ ডিসেম্বর এবং ২য় শিফটের মেধাক্রম ১ থেকে ৯৩ পর্যন্ত ভর্তিচ্ছুদের আগামী ১৩ ডিসেম্বর সকাল ১০টা হতে দুপুর ১টা পর্যন্ত মৌখিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

ভর্তি সংক্রান্ত যে কোনো তথ্য বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে (www.iu.ac.bd) পাওয়া যাবে।

উল্লেখ্য, গত ৩ ডিসেম্বর দুপুর দেড়টা থেকে আড়াইটা এবং বিকেল সাড়ে ৩টা থেকে সাড়ে ৪টা পর্যন্ত মোট দুই শিফটে ‘এইচ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

গাজীপুরে ৪ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা

জেলা প্রশাসকের জারি করা গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশের ৪৮ ঘণ্টা পরও ব্যানার ফেস্টুন অপসারণ না করায় গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের চার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে ৫৫ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

গাজীপুরের এনডিসি ও নির্বাহী ম্যাজিস্টেট মো. কুদরত-এ-খোদা জানান, সোমবার ছয়টি ভ্রাম্যমাণ আদালত জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, হাড়িনাল, দক্ষিণ ছায়াবিথী, রেল স্টেশন ও চান্দনা চৌরাস্তা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেন। এ সময় অবৈধভাবে লাগানো ব্যানার জেলা প্রশাসকের নির্দেশনা মতে অপসারণ না করায় চান্দনা চৌরাস্তায় শাহীন স্কুলকে ১০ হাজার এবং অগ্রণী মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ, মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজ ও জ্ঞানবিকাশ কোচিং সেন্টারকে ১৫ হাজার করে ৪৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। সতর্ক করা হয় ই-হক ও স্মৃতি কোচিং সেন্টারকে।

তিনি আরও জানান, নগরীর সৌন্দর্য নষ্ট করে লাগানো বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ব্যানার গত বৃহস্পতিবার ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে অপাসারণের নির্দেশ দিয়ে গণবিজ্ঞপ্তি জারি করেছিলেন জেলা প্রশাসক ড. মুহাম্মদ দেওয়ান হুমায়ূন কবীর। সে নির্দেশ না মানায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে চারটি প্রতিষ্ঠানকে এ জরিমানা করা হয়।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

মোবাইলে দ্রুত চার্জ দেবেন যেভাবে

তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক : নতুন মোবাইল ফোন কেনার পর চার্জিং নিয়ে সেভাবে সমস্যা হয় না। কিন্তু ফোন একটু পুরনো হতেই সমস্যা বাড়তে থাকে। ফোন ফুল চার্জ হতে অনেক সময় লেগে যায়। তবে কিছু নিয়ম মানলে ফোন দ্রুত চার্জ করা সম্ভব। যেমন, ফোন একটু পুরনো হলে নিয়মিত সেটিকে আপডেট করা। এর ফলে ফোন যেমন স্লো হবে না, তেমনি ফোনের ব্যাটারিও ভাল থাকবে। ব্র্যান্ডেড চার্জার ব্যবহার করা। কম্পিউটার বা ওয়্যারলেস চার্জিং করলেও চার্জ হতে সময় বেশি লাগে। ফলে প্লাগ পয়েন্ট থেকে ফোন চার্জ করাই শ্রেয়।

চার্জিংয়ের সময়ে যেসব নিয়ম মেনে চলবেন :
১. ফোন চার্জে বসানোর সময়ে ব্যাটারির সেভিং মোড অন করে দিতে পারেন।
২. ফোন চার্জ করার সময়ে ফ্লাইট মোড অ্যাক্টিভেট করে দিন। এর ফলে কলিং, ইন্টারনেট ও জিপিএস সবই বন্ধ থাকবে।
৩. যেখানে ফোন চার্জ করছেন সেই জায়গাটি খুব গরম বা ঠান্ডা হলে চার্জিংয়ে বেশি সময় লাগে। অতিরিক্ত গরমে ফোন চার্জ করলে ফোনের তাপমাত্রাও বেড়ে যায়। ফলে অত্যন্ত ধীর গতিতে ফোন চার্জ হয়।
৪. ফোন যদি অফ করে চার্জ দেন, তা হলেও সেটি দ্রুত চার্জ হবে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

কামিল প্রথমবর্ষের ফল প্রকাশ

নিজস্ব প্রতিবেদক : ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে কামিল প্রথমবর্ষের ফল প্রকাশ হয়েছে। সোমবার বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, কামিল ২০১৫-১৬ সেশনে পরীক্ষার ফল প্রকাশিত হয়েছে। এবার দেশের ১৩০ পরীক্ষা কেন্দ্রে এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। পাঁচটি বিষয়ে মোট ১৮ হাজার ২৪৯ শিক্ষার্থী এবারের পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন। যার মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছেন ১৭ হাজার ৬৮১ জন।

ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মুহাম্মদ আহসান উল্লাহ মেধা তালিকায় উত্তীর্ণদের অভিনন্দন জানিয়ে সকলকে স্ব-স্ব ক্ষেত্রে মেধা ও যোগ্যতা দিয়ে দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করার আহ্বান জানান।

পরীক্ষার ফল বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট www.iau.edu.bd থেকে জানা যাবে।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

এনটিআরসিএ’র মাধ্যমে সহকারী প্রধান শিক্ষক নিয়োগের দাবি

নিজস্ব প্রতিবেদক : বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ) কর্তৃক সহকারী প্রধান শিক্ষক নিয়োগের দাবি জানিয়েছে অভিভাবক ফোরাম। সোমবার অভিভাবক ঐক্য ফোরমের পাঠানো এক বিবৃতিতে এ দাবি জানানো হয়।

ফোরামের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. জিয়াউল কবির দুলু ও সাধারণ সম্পাদক মো. সেলিম উদ্দিন এক যুক্ত বিবৃতিতে বলেন, সংগঠনের দাবির মুখে সরকার সারাদেশের সহকারী শিক্ষক পদে এনটিআরসিএ’র মাধ্যমে নিয়োগ সম্পন্ন করছে। অথচ সহকারী প্রধান শিক্ষক পদে নিয়োগের কোনো সিদ্ধান্ত না নিয়ে গভর্নিং বডি/ম্যানেজিং কমিটি স্বেচ্ছাচারিতা ও মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে নিয়োগ দিচ্ছে। উদাহারণ হিসেবে সম্প্রতি মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজে সহকারী প্রধান শিক্ষক পদে নিয়োগ পরীক্ষা নিয়ে বির্তকের বিষয়টি উল্লেখ করা হয়।

বিবৃতিতে তারা বলেন, ভবিষ্যতে যাতে আর সহকারী প্রধান শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে কোনো বিতর্ক না উঠে তাই গভর্নিং বডি/ম্যানেজিং কমিটির ক্ষমতা খর্ব করে বেসরকারি স্কুলে এনটিআসিএ’র মাধ্যমে সহকারী প্রধান শিক্ষক নিয়োগের দাবি জানানো হয়েছে। অবিলম্বে শিক্ষা মন্ত্রণালয় কর্তৃক এ বিষয়ে পরিপত্র জারি করারও দাবি জানান তারা।

Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail
hit counter